Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • PM Modi: আবারও ইন্দোনেশিয়া সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী, কেন জানেন?

    PM Modi: আবারও ইন্দোনেশিয়া সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের একবার ইন্দোনেশিয়া সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। দু’ দিনের সফরে তিনি যাচ্ছেন এই দ্বীপরাষ্ট্রে। গত বছরের শেষের দিকে জি ২০ সম্মেলনে যোগ দিতে ইন্দোনেশিয়ার বালিতে গিয়েছিলেন তিনি। এবার যাচ্ছেন ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তায়।

    আসিয়ান-ভারত শীর্ষ সম্মেলন

    চলতি মাসের ৬-৭ তারিখে দু’ দু’টো সম্মেলন হবে সেখানে। একটি ২০তম আসিয়ান-ভারত শীর্ষ সম্মেলন। অন্যটি ১৮তম পূর্ব এশিয়া শীর্ষ সম্মেলন। গুরুত্বপূর্ণ এই দুই আন্তর্জাতিক সম্মেলনে যোগ দেওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট জোকো উইডোডো। ইন্দোনেশিয়ার পর ভারতে রয়েছে জি ২০ শীর্ষ সম্মেলন। সেখানে মিলিত হবেন বিশ্বের বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রপ্রধানরা। ভারত থেকেই জি ২০-এর ব্যাটন যাবে ইটালির হাতে।

    অর্থমন্ত্রীদের সম্মেলন

    অগাস্ট মাসেই ইন্দোনেশিয়ায় হয়েছিল আসিয়ান-ভারত গোষ্ঠীর অর্থমন্ত্রীদের সম্মেলন। এই বৈঠকে (PM Modi) পর্যালোচনা করা হয়েছিল ২০০৯ সালে আসিয়ান-ভারত যে পণ্য চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল, তা নিয়ে। গত মাসের সেই সম্মেলনের পর এবার হতে চলেছে আসিয়ান-ভারত শীর্ষ সম্মেলন। প্রসঙ্গত, গত বছরই ভারত ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয় দেশগুলির অ্যাসোসিয়েশনের (আশিয়ান) কৌশলগত অংশীদারিত্ব তৈরি হয়। এবারই হতে চলেছে এই গোষ্ঠীর প্রথম শীর্ষ সম্মেলন। বিদেশমন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, এই শীর্ষ সম্মেলনে ভারত-আসিয়ান সম্পর্কের অগ্রগতি পর্যালোচনা করা (PM Modi) হবে।

    আরও পড়ুুন: “উন্নত ভারতে দুর্নীতি, জাতিভেদ প্রথা এবং সাম্প্রদায়িকতাবাদ থাকবে না”, বললেন প্রধানমন্ত্রী

    এই অংশীদারিত্বের ভবিষ্যৎ দিক নির্দেশও করা হবে এই শীর্ষ সম্মেলনে। আঞ্চলিক এবং এর পাশাপাশি আন্তর্জাতিক দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন বিষয়ে মতামত বিনিময় করবেন আসিয়ান গোষ্ঠীর সদস্য দেশগুলির নেতারা। ২০১৪ সালে কেন্দ্রের ক্ষমতায় আসার পর প্রতিবেশী দেশগুলির সঙ্গে সম্পর্কের উন্নতিতে জোর দেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। এর ঠিক চার বছর পরে ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্টের আমন্ত্রণে জাকার্তা সফরে গিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী। সেই সফরে ইন্দোনেশিয়া ও ভারতের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের উন্নয়নে সহমত পোষণ করেছিলেন দুই রাষ্ট্রনেতা। তার পর থেকে দুই দেশের পারস্পরিক সম্পর্কের প্রভূত উন্নতি হয়েছে। চলতি সফরে সেই সম্পর্ক আরও পোক্ত হবে বলেই ধারণা আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞমহলের।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Gyanvapi Mosque: জ্ঞানবাপী মসজিদের সমীক্ষার রিপোর্ট জমা দিতে আট সপ্তাহ সময় চাইল এএসআই

    Gyanvapi Mosque: জ্ঞানবাপী মসজিদের সমীক্ষার রিপোর্ট জমা দিতে আট সপ্তাহ সময় চাইল এএসআই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জ্ঞানবাপী মসজিদ (Gyanvapi Mosque) চত্বরে  করা সমীক্ষার রিপোর্ট পেশ করতে আদালতের কাছে আরও আট সপ্তাহ সময় চাইল ভারতীয় পুরাতত্ত্ব সর্বেক্ষণ বা এএসআই। তাই এএসআইয়ের সমীক্ষায় কী মিলল, তা জানতে অপেক্ষা করতে হবে আরও মাসখানেক। শনিবার বারাণসী জেলা আদালতে আবেদন জানিয়ে সময় চেয়ে নেয় এএসআই।

    এএসআই

    প্রসঙ্গত, শনিবারই আদালতে সমীক্ষার রিপোর্ট জমা দেওয়ার কথা ছিল এএসআইয়ের। এএসআই আবেদনপত্র জমা করলেও, এদিন এনিয়ে শুনানি হয়নি আদালতে। সূত্রের খবর, শীঘ্রই এনিয়ে আলোচনা হবে। আবেদনপত্রে এএসআইয়ের তরফে বলা হয়েছে, আদালত যে নির্দেশ দিয়েছিল সাইটে সায়েন্টিফিক তদন্ত করবে এএসআই, সেই অনুযায়ী আর্কিওলজিস্টে, আর্কিওলজিক্যাল কেমিস্টস, এপিগ্রাফিস্টস, সার্ভেয়রস, ফোটোগ্রাফার্স এবং অন্যান্য টেকনিক্যাল স্টাফ এই সায়েন্টিফিক তদন্ত এবং তথ্যচিত্র নির্মাণে ব্যস্ত রয়েছেন।

    ডেটা বিশ্লেষণ

    হায়দ্রাবাদের জিওফিজিক্যাল রিসার্চ ইন্সটিটিউটও জিপিআর সার্ভে করছে। সংগৃহীত ডেটাও বিশ্লেষণ করছে তারা। আদালতে পেশ করা আবেদনপত্রে বলা হয়েছে, মসজিদের (Gyanvapi Mosque) সেলারে প্রচুর ধ্বংসস্তূপ দেখা গিয়েছে। এগুলো প্রকৃত কাঠামোকে ঢেকে রেখেছে। পরীক্ষার জন্য এই ধ্বংসস্তূপগুলো সরানোর কাজ চলছে। যেহেতু আদালত মাটির নীচে থাকা সেলারগুলির সায়েন্টিফিক তদন্ত করতে নির্দেশ দিয়েছে, তাই ধ্বংসস্তূপ সরানোর কাজ চলছে খুব সাবধানে। এটি একটি ধীর গতির কাজ। এজন্য আরও সময় প্রয়োজন।

    আরও পড়ুুন: “উন্নত ভারতে দুর্নীতি, জাতিভেদ প্রথা এবং সাম্প্রদায়িকতাবাদ থাকবে না”, বললেন প্রধানমন্ত্রী

    প্রসঙ্গত, কিছু দিন আগেই বারাণসীর জ্ঞানবাপী মসজিদে (Gyanvapi Mosque) বৈজ্ঞানিক সমীক্ষার কাজ শুরু করেছে ভারতীয় পুরাতত্ত্ব সর্বেক্ষণ (ASI)। এলাহাবাদ হাইকোর্টের ছাড়পত্র পাওয়ায় কড়া নিরাপত্তার ঘেরাটোপেই শুরু হয়েছে সমীক্ষার কাজ। কয়েকটি দলে ভাগ হয়ে এএসআই-এর পুরাতত্ত্ব বিশেষজ্ঞরা জ্ঞানবাপী মসজিদ চত্বরে ঢুকে কাজ শুরু করেছেন। সপ্তদশ শতকে তৈরি মসজিদটি কোনও হিন্দু মন্দির ভেঙে গড়া হয়েছে কিনা, তা পরীক্ষা করে দেখবেন প্রত্নতাত্ত্বিক বিশেষজ্ঞরা। বারাণসী জেলা আদালতের বিচারক অজয় কুমার বিশ্বেসের নির্দেশ অনুযায়ী, দিন কয়েক আগেই সমীক্ষার রিপোর্ট পেশ করার কথা ছিল ভারতীয় পুরাতত্ত্ব সর্বেক্ষণের।

    কিন্তু আইনি লড়াই পেরিয়ে যেহেতু দিন কয়েক আগেই সমীক্ষার কাজ শুরু হয়েছে, তাই কবে ওই রিপোর্ট জেলা আদালতে জমা পড়বে তা নিয়ে মুখ খুলতে চেয়েছিলেন না সমীক্ষার দায়িত্বে থাকা এএসআই আধিকারিকরা। এদিকে, হাইকোর্টের রায়ের উপর স্থগিতাদেশ চেয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে মুসলিম পক্ষ। মুসলিম পক্ষের দাবি, এই সমীক্ষা (Gyanvapi Mosque) আইন বিরুদ্ধ এবং এতে মসজিদের ক্ষতি হতে পারে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: “উন্নত ভারতে দুর্নীতি, জাতিভেদ প্রথা এবং সাম্প্রদায়িকতাবাদ থাকবে না”, বললেন প্রধানমন্ত্রী

    PM Modi: “উন্নত ভারতে দুর্নীতি, জাতিভেদ প্রথা এবং সাম্প্রদায়িকতাবাদ থাকবে না”, বললেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “স্বাধীনতার শতবর্ষের মধ্যেই একটি উন্নত দেশে পরিণত হবে ভারত। সেই ভারতে দুর্নীতি থাকবে না, জাতিভেদ প্রথা থাকবে না, থাকবে না সাম্প্রদায়িকতাবাদও।” রবিবার এক সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে এ কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। এদিনের সাক্ষাৎকারে অনিবার্যভাবে উঠে এসেছে জি-২০ সম্মেলনের প্রসঙ্গও।

    ভবিষ্যতের রোডম্যাপ

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমাদের বক্তব্য ও দৃষ্টিভঙ্গী সারা বিশ্ব ভবিষ্যতের রোডম্যাপ হিসেবে দেখছে। তারা একে কেবল ধারণা হিসেবে বিবেচনা করছে না। বিশ্বের জিডিপি-কেন্দ্রীয় দৃষ্টিভঙ্গী বদলে হচ্ছে মানব-কেন্দ্রিক। এই যে রূপান্তর, ভারত তাতে একটি অনুঘটক হিসেবে কাজ করছে।” তামাম বিশ্বে যে ক্রমেই ভারতের গুরুত্ব বাড়ছে, এদিন তাও মনে করিয়ে দেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)। ভারত সম্পর্কে বদলাচ্ছে বিশ্বের দৃষ্টিভঙ্গীও।

    উচ্চাকাঙ্খী মানুষের দেশ

    তিনি বলেন, “দীর্ঘ দিন ধরে ভারতকে দেখা হত এক বিলিয়ন না খেতে পাওয়া মানুষের দেশ হিসেবে। আর আজ বিশ্ব ভারতকে দেখে এক বিলিয়ন উচ্চাকাঙ্খী এবং দুই বিলিয়ন দক্ষ মানুষের দেশ হিসেবে।” আগামী কয়েক দশকে ভারত জনসংখ্যা বৃদ্ধির সুফল কুড়োবে বলেও মনে করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, “আজ ভারতবাসীর কাছে একটা সুযোগ এসেছে। সেটা হল বৃদ্ধির ভিত্তিস্থাপন। যা করলে আগামী হাজার বছর ধরে স্মরণে রাখবে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম।” তিনি বলেন, “এক সময় যাকে স্রেফ একটা বাজার হিসেবে গণ্য করত বিশ্ব, আজ তাকে বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার একটা অংশ বলে মনে করে।”

    আরও পড়ুুন: সনাতন ধর্মকে ডেঙ্গির সঙ্গে তুলনা স্ট্যালিন পুত্র উদয়নিধির, তীব্র প্রতিক্রিয়া শাহের

    এদিনের সাক্ষাৎকারে বিরোধীদের সস্তা রাজনীতির সমালোচনাও করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, “দায়িত্বজ্ঞানহীন আর্থিক নীতি এবং সস্তা জনপ্রিয়তার সাহায্যে সাময়িক রাজনৈতিক ফয়দা তোলা যেতে পারে, কিন্তু সামজিক এবং অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে তা দীর্ঘ মেয়াদি কোনও ফল দেয় না।” বিরোধীদের কটাক্ষ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আগের সরকারগুলো দিল্লির বাইরে ভিন রাজ্যে গিয়ে বিশ্ব সম্মেলন করার সাহস দেখাত না।” প্রসঙ্গত, চলতি বছর কাশ্মীরের শ্রীনগরে একটি বৈঠক হয়েছে জি ২০ সম্মেলনের। প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, “জি ২০-এর বসুধৈব কুটুম্বকম কেবল একটি স্লোগান নয়, এটি আমাদের সাংস্কৃতিক নৈতিকতাও।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • Shaktikanta Das: ‘এ প্লাস’ গ্রেড পেলেন রিজার্ভ ব্যাঙ্কের গভর্নর, কেন জানেন?

    Shaktikanta Das: ‘এ প্লাস’ গ্রেড পেলেন রিজার্ভ ব্যাঙ্কের গভর্নর, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতির দেশের তালিকার পাঁচ নম্বরে জায়গা করে নিয়েছে ভারত। দীর্ঘদিন ধরে এই স্থানটি দখল করেছিল ইংল্যান্ড। রাজার দেশকে হটিয়ে পঞ্চম স্থানে চলে এসেছে মোদির ভারত। দিন কয়েক আগে জিডিপির যে রিপোর্ট প্রকাশ করা হয়েছিল, সেখানেও (Shaktikanta Das) ‘ফার্স্টবয়’ ভারত। এবার দেশের জন্য এল আরও একটি সুখবর।

    ত্রয়ীর শীর্ষে শক্তিকান্ত 

    চলতি বছর গ্লোবাল ফিনান্স সেন্ট্রাল ব্যাঙ্কারের রিপোর্টে ‘এ প্লাস’ গ্রেড পেয়েছেন ভারতের রিজার্ভ ব্যাঙ্কের গভর্নর শক্তিকান্ত দাস। রিজার্ভ ব্যাঙ্কের গভর্নরের এহেন সাফল্যে খুশি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। শক্তিকান্তকে অভিনন্দন জানিয়েছেন তিনি। রিজার্ভ ব্যাঙ্কের তরফেও শুভেচ্ছা জানানো হয়েছে তাঁকে। প্রসঙ্গত, শক্তিকান্তকে (Shaktikanta Das) এই স্বীকৃতি দিয়েছে আমেরিকার গ্লোবাল ফিনান্স ম্যাগাজিন। এই ম্যাগাজিনের স্বীকৃতি জুটেছে সুইজারল্যান্ডের গভর্নর থমাস জে জর্ডন ও ভিয়েতনামের গভর্নর গুয়েন থি হং-ও ‘এ প্লাস’ গ্রেড পেয়েছেন। শুক্রবার সন্ধ্যায় রিপোর্ট প্রকাশ করেন গ্লোবাল ফিনান্স ম্যাগাজিন কর্তৃপক্ষ। তার পরেই রিজার্ভ ব্যাঙ্কের তরফে ট্যুইট-বার্তায় বলা হয়, “আমরা খুব আনন্দের সঙ্গে ঘোষণা করছি গভর্নর শক্তিকান্ত দাস গ্লোবাল ফিনান্স সেন্ট্রাল ব্যাঙ্কার রিপোর্টে এ প্লাস গ্রেড পেয়েছেন। যে তিনজন ব্যাঙ্ক গভর্নর এ প্লাস গ্রেড পেয়েছেন, তার মধ্যে শক্তিকান্ত দাস সবার শীর্ষে রয়েছেন।”

    প্রধানমন্ত্রীর অভিনন্দন 

    রিজার্ভ ব্যাঙ্কের পাশাপাশি ট্যুইট-বার্তায় শক্তিকান্তকে অভিনন্দন জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও। তিনি লিখেছেন, “গ্লোবাল ফিনান্স সেন্ট্রাল ব্যাঙ্কার রিপোর্ট কার্ডস ২০২৩-এ ‘এ প্লাস’ গ্রেডের জন্য আরবিআইয়ের গভর্নর শক্তিকান্ত দাসকে অভিনন্দন জানাচ্ছি। ‘এ প্লাস’ গ্রেড পাওয়া তিনজন গভর্নরের মধ্যে শীর্ষস্থানে থাকা সত্যিই গর্বের বিষয়।

    এটা ভারতের জন্য গর্বের মুহূর্ত। তাঁর নিষ্ঠা, দূরদর্শিতা আমাদের উন্নয়নকে আরও পোক্ত করবে।” গ্লোবাল ফাইনান্স ম্যাগাজিনের তরফে জানানো হয়েছে, মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য, মুদ্রার স্থিতিশীলতা এবং সুদের হার ব্যবস্থাপনায় সাফল্যের জন্য গ্রেডগুলি ‘এ’ থেকে ‘এফ’ পর্যন্ত একটি স্কেলের ওপর ভিত্তি করে দেওয়া হয়েছে। ‘এ’ চমৎকার কর্মদক্ষতাকে বোঝায়। আর ‘এফ’ সরাসরি ব্যর্থতার কথা বলে।

    আরও পড়ুুন: চাঁদে ঘনাচ্ছে আঁধার, ‘হাতের কাজ’ শেষ করে বিক্রমের পেটে সেঁধিয়ে গেল প্রজ্ঞান

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Chandrayaan 3: চাঁদে ঘনাচ্ছে আঁধার, ‘হাতের কাজ’ শেষ করে বিক্রমের পেটে সেঁধিয়ে গেল প্রজ্ঞান

    Chandrayaan 3: চাঁদে ঘনাচ্ছে আঁধার, ‘হাতের কাজ’ শেষ করে বিক্রমের পেটে সেঁধিয়ে গেল প্রজ্ঞান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নির্দিষ্ট সময়ের আগেই কাজ শেষ করে ফেলল চন্দ্রযান ৩-এর (Chandrayaan 3) রোভার প্রজ্ঞান। চাঁদে আঁধার ঘনাতে আর বেশি দেরি নেই। চন্দ্রালোকে রাত্রি নামলে তাপমাত্রা নেমে যায় মাইনাস ৩০০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি।

    কাজ শেষ করল প্রজ্ঞান

    সোলার প্যানেলের সাহায্যে কাজ করছে প্রজ্ঞান। তাই চাঁদে যে সময়টা সূর্যালোক থাকবে না (পৃথিবীর হিসেবে ১৪ দিন), সেই সময়টা কাজ করতে পারবে না প্রজ্ঞান। তাই সোলার প্যানেল ফুল চার্জ করিয়ে নিয়ে ল্যান্ডার বিক্রমের পেটে সেঁধিয়ে গিয়েছে প্রজ্ঞান। চাঁদে সূর্যোদয় হলে তখনও যদি জীবনীশক্তি থাকে, তাহলে ফের কাজ শুরু করবে প্রজ্ঞান। হাড়হিম করা ঠান্ডায় শক্তিহীন হয়ে পড়লে চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে চিরতরে ভারতের প্রতিনিধি হয়ে রয়ে যাবে বিক্রম ও প্রজ্ঞান।

    চন্দ্রযান ৩

    প্রসঙ্গত, ১৪ জুলাই দেশের মাটি ছেড়ে চাঁদের উদ্দেশে রওনা দেয় চন্দ্রযান ৩ (Chandrayaan 3)। টানা চল্লিশ দিন জার্নি করে ২৩ অগাস্ট চাঁদে পা রাখে চন্দ্রযান ৩। এদিন ভোরে চাঁদের মাটিতে পা রাখে ইসরো প্রেরিত এই যান। তার পর বিক্রমের পেট থেকে বেরিয়ে কাজ শুরু করে দেয় প্রজ্ঞান। যে কাজ দিয়ে প্রজ্ঞানকে চাঁদে পাঠানো হয়েছিল, ইতিমধ্যেই সেই কাজ শেষ করে ফেলেছে এই রোভার। শনিবার রাতে এক্স হ্যান্ডেলে ইসরোর তরফে লেখা হয়, “চন্দ্রযান ৩-এর রোভার সব অ্যাসাইনমেন্ট শেষ করে ফেলেছে। নিরাপদ স্থানে তাকে পার্কিং করে দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে তার স্লিপ মোড সেট করে দেওয়া হয়েছে। এপিএক্সএস এবং এলআইবিএস পেলোডগুলি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এই পেলোডগুলি থেকে পাওয়া সমস্ত ডেটা ল্যান্ডার বিক্রমের মাধ্যমে পৃথিবীতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে।”

    এদিকে, স্লিপ মোডে যাওয়ার আগে চাঁদের মাটিতে ঘুরে ঘুরে পরীক্ষা চালাচ্ছিল প্রজ্ঞান। প্রতি সেকেন্ডে এক সেন্টিমিটার গতিতে এগোতে পারে সে। ইসরোর এক্স হ্যান্ডেলে জানানো হয়েছে, “চাঁদের মাটিতে এখনও পর্যন্ত ১০০ মিটার পথ অতিক্রম করে ফেলেছে প্রজ্ঞান। শিবশক্তি পয়েন্ট (যে স্থানে ল্যান্ডারটি অবতরণ করেছিল) থেকে ১০০ মিটার পথ অতিক্রম করেছে এখনও পর্যন্ত।”

    আরও পড়ুুন: লোডশেডিং-এ জেরবার, সংস্থার অফিসের সামনে ধর্নার হুঁশিয়ারি শুভেন্দুর

    ইসরোর তরফে জানানো হয়, চাঁদের (Chandrayaan 3) মাটিতে ইতিমধ্যেই সালফার, অক্সিজেন, টাইটেনিয়াম, অ্যালুমিনিয়াম, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, ক্রোমিয়াম, লোহা, সিলিকন শনাক্ত করেছে প্রজ্ঞান। চাঁদে হাইড্রোজনের খোঁজও করছিল রোভার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • New Spaceport: তামিলনাড়ুতে আরও একটি উৎক্ষেপণ কেন্দ্র গড়ছে ইসরো, সবুজ সংকেত মিলল কেন্দ্রের  

    New Spaceport: তামিলনাড়ুতে আরও একটি উৎক্ষেপণ কেন্দ্র গড়ছে ইসরো, সবুজ সংকেত মিলল কেন্দ্রের  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্বপ্ন পূর্ণ হয়েছে চন্দ্রাভিযানের। সূর্যের তথ্য জোগাড় করতে উৎক্ষেপণ করা হয়েছে আদিত্য এল-ওয়ান। আরও একাধিক উৎক্ষেপণের পরিকল্পনা রয়েছে ভারতের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরোর। সেই কারণে ক্রমশই চাপ বাড়ছে তামিলনাড়ুর শ্রীহরিকোটায়। সেজন্য দীর্ঘ দিন ধরে আরও একটি উৎক্ষেপণ কেন্দ্রের (New Spaceport) প্রয়োজনীয়তা অনুভব করছিলেন ইসরোর কর্তারা। এজন্য কেন্দ্রের কাছে আবেদনও করেছিলেন।

    লঞ্চপ্যাডে মিলল সবুজ সংকেত

    শেষমেশ মোদি সরকারের তরফে মিলল সবুজ সংকেত। এই উৎক্ষেপণ কেন্দ্রটিও হতে চলেছে তামিলনাড়ুতে। তামিলনাড়ুরই কুলাসেকারাপত্তিনামে গড়ে উঠবে এই উৎক্ষেপণ কেন্দ্র। তবে বড় স্যাটেলাইটগুলি যেমন শ্রীহরিকোটা থেকে উক্ষেপণ করা হচ্ছিল, তেমনি হবে। আর স্মল স্যাটেলাইট লঞ্চিং ভেহিক্যালসগুলি উৎক্ষেপণ করা হবে নয়া ওই উৎক্ষেপণ কেন্দ্র থেকে। রাজ্যসভায় একটি লিখিত বিবৃতিতে এ কথা জানিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিংহ।

    শেষের পথে জমি অধিগ্রহণের কাজ

    মহাকাশ গবেষণায় ব্যাপক উন্নতি করেছে ভারত। তাই বিশ্বে বাড়ছে ভারতের কদর। তাই ঠিক হয়েছে, কুলাসেকারাপত্তিনামে যে নয়া উৎক্ষেপণ কেন্দ্রটি (New Spaceport) গড়ে উঠবে, সেখানে বেসরকারি মহাকাশ কোম্পানিগুলিকেও উৎক্ষেপণ করতে দেওয়া হবে। এই কোম্পানিগুলি কক্ষপথে ছোট উপগ্রহ পাঠায়। ইসরোর চেয়ারম্যান এ সোমনাথ জানিয়েছেন,  কুলাসেকারাপত্তিনামে ইসরো যে নয়া লঞ্চপ্যাড তৈরি করছে, সেটা হচ্ছে থুথুকুড়ি জেলায় তামিলনাড়ু উপকূল বরাবর। ২ হাজার একর জমিতে গড়ে উঠবে এই লঞ্চপ্যাড। এর মধ্যে ইতিমধ্যেই তামিলনাড়ু সরকার ইসরোকে ৯৯ শতাংশ জমি হস্তান্তর করেছে। ইসরো কর্তা বলেন, “নির্মাণ কাজ শেষ হওয়ার পরে লঞ্চপ্যাডটি পুরোপুরি কাজ শুরু করতে অন্তত দু বছর লাগবে। যাইহোক, আমরা সেখান থেকে সাব-অর্বিটাল উৎক্ষেপণ করতে সক্ষম হব।”

    আরও পড়ুুন: তৃণমূলের প্রাক্তন বিধায়ক যোগ দিলেন বিজেপিতে, ধূপগুড়িতে বড়সড় ধাক্কা খেল শাসকদল

    জানা গিয়েছে, নয়া লঞ্চপ্যাডটি (New Spaceport) যে অঞ্চলে গড়ে উঠছে, সেই এলাকায় স্পেস ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্ক গড়ে তুলতে চাইছে তামিলনাড়ু সরকার। অগ্নিকুল কসমসের সহ প্রতিষ্ঠাতা শ্রীনাথ রবিচন্দরণ বলেছিলেন, “ছোট ছোট স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের জন্য কুলাসেকারাপত্তিনাম খুব সুন্দর জায়গা। নিয়ম হল, আপনি যদি অরবিটে থাকেন, তাহলে আপনি একটি এলাকার ওপর দিয়ে উড়তে পারবেন না। কিন্তু আপনি যদি আন্টার্টিকার ওপর দিয়ে উড়ে যান, তাহলে বুঝতে হবে আপনি অরবিটে রয়েছেন।” ছোট স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ করতে একটি কার্গো ট্রাক এবং চারটি ক্যারাভান লাগে বলেও জানান তিনি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • Aditya-L1: “আদিত্য এল ওয়ান” নির্মাণে বিশেষ ভুমিকা রয়েছে রাণীগঞ্জের কৃতি সন্তান সানি মিত্রের

    Aditya-L1: “আদিত্য এল ওয়ান” নির্মাণে বিশেষ ভুমিকা রয়েছে রাণীগঞ্জের কৃতি সন্তান সানি মিত্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইসরোর মিশন সূর্যের আদিত্য এল ওয়ান (Aditya-L1) প্রযুক্তির টিমে বিশেষ কৃতিত্ব রেখেছেন রাণীগঞ্জের বাঙালি সন্তান সানি মিত্র। কয়েকদিন আগেই চন্দ্রযান ৩ এর মতন মিশনে কাজ করে সুনাম অর্জন করে ছিলেন পশ্চিম বর্ধমানের এই বাঙালি যুবক। সূর্যের গগন অভিযানে এই বাঙালী যুবকের ভূমিকায় জেলাবাসী আপ্লুত।

    সৌরযান আদিত্য এল ওয়ান (Aditya-L1)

    চন্দ্রযান ৩ মিশনের মতন সূর্যের আদিত্য এল ওয়ানেও (Aditya-L1) বিশেষ প্রযুক্তির কাজ করছেন রাণীগঞ্জের বাঙালি সন্তান সানি মিত্র। শনিবার সকাল ১১ বেজে ৫০ মিনিটে অন্ধ্র প্রদেশের শ্রী হরিকোটা থেকে সফল ভাবে উৎক্ষেপণ করা হয়েছে আদিত্য এল ওয়ান। ইসরো থেকে জানানো হয়েছে, ল্যাগ্রেঞ্জ পয়েন্টে এল ওয়ানে অবস্থান করবে এই সৌরযান। এই সৌরযানের অবস্থান বিন্দু দাঁড়াবে পৃথিবী থেকে প্রায় ১.৫ মিলিয়ন কিলোমিটার দূরত্বে। এই বিষয়ে ইসরোর মহানির্দেশক এস সোমনাথন্‌ বলেন, এই সৌরযান সঠিক ব্যাসার্ধে পৌঁছাতে সময় লাগবে মোট ১২৫ দিন। সূর্যের বাইরে যে বায়ুমণ্ডল রয়েছে, তাঁর উপর বিশেষ সংবাদ দেবে এই আদিত্য এল ওয়ান। সৌরমণ্ডলের আরও অজানা তথ্য যেমন সূর্যের রশ্মি, ওজন স্তর সম্পর্কে বিশেষ ভাবে জানতে সাহায্য করবে এই সৌরযান।

    রাণীগঞ্জের বিজ্ঞানী সানি মিত্র

    সানি মিত্র ইতিমধ্যেই ইসরোতে চন্দ্রযান ৩ এর মধ্যে বিকাশ ইঞ্জিনের বিভাগে কাজ করেছেন। এবার সৌরযানেও তাঁর বিশেষ কৃতিত্ব রয়েছে। সৌরযানেও (Aditya-L1) সানি মিত্র বিকাশ ইঞ্জিন বিভাগে কাজ করছেন। সানির পড়াশুনা মূলত দুর্গাপুরে। ইংরেজি মাধ্যমের একটি বেসরকারি স্কুলে পড়াশুনা করতেন সানি। এরপর মাধ্যমিক, উচ্চমাধ্যমিক পাশ করে খড়গপুর আইআইটিতে মেকানিক্যাল ইঞ্জিনারিং বিভাগে ভর্তি হন। সেখান থেকে স্নাতক এবং স্নতকোত্তর পাশ করেন। এরপর ২০১৮ সালে ইসরোতে যোগদান করেন তিনি। তাঁর কৃতিত্বে বাংলার মুকুটে আরেক পালক সংযোজন হল বলে মনে করছেন জেলাবাসী।    

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • PM Narendra Modi: ‘আদিত্য-এল১’ এর সফল উৎক্ষেপণে ইসরোকে অভিনন্দন প্রধানমন্ত্রী, অমিত শাহের

    PM Narendra Modi: ‘আদিত্য-এল১’ এর সফল উৎক্ষেপণে ইসরোকে অভিনন্দন প্রধানমন্ত্রী, অমিত শাহের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের প্রথম সূর্য মিশন ‘আদিত্য-এল১’ উপগ্রহের সফল উৎক্ষেপণের জন্য ভারতীয় গবেষণা সংস্থা ইসরোকে অভিনন্দন জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

    ‘‘আমাদের নিরলস বৈজ্ঞানিক প্রচেষ্টা চলবে’’

    মহাকাশে ‘আদিত্য-এল১’ তার নির্দিষ্ট কক্ষপথে পৌঁছনোর পরই, ইসরোর বিজ্ঞানীদের অভিনন্দন জানান প্রধানমন্ত্রী। ট্যুইটারে (অধুনা এক্স) তিনি লেখেন, ‘‘চন্দ্রযান ৩-এর সাফল্যের পর ভারত তার মহাকাশ যাত্রা জারি রেখেছে। ভারতের প্রথম সৌর মিশন ‘আদিত্য-এল১’-এর সফল উৎক্ষেপণের জন্য ইসরোর সকল বিজ্ঞানী ও ইঞ্জিনিয়ারদের অভিনন্দন।’’ প্রধানমন্ত্রী আরও লেখেন, ‘‘ সমগ্র মানব সভ্যতার কল্যাণের জন্য বিশ্বব্রহ্মাণ্ডকে আরও ভালো করে বুঝতে আমাদের নিরলস বৈজ্ঞানিক প্রচেষ্টা চলবে।’’

    অভিনন্দন বার্তা পাঠিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। রায়পুরে একটি সভায় তিনি বলেন, ‘‘মিশন আদিত্যর সফল উৎক্ষেপণের জন্য আমি সকলকে অভিনন্দন জানাচ্ছি।’’

    অভিনন্দন জানানো হয়েছে বিজেপির তরফেও। দলের অফিসিয়াল ট্যুইটার হ্যান্ডলে তারা লিখেছে, ‘‘ভারতের প্রথম সূর্যাভিযান আদিত্য-এল১-এর সফল উৎক্ষেপণের জন্য ইসরোকে অভিনন্দন।’’

    শনিবার মহাকাশে সফলভাবে পাড়ি দিয়েছে ‘আদিত্য-এল১’। এদিন, সকাল ১১টা ৫০ মিনিট নাগাদ শ্রীহরিকোটার সতীশ ধওয়ান স্পেস সেন্টার থেকে পিএসএলভি-সি৫৭ রকেটে চেপে মহাকাশে পাড়ি দেয় ১৫০০ কেজি ওজনের ‘আদিত্য-এল১’ (ISRO Aditya-L1 Mission)। উৎক্ষেপণের ৬৩ মিনিট পর ইসরোর তরফে জানিয়ে দেওয়া হয়, নির্দিষ্ট কক্ষপথে স্থাপিত করা হয়েছে ‘আদিত্য-এল১’ (Aditya-L1 Launch) উপগ্রহকে। ইসরো জানিয়েছে, প্রায় ১৬ দিন পৃথিবীর চারিদিকে চক্কর কাটবে ‘আদিত্য-এল১’ (ISRO Aditya-L1 Mission)। এই ভাবে ১৬ দিনে সূর্যের দিকে পাড়ি দেওয়ার জন্য পাঁচটি ধাপে নিজের উপযুক্ত গতিবেগ অর্জন করবে। এর পর লিক্যুইড অ্যাপোজি মোটরে ভর করে ‘হেলো অরবিট ল্যাগ্রাঞ্জ পয়েন্ট’-এর দিকে যাত্রা করবে ‘আদিত্য-এল১’। ১১০ দিনের সেই যাত্রা শেষ করে একটি নির্দিষ্ট দূরত্বে দাঁড়িয়ে সূর্যকে পর্যবেক্ষণ করবে ‘আদিত্য-এল১’। চূড়ান্ত গন্তব্য হলো পৃথিবী থেকে তার দূরত্ব ১৫ লক্ষ কিলোমিটার দূরে একটি জায়গা যার নাম ল্যাগ্রাঞ্জিয়ান পয়েন্ট-১ পয়েন্ট বা এল-১। এখানে সূর্য এবং পৃথিবীর আকর্ষণ এবং বিকর্ষণ বল একসঙ্গে ক্রিয়াশীল। ফলত, উপগ্রহটি একটি জায়গায় স্থির হয়ে থাকতে পারবে এবং সর্বক্ষণ সূর্যের বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা করবে। আপাতত চার মাসের অপেক্ষা। তার পর আরেকটি ইতিহাস তৈরি হবে।

    এদিন সফল উৎক্ষেপণের পর বক্তব্য রাখতে গিয়ে ইসরো প্রধান এস সোমনাথ বলেন, এখান থেকে এল১ পয়েন্টে যাওয়ার যাত্রা শুরু হলো। সামনে এক দীর্ঘ যাত্রা। প্রায় ১২৫ দিনের। আসুন সকলে মিলে ‘আদিত্য-এল১’-কে এই সফরের জন্য শুভেচ্ছা জানাই। 

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Aditya-L1 Launch: নতুন অধ্যায়ের সূচনা ইসরোর! সূর্য-রহস্য উন্মোচনে মহাকাশে পাড়ি দিল ‘আদিত্য-এল১’

    Aditya-L1 Launch: নতুন অধ্যায়ের সূচনা ইসরোর! সূর্য-রহস্য উন্মোচনে মহাকাশে পাড়ি দিল ‘আদিত্য-এল১’

     মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অপেক্ষার অবসান। এলো সেই মাহেন্দ্রক্ষণ। সেই সঙ্গে সৃষ্টি হলো নতুন অধ্যায়ের। আরও একটা গর্বের মুহূর্তের সাক্ষী থাকলো দেশবাসী। সূর্যের দিকে পাড়ি দিল ইসরোর প্রথম সোলার মিশন ‘আদিত্য-এল১’ (Aditya-L1 Launch)। উৎক্ষেপণের ৬৩ মিনিট পর ঘোষণা করা হয় যে, উপগ্রহকে নির্দিষ্ট কক্ষপথে স্থাপন করা হয়েছে। ইসরোর সকল সোশ্যাল মিডিয়া সাইটে (ফেসবুক, এক্স, ইনস্টাগ্রাম, ইউটিউব, ওয়েবসাইট) ১১টা ২০ মিনিট থেকেই উৎক্ষেপণের লাইভ সম্প্রচার করা হয়েছিল।

     

     

    শনিবার ঘড়ির কাঁটা অনুযায়ী, ঠিক ১১টা ৫০ মিনিটে শ্রীহরিকোটার সতীশ ধওয়ান স্পেস সেন্টার থেকে পিএসএলভি-সি৫৭ রকেটে চেপে মহাকাশে পাড়ি দেয় ১৫০০ কেজি ওজনের ‘আদিত্য-এল১’ (ISRO Aditya-L1 Mission)। এখন চার মাসের অপেক্ষা। নির্দিষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছে নিজের কাজ শুরু কররে ইসরোর সোলার মিশন। তখন আরেকটা ইতিহাস তৈরি করবে ভারত ও তার মহাকাশ গবেষণা সংস্থা।

    পিএসএলভি-সি৫৭ রকেটে ভরসা ইসরোর

    ‘আদিত্য-এল১’-কে মহাকাশে নিয়ে যাওয়ার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল ভারতের সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য পোলার স্যাটেলাইট লঞ্চ ভেহিকল বা পিএসএলভি রকেটের ওপর। সেই অনুযায়ী, এদিন ১৪৮০ কেজি ওজনের ‘আদিত্য-এল১’ (Aditya-L1 Launch) উপগ্রহকে সঙ্গে নিয়ে মহাকাশে পাড়ি দেয় পিএসএলভি-সি৫৭। পূর্ব-নির্ধারিত সময় অনুযায়ী, ১১টা ৫০ মিনিটে মহাকাশে পথে যাত্রা শুরু হয়। 

    প্রাথমিক লক্ষ্য, ‘আদিত্য-এল১’ উপগ্রহকে পৃথিবী থেকে ২৩৫ (পেরিজি-পৃথিবী থেকে নিকটে) x ১৯,৫০০ (অ্যাপোজি-পৃথিবী থেকে দূরে) কিলোমিটার উচ্চতার ডিম্বাকৃতি কক্ষপথে পৌঁছে দেওয়া। ইসরো জানিয়েছে, চন্দ্রযানের মতোই, উৎক্ষেপণের পর প্রায় ১৬ দিন পৃথিবীর চারিদিকে চক্কর কাটবে ‘আদিত্য-এল১’ (ISRO Aditya-L1 Mission)। এই ভাবে ১৬ দিনে সূর্যের দিকে পাড়ি দেওয়ার জন্য পাঁচটি ধাপে নিজের উপযুক্ত গতিবেগ অর্জন করবে। এর পর লিক্যুইড অ্যাপোজি মোটরে ভর করে ‘হেলো অরবিট ল্যাগ্রাঞ্জ পয়েন্ট’-এর দিকে যাত্রা করবে ‘আদিত্য-এল১’। ১১০ দিনের সেই যাত্রা শেষ করে একটি নির্দিষ্ট দূরত্বে দাঁড়িয়ে সূর্যকে পর্যবেক্ষণ করবে ‘আদিত্য-এল১’।

     

     

    ‘আদিত্য-এল১’ কি সূর্যে যাচ্ছে? 

    ইসরো জানিয়েছে, ‘আদিত্য-এল১’ (Aditya-L1 Launch) কখনই সূর্যে যাচ্ছে না। এমনকী, নাসার পাঠানো পার্কার সোলার প্রোব-এর মতো ‘আদিত্য-এল১’ সূর্যের এত কাছাকাছিও যাবে না। এটি একটি নির্দিষ্ট দূরত্ব থেকে নজর রাখবে ও গবেষণা চালাবে। এটি হতে চলেছে ভারতের প্রথম স্পেস বেসড্ সোলার অবজারভেটরি হতে চলেছে। অর্থাৎ মহাকাশে স্থাপিত ভারতের প্রথম সূর্য পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র। সহজ ভাষায়, এটি একটি উপগ্রহ যা সূর্য-পর্যবেক্ষণ করবে। ইসরো জানিয়েছে, ‘আদিত্য-এল১’ (ISRO Aditya-L1 Mission) পৃথিবী ও সূর্যের মধ্যবর্তী একটি অঞ্চল পর্যন্তই যাবে। যে বিন্দুকে বলা হচ্ছে ল্যাগ্রাঞ্জিয়ান পয়েন্ট-১ পয়েন্ট বা এল-১। যেখানে ‘আদিত্য-এল১’ পৌঁছবে, পৃথিবী থেকে তার দূরত্ব ১৫ লক্ষ কিলোমিটার (যা, পৃথিবী ও সূর্যের মধ্যে দূরত্বের ১ শতাংশ মাত্র বা ১০০ ভাগের এক ভাগ)। এই বিন্দুতে, এখানে সূর্য এবং পৃথিবীর আকর্ষণ এবং বিকর্ষণ বল একসঙ্গে ক্রিয়াশীল। ফলত, উপগ্রহটি একটি জায়গায় স্থির হয়ে থাকতে পারবে।

    এই মিশনের লক্ষ্য কী?

    ‘আদিত্য-এল১’ মিশনের মূল লক্ষ্য হলো, এই মহাকাশযানটি সূর্যের নানা রহস্য উন্মোচন করবে। ‘আদিত্য-এল১’ (Aditya-L1 Launch) উপগ্রহ মোট সাতটি পেলোড নিয়ে মহাকাশে যাবে। তার মধ্যে চারটি সূর্যের আলো পর্যবেক্ষণ করবে। বাকি তিনটি প্লাজমা ও ম্যাগনেটিক ফিল্ড পর্যবেক্ষণ করবে। মহাকাশের পরিবেশ, আবহাওয়া, তার উপর সূর্যের কী প্রভাব পড়ে, সে সব জানার চেষ্টা করবে ‘আদিত্য-এল১’ (ISRO Aditya-L1 Mission)। সূর্যের করোনা ও ফোটোস্পিয়ার, ক্রোমোস্পিয়ারের পর্যবেক্ষণ করবে বিভিন্ন ওয়েভব্যান্ড থেকে। সূর্যের উত্তাপ, সৌর পদার্থের নিঃসরণ, সৌরঝড়ের মতো সূর্যকেন্দ্রিক বিষয়গুলি বুঝতেও বিজ্ঞানীদের সাহায্য করবে। 

    প্রতি মিনিটে একটি করে ছবি তুলবে সোলার ক্যামেরা

    সূর্য গ্রহণ, সৌরঝড়, সূর্যের নানা অবস্থান পর্যবেক্ষণ করে কাছ থেকে ছবি তুলে ইসরোকে পাঠাবে ‘আদিত্য-এল১’ (Aditya-L1 Launch)। এই ছবি পাঠানোর কাজ করবে ভিসিবল এমিশন লাইন করোনাগ্রাফি(ভিইএলসি) এবং সোলার আল্ট্রাভায়োলেট ইমেজিং টেলিস্কোপ (এসএউআইটি) নামে দু’টি মূল পেলোড। ইসরো জানিয়েছে, সমস্ত যন্ত্র সঠিকভাবে কাজ করলে, ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি থেকে ‘আদিত্য-এল১’ (ISRO Aditya-L1 Mission) প্রতিদিন ১৪৪০টি করে সূর্যের ছবি পাঠাবে। অর্থাৎ, প্রতি মিনিটে একটি করে ছবি তুলবে ভিইএলসি। ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব অ্যাস্ট্রোফিজিক্সের তথ্য অনুযায়ী, ১৯০ কেজির ভিইএলসি পেলোড আগামী পাঁচ বছর ধরে ছবি পাঠাবে। এটি উপগ্রহের ন্যূনতম আয়ু।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Aditya-L1 Launch: আর কিছুক্ষণের অপেক্ষা, তারপরই সূর্যে পাড়ি দেবে ‘আদিত্য-এল১’

    Aditya-L1 Launch: আর কিছুক্ষণের অপেক্ষা, তারপরই সূর্যে পাড়ি দেবে ‘আদিত্য-এল১’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরও এক মাহেন্দ্রক্ষণের প্রহর গুণছে ইসরো। আরও গর্বের মুহূর্তের জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষায় দেশবাসী। আর কিছুক্ষণের মধ্যেই, আজই সূর্যের দেশে পাড়ি দিচ্ছে ইসরোর প্রথম সোলার মিশন ‘আদিত্য-এল১’ (Aditya-L1 Launch)।

    আর কিছুক্ষণের মধ্যেই উৎক্ষেপণ

    আজ সকাল ১১টা ৫০ মিনিট নাগাদ শ্রীহরিকোটার সতীশ ধওয়ান স্পেস সেন্টার থেকে ভারতের সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য পোলার স্যাটেলাইট লঞ্চ ভেহিকল বা পিএসএলভি-সি৫৭ রকেটে চেপে মহাকাশে পাড়ি দেবে ১৪৮০ কেজি ওজনের ‘আদিত্য-এল১’ (Aditya-L1 Launch)। রকেট তাকে পৌঁছে দেবে ২৩৫ x ১৯,৫০০ কিলোমিটার পরিধির পৃথিবীর কক্ষপথে। ইসরো জানিয়েছে, চন্দ্রযানের মতোই, উৎক্ষেপণের পর প্রায় ১৬ দিন পৃথিবীর চারিদিকে চক্কর কাটবে ‘আদিত্য-এল১’ (ISRO Aditya-L1 Mission)। এই ভাবে ১৬ দিনে সূর্যের দিকে পাড়ি দেওয়ার জন্য পাঁচটি ধাপে নিজের উপযুক্ত গতিবেগ অর্জন করবে। এর পর ‘হালো অরবিট ল্যাগ্রাঞ্জ পয়েন্ট’-এর দিকে যাত্রা করবে ‘আদিত্য-এল১’। ১১০ দিনের সেই যাত্রা শেষ করে একটি নির্দিষ্ট দূরত্বে দাঁড়িয়ে সূর্যকে পর্যবেক্ষণ করবে ‘আদিত্য-এল১’।

     

     

    ‘আদিত্য-এল১’ কি সূর্যে যাচ্ছে?

    ইসরো জানিয়েছে, ‘আদিত্য-এল১’ (Aditya-L1 Launch) কখনই সূর্যে যাচ্ছে না। অর্থাৎ, নাসার পাঠানো পার্কার সোলার প্রোব-এর মতো ‘আদিত্য-এল১’ কোনও সোলার প্রোব নয়। এটি ভারতের প্রথম স্পেস বেসড্ সোলার অবজারভেটরি হতে চলেছে। অর্থাৎ মহাকাশে স্থাপিত সূর্য পর্যবেক্ষ কেন্দ্র। বা বলা ভালো, এটি একটি উপগ্রহ। ইসরো জানিয়েছে, ‘আদিত্য-এল১’ (ISRO Aditya-L1 Mission) পৃথিবী ও সূর্যের মধ্যবর্তী একটি অঞ্চল পর্যন্তই যাবে। যে বিন্দুকে বলা হচ্ছে ল্যাগ্রাঞ্জ-১ পয়েন্ট বা এল-১। যেখানে ‘আদিত্য-এল১’ পৌঁছবে, পৃথিবী থেকে তার দূরত্ব ১৫ লক্ষ কিলোমিটার (যা, পৃথিবী ও সূর্যের মধ্যে দূরত্বের ১ শতাংশ মাত্র)। এই বিন্দুতে, এখানে সূর্য এবং পৃথিবীর আকর্ষণ এবং বিকর্ষণ বল একসঙ্গে ক্রিয়াশীল। ফলত, উপগ্রহটি একটি জায়গায় স্থির হয়ে থাকতে পারবে।

    এই মিশনের লক্ষ্য কী?

    ‘আদিত্য-এল১’ মিশনের মূল লক্ষ্য হলো, এই মহাকাশযানটি সূর্যের নানা রহস্য উন্মোচন করবে। ‘আদিত্য-এল১’ (Aditya-L1 Launch) উপগ্রহ মোট সাতটি পেলোড নিয়ে মহাকাশে যাবে। তার মধ্যে চারটি সূর্যের আলো পর্যবেক্ষণ করবে। বাকি তিনটি প্লাজমা ও ম্যাগনেটিক ফিল্ড পর্যবেক্ষণ করবে। মহাকাশের পরিবেশ, আবহাওয়া, তার উপর সূর্যের কী প্রভাব পড়ে, সে সব জানার চেষ্টা করবে ‘আদিত্য-এল১’ (ISRO Aditya-L1 Mission)। সূর্যের করোনা ও ফোটোস্পিয়ার, ক্রোমোস্পিয়ারের পর্যবেক্ষণ করবে বিভিন্ন ওয়েভব্যান্ড থেকে। সূর্যের উত্তাপ, সৌর পদার্থের নিঃসরণ, সৌরঝড়ের মতো সূর্যকেন্দ্রিক বিষয়গুলি বুঝতেও বিজ্ঞানীদের সাহায্য করবে। 

    প্রতি মিনিটে একটি করে ছবি তুলবে সোলার ক্যামেরা

    সূর্য গ্রহণ, সৌরঝড়, সূর্যের নানা অবস্থান পর্যবেক্ষণ করে কাছ থেকে ছবি তুলে ইসরোকে পাঠাবে ‘আদিত্য-এল১’ (Aditya-L1 Launch)। এই ছবি পাঠানোর কাজ করবে ভিসিবল এমিশন লাইন করোনাগ্রাফি(ভিইএলসি) এবং সোলার আল্ট্রাভায়োলেট ইমেজিং টেলিস্কোপ (এসএউআইটি) নামে দু’টি মূল পেলোড। ইসরো জানিয়েছে, সমস্ত যন্ত্র সঠিকভাবে কাজ করলে, ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি থেকে ‘আদিত্য-এল১’ (ISRO Aditya-L1 Mission) প্রতিদিন ১৪৪০টি করে সূর্যের ছবি পাঠাবে। অর্থাৎ, প্রতি মিনিটে একটি করে ছবি তুলবে ভিইএলসি। ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব অ্যাস্ট্রোফিজিক্সের তথ্য অনুযায়ী, ১৯০ কেজির ভিইএলসি পেলোড আগামী পাঁচ বছর ধরে ছবি পাঠাবে। এটি উপগ্রহের ন্যূনতম আয়ু।

    কোথায়, কখন সরাসরি সম্প্রচার?

    ইসরো জানিয়েছে, শনিবার সকাল ১১টা ২০ মিনিট থেকেই এই ‘আদিত্য-এল১’ (Aditya-L1 Launch) উৎক্ষেপণের সম্প্রচার শুরু হবে। সরাসরি দেখতে পাওয়া যাবে ঘরে বসেই। ইসরোর সমস্ত সোশ্যাল মিডিয়া সাইটে (ফেসবুক, এক্স, ইনস্টাগ্রাম, ইউটিউব, ওয়েবসাইট) দেখা যাবে উৎক্ষেপণের লাইভ সম্প্রচার।

     

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share