Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Love Jihad: ‘লাভ জিহাদ’-এর ফাঁদে মহিলা পুলিশ কর্মী, অভিযুক্ত আইপিএল খেলা ক্রিকেটারও!

    Love Jihad: ‘লাভ জিহাদ’-এর ফাঁদে মহিলা পুলিশ কর্মী, অভিযুক্ত আইপিএল খেলা ক্রিকেটারও!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের প্রকাশ্যে ‘লাভ জিহাদ’-এর (Love Jihad) কাহিনি। এবার ঘটনাস্থল উত্তর প্রদেশের (Uttar Pradesh) প্রয়াগরাজ। শিবকুতি থানার এক মহিলা পুলিশ কনস্টেবলের অভিযোগের তির আইপিএল ক্রিকেট খেলোয়াড় মহসিন খানের ভাই ইমরান খানের দিকে। অভিযোগে ওই মহিলা পুলিশ কর্মী জানিয়েছেন, ইমরান তাঁকে বিয়ে করেছেন নিজেকে বৌদ্ধধর্মাবলম্বী পরিচয় দিয়ে। বিয়ের পরে পরেই তাঁকে ইসলাম ধর্ম গ্রহণের জন্য চাপ দিতে শুরু করেন। কেবল তাই নয়, ইমরান তাঁকে তাঁর বাবা মুলতান ও ভাই মহসিনের সঙ্গে সহবাস করতেও বাধ্য করেন।

    লাভ জিহাদ-এর (Love Jihad) বিহিত চান

    মহসিন পেশায় ক্রিকেটার। উত্তর প্রদেশের হয়ে ঘরোয়া ক্রিকেট খেলেন ফাস্ট বোলার হিসেবে। ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে লখনউ সুপার জায়েন্টের হয়েও খেলেছেন। ভিডিও বার্তায় এই লাভ জিহাদ-এর (Love Jihad) বিহিত চেয়ে উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের সাহায্য চেয়েছেন বারাণসীর ওই মহিলা। ওই মহিলা পুলিশ কর্মীকে-এও বলতে শোনা যায়, তিনি যখন প্রথম তাঁর স্বামী ইমরানের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করতে যান, তখন তাঁর অভিযোগ নিতে দ্বিধাগ্রস্ত ছিলেন পুলিশ আধিকারিকরা।

    শেষমেশ চলতি বছরের ২৩ ফেব্রুয়ারি ইমরানের বিরুদ্ধে অভিযোগ নেয় পুলিশ। ওই মহিলা পুলিশ আধিকারিকের আরও অভিযোগ, যেহেতু অভিযুক্তের ভাই একজন বিখ্যাত এবং প্রভাবশালী, তাই তাঁর এবং তাঁর বাবার নাম এফআইআর থেকে বাদ দিয়ে দেওয়া হয়।

    মহিলার অভিযোগ

    লাভ জিহাদ-এর শিকার ওই মহিলা পুলিশ আধিকারিক জানান, ২০১৬ সালে মোরদাবাদে তিনি যখন ট্রেনিং নিতে গিয়েছিলেন, তখন তাঁর সঙ্গে আলাপ হয় ইমরানের। ইমরানও পুলিশেই ছিলেন। আলাপের পর প্রেমের ফাঁদে পড়েন ওই মহিলা। ইমরান তাঁকে জানিয়েছিলেন, তিনি বৌদ্ধধর্ম গ্রহণ করেছেন। ২০১৮ সালে স্পেশাল ম্যারেজ অ্যাক্টে তাঁকে বিয়েও করেন ইমরান। এর পরেই ইমরান তাঁকে ইসলাম ধর্ম গ্রহণের জন্য চাপ দিতে থাকেন। জোর করে তাঁর নাম বদলে করে দেওয়া হয় জায়রা বানু। তিনি বলেন, ইমরান বৌদ্ধধর্ম গ্রহণ করেছিলেন স্রেফ তাঁকে ফাঁদে (Love Jihad) ফেলার জন্য। এই ষড়যন্ত্রের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন ইমরানের গোটা পরিবার।

    আরও পড়ুুন: ‘‘২ হাজারের নোটে ক্ষতিপূরণ, কালো টাকা সাদা করার তৃণমূলী পদ্ধতি’’, খোঁচা সুকান্তর

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Coromandel Express: ২৭৫ নয়! ট্রেন দুর্ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ফের ২৮৮, জানাল ওড়িশা সরকার

    Coromandel Express: ২৭৫ নয়! ট্রেন দুর্ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ফের ২৮৮, জানাল ওড়িশা সরকার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২৭৫ নয় বালাসোরের ট্রেন দুর্ঘটনায় মৃতের প্রকৃত সংখ্যা ২৮৮। ওড়িশা সরকার মৃত্যুর পরিসংখ্যান পুনরায় পর্যালোচনা করে এই সংখ্যা জানিয়েছে। ওড়িশা সরকারের মুখ্য সচিব জানিয়েছেন, হাসপাতালে কয়েকজন আহতের মৃত্যু এবং জেলাশাসকের কাছ থেকে পাওয়া নতুন তথ্যের ভিত্তিতে এই পরিসংখ্যান প্রকাশ করা হল। প্রসঙ্গত গত রবিবার রেল জানিয়েছিল যে ট্রেন দুর্ঘটনায় (Coromandel Express) মৃতের সংখ্যা ২৮৮ জন। পরে এই তথ্য পর্যালোচনা করে সেদিনই ওড়িশা সরকার জানায়, প্রকৃত সংখ্যা ২৭৫। মঙ্গলবার ওড়িশার মুখ্য সচিব জানা বলেন, ‘‘সোমবার পর্যন্ত আমরা নিশ্চিত করেছি দুর্ঘটনায় ২৭৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। দুর্ঘটনার স্থল থেকে যে দেহ মিলেছে এবং হাসপাতালে যাঁদের মৃত্যু হয়েছে, সেই সংখ্যা যোগ করে আমরা বালাসোরের জেলাশাসককে জানাতে বলেছিলাম। এই দুই সংখ্যা যোগ করে এই জেলাশাসক জানিয়েছেন দুর্ঘটনায় ২৮৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। ২৮৮ টির মধ্যে ২০৫ দেহ ইতিমধ্যে শনাক্ত করে তা পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। বাকি ৮৩ টি দেহ শনাক্তকরণের কাজ চলছে।

    আরও পড়ুন: ছাড়বে নির্ধারিত সময়ে, বুধবার থেকে ফের চলবে করমণ্ডল এক্সপ্রেস!

    পশ্চিমবঙ্গের মৃত কতজন?

    এখনও পর্যন্ত যা জানা যাচ্ছে ওড়িশার হাসপাতালে এই মুহূর্তে ভর্তি রয়েছেন ৯৭ জন বাংলার বাসিন্দা। সূত্রের খবর, বাংলায় ১০৩ জনের দেহ শনাক্ত করা গেছে।

    দুর্ঘটনার দিন বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়েই মৃত্যু অন্তত ৪০ জনের

    করমণ্ডল এক্সপ্রেস (Coromandel Express) দুর্ঘটনায় চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এল। দুর্ঘটনার তদন্তে জানা গেছে যে ৪০ জনের দেহে কোনও রকমের ক্ষতের চিহ্ন নেই। বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়েই তাঁদের মৃত্যু ঘটেছে বলে মনে করা হচ্ছে। সম্প্রতি রেলের তরফে একটি তথ্য প্রকাশ্যে এসেছে। তাতে রেলের এক আধিকারিক জানান, বগিগুলি যখন ইঞ্জিন থেকে আলাদা হয়ে ছিটকে যায়, তখনই বগির মধ্যে থাকা অবস্থায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত্যু হয়েছে যাত্রীদের। রেল সূত্রে খবর, মালগাড়িতে ধাক্কা খাওয়ার পর করমণ্ডল এক্সপ্রেসের (Coromandel Express) বগিগুলি বিক্ষিপ্তভাবে ছিটকে যায় তখন ওভার হেডের তারের সঙ্গে সংস্পর্শে চলে আসে বগিগুলি। এর ফলে বগির মধ্যে থাকা বহু যাত্রী বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মারা যান বলে জানা যাচ্ছে। ‌ ট্রেন দুর্ঘটনায় ইতিমধ্যে সিবিআই তদন্ত শুরু হয়েছে। মঙ্গলবার সকালেই ১০ জন সদস্যের একটি সিবিআই প্রতিনিধি দল দুর্ঘটনাস্থল সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Odisha Train Accident: ছাড়বে নির্ধারিত সময়ে, বুধবার থেকে ফের চলবে করমণ্ডল এক্সপ্রেস!

    Odisha Train Accident: ছাড়বে নির্ধারিত সময়ে, বুধবার থেকে ফের চলবে করমণ্ডল এক্সপ্রেস!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুক্রবারের দুর্ঘটনার (Odisha Train Accident) পর থমকে গিয়েছিল যাত্রা। পাঁচদিন পর বুধবার থেকে ফের চলতে শুরু করবে করমণ্ডল এক্সপ্রেস (Coromandel Express)। আগের মতোই নির্ধারিত সময়ে ছাড়বে করমণ্ডল এক্সপ্রেস। রেল সূত্রে খবর, দুপুর ৩টে ১৫ নাগাদ শালিমার স্টেশন থেকে চেন্নাইয়ের উদ্দেশে রওনা দেবে ট্রেনটি। রেলের তরফে আরও জানানো হয়েছে, আগের রুটেই চলবে করমণ্ডল এক্সপ্রেস। অর্থাৎ, বাহানগা বাজার স্টেশন হয়েই যাবে ট্রেন। গত শুক্রবার সন্ধ্যে সাতটা নাগাদ এই স্টেশনের কাছেই ভয়াবহ দুর্ঘটনার কবলে পড়ে চেন্নাইগামী আপ করমণ্ডল এক্সপ্রেস। মৃত্যু হয় ২৭৫ জনের। আহত হন ৯০০ জনের বেশি।

    ধীরে স্বাভাবিক হচ্ছে পরিষেবা

    উদ্ধারকাজ শেষ হওয়ার পর শনিবার রাত থেকে ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে লাইন মেরামতির কাজ শুরু করে রেল। রেলমন্ত্রী জানিয়েছিলেন, প্রায় ১০০০ জন এই পুনরুদ্ধারের কাজে হাত লাগিয়েছেন। দুর্ঘটনার (Odisha Train Accident) প্রায় ৫১ ঘণ্টা পরে বাহানাগা স্টেশন থেকে আপ এবং ডাউন লাইনে ট্রেন পরিষেবা স্বাভাবিক হয়। রবিবার রাতে, দুটি মালগাড়ি পাঠানো হয় ক্ষতিগ্রস্ত ডাউন লাইন দিয়ে। এরপর রাত ১২টা নাগাদ, আপ লাইন দিয়ে একটি ট্রেন চালানো হয়। এরপর সোমবার সকালে ওই লাইনে চলেছে বন্দে ভারত এক্সপ্রেস। অবশ্যই, এখানে তার গতি মন্থর ছিল। এর পর যায় ফলকনামা এক্সপ্রেসও। রেল সূত্রে জানা গিয়েছে, সোমবার এই লাইন দিয়ে মোট ৪০টির মতো ট্রেন গিয়েছে। তবে, সতর্কতা অবলম্বন করে, সবকটির গতিবেগ রাখা হয়েছিল ঘণ্টায় ১০-১৫ কিমি।

    আরও পড়ুন: নিছক দুর্ঘটনা না অন্তর্ঘাত? সত্য উদঘাটনে বালাসোরে সিবিআই, শুরু তদন্ত

    মঙ্গল-বুধেও বাতিল বহু ট্রেন

    তবে, এই লাইন দিয়ে এখনই পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়নি ট্রেন চলাচল। সোমবার এই শাখায় বহু ট্রেন বাতিল করা হয়েছিল। মঙ্গলবারও তাই। এমনকি, বুধুবারও বেশ কয়েকটি ট্রেন বাতিল করা হয়েছে। রেলের জারি করা প্রেস বিজ্ঞপ্তি অনুসারে, বাহানগা বাজারে রেললাইন (Odisha Train Accident) মেরামতির কাজের জন্য আগামী ৬ ও ৭ জুন অর্থাৎ মঙ্গল ও বুধবার একগুচ্ছ ট্রেন বাতিল থাকবে। এই ট্রেনগুলির মধ্যে রয়েছে- আপ ও ডাউন পুরী-বাংরিপোসি এক্সপ্রেস, ভদ্রক-বালাসোর এক্সপ্রেস, ভুবনেশ্বর-বালাসোর স্পেশাল, সেকেন্দ্রাবাদ-আগরতলা স্পেশাল, পুরী-শিয়ালদহ দুরন্ত এক্সপ্রেস, ভদ্রক-হাওড়া এক্সপ্রেস, আপ ও ডাউন ভুবনেশ্বর-হাওড়া জনশতাব্দী এক্সপ্রেস, আপ ও ডাউন পুরী-হাওড়া শতাব্দী এক্সপ্রেস, আপ ও ডাউন পুরী-জলেশ্বর এক্সপ্রেস, আপ ও ডাউন সেকেন্দ্রাবাদ-হাওড়া ফলকনামা এক্সপ্রেস, শালিমার-পুরী ধৌলি এক্সপ্রেস, খড়্গপুর-খুরদা রোড এক্সপ্রেস, শালিমার-পুরী জগন্নাথ এক্সপ্রেস, আপ ও ডাউন সাঁতরাগাছি-এমজিআর চেন্নাই সেন্ট্রাল এক্সপ্রেস, আনন্দবিহার-পুরী এক্সপ্রেস, পাটনা-পুরী এক্সপ্রেস। তবে, আগ বাতিলের ঘোষণা করা হলেও, নির্ধারিত সময় ছাড়বে হাওড়া-পুরী এক্সপ্রেস, পুরী-শালিমার এক্সপ্রেস।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: ৯ বছরের মোদি জমানায় সফল বিদেশ ও সুরক্ষা নীতি, কাশ্মীরে বিলোপ ৩৭০ ধারা!

    PM Modi: ৯ বছরের মোদি জমানায় সফল বিদেশ ও সুরক্ষা নীতি, কাশ্মীরে বিলোপ ৩৭০ ধারা!

    ২০১৪ সালে নরেন্দ্র মোদি সরকারের স্লোগান ছিল ‘আচ্ছে দিন আসছে’। বিগত ৯ বছরে ৪ কোটি মানুষ মাথার উপর ছাদ পেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায়, ১১ কোটি মানুষ পেয়েছেন শৌচালয়। উজ্জ্বলা যোজনা আসার পর কাউকে আর উনুনে রাঁধতে হচ্ছে না। চলছে স্কিল ইন্ডিয়া, মেক-ইন-ইন্ডিয়ার মতো অজস্র প্রকল্প। সন্ত্রাসী হামলার প্রত্যুত্তর হিসেবে এদেশ সাক্ষী থেকেছে বালাকোট এয়ার স্ট্রাইকের। নিরাপত্তা হোক বা কৃষি, কর্মসংস্থান হোক বা দারিদ্রতা দূরীকরণ-বিগত ৯ বছরে কীভাবে এল সেই ‘আচ্ছে দিন’? তা নিয়েই আমাদের ধারাবাহিক প্রতিবেদন ।

    ‘সাফল্যের ৯ বছর’-৭

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশেষজ্ঞদের মতে, বিগত ৯ বছরে নরেন্দ্র মোদি সরকারের আমলে ভারতের বিদেশনীতি যথেষ্ট শক্তিশালী হয়েছে। দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার ক্ষেত্রে সফল মোদি সরকার। মোদি জমানায় (PM Modi) বিদেশনীতির প্রাথমিক ভিত্তি হল ‘Act East’, ‘Think West’ and ‘Connect Central Asia’। প্যাসিফিক রিজিয়নে শুরু করা হয়েছে সাগর প্রকল্প ‘সিকিউরিটি অ্যান্ড গ্রোথ ফর অল ইন দ্য রিজিয়ন’। এই নীতির উদ্দেশ্য হল সমগ্র ইন্দো প্যাসিফিক অঞ্চলের সমমনস্ক সহযোগী দেশগুলিকে নিয়ে শান্তির পরিবেশ তৈরি করা। Solar Alliance (ISA), Coalition for Disaster Resilient Infrastructure (CDRI), Lifestyle for Environment (LiFE), এবং International Big Cat Alliance (IBCA) এই সব নীতির ফলেই বিশ্বের নানা দেশের সঙ্গে ভারতের সম্পর্কের উন্নতি হয়েছে। সরকারের বিভিন্ন লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করার জন্য বিশ্বের প্রতিটি দেশেই ভারতের পদচিহ্ন দেখা যাচ্ছে।

    ভারতে অনুষ্ঠিত জি ২০ সম্মেলনের থিম হল বসুধৈব কুটুম্বকম। যার অর্থ হল এক পৃথিবী এক পরিবার। এখনও পর্যন্ত ভারতে একশোর উপর জি ২০-র মিটিং সম্পন্ন হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। এপ্রিল ২০২৩ পর্যন্ত পরিসংখ্যান বলছে, বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের ১১০ টি দেশ থেকে এখনও পর্যন্ত ১২ হাজার ৩০০ প্রতিনিধি এসেছেন। আমন্ত্রিত দেশের সদস্যরাও এসেছেন জি ২০ সম্মেলনে। এছাড়া বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংগঠনের সদস্যরাও পা রেখেছেন ভারতে। বিশ্বের অন্যান্য দেশে সংকটের মুহূর্তে ভারতই একমাত্র দেশ, যার সক্রিয়তা সবার আগে দেখা যায়। যেমন সাম্প্রতিক তুরস্কের ভূমিকম্পে অপারেশন দোস্ত (২০২৩), অপারেশন গঙ্গা (২০২২), অপারেশন দেবী শক্তি (২০২১), মিশন সাগর (২০২১) সমেত আরও অনেকগুলি অপারেশনে ভারতের ভূমিকা উল্লেখযোগ্য। এর পাশাপাশি জাতীয় সুরক্ষাও সব থেকে বেশি অগ্রাধিকার পেয়েছে মোদি সরকারের কাছে। দেখা গেছে, ভারতের বাইরেও অপারেশন সংগঠিত করেছে মোদি সরকার। বালাকোটের এয়ার স্ট্রাইক তার জীবন্ত প্রমাণ। গত ৯ বছরে দেশের ভিতরে উগ্র বামপন্থী মাওবাদীদের রমরমাও কমেছে। প্রধানমন্ত্রী মোদি মনে করেন, উন্নয়ন এবং জাতীয় সুরক্ষাকে পাশাপাশি চলতে হবে আত্মনির্ভর ভারত নির্মাণের লক্ষ্যে। ভারতের প্রথম নিজস্ব তৈরি এয়ারক্রাফট হল আইএনএস বিক্রান্ত। হিসাব বলছে, ২০২২-২৩ অর্থবর্ষে ভারত প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত সরঞ্জাম বিক্রি করেছে ১৬ হাজার কোটি টাকারও বেশি। সুসংগঠিত এই বিদেশনীতি এবং জাতীয় সুরক্ষানীতি নতুন ভারত গঠন করেছে।

    এক নজরে দেখে নেওয়া যাক, জাতীয় সুরক্ষা এবং বিদেশনীতিতে মোদি সরকারের উল্লেখযোগ্য কাজগুলি

    ১) গৃহযুদ্ধ বিধ্বস্ত সুদান থেকে অপারেশন কাবেরির মাধ্যমে তিন হাজারেরও বেশি ভারতীয়কে ফিরিয়েছে মোদি (PM Modi) সরকার।

    ২) ঐতিহাসিক সিদ্ধান্তে কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারা এবং আর্টিকল ৩৫ (এ) বিলোপ করা হয়েছে ভারতীয় সংবিধান থেকে।

    ৩) গত ৫ বছরে যুদ্ধ সরঞ্জাম বিক্রির পরিমাণ বেড়েছে ৩৩৪ শতাংশ।

    ৪) ২ কোটি ৯৭ লক্ষেরও বেশি যাত্রীকে বন্দে ভারত ফ্লাইট-এর আওতায় আনা হয়েছে।

    ৫) প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে চার হাজার একশোর বেশি জিনিস ভারতের দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি করা হয়েছে।

    ৬) রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের সময় ২৩ হাজারেরও বেশি ভারতীয়কে ইউক্রেন থেকে উদ্ধার করেছে মোদি সরকার (PM Modi)।

    ৭) ভূমিকম্প বিধ্বস্ত তুরস্কে অপারেশন দোস্তের মাধ্যমে ৫,৯৪৫ টন আপৎকালীন ত্রাণ সামগ্রী পাঠিয়েছে ভারত সরকার।

    ৮) ২০২১-২২ থেকে ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষ পর্যন্ত ৫০০ কোটিরও বেশি বরাদ্দ করা হয়েছে প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে।

    ৯) অর্ডন্যান্স ফ্যাক্টরি বোর্ডগুলিকে বদলানো হয়েছে সাতটি প্রতিরক্ষা পিএসইউতে।

    ১০) ২৯.২ কোটি কোভিড-১৯ এর ভ্যাকসিনকে ৬১ রও বেশি দেশে পৌঁছানো হয়েছে ভ্যাকসিন মৈত্রী প্রকল্পের মাধ্যমে।

    ১১) ২০১৪ সালের পর থেকে দেশে সেভাবে কোনও সন্ত্রাসবাদী হামলা ঘটেনি।

    ১২) ২০১৬ সালের সার্জিক্যাল স্ট্রাইক, ২০১৯ সালের এয়ার স্ট্রাইকের মাধ্যমে কড়া জবাব দেওয়া হয়েছে পাক মদতপুষ্ট সন্ত্রাসবাদকে।

     

    আরও পড়ুন: মোদি সরকারের ৯ বছরে ১৫ টি নতুন এইমস, ৩৭ কোটি মানুষের স্বাস্থ্য বিমা!

    আরও পড়ুন: বার্ষিক ৭ লাখ আয় করমুক্ত, কমেছে বাড়ি-গাড়ির ঋণে সুদের হার! খুশি মধ্যবিত্তরা

    আরও পড়ুন: ৯ বছরে ৭টি আইআইটি স্থাপন, কোটির ওপর যুবককে প্রশিক্ষণ মোদি সরকারের!

    আরও পড়ুন: বন্ধ হয়েছে তিন তালাক, মোদি সরকারের আমলে মহিলাদের জন্য অজস্র প্রকল্প

    আরও পড়ুন: দুধ উৎপাদনে শীর্ষে ভারত, প্রধানমন্ত্রী কিষাণ যোজনার আওতায় ১১ কোটি মানুষ!

    আরও পড়ুন: ৮০ কোটি মানুষকে বিনামূল্যে খাদ্য, ১১ কোটি বাড়িতে জলের লাইন! অভাবনীয় সাফল্য মোদি সরকারের

    চলবে….

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Odisha Train Accident: নিছক দুর্ঘটনা না অন্তর্ঘাত? সত্য উদঘাটনে বালাসোরে সিবিআই, শুরু তদন্ত

    Odisha Train Accident: নিছক দুর্ঘটনা না অন্তর্ঘাত? সত্য উদঘাটনে বালাসোরে সিবিআই, শুরু তদন্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যত সময় গড়াচ্ছে, করমণ্ডল দুর্ঘটনায় (Odisha Train Accident) জোরালো হচ্ছে অন্তর্ঘাতের তত্ত্ব। প্রকৃত সত্যের উদঘাটনে সোমবার থেকেই আসরে নেমেছে সিবিআই।

    দুর্ঘটনা না অন্তর্ঘাত?

    বালাসোরের ট্রেন দুর্ঘটনায় (Odisha Train Accident) সিগন্যালিংয়ের ত্রুটির বিষয়টি রবিবারই স্বীকার করে নিয়েছে রেল। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে, এই ত্রুটি কি নিছক যান্ত্রিক গোলযোগ, নাকি দায়ী কোনও মানুষ? এটা কোনও মুহূর্তের ভুল নাকি এর পেছনে রয়েছে কোনও পরিকল্পনা? অর্থাৎ, জোর করে কেউ এই সিগন্যালিং ব্যবস্থায় গোলযোগ বাঁধিয়ে এই ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটায়নি তো? সত্যিকারে গাফিলতি ছিল স্বয়ংক্রিয় সিগন্যালিং ব্যবস্থায়? নাকি কারচুপি করে তাকে অকেজো করে রাখা হয়েছিল? যার জেরে প্রাণ গেল ২৭৫ জনের!

    কীভাবে সিগন্যালিং সিস্টেমে গণ্ডগোল?

    রেলের প্রাথমিক রিপোর্ট বলছে, সিগন্যালিং সমস্যার জন্যই এই ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটেছে। কিন্তু, সিগন্যালিং সিস্টেমে গণ্ডগোল কি নিছক যান্ত্রিক ত্রুটি নাকি ষড়যন্ত্র? রেলের তদন্তকারী আধিকারিকরা জানান, দুর্ঘটনার সময় করমণ্ডল এক্সপ্রেস আপ মেইন লাইনে যাওয়ার জন্য সিগন্যাল সবুজ ছিল। কিন্তু, তারপরই সিগন্যাল অফ করে দেওয়া হয়। আপের লুপলাইনে দাঁড়িয়েছিল একটি মালগাড়ি। আবার সেই সময়ে মেনলাইন থেকে লুপলাইনে ট্রেন ঢোকানোর জন্য আগে থেকেই পয়েন্ট সেট করা ছিল। ফলে করমণ্ডল এক্সপ্রেস লুপ লাইনে চলে যায় এবং মালগাড়িতে ধাক্কা মারে।

     মেইন লাইন ছেড়ে কেন লুপ লাইনে?

    রেলের তদন্তকারী আধিকারিকদের আরও দাবি, লুপলাইনে ঢোকার জন্য পয়েন্ট সেট করা থাকলে তার অনেক আগে থেকেই হোম সিগন্যাল হলুদ থাকার কথা। এটা রেলের একটা স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থা। নিয়ম অনুসারে, হোম সিগন্যাল হলুদ থাকলে চালককে প্রথমে ট্রেনটিকে থামাতে হয়। তারপর খুব ধীর গতিতে, মোটামুটি ঘণ্টায় ১০-১৫ কিলোমিটার গতিবেগে লুপলাইনে ঢোকার কথা ছিল করমণ্ডলের। কিন্তু এক্ষেত্রে লুপলাইনে পয়েন্ট সেট করা থাকলেও হোম সিগন্যাল সবুজ ছিল। যে কারণে, ট্রেন ছুটছিল ঘণ্টায় প্রায় ১২৮ কিলোমিটার গতিবেগে। দ্রুত গতিতে লুপলাইনে ঢুকে পড়ে লোহাচুর বোঝাই মালগাড়ির পিছনে ধাক্কা মারে করমণ্ডল এক্সপ্রেস (Odisha Train Accident)।

    আরও পড়ুন: কীভাবে ক্ষতিপূরণ চাইবে মৃত ও আহতদের পরিবার? পদ্ধতি জানাল রেল

    অকেজো ছিল স্বয়ংক্রিয় সিগন্যাল ব্যবস্থা?

    রেলকর্তাদের আশঙ্কা, দুর্ঘটনার সময়ে যে কোনও কারণেই হোক ওই এলাকায় স্বয়ংক্রিয় সিগন্যাল ব্যবস্থা অকেজো হয়ে ছিল। সাধারণত কোথাও সিগন্যালের মেরামতি করতে হলে এটা করা হয়ে থাকে। সিগন্যালিংয়ের এই গণ্ডগোলের পিছনে অন্তর্ঘাত রয়েছে বলেই তাঁদের দাবি। রেলের ডিআরএম বলেন, “এই সিগন্যালিং ব্যবস্থায় ত্রুটি ছিল বলেই গতকাল থেকে রিলে রুম বন্ধ করে রেখেছে। কারণ কোনও ত্রুটি হয়েছে কি না তা একমাত্র ওই রিলে রুমে থাকা হার্ডওয়্যারের মাধ্যমেই জানা যাবে। ওই ঘরে সিগনালিং এবং টেলি কমিউনিকেশনের সব কাজ হয়। তাই অন্তর্ঘাত তো কিছু না কিছু ভাবে হয়েছেই।” 

    ট্যাম্পারিং করা হয়েছিল ইন্টারলকির সিস্টেমে?

    রেল কর্তাদের দাবি, তাদের ইন্টারলকিং সিস্টেম খুবই নিরাপদ এবং এখানে ত্রুটির সুযোগ কম। একটা সিগন্যালিং ব্যবস্থা এতটাই স্পর্শকাতর হয় যে, তার ত্রুটি মেরামত করার পর অন্তত ছয় থেকে সাতবার উন্নতমানের মেশিন এনে পরীক্ষা করা হয়। সেখানে এত কম সময়ে বিগড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা কার্যত ০.০১ শতাংশ। ডিআরএম জানান, এই সিগন্যালিং ব্যবস্থা কিছুদিন আগেই মেরামত করা হয়েছিল। তাহলে, সেখানে এই ধরনের বিপর্যয়ের অবকাশই নেই। ফলে, প্রাথমিক তদন্তের সঙ্গে রেলকর্তারা একমত যে, ইচ্ছাকৃতভাবে বদল ঘটানো বা ট্যাম্পারিং না হলে ইন্টারলকির সিস্টেমে পরিবর্তন করা যায় না। যে কারণেই এখানে ষড়যন্ত্রের তত্ত্ব উঠে আসছে। ইন্টারলকিং সিস্টেমে হস্তক্ষেপের পিছনে উদ্দেশ্য খুঁজে বের করতেই সিবিআই তদন্তের সিদ্ধান্ত।

     অনুসন্ধানে ১০ সদস্যের সিবিআই টিম

    করমণ্ডল এক্সপ্রেস দুর্ঘটনাকাণ্ডে (Odisha Train Accident) রেলের নিজস্ব তদন্তের পাশাপাশি সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছিলেন রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। সেই অনুযায়ী, সোমবার থেকেই তদন্ত শুরু করে দেয় সিবিআই। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার ১০ সদস্যের টিম পৌঁছে গিয়েছিল বালাসোরে। দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শন করার পাশাপাশি, কয়েকটি দলে ভাগ হয়ে একাধিক জায়গায় হানা দেয় সিবিআইয়ের বিশেষ দল। বালাসোর স্টেশনের প্যানেল রুমের দায়িত্বে থাকা অ্যাসিস্ট্যান্ট স্টেশন মাস্টার-সহ কর্মীদের জিজ্ঞাসাবাদ করেছেন তদন্তকারীরা। প্রত্যেকের বয়ান নথিভুক্ত করা হয়েছে। 

    কী হয়েছিল সেই সময়? জানতে চায় সিবিআই

    এছাড়া, খড়্গপুর জংশন থেকেও করমণ্ডল এক্সপ্রেসের গতিবিধি সংক্রান্ত বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ নথি সংগ্রহ করে নিয়ে গিয়েছেন তাঁরা। সিনিয়র ডিভিশনাল অপারেশনস ম্যানেজার (এসডিওএম), ডিওএম, ট্র্যাক লোকো কন্ট্রোলার (টিএলসি), সিনিয়র ডিভিশনাল ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার সহ বিভিন্ন আধিকারিকের সঙ্গে কথা বলেন। পাশাপাশি দুর্ঘটনাগ্রস্ত করমণ্ডল এক্সপ্রেসের চালকের কেবিন থেকে উদ্ধার হওয়া লগবুক, স্পিডোমিটার, ওয়াকিটকি, সিইউজি ফোন (কমন ইউনিফায়েড গ্রুপ), পিএমইউ (পিরিয়োডিক্যাল মেডিক্যাল একজামিনেশন মেমো), রিফ্রেশার মেমো (ট্রেনিংয়ের সার্টিফিকেট)– এই সব সামগ্রী রেলের কাছ থেকে চেয়ে পাঠিয়েছে সিবিআই। করমণ্ডল এক্সপ্রেসের (Odisha Train Accident) চালক ও সহকারী চালকের সঙ্গেও কথা বলতে চান তদন্তকারীরা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Bihar Bridge Collapse: জলে গেল ১৭১০ কোটি! বিহারে হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ল নির্মীয়মাণ নদী-সেতু

    Bihar Bridge Collapse: জলে গেল ১৭১০ কোটি! বিহারে হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ল নির্মীয়মাণ নদী-সেতু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঠিক যেন তাসের ঘর! বিহারের ভাগলপুরে একেবারে হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ল গঙ্গার ওপর একটি নির্মীয়মাণ সেতু (Bihar Bridge Collapse)। ঘটনাটি রবিবার ঘটেছে ভাগলপুরে। ঘটনার সময় নদীর তীরে উপস্থিত ছিলেন কয়েকজন স্থানীয়। তাঁরা পুরো দৃশ্যটি মোবাইলবন্দি করেন। এখন সোশ্যাল মিডিয়ায় সেই ভিডিও ভাইরাল হয়ে গিয়েছে।

    প্রাণহানির ঘটনা ঘটেনি

    সুলতানগঞ্জ-আগুয়ানিঘাট সেতুটি ভাগলপুরকে জোড়ার জন্য তৈরি করা হচ্ছিল। তবে, ওই সময় কোনও নির্মাণের কাজ চলছিল না। ফলে, ছিলেন না কোনও নির্মাণ-কর্মীও। যে কারণে, কোনও প্রাণহানির ঘটনা ঘটেনি। তবে সেতুটির ৩২৮ ফুট উঁচু অংশ সম্পূর্ণ গঙ্গায় মিশে গিয়েছে। ভেঙে পড়েছে তিনটি পিলার। ভাগলপুরের এসডিও ধনঞ্জয় কুমার সংবাদমাধ্যমে জানিয়েছেন, সন্ধ্যা সওয়া ৭টা নাগাদ আচমকাই সেতুটির ৩টি স্তম্ভ ভেঙে পড়ে। যার জেরে মুহূর্তের মধ্যে গোটা সেতুটিই গঙ্গার জলে ধসে পড়ে। 

    একই সেতু ভাঙল দু-বার!

    এখানে বলে রাখা প্রয়োজন, এই নিয়ে এই সেতুটি দ্বিতীয়বার ভেঙে পড়ল (Bihar Bridge Collapse)। এর আগে, গত বছর এপ্রিল মাসে ভেঙে পড়েছিল সেতুটি। এর পর গত নভেম্বর মাসে রিভিউ বৈঠকে সেতু ভেঙে পড়ার কারণ জানতে তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। প্রথমবার সেতু ভেঙে পড়ার পরই আইআইটি রুরকির রিপোর্টে সেতুর কিছু অংশ পুনরায় তৈরি করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল। সেই রিপোর্টের উপরে ভিত্তি করেই সরকার সেতুর নকশায় বদল এনেছিল। 

    আরও পড়ুন: কীভাবে ক্ষতিপূরণ চাইবেন মৃত ও আহতদের পরিবার? পদ্ধতি জানাল রেল

    প্রশ্নের মুখে নীতীশ প্রশাসন

    কিন্তু, সেই ঘটনার পর ১৪ মাস কাটতে না কাটতেই গতকাল যেভাবে সেতুর একাংশ ভেঙে (Bihar Bridge Collapse) পড়ল, তাতে প্রশ্নের মুখে নীতীশ কুমার প্রশাসন। স্থানীয় প্রশাসন সূত্রে খবর, এই সেতুর নির্মাণের জন্য ১৭১০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছিল। নির্মাণকাজও প্রায় শেষ হয়ে এসেছিল। চলতি বছরের নভেম্বর বা ডিসেম্বর নাগাদ সেতুটি জনসাধারণের জন্য খুলে দেওয়ার পরিকল্পনা ছিল। এদিনের ঘটনার পর, উপমুখ্যমন্ত্রী তেজস্বী যাদব জানান, সেতু ভেঙে পড়ার আসল কারণ জানতে তদন্ত করা হবে। আইআইটি মুম্বই, আইআইটি রুরকি ও এনআইআইটি-র অধ্যাপকরা এই দুর্ঘটনার তদন্ত করছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Amit Shah: ‘‘আইন আইনের পথে চলবে’’! কুস্তিগিরদের সঙ্গে বৈঠকে জানিয়ে দিলেন অমিত শাহ

    Amit Shah: ‘‘আইন আইনের পথে চলবে’’! কুস্তিগিরদের সঙ্গে বৈঠকে জানিয়ে দিলেন অমিত শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হরিদ্বারের গঙ্গায় সব মেডেল ভাসিয়ে দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন বজরং পুনিয়া, সাক্ষী মালিক, ভিনেশ ফোগাটরা। কৃষক নেতা রাকেশ টিকাইতের অনুরোধে সেই পথ থেকে বিরত হন তাঁরা। এদিকে তাঁদের অরাজনৈতিক মঞ্চে চলতে থাকে বিরোধী রাজনৈতিক নেতাদের আনাগোনা। এতে প্রশ্ন তোলে বিজেপি। পরে সরকারকে পাঁচ দিন সময় দিয়েছিলেন আন্দোলনকারীরা। সেই ‘ডেডলাইন’ শেষ হয় রবিবার। শনিবার গভীর রাতে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের (Amit Shah) সঙ্গে দেখা করেন বজরং পুনিয়া, সাক্ষী মালিকরা। এমনই দাবি করা হচ্ছে এক সর্বভারতীয় সংস্থার রিপোর্টে। উল্লেখ্য, কুস্তি ফেডারেশনের প্রধান তথা বিজেপি সাংসদ ব্রিজভূষণ শরণ সিংয়ের বিরুদ্ধে কুস্তিগিরদের যৌন হেনস্থার অভিযোগ তুলে পুলিশি পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন বজরং, সাক্ষীরা।

    কী আলোচনা হল অমিত শাহের (Amit Shah) সঙ্গে

    সূত্রের খবর, শনিবার রাত ১১টার পরে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক শুরু হয় কুস্তিগিরদের। বজরং, সাক্ষী-সহ চার জন কুস্তিগির শাহের বাসভবনে গিয়েছিলেন। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তাঁদের পুরো বক্তব্য শুনেছেন। তদন্তের গতি নিয়ে অসন্তোষ জানিয়ে ব্রিজভূষণের বিরুদ্ধে দ্রুত চার্জশিট দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন সাক্ষীরা। কুস্তিগিরদের আশ্বস্ত করে শাহ বলেছেন, ‘‘আইন আইনের পথে চলবে।’’ এর আগে কেন্দ্রীয় ক্রীড়ামন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুর আশ্বাস দিয়ে বজরং, সাক্ষীদের বলেছিলেন, ‘‘সব অভিযোগের তদন্ত স্বচ্ছতার সঙ্গে হবে।’’ যদিও এ নিয়ে সংবাদমাধ্যমের সামনে কোনওভাবেই মুখ খুলতে চাননি বৈঠকে থাকা কুস্তিগিররা। 

    কী বলছে দিল্লি পুলিশ

    উল্লেখ্য, কুস্তি ফেডারেশনের প্রধান ব্রিজভূষণের বিরুদ্ধে যৌন হেনস্থার অভিযোগ এনেছেন বজরং, সাক্ষীরা। যদিও তাঁর বিরুদ্ধে তোলা সমস্ত অভিযোগই খারিজ করেছেন ব্রিজভূষণ। এনিয়ে অভিযোগ দায়ের করা হয় দিল্লি পুলিশে। যদিও দিল্লি পুলিশ জানায়, গ্রেফতার করার মতো অপরাধ করেননি ব্রিজভূষণ। যে ধারা দেওয়া হয়েছে, তাতে সাত বছরেরও কম সাজা হওয়ার কথা, যদি তা প্রমাণ হয়। অন্যদিকে তথ্যপ্রমাণ লোপাট অথবা সাক্ষীদের ভয় দেখানোর মতো কোনও কাজও করেননি ব্রিজভূষণ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Odisha Train Accident: কীভাবে ক্ষতিপূরণ চাইবে মৃত ও আহতদের পরিবার? পদ্ধতি জানাল রেল

    Odisha Train Accident: কীভাবে ক্ষতিপূরণ চাইবে মৃত ও আহতদের পরিবার? পদ্ধতি জানাল রেল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনা (Odisha Train Accident) কেড়েছে ২৭৫টি প্রাণ। আর কোনওদিনও বাড়িতে ফিরবেন না তাঁরা। একদিকে প্রিয়জনকে হারানোর শোক, তার ওপর নিহতদের অনেকেই ছিলেন পরিবারের একমাত্র আয়ের উৎস। ফলে, সব মিলিয়ে আতান্তরে নিহতদের পরিবারবর্গ। অনিশ্চিত ভবিষ্যতের সামনে দুর্ঘটনায় গুরুতর জখমরাও। করমণ্ডল দুর্ঘটনায় আহতের সংখ্যা ৮০০ পার করেছে। তাঁদের মধ্যে অনেকের জখম গুরুতর। অনেকে জীবনভর কিছু করার ক্ষমতা হারিয়েছেন। বহু যাত্রীর অঙ্গহানি ঘটেছে। কারও কাটা পড়েছে হাত, কারও বা পা। এই পরিস্থিতিতে ক্ষতে কিছুটা মলমের প্রলেপ এনে দিতে পারে ক্ষতিপূরণের টাকা। 

    কীভাবে মিলবে ক্ষতিপূরণ?

    দুর্ঘটনার (Odisha Train Accident) পরই রেলের তরফে ক্ষতিপূরণ ঘোষণা করা হয়। প্রতি মৃতের পরিবারকে ১০ লক্ষ টাকা, গুরুত্ব আহতদের ২ লক্ষ টাকা এবং অল্প আহতদের ৫০ হাজার টাকা করে দেওয়া কথা জানিয়েছিল রেল। কিন্তু, কীভাবে মিলবে ক্ষতিপূরণের টাকা? অনেকের কাছে এই পদ্ধতি জানা নেই। তার ওপর, প্রিয়জনের দেহ এখনও অনেকে পাননি। যে পরিবার দেহ পেয়েছে, তাদের মানসিক অবস্থা এখন স্বাভাবিক নয়। সকলে শোকে বিহ্বল। বাড়িতে শোকের ছায়া। অনেক পরিববার বুঝেই উঠতে পারছে না, এই সময়ে ঠিক কী করণীয়। 

    আরও পড়ুন: ৫১ ঘণ্টা পর বালাসোরে গড়াল ট্রেনের চাকা! চোখে জল রেলমন্ত্রীর

    মানতে হবে কিছু নিয়ম

    এমন অবস্থায়, সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিল রেল। ক্ষতিপূরণের (Odisha Train Accident) অর্থ আগেই ঘোষণা করা হয়েছিল। এবার সেই ক্ষতিপূরণের টাকা কী ভাবে চাইতে হবে, সেই পদ্ধতিও জানানো হল। সোমবার একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে রেল ক্ষতিপূরণ দাবি করার প্রক্রিয়াটি জানিয়েছে। রেলের তরফে জানানো হয়েছে, ক্ষতিপূরণ পেতে গেলে কিছু নিয়ম মানতে হবে। রেলের তরফে জানানো হয়েছে, মৃতের পরিবারের সদস্যরা কিংবা আহতরা বালাসোর স্টেশন কিংবা হাসপাতালে গিয়ে ক্ষতিপূরণ দাবি করতে পারেন। সঙ্গে ক্ষতিপূরণের সমস্যা এবং তার সমাধানের জন্য হেল্পলাইন নম্বরও দেওয়া হয়েছে। সেগুলি হল ৯৪৩৯৯ ৮১৯৯৯, ৭৯৭৮৪ ১৮৩২২ এবং ৮২৪৯৫ ৯১৫৫৯। এছাড়া ৬৪৮১০ নম্বরে ফোন করে ক্ষতিপূরণের দাবি করতে পারেন। তবে প্রতি ক্ষেত্রেই নির্দিষ্ট নথিপত্র রেলকে দেখিয়ে পরিচয়ের প্রমাণ দিতে হবে।

    টিকিট না কাটলেও মিলবে ক্ষতিপূরণ

    রেলের তরফে জানানো হয়েছে, ২৮৫ জন যাত্রীকে মোট ৩.২২ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ বাবদ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ১১ জন যাত্রীর মৃত্যুর জন্য ১০ লক্ষ টাকা করে ও ৫০ জন গুরুতর আহতদের ২ লক্ষ টাকা করে ক্ষতিপূরণ দেওয়া হয়েছে। ভারতীয় রেলের তরফে আপাতত সাতটি জায়গা থেকে ক্ষতিপূরণ দেওয়া হচ্ছে। এগুলি হল-সোরো, খড়্গপুর, বালাসোর, খন্তপারা, ভদ্রক, কটক ও ভুবনেশ্বর। রেলের মুখপাত্র অমিতাভ শর্মা জানিয়েছেন, কার টিকিট ছিল অথবা টিকিট ছিল না এই ঘটনা নির্বিশেষে সকলেই ক্ষতিপূরণ পাবেন। এক্ষেত্রে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ পালন করা হবে।

    প্রিয়জনের খোঁজ পেতে হেল্পলাইন ১৩৯

    দুর্ঘটনার (Odisha Train Accident) পর এখনও পর্যন্ত বালাসোর, সোরো এবং বাহানগা বাজার থেকে মোট ৭৭টি মৃতদেহ শনাক্ত করা গিয়েছে। সেগুলি যথাযথ নিয়ম মেনে তুলে দেওয়া হয়েছে পরিবারের সদস্যদের হাতে। অন্যদিকে ১৮২টি দেহ এখনও সনাক্ত করা যায়নি। এখনও মৃত পরিজনদের দেহ পেতে হন্যে হয়ে ঘুরছেন অনেকেই। তাদের পরিবারকে সহায়তা করতেই ১৩৯-এই হেল্পলাইন নম্বরটি চালু করা হয়েছে। সেই প্রক্রিয়া যাতে দ্রুত ও নির্বিঘ্নে সম্পন্ন হয়, তাও নিশ্চিত করা হবে বলে জানানো হয়েছে। মৃত ও আহদের পরিবার ১৩৯ নম্বরেও ফোন করতে পারেন। এই নম্বরে ফোন করলে, জোনাল রেলওয়ে ও রাজ্য সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ করে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির সম্পর্কে যাবতীয় তথ্য জানানো হবে। ২৪/৭ এই হেল্পলাইন নম্বর চালু রাখা হচ্ছে। ফোনের এ প্রান্তে থাকবেন রেলের শীর্ষ আধিকারিকরা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Amit Malviya: ‘‘মমতার জমানায় ট্রেন দুর্ঘটনা ৫৪টি, প্রাণ হারান ১৪৫১ জন’’, খোঁচা অমিত মালব্যর

    Amit Malviya: ‘‘মমতার জমানায় ট্রেন দুর্ঘটনা ৫৪টি, প্রাণ হারান ১৪৫১ জন’’, খোঁচা অমিত মালব্যর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ওড়িশায় ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনায় এখনও পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা ২৭৫। আহত ১,০০০ ছাড়িয়েছে। এই ঘটনায় রাজনীতি করা উচিত নয় বলে মন্তব্য করে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় শনিবার সকালেই বালাসোরে রেল মন্ত্রককে কাঠগড়ায় তোলেন। তৃণমূল নেত্রীর দাবি, কবচ না থাকার কারণেই এই দুর্ঘটনা ঘটেছে। রবিবার তা খারিজ করে দেন রেলমন্ত্রী এবং তিনি বলেন ‘‘মুখ্যমন্ত্রী তাঁর সীমিত জ্ঞান থেকে এ ধরনের কথাবার্তা বলছেন।’’ অন্যদিকে, তাঁর দলের সেকেন্ড ইন কমান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এই ঘটনার জন্য রেলমন্ত্রীর পদত্যাগও দাবি করেছেন। কিন্তু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যখন রেলমন্ত্রী ছিলেন, তখন মোট ট্রেন দুর্ঘটনার পরিসংখ্যান তুলে ধরলেন বিজেপি নেতা অমিত মালব্য (Amit Malviya)। বিজেপি নেতার মতে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আমলে ৫৪ টি ট্রেন দুর্ঘটনা ঘটেছে এবং লাইনচ্যুত হয়েছে রেল, এমন ঘটনা ৮৩৯ বার ঘটেছে, প্রাণ গেছে ১,৪৫১ জনের।

    আরও পড়ুন: ৫১ ঘণ্টা পর বালাসোরে গড়াল ট্রেনের চাকা! চোখে জল রেলমন্ত্রীর

    অমিত মালব্য (Amit Malviya) কী লিখলেন ট্যুইটে?

    অমিত মালব্য (Amit Malviya) এদিন রীতিমতো পরিসংখ্যান প্রকাশ করেন। রেলমন্ত্রী থাকাকালীন নীতিশ কুমার, লালুপ্রসাদ যাদব এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আমলের ট্রেন দুর্ঘটনার সংখ্যা তুলে ধরেন নিজের ট্যুইটে। মালব্য লেখেন, ‘‘যারা রেলমন্ত্রীর পদত্যাগ চাইছে, তাদের রিপোর্ট কার্ড।’’

    ওই পরিসংখ্যানে দেখা যাচ্ছে, নীতিশ কুমার রেলমন্ত্রী থাকাকালীন দুটি ট্রেনের সংঘর্ষ হয়েছে ৭৯টি। রেল লাইনচ্যুত হয়েছে ১০০০ বার এবং মোট মৃতের সংখ্যা ১,৫২৭। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আমলে ৫৪টি রেল দুর্ঘটনার ঘটনা ঘটেছে এবং রেল লাইনচ্যুত হয়েছে ৮৩৯ বার। মারা গেছেন ১৪৫১ জন। অন্যদিকে লালুপ্রসাদ যাদবের আমলে দুটি ট্রেনের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ৫১টি ঘটেছে, রেল লাইনচ্যুত হয়েছে ৫৫০ বার এবং দুর্ঘটনায় মারা গিয়েছেন ১১৫৯ জন। রবিবার বিকেলে এই ট্যুইট করেন অমিত মালব্য।

    মৃত্যু এবং ধ্বংসের রাজনীতির ওপরই দাঁড়িয়ে আছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

    আরও একটি ট্যুইটে অমিত মালব্য লেখেন, সিঙ্গুর থেকে শুরু করে ২০২১ সালের ভোট পরবর্তী সন্ত্রাস! তিনি সব সময়ই  ধ্বংস এবং মৃত্যুর রাজনীতি ওপরই দাঁড়িয়ে আছেন। উদ্ধার কাজের সময় তাঁর সাংবাদিক সম্মেলন করার কোনও কথা ছিল না, কিন্তু তারপরেও তিনি ভুল তথ্য দিতে থাকেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Odisha Train Accident: করমণ্ডল এক্সপ্রেস দুর্ঘটনার জেরে বাতিল বহু ট্রেন, রইল তালিকা

    Odisha Train Accident: করমণ্ডল এক্সপ্রেস দুর্ঘটনার জেরে বাতিল বহু ট্রেন, রইল তালিকা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভয়াবহ দুর্ঘটনার (Odisha Train Accident) কবলে শালিমার-চেন্নাই করমণ্ডল এক্সপ্রেস। শুক্রবার বালেশ্বর থেকে ২০ কিলোমিটার দূরে বাহানগা বাজার স্টেশনে সন্ধে পৌনে ৭টা নাগাদ এই ভয়াবহ দুর্ঘটনাটি ঘটে। ভদ্রকের দিকে যাচ্ছিল চেন্নাইগামী করমণ্ডল এক্সপ্রেস। হাওড়াগামী যশবন্তপুর হামসফর এক্সপ্রেসের অভিমুখ ছিল বালেশ্বরের দিকে। করমণ্ডলের বাঁ দিকের লাইনে ছিল একটি মালগাড়ি। সংঘর্ষে তালগোল পাকিয়ে যায় ৩টি ট্রেন। খেলনা গাড়ির মতো উল্টে যায় ট্রেনের একের পর এক কামরা। 

    এখনও পর্যন্ত মেলা খবর অনুযায়ী, দুর্ঘটনায় (Odisha Train Accident) মৃত্যু হয়েছে ২৬৮ জনের। আহতের সংখ্যা ৬৫০ পার করেছে। দুর্ঘটনার ফলে এখন কার্যত যুদ্ধক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে ওই শাখা। ফলস্বরূপ, দক্ষিণ-পূর্ব রেলের খড়গপুর-ভদ্রক শাখায় একাধিক দূরপাল্লার ট্রেন বাতিল হয়েছে। দুর্ঘটনার জেরে হাওড়া, শিয়ালদা থেকে পুরীগামী একাধিক ট্রেনও বাতিল করা হয়েছে। ঘুর পথে চালানো হচ্ছে আরও অনেক ট্রেন।

    এক নজরে বাতিল হওয়া ট্রেন—

    হাওড়া-সেকেন্দ্রাবাদ ফলকনুমা এক্সপ্রেস
    হাওড়া-কন্যাকুমারী এক্সপ্রেস 
    হাওড়া-এর্নাকুলাম অন্ত্যোদয় এক্সপ্রেস
    হাওড়া-পুরী শতাব্দী এক্সপ্রেস
    হাওড়া-বেঙ্গালুরু দুরন্ত এক্সপ্রেস
    হাওড়া-এসভিএমটি বেঙ্গালুরু সুপারফাস্ট এক্সপ্রেস। 
    হাওড়া-তিরুপতি এক্সপ্রেস
    হাওড়া-ভুবনেশ্বর জনশতাব্দী এক্সপ্রেস
    হাওড়া-চেন্নাই মেল
    হাওড়া-ভদ্রক বাঘাযতীন এক্সপ্রেস
    হাওড়া-যশবন্তপুর হামসফর এক্সপ্রেস

    আরও পড়ুন: বালাসোর যেন মৃত্যুপুরী! রেললাইনে শোয়ানো সারি সারি দেহ

    সাঁতরাগাছি-পুরী স্পেশাল
    শিয়ালদা-পুরী দুরন্ত এক্সপ্রেস
    হায়দরাবাদ-শালিমার এক্সপ্রেস
    দিঘা-পুরী সমুদ্রকন্যা এক্সপ্রেস
    ত্রিবান্দ্রম-শালিমার এক্সপ্রেস
    চেন্নাই-শালিমার করমণ্ডল এক্সপ্রেস 
    শালিমার-সম্বলপুর এক্সপ্রেস
    শালিমার-চেন্নাই করমণ্ডল এক্সপ্রেস
    শালিমার-পুরী সুপারফাস্ট এক্সপ্রেস

    এছাড়া, বাতিল হয়েছে—

    খড়গপুর-জয়পুর-কেওনঝড় রোড এক্সপ্রেস
    খড়গপুর বেলদা মেমু স্পেশাল
    খড়গপুর খুরদা রোড এক্সপ্রেস
    খড়গপুর ভদ্রক মেমু
    হাওড়া জয়সলমীর মেমু স্পেশাল
    বাংরিপোপোশি-ভুবনেশ্বর ইন্টারসিটি সুপারফাস্ট এক্সপ্রেস

    এছাড়াও, বেশ কয়েকটি ট্রেন টাটানগর দিয়ে ঘুরপথে চালানো হচ্ছে। 

    আরও পড়ুন: বালাসোরে দুর্ঘটনায় আটকে পড়া ২০০ যাত্রীকে নিয়ে হাওড়া ফিরল বিশেষ ট্রেন

    রেলের হেল্পলাইন নম্বর (Odisha Train Accident)

    রেল আপৎকালীন(হাওড়া): ২২৯৩৩, ০৩৩-২৬৪১৩৬৬০
    রেল অনুসন্ধান(টোল-ফ্রি): ২২২৪৪, ২২২৫৫, ২২২৬৬
    বিএসএনএল: ২৬৪০-২২৪১, ২৬৪০-২২৪২, ২৬৪০-২২৪৩
    হাওড়া: ০৩৩-২৬৩৮২২১৭
    খড়্গপুর: ৮৯৭২০৭৩৯২৫, ৯৩৩২৩৯২৩৩৯
    বালাসোর: ৮২৪৯৫৯১৫৫৯, ৭৯৭৮৪১৮৩২২
    শালিমার: ৯৯০৩৩৭০৭৪৬

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share