Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • India Pakistan: ‘‘প্রতিবেশীদের দোষারোপ পাকিস্তানের পুরনো অভ্যাস’’, পাক প্রতিরক্ষামন্ত্রীর মন্তব্যের কড়া প্রতিক্রিয়া ভারতের

    India Pakistan: ‘‘প্রতিবেশীদের দোষারোপ পাকিস্তানের পুরনো অভ্যাস’’, পাক প্রতিরক্ষামন্ত্রীর মন্তব্যের কড়া প্রতিক্রিয়া ভারতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তান দীর্ঘদিন ধরে সন্ত্রাসবাদকে আশ্রয় ও মদত দিয়ে আসছে। নিজেদের ব্যর্থতার দায় প্রতিবেশী দেশের উপর চাপিয়ে দেওয়া তাদের পুরনো অভ্যাস। আফগানিস্তানের (Pakistan Afghanistan) সঙ্গে সীমান্ত সংঘাতের মধ্যেই সন্ত্রাস ইস্যুতে পাকিস্তানকে সরাসরি আক্রমণ শানাল ভারত। বৃহস্পতিবার বিদেশ মন্ত্রকের (India Pakistan) মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল এমনই দাবি করেন। পাক-আফগান যুদ্ধে কার্যত আফগানিস্তানের পাশে দাঁড়িয়ে জয়সওয়াল বলেন, ‘‘আফগানিস্তান নিজেদের মাটিতে সার্বভৌমত্ব প্রতিষ্ঠা করেছে। তাতে পাকিস্তান ক্ষুব্ধ। আফগানিস্তানের সার্বভৌমত্ব, অখণ্ডতা এবং স্বাধীনতার প্রতি ভারত শ্রদ্ধাশীল।’’

    পাকিস্তান-আফগানিস্তান সংঘর্ষ

    আফগানিস্তানের তালিবান সরকারের বাহিনীর সঙ্গে সীমান্তে সংঘর্ষ বেঁধেছে পাকিস্তানের। এই পরিস্থিতিতে গা বাঁচাতে ফের ভারতকেই ঢাল করতে চাইলেন পাক মন্ত্রী। সম্প্রতি সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়েছিলেন পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খওজা আসিফ। আফগানিস্তানের সঙ্গে বর্তমান সম্পর্কের সমীকরণের প্রেক্ষাপটে কি ভারতের সঙ্গে সীমান্তে উত্তেজনার কোনও সম্ভাবনা রয়েছে? এই প্রশ্নের জবাবে খওজা আসিফ বলেন, ‘পাকিস্তান দুই তরফের সঙ্গেই যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত।’ এখানেই শেষ নয়, তিনি আরও দাবি করেছেন, ‘সীমান্তে ভারতের নোংরা নীতি নেওয়ার জোরালো সম্ভাবনা রয়েছে’। তাঁর দাবি, তাঁরা যে কোনও পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত।

    দিল্লির হয়ে ‘প্রক্সি যুদ্ধ’

    পাকিস্তানের (India Pakistan) প্রতিরক্ষামন্ত্রীর আরও অভিযোগ ছিল, দিল্লির হয়ে ‘প্রক্সি যুদ্ধ’ করছে তালিবান। যদিও এই সমস্ত অভিযোগ খারিজ করে দিয়েছে নয়াদিল্লি। বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বলেন, ‘অভ্যন্তরীণ ব্যর্থতা ঢাকতে প্রতিবেশীদের উপর দোষ চাপানো পাকিস্তানের পুরোনো স্বভাব।’ পাকিস্তান সন্ত্রাসবাদী সংগঠনগুলিকে আশ্রয় দেয় এবং সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপের পৃষ্ঠপোষকতা করে। আফগানিস্তানের সার্বভৌমত্ব, আঞ্চলিক অখণ্ডতা এবং স্বাধীনতার প্রতি ভারত সম্পূর্ণ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, এই বার্তা ছিল বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্রের। উল্লেখ্য, পাকিস্তান আফগানিস্তানের আকাশসীমা লঙ্ঘন করে সেই দেশে হামলা চালিয়েছিল বলে দাবি করেছিল তালিবান সরকার। তালিবানের দাবি ছিল, পাকিস্তানে সন্ত্রাসবাদীদের আশ্রয় দেওয়া হয়। উল্লেখ্য, গত বুধবার দুপুরে কাবুলে পাকিস্তানের এয়ারস্ট্রাইকের পরে আফগান-পাকিস্তান সংঘর্ষে বিরতি ঘোষণা করা হয়েছে।

    চিন্তিত পাকিস্তান

    দুই সীমান্তে দুই পড়শি দেশকে নিয়ে চিন্তিত পাকিস্তান (India Pakistan)। আফগানিস্তান সীমান্তে তালিবানের সঙ্গে সংঘাতের পর আপাতত সংঘর্ষবিরতির পথে হেঁটেছে পাকিস্তান। কিন্তু আর এক পড়শি ভারতকে নিয়ে চিন্তিত ইসলামাবাদ। পাকিস্তানের একটি টিভি চ্যানেলকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সেই আশঙ্কার কথাই জানিয়েছেন সে দেশের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খোয়াজা আসিফ। তাঁর দাবি, তালিবানের মতো পাকিস্তানের সঙ্গে সীমান্ত সংঘাতে জড়াতে পারে নয়াদিল্লি। সে কথা মাথায় রেখেই দ্বিমুখী যুদ্ধের জন্য পাকিস্তান প্রস্তুতি নিয়ে রাখছে বলে দাবি করেছেন তিনি। এমনকি বৃহস্পতিবার পাক মন্ত্রী আসিফ দাবি করেন, ভারতের মদতে যুদ্ধ চালাচ্ছে কাবুল। সংঘর্ষবিরতি ৪৮ ঘণ্টাও স্থায়ী হবে কি না, তা নিয়ে সন্দেহপ্রকাশ করেন তিনি। বলেন, ‘‘সংঘর্ষবিরতি আদৌ বজায় থাকবে কি না সন্দেহ আছে। এই সিদ্ধান্ত তো দিল্লি থেকে নেওয়া হচ্ছে।’’ তিনি আরও দাবি করেন, আফগান বিদেশমন্ত্রী আমির খান মুত্তাকির সাম্প্রতিক দিল্লি সফরের পিছনে “গোপন পরিকল্পনা” ছিল। উল্লেখ্য, ডুরান্ড লাইন বরাবর পাকিস্তানি ও আফগান সীমান্তরক্ষী বাহিনীর মধ্যে ভয়াবহ সংঘর্ষের কেন্দ্রে রয়েছে ‘তেহরিক-ই-তালিবান পাকিস্তান’ (টিটিপি)। এদিকে তালিবানের অভিযোগ, পাকিস্তান সরকার এবং সেনা ইসলামিক স্টেটের মতো জঙ্গি সংগঠনকে সাহায্য করছে। এদিকে পাকিস্তানের অভিযোগ, আফগানের তালিবান সরকার টিটিপি সদস্যদের আশ্রয় দিচ্ছে, যারা পাকিস্তানে হামলা করছে।

    ভারতের পাল্টা

    বৃহস্পতিবার বিদেশ মন্ত্রকের (India Pakistan) সাপ্তাহিক সাংবাদিক বৈঠকে পাক মন্ত্রীর এই মন্তব্যের প্রতিক্রিয়া জানতে চাওয়া হয়েছিল বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়ালের কাছে। তিনি বলেন, ‘‘আমরা পরিস্থিতির দিকে নজর রেখেছি। পাকিস্তান সন্ত্রাসবাদী সংগঠনগুলিকে আশ্রয় দেয়, সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপে মদত দেয়। প্রতিবেশীদের দোষারোপ করা ওদের পুরনো স্বভাব।’’ তিনি আরও জানান, “আমরা পরিস্থিতির উপর ঘনিষ্ঠভাবে নজর রাখছি। তিনটি বিষয় একেবারে পরিষ্কার — প্রথমত, পাকিস্তান সন্ত্রাসবাদী সংগঠনগুলিকে আশ্রয় দেয় ও তাদের কার্যকলাপকে সমর্থন করে। দ্বিতীয়ত, নিজেদের অভ্যন্তরীণ ব্যর্থতার দায় প্রতিবেশীদের ঘাড়ে চাপানো পাকিস্তানের অভ্যাস। তৃতীয়ত, আফগানিস্তান যখন নিজস্ব সার্বভৌমত্বের প্রয়োগ করছে, তখন তাতে পাকিস্তান ক্ষিপ্ত হয়েছে।” রণধীর জয়সওয়াল আরও বলেন,“ভারত আফগানিস্তানের সার্বভৌমত্ব, ভৌগোলিক অখণ্ডতা এবং স্বাধীনতার প্রতি সম্পূর্ণভাবে অঙ্গীকারবদ্ধ।”  ভারত বলছে, তালিবান বিদেশমন্ত্রী আমির খান মুত্তাকির দিল্লি সফর ছিল সম্পূর্ণরূপে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও সম্পর্ক উন্নয়ন বিষয়ক। প্রসঙ্গত, এটি প্রথম নয়, খাজা আসিফ প্রায়ই এ ধরনের ভিত্তিহীন এবং অযৌক্তিক অভিযোগ করে থাকেন, যা কোনও প্রমাণে টিকে না। সংবাদ সম্মেলনে রণধীর জানান, কাবুলে ভারতের একটি টেকনিক্যাল মিশন চালু রয়েছে। তিনি জানান, “এই মুহূর্তে কাবুলে আমাদের একটি টেকনিক্যাল মিশন কাজ করছে। খুব শিগগিরই এটি পূর্ণাঙ্গ দূতাবাসে রূপান্তরিত হবে।”

  • India-US Relations: মার্কিন প্রেসিডেন্টের দাবি অসত্য! ‘ফোনে কথাই হয়নি’ ট্রাম্প-মোদির, জানাল ভারত

    India-US Relations: মার্কিন প্রেসিডেন্টের দাবি অসত্য! ‘ফোনে কথাই হয়নি’ ট্রাম্প-মোদির, জানাল ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে কোনও কথাই হয়নি ভারতের (India-US Relations) প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির। বৃহস্পতিবার তা স্পষ্ট করে দিল নয়াদিল্লি। বৃহস্পতিবার সকালে ট্রাম্প দাবি করেন, রাশিয়ার থেকে তেল কেনা বন্ধ করার বিষয়ে বুধবার তাঁর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী মোদির (Donald Trump-Narendra Modi) কথা হয়েছে। তবে এদিন সাংবাদিক বৈঠকে ট্রাম্পের সেই দাবি খারিজ করে দিল ভারতের বিদেশ মন্ত্রক। মার্কিন প্রেসিডেন্টের এই দাবিকে নাম না করে মিথ্যাচার বলে অভিহিত করল ভারত। উল্লেখ্য, ভারত-পাক সংঘর্ষবিরতির সময়েও কৃতিত্ব দাবি করে ‘মিথ্যাচার’ করেছিলেন ট্রাম্প। এবার রুশ তেল কেনা নিয়েও তাঁর একই আচরণ।

    বিদেশমন্ত্রকের বিবৃতি

    বাণিজ্যশুল্ক নিয়ে আলাপ-আলোচনার মধ্যেই বড় দাবি করেছেন ট্রাম্প (Trump-Modi Meeting)। তাঁর দাবি, ফোনে ভারতের (India-US Relations) প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা হয়েছে তাঁর। বুধবার হোয়াইট হাউসে দাঁড়িয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট দাবি করেন, রাশিয়া থেকে আর তেল কিনবে না ভারত। খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি নাকি এই আশ্বাস দিয়েছেন। ট্রাম্পের সেই দাবি এবার উড়িয়ে দিল বিদেশমন্ত্রক। বৃহস্পতিবার বিদেশমন্ত্রকের বিবৃতিতে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়,অতি সম্প্রতি দুই রাষ্ট্রনেতার মধ্যে ফোনে কথাই হয়নি। বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেন, “আমেরিকা জ্বালানি নিয়ে যে মন্তব্য করেছে, আমরা ইতিমধ্যেই বিবৃতি দিয়েছি, যা তুলে ধরা যেতে পারে। আর ফোনে হোক বা সামনাসামনি আলোচনা, গতকাল কোনওটাই হয়নি প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মধ্যে। প্রধানমন্ত্রী এবং প্রেসিডেন্টের মধ্যে কোনও আলোচনা হয়নি।”

    মার্কিন প্রেসিডেন্টের অদ্ভুত দাবি

    রাশিয়ার থেকে তেল কেনা নিয়ে গত কয়েক মাস ধরেই টানাপোড়েন চলছে ভারত ও আমেরিকার মধ্যে। নিষেধাজ্ঞা এড়িয়ে রাশিয়ার থেকে তেল কেনার দরুণ ভারতের উপর দুই দফায় ৫০ শতাংশ শুল্ক চাপিয়েছেন ট্রাম্প। সেই নিয়ে আলোচনা-পর্যালোচনার মধ্যেই বুধবার বড় দাবি করেন ট্রাম্প। হোয়াইট হাউসে দাঁড়িয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রধানমন্ত্রী মোদীর সঙ্গে তাঁর বন্ধুত্ব ও ভারত-আমেরিকার সম্পর্ক নিয়ে কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী মোদীকে অসাধারণ মানুষ বলে অ্যাখ্য়া দেন তিনি। দীর্ঘ সময় ধরে মোদী যে প্রধানমন্ত্রী পদে রয়েছেন, সে কথাও উল্লেখ করেন। এরপরই ট্রাম্প দাবি করেন, রাশিয়ার থেকে তেল কেনা বন্ধ হবে বলে তাঁকে আশ্বস্ত করেছেন মোদি। ট্রাম্পকে বলতে শোনা যায়, “আজই আমাকে আশ্বস্ত করেছেন উনি (মোদি) যে, আর রাশিয়ার থেকে তেল কিনবেন না ওঁরা। এটা ব্রেকিং স্টোরি। তবে সঙ্গে সঙ্গে তো হয় না। এটা একটা প্রক্রিয়া। তবে শীঘ্রই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে। আমরা শুধু চাই প্রেসিডেন্ট পুতিন এসব বন্ধ করুন।” ভারত রাশিয়ার থেকে তেল কেনা বন্ধ করলেই যুদ্ধ থামানোর কাজ সহজ হবে বলে দাবি করেন ট্রাম্প। যুদ্ধ শেষ হলে ভারত আবারও রাশিয়ার কাছে ফিরে যেতে পারে বলেও দাবি করেন।

    ট্রাম্পের দাবি খারিজ করে ভারত

    ট্রাম্পের এই দাবি গোড়াতেই খারিজ করে দেয় ভারত (India-US Relations) । বিদেশ মন্ত্রকের তরফে বিবৃতি দিয়ে বলা হয়, “ভারত তেল ও গ্যাস আমদানিকারী গুরুত্বপূর্ণ দেশ। জ্বালানি ক্ষেত্রে যে ওঠাপড়া দেখা যায়, তার মধ্যে ভারতীয় গ্রাহকদের স্বার্থ রক্ষা করাই আমাদের লক্ষ্য। আমাদের আমদানি নীতিও এর উপর নির্ভরশীল। জ্বালানির দাম স্থিতিশীল রাখা ও ডোগান অব্যাহত রাখাই লক্ষ্য় থেকেছে বরাবর।” তবে ৯ অক্টোবর দু’দেশের রাষ্ট্রনেতার মধ্যে ফোনে কথা হয়েছিল বলে জানিয়েছেন রণধীর। বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র জানান, গত ৯ অক্টোবরের ফোনালাপের সময়ে গাজা শান্তিচুক্তির সাফল্যের জন্য ট্রাম্পকে অভিনন্দন জানিয়েছিলেন মোদি। বাণিজ্যচুক্তি নিয়ে আলোচনা কী অবস্থায় রয়েছে, তা-ও পর্যালোচনা করেন তাঁরা। উভয়েই এ বিষয়ে পরস্পরের সঙ্গে যোগাযোগ রাখার বিষয়ে সম্মত হন।

    ভারতীয় গ্রাহকদের স্বার্থ রক্ষাই লক্ষ্য

    ভারতে রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত ডেনিস আলিপভও এ নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানান। তিনি বলেন, “ভারত এবং আমেরিকা, স্বাধীন ভাবে সিদ্ধান্তগ্রহণের অধিকার আছে দুই দেশেরই। আমরা তাতে হস্তক্ষেপ করি না। আমাদের তেল আমদানি করে ভারতের অর্থনীতির লাভ হয়েছে, ভারতীয় নাগরিকরা উপকৃত হয়েছেন। আমেরিকা এবং ভারতের যেমন দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক (India-US Relations) রয়েছে, রাশিয়া এবং ভারতের মধ্যেও দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক রয়েছে।” সোভিয়েত আমল থেকেই মস্কোর সঙ্গে নয়াদিল্লির সম্পর্ক যথেষ্ট মজবুত। ঠান্ডা যুদ্ধের আমলেও দ্বিমেরুকৃত বিশ্বে বহু ঘটনায় ভারতের পাশে দাঁড়িয়েছে তারা। সোভিয়েত ইউনিয়ান ভেঙে যাওয়ার পরেও, এমনকি পুতিনের আমলেও রাশিয়ার সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক অটুটই থেকেছে। তেল আমদানি নিয়ে মার্কিন চাপের মুখে এর আগে ভারত বহু বার জানিয়েছে, জাতীয় স্বার্থের কথা মাথায় রেখেই সিদ্ধান্ত নেবে তারা। তবে একই সঙ্গে সাউথ ব্লক জানিয়েছে, ভারত তেল কেনার বাজারকে আরও বিস্তৃত এবং‌ বৈচিত্রময় করতে চায়। এই সূত্রেই ভারত জানিয়েছে, জ্বালানি নিয়ে দ্বিপাক্ষিক বোঝাপড়া বৃদ্ধি করতে আমেরিকার সঙ্গে তাদের আলোচনা চলছে।

  • Andaman: আন্দামান হবে পরবর্তী গ্লোবাল ইন্টারনেট হাব! গুগলের ‘ভারত এআই শক্তি’ ইভেন্টে কী বললেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী?

    Andaman: আন্দামান হবে পরবর্তী গ্লোবাল ইন্টারনেট হাব! গুগলের ‘ভারত এআই শক্তি’ ইভেন্টে কী বললেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জকে একটি গ্লোবাল ইন্টারনেট ডেটা হাবে রূপান্তর করার পরিকল্পনা রয়েছে কেন্দ্রের। ১৪ই অক্টোবর, গুগলের ‘ভারত এআই শক্তি’ ইভেন্টে কেন্দ্রীয় রেল, টেলিকম ও আইটি মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব জানান , সিঙ্গাপুর ইতিমধ্যেই ওভারলোডেড, তাই আন্দামান তার পরিবর্ত হিসেবে গ্লোবাল ডেটা ট্রান্সফারের জন্য গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হতে পারে। তাঁর কথায় , “আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ একটি কৌশলগত অবস্থানে অবস্থিত। সিঙ্গাপুর এখন অতিরিক্ত চাপে রয়েছে। তাহলে কেন আমরা আন্দামানকে পরবর্তী গ্লোবাল ইন্টারনেট হাব হিসেবে তৈরি করতে পারব না?” সরকার এই প্রকল্পে সম্পূর্ণ সহায়তা দেবে বলেও তিনি আশ্বস্ত করেন।

    গ্লোবাল ডেটা ফ্লো উন্নত করতে সহায়ক

    কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণবের দাবি, আন্দামান হতে পারে সাউথইস্ট এশিয়া, অস্ট্রেলিয়া সহ অন্যান্য অঞ্চলের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ কেবল নোড। যা গ্লোবাল ডেটা ফ্লো উন্নত করতে সহায়ক হবে। তিনি বিশাখাপত্তনম (ভাইজাগ) থেকে সিত্তওয়ে (মায়ানমার) পর্যন্ত ডিজিটাল কানেক্টিভিটি স্থাপনের প্রস্তাবও দেন। এই কানেকশনে মিজোরাম পর্যন্ত সমুদ্রের পাশ দিয়ে কেবল সম্প্রসারিত হলে উত্তর-পূর্ব ভারতের কানেক্টিভিটি অনেকটাই বাড়বে, বলে মনে করেন তিনি। তাঁর কথায়, যা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির পরিকল্পনা মতো সাইরাং পর্যন্ত রেললাইন ইতিমধ্যেই সম্পূর্ণ হয়েছে, এখন তা মায়ানমার সীমান্ত পর্যন্ত বাড়ানোর কাজ চলছে।

    ভারতের ডিজিটাল ভবিষ্যতের মেরুদণ্ড

    বৈষ্ণব কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) কে ভারতের ডিজিটাল ভবিষ্যতের মেরুদণ্ড হিসেবে বর্ণনা করে বলেন, গুগল তাদের টেনসর প্রসেসিং ইউনিট (TPU) ভারতে আনার পরিকল্পনা করছে। এটি ‘ইন্ডিয়া এআই মিশন’-এর আওতায় কমন কম্পিউট ইনফ্রাস্ট্রাকচার গঠনে সহায়ক হবে। মন্ত্রী আইটি পেশাদারদের রি-স্কিল ও আপ-স্কিলের জন্য গুগলকে আহ্বান জানান। এর ফলে আইটি কর্মীরা এআই প্রযুক্তির দ্রুত পরিবর্তিত ধারার সঙ্গে মানিয়ে নিতে পারবেন। তিনি বলেন, এআই একটি গুরুত্বপূর্ণ বৃদ্ধিশীল খাত এবং এ ক্ষেত্রেই ভারতকে বিশ্ব নেতৃত্বে নিয়ে যাওয়া সম্ভব। গুগল সম্প্রতি ঘোষণা করেছে, তারা বিশাখাপত্তনমে একটি এ আই হাব স্থাপন করবে, যেখানে গুগলের সম্পূর্ণ এ আই স্ট্যাক ব্যবহার করা হবে। এটি ভারতের এ আই রূপান্তরকে গতি দেবে বলে মনে করা হচ্ছে। গুগল জানিয়েছে, তারা ২০২৬ থেকে ২০৩০ সালের মধ্যে ভারতে প্রায় ১৫ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করবে, যা গুগলের ভারতের জন্য এ যাবৎকালের সবচেয়ে বড় বিনিয়োগ। এই উদ্যোগ ‘বিকশিত ভারত ভিশন’-এর সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ, যার লক্ষ্য দেশব্যাপী ডিজিটাল ও এ আই পরিকাঠামোকে শক্তিশালী করা।

    ভারতে ৯০০ মিলিয়নেরও বেশি ইন্টারনেট ব্যবহারকারী

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি জানিয়েছেন গুগলের এআই হাব উদ্বোধন ভারতের ‘ডিজিটাল ইন্ডিয়া’ ভিশনের সঙ্গে পুরোপুরি সামঞ্জস্যপূর্ণ। এই বহুমুখী বিনিয়োগ প্রযুক্তিকে সবার জন্য সহজলভ্য করবে, ‘এআই ফর অল’-এর লক্ষ্য পূরণে সহায়ক হবে এবং ভারতের ডিজিটাল অর্থনীতিকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে। প্রসঙ্গত, ভারতে ৯০০ মিলিয়নেরও বেশি ইন্টারনেট ব্যবহারকারী থাকায়, এটি বর্তমানে সারা বিশ্বের মধ্যে একটি অন্যতম বড় বাজারে পরিণত হয়েছে। এই দৌড়ে গুগল-এর আগে থেকেই রয়েছে আরও নানা কোম্পানি। মাইক্রোসফট ও অ্যামাজন পূর্বেই ভারতে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করেছে। এছাড়াও, চ্যাট জিপিটি ( ChatGPT) প্রস্তুতকারক ওপেন এআই (OpenAI) চলতি বছরের শেষের দিকে ভারতে একটি অফিস খোলার কথা জানিয়েছে। ওপেনএআই-এর প্রধান স্যাম অ্যাল্টম্যান উল্লেখ করেছেন যে, গত এক বছরে ভারতে চ্যাট জিপিটি ( ChatGPT) -র ব্যবহার চার গুণ বেড়েছে, যা এই অঞ্চলে এ আই-এর প্রতি ক্রমবর্ধমান আগ্রহের স্পষ্ট ইঙ্গিত বহন করে।

    ভারতে এ আই ভবিষ্যত

    ভারতে এ আই-এর দ্রুত প্রসার এবং প্রযুক্তিতে তরুণদের অংশগ্রহণ নিয়েও প্রধানমন্ত্রী মোদি উচ্ছ্বসিত। তিনি আশাবাদী, ভারতের প্রাণবন্ত প্রযুক্তি ক্ষেত্র এবং দক্ষ যুবকরা এমন উদ্ভাবন করছে যা মানুষের কল্যাণে ব্যবহৃত হবে। বিশেষ করে শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও কৃষি খাতে এ আই কীভাবে মানুষের জীবনকে সহজ ও উন্নত করতে পারে, সেই বিষয়ে সবসময়ই ভাবছে কেন্দ্র সরকার। সম্প্রতি অ্যানথ্রোপিকের সিইও ডারিও অ্যামোডেইয়ের সঙ্গেও দেখা করেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। এই সংস্থা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এ আই সিস্টেম তৈরি করে। আগামী বছর বেঙ্গালুরুতে অফিস খোলার পরিকল্পনা করছে অ্যানথ্রোপিক, যেটি হবে ভারতে এই সংস্থার প্রথম কার্যালয়। সম্প্রতি মোদি ও ডারিওর বেশ কিছু সময়ের বৈঠক হয়। সেখানে ভারতে এআই-এর সম্প্রসারণ (AI expansion India) এবং ব্যবহার নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে খবর।

  • Bihar Assembly Polls: বিহারে ১০১ আসনেই প্রার্থী ঘোষণা করে ময়দানে বিজেপি, এখনও তল খুঁজছে কংগ্রেস?

    Bihar Assembly Polls: বিহারে ১০১ আসনেই প্রার্থী ঘোষণা করে ময়দানে বিজেপি, এখনও তল খুঁজছে কংগ্রেস?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃতীয় দফায় ১৮ জন প্রার্থীর নামের তালিকা প্রকাশ করল বিজেপি (Bihar Assembly Polls)। বিহার বিধানসভা নির্বাচনের জন্য এই তালিকা প্রকাশ করেছে পদ্মশিবির (BJP)। এনডিএ জোটের শরিক হিসেবে বিজেপির প্রার্থী দেওয়ার কথা ১০১টি আসনে। বিহার বিধানসভার আসন সংখ্যা ২৪২টি। তার মধ্যে ১০১টিতে প্রার্থী দেওয়ার কথা পদ্ম শিবিবের। প্রথম দফায় যে প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করেছিল বিজেপি, সেখানে নাম ছিল ৭১ জনের। পরের দফায় ঘোষণা করা হয় ১২ প্রার্থীর নাম। তৃতীয় দফায় প্রকাশ করা হল ১৮ জনের নাম।

    বিজেপির প্রার্থী তালিকা (Bihar Assembly Polls)

    জানা গিয়েছে, বিজেপি নরকাটিয়াগঞ্জ আসনে প্রার্থী করেছে সঞ্জয় পাণ্ডেকে। চনপাতিয়ায় লড়বেন উমাকান্ত সিং। আর চিরাইয়া কেন্দ্রে লড়বেন লালবাবু প্রসাদ গুপ্তা। কোচাধামান আসনে প্রার্থী করা হয়েছে বীণা দেবীকে।  রাঘোপুরে লড়বেন সতীশ কুমার যাদব। আর মুরারি পাশোয়ান প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন পিরপিয়ান্তি কেন্দ্র থেকে। বিজেপির প্রবীণ নেতা তথা পাঁচবারের বিধায়ক ভাগীরথী দেবীকে এবার আর পশ্চিম চম্পারণ জেলার রামনগর আসনে প্রার্থী করা হচ্ছে না। আখ শিল্পমন্ত্রী কৃষ্ণনন্দন পাশোয়ানকে আবারও হরসিদ্ধি কেন্দ্র থেকে প্রার্থী করা হয়েছে। লোকগায়ক বিনয় বিহারীও ফের লৌরিয়া থেকে প্রার্থী হচ্ছেন। মোহানিয়ার বিধায়ক সঙ্গীতা কুমারী এবং ভভুয়ার বিধায়ক ভারত বিন্দ, যিনি রাষ্ট্রীয় জনতা দল (আরজেডি) ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন, তাঁদেরও ফের নিজদের আসনেই প্রার্থী করা হয়েছে। এদিকে, উপেন্দ্র কুশওয়াহার নেতৃত্বাধীন রাষ্ট্রীয় লোক মোর্চাও তাদের বরাদ্দ আসনগুলির প্রার্থীদের নামের তালিকা ঘোষণা করেছে। দলীয় সভাপতি উপেন্দ্র কুশওয়াহার স্ত্রী স্নেহলতা রোহতাস বিধানসভা আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন (BJP)।

    বেহাল দশা ইন্ডি জোটের

    বিহার বিধানসভা নির্বাচন হবে দু’দফায়। প্রথম দফার নির্বাচন (Bihar Assembly Polls) হবে ৬ নভেম্বর, দ্বিতীয় দফার ভোট হবে ওই মাসেরই ১১ তারিখে। এনডিএ যখন ঘর গুছিয়ে কোমর বেঁধে নেমে পড়েছে লড়াইয়ের ময়দানে, তখন ইন্ডি জোটের অন্যতম শরিক কংগ্রেসের ছন্নছাড়া দশা। ইন্ডি জোটে এখনও আসন বণ্টনই হয়নি, অথচ প্রার্থীদের প্রতীক বরাদ্দ করতে শুরু করেছে সোনিয়া গান্ধীর দল। জানা গিয়েছে, কংগ্রেস এ পর্যন্ত মাত্র ১৭ জন প্রার্থীর তালিকা প্রকাশ করেছে। সেটি আবার দলের সরকারি এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করেছে, যদিও ইন্ডিয়া ব্লকের ভেতরে আসন ভাগাভাগি নিয়ে আলোচনা এখনও অমীমাংসিত।

    তল খুঁজছে কংগ্রেস

    জানা গিয়েছে, কংগ্রেস ঔরঙ্গাবাদ থেকে আনন্দ শঙ্কর সিং, রাজাপাকার থেকে প্রতিমা দাস, বচ্ছাওয়াড়া থেকে শিব প্রকাশ গরিব দাস এবং নালন্দা থেকে কৌশলেন্দ্র কুমার (ছোটে মুখিয়া)-কে প্রার্থী করেছে। গোপালগঞ্জ থেকে হাত চিহ্নে লড়বেন ওম প্রকাশ গর্গ, অমরপুর থেকে জিতেন্দ্র সিং, বেগুসরাই থেকে অমিতা ভূষণ, সুলতানগঞ্জ থেকে লালন কুমার, কুটুম্বা থেকে রাজেশ কুমার, বরসালীগঞ্জ থেকে শশী শেখর, বারবিঘা থেকে ত্রিশূলধারী সিং এবং মুজাফফরপুর থেকে বিজেন্দ্র চৌধুরী (Bihar Assembly Polls)। গোবিন্দগঞ্জ থেকে লড়ছেন শশী ভূষণ রাই, বিক্রম থেকে অনিল কুমার এবং রোসেরা আসন থেকে বিকে রবি। সূত্রের খবর, ইন্ডিয়া ব্লকের অন্য নেতাদের সঙ্গে আলোচনার পর আরও কয়েকটি নাম ঘোষণা করা হবে (BJP)। প্রসঙ্গত, কংগ্রেস সেন্ট্রাল ইলেকশন কমিটি মোট ৪৩টি আসনের জন্য প্রার্থীর অনুমোদন দিয়েছে। আজয় মাকেনের নেতৃত্বাধীন উপ-কমিটি বুধবার আরও আটজন প্রার্থীর নাম চূড়ান্ত করেছে বলে খবর।

    ফিল্ডে এনডিএ

    ইন্ডি জোটের যখন বেহাল দশা, তখন বিজেপির নেতৃত্বাধীন এনডিএ যথারীতি ফিল্ডে নেমে পড়েছে। সব মিলিয়ে ১০১টি আসনে লড়বে বিজেপি। বাকি আসনে লড়বে এনডিএর বিভিন্ন শরিক দল। বুধবার রাতেই পদ্ম শিবির তৃতীয় তালিকা প্রকাশ করে। এর আগে প্রকাশ করা হয়েছিল দ্বিতীয় দফার তালিকা। সেই তালিকায় ছিল ১২ জন প্রার্থীর নাম। এর মধ্যে রয়েছেন আলিনগর আসনে পদ্ম-প্রার্থী সঙ্গীত শিল্পী মৈথিলী ঠাকুর এবং বক্সার থেকে প্রাক্তন আইপিএস আনন্দ মিশ্র। তিন দফায় তালিকা প্রকাশ করে বিজেপি তার ভাগের ১০১টি আসনের সব কেন্দ্রেই প্রার্থীর নাম প্রকাশ করে ফেলল (Bihar Assembly Polls)।

    তালিকা প্রকাশ করল জেডিইউ

    এনডিএ-র শরিক জনতা দল (ইউনাইটেড) প্রথম দফার তালিকায় ৫৭ জন প্রার্থীর নাম প্রকাশ করেছে। উমেশ কুশওহা ও বিজেন্দ্র প্রসাদ যাদবের মতো প্রবীণ নেতারা ইতিমধ্যেই মহনার ও সুপৌল আসন থেকে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। বৃহস্পতিবার সরাইরঞ্জন আসনের জন্য মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার কথা বিজয় কুমার চৌধুরীর (BJP)। প্রসঙ্গত, এনডিএর আসন রফার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বিজেপি এবং জেডিইউ প্রত্যেকে ১০১টি করে আসনে, এলজেপি (আরভি) ২৯টি আসনে এবং এইচএএম এবং আরএলএম ৬টি করে আসনে লড়বে (Bihar Assembly Polls)।

  • India’s Electronics: মেক ইন ইন্ডিয়া প্রকল্পে সাফল্য! ভারতের ইলেকট্রনিক্স উৎপাদন খাতে গত এক দশকে ছয় গুণ বৃদ্ধি

    India’s Electronics: মেক ইন ইন্ডিয়া প্রকল্পে সাফল্য! ভারতের ইলেকট্রনিক্স উৎপাদন খাতে গত এক দশকে ছয় গুণ বৃদ্ধি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের ইলেকট্রনিক্স (India’s Electronics) উৎপাদন খাতে গত এক দশকে ছয় গুণ বৃদ্ধি ঘটেছে। এই বৃদ্ধিকে সামনে রেখে মোদি সরকার (Modi Govt Targets) ২০৩০–৩১ সালের মধ্যে ৫০০ বিলিয়ন ডলারের একটি পূর্ণাঙ্গ ইলেকট্রনিক্স ইকোসিস্টেম গড়ে তোলার লক্ষ্যে কাজ করছে। আইফোন, স্মার্ট টিভি, মাইক্রোওয়েভ ওভেন ছাড়াও অন্যান্য ইলেকট্রনিক্স প্রোডাক্টও ভারতে তৈরির ব্যাপারে জোর দেওয়া হচ্ছে। রোবোটিক ভ্যাকুয়াম ক্লিনার, কফি মেশিন, বিল্ট-ইন-রেফ্রিজরেটর এবং এয়ার ফ্রায়ারের মতো পণ্য যেগুলি আগে পুরোপুরি ভাবে বিদেশ থেকে আমদানি করা হতো, সেগুলি এ বার ভারতে তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

    উৎপাদন ও রফতানিতে রেকর্ড বৃদ্ধি

    সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০১৪–১৫ সালে যেখানে ইলেকট্রনিক্স উৎপাদনের পরিমাণ ছিল ১.৯ লক্ষ কোটি টাকা, তা ২০২৪–২৫ সালে বেড়ে হয়েছে ১১.৩ লক্ষ কোটিতে। পাশাপাশি রফতানিতেও বিশাল বৃদ্ধি ঘটেছে— ৩৮,০০০ কোটি টাকা থেকে বেড়ে  ৩.২৭ লক্ষ কোটি টাকা হয়েছে, অর্থাৎ আট গুণেরও বেশি। এই খাতে প্রায় ২৫ লক্ষ কর্মসংস্থান তৈরি হয়েছে বলে জানা গিয়েছে, যা ভারতের অর্থনীতি ও কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে এক গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি। সরকার বলছে, এই অভাবনীয় প্রবৃদ্ধির পিছনে রয়েছে ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’, ‘আত্মনির্ভর ভারত’, এবং প্রোডাকশন লিঙ্কড ইনসেনটিভ (PLI) স্কিম-এর মতো উদ্যোগ। এ ছাড়াও, দক্ষ জনশক্তি ও বৈশ্বিক বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ ভারতীয় ইলেকট্রনিক্স খাতে গতি এনেছে। ২০২০–২১ অর্থবছর থেকে এ পর্যন্ত এই খাতে ৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বেশি বৈদেশিক প্রত্যক্ষ বিনিয়োগ (FDI) এসেছে।

    সরকারের কৌশলগত পদক্ষেপে গতি

    সরকারি বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “কৌশলগত নীতিগত সহায়তা দেশীয় উৎপাদন ও রফতানি বৃদ্ধিতে সহায়তা করেছে এবং বিশ্বজুড়ে বিনিয়োগ আকর্ষণ করেছে।” ২০২৪–২৫ অর্থবছরে ভারতের ইলেকট্রনিক্স রফতানির শীর্ষ পাঁচটি গন্তব্য দেশ হলো— যুক্তরাষ্ট্র, সংযুক্ত আরব আমিরাত, নেদারল্যান্ডস, যুক্তরাজ্য এবং ইতালি। সরকারের লক্ষ্য, বর্তমান গতি বজায় রেখে ২০৩০–৩১ সালের মধ্যে ভারতের ইলেকট্রনিক্স উৎপাদন খাতকে ৫০০ বিলিয়ন ডলারের একটি পূর্ণাঙ্গ ইকোসিস্টেমে রূপান্তরিত করা। এর মধ্যে থাকবে উপাদান (component), উৎপাদনের সম্প্রসারণ, বিশ্ববাজারে আরও সংহত হওয়া এবং ডিজাইন-কেন্দ্রিক উদ্ভাবনে জোর। বিশেষজ্ঞদের মতে, বৈশ্বিক চাহিদা বৃদ্ধির পাশাপাশি ভূরাজনৈতিক বৈচিত্র্য এবং অভ্যন্তরীণ সংস্কারের কারণে ভারত পূর্ব এশীয় অর্থনীতিগুলোর সঙ্গে প্রতিযোগিতা করতে সক্ষম একটি বৈশ্বিক ইলেকট্রনিক্স প্রস্তুতকারক কেন্দ্রে পরিণত হতে চলেছে।

    বড় বড় কোম্পানি দেশেই পণ্য তৈরি করছে

    ভারতে ইলেকট্রনিক শিল্পের সঙ্গে জড়িতরা জানাচ্ছেন, ভারতে তৈরি পণ্যের ক্ষেত্রে ব্যুরো অফ ইন্ডিয়ান স্ট্যান্ডার্স (BIS)-এর কোয়ালিটি কন্ট্রোল অর্ডার (QCO)-এর সার্টিফিকেশনের দরকার পড়ে। গত ৮-৯ মাসে সেই এই তালিকায় যোগ হয়েছে একাধিক ইলেট্রনিক্স প্রোডাক্ট। ইউরেকা ফোর্বসের রোবোটিক ভ্যাকুয়াম ক্লিনারের বড় বাজার রয়েছে ভারতে। এই পণ্য তৈরির জন্য ডিক্সন টেকনোলজির সঙ্গে সম্প্রতি চুক্তিবদ্ধ হয়েছে এই সংস্থা। ভারতে পণ্য তৈরির বিষয়ে ডিক্সন টেকনোলজিসের ম্যানেজিং ডিরেক্টর অতুল লাল বলেছেন, ‘বিআইএস-এর নিয়ম অনেক ব্রান্ডের কাছেই এখন ট্রিগার হিসাবে কাজ করছে। যদিও কিছু পণ্যের বাজার সত্যিই খুবই ছোট। কিন্তু তা সত্ত্বেও এই প্রবণতা ব্যবসার সুযোগ তৈরি করেছে।’ ইউরেকা ফোর্বসের সঙ্গে চুক্তির বিষয়ে তিনি জানিয়েছেন, ভারতে ভ্যাকুয়াম ক্লিনারের প্রায় ৭০০ কোটি টাকার বাজার রয়েছে। ডিক্সন টেকনোলজি ইলেকট্রনিক্স পণ্যের অন্যতম বৃহৎ কন্ট্র্যাক্ট ম্যানুফ্যাকচারার।

    আমদানি সংক্রান্ত জটিলতাও কমেছে

    ডিক্সনের মতো একাধিক সংস্থার ইতিমধ্যেই ভারতে উৎপাদন কেন্দ্র খুলেছে। যার মধ্যে অন্যতম ইউরোপের সংস্থা লিবহের। সম্প্রতি অওরঙ্গাবাদে বিল্ট-ইন-রেফ্রিজরেটরের প্ল্যান্ট তৈরি করেছে এই সংস্থা। বছরে মাত্র ১৪ থেকে ১৫ হাজার ইউনিটের বিক্রি থাকলেও কারখানা তৈরি করেছে এই সংস্থা। ওই সংস্থার ভারতীয় শাখার ম্যানেজিং ডিরেক্টর (সেলস) কপিল আগরওয়াল বলেছেন, ‘আগে আমরা জার্মানি থেকে আমদানি করতাম। ফ্যাক্টরি সার্টিফিকেশন খুবই বিরক্তিকর একটি প্রক্রিয়া। কিন্তু প্ল্যান্ট তৈরি হওয়ায় আমদানি সংক্রান্ত জটিলতাও কমেছে। আমাদের বিশ্বাস এই পণ্যের বাজার আগামী দিনে অনেকটা বাড়বে।’ ক্রম্পটন গ্রিভেস, হ্যাভেলস ইন্ডিয়ার মতো একাধিক সংস্থা অ্যানুয়াল রিপোর্টে নিজেদের পণ্য স্থানীয় স্তরে তৈরির ব্যাপারে গুরুত্ব দিয়েছে। গত এক বছরে এই সব সংস্থা আমদানি নির্ভরতা কমিয়ে লোকালাইজ প্রোডাকশনও বাড়িয়েছে।

    মোবাইল উৎপাদনে ভারতের নজির

    ভারতের মোবাইল ফোন উৎপাদন শিল্প এই খাতে সবচেয়ে বড় সাফল্যের গল্প। গত এক দশকে এই খাত ২৮ গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে— ২০১৪–১৫ সালে ১৮ হাজার কোটি টাকা থেকে ২০২৪–২৫ সালে তা পৌঁছেছে ৫.৪৫ লক্ষ কোটিতে। বর্তমানে ভারত বিশ্বে দ্বিতীয় বৃহত্তম মোবাইল ফোন প্রস্তুতকারী দেশ। ২০১৪ সালে যেখানে মাত্র ২টি মোবাইল উৎপাদন ইউনিট ছিল, এখন সেই সংখ্যা ৩০০-রও বেশি। রফতানিতে এসেছে ১২৭ গুণ বৃদ্ধি— ২ লক্ষ কোটি টাকা, যার মধ্যে শুধুমাত্র অ্যাপল একাই ১.১ লক্ষ কোটি টাকা মূল্যের ডিভাইস রফতানি করেছে ২০২৪ সালে। একটি বড় মাইলফলক হিসেবে, ২০২৫–২৬ অর্থবছরের দ্বিতীয় ত্রৈমাসিকে ভারত চিনকে টপকে যুক্তরাষ্ট্রে স্মার্টফোন রফতানির দিক থেকে শীর্ষে পৌঁছেছে— যা বৈশ্বিক সাপ্লাই চেনে এক গুরুত্বপূর্ণ ভূরাজনৈতিক পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে।

  • Amit Shah: মাওবাদী নেতাদের আত্মসমর্পণ “ঐতিহাসিক মাইলফলক”, বললেন অমিত শাহ

    Amit Shah: মাওবাদী নেতাদের আত্মসমর্পণ “ঐতিহাসিক মাইলফলক”, বললেন অমিত শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাও-দমনের ডেডলাইন বেঁধে দিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। তার পর থেকে জোরকদমে চলছে মাও-দমন (Maoist Leaders) অভিযান। কেন্দ্রীয় সরকারের রুদ্রমূর্তি দেখে এবং অন্নুনত এলাকায় উন্নয়নের জোয়ার বয়ে যাওয়ায় সরকারের ডাকে সাড়া দিয়ে আত্মসমর্পণ করতে থাকেন মাওবাদীদের শীর্ষ নেতৃত্ব। মাস কয়েক আগেই আত্মসমর্পণ করেছিলেন প্রয়াত মাওবাদী নেতা কিষেনজির স্ত্রী সুজাতা। দিন দুয়েক আগে ৬০ জন সহযোদ্ধা-সহ আত্মসমর্পণ করেছেন কিষেনজির ভাই বেণুগোপাল ওরফে সোনু ওরফে ভূপতি।

    ঐতিহাসিক মাইলফলক (Amit Shah)

    মাওবাদী নেতাদের এই আত্মসমর্পণের ঢেউয়ের প্রশংসা করেছেন শাহ। তিনি একে সরকারের মাওবাদ নির্মূলীকরণের চলমান প্রচেষ্টায় একটি ঐতিহাসিক মাইলফলক বলে অভিহিত করেছেন। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “সব চেয়ে বেশি প্রভাবিত জেলার সংখ্যা ৬ থেকে কমে এখন তিনে নেমে এসেছে। আর মোট প্রভাবিত জেলার সংখ্যা ১৮ থেকে কমে হয়েছে ১১।”  কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সন্ত্রাসমুক্ত ভারতের দৃষ্টিভঙ্গির অধীনে সরকার যে দ্বিমুখী কৌশল নিয়েছে, একদিকে লাগাতার সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান এবং অন্যদিকে উন্নয়নমূলক নানা পদক্ষেপ, তা বামপন্থী চরমপন্থার প্রভাব ও বিস্তার উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে এনেছে।” তিনি (Amit Shah) বলেন, “মোদিজির সন্ত্রাসমুক্ত ভারতের স্বপ্নের অধীনে অবিরাম সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান ও জনগণকেন্দ্রিক উন্নয়নের ফলে বামপন্থী উগ্রপন্থীদের কর্মক্ষেত্র ক্রমশ সংকুচিত হচ্ছে। তাদের লুকিয়ে থাকার আর কোনও জায়গা থাকছে না। ২০২৬-এর ৩১ মার্চের মধ্যে ভারত মাওবাদের অভিশাপ থেকে সম্পূর্ণ মুক্ত হবে।”

    এদিকে, নিরাপত্তা বাহিনী সূত্রে খবর, দিন কয়েক আগে মাওবাদীদের ৫০ জন ক্যাডার, যার মধ্যে ৩৯ জন মহিলা, ছত্তিশগড়ের কাঁকের জেলার কোয়ালিবেদা এলাকায় বিএসএফের ৪০তম ব্যাটেলিয়নের কামতেরার ক্যাম্পে নিরাপত্তা বাহিনীর কাছে আত্মসমর্পণ করেছেন। দক্ষিণ জোনাল কমিটির সদস্য ও প্রবীণ মাওবাদী নেতা রাজমান মাণ্ডাভি এবং রাজু সালামের নেতৃত্বে ঘটে এই আত্মসমর্পণের ঘটনা। আত্মসমর্পণকারী ক্যাডাররা (Maoist Leaders) মোট ৩৯টি অস্ত্র জমা দিয়েছেন। এর মধ্যে রয়েছে ৭টি একে-৪৭ রাইফেল, ২টি এসএলআর, ৪টি ইনসাস রাইফেল, ১টি ইনসাস এলএমজি এবং ১টি স্টেইন গান (Amit Shah)।

  • MEA: ট্রাম্পের দাবির প্রেক্ষিতে রুশ তেল কেনা নিয়ে কী বলল ভারত?

    MEA: ট্রাম্পের দাবির প্রেক্ষিতে রুশ তেল কেনা নিয়ে কী বলল ভারত?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “ভারত তেল ও গ্যাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ আমদানিকারী দেশ। অস্থির জ্বালানি পরিস্থিতিতে ভারতীয় উপভোক্তাদের স্বার্থ সুরক্ষিত রাখা আমাদের অগ্রাধিকার। আমাদের আমদানি নীতিগুলি সম্পূর্ণভাবে এই লক্ষ্য সামনে রেখেই পরিচালিত হয়।” এক বিবৃতি জারি করে এ কথা সাফ জানিয়ে দিল ভারতের বিদেশমন্ত্রক (MEA)। বৃহস্পতিবার বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেন, “ভারত তেল কেনার (Russian Oil) বাজারকে আরও বিস্তৃত এবং বৈচিত্রময় করতে চায়। জ্বালানি নিয়ে দ্বিপাক্ষিক বোঝাপড়া বৃদ্ধি করতে আমেরিকার সঙ্গে আমাদের আলোচনাও চলছে।” যদিও সরাসরি ট্রাম্পের দাবি নিয়ে কোনও মন্তব্য করেনি ভারত।

    ট্রাম্পের দাবি (MEA)

    প্রসঙ্গত, সম্প্রতি এক প্রশ্নের জবাবে ৪৭তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, “তিনি (মোদি) আমার বন্ধু, আমাদের মধ্যে দারুণ সম্পর্ক রয়েছে। রাশিয়া থেকে তেল কেনায় আমরা খুশি ছিলাম না। কারণ এর ফলে রাশিয়া এই হাস্যকর যুদ্ধ (ইউক্রেনের সঙ্গে) চালিয়ে যেতে পেরেছে,  যেখানে তারা পনেরো লাখ মানুষ হারিয়েছে।” তিনি এও বলেন, “আমি খুশি ছিলাম না যে ভারত তেল কিনছে (রাশিয়া থেকে)। আর (মোদি) আজ আমায় আশ্বস্ত করেছেন এই বলে যে তাঁরা রাশিয়া থেকে তেল কেনা বন্ধ করবেন। এটি একটি বড় পদক্ষেপ। এখন আমাদের চিনকে দিয়েও একই কাজ করাতে হবে।” মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, “ভারত হয়ত এখনই রাশিয়া থেকে তেল কেনা পুরোপুরি বন্ধ করতে পারবে না, তবে প্রক্রিয়াটি শুরু হয়ে গিয়েছে।” ট্রাম্পের এহেন বার্তার প্রেক্ষিতেই এদিন মুখ খুলল ভারতের বিদেশমন্ত্রক।

    সস্তায় অপরিশোধিত তেল

    রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে মস্কো থেকে সস্তায় অপরিশোধিত তেল কেনার পরিমাণ বাড়িয়ে দেয় ভারত। রাশিয়ার ওপর এ ব্যাপারে নিষেধাজ্ঞা জারি করে আমেরিকা এবং ইউরোপের বিভিন্ন দেশ (MEA)। যার ফলে দাম কমতে থাকে রাশিয়ান অপরিশোধিত তেলের। প্রত্যাশিতভাবেই ০.২ শতাংশ থেকে ভারতে রুশ তেল আমদানির পরিমাণ বেড়ে হয় ৩৫ শতাংশ। মার্কিন রক্তচক্ষু উপেক্ষা করেই রাশিয়া থেকে জীবাশ্ম জ্বালানি কেনা চালিয়ে যেতে থাকে ভারত। যার জেরে ভারতীয় পণ্যের ওপর ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করে ট্রাম্প প্রশাসন। তার পরেও দমানো (Russian Oil) যায়নি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ভারতকে। ওয়াকিবহাল মহলের ধারণা, ভারতের আগের অবস্থানেও যে কোনও বদল হয়নি, এদিন বিদেশমন্ত্রকের তরফে জারি করা বিবৃতিতেই তা স্পষ্ট (MEA)।

  • Prashant Kishore: বিহার বিধানসভা নির্বাচনে প্রার্থী হচ্ছেন না পিকে! কী কারণে সরে দাঁড়ালেন ভোট কুশলী?

    Prashant Kishore: বিহার বিধানসভা নির্বাচনে প্রার্থী হচ্ছেন না পিকে! কী কারণে সরে দাঁড়ালেন ভোট কুশলী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিহার বিধানসভা নির্বাচনে (Bihar Poll Battle) প্রার্থী হচ্ছেন না ভোট কুশলী তথা রাজনীতিবিদ প্রশান্ত কিশোর (Prashant Kishore)। এই নির্বাচন হবে ৬ ও ১১ নভেম্বর, দু’দফায়। এই নির্বাচনেই প্রার্থী হচ্ছেন না প্রশান্ত কিশোর ওরফে পিকে। আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে বিহারের বিভিন্ন আসনে লড়ছে পিকের নবগঠিত ‘জন সুরাজ পার্টি’। তবে এই দলের মাথা পিকেই লড়ছেন না।

    পিকের বক্তব্য (Prashant Kishore)

    তিনি জানান, দলের বৃহত্তর স্বার্থেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যাতে তিনি নিজের নির্বাচনী লড়াইয়ের পরিবর্তে সাংগঠনিক কাজ ও অন্যান্য প্রার্থীর জন্য প্রচারে মনোযোগ দিতে পারেন। এর আগে পিকে যখন রাঘোপুরে আরজেডি নেতা তেজস্বী যাদবকে ‘আমেঠির মতো’ পরাজয়ের হুমকি দিয়েছিলেন, তখন থেকেই জল্পনা তীব্র হয়েছিল যে এবার কোমর কষে লড়াইয়ের ময়দানে নামছেন পিকে স্বযং। সেই জল্পনায়ই জল ঢেলে দিলেন ভোটকুশলী। উল্লেখ্য, এই রাঘোপুর তেজস্বী যাদবের শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত। এই কেন্দ্রে পিকে এবার চঞ্চল সিংয়ের নাম ঘোষণা করেছেন।

    দু’টি তালিকা প্রকাশ

    জন সুরাজ পার্টি এখন পর্যন্ত দু’টি তালিকা প্রকাশ করেছে। মোট ১১৭ জন প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হয়েছে। এদের মধ্যে শিক্ষাবিদ, অবসরপ্রাপ্ত আমলা ও সমাজকর্মী-সহ নানা পেশার মানুষ রয়েছেন। পিকে ঘোষণা করেছেন (Prashant Kishore), বিহারের ২৪৩টি আসনের মধ্যে অন্তত ১৫০টিতে জয়ের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছেন তিনি। তাঁর কথায়,  “এর কম হলে সেটি হবে ব্যক্তিগত পরাজয়।” পিকে বলেন, “জন সুরাজ পার্টি শুধুমাত্র নির্বাচনী সাফল্যের জন্য নয়, বরং স্বচ্ছ রাজনীতির একটি আন্দোলনের প্রতিনিধিত্ব করে।” বিহার ভোটের ফল নিয়েও ভবিষ্যদ্বাণী করেন তিনি। বলেন, “আসন বণ্টন নিয়ে বিবাদের কারণে বর্তমান এনডিএ সরকার নিশ্চিতভাবেই পতনের পথে। মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার আর ক্ষমতায় ফিরতে পারবেন না।”

    এনডিএর পরাজয়ের পূর্বাভাস দেওয়ার পাশাপাশি আরজেডি প্রধান লালু প্রসাদ যাদবের পরিবারকে দুর্নীতির অভিযোগে তীব্র আক্রমণ শানান (Bihar Poll Battle)। পিকের অঙ্গীকার, “যদি জন সুরাজ পার্টি সরকার গঠন করে, তাহলে তারা রাজ্যের সর্বাধিক দুর্নীতিগ্রস্ত ১০০ জন নেতা ও আধিকারিকের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেবে (Prashant Kishore)।”

     

  • Apple and Google in India: ট্রাম্পের সতর্কবার্তা উপেক্ষা করে ভারতে অ্যাপল ও গুগলের বিপুল বিনিয়োগ

    Apple and Google in India: ট্রাম্পের সতর্কবার্তা উপেক্ষা করে ভারতে অ্যাপল ও গুগলের বিপুল বিনিয়োগ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সতর্কবার্তাকে উপেক্ষা করে ভারতের প্রতি প্রবল আস্থা প্রকাশ করেছে বিশ্বের দুই টেক জায়ান্ট অ্যাপল ও গুগল। দুই সংস্থা মিলে প্রায় ₹১.৭৭ লক্ষ কোটি টাকার বিনিয়োগ করছে ভারতে। ট্রাম্প সম্প্রতি অ্যাপলকে ভারতের পরিবর্তে যুক্তরাষ্ট্রে ব্যবসায় বেশি মনোযোগ দিতে বলেন। তবে সেই নির্দেশকে পাত্তা না দিয়ে অ্যাপল গত ছয় মাসে ভারত থেকে ১০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার (প্রায় ₹৮৮,৭৩০ কোটি) মূল্যের আইফোন রফতানি করেছে। অন্যদিকে, গুগলও বিশাখাপত্তনমে ১০ বিলিয়ন ডলারের একটি বিশাল ডেটা সেন্টার তৈরি করতে চলেছে।

    রফতানিতে রেকর্ড গড়ল অ্যাপল

    চলতি অর্থবর্ষের প্রথম ছয় মাসেই অ্যাপল ভারত থেকে ১০ বিলিয়ন ডলারের আইফোন রফতানি করেছে, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৭৫ শতাংশ বেশি। ২০২৪ সালে এই সময়ে রফতানি হয়েছিল ৫.৭১ বিলিয়ন ডলারের আইফোন। শুধু সেপ্টেম্বর মাসেই অ্যাপল রফতানি করেছে ১.২৫ বিলিয়ন ডলারের আইফোন, যা গত বছরের সেপ্টেম্বরের তুলনায় ১৫৫ শতাংশ বেশি। তখন রফতানি ছিল মাত্র ৪৯০ মিলিয়ন ডলার। এ বছর প্রথমবারের মতো অ্যাপলের সব মডেল—প্রো (Pro), প্রো ম্যাক্স (Pro Max) এবং এয়ার (Air)—ভারতে উৎপাদনের শুরু থেকেই রফতানি হচ্ছে। এর আগে প্রো মডেলগুলো রফতানির জন্য কয়েক মাস অপেক্ষা করতে হতো। সরকারের পিএলআই (PLI) স্কিমের আওতায়, স্মার্টফোন সংস্থাগুলি নিয়মিতভাবে উৎপাদন ও রফতানি সংক্রান্ত তথ্য শেয়ার করে। সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে, অ্যাপলের রফতানির এই উত্থানের পেছনে অন্যতম কারণ হলো এপ্রিল মাসে টাটা ইলেকট্রনিক্সের হোসুর প্ল্যান্ট ও ফক্সকনের বেঙ্গালুরু ইউনিট চালু হওয়া।

    গুগল আনছে এশিয়ার সবচেয়ে বড় ডেটা সেন্টার

    গুগল তাদের প্রথম বৃহৎ ডেটা সেন্টার তৈরি করতে চলেছে ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশের বিশাখাপত্তনমে। ১ গিগাওয়াট (GW) ক্ষমতাসম্পন্ন এই প্রকল্পে গুগল বিনিয়োগ করছে প্রায় ₹৮৮,৭৩০ কোটি (১০ বিলিয়ন ডলার)। এই প্রকল্পে থাকবে তিনটি সাবমেরিন কেবল, একটি কেবল ল্যান্ডিং স্টেশন এবং উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন মেট্রো ফাইবার লাইন, যা ভারতে নতুন টেলিকম অবকাঠামো গড়ে তুলবে। প্রকল্পটির চূড়ান্ত চুক্তি ১৪ অক্টোবর দিল্লিতে হয়ে গিয়েছে। যেখানে উপস্থিত ছিলেন গুগলের শীর্ষ কর্তারা এবং অন্ধ্রপ্রদেশের আইটি ও ইলেকট্রনিক্স মন্ত্রী নারা লোকেশ। অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী এন চন্দ্রবাবু নাইডুর নেতৃত্বে স্টেট ইনভেস্টমেন্ট প্রোমোশন বোর্ড অনুমোদন দিয়েছে বলে খবর।

    ভারতে গুগলের সর্ববৃহৎ বিনিয়োগ

    এই প্রকল্প গুগলের পক্ষ থেকে ভারতের ডিজিটাল অর্থনীতিতে এখনও পর্যন্ত সবচেয়ে বড় সরাসরি বিনিয়োগ হতে চলেছে। বর্তমানে গুগলের ১১টি দেশে ২৯টি ডেটা সেন্টার রয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে—মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, তাইওয়ান, জাপান, সিঙ্গাপুর, আয়ারল্যান্ড, নেদারল্যান্ডস, ডেনমার্ক, ফিনল্যান্ড, জার্মানি, বেলজিয়াম এবং চিলি। বিশাখাপত্তনম ডেটা সেন্টার হতে চলেছে এশিয়ার সবচেয়ে বড় ডেটা সেন্টার ক্লাস্টার।

    টাটার নয়া উদ্যোগ

    আইফোন তৈরিতে এমনিই চিনের ঘাড়ে নিঃশ্বাস ফেলছে আমাদের দেশ। তথ্য বলছে, চলতি অর্থবর্ষের প্রথম ৬ মাসে, অর্থাৎ এপ্রিল থেকে সেপ্টেম্বরের মধ্যে প্রায় ১০ বিলিয়ন ডলারের আইফোন রফতানি করেছে ভারত। যা গত বছরের তুলনায় ৭৫ শতাংশ বেড়েছে। আর এবার সেই বৃদ্ধিতে ইন্ধন যোগাতে একটি বিরাট পদক্ষেপ করেছে টাটা। জানা গিয়েছে, ভারতে তৈরি আইফোন রফতানি করে বেশ লাভবান হয়েছে অ্যাপেল। আর সেই জায়গা থেকেই তারা ভারতে উৎপাদন বাড়াতে চাইছে। আবার, ভারতে আইফোন তৈরি করে অর্থনৈতিক ভাবে উপকৃত হয়েছে টাটাও। সেই কারণেই তারা ভারতে তাদের উৎপাদন বাড়াতে চাইছে।

    টাটার পদক্ষেপে নানা ইঙ্গিত

    একটা সময় এমন ছিল যে আইফোন তৈরি হত চিনেই। তারপর বিভিন্ন কারণে চিনের উপর থেকে তাদের নির্ভরতা কমাতে চাইছে এই আমেরিকান টেক জায়ান্ট। এ ছাড়াও ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা ও মার্কিন শুল্কের মতো একাধিক কারণে অ্যাপেল তাদের উৎপাদন ভারতে সরিয়ে নিয়ে আসতে আগ্রহী। আগামী বছরের মধ্যে আমেরিকায় বিক্রি হওয়া সমস্ত আইফোন যাতে ভারতের কারখানা থেকে তৈরি হয় সেটাই নিশ্চিত করতে চাইছে অ্যাপেল। বর্তমানে ভারতে তৈরি আইফোনের তিন ভাগের মধ্যে দুই ভাগ আসে ফক্সকনের কারখানা থেকে। বাকি অংশ তৈরি করে টাটা। তবে, নয়া এই প্ল্যান্ট অধিগ্রহণের পর টাটার উৎপাদন ক্ষমতা যে অনেকটাই বাড়বে সেই কথা বলার অপেক্ষা রাখে না। কাউন্টারপয়েন্ট রিসার্চের সহ-প্রতিষ্ঠাতা নিল শাহ বলছেন, চিনের মতো শক্তিশালী পরিকাঠামো গড়ে তোলা আসলে একটি দীর্ঘমেয়াদি প্রক্রিয়া। তবে, টাটার এই পদক্ষেপ কিন্তু সেই দিকেই ইঙ্গিত করছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন এই বছর শেষ হওয়ার আগেই আইফোনের ২৬ শতাংশই রফতানি করবে ভারত। যা এই বছরের শুরুর দিকে ছিল ২০ শতাংশের কাছাকাছি। আর টাটার এই পদক্ষেপ যেন সেদিকেই ইঙ্গিত করছে।

     

     

  • Maithili Thakur: দ্বিতীয় দফায় ১২ প্রার্থীর নাম ঘোষণা করল বিজেপি, প্রার্থী হচ্ছেন সঙ্গীত শিল্পী মৈথিলী ঠাকুর

    Maithili Thakur: দ্বিতীয় দফায় ১২ প্রার্থীর নাম ঘোষণা করল বিজেপি, প্রার্থী হচ্ছেন সঙ্গীত শিল্পী মৈথিলী ঠাকুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মঙ্গলবারই বিহার বিধানসভা নির্বাচনের (Bihar Polls) জন্য প্রথম দফার প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করেছিল বিজেপি (Maithili Thakur)। বুধবারও ফের তালিকা প্রকাশ করল পদ্ম শিবির। বিহার বিধানসভা নির্বাচন উপলক্ষে এদিন ১২টি কেন্দ্রের প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করে গেরুয়া শিবির। এই তালিকায় নাম রয়েছে প্রখ্যাত সঙ্গীত শিল্পী মৈথিলী ঠাকুরেরও। মঙ্গলবার বিকেলেই পাটনায় রাজ্য বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্বের উপস্থিতিতে পদ্মশিবিরে যোগ দেন তিনি।

    প্রার্থী হচ্ছেন মৈথিলী (Maithili Thakur)

    বিহারের দ্বারভাঙা জেলার আলিনগর কেন্দ্রে প্রার্থী হচ্ছেন মৈথিলী। এই আসনে যে তাঁকে প্রার্থী করা হতে পারে, তা নিয়ে গুঞ্জন শুরু হয়েছিল মঙ্গলবারই। এদিনের প্রার্থী তালিকায় নাম রয়েছে তাঁর। গত বিধানসভা নির্বাচনে এই আসনে জয়ী হয়েছিলেন বিকাশশীল ইনসান পার্টির নেতা মিস্রিলাল যাদব। পরে দল থেকে বহিষ্কৃত হয়ে ২০২২ সালে বিজেপিতে যোগ দেন তিনি। অবশ্য গত সপ্তাহেই পদ্ম-সঙ্গ ছাড়েন মিস্রিলাল। এ বার এই আসনেই পদ্ম চিহ্নে লড়ছেন মৈথিলী। প্রসঙ্গত, গত সপ্তাহেই দিল্লিতে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নিত্যানন্দ রাইয়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছিলেন মৈথিলী। উপস্থিত ছিলেন বিহারের দায়িত্বে থাকা বিজেপি নেতা বিনোদ তাওড়ে। মৈথিলীর সঙ্গে সাক্ষাতের ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করেন তিনিই। মৈথিলী বলেন, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমারের প্রতি আমি অত্যন্ত মুগ্ধ। বিজেপিতে আমি এসেছি সমাজের সেবা করতে এবং বিহারের উন্নয়নে অবদান রাখতে।”

    প্রার্থী হচ্ছেন প্রাক্তন এক আইপিএস-ও

    চমক রয়েছে আরও (Maithili Thakur)। বক্সার বিধানসভা কেন্দ্রে বিজেপি প্রার্থী করেছে প্রাক্তন আইপিএস আনন্দ মিশ্রকে। সম্প্রতি ভোট কুশলী প্রশান্ত কিশোরের নবগঠিত দল ‘জন সুরাজ পার্টি’ ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেন তিনি। মুজফফরপুর কেন্দ্রে পদ্ম প্রার্থী হচ্ছেন রঞ্জন কুমার। এই কেন্দ্রের বিদায়ী বিধায় সুরেশ শর্মার বদলে প্রার্থী হচ্ছেন রঞ্জন। সব মিলিয়ে এ পর্যন্ত মোট ৮৩টি কেন্দ্রের প্রার্থীর নাম ঘোষণা করল বিজেপি। মঙ্গলবার প্রকাশিত হয়েছিল ৭১টি কেন্দ্রের প্রার্থীর নাম। এদিন প্রকাশ করা হল আরও ১২টি কেন্দ্রের প্রার্থীর নাম। ২৪৩টি বিধানসভা কেন্দ্র বিশিষ্ট বিহারে নির্বাচন হবে দু’দফায়। এর মধ্যে ১০১টি কেন্দ্রে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে বিজেপি (Bihar Polls)। বাকিগুলিতে লড়বে এনডিএর অন্য শরিক দলগুলি (Maithili Thakur)।

LinkedIn
Share