Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Amit Shah on CAA: ‘সিএএ হবেই দিদি, কেউ ঠেকাতে পারবে না’, বাংলায় এসে মমতাকে বার্তা শাহ-র

    Amit Shah on CAA: ‘সিএএ হবেই দিদি, কেউ ঠেকাতে পারবে না’, বাংলায় এসে মমতাকে বার্তা শাহ-র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের সিএএ নিয়ে হুঙ্কার ছাড়লেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। বাংলায় এসে বিজেপির দলীয় বৈঠকে শাহের স্পষ্ট বার্তা, সিএএ দেশের আইন, তা কার্যকর হবেই। এই আইন কার্যকর করার ক্ষেত্রে কেউ বাধা সৃষ্টি করতে পারবে না। প্রত্যেকে নাগরিকত্ব পাবে। শরণার্থীদের নাগরিকত্ব নিয়ে বারংবার ভুল বোঝানো হয়েছে বলে দাবি করেছেন শাহ। 

    সিএএ প্রসঙ্গে শাহ

    বড়দিনের রাতে কলকাতায় এসেছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। দু-দিনের সফরে কলকাতা এসেছিলেন শাহ এবং বিজেপি-র সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা। এখানে দলীয় নেতাদের সঙ্গে একপ্রস্থ বৈঠক সারেন তাঁরা। বিজেপি সূত্রে খবর,মঙ্গলবার কলকাতায় দলের আইটি সেলের এক বৈঠকে সিএএ নিয়ে আলোচনা হয়। সেই সময় নাকি দলীয় কর্মীদের উদ্দেশে অমিত শাহ বলেন, “দিদি প্রায়ই আমাদের উদ্বাস্তু ভাইদের সিএএ নিয়ে বিভ্রান্ত করেন। আমি এটা পরিষ্কার করে দিতে চাই সিএএ হল দেশের আইন। এবং এর বাস্তবায়ন কেউ আটকাতে পারবে না। প্রত্যেকে নাগরিকত্ব পাবেন।” 

    সিএএ প্রসঙ্গে সুকান্ত

    এ প্রসঙ্গে রাজ্য বিজেপি সভাপতি সুকান্ত মজুমদারও বলেন, “সিএএ ভারতের সংবিধান সম্মত আইন। যা ভারতের লোকসভা এবং রাজ্যসভায় পাশ হয়েছে। এটা আইন। সিএএ লাগু হবে। এবং আমার বিশ্বাস খুব তাড়াতাড়ি লাগু হবে।” প্রসঙ্গত, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বরাবর প্রথম থেকে বিরোধিতা করে এসেছেন সিএএ-র। সংসদের দু’কক্ষে (রাজ্যসভা ও লোকসভা) এই বিল পাশ হয়েছে ঠিকই, তবে চারবছর পরও রুল তৈরি না হওয়ায় উদ্বাস্তু সমাজের একাংশের মধ্যে তৈরি হয়েছে ক্ষোভ। তাই দ্রুত এই বিল লাগু করতে চাইছে সরকার।

    আরও পড়ুুন: ইন্ডি জোটে কোন্দল প্রকাশ্যে, মমতার খাড়্গে-প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান পাওয়ারের

    শাহি-বার্তা

    কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের পর বিজেপির তরফ থেকে শাহের বক্তব্যের অংশ সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করা হয়। তাতে তাঁকে বলতে শোনা গিয়েছে, ‘বাংলায় বিজেপি সরকার গঠনের জন্য কাজ করতে হবে আগামী বিধানসভা নির্বাচনে। বাংলায় বিজেপি সরকারের অর্থ হবে গরু পাচার রুখে দেওয়া, সিএএ কার্যকর করা।’ মঙ্গলবার জাতীয় গ্রন্থাগারের ভাষা ভবনে শাহ তাঁর বক্তৃতায় বলেন, ‘‘দেশের সব রাজ্যে আমাদের ভারতীয় জনতা পার্টির সরকার তৈরি হয়, সেটাই আমাদের লক্ষ্য। কিন্তু বাংলা এদের মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, পশ্চিমবঙ্গে ভারতীয় জনতা পার্টির সরকার তৈরির মানে হল হল অনুপ্রবেশকারীদের ঢোকা পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যাওয়া এবং অনুপ্রবেশকারীদের ‘সিল’ করে দেওয়া।” 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Ram Mandir: অযোধ্যায় বাড়ির ছাদে ছাদে উড়ছে ‘জয় শ্রীরাম’ পতাকা, এ যেন হিন্দু সংস্কৃতির ভরকেন্দ্র!

    Ram Mandir: অযোধ্যায় বাড়ির ছাদে ছাদে উড়ছে ‘জয় শ্রীরাম’ পতাকা, এ যেন হিন্দু সংস্কৃতির ভরকেন্দ্র!

    শুভ্র চট্টোপাধ্যায়, অযোধ্যা

    ২২ জানুয়ারি তো এখনও ঢের দেরি। নয় নয় করে আরও ২৮ টা দিন। কিন্তু সোমবার অযোধ্যায় (Ram Mandir) পা রাখতেই মনে হল, উৎসব শুরুই হয়ে গেছে। পুণ্যভূমির সর্বত্র শুধু ভগবান শ্রীরামচন্দ্র। দোকানে, বাড়ির দেওয়ালে, এমনকী বাড়ির দরজাতেও। বুঝতে অসুবিধা হল না, গোটা অয্যোধ্যা এখন রামচন্দ্রময়। জলে, স্থলে, আকাশে, বাতাসে কান পাতলে শোনা যাচ্ছে একটাই ধ্বনি, ‘জয় শ্রীরাম’। আগের অযোধ্যার সঙ্গে ফারাকও বিস্তর। ২২ জানুয়ারির সেই শুভ মুহূর্তটা যত এগিয়ে আসছে, কর্মব্যস্ততা ততই বাড়ছে। কারণ, প্রশাসনও জানে, ক’টা দিন পরই গোটা বিশ্ব হয়ে উঠবে অযোধ্যামুখী। তাঁদের আকৃষ্ট করতে প্রশাসনের চেষ্টার খামতি নেই।

    রামের ঘরে ফেরা (Ram Mandir)

    ২৮টা দিন অয্যোধ্যাবাসীর কাছে অবশ্য কিছু নয়। অনেকের সঙ্গে কথা বলেই বোঝা গেল, তাঁদের কাউন্ট ডাউন শুরু হয়ে গিয়েছে। রাস্তাঘাট থেকে পুরাতন বাড়ি, সব জায়গায় চলছে সংস্কার। আমার মতো অযোধ্যায় পা রেখে যে কারও মনে হতেই পারে, হিন্দু সংস্কৃতির ভরকেন্দ্র হয়ে উঠেছে অযোধ্যা (Ram Mandir)। বাড়ির দেওয়াল থেকে পার্ক, সর্বত্রই ছাপ সনাতন সংস্কৃতির। দোকানের দরজাতেও লেখা ‘জয় শ্রীরাম’। দেদার বিক্রি হচ্ছে রামচন্দ্র-হনুমানের ছবি আঁকা গৈরিক পতাকা। এ যেন সত্যিই রামের ঘরে ফেরা।

    ভগবান রাম যেন সবার (Ram Mandir)

    এখানকার মানুষ একটা বিষয় নিয়ে বেজায় খুশি। তা হল, এ শুধু রামের ঘরে ফেরাই নয়, অযোধ্যার (Ram Mandir) অর্থনীতিরও আমূল পরিবর্তন আসছে। রামসীতা-হনুমানের মূর্তি তৈরি করেন জনৈক সন্তোষ শর্মা। তাঁর চোখেমুখে যেন খুশি ঝরে পড়ছে। তাই প্রতিবেদককে অকপটেই বলে দিলেন, ‘‘আগের থেকে বিক্রি বহুগুণ বেড়ে গিয়েছে।’’ রামনগরীতে ঢোকার মুখে দিব্য কুণ্ড জলাশয় বাঁধানোর কাজ চলছে। দেখলাম, সেটাও প্রায় শেষের দিকে। শ্রমিকরা বললেন, ‘‘গত ১ বছর ধরেই চলছে কাজ। আর কয়েক দিনেই সম্পূর্ণ হয়ে যাবে।’’ প্রশাসনও নিরাপত্তার নিরিখে এক ইঞ্চি জমি ছাড়তে নারাজ। তাই পথের মোড়ে মোড়ে চোখে পড়ল পুলিশি ব্যারিকেড। বুঝলাম, নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে ফেলা হচ্ছে রামনগরী। অযোধ্যার অলি-গলি-তস্য গলি চষে বেড়িয়ে দেখলাম, কমবেশি সব বাড়ির ছাদেই উড়ছে শ্রীরামের ছবি বসানো পতাকা। কোনও ধনী-দরিদ্র ভাগ নেই। ভগবান রাম যেন সবার হয়ে উঠেছেন।

    ফিরে পেয়েছে পুরনো মর্যাদা (Ram Mandir)

    ২০০৭ সালে সুপ্রিম কোর্টে এফিডেফিট দাখিল করে তৎকালীন কংগ্রেস সরকার জানিয়েছিল, রামের অস্তিত্ব নেই। কিন্তু অযোধ্যার রাস্তাঘাট, পার্ক, জলাশয়, দোকান, বাড়ির ছাদ সবেতেই দেখা যাচ্ছে রামচন্দ্রকে। সন্ধ্যায় পুণ্যতোয়া সরযূ নদীর ধারে ভক্ত সমাগমই বলে দিচ্ছে আধ্যাত্মিক ভূমির (Ram Mandir) মাহাত্ম্য। জানা গেল, এখানে রোজই চলে সরযূ আরতি। চলতি বছরের দীপাবলি থেকে শুরু হয়েছে অযোধ্যায় লেজার শো। গোটা রামায়ণকে লাইট শো-এর মাধ্যমে প্রতিদিন সরযূ আরতির পরে দেখানো হয়। অযোধ্যা কি বদলে গিয়েছে? প্রতিবেদকের এমন প্রশ্ন শুনে সরযূ-আরতি সমিতির সভাপতি মহারাজ শশীরকান্ত দাস বললেন, ‘‘আগে তো কেউই অযোধ্যা আসতেন না। দেশ থেকে পর্যটকদের ভিড় সেভাবে দেখাও যেত না। কারণ সবাই ভীত ছিলেন কখন ঝামেলা শুরু হয়ে যাবে! তখন অযোধ্যার প্রতি সবাই ছিলেন একেবারেই উদাস। কিন্তু এখন সময় বদলেছে। মন্দির নির্মাণ হচ্ছে, যার অবদান, কৃতিত্ব অবশ্যই নরেন্দ্র মোদির। বদলেছে অযোধ্যা। পাঁচশো বছর পরে নগরী ফিরে পেয়েছে পুরনো মর্যাদা।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Ayodhya Ram Mandir: একটা ঘর ১ লক্ষ! রামমন্দির উদ্বোধনের আগেই অযোধ্যায় হোটেল-হাহাকার

    Ayodhya Ram Mandir: একটা ঘর ১ লক্ষ! রামমন্দির উদ্বোধনের আগেই অযোধ্যায় হোটেল-হাহাকার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রামমন্দির (Ayodhya Ram Mandir) উদ্বোধনের আগেই অযোধ্যায় এখন থেকেই মহার্ঘ হোটেলের ঘর। হোটেলের এক-একটি ঘরের ভাড়া এখন আকাশছোঁয়া। 

    ভিআইপিদের সংখ্যাই হাজারে!

    কাশী থেকে অযোধ্যা, সর্বত্র তীর্থযাত্রীরা আগামী মার্চ মাস পর্যন্ত ট্রেন, বিমানের টিকিট বুকিং করে ফেলেছেন। উল্লেখ্য, সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে, একমাত্র আমন্ত্রিত অতিথিরাই থাকার জায়গা পাবেন। সব মিলিয়ে সংখ্যা হবে আট হাজার। এর মধ্যে ভিআইপিদের সংখ্যা হল এক হাজার। ফলে ভিআইপিদের জায়গা দিতে আদিত্যনাথ প্রশাসন সাধারণের জন্য হোটেলের বুকিং বাতিল করতে নির্দেশ দেওয়ার পর ঘরের জন্য হাহাকার পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। এমন যে একটি ঘরের ভাড়া হাঁকা হচ্ছে ৭০ হাজার থেকে ১ লক্ষ টাকা। সাধারণ হোটেলের ঘরভাড়া এখন কার্যত পাল্লা দিচ্ছে তাজ-ওবেরয়ের সঙ্গে!

    চড়া হোটেল ভাড়া (Ayodhya Ram Mandir)

    সংবাদমাধ্যমের একাংশের দাবি, মন্দির (Ayodhya Ram Mandir) উদ্বোধনকে ঘিরে অযোধ্যায় এখন হোটেল ঘরের চাহিদা তুঙ্গে। চাহিদার সঙ্গে ভাড়াও বৃদ্ধি পাচ্ছে। আবার সরকারি নির্দেশের পর সেই দর আরও বেড়ে গিয়েছে। কোনও কোনও হোটেলের ঘর ভাড়ার দর ১ লক্ষ টাকা পর্যন্ত পৌঁছে গিয়েছে। এক সময় যে হোটেলগুলির ভাড়া সাধারণের আয়ত্তের মধ্যে থাকতো, এখন প্রতিদিনের ভাড়ার পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৭০ হাজার টাকা। বিভিন্ন হোটেল-বুকিং ওয়েবসাইটে ঘরের মূল্য অন্য সময়ের তুলনায় কয়েক গুণ বেড়ে গিয়েছে। এছাড়াও স্থানীয় সাধারণ মানের হোটেলেও দৈনিক রুম ভাড়া দাঁড়িয়েছে ৪০ হাজার টাকা। ফলে মন্দির উদ্বোধনকে ঘিরে যে কোনও পাঁচতারা হোটেলকেও হার মানাচ্ছে এই সাধারণ হোটেলগুলির ভাড়া। অনেকেই এই নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন। 

    তিন থেকে পাঁচ লক্ষ ভক্ত আসবেন

    সূত্রে জানা গিয়েছে, আগামী ২২ জানুয়ারিতে রাম মন্দিরের (Ayodhya Ram Mandir) উদ্বোধন করা হবে। মন্দিরে প্রভু রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠা করা হবে। মন্দিরে প্রাণ প্রতিষ্ঠার সময় সারাদেশ থেকে ৩ থেকে ৫ লক্ষ ভক্ত অযোধ্যায় পৌঁছবেন। তবে সংখ্যার পরিমাণ আরও বৃদ্ধি পাবে বলে অনুমান করা হচ্ছে। মন্দিরকে ঘিরে শহরের বেশির ভাগ হোটেল ইতিমধ্যেই বুকিং হয়ে গিয়েছে বলে জানা গিয়েছে। মন্দিরকে ঘিরে আগামীদিনে পর্যটনের একটি বিরাট ক্ষেত্র নির্মিত হবে বলে স্থানীয়রা মনে করছেন। ফলে হোটেল এবং পর্যটন ব্যবসার কথা ভেবে বড় বড় সংস্থা, কোম্পানিগুলি বিনিয়োগের কথা ভাবছে বলে জানা গিয়েছে।

    মন্দিরকে ঘিরে তীব্র উন্মাদনা

    মন্দিরকে (Ayodhya Ram Mandir) ঘিরে এখন তীব্র উন্মাদনা চলছে অযোধ্যায়। উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ গত সপ্তাহে গিয়েছিলেন অযোধ্যায়। জানা গিয়েছে, আগামী ৩০ ডিসেম্বর নতুন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। দুই লক্ষ মানুষের জমায়েত হবে বলে জানা গিয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Maoist Attack: ঝাড়খণ্ডে রেললাইন উড়িয়ে দিল মাওবাদীরা, ব্যাহত ট্রেন চলাচল

    Maoist Attack: ঝাড়খণ্ডে রেললাইন উড়িয়ে দিল মাওবাদীরা, ব্যাহত ট্রেন চলাচল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঝাড়খণ্ডে রেললাইন উড়িয়ে দিল মাওবাদীরা (Maoist Attack)। এর জেরে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে হাওড়া-মুম্বই শাখায় ট্রেন চলাচল। জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার রাত ১১টা নাগাদ ঝাড়খণ্ডের গোইলকেরা এবং মনোহরপুর স্টেশনের মাঝে রেললাইনের বেশ খানিকটা অংশ বিস্ফোরক দিয়ে উড়িয়ে দেয় মাওবাদীরা (Maoist Attack)। ঠিক তার পাশের লাইন দিয়ে যাচ্ছিল একটি মালগাড়ি। মালগাড়ির চালক বিষয়টি লক্ষ্য করেন এবং সঙ্গে সঙ্গে স্থানীয় স্টেশন ম্যানেজারকে সতর্ক করে দেন।

    বড় দুর্ঘটনার কবলে পড়তে পারত আপ শালিমার-কুরলা এক্সপ্রেস

    সেই সময়ে ওই ট্র্যাক দিয়ে যাওয়ার কথা আপ শালিমার-কুরলা এক্সপ্রেসের। খুব স্বাভাবিকভাবেই এক ভয়ঙ্কর দুর্ঘটনার সম্মুখীন হতে হত ওই এক্সপ্রেসকে। খবর পাওয়া মাত্রই গোইলকেরা স্টেশনে শালিমার কুরলা আপ-এক্সপ্রেস কে দাঁড় করিয়ে দেওয়া হয়। এর পাশাপাশি রেলের শীর্ষ আধিকারিকদের খবর দেওয়া হয়। পরবর্তীকালে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় রেলের সুরক্ষা বাহিনী ও রেলের উচ্চপদস্থ পদাধিকারীরা। প্রসঙ্গত, শুক্রবার বাইশে ডিসেম্বর ভারত বনধ-এর ডাক দিয়েছে মাওবাদীরা (Maoist Attack)। তার আগেই এমন ঘটনা ঘটল ঠিক ২১ ডিসেম্বরের রাতে। সূত্রের খবর, ঘটনাস্থল থেকেই একটি মাওবাদী পোস্টার উদ্ধার হয়েছে।

    আরও পড়ুুন: “ভোটের আগে ললিপপ”! চার শতাংশ ডিএ বৃদ্ধি নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে তোপ শুভেন্দুর

    কী বলছে প্রশাসন? 

    শুক্রবার এই ঘটনার পরেই বেশ কয়েকটি ট্রেনকে রাতেই অন্যান্য স্টেশনে দাঁড় করিয়ে রাখতে হয়। যেমন, মনোহরপুরে পোরবন্দর শালিমার এক্সপ্রেস, জগদলপুর হাওড়া এক্সপ্রেস, গোইলকেরায় শালিমার এলটিটি এক্সপ্রেস, রৌরকেল্লায় পুনে হাওড়া এক্সপ্রেস, চক্রধরপুরে (Maoist Attack) হাওড়া সিএসএমটি এক্সপ্রেসকে দাঁড় করিয়ে দেওয়া হয়। সিংভূমের পুলিশ সুপার আশুতোষ শেখর বলেন, “ঘটনাস্থলের আশপাশের এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। সকাল থেকে রেলওয়ে ট্র্যাক মেরামতের কাজ শুরু হয়েছে। খুব শিগগিরই ট্রেন পরিষেবা ফের চালু করা হবে বলে আশা করা হচ্ছে। মাওবাদীরা ওই এলাকায় ব্যানার এবং পোস্টারও ফেলে গিয়েছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • LPG: রান্নার গ্যাসের বায়োমেট্রিক করাতে কোনও চার্জ দিতে হবে না, জানিয়ে দিল ইন্ডিয়ান অয়েল

    LPG: রান্নার গ্যাসের বায়োমেট্রিক করাতে কোনও চার্জ দিতে হবে না, জানিয়ে দিল ইন্ডিয়ান অয়েল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রান্নার গ্যাসে ‘বায়োমেট্রিক অথেন্টিকেশন’ বা আঙুল ছাপ নেওয়ার যে কাজ চলছে, তাতে অনেক সময়ই বাড়তি টাকা নেওয়ার অভিযোগ উঠছে। বিভিন্ন জায়গা থেকেই অভিযোগ আসছে, গ্রাহকদের নানা ভাবে ভুল বুঝিয়ে কোথাও টাকা নেওয়া হচ্ছে, কোথাও পাইপ নিতে বাধ্য করা হচ্ছে। ক’দিন আগেই রাজ্যের এক তৃণমূল মন্ত্রী স্ত্রীর বিরুদ্ধেই অভিযোগ ওঠে, তিনি প্রত্যেক গ্রাহকের কাছ থেকে ২০০ টাকা করে নিচ্ছেন শুধুমাত্র এই বায়োমেট্রিক করার জন্য। গ্রাহকরা এই অবস্থায় পড়ে রীতিমতো বিভ্রান্ত। তাঁদের এই সঙ্কট নিরসনে এগিয়ে এল ইন্ডিয়ান অয়েল। বৃহস্পতিবার তারা এক বিবৃতি দিয়ে জানিয়ে দিল, ইন্ডেন এলপিজি’র (LPG) ডোমেস্টিক গ্রাহকদের আধারের তথ্য পরীক্ষা করে দেখার জন্য ওই আঙুল ছাপ নেওয়ার কাজ চলছে। কিন্তু এই কাজের জন্য গ্রাহকদের কাছ থেকে কোনও রকম চার্জ নেওয়া হচ্ছে না। এই সার্ভিস দেওয়া হচ্ছে বিনামূল্যে।

    তাহলে কী করণীয়? (LPG)

    ইন্ডিয়ান অয়েল জানিয়েছে, যদি কোথাও এই ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটে যে ওই কাজের জন্য গ্রাহকদের কাছ থেকে টাকা দাবি করা হচ্ছে, তাহলে সঙ্গে সঙ্গে জানাতে হবে। এর জন্য কোম্পানি একটি টোল ফ্রি নম্বরও দিয়েছে। তা হল, ১৮০০২৩৩৩৫৫৫। এর জন্য কোম্পানির (LPG) টিম রয়েছে, যারা সঙ্গে সঙ্গে সমস্যার সমাধান করার জন্য তৈরি থাকবে। 

    কী ঘটেছে কৃষ্ণনগরে? (LPG)

    রাজ্যের মন্ত্রী তথা কৃষ্ণনগর দক্ষিণ বিধানসভার বিধায়ক উজ্জ্বল বিশ্বাসের স্ত্রীর নামে গ্যাসের (LPG) ডিলারশিপ রয়েছে। কেন্দ্র সরকারের নির্দেশ অনুযায়ী গোটা দেশ জুড়ে চলছে গ্যাস সিলিন্ডারের সঙ্গে আধার কার্ডের ভেরিফিকেশন করানোর কাজ। সম্পূর্ণ বিনামূল্যে বিভিন্ন গ্যাসের ডিলারের অফিস থেকে এই কেওয়াইসি করার নির্দেশ রয়েছে কেন্দ্র সরকারের তরফে। সেই মতো অনেক জায়গাতেই গ্রাহকরা গিয়ে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে তাঁদের আধার সংক্রান্ত কাজ করিয়ে আনছেন। অথচ দীর্ঘদিন ধরেই রাজ্যের মন্ত্রী উজ্জ্বল বিশ্বাসের স্ত্রী সোমা বিশ্বাস গ্রাহকদের কাছ থেকে ২০০ টাকা করে নিচ্ছেন বলে অভিযোগ। টাকা না দিলে বলা হচ্ছে এখানে কেওয়াইসি করা যাবে না। বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন করা হলে গ্রাহকদের সঙ্গে খারাপ ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে সোমা বিশ্বাস এবং তাঁর কর্মীদের বিরুদ্ধে। মূলত এই অভিযোগ তুলেই একাধিক গ্রাহক মন্ত্রীর বাড়ির সামনে ঘেরাও করে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। গ্রাহকদের বক্তব্য, কেন ২০০ টাকার বিনিময়ে আমরা কেওয়াইসি করব, যেখানে সরকারি নির্দেশ রয়েছে সম্পন্ন বিনামূল্যে এই কাজ করা যাবে। কৃষ্ণনগরে অন্য গ্যাস অফিসে কোথাও নেওয়া হচ্ছে না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Manipur: সিবিএসই বোর্ডের ২৫টি স্কুলকে ভুয়ো ঘোষণা করল মণিপুর শিক্ষা দফতর

    Manipur: সিবিএসই বোর্ডের ২৫টি স্কুলকে ভুয়ো ঘোষণা করল মণিপুর শিক্ষা দফতর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মণিপুরে (Manipur) ২৫টি সিবিএসই স্কুলকে ভুয়ো বলে ঘোষণা করা করল রাজ্যের শিক্ষা দফতর। গত ৩ মে গোষ্ঠী সংঘর্ষ যখন চলছিল সেই সময় চুরাচাঁদপুর এবং কাংপোকপি জেলায় বেশ কিছু স্কুলে কুকি জঙ্গিদের কার্যকলাপ সক্রিয় ছিল বলে জনা গিয়েছে। এই সব স্কুলগুলি সিবিএসই বোর্ড পরিচালিত বলে খবর। উল্লেখ্য কুকি সমাজের এক ব্যক্তি গত ১৪ ডিসেম্বর একাটি সামজিক মাধ্যমে জানিয়ে ছিলেন, চুরাচাঁদপুরে ২০ এবং কাংপোকপিতে ১৬ টি স্কুলের অনুমোদন ছিল। উল্লেখ্য যখন হিংসার আবহ চলছিল সেই সময়ে কিভবে সিবিএসই-র অনুমোদন পেয়েছিল তাই এখন বড় প্রশ্ন।

    মণিপুর শিক্ষা দফতরের বক্তব্য (Manipur)

    প্রাথমিক ভাবে তদন্ত করে মণিপুরের শিক্ষা দফতরের সহকারী সেক্রেটারি অঞ্জলি চংথাম বলেন, “২০২৩ সালে চুরাচাঁদপুর এবং কাংপোকপি জেলায় রাজ্য শিক্ষা দফতরের তরফ থেকে কোনও রকম অনুমোদন দেওয়া হয়নি, সেন্ট্রাল বোর্ড অফ সেকেন্ডারি এডুকেশন (সিবিএসই) পরিচালিত এই স্কুলগুলিকে। সেই সঙ্গে নো অবজেকশেনের কোনও রকম শংসাপত্র দেওয়া হয়নি।” উল্লেখ্য এই বছরের ২০২৩ সালের ১৮ ডিসেম্বর পর্যন্ত সিবিএসই স্কুলের অটোমেশন সিস্টেম অনুসারে দেশে মোট ২৮৯৪২ টির মধ্যে ১০৭ টি এই মণিপুর রাজ্যে অনুমোদিত হয়েছে। ফলে সবটা পরিকল্পনা কিনা তাও সন্দেহ করা হচ্ছে। 

    শিক্ষামন্ত্রী অনুসন্ধান করতে দিল্লি গিয়েছেন

    মণিপুরের (Manipur) শিক্ষামন্ত্রী বসন্ত সিংহ এবং রাজ্যের শিক্ষা কমিশনার জ্ঞান প্রকাশ ইতিমধ্যে দিল্লিতে গিয়েছিলেন ভুয়ো স্কুলের বিষয়ে অনুসন্ধান করতে। সূত্রে জানা গিয়েছে, সিবিএসই মাত্র সাত দিনেই ২৫টি স্কুলের অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল। উল্লেখ্য এখনও স্কুলের নাম এখনও ওয়েবসাইটে পাওয়া গিয়েছে। অনুমোদনের প্রক্রিয়াকে একপ্রকার কারসাজি হিসবে দেখেছে মণিপুরের শিক্ষা দফতর। ফলে কীভবে দিল্লি থেকে এই ধরনের অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।

    হিংসার মধ্যে এই স্কুলের কিছু ভূমিকা রয়েছে কিনা তাও তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। অবশ্য সাধারণ মানুষের আরও বলে থাকে গোষ্ঠী সংঘর্ষের সময় জঙ্গি মদতপুষ্ট কুকিরা যদি এয়ার লাইসেন্সের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট হ্যাক করতে পারে তাহলে সিবিএসই স্কুলের অনুমোদ বিষয়ে কারচুপি করাও খুব একটা কঠিন কিছু হবেনা। উল্লেখ্য, গত কয়েক মাসের মণিপুরের হিংসায় ২০০ জনের বেশি মানুষের হত্যা হয়েছে। ২০০০ জনের বেশি মানুষ প্রত্যক্ষ ভাবে ক্ষয়ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • IAF Pilot: মোদির ভারতে এও এক অভিমন্যুর গল্প, শুনবেন?

    IAF Pilot: মোদির ভারতে এও এক অভিমন্যুর গল্প, শুনবেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তাঁর নাম অভিমন্যু। মহাভারতের চরিত্র। অর্জুন-পুত্র অভিমন্যু। আজ আমরা জানব মহান ভারতের আর এক অভিমন্যুর (IAF Pilot) কথা। যিনি একটা গ্রাম বাঁচাতে গিয়ে নিজের জীবন বলি দিয়েছেন। ইন্ডিয়ান এয়ারফোর্সের বছর তেত্রিশের এই পাইলটের বাড়ি দেরাদুনে।

    অভিমন্যুর গল্প

    হায়দরাবাদে এয়ারফোর্স ট্রেনিং অ্যাকাডেমি থেকে উড়িয়েছিলেন জেট বিমান। ওড়ানোর পরে পরেই যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দেয় বিমানে। বিপদ বুঝে বিমানটিকে উড়িয়ে নিয়ে যান একটি ফাঁকা জায়গায়। কারণ পড়শি গ্রামে বিমান ভেঙে পড়লে প্রাণহানির আশঙ্কা ছিল। সেই কারণেই বিমানটি উড়িয়ে নিয়ে তিনি যান ফাঁকা জায়গায়। সেখানেই গোত্তা খেয়ে পড়ে বিমান। দাউ দাউ করে জ্বলে যায় আস্ত বিমান। পুড়ে খাক হয়ে যায় স্কোয়াড্রন লিডারের শরীর (IAF Pilot)। অভিমন্যু রাইয়ের স্ত্রীও এয়ারফোর্সে কর্মরত। তাঁরও পোস্টিং হায়দরাবাদে। তিনি ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট পদে কর্মরত। নাম অক্ষয়িতা রাই।

    অভিমন্যুর পরিবার মিলিটারিতে

    অভিমন্যুর পুরো পরিবারই জড়িয়ে রয়েছে মিলিটারির পরতে পরতে। তাঁর বাবা ইন্ডিয়ান এয়ারফোর্সের গ্রুপ ক্যাপ্টেন ছিলেন। তাঁর শ্বশুর ইন্ডিয়ান নেভির ভাইস অ্যাডমিরাল। অভিমন্যুর বৃহত্তর পরিবারের প্রায় ৪০ জনই মিলিটারির সঙ্গে যুক্ত। কেউ চাকরি করছেন এখনও। কেউ আবার অবসরপ্রাপ্ত। তাঁরাই অভিমন্যুর সহকর্মীদের কাছ থেকে শুনেছেন তাঁর নায়কোচিত কাজের কথা। কীভাবে পড়শি গ্রামের বাসিন্দাদের বাঁচাতে প্রাণের ঝুঁকি নিয়েছিলেন অভিমন্যু। কীভাবে নিরীহ গ্রামবাসীদের বাঁচাতে নিজের জীবন বলি দিয়েছেন এই ভারতের অভিমন্যু। বিমান বাহিনীতে সবে ন’ বছর হয়েছে অভিমন্যুর। তাঁর বাবা অমিতাভ রাই শোনাচ্ছিলেন কীভাবে অভিমন্যু বায়ুসেনায় যোগ দিয়েছিলেন। কীভাবে বিভিন্ন ধরনের একের পর এক বিমান ওড়ানো শিখেছিলেন তাঁর ছেলে।

    আরও পড়ুন: রাম মন্দির উদ্বোধনের দিন লঙ্গরখানা খুলবেন রসুলপুর, কেন জানেন?

    তিনিই জানান, অভিমন্যু সব মিলিয়ে ছ’ ধরনের বিমান চালাতে পারতেন। এটা সহজ কথা নয়। অমায়িক ব্যবহার ও ভালো ব্যবহারের জন্য সহকর্মী ও জুনিয়রদের কাছেও ভালোবাসার পাত্র ছিলেন অভিমন্যু। অভিমন্যুর মা বলেন, “জীবন বাঁচাতে অভিমন্যু লাফ দিয়ে পালাতে পারত। কিন্তু গ্রামবাসীদের বাঁচাতে তিনি তা করেননি। মহাভারতের অভিমন্যুর মতোই নিজেকে বাঁচানোর চেষ্টা আমার ছেলে করেনি।” তিনি বলেন, “আমার ছেলে জুনিয়রদের বলত, জীবন অনিশ্চিত। তাই যতদিন বাঁচ, ঠিকঠাক করেই বাঁচ (IAF Pilot)।”

    মোদির ভারতে এও এক অভিমন্যুর গল্প!

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

      

  • Pirates of Somalia: ভারতীয় নৌসেনার বিরাট সাফল্য, সোমালি জলদস্যুদের কবল থেকে উদ্ধার এক নাবিক

    Pirates of Somalia: ভারতীয় নৌসেনার বিরাট সাফল্য, সোমালি জলদস্যুদের কবল থেকে উদ্ধার এক নাবিক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোমালি জলদস্যুদের (Pirates of Somalia) হাতে অপহরণের শিকার হয়েছেন জাহাজের নাবিকরা, রীতিমতো লড়াই করে আহতও হয়েছেন। পরে তাঁদের মধ্যে একজন নাবিককে উদ্ধার করেছে ভারতীয় নৌসেনা। তাদের এই সাফল্যে শোরগোল পড়েছে দেশে। গত ১৪ ডিসেম্বর এমভি রুয়েন নামক একটি জাহাজ থেকে সাহায্যের জন্য বার্তা পাঠানো হয় ভারতীয় নৌসেনার কাছে। সেখানে বলা হয়, ছ’জন জলদস্যু অবৈধ ভাবে দখল করেছে জাহাজকে। এরপর ভারতীয় নৌসেনার পক্ষ থেকে ওই নাবিককে উদ্ধার করা হয় বলে জানা গিয়েছে।

    কী ঘটেছিল ঘটনা (Pirates of Somalia)?

    সূত্রে জানা গিয়েছে, আরব সাগরে সোমালিয়া জলদস্যুদের (Pirates of Somalia) কবলে আটকে পড়া পণ্যবাহী জাহাজ উদ্ধারে কাজ করে চলেছে ভারতীয় নৌসেনা। এমভি রুয়েন নামে ওই মালটার পণ্যবাহী জাহাজটি অপহরণের শিকার হয়েছিল। তাতে ১৮ জন নাবিক ছিলেন। এর মধ্যে একজনকে উদ্ধার করেছে ভারতীয় নৌসেনা। একটি হেলিকপ্টার দিয়ে উদ্ধার করে তাঁকে বর্তমানে ওমানের একটি হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

    কীভাবে উদ্ধার করা হল?

    সূত্রে জানা গিয়েছে, গত শুক্রবার অপহরণের পর জলদস্যুরা (Pirates of Somalia) জাহাজটিকে সোমালিয়ার তটের দিকে নিয়ে যাচ্ছিল। এমন সময় খবর পেয়ে এডেন উপসাগরে টহলরত ভারতের নৌসেনার যুদ্ধজাহাজ এবং একটি বিমান সেখানে পৌঁছে যায়। ভারতের সরকারি একটি সূত্রে বলা হয়, জলদস্যুরা মিলে জাহাজকে সোমালিয়ার সীমানার দিকে নিয়ে যেতেই ভারতীয় নৌবাহিনী আটকে দেওয়ার চেষ্টা করে। এরপর শুরু হয় দস্যুদের সঙ্গে ব্যাপক সংঘর্ষ। সংঘর্ষে বেকায়দায় পরে দস্যুরা এক আহত নাবিককে মুক্তি দিতে সম্মত হয়।

    উল্লেখ্য, জলদস্যুদের কারণে আন্তর্জাতিক সমুদ্র বাণিজ্যে ব্যাপক আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে। এই ক্ষেত্রে দস্যুরা জাহাজ অপহরণ করে মুক্তিপণ আদায় করে বলে অভিযোগ উঠে আসে। বিগত কয়েক বছর ধরে এই জলদস্যুদের প্রভাব কম থাকলেও বর্তমানে তারা বেশ সক্রিয় বলে জানা গিয়েছে। ঘটনায় ভারতের উপকূলগুলিতে সমুদ্র সীমান্তে সুরক্ষা এবং নিরাপত্তা বিষয়ে সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Kalyan Banerjees Mimicry: কল্যাণকাণ্ডের প্রতিবাদে রাজ্যসভায় এক ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থাকবেন এনডিএ সাংসদরা!

    Kalyan Banerjees Mimicry: কল্যাণকাণ্ডের প্রতিবাদে রাজ্যসভায় এক ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থাকবেন এনডিএ সাংসদরা!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘অকল্যাণকর’কাণ্ডের প্রতিবাদে রাজ্যসভায় এক ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থাকবেন এনডিএ জোটের রাজনৈতিক দলগুলির সাংসদরা। মঙ্গলবারই উপরাষ্ট্রপতি তথা রাজ্যসভার চেয়ারম্যান জগদীপ ধনখড়ের স্বর নকল করেছিলেন কল্যাণ। উপরাষ্ট্রপতির উদ্দেশে কুৎসিত অঙ্গভঙ্গিও করেছিলেন। এই ঘটনার প্রতিবাদ জানাতেই এদিন রাজ্যসভায় এক ঘণ্টা ঠায় দাঁড়িয়ে থাকবেন এনডিএর ১০৯ জন সাংসদ।

    কী বললেন তৃণমূল নেত্রী?

    ঘটনাচক্রে এদিন দিল্লিতেই ছিলেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কল্যাণের মিমিক্রির দায় যে তিনি নেবেন না, তা তাঁর বয়ানেই স্পষ্ট। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক শেষে তিনি বলেন, “ওই বিষয়টি (কল্যাণের মিমিক্রি)দেখার জন্য সাংসদরা রয়েছেন। যা বলার, তাঁরাই বলবেন। আমি ও আমার দলের সাংসদরা সবাইকে সম্মান করেন।” মঙ্গলবার সংসদ চত্বরে বসেছিলেন বিজেপি-বিরোধী কয়েকটি রাজনৈতিক দলের সাংসদরা। সেখানে কল্যাণকে ধনখড়ের স্বর নকল (Kalyan Banerjees Mimicry) করতে দেখা যায়। কুৎসিত অঙ্গভঙ্গিও করেন। পুরো ঘটনাটি মোবাইলে রেকর্ড করছিলেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী। কল্যাণের মিমিক্রি তারিয়ে তারিয়ে উপভোগ করছিলেন উপস্থিত সাংসদরা। ভিডিওটি ভাইরাল হতেই কল্যাণকে ‘মুর্খো কি সর্দার’ আখ্যা দিয়েছেন নেট নাগরিকরা।

    উপরাষ্ট্রপতির পাশে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী

    ঘটনায় উপরাষ্ট্রপতিকে সমবেদনা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এক্স হ্যান্ডেলে তিনি লিখেছেন, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছ থেকে ফোন পেয়েছি। যেভাবে অঙ্গভঙ্গি করে একজন সাংসদ উপরাষ্ট্রপতিকে নকল করেছেন ও বাকি সাংসদরা যেভাবে তাতে প্রশ্রয় দিয়েছেন, তাতে মর্মাহত প্রধানমন্ত্রীও। ঘটনায় (Kalyan Banerjees Mimicry) সমব্যথী প্রধানমন্ত্রী। আমায় উনি বললেন ২০ বছর উনিও এরকম অপমান সহ্য করেছেন। তবে সংসদ চত্বরে এধরনের আচরণ মোটেই গ্রহণযোগ্য নয়। দেশের উপরাষ্ট্রপতিকে সংসদ চত্বরে এই অপমান দুর্ভাগ্যজনক বলেও বলেছেন প্রধানমন্ত্রী।”

    আরও পড়ুন: ধনখড়কে মিমিক্রি-বাণ কল্যাণের, কী বললেন প্রধানমন্ত্রী?

    কল্যাণকাণ্ডে দুঃখ প্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুও। ধনখড়ের অপমান আদতে জাঠ সম্প্রদায়ের অপমান বলে মনে করেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। এক্স হ্যান্ডেলে তিনি লিখেছেন, “আমি সম্মানিত জাঠ সম্প্রদায়ের ভাই ও বোনেদের এই বলে আশ্বস্ত করতে চাই যে, বাংলার মানুষও পশ্চিমবঙ্গ থেকে নির্বাচিত একজন সাংসদের অসম্মানজনক ও সম্পূর্ণ লজ্জাজনক আচরণে বিরক্ত। পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড় (Kalyan Banerjees Mimicry) একজন কৃষকের পুত্র এবং সম্মানিত জাঠ সম্প্রদায় থেকে এসেছেন। তিনি সব চেয়ে শ্রদ্ধেয় একজন ব্যক্তি, কারণ তিনি পশ্চিমবঙ্গে তাঁর শাসনকালে সাংবিধানিক মূল্যবোধ, নিয়ম ও নিয়মাবলী সমুন্নত রেখেছিলেন। তাই তৃণমূল কংগ্রেস (যা পরিবার ভিত্তিক দল) সাংসদ কল্যাণ ব্যানার্জি শুধুমাত্র ভারতের মাননীয় উপরাষ্ট্রপতিকে বিদ্রুপ করেননি। সাংসদ প্রাঙ্গনে যখন অন্য সাংসদরা নির্লজ্জভাবে হাতহাতি দিচ্ছেন এবং উল্লাস করছেন তখন তাঁকে নকল করা কাম্য নয়। আগামী লোকসভা নির্বাচনে বাংলার জনগণ অবশ্যই এই কাজের জন্য সাংসদ ও তাঁর আঞ্চলিক পরিবারভিত্তিক দলকে শিক্ষা দেবে।” 

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Kalyan Banerjees Mimicry: ধনখড়কে মিমিক্রি-বাণ কল্যাণের, কী বললেন প্রধানমন্ত্রী?

    Kalyan Banerjees Mimicry: ধনখড়কে মিমিক্রি-বাণ কল্যাণের, কী বললেন প্রধানমন্ত্রী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিনি সাংসদ। তা সত্ত্বেও তিনি করেছেন ‘অসংসদীয়’ আচরণ। দেশের উপরাষ্ট্রপতি তথা রাজ্যসভার চেয়ারম্যান জগদীপ ধনখড়ের স্বর নকল করেছেন। উপরাষ্ট্রপতির উদ্দেশে কুৎসিত অঙ্গভঙ্গিও করেছেন। এহেন সাংসদ তৃণমূলের কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Kalyan Banerjees Mimicry) সমালোচনায় মুখর বিজেপি। মঙ্গলবারই তৃণমূলের এই সাংসদকে ‘মুর্খো কি সর্দার’ বলে অভিহিত করেছেন নেটিজেনরা।

    কল্যাণের ‘অকল্যাণকর’কাণ্ড

    প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার সংসদ চত্বরে বসেছিলেন বিজেপি-বিরোধী কয়েকটি রাজনৈতিক দলের সাংসদরা। সেখানে কল্যাণকে ধনখড়ের স্বর নকল করতে দেখা যায়। কুৎসিত অঙ্গভঙ্গিও করেন। পুরো ঘটনাটি মোবাইলে রেকর্ড করছিলেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী। কল্যাণের মিমিক্রি তারিয়ে তারিয়ে উপভোগ করছিলেন উপস্থিত সাংসদরা। এই ভিডিও ভাইরাল হতেই ‘মুর্খো কি সর্দার’ তকমা পেয়েছেন কল্যাণ। ঘটনায় উপরাষ্ট্রপতিকে সমবেদনা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

    কী বললেন প্রধানমন্ত্রী?

    এক্স হ্যান্ডেলে তিনি লিখেছেন, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছ থেকে ফোন পেয়েছি। যেভাবে অঙ্গভঙ্গি করে একজন সাংসদ উপরাষ্ট্রপতিকে নকল করেছেন ও বাকি সাংসদরা যেভাবে তাতে প্রশ্রয় দিয়েছেন, তাতে মর্মাহত প্রধানমন্ত্রীও। ঘটনায় (Kalyan Banerjees Mimicry) সমব্যথী প্রধানমন্ত্রী। আমায় উনি বললেন বিগত ২০ বছর উনিও এ ধরনের অপমান সহ্য করেছেন। তবে সংসদ চত্বরে এধরনের আচরণ মোটেই গ্রহণযোগ্য নয়। দেশের উপরাষ্ট্রপতিকে সংসদ চত্বরে এই অপমান দুর্ভাগ্যজনক বলেছেন প্রধানমন্ত্রী।”

    ধনখড়কে প্রধানমন্ত্রী ফোনে বলেন, “মন থেকে আমি মূল্যবোধের প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। কোনও অপমানের কাছে আমি মাথা নোয়াব না। কোনও অপমানই আমার পথ পরিবর্তন করতে পারবে না। এঁরা সংবিধান রক্ষায় আমায় রুখতে পারবে না।”

    কল্যাণকাণ্ডে দুঃখ প্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুও। এক্স হ্যান্ডেলে তিনি লিখেছেন, “সংসদ চত্বরে আমাদের শ্রদ্ধেয় উপরাষ্ট্রপতিকে যেভাবে অপমান করা হয়েছে, তা দেখে আমি হতাশ হয়েছি। নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের অবশ্যই নিজেদের মত প্রকাশের স্বাধীনতা থাকতে হবে। তবে তাঁদের অভিব্যক্তি মর্যাদা ও সৌজন্যের নিয়মের মধ্যে হওয়া উচিত। যে সংসদীয় ঐতিহ্যের জন্য (Kalyan Banerjees Mimicry) আমরা গর্বিত ও যা ভারতের জনগণ আশা করে, সেটি বজায় থাকা উচিত।”

    আরও পড়ুন: প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে লড়তে পারবেন না ট্রাম্প, রায় মার্কিন আদালতের

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

     

LinkedIn
Share