Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Sisodia: জামিন খারিজ সিসোদিয়ার, সিবিআই-এর অভিযোগকে কার্যত মান্যতা দিল শীর্ষ আদালত

    Sisodia: জামিন খারিজ সিসোদিয়ার, সিবিআই-এর অভিযোগকে কার্যত মান্যতা দিল শীর্ষ আদালত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লির প্রাক্তন উপ মুখ্যমন্ত্রী মনীশ সিসোদিয়ার (Sisodia) জামিন ফের খারিজ হয়ে গেল সুপ্রিম কোর্টে। সোমবার শীর্ষ আদালত জানিয়েছে, আবগারি দফতরের মামলায় ৩৩৮ কোটি টাকার আর্থিক লেনদেনের বিষয়টি প্রায় প্রতিষ্ঠিত। এতেই কার্যত সিবিআই-এর অভিযোগকে মান্যতা দিল শীর্ষ আদালত, এমনটাই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। কারণ সিবিআই-এর দাবি ছিল, ২০২১ সালে দিল্লির সরকার কয়েকজন মদ ব্যবসায়ীকে অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে অনেক সুবিধা পাইয়ে দিয়েছিল। 

     ৭ মাস ধরে জেলে রয়েছেন আম আদমি পার্টির এই শীর্ষ নেতা

    প্রসঙ্গত, আবগারি দফতরের দুর্নীতি মামলায় বিগত ৭ মাস ধরে জেলে রয়েছেন আম আদমি পার্টির এই শীর্ষ নেতা। চলতি বছরের ২৬ ফেব্রুয়ারি দুর্নীতির অভিযোগে সিসোদিয়াকে (Sisodia) গ্রেফতার করে কেন্দ্রীয় সংস্থা। এরপর থেকে একাধিক বার কোর্টের সামনে জামিনের আর্জি জানিয়েছেন দিল্লির প্রাক্তন উপ মুখ্যমন্ত্রী কিন্তু প্রতিবারই তাঁর জামিন খারিজ হয়ে যায়। এরপরই সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন শ্রী সিসোদিয়া। সোমবারই এই আবেদন খারিজ করে দিয়েছে শীর্ষ আদালতের বিচারপতি সঞ্জীব খান্না এবং এসভিএন ভাট্টির বেঞ্চ।

    অভিযোগ আপ সরকারের আবগারি নীতি নিয়েই 

    সোমবারই সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ দিয়েছে, আগামী ৬ থেকে ৮ মাসের মধ্যে সিবিআইকে আবগারি দফতরের তদন্ত প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করতে হবে। আদালতের আরও পর্যবেক্ষণ রয়েছে, তদন্তের গতি যদি মন্থর হয়ে যায় সেক্ষেত্রে পরবর্তীকালে জামিনের আবেদন করতে পারবেন সিসোদিয়া।
     প্রসঙ্গত, এই মামলাতে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালকেও জেরা করেছে কেন্দ্রীয় সংস্থা। আবার আপ পার্টির রাজ্যসভার সাংসদ সঞ্জয় সিংহও গ্রেফতার হয়েছেন। প্রসঙ্গত, দিল্লি সরকারের আবগারি নীতি নিয়েই দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছিল। অভিযোগ, যে আবগারি নীতি তৈরি করেছিল অরবিন্দ কেজরিওয়ালের সরকার তাতেই বড়সড় বেনিয়াম হয়েছিল। সেই নীতির কারণে আর্থিক সুবিধা পাচ্ছিলেন সিসোদিয়া (Sisodia)। এরপরেই গ্রেফতার করা হয় তাঁকে। এদিনের শীর্ষ আদালতে পর্যবেক্ষণে ফের চাপে পড়ল আপ সরকার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Train Accident: অন্ধ্রপ্রদেশে মর্মান্তিক ট্রেন দুর্ঘটনায় মৃত ১৪, আহত অন্তত ৫০

    Train Accident: অন্ধ্রপ্রদেশে মর্মান্তিক ট্রেন দুর্ঘটনায় মৃত ১৪, আহত অন্তত ৫০

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলতি বছরের জুন মাসে ওড়িশার বালাসোরের ট্রেন দুর্ঘটনার স্মৃতি এখনও মুছে যায়নি। এরই মধ্যে রবিবার অন্ধ্রপ্রদেশের বিজয়নগরম জেলায় ফের ঘটল ট্রেন দুর্ঘটনা (Train Accident)। প্যাসেঞ্জার ট্রেনের সঙ্গে এক্সপ্রেস ট্রেনের সংঘর্ষে লাইনচ্যুত অন্তত তিনটি কোচ। শেষ খবর মেলা পর্যন্ত দুর্ঘটনায় মারা গিয়েছেন ১৪ জন এবং আহতের সংখ্যা ৫০-এর বেশি। রেল সূত্রে খবর, কর্মীদের ভুলের জন্যই ঘটেছে এই দুর্ঘটনা। প্রাথমিক ভাবে রেল কর্তৃপক্ষের ধারণা, ‘ওভারশ্যুটিং’-এর কারণে দুর্ঘটনা ঘটে থাকতে পারে। মৃতদের পরিবারের উদ্দেশে সমবেদনা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। নিহতদের পরিবারপিছু ২ লক্ষ টাকা ও আহতদের ৫০ হাজার টাকা করে আর্থিক সাহায্য দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছেন প্রধানমন্ত্রী৷ পিএমও জানিয়েছে, প্রধানমন্ত্রী দুর্ঘটনার বিষয়ে রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণবের সঙ্গে কথা বলে বিস্তারিত জেনেছেন৷

    ক্ষতিপূরণ ঘোষণা রেলের

    রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব ট্যুইট করে বলেন, রেলের পক্ষ থেকে দুর্ঘটনায় (Train Accident) মৃতদের পরিবারকে ১০ লাখ টাকা, গুরুতর জখমদের ২ লাখ টাকা এবং সামান্য যাঁরা আহত হয়েছেন তাঁদের ৫০ হাজার টাকা করে ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে। এই ঘটনায় হেল্পলাইনও প্রকাশ করেছে রেল।

    ইস্ট কোস্ট রেলওয়ের তরফে হেল্পলাইন প্রকাশ করা হয়েছে। ভুবনেশ্বরের হেল্পলাইন নম্বর ০৬৭৪-২৩০১৬২৫, ২৩০১৫২৫, বিশাখাপত্তনমের হেল্পলাইন নম্বর ০৮৯১-২৮৮৫৯১৪।

    কীভাবে ঘটল দুর্ঘটনা

    জানা গিয়েছে, প্যাসেঞ্জার ট্রেনটি বিশাখাপত্তনম থেকে অন্ধ্রপ্রদেশের রায়গড়ার উদ্দেশে যাচ্ছিল। মাঝপথে ট্রেনের ওভারহেড তার ছিঁড়ে যাওয়ায় সেটি দাঁড়িয়ে পড়ে। তখনই ধাক্কা দেয় (Train Accident) পালাসা এক্সপ্রেস। এক্সপ্রেস ট্রেনটি বিশাখাপত্তনম থেকে পালাসার দিকে যাচ্ছিল। এই সংঘর্ষের ফলে প্যাসেঞ্জার ট্রেনের তিনটি কামরা লাইনচ্যুত হয়ে পড়ে। দ্রুত উদ্ধার কাজ শুরু হয় স্থানীয়দের সহযোগিতায়। প্রসঙ্গত, গত জুন মাসেই করমণ্ডল এক্সপ্রেসের সঙ্গে মালগাড়ির সংঘর্ষে বালাসোরে ট্রেন দুর্ঘটনায় মারা যান ২৮০ জন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Mukesh Ambani: ২০ কোটির পর এবার ২০০ কোটি চেয়ে খুনের হুমকি মুকেশ আম্বানিকে

    Mukesh Ambani: ২০ কোটির পর এবার ২০০ কোটি চেয়ে খুনের হুমকি মুকেশ আম্বানিকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০ কোটির পর এবার ফের ২০০ কোটির দাবি করে খুনের হুমকি এল ই-মেলে। আগের মেলের উত্তর না মেলায়, এবার ১০ গুণ টাকা বৃদ্ধি করে মুকেশ আম্বানিকে (Mukesh Ambani) হত্যার হুমকি দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। শেষ ২৪ ঘণ্টায় এই নিয়ে দু’বার হুমকির বার্তা পেলেন দেশের সর্বোচ্চ ধনী এবং শিল্পপতি মুকেশ আম্বানি। ফলে এই ঘটনায় ফের উত্তেজনার সৃষ্টি হল সারা দেশ জুড়ে।

    কী জানাল মুম্বই পুলিশ (Mukesh Ambani)?

    সূত্রের খবর, মুম্বই পুলিশ জানিয়েছে, গত শুক্রবার একটি অজ্ঞাত ই-মেল থেকে মুকেশ আম্বানির সংস্থাকে খুনের হুমকির বার্তা দেওয়া হয়। সেই ই-মেলে ২০ কোটি টাকা দেওয়ার কথা বলা হয়। আর যদি টাকা না দেওয়া হয়, তাহলে রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজের চেয়ারম্যানকে হত্যা করা হবে বলে জানানো হয়। সেই সময় ই-মেলে বলা হয়েছিল, “আমাদের অভিজ্ঞ শ্যুটার রয়েছে, গুলি করে ঝাঁঝরা করে দেওয়া হবে মুকেশ আম্বানিকে।”

    থানায় অভিযোগ

    খুনের হুমকি পাওয়ার পর মুকশের বাড়ি অ্যান্টিলিয়ার নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা আধিকারিক দেবেন্দ্র মুন্সিরাম গামদেবী থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। এরপর থেকেই যে ই-মেল থেকে হুমকি এসেছে, সেই মেলের ঠিকানা, আইপি অ্যাড্রেস চিহ্নিত করা হয়েছে। যে ব্যক্তি এই হুমকি দিয়েছে, তার নাম সাদাব খান বলে পুলিশ প্রকাশ করেছে। কিন্তু প্রথম মেলের উত্তর না পাওয়ায়, দ্বিতীয়বার ফের মেল করে হুমকি দেওয়া হয় আম্বানিকে (Mukesh Ambani)।

    দ্বিতীয়বার মেলে কী বলা হয়েছে?

    পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, দ্বিতীয় মেলে বলা হয়, “আপনি মেলের জবাব দেননি। এবার ২০ কোটি থেকে ২০০ কোটি করা হল। যদি টাকা না পাই, তাহলে মৃত্যু (Mukesh Ambani) অবধারিত।” উল্লেখ্য প্রথম মেলের উৎস জানতে পারলেও, দ্বিতীয় মেলের সম্পর্কে এখনও কিছু জানা যায়নি। পুলিশ ইতিমধ্যে এই অজ্ঞাত ব্যক্তির বিরুদ্ধে, ভারতীয় দণ্ডবিধি ৩৮৭ এবং ৫০৬ (২) ধারায় মামলা দায়ের করেছে। উল্লেখ্য, এই প্রথম নয় মুকেশকে হত্যার হুমকি। এর আগে, একাধিকবার খুনের হুমকি পেয়েছেন তিনি। গত বছর হুমকির অপরাধে বিহার থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে এক অভিযুক্তকে। ২০২১ সালে তাঁর বাসভবনের বাইরে থেকে বিস্ফোরক ভর্তি গাড়ি উদ্ধার করে পুলিশ। সবটা মিলিয়ে বিষয়টা উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।  

        

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Kashi Vishwanath Temple: পুরীর পর এবার কাশী বিশ্বনাথ মন্দিরেও চালু হচ্ছে পোশাক বিধি?

    Kashi Vishwanath Temple: পুরীর পর এবার কাশী বিশ্বনাথ মন্দিরেও চালু হচ্ছে পোশাক বিধি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমী পোশাকের ঢেউ আছড়ে পড়েছে সনাতনী ভারতে। শরীরের অনেকখানি অংশ দেখা যাচ্ছে এমন পোশাক পরে দর্শনার্থীরা ভিড় করছেন ভাবগ্রাহী জনার্দনের দ্বারে। ভাবগম্ভীরতাই যেখানে মূল সুর হওয়া প্রয়োজন, এক শ্রেণির দর্শনার্থীর জন্য সেখানেই বইছে আগুনে-কামের হাওয়া। এতে মন্দিরের পরিবেশ নষ্ট হচ্ছিল বলে অভিযোগ উঠেছিল দর্শনার্থীদেরই একাংশের মধ্যে থেকে।

    পোশাক বিধি

    সেই কারণেই পোশাক বিধি চালু করেছেন পুরীর জগন্নাথ মন্দির কর্তৃপক্ষ। এবার সেই পথে হাঁটতে চলেছেন কাশী বিশ্বনাথ মন্দির (Kashi Vishwanath Temple) কর্তৃপক্ষও। কাশী বিশ্বনাথ মন্দিরে এখনও অবধি পোশাক বিধি চালু নেই। মন্দিরের পিআরও পীযূষ তিওয়ারি বলেন, “বর্তমানে কাশী বিশ্বনাথ মন্দিরে ভক্তদের প্রবেশের ক্ষেত্রে কোনও পোশাকবিধি চালু নেই।” তবে অচিরেই লাগু হতে পারে পোশাক বিধি। কাশী বিশ্বনাথ মন্দির ট্রাস্টের চেয়ারম্যান নগেন্দ্র পাণ্ডে বলেন, “শীঘ্রই একটি বৈঠকে বসতে চলেছেন কমিটির সদস্যরা। সেখানেই ভক্তদের জন্য পোশাক বিধি নির্দিষ্ট করা হবে কিনা, তা বিবেচনা করা হবে।”

    মন্দির কর্তৃপক্ষের বক্তব্য

    তিনি বলেন, “দর্শনার্থীরা কী ধরনের পোশাক পরে আসছেন সেটি ভাল করে পর্যবেক্ষণ করে দেখেছেন কাশী বিশ্বনাথ মন্দির কর্তৃপক্ষ। স্থানীয় কিছু ভক্ত, এলাকার বাসিন্দা এবং সংবাদ মাধ্যমের একাংশও চাইছে কাশী বিশ্বনাথ মন্দিরে পোশাক বিধি। নভেম্বরে এই মর্মে মন্দির কমিটির বৈঠকে আলোচনা হবে।” কাশী বিশ্বনাথ মন্দির (Kashi Vishwanath Temple) ট্রাস্টের চেয়ারম্যান বলেন, “সম্প্রতি একাধিক ভক্তের তরফেও দর্শনার্থীদের একাংশের পোশাক নিয়ে আপত্তি এসেছে। সকলেই চাইছেন, অন্য জনপ্রিয় মন্দিরগুলির মতো এই মন্দিরেও চালু হোক পোশাক বিধি। সব কিছু বিচার-বিবেচনা করেই আমরা সিদ্ধান্ত নেব।”

    আরও পড়ুুন: ইডির তলবে সিজিও কমপ্লেক্সে জ্যোতিপ্রিয়-কন্যা, সাংবাদিকদের প্রশ্নে হারালেন মেজাজ

    তিনি বলেন, “কারও বিশ্বাস কিংবা ভাবাবেগে আঘাত না করে বাস্তবোচিত পোশাক পরে মন্দিরে পুজো দিতে আসাটাই শ্রেয়।” নগেন্দ্র বলেন, “তিরুপতি, মীনাক্ষী এবং উজ্জ্বয়িনীর মতো মন্দিরে ইতিমধ্যেই পোশাক বিধি চালু করা হয়েছে। তাদের সিদ্ধান্তগুলিও পর্যালোচনা করা হবে। ট্রাস্টের সদস্যরা শেষ পর্যন্ত কী সিদ্ধান্ত নেন, দেখা যাক। তবে আমরা সব সময়ই চাইব, ভক্তরা যেন শালীন পোশাক পরে মন্দিরে (Kashi Vishwanath Temple) পুজো দিতে আসেন।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ। 

     

     
     
  • Kerala Blast: টিফিন বক্সে রাখা ছিল বিস্ফোরক! নমুনা সংগ্রহে নামল এনআইএ, মুখ্যমন্ত্রীকে ফোন অমিত শাহের  

    Kerala Blast: টিফিন বক্সে রাখা ছিল বিস্ফোরক! নমুনা সংগ্রহে নামল এনআইএ, মুখ্যমন্ত্রীকে ফোন অমিত শাহের  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেরলের এর্নাকুলাম জেলার কালামাসেরির এলাকায় বিস্ফোরণ কাণ্ডে (Kerala Blast) তদন্তভার নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছল এনআইএ বা জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা। একই ভাবে বিস্ফোরণের কারণ সন্ধানের জন্য পৌঁছল এনএসজি। শুরু হয়েছে নমুনা সংগ্রহের কাজ। বিস্ফোরণের ঘটনায় ইতিমধ্যে উদ্বিগ্ন দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। দুর্ঘটনার খবর পেয়েই কেরলের মুখ্যমন্ত্রী পিনরাই বিজয়নকে ফোন করে খবর নিলেন তিনি। অপর দিকে, কেরলে ধারবাহিক বিস্ফোরণের পর দিল্লি এবং মুম্বইকে নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে ফেলা হল। দিল্লি পুলিশ এবং মুম্বই পুলিশ জারি করেছে বিশেষ সতর্কতা। জনবহুল এবং বাণিজ্য কেন্দ্রগুলির নিরাপত্তাকে আরও কড়া করা হল।

    তদন্তে পৌঁছল এনআইএ (Kerala Blast)

    পুলিশ সূত্রের প্রথমিক ভাবে জানা গেছে, টিফিন বক্সে রাখা ছিল বিস্ফোরক। তবে বিস্ফোরণে (Kerala Blast) তুলনামূলক কম শক্তিশালী বিস্ফোরক ব্যবহার করা হয়েছে। বিস্ফোরণের পর ঘটনাস্থলে আগুন লেগে যায়। এই বিস্ফোরণের তদন্তভার জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ-কে দেওয়া হয়েছে। কোচি শাখার তদন্তকারী দল ইতিমধ্যেই ঘটনাস্থলে পৌঁছে গেছে। সেই সঙ্গে দিল্লি থেকে পাঁচ সদস্যের আরও একটি দল কেরলের উদ্দেশে রওনা দিয়েছে। অপর দিকে কেরলের স্বাস্থ্যমন্ত্রী বীণা জর্জ রাজ্যের স্বাস্থ্যকর্মীদের জরুরি পরিষেবা দিতে সবরকম ভাবে প্রস্তুত থাকার কথা বলেছেন।

    কেরলের মুখ্যমন্ত্রী বক্তব্য

    বিস্ফোরণের (Kerala Blast) পর রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী পিনরাই বিজয়ন অত্যন্ত উদ্বিগ্ন হয়ে বলেন, “এই বিস্ফোরণ অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক ঘটনা। যাবতীয় তথ্যপ্রমাণ সংগ্রহের কাজ চলছে। প্রশাসনের সমস্ত অধিকর্তারা এর্নাকুলামে পৌঁছেছেন। ঘটনাস্থলে ডিজিপিও রয়েছেন। ডিজিপির সঙ্গে কথা হয়েছে। বিষয়টিকে অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে।”

    নমুনা সংগ্রহের ফলে, বিস্ফোরণে আইআইডি ব্যবহার করা হয়েছে বলে জানা গেছে। উল্লেখ্য, এই কোচি সংলগ্ন এলাকায় একটা সময় পিএফআই (পপুলার ফ্রন্ট অফ ইন্ডিয়া)-এর শক্ত ঘাঁটি ছিল। ফলে এই ঘটনার পিছনে এই নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠনের কোনও হাত আছে কি না, তাও তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।  

       

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Narendra Modi: রোজগার মেলায় ৫১ হাজার প্রার্থীর হাতে নিয়োগপত্র তুলে দিলেন মোদি

    Narendra Modi: রোজগার মেলায় ৫১ হাজার প্রার্থীর হাতে নিয়োগপত্র তুলে দিলেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শনিবার এক ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে জাতীয় রোজগার মেলায় বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। দেশের ৩৭টি স্থান থেকে সম্প্রচারিত করা হয় প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য। কেন্দ্রীয় সরকারের বিভিন্ন দফতরে ৫১ হাজারেরও বেশি চাকরিপ্রার্থীর হাতে নিয়োগপত্র বিতরণ করা হয় এই রোজগার মেলা থেকে। জানা গিয়েছে, প্রত্যেক প্রার্থীই ভারত সরকারের অধীনে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দফতরে যোগদান করবেন। নিজের ভাষণে রোজগার মেলাকে ‘প্রাক দীপাবলির উপহার’ বলেও অভিহিত করেন প্রধানমন্ত্রী (Narendra Modi)। তাঁর আরও সংযোজন, ‘‘উন্নত ভারত গড়তে, যুব সমাজের প্রতিভার বিকাশে, উপযুক্ত সুযোগ দিতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’’

    ৫১ হাজার নিয়োগপত্র বিলি

    জানা গিয়েছে, মোট বিতরণ করা ৫১ হাজার নিয়োগপত্রের মধ্যে ভারতীয় রেলের নিয়োগ রয়েছে ১৪ হাজারের বেশি। উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলওয়ে রোজগার মেলার আয়োজন করে গুয়াহাটি, শিলিগুড়ি এবং ডিমাপুরে। গুয়াহাটিতে রোজগার মেলায় হাজির ছিলেন কেন্দ্রীয় বন্দর ও নৌ-পরিবহণ মন্ত্রী শ্রী সর্বানন্দ সোনোয়াল। ডিমাপুরে হাজির ছিলেন শ্রম ও নিয়োগ মন্ত্রকের কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী শ্রী রামেশ্বর তেলি এবং শিলিগুড়িতে রোজগার মেলার অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্র, যুব কল্যাণ মন্ত্রকের প্রতিমন্ত্রী শ্রী নিশীথ প্রামাণিক।

    দেশে বৃদ্ধি পেয়েছে মহিলা শ্রমশক্তি

    রোজগার মেলায় ভুবনেশ্বরে হাজির ছিলেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। তিনি বলেন, ‘‘২০২২-২৩ আর্থিক বছরে মহিলা শ্রমশক্তি বেড়ে হল ৩৭ শতাংশ। যেটা ২০১৭-১৮ সালে ছিল ২৩ শতাংশ।’’ এ নিয়ে ধর্মেন্দ্র প্রধানের আরও বক্তব্য, ‘‘আমাদের সমাজ যে এগিয়ে চলেছে তা এই মহিলা সশক্তিকরণের মাধ্যমেই বোঝা যাচ্ছে।’’ প্রসঙ্গত, মোদি (Narendra Modi) সরকারের অন্যতম নীতি হল মহিলা সশক্তিকরণ। এর জন্য বিভিন্ন স্কিমও চালু রয়েছে সরকারের। ভুবনেশ্বরের রোজগার মেলায় ধর্মেন্দ্র প্রধান আরও বলেন, ‘‘২০১৭-১৮ সালে যেখানে বেকারত্ব ছিল ৬ শতাংশ, ২০২২-২৩ সালে তা কমে দাঁড়িয়েছে ৩.৭ শতাংশ। এটা বড় সাফল্য।’’ ভুবনেশ্বরের রোজগার মেলা থেকে থেকে এদিন ১৭২ জন চাকরিপ্রার্থীর হাতে নিয়োগপত্র তুলে দেন মন্ত্রী।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Kerala Blast: কেরলে কনভেনশন সেন্টারে প্রার্থনা চলাকালীন পরপর বিস্ফোরণ, মৃত ১, জখম বহু

    Kerala Blast: কেরলে কনভেনশন সেন্টারে প্রার্থনা চলাকালীন পরপর বিস্ফোরণ, মৃত ১, জখম বহু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেরলের এর্নাকুলামে এক ধর্মীয় সভায় বিস্ফোরণের (Kerala Blast) ঘটনা ঘটেছে। ওই ঘটনায় মৃত ১ মহিলা এবং আহত অন্তত ২০ জন। মাত্র ৫ থেকে ১০ সেকেন্ডের মধ্যে পরপর তিনবার বিস্ফোরণে কেঁপে উঠেছে কনভেনশেন সেন্টার। আহতদের দ্রুত স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়া হয়েছে। ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে এলাকায়। বিস্ফোরণের সঠিক কারণ এখনও পর্যন্ত জানা যায়নি। তবে বড় কোনও নাশকতার ছক বলে প্রাথমিকভাবে অনুমান করা হচ্ছে। সেই সঙ্গে ইজরায়েল-হামাস যুদ্ধের কোনও রকম যোগসূত্র থাকতে পারার কথাও অনুমান করা হচ্ছে। ইতিমধ্যে বিস্ফোরণের তদন্ত শুরু করেছে কেরল পুলিশ।

    হামস নেতার বৈঠকের পরেই বিস্ফোরণ (Kerala Blast)?

    স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কেরলে ফিলিস্তিনিপন্থীদের মিছিল এবং জনসভা নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক তৈরি হয়েছে। গতকাল শনিবারই ইসলামিক কট্টরপন্থী এক জঙ্গি সংগঠনের পক্ষ থেকে হামাসের পক্ষাবলম্বন করে, একটি জনসভার আয়োজন করা হয়। উল্লেখ্য, এই সভায় ভার্চুয়াল বক্তব্য রাখেন হামাস নেতা খালেদ মাসাল। এই জঙ্গি নেতা হামাসের একজন প্রধান প্রতিষ্ঠাতা। তার ভাষণের পর, আজ রবিবার বোমা বিস্ফোরণ (Kerala Blast) ঘটল। ফলে নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা মনে করেছেন, এই হামাস নেতার ভাষণের সঙ্গে বিস্ফোরণের সম্পর্ক রয়েছে। পুরো ঘটনার তদন্তে নেমেছে পুলিশ।

    প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য

    বিস্ফোরণের ঘটনাস্থলে থাকা প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, “রবিবার সকালে প্রার্থনা চলছিল। কিন্তু আচমকাই বোমার বিস্ফোরণে কেঁপে উঠল কনভেনশন সেন্টার। সঙ্গে সঙ্গে উপস্থিত সকলের মধ্যে হুড়োহুড়ি পড়ে যায়। সেই সঙ্গে সেন্টারের একভাগে আগুন লেগে যায়। খবর পেয়ে দ্রুত ছুটে আসে দমকল বাহিনী। অগ্নিদগ্ধ বেশ কিছু মানুষকে উদ্ধার করা হয়।” সূত্রে আরও জানা গেছে, প্রায় ২ হাজার মানুষের জমায়েত হয়েছিল কালমাসেরিরি জামরা আন্তর্জাতিক কনভেনশন ও প্রদর্শনী সেন্টারে। গত তিনদিন ধরে “জিহোবাজ উইটনেস” নামক অনুষ্ঠান চলছিল এই স্থানে। এটি ছিল খ্রিষ্টানদের একটি বড় ধর্মীয় পবিত্র অনুষ্ঠান। এখানেই কার্যত বিস্ফোরণ ঘটেছে।

           

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Mohua Moitra: ‘‘সংসদের লগ-ইন আইডি হীরানন্দানিকে দিয়েছিলাম’’, কার্যত অভিযোগ স্বীকার মহুয়ার

    Mohua Moitra: ‘‘সংসদের লগ-ইন আইডি হীরানন্দানিকে দিয়েছিলাম’’, কার্যত অভিযোগ স্বীকার মহুয়ার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টাকার বিনিময়ে সংসদে প্রশ্ন করার অভিযোগ উঠেছে তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্রের (Mohua Moitra) বিরুদ্ধে। অভিযোগ, কৃষ্ণনগরের তৃণমূল সাংসদদের যাবতীয় প্রশ্নই নাকি সাজিয়ে দিতেন দুবাইয়ের ব্যবসায়ী দর্শন হীরানন্দানি। এবার এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ কার্যত মেনেও নিলেন মহুয়া মৈত্র। ওই সাক্ষাৎকারে সংসদের লগ-ইন আইডি এবং পাসওয়ার্ড কেন তিনি দর্শন হীরানন্দানিকে দিয়েছিলেন তার ব্যাখ্যাও দিয়েছেন তিনি। প্রসঙ্গত, সংসদের এথিক্স কমিটি বর্তমানে মহুয়া (Mohua Moitra) ইস্যুতে তদন্ত করছে। এথিক্স কমিটির সামনে তাঁর হাজির হওয়ার কথা আগামী ৩১ অক্টোবর।

    কী বললেন তৃণমূল সাংসদ? 

    মহুয়া মৈত্র (Mohua Moitra) জানিয়েছেন, দুবাইকেন্দ্রিক ব্যবসায়ী দর্শন হীরানন্দানি তাঁর ঘনিষ্ঠ বন্ধু। লোকসভায় কোন কোন প্রশ্ন তিনি উত্থাপন করবেন তা হীরানন্দানির অফিসের কোনও এক কর্মী টাইপ করে পাঠাতেন। এজন্যই তিনি লগ-ইন আইডি দিয়েছিলেন বলে দাবি সাংসদের। মহুয়ার ভাষায়, “সংসদের ওয়েবসাইটে আমি যে প্রশ্নগুলি দিয়েছিলাম, দর্শন হিরানন্দানির অফিসের কেউ প্রশ্নগুলি টাইপ করে দিয়েছিল। প্রশ্নগুলি টাইপ করার পর আমায় ওরা ফোন করত, আমি প্রশ্নগুলির উপরে এক নজর বুলিয় নিতাম কারণ নিজের কেন্দ্র নিয়ে আমি সবসময় ব্যস্ত থাকি। প্রশ্নগুলি ইমেইলে পাঠানোর পর আমার মোবাইলে ওটিপি আসত। আমি ওই ওটিপি দিলে তবেই প্রশ্নগুলি জমা করা যেত। তাই, দর্শনের আমার আইডিতে ঢুকে নিজের মনগড়া প্রশ্ন লিখে দেওয়ার দাবি অত্যন্ত হাস্যকর।”

    আদানি ইস্যুতে প্রশ্ন সাজাতেন হীরানন্দানি

    বিজেপির দাবি এখনও দর্শন হিরানন্দানির সঙ্গে যোগাযোগ রয়েছে মহুয়া মৈত্রর। দুবাইয়ের ব্যবসায়ীকে প্রভাবিত করে তথ্য প্রমাণ নষ্টও করা হতে পারে বলে আশঙ্কা করছে গেরুয়া শিবির। প্রসঙ্গত, অর্থ এবং উপহারের বিনিময়ে সাংসদের প্রশ্ন করার বিষয়টি নিজের দেওয়া হলফনামায় স্বীকারও করে নেন দুবাইকেন্দ্রিক ব্যবসায়ী দর্শন হিরানন্দানি। জানা গিয়েছে, আদানি ইস্যু নিয়ে সংসদে যে ৬৩টি প্রশ্ন করেছিলেন মহুয়া মৈত্র (Mohua Moitra), তার মধ্যে ৫০টি প্রশ্নই দর্শন হীরানন্দানির সাজিয়ে দেওয়া ছিল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ। 

  • Narendra Modi: ‘‘সিক্স-জি পরিষেবায় গোটা বিশ্বকে পথ দেখাবে ভারত’’, জানালেন প্রধানমন্ত্রী

    Narendra Modi: ‘‘সিক্স-জি পরিষেবায় গোটা বিশ্বকে পথ দেখাবে ভারত’’, জানালেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘‘ফাইভ-জি পরিষেবা সারা বিশ্বে টেলি যোগাযোগ ব্যবস্থায় বিপ্লব এনেছে। এবার সিক্স-জি পরিষেবায় গোটা বিশ্বকে পথ দেখাবে ভারত’’, শনিবার দিল্লিতে আয়োজিত ভারতীয় মোবাইল কংগ্রেসের সপ্তম অধিবেশনে এমনই মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। নিজের ভাষণে প্রধানমন্ত্রী (Narendra Modi) আরও বলেন, ‘‘ফাইভ-জি চালু হওয়ার পর মাত্র এক বছরের মধ্যে এটা দেশের জনসংখ্যার ৮০ শতাংশ মানুষের কাছে পৌঁছে গিয়েছে।’’ এর পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রীর আরও সংযোজন, ‘‘গোটা বিশ্ব এখন ভারতের তৈরি ফোন ব্যবহার করছে। সারা দেশে ফাইভ-জি পরিষেবার ৪ লাখ স্টেশন তৈরি করা হয়েছে। দেশের ৯৭ শতাংশ শহরেই চালু হয়েছে এই পরিষেবা।’’ এদিনের অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন রিলায়েন্স জিও-র চেয়ারম্যান আকাশ আম্বানি। তিনিও তাঁর বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ভূয়সী প্রশংসা করেন।

    দিল্লির প্রগতি ময়দানে এশিয়া মহাদেশের সবচেয়ে বড় প্রযুক্তি ইভেন্ট

    প্রসঙ্গত, দিল্লির প্রগতি ময়দানে শুরু হয়েছে এশিয়া মহাদেশের সবচেয়ে বড় প্রযুক্তি ইভেন্ট, ইন্ডিয়ান মোবাইল কংগ্রেস ২০২৩। এখানে তিনদিন ধরে আলোচনা চলবে, ফাইভ-জি এবং সিক্স-জি-র নানা বিষয়ে। এর পাশাপাশি অনেক কিছু নতুন ঘোষণা এখান থেকে হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। বিভিন্ন টেলিকম সংস্থা তাদের ফিচার এবং সর্বশেষ আপডেট সম্পর্কে অনেক কিছু তথ্য প্রকাশ্যে আনবে বলেই শোনা যাচ্ছে। জানা গিয়েছে, তিন দিনের এই অনুষ্ঠানে ভারতের অন্যতম প্রধান টেলিকম সংস্থা জিও, এয়ারটেল তাদের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনাও ঘোষণা করবে। শনিবার এই অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় তথ্য-সম্প্রচার মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। ভারতের টেলিকম শিল্পের অন্যান্য কর্তাব্যক্তিরাও হাজির ছিলেন।

    প্রধানমন্ত্রীর কটাক্ষ পূর্বতন ইউপিএ সরকারকে

    প্রধানমন্ত্রী (Narendra Modi) তাঁর ভাষণে আরও বলেন, “একবিংশ শতাব্দীর দ্রুত পরিবর্তিত বিশ্বে এই ইভেন্টে কোটি কোটি মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন করার সম্ভাবনা রয়েছে৷ একটা সময় ছিল যখন আমরা ভবিষ্যতের কথা বলতাম, যার অর্থ ছিল পরবর্তী দশক বা পরের শতাব্দী। কিন্তু আজ প্রযুক্তির পরিবর্তনের কারণে আমরা বলি যে ভবিষ্যত এখানে এবং এখন।” টু-জি কেলেঙ্কারির কথা উল্লেখ করে তিনি ইউপিএ সরকারকেও কটাক্ষ করেন। তিনি বলেন, “আমরা শুধু দেশে ফাইভ-জি প্রসারিত করছি না বরং সিক্স-জি প্রযুক্তিতে নেতৃত্ব দেওয়ার দিকেও এগিয়ে যাচ্ছি”। প্রধানমন্ত্রী মোদি আরও বলেন, “সম্প্রতি, গুগল ভারতে তার পিক্সেল ফোন তৈরির ঘোষণা করেছে। ভারতে স্যামসাংয়ের ফোল্ড ৫ মোবাইল ফোন এবং অ্যাপলের আইফোন ১৫ তৈরি করা হচ্ছে। আমরা গর্বিত যে বিশ্ব এখন মেড ইন ইন্ডিয়া মোবাইল ফোন ব্যবহার করছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ। 

  • Narendra Modi: ২০২৪-এর মার্চের মধ্যে সমস্ত গ্রামে বসাতে হবে মোবাইল টাওয়ার, নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

    Narendra Modi: ২০২৪-এর মার্চের মধ্যে সমস্ত গ্রামে বসাতে হবে মোবাইল টাওয়ার, নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০১৪ সালে ক্ষমতার আসার পরপরই নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi) শুরু করেন ডিজিটাল ইন্ডিয়া কর্মসূচি। ডিজিটাল ইন্ডিয়া কর্মসূচিতে অনলাইনে লেনদেন এতটাই জনপ্রিয় হয় যে জি২০ সম্মেলনে ভারতে এসে জার্মানির মন্ত্রীও মোদির (Narendra Modi) ভূয়সী প্রশংসা করেন। এবার দেশের প্রত্যন্ত গ্রামগুলিতে ২০২৪ সালের মার্চ মাসের মধ্যে বসতে চলেছে মোবাইল টাওয়ার। মোদি সরকারের এই কর্মসূচি বাস্তবায়িত হলে ইন্টারনেট পরিষেবা ঠিকঠাক মতো মিলবে বলে মনে করছে বিশেষজ্ঞ মহল। এর পাশাপাশি কেন্দ্রীয় প্রকল্পগুলির ভরপুর সুবিধা দেশের কোনায় কোনায় পৌঁছানো আরও সহজ হবে। প্রসঙ্গত, দেশের কোনায় কোনায় মোবাইল পরিষেবা পৌঁছে দেওয়ার জন্য একটি বিশেষ পোর্টালও চালু করেছে মোদি সরকার। ‘গতিশক্তি সঞ্চার’ নামে ওই পোর্টালের মাধ্যমে কেন্দ্রীয় ভাবে মোবাইল টাওয়ার বসানোর অনুমোদন দেওয়া হয়।

    উদ্যোগী খোদ প্রধানমন্ত্রী

    খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এই উদ্যোগ নিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। প্রসঙ্গত বৃহস্পতিবারই পিএম-প্রগতি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সেখানেই গ্রামাঞ্চলে মোবাইল টাওয়ার বসতে দেরি কেন হচ্ছে তা নিয়ে প্রশ্ন করেন প্রধানমন্ত্রী। আধিকারিকরা তখন জমি সমস্যার কথা তুলে ধরেন। জানা গিয়েছে,  এ প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী (Narendra Modi) বাঁধ প্রকল্পেরও তুলনা টানেন এবং বলেন, ‘‘বাঁধ নির্মাণের ক্ষেত্রে অনেকেই জমি দিতে চান না। বাধা সৃষ্টি করেন। তবে মোবাইল টাওয়ার বসানোর ক্ষেত্রে এমন বাধা থাকে না।’’ তাহলে এত দেরি হচ্ছে কেন? এ নিয়ে আধিকারিকদের জবাবও তলব করেন প্রধানমন্ত্রী।

    প্রসঙ্গ বাঁধ ও সেচব্যবস্থা

    এর পাশাপাশি ওই বৈঠকে বাঁধ ও সেচব্যবস্থা নিয়ে আলোচনার সময় মহারাষ্ট্র এবং ঝাড়খন্ডে সেই সংক্রান্ত প্রকল্পগুলির বিষয়ে জানতে চান প্রধানমন্ত্রী। জলসম্পদ মন্ত্রকে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘‘রাজ্যের সঙ্গে সমন্বয়ে রেখেই প্রকল্পগুলিকে শেষ করতে হবে।’’ বাঁধ নির্মাণের সঙ্গে খাল কাটার উপর জোর দেন নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। সেচ প্রকল্পের ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রী এদিন পরামর্শ দেন যে সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলোতে পুনর্বাসন দিতে হবে এবং প্রকল্পের জন্য যাদের জমি যাচ্ছে তাঁদের সেই এলাকাও দেখাতে হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share