Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Ram Mandir: অযোধ্যায় প্রতিদিন চলছে সরযূ বন্দনা, পঞ্চপ্রদীপ, বৈদিক শ্লোকে এ যেন সত্যিই দেবভূমি

    Ram Mandir: অযোধ্যায় প্রতিদিন চলছে সরযূ বন্দনা, পঞ্চপ্রদীপ, বৈদিক শ্লোকে এ যেন সত্যিই দেবভূমি

    রামনগরী অযোধ্যা-পাঁচ

    শুভ্র চট্টোপাধ্যায়, অযোধ্যা থেকে ফিরে: বারাণসীর গঙ্গা-আরতির প্রসিদ্ধি দেশজুড়ে রয়েছে। দশাশ্বমেধ ঘাটে গঙ্গা-আরতির সময় তিল ধারণের জায়গাটুকুও থাকে না। কপালে তিলক এঁকে ভক্তরা সমবেত হন গঙ্গার ঘাটে। রাম মন্দির উদ্বোধনের দিনক্ষণ চূড়ান্ত হতেই অযোধ্যার সরযূ নদীর আরতিও বিপুল জনপ্রিয় হয়েছে। ডিসেম্বরের শেষ সপ্তাহ নাগাদ অযোধ্যায় (Ram Mandir) পৌঁছাতেই তা বোঝা গেল। সরযূ অবশ্য অযোধ্যাবাসীর কাছে শুধু নদী নয়, সরযূকে মাতা সম্বোধন করা হয়। ভক্তদের বিশ্বাস, অযোধ্যায় কোনও নদী না থাকার কারণে বশিষ্ঠর প্রার্থনায় ব্রহ্মা সরযূ নদীকে সৃষ্টি করেন। সরযূর ধারে যখন পৌঁছালাম সূর্য তখন সবেমাত্র অস্তমিত হয়েছে। ভক্ত ও সাধুসন্তদের ভিড়ে সরযূর ধারে তখন পা রাখারও জায়গা নেই। প্রশাসনের ব্যস্ততাও তুঙ্গে। কৃত্রিমভাবে তৈরি করা হয়েছে ভাসমান ঘাট। তবে সেখানে শুধুমাত্র সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধিদেরই যাওয়ার অনুমতি রয়েছে। সরযূ নদীর ওই ঘাটের ওপরেই সম্পন্ন হয় আরতি। পঞ্চপ্রদীপের আলোর প্রতিফলন সরযূর (Ram Mandir) জলে। সঙ্গে বৈদিক শ্লোক উচ্চারণ। সন্ধ্যার আলো-আঁধারি পরিবেশে মনে হচ্ছিল, এ যেন সত্যিই দেবভূমি। রাম মন্দিরের পাশাপাশি সরযূ নদীর আরতিও যে ভক্তদের গুরুত্বপূর্ণ তীর্থকেন্দ্র হয়ে উঠতে চলেছে, তা বোঝাই যাচ্ছে।

    তরুণ-তরুণীদের ঘোরার জায়গা সরযূর পাড়

    স্মার্ট ফোন হাতে তরুণ-তরুণীদের সন্ধ্যার আড্ডারস্থলও হয়ে উঠেছে সরযূর ধার। যুব প্রজন্ম এখন কপালে দীর্ঘ হলুদ টিকা লাগিয়ে সামিল হচ্ছে সরযূর বন্দনায়। ভারতের প্রাচীন শাশ্বত সংস্কৃতিতেই যে আস্থা রয়েছে তরুণ প্রজন্মের তা বোঝা যায় সরযূর ধারে। হোটেল ব্যবসায়ী ধর্মেন্দ্র মিশ্র তাই কথায় কথায় জানালেন, ‘‘গোয়া নয়, মানুষজন এখন অযোধ্যাতেই আসছেন ঘুরতে।’’ সরযূ নদীর আরতির পরে দীর্ঘক্ষণ আমাদের সঙ্গে আলাপচারিতা করলেন আরতির মূল দায়িত্বপ্রাপ্ত সন্ত শশীকান্ত দাস। স্থানীয় একটি আশ্রমের মহন্তের দায়িত্বও রয়েছে তাঁর ওপরে। তিনিই জানালেন, অযোধ্যা বদলে যাচ্ছে। আমাদের উদ্দেশে প্রশ্ন ছুড়লেন, ‘‘আগে আপনারা অযোধ্যায় এসেছেন কখনও?’’ আমরা তিনজন ছিলাম। প্রত্যেকেই সমবেতভাবে উত্তর দিলাম ‘না’।

    কী বলছেন সরযূ নদীর আরতি কমিটির প্রধান?

    শশীকান্ত দাস বললেন, ‘‘আগে ঝামেলা অশান্তির ভয়ে কেউই সেভাবে অযোধ্যা আসতে চাইতেন না। অপপ্রচারও চলত, অযোধ্যা (Ram Mandir) এলেই অশান্তি হতে পারে। রামনগরী তাই হয়ে উঠেছিল উদাসী। কিন্তু এখন আপনাদের মতো লাখো মানুষ আসছেন অযোধ্যায়। মন্দির উদ্বোধনের পরে এই সংখ্যা কততে গিয়ে ঠেকবে তা বলা যাচ্ছে না। সামগ্রিকভাবে বদলে গিয়েছে অযোধ্যার চিত্র। ’’শশীকান্ত দাসের কথায় ঝরে পড়ল নরেন্দ্র মোদি ও যোগী আদিত্যনাথের ভূয়সী প্রশংসাও। তাঁর মতে, ‘‘অযোধ্যাকে বদলে দেওয়ার কারিগর নরেন্দ্র মোদি। তিনি ছিলেন বলেই রাম মন্দির (Ram Mandir) তৈরি হল অযোধ্যায়। বদলে গেল অযোধ্যার চিত্র। তার সঙ্গে নগরীর সর্বাঙ্গীণ বিকাশ করছেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রীও।’’ সরযূর ঠিক পাশেই বিশালাকার পার্ক। সেখানে প্রত্যহ সন্ধ্যায় আরতির পরে লেজার শো-এর মাধ্যমে দেখানো হচ্ছে সম্পূর্ণ রামায়ণ। রাম মন্দির থেকে সরযূ যাওয়ার সড়ক রামপথ নামে পরিচিত। মন্দির-সড়ক-নদী সবই যেন রামচন্দ্রময় হয়ে উঠেছে অযোধ্যায়। শুধু তীর্থকেন্দ্র নয়, পর্যটনস্থল হিসেবেও ঘুরে আসা যেতেই পারে অযোধ্যা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Ram Mandir: আমেদাবাদ থেকে অযোধ্যায় যাচ্ছে ৪৫০ কেজির ধামসা, ৪,৬০০ কেজির ধ্বজ দণ্ড

    Ram Mandir: আমেদাবাদ থেকে অযোধ্যায় যাচ্ছে ৪৫০ কেজির ধামসা, ৪,৬০০ কেজির ধ্বজ দণ্ড

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আমেদাবাদ থেকে অযোধ্যার উদ্দেশে রওনা দিল ৪৫০ কেজি ওজনের একটি ধামসা এবং ৪,৬০০ কেজির ধ্বজ দণ্ড। যাত্রার সূচনা করেন গুজরাতের মুখ্যমন্ত্রী ভুপেন্দ্র প্যাটেল। রাম মন্দিরের (Ram Mandir) জন্য এই সামগ্রী নিবেদন করা হয়েছে। এই বিরাট ধামসা এবং ধ্বজ দণ্ড স্থাপনা করা হবে রাম মন্দিরে।

    উল্লেখ্য, আগেও নানান সামগ্রী মন্দিরের উদ্দেশে পাঠানোর কথা জানা গিয়েছে। যেমন বিরাট মাপের ঘণ্টা, বিরাট মাপের তালা-চাবি, বিরাট মাপের ধুপকাঠি, এবং বাংলা থেকে বিরাট ফাইবারের রামের মূর্তি পাঠানোর কথা সংবাদ মাধ্যমে শিরোনাম হয়েছে। এছাড়াও সীতার বাপের বাড়ি নেপাল থেকে আসবে শ্রীরাম লালার অভিষেকের গয়না, অলঙ্কার, সাজ এবং ভোগের সামগ্রী। রামনগরীতে এখন সাজো সাজো রব। মাত্র হাতে গোনা কয়েকদিন পরেই মন্দিরের উদ্বোধন।

    ৭০০ কেজি ওজনের রথ

    সূত্রের খবর, সেই সঙ্গে এই বিরাট পতাকা এবং দণ্ড বহনকারী রথটির ওজন হবে ৭০০ কেজি। এগুলি অযোধ্যার উদ্দেশে রওনা দিয়েছে। অযোধ্যার রাম মন্দিরের (Ram Mandir) জন্য এই বিরাট নির্মাণ করেছেন ‘অল ইন্ডিয়া ডাবগার সমাজ’। আগামী ২২ জানুয়ায়রি রাম মন্দিরে রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠা এবং অভিষেক সম্পন্ন হবে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। দেশজুড়ে তাই প্রস্তুতি ব্যাপক তুঙ্গে। বারাণসীর পুরোহিত, লক্ষ্মী কান্ত দীক্ষিত রামলালার অভিষেক অনুষ্ঠানের মূল আচার অনুষ্ঠান করবেন। আগামী ১৪ জানুয়ারি থেকে ২২ জানুয়ারি পর্যন্ত অযোধ্যায় অমৃত মহোৎসব পালন করা হবে। একটি ১০০৮ হুন্ডি মহাযজ্ঞেরও আয়োজন করা হয়েছে। যেখানে হাজার হাজার ভক্তকে প্রসাদ খাওয়ানোর ব্যবস্থা করা হবে।

    হনুমানের দেশ থেকে আসবে মূর্তি

    কর্নাটকের ভাস্কর শিল্পী যোগীরাজ অরুণের খোদাই করা মূর্তিটি নির্বাচিত হয়েছে মন্দিরের (Ram Mandir) গর্ভগৃহের জন্য। আগামী ২২ জানুয়ারি রাম মন্দিরের গর্ভগৃহে স্থাপন করে প্রাণ প্রতিষ্ঠা করা হবে মূর্তিটির। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রহ্লাদ জোশী সোমবার তাঁর সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডেলে এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘হনুমানের দেশ থেকে একজন প্রখ্যাত প্রতিমা নির্মাতার মূর্তি রাম মন্দিরে স্থাপনের স্বরূপটি সকলে দেখতে পাবেন। এটা আমাদের কাছে অত্যন্ত আনন্দের বিষয়।’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • India Economic Growth: বিশ্ব অর্থনীতির ট্র্যাকে পয়লা নম্বরেই থাকবে ভারত! পূর্বাভাস রাষ্ট্রপুঞ্জের

    India Economic Growth: বিশ্ব অর্থনীতির ট্র্যাকে পয়লা নম্বরেই থাকবে ভারত! পূর্বাভাস রাষ্ট্রপুঞ্জের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত কয়েক বছরের মতো এ বছরও ভারতের অর্থনীতির বৃদ্ধির ধারা অব্যাহত থাকবে। রাষ্ট্রসঙ্ঘের অর্থনীতি এবং সোশ্যাল অ্যাফেয়ার্স বিভাগের তরফে জানানো হয়, ২০২৪ সালেও ভারত বিশ্বের মধ্যে সবথেকে দ্রুত বৃদ্ধি পাওয়া অর্থনীতির দেশ হবে। এর বৃদ্ধি ৬.২ শতাংশ হতে পারে বলে আশা। কেন্দ্রে নরেন্দ্র মোদি সরকার আসার পর থেকেই দেশে অর্থনৈতিক পরিবেশের উন্নতি হয়েছে। স্থিতিশীল সরকারের জন্য দেশীয় বাজারে বিনিয়োগও বাড়ছে।

    কী বলছে রাষ্ট্রপুঞ্জ

    ‘ওয়ার্ল্ড ইকনমিক সিচুয়েশন অ্যান্ড প্রসপেক্টস-২০২৪’ শীর্ষক রাষ্ট্রপুঞ্জের ওই রিপোর্টের পূর্বাভাস, চলতি বছরে ভারতের জিডিপি বৃদ্ধির হার ৬.২ শতাংশে পৌঁছতে পারে। বলা হয়েছে, বর্তমান পরিস্থিতিতে ভারতের বাজারে অভ্যন্তরীণ চাহিদা রয়েছে এবং উৎপাদন ও পরিষেবা খাতে শক্তিশালী বৃদ্ধির সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। উন্নত অর্থনীতির থেকে উন্নয়নশীল অর্থনীতিতে বিনিয়োগের চাহিদা থাকে বেশি। তাই দক্ষিণ এশিয়ায় এখন বিনিয়োগের অন্যতম গন্তব্য ভারত। সরকারির পাশাপাশি প্রচুর বেসরকারি বিনিয়োগও হয়েছে দেশীয় বাজারে।

    ২০২৩ সালে রাষ্ট্রপুঞ্জ ভারতে বৃদ্ধির হার ৬.২ শতাংশ হবে বলে পূর্বাভাস দিয়েছিল। কিন্তু জোড়া যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে বিশ্ব অর্থনীতিতে ধাক্কা এবং জলবায়ু পরিবর্তনের (এল নিনোর প্রভাব) কারণে এ বছরের পূর্বাভাসে তা সামান্য কমানো হয়েছে। প্রসঙ্গত, ২০২১ সালে রাষ্ট্রপুঞ্জের রিপোর্টে ৭.৩ শতাংশ বৃদ্ধির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু তা ছাপিয়ে বৃদ্ধির হার দাঁড়িয়েছিল ৮.৮ শতাংশ। এ বারও ‘প্রকৃত ফল’ পূর্বাভাসের তুলনায় ভাল হবে বলে কেন্দ্রীয় অর্থ মন্ত্রক সূত্রের খবর। বিভিন্ন বহুজাতিক সংস্থা ভারতে বিনিয়োগের বিষয়ে দিনে দিনে আগ্রহী হয়ে উঠছে। সরকারও মেক ইন ইন্ডিয়া প্রকল্পে জোর দেওয়ায় নিজেদের তৈরি পণ্য বিদেশে রফতানি করতে পারছে ভারত। আমদানি-রফতানির চলমান ধারায় দেশে অর্থনৈতিক ভিত্তিও মজবুত হচ্ছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Indian Navy: মাঝসমুদ্রে দুর্ধর্ষ অভিযান মার্কোসের! সোমালি জলদস্যুদের কবল থেকে ২১ জনকে উদ্ধার

    Indian Navy: মাঝসমুদ্রে দুর্ধর্ষ অভিযান মার্কোসের! সোমালি জলদস্যুদের কবল থেকে ২১ জনকে উদ্ধার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতীয় নৌসেনার (Indian Navy) বিরাট সাফল্য। আরব সাগরে হাইজ্যাক করা এমভি লিলি নরফোক জাহাজে থাকা ভারতীয়দের উদ্ধার করল ভারতীয় নৌসেনার ‘মার্কোস’। উদ্ধার অভিযানের সেই ভিডিও প্রকাশ করা হয়েছে নৌবাহিনীর তরফ থেকে।

    ১৫ জন ভারতীয় উদ্ধার

    শুক্রবার আইএনএস চেন্নাইয়ের সহযোগিতায় উদ্ধার করা হয়েছে এই অপহৃত হওয়া জাহাজকে। জানা গিয়েছে, সোমালিয়া উপকূলের কাছে অপহরণ হওয়া এমভি লিলি নরফোক জাহাজ (Indian Navy) থেকে মোট ১৫ জন ভারতীয়কে উদ্ধার করেছে ভারতের নৌসেনা। সেই সঙ্গে নৌবাহিনী আরও ৬ জন ক্রু সদস্যকে বন্দি অবস্থা থেকে মুক্ত করেছে। ফলে মোট উদ্ধার করা হয়েছে ২১ জন হলেন সদস্য। ভারতীয় নৌবাহিনীর মুখপাত্র কমান্ডার বিবেক মাধওয়াল জানিয়েছেন, “অপহৃত হওয়া জাহাজ থেকে ১৫ জন ভারতীয় সহ মোট ২১ জন ক্রুকে উদ্ধার করে নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।”

    প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের বক্তব্য

    এই বিরাট উদ্ধার অভিযানের সাফল্য প্রসঙ্গে নৌসেনার মুখপাত্র বলেন, “ভারতীয় নৌসেনা প্রধান অ্যাডমিরাল আর হরি কুমার আরব সাগরে ভারতীয় যুদ্ধজাহাজকে জলদস্যুদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন। জলপথে ওই এলাকায় পণ্যবাহী জাহাজের (Indian Navy) চলাচল স্বাভাবিক করতে এবং জলদস্যুদের হামলা আটকাতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। ইতিমধ্যে ওই স্থানে ভারতীয় নৌবাহিনীর পক্ষ থেকে চারটি যুদ্ধ জাহাজ প্রহরায় নিযুক্ত করা হয়েছে।”

    কীভাবে অপারেশন সম্পন্ন হল

    ৫ জানুয়ারি ভারতীয় নৌসেনার মেরিন কমান্ডোরা লাইবেরিয়ার পতাকা নিয়ে চলা একটি পণ্যবাহী বাণিজ্যিক জাহাজ এমভি লিলি নরফোকে (Indian Navy) পৌঁছে অপারেশন সম্পন্ন করে। কমান্ডোরা ভারতীয় আইএনএস চেন্নাইয়ে করে নরফোক জাহাজের কাছে পৌঁছায়। অপহৃত হওয়া জাহাজ এমভি লিলি নরফোকের খোঁজ করতে পি-৮১ নজরদারি বিমানকে নিয়োগ করা হয়। এছাড়াও দূরপাল্লার প্রিডেটর এমকিউ-৯বি সশস্ত্র ড্রোন মোতায়েন করা হয়েছিল।

    অপহরণের খবর কীভাবে মিলেছিল?

    সূত্রে জানা গিয়েছে, ইউকে মেরিটটাইম ট্রেড অপারেশন (ইউকেএমটিও) বৃহস্পতিবার এমভি লিলি নরফোকের (Indian Navy) অপহরণের ঘটনা সম্পর্কে জানিয়েছিল। সামুদ্রিক জলপথে জাহাজের চলাচল এবং গতি প্রকৃতির উপর নজর রাখে এই ইউকেএমটিও। সেই খবর ভারতের কাছে পৌঁছতেই সময় নষ্ট না করে মাঝ সমুদ্র রেসকিউ অপারেশনে নামে ভারতীয় নৌসেনা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Gautam Adani: মুকেশ আম্বানিকে টপকে এশিয়ার সবথেকে ধনী গৌতম আদানি

    Gautam Adani: মুকেশ আম্বানিকে টপকে এশিয়ার সবথেকে ধনী গৌতম আদানি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সমালোচনার ঝড় সামলে শীর্ষে গৌতম আদানি (Gautam Adani)। এই মুহূর্তে মুকেশ আম্বানিকে পিছনে ফেলে এশিয়ার সবথেকে ধনী ব্যক্তি আদানি গ্রুপের চেয়ারম্যান গৌতম আদানি। নতুন বছরে পা দিতে না দিতেই ভাগ্যবদল। ২০২৪-র প্রথম চারদিনে গৌতম আদানির সম্পত্তির পরিমাণ বাড়ল ১৩.৩ বিলিয়ান মার্কিন ডলার। ভারতীয় মুদ্রায় যা প্রায় ১.২ লাখ কোটি টাকা। এর ফলে ফের একবার বিশ্বের শীর্ষ ধনকুবেরদের তালিকায় উঠে এলেন গৌতম আদানি।

    আম্বানিকে টপকে শীর্ষে আদানি

    আদানি-হিন্ডেনবার্গ বিবাদে বুধবারই সুপ্রিম কোর্টের রায়ে স্বস্তি মিলেছে। এবার এল সাফল্যের খতিয়ান। গত বছর হিন্ডেনবার্গের রিপোর্ট সামনে আসার পর থেকে বিপুল লোকসানের মুখে পড়ে কোম্পানি। জানুয়ারিতে এক লপ্তে সামগ্রিক অর্থের ৩৪ শতাংশের বেশি খুইয়ে ফেলেন গৌতম আদানি। যদিও ফের স্বমহিমায় তিনি। রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজের চেয়ারম্যান মুকেশ আম্বানিকে পিছনে ফেলে ভারতের ধনীতম ব্যক্তি হলেন আদানি গ্রুপের চেয়ারম্যান গৌতম আদানি। শুধু তাই নয়, গৌতম আদানি বিশ্বের বিলিয়নেয়ারদের তালিকায় দ্বাদশ স্থানে পৌঁছেছেন। গৌতম আদানির মোট সম্পদও ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।

    আরও পড়ুন: ভাগ্যর চাকা ঘুরল! নতুন বছরে দুবাই জ্যাকপটে ৪৪ কোটি পেলেন ভারতীয় গাড়িচালক

    বাড়ল আদানির সম্পত্তির পরিমাণ

    সূত্রের খবর, বৃহস্পতিবার আদানি (Gautam Adani) গোষ্ঠীর মোট সম্পত্তির পরিমাণ বেড়ে দাঁড়ায় ৯৭.৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। আগে মাত্র ৭.৬৭ বিলিয়ান মার্কিন ডলার মূল্যের সম্পত্তির মালিক ছিলেন তিনি। উল্লেখ্য, বিশ্বের ধনকুবেরদের তালিকায় বুধবার পর্যন্ত ১২ নম্বর স্থানে ছিলেন মুকেশ আম্বানি। গৌতম আদানির জন্য এক ধাপ নেমে যাওয়ায় বর্তমানে রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজের চেয়ারম্যানের ব়্যাঙ্কিং দাঁড়িয়েছে ১৩। গত বছরের ডিসেম্বর থেকে আদানির শেয়ার সূচক ছিল ঊর্ধ্বমুখী। তিনি যে অচিরেই মুকেশ আম্বানিকে পিছনে ফেলে দেবেন, সেই ইঙ্গিত তখনই মিলেছিল। এর আগেও একবার সম্পত্তির নিরিখে রিলায়েন্স কর্নধারকে হারিয়ে ভারতের ধনী ব্যক্তির তকমা ছিনিয়ে নিয়েছিলেন গৌতম আদানি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • India China Relation: সীমান্তে উত্তেজনা নিরসনে সমাধান সূত্র খুঁজছে ভারত-চিন, জানাল বিদেশমন্ত্রক

    India China Relation: সীমান্তে উত্তেজনা নিরসনে সমাধান সূত্র খুঁজছে ভারত-চিন, জানাল বিদেশমন্ত্রক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে ভারত যে বরাবরই সুসম্পর্ক চায়, তা নানা সময় বিভিন্নভাবে বুঝিয়ে দিয়েছে নয়াদিল্লি। সীমান্তে উত্তেজনা কমাতে চিনের সঙ্গে নিয়মিত আলোচনাও চালিয়ে যাচ্ছে ভারত (India China Relation)।

    কী বলল বিদেশমন্ত্রক?

    বৃহস্পতিবার ভারতের বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র রাজিন্দর জয়সওয়াল বলেন, “পড়শি দেশ চিনের ক্ষেত্রে ভারতের অবস্থান সুবিদিত। এটা এমন একটা সম্পর্ক, যেটা স্বাভাবিক নয়। কিন্তু আমরা দুই দেশই আলাপ-আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছি। মিলিটারির পাশাপাশি কূটনৈতিক আলোচনাও হয়েছে গত অক্টোবর ও নভেম্বরে। আমরা আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছি যাতে কোনও সমাধান সূত্রে পৌঁছানো যায়।” জয়সওয়াল বলেন (India China Relation), “অক্টোবর মাসে দুই দেশের কমান্ডার পর্যায়ের বৈঠক হয়েছে। আলাপ-আলোচনা এবং নেগোসিয়েশন নিয়ে মিলিটারি ও কূনৈতিক মেকানিজম নিয়ে আলোচনা হয়েছে। সীমান্তে শান্তি বজায় রাখতে তারা যাবতীয় যা করার, তা করবে বলে প্রতিশ্রুত হয়েছে।”

    শান্তি বজায় রাখতে চায় দুই দেশই

    বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র বলেন, “ভারত ও চিনের মধ্যে ২০তম ওয়ার্কিং মেকানিজম ফর কনসাল্টেশন অ্যান্ড কোঅর্ডিনেশন অন ইন্ডিয়া-চায়না বর্ডার অ্যাফেয়ার্স বৈঠকটি হয়েছে। এটা কূটনৈতিক স্তরের বৈঠক। আমাদের ইস্ট এশিয়ার জয়েন্ট সেক্রেটারিও অংশ নিয়েছিলেন ওই বৈঠকে। তাঁদের মধ্যে ভালো আলোচনা হয়েছে। আলোচনা হয়েছে গঠনমূলক, মুক্তভাবে। সীমান্তে যা সমস্যা আছে, তা মেটাতে দু পক্ষই যে প্রস্তাব দিয়েছে, সেগুলির বিভিন্ন দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে। দুই দেশই যে সীমান্তে উত্তেজনা কমিয়ে শান্তি বজায় রাখতে চায়, সে বিষয়ে সহমত পোষণ করেছে। সীমান্তে একটা স্থিতাবস্থা বজায় রাখতেও সম্মত হয়েছে দুই দেশ। কোনও অবাঞ্ছিত ঘটনাও যাতে না ঘটে, সেই বিষয়েও একমত হয়েছে ভারত এবং চিন।”

    আরও পড়ুুন: বাম মুখে ‘রাম’ নাম! প্রধানমন্ত্রী মোদির প্রশংসায় পঞ্চমুখ চিনের সরকারি দৈনিক

    তিনি বলেন, “সেই কারণেই দুই দেশই কথাবার্তা চালিয়ে যেতে রাজি হয়েছে। মিলিটারি এবং কূটনৈতিক দুই চ্যানেলেই আলোচনা চলবে। কাঙ্খিত লক্ষ্যে পৌঁছতে সিনিয়র কমান্ডার পর্যায়ের বৈঠকও হবে।” ভারতের বিদেশমন্ত্রকের তরফে জারি করা বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ভারত-চিন সীমান্তের পশ্চিমাঞ্চলে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা বরাবর পরিস্থিতি খতিয়ে দেখছে দুই দেশই (India China Relation)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: বাম মুখে ‘রাম’ নাম! প্রধানমন্ত্রী মোদির প্রশংসায় পঞ্চমুখ চিনের সরকারি দৈনিক

    PM Modi: বাম মুখে ‘রাম’ নাম! প্রধানমন্ত্রী মোদির প্রশংসায় পঞ্চমুখ চিনের সরকারি দৈনিক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিনি ঘোরতর দক্ষিণপন্থী। আর তাঁর প্রশস্তি গাওয়া হয়েছে যে দেশে, সেই দেশটি কট্টর বামপন্থী। আসলে উন্নয়নের বোধহয় কোনও পন্থা নেই! কেবল তাই নয়, ভারতের প্রতিবেশী এই দেশটি সদা সর্বদা ব্যস্ত ভারতেরই ক্ষতি করতে। ফেরা যাক আসল কথায়।

    চিনের প্রতিবেদনে মোদি-স্তুতি

    ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) প্রশংসা করে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে চিনের পত্রিকা ‘গ্লোবাল টাইমসে’ (Global Times)। প্রতিবেদনটিতে মোদির অর্থনৈতিক, সামাজিক শাসন ও বিদেশনীতির ভূয়সী প্রশংসা করা হয়েছে। বলা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির জমানায় অর্থনৈতিক, সামাজিক শাসন ও বিদেশনীতির ক্ষেত্রে ভারতের উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে। উন্নয়নের ক্ষেত্রে ভারত কৌশলগতভাবে আরও আত্মবিশ্বাসী ও সক্রিয় হয়ে উঠেছে। ভারত তাদের নিজস্ব একটি ব্যাখ্যাও তৈরি করতে সক্ষম হয়েছে।

    মোদির সাফল্য

    লাল পার্টির দেশ চিনে সংবাদপত্রও রয়েছে রাষ্ট্রের অধীনে। প্রতিবেদনটি যিনি লিখেছেন, তিনি সাংহাইয়ের ফুদান বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্টার সাউথ এশিয়ান স্টাডিজের ডিরেক্টর ঝাং জিয়াডং। প্রতিবেদনটিতে (Global Times) গত চার বছরে ভারতের উল্লেযোগ্য সাফল্যগুলি তুলে ধরা হয়েছে। ভারতের শক্তপোক্ত অর্থনৈতিক বৃদ্ধি, শাসন ব্যবস্থার উন্নতি এবং চিন-সহ আন্তর্জাতিক সম্পর্কের প্রতি মনোভাবের পরিবর্তনেরও ভূসয়ী প্রশংসা করা হয়েছে ওই প্রতিবেদনটিতে। প্রতিবেদক লিখেছেন (PM Modi), “চিন ও ভারতের মধ্যে বাণিজ্য ভারসাম্যহীনতা নিয়ে আলোচনা করার সময় ভারতীয় প্রতিনিধিরা আগে প্রাথমিকভাবে বাণিজ্য ভারসাম্যহীনতা কমাতে চিনের পদক্ষেপের ওপর দৃষ্টি দিতেন। কিন্তু এখন তারা ভারতের রফতানি সম্ভাবনার ওপর বেশি জোর দিচ্ছেন।”

    আরও পড়ুুন: “ক’জন ভিআইপি রয়েছেন? কী কী সুবিধা পাচ্ছেন?’’ এসএসকেএমের জবাব তলব হাইকোর্টের

    ঝাং জিয়াডং লিখেছেন, “রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে গণতান্ত্রিক রাজনীতির ভারতীয় বৈশিষ্ট্য তুলে ধরার জন্য পশ্চিমের সঙ্গে তার গণতান্ত্রিক ঐক্যমত্যের ওপর জোর দেওয়া থেকে সরে এসেছে ভারত। বর্তমানে গণতান্ত্রিক রাজনীতির ভারতীয় উৎসের ওপর বেশি জোর দেওয়া হচ্ছে।” প্রতিবেদক লিখেছেন, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ক্ষমতায় বসার পর থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, জাপান, রাশিয়া ও অন্যান্য দেশ এবং আঞ্চলিক সংস্থাগুলির সঙ্গে ভারতের সম্পর্ককে উন্নীত করে বহু সংখ্যাবদ্ধ কৌশলের পক্ষে সওয়াল করছেন তিনি (PM Modi)। ভারতের বহু ভারসাম্য থেকে বহু সারিবদ্ধতায় স্থানান্তরিত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে মাত্র ১০ বছরেরও কম সময়ে। (এই সময়টাই মোদির আমল।) আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ইতিহাসে এমন পরিবর্তনের গতি খুব কমই দেখা যায়।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Ayodhya Ram Mandir: রাম মন্দির দর্শনে ৩০ লক্ষ মানুষ! লোকসভার আগে ‘মেগা প্ল্যান’ বিজেপির

    Ayodhya Ram Mandir: রাম মন্দির দর্শনে ৩০ লক্ষ মানুষ! লোকসভার আগে ‘মেগা প্ল্যান’ বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের আগে বিজেপি দেশব্যাপী ৩০ লক্ষ মানুষকে অযোধ্যার রাম মন্দির (Ayodhya Ram Mandir) দর্শন করাবে। এই লক্ষ্যমাত্রা ঠিক করে দিয়েছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জগৎপ্রকাশ নাড্ডা। আগামী ২২ জানুয়ারি অযোধ্যায় রামলালার মন্দিরের প্রাণ প্রতিষ্ঠা হবে। মন্দির উদ্বোধন অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। প্রায় ৫০০ বছর ধরে রাম মন্দির আন্দোলনের সফল বাস্তবায়ন হতে চলেছে। দেশজুড়ে ব্যাপক উৎসাহ রাম ভক্তদের মধ্যে। মন্দির উদ্বোধনের প্রস্তুতি এখন তুঙ্গে। লোকসভার আগে গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে এই অভিযানকে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা লোকসভা ভোটের বিশেষ প্রস্তুতি হিসাবেই দেখছেন।

    কবে থেকে মন্দির দর্শনের অভিযান চলবে?

    বিজেপি সূত্রে জানা গিয়েছে, দলের সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা জানিয়েছেন, ‘আগামী ২৫ জানুয়ারি থেকে ২৫ মার্চ পর্যন্ত দুই মাস ধরে সকল রাজ্য থেকে প্রায় ৩০ লক্ষ মানুষকে মন্দির (Ayodhya Ram Mandir) দর্শন করাবে বিজেপি। দৈনিক ৫০ হাজার করে মানুষ যাতে মন্দির পরিদর্শন করতে পারেন সেই দিকে নজর দেওয়া হয়েছে।’ ইতিমধ্যে সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, রাম মন্দির দর্শন করতে যাওয়ার সময় বিজেপির পতাকা ব্যবহার করা যাবে না। আসন্ন লোকসভাকে ঘিরে ‘তিসরি বার মোদি সরকার’ এবং ‘আব কি বার ৪০০ পার’- দুটি স্লোগানের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    বিশেষ ট্রেন থাকবে ব্যবস্থায়

    সূত্রে জানা গিয়েছে, এই বিষয়ে গত মঙ্গলবার দলের মধ্যে একটি বিশেষ বৈঠক ডেকেছিলেন জেপি নাড্ডা। দলের তরফ থেকে বলা হয়েছে,  প্রত্যেক জেলার প্রত্যেক ব্লক স্তর থেকে কর্মী, সমর্থক, সাধারণ মানুষ এবং রামভক্তদের ধাপে ধাপে এনে মন্দির দর্শন করানো হবে। এই কাজের গুরুদায়িত্ব দেওয়া হয়েছে রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণবকে। এই মন্দির (Ayodhya Ram Mandir) দর্শনের জন্য করা হবে বিশেষ ট্রেনের ব্যবস্থা।

    ভোটের আগে বিরাট প্রস্তুতি

    সামনেই লোকসভার ভোট তাই দেশে রাম মন্দিরের (Ayodhya Ram Mandir) উদ্বোধনকে কেন্দ্র করে বিজেপি বিরাট প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে। বিজেপি কর্মী সমর্থকদের উৎসাহী করতে দলের তরফ থেকে ব্যাপক অভিযান নেওয়া হয়েছে। দেশের ৪৩০টি জায়গা থেকে অযোধ্যার দিকে বিশেষ ট্রেনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। মন্দির দর্শনের জন্য যাতে প্রত্যকে দিন ৩৫টি করে ট্রেন চালানো হয় তার জন্য রেলমন্ত্রীর কাছে আবেদন করা হয়েছে। বিজপির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, অযোধ্যায় যাতায়াত করার জন্য ভাড়া নিজেদের বহন করতে হবে। বিজেপি কর্মীরা শুধুমাত্র দেখাশোনার কাজ করবেন। মন্দির দর্শনের কর্মসূচিকে বিজেপির ‘মেগা প্ল্যান’ বলেছে রাজনৈতিক মহল। এই রাজ্যের তরফ থেকে বিজেপি অবশ্য আগামী ১৫ জানুয়ারি পর্যন্ত বাড়ি বাড়ি ‘অক্ষত চাল’ নিয়ে গিয়ে রাম মন্দির দর্শনের আমন্ত্রণের কাজ শুরু করে দিয়েছে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • BJP: বেনোজল রুখতে বিজেপি গড়েছে স্ক্রিনিং কমিটি, প্রথম বৈঠক শনিবার

    BJP: বেনোজল রুখতে বিজেপি গড়েছে স্ক্রিনিং কমিটি, প্রথম বৈঠক শনিবার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপির (BJP) তৃতীয়বার কেন্দ্রের ক্ষমতায় ফেরা একপ্রকার নিশ্চিত। এবার প্রয়োজন অন্তত ৪০০ আসন। দলের শীর্ষ নেতৃত্বের তরফে বেঁধে দেওয়া হয়েছে এই লক্ষ্যমাত্রা। সেই লক্ষ্যমাত্রায় পৌঁছতে জানপ্রাণ বাজি রেখে লড়ছে পদ্ম শিবির। দেশে উন্নয়নের অনেক কাজ বাকি। সেই কাজ শেষ করতে হলে প্রয়োজন বিপুল জনসমর্থন। যাতে উন্নয়নের পথে কাঁটা হয়ে দাঁড়াতে না পারেন বিরোধীরা।

    স্ক্রিনিং কমিটি

    প্রতিবার নির্বাচনের আগে দলবদলের ঘটনাও ঘটে। যেহেতু বিভিন্ন সমীক্ষায় বিজেপির জয়ের ইঙ্গিত মিলেছে, তাই নির্বাচনের আগে আগে পদ্ম শিবিরে ভিড়বে হাওয়া মোরগের দল। এই দলের সঙ্গেই যাতে বেনোজলও ঢুকে না পড়ে, সেজন্য স্ক্রিনিং কমিটি গড়েছে বিজেপি। এই কমিটিরই প্রথম বৈঠক হবে ৬ জানুয়ারি, শনিবার। যাঁরা অন্য দল ছেড়ে পদ্ম-খাতায় নাম লেখাতে চান, তাঁদের প্রথমে বাছাই করবে স্ক্রিনিং কমিটি। যাঁদের ছাড়পত্র দেবে এই কমিটি, তাঁদের নাম পাঠানো হবে ওপরতলার নেতাদের কাছে। সেখান থেকে গ্রিন সিগন্যাল মিললে তবেই গেরুয়া ঝান্ডা ধরতে পারবেন বিজেপিতে যোগদানেচ্ছু নেতা-কর্মীরা।

    পরিশ্রুত হওয়ার পরেই যোগ ‘শাহি’ দলে

    নির্বাচনের আগে স্বদলে প্রতীক না পেয়ে অনেকেই ভিড় করেন যে দলের ক্ষমতায় ফেরার সম্ভাবনা বেশি, সেই দলে। যেহেতু এবারও বিজেপির (BJP) জয় একপ্রকার নিশ্চিত, তাই ক্ষমতালোভীরা ভিড় করবেন বিজেপিতে। স্ক্রিনিং কমিটির ফিল্টারে পরিশ্রুত হওয়ার পরেই তাঁরা যোগ দিতে পারবেন ‘শাহি’ দলে। লোকসভা নির্বাচনের রণকৌশল স্থির করতে মঙ্গলবারই বৈঠকে বসেছিলেন বিজেপির শীর্ষ নেতারা। এঁদের মধ্যে যেমন দলের সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা ছিলেন, তেমনি ছিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদব এবং অশ্বিনী বৈষ্ণবও। ছিলেন মনসুখ মাণ্ডব্য, হিমন্ত বিশ্বশর্মার মতো নেতারাও। এই বৈঠকেই স্ক্রিনিং কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত হয়েছে। যে কমিটির প্রথম বৈঠকটি হবে ৬ জানুয়ারি।

    আরও পড়ুুন: খুলবে রহস্যের জাল! ‘কালীঘাটের কাকু’-র কণ্ঠস্বর কেন ইডি-র কাছে গুরুত্বপূর্ণ ছিল?

    ইতিমধ্যেই জনসভা শুরু করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বিজেপির (BJP) রাজ্য নেতাদের। প্রচারের অভিমুখ হবে দুটি। একটি মুখে ফিরিস্তি দেওয়া হবে গত দশ বছরে বিজেপি সরকার কী কী জনকল্যাণমূলক কাজ করেছে। আর অন্য মুখে বলা হবে কী কী কাজের শিলান্যাস করা হয়েছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: দু’ লক্ষের বেশি মহিলার সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী, রোড-শোয়ে ঠাঁই নাই রব  

    PM Modi: দু’ লক্ষের বেশি মহিলার সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী, রোড-শোয়ে ঠাঁই নাই রব  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাঠের যতদূর চোখ যায়, কেবলই কালো মাথার সারি। যাঁরা প্রধানমন্ত্রীকে এক ঝলক দেখবেন বলে এসেছেন, তাঁদের অনেকেরই খোঁপায় জড়ানো ফুলের মালা। প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) যখন এই ললনা সম্মেলনে যোগ দিতে মঞ্চে উঠলেন, তখন সেই মাথার সারিই সমস্বরে চিৎকার করে উঠল, মো-ও-দি, মো-ও-দি। বুধবার দু’ লক্ষেরও বেশি মহিলা যোগ দিয়েছিলেন কেরলের ত্রিশূরের এই সম্মেলনে।

    মানুষ আর মানুষ

    দু’ দিনের দক্ষিণ ভারত সফরে গিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বুধবার, দ্বিতীয় দিনে তিনি গিয়েছিলেন ত্রিশূরে। সেখানে ফুলেল শুভেচ্ছায় ভাসলেন প্রধানমন্ত্রী। তার পরেই শুরু হল প্রধানমন্ত্রীর রোড-শো। এই সময় প্রধানমন্ত্রীকে দেখতে রাস্তার দু’ ধারে ভিড় করেছিলেন লক্ষ লক্ষ মানুষ। রোড শো শেষে প্রধানমন্ত্রী চলে যান ত্রিশূরের জনসভার মাঠে। এই জনসভায় উপস্থিত ছিলেন দু’ লক্ষেরও ঢের বেশি মানুষ। এঁরা সবাই সমাজের সর্বস্তর থেকে উঠে আসা। এঁদের মধ্যে যেমন ছিলেন অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী, তেমনি ছিলেন স্কুল-কলেজের শিক্ষিকারাও। ছিলেন প্রখ্যাত নৃত্যশিল্পী, সঙ্গীতশিল্পীর পাশাপাশি মহিলা উদ্যোগপতিও। প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) মঞ্চে ওঠার সঙ্গে সঙ্গেই হয়ে যায় এক প্রস্ত হাততালি। তার পরেই দক্ষিণের এই রাজ্যে মহিলাদের কর্মোদ্যাগ এবং সাহসিকতার প্রশস্তি গাইতে শুরু করেন প্রধানমন্ত্রী।

    ‘স্ত্রী শক্তি সমাগম’

    সভার নাম ছিল ‘স্ত্রী শক্তি সমাগম’। ঠিক ছিল সমাজের সর্বস্তরের লাখ দুয়েক মহিলা যোগ দেবেন সভায়। যদিও সভা শুরুর পর দেখা গেল, মাঠটির সর্বত্র ঠাঁই নাই ঠাঁই নাই রব। গত দশ বছরে তাঁর সরকার মহিলাদের সম্মান দিতে যেসব উদ্যোগ নিয়েছেন, এদিন তার ফিরিস্তি দেন প্রধানমন্ত্রী। মুসলমান মহিলাদের তিন তালাকের যন্ত্রণা থেকে মুক্তি দেওয়ার কথাও তিনি বলেন। দরিদ্র, কৃষক এবং মহিলাদের ক্ষমতায়নই যে তাঁর সরকারের পাখির চোখ, তাও জানিয়ে দেন প্রধানমন্ত্রী। কেরলের এই সভায়ও প্রধানমন্ত্রীর মুখে অবধারিতভাবে উঠে আসে ইন্ডি জোটের প্রসঙ্গও। তিনি (PM Modi) বলেন, “ইন্ডি জোট কেবল একটা জিনিসই জানে। তারা কেবল আমাদের বিশ্বাসে আঘাত হানে। তারা আমাদের মন্দির এবং উৎসবগুলিকে লুঠ করবে বলেই যেন তৈরি হয়েছিল। ‘ত্রিশূর পুরম’ নিয়ে রাজনীতি করাটা দুর্ভাগ্যজনক। শবরীমালা মন্দিরে দেবভক্তরা যে নানা রকম সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন, তার জন্য দায়ী রাজ্য সরকার। এটা রাজ্য সরকারেরই ব্যর্থতা।”

    আরও পড়ুুন: মধ্যরাতে মুখ খুললেন ‘কালীঘাটের কাকু’, কণ্ঠস্বরের নমুনা হাতে পেল ইডি

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

     
     
LinkedIn
Share