Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • PM Modi: হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে এলেন প্রধানমন্ত্রী, প্রথম দিনেই ফলোয়ারের সংখ্যা ১০ লাখ পার

    PM Modi: হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে এলেন প্রধানমন্ত্রী, প্রথম দিনেই ফলোয়ারের সংখ্যা ১০ লাখ পার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে চলে এলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) আর এক দিনেই ফলোয়ারের সংখ্যা ছাড়াল ১০ লক্ষ। ভারত সহ দেড়শোটিরও বেশি দেশে হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল পরিষেবা চালু করেছে মেটা। তাই অচিরেই যে প্রধানমন্ত্রীর ফলোয়ার সংখ্যা আরও বাড়বে,  তা সহজেই অনুমেয়।

    হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল কী?

    প্রশ্ন হল, হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল কী? হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল হল একটি ওয়ানওয়ে ব্রডকাস্টিং চ্যানেল, যাতে অ্যাডমিন মেসেজ, ছবি ও ভিডিও পাঠাতে পারবেন। এই চ্যানেলের অপশনটি মিলবে হোয়াটসঅ্যাপের আপডেটস অপশনে। সেখানে আপনি চ্যানেল দেখে ঠিক করতে পারবেন, কাকে আপনি ফলো করতে পারবেন, আর কাকে পারবেন না। এগুলি সাধারণ চ্যাট বা গ্রুপের চেয়ে আলাদা। প্রধানমন্ত্রীর (PM Modi) হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল খুঁজে পেতে হলে আপনাকে অ্যান্ড্রয়েড বা আইওএসে হোয়াটসঅ্যাপে গিয়ে আপডেট ট্যাবে যেতে হবে। তার পর সেখান থেকে নরেন্দ্র মোদি চ্যানেল খুঁজে বের করতে হবে। তার পরেই সেটিকে ফলো করা যাবে।

    ‘আমি শিহরিত’

    নিজের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে একটি ছবি শেয়ার করেছেন প্রধানমন্ত্রী। ছবিটি নয়া সংসদ ভবনের ভিতরে তোলা। ছবির সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী লিখেছেন, “হোয়াটসঅ্যাপ কমিউনিটিতে আসতে পেরে আমি শিহরিত। আপনাদের সঙ্গে যোগাযোগের আরও এক ধাপ কাছাকাছি এসে গেলাম। সঙ্গে থাকুন। নতুন সংসদ ভবন থেকে একটি ছবি দিলাম…।” জানা গিয়েছে, যাঁরা প্রধানমন্ত্রীর ফলোয়ার হবেন, তাঁরা তাঁর প্রতিটি আপডেট সরাসরি ওই চ্যানেলে দেখতে পাবেন। তাঁর প্রতিটি মেসেজ, প্রতিটি আপডেটে রিঅ্যাকশনও জানাতে পারবেন তাঁরা।

    ২০১৪ সালে ক্ষমতায় আসার পর থেকেই জনগণের সঙ্গে যোগাযোগ রেখেই চলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেই জন্যই তিনি চালু করেছেন ‘মন কি বাত’। সোশ্যাল মিডিয়ায়ও তিনি বরাবর সক্রিয়। বিশ্বের সব রাষ্ট্রপ্রধানের চেয়ে তাঁর ফলোয়ারের সংখ্যা সব চেয়ে বেশি। এবার যে তাঁর ফলোয়ারের সংখ্যা লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়বে, তা বলাই বাহুল্য।

    আরও পড়ুুন: মহিলা সংরক্ষণ বিল মোদির ‘মাস্টারস্ট্রোক’, এক সিদ্ধান্তেই দিশেহারা বিরোধী-জোট

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Dengue Vaccines: শীঘ্রই আসছে ডেঙ্গির টিকা! দেশজুড়ে ট্রায়াল শুরু নভেম্বরে, কারা পাবেন?

    Dengue Vaccines: শীঘ্রই আসছে ডেঙ্গির টিকা! দেশজুড়ে ট্রায়াল শুরু নভেম্বরে, কারা পাবেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শেষমেশ ভারতে আসতে চলেছে ডেঙ্গির টিকা (Dengue Vaccines)। নভেম্বর মাসেই দেশজুড়ে শুরু হবে চূড়ান্ত পর্যায়ের ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল। দেশের মোট ২০টি কেন্দ্রে ট্রায়াল হওয়ার কথা। এ রাজ্যে ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল হবে বেলেঘাটা নাইসেডে। আইসিএমআর এবং প্যানাসিয়া বায়ো টেক লিমিটেডের যৌথ উদ্যোগে ট্রায়াল হবে। পরীক্ষামূলকভাবে টিকা দেওয়া হবে ১০ হাজারেরও বেশি মানুষকে।

    আসছে ডেঙ্গির প্রতিষেধক

    ফি বছর এ রাজ্য তো বটেই, গোটা দেশে ডেঙ্গির শিকার হন বহু মানুষ। যত্রতত্র জমা জল, চারদিকে নোংরা-আবর্জনা, নিয়মিত নর্দমা পরিষ্কার না হওয়া সহ নানা কারণে এ রাজ্যে প্রতি বছর ডেঙ্গির বলি হন বহু মানুষ। আক্রান্তের সংখ্যা ছাড়িয়ে যায় কয়েক হাজারের গন্ডি। দেশবাসীকে ডেঙ্গির হাত থেকে রক্ষা করতে দেশে শুরু হয়েছিল ডেঙ্গির প্রতিষেধক (Dengue Vaccines) তৈরির কাজ। প্রথম ও দ্বিতীয় দফার ট্রায়ালের পর চলতি বছরের মার্চ-এপ্রিলে চূড়ান্ত পর্যায়ের ট্রায়াল হওয়ার কথা ছিল। কিছু জটিলতার কারণে টিকায় পরিবর্তন করতে হয়। সেই কাজ শেষ হয়েছে। তাই এবার হবে চূড়ান্ত পর্যায়ের ট্রায়াল।

    কারা তৈরি করেছে টিকা?

    যাঁদের ডেঙ্গির টিকা দেওয়া হবে, বছরভর তাঁদের পর্যবেক্ষণে রাখা হবে। ডেঙ্গি মোকাবিলায় তাঁদের শরীরে কী পরিমাণ অ্যান্টিবডি তৈরি হচ্ছে, তা দেখেই ছাড়পত্র পাবে ভ্যাকসিন। তারপর আসবে বাজারে। নাইসেডের অধিকর্তা শান্তা দত্ত বলেন, “ডেঙ্গি ভ্যাকসিনের একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে, যেখানে ডেঙ্গির প্রবণতা বেশি, সেখানে এই ভ্যাকসিন কাজ করবে। সেরো পজিটিভিটি কতটা আছে, তা দেখে দেওয়া হবে।” কেবল প্যানাসিয়া বায়ো টেক লিমিটেড নয়, পুণের সেরাম ইনস্টিটিউটও ডেঙ্গির টিকা তৈরি করেছে। আমেরিকায় ইতিমধ্যেই ডেঙ্গি মোকাবিলায় অনুমোদন পেয়েছে সানোফি ইন্ডিয়া প্রাইভেট লিমিটিডের টিকা (Dengue Vaccines)।

    আরও পড়ুুন: মহিলা সংরক্ষণ বিল মোদির ‘মাস্টারস্ট্রোক’, এক সিদ্ধান্তেই দিশেহারা বিরোধী-জোট

    প্রসঙ্গত, এ রাজ্যে ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে ডেঙ্গি। এক সপ্তাহে মশকবাহিত এই রোগে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৩ হাজার ৩৫৮ জন। ১৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত রাজ্যে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ২৮ হাজার ৬৭ জন। প্রতি বছরের মতো এবারও ডেঙ্গি সংক্রমণে শীর্ষ স্থানে রয়েছে উত্তর ২৪ পরগনা জেলা।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • India-Canada Relations: মোদি-জয়শঙ্কর বৈঠক! ভারতীয়দের কানাডা যাত্রা নিয়ে পরামর্শ নয়াদিল্লির

    India-Canada Relations: মোদি-জয়শঙ্কর বৈঠক! ভারতীয়দের কানাডা যাত্রা নিয়ে পরামর্শ নয়াদিল্লির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কানাডার সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্কের (India-Canada Relations) অবনতি। উত্তপ্ত পরিস্থিতিতে এবার ভারতীয় নাগরিকদের কানাডা যাত্রার ক্ষেত্রে বিশেষ অ্যাডভাইজরি জারি করল নয়াদিল্লি। একাধিক নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে পর্যটকদের জন্য। ভারতীয় ছাত্র-ছাত্রী এবং অন্যান্য নাগরিকদের জন্য কানাডা যাত্রার ক্ষেত্রে একটি অ্যাডভাইসরি জারি করেছে বিদেশ মন্ত্রক। কূটনৈতিক সংঘাতের এই আবহে প্রধানমন্ত্রী মোদির সঙ্গে একান্তে বৈঠক করলেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শংকর। পরিস্থিতি স্বাভাবিক করা নিয়ে মোদির সঙ্গে আলোচনা হয় জয়শঙ্করের। 

    প্রবাসী ভারতীয়দের উদ্দেশে সতর্কবার্তা

    বুধবার দিল্লির তরফে কানাডাবাসী ভারতীয়দের উদ্দেশে সতর্কবার্তা জারি করা হয়। বিদেশমন্ত্রকের নির্দেশিকায় বলা হয়, ‘কানাডায় এই মুহূর্তে ভারত বিরোধী কার্যকলাপ এবং রাজনৈতিক মদতপুষ্ট হিংসা এবং অপরাধের বৃদ্ধি চোখে পড়ছে। যে সমস্ত ভারতীয় ওখানে রয়েছেন অথবা যাওয়ার পরিকল্পনা করছেন, সকলকে সতর্ক করা হচ্ছে। সম্প্রতি ভারতীয় কূটনীতিক এবং কিছু সম্প্রদায়ের মানুষকে বেছে বেছে নিশানা করা হয়েছে,যাঁরা ভারতবিরোধী কার্যকলাপের সমর্থক নন। তাই ভারতীয়দের এই মুহূর্ত কানাডা যাওয়া থেকে বিরত থাকা উচিত’। কানাডার যে অংশগুলিতে ভারতীয়দের উপর হিংসা বা হামলা হচ্ছে, সেখানে না যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

    ছাত্রছাত্রীদের উদ্দেশে পরামর্শ

    কানাডা নিবাসী ভারতীয়দের জন্যও সাবধানবাণী দিয়েছে নয়াদিল্লি। বিদেশ মন্ত্রকের অ্যাডভাইসরিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ‘কানাডায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশন এবং কনসুলেট জেনারেল সেখানে বসবাসকারী ভারতীয়দের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখবে। তাঁদের সুরক্ষা এবং নিরাপত্তা নিয়ে ভারত তৎপর।’ কানাডায় পড়তে যাওয়া ভারতীয় ছাত্র-ছাত্রীদের সতর্ক থাকতে বলেছে কেন্দ্র। পাশাপাশি উপদ্রুত এলাকায় আশপাশের পরিস্থিতিতে নজর রাখতে বলা হচ্ছে।কানাডা নিবাসী ভারতীয় পড়ুয়াদের অবিলম্বে কানাডায় ভারতীয় হাইকমিশনে তাঁদের নাম, ফোন নম্বর রেজিস্টার করতে বলা হয়েছে। ওটাওয়ায় ভারতীয় হাইকমিশন, টরন্টো এবং ভ্যানকুভারে কনসুলেট জেনারেলের সঙ্গে যোগাযোগ করে নাম নথিভুক্ত করতে বলা হচ্ছে পড়ুয়াদের।

    আরও পড়ুুন: ‘‘প্ররোচনার উদ্দেশ্য ছিল না’’, ভারত চাপ দিতেই খালিস্তান নিয়ে সুর বদল কানাডার

    কানাডার সতর্কবার্তা

    ভারতে থাকা নিজেদের নাগরিকদের উদ্দেশেও সতর্কবার্তা জারি করেছে কানাডা সরকার। কানাডা সরকারের ওয়েবসাইটে বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয় সে দেশের নাগরিকদের জন্য। তাতে বলা হয়, ‘ভারতে থাকলে এই মুহূর্তে সতর্ক হয়ে যান, কারণ দেশজুড়ে সন্ত্রাসী হামলার সম্ভাবনা রয়েছে। এই মুহূর্তে ভারতে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে। যে কোনও মুহূর্তে পরিস্থিতি পাল্টে যেতে পারে। সর্বদা সতর্ক থাকুন। খবরে চোখ রাখুন, প্রশাসনের নির্দেশ মেনে চলুন।’

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • PM Narendra Modi: মহিলা সংরক্ষণ বিল মোদির ‘মাস্টারস্ট্রোক’, এক সিদ্ধান্তেই দিশেহারা বিরোধী-জোট

    PM Narendra Modi: মহিলা সংরক্ষণ বিল মোদির ‘মাস্টারস্ট্রোক’, এক সিদ্ধান্তেই দিশেহারা বিরোধী-জোট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহিলা সংরক্ষণ বিল (Womens Reservation Bill) পেশ করে কি এক ঢিলে দুই পাখি মারলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Narendra Modi)? দুই পাখির একটি হল ২০২৪ লোকসভা নির্বাচনে বিজেপির মহিলা ভোটব্যাঙ্ক নিশ্চিত করা। দ্বিতীয় পাখি হল— বিরোধী-ঐক্যকে বা বলা ভাল, অধুনা ‘ইন্ডি’ জোটের ঐক্যকে খান-খান করা। নরেন্দ্র মোদির এই এক সিদ্ধান্তেই বিরোধীদের ‘রাতের ঘুম’ যে উড়ে গিয়েছে, সে বিষয়ে সন্দেহ নেই। অন্তত এমনটাই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

    মঙ্গলবার, গণেশ চতুর্থীর পুণ্য-লগ্নে নতুন সংসদ ভবনের প্রথম অধিবেশনেই ‘মাস্টারস্ট্রোক’ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Narendra Modi)। প্রথমেই মহিলা সংরক্ষণ বিল (নারী শক্তি বন্দন অধিনিয়ম বিল, ২০২৩) লোকসভায় পেশ করে মোদি সরকার। দেশের সংসদ ও রাজ্যগুলির বিধানসভায় মহিলাদের জন্য ৩৩ শতাংশ আসন সংরক্ষণের সংস্থান রয়েছে এই বিলে। মহিলা সংরক্ষণ ইস্যুকে হাতিয়ার করে মোদি সরকারকে চাপে ফেলার কৌশল অবলম্বন করার কথা ভেবে আসছিল সাম্প্রতিককালে-গঠিত বিরোধীদের ‘ইন্ডি’ জোট। 

    ইস্যু হারিয়ে দিশাহীন ইন্ডি-জোট!

    কিন্তু, গত সপ্তাহে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা মহিলা সংরক্ষণ বিলে অনুমোদন দেওয়ায় বিরোধীদের মুখের গ্রাস সেখানেই কেড়ে নেন নরেন্দ্র মোদি (PM Narendra Modi)। এদিকে, ইস্যু হাত ফস্কে বেরিয়ে যাওয়ায় সেই থেকেই বিরোধীরা কার্যত দিশেহারা হয়ে পড়ে। ইন্ডি-জোট যেখানে ভেবেছিল, মোদিকে কোণঠাসা করবে, সেখানে দেখা যায়, উল্টে তারাই চাপে পড়ে গিয়েছে। কারণ, এখন মহিলা সংরক্ষণ বিলের স্বপক্ষেই যাওয়া ছাড়া তাদের কাছে অন্য কোনও পথ নেই। বিরোধীরা ভালমতোই বুঝতে পারছে, তারা যদি এখন সরকারের বিরুদ্ধাচরণ করার স্বার্থে মহিলা বিলকে (Womens Reservation Bill) সমর্থন না করে, তাহলে, দেশবাসীর সামনে তাদের আসল চেহারা বেরিয়ে পড়বে। অন্যদিকে, সমর্থন করলেও আখেরে লাভ হবে বিজেপি তথা এনডিএ-র। আগামী লোকসভা নির্বাচনে এর পুরো ফায়দা যে বিজেপির ঘরেই উঠবে, তাতে কোনও সন্দেহ নেই। এই নিয়ে ইন্ডি-জোট উভয় সঙ্কটে। যে কারণে, তারা এখন কৃতিত্বের দাবি করে বেড়াচ্ছে সব জায়গায়।

    অতীতে বিরোধিতা, এখন সমর্থন বিরোধীদের!

    নরেন্দ্র মোদি সরকারের আনা এই বিলকে সমর্থন জানানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিরোধী-জোটের ‘হেড অফ দ্য ফ্যামিলি’ কংগ্রেস। সমর্থনের কথা জানানো হয়েছে বিরোধী জোট-শরিক সমাজবাদী পার্টি, রাষ্ট্রীয় জনতা দল ও বহুজন সমাজ পার্টির তরফে। এমনকি, সমর্থন জানাতে সম্মত হয়েছে বিজেপির একসময়ের শরিক তথা বর্তমানে বিরোধী ধরের সদস্য নীতীশ কুমারের জেডিইউ। এখানে বিশেষ করে উল্লেখ করতে হবে প্রথম তিন শরিক দলের। কারণ, এই দলগুলিই এক সময় সংসদে পেশ হওয়া মহিলা সংরক্ষণ বিল (Womens Reservation Bill) নাকচ করেছিল। সেই ইতিহাসের সাক্ষী রয়েছে সদ্য-প্রাক্তন হওয়া সংসদ ভবন। এখন এই দলগুলির সামনের সারিতে একাধিক মহিলা মুখ আসায়, মনোভাবও পাল্টাতে বাধ্য হচ্ছে তারা।

    মহিলা ভোটাররাই বিজেপির শক্তি

    পাশাপাশি, আরেকটা চিন্তা যা বিরোধীদের রাতের ঘুম উড়িয়ে দিয়েছে তা হল ভোট ব্যাঙ্ক হাতছাড়া হওয়ার ভয়। বছর ঘুরলেই লোকসভা নির্বাচন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই বিল সংসদে পাশ হয়ে গেলে ভোটে সবচেয়ে লাভবান হবে বিজেপি। তাঁদের মতে, বিজেপির মহিলা ভোট ব্যাঙ্ক বিপুলভাবে ফুলে উঠবে। পরিসংখ্যান বলছে, ২০১৯ লোকসভা নির্বাচনে পুরুষদের তুলনায় এক শতাংশ ভোট বেশি ছিল মহিলাদের। আবার মহিলা ভোটারদের বেশিরভাগ পছন্দ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে (PM Narendra Modi)। লোকসভা নির্বাচনে মহিলাদের ভোটদানের হার ছিল ৬৭ শতাংশ। এর মধ্যে বিজেপি পেয়েছিল ৩৬ শতাংশ আর কংগ্রেস পেয়েছিল ২০ শতাংশ মহিলা ভোট। পাঁচ বছর আগে, ২০১৪ সালে বিজেপিকে ভোট দিয়েছিলেন ২৯ শতাংশ মহিলা। অর্থাৎ, পাঁচ বছরে বিজেপির মহিলা ভোটব্যাঙ্ক অনেকটাই বেড়েছে। 

    নরেন্দ্র মোদির ‘গেম-চেঞ্জার’ সিদ্ধান্ত!

    আরেকটি পরিসংখ্যান বলছে, ২০১৯ লোকসভা নির্বাচনে ১২টি এমন রাজ্য ছিল যেখানে পুরুষদের থেকে বেশি সংখ্যক মহিলা ভোট দিয়েছিলেন। ২টো রাজ্য বাদ দিয়ে বাকি ১০টিতে বিপুল সাফল্য পেয়েছিল বিজেপি। এই বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে গেরুয়া শিবির মহিলাদের জন্য একাধিক পদক্ষেপ করেছে। সেই তালিকার অন্যতম ছিল তিল তালাক নিষিদ্ধ করা। এর পাশাপাশি, উজ্জ্বলা যোজনা, মহিলাদের মুদ্রা ঋণ, পোষণ প্রকল্প, বেটি বাঁচাও বেটি পড়াও-এর মতো কর্মসূচি বিপুল জনপ্রিয় হয়েছে। এবার, মহিলা সংরক্ষণ বিল (Womens Reservation Bill) পাশ হলে আগামী লোকসভা নির্বাচনে বিজেপির পক্ষে এই শতাংশের হার আরও বৃদ্ধি পাবে। আর ঠিক এই জন্যই, রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা নরেন্দ্র মোদির (PM Narendra Modi) এই সিদ্ধান্তকে ‘গেম-চেঞ্জার’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Women’s Reservation Bill: ‘‘মহিলাদের হয়ে কি পুরুষরা এগিয়ে আসতে পারেন না?’’ অধীরকে ‘শাহী’-পাঠ

    Women’s Reservation Bill: ‘‘মহিলাদের হয়ে কি পুরুষরা এগিয়ে আসতে পারেন না?’’ অধীরকে ‘শাহী’-পাঠ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “মহিলাদের হয়ে কি পুরুষরা এগিয়ে আসতে পারেন না?” বুধবার কংগ্রেস নেতা অধীর চৌধুরীকে এমনই প্রশ্ন করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তিনি বলেন, “আমি অধীর রঞ্জন চৌধুরীকে জিজ্ঞাসা করি, এই ইস্যুতে (মহিলা সংরক্ষণ বিল) (Women’s Reservation Bill) কেবল মহিলারাই বলবেন। মহিলাদের ইস্যুতে পুরুষরা বলতে পারবেন না?”  

    অধীরকে জবাব শাহের

    সোমবার শুরু হয়েছে সংসদের বিশেষ অধিবেশন। চলবে ২২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। অধিবেশনের দ্বিতীয় দিনে পেশ হয় মহিলা সংরক্ষণ বিল। বিলটি নিয়ে বিজেপির তরফে প্রথমে বলতে ওঠেন সাংসদ নিশিকান্ত দুবে। তখনই কংগ্রেস সাংসদ অধীর চৌধুরী বলেন, “মহিলা সংরক্ষণ বিল নিয়ে বিজেপির হয়ে ব্যাটিং করছেন একজন পুরুষ সাংসদ।” এর পরেই অধীরকে শাহি-পাঠ দেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, “প্রথম বক্তা হতে না পারায় অধীর চৌধুরী নিশিকান্তের ওপর ঈর্ষাকাতর হচ্ছেন।”

    ভারতের ঐতিহ্য মনে করালেন শাহ 

    অধীরের বক্তব্যের প্রেক্ষিতে শাহ মনে করিয়ে দেন, “ভারতের ঐতিহ্যই হল পরিবারের মহিলাদের কল্যাণ কামনা করবেন ওই পরিবারের পুরুষ সদস্যরা।” প্রসঙ্গত, নারীর ক্ষমতায়নের লক্ষ্যে মহিলা সংরক্ষণ বিল (Women’s Reservation Bill) পেশ করে বিজেপি। বিলটি আইনে পরিণত হলে, লোকসভা ও রাজ্য বিধানসভার ৩৩ শতাংশ সংরক্ষিত হবে মহিলাদের জন্য। এদিকে, এদিন মহিলা সংরক্ষণ বিলের স্বপক্ষে সওয়াল করেন কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রী অর্জুন রাম মেঘওয়াল। লোকসভায় বিলটি পেশ করেছিলেন তিনিই।

    আরও পড়ুুন: ‘‘রাজনীতি করা বন্ধ করুন…’’! মহিলা বিলের কৃতিত্ব দাবি করায় সোনিয়াকে তোপ বিজেপির

    কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রী বলেন, “মহিলাদের জন্য ৩৩ শতাংশ সংরক্ষণ করতে ভারতীয় জনতা পার্টি চেষ্টার কসুর করছে না।” তিনি বলেন, “বিজেপিই দেশের প্রথম রাজনৈতিক দল যারা লোকসভা ও রাজ্য বিধানসভায় ৩৩ শতাংশ আসন মহিলাদের জন্য সংরক্ষণ করতে চাইছে। বিজেপি যখন বিরোধী পক্ষ ছিল, আমরা সরকারের কাছে এই বিলের দাবি জানিয়েছিলাম। কিন্তু কংগ্রেস, যারা তখন ক্ষমতায় ছিল, বিলটি আনেনি। ২০১৪ সালে তাদের মেয়াদ শেষ হয়ে যায়। বিলটিও (Women’s Reservation Bill) ল্যাপস হয়ে যায়।” কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রী বলেন, “১৯৪৯ সালের ২৫ নভেম্বর বিআর আম্বেদকর বলেছিলেন, ১৯৫০ সালের ২৬ জানুয়ারি আমরা রাজনৈতিক সাম্য পাব। কিন্তু সামাজিক যেসব বিষয় বাদ থেকে গেল, সেগুলি অবশ্যই সংশোধন করবে পরবর্তী সরকারগুলি।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

     

  • BJP: ‘‘রাজনীতি করা বন্ধ করুন…’’! মহিলা বিলের কৃতিত্ব দাবি করায় সোনিয়াকে তোপ বিজেপির

    BJP: ‘‘রাজনীতি করা বন্ধ করুন…’’! মহিলা বিলের কৃতিত্ব দাবি করায় সোনিয়াকে তোপ বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সংসদের বিশেষ অধিবেশনের দ্বিতীয় দিনে পেশ হয়েছে মহিলা সংরক্ষণ বিল। তার পরেই ক্রেডিট নিতে শুরু করেছে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল। এই তালিকায় রয়েছে কংগ্রেসও। তাই বুধবার কংগ্রেসকে নিশানা করল বিজেপি (BJP)।

    প্রসঙ্গ গীতা মুখার্জি ও সুষমা স্বরাজ

    গেরুয়া শিবিরের সাংসদ নিশিকান্ত দুবে বলেন, “যখন সোনিয়া গান্ধী ভাষণ দিচ্ছিলেন, আমি ভেবেছিলাম রাজনীতির উর্ধ্বে উঠে তিনি বলবেন। কারণ তিনিই বিরোধীদের কণ্ঠস্বর। মহিলারা যাঁরা এই বিলের স্বপক্ষে গলা ফাটিয়েছিলেন তাঁরা হলেন বাংলার গীতা মুখোপাধ্যায় এবং বিজেপির সুষমা স্বরাজ। তাঁরা না থাকলে আমরা এই বিলটি দেখতে পেতাম না। কিন্তু সোনিয়া গান্ধী এঁদের কারও নামই উচ্চারণ করলেন না। এটা কী ধরনের রাজনীতি? তিনি (সোনিয়া) এই বিলের ক্রেডিট নিতে চাইলেন। কিন্তু এটা আপনাদের বিল নয়।”

    ‘বিল এনেছেন আমাদের প্রধানমন্ত্রী’

    তিনি (BJP) বলেন, “আমাদের প্রধানমন্ত্রী (নরেন্দ্র মোদি) এবং আমাদের দল এই বিলটি এনেছিল। এটাই সহ্য হচ্ছে না বিরোধীদের।” বিজেপি সাংসদ বলেন, “প্রধানমন্ত্রী বারংবার বলেছেন এই হল সময়, এটাই উপযুক্ত সময়। এবং এটি (মহিলা সংরক্ষণ বিল) উপযুক্ত সময়েই নিয়ে আসা হয়েছে।” তিনি বলেন, “এই হাউসেই ২০১২ সালে যখন ভি নারায়ণস্বামী এসসি/এসটিদের জন্য কোটা বাড়ানোর বিল পেশ করছিলেন, তখন সমাজবাদী পার্টির যশবীর সিংহ তাঁর হাত থেকে বিলটি ছিনিয়ে নিয়েছিলেন। এবং সেটিকে ছিঁড়ে টুকরো টুকরো করে ফেলেছিলেন। এই সংসদে তখন সোনিয়া গান্ধীজি ম্যাডাম এগিয়ে এসে তাঁর জামার কলার ধরেছিলেন। সেই সময় আমি তাঁকে বলেছিলাম, আপনি আমাদের ডিক্টেটর নন, রানিও নন। আপনি হিংসায় ইন্ধন জোগাতে পারেন না। মুলায়ম সিংহ নিজেই বলেছিলেন, বিজেপি সাংসদরা না থাকলে সমাজবাদী পার্টির সাংসদরা বেঁচে ফিরতেন না। আপনি ওই সাংসদদের হত্যা করতে চেয়েছিলেন।”

    আরও পড়ুুন: “গার্হস্থ্য হিংসায় বাংলা এক নম্বরে”, তৃণমূল সরকারকে নিশানা অগ্নিমিত্রার

    ক্রেডিট নেওয়ার চেষ্টা করেছে তৃণমূলও। মহিলা সংরক্ষণ বিল তাঁদের ভাবনা বলে দাবি করেছেন তৃণমূল নেতৃত্ব। তা নিয়ে তৃণমূলকে আক্রমণ শানান বিজেপির (BJP) পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারও। তিনি বলেন, “যমালয়ে জীবন্ত মানুষে এক বিধবা ভেবেছিলেন একাদশীর দিন খাবার খাবেন। তাই পাপ হয়েছিল। সেরকম তৃণমূল অনেক কিছুই ভাবে, করে না কিছুই।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Delhi High Court: মেয়েরা সেনা হতে পারলে, পুরুষদের নার্স হতে আপত্তি কেন? প্রশ্ন দিল্লি আদালতের

    Delhi High Court: মেয়েরা সেনা হতে পারলে, পুরুষদের নার্স হতে আপত্তি কেন? প্রশ্ন দিল্লি আদালতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মেয়েরা সিয়াচেনে গিয়ে সেনাবাহিনীর কাজে যোগ দিলে, ছেলেদের নার্স হতে আপত্তি কোথায়? এক মামলার শুনানিতে মঙ্গলবার এই প্রশ্নই করেছে দিল্লি হাইকোর্ট (Delhi High Court)। নির্দিষ্ট কোনও একটি পেশা থেকে একটি বিশেষ লিঙ্গের মানুষকে কেন সরিয়ে রাখা হবে, সেই প্রশ্নও তুলেছে দিল্লির উচ্চ আদালত।

    পুরুষ নার্সদের দূরে রাখা অযৌক্তিক 

    হাসপাতালগুলিতে কেবল মহিলা নার্স রাখার অসাংবিধানিক প্রথার বিরুদ্ধে সম্প্রতি মামলা দায়ের হয় দিল্লি হাইকোর্টে। ইন্ডিয়ান প্রফেশনাল নার্সেস অ্যাসোসিয়েশনের তরফে জানানো হয়েছে, বর্তমানে হাজার হাজার প্রশিক্ষিত পুরুষ নার্স রয়েছেন। কিন্তু মিলিটারি থেকে তাঁদের দূরে রাখাটা অযৌক্তিক। এদিন ওই অ্যাসোসিয়েশনের তরফে আইনজীবী অমিত জর্জ জানান, সমস্ত হাসপাতালে এখন পুরুষ নার্স রয়েছে। এমনকী সুপ্রিম কোর্টও বলছে মিলিটারিতেও একটি বিশেষ লিঙ্গকে কোনও কাজ থেকে বিরত করা যাবে না।

    ‘পুরুষও হাসপাতালে কাজ করতে পারেন’

    মামলার (Delhi High Court) শুনানি চলছে বিচারপতি সতীশচন্দ্র শর্মা ও বিচারপতি সঞ্জীব নারুলার ডিভিশন বেঞ্চে। কেন্দ্রের পক্ষে ছিলেন অ্যাডিশনাল সলিসিটর জেনারেল ঐশ্বর্য ভাটি। আদালতে তিনি জানান, সেনা প্রতিষ্ঠানগুলিতে কেবল মহিলা নার্স রাখার প্রথা দীর্ঘদিন ধরে চলে আসছে। তবে সরকার সবে লোকসভা ও রাজ্য বিধানসভায় ৩৩ শতাংশ মহিলা সংরক্ষণের বিল পেশ করেছে। এর পরেই ডিভিশন বেঞ্চের পর্যবেক্ষণ, “এক দিকে আপনারা নারী ক্ষমতায়নের কথা বলছেন, অন্য দিকে আপনারাই বলছেন, পুরুষরা নার্স হিসেবে কাজে যোগ দেন না। একজন মহিলা যদি সিয়াচেনে গিয়ে সেনা অফিসার হিসেবে কাজে যোগ দিতে পারেন, তবে একজন পুরুষও হাসপাতালে কাজ করতে পারেন।”

    আরও পড়ুুন: ‘‘প্ররোচনার উদ্দেশ্য ছিল না’’, ভারত চাপ দিতেই খালিস্তান নিয়ে সুর বদল কানাডার

    ন্যাশনাল ডিফেন্স অ্যাকাডেমিতে মহিলাদের যোগদানের বিষয়ে সুপ্রিম কোর্ট যে ছাড়পত্র দিয়েছিল, সে কথাও মনে করিয়ে দেয় আদালত। এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে নভেম্বর মাসে। প্রসঙ্গত, সেনাবাহিনীতে যাতে লিঙ্গ বৈষম্য না থাকে, সে ব্যাপারে নানা সময় মন্তব্য করেছে সুপ্রিম কোর্ট। সেই প্রেক্ষিতে এদিন দিল্লি হাইকোর্টের (Delhi High Court) মন্তব্য যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলেই ধারণা সংশ্লিষ্ট মহলের।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের , Twitter এবং Google News পেজ।

  • Anantnag Encounter: শেষ হল ৭ দিনের গুলির লড়াই, অনন্তনাগে খতম লস্কর কমান্ডার উজেইর খান

    Anantnag Encounter: শেষ হল ৭ দিনের গুলির লড়াই, অনন্তনাগে খতম লস্কর কমান্ডার উজেইর খান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শেষ হল জম্মু-কাশ্মীরের অনন্তনাগে সেনা-জঙ্গি সংঘর্ষ (Anantnag Encounter)। ৭ দিন ধরে রক্তক্ষয়ী গুলির লড়াইয়ের শেষে সাফল্য পেল ভারতীয় বাহিনী। অনন্তপুরে তিন অফিসার সহ চার জওয়ানের হত্যার বদলা নিল সেনা। নিরাপত্তাবাহিনীর গুলিতে খতম কুখ্যাত লস্কর জঙ্গি-নেতা উজেইর খান। সূত্রের খবর, মঙ্গলবার সকালে লস্কর-ই-তৈবার কমান্ডার উজির খানকে নিকেশ করেছে সেনা। 

    শেষ গুলির লড়াই, তবে চলবে অভিযান

    এদিন সকালে কাশ্মীরের অনন্তনাগে ওই কুখ্যাত জঙ্গি নেতাকে খতম করা হয়েছে (Anantnag Encounter)। এর পাশাপাশি আরও এক জঙ্গির দেহ উদ্ধার হয়েছে বলে সেনা সূত্রে জানা যাচ্ছে। যদিও তার দেহ এখনও উদ্ধার করা হয়নি। কাশ্মীর পুলিশের অতিরিক্ত ডিজি বিজয় কুমার জানিয়েছেন, “লস্কর কমান্ডার উজেইরকে খতম করা হয়েছে। তার দেহ এবং বেশ কিছু অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। তবে তল্লাশি এখনই বন্ধ করা হচ্ছে না। জঙ্গিরা সংখ্যায় ২-৩ জন ছিল মনে করা হচ্ছে। সব জঙ্গির মৃত্যু হয়েছে কি না বা কোনও জঙ্গি ওই জঙ্গলে এখনও লুকিয়ে আছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বেশ কিছু গোপন ডেরার হদিস মিলেছে ওই পাহাড়ে। সেগুলি ধ্বংস করার কাজ চলছে। ফলে, সংঘর্ষ শেষ হলেও তল্লাশি অভিযান চলবে।”

    গত বুধবার শুরু লড়াই, শহিদ চার জওয়ান

    অনন্তনাগে ভারতীয় সেনার এই অভিযান শুরু হয়েছিল গত সপ্তাহের বুধবার। অনন্তনাগ জেলার কোকেরনাগ এলাকার গাডোল অঞ্চলে কিছু জঙ্গি লুকিয়ে ছিল বলে গোপন সূত্রে খবর পান সেনা জওয়ানরা। সেই মতো শুরু হয় জঙ্গি নিধন অভিযান (Anantnag Encounter)। জঙ্গিদের সঙ্গে সেনার গুলির লড়াই শুরু হয়। এর মধ্যে, এই সংঘর্ষে জঙ্গিদের গুলিতে শহিদ হয়েছিলেন রাষ্ট্রীয় রাইফেলসের কর্নেল মনপ্রীত সিং, মেজর আশিস ধোনচাক এবং জম্মু-কাশ্মীর পুলিশের ডিএসপি হুমায়ুন ভাট। পরে শুক্রবার, আরও এক সেনা জওয়ানের মৃত্যু হয়। বৃহস্পতিবার থেকে তিনি নিখোঁজ ছিলেন। 

    অভিযানে নামানো হয়েছিল ড্রোন

    এর পরই, ব্যাপক অভিযানে নামে বাহিনী (Anantnag Encounter)। জঙ্গিদের কোণঠাসা করে দেওয়া হয়েছিল। অভিযানে ড্রোনের সাহায্যও নেওয়া হয়েছিল। সেনার তরফে জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল, যতক্ষণ না সবকটা জঙ্গি খতম হচ্ছে, ততক্ষণ পর্যন্ত অভিযান চলবে। এর সপ্তাহ শেষে মঙ্গলবার কুখ্যাত জঙ্গি নেতাকে খতম করলেন জওয়ানরা। এদিন এডিজি বলেন, ‘‘এখনও অনেকটা জায়গা তল্লাশি করা বাকি আছে। বেশ কিছু জায়গায় বিস্ফোরক রাখা থাকতে পারে বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। সেগুলিকে উদ্ধার করে নিষ্ক্রিয় করা হবে।’’ সাধারণ মানুষ যাতে ওই এলাকা থেকে আপাতত দূরে থাকেন, সেই পরামর্শও দিচ্ছেন অ্যাডিশনাল ডিজিপি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Women’s Reservation Bill: “ভগবান হয়তো আমাকেই বেছে নিয়েছেন”, মহিলা বিল পেশ করে বললেন প্রধানমন্ত্রী

    Women’s Reservation Bill: “ভগবান হয়তো আমাকেই বেছে নিয়েছেন”, মহিলা বিল পেশ করে বললেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “ভগবান হয়তো নারীদের অধিকার দেওয়া ও ক্ষমতা দেওয়ার মতো পবিত্র কাজের জন্য আমাকে বেছে নিয়েছেন।” মঙ্গলবার নয়া সংসদ ভবনে মহিলা সংরক্ষণ বিল (Women’s Reservation Bill) করতে গিয়ে একথা বলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। বিলটির নাম ‘নারী শক্তি বন্দন’। লোকসভায় বিলটি পেশ করেন কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রী অর্জুন রাম মেঘওয়াল।

    ‘ঈশ্বর আমাকে সুযোগ দিয়েছেন’

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “মহিলা সংরক্ষণ বিল নিয়ে সংসদে আগেও আলোচনা হয়েছে। ১৯৯৬ সালে অটলবিহারী বাজপেয়ীর সময়ও প্রথম এবং তারপরেও কয়েকবার মহিলা সংরক্ষণ বিল পেশ করা হয়েছে। কিন্তু তা পাশ করানোর জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যা ছিল না। তাই বিষয়টি অপূর্ণ থেকে গিয়েছিল। আজ ঈশ্বর আমাকে সুযোগ দিয়েছেন বিষয়টিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য।”

    তিনি বলেন, “আবারও আমাদের সরকার এই পদক্ষেপ নিচ্ছে। গতকালই (সোমবার) মন্ত্রিসভা নারী সংরক্ষণ বিলে অনুমোদন দিয়েছে। নারী শক্তিকে নীতি প্রণয়নের সম্পৃক্ত করা খুবই জরুরি। এর উদ্দেশ্য হল, লোকসভা ও বিধানসভায় নারীদের অংশগ্রহণ সম্প্রসারণ করা। এই বিল বাস্তবায়নে আমরা দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। মহিলা জনপ্রতিনিধির সংখ্যা বৃদ্ধি করার লক্ষ্যেই এই বিল (Women’s Reservation Bill)।”

    ‘একটি পবিত্র সূচনা’

    তিনি বলেন, “একটি পবিত্র সূচনা হচ্ছে, তারপর সর্বসম্মতিক্রমে আইন তৈরি হলে এর শক্তি বহুগুণ বেড়ে যাবে।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, “খেলা থেকে স্বনির্ভর প্রকল্প বা স্টার্টআপ – বিশ্বের সব ক্ষেত্রেই দুনিয়া মহিলাদের অবদান দেখছে। দেশের বিকাশযাত্রায় নয়া স্বপ্ন ছুঁতে মহিলাদের ক্ষমতায়ন অত্যন্ত জরুরি। মহিলাদের নেতৃত্বেই উন্নয়নে জোর দিতে হবে। সব দেশের বিকাশযাত্রায় এমন এক মুহূর্ত আসে, যখন ওই দেশ গর্বের সঙ্গে বলতে পারে, আজকের দিনে আমরা সবাই গর্বের ইতিহাস রচনা করেছি। নতুন ভবনের প্রথম অধিবেশনের প্রথম ভাষণে আমি গর্বের সঙ্গে বলছি, আজকের এই মুহূর্ত ইতিহাসে স্মরণীয় মুহূর্ত। আমাদের সবার কাছে এটা গর্বের।”

    তিনি বলেন, “আজ যখন মহিলারা সব ক্ষেত্রে এগিয়ে চলেছেন, নেতৃত্বেই বা পিছিয়ে থাকবেন কেন? নীতি নির্ধারণে আমাদের দেশের মহিলা সমাজ আরও বেশি যোগদান করুন। এই বিল (Women’s Reservation Bill) আইনে পরিণত হলে আমাদের গণতন্ত্র আরও মজবুত হবে।

  • Women’s Reservation Bill: লোকসভায় মহিলা সংরক্ষণ বিল পেশ, কী আছে এই বিলে? কবে থেকে কার্যকর?

    Women’s Reservation Bill: লোকসভায় মহিলা সংরক্ষণ বিল পেশ, কী আছে এই বিলে? কবে থেকে কার্যকর?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভায় পেশ হল মহিলা সংরক্ষণ বিল (Women’s Reservation Bill)। মঙ্গলবার দীর্ঘ আলোচনার পর নতুন সংসদ ভবনে আইনমন্ত্রী অর্জুন রাম মেঘওয়াল এই বিল পেশ করেন। গত ২৭ বছর ধরে মহিলা সংরক্ষণ বিল আলোচনা হলেও, তা পাস করাতে ব্যর্থ হয়েছে সরকার। বিশেষ অধিবেশনে মহিলা সংরক্ষণ বিল পাস করার পক্ষে সওয়াল করেছে বিরোধী দলগুলি। এদিন লোকসভায় (Lok Sabha) মহিলা সংরক্ষণ বিল পেশ (Women’s Reservation Bill) করার পর বিজেপির মহিলা কর্মীরা আনন্দে মাতেন৷ 

    মহিলা সংরক্ষণ বিলে কী বলা হয়েছে 

    মহিলা সংরক্ষণ বিলের (Women’s Reservation Bill) অধীনে মহিলাদের জন্য ৩৩ শতাংশ অর্থাৎ এক তৃতীয়াংশ আসন সংরক্ষণের বিধান রয়েছে। বর্তমানে লোকসভায় ১৫ শতাংশ আসনে মহিলা সাংসদ রয়েছেন। এই বিলটি  সংসদে প্রথম পেশ হয় ১৯৯৬ সালে  ১২ সেপ্টেম্বর। পরিসংখ্যান অনুসারে, বর্তমানে লোকসভায় ৭৮ জন মহিলা সাংসদ রয়েছেন।  ১৯৯৬ সালে এইচডি দেবগৌড়া প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন মহিলা সংরক্ষণ বিল বাস্তবায়নের দাবি ওঠে। বিলটি সংসদে পেশ করার ব্যাপারে সহমতেও পৌঁছায় সরকার ও বিরোধী দলগুলি। কিন্তু বিলটি পেশ করার আগেই পতন হয় দেবগৌড়া সরকারের। অটলবিহারী বাজপেয়ীর আমলেও মহিলা সংরক্ষণ বিল সংসদে পেশ নিয়ে কথা হয়েছিল। কিন্তু কোনও কারণে তা আটকে যায়। 

    আরও পড়ুন: খালিস্তান ইস্যুতে পাল্টা জবাব দিল্লির! কানাডার শীর্ষ কূটনীতিককে বহিষ্কার ভারতের

    মহিলা সংরক্ষণ বিলে আসন সংখ্যা 

    যদি পশ্চিমবঙ্গের কথা বলা হয়, তাহলে লোকসভায় আসনসংখ্যা হল ৪২। অন্যদিকে বিধানসভার আসন সংখ্যা ২৯৪। এই অবস্থায় এই বিল পাশ হলে, পশ্চিমবঙ্গে ৪২টি আসনের মধ্যে ১৪টি আসন মহিলাদের (Women’s Reservation Bill) জন্য সংরক্ষিত হবে। আর বিধানসভার কথা ধরলে ২৯৪ টি আসনের মধ্যে ৯৮টি আসন মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত হবে। যদি সারা দেশের কথা ধরা হয়, তাহলে লোকসভার মোট ৫৪৩টি আসনের মধ্যে ১৭৯টি আসন মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত হবে। আর রাজ্য বিধানসভাগুলিতে ৪১২৩টি আসনের মধ্যে ১৩৬১টি আসন মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত থাকবে।

    মহিলা সংরক্ষণ বিল কবে থেকে কার্যকর

    মহিলা সংরক্ষণ বিলটি ঘূর্ণায়মান ভিত্তিতে পরিচালিত হবে। ১৮০টি লোকসভা আসনে দ্বৈত সদস্যপদ থাকবে। এই আসনগুলির এক তৃতীয়াংশ তফশিলি জাতি ও উপজাতিদের জন্য সংরক্ষিত থাকবে। ২০২৭-এর সীমানা নির্ধারণের পরে একই সংখ্যক আসন বৃদ্ধি করা হবে এবং মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত করা হবে। সূত্রের খবর, সংসদের বিশেষ অধিবেশনে মহিলা সংরক্ষণ বিল নিয়ে আলোচনা করা হলেও, ২০২৪ লোকসভা নির্বাচনে তা বাস্তবায়নের সম্ভাবনা নেই। সেক্ষেত্রে ২০২৯ লোকসভা নির্বাচনে বাস্তবায়িত করা হতে পারে বলে মিলেছে ইঙ্গিত।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share