Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Female Pension: নয়া নিয়ম কেন্দ্রের, কর্মরত মহিলারা পেনশনে নমিনি করতে পারবেন ছেলে বা মেয়েকে 

    Female Pension: নয়া নিয়ম কেন্দ্রের, কর্মরত মহিলারা পেনশনে নমিনি করতে পারবেন ছেলে বা মেয়েকে 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রীয় সরকারের অধীনে কর্মরত মহিলা কর্মচারীরা তাঁদের ছেলে ও মেয়েকে পারিবারিক পেনশনের জন্য মনোনীত করতে পারবেন।  কেন্দ্রের নতুন নিয়ম অনুযায়ী, সরকারি মহিলা কর্মচারীরা চাইলে নিজেদের পেনশনের ‘নমিনি’ করতে পারবেন নিজের সন্তান-সন্ততিকেও। নমিনি শুধু স্বামীকে করতে হবে এমনটা নয়। মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং এই ঘোষণা করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, পেনশন সংক্রান্ত বিধি ‘সেন্ট্রাল সিভিল সার্ভিস রুলস ২০২১’-এ সোমবারই এই নতুন সংশোধন আনা হয়েছে। আর সংশোধনটি এনেছে পেনশন এবং পেনশন প্রাপক কল্যাণ সংক্রান্ত কেন্দ্রীয় দফতর (ডিওপিপিডব্লিউ)।

    কী বলা হয়েছে?

    সরকারি বিবৃতি অনুসারে, কেন্দ্র মহিলা কর্মীদের তাঁদের স্বামীর পরিবর্তে পারিবারিক পেনশনের জন্য তাদের ছেলে বা মেয়েকে মনোনীত করার অনুমতি দিয়েছে। বিবৃতিতে বলা হয়েছে যে, আগে মৃত সরকারি কর্মচারী বা পেনশনভোগীর স্বামী অথবা স্ত্রীকে পারিবারিক পেনশন দেওয়া হত। তাঁর মৃত্যুর পর পরিবারের অন্যান্য যোগ্য সদস্য পেনশন পেতে পারতেন। কিন্তু, এবার মহিলা কর্মীরা স্বামীর বদলে সন্তানকেও পেনশনের জন্য মনোনীত করতে পারবেন। তবে যেখানে দাম্পত্য কলহ চলছে, বিবাহ-বিচ্ছেদের মামলা চলছে বা গার্হস্থ্য সহিংসতা আইন, যৌতুক নিষেধাজ্ঞা আইন বা ভারতীয় দণ্ডবিধির মতো আইনের অধীনে মামলা চলছে, সেই পরিস্থিতিতেই এটা করা যাবে। সরকারি বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, মহিলা পেনশন প্রাপক বা সরকারি মহিলা কর্মচারীদের এ জন্য একটি লিখিত অনুরোধ করতে হবে তাঁর অফিসের সর্বোচ্চ প্রধানকে। 

    আরও পড়ুন: সুরের মূর্চ্ছনা! মিশরীয় কন্যার দেশাত্মবোধক গানের প্রশংসা প্রধানমন্ত্রী মোদির

    কেন এই সংশোধন?

    মহিলাদের ক্ষমতায়নের লক্ষ্যেই কেন্দ্রের এই পদক্ষেপ বলে জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় কর্মী প্রতিমন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং। তিনি জানান, এই সংশোধনীটি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির প্রতিটি ক্ষেত্রে নারীদের যথাযথ এবং বৈধ অধিকার দেওয়ার নীতির সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ। এব্যাপারে মহিলা কর্মচারীরা দীর্ঘদিন ধরে দাবি জানিয়ে আসছিলেন। সেই দাবি মেনে নিল কেন্দ্র। মঙ্গলবার নতুন ঘোষণা করার পরে জিতেন্দ্র বলেন, ‘‘প্রধানমন্ত্রী মোদির সরকার মহিলাদের সমানাধিকার দেওয়ার নীতিতে চলে। তাই দীর্ঘ দিন ধরে চলে আসা এই নিয়মে সংশোধন আনা হল।’’

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Chandigarh Mayor Election: ধরাশায়ী ইন্ডি জোট, চণ্ডীগড়ের মেয়র নির্বাচনে জিতল বিজেপি

    Chandigarh Mayor Election: ধরাশায়ী ইন্ডি জোট, চণ্ডীগড়ের মেয়র নির্বাচনে জিতল বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চণ্ডীগড়ের মেয়র নির্বাচনে (Chandigarh Mayor Election) জয় পেল বিজেপি। আম আদমি পার্টির কুলদীপ কুমারকে পরাস্ত করলেন বিজেপি প্রার্থী মনোজ সোনকর। প্রসঙ্গত, আম আদমি পার্টির মেয়র নির্বাচনে জোট হয় কংগ্রেসেরও। প্রসঙ্গত, গতবছর থেকেই শুরু হয় ইন্ডি জোটের ভাবনা। তাতে আকারও দেন দেশের আঞ্চলিক দলগুলির নেতা নেত্রীরাও। সম্পন্ন হয় একাধিক বৈঠক। কিন্তু ইন্ডি জোট বিজেপি বিরোধী লড়াইয়ে প্রথমবার অবতীর্ণ হয় চণ্ডীগড়ের পুরনিগমের নির্বাচনে। এখানেও তারা মুখ থুবড়ে পড়ল।

    ভোটের ফলাফল

    প্রথমবার ইন্ডি জোটের (Chandigarh Mayor Election) সঙ্গে সরাসরি মোকাবিলা হয় বিজেপির। এবং তাতেই জয় পেলেন বিজেপি প্রার্থী। বিজেপি প্রার্থী মনোজ সোনকর ১৬ ভোট পান এবং আপ প্রার্থী কুলদীপ কুমারের ঝুলিতে যায় ১২ ভোট। প্রসঙ্গত, চণ্ডীগড়ে বিজেপির রয়েছে ১৪ জন কাউন্সিলর। আম আদমি পার্টির রয়েছে ১৩ জন কাউন্সিলর। কংগ্রেসের রয়েছে ৭ জন কাউন্সিলর। এদিন নির্বাচনে ৮টি ভোটকে বাতিল ঘোষণা করা হয়। বিজেপি প্রার্থীর সমর্থনে ভোট দেন চণ্ডীগড়ের বিজেপি সাংসদ তথা প্রাক্তন পুর প্রতিনিধি কিরণ খেরও।

    মুখ থুবড়ে পড়ল ইন্ডি জোট

    ইন্ডি জোটের ভরাডুবির সংকেত (Chandigarh Mayor Election) যেন রবিবার থেকেই মিলছে। জোটের প্রধান কারিগর ছিলেন নীতীশ কুমার। রবিবার তিনি মুখ্যমন্ত্রী পদ থেকে ইস্তফা দিয়ে জোট ছাড়েন। যোগ দেন গেরুয়া শিবিরে। অন্যদিকে রাহুল গান্ধীর কর্মসূচি ঘিরেও অনৈক্য-এর ছবিটা স্পষ্ট হয়েছে। বর্তমানে কংগ্রেস নেতা পশ্চিমবঙ্গে থাকলেও, তাঁর পাশে দেখা যায়নি জোট শরিক কোনও তৃণমূল নেতাকে। এছাড়াও রাজ্যের কংগ্রেস ও তৃণমূল নেতারা একে অপরের বিরুদ্ধে বিবৃতি দিয়েই চলেছেন। রাজ্যে যে জোট হবে না তা ইতিমধ্যে স্পষ্ট করে দিয়েছেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এর মাঝেই বিজেপিকে রুখতে চণ্ডীগড়ে হাত মিলিয়ে লড়ার সিদ্ধান্ত নেয় ইন্ডি জোট। পাটিগণিতের বিচারে তারা আশাবাদী ছিল। ইন্ডি জোট এও দাবি করতে থাকে আট বছর পরে চণ্ডীগড়ের পৌর নিগম (Chandigarh Mayor Election) বিজেপির হাতছাড়া হতে চলেছে। তবে সব হিসেব নিকেশ উল্টে জিতল বিজেপি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Death Sentence: ১৫ পিএফআই সদস্যকে ফাঁসির সাজা, বিজেপি নেতা খুনের মামলায় কঠোর কেরলের আদালত

    Death Sentence: ১৫ পিএফআই সদস্যকে ফাঁসির সাজা, বিজেপি নেতা খুনের মামলায় কঠোর কেরলের আদালত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেরলের বিজেপি নেতাকে খুনের মামলায় ১৫ জনকে ফাঁসির সাজা শোনাল সে রাজ্যের একটি আদালত। ত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামীরা প্রত্যেকেই নিষিদ্ধ সংগঠন ‘পপুলার ফ্রন্ট অফ ইন্ডিয়া’ বা পিএফআইয়ের সদস্য। ২০২১ সালের ১৯ ডিসেম্বর কেরল বিজেপির ওবিসি শাখার তৎকালীন সাধারণ সম্পাদক রঞ্জিত শ্রীনিবাসন বাড়িতেই খুন হয়ে যান। পরিবারের সদস্যদের সামনেই তাঁকে মারধর করে হত্যা করা হয়।

    আদালতের রায়

    আলাপুঝার ভেল্লাকিনারে থাকতেন রঞ্জিত শ্রীনিবাসন। ২০২১-এর ১৯ ডিসেম্বর রাতে, তার বাড়িতে হামলা চালিয়েছিল আসামীরা। শ্রীনিবাসনের মা, স্ত্রী এবং কন্যার সামনেই হামলাকারীরা তাঁকে নির্মমভাবে হত্যা করেছিল। সেই হত্যার সঙ্গে জড়িত থাকার দায়ে এই ১৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। ২০ জানুয়ারি, ১৫ জনকেই দোষী সাব্যস্ত করেছিল মাভেলিকারার অতিরিক্ত দায়রা আদালত। মঙ্গলবার মৃত্যুদণ্ডের শাস্তি শোনালেন অতিরিক্ত জেলা জজ ভিজি শ্রীদেবী। আদালত জানিয়েছে, আসামীদের মধ্যে আটজন সরাসরি হত্যার সঙ্গে জড়িত ছিল। বাকি আসামীদের এই অপরাধের ষড়যন্ত্রে সামিল থাকার জন্য দোষী সাব্যস্ত করা হয়। সাজাপ্রাপ্ত এই আটজন হল – নিজাম, আজমল, অনুপ, মহম্মদ আসলাম, সালাম, আব্দুল কালাম, সফরউদ্দিন, মুনশাদ, জাজিব, নওয়াজ, শেমির, নাজির, জাকির হুসেন, শাজি এবং শামনাজ। 

    আরও পড়ুন: “বাড়িতে ঢুকলে বিজেপি সাংসদ খগেন মুর্মুকে চেপে ধরবেন”, উস্কানি দিলেন তৃণমূল নেত্রী অর্পিতা

    ঘটনার তদন্ত

    আলাপুঝার সহকারী পুলিশ সুপার এনআর জয়রাজ এই ঘটনার তদন্ত করেন। ১,০০০টিরও বেশি নথি এবং ১০০টিরও বেশি অন্যান্য প্রমাণ-সহ চার্জশিট দাখিল করে তাঁর নেতৃত্বাধীন তদন্তকারী দল। সেই সব প্রমাণের মধ্যে ছিল আঙ্গুলের ছাপ, ফরেন্সিক অনুসন্ধান রিপোর্ট, সিসিটিভি ফুটেজ এবং গুগল ম্যাপের সাহায্য নিয়ে অপরাধীদের গতিবিধির মানচিত্র ইত্যাদি। পিএফআই-এর মূল সংগঠন এসডিপিআই-এর রাজ্য সম্পাদক কেএস শানের হত্যার প্রতিশোধ হিসেবেই এই হত্যা বলে দাবি পুলিশের। ঘটনাটি বিরলের মধ্যে বিরলতম অপরাধের সমান বলে আদালতে সওয়াল জবাবে জানিয়েছিল পুলিশ। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Gyanvapi Case: সিল খোলা হোক জ্ঞানবাপীর ওজুখানার, উঠল এএসআই সমীক্ষার দাবিও

    Gyanvapi Case: সিল খোলা হোক জ্ঞানবাপীর ওজুখানার, উঠল এএসআই সমীক্ষার দাবিও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নির্মাণ হয়েছে অযোধ্যার রাম মন্দির। প্রাণপ্রতিষ্ঠাও হয়েছে বিগ্রহের। এবার ফের জ্ঞানবাপী মসজিদের (Gyanvapi Case) ওজুখানার সিল খুলে দেওয়ার দাবি হিন্দু পক্ষের। সোমবার এই দাবিতে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে তারা।

    ওজুখানায় ‘শিবলিঙ্গ’

    ওজুখানায় ‘শিবলিঙ্গে’র অস্তিত্ব মেলার পর ২০২২ সালে সেটি সিল করে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল বারাণসীর নিম্ন আদালত। সেই সিলই ফের খুলে দেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে হিন্দু পক্ষের তরফে। ওজুখানার সিল খুলে দেওয়ার পাশাপাশি এএসআইকে সেখানে সমীক্ষা চালানোর অনুমতি দেওয়ার দাবিও জানিয়েছে হিন্দু পক্ষ। হিন্দু পক্ষের দাবি, বারাণসীর জ্ঞানবাপী মসজিদের (Gyanvapi Case) কাঠামোর নীচে বড় হিন্দু মন্দিরের অস্তিত্ব ছিল। বারাণসী জেলা আদালতে জমা দেওয়া এএসআই রিপোর্টে এমনই দাবি করা হয়েছে বলে বিশ্ব হিন্দু পরিষদের দাবি।

    এএসআইয়ের রিপোর্ট!

    এএসআইয়ের রিপোর্ট উদ্ধৃত করে হিন্দু পক্ষের আরও দাবি, আওরঙ্গজেব ১৬১৯ সালের ২ নভেম্বর মন্দির ভেঙে জ্ঞানবাপী মসজিদ নির্মাণের নির্দেশ দিয়েছিলেন। হিন্দু পক্ষের আইনজীবী বিষ্ণুশঙ্কর জৈন জানান, এএসআইয়ের রিপোর্টে হিন্দু মন্দিরের অস্তিত্ব সম্পর্কে এ ধরনের মোট ৩২টি প্রামাণ মিলেছে। তিনি বলেন, “এএসআইয়ের রিপোর্ট বলছে, মসজিদ তৈরির সময় কাঠামোয় কিছু বদল আনা হয়েছিল। সামান্য বদল এনে মন্দিরের স্তম্ভ এবং অন্যান্য অংশ ব্যবহার করা হয়েছে। নতুন কাঠামো তৈরি করতে হিন্দু মন্দিরের পিলারের চরিত্রে সামান্য বদল আনা হয়েছিল।” আইনজীবীর এহেন দাবির পরে পরেই ওজুখানার সিল খুলে দেওয়ার দাবি জানাল হিন্দু পক্ষ। জানানো হল এএসআইয়ের সমীক্ষার দাবিও।

    আরও পড়ুুন: “দয়া করে পাকিস্তানে চলে যান”, বললেন ফতোয়া পাওয়া সেই ইমাম

    প্রসঙ্গত, কিছু দিন আগেই ওজুখানার ‘শিবলিঙ্গ’ পুজোর অধিকার চেয়েছিল হিন্দু পক্ষ। বিশ্ব হিন্দু পরিষদের আন্তর্জাতিক কার্যনির্বাহী সভাপতি অলোক কুমার বলেন, “এএসআই কর্তৃক সংগ্রহীত প্রমাণ ও অনুসন্ধানগুলি প্রমাণ করে যে, এই উপাসনালয়ের ধর্মীয় চরিত্রটি ১৯৪৭ সালের ১৫ অগাস্ট বিদ্যমান ছিল। বর্তমানে এটি একটি হিন্দু মন্দিরের আকারে রয়েছে। তাই উপাসনা স্থান আইন অনুসারে কাঠামোটিকে হিন্দু মন্দির ঘোষণা করা (Gyanvapi Case) উচিত।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

     

  • Hemant Soren: ইডির ভয়ে লুকিয়ে থাকা হেমন্ত সোরেনের সন্ধান দিলেই পুরস্কার, ঘোষণা বাবুলাল মারান্ডির

    Hemant Soren: ইডির ভয়ে লুকিয়ে থাকা হেমন্ত সোরেনের সন্ধান দিলেই পুরস্কার, ঘোষণা বাবুলাল মারান্ডির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোমবার সকাল থেকেই ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেনের (Hemant Soren) দিল্লির বাড়িতে তল্লাশি শুরু করে ইডি। বাজেয়াপ্ত হয় বহু গুরুত্বপূর্ণ নথি। তবে মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত দেখা মেলেনি হেমন্তর। ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী প্রায় ৪০ ঘণ্টা ধরে বেপাত্তা। এ নিয়েই কটাক্ষ শোনা গেল ঝাড়খণ্ড বিজেপির সভাপতি বাবুলাল মারান্ডির ট্যুইটে। নিজের এক্স হ্যান্ডেলে হেমন্ত সোরেনের ছবি পোস্ট করে তাঁকে নিখোঁজ ঘোষণা করেছেন বাবুলাল মারান্ডি। এর পাশাপাশি যে বা যাঁরা মুখ্যমন্ত্রীর সন্ধান দিতে পারবেন, তাঁদেরকে নগদ ১১ হাজার টাকা পুরস্কার দেওয়া হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

    বাবুলাল মারান্ডির ট্যুইট

    নিজের টুইটে বাবুলাল মারান্ডি লিখছেন, ‘‘ঝাড়খণ্ডের জনগণের প্রতি আন্তরিক আবেদন যে আমাদের রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী কেন্দ্রীয় এজেন্সির ভয়ে বিগত ৪০ ঘণ্টা ধরে বেপাত্তা। তিনি নিখোঁজ হয়ে রয়েছেন এবং লুকিয়ে বেড়াচ্ছে। মুখ্যমন্ত্রীর নিরুদ্দেশ হওয়ার সঙ্গে তাঁর নিরাপত্তাও জড়িত। সাড়ে তিন কোটি ঝাড়খণ্ডবাসীর মর্যাদার প্রশ্নও এক্ষেত্রে জড়িত।

    ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চার জরুরি বৈঠক

    জানা গিয়েছি, ইতিমধ্যে হেমন্ত সোরেনের (Hemant Soren) দল ঝাড়খন্ড মুক্তি মোর্চার বিধায়কদেরকে রাঁচি না ছাড়তে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এবং সেখানে রাজ্যের উদ্ভূত রাজনৈতিক সংকট নিয়ে আলোচনা করতে বলা হয়েছে। এ কথা জানিয়েছেন ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চার  সাধারণ সম্পাদক তথা মুখপাত্র বিনোদ কুমার সিং। প্রসঙ্গত, বর্তমানে ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চা, কংগ্রেস এবং রাষ্ট্রীয় জনতা দলের মিলিত জোট সে রাজ্যের ক্ষমতায় রয়েছে। এবং আজ মঙ্গলবারই তাদের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ঠিক করার জন্য বৈঠক করবে তারা।

     

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Navy Rescues: জলদস্যুদের হাত থেকে অপহৃত জাহাজ ছিনিয়ে আনল ভারতীয় নৌবাহিনী, উদ্ধার ১৯ পাক নাবিক

    Navy Rescues: জলদস্যুদের হাত থেকে অপহৃত জাহাজ ছিনিয়ে আনল ভারতীয় নৌবাহিনী, উদ্ধার ১৯ পাক নাবিক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরব সাগরের জলদস্যুদের বিরুদ্ধে বড় সাফল্য পেল ভারতীয় নৌ বাহিনী (Navy Rescues)। আরব সাগরে সোমালিয়ার পূর্ব উপকূলে জলদস্যুরা অপহরণ করেছিল একটি জাহাজকে। সেটি তাদের হাত থেকে ছিনিয়ে আনল ভারতীয় নৌবাহিনীর যুদ্ধ জাহাজ আইএনএস সুমিত্রা। প্রসঙ্গত, অপহরণ করা এই যুদ্ধ জাহাজে ১৯ জন পাকিস্তানি নাবিক ছিলেন। তাঁদের প্রত্যেককেই উদ্ধার করতে সমর্থ হয়েছে ভারতীয় নৌ বাহিনী। প্রসঙ্গত, সোমবার রাতে ইরানের মাছ ধরার ভেসেল আল-নাঈমিকে অপহরণ করে জলদস্যুরা। ১১ জন জলদস্যু ছিল ওই অপহরণকাণ্ডে। তাদের প্রত্যেককেই পাকড়াও করতে সমর্থ হয়েছে ভারতীয় নৌ বাহিনী।

    ৩৬ ঘণ্টায় দ্বিতীয় বড় সাফল্য

    প্রসঙ্গত, ৩৬ ঘণ্টার মধ্যে এটি নৌবাহিনীর (Navy Rescues) দ্বিতীয় বড় সাফল্য। দুদিন আগে এমভি ইমান নামে আরও একটি ভেসেল এবং সেটির ১৭ জন ক্রু সদস্যকে উদ্ধার করে ভারতীয় যুদ্ধজাহাজ আইএনএস সুমিত্রা।

    বিগত কয়েক সপ্তাহ ধরেই হামলার শিকার  বিভিন্ন দেশের পণ্যবাহী জাহাজ

    গত কয়েক সপ্তাহ ধরেই আরব সাগরে হামলার শিকার (Navy Rescues) হচ্ছে বিভিন্ন দেশের পণ্যবাহী জাহাজ। জানা গিয়েছে, অপহৃত জাহাজ উদ্ধারে এবং জলদস্যুদের প্রতিহত করতে ইতিমধ্যেই আরব সাগরে রণতরী পাঠিয়েছে ভারত। গত সপ্তাহেও লাইবেরিয়ার পতাকা নিয়ে চলা ‘এমভি লিলা নরফো’ নামক পণ্যবাহী জাহাজটি জলদস্যুদের হাত থেকে উদ্ধার করে ভারতীয় যুদ্ধজাহাজ।

    আরও পড়ুন: হেমন্ত সোরেনের বিলাসবহুল বিদেশি গাড়ি বাজেয়াপ্ত করল ইডি! ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রীর দায়িত্বে কে?

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Election 2024: ক্ষমতায় ফিরছে এনডিএ, ভবিষ্যদ্বাণী প্রশান্ত কিশোরের

    Lok Sabha Election 2024: ক্ষমতায় ফিরছে এনডিএ, ভবিষ্যদ্বাণী প্রশান্ত কিশোরের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রবিবারই মহাজোট ছেড়ে ফের এনডিএ-তে ফিরে গিয়েছেন নীতীশ কুমার। সকালে জোট ছেড়ে যাওয়া এবং বিকালে ফের এনডিএ মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়া। রবিবার নীতীশ কুমারের রাজনীতি নিয়ে ভবিষ্যৎবাণী করতে শোনা গিয়েছিল ভোট কুশলী প্রশান্ত কিশোরকে এবার সামনের লোকসভা নির্বাচনের ফলাফলের ভবিষ্যদ্বাণী করলেন প্রশান্ত কিশোর। এক সংবাদ মাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে প্রশান্ত কিশোর জানান, আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে (Lok Sabha Election 2024) বিজেপি ক্লিন স্যুইপ করবে। করবে অর্থাৎ এনডিএ জোট পুনরায় ক্ষমতায় ফিরবে বলে মনে করেন তিনি। বিভিন্ন সমীক্ষায় প্রকাশিত ফলাফলে দেখা যাচ্ছে আগামী লোকসভা নির্বাচনে গেরুয়া ঝড় বইতে (Lok Sabha Election 2024) চলেছে। তৃতীয়বারের মতো ক্ষমতায় ফেরা মোদির সুনিশ্চিত। বিদেশি সংবাদ মাধ্যমগুলিও একই দাবি করেছে। এবার সেই সুরই শোনা গেল ভোট কুশলী প্রশান্ত কিশোরের গলায়।

    বিজেপির বিরোধী শিবিরে থাকা প্রশান্ত কিশোরও মেনে নিলেন বিজেপি তৃতীয়বার ক্ষমতায় ফিরছে 

    প্রসঙ্গত, ভোট কুশলী প্রশান্ত কিশোর পশ্চিমবঙ্গে দীর্ঘদিন কাজ করেছেন। বিগত কয়েক বছরে বিজেপি বিরোধী অবস্থানই নিয়েছেন তিনি। বিজেপি সরকারের সমালোচনার সুরও শোনা যায় তাঁর গলায়। এমন এক বিজেপি বিরোধী মানুষও মেনে নিলেন এনডিএ জোট বিপুল ভোটে জিততে (Lok Sabha Election 2024) চলেছে।  

    নীতীশ কুমার সম্পর্কে তাঁর মন্তব্য

     নীতীশ কুমার নিয়ে প্রশান্ত কিশোর বলেন, “তিনি (নীতীশ কুমার) তাঁর জীবনের শেষ ইনিংস খেলছেন।”  বিহারের আগামী বিধানসভা নির্বাচনে নীতীশের ফল ভালো হবে না বলেও জানান ভোট কুশলী। তিনি বলেন,  “নীতীশ কুমার আগামী বিধানসভা নির্বাচনে ২০টির বেশি আসন পাবেন না, সেটা যে জোটের সঙ্গেই লড়াই করুন।” তাঁর এই ভবিষ্যদ্বাণী ভুল হবে না দাবি জানিয়ে পিকে-র বিস্ফোরক মন্তব্য, “যদিও ২০টির বেশি আসন পান, তাহলে আমি আমার কাজ ছেড়ে দেব।”

    আরও পড়ুুন: সরকারি অতিথি নিবাসে রাহুলের মধ্যাহ্নভোজে মমতার পুলিশের না

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Hemant Soren: হেমন্ত সোরেনের বিলাসবহুল বিদেশি গাড়ি বাজেয়াপ্ত করল ইডি! ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রীর দায়িত্বে কে?

    Hemant Soren: হেমন্ত সোরেনের বিলাসবহুল বিদেশি গাড়ি বাজেয়াপ্ত করল ইডি! ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রীর দায়িত্বে কে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী তথা জেএমএম নেতা হেমন্ত সোরেনের (Hemant Soren) বিলাসবহুল বিদেশি গাড়ি বাজেয়াপ্ত করল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ED)। সোমবার সকাল থেকে তাঁর দিল্লির বাড়িতে তল্লাশি শুরু করে ইডি। রাত পর্যন্ত দেখা মেলেনি ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেনের। মধ্যরাত পর্যন্ত মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ির বাইরে এবং বিমানবন্দরেও অপেক্ষা করেও তাঁর দেখা পাননি ইডি আধিকারিকেরা। অবশেষে মুখ্যমন্ত্রীর গাড়ি বাজেয়াপ্ত কর কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। 

    সোরেনের লুকোচুরি

    ইডি সূত্রে খবর, ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেনের (Hemant Soren) বাড়ি থেকে বহু নথি পাওয়া গিয়েছে। তাঁর বিএমডব্লু গাড়িটি বেআইনি টাকায় কেনা বলে তদন্তকারীদের অভিযোগ। তাই সোমবার রাতেই গাড়িটি বাজেয়াপ্ত করে ইডি। তারপর মধ্যরাত পর্যন্ত মুখ্যমন্ত্রী সোরেনের বাড়ির বাইরে এবং রাঁচি বিমানবন্দরে তাঁর জন্য অপেক্ষা করেন তদন্তকারীরা। কিন্তু, সোরেনের দেখা মেলেনি। যদিও সোমবার সকালে ইডির তল্লাশি অভিযান শুরুর সময়ে হেমন্ত তাঁর দিল্লির বাড়িতেই ছিলেন। দুপুর আড়াইটে নাগাদ নিরাপত্তরক্ষীদের সঙ্গে বাড়ির বাইরে বেরিয়ে আসতে দেখা যায় তাঁকে। সন্ধ্যায় বিমানে ঝাড়খণ্ডের রাজধানী রাঁচি ফিরে আসেন তিনি। সোমবার জেএমএমের তরফে একটি বিবৃতিতে দাবি করা হয়, ইডির তল্লাশিতে কিছুই মেলেনি।

    আরও পড়ুন: বারাকপুরকাণ্ডে মমতার পুলিশকে ‘হিংস্র নেকড়ে’-র সঙ্গে তুলনা শুভেন্দুর

    রাজ্যের দায়িত্বে কে?

    মুখ্যমন্ত্রী সোরেনের ইডি বিড়ম্বনার মাঝেই ঝাড়খণ্ডের শাসনভার হেমন্তের (Hemant Soren)  স্ত্রী গ্রহণ করবেন বলে দাবি জানিয়েছেন বিজেপি সাংসদ নিশিকান্ত দুবে। ট্যুইটারে তিনি লিখেছেন, হেমন্ত সোরেন-সহ জেএমএম ও সহযোগী কংগ্রেস বিধায়কদের তল্পিতল্পা নিয়ে রাঁচিতে তলব করা হয়েছে। হেমন্ত সোরেনের স্ত্রী কল্পনা সোরেনকে রাজ্যের প্রশাসনিক দায়িত্বভার গ্রহণের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে, জেএমএম সূত্রে খবর, মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে ইডি যে অভিযোগ এনেছে, সেটিকে চ্যালেঞ্জ জানিয়েই সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হচ্ছেন সোরেন। তাঁর অফিসের তরফে ইডি অফিসে ইমেল পাঠিয়ে ইতিমধ্যেই বলা হয়েছে, আগামী ৩১ জানুয়ারি দুপুর ১টায় নিজের বাড়িতে তাঁর বয়ান দেবেন বলে জানিয়েছেন সোরেন। 

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Rajya Sabha Election: ১৫টি রাজ্যের ৫৬টি রাজ্যসভার আসনে ভোট ঘোষণা করল নির্বাচন কমিশন

    Rajya Sabha Election: ১৫টি রাজ্যের ৫৬টি রাজ্যসভার আসনে ভোট ঘোষণা করল নির্বাচন কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের পাঁচ আসন সহ ১৫টি রাজ্যের রাজ্যসভার (Rajya Sabha Election) মোট ৫৬টি আসনে ভোট ঘোষণা করল নির্বাচন কমিশন। এই ৫৬টি আসনের বর্তমান সাংসদের মধ্যে ৫০ জনের মেয়াদ শেষ হচ্ছে আগামী ২ এপ্রিলেই। বাকি ৬ জনের মেয়াদ শেষ হবে ৩ এপ্রিল। পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের মোট ৫টি রাজ্যসভার আসনে ভোটগ্রহণ হবে। এছাড়াও অন্ধ্রপ্রদেশের ৩, বিহারের ৬, ছত্তিশগড়ের ১, গুজরাতের ৪, হরিয়ানার ১, হিমাচল প্রদেশের ১, কর্নাটকের ৪, মধ্যপ্রদেশের ৫, মহারাষ্ট্রের ৬, তেলঙ্গানার ৩, উত্তরপ্রদেশের ১০, উত্তরাখণ্ডের ১, ওড়িশার ৩ এবং রাজস্থানের ৩ আসনে ভোট হবে এই দফায়।

    নির্বাচন কমিশন বিজ্ঞপ্তিতে কী জানালো (Rajya Sabha Election) ?

    নির্বাচন কমিশন সোমবার এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, রাজ্যসভার (Rajya Sabha Electoin) শূন্য হতে চলা আসনগুলির জন্য ভোটগ্রহণ করা হবে আগামী ২৭ ফেব্রুয়ারি। আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি ভোটের বিজ্ঞপ্তি জারি করা হবে। মনোনয়ন জমা দেওয়া যাবে ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। ১৬ ফেব্রুয়ারি জমা পড়া মনোনয়নপত্রগুলিকে পরীক্ষা করে দেখা হবে এবং মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষদিন ২০ ফেব্রুয়ারি। এরপর ২৭ ফেব্রুয়ারি ভোট গণনা ও ফলপ্রকাশ করা হবে। বাংলার ক্ষেত্রে রাজ্যসভার যে ৫ টি আসনের সাংসদদের মেয়াদ শেষ হচ্ছে , তাঁরা হলেন নাদিমুল হক, আবিররঞ্জন বিশ্বাস, সুভাশিষ চক্রবর্তী, শান্তনু সেন ও অভিষেক মনু সিংহভি।

    তৃণমূলের বক্তব্য

    তৃণমূল কংগ্রেস সূত্রে খবর, ৪টি আসনের জন্য ফেব্রুয়ারি মাসের গোড়ায় রাজ্যসভার (Rajya Sabha Election) প্রার্থী ঘোষণা করা হতে পারে। সংখ্যাগরিষ্ঠতার নিরিখে তৃণমূলের ৪ প্রার্থীর জয় নিশ্চিত। পঞ্চম আসনটি নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতার সম্ভাবনা রয়েছে। গতবার ওই আসনে তৃণমূল কংগ্রেসের সমর্থনে বিজয়ী হয়েছিলেন অভিষেক মনু সিংভি। এবার প্রধান বিরোধী দল বিজেপির বিধায়ক সংখ্যা বাড়ায় তারা পঞ্চম আসনের জন্য প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

    বিধানসভার সাপেক্ষে জয় কতটা নিশ্চিত?

    বিধানসভা সূত্রের খবর, বর্তমানে খাতায়কলমে তৃণমূলের বিধায়ক সংখ্যা ২১৬। এছাড়া অন্য দল থেকে আসা বিধায়ক মিলিয়ে সেই সংখ্যা ২২৫। সেক্ষেত্রে বিধায়কের সংখ্যার নিরিখে রাজ্যসভার (Rajya Sabha Election) চারটি আসনে তৃণমূল প্রার্থীর জয় নিশ্চিত। রাজ্যে বিজেপির যেহেতু ৬৭ জন বিধায়ক রয়েছে তাই একটি আসন বিজেপি প্রার্থী দেবে বলেই মনে করা হচ্ছে। তাই প্রশ্ন উঠছে অভিষেক মনু সিংভিকে নিয়ে। গতবার কংগ্রেসের প্রার্থী সিংভিকে সমর্থন জানিয়েছিল তৃণমূল কংগ্রেস। কিন্তু বর্তমান পরিপ্রেক্ষিতে কংগ্রেস ফের তাঁকে প্রার্থী করবে কিনা বা সেক্ষেত্রে তৃণমূল কংগ্রেস কী অবস্থান নেবে, তা এখনও স্পষ্ট নয়।

    কংগ্রেসকে কী ভোট দেবে তৃণমূল?

    লোকসভা ভোটের আসন ভাগাভাগি নিয়ে এখনও কোনও সিদ্ধান্ত নিতে পারেনি প্রদেশ কংগ্রেস। তৃণমূল ইতিমধ্যে দুটি আসন ছেড়ে দেওয়ার কথা জানিয়েছে। আসন ভাগাভাগি নিয়ে প্রদেশ নেতৃত্বের সঙ্গে কথা বলতে রাজ্যে এসেছিল এআইসিসি প্রতিনিধি দল। অবশ্য বঙ্গ কংগ্রেস জানিয়ে দিয়েছে, রাজ্যে কংগ্রেসে বাঁচিয়ে রাখতে হলে শাসকদলের হাত ধরলে চলবে না। তাই লোকসভা ভোটে যদি তৃণমূলের হাত না ধরে কংগ্রেস, তবে তার প্রভাব রাজ্যসভার (Rajya Sabha Election) ভোটে পড়তে পারে। যদিও অভিষেক মনু সিংভির সঙ্গে তৃণমূলের সস্পর্ক ভালো। আইনজীবী সিংভি তৃণমূল হয়ে মামলাও লড়েন। এই পরিস্থিতিতে তাঁকে রাজ্যসভায় পাঠাতে গররাজি হবে না দল। আবার দলের একাংশের মতে, অন্য দলের প্রার্থীকে সমর্থন না করে নিজের প্রার্থীদের সমর্থন দেওয়া উচিত।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Primary Teacher: স্থগিতাদেশ তুলে নিল সুপ্রিম কোর্ট, প্রায় ১২ হাজার চাকরিপ্রার্থীর প্রাথমিকের নিয়োগে রইল না বাধা

    Primary Teacher: স্থগিতাদেশ তুলে নিল সুপ্রিম কোর্ট, প্রায় ১২ হাজার চাকরিপ্রার্থীর প্রাথমিকের নিয়োগে রইল না বাধা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২২ সালে প্রাথমিক স্কুলের শিক্ষক (Primary Teacher) নিয়োগ প্রক্রিয়ার উপর থেকে স্থগিতাদেশ তুলে নিল দেশের শীর্ষ আদালত। সোমবারই সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ দেয় নিয়োগ প্রক্রিয়া নির্বিঘ্নে চালিয়ে যেতে পারবে পর্ষদ। এর পাশাপাশি প্যানেল প্রকাশের বাধাও তুলে নিলেন বিচারপতি হিমা কোহলি এবং বিচারপতি আহসান উদ্দিন আমানুল্লাহ এর বেঞ্চ। সুপ্রিম কোর্টের আজকের রায় বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের নির্দেশকেই এককথায় সিলমোহর দিল।

    ২০২২ সালের সেপ্টেম্বরে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দেয় পর্ষদ

    প্রসঙ্গত, ২০২২ সালের সেপ্টেম্বর মাসেই প্রাথমিকের নিয়োগ প্রক্রিয়ায় ১২ হাজার শিক্ষকের (Primary Teacher) নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়। সেখানে প্রথমে জানানো হয়, যাঁরা প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন তাঁরাও ওই নিয়োগে অংশ নিতে পারবেন। এরপরেই জল গড়ায় কলকাতা হাইকোর্টে। মামলা করেন চাকরি প্রার্থীদের একাংশ। ২০২২ সালে সেপ্টেম্বরের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় পর্ষদের সিদ্ধান্তকেই মান্যতা দেন। ২০২২ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর প্রাথমিক স্কুলে শিক্ষক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি জারি করে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ। ২০২৩ সালের এপ্রিল মাস নাগাদ হাইকোর্টের তৎকালীন বিচারপতি সুব্রত তালুকদার এবং বিচারপতি সুপ্রতিম ভট্টাচার্যের ডিভিশন বেঞ্চ পর্ষদের ওই বিজ্ঞপ্তি খারিজ করে দেয়।

    মামলা গড়ায় দেশের শীর্ষ আদালতে

    ২০২৩ সালের ২৮ জুলাই সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি হিমা কোহলি এবং বিচারপতি রাজেশ জিন্দালের বেঞ্চ জানায়, আদালত নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত পর্ষদ কোনও মেধা তালিকা প্রকাশ করতে পারবে না। তারপর থেকে মামলাটির শুনানি সুপ্রিম কোর্টে চলছিল এবং একাধিকবার এই শুনানি পিছিয়ে যায়। চলতি মাসের ২২ তারিখ প্রাথমিক শিক্ষাপর্ষদের কাছে তথ্য জানতে চায় শীর্ষ আদালত। ঠিক কত শূন্য পদ রয়েছে এবং তার মধ্যে কতজন যোগ্য তার খসড়া প্যানেল আদালতে পেশ করতে নির্দেশ দেয় সুপ্রিম কোর্ট। ঠিক তারপরেই সোমবার নিয়োগ প্রক্রিয়ার উপর থেকে স্থগিতাদেশ তুলে দিল শীর্ষ আদালত। এরপর পর্ষদ (Primary Teacher) নিয়োগ প্রক্রিয়া চালিয়ে নিয়ে যেতে পারবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share