Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • BSP: পরিবারতন্ত্রের রাজনীতির তালিকায় বিএসপিও, ভাইপোর হাতেই দলের রাশ পিসি মায়াবতীর

    BSP: পরিবারতন্ত্রের রাজনীতির তালিকায় বিএসপিও, ভাইপোর হাতেই দলের রাশ পিসি মায়াবতীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজনীতিতে ফের এক পারিবারিক উত্তরাধিকারের আখ্যান! এবার ঘটনাস্থল উত্তরপ্রদেশ। বহুজন সমাজবাদী পার্টির (BSP) নেত্রী তথা উত্তর প্রদেশের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মায়াবতী নাম ঘোষণা করে দিলেন দলের পরবর্তী উত্তরাধিকারীর। দলের রশি তিনি তুলে দিলেন নিজের ভাইপো আকাশ আনন্দকে।

    মায়াবতীর উত্তরাধিকারী ভাইপো আকাশ 

    আজ, রবিবার লখনউতে বিএসপির বৈঠক বসেছিল। সেখানেই আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেন আকাশের নাম। এখন অবশ্য উত্তর প্রদেশ ও উত্তরাখণ্ডের দায়িত্ব সামলাবেন মায়াবতী। বাকি অংশের ভার ন্যস্ত করা হয়েছে আকাশের ওপর। বিএসপি নেতা উদয়বীর সিংহ বলেন, “বিএসপি প্রধান মায়াবতী তাঁর উত্তরাধিকারী হিসেবে আকাশ আনন্দের নাম ঘোষণা করেছেন।” আকাশ মায়াবতীর ছোট ভাই আনন্দ কুমারের ছেলে। তিনি মায়াবতীর অত্যন্ত কাছের। সেই সুবাদেই দলের রশি তুলে দেওয়া হল বছর আঠাশের আকাশের হাতে।

    আকাশের গুরুত্ব বাড়ছিল একটু একটু করে

    আকাশই যে মায়াবতীর উত্তরসূরি হতে চলেছেন, তার ইঙ্গিত মিলেছিল আগেই। দলে আকাশের গুরুত্ব বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে সংগঠনের ভারও মায়াবতী একটু একটু করে তুলে দিচ্ছিলেন আকাশের হাতে। উনিশের লোকসভা নির্বাচনে প্রথম ফোকাসড হন আকাশ। বিএসপির (BSP) তারকা প্রচারকের দু’ নম্বরে নাম ছিল আকাশের। সদ্য সমাপ্ত চার রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনেও আকাশ ছিলেন সামনের সারিতে। রাজস্থানে বিএসপি পেয়েছে দুটি আসন। মরুরাজ্যে আকাশের ‘স্বাভিমান সঙ্কল্প যাত্রা’য় ব্যাপক সাড়া মিলেছিল। দলের সিংহভাগই এসবের কৃতিত্ব দিচ্ছেন আকাশকে।

    রাজনৈতিক মহলের মতে, কংগ্রেসের মতো মায়াবতীর বিএসপিতেও পরিবারতন্ত্রের ছাপ। এই দলেও মায়াবতীর পরিবারের বাইরের কারও হাতে দলের ব্যাটন থাকুক, তা চাইতেন না মায়াবতী। সেই কারণেই আকাশ হলেন মায়াবতীর উত্তরসূরি।

    আরও পড়ুুন: দলীয় সাংসদের বাড়িতে নোটের পাহাড়! ধীরজকে ঝেড়ে ফেলতে চাইছে কংগ্রেস!

    এ রাজ্যে তৃণমূলেও পরিবারতন্ত্রের ছায়া স্পষ্ট বলে অভিমত ওয়াকিবহাল মহলের। তাদের মতে, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ই যে দলে মমতার উত্তরসূরি তা বোঝাতে অভিষেক দু’ বছর বয়স থেকে রাজনীতি করছেন বলে ভরা জনসভায় বলতে হয় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। তৃণমূলকে ‘পিসি-ভাইপো’র দল বলে প্রায়ই তোপ দাগেন বিজেপি নেতারা। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অমিত শাহের মুখেও শোনা গিয়েছে পিসি-ভাইপো খোঁচা। এবার এই বুয়া-ভাতিজা রাজনীতির তালিকায় চলে এল মায়াবতীর বিএসপিও (BSP)। বছর ঘুরলেই লোকসভা নির্বাচন। এই নির্বাচনে বিএসপি একলা চলবে বলেই জানিয়ে দিয়েছিলেন মায়াবতী। এমতাবস্থায় রাজনীতিতে তুলনামূলকভাবে নবীন আকাশ দলকে কতটা টেনে তুলতে পারেন, সেটাই দেখার।  

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Madhya Pradesh Election 2023: বিজেপিকে সমর্থন করায় নির্যাতন, “পদ্মেই ছাপ দেব”, মার খেয়েও বলছেন শামিনা   

    Madhya Pradesh Election 2023: বিজেপিকে সমর্থন করায় নির্যাতন, “পদ্মেই ছাপ দেব”, মার খেয়েও বলছেন শামিনা  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘অপরাধ’ বলতে তিনি বিজেপিকে সমর্থন করেন। সদ্য সমাপ্ত বিধানসভা নির্বাচনে (Madhya Pradesh Election 2023) তিনি ভোটটাও দিয়েছিলেন পদ্ম-প্রার্থীকে। বিজেপি জেতায় আনন্দও করেছিলেন। তার জেরে আত্মীয়দের হাতে তাঁকে প্রহৃত হয়েছে বলে অভিযোগ মধ্যপ্রদেশের সেহোরের বছর তিরিশের মহিলা শামিনার। বিহিত চেয়ে স্থানীয় থানার দ্বারস্থ হয়েছিলেন তিনি। চেয়েছিলেন নিরাপত্তাও। ওই মুসলিম মহিলাকে নিরাপত্তার আশ্বাস দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী স্বয়ং।

    শামিনাকে মার জমাইবাবুর

    ডিসেম্বরের ৪ তারিখে ফল ঘোষণা হয় মধ্যপ্রদেশ বিধানসভা নির্বাচনের। বিজেপি জয়ী হতেই আহমেদপুরের সেহোরের ওই মহিলা শামিল হন আনন্দোৎসবে। এর পরেই তাঁর জামাইবাবু জাভেদ খান তাঁকে গালাগালি দিতে শুরু করেন বলে অভিযোগ। কেন তাঁকে গালাগালি দেওয়া হচ্ছে জানতে চাইলে জাভেদ তাঁকে মারধরও করেন বলে অভিযোগ। যার জেরে শামিনার শরীরে একাধিক জায়গায় ক্ষত হয়েছে। বিজেপিকে (Madhya Pradesh Election 2023) সমর্থন করলে ফল ভাল হবে না বলেও জাভেদ তাঁকে শাসায়। অভিযোগ পেয়ে তদন্ত শুরু করেছে সেহোর পুলিশ। পুলিশ জানিয়েছে, এক মহিলার কাছ থেকে আমরা এই মর্মে অভিযোগ পেয়েছি যে, তাঁর জামাইবাবু তাঁকে মারধর করেছে। ভারতীয় দণ্ডবিধির নির্দিষ্ট ধারায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। অভিযুক্তকে দ্রুত গ্রেফতার করা হবে।

    মুখ্যমন্ত্রীর বাসভবনে শামিনা 

    বিহিত চেয়ে ডিসেম্বরের ৮ তারিখে সেহোরের জেলাশাসকের সঙ্গেও দেখা করেন শামিনা। খবর পেয়ে তাঁর সঙ্গে দেখা করেন মুখ্যমন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহান। তাঁকে তাঁর বাসভবনে দেখাও করতে বলেন মুখ্যমন্ত্রী। শনিবার ছেলেমেয়েদের নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর বাসভবনে গিয়ে দেখা করেন শামিনা। প্রসঙ্গত, এই সেহোরই মুখ্যমন্ত্রীর নিজের জেলা। ভোপালের এক জনসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “একটি বোন আমার কাছে এসেছিলেন। তিনি বিজেপিকে ভোট দিয়েছিলেন। তা নিয়ে অশান্তি হয়। আমি তাঁকে আমার বাসভবনে আসতে বলেছিলাম। বলেছিলাম, তোমার ভাই বেঁচে আছে। তাই উদ্বেগের কোনও কারণ নেই।”

    আরও পড়ুুন: পুলিশের পিছনে বিছুটি পাতা ঘষে দেওয়ার নিদান দিলেন তৃণমূল নেতা, জেলাজুড়ে শোরগোল

    এক্স হ্যান্ডেলে চৌহান শামিনাকে আর্থিক সাহায্য এবং নিরাপত্তা দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন। তিনি লিখেছেন, “আমার বোন, কোনও কিছু নিয়ে ভয় করো না। তোমার ভাই তোমার সঙ্গে রয়েছে।” আর শামিনা বলছেন, “আমি মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেছি। ভাইয়া বলেছেন, তিনি আমার ছেলেমেয়ে ও পরিবার নিয়ে চিন্তিত। তাই ভবিষ্যতেও আমি বিজেপিকেই ভোট (Madhya Pradesh Election 2023) দেব।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।  

     

  • Sukhdev Singh Gogamedi : করণি সেনা প্রধান খুনে গ্রেফতার তিন শ্যুটার, ঘটনার নেপথ্যে বিষ্ণোই গ্যাং?   

    Sukhdev Singh Gogamedi : করণি সেনা প্রধান খুনে গ্রেফতার তিন শ্যুটার, ঘটনার নেপথ্যে বিষ্ণোই গ্যাং?   

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: করণি সেনা প্রধান সুখদেব সিং গোগামেদিরকে (Sukhdev Singh Gogamedi) খুনের অভিযোগে গ্রেফতার তিন শ্যুটার। রাজস্থান ও দিল্লি পুলিশের ক্রাইম ব্রাঞ্চ গ্রেফতার করে শ্যুটার রোহিত রাঠৌর, নীতিন ফৌজি এবং উঠম সিংহকে। শনিবার বিকেলেই চণ্ডীগড় থেকে গ্রফতার করা হয় দুজনকে। বাকি একজনকে গ্রেফতার করা হয় রাতে।

    খুনের ঘটনায় ধৃত ৪

    রোহিত রাজস্থানের বাসিন্দা। হরিয়ানার মহেন্দ্রগড়ে বাড়ি নীতিনের। রামবীর জাঠ নামে আগেই একজনকে গ্রেফতার করেছিল পুলিশ। সব মিলিয়ে ওই খুনের ঘটনায় গ্রেফতার করা হয়েছে চারজনকে। রামবীরের বিরুদ্ধে অভিযোগ, রোহিত ও নীতিকে পালাতে সাহায্য করেছিল সে। মঙ্গলবার বিকেলে রাজস্থানের জয়পুরে দুষ্কৃতীদের গুলিতে খুন হন শ্রী রাষ্ট্রীয় রাজপুত করণি সেনার জাতীয় সভাপতি সুখদেব (Sukhdev Singh Gogamedi)। দুষ্কৃতীরা বাড়িতে ঢুকে খুন করেন তাঁকে।

    নৃশংস সেই দৃশ্যের ভিডিও ভাইরাল

    সোশ্যাল মিডিয়ায় সুখদের খুনের নৃশংস সেই দৃশ্যের ভিডিও ভাইরাল হতেই রাজস্থানে ছড়ায় উত্তেজনা। খুনের ঘটনার পরে পরেই দায় স্বীকার করে লরেন্স বিষ্ণোই গ্যাং ঘনিষ্ঠ রোহিত গোদারা নামের এক দুষ্কৃতী। তার পরেই দুষ্কৃতীদের খোঁজে যৌথ অভিযানে নামে দুই রাজ্যের পুলিশ। একে একে গ্রেফতার করা হয় চারজনকে। জানা গিয়েছে, সুখদেবকে খুন করার আগে তাঁর সঙ্গে বসে চা খান দুষ্কৃতীরা। পরে তিনি যখন ফোন দেখছিলেন তখন আচমকাই এলোপাথাড়ি গুলি চালাতে শুরু করে দুষ্কৃতীরা। পুলিশ জানিয়েছে, মোট পাঁচ রাউন্ড গুলি চালানো হয়। শেষ গুলিটি লাগে সুখদেবের মাথায়। সিসি টিভির ফুটেজ দেখে, দুই আততায়ীকে আগেই চিহ্নি করেছিল পুলিশ। তাদের খোঁজে ৫ লাখ টাকা পুরস্কারও ঘোষণা করা হয়। পরে পুলিশ গ্রেফতার করে চারজনকে।

    আরও পড়ুুন: ‘‘ভারতের অর্থনৈতিক বৃদ্ধির সঙ্গেই জুড়ে তামাম বিশ্বের অগ্রগতি’’, বললেন প্রধানমন্ত্রী

    পুলিশ সূত্রে খবর, গ্যাংস্টার রোহিত গোদারা গোল্ডি ব্রার ও লরেন্স বিষ্ণোইয়ের খুবই ঘনিষ্ঠ। তারা হামলার দায়ও স্বীকার করেছে। কিছুদিন আগে ফেসবুক পোস্টে রোহিত গোদারা লিখেছিল, ‘গোগামেদি তাদের শত্রুদের সাহায্য করছে। তাই তার ওপর আঘাত হানা হবে।’ শ্যুটাররা রোহিত গোদারার কাছের লোক বীরেন্দ্র চৌহানের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রেখে চলেছিল। এই বীরেন্দ্রর নামে একাধিক ক্রিমিনাল কেস রয়েছে (Sukhdev Singh Gogamedi)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Congress: দলীয় সাংসদের বাড়িতে নোটের পাহাড়! ধীরজকে ঝেড়ে ফেলতে চাইছে কংগ্রেস!

    Congress: দলীয় সাংসদের বাড়িতে নোটের পাহাড়! ধীরজকে ঝেড়ে ফেলতে চাইছে কংগ্রেস!

    মাধ্যম নিউড ডেস্ক: ২০১০ সাল থেকে তিনি কংগ্রেসের (Congress) টিকিটে রাজ্যসভার সাংসদ। অথচ তাঁর বাড়িতে যে নগদ টাকার পাহাড়, তা জানেন না কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্ব! এখন যখন ঝুলি থেকে বিড়াল বের হচ্ছে, তখনই ঝাড়খণ্ডের সাংসদ ধীরজ সাহুর সঙ্গে দূরত্ব তৈরি করতে শুরু করল কংগ্রেস।

    কী বলছে কংগ্রেস

    শনিবার কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক জয়রাম রমেশ বলেন, “এর সঙ্গে দলের কোনও সম্পর্ক নেই। কেবল তিনিই এ ব্যাপারে বলতে পারবেন। তাঁরই উচিত এর ব্যাখ্যা দেওয়া। তাঁর সঙ্গে সম্পর্কিত বিভিন্ন জায়গা থেকে আয়কর দফতর এই টাকা উদ্ধার করেছে। তাঁর সম্পত্তির বহর সম্পর্কে ব্যাখ্যা তাঁকেই দিতে হবে।” প্রসঙ্গত, ধীরজ ঝাড়খণ্ডের সাংসদ। বাংলা, ওড়িশা ও ঝাড়খণ্ডের বিভিন্ন জায়গায় হানা দিয়ে প্রায় ৩০০ কোটি টাকা উদ্ধার করেছেন আয়কর দফতরের আধিকারিকরা।

    টাকা গুণতে ৪০টি মেশিন

    এই টাকার মধ্যে ২৫০ কোটি টাকাই উদ্ধার হয়েছে ওড়িশার বলঙ্গির জেলায় অবস্থিত ডিস্টিলারি সংস্থার অফিস থেকে। এই সংস্থাটি ধীরজেরই। এছাড়াও অন্যান্য জায়গা থেকে উদ্ধার হয়েছে আরও প্রচুর নগদ। বুধবার শুরু হওয়া আয়কর দফতরের অভিযান চলেছে শনিবার রাত পর্যন্ত। টাকার পরিমাণ জানতে আয়কর দফতর ছোট-বড় ৪০টি টাকা গোণার মেশিন বসিয়েছে। টাকা নিয়ে যাওয়ার জন্য বেশ (Congress) কয়েকটি বড় গাড়িও নিয়ে আসা হয়েছে। কংগ্রেস যখন ধীরজকে ঝেড়ে ফেলতে ব্যস্ত, তখন সোনিয়া গান্ধীর দলকে নিশানা করেছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী স্মৃতি ইরানি।

    আরও পড়ুুন: ‘‘ভারতের অর্থনৈতিক বৃদ্ধির সঙ্গেই জুড়ে তামাম বিশ্বের অগ্রগতি’’, বললেন প্রধানমন্ত্রী

    তিনি বলেন, “যেখানেই দুর্নীতি, সেখানেই রয়েছেন একজন কংগ্রেস নেতা। এমন নয় যে, এই প্রথম কোনও কংগ্রেস নেতা কোনও দুর্নীতিতে জড়ালেন।” তিনি বলেন, “কেবল মানুষ নয়, টাকা গুণতে গিয়ে ক্লান্ত হয়ে যাচ্ছে মেশিনও। দুর্নীতিতে যুক্ত এক কংগ্রেস সাংসদের বাড়ি থেকে উদ্ধার হচ্ছে কোটি কোটি টাকা! এই গান্ধী পরিবারের এটিএম কে, উত্তরের অপেক্ষায় (Congress) রইলাম।” এক্স হ্যান্ডেলে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি লিখেছেন, “দেশবাসীর দেখা উচিত এই নোটের স্তূপ। তার পর তাঁদের নেতাদের কাছে সততার বাণী শুনুন। জনগণের কাছ থেকে যা লুট করা হয়েছে, প্রত্যেক পাই-পয়সা ফেরত দেওয়া হবে। এটা মোদির গ্যারান্টি।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • PM Modi: ‘‘ভারতের অর্থনৈতিক বৃদ্ধির সঙ্গেই জুড়ে তামাম বিশ্বের অগ্রগতি’’, বললেন প্রধানমন্ত্রী

    PM Modi: ‘‘ভারতের অর্থনৈতিক বৃদ্ধির সঙ্গেই জুড়ে তামাম বিশ্বের অগ্রগতি’’, বললেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুক্রবারই রিজার্ভ ব্যাঙ্কের গভর্নর শক্তিকান্ত দাস জানিয়েছিলেন দেশে জিডিপি বৃদ্ধির হার ছোঁবে ৭ শতাংশ। তার পর ২৪ ঘণ্টাও কাটেনি, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) জানিয়ে দিলেন উন্নততর ভবিষ্যৎ হাতছানি দিচ্ছে। তিনি বলেন, “ভারত যখন বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতির দেশে পরিণত হবে, তখন প্রত্যেকেই উন্নততর ভবিষ্যৎ দেখতে পাবেন।”

    ভারতের উজ্জ্বল অতীত স্মরণ

    শনিবার লালকেল্লায় ইন্ডিয়ান আর্ট, আর্কিটেকচার অ্যান্ড ডিজাইন বিন্নেলের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানেই তিনি বলেন, ‘‘ভারতের অর্থনৈতিক বৃদ্ধির সঙ্গেই জুড়ে তামাম বিশ্বের অগ্রগতি। এর লক্ষ্যই হল, আত্মনির্ভর ভারত নতুন সুযোগ এনে দিচ্ছে।” এদিনের অনুষ্ঠানে ভারতের উজ্জ্বল অতীতের কথা মনে করিয়ে দেন প্রধানমন্ত্রী। ভারতের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির কথাও মনে করিয়ে দেন তিনি। অতীতে ভারতের অর্থনীতি নিয়েও আলোচনা হত বিশ্বজুড়ে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “সেই থেকে আজও ভারতের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য পর্যটকদের আকর্ষণ করে চলেছে।”

    ইন্ডিজেনাস ডিজাইনকে শিক্ষার অঙ্গ!

    লালকেল্লায় আত্মনির্ভর ভারত সেন্টার ফর ডিজাইনেরও উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)। কমেমরোটিভ স্ট্যাম্পও চালু করেন। এদিন প্রদর্শনীকক্ষ ঘুরেও দেখেন প্রধানমন্ত্রী। প্রসঙ্গত, ইন্ডিয়ান আর্ট, আর্কিটেকচার অ্যান্ড ডিজাইন বিন্নেল দিল্লিতে সংস্কৃতিক ক্ষেত্র হিসেবে কাজ করবে। এনিয়ে দেশের পাঁচটি শহরে প্রধানমন্ত্রী সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রের উদ্বোধন করলেন। এই শহরগুলির হল দিল্লি, কলকাতা, মুম্বই, আহমেদাবাদ এবং বারাণসী। এদিনের অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী দেশজ ভারত ডিজাইন: ইন্ডিজেনাস ডিসাইনস অ্যান্ড সমতা: শেপিং দ্য বিল্টকে মিশন হিসেবে নেওয়ার কথাও বলেন। ইন্ডিজেনাস ডিজাইনকে শিক্ষার অঙ্গ হিসেবে গড়ে তোলার ওপরও জোর দেন প্রধানমন্ত্রী। একে আরও সমৃদ্ধশালী করতে গবেষণাও করা প্রয়োজন বলে মনে করেন।

    আরও পড়ুুন: টপকে গেল পার্থ-অর্পিতাকেও! কংগ্রেস সাংসদের বাড়িতে উদ্ধার ৩০০ কোটি

    আত্মনির্ভর ভারত সেন্টার ফর ডিজাইনের উদ্বোধন সম্পর্কে বলতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এই সেন্টারটি একটা ইউনিক প্লাটফর্ম হিসেবে কাজ করবে। এটি ভারতের রেয়ার একটি ক্র্যাফ্ট হিসেবে গড়ে উঠবে, যখন ডিজাইনাররা এখানে জড়ো হয়ে তাঁদের শিল্প কীর্তি গড়ে তুলবেন।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আর্টিজান ডিজাইন ডেভেলপমেন্ট সম্পর্কে জ্ঞান অর্জন করতে সাহায্য করবে। এর পাশাপাশি ডিজিটাল মার্কেটিং সম্পর্কেও দক্ষতা অর্জন করবে।” তিনি বলেন, “ভারতীয় শিল্পীরা গোটা বিশ্বে তাঁদের অবদান রাখতে পারেন।” প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, “শিল্প ও সংস্কৃতি মানুষের মনের অন্তর্নিহিত ভাবনার সঙ্গে জড়িত এবং সেই অন্তর্নিহিত সম্ভাবনাকে স্বীকৃতি দেওয়ার জন্য শিল্প ও সংস্কৃতি বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Marital Rape: স্ত্রীর বয়স ১৮! বৈবাহিক ধর্ষণ ‘অপরাধ নয়’, মত এলাহাবাদ হাইকোর্টের

    Marital Rape: স্ত্রীর বয়স ১৮! বৈবাহিক ধর্ষণ ‘অপরাধ নয়’, মত এলাহাবাদ হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্ত্রীর বয়স ১৮ বা তার বেশি হলে, বৈবাহিক ধর্ষণ (Marital Rape) অপরাধ বলে মনে করছে না উচ্চ আদালত। বৈবাহিক ধর্ষণ সংক্রান্ত এক মামলায় এমনই রায় দিয়ে অভিযুক্ত স্বামীকে বেকসুর খালাস করল এলাহাবাদ হাইকোর্ট (Allahabad High Court)। বিচারপতি রাম মনোহর নারায়ণ মিশ্রের সিঙ্গল বেঞ্চ পর্যবেক্ষণে জানিয়েছে যে বৈবাহিক ধর্ষণকে সুপ্রিম কোর্ট এখনও অপরাধ হিসেবে গণ্য করেনি। স্ত্রীর বয়স ১৮ বছরের বেশি হলে ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩৭৭ ধারায় স্বামীকে দোষী সাব্যস্ত করা যায় না।

    এলাহাবাদ হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণ

    স্বামীর বিরুদ্ধে শারীরিক এবং মৌখিক নির্যাতনের অভিযোগ এনে এলাহাবাদ হাইকোর্টের (Allahabad High Court) দ্বারস্থ হয়েছিলেন এক মহিলা। অভিযোগ ছিল, ইচ্ছার বিরুদ্ধে তাঁর সঙ্গে বলপূর্বক শারীরিক সম্পর্ক তৈরি করেন স্বামী। মামলার রায় ঘোষণার সময় বিচারপতি মিশ্রের বেঞ্চের পর্যবেক্ষণ, দেশে এখনও বৈবাহিক ধর্ষণকে অপরাধ হিসাবে গণ্য করা হয়নি। বৈবাহিক ধর্ষণকে (Marital Rape) অপরাধ হিসাবে বিবেচনা করার জন্য সুপ্রিম কোর্টে যে আবেদনগুলি করা হয়েছে, তা এখনও বিচারাধীন। স্ত্রীর বয়স ১৮ বছর বা তার বেশি হলে বৈবাহিক ধর্ষণের জন্য কোনও ফৌজদারি শাস্তি নেই বলে উল্লেখ করেন তিনি।

    আরও পড়ুন: রানিমার পারিবারিক বিয়েতে ব্যস্ত রাজ্য, তাই চাষিদের দুঃখে নজর নেই, তোপ শুভেন্দুর

    মধ্য প্রদেশ হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণ

    সম্প্রতি বৈবাহিক ধর্ষণ নিয়ে অনুরূপ রায় দিয়েছিল মধ্য প্রদেশের হাইকোর্ট। বৈবাহিক সম্পর্কে কোনও ‘অপ্রাকৃতিক অপরাধ’ হওয়ার জায়গাই নেই বলে পর্যবেক্ষণে জানিয়েছিল। মধ্য প্রদেশ হাইকোর্টের এই পর্যবেক্ষণকে সমর্থন করেছেন এলাহাবাদ হাইকোর্টের সিঙ্গল বেঞ্চের বিচারপতি রাম মনোহর নারায়ণ মিশ্র। এরপরেই স্বামীকে বেকসুর খালাস করে দেন তিনি। এর আগে, গত বছর সেপ্টেম্বর মাসে বৈবাহিক ধর্ষণ ইস্যুকে সামনে রেখে একটি বড় রায় দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court on Marital Rape)। নির্দেশে বলা হয়েছিল যে কোনও বিবাহিত মহিলাকে তাঁর ইচ্ছার বিরুদ্ধে গর্ভবতী করে তোলা হলে, গর্ভপাতের ক্ষেত্রে তা বৈবাহিক ধর্ষণ হিসাবে ধরা হবে। সম্প্রতি বৈবাহিক ধর্ষণ নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ের এজলাসে মামলার শুনানির সিদ্ধান্ত হয়েছে। এখন এই বিষয়ে দেশের প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ কী রায় দেয়, এখন সেটাই দেখার।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • NIA Raids:  ৪০ জায়গায় হানা এনআইএ-র, জঙ্গিগোষ্ঠীর সঙ্গে জড়িত সন্দেহ গ্রেফতার ১৩

    NIA Raids:  ৪০ জায়গায় হানা এনআইএ-র, জঙ্গিগোষ্ঠীর সঙ্গে জড়িত সন্দেহ গ্রেফতার ১৩

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আইএস জঙ্গিগোষ্ঠীর সঙ্গে জড়িত সন্দেহে গ্রেফতার ১৩। শনিবার সকাল থেকে কর্নাটক ও মহারাষ্ট্রের ৪০টি জায়গায় তল্লাশি অভিযান চালায় জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা সংক্ষেপে, এনআইএ (NIA Raids)। 

    দুই রাজ্যে হানা এনআইএ-র

    জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে খবর, মহারাষ্ট্রের ঠাণে গ্রামীণ এ শহরের বেশ কয়েকটি জায়গায় তল্লাশি চলছে। তল্লাশি চলছে পুণে এবং মীরা ভায়ান্দরেও। দুই জায়গার এই সব জায়গায় তল্লাশি চালিয়ে গ্রেফতার করা হয়েছে ওই ১৩ জনকে। জানা গিয়েছে, ঠাণের গ্রামীণ এলাকার ৩১টি জায়গায় হানা দিয়েছে এনআইএ। ঠাণে সিটির ৯টি জায়গায়ও চলছে তল্লাশি। জানা গিয়েছে, অগাস্ট মাসে আইএস কার্যকলাপের সঙ্গে জড়িত সন্দেহে আকিফ আতিক নাচান নামে একজনকে গ্রেফতার করেছিল এনআইএ। তাকে জেরা করে ধরা হয় আরও পাঁচজনকে।

    জঙ্গি সন্দেহে গ্রেফতার 

    নভেম্বরে মুম্বই থেকে গ্রেফতার করা হয়েছিল তাবিশ নাসের সিদ্দিকি নামের আরও একজনকে। জুবেইর নুর মহম্মদ শেখ ও আদনান সরকারকে গ্রেফতার করা হয় পুণে থেকে। ঠাণে থেকে গ্রেফতার করা হয় শরজিল শেখ ও জুলফিকার আলিকে। এদিকে, গত মাসেই একটি ষড়যন্ত্র মামলায় আইসিসের পুণে মডিউলের ৭ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট গঠন করেছিল এনআইএ (NIA Raids)। আইসিসের সংগঠনকে আরও মজবুত করতে ও দেশের বিভিন্ন প্রান্তে হামলার ছক কষতে অর্থ সংগ্রহ করছিল অভিযুক্তেরা।

    এই সাতজনের কাছ থেকে আইইডি, অত্যাধুনিক আগ্নেয়াস্ত্র সহ নানা অত্যাধুনিক অস্ত্রশস্ত্র উদ্ধার করেছেন তদন্তকারীরা। এনআইএ-র দাবি, ওই সাতজন নানা জায়গায় শিবির করে তরুণদের আইসিসে যোগ দেওয়ার জন্য উদ্বুদ্ধ করত। এর পাশাপাশি জঙ্গিদের গা ঢাকা দেওয়ার ব্যবস্থাও করত এই সাতজন।

    আরও পড়ুুন: ২৫০ কোটি পার…! কে এই ধীরজ সাহু, যার বাড়িতে মিলল ‘যখের ধন’!

    এনআইএ সূত্রে খবর, সাতজনের বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির ইউএপিএ, এক্সপ্লোসিভ সাবস্ট্যান্সেস অ্যাক্ট, আর্মস অ্যাক্টে অভিযোগ আনা হয়েছে। অক্টোবর মাসে দিল্লি পুলিশ গ্রেফতার করেছিল জঙ্গি শাহনওয়াজ আলমকে। সে পুণে আইসিস মডিউল সংক্রান্ত মামলায় অন্যতম অভিযুক্ত। এনআইএ-র খাতায় দীর্ঘদিন ধরেই ওয়ান্টেড ছিল এই (NIA Raids) জঙ্গি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Congress: ২৫০ কোটি পার…! কে এই ধীরজ সাহু, যার বাড়িতে মিলল ‘যকের ধন’!

    Congress: ২৫০ কোটি পার…! কে এই ধীরজ সাহু, যার বাড়িতে মিলল ‘যকের ধন’!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলার পর এবার ঝাড়খণ্ড। তৃণমূল কংগ্রেসের পর এবার কংগ্রেস। ঝাড়খণ্ডের সাংসদের ডিস্টিলারি সংস্থায় হানা আয়কর দফতরের। উদ্ধার নগদ ২৫০ কোটি টাকা। ঘটনায় জড়িয়েছে কংগ্রেসের নাম। জানা গিয়েছে, ঝাড়খণ্ড থেকে জিতে রাজ্যসভায় গিয়েছেন কংগ্রেসের ধীরাজ প্রসাদ সাহু।

    উদ্ধার কাঁড়ি কাঁড়ি টাকা

    এই ডিস্টিলারি সংস্থাটি তাঁরই। ওড়িশার বলঙ্গির জেলায় একটি অফিস থেকে উদ্ধার হয়েছে নগদ ২০০ কোটি টাকা। ওড়িশার সম্বলপুর, সুন্দরগড়, ঝাড়খণ্ডের বোকারো এবং রাঁচিতে অবস্থিত ধীরাজের বাড়ি ও সংস্থার বিভিন্ন অফিস থেকে উদ্ধার হয়েছে আরও কয়েক কোটি টাকা। আয়কর দফতর সূত্রে খবর, আলমারি ও একাধিক বাক্সে থরে থরে সাজানো ছিল টাকা। সব মিলিয়ে ঠিক কত টাকা উদ্ধার হয়েছে, তা এখনও জানা যায়নি। 

     প্রসঙ্গত, গত বছর এ রাজ্যেও উদ্ধার হয়েছিল প্রচুর নগদ টাকা। নিয়োগ কেলেঙ্কারিতে তদন্তে নেমে রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে গ্রেফতার করার পর তাঁর বান্ধবী অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের ফ্ল্যাট থেকে উদ্ধার হয়েছিল বিপুল পরিমাণ নগদ টাকা। অভিযোগ, বিভিন্ন ক্ষেত্রে মোটা টাকার বিনিময়ে নিয়োগ করা হয়েছি অযোগ্যদের। এই টাকা সেই ‘চাকরি বিক্রি’র টাকা, যা গচ্ছিত রাখা হয়েছিল অর্পিতার বাড়িতে। যদিও অভিযোগ অস্বীকার করেছেন পার্থ।

    কে এই ধীরাজ?

    ধীরাজের বাড়ি ও সংস্থার অফিস থেকে উদ্ধার হওয়া টাকা গুণতে ৩৬টি মেশিন আনা হয়েছিল বলে আয়কর দফতর সূত্রে খবর। তার মধ্যে কয়েকটি আবার নোট গুণতে গুণতে বিকল হয়ে যায়। প্রশ্ন হল, কে এই ধীরাজ? ১৯৫৫ সালের নভেম্বরে জন্ম ধীরাজের। তাঁর বাবা ছিলেন স্বাধীনতা সংগ্রামী। বলদেব সাহু ইনফ্রা প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানির সঙ্গে যোগ রয়েছে বৌধ ডিস্টিলারিজের। এর সঙ্গেই যুক্ত ধীরাজ। রাঁচি বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি কলেজ থেকে স্নাতক হন ধীরাজ। তার পরেই জড়িয়ে পড়েন রাজনীতিতে।  

    ১৯৭৭ সালে রাজনীতিতে আসেন। লাহরডাগা জেলা যুব কংগ্রেসের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন তিনি। তাঁর ভাই শিবপ্রসাদ কংগ্রেসের টিকিটে জিতে দু’ বার লোকসভার সাংসদ হয়েছিলেন। ২০১০ সাল থেকে রাজ্যসভার সাংসদ ধীরাজ। ২০১৮ সালে সাংসদ নির্বাচিত হওয়ার সময় ধীরাজ জানিয়েছিলেন তাঁর সম্পত্তির পরিমাণ ৩৪.৮৩ কোটি টাকা। তাঁর ২.৪ কোটি টাকার অস্থাবর সম্পত্তি রয়েছে বলেও জানিয়েছিলেন (Congress) ধীরাজ।

     

    আরও পড়ুুন: আশাতীত বৃদ্ধি জিডিপি-র, মোদি জমানাতেই বিশ্বের তৃতীয় বৃত্ততম অর্থনীতি হচ্ছে ভারত!

     

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • GDP Growth: আশাতীত বৃদ্ধি জিডিপি-র, মোদি জমানাতেই বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতি হচ্ছে ভারত!

    GDP Growth: আশাতীত বৃদ্ধি জিডিপি-র, মোদি জমানাতেই বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতি হচ্ছে ভারত!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মোদি জমানায় রকেট গতিতে উত্থান হচ্ছে জিডিপির হার (GDP Growth)। চলতি অর্থবর্ষের শেষে এই হার আরও বাড়তে পারে বলে ইঙ্গিত দিল রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া সংক্ষেপে আরবিআই। অর্থনীতির কারবারিদের দাবি, এভাবে চলতে থাকলে আগামী তিন বছরের মধ্যেই বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির দেশে পরিণত হবে ভারত।

    কী বলছেন আরবিআইয়ের গভর্নর

    প্রসঙ্গত, বর্তমানে বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতির দেশের তালিকায় পাঁচ নম্বরে রয়েছে ভারত। দীর্ঘদিন এই জায়গাটা দখল করে রেখেছিল ইংল্যান্ড। ইংল্যান্ডকে সরিয়ে এই জায়গাটা দখল করেছে ভারত। ইংল্যান্ড গিয়েছে পিছিয়ে। আরবিআইয়ের গভর্নর শক্তিকান্ত দাস বলেন, “চলতি অর্থবর্ষের শেষে জিডিপি বৃদ্ধির হার ৭ শতাংশ পৌঁছবে বলে মনে করা হচ্ছে। আগে অনুমান করা হয়েছিল এটি ৬.৫ শতাংশ পর্যন্ত যেতে পারে।” বুধবার থেকে টানা তিনদিন দেশের অর্থনীতি নিয়ে আলোচনায় বসে আরবিআইয়ের মুদ্রা নীতি কমিটি। সেখানে জিডিপি সহ একাধিক বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।

    বজায় থাকবে অর্থনীতির ভারসাম্য

    এই বৈঠক শেষে শুক্রবার সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে জিডিপি বৃদ্ধির হার নিয়ে আশার আলোর কথা শোনান আরবিআইয়ের গভর্নর। তিনি বলেন, “২০২৩-২৪ অর্থবর্ষে জিডিপি বৃদ্ধির (GDP Growth) হার পৌঁছতে পারে ৭ শতাংশে। তৃতীয় ত্রৈমাসিকে এটা ৬.৫ শতাংশ ও চতুর্থ ত্রৈমাসিকে ৬ শতাংশ থাকবে বলে মনে করা হচ্ছে। ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষের প্রথম ত্রৈমাসিকে জিডিপি বৃদ্ধির হার পৌঁছবে ৬.৭ শতাংশে। দ্বিতীয় ও তৃতীয় ত্রৈমাসিকে যথাক্রমে ৬.৫ ও ৬.৪ শতাংশে পৌঁছে যেতে পারে জিডিপি বৃদ্ধার হার। ফলে অর্থনীতির ভারসাম্য বজায় থাকবে। ঝুঁকিও তেমন থাকবে না।

    আরও পড়ুুন: বাইডেন-সুনক নয়, বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় রাষ্ট্রনেতা মোদি, বলছে আন্তর্জাতিক সমীক্ষা

    প্রসঙ্গত, এ মাসেরই প্রথম দিকে মার্কিন সংস্থা এস অ্যান্ড পি গ্লোবাল রেটিংয়ের তরফে দাবি করা হয়েছিল ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষে ভারতের জিডিপি বৃদ্ধির হার পৌঁছবে ৭ শতাংশে। আরবিআইয়ের অনুমান ঠিক হলে, তার ঢের আগেই ভারতের জিডিপি ছুঁয়ে ফেলবে ৭ শতাংশের মাইলস্টোন। এদিকে, এদিন ফের একবার সুদের হার অপরিবর্তিত রাখল আরবিআই। মুদ্রানীতি বিবৃতিতে (GDP Growth) আরবিআই জানিয়েছে, রেপো রেট (বাণিজ্যিক ব্যাঙ্কগুলিকে দেওয়া ঋণের সুদ) ৬.৫ শতাংশই থাকছে। তাই যাঁরা ইএমআই দেন, তাঁদের এই ইএমআইয়ের পরিমাণ বাড়ছে না।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Chinese Items Banned: গত এক বছরে ৪৫% ভারতীয় কেনেননি চিনা পণ্য! কী বলছে সমীক্ষা?

    Chinese Items Banned: গত এক বছরে ৪৫% ভারতীয় কেনেননি চিনা পণ্য! কী বলছে সমীক্ষা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশ জুড়ে চিন (China) থেকে আমদানি করা সমস্ত পণ্য বর্জন করার ডাক দেওয়া হয়েছে। চিনের পণ্যের (Chinese Items Banned In India) উপর নির্ভরতা কমাতে কেন্দ্রের মোদি সরকার মেক ইন ইন্ডিয়া কর্মসূচির উপর জোর দিয়েছে। সীমান্তে চিনের বিদ্বেষী মনোভাব ভারতীয় বাজারে প্রভাব ফেলেছে। সম্প্রতি লোকাল সার্কেলস (LocalCircles) নামক একটি সংস্থার পরিসংখ্যান বলছে- ৪৫% ভারতীয়রা গত ১২ মাসে চিনা পণ্য কেনা ছেড়ে দিয়েছেন যদিও এখনও  ৫৫% মানুষ লেছেন যে তারা চিনের তৈরি পণ্যগুলি এখনও  গ্রহণ করেছেন।

    চিন থেকে এখনও কী কী কেনা হচ্ছে

    সমীক্ষায় জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল যে ভোক্তারা গত ১২ মাসে মেড ইন চায়না পণ্যের বিভিন্ন বিভাগ থেকে কি কি  কিনেছেন? উত্তরে ৭০২২ জন উত্তরদাতাদের মধ্যে ৫৬% স্মার্টফোন, স্মার্টওয়াচ, পাওয়ার ব্যাঙ্ক এবং অন্যান্য ইলেকট্রনিক বা মোবাইল আনুষাঙ্গিক ক্রয়ের কথা বলেছে, ৪৯% জানিয়েছে তারা ” উত্সবের আলো, বাতি, মোমবাতি এবং জলের বন্দুক”, ৩৩% খেলনা এবং স্টেশনারি, ২৯% “উপহার সামগ্রী” কিনেছেন, ২৬% “ভোক্তা ইলেকট্রনিক্স এবং যন্ত্রপাতি (টেলিভিশন, এয়ার পিউরিফায়ার, কেটলি), ২৬% কিনেছেন “আলোর মতো ঘরোয়া পণ্য” এবং আসবাবপত্র” এবং ১৫% বলেছেন ফ্যাশন পণ্য যেমন পোশাক, ব্যাগ এবং আনুষাঙ্গিক।

    কেন চিনা পণ্য বয়কট

    ইতিমধ্যে দেশে ২০ শতাংশ চিনা দ্রব্য বিক্রি কমে গিয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। এর মধ্যে রাজস্থানে চিনা দ্রব্য বিক্রি কমে গিয়েছে প্রায় ৪০ শতাংশ। সমীক্ষায় উঠে এসেছে চিনা সরঞ্জাম বর্জনের কারণও। ১২৩৫০ জন উত্তরদাতাদের মধ্যে ৬৩% বলেছেন যে তারা “ভারত-চিন কূটনৈতিক সম্পর্ক খারাপ হওয়াতে ভারতে তৈরি পণ্য বেশি কিনেছেন”; ১৬% ইঙ্গিত করেছে যে তাদের কাছে  চিনা পণ্যের থেকে ভারতীয় বিকল্প ছিল ভাল মূল্য ও ভাল মানের সমন্বয়, তাই তারা সেই হিসাবে পরিবর্তন করেছে; ১৬% বলেছেন যে মেড ইন ইন্ডিয়া পণ্যগুলির সঙ্গে আরও ভাল গ্রাহক পরিষেবাও পাওয়া গেছে, ১৩% বলেছেন “একটি বিকল্প অ-চিনা কিন্তু বিদেশী (অ-ভারতীয়) পণ্য উপলব্ধ ছিল যার দাম, গুণমান এবং গ্রাহক পরিষেবার সমন্বয় রয়েছে”,৭ % বলেছেন যে তারা “বাজারে বা স্টোর বা অনলাইনে চিনে তৈরি পণ্যগুলি খুঁজে পাননি”।

    আরও পড়ুন: আত্মহত্যা না খুন! চিনের প্রাক্তন বিদেশমন্ত্রী কিন গ্যাং-এর মৃত্যু নিয়ে প্রশ্নের মুখে প্রেসিডেন্ট জিনপিং

    সরকারের সঙ্গে সহমত

    ভারতের ৩৩৪টি জেলায় এই সমীক্ষা চালানো হয়েছে। সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, দেশীয় পণ্য কেনার বিষয়ে সরকারের সঙ্গে সহমত পোষণ করেছেন বহু ভারতীয়। গালওয়ান সংঘর্ষের পর ভারতীয়দের মধ্যে চিন বিরোধী মনোভাব বেড়েছে। চিনা দ্রব্য বর্জন করার জন্য রীতিমতো প্রচার চালানো হয়েছে। দেশীয় পণ্য কেনার উপর জোর দিয়েছে সরকার। বিভিন্ন পেশার মানুষ প্রতিদিন পথে-ঘটে চিনা দ্রব্য বর্জনের জন্য প্রচার চালাচ্ছেন৷ ভারতীয় সেনাবাহিনীর প্রতি সম্মান প্রদর্শন করতে বয়কট করা হোক চিনা দ্রব্য, এই আবেগকে ভিত্তি করেই চলছে প্রচার৷ পাশাপাশি, সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইটে চিনা দ্রব্য বর্জনের কথা প্রচার করা হচ্ছে৷ 

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share