Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • PM Modi: “ভারতরত্ন পাওয়ার অধিকার কি কেবল কংগ্রেসেরই”, বললেন মোদি

    PM Modi: “ভারতরত্ন পাওয়ার অধিকার কি কেবল কংগ্রেসেরই”, বললেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “ভারতরত্ন পাওয়ার অধিকার কেবল মাত্র একটি পরিবারেরই রয়েছে বলে মনে করে কংগ্রেস।” সোমবার এই ভাষায়ই গ্র্যান্ড ওল্ড পার্টিকে নিশানা করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। উত্তরপ্রদেশের লখনউয়ে প্রায় ১৪ হাজার প্রকল্পের সূচনা করেন প্রধানমন্ত্রী। প্রকল্পের মূল্য ১০ লক্ষ কোটি টাকারও বেশি।

    চৌধুরী চরণ সিংহকে ভারতরত্ন

    সেই অনুষ্ঠানেই কংগ্রেসকে নিশানা করেন প্রধানমন্ত্রী। বলেন, “দিন কয়েক আগে আমাদের সরকার কৃষক নেতা চৌধুরী চরণ সিংহকে ভারতরত্ন সম্মানে ভূষিত করেছে। তিনি ছিলেন উত্তরপ্রদেশের ভূমিপুত্র। তাঁর এই সম্মান দেশের কোটি কোটি কৃষক ও শ্রমিককে সম্মাননা জ্ঞাপন। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশতঃ কংগ্রেস ও তার সহযোগীরা এটা বুঝতে চায়নি।” তিনি বলেন, “আপনারা অবশ্যই দেখেছেন, যখন চৌধুরী চরণ সিংহের নাম নিয়ে আলোচনা হয় পার্লামেন্টে, তখন কীভাবে কংগ্রেস বিষয়টিকে জটিল করে তুলেছিল।”

    “কংগ্রেস দলিতদের শ্রদ্ধা করে না”

    এর পরেই প্রধানমন্ত্রী বলেন, “কংগ্রেসের লোকজন বিশ্বাস করেন, এ দেশে ভারতরত্ন পাওয়ার হক রয়েছে কেবল একটিই মাত্র পরিবারের। কংগ্রেস দশকের পর দশক ধরে বাবা সাহেব আম্বেদকরকে ভারতরত্ন দেয়নি, দিয়েছে নিজেদের পরিবারের লোকজনকে।” তিনি (PM Modi) বলেন, “কংগ্রেস বাবা সাহেব আম্বেদকরকে ভারতরত্ন সম্মানে ভূষিত করেছিল ১৯৯০ সালে, তাঁর মৃত্যুর অনেক পরে। কংগ্রেস গরিবদের শ্রদ্ধা করে না। দলিত, পিছড়ে বর্গ, কৃষক, শ্রমিক এঁদেরও শ্রদ্ধা করে না। কারণ তাঁদের কথা কংগ্রেস কখনওই ভাবে না। এমনকি ভূতপূর্ব প্রধানমন্ত্রী চৌধুরী চরণ সিংহের জীবদ্দশায় কংগ্রেস তাঁর সঙ্গেও দর কষাকষি করেছিল।”

    আরও পড়ুুন: আদালতের নির্দেশকে অমান্য! সন্দেশখালিতে যেতে শুভেন্দুকে বাধা দিল পুলিশ

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “চৌধুরী সাহেব প্রধানমন্ত্রীর পদ ছেড়ে দিয়েছিলেন। যদিও নীতির সঙ্গে আপোস করেননি। এটা দুঃখজনক ঘটনা যে উত্তরপ্রদেশে কংগ্রেস তাঁর নামে রাজনীতি করলেও, তাঁর নীতি-আদর্শ অনুসরণ করেনি।” তিনি (PM Modi) বলেন, “চৌধুরী সাহেব ক্ষুদ্র কৃষকদের জন্য কী কী করেছিলেন, দেশ তা কখনও ভুলবে না। চৌধুরী সাহেবের আদর্শে প্রাণিত হয়ে আমরা অনবরত দেশের কৃষকদের শক্তিশালী করে চলেছি।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Aadhaar Number: কোনও আধার নম্বর বাতিল হয়নি, জানাল কেন্দ্র, সমস্যা হলে কী করণীয়?

    Aadhaar Number: কোনও আধার নম্বর বাতিল হয়নি, জানাল কেন্দ্র, সমস্যা হলে কী করণীয়?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের নাগরিকদের কারও আধার (Aadhaar Number) বাতিল করা হয়নি, বলে স্পষ্ট জানাল কেন্দ্র। এ নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে।  যে কোনওরকম বিভ্রান্তিতে কী করতে হবে তাও জানানো হল সরকারের তরফে। বাংলায় আধার কার্ড বাতিলের আতঙ্ক কাটাতে কর্তৃপক্ষ এই তথ্য জানিয়েছে।  প্রযুক্তিগত ত্রুটির কারণে আধার বাতিলের চিঠি গিয়ে থাকতে পারে।

    কী বলছেন আধার কর্তৃপক্ষ

    আধার (Aadhaar Number) কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, কখনও কখনও নতুন তথ্য অন্তর্ভুক্তির জন্য কিছু প্রযুক্তিগত সমস্যা দেখা দেয়। তখন নিচের লিংকে প্রয়োজনীয় তথ্য আপলোড করে কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করা যেতে পারে। ক্লিক করতে হবে এই লিঙ্কে –  https://uidai.gov.in/en/contact-support/feedback.html৷ লোকসভা ভোটের মুখে জেলা জেলা থেকে আসছে আধার কার্ড বাতিলের অভিযোগ। নদিয়ার নাকাশিপাড়ায় একাধিক ব্যক্তির আধার কার্ড বাতিলের খবর সামনে এসেছে। আধার বাতিলের জেরে ফর্ম ফিল আপ করতে পারেননি কাঁকসার কলেজ ছাত্রী। এই আবহেই ইউআইডিএআই (Unique Identification Authority of India) জানিয়ে দিল, কোনও আধার কার্ড বাতিল হয়নি। 

    আরও পড়ুন: সন্দেশখালির নির্যাতিতাদের পাশে রাজ্যপাল, রাজভবনে খোলা হল ‘পিস হোম’

    ভুল প্রচার

    আধার বাতিল( Aadhaar Number)নিয়ে ইতিমধ্যে সরব হয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। যদিও এই অভিযোগকে সর্বৈব মিথ্যে বলে দাবি করা হয়েছে বিজেপি শিবির থেকে। শুভেন্দু অধিকারী তাঁর এক্স হ্যান্ডেলে লিখেছেন, ‘আধার কার্ডের রাঁচি আঞ্চলিক দফতরের ভুলে সমস্যা তৈরি হয়েছে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ও তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণবের সঙ্গে কথা হয়েছে। দ্রুত সমস্যা মিটে যাবে’, পোস্ট শুভেন্দু অধিকারীর। কেন্দ্রীয় জাহাজ প্রতিমন্ত্রী শান্তনু ঠাকুর  আশ্বাস দিয়ে জানিয়েছেন, ‘যাঁদের আধার কার্ড ডিঅ্যাক্টিভেট করা হয়েছে, তাঁদের জন্য আলাদা ই মেল আইডি, হোয়াটস অ্যাপ নম্বর, আলাদা অ্যাক্টিভেশন ফর্ম দেওয়া হবে, ফর্ম ফিল-আপ করে হোয়াটসঅ্যাপে পাঠালেই হবে।’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Farmers Protest: কেন্দ্রের সহায়ক মূল্যের প্রস্তাব নিয়ে কী বললেন আন্দোলনরত কৃষকরা?

    Farmers Protest: কেন্দ্রের সহায়ক মূল্যের প্রস্তাব নিয়ে কী বললেন আন্দোলনরত কৃষকরা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “আমাদের কোনও লাভ হবে না। তাই সরকারের দেওয়া প্রস্তাব মানছি না।” কেন্দ্রের দেওয়া ন্যূনতম সহায়ক মূল্য সংক্রান্ত প্রস্তাব (MSP) প্রসঙ্গে একথাই বললেন আন্দোলনকারী কৃষকরা (Farmers Protest)। 

    কী বলছেন কৃষকরা?

    পাঞ্জাব ও হরিয়ানার মধ্যবর্তী শম্ভু সীমান্ত এলাকায় সাংবাদিক বৈঠক করেন কৃষকরা। সেখানেই তাঁরা বলেন, “সরকারের পক্ষ থেকে যে প্রস্তাব এসেছে, আমরা তা খারিজ করেছি। কারণ, তাতে কৃষকদের কোনও লাভ হচ্ছে না।” কৃষক নেতাদের আন্দোলন যে এখনই স্তিমিত হচ্ছে না়, তা মোটামুটি স্পষ্ট হয়ে গেল। কৃষক নেতা সারওয়ান সিং পাণ্ডে বলেন, “সরকারের দেওয়া প্রস্তাব আমাদের কাছে গ্রহণযোগ্য বলে মনে হয়নি। প্রতিবাদী কৃষকরা বুধবার থেকে ফের শান্তিপূর্ণভাবে দিল্লির দিকে পদযাত্রা (Farmers Protest) শুরু করবে।”

    আন্দোলন করবেন কৃষকরা

    কৃষক নেতা জানান, কৃষকদের পক্ষ থেকে সরকারকে কোনও পাল্টা প্রস্তাব দেওয়া হয়নি। ২১ তারিখে তাঁরা দিল্লিতে যাবেন। সীমান্ত এলাকায় পুলিশের তৈরি ব্যারিকেড যে তাঁরা ভাঙবেন না, তাও জানান আন্দোলনকারী কৃষকরা। সরকারের তরফে আগামী পাঁচ বছরের জন্য পুরানো ন্যূনতম সহায়ক মূল্যে কেবল তিন ধরনের ডাল, ভুট্টা ও তুলো কেনার নিশ্চয়তা দেওয়া হয়েছিল। সরকারি এই প্রস্তাব প্রত্যাখান করে কৃষকদের দাবি, ন্যূনতম সহায়ক মূল্য চাই ২৩টি ফসলের ক্ষেত্রেই।

    আরও পড়ুুন: সন্দেশখালির নির্যাতিতাদের পাশে রাজ্যপাল, রাজভবনে খোলা হল ‘পিস হোম’

    রবিবার মধ্য রাতে শেষ হয়েছিল কেন্দ্র ও কৃষকদের মধ্যে চতুর্থ দফার বৈঠক। বৈঠক শেষে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী পীযূষ গোয়েল বলেন, “বৈঠকে কৃষক নেতারা জলস্তর নেমে যাওয়ার বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন।” এজন্য শস্য বৈচিত্রের গুরুত্ব তুলে ধরেন মন্ত্রী। কেন্দ্রের নয়া প্রস্তাব প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “ধরুন গম ছেড়ে কৃষকরা যদি ডালের চাষ করেন, তাহলে ভারতকে কম পরিমাণ ডাল আমদানি করতে হবে। এতে মানুষের চাহিদাও মিটবে, মিটবে জলস্তরের সমস্যাও। মন্ত্রীর প্রস্তাব, এনসিসিএফ, এনএএফইডির মতো সমবায় সমিতিগুলি পাঁচ বছরের জন্য কৃষকদের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হবে এবং শস্য বৈচিত্রের ক্ষেত্রে কাজ করবে। এই শস্যগুলির ন্যূনতম সহায়ক মূল্যে কেনার বিষয়টি নিশ্চিত করবে সমবায়গুলি (Farmers Protest)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Tata Group: টাটা গোষ্ঠীর মূলধন পাকিস্তানের মোট অর্থনীতির চেয়েও বেশি!

    Tata Group: টাটা গোষ্ঠীর মূলধন পাকিস্তানের মোট অর্থনীতির চেয়েও বেশি!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টাটা গোষ্ঠীর (Tata Group) মোট মূলধন ভারতের পড়শি দেশ পাকিস্তানের অর্থনীতির চেয়েও বেশি। ইকনমিক টাইমসের রিপোর্টেই জানা গিয়েছে এই তথ্য। এই গোষ্ঠীর মূলধন ৩৬৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। অর্থাৎ ৩০.৩ লক্ষ কোটি টাকার সমান। এদিকে, পাকিস্তানের জিডিপির পরিমাণ প্রায় ৩৪১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। অঙ্কের হিসেবে ২৮.২ লাখ কোটি টাকার সমান। আর ভারতের জিপিডির পরিমাণ ৩.৭ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার। যা পাকিস্তানের তুলনায় ১১ গুণ বেশি। বর্তমানে বিশ্বের অর্থনৈতিক শক্তিশালী দেশগুলির মধ্যে পঞ্চম স্থানে রয়েছে ভারত। প্রথম চারে রয়েছে যথাক্রমে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, চিন, জার্মানি ও জাপান।

    আরও পড়ুুন: ‘পাকিস্তানের মতো অবস্থা বাংলার মহিলাদের’, সন্দেশখালি নিয়ে মমতাকে আক্রমণ লকেটের

    একা টিসিএস-ই পাকিস্তানের অর্থনীতির অর্ধেক!

    টাটা কনসালটেন্সি সার্ভিস। সংক্ষেপে, টিসিএস (TCS)।  টিসিএস টাটা গ্রুপেরই (Tata Group)। এটা যে কেবল ভারতের বৃহত্তম আইটি কোম্পানি তাই নয়, এটি দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম কোম্পানিও। এর আগে রয়েছে কেবল রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজ। ইকনমিক টাইমসের ওই রিপোর্ট থেকেই জানা গিয়েছে, কেবল টিসিএসের মূলধনই প্রায় ১৫ লাখ কোটি টাকা। মার্কিন ডলারের নিরিখে দাঁড়ায় ১৭০ বিলিয়ন। এই পরিমাণটি হল পাকিস্তানের অর্থনীতির অর্ধেক। এমনিতেই পাকিস্তানের অর্থনীতির হাঁড়ির হাল। চিনা ঋণের ফাঁদে পড়ে সর্বস্বান্ত হতে বসেছে দেশটি।

    টাটা গোষ্ঠীর একাধিক ব্যবসা

    টাটা গোষ্ঠীর (Tata Group) অনেক ধরনের ব্যবসা রয়েছে। এর মধ্যে যেমন আইটি সার্ভিস রয়েছে, তেমনি রয়েছে স্টিল উৎপাদন, হসপিটালিটি, কেমিক্যালস এবং ফাস্ট মুভিং কনজিউমার গুডস (এফএমসিজি)। ওই রিপোর্ট থেকে আরও জানা গিয়েছে, টাটা গোষ্ঠীর সব চেয়ে বেশি লভ্যাংশ আসে টাটা মোটরস এবং ট্রেন্ট থেকে। টাইটান, টিসিএস এবং টাটা পাওয়ারের থেকেও বেশি গ্রোথ টাটা মোটরস ও ট্রেন্টের।

    স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্ত টাটা গ্রুপের (Tata Group) ২৫টি কোম্পানির মধ্যে একমাত্র টাটা কেমিক্যালসের শেয়ার নিম্নমুখী। গত এক বছরে এই কোম্পানি ডাউন হয়েছে ৫ শতাংশ। রিপোর্ট থেকে এও জানা গিয়েছে, টাটা গোষ্ঠীর কিছু কোম্পানি যেমন টাটা সন্স, টাটা ক্যাপিট্যাল, টাটা প্লে, টাটা অ্যাডভান্সড সিস্টেমস এবং এয়ারলাইন্স ব্যবসা সমৃদ্ধ হতে পারে অচিরেই। যার পরিমাণ দাঁড়াতে পারে ১৬০ থেকে ১৭০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali Issue: ‘পাকিস্তানের মতো অবস্থা বাংলার মহিলাদের’, সন্দেশখালি নিয়ে মমতাকে আক্রমণ লকেটের 

    Sandeshkhali Issue: ‘পাকিস্তানের মতো অবস্থা বাংলার মহিলাদের’, সন্দেশখালি নিয়ে মমতাকে আক্রমণ লকেটের 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইরাক, ইরান, পাকিস্তানের সঙ্গে এবার সন্দেশখালির (Sandeshkhali Issue) তুলনা করলেন বিজেপি সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়। সোমবার দিল্লিতে সাংবাদিক বৈঠক করে রাজ্য সরকারের তুলোধোনা করেন লকেট  (Locket Chatterjee)। বঙ্গ বিজেপির সাধারণ সম্পাদক লকেট চট্টোপাধ্যায়ের অভিযোগ সন্দেশখালিতে মহিলাদের উপর অত্যাচার চলছে এবং তা নিরসন না করে রাজ্যের মহিলা মুখ্যমন্ত্রী কুরুচিকর মন্তব্য করে চলেছেন। 

    সন্দেশখালির অবস্থা

    দিল্লিতে সাংবাদিক বৈঠক করে লকেট চট্টোপাধ্যায় (Locket Chatterjee) বলেন, ‘আপনারা ভাবতেই পারবেন না এখন সন্দেশখালির অবস্থা কি! আমরা আইসিএস জঙ্গিগোষ্ঠীর কথা শুনেছি। আমরা ইরাক, ইরানের কথা শুনছি, আমরা পাকিস্তানের কথা শুনেছি। সেখানে কী ভাবে মহিলাদের উপর অত্যাচার করা হয়। আজ সেটাই পশ্চিমবঙ্গে হচ্ছে।’ তাঁর কথায়, ওই এলাকায় হিন্দু মহিলাদের বেছে বেছে তুলে নিয়ে গিয়ে অত্যাচার করা হয়েছে। তাঁরা সেই কারণে কাপড় দিয়ে মুখ ঢেকে তাঁদের অত্যাচারের কথা বলে যাচ্ছে। তাঁদের পরিচয় মানুষের সামনে আনতে পারছে না ভয়ের কারণে। এমনকি, পুলিশ ইচ্ছে করেই শেখ শাহজাহানকে খুঁজে বের করছে না বলে দাবি লকেটের। 

    কোথায় শেখ শাহজাহান

    সন্দেশখালি (Sandeshkhali Issue) প্রসঙ্গ তুলে লকেটের (Locket Chatterjee) অভিযোগ, সেখানে শাসকের ছত্রছায়ায় শেখ শাহজাহানের বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। সংখ্যালঘু ভোটব্যাঙ্ক সুনিশ্চিত করতেই কোনও ব্যবস্থা নিচ্ছেন না মহিলা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। লকেটের কটাক্ষ, ‘ওখানে দুই জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। কিন্তু, শেখ শাহজাহানকে কেন পুলিশ খুঁজে পাচ্ছে না? কারণ, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আঁচলের তলায় লুকিয়ে রাখা হয়েছে তাঁকে। সামনেই লোকসভা নির্বাচন আছে? ওঁর তো ৩০ শতাংশ মহিলা ভোট দরকার। তাতে, হিন্দু মহিলাদের যা কিছু হয়ে যাক। তাঁদের তো ওঁরা পাঁচশো টাকা দিচ্ছে। ৫০০ টাকা দিয়ে হিন্দু মহিলাদের কিনে নেওয়া হচ্ছে।’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • National Highway: চলতি অর্থবর্ষে প্রতিদিন ২৫ কিমি জাতীয় সড়ক নির্মাণ হয়েছে!

    National Highway: চলতি অর্থবর্ষে প্রতিদিন ২৫ কিমি জাতীয় সড়ক নির্মাণ হয়েছে!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রতিদিন গড়ে ২৫ কিমি জাতীয় সড়ক (National Highway) তৈরির লক্ষ্যমাত্রা নিয়েছে রোড ট্রান্সপোর্ট ও হাইওয়ে মন্ত্রক।  জানুয়ারি মাসের শেষ পর্যন্ত, চলতি অর্থবর্ষে ৭ হাজার ৬৫৮ কিলোমিটার সড়ক নির্মাণ করা হয়েছে। আগের ২০২২-২৩ অর্থবর্ষে  এই একই সময়ে তৈরি হয়েছিল ৬ হাজার ৮০৩ কিলোমিটার রাস্তা।

    বাড়ছে জাতীয় সড়ক নির্মাণের গতি

    গত বছরে প্রতিদিন গড়ে সড়ক নির্মাণ হত ২২.২৩ কিলোমিটার। সেটাই বাড়িয়ে লক্ষ্যমাত্রা করা হয়েছে ২৫ কিলোমিটার। ২০১৪-১৫ থেকে ২০২১-২২ অর্থবর্ষের মধ্যে জাতীয় সড়ক নির্মাণে গতি এসেছে। ২০১৪-১৫ অর্থবর্ষে প্রতিদিন গড়ে রাস্তা নির্মাণ হত ১২ কিলোমিটার। ২০২০-২১ অর্থবর্ষে সড়ক নির্মাণ বৃদ্ধি (National Highway) পেয়েছে ৩৬.৫ কিলোমিটার প্রতিদিন। ২০২১-২২ অর্থবর্ষে প্রতিদিন রাস্তা হয়েছে গড়ে প্রায় ২৯ কিলোমিটার।

    ১৩ হাজার কিলোমিটার জাতীয় সড়ক

    এই অর্থবর্ষে সব মিলিয়ে ১৩ হাজার কিলোমিটার জাতীয় সড়ক নির্মাণের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করতে চায় মন্ত্রক। এই অর্থবর্ষ শেষ হবে ৩১ মার্চ। গত অর্থবর্ষে মন্ত্রক তৈরি করেছে ১০ হাজার ৩৩১ কিলোমিটার জাতীয় সড়ক। তার আগের অর্থবর্ষে জাতীয় সড়ক নির্মাণ হয়েছে ১০ হাজার ২৩৭ কিলোমিটার। ২০২০-২১ অর্থবর্ষে সড়ক হয়েছে ১৩ হাজার ৩২৭ কিলোমিটার। ২০২১-২২ অর্থবর্ষে সড়ক হয়েছে ১০ হাজার ৪৫৭ কিলোমিটার। আর ২০২২-২৩ অর্থবর্ষে সড়ক নির্মাণ হয়েছে ১০ হাজার ৩৩১ কিলোমিটার।

    আরও পড়ুুন: সন্দেশখালিতে যেতে পারবেন শুভেন্দু, সাফ জানাল হাইকোর্ট

    বর্তমান লোকসভা ভেঙে যাবে মে মাসে। তার সড়ক নির্মাণের গতি হতে পারে শ্লথ। নির্বাচন পর্বে কমে যেতে পারে সড়ক নির্মাণের গতি। লোকসভা নির্বাচনের কারণে আদর্শ আচরণ বিধি লাগু হয়ে গেলে সাময়িক বন্ধ থাকবে সড়ক নির্মাণের কাজ। নির্বাচন পর্ব মিটে গেলে ফের শুরু হয়ে যাবে কাজ। কাজে আসবে গতিও (National Highway)।মাঝ-এপ্রিলে ঘোষণা হতে পারে লোকসভা নির্বাচন। তৃতীয়বারের জন্য ক্ষমতায় আসতে চলেছে বিজেপির নেতৃত্বাধীন এনডিএ সরকার। সূত্রের খবর, নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন ওই সরকারও সড়ক নির্মাণে গতি আনতে বিশেষ সচেষ্ট হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • BJP: সংবিধান সংশোধন বিজেপির, জরুরি অবস্থায় দলের সভাপতি সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত নেবে সংসদীয় বোর্ড

    BJP: সংবিধান সংশোধন বিজেপির, জরুরি অবস্থায় দলের সভাপতি সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত নেবে সংসদীয় বোর্ড

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপির (BJP) সাংগঠনিক বিষয়ে বড় সিদ্ধান্ত নিল গেরুয়া শিবির। রবিবারই দলের সংবিধানে সংশোধনী আনা হয়েছে। লোকসভা নির্বাচন বা যে কোনও ধরনের ‘জরুরি পরিস্থিতিতে’ দলের সভাপতি সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার গুরুদায়িত্ব এবার দেওয়া হল বিজেপির সংসদীয় বোর্ডকে। দলের সভাপতির মেয়াদ বৃদ্ধির মতো সিদ্ধান্তও এবার থেকে নিতে পারবে বিজেপির সংসদীয় বোর্ড। উল্লেখ্য, বিজেপিতে সর্বোচ্চ সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী ইউনিট হল এই সংসদীয় বোর্ড। এদিন বিজেপির সংবিধান সংশোধনটি আনেন দলের সাধারণ সম্পাদক সুনীল বনসল।

    মেয়াদ বৃদ্ধি জেপি নাড্ডার

    প্রসঙ্গত, বিজেপির (BJP) সর্বভারতীয় সভাপতি হিসেবে জেপি নাড্ডার মেয়াদ আগামী জুন মাস পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়েছে বিজেপির জাতীয় কাউন্সিলের বৈঠকে। আগামী জুন মাস পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে তাঁর মেয়াদ। অর্থাৎ, লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি জেপি নাড্ডার নেতৃত্বেই লড়াই চালাবে। দলের জাতীয় কাউন্সিল সেই মেয়াদ বৃদ্ধিতে সিলমোহর দিয়েছে। এরই পাশাপাশি জেপি নাড্ডাকে স্বাধীনভাবে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার দেওয়া হয়েছে। প্রসঙ্গত, সামনেই লোকসভা নির্বাচন। নাড্ডাতেই আপাতত ভরসা বজায় রাখলেন মোদি-শাহরা।

    সংবিধান সংশোধন করার পথে হাঁটল বিজেপি

    উল্লেখ্য, গেরুয়া শিবিরের (BJP) দলীয় সংবিধান অনুযায়ী, বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতিকে বেছে নেওয়া হয় সাংগঠনিক নির্বাচনের মাধ্যমে। রাজ্য সংগঠনগুলির মধ্যে অন্তত ৫০ শতাংশ ইউনিটের নির্বাচন সংগঠিত হওয়ার পরে জাতীয় সভাপতি বেছে নেওয়ার নির্বাচন করা হয়। এদিকে রাজ্য ইউনিটগুলির ওপর দায়িত্ব থাকে যাতে জেলা স্তরে সাগঠনিক নির্বাচন সংগঠিত হয়। তবে লোকসভা ভোটের আগে দলের অভ্যন্তরে সাংগঠনিক নির্বাচন করাল না বিজেপি। কারণ এই সময় প্রচারের কাজে বেশি ব্যস্ত থাকবেন নেতা-কর্মীরা। তাই সংবিধান সংশোধন করার পথে হাঁটল বিজেপি। 

    বিজেপি শাসিত রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী

    এদিকে রবিবার বিজেপি (BJP) শাসিত সব রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী এবং উপমুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। হাজির ছিলেন দলের সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডাও। আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে দলকে ৩৭০টি আসনে জেতানোর লক্ষ্যে রূপরেখা তৈরির পরিকল্পনা করা হয় সেই বৈঠকে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali Incident: প্রিভিলেজ কমিটির তলব রাজ্যের ৫ কর্তাকে, স্থগিতাদেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট

    Sandeshkhali Incident: প্রিভিলেজ কমিটির তলব রাজ্যের ৫ কর্তাকে, স্থগিতাদেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালিকাণ্ডে (Sandeshkhali Incident) রাজ্যের মুখ্যসচিব ভগবতীপ্রসাদ গোপালিকা সহ পাঁচ প্রশাসনিক কর্তাকে তলব করেছিল লোকসভার স্বাধিকার রক্ষা কমিটি (প্রিভিলেজ কমিটি)। তার বিরুদ্ধে এবার সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন মুখ্যসচিব। সোমবার তাতে স্থগিতাদেশ দিল দেশের শীর্ষ আদালত।

    স্থগিতাদেশ জারি সুপ্রিম কোর্টের

    এদিন বিষয়টিতে আইনজীবী কপিল সিব্বাল দৃষ্টি আকর্ষণ করেন প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়, বিচারপতি জেবি পার্দিওয়ালা এবং বিচারপতি মনোজ মিশ্রের বেঞ্চের। একই বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করেন আইনজীবী অভিষেক মনু সিঙ্ঘভিও। তার পরেই স্থগিতাদেশ জারি করে সুপ্রিম কোর্ট। সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে নোটিশ দেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। প্রসঙ্গত, সন্দেশখালি (Sandeshkhali Incident) যাওয়ার পথে হামলা হয় বালুরঘাটের সাংসদ তথা বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের ওপর। তড়িঘড়ি তাঁকে ভর্তি করা হয় হাসপাতালে। ঘটনাটি জানিয়ে লোকসভার স্বাধিকার রক্ষা কমিটিকে চিঠি দেন সুকান্ত। চিঠি দেন লোকসভার স্পিকারকেও। তাঁর অভিযোগ, সন্দেশখালিকাণ্ডের প্রতিবাদ করায় অন্যায়ভাবে তাঁকে হেনস্থা করেছে পুলিশ।  

    স্বাধিকার রক্ষা কমিটির তলব 

    তার পরেই লোকসভার স্বাধিকার রক্ষা কমিটি মুখ্য সচিব ছাড়াও তলব করে রাজ্য পুলিশের ডিজি রাজীব কুমার, উত্তর ২৪ পরগনার জেলাশাসক শরদকুমার দ্বিবেদী, বসিরহাট পুলিশ জেলার সুপার হোসেন মেহেদি রহমান এবং বসিরহাটের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পার্থ ঘোষকে। ১৯ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ১০টায় তাঁদের কমিটির সামনে হাজির হতে বলা হয়। তার আগেই সোমবার সকালে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন মুখ্যসচিব।

    রাজ্য প্রশাসনের তরফে লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লাকে চিঠি লিখে জানানো হয়েছে, মার্চের প্রথম সপ্তাহেই রাজ্যে আসছে নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চ। তাই এখনই তাঁদের পক্ষে দিল্লি যাওয়া সম্ভব হচ্ছে না। দিন পিছনোর আর্জিও জানানো হয় রাজ্যের তরফে। এর পাশাপাশি সংসদীয় কমিটির নোটিশকে সুপ্রিম কোর্টে চ্যালেঞ্জও করে নবান্ন।

    আরও পড়ুুন: মিষ্টি-মাংসের দোকানে শিবু-উত্তম বাহিনীর হাজার হাজার টাকা বাকি, শিবিরে শুনলেন আধিকারিকরা

    প্রসঙ্গত, সন্দেশখালিতে মিটিংয়ের নামে মহিলাদের তৃণমূলের পার্টি অফিসে ডেকে নিয়ে যাওয়া হত বলে অভিযোগ। প্রথমে কিছুক্ষণ রাজনৈতিক কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা হলেও, পরে বাছাই করা কয়েকজন মহিলাকে পার্টি অফিসে কিংবা এলাকার একটি বাগান বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হত। এই প্রতিবাদে গর্জে ওঠেন সন্দেশখালির মহিলারা। সেই নির্যাতিতাদের পাশে দাঁড়াতেই সন্দেশখালি (Sandeshkhali Incident) যাচ্ছিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Farmers Protest: আপাতত স্থগিত কৃষকদের ‘দিল্লি চলো’ অভিযান, ৫ বছরের জন্য গ্যারান্টি কেন্দ্রের 

    Farmers Protest: আপাতত স্থগিত কৃষকদের ‘দিল্লি চলো’ অভিযান, ৫ বছরের জন্য গ্যারান্টি কেন্দ্রের 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আপাতত ‘দিল্লি চলো’ অভিযান স্থগিত রাখল কৃষকরা (Farmers Protest)। রবিবার চতুর্থ দফায় কেন্দ্রের সঙ্গে বৈঠকের পর এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সূত্রের খবর, এমএসপি নিয়ে কেন্দ্র একটি প্রস্তাবনা দিয়েছে। সেই প্রস্তাবনা পড়া ও তা নিয়ে নিজেদের মধ্য়ে আলোচনা করার জন্য কিছু সময় চেয়েছে কৃষকরা (MSP Government’s New Plan)। কৃষকদের দাবি পূরণ না হলে আগামী ২১ ফেব্রুয়ারি থেকে ফের অভিযান শুরু হবে। তবে কেন্দ্রের দাবি, নয়া পরিকল্পনায় কৃষকদের সবদিক ভাল করে দেখা হয়েছে, যা দেশের উন্নতিতে সাহায্য করবে।

    কেন্দ্রের সঙ্গে বৈঠক

    ২০২০ সালের পর আবার ২০২৪, চার বছর পর ফের আন্দোলনে নেমেছেন কৃষকেরা (Farmers Protest)। পাঞ্জাব-হরিয়ানা সীমান্তে ট্র্যাক্টর নিয়ে বসে রয়েছেন হাজার হাজার কৃষক। রবিবার আন্দোলনকারী কৃষকদের প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনায় বসেন কেন্দ্রীয় বাণিজ্য মন্ত্রী পীযূষ গয়াল, কৃষি প্রতিমন্ত্রী অর্জুন মুন্ডা ও স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নিত্যানন্দ রাই। কৃষকদের পক্ষে পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী ভগবন্ত মানও উপস্থিত ছিলেন এই বৈঠকে। রবিবার রাত ৮টা ১৫ মিনিট থেকে শুরু হয় বৈঠক, চলে রাত ১টা অবধি। কৃষকদের তরফে প্রতিনিধি সারওয়াল সিং পান্ধের জানিয়েছে, আগামী ১৯ ও ২০ তারিখ কৃষকদের ফোরামে কেন্দ্রের এমএসপি নিয়ে প্রস্তাবনার আলোচনা করা হবে। সকলের সম্মতিতেই পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

    আরও পড়ুন: উঠল রফতানি নিষেধাজ্ঞা, রমজানের আগেই বাংলাদেশ যাচ্ছে ৫০ হাজার টন পেঁয়াজ

    কেন্দ্রের নয়া পরিকল্পনা

    বৈঠক শেষে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী পীযূষ গয়াল জানান,  কেন্দ্রের তরফে পাঁচ বছরের জন্য সরকারি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ন্যূনতম সহায়ক মূল্য দিয়ে ডাল, ভুট্টা ও তুলা ফসল কেনার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। এপ্রসঙ্গে তিনি বলেন, ”মুগ, মসুর ও উরদ ডাল উৎপাদনকারী কৃষকদের সঙ্গে ন্যাশনল কোঅপারেটিভ কনজিউমার ফেডারেশন, ন্যাশনাল এগ্রিকালচার কোঅপারেটিভ মার্কেটিং ফেডারেশন অব ইন্ডিয়ার মতো সরকারি সংস্থাগুলি চুক্তি করবে। পাঁচ বছরের জন্য ন্যূনতম সহায়ক মূল্যে কৃষকদের (Farmers Protest) কাছ থেকে এই ফসল কেনা হবে।” ফসল কেনার কোনও ঊর্ধ্বসীমা ধার্য করা হয়নি। সমগ্র ফসল কেনা-বেচার জন্য আলাদা একটি পোর্টাল তৈরি করা হবে বলে জানান কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। এছাড়াও ভূগর্ভস্থ জলের পরিমাণ বাড়ানো এবং চাষের জমি যাতে উর্বর থাকে, তার উদ্যোগও নেওয়া হবে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Onion Export Ban Lift: উঠল রফতানি নিষেধাজ্ঞা, রমজানের আগেই বাংলাদেশ যাচ্ছে ৫০ হাজার টন পেঁয়াজ

    Onion Export Ban Lift: উঠল রফতানি নিষেধাজ্ঞা, রমজানের আগেই বাংলাদেশ যাচ্ছে ৫০ হাজার টন পেঁয়াজ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পেঁয়াজ রফতানির (Onion Export Ban Lift) ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা তুলে নিল কেন্দ্র সরকার (Modi Government)। দেশে পেঁয়াজের ক্রমবর্ধমান মূল্য নিয়ন্ত্রণের জন্য, সরকার এর রফতানি নিষিদ্ধ করেছিল। কিন্তু এখন দেশে যথেষ্ট পরিমাণে পেঁয়াজ মজুত রয়েছে। তাই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের (Amit Shah) নেতৃত্বে মন্ত্রীদের কমিটি পেঁয়াজ রফতানি নিয়ে এই অনুমোদন দিয়েছে। প্রতিবেশী দেশ বাংলাদেশের বাজার এখন অগ্নিমূল্য। সামনেই রমজান মাস। তাই তার আগে ভারতের কাছে পেঁয়াজ ও চিনি চেয়েছিল হাসিনা সরকার। বন্ধু বাংলাদেশের সেই আর্জি মেনেই দ্রুত আলোচনায় বসে দিল্লি।

    কত পেঁয়াজ রফতানি

    ভারত পেঁয়াজের (Onion Export Ban Lift) অন্যতম বৃহৎ রফতানিকারক দেশ। কিন্তু গত বছর পেঁয়াজের দাম আকাশছোঁয়া হয়। দেশে পেঁয়াজের ক্রমবর্ধমান মূল্য নিয়ন্ত্রণের জন্য, সরকার পেঁয়াজ রফতানির উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল। ৩১ মার্চ, ২০২৪ পর্যন্ত এই নিষেধাজ্ঞা বলবৎ ছিল। তবে সময়সীমা শেষ হওয়ার আগেই এই নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হল। সামনেই রমজান মাস। তাই তার আগেই প্রতিবেশী দেশ বাংলাদেশে ৫০ হাজার টন পেঁয়াজ রফতানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। সরকার সব মিলিয়ে ৩ লাখ টন পেঁয়াজ রফতানির অনুমোদন দিয়েছে। 

    আরও পড়ুন: লোকসভা ভোটের আগে বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি পদে মেয়াদ বাড়ল নাড্ডার

    বাংলাদেশকে সবুজ সঙ্কেত

    রোজার আগেই ভারত থেকে পেঁয়াজ ও চিনি আমদানি করা হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশের বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটুও। রবিবার তিনি বলেন, ‘আমরা ইতিমধ্যে ৫০ হাজার মেট্রিক টন পেঁয়াজ ও এক লাখ মেট্রিক টন চিনি ভারতের থেকে চেয়েছি। প্রতিশ্রুতিও মিলেছে। আশা করছি, চাহিদার পুরোটাই আমরা নিয়ে আসতে পারব।’ ভারত সফরে এসে বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রী দিল্লির কাছে এই আর্জি জানিয়েছিলেন বলেও দাবি করেন টিটু। তাঁর কথায় তখনই দিল্লি থেকে সবুজ সঙ্কেতও মেলে।

    কেন রফতানিতে সায়

    গুজরাট ও মহারাষ্ট্রে পেঁয়াজের (Onion Export Ban Lift) মজুদ দেখে সরকার এই অনুমোদন দিয়েছে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী মনসুখ মাণ্ডবীয় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে পেঁয়াজ কৃষকদের পরিস্থিতি সম্পর্কে অবগত করেন। এরপরেই আলোচনা করে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পেঁয়াজ উৎপাদনকারী এলাকায় পেঁয়াজসহ অন্য সবজির দাম কমে যাওয়ায় সরকার এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। এতে দেশের সাধারণ মানুষের কোনও অসুবিধা হবে না। পাইকারি বাজারে পেঁয়াজ ভালো আসায় পেঁয়াজের দাম ইতিমধ্যেই কমে গিয়েছে।

    পেঁয়াজের উৎপাদন হ্রাস এবং আকাশছোঁয়া দামের কারণে, কেন্দ্র সরকার 8 ডিসেম্বর পেঁয়াজ রফতানি নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছিল। সরকারের চেষ্টায় ধীরে ধীরে পেঁয়াজের দাম নিয়ন্ত্রণে আসে। চড়া পেঁয়াজের দাম কমাতে সরকার জনগণের কাছে সস্তায় পেঁয়াজ বিক্রি করার পদক্ষেপ নিয়েছিল। বাফার স্টক থেকে প্রতি কেজি ২৫ টাকা দরে পেঁয়াজ (Onion Export) বাজারে ছাড়া হয়েছিল। পরবর্তীতে রফতানিতে নিষেধাজ্ঞা চাপতেই দাম কমে গিয়েছিল। রাজ্যগুলোর মধ্যে মহারাষ্ট্রে সবচেয়ে বেশি পেঁয়াজ উৎপাদিত হয়। সেখানে দাম কম হওয়ায় সব জায়গায় চাহিদা অনুযায়ী পেঁয়াজ সরবরাহ করা শুরু হয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share