Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • JP Nadda: লোকসভা ভোটের আগে বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি পদে মেয়াদ বাড়ল নাড্ডার

    JP Nadda: লোকসভা ভোটের আগে বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি পদে মেয়াদ বাড়ল নাড্ডার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মেয়াদ বাড়ল বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডার (JP Nadda)। দিল্লিতে রবিবারই শেষ হয়েছে দু’দিনের রাষ্ট্রীয় অধিবেশন। গতকালই সর্বভারতীয় মঞ্চ থেকে সারা দেশব্যাপী নেতা-কর্মীদের সামনে এমন ঘোষণা করেন দলের প্রাক্তন সর্বভারতীয় সভাপতি তথা কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানিয়েছেন, আগামী জুন মাস পর্যন্ত দলের সর্বভারতীয় সভাপতি থাকছেন নাড্ডা। এক কথায় নাড্ডার (JP Nadda) পারফরম্যান্স যথেষ্ঠ সন্তোষজনক। দেশের একাধিক জায়গায় বিজেপির উল্লেখযোগ্য বিস্তার হয়েছে তাঁর আমলে। লোকসভা ভোট যে নাড্ডার সভাপতিত্বে বিজেপি লড়বে, তা অমিত শাহের ঘোষণাতেই স্পষ্ট হয়ে উঠল এদিন। প্রসঙ্গত, রবিবার দলের জাতীয় কাউন্সিলের বৈঠকে জেপি নাড্ডার মেয়াদ বৃদ্ধির প্রস্তাব অনুমোদন করানো হয়েছে।

    নাড্ডার ভূয়সী প্রশংসা শাহের মুখে

    এদিনের সভামঞ্চে অমিত শাহ দাবি করেন, জেপি নাড্ডা (JP Nadda) সর্বভারতীয় পদে আসার পর বিজেপির রাজনৈতিকভাবে অনেক উন্নতি হয়েছে। তাঁর কথায়, ‘‘বিহারে ভাল ফল করার পাশাপাশি পশ্চিমবঙ্গে আসন সংখ্যা বৃদ্ধি, মহারাষ্ট্রে সংখ্যাগরিষ্ঠতা, সব বিষয়ে নাড্ডার ভূমিকা অনস্বীকার্য। আগামী দিনে তাঁর কাজ দলকে আরও উন্নতির শিখরে পৌঁছে দেবে।’’ শাহের আরও সংযোজন, ‘‘আগামী জুন মাস পর্যন্ত পদে তাঁর মেয়াদ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।’’

    অমিত শাহ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হওয়ার পরে, বিজেপি সভাপতি হন নাড্ডা

    ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে বিপুল ভোটে জেতার পর যখন অমিত শাহ কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদে শপথ নেন তখন দলের সর্বভারতীয় সভাপতির পদে আসেন জেপি নাড্ডা। দল তাঁর উপর আস্থা রাখায়, খুশি বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা (JP Nadda)। এদিন সঠিক পথে দলকে পরিচালনার বার্তা দিয়েছেন তিনি। এরই পাশাপাশি দলের শীর্ষ নেতৃত্ব থেকে শুরু করে বুথ স্তরের কর্মীদের কাছ থেকে সহযোগিতাও চেয়েছেন তিনি। এর পাশাপাশি আগামী লোকসভা ভোটে এনডিএ জোট ৪০০ আসন জিতবে বলে জানিয়েছেন নাড্ডা।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: “আয়েগা তো মোদি হি”, প্রত্যয়ী প্রধানমন্ত্রী

    PM Modi: “আয়েগা তো মোদি হি”, প্রত্যয়ী প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “আয়েগা তো মোদি হি।” রবিবার দিল্লিতে বিজেপির জাতীয় অধিবেশনে কথাগুলি বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। তৃতীয়বারের জন্য যে তিনি কেন্দ্রের ক্ষমতায় ফিরছেন, তা ভালোই জানেন প্রধানমন্ত্রী। আগেও নানা সময় কেন্দ্রে বিজেপি সরকার গড়বে, এমন কথা বলতে শোনা গিয়েছে তাঁকে। ৪০০-র বেশি আসন নিয়ে বিজেপি ক্ষমতায় ফিরবে বলেও আশাবাদী তিনি।

    কী বললেন প্রধানমন্ত্রী?

    এদিন দলের জাতীয় অধিবেশনেও সেই প্রত্যয়ীই ধরা পড়ল তাঁর। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “নির্বাচন হতে এখনও বাকি। কিন্তু এখনই অন্য দেশগুলো থেকে আমায় আমন্ত্রণ জানানো হচ্ছে। জুলাই, অগাস্ট ও সেপ্টেম্বর মাসে আমাকে বিদেশে ডাকছে। এর অর্থ কী দাঁড়ায়? তার মানে বিশ্বের নানা প্রান্তের সমস্ত দেশের মানুষ জানেন, কেন্দ্রে ক্ষমতায় আসবে বিজেপি। তাঁরা জানেন, আয়েগা তো মোদি হি।”

    উন্নত রাষ্ট্র হবে ভারত

    প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, “যদি নিজের ঘরের কথা ভাবতাম তাহলে দেশের কোটি কোটি মানুষের জন্য ঘর বানাতে পারতাম না। ভারতের জন্য আগামী পাঁচ বছর খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই সময়ের মধ্যেই উন্নত রাষ্ট্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করবে ভারত।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, “অনেকে আমায় বলেন, আপনি তো নিজের সময়কালে অনেক সাফল্য অর্জন করে ফেলেছেন। তাহলে আর খাটছেন কেন? আসলে গোটা দেশ বিশ্বাস করে ১০ বছরে দেশকে সন্ত্রাসবাদ, দুর্নীতি ও দারিদ্রতা থেকে মুক্তি দিয়েছি। মধ্যবিত্তকে নতুন জীবন দিয়েছি।”

    আরও পড়ুুন: মুখ থুবড়ে পড়ল ইংল্যান্ড, রাজকোট টেস্টে জয়ী রোহিতের ভারত

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ক্ষমতা দখলের জন্য বিজেপির তৃতীয় টার্ম চাইছি না। কোটি কোটি মা-বোন গরিবদের স্বপ্নপূরণের লক্ষ্যে আমি সংকল্প নিয়েছি। সেটা পূরণ করতে আমরা সবাই সেবা করার মনোভাব নিয়ে দিনরাত এক করে কাজ করছি। ১০ বছরে অর্জন করেছি, তা একটি মাত্র ধাপ ছিল। লক্ষ্যে পৌঁছনোর একটি বিশ্বাস। এবার আমাদের দেশের জন্য কোটি কোটি ভারতবাসীর জন্য প্রত্যেকের জীবন বদলানোর জন্য অনেক কিছু হাসিল করার স্বপ্ন রয়েছে। আজ, বিজেপি, যুবশক্তি, নারীশক্তি, গরিব ও কৃষকদের জন্য বিকশিত ভারতের শক্তি হিসেবে তৈরি করছি। আগে মানুষের মনে হত, সরকার বদলালেও নিয়ম বদলায় না। কিন্তু সেই পুরানো মানসিকতা থেকে দেশকে বের করে এনেছি। আমিই দেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী যে লালকেল্লা থেকে মহিলাদের ক্ষমতায়ন এবং মহিলাদের জন্য শৌচালয় নির্মাণ নিয়ে সরব হয়েছিলাম (PM Modi)।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • BJP Resolution: রাম মন্দির নির্মাণের মধ্যে দিয়েই শুরু হল রাম রাজ্যের, পাশ রেজলিউশন

    BJP Resolution: রাম মন্দির নির্মাণের মধ্যে দিয়েই শুরু হল রাম রাজ্যের, পাশ রেজলিউশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শেষ হল বিজেপির দু’ দিন ব্যাপী জাতীয় কনভেনশন। অযোধ্যার রাম মন্দির নিয়ে এই কনভেনশনেই পাশ হল রেজলিউশন (BJP Resolution)। রাম মন্দির নির্মাণের মধ্যে দিয়েই শুরু হল রাম রাজ্যের, যা চলবে হাজার বছর ধরে। এই মর্মেই জোর দেওয়া হয়েছে এই রেজলিউশনে।

    রাম মন্দির

    রেজলিউশনে বলা হয়েছে, ভগবান রামের জন্মস্থান অযোধ্যায় রামের জন্মস্থানে নয়নাভিরাম রাম মন্দির গঠন করা হয়েছে। মন্দিরটি ভগবান রামকে উৎসর্গ করা হয়েছে। এটি জাতির একটি গৌরবজনক অধ্যায়। রাম মন্দির নির্মাণে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিরও ভূয়সী প্রশংসা করা হয়েছে। রেজলিউশনে এও বলা হয়েছে ভারতীয় সভ্যতা ও সংস্কৃতির ক্ষেত্রে ভগবান শ্রী রাম এবং রামায়নের সীতার একটি বিশেষ জায়গা রয়েছে। আমাদের সংবিধানও যে রাম রাজ্যের ধারণা থেকে প্রাণিত হয়েছে, তারও উল্লেখ করা হয়েছে এই রেজলিউশনে।

    গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ

    এই রেজলিউশনেই (BJP Resolution) বলা হয়েছে, সংবিধানে যে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও বিচারের ধারণা রয়েছে, তা মিলেছে ওই রাম রাজ্যের ধারণা থেকে। সংবিধানের যে আসল কপি, তাতেও ভগবান শ্রী রাম, মা সীতা এবং লক্ষ্ণণজির লঙ্কা জয় করে অযোধ্যায় ফিরে আসা, এসবেরই প্রেরণা রয়েছে সংবিধানের মৌলিক অধিকারের নেপথ্যে। রেজলিউশনে এও বলা হয়েছে, রাম রাজ্যের ধারণা থেকেই প্রাণিত হয়েছেন মহাত্মা গান্ধী। এটিই প্রকৃত গণতন্ত্রের এপিটোম।

    আরও পড়ুুন: “ভারতের সমালোচনা নয়, প্রশংসা করা উচিত”, বললেন জয়শঙ্কর

    চলতি বছরের ২২ জানুয়ারি অযোধ্যায় উদ্বোধন হয় রাম মন্দিরের। এদিনই মন্দিরের গর্ভগৃহে প্রতিষ্ঠিত হয় বালক রামের মূর্তি। এই মন্দির নির্মাণের সিংহভাগ ক্রেডিটই বিজেপি নেতাকর্মীরা দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে। অযোধ্যার রাম মন্দির দর্শন করতে আসতে যাতে দর্শনার্থীদের কোনও অসুবিধা না হয়, সেজন্য তৈরি করা হয়েছে বিমানবন্দর। ঢেলে সাজানো হয়েছে অযোধ্যা রেলস্টেশনকেও। প্রতিদিন ৫০-৫৫ হাজার দর্শানার্থী আসছেন মন্দির দর্শনে। এই মন্দির উদ্বোধনের সময়ও বিজেপির তরফে দাবি করা হয়েছিল, সংবিধানেই রয়েছে রাম রাজ্যের ধারণা। পদ্ম শিবিরের বিশ্বাস, সেই রাম রাজ্যই প্রতিষ্ঠার কাজ শুরু হয়ে গিয়েছে (BJP Resolution)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • S Jaishankar: “ভারতের সমালোচনা নয়, প্রশংসা করা উচিত”, বললেন জয়শঙ্কর

    S Jaishankar: “ভারতের সমালোচনা নয়, প্রশংসা করা উচিত”, বললেন জয়শঙ্কর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “একাধিক অপশন থাকায় ভারতের সমালোচনা করা উচিত নয়।” শনিবার কথাগুলি বললেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর (S Jaishankar)। ভারতের বিদেশনীতি নিয়ে প্রশ্ন করা হলে এই জবাব দেন বিদেশমন্ত্রী।

    মিউনিখ সিকিউরিটি কনফারেন্স

    মিউনিখ সিকিউরিটি কনফারেন্সে যোগ দিতে জার্মানি গিয়েছেন জয়শঙ্কর। সেখানে এক প্যানেল ডিশকাসনে উপস্থিত ছিলেন মার্কিন বিদেশ সচিব অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন ও জার্মানির বিদেশমন্ত্রী আন্নালেনা বেরবক। সেখানে জয়শঙ্করকে প্রশ্ন করা হয়, কীভাবে রাশিয়ার সঙ্গে বাণিজ্য ও আমেরিকার সঙ্গে একই সঙ্গে জোট বজায় রাখতে পারছে নয়াদিল্লি? উত্তরে ভারতের বিদেশমন্ত্রী বলেন, “এটা কি কোনও সমস্যা? কেন এটাকে কোনও সমস্যা হিসেবে দেখা হবে? আমি যদি একাধিক বিষয় সামলে নিতে পারি, তাহলে তো আপনার আমাকে সম্মান জানানো উচিত।” তিনি বলেন, “আজকের দিনে কোনও দেশের কাছেই এমন প্রত্যাশা করা উচিত নয়, যে তারা একমাত্রিক সম্পর্ক বজায় রেখে চলবে।”

    জয়শঙ্করের জবাব

    ইউক্রেনে মস্কোর আগ্রাসনে রাশিয়ার পাশে না দাঁড়িয়েও কীভাবে সে দেশ থেকে অপরিশোধিত তেল কিনছে ভারত? এর উত্তরে জয়শঙ্কর (S Jaishankar) বলেন, “এটা কেন কোনও সমস্যা হবে? আমি যথেষ্ট স্মার্ট, আমার কাছে একাধিক অপশন রয়েছে। এটাকে শ্রদ্ধা করা উচিত, সমালোচনা করা নয়। এটা কি অন্য কারও কোনও সমস্যা হতে পারে? আমার তো মনে হয় না।” এই সময় হাসতে দেখা যায় ব্লিঙ্কেনকে। জয়শঙ্কর বলেন, “আমাদের দেশের ওপর কী কী চাপ রয়েছে, সেগুলি আমরা ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করি। একমাত্রিক সম্পর্ক রাখা এ যুগে বড্ড কঠিন।”

    আরও পড়ুুন: শিবু গ্রেফতারে খুশির হাওয়া সন্দেশখালিতে, ফ্রিতে মিষ্টি-চা বিতরণ

    ভারতের বিদেশমন্ত্রী বলেন, “আমি আপনাকে চাই না, এমনকি অসাবধানতাবশতও। এই ধারণাও দিতে চাই না যে আমরা সৎভাবে ট্রানজেকশনাল। আমরা তেমন নই। আমরা মানুষের সঙ্গে থাকি। আমরা কাজে বিশ্বাসী, কোনও কিছু ঘটলে আমরা তা শেয়ারও করি। কিন্তু এমন সময়ও আসে, যখন আপনি বিভিন্ন জায়গায় রয়েছেন, উন্নয়নের বিভিন্ন স্তর রয়ছে, অভিজ্ঞতাও ভিন্ন ভিন্ন। আসলে জীবন হল জটিল, প্রত্যেকের জীবন আলাদা আলাদা।” তিনি বলেন, “যারা ভালো বন্ধু তারা তাদের পছন্দগুলো জানিয়ে দেয়। আর যারা স্মার্ট বন্ধু, তারা এর কিছু পছন্দ গ্রহণ করে (S Jaishankar)।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Kamal Nath: ফের ভাঙছে কংগ্রেস! বিজেপিতে যোগ দিচ্ছেন সপুত্র কমল নাথ?

    Kamal Nath: ফের ভাঙছে কংগ্রেস! বিজেপিতে যোগ দিচ্ছেন সপুত্র কমল নাথ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের ভাঙছে কংগ্রেস! মিলিন্দ দেওরা, অশোক চহ্বান, বাবা সিদ্দিকি, লালবাহাদুর শাস্ত্রীর নাতি বিভাকরের পর এবার সপুত্র কমল নাথ (Kamal Nath) কংগ্রেস ছেড়ে যোগ দিতে চলেছেন বিজেপিতে। মধ্যপ্রদেশের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর ছেলে নকুল নাথ তাঁর নামের পাশ থেকে কংগ্রেস শব্দটি মুছে দিয়েছেন। ইতিমধ্যেই দিল্লিতে পৌঁছে গিয়েছেন কমল। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, শনিবারই কংগ্রেস ছেড়ে ছেলেকে নিয়ে পদ্ম আঁকা ঝান্ডা হাতে তুলে নিতে পারেন কমল।

    পদ্ম শিবিরে কমল নাথ!

    মধ্যপ্রদেশের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী যে কংগ্রেস ছেড়ে পদ্ম-শিবিরে ভিড়তে চলেছেন, তার ইঙ্গিত মিলেছিল শুক্রবারই। এদিন বিজেপির মুখপাত্র তথা কমল নাথের (Kamal Nath) প্রাক্তন পরামর্শদাতা নরেন্দ্র সালুজা একটি ছবি পোস্ট করেন। ছবিতে ছিলেন সপুত্র কমল নাথ। ছবির ক্যাপশনে সালুজা লিখেছেন, জয় শ্রীরাম। এর পরেই চড়তে থাকে কমলের পদ্ম-যোগের জল্পনার পারদ।

    কী বলছে কংগ্রেস?

    শুক্রবারই এই জল্পনায় জল ঢেলে দিয়েছিলেন মধ্যপ্রদেশের আর এক প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী দিগ্বিজয় সিংহ। তিনি বলেছিলেন, “যে ব্যক্তি নেহরু-গান্ধী পরিবারের হাত ধরে রাজনৈতিক কেরিয়ার শুরু করেছিলেন, তিনি কংগ্রেস ছেড়ে দেবেন, এটা কী করে আশা করা যায়। এরকম কিছু আশা করাই উচিত নয়।” শনিবার দিল্লিতে কমল বলেন, “আপনারা এত উত্তেজিত কেন হয়ে পড়ছেন? যদি এরকম কিছু হয়, তবে আমি অবশ্যই আপনাদের জানাব।”

    বিজেপিতে যোগ দিতে পারেন কমলের এক অনুগামীও। সজ্জন সিং ভার্মা নামের ওই ব্যক্তি মধ্যপ্রদেশের সোনকাছ বিধানসভা কেন্দ্র থেকে হাত চিহ্নে জয়ী হয়েছিলেন। কমল দিল্লি যেতেই তাঁর প্রোফাইল থেকে কংগ্রেসের লোগো মুছে ফেলেছেন তিনি।

    আরও পড়ুুন: “আগামী নির্বাচনে বাংলায় আমরাই ক্ষমতায় আসব”, প্রত্যয়ী নাড্ডা

    জানা গিয়েছে, ছেলে নকুলের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে খুবই চিন্তিত কমল। কারণ উনিশের লোকসভা নির্বাচনে মধ্যপ্রদেশে কংগ্রেস জয়ী হয়েছিল মাত্রই একটি আসনে। এই কেন্দ্রটি ছিন্দওয়ারা। এক সময় এটি ছিল কমল নাথের দুর্গ। বাবার সেই দুর্গে দাঁড়িয়েই কোনও মতে জয়ী হয়েছেন নকুল। ইতিমধ্যে এই কেন্দ্রে নিরন্তর শক্তি বাড়িয়ে চলেছে বিজেপি। প্রত্যাশিতভাবেই প্রমাদ গুণছেন কমল (Kamal Nath)। রাজনৈতিক মহলের মতে, ছেলের একটা পাকাপাকি ব্যবস্থা করতেই দিল্লিতে হাজির মধ্যপ্রদেশের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী কমল নাথ।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
  • JP Nadda: “আগামী নির্বাচনে বাংলায় আমরাই ক্ষমতায় আসব”, প্রত্যয়ী নাড্ডা

    JP Nadda: “আগামী নির্বাচনে বাংলায় আমরাই ক্ষমতায় আসব”, প্রত্যয়ী নাড্ডা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “বাংলায় বিজেপির ভোট ছিল ১০ শতাংশ, আসন ছিল তিনটি। বর্তমানে সেটা বেড়ে হয়েছে ৩৮.৫ শতাংশ, আসন হয়েছে ৭৭টি। আগামী নির্বাচনে আমরাই ক্ষমতায় আসব।” শনিবার বিজেপির দু’ দিন ব্যাপী কনভেনশনে কথাগুলি বললেন দলের সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা (JP Nadda)। তিনি বলেন, “২০১৪ সালে বিজেপি পাঁচটি রাজ্যে রাজ করত। আর বর্তমানে দেশের ১২টি রাজ্যের কুর্সিতে রয়েছে পদ্ম-পার্টি। ১৭টি রাজ্যে রয়েছে এনডিএ।”

    ঠিক কী বললেন নাড্ডা?

    নাড্ডা বলেন, “তিরিশ বছর পরে ২০১৪ সালে নিরঙ্কুশ সংখ্যা গরিষ্ঠতা নিয়ে ক্ষমতায় এসেছে একটি দল। ঠিক পাঁচ বছর পরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে ফের ক্ষমতায় আসে সরকার।” তিনি বলেন, “এখন আমরা গর্বের সঙ্গে অধিবেশনকে মহা অধিবেশন বলতে পারি। দলীয় নেতা-কর্মীদের কঠোর পরিশ্রমেই এটা সম্ভব হয়েছে। গত সাত দশক ধরে ভারতীয় জনসঙ্ঘ এবং ভারতীয় জনতা পার্টি অনেক কিছু দেখেছে। আমরা লড়াইয়ের পর্ব দেখেছি, আমরা উপেক্ষা পর্বের সাক্ষী হয়েছি। আমরা জরুরি অবস্থা দেখেছি। নির্বাচনে বিজয় এবং হারের পর্বেরও সাক্ষী হয়েছি।”

    মোদির আমলে শুধুই প্রাপ্তি!

    তিনি (JP Nadda) বলেন, “তবে গত দশ বছরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে আমাদের শুধুই প্রাপ্তি হয়েছে। ২০২৪ সালে বিজেপির জাতীয় কনভেনশনের সাক্ষী আমরা যারা হয়েছি, তারা ভাগ্যবান। অতীতে বিজেপির জয়ের সাক্ষী আমরা হয়েছি। আবারও জয়ের সাক্ষী হব। অযোধ্যায় রাম মন্দিরের স্বপ্নও পূরণ হয়েছে।” বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি বলেন, “আমি প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানাতে চাই। কারণ তাঁরই নেতৃত্বে রাজনীতিতে একটা নয়া গতি এসেছে। গতি এসেছে পার্টিতে, সমাজে। প্রধানমন্ত্রী গরিব কল্যাণ অন্ন যোজনায় বর্তমানে ৮০ কোটি মানুষ সুবিধা পাচ্ছেন।”

    নাড্ডা বলেন, “গত দশ বছরে মোদি সরকার প্রায় ২৫ কোটি মানুষকে দারিদ্রসীমার ওপরে নিয়ে এসেছে। স্বাস্থ্য, পরিকাঠামো, শিক্ষা এবং কর্মসংস্থান সব ক্ষেত্রেই প্রতিটি ভারতবাসীর স্বপ্ন পূরণ হয়েছে।” তিনি (JP Nadda) বলেন, “প্রধানমন্ত্রী মোদির নেতৃত্বে ভারত অপ্রতিদ্বন্দ্বী হয়ে উঠছে।”

    আরও পড়ুুন: রক্তমাখা ছুরি উদ্ধার, পড়ে রয়েছে গণেশ মূর্তি, হুগলির শিশু খুনের নেপথ্যে কে?

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Jharkhand: ঝাড়খণ্ডে মন্ত্রিসভা সম্প্রসারণ, শপথ নিলেন হেমন্তের ভাই বসন্ত সোরেন

    Jharkhand: ঝাড়খণ্ডে মন্ত্রিসভা সম্প্রসারণ, শপথ নিলেন হেমন্তের ভাই বসন্ত সোরেন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আটজন বিধায়ককে মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত করলেন ঝাড়খণ্ডের (Jharkhand) নয়া মুখ্যমন্ত্রী চম্পাই সোরেন। এদের মধ্যে পাঁচজন ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চা (জেএমএম) এবং তিনজন কংগ্রেসের। মন্ত্রী হয়েছেন ঝাড়খণ্ডের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেনের ভাই বসন্ত সোরেন (Basant Soren)। ঝাড়খণ্ডের রাজ্যপাল সি পি রাধাকৃষ্ণন শুক্রবার এই আট বিধায়ককে মন্ত্রী হিসাবে শপথ গ্রহণ করান।

    নতুন মন্ত্রী কারা

    ঝাড়খণ্ডের (Jharkhand) মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার কয়েক সপ্তাহ পরে, চম্পাই সোরেন (Champai Soren) শুক্রবার (16 ফেব্রুয়ারি) আটজন বিধায়ককে মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত করে তার মন্ত্রিসভা সম্প্রসারণ করেছেন। শপথ গ্রহণকারী কংগ্রেস বিধায়করা হলেন রামেশ্বর উরানভ, বান্না গুপ্ত এবং বাদল পাত্রলেখ। ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চা থেকে মিথিলেশ ঠাকুর, দীপক বড়ুয়া, বসন্ত সোরেন, হাফিজুল হাসান এবং বেবি দেবী শপথ নিয়েছেন। এদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য নাম হল বসন্ত সোরেন। তিনি ঝাড়খণ্ডের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী এবং জেএমএম সভাপতি শিবু সোরেনের ছেলে এবং ঝাড়খণ্ডের আরেক প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেনের ছোট ভাই। ৫ ফেব্রুয়ারি আস্থা ভোটের আগে, রাজভবনে ক্যাবিনেট মন্ত্রী হিসেবে কংগ্রেসের আলমগীর আলম এবং আরজেডি-র সত্যানন্দ ভোক্তা ও চম্পাই সোরেন মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে শপথ নিয়েছিলেন। 

    আরও পড়ুন: লোকসভা ভোটের লক্ষ্যে দিল্লিতে শুরু বিজেপির নীতি নির্ধারক কমিটির বৈঠক

    বসন্তের রাজনৈতিক জীবন

    বসন্ত সোরেন দুমকার বিধায়ক। তিনি ২০২০ সালের উপনির্বাচনে বিজেপি প্রার্থী এবং প্রাক্তন মন্ত্রী লুইস মারান্ডিকে পরাজিত করে ঝাড়খণ্ড বিধানসভায় নির্বাচিত হন। এই প্রথম তিনি রাজ্যের মন্ত্রী হলেন। বসন্ত সোরেনকে রাস্তা নির্মাণ, ভবন নির্মাণ ও জলসম্পদ সংক্রান্ত দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। উল্লেখ্য, ২০১৯ সালের শেষে ঝাড়খণ্ড বিধানসভা নির্বাচনে জিতে ক্ষমতায় আসে জেএমএম নেতৃত্বাধীন সরকার ৷ মুখ্যমন্ত্রী হন জেএমএম-এর হেমন্ত সোরেন ৷ কিন্তু কয়েকদিন আগে দুর্নীতির মামলায় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট তাঁকে গ্রেফতার করে ৷ তারপর রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হন জেএমএম-এর চম্পাই সোরেন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Loksabha Election 2024:  লোকসভা ভোটের লক্ষ্যে দিল্লিতে শুরু বিজেপির নীতি নির্ধারক কমিটির বৈঠক

    Loksabha Election 2024: লোকসভা ভোটের লক্ষ্যে দিল্লিতে শুরু বিজেপির নীতি নির্ধারক কমিটির বৈঠক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লক্ষ্য লোকসভা নির্বাচন ২০২৪। আজ শনিবার থেকে দিল্লিতে শুরু হচ্ছে বিজেপির নীতি নির্ধারক কমিটির অধিবেশন। দু দিন ধরে চলবে সেই অধিবেশন। গোটা দেশের প্রায় ১১৫০০ প্রতিনিধি উপস্থিত থাকবেন বলে জানা গিয়েছে। বৈঠকের শুরুতেই ভাষণ দেবেন জে পি নাড্ডা আর রবিবার সমাপ্তি বক্তৃতা করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এই বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন ন্যাশনাল কাউন্সিলের সব সদস্য, গোটা দেশের সব জেলার বিজেপি সভাপতি, লোকসভার কনভেনার, ফিনান্স কমিটি, মিডিয়া সেলের কনভেনার, আইটি সেলের কর্মী- সহ সংগঠনের গুরুত্বপূর্ণ সদস্যরা।

    বাংলাকে গুরুত্ব

    সামনেই লোকসভা নির্বাচন। সব রাজ্যে বিজিপির মাটি শক্ত করার লক্ষ্যেই এই বৈঠকের আয়োজন করা হয়েছে। লোকসভা ভোট নিয়ে রণকৌশল চূড়ান্ত করা হতে পারে এই বৈঠকে। দিল্লির ভারত মণ্ডপমে হবে এই বৈঠক। বৈঠকে উঠে আসতে পারে সন্দেশখালি-সহ বাংলার সামগ্রিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির প্রসঙ্গ। বৈঠকে থাকবেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী-সহ বিজেপি রাজ্য সংগঠনের শীর্ষ নেতারা। থাকবেন বাংলার সাংসদ ও বিধায়কেরাও। আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে বাংলায় ভাল ফল করতে বদ্ধপরিকর বিজেপি। বাংলায় শাসকের অরাজকতা দূর করার জন্য সবরকম প্রয়াস চালানো হবে বলে জানানো হয়েছে বিজেপির তরফে।

    আরও পড়ুন: সন্দেশখালির অশান্তির আবহে রাজ্যে প্রধানমন্ত্রী! মার্চের প্রথম সপ্তাহে বারাসতে সভা?

    লোকসভায় ৩৭০ আসন

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সম্প্রতি সংসদে ঘোষণা করেছিলেন যে ২০২৪ সালের নির্বাচনে বিজেপি ৩৭০ টি আসন জিতবে এবং এনডিএ ৪০০টি আসন পাবে। তাই নীতি নির্ধারক কমিটির বৈঠকে ঐতিহাসিক বিজয় অর্জনের জন্য দলীয় নেতা ও কর্মীদের একটি রোডম্যাপ প্রদান করা হবে বলে অনুমান রাজনীতিকদের। বিজেপি সূত্রের খবর, দু’দিনের অধিবেশনে দু’টি রেজোলিউশন পাস করা হবে। রেজোলিউশনের প্রথমটি হতে পারে বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি প্রসঙ্গে। আর দ্বিতীয়টি হতে পারে দেশের আর্থিক পরিস্থিতিতে বিজেপির অবস্থান প্রসঙ্গে। সে ক্ষেত্রে সংসদে পেশ হওয়া ইউপিএ জামানার আর্থিক পরিস্থিতি নিয়ে শ্বেতপত্রের উপর জোর দেওয়া হবে। এছাড়াও আলোচনা হতে পারে রাম মন্দির প্রতিষ্ঠা প্রসঙ্গে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: “যাঁরা রামকে কাল্পনিক বলতেন, তাঁরাই জয় সিয়ারাম বলছেন”, বললেন মোদি

    PM Modi: “যাঁরা রামকে কাল্পনিক বলতেন, তাঁরাই জয় সিয়ারাম বলছেন”, বললেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “যাঁরা ভগবান রামকে কাল্পনিক বলতেন, তাঁরাই এখন জয় সিয়ারাম বলছেন।” শুক্রবার কথাগুলি বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। এদিন হরিয়ানার রেউড়িতে একটি অনুষ্ঠানে যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানেই তিনি নিশানা করেন কংগ্রেসকে। জম্মু-কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারা রদ এবং এক পদ এক পেনশন নীতির প্রসঙ্গও উঠে এসেছে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণে।

    ‘তাঁরাও এখন সিয়ারাম গাইছেন’

    তিনি বলেন, “দেশ চেয়েছিল অযোধ্যায় রামের একটি মন্দির নির্মাণ হোক। আজ গোটা দেশ দেখছে, মনোরম রাম মন্দিরে বসে রয়েছেন রামলালা। কংগ্রেসের নেতা-কর্মীরা যাঁরা ভাবতেন রাম একটি কাল্পনিক চরিত্র, যাঁরা কোনওদিনই চাইতেন না রাম মন্দির নির্মাণ হোক, তাঁরাও এখন সিয়ারাম গাইছেন।” দোরগোড়ায় লোকসভা নির্বাচন। এদিন প্রধানমন্ত্রী তারই প্রচার শুরু করলেন রেউড়ি থেকে। মনে রাখতে হবে, ২০১৩ সালে বিজেপির প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী হিসেবে এখানেই প্রথম সভা করেছিলেন নরেন্দ্র মোদি। সেখানেই এদিন সভা করলেন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে। বক্তৃতা শুরুর আগে প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) রেউড়িতে ৯ হাজার ৭৫০ কোটি টাকার একাধিক প্রজেক্টের উদ্বোধন ও শিলান্যাস করেন তিনি।

    কী বললেন প্রধানমন্ত্রী?

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “কিছুক্ষণ আগেই আমার সুযোগ হয়েছিল হরিয়ানায় ১০ হাজার কোটি টাকার প্রজেক্টের উদ্বোধন ও শিলান্যাস করার। এর মধ্যে রেউড়ি এইমসও রয়েছে। রয়েছে নয়া রেল লাইন, মেট্রো লাইন এবং একটি মিউজিয়াম। ভগবান রামের ইচ্ছেয় আমি এখন বিভিন্ন জায়গায় এসব পবিত্র কর্মের সঙ্গে যুক্ত হতে পারছি।” আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে বিজেপির নেতৃত্বাধীন এনডিএ ৪০০ আসন পাবে বলেও মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী।

    আরও পড়ুুন: ‘‘সন্দেশখালি গিয়েই ছাড়ব’’, রাজভবনে রিপোর্ট দিল বিজেপির ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং টিম

    তিনি বলেন, “যদি জি২০ সম্মেলন সফল হয়, তার কারণ আপনাদের আশীর্বাদ। যেখানে কেউ এখনও যেতে পারেনি, চাঁদের সেই দক্ষিণ মেরুতেও প্রথম পা রেখেছি আমরা। এসবই হয়েছে আপনাদের আশীর্বাদে। গত দশ বছরে বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতির দেশের তালিকায় এগারো নম্বর স্থান থেকে পাঁচে উঠে এসেছে ভারত। আমার তৃতীয় টার্মে আপানাদের আশীর্বাদে দেশকে আমি ওই তালিকার তিন নম্বরে নিয়ে যাব।” কংগ্রেসকে নিশানা করে প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, “যারা ইন্ডি জোটটাই ঠিকঠাক করে গড়ে তুলতে পারল না, তারা দেশ চালাবে!”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

  • PM Modi: কেন দলে দলে কংগ্রেস ত্যাগ করছেন নেতারা? আসল কারণ খোলসা করলেন মোদি

    PM Modi: কেন দলে দলে কংগ্রেস ত্যাগ করছেন নেতারা? আসল কারণ খোলসা করলেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “স্বজনপোষণ ও পরিবারতান্ত্রিক রাজনীতির চক্রব্যূহে আটকে পড়েছিলেন আপনারা। তাই কংগ্রেস ছাড়ছেন।” শুক্রবার কথাগুলি বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। গত কয়েক দিনে বেশ কয়েকজন কংগ্রেস ছেড়ে যোগ দিয়েছেন বিজেপিতে। লোকসভা নির্বাচনের আগে কেন তাঁরা কংগ্রেস-সঙ্গ ত্যাগ করছেন, তার ব্যাখ্যা দিতে গিয়েই গ্র্যান্ড ওল্ড পার্টির স্বজনপোষণ ও পরিবারতান্ত্রিক রাজনীতিকে কাঠগড়ায় তোলেন প্রধানমন্ত্রী।

    বিকশিত ভারত

    এদিন ভার্চুয়াল মাধ্যমে রাজস্থানের জয়পুরে ‘বিকশিত ভারত, বিকশিত রাজস্থান’ অনুষ্ঠানে যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী। উদ্বোধন করেন ১৭ হাজার কোটি টাকার প্রকল্পের। এই অনুষ্ঠানেই কংগ্রেসকে নিশানা করার সুযোগ হাতছাড়া করেননি প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, “কংগ্রেসের একমাত্র লক্ষ্যই হল মোদির বিরোধিতা করা।” প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, “ওদের (কংগ্রেসের) মোদির প্রতি এত ঘৃণা যে তা সমাজে বিভাজন তৈরি করে। এটাই হয় যখন কেউ স্বজনপোষণ ও পরিবারতান্ত্রিক রাজনীতির চক্রব্যূহে আটকে পড়ে। আজ সবাই কংগ্রেস ছেড়ে দিচ্ছেন। একমাত্র একটি পরিবারই কংগ্রেসে রয়েছে।”

    কংগ্রেসকে নিশানা মোদির 

    তিনি বলেন, “কংগ্রেসের সব চেয়ে বড় সমস্যা হল এদের দূরদর্শিতা ও ইতিবাচক নীতি গঠনের অভাব। কংগ্রেস ভবিষ্যতও দেখতে পায় না। আর তাদের কাছে ভবিষ্যতের কোনও রোডম্যাপও নেই।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, “কংগ্রেস বিকশিত ভারত নামটা পর্যন্ত গ্রহণ করেনি। কারণ এতে কাজ করছে মোদি। কংগ্রেস মেড ইন ইন্ডিয়াকেও সমর্থন করেনি। সমর্থন করেনি ভোকাল ফর লোকালকেও। কারণ মোদি একে সমর্থন করে।”  

    বিকশিত ভারত প্রকল্প প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এটা শুধু একটা শব্দ নয়, বরং আবেগ। এই প্রকল্প প্রতিটি পরিবারের সকলের জীবনকে সমৃদ্ধ করার জন্য তৈরি করা হয়েছে। গরিবি দূর করবে এই প্রকল্প। যুব প্রজন্মের জন্য কর্মসংস্থান ও দেশে আধুনিক পরিষেবা চালু করার লক্ষ্যে কাজ করছে এই প্রকল্প।”

    আরও পড়ুুন: ‘‘মণিপুর-ধাঁচে হোক তদন্ত’’! সন্দেশখালি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে জনস্বার্থ মামলা

    আগামী কয়েক বছরের মধ্যেই যে ভারত উন্নত দেশে পরিণত হবে, এদিন আরও একবার তা মনে করিয়ে দেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)। বলেন, “ভারতকে উন্নত দেশ তৈরি করতে সরকার চারটি ক্ষেত্রকে মজবুত করছে – যুব প্রজন্ম, মহিলা, কৃষক ও গরিব। আমাদের কাছে এরাই সব থেকে বড় শ্রেণি।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share