Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Godhra: উপযুক্ত তথ্যপ্রমাণের অভাব, গোধরাকাণ্ডে বেকসুর খালাস পেলেন ৩৫ জন

    Godhra: উপযুক্ত তথ্যপ্রমাণের অভাব, গোধরাকাণ্ডে বেকসুর খালাস পেলেন ৩৫ জন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উপযুক্ত তথ্যপ্রমাণ নেই। তাই ২০০২ সালের গুজরাট (Godhra) হিংসায় বেকসুর খালাস পেলেন অভিযুক্ত ৩৫ জন। গুজরাটের পঞ্চমহল জেলার হালোল শহরের এক নিম্ন আদালত তাঁদের মুক্তি দেওয়ার নির্দেশ দেয়। ঘটনার ২১ বছর পর এবার গরাদ থেকে বেরিয়ে আসতে পারবেন তাঁরা। প্রসঙ্গত, গুজরাট হিংসায় অভিযুক্ত ছিলেন ৫২ জন। তাঁদের মধ্যে বিচার চলাকালীন মারা যান ১৭ জন। বাকিরা পেলেন মুক্তির স্বাদ। আদালত এও বলেছে, “এই হিংসা স্বতঃস্ফূর্ত, পরিকল্পনামাফিক নয়।” নিম্ন আদালতের বিচারক হর্ষ ত্রিবেদীর পর্যবেক্ষণ, “ছদ্ম ধর্মনিরপেক্ষ কিছু গণমাধ্যম আর রাজনীতিবিদ যাঁরা এই হিংসার ঘটনাকে পরিকল্পনামাফিক বলেছিলেন, তাঁরা আসলে হিংসার ক্ষতে নুনের ছিটে দিয়েছেন।”

    আদালতের বক্তব্য

    গোধরা (Godhra)-উত্তর কালে খুন করা, প্ররোচনা দেওয়া ও তথ্যপ্রমাণ লোপাটের অভিযোগ উঠেছিল ৫২ জনের বিরুদ্ধে। চলছিল তদন্তও। তদন্তে বয়ান নেওয়া হয় ১৩০ জন সাক্ষীর। বিচারক হর্ষ ত্রিবেদী বলেন, “সাম্প্রদায়িক হিংসার ঘটনায় অন্য সম্প্রদায়ের মানুষেরা বহু নিরপরাধ মানুষের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করেন। কিন্তু কোনও নিরপরাধ মানুষ যাতে সাজা ভোগ না করেন, তা দেখা আদালতের কাজ।”

    তথ্য প্রমাণের অভাবেই মুক্তি

    গোধরা-পরবর্তী হিংসায় হিংসা ছড়িয়েছিল কালোল বাস স্ট্যান্ড, দেলোল গ্রাম সহ মোট চারটি জায়গায় হিংসা ছড়ানো, অগ্নিসংযোগ করা এবং তিনজনকে খুন করার অভিযোগ উঠেছিল ওই ৫২ জনের বিরুদ্ধে। ১৭ জন প্রয়াত হওয়ায় মামলা চলছে ৩৫ জনের বিরুদ্ধে। পুলিশ যে মামলা দায়ের করে, সেখানে বলা হয় তল্লাশি চালিয়ে ওই তিনজনের কোনও সন্ধান পাওয়া যায়নি। তিনজনই নির্দিষ্ট একটি সম্প্রদায়ভুক্ত। যদিও আদালত জানিয়েছে, তথ্য প্রমাণের অভাবেই মুক্তি দেওয়া হচ্ছে ৩৫জনকে।

    আরও পড়ুুন: বীরভূমে শাসক দলের দুষ্কৃতীদের দ্বারা আক্রান্ত বিরোধীরা, কমিশনের দ্বারস্থ বিজেপি

    ভারতে সাম্প্রদায়িক হিংসা যে নতুন নয়, ৩৬ পৃষ্ঠার রায়ে সে কথারও (Godhra) উল্লেখ করেছেন বিচারক। রায়ে বলা হয়েছে, “ভারতে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা দীর্ঘকাল ধরে অব্যাহত রয়েছে এবং সাধারণত তুচ্ছ বিবাদ এবং অসহিষ্ণুতা, ধর্মীয় শিল্পকর্মের হেরফের, উৎসবে অন্যদের অনুপ্রবেশ, বিরোধপূর্ণ প্রার্থনার সময়, উপাসনালয় নিয়ে বিবাদ, আন্তঃবিবাহ, পবিত্র স্থানের অপবিত্রতা, যৌনতা ইত্যাদির কারণে ঘটে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Jagannath Puri: মঙ্গলবার রথযাত্রা, কেন পালিত হয় এই উৎসব?

    Jagannath Puri: মঙ্গলবার রথযাত্রা, কেন পালিত হয় এই উৎসব?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মঙ্গলবার রথযাত্রা। হিন্দু বিশ্বাস অনুযায়ী, এদিন রথে করে জগন্নাথ (Jagannath Puri), বলরাম ও সুভদ্রা মাসির বাড়ি বেড়াতে যান। এই দিনেই পথে নামেন ভক্তের ভগবান। কাছ থেকে ঈশ্বর দর্শন করতে রাস্তায় নামেন ভক্তও। পথি মধ্যেই মিলন হয় ভক্তের সঙ্গে ভগবানের। জগন্নাথ হলেন ভগবান বিষ্ণুরই এক রূপ। এদিন পুরী সহ দেশের নানা প্রান্তে পালিত হয় রথযাত্রা উৎসব। রথের রশি ছুঁয়ে পূণ্যার্জন করতে ছোটেন পুণ্যলোভাতুরা। 

    কেন কাষ্ঠনির্মিত মূর্তি?

    হিন্দুদের মূর্তি সচরাচর তৈরি হয় মাটি, পাথর কিংবা ধাতু দিয়ে। কেবল জগন্নাথের মূর্তি তৈরি হয় কাঠের। (ইদানিং অবশ্য কেউ কেউ কাঠের কালীমূর্তিও তৈরি করে পুজো করছেন।) তাই জগন্নাথের আর এক নাম দারুব্রহ্ম। জগন্নাথের মূর্তি কাঠ দিয়ে তৈরি করা হয়। কারণ ভগবান বিষ্ণু নৃসিংহ অবতারে কাঠের খুঁটি থেকে বেরিয়েই বধ করেছিলেন হিরণ্যকশিপুকে। যেহেতু জগন্নাথ বিষ্ণুরই অবতার, তাই তাঁর বিগ্রহ কাষ্ঠ নির্মিত।

    পুরীর জগন্নাথের গুরুত্ব

    পুরীর জগন্নাথ ক্ষেত্র (Jagannath Puri) শাক্ত, বৈষ্ণব এবং শৈবদেরও তীর্থক্ষেত্র। জগন্নাথ মন্দির সংলগ্ন মন্দির রয়েছে মা বিরজার। হিন্দুদের বিশ্বাস, এই বিরজা সতীর অংশ বিশেষ। যেহেতু প্রতিটি সতীপীঠে ভৈরব থাকেন, তাই পুরীতে মা বিমলার ভৈরব জগন্নাথ। জগন্নাথ যেহেতু স্বয়ং বিষ্ণু, তাই এটি বৈষ্ণবদেরও তীর্থক্ষেত্র। জগন্নাথকে স্বয়ং শিব বলে মনে করেন শৈবরা। তাই শিব-ভক্তদের কাছেও পুরীর জগন্নাথ ক্ষেত্রের গুরুত্ব অপরিসীম। বৌদ্ধদের কাছেও শ্রীক্ষেত্রের গুরুত্ব কম নয়। বৌদ্ধদের বিশ্বাস, শ্রীক্ষেত্রেই রয়েছে ভগবান তথাগতের দাঁত। জৈনদের কাছেও পুরীর গুরুত্ব অপরিসীম। তাঁদের বিশ্বাস, জগন্নাথ তীর্থঙ্কর স্বরূপ। কারণ নাথ বলা হয় জৈন তীর্থঙ্করদের। তাছাড়া জগন্নাথ শব্দটিও এসেছে জৈন থেকে। অনেকে মনে করেন, জগন্নাথ উপজাতিদের দেবতা। শবরা গোপনে পুজো করতেন নীলমাধবের। সেখান থেকে উদ্ধার করা হয় তাঁকে। প্রতিষ্ঠা করা হয় পুরীধামে। তাই তিনি উপজাতিদেরও আরাধ্য।

    আরও পড়ুুন: বিজেপি প্রার্থীদের বেধড়ক মার, আক্রান্ত মন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিক, অভিযুক্ত তৃণমূল

    রথযাত্রার দিনে জগন্নাথ (Jagannath Puri), বলরাম ও সুভদ্রা এই তিন শ্রীবিগ্রহকে তোলা হয় রথে। বছরের এই একটি দিনেই ভক্তদের কোলে চড়ে রথারোহণ করেন জগতের নাথ। তাঁর সঙ্গে রথে চড়ে মাসির বাড়ি যান দাদা বলরাম ও বোন সুভদ্রা। পুরীর এই তিন শ্রীবিগ্রহ রথে চড়ে যান দু কিলোমিটার দূরের গুন্ডিচা মন্দিরে। সাত দিন এখানেই পুজো-ভোগ নিবেদন হয় দেবতার। উল্টো রথের দিন ফের শ্রীমন্দিরে ফেরেন ভক্তের ভগবান।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Narendra Modi: আন্তর্জাতিক যোগ দিবসে রাষ্ট্রপুঞ্জে যোগাভ্যাসের ‘পাঠ’ পড়াবেন মোদি

    Narendra Modi: আন্তর্জাতিক যোগ দিবসে রাষ্ট্রপুঞ্জে যোগাভ্যাসের ‘পাঠ’ পড়াবেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিউ ইয়র্কে রাষ্ট্রপুঞ্জের সদর দফতরে, নবম আন্তর্জাতিক যোগ দিবস (Yoga Day 2023) উপলক্ষে আয়োজিত, বিশেষ যোগ অধিবেশনের নেতৃত্ব দেবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)।  প্রতি বছর ২১ জুন পালন করা হয় আন্তর্জাতিক যোগ দিবস। এবছর ওই দিনই চার দিনের সফরে আমেরিকা পৌঁছবেন প্রধানমন্ত্রী। এই প্রথম রাষ্ট্রপুঞ্জের আঙিনায় যোগ শিক্ষা দেবেন মোদি।

    যোগ দিবসের নানান কর্মসূচি

    সংবাদ সংস্থা সূত্রে খবর, ২১ জুন সকাল ৮টা থেকে ৯টা পর্যন্ত, এক ঘণ্টা রাষ্ট্রপুঞ্জের সদর দফতরের উত্তরের লনে এই বিশেষ যোগ অধিবেশন চলবে। আয়োজকদের পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, “নবম আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উপলক্ষে, রাষ্ট্রপুঞ্জে ভারতের স্থায়ী প্রতিনিধি, আপনাদের সকলকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে একটি যোগ অধিবেশনে যোগ দেওয়ার আন্তরিক আমন্ত্রণ জানাচ্ছেন।”

    প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে এই ঐতিহাসিক যোগ (Yoga Day 2023)  অধিবেশনে অংশ নেবেন রাষ্ট্রপুঞ্জের শীর্ষ কর্তারা। এছাড়া থাকবেন বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত, সদস্য রাষ্ট্রগুলির প্রতিনিধিরা পাশাপাশি প্রবাসী ভারতীয় সম্প্রদায়ের বহু বিশিষ্ট সদস্যরাও উপস্থিত থাকবেন বলে আশা করা হচ্ছে। সকল অতিথি এবং অংশগ্রহণকারীদের এই বিশেষ অধিবেশনে যোগাভ্যাসের উপযোগী পোশাক পরে যোগ দিতে বলা হয়েছে। অধিবেশন তাদের ‘যোগা ম্যাট’ দেওয়া হবে। 

    আরও পড়ুুন: বিজেপি প্রার্থীদের বেধড়ক মার, আক্রান্ত মন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিক, অভিযুক্ত তৃণমূল

    প্রধানমন্ত্রী মোদিকে আমন্ত্রণ

    রাষ্ট্রপুঞ্জের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, যোগা ম্যাটগুলি স্মারক হিসেবে অংশগ্রহণকারীদের দিয়ে দেওয়া হবে। এই বিষয়ে একটি ট্যুইট করেছেন রাষ্ট্রপুঞ্জের সাধারণ পরিষদের ৭৭তম অধিবেশনের সভাপতি সাবা করোসি। প্রধানমন্ত্রী মোদির (Narendra Modi) সঙ্গে নিজের একটি ছবি ট্যুইট করে সাবা করোসি জানিয়েছেন, “আগামী সপ্তাহে রাষ্ট্রপুঞ্জের সদর দফতরের নর্থ লনে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে নবম আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উদযাপনে অংশগ্রহণের জন্য আমি উন্মুখ হয়ে আছি।”

    মোদির ট্যুইট বার্তা

    এই বিষয়ে ট্যুইট করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও (Narendra Modi)। বিভিন্ন আসনের একটি ভিডিয়ো পোস্ট করে তিনি লিখেছেন, “যোগব্যায়াম শরীর এবং মন উভয়ের জন্যই উপকারী। শক্তি, নমনীয়তা এবং প্রশান্তি বৃদ্ধি করে। আসুন যোগকে আমাদের জীবনের একটি অংশ করে তুলি এবং জীবনে সুস্থতার পাশাপাশি শান্তি নিয়ে আসি।”

    আরও একটি ট্যুইটে তিনি সাবা করোসির ট্যুইটের জবাবও দিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, “রাষ্ট্রপুঞ্জের সদর দফতরে আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উদযাপনে আপনাকে দেখতে আমিও উন্মুখ হয়ে আছি। আপনার অংশগ্রহণ অনুষ্ঠানটিতে বিশেষ মাত্রা যোগ করেছে। গোটা বিশ্বকে এক করে সুস্থতার দিকে নিয়ে যায় যোগ। কামনা করি, এটি বিশ্বব্যাপী আরও জনপ্রিয় হয়ে উঠুক।”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Manipur: হিংসার আগুনে ফের জ্বলল মণিপুর, চলল গুলি, অস্ত্র লুঠের চেষ্টাও

    Manipur: হিংসার আগুনে ফের জ্বলল মণিপুর, চলল গুলি, অস্ত্র লুঠের চেষ্টাও

    মাধ্যম নিউজ ডেক্স: ফের অশান্তির আগুন মণিপুরে (Manipur)। শুক্রবার রাত থেকে আবারও অশান্তির আগুন জ্বলেছে রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায়। দফায় দফায় হয়েছে সংঘর্ষ। লাগানো হয়েছে আগুন। গুলি চালানোর খবরও মিলেছে। জানা গিয়েছে, শুক্রবার রাতে কাওয়াকতা ও কাঙ্গভাইয়ে গুলি চলে। আজ, শনিবার ভোর পর্যন্ত দফায় দফায় গুলি চলেছে বলে পুলিশ ও সেনা সূত্রে খবর। রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় চালানো হয়েছে ভাঙচুর, লাগানো হয়েছে আগুন।

    প্যালেস চত্বরে আগুন

    বৃহস্পতিবার রাতে ইম্ফলে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী আরকে রঞ্জন সিংহের বাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেয় বিক্ষুব্ধ জনতা। তার পরে পরেই পূর্ব ইম্ফলের দখল নেয় সেনা, অসম রাইফেলস সহ বিভিন্ন বাহিনী। তা সত্ত্বেও জ্বলেছে অশান্তির আগুন। ইম্ফলের অ্যাডভান্স হাসপাতালের কাছে প্যালেস চত্বরে লাগিয়ে দেওয়া হয় আগুন। শুক্রবার বিকেল থেকে হাজারেরও বেশি জনতা ভিড় করেছিল ওই চত্বরে। ভাঙচুর করে আগুন লাগিয়ে দেয় তারাই। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নামে বাহিনী। বিক্ষোভকারীদের উদ্দেশে ছোড়া হয় কাঁদানে গ্যাসের সেল, রাবার বুলেট। এই বুলেটের ঘায়ে জখম হয়েছেন দুই বিক্ষোভকারী।

    বিজেপির অফিসে আগুন লাগানোর চেষ্টা

    জানা গিয়েছে, এদিন মধ্য রাতে প্রায় ৩০০ বিক্ষুব্ধ জনতা সিনজেমাইয়ে (Manipur) বিজেপির অফিসে আগুন লাগানোর চেষ্টা করে। সেনা বাহিনী গিয়ে দ্রুত সামাল দেয় পরিস্থিতি। বিজেপির রাজ্য সভাপতির বাড়িতেও ভাঙচুর চালানোর চেষ্টা করা হয় বলে অভিযোগ। এদিকে, মণিপুর বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরেও জড়ো হয়েছেন বিক্ষোভকারীরা। তাঁরা স্থানীয় বিধায়কের বাড়িতে আগুন লাগানোর চেষ্টা করে বলেও অভিযোগ। বাহিনী গিয়ে তাঁদের সরিয়ে নিয়ে যায়। পশ্চিম ইম্ফলের ইরিঙ্গবাম থানায়ও হামলা চালানো হয়। বিক্ষুব্ধ জনতা অস্ত্রভাণ্ডার লুঠ করার চেষ্টা করে।

    আরও পড়ুুন: উত্তর সিকিমে ধস, বন্ধ যোগাযোগ, বিপাকে পর্যটকরা

    প্রসঙ্গত, গত ৩ মে থেকেই উত্তর-পূর্বের এই রাজ্যে (Manipur) হিন্দু মেইতেই এবং খ্রিস্টান কুকিদের মধ্যে সংঘর্ষ চলছে। শান্তি ফেরাতে রাজ্য এবং কেন্দ্রের তরফে একাধিক পদক্ষেপ করা হলেও এখনও ফেরেনি কাঙ্খিত শান্তি। মণিপুরের উপত্যকা অঞ্চলে বাস করা মেইতেই জনগোষ্ঠী জনজাতি মর্যাদার দাবি জানানোর পরেই তার বিরুদ্ধে সরব হয় কুকিরা। জনজাতি সম্প্রদায়ভুক্ত কুকিদের অভিযোগ, রাজ্যে সংখ্যাগরিষ্ঠ মেইতেইদের অতিরিক্ত সুবিধা দেওয়া হচ্ছে। পাল্টা মেইতেইদের দাবি, কুকিদের জন্য তাদের অধিকার খর্ব হচ্ছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Landslide: উত্তর সিকিমে ধস, বন্ধ যোগাযোগ, বিপাকে পর্যটকরা

    Landslide: উত্তর সিকিমে ধস, বন্ধ যোগাযোগ, বিপাকে পর্যটকরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নাগাড়ে চলা অতিভারী বৃষ্টির জেরে ধস (Landslide) নামল উত্তর সিকিমের (Sikkim) রাস্তায়। বৃহস্পতিবার রাতে চুংথাংয়ের কাছে পেগংয়ে ওই ধস নেমেছে। রাস্তার ওপর দিয়েই প্রবল বেগে বইছে ঝর্নার জল। তার জেরে বন্ধ হয়ে গিয়েছে ১০ নম্বর জাতীয় সড়ক। যোগাযোগ বন্ধ হয়ে গিয়েছে লাচুং, লাচেন এবং ইয়ুমথাংয়ের সঙ্গে। ঘটনার জেরে উত্তর সিকিমে বেড়াতে গিয়ে আটকে পড়েছেন বহু পর্যটক। সার দিয়ে দাঁড়িয়ে রয়েছে যানবাহন। জাতীয় সড়ক থেকে ধস সরিয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার চেষ্টা চলছে। এমতাবস্থায় শুক্রবার উত্তর সিকিমে বেড়াতে যাওয়ার জন্য পর্যটকদের অনুমোদন দেওয়া হয়নি।

    আবহাওয়ার পূর্বাভাস 

    সিকিম আবহাওয়া দফতরের অধিকর্তা (Landslide) গোপীনাথ রাহা বলেন, “উত্তর সিকিমের বিভিন্ন এলাকা ধসে বিপর্যন্ত। এমন বৃষ্টি হচ্ছে যে, আগামী পাঁচ দিন পরিস্থিতি খুব একটা স্বাভাবিক হবে না। বিশেষ করে উত্তর সিকিমে অতিভারী বর্ষণ হবে। উত্তরবঙ্গেও ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। উত্তরবঙ্গ ও সংলগ্ন সিকিম জুড়ে একটি নিম্নচাপ অক্ষরেখা রয়েছে, যা উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। তার প্রভাবে উত্তর বঙ্গোপসাগর থেকে পর্যাপ্ত পরিমাণে এই অঞ্চলে জলীয় বাষ্প ঢুকছে। তার প্রভাবে উত্তর বঙ্গোপসাগর থেকে পর্যাপ্ত পরিমাণে এই অঞ্চলে জলীয় বাষ্প ঢুকছে। জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার এবং কোচবিহারেও ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস রয়েছে।”

    আরও পড়ুুন: পঞ্চায়েত ভোটের আগে আলিপুরদুয়ারে তৃণমূল ছাড়ার হিড়িক, কেন জানেন?

    হিমালয়ান হসপিটালিটি অ্যান্ড ট্যুরিজম ডেভেলপমেন্টের সম্পাদক সম্রাট সান্যাল বলেন, “উত্তর সিকিমের সঙ্গে যোগাযোগ ব্যবস্থা প্রায় বন্ধ। বিভিন্ন এলাকা ধসের কবলে। আমরা খোঁজ নিচ্ছি পর্যটকদের কী পরিস্থিতি বা কোথায় কতজন পর্যটক আটকে রয়েছেন।” নাগাড়ে বৃষ্টির (Landslide) জেরে ফুঁসছে পূর্ব ও পশ্চিম সিকিমের একাধিক নদী। পশ্চিম সিকিমের রিম্বি নদীতে ভেসে গিয়েছেন এক বৃদ্ধ। নর্থ সিকিমে আটকে পড়া পর্যটকদের উদ্ধারে নেমেছে সেনাবাহিনী।

    এদিকে, রাতভর বৃষ্টির জেরে জলস্তর বেড়েছে তিস্তা ও রংফু নদীর। ওই নদীগুলিতে জারি হয়েছে লাল সতর্কতা। কালিম্পংয়ের জেলাশাসক আর বিমলা বলেন, “তিস্তা সহ বেশ কয়েকটি পাহাড়ি নদীর জলস্তর কাল রাত থেকে বেড়েছে। ঝুঁকিপ্রবণ এলাকা থেকে নিরাপদ স্থানে সরানো হয়েছে স্থানীয়দের। পরিস্থিতির ওপর নজর রাখা হচ্ছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • BSNL Corruption Case: ২২ কোটির কারচুপি! ২১ জন বিএসএনএল কর্তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের সিবিআইয়ের

    BSNL Corruption Case: ২২ কোটির কারচুপি! ২১ জন বিএসএনএল কর্তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের সিবিআইয়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রাক্তন জেনারেল ম্যানেজার-সহ ২১ বিএসএনএল (BSNL Corruption Case) আধিকারিকদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ উঠল। অভিযুক্ত ভারত সঞ্চার নিগম লিমিটেড (BSNL)-এর আধিকারিকের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই। শুক্রবার এই মামলা সংক্রান্ত ২৫টি জায়গায় তল্লাশিও চালান সিবিআই আধিকারিকরা।

    বিএসএনএলের ক্ষতি

    তদন্তকারী সংস্থার অভিযোগ, এক ঠিকাদারের সঙ্গে ষড়যন্ত্র করে একটি কাজের জন্য বরাদ্দ টাকায় কারচুপি করেন অভিযুক্ত আধিকারিকরা। যার ফলে বিএসএনএলের (BSNL Corruption Case) প্রায় ২২ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে। সিবিআই-এর এফআইআরে মূলত বিএসএনএলের অসম সার্কেলের অফিসারদের নাম রয়েছে। প্রাক্তন জেনারেল ম্যানেজার ছাড়াও ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার, অ্যাসিস্ট্যান্ট জেনারেল ম্যানেজার, জোড়হাট, শিবসাগর, গুয়াহাটি শাখার চিফ অ্যাকাউন্টস অফিসারদের বিরুদ্ধেও অভিযোগ উঠেছে। এফআইআরে অভিযুক্ত আধিকারিকরা বাদে এক ঠিকাদারের নাম উল্লেখ রয়েছে যিনি বিসিএনএলের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত নন বলে সিবিআই সূত্রে জানা গিয়েছে। 

    আরও পড়ুন: অনুব্রতর গড়ে ফের ভাঙন, তৃণমূল সাংসদ অসিত মালের ভাইপো যোগ দিলেন বিজেপিতে

    দেশের বিভিন্ন প্রান্তে তল্লাশি

    সিবিআই মুখপাত্র এক বিবৃতিতে বলেন, ‘‘এক জন ঠিকাদারকে অপটিক্যাল ফাইবারের কাজ করার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। অভিযোগ ওঠে, ওই ঠিকাদার নিজের কাজ ঠিক ভাবে করেননি। উপরন্তু তিনি বিভিন্ন অছিলায় সংস্থার কাছে অতিরিক্ত টাকা নিয়েছেন। এই ঘটনায় ওই ২১ আধিকারিক যুক্ত ছিলেন বলে অভিযোগ। এর ফলে বিএসএনএলের (BSNL Corruption Case) প্রায় ২২ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে।” কেন্দ্রীয় সংস্থার দাবি, ওই কনট্রাক্টর টেন্ডারের অনেক নিয়ম লঙ্ঘন করেছিলেন। এফআইআর দায়েরের পরে শুক্রবার অসম, বিহার, পশ্চিমবঙ্গ, ওড়িশা এবং হরিয়ানায় অভিযুক্তদের অফিস এবং বাসস্থান-সহ ২৫টি স্থানে তল্লাশি চালিয়েছে সিবিআই। এই তল্লাশির ফলে বিভিন্ন নথি সিবিআই-এর হাতে এসেছে। এই সমস্ত তথ্য তদন্ত প্রক্রিয়া এগিয়ে নিয়ে যেতে সাহায্য করবে বলে দাবি, সিবিআই-এর।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Terrorists Killed: জম্মুতে বড় সাফল্য বাহিনীর, এনকাউন্টারে খতম ৫ বিদেশি জঙ্গি

    Terrorists Killed: জম্মুতে বড় সাফল্য বাহিনীর, এনকাউন্টারে খতম ৫ বিদেশি জঙ্গি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জঙ্গি দমন (Terrorists Killed) অভিযানে জম্মু কাশ্মীরে বড় সাফল্য। সীমান্তের ওপার থেকে অনুপ্রবেশের বড়সড় ছক ভেস্তে দিল নিরাপত্তাবাহিনী। শুক্রবার সকালে জম্মু–কাশ্মীরের কুপওয়ারা জেলায় নিয়ন্ত্রণরেখার কাছে নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে খতম হয়েছে পাঁচ বিদেশি জঙ্গি। 

    অনুপ্রবেশ করার সময় সংঘর্ষ

    জানা গিয়েছে, গোপন সূত্রে বাহিনীর কাছে খবর এসে পৌঁছয় যে, জুমাগুন্ড দিয়ে বিদেশি জঙ্গিদের একটি দল ভারতে অনুপ্রবেশ করার চেষ্টা করছে। সঙ্গে সঙ্গে তৎপর বাহিনী সেখানে ফোর্স পাঠিয়ে দেয়। ভারতীয় সেনা ও কাশ্মীর পুলিশকে নিয়ে গঠিত যৌথ বাহিনী সেখানে গিয়ে তল্লাশি শুরু করে। বাহিনীকে দেখেই, আচমকা গুলিবর্ষণ শুরু করে জঙ্গিরা। পাল্টা জবাব দেয় বাহিনীও। ভোর বেলা শুরু হওয়া এনকাউন্টারে দুপক্ষের মধ্যে গুলি বিনিময় হয়। বেশ কিছুক্ষণ ধরে সংঘর্ষ চলার পর বাহিনীর গুলিতে ৫ বিদেশি জঙ্গি খতম (Terrorists Killed) হয়। নিরাপত্তা বাহিনীর অনুমান, এলাকায় আরও অনেক জঙ্গি লুকিয়ে থাকতে পারে। তাদের সন্ধানে চলছে সেনার তল্লাশি অভিযান।

    কী জানিয়েছে কাশ্মীর পুলিশ?

    জঙ্গি নিধনের খবর নিশ্চিত করেছে কাশ্মীর জোন পুলিশ। এদিন সকালে কাশ্মীর জোন পুলিশের পক্ষ থেকে একটি ট্যুইটে জানানো হয়, ‌কুপওয়ারা পুলিশের তথ্য অনুযায়ী শুক্রবার সকালে কুপওয়ারা জেলার নিয়ন্ত্রণরেখার অবস্থিত জুমাগুন্ড এলাকায় অভিযান চালিয়েছিল সেনা ও পুলিশের একটি যৌথ বাহিনী। এডিজিপি কাশ্মীর বিজয় কুমার এনকাউন্টারে পাঁচ বিদেশি জঙ্গি নিহত  (Terrorists Killed) হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তল্লাশি অভিযান চলছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

    চলতি মাসে আরও সেনা-জঙ্গি সংঘর্ষ

    এর আগে, গত ১৩ জুন পাক-সীমান্ত এলাকায় যৌথ বাহিনীর অভিযানে দুই জঙ্গি নিধন হয়েছিল। কুপওয়ারা জেলার মাচিল সেক্টরে (এলওসি) সেনা এবং পুলিশের যৌথ অভিযানে দুই জঙ্গিকে খতম হয়। তার আগে, ২ জুন জম্মু কাশ্মীরের রাজৌরি জেলায় নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে একজন জঙ্গি খতম (Terrorists Killed) হয়। রাজৌরির কাছে দাসাল গুজরানের বনাঞ্চলে সন্দেহজনক গতিবিধি লক্ষ্য করার পরে সেনাবাহিনী এবং পুলিশের যৌথ বাহিনী অভিযান চালায়। তার একদিন আগেই, অর্থাৎ ১ জুন, নিরাপত্তা বাহিনী জম্মু ও কাশ্মীরের বারামুল্লা জেলায় দুই লস্কর-ই-তৈবা (এলইটি) জঙ্গিকে গ্রেফতার করে এবং তাদের কাছ থেকে প্রচুর পরিমাণ অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার করা হয়। 

    আরও পড়ুন: মোদির সফরের আগেই মার্কিন ঘাতক প্রিডেটর ড্রোন কেনায় সম্মতি ভারতের

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Manipur Violence: ইম্ফলে জ্বলল কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর বাড়ি, হিংসার পথেই মণিপুর

    Manipur Violence: ইম্ফলে জ্বলল কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর বাড়ি, হিংসার পথেই মণিপুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হিংসা থামার নাম নেই মণিপুরে (Manipur Violence)। শুক্রবার ভোরে ফের নতুন করে আগুন জ্বলে উঠল মণিপুরে। সূত্রের খবর, এদিন ভোরে দুষ্কৃতীরা হামলা চালায় ইম্ফলে অবস্থিত কেন্দ্রীয় মন্ত্রী আরকে রঞ্জন সিং-এর বাড়িতে। তাঁর বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। তবে, ঘটনার সময় কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বাড়িতে ছিলেন না। তিনি এখন দিল্লিতে।

    ভস্মীভূত কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর বাড়ি

    জানা গিয়েছে, বিজেপি নেতা তথা কেন্দ্রীয় বিদেশ মন্ত্রকের প্রতিমন্ত্রী আরকে রঞ্জন সিংয়ের বাড়িতে শুক্রবার ভোর রাতে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। প্রায় ১০০০ জন মিলে মন্ত্রীর বাড়িতে হামলা চালায় বলে জানা গিয়েছে। এই হামলার সময় কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নিজের বাড়িতে ছিলেন না বলে জানা গিয়েছে। তিনি নিরাপদ স্থানেই আছেন। প্রসঙ্গত, এর আগে মে মাসেও মন্ত্রীর বাড়িতে হামলা চালানো হয়ছিল। তবে এবারে তাঁর বাড়িতে আগুন ধরিয়ে পুরো ভস্মীভূত করে দেওয়া হল। বুধবার রাতে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়েছিল রাজ্যের শিল্পমন্ত্রী নেমচা কিপগেনের বাংলোতেও।

    আরও পড়ুন: অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় হিসেবে সৌরাষ্ট্রে আছড়ে পড়ল বিপর্যয়! ১লক্ষ মানুষকে স্থানান্তর

    হিংসা রুখতে ইম্ফলে (Manipur Violence) জারি করা হয়েছে কার্ফু। তবে সব ধরনের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করেই এদিন ইম্ফলের কোংবায় প্রায় ১২০০ লোক মন্ত্রীর বাড়ি পর্যন্ত পৌঁছে গিয়েছিল। ঘটনার সময় মন্ত্রীর বাসভবনে নয়জন সিকিওরিটি এসকর্ট কর্মী, পাঁচজন সিকিওরিটি গার্ড এবং আটজন অতিরিক্ত গার্ড উপস্থিত ছিলেন। দায়িত্বে থাকা এক নিরাপত্তা কর্মী জানিয়েছেন, হামলার সময় জনতা চারদিক থেকে বাড়িটি লক্ষ্য করে পেট্রোল বোমা ছুড়ে মারে। তিনি বলেছেন, “অপ্রতিরোধ্য জনতাকে আমরা আটকাতে পারিনি। আমরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে পারিনি। বিল্ডিংয়ের পিছনের বাই লেন, সামনের প্রবেশদ্বার – চারদিক থেকে ওরা পেট্রোল বোমা ছুড়েছে। তাই আমরা জনতাকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারিনি।” 

    মুখ্যমন্ত্রীর আশ্বাস

    যতই মুখ্যমন্ত্রী এন বীরেন সিং মণিপুরে (Manipur Violence) দ্রুত শান্তি ফেরানোর আশ্বাস দিন না কেন, উত্তর-পূর্বের এই রাজ্যে হিংসা পর্ব মিটতেই চাইছে না। বৃহস্পতিবারই মণিপুরের মুখ্যমন্ত্রী বলেছিলেন যে রাজ্যে শান্তি ফেরাতে সরকার একাধিক স্তরে আলোচনা করছে। হিংসায় জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাসও দিয়েছিলেন তিনি। উল্লেখ্য, বিগত ৩ মে থেকে জাতিগত হিংসার সাক্ষী মণিপুর। মাঝে পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত ছিল। তবে পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়নি অবস্থা। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Cyclone Biparjoy: রাতভর গুজরাটে তাণ্ডব চালিয়ে এবার রাজস্থানে ‘বিপর্যয়’

    Cyclone Biparjoy: রাতভর গুজরাটে তাণ্ডব চালিয়ে এবার রাজস্থানে ‘বিপর্যয়’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গুজরাটে রাতভর তাণ্ডব চালিয়ে এবার রাজস্থানের দিকে এগিয়ে চলল ঘূর্ণিঝড় ‘বিপর্যয়’ (Cyclone Biparjoy)। 

    বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় হিসেবে গুজরাটের সৌরাষ্ট্রে ল্যান্ডফল করে ‘বিপর্যয়’। সেই সময় তার গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ১১০-১১৫ কিমি। ঝোড়ো হাওয়ার গতি ছিল ঘণ্টাপ্রতি প্রায় ১২০ কিমির কাছাকাছি। সারা রাত ধরে গুজরাটে ধ্বংসলীলা চালিয়েছে ‘বিপর্যয়’। ভাবনগরে মারা গেছেন অন্তত ২ জন। আহতের সংখ্যা কম করে ২২। মারা গিয়েছে ২৩টি পশুও। 

    ‘বিপর্যয়’-এ লন্ডভন্ড গুজরাট

    প্রশাসন পুরোদমে প্রস্তুতি সেরে রেখেছিল। প্রায় এক লাখ মানুষকে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয় নিরাপদ দূরত্বে। তাই হতাহতের সংখ্যা অনেকটাই আটকানো সম্ভব হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। তবে, প্রকৃতির বিস্তর ক্ষতি করেছে ‘বিপর্যয়’ (Cyclone Biparjoy)। ঝড়ের তাণ্ডবে লন্ডভন্ড দ্বারকা, সৌরাষ্ট্র, পোরবন্দর, কচ্ছ উপকূল চত্বর। গুজরাটে ৫২৪টিরও বেশি গাছ এবং বৈদ্যুতিক খুঁটি উপড়ে গিয়েছে। ৯৪০টি গ্রাম এখন বিদ্যুৎহীন। সৌরাষ্ট্র ও কচ্ছ উপকূলে ব্যাপক বৃষ্টি হয়েছে। কচ্ছ এবং মাণ্ডভি উপকূলেও এখনও প্রবল বৃষ্টি চলেছে। সমুদ্রের প্রবল জলোচ্ছ্বাসে ভেসে গিয়েছে কচ্ছ উপকূলের বিস্তীর্ণ এলাকা। প্রবল বৃষ্টি এবং ঝড়ের দাপটে জামনগরে একের পর এক গাছ উপড়োতে শুরু করে। সেই সঙ্গে জামনগরে প্রচুর ঘরবাড়ি ভেঙে পড়েছে বলে খবর।

    আরও পড়ুন: অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় হিসেবে সৌরাষ্ট্রে আছড়ে পড়ল বিপর্যয়! ১লক্ষ মানুষকে স্থানান্তর

    রাজস্থানের পথে ‘বিপর্যয়’

    তবে, গতকাল রাতে ল্যান্ডফলের পর কিছুটা শক্তি হারিয়ে বর্তমানে অতি প্রবল থেকে প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়েছে ‘বিপর্যয়’। আবহাওয়া দফতরের তরফে জানানো হয়েছে, শুক্রবার বিকেলে আরও শক্তিক্ষয় করে গভীর নিম্নচাপে পরিণত হবে ‘বিপর্যয়’ (Cyclone Biparjoy)। ঝড়ের গতিবেগ নেমে আসবে ৪০ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টায়। ফলে, রাজস্থানে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির আশঙ্কা করা হচ্ছে। শুক্রবার এবং শনিবার ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে যোধপুর এবং উদয়পুরেও।

    ভারী বৃষ্টির সতর্কতা 

    শুক্রবার জয়সলমের, বারমের, জালোর এবং যোধপুরে এবং শনিবার যোধপুর, উদয়পুর এবং আজমেরে ঘণ্টায় ৬০ থেকে ৭০ কিলোমিটার বেগে শক্তিশালী ঝড়ের সম্ভাবনাও রয়েছে। ইতিমধ্যেই মুখ্য সচিব, ডিজিপি এবং আবহাওয়া দফতরের আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রী অশোক গেহলট। তিনি জানিয়েছেন, ‘বিপর্যয়’-এর (Cyclone Biparjoy) মোকাবিলা করার জন্য তৈরি রাজস্থান।

    বাতিল প্রায় ১০০ ট্রেন

    এদিকে, রেল সূত্রে খবর, যাত্রীদের সুরক্ষার কথা মাথায় রেখে বাতিল করা হল ৯৯টা ট্রেন। এছাড়াও ৩৯টি ট্রেনের রাস্তা ঘুরিয়ে ও ছোট করে দেওয়া হয়েছে, নতুনভাবে যাত্রাপথ তৈরি করা হয়েছে ৩৮টি ট্রেনের। রেলের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, যাত্রীসুরক্ষার কথা মাথায় রেখেই এই পদক্ষেপ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • MQ-9 Predator Drone: মোদির সফরের আগেই মার্কিন ঘাতক প্রিডেটর ড্রোন কেনায় সম্মতি ভারতের

    MQ-9 Predator Drone: মোদির সফরের আগেই মার্কিন ঘাতক প্রিডেটর ড্রোন কেনায় সম্মতি ভারতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলতি মাসেই প্রথমবার সরকারি আমন্ত্রণে মার্কিন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ঠিক তার আগে, প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে বড় সিদ্ধান্ত নিল মোদি সরকার। আমেরিকা থেকে ঘাতক ড্রোন (MQ-9 Predator Drone) কেনার বিষয়ে বৃহস্পতিবার অনুমোদন দিল প্রতিরক্ষা মন্ত্রক। 

    অপেক্ষা শুধু সিসিএস-এর চূড়ান্ত অনুমোদনের

    সূত্রের খবর, প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের নেতৃত্বাধীন ডিফেন্স অ্যাকুইজিশন কাউন্সিল (ডিএসি) বা প্রতিরক্ষা সামগ্রী ক্রয় পর্ষদ, যারা সামরিক অস্ত্র ও সরঞ্জাম কেনার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়, তারা এদিন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে এমকিউ-৯ রিপার সিরিজের ‘প্রিডেটর’ ড্রোন (MQ-9 Predator Drone) কেনার বিষয়ে সবুজ সঙ্কেত দিয়েছে। এরপর বিষয়টি ক্যাবিনেট কমিটি অন সিকিউরিটির (সিসিএস) সামনে পেশ করা হবে। তারা চূড়ান্ত অনুমোদন দিলেই নির্মাতাদের কাছে বরাত পেশ করতে পারবে ভারত।

    ৫০ হাজার ফুট উচ্চতা থেকেও লক্ষ্যবস্তুতে নির্ভুল আঘাত

    সূত্রের খবর, ভারত যে ড্রোনটি কিনতে চলেছে, তা হল এই প্রিডেটর সিরিজের এমকিউ-৯বি ‘সি-গার্ডিয়ান’ ড্রোন (MQ-9B Sea Guardian)। প্রাথমিকভাবে স্থির হয়েছে, ৩০টি ড্রোন কেনা হবে, যার মধ্যে ১৫টি নেবে নৌসেনা। হতে পারে পরবর্তীকালে, প্রয়োজনে সংখ্যা বাড়ানো হবে। আত্যাধুনিক এই ড্রোন কিনতে খরচ হবে প্রায় ২৪ হাজার কোটি টাকার বেশি। এই ড্রোন তৈরি করেছে মার্কিন সংস্থা জেনারেল অ্যাটোমিক্স। হানাদার এই ড্রোনগুলি ৫০ হাজার ফুট উচ্চতা থেকে লক্ষ্যবস্তুতে নির্ভুল আঘাত হানতে সক্ষম। টানা ৩০ ঘণ্টা এটি উড়তে পারে। বহন ক্ষমতা সর্বোচ্চ ১৭৪৬ কেজি। ঘণ্টায় ২৩০ কিলোমিটার গতিতে উড়ে পারে এই ড্রোনটি।

    চাপে বাড়বে চিন-পাকিস্তানের

    আমেরিকার তৈরি ঘাতক ড্রোন (MQ-9 Predator Drone) ভারতের হাতে এলে প্রবল চাপে পড়ে যাবে পাকিস্তান ও চিন। কারণ, এর ফলে, সামুদ্রিক হোক বা পার্বত্য— যে কোনও ধরনের ভূমি ও পরিবেশে শত্রুর ওপর তীক্ষ্ণ নজর রাখতে পারবে ভারত। বর্তমানে, এই সিরিজের ২টি ড্রোন ভারতীয় নৌসেনা লিজ নিয়ে ব্যবহার করছে। ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলে চিনা জাহাজের উপস্থিতি ও তার ওপর নজর রাখার পাশাপাশি সমুদ্রে জলদস্যুদের ওপরও নজর রাখতে সাহায্য করে এই ড্রোন। 

    আরও পড়ুন: অভিন্ন দেওয়ানি বিধি নিয়ে তৎপর আইন কমিশন

    বিশ্বে ঘাতক ‘প্রিডেটর’ হিসেবে পরিচিত এই ড্রোন

    এই ড্রোনের হামলায় খতম হয়েছিল তালিবান নেতা মোল্লা ওমর কিংবা বায়তুল্লা মেসুদ। আল কায়দা প্রধান আয়মান আল জাওয়াহিরিকেও হত্যার সময় এই ড্রোন (MQ-9 Predator Drone) ব্যবহার করা হয়েছিল। সেই সয়ম প্রিডেটর ড্রোন থেকে ‘হেলফায়ার’ ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা খতম করা হয়েছিল জাওয়াহিরিকে। ভারতকে সেই মিসাইল আগেই দিতে রাজি হয়েছে বাইডেন প্রশাসন। এই ড্রোনের মাধ্যমে সীমান্ত নজরদারি যেমন সম্ভব হবে, তেমনি জঙ্গি ঘাঁটি ওড়াতেও ব্যবহার করা যাবে। লাদাখে চিনা আগ্রাসনের সময় এই অত্যাধুনিক ড্রোন কেনার পরিকল্পনা নিয়েছিল নয়াদিল্লি। ন্যাটোভুক্ত দেশ না হয়েও ভারতই একমাত্র দেশ, যারা এমকিউ-৯ রিপার সিরিজের ড্রোন পেতে চলেছে।

    প্রথমবার সরকারি আমন্ত্রণে মার্কিন মুলুকে মোদি

    আগামী ২১ জুন চারদিনের সফরে আমেরিকা যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের আমন্ত্রণে নমোর এটি তৃতীয়বার মার্কিন সফর। এই প্রথমবার সরকারি আমন্ত্রণে মোদি মার্কিন মুলুকে যাচ্ছেন। হোয়াইট হাউসে তিনি সরকারি নৈশভোজে অংশ নেবেন। সম্ভবত, ক্যাপিটলে তিনি ভাষণও দেবেন। সম্প্রতি, হোয়াইট হাউসের তরফে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছিল, মোদির এই মার্কিন সফর দুই দেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের নতুন অধ্যায়ের সূচনা হবে। এদিন মার্কিন ঘাতক ড্রোন (MQ-9 Predator Drone) কেনার বিষয়ে অনুমোদন দিল প্রতিরক্ষা মন্ত্রক। প্রধানমন্ত্রীর মার্কিন সফরের মুখে এই সিদ্ধান্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে কূটনৈতিক মহল। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share