Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Assembly Elections 2023: পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা ভোট কবে? নির্ঘণ্ট ঘোষণা নির্বাচন কমিশনের

    Assembly Elections 2023: পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা ভোট কবে? নির্ঘণ্ট ঘোষণা নির্বাচন কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপির মোকাবিলায় এখনও সেভাবে জোট বাঁধতে পারেনি ‘ইন্ডি’ জোটের সদস্য রাজনৈতিক দলগুলি। এমতাবস্থায় পাঁচ রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের (Assembly Elections 2023) দিনক্ষণ ঘোষণা করে দিল জাতীয় নির্বাচন কমিশন। সোমবার দিল্লির নির্বাচন সদনে সাংবাদিক বৈঠক করে নির্ঘণ্ট জানিয়ে দিলেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার রাজীব কুমার।

    নির্বাচনের নির্ঘণ্ট

    যে পাঁচটি রাজ্যে এদিন নির্বাচন ঘোষণা করা হয়েছে, সেগুলি হল রাজস্থান, মধ্যপ্রদেশ, ছত্তীসগড়, তেলঙ্গনা এবং মিজোরাম। এর মধ্যে মিজোরাম বিধানসভার মেয়াদ শেষ হবে ডিসেম্বরে। বাকি চারটি রাজ্যের বিধানসভার মেয়াদ শেষ হবে জানুয়ারিতে। মধ্যপ্রদেশে নির্বাচন (Assembly Elections 2023) হবে ১৭ নভেম্বর। রাজস্থানে নির্বাচন হবে ২৩ নভেম্বর। ৩০ নভেম্বর নির্বাচন হবে তেলঙ্গনায়। ৭ নভেম্বর নির্বাচন হবে মিজোরামে। এই চার রাজ্যে এক দফায় নির্বাচন হলেও, ছত্তিশগড়ে হবে দু’ দফায়। প্রথম দফার নির্বাচন হবে ৭ নভেম্বর, পরের দফায় হবে ১৭ নভেম্বর।

    ফল ঘোষণা কবে?

    পাঁচটি রাজ্যে আলাদা আলাদা দিনে নির্বাচন হলেও, ফল ঘোষণা হবে একই দিনে, ৩ ডিসেম্বর। ৫ ডিসেম্বরের মধ্যে শেষ হবে নির্বাচন-পর্ব। আগামী বছর রয়েছে লোকসভা নির্বাচন। তার আগে দেশের প্রতিটি রাজনৈতিক দলই এই পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনকে অ্যাসিড টেস্ট হিসেবেই দেখছে।

    ভোটমুখী এই পাঁচ রাজ্যের মধ্যে ছত্তীশগড় ও রাজস্থানে ক্ষমতায় রয়েছে কংগ্রেস। এখানে বিজেপির সঙ্গে সরাসরি লড়াই হবে গ্র্যান্ড ওল্ড পার্টির। গত বিধানসভা নির্বাচনে মধ্যপ্রদেশের রাশ যায় কংগ্রেসের হাতে। পরে দুই বিধায়ক বিজেপিকে সমর্থন করায় রাজ্যের কুর্সিতে বসে বিজেপি। তেলঙ্গনায় ক্ষমতায় রয়েছে ভারত রাষ্ট্র সমিতি। এ রাজ্যে হতে পারে ত্রিমুখী লড়াই। আর পাহাড়ি রাজ্য মিজোরামে লড়াই হবে মূলত কংগ্রেস বনাম মিজো ন্যাশনাল ফ্রন্টের।

    আরও পড়ুুন: নিজ্জর খুনে হাত রয়েছে বেজিংয়ের! দাবি চিনা বংশোদ্ভূত ইউটিউবারের

    নির্বাচন কমিশনের (Assembly Elections 2023) তরফে জানানো হয়েছে পাঁচ রাজ্যের মোট ৬৭৯টি বিধানসভা কেন্দ্রে হবে ভোটগ্রহণ। নতুন ভোটারের সংখ্যা ৬০ লক্ষ। মোট ভোটারের সংখ্যা ১৬.১ কোটি। মোট বুথ ১.৭৭ লক্ষ।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • IAF Foundation Day: বায়ুসেনার প্রতিষ্ঠা দিবসে সেনানিদের শুভেচ্ছা জানালেন শাহ, সচিন

    IAF Foundation Day: বায়ুসেনার প্রতিষ্ঠা দিবসে সেনানিদের শুভেচ্ছা জানালেন শাহ, সচিন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রবিবার ছিল ৯১তম এয়ার ফোর্স (IAF Foundation Day) প্রতিষ্ঠা দিবস। এদিন ভারতীয় বায়ুসেনার সদস্যদের শুভেচ্ছা জানান কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংহ এবং উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। এদিন সকালে প্রয়াগরাজের বামরাউলি এয়ারফোর্স স্টেশনে প্রতিষ্ঠা দিবস উপলক্ষে প্যারেড করেন এয়ারফোর্সের সদস্যরা। এক্স হ্যান্ডেলে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ লেখেন, ভারতীয় বায়ুসেনার সদস্য ও তাঁদের পরিবারকে ৯১তম প্রতিষ্ঠা দিবস উপলক্ষে শুভেচ্ছা ও উষ্ণ অভ্যর্থনা জানাই। আমাদের বায়ুযোদ্ধাদের নিয়ে আমরা গর্বিত। ভারতকে নিরাপদ রাখার ক্ষেত্রে এঁরা তাৎপর্যপূ্র্ণ ভূমিকা পালন করছেন। ভারতীয় বায়ুসেনা আজ অদম্য শক্তি। সীমান্ত ছাড়িয়েও ক্ষমতা দেখিয়েছে তারা। ইন্ডিয়ান এয়ারফোর্স ডে-তে বায়ুসেনাদের শুভেচ্ছা জানাই।”

    কী বললেন রাজনাথ সিংহ?

    এক্স হ্যান্ডেল বার্তায় প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংহ লিখেছেন, “স্টিলের ডানা এবং অন্তর থেকে উঠে আসা সাহসের জেরে ভারতীয় বায়ু সেনা যুদ্ধের সময় দেশের স্বার্থ বজায় রেখে চলেছে। এই পবিত্র অনুষ্ঠান উপলক্ষে দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় তাঁদের সেবা ও বলিদানকে কুর্নিশ করি।”

    যোগীর ট্যুইট-বার্তা 

    ভারতীয় বায়ুসেনাকে (IAF Foundation Day) শুভেচ্ছা জানিয়েছেন উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথও। ট্যুইট-বার্তায় তিনি লিখেছেন, “ইন্ডিয়ান এয়ারফোর্স ডে-তে ভারতীয় বায়ুসেনার সাহসী সেনানি ও তাঁদের পরিবারকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাই। আমরা সবাই তাঁদের সাহসিকতার সোনালি ইতিহাস সম্পর্কে গর্ববোধ করি। ভারত মাতাই এই সব বীর সন্তানদের জন্ম দিয়েছে। জয় হিন্দ।”

    ১৯৩২ সালের ৮ অক্টোবর প্রতিষ্ঠা হয় ভারতীয় এয়ারফোর্সের। তার পর থেকে প্রতিবছর দিনটি পালন করে ভারতীয় বায়ু সেনা। পরাধীন ভারতে রয়্যাল এয়ারফোর্সের সমর্থনে গড়া হয়েছিল ইন্ডিয়ান এয়ারফোর্স। প্রতিষ্ঠা বর্ষের পরের বছরই অপারেশন চালিয়েছিল তারা।

    আরও পড়ুুন: “উন্নত দেশ গড়তে হলে প্রয়োজন আঁটোসাঁটো নিরাপত্তার ব্যবস্থা”, বললেন শাহ

    ভারতীয় বায়ুসেনার সদস্য ও তাঁদের পরিবারকে বায়ুসেনা দিবসের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রাক্তন ক্রিকেটার সচিন তেণ্ডুলকরও। ভিডিও বার্তায় তিনি (IAF Foundation Day) বলেছেন, “ভারতীয় বায়ুসেনার ৯১তম পূর্তি দিবসে আমি বায়ুসেনার সদস্য ও তাঁদের পরিবারকে শুভেচ্ছা জানাই। ভারতীয় বায়ুসেনাকে আমি ধন্যবাদ জানাই কারণ তারা আমাকে তাদের পোশাক গায়ে চাপানোর সুযোগ দিয়েছে।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Amit shah: “উন্নত দেশ গড়তে হলে প্রয়োজন আঁটোসাঁটো নিরাপত্তার ব্যবস্থা”, বললেন শাহ

    Amit shah: “উন্নত দেশ গড়তে হলে প্রয়োজন আঁটোসাঁটো নিরাপত্তার ব্যবস্থা”, বললেন শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “একটি দেশকে উন্নতির শিখরে নিয়ে যেতে হলে প্রয়োজন শক্তপোক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা।” শনিবার কথাগুলি বললেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit shah)। এদিন দেরাদুনে ৪৯তম অল ইন্ডিয়া পুলিশ সায়েন্স কংগ্রেসের (AIPSC) যোগ দিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। সেখানেই আঁটোসাঁটো নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে মন্তব্য করেন তিনি।

    প্রসঙ্গ জম্মু-কাশ্মীর

    শাহ বলেন, “জম্মু-কাশ্মীরের তিনটি হটস্পটে নরেন্দ্র মোদির সরকার আইনশৃঙ্খলার উন্নতি ঘটানোর ক্ষেত্রে ব্যাপক সাফল্য পেয়েছে। উত্তর-পূর্বে বামপন্থী অধ্যুষিত এলাকায়ও আইন-শৃঙ্খলার উন্নতি হয়েছে।” তিনি বলেন, “স্বাধীনতার ১০০ বছর পূর্তিতে দেশকে সব ক্ষেত্রে সাফল্যের শীর্ষে পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনা করছে মোদি সরকার।” কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “এজন্য কঠোর পরিশ্রম প্রয়োজন। কিন্তু প্রথমে যেটা প্রয়োজন, সেটা হল আইন-শৃঙ্খলা বজায় রাখা। অভ্যন্তরীণ ও সীমান্তে নিরাপত্তা বজায় রাখাও প্রয়োজন। এজন্য স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক বিভিন্ন ক্ষেত্রে পরিবর্তন এনেছে। এবং এখন যখন অমৃতকাল চলছে, তখন ওই পরিবর্তনগুলি প্রয়োগ করা প্রয়োজন। সেই কারণে পুলিশ সায়েন্স কংগ্রেস খুব গুরুত্বপূর্ণ।”

    উন্নয়নের জোয়ার

    শাহ (Amit shah) বলেন, “আমি আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বলতে পারি, ৩৭০ ধারা অবলুপ্তির পর এই দেশের প্রতিটি ব্যক্তি জম্মু-কাশ্মীরের পরিস্থিতি দেখে স্বস্তির শ্বাস ফেলতে পারেন। তাঁরা এই ভেবে আশ্বস্ত হচ্ছেন যে জম্মু-কাশ্মীর চিরকালের জন্যই ভারতের। একই রকমভাবে বামপন্থী সন্ত্রাসবাদী অধ্যুষিত এলাকায় গ্রামে গ্রামে পৌঁছে যাচ্ছে উন্নয়নের জোয়ার। স্বাস্থ্য, শিক্ষা এবং পরিকাঠামোর উন্নয়ন হচ্ছে সব রাস্তায়, এলাকায়। উত্তর-পূর্বে শান্তি স্থাপনেও নরেন্দ্র মোদি সরকার সফল।

    আরও পড়ুুন: পুর-নিয়োগ দুর্নীতিতে ফিরহাদ-মদনের বাড়িতে সিবিআই হানা

    শাহ বলেন, “২০০৪ থেকে ২০১৪ এই ১০ বছরে ১১ হাজার ৯৪৭ জন নিরাপত্তা বাহিনী ও সাধারণ মানুষের মৃত্যু হয়েছে। আর তার পরের ৯ বছরে মৃত্যু হয়েছে ৩ হাজার ২৪০ জনের। আমি আপনাদের আশ্বস্ত করতে পারি, আগামী পাঁচ বছরে এই সংখ্যাটা আরও কমবে।” কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী (Amit shah) বলেন, “আইপিসি, সিআরপিসি অথবা ১৮৬০ সালের এভিডেন্স অ্যাক্টে কোনও পরিবর্তন হয়নি। যে কোনও আইন পঞ্চাশ বছর পর অচল হয়ে যায়। অপরাধের ধরন বদলেছে, অথচ তাদের সঙ্গে পাল্লা দেওয়ার মতো আইন তৈরি হয়নি।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sikkim Disaster: সিকিমের প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে মৃত্যু বেড়ে ৫৬, এখনও নিখোঁজ শতাধিক

    Sikkim Disaster: সিকিমের প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে মৃত্যু বেড়ে ৫৬, এখনও নিখোঁজ শতাধিক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সিকিমের প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে (Sikkim Disaster) লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে মৃত্যু। এখনও পর্যন্ত যা খবর, মৃতের সংখ্যা ৫৬ হয়েছে। এর মধ্যে ২৬ জনের দেহ উদ্ধার হয়েছে সিকিমে। বাকি ৩০ জনের দেহ উদ্ধার হয়েছে পশ্চিমবঙ্গে। সেনা জওয়ান সহ নিখোঁজ আরও শতাধিক।

    মৃত্যু বেড়ে ৫৬, নিখোঁজ শতাধিক

    সিকিম বিপর্যয়ের (Sikkim Disaster) ঘটনার পর তিন দিন কেটে গিয়েছে। আবহাওয়ার উন্নতি হওয়ায় পুরোদমে উদ্ধার প্রক্রিয়া চলছে। আর তাতেই বেরিয়ে পড়ছে মৃতদেহগুলি। মূলত তিস্তা নদীর পাড় থেকেই একের পর এক দেহ উদ্ধার হচ্ছে। সিকিমে এ পর্যন্ত ২৬টি দেহ উদ্ধার হয়েছে। সিকিম প্রশাসন জানিয়েছে, মংগন জেলা থেকে ৪, গ্যাংটক থেকে ৬, পাকিয়ং থেকে ১৬ জনের দেহ উদ্ধার হয়েছে, তার মধ্যে রয়েছে সাত জওয়ানের দেহ। পাশাপাশি, পশ্চিমবঙ্গ সরকারের তরফে জানানো হয়েছে, শিলিগুড়ি, জলপাইগুড়ি, কোচবিহারের তিস্তা অববাহিকায় ৩০টি দেহ উদ্ধার হয়েছে। উদ্ধারকাজ এগোলে এই সংখ্যাটা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। 

    ভেসে আসা গোলাবারুদ নিষ্ক্রিয় করছে সেনা

    এদিকে, সেনা ছাউনি থেকে হড়পা বানে (Sikkim Disaster) যে বিপুল পরিমাণ গোলাবারুদ ভেসে গিয়েছে, তা জনসাধারণের হাতে এসে যাওয়ায় নতুন আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে। ইতিমধ্যেই, তিস্তার জলের তোড়ে ভেসে আসা মর্টার শেলের বিস্ফোরণে বৃহস্পতিবার জলপাইগুড়িতে মৃত্যু হয় দুই শিশুর। গুরুতর জখম হন ছ’জন। এর পরই, সেনা ও প্রশাসনের তরফে সতর্কবার্তা জারি করা হয়েছে। বিস্ফোরক উদ্ধার করে নিষ্ক্রিয় করতে তৎপর সেনা। যেখানেই মর্টার শেল বা ওই জাতীয় বিস্ফোরক উদ্ধার করা হচ্ছে, তা সেখানেই বিস্ফোরণ ঘটিয়ে নিষ্ক্রিয় করা হচ্ছে।

    ঝুঁকি নিয়ে চলছে উদ্ধারের কাজ

    প্রাকৃতিক দুর্যোগে (Sikkim Disaster) তছনছ সিকিম। চারদিকে শুধুই ধ্বংসের ছবি। তার মধ্যেই প্রবল ঝুঁকি নিয়ে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় উদ্ধারকার্যে নেমে পড়েছে সেনা ও জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর টিম। এনডিআরএফ-এর মোট ৮টি টিম সিকিম ও উত্তরবঙ্গে রয়েছে। সিকিমের সিংতাম, গ্যাংটক,  রংপোয় রয়েছে উদ্ধারকারী দল। এছাড়া, জলপাইগুড়ির গাজোলডোবা, ওদলাবাড়ি, মাল ব্লক, কতোয়ালি-সহ বিভিন্ন জায়গায় মোতায়েন রয়েছে এনডিআরএফ। শুক্রবার থেকেই উত্তর সিকিমে আটকে পড়া পর্যটকদের নিরাপদে সরাতে এয়ারলিফ্টিং শুরু করা হচ্ছে বলে জানানো হয়। বিকল্প রাস্তাও খুলে দেওয়া হয়েছে। পর্যটকদের ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা চলছে।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • NIA Alert: প্রধানমন্ত্রীকে হত্যা, মোদি স্টেডিয়াম ওড়ানোর হুমকি-ইমেল এনআইএ-কে! দেশজুড়ে সতর্কতা বৃদ্ধি

    NIA Alert: প্রধানমন্ত্রীকে হত্যা, মোদি স্টেডিয়াম ওড়ানোর হুমকি-ইমেল এনআইএ-কে! দেশজুড়ে সতর্কতা বৃদ্ধি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির প্রাণনাশের হুমকি-চিঠি পাঠানো হল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ-র কাছে। এর পরই দেশজুড়ে সতর্কতা বৃদ্ধি (NIA Alert) করেছে গোয়েন্দা সংস্থাগুলি।

    কী বলা হয়েছে হুমকি-ইমেলে?

    ইংরেজি দৈনিক ‘দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস’-এ প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, কিছুদিন আগে এনআইএ-র কাছে একটি হুমকি-ইমেল পাঠানো হয়। চিঠিতে অবিলম্বে জেলবন্দি গ্যাংস্টার লরেন্স বিষ্ণোই-এর মুক্তির দাবি করা হয়েছে। একইসঙ্গে ৫০০ কোটি টাকা দিতে হবে বলেও দাবি করা হয়েছে। চিঠি অনুযায়ী, এটা না করলে প্রধানমন্ত্রীকে হত্যা (Threat to PM Modi) করা হবে হুমকি দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে দেশ তথা বিশ্বের বৃহত্তম ক্রিকেট স্টেডিয়াম— আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়াম উড়িয়ে দেওয়ার হুমকিও দেওয়া হয়েছে ওই ইমেলে (NIA Alert)। 

    হুমকি-চিঠির জেরে সতর্কতা বৃদ্ধি

    হুমকি-চিঠি পাঠানো হয় এনআইএ-র মুম্বই দফতরে। এর পরই সঙ্গে সঙ্গে এনআইএ-র তরফে যোগাযোগ করা হয় মুম্বই পুলিশের সঙ্গে। চিঠির বিষয়বস্তু সম্পর্কে পুলিশকে অবগত করা হয়। প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা যেহেতু জড়িত এবং চিঠিতে যেহেতু তাঁর প্রাণনাশের হুমকি (Threat to PM Modi) দেওয়া হয়েছে, তাই কালক্ষেপ না করে, প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা ও সুরক্ষার সঙ্গে জড়িত সকল গোয়েন্দা ও নিরাপত্তা সংস্থার সঙ্গেও যোগাযোগ করে এনআইএ (NIA Alert)। তাদের পুরো বিষয়টার ‘ব্রিফ’ দেওয়া হয়। পাশাপাশি গুজরাট পুলিশের সঙ্গেও যোগাযোগ করা হয়েছে বলে এআইএ সূত্রকে উদ্ধৃত করে দাবি করা হয়েছে ওই প্রতিবেদনে।

    ক্রিকেট স্টেডিয়ামগুলোর নিরাপত্তায় জোর

    একইসঙ্গে, ক্রিকেট স্টেডিয়াম উড়িয়ে দেওয়ার হমকিকেও যথেষ্ট গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। দেশে এই মুহূর্তে চলছে ক্রিকেট বিশ্বকাপ। আর বলা বাহুল্য, নরেন্দ্র মোদি ক্রিকেট স্টেডিয়াম হল সবচেয়ে বড় আকর্ষণ। ফলে, যে কোনও ধরনের নাশকতামূলক হামলার চেষ্টা ও তার সম্ভাবনার বিষয়টিকে চূড়ান্ত গুরুত্ব দিয়ে বিচার করা হচ্ছে। জানা গিয়েছে, এই হুমকি-চিঠি প্রাপ্তির পরই, দেশজুড়ে সতর্কতা বৃদ্ধি করা হয়েছে। শুধু নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়াম নয়, মুম্বইয়ের ওয়াংখেড়ে সহ বিশ্বকাপের সবকটি স্টেডিয়ামের সুরক্ষা-বলয় আরও শক্তিশালী করা হয়েছে। নিরাপত্তাকে আরও আঁটসাঁট করা হয়েছে (NIA Alert)। 

    চিঠির উৎস কোথায়? খোঁজ করছেন গোয়েন্দারা

    ২০১৪ সাল থেকে জেলে বন্দি গ্যাংস্টার লরেন্স বিষ্ণোই। তবে, অভিযোগ, জেলের ভিতর থেকেই সে তার নেটওয়ার্ক সক্রিয় রেখেছে। তার বিরুদ্ধে পাঞ্জাবি গায়ক সিধু মুসেওয়ালাকে হত্যার মামলা চলছে। মুসওয়ালার উপর হামলার দায় স্বীকার করেছিল বিষ্ণোই। তার আগে, বলিউড তারকা সলমন খানকেও হত্যার হুমকি দিয়েছিল এই গ্যাংস্টার। প্রতিবেদন অনুযায়ী, হুমকি চিঠিতে দাবি করা হয়েছে, হিন্দুস্তানে সব কিছু পাওয়া যায়, এবং তারা সেই সব জিনিস কিনেও ফেলেছে। তাদের দাবি, যতই সুরক্ষা বাড়ানো হোক, কেউ নিস্তার পাবে না। হুমকি-চিঠির (Threat to PM Modi) উৎস খুঁজতে দেশের সবকটি নিরাপত্তা ও গোয়েন্দা সংস্থা একযোগে কাজ করছে (NIA Alert)। 

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • India-Canada Row: দিল্লি থেকে বেশিরভাগ কূটনীতিককে সরাচ্ছে কানাডা! পাঠানো হচ্ছে মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুরে

    India-Canada Row: দিল্লি থেকে বেশিরভাগ কূটনীতিককে সরাচ্ছে কানাডা! পাঠানো হচ্ছে মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুরে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের কথা মানতে চলেছে কানাডা (India-Canada Row)। ‘কূটনৈতিক ভারসাম্য’ রক্ষার জন্য দেশে থাকা কানাডার কূটনীতিকদের সরিয়ে নেওয়ার জন্য জাস্টিন ট্রুডো সরকারকে ১০ অক্টোবর পর্যন্ত সময়সীমা বেঁধে দিয়েছিল ভারত। সেই মতোই কানাডা সরকার ভারত থেকে কূটনীতিকদের সরিয়ে কুয়ালালামপুর এবং সিঙ্গাপুরে পাঠাচ্ছে। ধাপে ধাপে তাঁদের সরানোর কাজ শুরু হয়েছে। 

    ভারতের নির্দেশ মানল কানাডা

    প্রসঙ্গত, কেন্দ্রীয় সরকার কানাডার (India-Canada Row) ৪১ জন কূটনৈতিককে ফিরিয়ে নিয়ে যেতে নির্দেশ দিয়েছিল। ভারতে এই মুহূর্তে ৬২ জন কানাডার কূটনীতিবিদ ছিল কানাডায় বর্তমানে ২০ জন ভারতীয় কূটনীতিক রয়েছেন। তাই ‘কূটনৈতিক ভারসাম্য’ রক্ষার জন্য কানাডার সেই সংখ্যক কূটনীতিকদেরই ভারতে থাকার বিষয়ে ট্রুডো সরকারের সঙ্গে কথা বলেছিল দিল্লি। ভারত জানিয়ে দিয়েছিল, ১০ অক্টোবরের মধ্যে ভারত থেকে অতিরিক্ত কূটনীতিকদের সরিয়ে নিতে হবে কানাডাকে। সেই মতোই নাকি ভারতে থাকা বেশিরভাগ কূটনীতিকদের সরিয়ে নিল কানাডা। 

    আরও পড়ুন: স্বপ্নপূরণ প্রধানমন্ত্রীর! এশিয়ান গেমসে শত পদক, ভারতের খেলাধুলোয় ইতিহাস

    ভারতে কানাডার সেনেটের স্পিকার

    প্রসঙ্গত, ভারত এবং কানাডার (India-Canada Row) সম্পর্ক বর্তমানে একদম তলানিতে এসে ঠেকেছে। কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো বিতর্কিত মন্তব্যের জেরে দুই দেশের কূটনৈতিকের পাশাপাশি বাণিজ্যিক সম্পর্ক ধাক্কা খেয়েছে। সদ্য ভারতে হওয়া জি ২০ সম্মেলনে এসেছিলেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী। দেশে ফিরে তিনি বলেন, কানাডায় হরদীপ সিং নিজ্জর হত্যাকাণ্ডে জড়িত রয়েছে ভারতীয় এজেন্টরা। যদিও ভারতের বিদেশমন্ত্রক সঙ্গে সঙ্গে কানাডার প্রধানমন্ত্রীর সেই দাবি প্রত্যাখ্যান করে দেয়। এই আবহে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে স্বাভাবিক করার জন্য দু’তরফেরই কূটনৈতিক প্রয়াস অব্যাহত। আগামী ১২ তারিখ (চলবে ১৪ তারিখ পর্যন্ত) নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত হতে চলছে জি২০ গোষ্ঠীভুক্ত রাষ্ট্রগুলির স্পিকারদের সম্মেলন। সেখানে আসছেন কানাডার সেনেটের স্পিকার রেমন্ড গ্যাগনে। এ ব্যাপারে পাকা কথা হয়ে গিয়েছে বলে জানিয়েছেন লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা। সূত্রের দাবি, ওই সম্মেলনে আসার কথা ছিল কানাডার সংসদীয় নিম্ন কক্ষের (হাউস অব কমন্স) নব মনোনীত অধ্যক্ষ গ্রেগ ফার্গুস-এর। কিন্তু কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্ট্রিন ট্রুডোর ঘনিষ্ঠ, লিবারাল পার্টির সাংসদ গ্রেগ ফার্গুস নিজেও কানাডার শিখ সম্প্র‍দায়, বিশেষ করে বিচ্ছিন্নতাবাদীদের প্রতি ‘সহানুভূতিশীল’ বলে পরিচিত। তাই বিতর্ক এড়াতে তাঁর জায়গায় রেমন্ড গ্যাগনেকেই দিল্লি পাঠাতে মনস্থ করেছেন ট্রুডো। 

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Amit shah: “নকশালবাদ মানবতার জন্য অভিশাপ”, দাবি শাহের, নয়া রোডম্যাপ তৈরির উদ্যোগ   

    Amit shah: “নকশালবাদ মানবতার জন্য অভিশাপ”, দাবি শাহের, নয়া রোডম্যাপ তৈরির উদ্যোগ   

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “নকশালবাদ মানবতার জন্য অভিশাপ। আমরা একে সমূলে উৎপাটন করব।” শুক্রবার ট্যুইট-বার্তায় কথাগুলি বলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit shah)। রাজধানীর বিজ্ঞান ভবনে অতিবামপন্থা দমন নিয়ে এদিন একটি পর্যালোচনা বৈঠকে যোগ দিয়েছিলেন শাহ। পরে ট্যুইট-বার্তায় তিনি জানিয়ে দেন, নকশালবাদ মানবতার জন্য অভিশাপ। শাহ ছাড়াও বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী একনাথ শিন্ডে, উপমুখ্যমন্ত্রী দেবন্দ্র ফড়নবীশ, অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী জগনমোহন রেড্ডি এবং ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেন। এঁদের পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অর্জুন মুণ্ডা, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের রাষ্ট্রমন্ত্রী নিত্যানন্দ রাই, কেন্দ্রীয় খাদ্য মন্ত্রকের রাষ্ট্রমন্ত্রী অশ্বিনী চৌবে, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রকের রাষ্ট্রমন্ত্রী দেবু সিং চৌহান এবং জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভালও।

    রোডম্যাপ তৈরির উদ্যোগ

    বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছে, নকশালবাদী কার্যকলাপ বন্ধ করতে রোডম্যাপ তৈরি করবে কেন্দ্রীয় সরকার (Amit shah)। নকশালবাদীদের দমন করতে এ পর্যন্ত যেসব পদক্ষেপ করা হয়েছে, তা নিয়েও আলোচনা হয়েছে এই বৈঠকে। ২০১৪ সালে ক্ষমতায় আসার পর থেকেই দেশের মাথাব্যথার অন্যতম কারণ নকশালবাদ দমনে নজর দিয়েছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন বিজেপি সরকার। ২০১৫ সালে গ্রহণ করা হয় অতিবামপন্থা দমনে জাতীয় নীতি।

    নকশাল অধ্যুষিত এলাকায় উন্নয়নে জোর

    নকশাল অধ্যুষিত এলাকার উন্নয়নে একটি কর্মসূচিও গ্রহণ করেছে বিজেপি সরকার। এর মধ্যে রয়েছে ১৭ হাজার ৬০০ কিমি দীর্ঘ একটি রাস্তা তৈরির অনুমোদন দেওয়ার বিষয়টিও। নকশাল অধ্যুষিত এলাকায় বসানো হয়েছে মোবাইল টাওয়ার। খোলা হয়েছে পোস্টঅফিস, ব্যাঙ্ক এবং এটিএম। এই সব এলাকায় একলব্য মডেলের আবাসিক স্কুল খোলার ওপরও জোর দিয়েছে মোদি সরকার।

    এদিকে, সন্ত্রাসবাদের প্রতি এতটাই নির্দয় মনোভাব নিতে হবে, যাতে দেশে আর নতুন করে কোনও জঙ্গি সংগঠন গড়ে না ওঠে। বৃহস্পতিবার দিল্লিতে তৃতীয় সন্ত্রাস-বিরোধী সম্মেলনের উদ্বোধন করতে গিয়ে এই নির্দেশ দেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit shah)। এই সম্মেলনের আয়োজন করেছে এনআইএ। সেখানেই সন্ত্রাসবাদ দমনে কঠিন দাওয়াই প্রয়োগ করার পক্ষে সওয়াল করেন তিনি।

    আরও পড়ুুন: চিন-অরুণাচল প্রদেশকে ‘বিতর্কিত অংশ’ বলে দেখাতে চেয়েছিল নিউজক্লিক!

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Newsclick: চিন-অরুণাচল প্রদেশকে ‘বিতর্কিত অংশ’ বলে দেখাতে চেয়েছিল নিউজক্লিক!

    Newsclick: চিন-অরুণাচল প্রদেশকে ‘বিতর্কিত অংশ’ বলে দেখাতে চেয়েছিল নিউজক্লিক!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লিতে কয়েকজন সাংবাদিকের বাড়িতে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা তল্লাশি চালানোয় (Newsclick) মোদির সরকারের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়েছিলেন দেশবাসীর একাংশ। তবে তদন্তকারী সংস্থা যে নিছক সন্দেহের বশে ওই সাংবাদিকদের বাড়িতে হানা দেয়নি, তার প্রমাণ মিলেছে দিন দুই আগে। দিল্লি পুলিশের দাবি, “গোপন সূত্র থেকে জানা গিয়েছে, প্রবীর পুরকায়স্থ, নেভিল রায় সিংঘম এবং সিংঘমের মালিকানাধীন সাংহাই ভিত্তিক এক সংস্থার চিনা কর্মচারীর মধ্যে কিছু ইমেল চালাচালি হয়েছিল। সেই ইমেলগুলি থেকে জানা গিয়েছে, কাশ্মীর ও অরুণাচল প্রদেশকে ভারতের অংশ নয় বলে দেখাতে চেয়েছিলেন তাঁরা।”

    প্রবীর নিউজক্লিকের প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক

    প্রসঙ্গত, প্রবীর নিউজক্লিকের প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক। চিনের কাছ থেকে অর্থ নিয়ে চিন-পন্থী প্রচার করার অভিযোগে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গ্রেফতার করা হয়েছে তাঁকে। পুলিশের স্পেশাল সেলের দাবি, “এঁদের এই ধরনের প্রচেষ্টা থেকে বোঝা (Newsclick) গিয়েছে, তামাম বিশ্বে তাঁরা কাশ্মীর এবং অরুণাচল প্রদেশকে বিতর্কিত অঞ্চল হিসেবে দেখানোর ষড়যন্ত্র করেছিল। ভারতের উত্তর সীমান্তে অশান্তি বাঁধানোর চেষ্টা এবং কাশ্মীর ও অরুণাচল প্রদেশকে ভারতের মানচিত্রের অংশ নয় বলে দেখানোর এই চেষ্টা, ভারতের একতা ও আঞ্চলিক অখণ্ডতাকে ক্ষুণ্ণ করার প্রচেষ্টার শামিল।”

    বিদেশি তহবিল চুরির দাবি পুলিশের

    পুলিশের দাবি, বিদেশি তহবিল চুরি করেছেন প্রবীর ও তাঁর সহযোগীরা। বিদেশি তলবিলের অছিলায় তাঁরা পেয়েছিলেন ১১৫ কোটিরও বেশি টাকা। স্পেশাল সেলের দাবি, ২০১৮ ও ২১ সালের মধ্যে চিনপন্থী এক মার্কিন ধনকুবের চিনের হয়ে প্রচার করার জন্য ২৮.২৯ কোটি টাকা দিয়েছিলেন। পুলিশের আরও দাবি, গৌতম নাভালাখা নিউজক্লিকের একজন শেয়ারহোল্ডার। তিনি ভারত বিরোধী ও বেআইনি কার্যকলাপে জড়িত ছিলেন। নিষিদ্ধ নকশাল সংগঠনগুলির প্রতি তাঁর সক্রিয় সমর্থন রয়েছে। পাকিস্তানের গুপ্তচর সংস্থা আইএসআইয়ের এজেন্ট গুলাম নবি ফাইয়ের সঙ্গেও তাঁর সম্পর্ক রয়েছে।

    আরও পড়ুুন: সীমাহীন দুর্নীতি একশো দিনের কাজে, ২৫ লাখ ভুয়ো জব কার্ডে কত টাকা আত্মসাৎ?

    পুলিশের আরও দাবি, কোভিড অতিমারির সময় দেশকে কোভিডমুক্ত করতে (Newsclick) ভারত সরকার যেসব পন্থা অবলম্বন করেছিল, তাকে খাটো করে দেখানোর জন্য মিথ্যে গল্প প্রচার করা হয়েছিল ওই নিউজ পোর্টালে। ২০১৯ সালের সাধারণ নির্বাচনের সময় নির্বাচনী প্রক্রিয়ায়ও কারচুপি করার চেষ্টা করেছিলেন অভিযুক্তরা। এজন্য পিপলস অ্যালায়েন্স ফর ডেমোক্রেসি অ্যান্ড সেকুলারিজম নামে এক গোষ্ঠীর সঙ্গে হাত মিলিয়ে ষড়যন্ত্র করেছিলেন তাঁরা। দিল্লি পুলিশ জেনেছে, নেভিল, প্রবীর এবং অমিত চক্রবর্তী (নিউজক্লিকের এইচআর প্রধান) এঁদের একে (Newsclick) অপরের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ ছিল।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: “রাজস্থানে ২৪ ঘণ্টা কুরসির খেলা চলতে থাকে”, কংগ্রেস সরকারকে নিশানা প্রধানমন্ত্রীর  

    PM Modi: “রাজস্থানে ২৪ ঘণ্টা কুরসির খেলা চলতে থাকে”, কংগ্রেস সরকারকে নিশানা প্রধানমন্ত্রীর  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “গত পাঁচ বছরে কংগ্রেস সরকার এক কদমও এগোয়নি। এখানে চব্বিশ ঘণ্টা কুরসির খেলা চলতে থাকে।” ভোটমুখী রাজস্থানে গিয়ে সে রাজ্যের কংগ্রেস সরকারকে এই ভাষায়ই নিশানা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। বৃহস্পতিবার রাজস্থানের যোধপুরে সরকারি এক অনুষ্ঠানে যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানেই হাতিয়ার করেন সে রাজ্যের কংগ্রেসের দুর্নীতিকে।

    লাল ডায়েরির প্রসঙ্গ

    তিনি বলেন, “লাল ডায়েরির কথা শুনেছেন? লোকে বলে যে ওই ডায়েরিতে কংগ্রেসের দুর্নীতির সব কথা লেখা রয়েছে। আমাকে বলুন, ডায়েরির গোপনীয়তা কি প্রকাশ্যে আসা উচিত নয়? …অসাধুদের কি শাস্তি দেওয়া উচিত নয়? …কংগ্রেস সরকার কি ডায়েরির গোপনীয়তা প্রকাশ্যে আসতে দেবে? সত্য প্রকাশ্যে আনতে গেলে আপনাদের বিজেপি সরকার গঠন করতে হবে।” প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, “কেন্দ্রের বিজেপি সরকার রাজস্থানের উন্নয়নের জন্য তাদের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক চেষ্টা করছে। কিন্তু এখানকার অবস্থা বেদনাদায়ক…দুর্নীতি ও হিংসার ক্ষেত্রে কংগ্রেস রাজস্থানকে দেশের শীর্ষে নিয়ে এসেছে। নারী ও দলিতদের প্রতি অত্যাচারের ক্ষেত্রে রাজস্থানকে এক নম্বরে পরিণত করেছে। কংগ্রেস মাদক ব্যবসাকে ছাড় দিয়েছে।”

    ‘স্বাস্থ্যই রয়েছে অগ্রাধিকারের তালিকায়’

    তিনি বলেন, “বিজেপি সরকারের কাছে আপনার স্বাস্থ্যই রয়েছে অগ্রাধিকারের তালিকায়। একদিকে আমরা আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পের অধীনে দরিদ্র পরিবারগুলিকে বিনামূল্যে চিকিৎসার সুবিধা দিচ্ছি এবং অন্য দিকে আমরা রেকর্ড সংখ্যায় আধুনিক হাসপাতাল তৈরি করছি।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, “জনগণের প্রতি কংগ্রেসের কোনও আগ্রহ নেই। তারা কেবল ভালবাসে ভোটব্যাঙ্ক।” তিনি বলেন, “রাজস্থানকে উন্নয়নশীল দেশের ইঞ্জিন করতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ বিজেপি। পর্যটনে রাজস্থানকে ১ নম্বর রাজ্য করার অঙ্গীকার করছে বিজেপি। বিজেপি যদি রাজস্থানে সরকার গড়ে, তাহলে পর্যটনে রাজ্যটি হবে এক নম্বর।”

    এদিনের অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী প্রায় পাঁচ হাজার কোটি টাকার প্রকল্পের শিলান্যাস করেন। সরকারি এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন না মুখ্যমন্ত্রী অশোক গেহলট। এ প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, “মোদির ওপর ওঁর অনেক ভরসা রয়েছে। সেজন্য ওঁর মনে হয়েছে, মোদি আসছেন, সব হয়ে যাবে। আমিও ওঁকে বলছি, আপনি বিশ্রাম করুন। এবার আমরা সামলে নেব।”

    আরও পড়ুুন: সাত লক্ষে টাইপিস্ট, ৪ লাখে ড্রাইভার! জানেন পুরসভায় চাকরি বিক্রির রেট?

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

     

  • Sikkim Disaster: আরেকটা লেক ফাটার আশঙ্কা! ‘‘সিকিমে এখন আসবেন না’’, পর্যটকদের নির্দেশ প্রশাসনের

    Sikkim Disaster: আরেকটা লেক ফাটার আশঙ্কা! ‘‘সিকিমে এখন আসবেন না’’, পর্যটকদের নির্দেশ প্রশাসনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘একা রামে রক্ষে নেই, সুগ্রীব দোসর’! এক লোনক হ্রদ ফেটে সিকিমে ভয়াবহ অবস্থা (Sikkim Disaster)। তিস্তা নদীতে আসা হড়পা বানে ভেসে গিয়েছে সবকিছু (Sikkim Flood Situation)। তছনছ হয়েছে ছবির মতো সুন্দর উত্তর সিকিম। হড়পা বানে এখনও পর্যন্ত প্রাণ হারিয়েছেন ১৮ জন। নিখোঁজ শতাধিক। সিকিম যখন এই বিপর্যয় মোকাবিলায় ব্যস্ত, ঠিক তখনই আরেকটি বিপর্যয়ের আশঙ্কা ঘনাচ্ছে এই পাহাড়ি-রাজ্যে। 

    সাকো চো হ্রদ ফাটার আশঙ্কা!

    মঙ্গলবার গভীর রাতে মেঘভাঙা বৃষ্টির জেরে উত্তর সিকিমের লোনক হ্রদের হিমবাহ বিস্ফোরিত হয়ে বানভাসী হয়ে যায় চুংথামের বিস্তীর্ণ এলাকা। এর পর বুধবার ভোরে তিস্তা নদীর জল বেড়ে বানভাসী হয় সংলগ্ন এলাকা। প্রায় দোতলা বাড়ি সমান জল উঠে যায়। ভয়াল তিস্তার গ্রাসে তলিয়ে যান শতাধিক মানুষ (Sikkim Disaster)। এরই মধ্যে উত্তর সিকিমে আরেকটি হ্রদ ফাটতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা। জানা যাচ্ছে, সিকিমের মানগান জেলায় রয়েছে সাকো চো হ্রদ। সেই হ্রদ ফেটে বিপর্যয় আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। ছাঙ্গু উপত্যকা থেকে ২১ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এই হ্রদের দৈর্ঘ্য প্রায় ১.৩ কিলোমিটার। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই আশঙ্কা সত্যি হলে সিকিমের বুকে প্রাকৃতিক দুর্যোগ আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করবে।

    আরও পড়ুন: নেপালে ভূমিকম্পের জেরে নড়বড়ে হয়ে গিয়েছিল লোনকের পাড়, তাই কি বিপর্যয় সিকিমে?

    সরানো হচ্ছে স্থানীয়দের

    জানা গিয়েছে, এই হ্রদটিও হিমাবহের জল থেকে তৈরি। গত কয়েক দিনে এই হ্রদেরও জলস্তর বৃদ্ধি পেয়েছে। পাশাপাশি, বৃদ্ধি পেয়েছে জলের তাপমাত্রাও। কোনও রকম ঝুঁকি না নিয়ে আগে থেকেই এই এলাকার বাসিন্দাদের সেখান থেকে সরে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে জেলা প্রশাসন (Sikkim Flood Situation)। মাইকিং করে বাসিন্দাদের সরানোর হচ্ছে। গ্যাংটক জেলার সিংটামের গোলিতার এলাকা, মানগন জেলার ডিকচু এলাকা, রংপো আইবিএম এলাকা থেকে ইতিমধ্যেই মানুষজনকে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

    ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত বন্ধ স্কুল-কলেজ

    এই মুহূর্তে ভয়াবহ প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের (Sikkim Disaster) মধ্যে দিয়ে চলছে সিকিম। মেঘভাঙা বৃষ্টি-হ্রদ ফাটা-হড়পা বান— এই সব মিলিয়ে এখন বিধ্বস্ত এই পার্বত্য রাজ্য। তার ওপর, এখনও কয়েকদিনে সিকিমে বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া দফতর। ফলে, এখনই যে নিস্তার মিলছে না, তা একপ্রকার নিশ্চিত। এই পরিস্থিতিতে, যে কোনও প্রাণহানির ঘটনা এড়াতে বিশেষ সতর্ক সিকিম প্রশাসন। বন্য-বিধ্বস্ত চার জেলায় স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ে ছুটি ঘোষণা করল সিকিমের শিক্ষা দফতর। ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত পাকিয়োং, গ্যাংটক, নামচি ও মঙ্গন জেলার সমস্ত স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    পর্যটকদের আসতে মানা সিকিম প্রশাসনের

    সিকিমের মূল আয়ের উৎস হল পর্যটন। ছবির মতো সুন্দর সিকিমে বছরভর পর্যটকদের যাতায়াত। বিশেষ করে, ছুটি বা পুজোর মরশুমে সিকিমে উপচে পড়ে ভিড়। সিকিমজুড়ে থাকে পর্যটকদের ঢল। কিন্তু, বর্তমান সিকিমের পরিস্থিতি (Sikkim Flood Situation) একেবারে উল্টো। পুরো লন্ডভন্ড। তছনছ। বিধ্বস্ত। এই প্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার সিকিমের পর্যটন দফতরের তরফে পর্যটকদের উদ্দেশে নির্দেশিকা জারি করা হয়। তাতে বলা হয়েছে, এখন যাঁরা সিকিমে বেড়াতে আসার পরিকল্পনা করছেন, তাঁরা যেন তা বাতিল করেন। পর্যটকদের জন্য এখন অনুকূল পরিস্থিতি নেই। ছাঙ্গু এবং নাথু লা যাওয়ার উপরেও অনির্দিষ্টকালের জন্য নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে (Sikkim Disaster)।

    এখনও সাত হাজার পর্যটক আটকে সিকিমে!

    এদিকে, সিকিমে এখনও আটকে রয়েছেন কয়েক হাজার পর্যটক (Sikkim Flood Situation)। সূত্রে খবর, সিকিমে এখনও মোট সাত হাজার পর্যটক রয়েছেন যার মধ্যে ২ হাজার পর্যটক বাংলার। যোগাযোগের মূল রাস্তা ১০ নম্বর জাতীয় সড়কের একাংশ তিস্তার করালগ্রাসে তলিয়ে যাওয়ায় ফিরতে বিস্তর সমস্যায় পড়ছেন পর্যটকরা। অনেকে এখন গ্যাংটক থেকে রানিপুল, পেডং, লাভা, গোরুবাথান হয়ে ফিরে আসার চেষ্টা করছেন। তার ওপর উত্তর সিকিমে যাঁরা গিয়েছেন, তাঁরা পুরো বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছেন। যোগাযোগের ব্যবস্থাও ভেঙে পড়েছে। উত্তর সিকিমের লাচেন, লাচুং সহ এলাকায় আটকে পড়া পর্যটকদের কপ্টারের মাধ্যমে উদ্ধারের কাজ শুরু হবে বলে শোনা যাচ্ছে। ইতিমধ্যে সেখানে সেনা পৌঁছে গেছে (Sikkim Disaster)। 

    আরও পড়ুন: সিকিমের বিপর্যয়ের প্রভাব পড়ল পাহাড়ের পর্যটনেও! হু হু করে বাতিল হচ্ছে বুকিং

    হেল্পলাইন নম্বর চালু পুলিশ-সেনার

    উত্তর সিকিম এখন কার্যত বিচ্ছিন্ন দ্বীপ। সেখানে জল বা বিদ্যুতের সরবরাহ নেই। চরম অসহায় অবস্থায় হোটেলে আটকে রয়েছেন পর্যটকরা। মোবাইলের নেটওয়ার্ক না থাকায় তাঁরা যোগাযোগও করতে পারছেন না। আটকে পড়া পর্যটকদের পরিবার-পরিজনদের জন্য হেল্পলাইন চাল করল সিকিম সরকার (Sikkim Disaster)। সিকিম পুলিশের হেল্পলাইনগুলো হল, ০৩৫৯২-২০২৮৯২, ০৩৫৯২-২২১১৫২ এবং ৮০০১৭৬৩৩৮৩। এছাড়াও ০৩৫৯২-২০২০৪২ নম্বরে ফোন করেও সাহায্য পাওয়া যাবে। একই সঙ্গে হেল্পলাইন চালু করেছে সেনাও। উত্তর সিকিমের বাসিন্দাদের জন্য এই হেল্পলাইন নম্বর হল ৮৭৫০৮৮৭৭৭৪ এবং পূর্ব সিকিমের জন্য হেল্পলাইন নম্বর হল ৮৭৫৬৯৯১৮৯৫।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share