Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • PM Modi: “শান্তির মাধ্যমেই সমাধানের পথ খুঁজতে হবে”, মণিপুর প্রসঙ্গে বললেন প্রধানমন্ত্রী

    PM Modi: “শান্তির মাধ্যমেই সমাধানের পথ খুঁজতে হবে”, মণিপুর প্রসঙ্গে বললেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানেও প্রধানমন্ত্রীর (PM Modi) মুখে উঠে এল মণিপুর প্রসঙ্গ। মঙ্গলবার স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে লালকেল্লায় ভাষণ দিচ্ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। মণিপুর প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “দেশের উত্তরপূর্ব, বিশেষ করে মণিপুরে বিগত কয়েক দিন ধরে হিংসা হয়েছে। সেখানে মা-বোনদের সম্মানহানি হয়েছে। তবে কয়েকদিন ধরে সেখানে শান্তি ফিরেছে। রাজ্য ও কেন্দ্রীয় সরকার শান্তি বজায় রাখার জন্য এবং সেখানকার সমস্যা মেটাতে এক সঙ্গে কাজ করবে। দেশবাসী মণিপুরের পাশে রয়েছে। শান্তির মাধ্যমেই সমাধানের পথ খুঁজতে হবে।”

    শান্তিতেই সমাধানের পথ 

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “দেশ ওঁদের পাশে রয়েছে এবং থাকবে। গোটা দেশ মণিপুরের পাশে দাঁড়িয়েছে। আমরা ওখানে (মণিপুরে) শান্তিপূর্ণ সমাধানের রাস্তা বের করব। আপনাদের আবেদন মণিপুরে শান্তি বজায় রাখুন। শান্তিতেই সমাধানের পথ বের হবে।” মণিপুরের (PM Modi) ঘটনা যে লজ্জাজনক, বাদল অধিবেশনেও লোকসভায় সেকথা বলেছিলেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেছিলেন, “এই ঘটনায় গোটা দেশের মাথা নত হচ্ছে। মণিপুরে মা-বোনদের অসম্মান যারা করেছে, তারা রেহাই পাবে না। মহিলাদের ওপর অত্যাচারের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ করা হবে। আমি দেশের সমস্ত মুখ্যমন্ত্রীর কাছে আবেদন জানাব, তাঁরা যেন রাজ্যে রাজ্যে আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখেন।”

    ‘মণিপুরে শান্তি ফিরে আসবেই’

    প্রধানমন্ত্রী এও বলেছিলেন, “অপরাধীকে কঠিনতম শাস্তি দেওয়ার জন্য রাজ্য ও কেন্দ্রীয় সরকার উভয়েই যা কিছু সম্ভব, তা করেছে। আমি মানুষকে আশ্বস্ত করতে চাই যে আগামী সময় মণিপুরে শান্তি ফিরে আসবেই। আমি মহিলা ও মণিপুরের কন্যা-সহ রাজ্যের সমস্ত মানুষকে বলতে চাই যে দেশ আপনাদের সঙ্গে রয়েছে।” 

    আরও পড়ুুন: রাষ্ট্রপতির শুভেচ্ছা বার্তায় মাতঙ্গিনী হাজরা ও কনকলতা বড়ুয়ার নাম, জানুন তাঁদের ইতিহাস

    প্রসঙ্গত, মেইতেই ও কুকিদের সংঘর্ষের জেরে অশান্তির আগুন লাগে চিত্রাঙ্গদার দেশ মণিপুরে। তফশিলি জাতির মর্যাদা দেওয়ার (PM Modi) দাবি দীর্ঘদিন ধরেই জানিয়ে আসছিলেন মেইতেইরা। তার জেরেই ৩ মে শুরু হয় সংঘর্ষ। পুড়ে খাক হয়ে গিয়েছে বহু বাড়ি। মৃত্যুও হয়েছে শতাধিক মানুষের। জখমও হয়েছেন বহু মানুষ। ভাঙচুর, লুটপাটের মতো ঘটনাও ঘটেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে মোতায়েন করা হয় কেন্দ্রীয় বাহিনী। তার পরেই ধীরে ধীরে আয়ত্ত্বে আসে পরিস্থিতি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

  • Ro Khanna: মন্দিরে খলিস্তানি হামলার নিন্দা করলেন মার্কিন কংগ্রেসের সদস্য রো খান্না

    Ro Khanna: মন্দিরে খলিস্তানি হামলার নিন্দা করলেন মার্কিন কংগ্রেসের সদস্য রো খান্না

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সান ফ্রান্সিসকোতে ভারতীয় কনস্যুলেটে এবং কানাডায় হিন্দু মন্দিরে খলিস্তানি হামলার নিন্দা করলেন আমেরিকার কংগ্রেসের ভারতীয় বংশোদ্ভূত সদস্য রো খন্না। তিনি বলেন, “কোনও ধর্মস্থানে হিংসা কাম্য নয়। সমস্যা থাকলে আলোচনা হোক। কিন্তু পাঞ্জাব ভারতের অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ। এর কোনও অন্যথা হবে না।”

    শাস্তিযোগ্য অপরাধ

    প্রসঙ্গত, খান্নার দাদু অমরনাথ বিদ্যালঙ্কার বিশিষ্ট স্বাধীনতা সংগ্রামী ছিলেন। পরবর্তী সময়ে তিনি পাঞ্জাব সরকারের মন্ত্রী এবং লোকসভার সাংসদও হয়েছিলেন। ক্যালিফোর্নিয়া থেকে আমেরিকার কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ হাউস অফ রিপ্রেজেনটেটিভসে নির্বাচিত খান্না ভারতীয় বংশোদ্ভূত সমাজের অন্যতম জনপ্রিয় নেতা। ১৫ আগাস্ট স্বাধীনতা দিবসে লাল কেল্লার অনুষ্ঠানে বিশিষ্ট অতিথি হিসেবে ভারতে এসেছেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির জাতির উদ্দেশে ভাষণ শুনবেন তিনি। এদিন সানফ্রান্সিসকোর ঘটনার কড়া নিন্দা করেছেন রো খান্না। তিনি বলেন, “আমরা যে কোনও রকমের হিংসা ও ধ্বংসাত্মক কার্যকলাপের তীব্র বিরোধী। হিন্দু মন্দিরের উপর হামলা শাস্তিযোগ্য অপরাধ।”

    আরও পড়ুন: চাঁদেও ট্রাফিক জ্যাম! চন্দ্রযান-৩ ছাড়াও কক্ষপথে একাধিক স্যাটেলাইট

    শনিবার ফের খালিস্তানি জঙ্গিদের আক্রমণে উত্তাল হয়ে উঠেছিল কানাডা। ব্রিটিশ কলম্বিয়ায় ভারত-বিরোধী (Anti India) এবং খালিস্তানি (Pro Khalistani) বিক্ষোভকারীরা ব্যাপকভাবে ভাঙচুর চালালো একটি হিন্দু মন্দিরে। তাণ্ডবের পর লক্ষ্মী নারায়ণ মন্দিরের সামনের দরজায় খালিস্তান পন্থীদের বিতর্কিত পোস্টারও সাঁটিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। মন্দিরটির সামনের সিসি ক্যামেরার ফুটেজ থেকে পাগড়ি বাঁধা এবং চাদরে মুখ ঢাকা দুই ব্যক্তিকে ওই পোস্টার সাঁটাতে দেখা গিয়েছে। 

    আমেরিকার পাশাপাশি কানাডার খালিস্তানপন্থীদের নিয়েও ক্রমশ উদ্বেগ বাড়ছে কেন্দ্র সরকারের। ইতিমধ্যেই ‘কিল ইন্ডিয়া’ নামে পোস্টার পড়েছে কানাডায়। পোস্টারে ভারতীয় হাই কমিশনার সঞ্জয় কুমার বর্মা ও টরোন্টোর ভারতীয় কনসাল জেনারেল অপূর্ব শ্রীবাস্তবের ছবি রয়েছে।গত মাসে ব্রিটিশ কলম্বিয়ায় একটি গুরুদ্বারের সামনে দুষ্কৃতীদের গুলিতে খুন হন মোস্ট ওয়ান্টেড জঙ্গি তথা খলিস্তান টাইগার ফোর্সের প্রধান হরদীপ সিং নিজ্জর। এর পর থেকেই টরোন্টো ও ভ্যাঙ্কুভারের মতো কানাডার প্রায় সমস্ত শহরে ভারতীয় দূতাবাসের সামনে বিক্ষোভ দেখায় খালিস্তানপন্থীরা। এই দূতাবাসগুলিতেও হামলা হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে নয়াদিল্লি।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • India-China Border: রিপোর্ট ঘিরে চাঞ্চল্য! গালওয়ান সংঘর্ষের পর পূর্ব লাদাখে ৬৮ হাজারের বেশি জওয়ান 

    India-China Border: রিপোর্ট ঘিরে চাঞ্চল্য! গালওয়ান সংঘর্ষের পর পূর্ব লাদাখে ৬৮ হাজারের বেশি জওয়ান 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গালওয়ান সংর্ঘষের পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ে চাঞ্চল্যকর রিপোর্ট প্রকাশ্যে এল। সেনাবাহিনী এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক সূত্রে খবর, ভারত-চিন (India-China Border) সেনা সংঘর্ষের পর যুদ্ধ প্রায় বেঁধে গিয়েছিল। ২০২০-র ১৫ জুন। গালওয়ান (Galwan) উপত্যকায় ভয়াবহ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে ভারত-চিন সেনা। জানা গেছে, অপ্রীতিকর পরিস্থিতি তৈরি হলে তার সামাল দেওয়ার জন্য ওই ঘটনার পর রাতারাতি নিরাপত্তা বাড়িয়ে দেওয়া হয় প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর। ৬৮ হাজারের বেশি সেনা জওয়ান, প্রায় ৯০টি ট্যাঙ্ক এবং অন্যান্য অস্ত্রশস্ত্র রাতারাতি আকাশপথে উড়িয়ে নিয়ে যাওয়া হয় ভারতীয় বায়ুসেনার মাধ্যমে। তাঁদের পূর্ব লাদাখে মোতায়েন করা হয়। 

    ভারত-চিন বৈঠক

    ওই সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, খুব অল্প সময়ের মধ্যে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর ‘বিতর্কিত’ অংশে যুদ্ধাস্ত্র মজুত রাখা হয়েছে। ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধী ব্যবস্থাকেও প্রস্তুত রাখা হয়েছে। চিনের সঙ্গে সীমান্ত নিয়ে এখনও স্থির ঐকমত্যে পৌঁছতে পারেনি নয়াদিল্লি। এই আবহে সেনার এই পদক্ষেপ ঘিরে জল্পনা তৈরি হয়েছে। প্রসঙ্গত, পারস্পরিক আস্থার পরিবেশ ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে সোমবার বৈঠকে বসতে চলেছেন ভারত এবং চিনের শীর্ষ সেনা আধিকারিকেরা। সীমান্ত নিয়ে ১৯তম এই বৈঠকে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখায় বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হবে বলে সেনা সূত্রের খবর। ভারতের তরফে এই বৈঠকে নেতৃত্ব দেবেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল রশিম বালি।

    আরও পড়ুন: স্বাধীনতা দিবসে ‘সেলফি’! ১০,০০০ টাকা পুরস্কার, বড় পরিকল্পনা কেন্দ্রের

    বায়ুসেনার নজরদারি 

    রিপোর্টকে উদ্ধৃত করে সূত্রের খবর, নজরদারি হিসেবে বায়ুসেনার সু-৩০ এমকেআই এবং জাগুয়ার যুদ্ধবিমানকে ব্যবহার করা হয়েছিল। নজরদারি চালানোর পাশাপাশি গোয়েন্দা তথ্য সরবরাহের কাজ ছিল তাদের। রিপোর্ট অনুযায়ী, খুব অল্প সময়ের মধ্যে বাহিনী সহ অস্ত্রশস্ত্র পূর্ব লাদাখের নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর মজুত করা হয়েছিল। প্রতিবেশী দেশ আক্রমণ করলে যাতে উপযুক্ত জবাব দেওয়া যায়, তারজন্য সমস্ত ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়। সংঘর্ষের পরেও নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর উত্তেজনা থাকায়, ভারতীয় বায়ুসেনা চিনা কার্যকলাপের উপর বাজপাখি নজরদারি রাখার জন্য প্রচুর পরিমাণে দূরবর্তী পাইলট বিমান (আরপিএ) মোতায়েন করে। প্রকাশিত রিপোর্ট থেকে আরও জানা গেছে গেছে যে খুব অল্প সময়ের মধ্যে মোট ৯ হাজার টন ওজন বহন করেছিল বায়ুসেনার বিমানগুলি। নিয়ন্ত্রণরেখা থেকে ৫০ কিলোমিটারের মধ্যে লালফৌজের গতিবিধির উপর নজরদারি চালাতে মোতায়েন করা হয় মিগ এবং রাফাল যুদ্ধবিমান।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

  • Thane Hospital: থানের সরকারি হাসপাতালে ২৪ ঘণ্টায় ১৮ জন রোগীর মৃত্যু, তদন্তের নির্দেশ 

    Thane Hospital: থানের সরকারি হাসপাতালে ২৪ ঘণ্টায় ১৮ জন রোগীর মৃত্যু, তদন্তের নির্দেশ 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একই হাসপাতালে ২৪ ঘণ্টায় ১৮ জন রোগীর মৃত্যুর ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে মহারাষ্ট্রের থানের (Thane Hospital) ছত্রপতি শিবাজি মহারাজ হাসপাতালে। ইতিমধ্যে হাসপাতালের পরিকাঠামো নিয়ে অভিযোগ তুলেছে রোগীর পরিবারেরা। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এই মৃত্যুর ঘটনা স্বীকার করেছে। এ বিষয়ে হাসপাতালের ডিনকে দুদিনের মধ্যে রিপোর্ট দিতে বলেছেন মহারাষ্ট্রের স্বাস্থ্যমন্ত্রী তানজি সাওয়ান্ত। ঘটনায় তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী একনাথ শিন্ডে (CM Eknath Shinde)।

    হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দাবি

    হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দাবি, বেসরকারি হাসপাতাল থেকে অধিকাংশ রোগীকে এই হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। অনেকের বয়স ৮০-এর ঊর্ধ্বে। ফলে হাসপাতালের (Chhatrapati Shivaji Maharaj Hospital) ওপর চাপ বেড়েছে। মৃত রোগীদের সকলেই প্রাপ্তবয়স্ক। তাঁদের মধ্যে ১২ জনের বয়স ৫০ বছরের ঊর্ধ্বে। জানা গিয়েছে, হাসপাতালে ইন্টেন্সিভ কেয়ার ইউনিটে ১৩ জন, জেনারেল ওয়ার্ডের ৪ জন মারা গিয়েছে। মৃতদের মধ্যে ১০ জন মহিলা, ৮ জন পুরুষ। এঁদের মধ্যে ৬ জন থানে শহরের বাসিন্দা, ৪ জন কল্যাণ এলাকার, ৩ জন সাহাপুরের এবং ভিওয়ান্ডি, উলহাসনগর ও গোবান্দির একজন করে রয়েছেন। এছাড়া মৃত আরেক রোগী অন্য এলাকার বাসিন্দা এবং আরেকজনের পরিচয় পাওয়া যায়নি। মৃত রোগীদের কেউ কিডনির সমস্যা, কেউ ক্রনিক প্যারালাইসিস, কেউ আলসার, কেউ সেপ্টিসিমিয়া-সহ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত ছিলেন। আবার কেরোসিন পান করায় বিষক্রিয়ার জেরেও একজনের মৃত্যু হয়েছে বলে হাসপাতাল সূত্রে খবর।

    আরও পড়ুন: সোশ্যাল মিডিয়াতেও রাহুল গান্ধীকে জোর ধাক্কা মোদির, বলছে রিপোর্ট

    রাজনৈতিক টানাপড়েন

    এদিকে, এই মৃত্যুর ঘটনা নিয়েও রাজনৈতিক টানাপড়েন শুরু হয়েছে। এই হাসপাতাল থানে পৌরনিগমের অন্তর্গত। মুখ্যমন্ত্রী একনাথ শিন্ডের শিবসেনা গোষ্ঠী এই পুরনিগমের ক্ষমতায় রয়েছে। ফলে তাদের বিরুদ্ধে সরব হয়েছে উদ্ধব ঠাকরের শিবসেনা গোষ্ঠী। অন্যদিকে, ২৪ ঘণ্টায় ১৮ জন রোগীর মৃত্যুর ঘটনাটি ‘দুর্ভাগ্যজনক’ আখ্যা দিয়ে প্রশাসনের বিরুদ্ধেই তোপ দেগেছেন এনসিপি প্রধান শরদ পাওয়ার (Sharad Pawar)। গত কয়েক দিনে ৫ রোগীর মৃত্যুর পরেও ‘প্রশাসনের ঘুম ভাঙেনি’ বলে তোপ দেগেছেন তিনি। প্রশাসনের তরফে অবশ্য গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন থানের পুর কমিশনার অভিজিৎ ভাঙ্গার। তিনি জানান, মুখ্যমন্ত্রী একনাথ শিন্ডে স্বয়ং এই ঘটনার নজরদারি করছেন। স্বাস্থ্য কমিশনের নেতৃত্বে স্বতন্ত্র একটি তদন্ত কমিটি গঠিত হয়েছে। ওই কমিটিতে জেলা কালেক্টর, পুরপ্রধান, স্বাস্থ্য অধিকর্তা সহ মুম্বইয়ের জে.জে হাসপাতালের দুই চিকিৎসক রয়েছেন। আগামী ২ দিনের মধ্যে এই তদন্ত কমিটিকে রিপোর্ট জমা দিতে বলা হয়েছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Manipur Violence: মণিপুর হিংসায় আরও ন’টি মামলার তদন্তভার সিবিআইয়ের হাতে, সব মিলিয়ে কত জানেন?

    Manipur Violence: মণিপুর হিংসায় আরও ন’টি মামলার তদন্তভার সিবিআইয়ের হাতে, সব মিলিয়ে কত জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মণিপুর হিংসায় (Manipur Violence) আরও ন’টি মামলার তদন্তভার বর্তাল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআইয়ের হাতে। সিবিআইয়ের আধিকারিকরা জানান, সব মিলিয়ে ১৭টি মামলার তদন্তভার পেল সিবিআই। তবে এই ১৭টি মামলায়ই সীমাবদ্ধ থাকবে না সিবিআই, আরও বেশ কয়েকটি মামলার তদন্তভারও পেতে পারে কেন্দ্রীয় এই তদন্তকারী সংস্থা। মহিলাদের প্রতি অপরাধ এবং যৌন নির্যাতনের ঘটনার তদন্তভারও দেওয়া হতে পারে সিবিআইকে। মণিপুরে সিবিআইয়ের হাতে যে আটটি মামলার তদন্তভার তুলে দেওয়া হয়েছে, তার মধ্যে দুটি মহিলাদের ওপর যৌন নির্যাতনের অভিযোগ। আধিকারিকরা জানান, এর ওপর আরও ন’টি মামলার তদন্তভার দেওয়া হয়েছে তাঁদের। তাঁরা জানান, চূড়াচাঁদপুর জেলায় যৌন নির্যাতনের যে ঘটনা ঘটেছে, সেই ঘটনার তদন্তভারও দেওয়া হতে পারে তাঁদের হাতে।

    চিত্রাঙ্গদার দেশে সিবিআই

    মণিপুরে (Manipur Violence) ঘটনার তদন্ত করাটা সিবিআইয়ের আধিকারিকদের কাছে খুবই জটিল হয়ে দাঁড়িয়েছে। কারণ চিত্রাঙ্গদার দেশে যে হিংসার ঘটনা ঘটছে, তার শেকড় মূলত দুই ধর্মীয় সম্প্রদায়ের গভীরে। তদন্তকারীদের বিরুদ্ধে যাতে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ না ওঠে, তাই তদন্ত করতে গিয়ে আধিকারিকদের পা ফেলতে হচ্ছে সাবধানে। তদন্ত করতে গিয়ে সিবিআই আধিকারিকরা যেসব নমুনা সংগ্রহ করেছে, পরীক্ষার জন্য সেগুলি পাঠানো হবে সেন্ট্রাল ফরেন্সিক সায়েন্স ল্যাবরেটরিতে। মহিলা সংক্রান্ত যেসব মামলার তদন্তে নেমেছে সিবিআই, সেগুলিতে মহিলা আধিকারিকদের কাজে লাগানো হয়েছে। নির্যাতিত মহিলাদের বয়ান রেকর্ড এবং প্রশ্ন করার জন্যও কাজে লাগানো হচ্ছে ওই মহিলা আধিকারিকদের।

    আঁটোসাঁটো নিরাপত্তার ব্যবস্থা

    ৩ মে হিংসা শুরু হয় মণিপুরে (Manipur Violence)। মেইতেই এবং কুকিদের সংঘর্ষের জেরে উত্তপ্ত হয় উত্তর-পূর্বের পাহাড়ি এই রাজ্য। হিংসায় মৃত্যু হয়েছে ১৬০ জনের। জখমও হয়েছেন কয়েকশো। দীর্ঘদিন ধরে তফশিলি জাতির দাবি জানিয়ে আসছেন মেইতেইরা। এই নিয়েই শুরু হয় সংঘর্ষ। এদিকে, দোরগোড়ায় স্বাধীনতা দিবস। তার আগে কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হল মণিপুরে। পুলিশ জানিয়েছে, উপদ্রুত অঞ্চলে তল্লাশি চালিয়ে উদ্ধার করা হয়েছে বেশ কিছু আগ্নেয়াস্ত্র এবং গোলা-বারুদ। স্বাধীনতা দিবসে বনধের ডাক দিয়েছে উপত্যকার কয়েকটি সংগঠন। এক আধিকারিক বলেন, শনিবার চূড়াচাঁদপুরে পিস গ্রাউন্ডে স্বাধীনতা দিবসের রিহার্সাল হয়েছে। অংশ নিয়েছিল বিএসএফ, পুলিশ এবং অসম রাইফেলস।

    আরও পড়ুুন: কানাডায় ফের হিন্দু মন্দিরে হামলা খালিস্তানপন্থীদের, দেওয়ালে ভারত-বিরোধী পোস্টার

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

     

  • Amit Shah: “আমরা দেশের জন্য বাঁচি, কেউ থামাতে পারবে না”, গুজরাটের অনুষ্ঠানে বললেন শাহ

    Amit Shah: “আমরা দেশের জন্য বাঁচি, কেউ থামাতে পারবে না”, গুজরাটের অনুষ্ঠানে বললেন শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “আমরা দেশের জন্য বাঁচি। কেউ আমাদের এই কাজ থেকে থামাতে পারবে না।” রবিবার কথাগুলি বললেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। এদিন গুজরাটের আমেদাবাদে তিনি সূচনা করেন তিরঙ্গা যাত্রার। সেখানেই শাহ বলেন, “স্বাধীনতার ৭৫ বছর চলছে। আমরা দেশের জন্য প্রাণ দিতে পারিনি। কারণ তার আগেই ভারত স্বাধীনতা অর্জন করেছে। কিন্তু দেশের জন্য বাঁচা থেকে আমাদের কেউ থামাতে পারবে না।”

    তিরঙ্গাময় দেশ

    গত বছর স্বাধীনতা দিবসের কথাও মনে করিয়ে দেন শাহ। বলেন, “২০২২ সালে দেশে এমন কোনও বাড়ি ছিল না, যেখানে তিরঙ্গা ওড়েনি। যখন দেশের প্রতিটি বাড়িতে তিরঙ্গা ওড়ে, তখন গোটা দেশটাই তিরঙ্গাময় হয়ে ওঠে। ‘আজাদি কা অমৃত মহোৎসবের’ সময় প্রধানমন্ত্রী গোটা দেশের মধ্যে দেশপ্রেম বোধের বীজ বপন করেছেন।” কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী (Amit Shah) বলেন, “২০২৩ সালের ১৫ অগাস্ট আজাদি কা অমৃত মহোৎসব শেষ হচ্ছে। তবে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, ২০২৩ সালের ১৫ অগাস্ট থেকে ২০৪৭ সালে ১৫ অগাস্ট পর্যন্ত আমরা আজাদি কা অমৃত কাল উদযাপন করব। স্বাধীনতার ৭৫ বছর থেকে ১০০ বছর পর্যন্ত ভারতকে প্রতিটি ক্ষেত্রে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য আমরা বাঁচব।”

    সীমান্তে পরিকাঠামো 

    প্রসঙ্গত, শনিবার দু দিনের গুজরাট সফরে এসেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। কচ্ছে ভারত-পাক সীমান্তে পরিকাঠামো গড়ে তোলার প্রকল্পের উদ্বোধনও করেন তিনি। দেশ রক্ষায় বিএসএফের ভূয়সী প্রশংসাও করেন শাহ। বিএসএফের তরফে জানানো হয়েছে, এদিন সীমান্তে সুরক্ষা ও পরিকাঠামোর উন্নতিকল্পে শাহ কোটেশ্বর এলাকায় বিএসএফের জন্য একটি আঘাটার শিলান্যাস করেন শাহ। চিড়িয়ামোড়-বিয়ারবেট লিঙ্ক রোডেরও উদ্বোধন করেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। হরমি নালা এলাকায় একটি ওপি টাওয়ারেরও উদ্বোধন করেন তিনি।

    আরও পড়ুুন: প্রত্যেক নাগরিককে ‘হর ঘর তিরঙ্গা’ কর্মসূচিতে অংশ নিতে বললেন প্রধানমন্ত্রী

    আঘাটাটি তৈরি (Amit Shah) করতে খরচ হবে ২৫৭ কোটি টাকা। প্রকল্পটি গড়ে উঠবে ৬০ একর জমিতে। ক্রিক এলাকায় ওয়াটার ভেসেল চালাতে এই জলাশয়টি ব্যবহার করা হবে। ক্রিক এলাকায় জলপথে নিরাপত্তা রক্ষার কাজেও লাগবে ওই আঘাটা। বিএসএফের তরফে জারি করা বিবৃতিতে বলা হয়েছে, হরমি নালা এলাকায় যে ওপি টাওয়ার হচ্ছে, সেজন্য ব্যয় হবে তিন কোটি টাকা। এই টাওয়ার থেকে ২৪ ঘণ্টা নজরদারি চালাবেন বিএসএফের জওয়ানরা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • Independence Day 2023: স্বাধীনতা দিবসে বিরাট অনুষ্ঠান, কী হবে লালকেল্লায় জানেন?

    Independence Day 2023: স্বাধীনতা দিবসে বিরাট অনুষ্ঠান, কী হবে লালকেল্লায় জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্বাধীনতা দিবসে (Independence Day 2023) এবারও লালকেল্লায় জাতীয় পতাকা তুলবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ‘আজাদি কা অমৃত মহোৎসবে’র বর্ষপূর্তি হচ্ছে। তাই এবার ১৫ অগাস্ট পালিত হবে ঘটা করে। এদিন পতাকা তোলার পর জাতীর উদ্দেশে ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী। উপস্থিত থাকবেন প্রায় ১৮০০ বিশেষ অতিথি।

    ‘জন ভাগীদারি’

    ‘জন ভাগীদারি’র অংশ হিসেবেই উপস্থিত থাকবেন এঁরা। এঁদের মধ্যে রয়েছেন ভাইব্র্যান্ট গ্রামগুলির সরপঞ্চ, ফারমার প্রডিউসার অর্গানাইজেশনস স্কিমের প্রতিনিধিরা এবং প্রধানমন্ত্রী কৌশল বিকাশ যোজনা, সেন্ট্রাল ভিস্তা প্রজেক্টের শ্রম যোগীরা, খাদি কর্মীরা, সীমান্তে যাঁরা রাস্তা তৈরিতে যুক্ত ছিলেন তাঁরা, যাঁরা অমৃত সরোবর তৈরি করছেন তাঁরা, হর ঘর জল যোজনার কর্মীরা। প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক, নার্স এবং মৎস্যজীবীরাও বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন এই অনুষ্ঠানে। গোটা রাজধানীর ১২টি জায়গায় তৈরি করা হচ্ছে সেলফি পয়েন্ট।

    সেলফি প্রতিযোগিতা

    সরকারের (Independence Day 2023) তরফে জারি করা বিবৃতিতে বলা হয়েছে, অনুষ্ঠানের অংশ হিসেবে প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের তরফে সেলফি প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হবে। ১৫ থেকে ২০ অগাস্ট পর্যন্ত ওই সেলফি পাঠাতে হবে মাইগভ পোর্টালে। অংশগ্রহণকারীরা ১২টি সেলফি জোন থেকেই ছবি পাঠাতে পারবেন। সেই তুলেই তাঁরা আপলোড করবেন মাইগভ পোর্টালে। প্রতিটি সেলফি পয়েন্ট থেকে একজনকে নির্বাচন করা হবে। অর্থাৎ জয়ী হবেন ১২ জন। যাঁরা জয়ী হবেন, তাঁরা প্রত্যেকে ১০ হাজার করে টাকা পাবেন। বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, মেজর নিকিতা নায়ার এবং মেজর জাসমিন কাউর জাতীয় পতাকা তুলতে সাহায্য করবেন প্রধানমন্ত্রীকে। যেই না জাতীয় পাতাকা তোলা হয়ে যাবে, তখনই অ্যাডভান্সড লাইট হেলিকপ্টার থেকে পুষ্পবৃষ্টি করা হবে।

    আরও পড়ুুন: প্রত্যেক নাগরিককে ‘হর ঘর তিরঙ্গা’ কর্মসূচিতে অংশ নিতে বললেন প্রধানমন্ত্রী

    এদিকে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Independence Day 2023) রবিবার তাঁর সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডেলে গিয়ে বদলে দিয়েছেন প্রোফাইল পিকচার। সেই ছবিতে দেখা যাচ্ছে ভারতের জাতীয় পতাকা। দেশবাসীকে ডিপির ছবি বদলে দেওয়ার আবেদনও করেছেন প্রধানমন্ত্রী। এই প্রচেষ্টায় সাহায্য করতেও নাগরিকদের কাছে আবেদন করেছেন তিনি। ট্যুইট-বার্তায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘হর ঘর তিরঙ্গা আন্দোলনের স্পিরিট হিসেবে আসুন, আমরা বদলে ফেলি আমাদের ডিপির ছবিগুলি। এবং এই মৌলিক প্রচেষ্টায় সবাই শামিল হই। এভাবে নিজের দেশের সঙ্গে সম্পর্ক আরও গভীর করি।’ অগাস্টের ১৩-১৫ পর্যন্ত হর ঘর তিরঙ্গা প্রচারে অংশ নিতেও দেশবাসীকে আবেদন জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • India China Talks: ভারত-চিন মিলিটারি পর্যায়ের বৈঠক, কী নিয়ে আলোচনা জানেন?

    India China Talks: ভারত-চিন মিলিটারি পর্যায়ের বৈঠক, কী নিয়ে আলোচনা জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) সঙ্গে মুখোমুখি হতে চলেছেন চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। সপ্তাহখানেক পরে দক্ষিণ আফ্রিকায় হবে ব্রিকস নেতাদের সম্মেলন। এই সম্মেলনেই সামনাসামনি দেখা হবে দুই রাষ্ট্রনেতার (India China Talks)। ঠিক তার আগেই প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখায় উত্তেজনা কমাতে উদ্যোগী হল দুই দেশ।

    বৈঠকে দুই দেশ

    সোমবার হতে চলেছে ভারত এবং চিন দুই দেশের মিলিটারি পর্যায়ের ১৯তম বৈঠক। সরকারি সূত্রেই এ খবর জানা গিয়েছে। ভারতের তরফে যে প্রতিনিধি দল এই বৈঠকে অংশ নেবে, তাতে থাকবেন ১৪ জন। এর মধ্যে রয়েছেন কর্পস কমান্ডার লেফটেন্যান্ট জেনারেল রাশিম বালি। এর আগে দুই দেশের মিলিটারি পর্যায়ের বৈঠকটি হয়েছিল চলতি বছরের এপ্রিল মাসের ২৩ তারিখে, সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশনের প্রতিরক্ষামন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকের আগে। দুই দেশের মিলিটারি পর্যায়ে যে অবিশ্বাসের (India China Talks) বাতাবরণ তৈরি হয়েছে, তা দূর করতেই হয়েছিল ওই বৈঠক।

    বৈঠকের আলোচ্য সূচি

    সরকারি সূত্রে খবর, সোমবারের বৈঠকে দুই দেশের সেনাদের মধ্যে কীভাবে আস্থা ফেরানো যায়, কীভাবে সীমান্ত প্রোটোকল মেনে চলা যায়, প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা এবং বাফার জোনে সংঘর্ষ এড়াতে দুই দেশের কী করণীয়, এসব নিয়েই আলোচনা হবে এদিনের বৈঠকে। মাস চারেক আগেই বৈঠক হয়েছিল ভারত ও চিনের বিদেশমন্ত্রীদের মধ্যে। তারও আগে বৈঠক হয়েছে জাতীয় নিরাপত্তা পরামর্শদাতাদের মধ্যে। তার পর হতে চলেছে সোমবারের বৈঠক।

    আরও পড়ুুন: যাদবপুরকাণ্ডে গ্রেফতার আরও ২, ধৃতদের মধ্যে স্বপ্নদীপের রুমমেটও

    চলতি বছরের সেপ্টেম্বরের ৯ ও ১০ তারিখে ভারতে আসার কথা চিনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের। জি-২০ বৈঠকে যোগ দিতেই তিনি আসবেন ভারতে। তার আগে সীমান্তের অচলাবস্থা কাটাতে চাইছে নয়াদিল্লি ও বেজিং (India China Talks)। জুলাই মাসে দিল্লিতে মুখোমুখি হয়েছিলেন ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা পরামর্শদাতা অজিত ডোভাল এবং চিনের বিদেশমন্ত্রী ওয়াং ই। সেই বৈঠকে ডোভাল বলেছিলেন, নষ্ট হয়েছে দুই দেশের কৌশলগত বিশ্বাস, রাজনৈতিক সম্পর্ক। গত বছর ইন্দোনেশিয়ার বালিতে হয়েছিল জি-২০-র বৈঠক। সেই বৈঠকে মুখোমুখি হয়েছিলেন মোদি এবং জিনপিং। সীমান্তে অচলাবস্থা কাটাতে সেখানেও আলাদা করে বৈঠক করেছিলেন মোদি ও জিনপিং।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ

  • Criminal Laws: চাকরি, বিয়ের ভুয়ো প্রতিশ্রুতি দিয়ে সেক্স ‘অপরাধ’! নয়া বিলে প্রস্তাব কেন্দ্রের

    Criminal Laws: চাকরি, বিয়ের ভুয়ো প্রতিশ্রুতি দিয়ে সেক্স ‘অপরাধ’! নয়া বিলে প্রস্তাব কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পরিচয় লুকিয়ে কোনও মহিলাকে বিয়ে করলে বা চাকরির মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিয়ে সহবাস করলে তাকে ‘অপরাধ’ বলে গণ্য করা হবে। প্রস্তাবিত ভারতীয় ন্যায় সংহিতা (Bharatiya Nyaya Sanhita Bill) আইনে সেই সুপারিশই করা হয়েছে। যে প্রস্তাবিত আইন ঔপনিবেশিক আমলের ভারতীয় দণ্ডবিধির পরিবর্তে কার্যকর করা হবে বলে শুক্রবার সংসদে জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।

    কী বলা হয়েছে নয়া বিলে

     ১৮৬০-এর আইপিসি-র পরিবর্তে জায়গা করে নিতে পারে ‘ভারতীয় ন্যায় সংহিতা’ (BNS) বিল। শাহ বলেন, ‘মহিলাদের উপর অপরাধ সংক্রান্ত আইনে বিশেষ নজর দেওয়া হয়েছে। মহিলাদের বিরুদ্ধে অপরাধ এবং তাঁরা যেসব সামাজিক সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছেন, তা এই বিলে তুলে ধরা হয়েছে। এই প্রথম বিয়ে-চাকরি-প্রোমোশনের মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিয়ে সহবাস এবং মিথ্যা পরিচয় দিয়ে বিয়ে করলে তাকে অপরাধ বলে গণ্য করা হবে। ‘  ওই প্রস্তাবিত আইন অনুযায়ী, পরিচয় লুকিয়ে কোনও মহিলাকে বিয়ে করলে সেটাও অপরাধের আওতায় নিয়ে আসা হতে চলেছে। 

    আরও পড়ুন: “সারা দেশ দেখেছে রক্তের খেলা”! বাংলায় পঞ্চায়েত ভোটে হিংসা নিয়ে তৃণমূলকে আক্রমণ মোদির

    এমনিতে ভুয়ো প্রতিশ্রুতি দিয়ে সহবাসের অভিযোগ নতুন নয়। পুলিশে একাধিক অভিযোগ দায়ের করা হয়। আদালতেও গড়ায় একাধিক মামলা। কিন্তু ভারতীয় দণ্ডবিধিতে সেই বিষয়টি নিয়ে নির্দিষ্ট কোনও ধারা নেই। প্রস্তাবিত আইনে সেই বিষয়টি নির্দিষ্ট করে দেওয়া হয়েছে। ওই বিলে বলা হয়েছে, ‘প্রতারণামূলক উপায় বা প্রতিশ্রুতি পূরণের কোনওরকম উদ্দেশ্য ছাড়াই কোনও মহিলাকে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দেওয়া, তাঁর সঙ্গে সহবাস করা এবং যেরকম যৌনসম্পর্ক স্থাপনের বিষয়টি ধর্ষণের আওতায় আসে না, সেরকম ক্ষেত্রে (অপরাধীর) ১০ বছর পর্যন্ত জেল হতে পারে এবং জরিমানাও দিতে হবে।’প্রতারণামূলক উপায়’ বলতে কী বোঝানো হয়েছে, সেটাও ওই প্রস্তাবিত আইনে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। ওই প্রস্তাবিত আইন অনুযায়ী, ‘প্রতারণামূলক উপায়’-র আওতায় পদোন্নতি বা চাকরির ভুয়ো প্রতিশ্রুতি, প্ররোচনা বা ‘পরিচয় গোপন করে বিয়ের’ বিষয়গুলি রাখা হয়েছে। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Delhi (Amendment) Bill: ‘দিল্লি অধ্যাদেশ বিল’ পরিণত হল আইনে, সই করলেন রাষ্ট্রপতি

    Delhi (Amendment) Bill: ‘দিল্লি অধ্যাদেশ বিল’ পরিণত হল আইনে, সই করলেন রাষ্ট্রপতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলতি বাদল অধিবেশনেই সংসদের দুই কক্ষে পাস হয়েছিল দিল্লি অধ্য়াদেশ বিল। এবার রাষ্ট্রপতির দ্রৌপদী মুর্মু সই করলেন ‘জাতীয় রাজধানী অঞ্চল দিল্লি (সংশোধনী) বিল ২০২৩’-এ (Delhi Amendment Bill)। রাষ্ট্রপতি এই বিলে সই করতেই তা আইনে পরিণত হল। এর ফলে দিল্লির আমলা নিয়োগ এবং বদলি সংক্রান্ত সব কিছু  সিদ্ধান্তই এবার নিতে পারবে কেন্দ্র। প্রসঙ্গত, দিল্লি বিলের (Delhi Amendment Bill) পাশাপাশি লোকসভা এবং রাজ্যসভায় পাস হওয়া ‘ব্যক্তিগত ডিজিটাল ডেটা সুরক্ষা বিল’,  ‘জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন সংশোধন বিল’, ‘জনবিশ্বাস বিল’ এই বিলগুলোতেও সই করেছেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু।

    সুপ্রিম নির্দেশ

    প্রসঙ্গত, গত জুলাই মাসে সর্বোচ্চ আদালত জানিয়ে দিয়েছিল যে দিল্লি অর্ডিন্যান্সের সংবিধানিক বৈধতা খতিয়ে দেখা হবে। পাশাপাশি যাচাই করা হবে সংসদের অধিকারের সীমাও।  কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ইতিমধ্যে জানিয়েছেন দিল্লিতে সুষ্ঠু পরিষেবার স্বার্থে এই আইনের প্রয়োজন। প্রসঙ্গত, দিল্লির সম্পূর্ণ প্রশাসনিক ক্ষমতা এর ফলে কেন্দ্রের হাতেই থাকল বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। এতদিন দিল্লির পুলিশ-প্রশাসন কেন্দ্র সরকারের হাতে ছিল। কেননা দিল্লি জাতীয় রাজধানী অঞ্চল (Delhi Amendment Bill)। কিন্তু দিল্লি বিল আইনে পরিণত হতেই অনেকটাই ক্ষমতা খর্ব হল আম আদমি পার্টি সরকারের, এমনটাই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

    আরও পড়ুন: ‘অমৃত বাটিকা’য় থাকবে নেতাজির পৈত্রিক ভিটের মাটিও, কেন জানেন?

    বিলের ইতিবৃত্ত   

    গত ১ অগাস্ট লোকসভায় ‘জাতীয় রাজধানী অঞ্চল দিল্লি (সংশোধনী) বিল ২০২৩’ পেশ করেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। ধ্বনিভোটের মাধ্যমে এই বিল পাস হয় লোকসভায়। পরবর্তীকালে চলতি মাসের ৭ তারিখের রাজ্যসভাতেও আনা হয় দিল্লি অধ্যাদেশ বিল (Delhi Amendment Bill)। এখানেও বিলের পক্ষে ভোট পড়ে ১৩১টি এবং বিপক্ষে ভোট দেন ১০২ জন সাংসদ। দুই কক্ষে পাশ হয়ে যাওয়ার পর অপেক্ষা ছিল কেবল রাষ্ট্রপতি সইয়ের। এবার সেটাও হয়ে গেল। 

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।  

LinkedIn
Share