Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Manipur Violence: গ্রামের নাম বদলালেই কড়া শাস্তি, বিল পাশ মণিপুর বিধানসভায়

    Manipur Violence: গ্রামের নাম বদলালেই কড়া শাস্তি, বিল পাশ মণিপুর বিধানসভায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জাতিগত সমীকরণের কথা মাথায় রেখে দ্রুত বদলে নেওয়া হচ্ছে গ্রামের নাম। হিংসা বিধ্বস্ত মণিপুরবাসীর (Manipur Violence) এহেন প্রবণতায় রাশ টানল মণিপুর সরকার। সাফ জানিয়ে দিল, জাতিগত সমীকরণের কথা ভেবে কোনও জায়গার নাম বদলানোর চেষ্টা হলে কারাদণ্ড হতে পারে তিন বছর পর্যন্ত। দু লাখ টাকা জরিমানাও হতে পারে।

    বিধানসভায় পাশ নয়া বিল 

    এই মর্মে বিধানসভায় বিল পাশ করিয়ে নিয়েছে মণিপুরের মুখ্যমন্ত্রী বীরেন সিংহের সরকার। রাজ্যপাল স্বাক্ষর করলেই বিলটি পরিণত হবে আইনে। বিলটির নাম ‘মণিপুর নেম অফ প্লেসেস বিল ২০২৪’। বিলটিতে (Manipur Violence) বলা হয়েছে, জাতিগত সমীকরণের প্রেক্ষিতে কোনও জায়গার সরকারি নাম বদলের চেষ্টা হলে সংশ্লিষ্ট আধিকারিক ও জনপ্রতিনিধি-সহ দোষীদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা দায়ের করা হবে।

    অশান্ত মণিপুর

    গোষ্ঠী সংঘর্ষের জেরে গত বছর আচমকাই অশান্ত হয়ে ওঠে মণিপুর। মণিপুরে একাধিক উপজাতির বাস। এর মধ্যে মূল দ্বন্দ্ব মেইতেইদের সঙ্গে কুকিদের। এ রাজ্যের জনসংখ্যার সিংহভাগই মেইতেই সম্প্রদায়ের। আর জো-কুকিরা রয়েছেন ৪০ শতাংশ। মেইতেইরা মূলত বাস করেন ইম্ফল উপত্যকায়। পাহাড়ি অঞ্চলে বাস করেন জো-কুকি সহ অন্য জনগোষ্ঠীর মানুষ। গত বছর ৩ মে জনজাতি ছাত্র সংগঠন অল ট্রাইবাল স্টুডেন্টস ইউনিয়ন অফ মণিপুরের মিছিলকে ঘিরে অশান্তির সূত্রপাত। তফশিলি জাতির মর্যাদার দাবিতে সোচ্চার হয়েছিলেন মেইতেইরা।

    আরও পড়ুুন: ‘পুলিশ-প্রশাসন আমাদের কথা শোনে না’, দলীয় সভায় সুব্রত বক্সির কাছে নালিশ জেলা তৃণমূল নেতার

    তার পরে রাজ্য সরকারকে মেইতেইদের তফশিলি জনজাতির মর্যাদা দেওয়ার বিষয়টি নিয়ে বিবেচনা করার নির্দেশ দিয়েছিল মণিপুর হাইকোর্ট। হাইকোর্টের নির্দেশের বিরোধিতায় পথে নামে ‘অল ট্রাইবাল স্টুডেন্টস ইউনিয়ন অফ মণিপুর’। এই মিছিলকে কেন্দ্র করেই সংঘর্ষ বাঁধে। যার জেরে খুন হন বহু মানুষ। জখমও হন বহু মানুষ। ভিটে ছেড়ে অন্যত্র চলে যান লোকজন। পুলিশের পাশাপাশি কেন্দ্রীয় বাহিনীও নামানো হয়। তার পরেও মণিপুরে নেভেনি অশান্তির আগুন। জ্বলে-পুড়ে খাক হয়ে গিয়েছে একের পর এক বাড়ি। পরে কেন্দ্রের হস্তক্ষেপে শান্তি ফেরে চিত্রাঙ্গদার দেশে। তার পরেই জাতিগত সমীকরণের কথা মাথায় রেখে দ্রুত বদলে ফেলা হচ্ছে গ্রামের নাম। মণিপুরবাসীর এই প্রবণতা রুখতেই নয়া বিল পাশ করল মণিপুর সরকার (Manipur Violence)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • PM Modi: প্রধানমন্ত্রীকে ফের খুনের হুমকি! কী বলল দুর্বৃত্ত?

    PM Modi: প্রধানমন্ত্রীকে ফের খুনের হুমকি! কী বলল দুর্বৃত্ত?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে (PM Modi) খুনের হুমকি। মহম্মদ রসুল কাদের নামে এক যুবকের বিরুদ্ধে সুরপুর থানায় এফআইআর দায়ের করা হয়েছে বেঙ্গালুরু পুলিশের তরফে। ভাইরাল হওয়া ভিডিওয় ওই যুবককে বলতে শোনা গিয়েছে, যদি কংগ্রেস কেন্দ্রে ক্ষমতায় আসে, তাহলে সে খুন করবে প্রধানমন্ত্রীকে।

    এফআইআর দায়ের

    পুলিশ জানিয়েছে, ভারতীয় দণ্ডবিধি ও অস্ত্র আইনের ৫০৫(১)(বি) ধারায় দায়ের করা হয়েছে এফআইআর। হায়দ্রাবাদ-সহ বিভিন্ন জায়গায় অভিযুক্তের বিরুদ্ধে তল্লাশি অভিযান চালাচ্ছে পুলিশ। সোশ্যাল মিডিয়ায় রসুল একটি ভিডিও পোস্ট করেছে। তাতে দেখা যাচ্ছে, সে একটি ছুরি ধরে রয়েছে। আর প্রধানমন্ত্রীকে খুনের হুমকি দিচ্ছে। এই প্রথম নয়, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে (PM Modi) খুনের হুমকি দেওয়া হয়েছিল গত অক্টোবরেও। সেবার কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা এজেন্সিকে মেইল পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছিল খুনের হুমকি।

    আগেও দেওয়া হয়েছে খুনের হুমকি 

    মেইলটি যে পাঠিয়েছিল, তার দাবি, অবিলম্বে জেল থেকে মুক্তি দিতে হবে গ্যাংস্টার লরেন্স বিষ্ণোইকে। সঙ্গে দিতে হবে ৫০০ কোটি টাকা। না হলে বিপদ আসন্ন। হত্যা করা হবে দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে। বিস্ফোরণে উডিয়ে দেওয়া হবে তাঁর নামাঙ্কিত ক্রিকেট স্টেডিয়াম। হিন্দিতে লেখা ওই ইমেইলে লেখা হয়েছিল, “তোমাদের সরকারের কাছ থেকে আমাদের ৫০০ কোটি টাকা আর লরেন্স বিষ্ণোইকে চাই। না হলে আমরা নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামও উড়িয়ে দেব। হিন্দুস্তানে অনেক কিছু বিক্রি হয়। আমরাও কিনে ফেলেছি। যতই নিরাপত্তা আঁটসাঁট করো, আমাদের থেকে বাঁচতে পারবে না। কথা বলতে হলে এই মেইলেই রিপ্লাই করো।”

    আরও পড়ুুন: সন্দেশখালিকাণ্ডের তদন্তে বাধা দিচ্ছে পুলিশ, হাইকোর্টে অভিযোগ ইডির

    ওই বছরেরই মার্চ মাসে কর্নাটকের দাভানাগেরে প্রধানমন্ত্রীর সমাবেশ চলাকালীন নিরাপত্তা এজেন্সির কাছেও এসেছিল হুমকি ফোন। দিল্লি পুলিশ জানিয়েছিল, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে খুনের হুমকি দিয়ে দুটি ফোন এসেছিল তাদের কাছে। তার পরেই বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা। ওই ফোনকল দুটিতে প্রধানমন্ত্রীর পাশাপাশি খুনের হুমকি দেওয়া হয়েছিল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ও বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমারকে। সেবার পুলিশ জানিয়েছিল, যে খুনের হুমকি দিয়েছিল, তারা তার বাড়িতে পৌঁছে গিয়েছিল। সে মদ্যপ। হুমকি দেওয়ার আগের দিন থেকে মদ্যপান করেই চলেছিল। সেই মুহূর্তে সে বাড়িতে ছিল না। তাকে শীঘ্রই গ্রেফতার করা হবে (PM Modi)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • Mahua Moitra: হাইকোর্টে ধাক্কা, বিজেপি সাংসদ নিশিকান্তের বিরুদ্ধে মহুয়ার আর্জি খারিজ 

    Mahua Moitra: হাইকোর্টে ধাক্কা, বিজেপি সাংসদ নিশিকান্তের বিরুদ্ধে মহুয়ার আর্জি খারিজ 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অস্বস্তি বাড়ল তৃণমূল নেত্রী তথা প্রাক্তন সাংসদ মহুয়া মৈত্রের (Mahua Moitra)। মহুয়া মৈত্রের বিরুদ্ধে অর্থের বিনিময়ে সংসদে প্রশ্ন (Cash for Queries) করার অভিযোগ ওঠে ৷ তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ আনেন বিজেপি সাংসদ নিশিকান্ত দুবে। এরপরই নিশিকান্ত দুবে ও আইনজীবী জয় অনন্ত দেহদ্রাই-এর বিরুদ্ধে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন মহুয়া মৈত্র। সোমবার দিল্লি হাইকোর্টে ছিল সেই মামলার শুনানি। এদিন মহুয়ার আবেদন খারিজ করে দেয় দিল্লি হাইকোর্ট।

    আদালতের পর্যবেক্ষণ

    গত ডিসেম্বরে লোকসভার সাংসদ পদ থেকে বহিষ্কার করা হয় মহুয়াকে (Mahua Moitra)। ‘ঘুষের বিনিময়ে প্রশ্ন’কাণ্ডে (Cash for Queries) মহুয়াকে বহিষ্কার করার সুপারিশ করেছিল লোকসভার এথিক্স কমিটি। এই বহিষ্কারের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে তিনি সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন। সেখানে এখনও মামলাটি বিচারাধীন। বিজেপি সাংসদ নিশিকান্ত দুবেই প্রথম এই অভিযোগ সামনে এনেছিলেন। এরপর অভিযোগের তদন্ত করে এথিক্স কমিটি। তদন্তে উঠে আসে, মহুয়া মৈত্র নিজের লোকসভার লগ ইন আইডি অন্য কাউকে দিয়েছিলেন। এরপরেই সাংসদ পদ হারান মহুয়া ৷

    আরও পড়ুন: শাহজাহানের সঙ্গে সম্পর্ক! সন্দেশখালিকাণ্ডে উত্তম-শিবুকে জেরা করতে চায় ইডি

    বিজেপি সাংসদ নিশিকান্ত দুবে এবং আইনজীবী তথা প্রাক্তন বান্ধব জয় অনন্ত দেহাদ্রাইয়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন মহুয়া (Mahua Moitra)। তাঁর আবেদন ছিল, সোশ্যাল মিডিয়ায় দুবে ও দেহদ্রাই এমন কিছু পোস্ট করছেন, যা তৃণমূল ও তাঁর নিজের জন্য মানহানিকর। ওই দু’জন যেন এই বিষয়ে নতুন করে কোনও মন্তব্য না করেন বা দাবি না তোলেন। কিন্তু সোমবার মহুয়ার সেই আর্জি খারিজ করে দিয়েছে দিল্লি হাইকোর্ট। বিচারপতি সচিন দত্ত এই আবেদন খারিজ করার নির্দেশ দিয়েছেন । তিনি বলেন, “আমি নিষেধাজ্ঞার আবেদন খারিজ করে দিয়েছি ৷” সম্প্রতি ইডির বিরুদ্ধে দিল্লি হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন মহুয়া। তাঁর সেই আবেদনও খারিজ করে দেয় দিল্লি হাইকোর্ট।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • ISRO: মহাকাশে নিজেদের স্পেস স্টেশন তৈরি করবে ভারত, চলছে প্রস্তুতি, চূড়ান্ত নামও

    ISRO: মহাকাশে নিজেদের স্পেস স্টেশন তৈরি করবে ভারত, চলছে প্রস্তুতি, চূড়ান্ত নামও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কয়েক বছরের মধ্যেই মহাকাশ গবেষণায় ফের বড় সাফল্য পেতে চলেছে ভারত। রাশিয়া, আমেরিকা এবং চিনের পরে মহাকাশে নিজেদের স্পেস স্টেশন তৈরি করবে ইসরো (ISRO)। সারা বিশ্বের নিরিখে চতুর্থ দেশ হিসেবে এই শিরোপা আসবে কয়েক বছরের মধ্যেই। এনিয়ে ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরোর প্রধান এস সোমনাথ জানিয়েছেন, ২০৩৫ সালের মধ্যেই স্পেস স্টেশনটিকে মহাকাশে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হবে। এর প্রস্তুতি পর্ব ইতিমধ্যে শুরু হয়ে গিয়েছে বলেও জানান এস সোমনাথ।

    ‘ভারতীয় অন্তরীক্ষ স্টেশন’-এর খুঁটিনাটি

    ইসরো (ISRO) সূত্রে খবর, ওই স্পেস স্টেশনের নাম রাখা হবে ‘ভারতীয় অন্তরীক্ষ স্টেশন’। স্টেশনের ভিতরে দুই থেকে চার জন মহাকাশচারীর থাকার বন্দোবস্তও করা হবে। এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিরুবনন্তপুরমের বিক্রম সারাভাই স্পেস সেন্টারের ডিরেক্টর উন্নিকৃষ্ণণ নায়ার জানিয়েছেন, ভারতের রকেট ‘বাহুবলী’ এবং লঞ্চ ভেহিকল মার্ক ৩ (এলভিএম ৩)-এর মাধ্যমে স্পেস স্টেশনের অংশগুলি মহাকাশে পাঠানো হবে। পৃথিবী থেকে ৪০০ কিলোমিটার উচ্চতায় স্থাপিত হবে ভারতের স্পেস স্টেশন। মহাকাশের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে গবেষণা চালানো হবে এই স্পেস স্টেশনটি থেকে।

    ২০ হাজার কিলোগ্রাম থেকে ৪ লাখ কিলোগ্রাম ওজন হতে পারে স্টেশনটির

    জানা গিয়েছে, এই স্পেস স্টেশনের (ISRO) ওজন ২০ হাজার কিলোগ্রাম থেকে চার লক্ষ কিলোগ্রাম পর্যন্ত হতে পারে। চারটি মডিউল এবং অন্তত ৮টি সোলার প্যানেল থাকতে পারে স্পেস স্টেশনটিতে। স্পেস স্টেশনটি অক্সিজেন প্রস্তুতির পাশাপাশি কার্বন-ডাই-অক্সাইড নির্গমনও করতে পারবে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি মহাকাশ গবেষণার ক্ষেত্রে ইসরোকে ২০৪৭ সাল পর্যন্ত বেশকিছু লক্ষ্যমাত্রা বেঁধে দিয়েছেন। যারমধ্যে উল্লেখযোগ্য হল- স্পেস স্টেশন তৈরি এবং ২০৪০ সালের মধ্যে চাঁদে মানুষ পাঠানো। সেই লক্ষ্যেই এগিয়ে যাচ্ছে ইসরো।

    আরও পড়ুুন: লালুর কটাক্ষকে মুখের মতো জবাব বিজেপির, স্বয়ং মোদি কী বললেন জানেন?

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Amitabh Bachchan: “দারুন বলেছেন”, মুইজ্জুর উদ্দেশে করা জয়শঙ্করের মন্তব্যের প্রশংসায় বিগ বি

    Amitabh Bachchan: “দারুন বলেছেন”, মুইজ্জুর উদ্দেশে করা জয়শঙ্করের মন্তব্যের প্রশংসায় বিগ বি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রতিবেশী দেশগুলির সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক নিয়ে বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের (S Jaishankar) সম্প্রতি করা এক মন্তব্যের প্রশংসা করলেন বিগ-বি অমিতাভ বচ্চন (Amitabh Bachchan)। সম্প্রতি দিল্লিতে একটি বই প্রকাশের অনুষ্ঠানে যোগ দেন বিদেশমন্ত্রী৷ সেখানে তাঁকে প্রশ্ন করা হয় যে ভারতীয় উপমহাদেশ এবং ভারত মহাসাগর অঞ্চলে বুলি হিসাবে ভারত কাজ করছে কি না । সেই প্রশ্নের উত্তরে আঞ্চলিক উত্তেজনার মধ্যেও ভারতের সহানুভূতিশীল দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরেন জয়শঙ্কর।

    অমিতাভের প্রশংসা

    জয়শঙ্করের (S Jaishankar) কথার সঙ্গে সম্মতি প্রকাশ করে অমিতাভ বচ্চন (Amitabh Bachchan) সোশাল মিডিয়ায় লেখেন, “ওয়াহ!! ভালো বলেছেন স্যার ৷” বিগ বি-র এই পোস্টের পরই সোশাল মিডিয়ায় ঝড় উঠেছে ৷ একাধিক প্রতিক্রিয়া এসেছে ৷ কেউ কেউ আবার বিগ বি রাজনীতিতে যোগদান করছেন বলে অনুমান করেছে । আবার অনেকে জয়শঙ্করকে দেশের সেরা কূটনীতিক এবং বিদেশমন্ত্রীদের মধ্যে একজন হিসাবে প্রশংসায় ভরিয়ে দিয়েছেন । তবে এই প্রথম নয়, আগেও প্রধানমন্ত্রী থেকে অন্যান্য রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের ভিডিয়ো শেয়ার করতে দেখা গিয়েছে অমিতাভকে ৷

    প্রতিবেশীদের পাশে ভারত

    ভারত যেহেতু বেশি শক্তিধর দেশ, তাই তারা কি মলদ্বীপকে “বুলি” বা হেনস্থা করছে? এমনটাই প্রশ্নের মুখে পড়তে হয়েছিল বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করকে (S Jaishankar)। স্পষ্ট ভাষায় বিদেশমন্ত্রী জানিয়ে দেন,  “ক্ষমতাশালী, হেনস্থাকারী দেশ বিপদের সময় প্রতিবেশীদের ৪.৫ বিলিয়ন ডলারের সাহায্যে করে না। নিজের দেশে কোভিডের প্রকোপ থাকা সত্ত্বেও অন্য দেশে ভ্যাকসিন সরবরাহ করে না কিংবা নিজেদের নিয়মে পরিবর্তন এনে খাদ্য, জ্বালানি বা সারের চাহিদা পূরণ করে কারণ বিশ্বের অন্য কোনও প্রান্তে যুদ্ধের জেরে সাধারণ মানুষের জীবন জটিল হয়ে গিয়েছে।” প্রতিবেশী দেশগুলির কঠিন সময়ে ভারত কীভাবে তাদের পাশে থেকেছে এবং সাহায্য করেছে, তা তুলে ধরেন বিদেশমন্ত্রী। প্রতিবেশী দেশগুলির সঙ্গে যোগাযোগ ব্যবস্থাও উন্নত করে তোলার উদাহরণ দেন তিনি।  বলেন, “ব্যবসা-বাণিজ্যের যে হার রয়েছে, যা বিনিয়োগ রয়েছে, তাতে খুব খুব ভাল গল্প বলা যায়। শুধুমাত্র নেপাল বা বাংলাদেশ নয়, শ্রীলঙ্কার সঙ্গে, এমনকী আমি বলব মলদ্বীপের সঙ্গেও সুসম্পর্ক রয়েছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Modi Ka Parivar: লালুর কটাক্ষের জবাবে সোশ্যাল মিডিয়ায় ‘মোদি কা পরিবার’ স্লোগান শাহ-নাড্ডাদের

    Modi Ka Parivar: লালুর কটাক্ষের জবাবে সোশ্যাল মিডিয়ায় ‘মোদি কা পরিবার’ স্লোগান শাহ-নাড্ডাদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে লালু প্রসাদ যাদবের কটাক্ষের জবাব দিল বিজেপি। সোমবার তারা অনলাইনে প্রচার শুরু করল ‘মোদি কা পরিবার’ (Modi Ka Parivar)। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডাও নিশানা করেছেন বিহারের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুর, প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং এক্স হ্যান্ডেলে মুখের মতো জবাব দিয়েছেন লালুকে।

    কী বলেছিলেন লালু?

    প্রসঙ্গত, রবিবার পাটনার এক জনসভায় প্রধানমন্ত্রীকে নিশানা করে লালু বলেন, “তিনি (প্রধানমন্ত্রী) তো প্রকৃত হিন্দুও নন। হিন্দু ঐতিহ্য অনুসারে একজন ছেলে তাঁর বাবা-মায়ের মৃত্যুর পরে মাথা মুড়িয়ে ফেলেন, দাড়ি কেটে ফেলেন। কিন্তু যখন মা মারা গেলেন, তখন মোদি এটা করেননি (Modi Ka Parivar)।” লালু বলেন, “ওঁর যদি পরিবার না থাকে, আমরা কী করতে পারি? উনি রাম মন্দির নিয়ে বড়াই করেই চলেছেন।”

    প্রধানমন্ত্রীর জবাব

    লালুকে জবাব দিতে তেলঙ্গানার আদিলাবাদের জনসভাকেই বেছে নেন প্রধানমন্ত্রী। বলেন, “আমি ওঁদের পরিবারতান্ত্রিক রাজনীতি নিয়ে প্রশ্ন করেছি। তার উত্তরে ওঁরা বলছেন, মোদির পরিবার নেই। আমার জীবন তো একটা খোলা বই। আমি আমার দেশের জন্য বাঁচব। আমার ভারত আমার পরিবার।”

    আরও পড়ুুন: তৃণমূল ছাড়লেন তাপস রায়, ইস্তফা বিধায়ক পদেও, ওগরালেন একরাশ ক্ষোভ

    বিজেপি নেতা তথা সাংসদ সুধাংশু ত্রিবেদী বলেন, “ইন্ডি ব্লকে তো কোনও হিন্দুই নেই। তাঁদের কাছে হিন্দু মানে হল দলিত, সাবর্ন, উত্তর ভারতীয়রা, দক্ষিণ ভারতীয়রা, কন্নড়, তামিল, তেলুগু, মারাঠি, পাঞ্জাবি, বাঙালি এমনকী হিন্দিভাষীরা। কিন্তু হিন্দু নয়। কারণ তারা ভারতকে টুকরো টুকরো ভাবে দেখতে চায়। একটি পরিবার দেশ ভাগ করেছিল রাজনীতি করতে। আর আজ, তারা যাদের সঙ্গে রয়েছে, তারাও দেশকে ভাগ করতে চায়। তারা এটা চায় কারণ দেশের একটি অংশও যদি তারা শাসন করতে পারে!”

    বিহারের উপমুখ্যমন্ত্রী বিজয় কুমার সিনহা বলেন, “লালুর মন্তব্য থেকেই বোঝা যায় রাজনীতি তাঁদের কাছে কোনও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নয়। তাঁরা দেশের সনাতন ধর্মকেই অপমান করছেন। লালু, যিনি নিজেই দুর্নীতিতে অভিযুক্ত, তিনি যে ভাষায় কথা বলছেন আমাদের প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে, তাতে স্পষ্ট তাঁরা সনাতন ধর্মের বিরুদ্ধে। তাঁরা দেশের শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে চলে আসা ঐতিহ্যের বিরোধী (Modi Ka Parivar)।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Vote For Note: ‘সাংসদ-বিধায়কদের রক্ষাকবচ নয়’, ভোটের বদলে নোট মামলায় ‘সুপ্রিম’ রায়

    Vote For Note: ‘সাংসদ-বিধায়কদের রক্ষাকবচ নয়’, ভোটের বদলে নোট মামলায় ‘সুপ্রিম’ রায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটের বদলে নোট (Vote For Note) মামলায় ঐতিহাসিক রায় সু্প্রিম কোর্টের। এবার থেকে এই মামলায় কোনও সাংসদ বা বিধায়ক ঘুষ নিয়েছেন এমনতর অভিযোগ উঠলে কোনওরকম রক্ষাকবচ ছাড়াই যথাযথ আইনি পদক্ষেপ করা যাবে। সোমবার সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ের নেতৃত্বে সাত বিচারপতির বেঞ্চ দিয়েছে এই রায়।

    ‘রক্ষাকবচ নয়’

    সাংসদ বা বিধায়কদের কাছ থেকে অর্থ নিয়ে ভাষণ দেওয়া বা ভোট দেওয়ার অভিযোগের বিরুদ্ধে সাংসদ-বিধায়কদের রক্ষাকবচ দিয়েছিল পাঁচ বিচারপতির সাংবিধানিক বেঞ্চ। ১৯৯৮ সালের সাংবিধানিক বেঞ্চের সেই নির্দেশ এদিন খারিজ করে দিল প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন সাত সদস্যের বেঞ্চ। শীর্ষ আদালতের যুক্তি, ’৯৮ সালের ওই রায় ভারতীয় সংবিধানের ১০৫ ও ১৯৪ অনুচ্ছেদের পরিপন্থী। তাই (Vote For Note) খারিজ করে দেওয়া হল ওই রায়। প্রধান বিচারপতি বলেন, “আইনপ্রণেতাদের দুর্নীতি ও ঘুষ ভারতের সংসদীয় গণতন্ত্রকে ভেঙে দিচ্ছে।” তিনি বলেন (Vote For Note), “পিভি নরসিংহ রাও মামলার রায়ে এক অদ্ভুত পরিস্থিতি তৈরি হয়, যেখানে কোনও আইনপ্রণেতা যিনি ঘুষ নিয়ে ভোট দিয়েছেন, তাঁর বিরুদ্ধে মামলা রুজু করা যায় না, পাশাপাশি যিনি ঘুষ না নিয়ে ভোট দিয়েছেন, তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা যায়।”

    কী বললেন প্রধান বিচারপতি?

    প্রসঙ্গত, প্রধান বিচারপতি চন্দ্রচূড় ছাড়াও ওই বেঞ্চে ছিলেন পিএস নরসিংহ, এস বোপান্না, এমএম সুন্দ্রেশ, জেবি পার্দিওয়ালা, সঞ্জয় কুমার ও মনোজ মিশ্র। বেঞ্চ আরও জানিয়েছে, ঘুষ নিয়ে রাজ্যসভা নির্বাচনে ভোট দিলেও, কোনও বিধায়কের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা যাবে। চন্দ্রচূড় বলেন, “ঘুষ তখনই সম্পূর্ণ হয়, যখন তা গ্রহণ করা হয়। ঘুষকে মান্যতা দেয় না সংবিধানের স্বাধীকার। আমরা সব দিক পর্যালোচনা করেই পুরানো সিদ্ধান্তকে বাতিল করছি।”

    আরও পড়ুুন: মমতার সভার আগেই শুভেন্দু গড়ে ধরাশায়ী তৃণমূল, সমবায় বোর্ড দখল বিজেপির

    ২০১২ সালে ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চার সাংসদ সীতা সোরেনের বিরুদ্ধে ঘুষ নিয়ে রাজ্যসভায় ভোট দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। সংবিধানের ১০৫ অনুচ্ছেদে সুরক্ষাকবচ দাবি করেন তিনি। সেই আবেদন খারিজ করে দেয় ঝাড়খণ্ড হাইকোর্ট। হাইকোর্টের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে মামলা হয় সুপ্রিম কোর্টে। গত বছর এই মামলার শুনানির পর সংরক্ষিত রাখা হয়েছিল রায় (Vote For Note)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Elections 2024: বিজেপির ফান্ডে ২ হাজার টাকা দিলেন প্রধানমন্ত্রী, কেন জানেন?

    Lok Sabha Elections 2024: বিজেপির ফান্ডে ২ হাজার টাকা দিলেন প্রধানমন্ত্রী, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দোরগোড়ায় লোকসভা নির্বাচন (Lok Sabha Elections 2024)। প্রচার-সহ নানা কাজে টাকা খরচ হয় জলের মতো। রাজনৈতিক দলগুলি এই খরচ জোগাড় করে দু’ভাবে। এক, নির্বাচনী বন্ড থেকে। আর দুই, পার্টি ফান্ডে সদস্যদের দেওয়া চাঁদা থেকে।

    প্রধানমন্ত্রীর দান

    রবিবার বিজেপির ফান্ডে দু’ হাজার টাকা দান করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। দেশের প্রত্যেককে অনুরোধ করলেন বিজেপির ফান্ডে অনুদান দিতেও। এক্স হ্যান্ডেলে প্রধানমন্ত্রী দেশবাসীর কাছে আবেদন জানান, এনএএমও অ্যাপের মাধ্যমে ডোনেশন ফর নেশন বিল্ডিং প্রচারের অংশীদার হোন। তিনি লিখেছেন, “ভারতীয় জনতা পার্টিকে শক্তিশালী করতে অনুদান দিতে পেরে আমি খুশি। আমরা বিকশিত ভারত গড়ার চেষ্টায় অবিচল। আমি প্রত্যেককে অনুরোধ করছি এনএএমও অ্যাপের মাধ্যমে ডোনেশন ফর নেশন বিল্ডিং প্রচারের অংশীদার হোন।”

    অনুদান সংগ্রহ অভিযান

    বিজেপির এই অনুদান সংগ্রহ অভিযান শুরু হয়েছে ১ মার্চ। এদিন বিজেপির জাতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা পার্টি ফান্ডে দিয়েছেন হাজার টাকা চাঁদা। এক্স হ্যান্ডেলে নাড্ডা লিখেছেন, “প্রধানমন্ত্রী মোদির ভারতকে বিকশিত ভারত করার যে স্বপ্ন, তা পূরণ করতে আমি বিজেপিকে কিছু অর্থ সাহায্য করেছি। আসুন, আমরা প্রত্যেকে এগিয়ে আসি। এনএএমও অ্যাপের মাধ্যমে যোগ দিই ডোনেশন ফর নেশান বিল্ডিং গণআন্দোলনে।”

    নির্বাচন (Lok Sabha Elections 2024) কমিশনের দেওয়া তথ্য থেকে জানা গিয়েছে, ২০২২-২৩ অর্থবর্ষে বিজেপি সংগ্রহ করেছিল ৭১৯ কোটি টাকা। গত বারের চেয়ে ১৭ শতাংশ বেশি। ২০২১-২২ অর্থবর্ষে অনুদান বাবদ পার্টি ফান্ডে জমা পড়েছিল ৬১৪ কোটি টাকা।

    আরও পড়ুুন: মঙ্গলবার ইস্তফা দিচ্ছেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়, আসছেন রাজনীতিতে?

    করুণ ছবি কংগ্রেস শিবিরে। ২০২২-২৩ অর্থবর্ষে ডোনেশন বাবদ তাদের আয় হয়েছিল ৭৯ কোটি টাকা। তার আগের অর্থবর্ষে গ্র্যান্ড ওল্ড পার্টি ফান্ডে জমা পড়েছিল ৯৫.৪ কোটি টাকা। নির্বাচনী বন্ডের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে সুপ্রিম কোর্ট। তার পরেই অনুদান সংগ্রহ প্রচার শুরু করেছে বিজেপি। প্রসঙ্গত, বিজেপির মোট আয়ের অর্ধেকেরও বেশি রোজগার হত নির্বাচনী বন্ড থেকে (Lok Sabha Elections 2024)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Manipur Violence: মণিপুরে অস্ত্র লুটে সাতজনের বিরুদ্ধে চার্জশিট সিবিআইয়ের

    Manipur Violence: মণিপুরে অস্ত্র লুটে সাতজনের বিরুদ্ধে চার্জশিট সিবিআইয়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মণিপুরে আগ্নেয়াস্ত্র লুটের (Manipur Violence) ঘটনায় সাতজনের বিরুদ্ধে চার্জশিট জমা দিল সিবিআই। রবিবার মণিপুর প্রশাসনের তরফে এ কথা জানানো হয়েছে। গত বছর বিষ্ণুপুরে পুলিশের অস্ত্রাগার থেকে লুট হয়েছিল ওই আগ্নেয়াস্ত্রগুলি। অসমের গুয়াহাটিতে কামরূপ (মেট্রো) জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে সম্প্রতি ওই চার্জশিট জমা দেওয়া হয় সিবিআইয়ের তরফে।

    কাদের নাম রয়েছে চার্জশিটে?

    চার্জশিটে যাদের নাম রয়েছে তারা হল, লইসরাম প্রেম সিং, খুমুকচাম ধীরেন ওরফে থাপকপা, মৈরাঙথেম আনন্দ সিং, এথোকপাম কাজিত ওরফে কিশোরজিৎ, লৌক্রাকপাম মাইকেল মাংগাংছা ওরফে মাইকেল, কনথৌজাম রোমোজিৎ মেইতেই ওরফে রোমোজিৎ এবং কেইশাম জনসন ওরফে জনসন। গোষ্ঠী হিংসার জেরে (Manipur Violence) গত বছর হঠাৎই অশান্ত হয়ে ওঠে উত্তর-পূর্বের পাহাড়ি রাজ্য মণিপুর। হিংসার আগুনে পুড়ে খাক হয়ে যায় বহু ঘরবাড়ি। খুন হন বহু মানুষ। সন্দেহের চোখে কোনও গৃহস্থ দেখতে থাকেন বহু চেনা তাঁর প্রতিবেশীটিকেও।

    পুরানো সেই দিনের কথা

    অশান্তির আশঙ্কায় ভিটে ছেড়ে অন্যত্র গিয়ে আশ্রয় নেন অনেকে। হামলা হয় পুলিশের ওপরও। গত অগাস্টের তিন তারিখে তিনশোরও বেশি অস্ত্র লুট করে জনতা। ১৯ হাজার ৮০০ রাউন্ড গুলি এবং অন্যান্য যুদ্ধ-সরঞ্জাম লুট হয়। বিষ্ণুপুরে ইন্ডিয়ান রিজার্ভ ব্যাটেলিয়েনের সদর দফতরের দুটি ঘরে রাখা ওই অস্ত্রশস্ত্রগুলি লুঠ হয়ে যায়। বিভিন্ন ক্যালিবারের প্রায় ৯ হাজার বুলেটও খোয়া যায়। লুঠ হয়ে যায় (Manipur Violence) একে সিরিজের অ্যাসল্ট রাইফেল, তিনটি ঘটক রাইফেল, ১৯৫টি সেল্ফলোডিং রাইফেল, পাঁচটি এমপি-ফাইভ বন্দুক, ১৬.৯ এমএম পিস্তল, ২৫টি বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট, ২১টি কার্বাইন এবং ১২৪টি হ্যান্ড গ্রেনেডও।

    আরও পড়ুুন: “৪০০ আসনে জিতবে বিজেপি”, প্রার্থী হয়েই বললেন রবি কিষান

    জানা গিয়েছে, উপজাতির লোকজন গোষ্ঠী সংঘর্ষে মৃতদের গণকবর দেওয়ার আয়োজন করেছিল চূড়াচাঁদপুরে। মে মাসের তিন তারিখে গোষ্ঠী সংঘর্ষের বলি হয়েছিলেন এঁরা। সেদিনের ওই সংঘর্ষে খুন হয়েছিলেন ২১৯জন। জখম হয়েছিলেন কয়েকশো মানুষ। তফশিলি জাতির মর্যাদার দাবিতে সোচ্চার হয়েছিলেন মেইতেইরা। তাতে আপত্তি জানায় জনজাতি সম্প্রদায়ের লোকজন। সংঘর্ষের সূত্রপাত সেখান থেকেই। যার জেরে অশান্ত হয়ে ওঠে চিত্রাঙ্গদার দেশ। প্রসঙ্গত, মণিপুরের জনসংখ্যার ৫৩ শতাংশ মেইতেই সম্প্রদায়ের। এঁরা মূলত বাস করেন ইম্ফল উপত্যকায়। আর পাহাড়ি এলাকায় বাস করেন নাগা এবং কুকিরা। মোট জনসংখ্যার ৪০ শতাংশ এঁরাই (Manipur Violence)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

     

  • Lok Sabha Elections 2024: “৪০০ আসনে জিতবে বিজেপি”, প্রার্থী হয়েই বললেন রবি কিষান

    Lok Sabha Elections 2024: “৪০০ আসনে জিতবে বিজেপি”, প্রার্থী হয়েই বললেন রবি কিষান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তাঁর ওপর আস্থা রাখায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে ধন্যবাদ জানালেন ভোজপুরি চিত্রতারকা রবি কিষান (Lok Sabha Elections 2024)। আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে গোরক্ষপুর কেন্দ্রে ফের তাঁকেই পদ্ম-প্রার্থী করা হয়েছে। ২০১৯ সালেও এই আসনে জয়ী হয়েছিলেন তিনি। এবার জিতলে তিনি হবেন গোরক্ষপুর লোকসভা কেন্দ্রের দ্বিতীয়বারের প্রার্থী।

    প্রথম দফার প্রার্থী তালিকা

    শনিবার প্রথম দফার প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করেছে বিজেপি। তাতে নাম রয়েছে ১৯৫ জনের। এই তালিকায় রয়েছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নামও। বারাণসী কেন্দ্র থেকে এবারও প্রার্থী করা হয়েছে তাঁকে। ২০১৪ সালে এই আসন থেকে জিতেই প্রধানমন্ত্রী হয়েছিলেন মোদি। সেবার (Lok Sabha Elections 2024) তিনি হারিয়েছিলেন আপ সুপ্রিমো অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে। পরের লোকসভা নির্বাচনে মোদি ধরাশায়ী করেছিলেন সমাজবাদী পার্টির শালীনি যাদবকে।

    কী বললেন চিত্রতারকা?

    গোরক্ষপুরে তাঁকে ফের প্রার্থী করায় বিজেপির তারকা প্রার্থী রবি কিষান বলেন, “আমি আন্তরিকভাবে আমাদের দলের শীর্ষ নেতৃত্বকে ধন্যবাদ জানাতে চাই। কাশীর পর সব চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আসনে আমায় দ্বিতীয়বার প্রার্থী হওয়ার সুযোগ দিয়েছেন তাঁরা। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং গোটা বিজেপিকে আমি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানাই। তাঁদের বিশ্বাসের মর্যাদা আমি রাখব।” তিনি বলেন, “বিজেপি এবার ৪০০ আসনে জয়ী হবে। গোরক্ষপুর আসন ইতিহাস রচনা করবে।” গোরক্ষপুর আসনটি বিজেপির গড়। এই লোকসভা কেন্দ্রের মধ্যেই পড়ে গোরক্ষপুর বিধানসভা কেন্দ্র। ২০১৭ সাল থেকে এই কেন্দ্রে জিতে আসছেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ স্বয়ং।

    আরও পড়ুুন: ‘‘তৃতীয়বারের জন্য কাশীর ভাই ও বোনেদের সেবা করতে আমি উদগ্রীব’’, বললেন মোদি

    উনিশের লোকসভা নির্বাচনেই প্রথমবারের জন্য প্রার্থী হন রবি কিষান। সেবার তিনি তিন লাখ ভোটে পরাস্ত করেছিলেন সমাজবাদী পার্টির প্রার্থী রামভাউল নিষাদকে। প্রার্থী বাছাই করতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে শুক্রবার বৈঠকে বসেছিলেন বিজেপির কেন্দ্রীয় নির্বাচনী কমিটি। প্রথম দফার প্রার্থী তালিকা ঠিক হয় সেখানেই। এই তালিকায় নাম রয়েছে ৩৪ জন কেন্দ্রীয় মন্ত্রীরও। দুই প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীও রয়েছেন প্রথম (Lok Sabha Elections 2024) দফার এই তালিকায়। তালিকায় রয়েছেন অমিত শাহ, রাজনাথ সিংহের মতো বিজেপির হেভিওয়েট নেতারাও।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     
     

     

LinkedIn
Share