Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Mahua Moitra: গোপনে ফোনে নজরদারি! মহুয়ার বিরুদ্ধে সিবিআইয়ের দ্বারস্থ প্রাক্তন বন্ধু

    Mahua Moitra: গোপনে ফোনে নজরদারি! মহুয়ার বিরুদ্ধে সিবিআইয়ের দ্বারস্থ প্রাক্তন বন্ধু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা থেকে তৃণমূলের বহিষ্কৃত সাংসদ মহুয়া মৈত্রর (Mahua Moitra) বিরুদ্ধে এবার ফোনে নজরদারির অভিযোগ! মহুয়ার বিরুদ্ধে সিবিআই ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের কাছে নালিশ জানালেন তাঁর একসময়ের বয়ফ্রেন্ড জয় অনন্ত দেহদ্রাই। জয় অনন্তের অভিযোগ, ‘পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের কয়েকজন শীর্ষকর্তার সঙ্গে মিলে ষড়যন্ত্র করে তাঁর ব্যক্তিগত গতিবিধির উপর নজর রাখছেন মহুয়া।’

    মহুয়ার বিরুদ্ধে অভিযোগ

    সিবিআই ডিরেক্টর প্রবীণ সুদের কাছে চিঠি লিখে জয় অনন্ত দেহদ্রাই আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন যে তাঁর ফোনে বেআইনি ভাবে আড়িপাতা হতে পারে বা নজরদারি চালানো হচ্ছে। বাংলার পুলিশের পদস্থ কর্তাদের কাজে লাগিয়ে মহুয়া এসব করছেন। এমনকী, তাঁর ফোন নম্বরের উপরেও নজরদারি করা হচ্ছে। তিনি কোথায় থাকছেন সেটারও খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে। এমনকী, দেহাদ্রাই কার সঙ্গে কথা বলছেন তার কল ডিটেলসও সংগ্রহ করছেন মহুয়া মৈত্র। এনিয়ে তিনি তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। ইতিমধ্যেই, ঘুষের বিনিময়ে প্রশ্নকাণ্ডে মহুয়া মৈত্রর (Mahua Moitra) সাংসদ পদ খারিজ হয়ে গিয়েছে।

    আরও পড়ুন: রোগীকে আইসিইউতে ভর্তি করানো নিয়ে নির্দেশিকা জারি করল কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক

    আগেও এই কাজ করেছেন মহুয়া

    জয়ের আরও দাবি, মহুয়া (Mahua Moitra) আগে একাধিকবার তাঁর কাছে স্বীকার করেছিলেন যে, সুহান মুখোপাধ্যায় বলে তাঁর এক প্রাক্তন বয়ফ্রেন্ড ছিল। তাঁর উপরেও নজরদারি চালাতেন মহুয়া। কারণ তাঁর সন্দেহ হত কোনও জার্মান মহিলার সঙ্গে গোপনে সম্পর্ক রাখতেন সুহান। জয় অনন্তের দাবি, সেই কল ডিটেল রেকর্ড তাঁকে হোয়াটসঅ্যাপে শেয়ার করেছিলেন মহুয়া। সেই সব হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাটের স্ক্রিনশটও সিবিআইয়ের কাছে পেশ করেছেন জয় অনন্ত। তাঁর অভিযোগ, মহুয়া তাঁর ক্ষমতা অপব্যবহার করে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের মাধ্যমে নজরদারি চালানোর কাজ আগেও করেছেন। তাঁর আশঙ্কা যে তাঁর ফোনেও আড়ি পাতা হচ্ছে বা নজরদারি চালানো হচ্ছে। এমনকি তাঁর গাড়ি ফলো করা হচ্ছে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন জয়।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • ICU: রোগীকে আইসিইউতে ভর্তি করানো নিয়ে নির্দেশিকা জারি করল কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক

    ICU: রোগীকে আইসিইউতে ভর্তি করানো নিয়ে নির্দেশিকা জারি করল কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অসুস্থ রোগী বা তাঁর পরিবারের অনুমতি ছাড়া রোগীকে আইসিইউতে (ICU) ভর্তি করা যাবে না। এই মর্মে নতুন নির্দেশিকা জারি করল কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক। যদি রোগীর পরিস্থিতি খারাপের দিকেও যায় তবেও রোগীর পরিবার বা খোদ রোগীর অনুমতি ছাড়া তাঁকে আইসিইউতে ভর্তি করা যাবে না। তবে মহামারী, প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের ক্ষেত্রে এই নিয়ম লাগু হবে না বলেই জানিয়েছে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক। 

    বিশেষজ্ঞের পরামর্শ মেনে নির্দেশ

    বিভিন্ন সময়েই আইসিইউ-তে (ICU) রোগী ভর্তি করানো নিয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এবং রোগী আত্মীয়দের মধ্যে দ্বিমত দেখা যায়। এই বিষয়ে গুরুত্ব দিয়ে নয়া নির্দেশিকা দিয়েছে কেন্দ্র। সব মিলিয়ে ২৪ জন বিশেষজ্ঞের পরামর্শ মেনে এই গাইডলাইন তৈরি করা হয়েছে। সাধারণত রোগীর পরিস্থিতি অত্যন্ত খারাপ হলে বা দেহের কোনও অঙ্গপ্রত্যঙ্গ বিকল না হলে রোগীকে আইসিইউতে ভর্তি করা হয় না। অনেক সময় হাসপাতালগুলির দিকে অভিযোগের তির ওঠে তারা নাকি জোর করে রোগীকে আইসিইউতে ভর্তি করিয়ে দেন। তবে এবার কেন্দ্রীয় সরকারের এই নির্দেশের ফলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের আর কোনও দায় থাকবে না। সবটাই রোগী বা তাঁর পরিবারের ওপর বর্তাবে। 

    কী বলা হয়েছে নির্দেশিকায়

    নয়া নির্দেশিকা অনুযায়ী, কোনও গুরুতর অসুস্থ রোগীর আর কোনও চিকিৎসা সম্ভব নয় অথবা চিকিৎসার সুবিধা নেই এমন অবস্থার সৃষ্টি হলে ওই রোগীকে আইসিইউতে (Centre guideline on ICU) রাখা নিরর্থক। একই ভাবে উপযুক্ত চিকিৎসার পরও রোগী যদি ‘প্রত্যাশিত সাড়া’ না দেন সে ক্ষেত্রেও তাঁকে আইসিইউতে রাখার কোনও মানে হয় না বলে জানিয়েছে কেন্দ্রের এই গাইডলাইন। তবে সবচেয়ে যে বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে, সেটা হল, কারও বাঁচার ইচ্ছে আছে কিন্তু তিনি আইসিইউ-তে ভর্তি হতে চান না, এমনটা হলেও ওই রোগীকে আইসিইউ-তে রাখতে পারবেন না হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। এ ছাড়া অতিমারি কিংবা কোনও বিপর্যয়ের পরিস্থিতিতে আইসিইউতে রোগী ভর্তি করানোর ক্ষেত্রে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে ভেবেচিন্তে সিদ্ধান্ত নিতে বলছে কেন্দ্র।

    আরও পড়ুন: শহুরে বাসিন্দাদের ৭৩ শতাংশ ভুগছেন প্রোটিনের অভাবে! কোন রোগ বাসা বাঁধছে শরীরে?

    আইসিইউ-তে ভর্তির জন্য কী দেখা হবে 

    নির্দেশিকায় (Centre guideline on ICU) রোগীর বেশ কিছু পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করা হয়েছে। একমাত্র সেই পরিস্থিতিতেই রোগীকে আইসিইউ-তে রাখা যাবে। যেমন, কোনও রোগীর রেসপিরেটরি সাপোর্ট অর্থাৎ শ্বাসজনিত সাপোর্ট লাগলে তাকে আইসিইউ-তে রাখা যাবে। অন্যদিকে, ইনটেনসিভ কেয়ারের জরুরি  এমন কোনও গুরুতর রোগ (সিভিয়ার অ্যাকিউট ইলনেস) হলে রোগীকে আইসিইউ-তে রাখা যাবে। এছাড়াও, অস্ত্রোপচারের পর রোগীর অবস্থা গুরুতর হলে বা অস্ত্রোপচারের সময় রোগীর কোনও বড় সমস্যা হলে তাকে আইসিইউ-তে ট্রান্সফার করা যাবে বলে জানানো হয়েছে নির্দেশিকায়।

    কেন নয়া নির্দেশিকা

    আইসিইউ সংক্রান্ত নির্দেশিকার (Centre guideline on ICU)  নেপথ্যে থাকা অন্যতম চিকিৎসক আর কে মনি বলেন, ভারতে আইসিইউ বেডের সংখ্যা একেবারেই সীমিত। তাই যে রোগীর দরকার, সে-ই যেন আইসিইউ পায়, তা নিশ্চিত করতেই এই নির্দেশিকা তৈরি করেছে কেন্দ্র। ইন্ডিয়ান কলেজ অব ক্রিটিকাল কেয়ার মেডিসিনের সেক্রেটারি চিকিৎসক সুমিত রায় বলেন, বেশিরভাগ দেশেই আইসিইউ নিয়ে নির্দিষ্ট প্রোটোকল রয়েছে। আইসিইউ যাতে লাগামছাড়া ব্যবহার না করা হয়, তার জন্যই এই নিয়ম। 

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Lt General RC Tiwari: সেনার পূর্বাঞ্চলীয় কমান্ডের দায়িত্ব নিলেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল আরসি তিওয়ারি

    Lt General RC Tiwari: সেনার পূর্বাঞ্চলীয় কমান্ডের দায়িত্ব নিলেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল আরসি তিওয়ারি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নতুন বছরে সেনার পূর্বাঞ্চলীয় কমান্ডের (Army Eastern Command) দায়িত্বে নতুন মুখ। ইস্টার্ন কমান্ডের জেনারেল অফিসার কমান্ডিং-ইন-চিফ (জিওসি-ইন-সি) হিসেবে দায়িত্ব তুলে নিলেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল রামচন্দ্র তিওয়ারি (Lt General RC Tiwari)। সদ্য অবসর গ্রহণ করা লেফটেন্যান্ট জেনারেল  আরপি কলিতার স্থলাভিষিক্ত হলেন তিওয়ারি। কলকাতা স্থিত সেনার পূর্বাঞ্চলীয় সদর ফোর্ট উইলিয়ামের দফতরে এই দায়িত্বভার গ্রহণ করেন তিনি। বিজয় স্মারকে বীর শহিদ সেনানীদের উদ্দেশে পুষ্পার্ঘ্য দিয়ে পূর্বাঞ্চলীয় কমান্ডার পদে আসীন হন তিওয়ারি। তাঁকে গার্ড অফ অনার দিয়ে স্বাগত জানানো হয় ফোর্ট উইলিয়ামে। 

    কাউন্টার ইনসারজেন্সি যুদ্ধ-কৌশলে পারদর্শী

    কাউন্টার ইনসারজেন্সি যুদ্ধ-কৌশলে পারদর্শী হিসেবে সেনায় বিশেষভাবে পরিচিতি পাওয়া আরসি তিওয়ারি (Lt General RC Tiwari) এর আগে উত্তরপ্রদেশের বরেলি অঞ্চলের জেনারেল অফিসার কমান্ডিং ছিলেন। অত্যন্ত পোড়খাওয়া সামরিক অফিসার তিওয়ারি ভারতীয় সেনায় প্রায় চার দশক কাটিয়ে ফেলেছেন। ১৯৮৭ সালে কুমাওন রেজিমেন্টের চতুর্থ ব্যাটালিয়নে কমিশন্ড হন তিওয়ারি। জম্মু ও কাশ্মীর থেকে শুরু করে উত্তর-পূর্বেও দীর্ঘদিন পোস্টিংয়ে ছিলেন। এর পাশাপাশি, ভারতীয় সেনার শান্তি বাহিনীর অঙ্গ হিসেবে কঙ্গোতেও বেশ কিছুটা সময় অতিবাহিত করেছিলেন তিওয়ারি। 

    আরও পড়ুন: ‘‘চিন সীমান্ত এখন শান্ত হলেও অনিশ্চয়তায় ভরা’’, সতর্ক করলেন সেনার পূর্বাঞ্চলীয় কমান্ডার

    উত্তর-পূর্ব সীমান্তে প্রভূত নেতৃত্বদানের অভিজ্ঞতা

    উত্তর-পূর্ব সীমান্তে তিওয়ারির (Lt General RC Tiwari) প্রভূত নেতৃত্ব দেওয়ার অভিজ্ঞতা রয়েছে। অসমে কাউন্টার ইনসারজেন্সি অভিযানের সময় তিনি কুমাওন রেজিমেন্টের চতুর্থ ব্যাটালিয়নের নেতৃত্বে ছিলেন। এছাড়া, সিকিমে মাউন্টেন ব্রিগেড ও মাউন্টেন ডিভিশনের পাশাপাশি, উত্তর-পূর্বে একটি গুরুত্বপূর্ণ কোরের দায়িত্বও সামলেছেন কমান্ডার হিসেবে। দীর্ঘ কেরিয়ারে তিনি একাধিক উচ্চ সামরিক সম্মানে ভূষিত হয়েছেন। এহেন অভিজ্ঞ অফিসারের ওপরই পূর্ব দিকে চিন সীমান্তের নিরাপত্তার দায়িত্ব দিয়েছে ভারতীয় সেনা (Army Eastern Command)। গত বছরের শেষদিন পর্যন্ত এই দায়িত্বে ছিলেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল আরপি কলিতা। ৩১ ডিসেম্বর অবসর গ্রহণ করেন তিনি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • UPI ATM: কোড স্ক্যান করেই টাকা তোলা যাবে এটিএম থেকে! ভাবনা আরবিআইয়ের

    UPI ATM: কোড স্ক্যান করেই টাকা তোলা যাবে এটিএম থেকে! ভাবনা আরবিআইয়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিন ফুরোচ্ছে এটিএম কার্ডের! কারণ ইউপিআই স্ক্যান (UPI ATM) করেই টাকা তোলা যাচ্ছে এটিএম থেকে। পয়লা জানুয়ারি থেকেই এই ব্যবস্থা চালু করেছে ভারতের রিজার্ভ ব্যাঙ্ক। ক্ষমতায় এসেই ডিজিটাল ইন্ডিয়ার ওপর জোর দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। লেনদেনের প্রধান মাধ্যম হয়ে উঠেছে ইউপিআই সিস্টেম।

    ইউপিআই সিস্টেম

    এই সিস্টেমের মাধ্যমে বিকি-কিনি হয় পাড়ার মোড়ের চায়ের দোকানেও। পাঁচতারা হোটেল কিংবা মোটেল সর্বত্রই কদর রয়েছে এই ব্যবস্থার। তবে এখনও নগদ টাকার প্রয়োজনে দাঁড়াতে হয় এটিএমের সামনে। সেখানে আবার ঝক্কি অনেক। কার্ড ছাড়াই টাকা তোলার এই ব্যবস্থায় এড়ানো যায় এসব ঝামেলা। যেহেতু ইদানিং লোকজনের সঙ্গেই স্মার্ট ফোন থাকে, তাই কোনওরকম ঝক্কি পোহাতে হবে না। অথচ টাকাও তোলা যাবে। স্মার্টফোনে ইউপিআই (UPI ATM) চালু থাকলেই তোলা যাবে টাকা। শীর্ষ ব্যাঙ্ক সূত্রে খবর, নয়া এই ব্যবস্থা সহজলভ্য করতে খোলা হবে ইউপিআই এটিএম কাউন্টার।

    কিউআর কোড স্ক্যান করলেই মিলবে টাকা!

    এই কাউন্টারে গিয়ে স্মার্ট ফোন থেকে কিউআর কোড স্ক্যান করলেই মিলবে টাকা। টাকা তোলা যাবে যে কোনও ব্যাঙ্কের এটিএম থেকেই। জাপানের একটি সংস্থার সঙ্গে হাত মিলিয়েই এ দেশে চালু হচ্ছে ইউপিআই এটিএম পরিষেবা। এদিকে, ইউপিআই কোড স্ক্যান করে টাকা তোলার ক্ষেত্রে প্রতারিত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। তাই ইউপিআই পেমেন্টের ক্ষেত্রে বেশ কিছু পরিবর্তন আনতে চলেছে দেশের শীর্ষ ব্যাঙ্ক। ১ জানুয়ারি থেকেই কার্যকর হয়ে গিয়েছে এই নিয়ম।

    আরও পড়ুুন: কেরলে ২ লক্ষেরও বেশি মহিলার সভায় ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী, কেন জানেন?

    জেনে নিন নিয়মগুলি।

    প্রথমত, এক বছর বা তার বেশি সময় ধরে নিষ্ক্রিয় থাকা ইউপিআই আইডিগুলি ব্লক করে দেওয়া হবে। তাই পুরানো আইডি দিয়ে আর লেনদেন করা যাবে না। দ্বিতীয়ত, ইউপিআইয়ের মাধ্যমে টাকা লেনদেনের ঊর্ধ্বসীমা বাড়িয়ে ১ লক্ষ টাকা করা হয়েছে। যদিও ডিসেম্বর মাসেই স্বাস্থ্য ও পড়াশোনা খাতে ইউপিআই ব্যবহার করে টাকা লেনদেনের ঊর্ধ্বসীমা ১ লক্ষ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৫ লক্ষ টাকা করেছে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক।

    তৃতীয়ত, ২ হাজার বা তার বেশি অঙ্কের টাকা লেনদেনে ১.১ শতাংশ কর দেওয়ার কথা আগেই জানানো হয়েছিল। প্রিপেড পেমেন্ট ইনস্ট্রুমেন্ট বা অনলাইন ওয়ালেটে টাকা লেনদেনের ক্ষেত্রে (UPI ATM) এই ফি চালু হয়েছে নতুন বছরেই।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

     

  • PM Modi: কেরলে ২ লক্ষেরও বেশি মহিলার সভায় ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী, কেন জানেন?

    PM Modi: কেরলে ২ লক্ষেরও বেশি মহিলার সভায় ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাঝ-এপ্রিলে লোকসভা নির্বাচন। তার ঢের আগেই প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে বিজেপি। তবে অফিসিয়ালি বিজেপির প্রথম নির্বাচনী প্রচার সভা শুরু হবে রাত পোহালেই। বুধবার কেরলের একটি জনসভায় ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। ত্রিশূরের এই সভায় যোগ দেবেন দু লক্ষেরও বেশি মহিলা। সভার নাম দেওয়া হয়েছে ‘স্ত্রী শক্তি মোদিক ওপ্পাম’।

    কারা উপস্থিত থাকবেন সভায়?

    বাংলা তর্জমা করলে দাঁড়ায় ‘প্রধানমন্ত্রী মোদির সঙ্গে স্ত্রী সশক্তিকরণ’। সভার আয়োজক বিজেপির কেরালা ইউনিট। সংসদের উভয় কক্ষেই পাশ হয়েছে মহিলা সংরক্ষণ বিল। তাই বিজেপির তরফে প্রধানমন্ত্রীকে জানানো হবে সংবর্ধনা। সেই কারণেই এই মহিলা সম্মেলন। প্রধানমন্ত্রীর এই সভায় যোগ দেবেন সমাজের বিভিন্ন অংশের মহিলারা। এঁদের মধ্যে যেমন থাকবেন অঙ্গনওয়াড়ি শিক্ষিকা, আশাকর্মী, মহিলা উদ্যোগপতি, শিল্পী, তেমনি থাকবেন একশো দিনের কর্মী এবং নেবারহুড নেটওয়ার্ক ওয়ার্কারস এবং সোশ্যাল অ্যান্ড কালচারাল অ্যক্টিভিস্টসরা।

    কেরলে বিজেপির পরিকল্পনা

    কেরলে রাজ করছে সিপিএম নেতৃত্বাধীন এলডিএফ এবং কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউডিএফ। এখানেই পা রাখতে চাইছে বিজেপি (PM Modi)। কেরলে লোকসভার আসন একটি। সেই অর্থে ভোটের নিরিখে রাজ্যটির গুরুত্ব তুলনায় কম। তবে যেহেতু কংগ্রেস ও সিপিএম অস্তিত্বের সঙ্কটে ভুগছে, তাই কেরলে পায়ের নীচের মাটি শক্ত করতে চাইছে বিজেপি। কেরল বিজেপি সম্প্রতি জানিয়ে দিয়েছে, লোকসভা নির্বাচনের আগে দক্ষিণের এই রাজ্যে ঘন ঘন আসবেন কেন্দ্রীয় নেতারা। তাঁরা শুনবেন কেরলবাসীর অভাব-অভিযোগের কথা। কংগ্রেসের বেলাগাম দুর্নীতি এবং শাসক সিপিএমের বিরুদ্ধে জোরালো প্রতিষ্ঠান বিরোধী হাওয়া, এই দুয়ের জেরে কেরলে ভালো ফলের আশা করছে রাজ্য বিজেপি। সেই কারণেই শান দেওয়া হচ্ছে ‘স্ত্রী-শক্তি’তে।

    আরও পড়ুুন: ‘কালীঘাটের কাকু’ এতদিন এসএসকেএমে কেন? হাইকোর্টে বিজেপি

    কেরল বিজেপির সভাপতি কে সুরেন্দ্রন বলেন, “সমাজের বিভিন্ন অংশের মহিলা, বিশেষত সমাজের নানা ক্ষেত্রে যাঁরা প্রতিষ্ঠিত কিংবা উল্লেখযোগ্য অবদান রেখেছেন, তাঁরা ত্রিশূরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির এই সভায় যোগ দেবেন।” তিনি বলেন, “অভিনেত্রী তথা নৃত্যশিল্পী শোভনা, ক্রিকেটার মিন্নু মানি, উদ্যোগপতি বীণা কান্নান, গায়িকা বৈকম বিজয়লক্ষ্মী এবং মারিয়াকুট্টি উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রীর (PM Modi) এই সভায়। এঁরা প্রত্যেকেই সুর চড়িয়েছেন দুর্নীতি এবং লালফিতের ফাঁসের বিরুদ্ধে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • Manipur Violence: মঙ্গলবারও হিংসা ছড়াল মণিপুরে, জঙ্গি হামলায় জখম ৭ নিরাপত্তারক্ষী

    Manipur Violence: মঙ্গলবারও হিংসা ছড়াল মণিপুরে, জঙ্গি হামলায় জখম ৭ নিরাপত্তারক্ষী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নতুন বছরের পয়লা দিনেই অশান্ত হয়েছিল মণিপুর (Manipur Violence)। গতকালই চারজন সাধারণ মানুষের মৃত্যুর খবর মেলে হিংসায়। মঙ্গলবারও সেই রেশ বজায় থাকল। একজন বিএসএফ জওয়ান সমেত সাতজন পুলিশ কর্মী গুরুতর ভাবে জখম হয়েছেন মণিপুরের হিংসায়। ঘটনাটি ঘটেছে মায়ানমারের সীমান্ত অঞ্চল মোরেহ-তে। শেষ পর্যন্ত খবর মিলেছে, এঁদের মধ্যে পাঁচজনকে ভর্তি করা হয়েছে ইম্ফলের ‘রিজিওনাল ইনস্টিটিউট অফ মেডিক্যাল সায়েন্স’-এ। মণিপুরের মুখ্যমন্ত্রী এন বীরেন সিং হাসপাতাল পরিদর্শন করেন এবং আহতদের সঙ্গে কথাও বলেন।

    হামলায় বহিরাগত হাত?

    হাসপাতালেই মণিপুরের (Manipur Violence) মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, গোটা ঘটনায় বহিরাগত শক্তির হাত থাকতে পারে। এই হামলার ঘটনায় সন্দেহ করা হচ্ছে ‘কুকি ন্যাশনাল আর্মি’কে। প্রসঙ্গত, গতকালই মণিপুরে ব্যাপক হিংসা ছড়ায়। এর পরে এদিন যৌথভাবে তল্লাশি অভিযানে নামে বিএসএফ এবং রাজ্যের পুলিশ কর্মীরা, সে সময় মায়ানমারের সীমান্তবর্তী অঞ্চলে এই ঘটনা ঘটে। হাসপাতাল থেকেই মণিপুরের মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, গোটা ঘটনার পূর্ণাঙ্গ বিবরণ ইতিমধ্যে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকে পাঠানো হয়েছে। 

    উদ্ধার করতে আসা হেলিকপ্টার লক্ষ্য করে গুলি

    জানা গিয়েছে, আহতদের উদ্ধার করতে নিরাপত্তারক্ষীরা হেলিকপ্টার নিয়ে যায়। সেই হেলিকপ্টারেও গুলিবর্ষণ করে জঙ্গিরা। প্রসঙ্গত, গত বছরের মে মাস থেকেই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে মণিপুর। এখনও পর্যন্ত ২০০ জনেরও বেশি মানুষের প্রাণ গিয়েছে হিংসায় (Manipur Violence)। গতকালের ঘটনার পরে রাজ্যের পাঁচ জেলায় কারফিউ জারি করে সরকার। কিন্তু মঙ্গলবারেও এড়ানো গেল না হিংসা।

    গতকালের ঘটনার পরে মুখ্যমন্ত্রীর বিবৃতি

    গতকালের ঘটনার পরে এদিন এক ভিডিও বার্তায় মণিপুরের মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “নিরপরাধ মানুষদের হত্যার ঘটনায় আমি অপরিসীম দুঃখিত। আমরা অপরাধীদের ধরতে পুলিশের দলগুলিকে একত্রিত করছি। আমি হাত জোড় করে লিলংয়ের বাসিন্দাদের কাছে আবেদন করছি, অপরাধীদের খুঁজে বের করতে সরকারকে সাহায্য করুন। আমি প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি, সরকার আইনের অধীনে ন্যায়বিচার দেওয়ার জন্য সর্বোচ্চ ক্ষমতা প্রয়োগ করবে। রাজ্য সরকার ঘটনাটিকে মোটেই সহজভাবে নিচ্ছে না। অপরাধীদের ধরতে এলাকায় আরও পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হবে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Fire in Flight: ভিতরে ৩৬৭ যাত্রী, রানওয়ে দিয়ে চলছে জ্বলন্ত বিমান, দেখুন ভিডিও

    Fire in Flight: ভিতরে ৩৬৭ যাত্রী, রানওয়ে দিয়ে চলছে জ্বলন্ত বিমান, দেখুন ভিডিও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভূমিকম্পের রেশ কাটতে না কাটতে এবার জাপানে যাত্রীবাহী বিমানে (Fire in Flight) ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড। সমাজমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া একাধিক ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, দাউদাউ করে জ্বলছে বিমান। সেই নিয়েই বিমানবন্দরের রানওয়ে দিয়ে তা ছুটে চলেছে। বিমানের জানলা দিয়ে রীতিমতো বের হচ্ছে আগুনের লেলিহান শিখা। অন্যদিকে, রানওয়ের অপর প্রান্তে আগুনে জ্বলছে আরও একটি বিমান। এই ছবি সামজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়েছে। কোনও ভিডিওর সত্যতা যাচাই করেনি মাধ্যম। 

    কীভাবে ঘটল ঘটনা (Fire in Flight)?

    জাপানি টিভি চ্যানেল এনএইচকের সূত্রে একটি ভিডিও ফুটেজ প্রকাশ করা হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, টোকিও হানেদা এয়ারপোর্টে অবতরণ করার সময় আগুন লেগে যায় জাপান এয়ারলাইন্সের একটি বিমানে (Fire in Flight)। রীতিমতো রানওয়েতেই জলন্ত অবস্থায় বিমানটিকে ছুটতে দেখা গিয়েছে। তবে সরকারিভাবে আগুন লাগার কারণ নিয়ে এখনও স্পষ্ট কিছু জানানো হয়নি। তবে একধিক সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে, রানওয়েতে উপকূলরক্ষী বাহিনীর আরও একটি বিমান দাঁড়িয়ে ছিল। আর অবতরণের সময় দুটি বিমানের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। আর তা থেকেই আগুন লেগে যায়। ছবিতে দেখা গিয়েছে বিমানের নীচের অংশে লাগা আগুন দাউ দাউ করে জ্বলছে।

    বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের বক্তব্য

    বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, প্লেনের (Fire in Flight) প্রত্যেক যাত্রী নিরাপদে রয়েছেন। যাত্রীবাহী বিমানে যাত্রী এবং ক্রু সদস্য মিলিয়ে মোট যাত্রীর সংখ্যা ছিল ৩৬৭ জন। বিমানটি রানওয়েতে থামার পর অত্যন্ত তৎপরতার সঙ্গে জ্বলন্ত বিমান থেকে যাত্রীদের উদ্ধার করা হয়। জাপানি সংবাদমাধ্যম সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, বিমানটি হোক্কাইডো বিমানবন্দর থেকে এসেছিল টোকিওয়। ঘটনায় দমকলের কর্মীরা বিমানের আগুন নেভানোর কাজ তৎপর হয়ে করছে বলে জানা গিয়েছে। নীচের তলা থেকে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছিল গোটা বিমানে। কেউ আহত হয়েছে কিনা এখনও স্পষ্ট হয়নি।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Kamduni Case: জবাব তলব! কামদুনি মামলায় রাজ্য ও অভিযুক্তদের নোটিশ পাঠাল সুপ্রিম কোর্ট

    Kamduni Case: জবাব তলব! কামদুনি মামলায় রাজ্য ও অভিযুক্তদের নোটিশ পাঠাল সুপ্রিম কোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কামদুনি মামলার (Kamduni Case) সঙ্গে জড়িত সবাইকে নোটিশ পাঠিয়ে জবাব তলব করল সুপ্রিম কোর্ট। কামদুনিতে মৃতার পরিবারের পক্ষ থেকে রাজ্য এবং আট অভিযুক্তর বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করা হয়েছিল। কামদুনি মামলায় সুবিচার চেয়ে দিল্লি গিয়েছিলেন মৃতার পরিবার এবং প্রতিবাদীরা। মঙ্গলবার সেই মামলার প্রথম শুনানি ছিল। কিন্তু আজ শুনানি বেশি দূর এগোয়নি। কারণ আদালত আজ মামলায় সঙ্গে জড়িত সকলের উদ্দেশে নোটিশ জারি করে।  অভিযুক্ত আট জনের পাশাপাশি, রাজ্য সরকারকেও নোটিশ দিয়েছে শীর্ষ আদালত (Supreme Court)।

    সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ নির্যাতিতার পরিবার 

    ২০১৩ সালের কামদুনি গণধর্ষণ মামলায়  (Kamduni Case) গত ৬ অক্টোবর রায় ঘোষণা করে কলকাতা হাইকোর্ট। বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর ডিভিশন বেঞ্চ নির্দেশ দেয়, নিম্ন আদালতে যাদের ফাঁসির সাজা দেওয়া হয়েছিল, সেই সাজা রদ করা হচ্ছে। শুধু তাই নয়, যেসব অভিযুক্তদের আমৃত্যু কারাদণ্ড দিয়েছিল নগর দায়রা আদালত, তাদের বেকসুর খালাসের নির্দেশ দেওয়া হয়। এরপরই কামদুনি গণধর্ষণ কাণ্ডের প্রতিবাদে আন্দোলনের প্রথম সারিতে থাকা মৌসুমী কয়াল, টুম্পা কয়ালরা সুপ্রিম কোর্টে যাওয়ার কথা জানান। নির্যাতিতার পরিবারের পাশে থাকার কথা জানিয়ে দেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে নির্যাতিতার দাদা শীর্ষ আদালতে একটি পৃথক মামলা করেন। মামলাকারীদের দাবি ছিল, নিম্ন আদালত যে রায় দিয়েছে, তা যাতে বহাল থাকে, সে কারণে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন তাঁরা। 

    আরও পড়ুন: চলতি সপ্তাহের শেষে বৃষ্টি! বছরের শুরুতে নামল পারদ, কী বলছে হাওয়া অফিস?

    রাজ্যকে নোটিশ শীর্ষ আদালতের

    মঙ্গলবার সেই মামলার শুনানিতে সুপ্রিম কোর্ট রাজ্য ও ৮ অভিযুক্ত কাছে জবাব চেয়েছে। আদালত বলেছে, মামলাকারীর আবেদনের ভিত্তিতে সকলকে নিজেদের জবাব হলফনামা আকারে জমা দিতে হবে। হলফনামা দেওয়ার পরেই এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে। কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ রায় ঘোষণার পর থেকেই সিআইডি তদন্তে গাফিলতির অভিযোগ তুলে আসছে নির্যাতিতার পরিবার। অন্য দিকে, কামদুনিকাণ্ডে হাইকোর্টের নির্দেশ চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে রাজ্য সরকারও। সুপ্রিম কোর্ট থেকে সুবিচার মিলবে বলে আশাবাদী নির্যাতিতার পরিবার। দীর্ঘ ১০ বছরের লড়াই চালিয়ে যেতে বদ্ধপরিকর পরিবারের সদস্যরা। প্রতিবাদী মৌসুমী কয়াল বলেন, “সুপ্রিম কোর্টে মামলা গৃহীত হয়েছে। আমাদের আইনজীবী সিদ্ধার্থ রুদ্র আশ্বাস দিয়েছেন যে, কামদুনির নির্যাতিতা তাঁরও বোন। আমরা আশা করছি বিচার পাব। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি যে উনি আমাদের এতদূর আসতে সাহায্য করেছেন।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Goldy Brar: গোল্ডি ব্রারকে ‘জঙ্গি’ তকমা কেন্দ্রের, শুনবেন গ্যাংস্টারের কীর্তি?

    Goldy Brar: গোল্ডি ব্রারকে ‘জঙ্গি’ তকমা কেন্দ্রের, শুনবেন গ্যাংস্টারের কীর্তি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লরেন্স বিষ্ণোই গ্যাংয়ের সদস্য গ্যাংস্টার গোল্ডি ব্রারকে (Goldy Brar) জঙ্গি তকমা দিল কেন্দ্র। পাঞ্জাবের জনপ্রিয় গায়ক সিধু মুসাওয়ালা খুনের অন্যতম অভিযুক্ত গোল্ডি। বলিউড তারকা সলমন খানকেও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

    কে এই গোল্ডি? 

    ২০২২ সালে খুন হন পাঞ্জাবি গায়ক সিধু। ওই ঘটনায়ও জড়িয়ে যায় গোল্ডির নাম। কানাডার বাসিন্দা এক গ্যাংস্টারের মদতেই সিধুকে খুন করা হয়। পরে খুনের দায় কবুল করে গোল্ডি। খালিস্তানপন্থী এই নেতার বিরুদ্ধে জারি হয়েছে ইন্টারপোলের নোটিশ। জামিন অযোগ্য ধারায় জারি হয়েছে ওয়ারেন্টও। তার পরেও ছোঁয়া যায়নি বছর সাতাশের এই জঙ্গির টিকি। ১৯৯৪ সালে পাঞ্জাবের ফরিদকোটে জন্ম হয় গোল্ডির। চণ্ডীগড় বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক। পড়াশোনা করার সময় জড়িয়ে পড়ে ছাত্র রাজনীতিতে। সেই সময়ই রাজস্থানের জয়পুরের গ্যাংস্টার লরেন্স বিষ্ণোইয়ের সঙ্গে পরিচয় হয় গোল্ডির। ২০১৭ সালে স্টুডেন্ট ভিসা নিয়ে চলে যায় কানাডায়। তারপর আর ভারতে ফেরেনি। কানাডায় গিয়ে ট্র্যাকার হিসেবে কিছুদিন কাজ করে সে। বর্তমানে এ প্লাস ক্যাটেগরির গ্যাংস্টার গোল্ডি। অপরাধ জগতে তার পরিচয় লরেন্সের ‘ডান হাত’ হিসেবে। অন্তরালে থেকেই দিব্যি চালিয়ে যাচ্ছে সন্ত্রাসী কার্যকলাপ। পুলিশের চোখে ধুলো দিতে বারবার করছে রংবদল।  

    গোল্ডির বিরুদ্ধে অভিযোগ

    সীমান্তে চোরাচালান, গ্রেনেড-সহ বিভিন্ন আগ্নেয়াস্ত্র এবং বিস্ফোরক পাচারেও সে যুক্ত বলে অভিযোগ। খুনের সুপারিও দেয় সে। পাঞ্জাবে অশান্তি ছড়ানো, নাশকতা-সহ দেশবিরোধী কার্যকলাপেও সে যুক্ত। এহেন গ্যাংস্টারকে সোমবার জঙ্গি দাগিয়ে দিল কেন্দ্র। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, ইউএপিএ আইনের আওতায় গোল্ডিকে সন্ত্রাসবাদী ঘোষণা করা হয়েছে। জানা গিয়েছে, নিষিদ্ধ খালিস্তানপন্থী সংগঠন বাব্বর খালসা ইন্টারন্যাশনালের সঙ্গে যোগ রয়েছে গোল্ডির (Goldy Brar)।

    ভারতে গোল্ডির বিরুদ্ধে অন্তত ১৩টি মামলা রয়েছে। কানাডা সরকারও তাকে দেশের ২৫ জন ‘মোস্ট ওয়ান্টেড’ অপরাধীর একজন বলে চিহ্নিত করেছে। সলমন খানকে হুমকি-মেইল পাঠানোর অভিযোগে বিষ্ণোই ও গোল্ডির বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে মুম্বই পুলিশ। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, গোল্ডি ব্রারের সঙ্গে আন্তঃসীমান্ত সন্ত্রাসবাদী সংগঠনগুলির যোগাযোগ রয়েছে। একাধিক খুনের মাস্টারমাইন্ডও সে। ভারতের একাধিক নেতাকে হুমকি দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে গোল্ডির (Goldy Brar) বিরুদ্ধে।

    আরও পড়ুুন: এবার বম্বে স্টক এক্সচেঞ্জ ওড়ানোর হুমকি খালিস্তানি জঙ্গি পান্নুনের মুখে

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

     

  • Ram Mandir: রাম মন্দির ঘিরে বদলে যাচ্ছে অযোধ্যা, ১০ বছরে বিনিয়োগ হবে ৮৫ হাজার কোটি!

    Ram Mandir: রাম মন্দির ঘিরে বদলে যাচ্ছে অযোধ্যা, ১০ বছরে বিনিয়োগ হবে ৮৫ হাজার কোটি!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাম মন্দিরকে (Ram Mandir) কেন্দ্র করে সাজো সাজো রব অযোধ্যায়। আগামী ২২ জানুয়ারি রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠা করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এই মন্দির প্রতিষ্ঠাকে কেন্দ্র করেই বদলে যাচ্ছে সামগ্রিক অযোধ্যার চিত্র। আগেই জানা গিয়েছে, ১৭৮টি প্রকল্প বর্তমানে চলছে অযোধ্যায়। আন্তর্জাতিক মানের শহর গড়ে তোলা হচ্ছে রামনগরীকে। গত ৩০ ডিসেম্বর মহর্ষি বাল্মিকী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। আগামী ১০ বছরে অযোধ্যায় ৮৫ হাজার কোটি টাকার বিনিয়োগ হবে বলে জানা গিয়েছে।

    ২০৩১ সালের মধ্যে সম্পূর্ণ পরিকল্পনা শেষ হবে বলে জানা গিয়েছে 

    সম্পূর্ণ পরিকল্পনা ২০৩১ সালের মধ্যে শেষ হবে বলে জানা গিয়েছে। মনে করা হচ্ছে, রাম মন্দিরের (Ram Mandir) উদ্বোধনের পরেই প্রতিদিন গড়ে তিন লক্ষ মানুষের পা পড়বে অযোধ্যার পূণ্যভূমিতে। অযোধ্যা শহর লাগোয়া নতুন টাউনশিপ গড়ে উঠবে ১,২০০ একর জায়গাজুড়ে। এই নতুন উপনগরীকে নতুনভাবে এবং ধীরে ধীরে গড়ে তোলা হবে আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে। এর জন্য বাজেট ধরা হয়েছে ২,২০০ কোটি টাকা। বিশ্বমানের পর্যটন কেন্দ্র হিসেবেও গড়ে তোলা হবে অযোধ্যাকে। আধ্যাত্মিকতা, সংস্কৃতি এবং ঐতিহ্যগত ভূমিতে পরিণত হবে রামনগরী। স্থপতিশিল্পী এবং শহর পরিকল্পনাকারী দিক্সু কুকরেজা যিনি এই পুরো পরিকল্পনাটির নীল নকশা তৈরি করেছেন, তিনি জানিয়েছেন যে, সমস্ত রকমের অত্যাধুনিক মানের সুবিধা এবং পরিষেবা মিলবে অযোধ্যায়। পুণ্যার্থীদের ঢল এখানে এতটাই নামতে চলেছে যে অনুমান করা হচ্ছে সেখানকার স্থানীয় বাসিন্দা এবং তীর্থযাত্রীদের অনুপাত দাঁড়াবে ১:১০।

    ৮৭৫ বর্গ কিমি এলাকাজুড়ে গড়ে উঠবে পর্যটন ব্যবস্থা

    তীর্থযাত্রীদের পা পড়তেই ফুলে ফেঁপে উঠবে অযোধ্যার বাণিজ্য। সব থেকে ভালো চলবে হোটেল ব্যবসা। পরিকল্পনা অনুযায়ী, তীর্থযাত্রীদের (Ram Mandir) থাকার জন্য সেখানে গড়ে উঠবে সরকারি গেস্ট হাউস, হোটেল সমেত আরও অন্যান্য বাসস্থান। নকশা অনুযায়ী, ৩১.৫ বর্গ কিলোমিটার বিস্তৃত মূল শহরের এলাকা ও ১৩৩ বর্গ কিলোমিটার এলাকা বিস্তৃত বর্তমানে পরিকল্পিত শহর এলাকা সহ মোট ৮৭৫ বর্গ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে অযোধ্যা উন্নয়ন পর্ষদ এলাকায় বিভিন্ন পরিকাঠামো ও পর্যটন কেন্দ্রিক কাজ হবে।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share