Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Greenhouse Gas Emissions: গত ১৪ বছরে ভারতে দ্রুত হারে কমেছে কার্বন নিঃসরণ, নেপথ্যে কোন কারণ?

    Greenhouse Gas Emissions: গত ১৪ বছরে ভারতে দ্রুত হারে কমেছে কার্বন নিঃসরণ, নেপথ্যে কোন কারণ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতে দ্রুত হারে কমেছে গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণের (Greenhouse Gas Emissions) পরিমাণ। গত ১৪ বছরে নিঃসরণের পরিমাণ কমেছে ৩৩ শতাংশ। দেশে জঙ্গলের আয়তন বৃদ্ধি ও পুনর্ব্যবহারযোগ্য শক্তির ব্যবহার বাড়ায় এটা সম্ভব হয়েছে। সম্প্রতি রাষ্ট্রসংঘের কনভেনশন অফ ক্লাইমেট চেঞ্জে একটি রিপোর্ট জমা দিয়েছে নয়াদিল্লি। সেই রিপোর্টেই জানানো হয়েছে এ কথা। রিপোর্ট থেকে জানা গিয়েছে, ২০০৫ সাল থেকে ২০১৯ এই চোদ্দ বছরে গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণের পরিমাণ কমেছে ৩৩ শতাংশ। যদিও ২০১৬ থেকে ২০১৯ এই তিন বছরে গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণ নিয়ন্ত্রণের পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়েছিল তিন শতাংশ। ২০১৪ থেকে ২০১৬ সালে এর পরিমাণ ছিল ১.৫ শতাংশ।

    কার্বন নিঃসরণের শীর্ষে ছিল চিন

    মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের গবেষণা ও পরামর্শদাতা প্রতিষ্ঠান রোডিয়াম গ্রুপের এক গবেষণায় জানা গিয়েছিল, ২০১৯ সালে বিশ্বে নিঃসৃত গ্রিনহাউস গ্যাসের (Greenhouse Gas Emissions) ২৭ শতাংশ নিঃসরণ ঘটেছে চিনে। ওই তালিকায় চিনের পরেই ছিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। দেশটিতে গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণের পরিমাণ ছিল ১১ শতাংশ। ওই তালিকায় তৃতীয় দেশ ছিল ভারত। সেখানে নিঃসরণের পরিমাণ ৬.৬ শতাংশ।

    ভারতের হার 

    রাষ্ট্রসংঘের কনভেনশন অফ ক্লাইমেট চেঞ্জে রিপোর্ট জমা দেয় বিভিন্ন দেশ। সম্প্রতি রিপোর্ট জমা দিয়েছে ভারতও। তখনই জানা গিয়েছে, গত ১৪ বছরে ভারতে কমেছে গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণের পরিমাণ। আশা করা হয়েছে, ২০৩০ সালের মধ্যে ভারতে গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণের পরিমাণ কমবে ৪৫ শতাংশ।

    আরও পড়ুুন: উদ্বেগ বাড়াচ্ছে করোনার নয়া প্রজাতি ইজি-৫, মৃত্যুর ঝুঁকি সবথেকে বেশি বলছে ‘হু’

    রিপোর্টে বলা হয়েছে, ভারতে গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণের (Greenhouse Gas Emissions) হার কমার নেপথ্যে রয়েছে সরকারি নীতি। সরকার পুনর্ব্যবহারযোগ্য শক্তির ওপর জোর দিয়েছে। সূত্রের খবর, ভারত অর্থনৈতিক উন্নয়নের থেকে গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণের বিষয়টিকে আলাদা করে দেখিয়েছে। ভারত বুঝিয়ে দিয়েছে, উন্নত দেশ মানেই প্রচুর গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণ নয়। নিঃসরণের হার কমার অন্যতম প্রধান কারণ বনভূমির আয়তন বৃদ্ধি। ২০১৯ সালে ভারতের প্রায় ৮.০৭৩ কোটি হেক্টর জমি জঙ্গলাকীর্ণ ছিল। অর্থাৎ দেশের মোট আয়তনের ২৪.৫৬ শতাংশ এলাকা সবুজে ঢাকা। তাছাড়া গ্রিন হাইড্রোজেনের ওপরও জোর দিয়েছে সরকার। জলের অণু বিয়োজন করে এই শক্তি উৎপাদন করা হচ্ছে। এসব কারণেও কমছে গ্রিনহাউস গ্যাসের নিঃসরণের হার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     
     

     

  • Amit Shah: “দিনের ১৭ ঘণ্টাই কাজ করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি”, অনাস্থা বিতর্কে শাহি জবাব

    Amit Shah: “দিনের ১৭ ঘণ্টাই কাজ করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি”, অনাস্থা বিতর্কে শাহি জবাব

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “কোনও ছুটি না নিয়ে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ১৭ ঘণ্টাই কাজ করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। দেশবাসীর নয়, মোদি সরকারের ওপর অবিশ্বাস কেবল বিরোধীদের।” বুধবার সংসদে অনাস্থা বিতর্কে যোগ দিয়ে কথাগুলি বললেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। এদিন মোদি সরকারের প্রশংসার পাশাপাশি তিনি আক্রমণ শানালেন বিরোধীদেরও।  

    অনাস্থা বিতর্কে রাহুল

    ২০১৮ সালের পর এবার ফের মোদি সরকারের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব এনেছেন বিরোধীরা। কংগ্রেসের পক্ষে প্রস্তাবটি পেশ করেন সাংসদ গৌরব গগৈ। সাড়ে চার মাস পরে মঙ্গলবার সংসদে যোগ দিয়ে বুধবার অনাস্থা বিতর্কে অংশ নেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী। তাঁর বক্তৃতার আগাগোড়াই ছিল বিজেপির বিরুদ্ধে শানিত আক্রমণ। রাহুল বলেন, “প্রধানমন্ত্রী মণিপুরে যাননি, কারণ তিনি এটাকে ভারতের অংশ বলে মনেই করেন না।”

    রাহুলকে নিশানা শাহের 

    এর পর অনাস্থা বিতর্কে অংশ নিয়ে নাম না করে রাহুলকে নিশানা করেন শাহ (Amit Shah)। বলেন, “এই হাউসে একজন সাংসদ রয়েছেন, যাঁকে রাজনীতিতে ১৩ বার নামানো হয়েছে। ১৩ বারই তিনি ব্যর্থ হয়েছেন। সেরকম এক শুরুর সাক্ষী ছিলাম আমি, যখন তিনি বুন্দেলখণ্ডে কলাবতী নামে এক গরিব মহিলার সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন। কিন্তু আপনি তাঁর জন্য কী করেছিলেন? তাঁকে বাড়ি, রেশন, বিদ্যুতের জোগানও দিয়েছিল মোদি সরকার।” কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “ইউপিএ জমানার কলঙ্কজনক অধ্যায় দেখেছে গোটা দেশ। ইউপিএর চরিত্রটাই দুর্নীতিতে ভরা। এনডিএ সিদ্ধান্তের রাজনীতি করে। মোদি সরকারের ওপর দেশবাসীর অগাধ আস্থা রয়েছে। ইউপিএ জমানার দুর্নীতি সবাই দেখেছে। অনাস্থা ঠেকাতেও নরসিংহ রাওয়ের সময় দুর্নীতি হয়েছিল। নরসিংহ রাওয়ের সময় অনাস্থা ঠেকাতে ঘুষ দেওয়া হয়েছিল। অটলবিহারী বাজপেয়ীর সময় অনাস্থায় এক ভোটে হেরে গিয়েছিল সরকার। কিন্তু অটলবিহারী বাজপেয়ী বলেছিলেন, আমরা সংসদের আদেশ মেনে নেব।”

    আরও পড়ুুন: “প্রাক্তন না করতে পারলে আমরা ক্ষুদিরামের দেশের লোক নই”, শুভেন্দুর তোপ মমতাকে

    শাহ (Amit Shah) বলেন, “মণিপুরে হিংসার ঘটনা অত্যন্ত দুঃখজনক, সরকার কোনওভাবেই সমর্থন করে না। দুঃখজনক ঘটনা নিয়ে রাজনীতি করাটা আরও লজ্জার।” তিনি বলেন, “মণিপুরে বিজেপি সরকারের আমলে একদিনও সেখানে কারফিউ জারি করতে হয়নি। মায়ানমার সীমান্তে অনুপ্রবেশের সমস্যা রয়েছে। গুজব থেকেই মণিপুরে হিংসার সূত্রপাত।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     
     

     

  • Chandrayaan 3: দ্বিতীয় কক্ষপথ বদল সফল! চাঁদ থেকে আর মাত্র ১,৪৩৭ কিলোমিটার দূরে ‘চন্দ্রযান ৩’

    Chandrayaan 3: দ্বিতীয় কক্ষপথ বদল সফল! চাঁদ থেকে আর মাত্র ১,৪৩৭ কিলোমিটার দূরে ‘চন্দ্রযান ৩’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চাঁদের আরও কাছে পৌঁছল ‘চন্দ্রযান ৩’ (Chandrayaan 3)। পূর্ব নির্ধারিত সময় মতোই চাঁদের চারপাশে ঘুরতে ঘুরতে দ্বিতীয়বার কক্ষপথ বদল করল ভারতের মহাকাশযান (ISRO Moon Mission)। গতকাল পর্যন্ত চাঁদের থেকে ৪,৩১৩ কিলোমিটার দূরে অবস্থান করছিল ‘চন্দ্রযান ৩’। আজ দুপুরে দ্বিতীয় কক্ষপথ বদলের পর সেই দূরত্ব কমে হলো ১,৪৩৭ কিলোমিটার। পরবর্তী কক্ষপথ বদল ঘটবে ১৪ অগাস্ট।

    চাঁদের আরও কাছে ‘চন্দ্রযান ৩’

    এদিন ইসরোর তরফে ট্যুইট করে জানানো হয়েছে, চাঁদের আরও কাছে। পরিকল্পনা মাফিক কক্ষপথ সঙ্কোচন প্রক্রিয়া অত্যন্ত সাফল্যের সঙ্গে সম্পন্ন হয়েছে। বর্তমানে মহাকাশযানটি ১৭৪ কিমি x ১৪৩৭ কিমি কক্ষপথে অবস্থান করছে। পরবর্তী সঙ্কোচন প্রক্রিয়া হবে ১৪ তারিখ সকাল সাড়ে ১১টা থেকে সাড়ে ১২টার মধ্যে। ‘চন্দ্রযান ৩’-এর (Chandrayaan 3) এই কক্ষপথ বদল প্রক্রিয়াটি হয়েছে বেঙ্গালুরুস্থিত ইসরোর টেলিমেট্রে, ট্র্যাকিং অ্যান্ড কমান্ড নেটওয়ার্ক (ISTRAC) সেন্টার থেকে।

    পাখির চোখ ২৩ অগাস্ট

    গত ১৪ জুলাই শ্রীহরিকোটার সতীশ ধাওয়ান স্পেস সেন্টার থেকে এলভিএম-৩ রকেটে চেপে মহাকাশে পাড়ি দিয়েছিল ‘চন্দ্রযান ৩’। টানা ১৮ দিন পৃথিবীর চারপাশে ঘুরতে ঘুরতে একদিকে কক্ষপথের পরিধি বৃদ্ধি করার পাশাপাশি গতিও বাড়িয়ে চলেছিল ‘চন্দ্রযান ৩’ (Chandrayaan 3)। পাঁচবার এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর গত ১ অগাস্ট এক লাফে চন্দ্র-বৃত্তে পৌঁছে যায় ‘চন্দ্রযান ৩’। সেখান থেকে প্রায় পৌনে চার লক্ষ কিলোমিটার পাড়ি দিয়ে ‘চন্দ্রযান ৩’ পৌঁছে যায় চাঁদের কক্ষপথের কাছে। পরের ধাপে গত ৫ তারিখ, চাঁদের কক্ষপথে প্রবেশ করে ‘চন্দ্রযান ৩’। সেই থেকে চাঁদের চারদিকে প্রদক্ষিণ করে চলেছে ভারতের মহাকাশযান। আগামী ২৩ তারিখ চূড়ান্ত অবতরণ বা ‘টাচডাউন’-এর দিকে এগিয়ে যাবে ল্যান্ডার মডিউল। সম্ভবত, সেদিনই হবে কাঙ্খিত ‘সফট-ল্যান্ডিং’।

    সফট-ল্যান্ডিং হবেই, প্রত্যয়ী ইসরো প্রধান

    ল্যান্ডার বিক্রমকে সফলভাবে চন্দ্রপৃষ্ঠে অবতরণ করানোই এখন মূল চ্যালেঞ্জ। সফল ল্যান্ডিংয়ের বিষয়ে আশায় বুক বাঁধছেন ১৪০ কোটি ভারতবাসী। একইসঙ্গে, সকলের মনে উৎকণ্ঠাও রয়েছে। কারণ, চার বছর আগে এই পর্বেই ব্যর্থ হয়েছিল ‘চন্দ্রযান ২’। তবে, এবার যথেষ্ট প্রত্যয়ী ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরো। গতকালই, দেশবাসীকে অভয় দিয়ে ইসরোর প্রধান এস সোমনাথ জানিয়েছেন, ল্যান্ডার ও সেন্সর ব্যর্থ হলেও, মহাকাশযান (ISRO Moon Mission) সঠিকভাবেই অবতরণ করবে চাঁদের বুকে। তিনি বলেন, “মহাকাশযানে থাকা ল্যান্ডার বিক্রম-এর সমস্ত সেন্সর এবং দু’টি ইঞ্জিনও যদি কাজ না করে, তাহলেও ২৩ অগাস্ট চাঁদের পৃষ্ঠে অবতরণ করবে যানটি। ল্যান্ডারের পুরো নকশাটি এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে, যা কোনওভাবেই এই মিশনটিকে ব্যর্থ হতে দেবে না।” তিনি যোগ করেন, যদি কিছু কাজ না করবে, তখন একমাত্র প্রপালশন সিস্টেম ভালোভাবে কাজ করবে।” এখানে বলে রাখা ভালো যে, এধরনের সম্ভাবনার কথা মাথায় রেখেই ‘চন্দ্রযান ৩’-এর (Chandrayaan 3) নকশা ব্যর্থতা-নির্ভর করা হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Eris Covid: আবার করোনা! ‘এরিস’ ভেরিয়্যান্ট পাওয়া গেল ভারতে, কতটা বিপদের?

    Eris Covid: আবার করোনা! ‘এরিস’ ভেরিয়্যান্ট পাওয়া গেল ভারতে, কতটা বিপদের?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতে চোখ রাঙাচ্ছে করোনা ভাইরাসের নতুন ভেরিয়্যান্ট ‘এরিস’ (Eris Covid)। পাওয়া গেল মহারাষ্ট্রে। মে মাসে প্রথম এই রূপটির সন্ধান পাওয়া গিয়েছিল। আর এটিই এখন অনেকের কাছে উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। দিল্লি, মহারাষ্ট্র, কর্নাটকে যে ভাবে ঘরে ঘরে অসুখ ছড়াচ্ছে তাতে আতঙ্ক বাড়ছে। এক বেসরকারি সংস্থার সমীক্ষা রিপোর্ট বলছে, কর্নাটকে প্রতি তিনজনে অন্তত একজন, দিল্লি-এনসিআর-এ প্রতি পাঁচজনে একজন এবং মহারাষ্ট্রে প্রতি ছ’জনে একজন ভাইরাল জ্বরে আক্রান্ত। অথবা, তাঁদের কোভিডের মতো উপসর্গ রয়েছে।

    ‘এরিস’-এর উপসর্গ

    করোনার রূপ ওমিক্রনেরই একটি ভাগ এই ‘এরিস’ (Eris Covid)। ইংল্যান্ডে ব্যাপক মাত্রায় বেড়েছে করোনা সংক্রমণ। হাসাপাতেল রোগীদের ভিড় বেড়েছে। এর পিছনে রয়েছে এই এরিসেরই ভূমিকা। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, আগের রূপগুলির যা যা উপসর্গ ছিল, এক্ষেত্রেও প্রায় তেমনই আছে। কাশি, জ্বর, সর্দি, গলায় ব্যথা, শ্বাস নিতে সমস্যা এগুলিই মূলত এই ভ্যারিয়েন্টে সংক্রমণের লক্ষণ। তবে এই নতুন রূপটি নিয়ে যেটি ভয়ের, তা হল এটির সংক্রমণের হার আগের ভ্যারিয়েন্টগুলি বা সাবভ্যারিয়েন্টগুলির তুলনায় অনেক বেশি। এটি অনেক দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। 

    আরও পড়ুন: রিপোর্টে অসন্তুষ্ট! ‘ভুয়ো’ শিক্ষক মামলায় রাজ্যের ডিআইজি সিআইডিকে তলব হাইকোর্টের

    সমীক্ষার রিপোর্ট

    সম্প্রতি দিল্লি-এনসিআর, মহারাষ্ট্র এবং কর্নাটকের প্রায় ১৯ হাজার বাসিন্দার মধ্যে একটি সমীক্ষাটি চালানো হয়েছিল। মোট ৬৩ শতাংশ পুরুষ এবং ৩৭ শতাংশ মহিলা উত্তরদাতাকে পাওয়া গিয়েছিল। রিপোর্ট থেকে জানা গিয়েছে, মহারাষ্ট্রের ১৬ শতাংশ পরিবারে ভাইরাল জ্বর বা কোভিড-এর মতো লক্ষণ রয়েছে। দিল্লি-এনসিআর-এর ক্ষেত্রে ২১ শতাংশ পরিবারের কেউ না কেউ জ্বরে ভুগছেন। কর্নাটকের এই পরিমাণটা প্রায় ৩৩ শতাংশ। তবে চিকিৎসকদের কথায়, ভারতে এই নতুন করোনা কতটা প্রভাব ফেলবে, তা নির্ভর করছে সাধারণ মানুষের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার উপর। সেটি ঠিক থাকলে এখানে ভয়ের বিশেষ কারণ নেই। তাই রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে চিকিৎসকেরা স্বাস্থ্যকর এবং পুষ্টিকর খাবার খেতে বলছেন। নিয়ম করে টিকা নিতে হবে। করোনার টিকা তো বটেই, যাঁদের অন্য টিকা নেওয়ার কথা, তাঁদেরও সেগুলি নিতে হবে। কোভিড স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। জীবনযাত্রার মান উন্নত রাখতে হবে। বেনিয়ম করা যাবে না। পর্যাপ্ত ঘুমোতে হবে। ভিড় এড়িয়ে চলাই ভালো।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Rahul Gandhi: মহিলা সাংসদদের উদ্দেশে ‘ফ্লাইং কিস’ ছুড়েছেন রাহুল! বিজেপির অভিযোগে সরগরম লোকসভা

    Rahul Gandhi: মহিলা সাংসদদের উদ্দেশে ‘ফ্লাইং কিস’ ছুড়েছেন রাহুল! বিজেপির অভিযোগে সরগরম লোকসভা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিতর্ক পিছু ছাড়ছে না কংগ্রেস (Congress) নেতা রাহুল গান্ধীর (Rahul Gandhi)! সাড়ে চার মাস পরে মঙ্গলবারই ফিরেছেন সংসদে। বুধবার দলের তরফে আনা অনাস্থা প্রস্তাবের পক্ষে বিতর্কে অংশও নিয়েছেন। এর মধ্যেই নয়া অভিযোগ উঠেছে রাহুলের বিরুদ্ধে। বিজেপির অভিযোগ, এদিন মহিলা সাংসদদের উদ্দেশে ফ্লাইং কিস ছুড়েছেন রাহুল। রাহুলের এহেন আচরণ ‘নারীবিদ্বেষী মনোভাবের পরিচয়’ বলে দাবি কেন্দ্রীয় মন্ত্রী স্মৃতি ইরানির।

    ভিডিও ফুটেজ প্রকাশ 

    এদিন বিজেপির তরফে একটি ভিডিও ফুটেজ প্রকাশ করেন পদ্ম শিবিরের তথ্যপ্রযুক্তি সেলের প্রধান অমিত মালব্য। ছ সেকেন্ডের ওই ভিডিওয় রাহুলকে (Rahul Gandhi) ফ্লাইং কিস ছুড়তে দেখা গিয়েছে (ভিডিওর সত্যতা যাচাই করেনি মাধ্যম)। ভিডিওয় রাহুলকে লাল দাগ দিয়ে চিহ্নিত করে দেখানো হয়েছে।

    মালব্য লিখেছেন, সংসদে নোংরামি করছেন রাহুল গান্ধী। লজ্জাজনক। সংসদ সূত্রে খবর, এদিন অনাস্থা বিতর্কে বক্তৃতা শেষ করে বেরনোর সময় কিছু কাগজপত্র পড়ে যায় রাহুলের হাত থেকে। তা দেখে হাসাহাসি করেন সরকার পক্ষের সাংসদরা। অভিযোগ, এই সময়ই কাগজগুলো কুড়িয়ে নিয়ে সরকার পক্ষের সাংসদদের বেঞ্চের দিকে তাকিয়ে হেসে ফ্লাইং কিস ছুড়ে দেন রাহুল।

    স্পিকারের কাছে অভিযোগ

    এর পরেই বাঁধে গোল। সংসদের ২০ জন মহিলা সদস্যের স্বাক্ষর সম্বলিত একটি অভিযোগপত্র পেশ করা হয় স্পিকার ওম বিড়লার কাছে। তাঁর সঙ্গে দেখাও করেন স্মৃতি ইরানি সহ বিজেপির মহিলা সাংসদরা। রাহুলের (Rahul Gandhi) বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান স্মতি।

    বিজেপির অভিযোগ, সংসদে বক্তব্য রাখার সময় মহিলা সাংসদদের প্রতি অনুপযুক্ত অঙ্গভঙ্গি করেছেন রাহুল। যা সংসদের মর্যাদাহানির সমান।

    প্রসঙ্গত, এই প্রথম নয়, রাহুলের বিরুদ্ধে অশালীন আচরণের অভিযোগ উঠেছে আগেও। কখনও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আসনের সামনে গিয়ে তাঁকে জড়িয়ে ধরেছেন। কখনও আবার নিজের আসনে বসে চোখ টিপেছেন কাউকে। উনিশের লোকসভা নির্বাচনের প্রচারে গিয়ে এক জনসভায় মোদি পদবি নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করে বসেন রাহুল (Rahul Gandhi)।

    তার জেরে দু বছরের কারাদণ্ড হয় কংগ্রেস নেতার। খোয়া গিয়েছিল সাংসদ পদ, বাংলো। পরে সাজায় সুপ্রিম কোর্ট স্থগিতাদেশ দেওয়ায় সাংসদ পদ ফিরে পেয়েছেন রাহুল। তারপর এদিন ফের জড়ালেন বিতর্কে।

    আরও পড়ুুন: “প্রাক্তন না করতে পারলে আমরা ক্ষুদিরামের দেশের লোক নই”, শুভেন্দুর তোপ মমতাকে

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • India China: চিনকে টক্কর! উত্তর-পূর্ব সীমান্তে আরও সাতটি টানেল তৈরি করছে ভারত

    India China: চিনকে টক্কর! উত্তর-পূর্ব সীমান্তে আরও সাতটি টানেল তৈরি করছে ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখার ঠিক ওপারে তিব্বতে পরিকাঠামোগত উন্নয়ন দ্রুত হারে বৃদ্ধি করছে চিন। জবাব দিতে, চিন সীমান্তবর্তী (India China) এলাকায় যোগাযোগ ব্যবস্থাকে ঢেলে সাজাচ্ছে ভারতও।  এই প্রেক্ষিতে চিন-সীমান্ত রাজ্য অরুণাচল প্রদেশের যোগাযোগ ব্যবস্থাকে আরও সহজ-সরল করতে নতুন সাতটি টানেল তৈরি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন কেন্দ্রীয় সরকার। প্রতিরক্ষা প্রতিমন্ত্রী অজয় ভাট জানিয়েছেন, গত তিন বছরে পাঁচটি টানেল তৈরির কাজ সম্পূর্ণ হয়েছে। আরও সাতটির কাজ চলছে বা শুরু হবে।

    কাদের সহায়তায় টানেল

    যে সাতটি টানেলের কাজ চলছে, তার মধ্যে রয়েছে অটল টানেল। যার দৈর্ঘ্য ৯.২ কিলোমিটার। ২০২০ সালে যা চালু হয়। অরুণাচলের তাওয়াংয়ের সঙ্গে অসমের গুয়াহাটির যোগাযোগ ব্যবস্থা অনেক সহজ হবে সিলা টানেল খুলে গেলে। যা সম্ভব চলতি মাসের শেষ দিকে চালু হওয়ার কথা। বর্ডার ডিফেন্স ও পরিকাঠামো গড়ে তোলার কাজ করছে তিনটি সংস্থা। প্রথমটি হল, বর্ডার রোড অর্গনাইজেশন বা বিআরও। যারা মূলত টানেল, ব্রিজ , রোড, তৈরির কাজ করছে। ভারতীয় সেনাকে (India China) যাতায়াত করতে পরিকাঠামো জনিত সহায়তা দিচ্ছে ইন্দো-টিবেটিয়ান পুলিশ বা আইটিবিপি। তৃতীয় সংস্থা হল স্পেশ্যাল ফ্রন্টিয়ার ফোর্স। যারা মূলত হিমালয় ও প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখায় কমান্ডা অপারেশনের কাজকর্ম করছে।

    আরও পড়ুুন: “বাংলা, কাশ্মীর ভারতের মধ্যে আছে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের জন্য”, রাজ্যসভায় শাহ

    বরাদ্দ বাজেট

    ২০১৪ সালে প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পরেই সীমান্ত লাগোয়া অঞ্চলের পরিকাঠামো উন্নয়নের উপর বিশেষ জোর দিয়েছিলেন নরেন্দ্র মোদি (India China)। তার জন্য বর্ডার রোড অর্গানাইজেশনের বাজেট এক ধাক্কায় ৩৭৮২ কোটি থেকে বাড়িয়ে ধীরে ধীরে ২০২৩-২৪ আর্থিক বর্ষে ১৪,৩৮৭ কোটি করা হয়েছে। শুধু তাই নয়, সীমান্ত অঞ্চলে যোগাযোগ ব্যবস্থা আরও মসৃণ করতে অত্যাধুনিক রোড তৈরির পাশাপাশি ব্রিজের মাপও বাড়িয়ে দেওয়া হয়। এছাড়া অরুণাচল প্রদেশের আভ্যন্তরীন যোগাযোগ ব্যবস্থা আরও ঢেলে সাজানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে মোদি সরকার। তার জন্য একটি উপত্যকা থেকে অন্য উপত্যকার মধ্যে ১৮০০ কিলোমিটার হাইওয়ে গড়ে তোলা হবে। সীমান্তে এই নতুন রাস্তা এবং টানেলগুলো তৈরি হলে চিনকে সহজেই জবাব দেওয়া যাবে , বলে অভিমত কূটনীতিকদের।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: গান্ধীজির ভারত ছাড়ো আন্দোলনের বর্ষপূর্তিতে ‘কুইট ইন্ডিয়া’ স্লোগান মোদির, নিশানায় কে?

    PM Modi: গান্ধীজির ভারত ছাড়ো আন্দোলনের বর্ষপূর্তিতে ‘কুইট ইন্ডিয়া’ স্লোগান মোদির, নিশানায় কে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১৯৪২ সালের ৯ অগাস্ট ‘ভারত ছাড়ো’ আন্দোলনের ডাক দিয়েছিলেন মহাত্মা গান্ধী। আজ, ৯ অগাস্ট। বিরোধীদের নিশানা করতে সেই দিনটিই বেছে নিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। যেসব দেশপ্রেমিক ‘ভারত ছাড়’ আন্দোলনে অংশ নিয়েছিলেন তাঁদের শ্রদ্ধা জানান প্রধানমন্ত্রী।

    প্রধানমন্ত্রীর ট্যুইট-বাণ

    ট্যুইট-বার্তায় তিনি লেখেন, ‘মহাত্মা গান্ধীজির নেতৃত্বে এই আন্দোলন হয়েছিল। ভারতকে ঔপনিবেশিক শাসন থেকে মুক্ত করতে ভারত ছাড়ো আন্দোলন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছিল। আজ ভারতে একটাই আওয়াজ। দুর্নীতি ভারত ছাড়ো। পরিবারবাদ ভারত ছাড়ো। তোষণের রাজনীতি ভারত ছাড়ো।”

    ৬ অগাস্ট রেলের একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)। সেই অনুষ্ঠানে বিরোধীদের নিশানা করতে গিয়েও তিনি ব্যবহার করেছিলেন এই শব্দবন্ধগুলি।

    বিজেপির আওয়াজ

    এদিন গান্ধী মূর্তির সামনে জড়ো হন বিজেপি সাংসদরা। দুর্নীতির বিরুদ্ধে সরব হতে দেখা গিয়েছে তাঁদেরও। তাঁদের হাতে ধরা প্ল্যাকার্ডে লেখা, ‘কোরাপশন কুইট ইন্ডিয়া’, ‘ডাইনাস্টিক পলিটিক্স কুইট ইন্ডিয়া’, ‘অ্যাপিজমেন্ট কুইট ইন্ডিয়া।’

    প্রধানমন্ত্রীর (PM Modi) মুখে ‘কুইট ইন্ডিয়া’ প্রসঙ্গে প্রাক্তন আইনমন্ত্রী তথা বিজেপি নেতা রবিশঙ্কর প্রসাদ বলেন, “আজ ভারত অমৃতকালে প্রবেশ করল। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি তিনটি কথা বলেছেন। দেশে পরিবারের রাজনীতি চলছে। দুর্নীতির বাজে গন্ধ ছড়াচ্ছে। তোষণের রাজনীতি করা হচ্ছে। এই তিনটি বিষয়ে কুইট ইন্ডিয়া বলেছেন তিনি।”

    রবিশঙ্কর বলেন, “যদি ভারতের গণতন্ত্রকে সুরক্ষিত করতে হয়, তাহলে এই সব অসুস্থ জিনিস যেমন, পরিবারবাদ এবং দুর্নীতিকে দেশ ছাড়তে হবে।”

    আরও পড়ুুন: “বাংলা, কাশ্মীর ভারতের মধ্যে আছে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের জন্য”, রাজ্যসভায় শাহ

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

     

  • Jammu And Kashmir: জম্মু-শ্রীনগর জাতীয় সড়কে ধস, ফের স্থগিত অমরনাথ যাত্রা

    Jammu And Kashmir: জম্মু-শ্রীনগর জাতীয় সড়কে ধস, ফের স্থগিত অমরনাথ যাত্রা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জম্মু থেকে শ্রীনগরগামী (Jammu And Kashmir) জাতীয় সড়ক অবরুদ্ধ হয় ধসের কারণে। বুধবার ভূস্বর্গের রামবান জেলায় এই ধসের জেরে বন্ধ হয়ে সাময়িক বন্ধ হয়ে গেল অমরনাথ যাত্রা। জানা গিয়েছে, পন্থর চৌক যাত্রার বেস ক্যাম্প থেকে জম্মু পর্যন্ত অমরনাথ যাত্রা বন্ধ হয়ে গিয়েছে।

    কী বলছে  প্রশাসন (Jammu And Kashmir)?

    জম্মু-কাশ্মীরের (Jammu And Kashmir) প্রশাসন জানিয়েছে যে জম্মু-শ্রীনগর ন্যাশনাল হাইওয়ে রামবান জেলায় ধসের কারণে অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছে।  সেখানকার মানুষ এবং অমরনাথ তীর্থযাত্রীদের প্রশাসনের তরফ থেকে সতর্ক করা হয়েছে। বলা হয়েছে যে কেউ যেন ৪৪ নম্বর জাতীয় সড়কে ট্রাফিক পুলিশের অনুমতি ছাড়া না চলাফেরা করেন। প্রসঙ্গত ৬২ দিনের দীর্ঘ এই অমরনাথ যাত্রা শুরু হয়েছে, ১ জুলাই থেকে চলবে ৩১ অগাস্ট পর্যন্ত।  এর আগেই জম্মু-কাশ্মীর (Jammu And Kashmir) পুলিশের এডিজি গত সপ্তাহের শুক্রবার একটি উচ্চ পর্যায়ের নিরাপত্তা বিষয়ক বৈঠক করেন। স্বাধীনতা দিবসকে মাথায় রেখে এবং চলতি মাসের ১৭ তারিখ থেকে শুরু হতে চলা বুড়ো অমরনাথ যাত্রার নিরাপত্তা নিয়ে এই মিটিং হয় বলে জানা গিয়েছে।

    পুঞ্চ জেলার সাধারণ মানুষের সঙ্গে বৈঠক প্রশাসনের 

    জানা গিয়েছে জম্মু-কাশ্মীরের (Jammu And Kashmir) এডিজিপি মুকেশ সিং, ডিভিশনাল কমিশনার রমেশ কুমার এবং রাজৌরি জেলার ডিআইজি হাসিব মুঘলের মধ্যে একটি উচ্চপর্যায়ে নিরাপত্তা বিষয়ক বৈঠক ইতিমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। এবং সেখানে প্রশাসন এবং পুলিশকে বিশেষ সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে স্বাধীনতা দিবসের আগে। এছাড়াও ১৭ অগাস্ট শুরু হচ্ছে বুড়ো অমরনাথ যাত্রা। সেখানেও নিরাপত্তা আঁটোসাঁটো করা হচ্ছে। জানা গিয়েছে, জম্মুর (Jammu And Kashmir) এডিজিপি এবং ডিভিশনাল কমিশনার পুঞ্চ জেলার সাধারণ জনগণের সঙ্গেও বৈঠক করেছেন। সেখানকার জনপ্রতিনিধি এবং আইনজীবীরা এই মিটিং-এ উপস্থিত ছিলেন বলে জানা গিয়েছে। এবং প্রত্যেকেই স্বাধীনতা দিবসে প্রশাসনকে সম্পূর্ণ সহযোগিতা করার আশ্বাস দিয়েছেন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Amit Shah: “বাংলা, কাশ্মীর ভারতের মধ্যে আছে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের জন্য”, রাজ্যসভায় শাহ

    Amit Shah: “বাংলা, কাশ্মীর ভারতের মধ্যে আছে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের জন্য”, রাজ্যসভায় শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “আজ যদি বাংলা ভারতের মধ্যে থাকে, তো শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের জন্য আছে।” রাজ্যসভায় মঙ্গলবার কথাগুলি বললেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। দিন কয়েক আগেই লোকসভায় ধ্বনি ভোটে পাশ হয়েছে দিল্লি অর্ডিন্যান্স বিল। এদিন সেই বিলটিই রাজ্যসভায় পেশ করেন শাহ। এর পরেই তীব্র হট্টগোল শুরু করেন বিজেপি বিরোধী বিভিন্ন দলের সাংসদরা।

    বিরোধীদের শাহি তোপ

    এই সময় বিরোধীদের উদ্দেশে আক্রমণ শানান শাহ। বলেন, “আমাদের বিল নিয়ে এত প্রশ্ন হচ্ছে। আমাকে একবার বলুন তো যে, কোন সিদ্ধান্তের ওপর জোট করেছে তৃণমূল কংগ্রেস ও বামেরা। গোটা জীবন তৃণমূল কংগ্রেস কমিউনিস্ট পার্টির বিরোধিতা করেছে। তাদের জন্মই হয়েছে কমিউনিস্টদের বিরোধিতা করে। তৃণমূল কংগ্রেস থেকে আলাদা হয়ে গিয়েছিল কারণ, নরসিমা রাওয়ের সরকার কমিউনিস্টদের সঙ্গে হাত মিলিয়েছিল। আর আজ সেই তৃণমূল ওদের হাত ধরছে। ওদের লক্ষ্য সরকার দখল করা। সেটা হবে না। মোদি ক্ষমতায় আসবে। কংগ্রেস ও কমিউনিস্ট পার্টি একে অপরের বিরোধিতা করে, আর এখানে ইলু ইলু করছে।”

    ‘ফের প্রধানমন্ত্রী মোদিই’

    কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী (Amit Shah) বলেন, “কংগ্রেস ও বাকি দলগুলো জানে যে, ওদের একার দ্বারা কিছু হবে না। তবে ওরা তো জানে যে, এক হলে কিছু লোক দেখানো কাজ তো করা যাবে। কিন্তু আমি বলতে চাই, ২৪ মে ফের নরেন্দ্র মোদিই প্রধানমন্ত্রী হবেন।” শাহ বলেন, “কমিউনিস্ট দলের দুই সদস্য অভিযোগ করেছেন, আমাদের দলের কারও স্বাধীনতা সংগ্রামে কোনও ভূমিকা নেই। কিন্তু আমি তাঁদের প্রশ্ন করতে চাই, যে দলের জন্মই হয়েছিল ১৯৫০ সালে, তারা কীভাবে স্বাধীনতা আন্দোলনে অংশ নেবে? কিন্তু আমাদের এমন অনেক প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ছিলেন, যাঁদের অবদান অনেক। শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের কথা বলা যেতে পারে। আজ যদি বাংলা ভারতের মধ্যে থাকে, তো শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের জন্য আছে। কাশ্মীর যদি ভারতের মধ্যে থাকে, তাহলে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের জন্য আছে।”

    আরও পড়ুুন: বিজেপির দু’দিনের পূর্বাঞ্চলীয় পঞ্চায়েত কর্মশালা হবে বাংলায়, কে কে থাকছেন জানেন?

    বিজেপি নাগপুরের নির্দেশে চলে বলে মাঝেমধ্যেই কটাক্ষ করে কংগ্রেস। এদিন সে প্রসঙ্গ টেনে শাহ (Amit Shah) বলেন, “বিজেপি নাগপুরের নির্দেশে চলছে এটা যদি মেনেও নেওয়া হয়, তাহলেও বলতে হয়, বিজেপি আর যাই হোক বিরোধীদের মতো রাশিয়া ও চিনের ইশারায় চলছে না। আর কমিউনিস্টদের মুখে তো দেশভক্তির কথা মানায়ই না।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • IRCTC Fake App: ভুয়ো অ্যাপ থেকে সাবধান! গ্রাহকদের সতর্ক করল আইআরসিটিসি

    IRCTC Fake App: ভুয়ো অ্যাপ থেকে সাবধান! গ্রাহকদের সতর্ক করল আইআরসিটিসি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভুয়ো অ্যাপ (IRCTC Fake App) থেকে অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ব্যবহারকারীদের সাবধান করল আইআরসিটিসি। অনেক সময়েই হ্যাকাররা মোবাইলে বিভিন্ন রকমের অপ্রয়োজনীয় লিঙ্ক পাঠিয়ে আইআরসিটিসি বিশেষ লিঙ্ক দিয়ে দেয়। আর এই লিঙ্ক, প্লে স্টোর থেকে ডাউনলোড করলেই মোবাইলের সিস্টেম হ্যাক হতে পারে। আর তা থেকে চুরি করে নেওয়া হতে পারে প্রয়োজনীয় তথ্য। তাই এই ভুয়ো অ্যাপ থেকে সাবধান করতে রেলের আইআরসিটিসি কর্তৃপক্ষ ট্যুইট করে সতর্কের বার্তা দিয়েছেন।

    কী বলা হয়েছে আইআরসিটিসির (IRCTC Fake App) পক্ষ থেকে?

    আইআরসিটিসি’র (IRCTC) পক্ষ থেকে বলা হয়েছে যে, প্রত্যেক অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ব্যবহারকারীদের বার বার ফিশিং লিঙ্ক পাঠায় কিছু ভুয়ো অ্যাপ (IRCTC Fake App)। এই লিঙ্ক পাঠানোর মধ্যে দিয়ে অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ব্যবহারকারীদের মূলত টার্গেট করা হয়। অনেক ক্ষেত্রে, এই লিঙ্কের মধ্যে ভারতীয় রেলের আইআরসিটিসি অ্যাপের মতো দেখতে একটি অবিকল অ্যাপ থাকে। আর এই অ্যাপ ডাউনলোড করলেই হ্যাকারদের দখলে চলে যায় ফোনের সব তথ্য। এরপর হ্যাকাররা নানা রকম ভাবে বিপদের মধ্যে ফেলে গ্রাহককে। তাই ভারতীয় রেলের কেটারিং ও ট্যুরিজম পরিষেবা বিশেষ ভাবে গ্রাহকদের ট্যুইট বা মেলের মাধ্যমে সতর্ক করেছে। অ্যান্ড্রয়েড ব্যবহারকারীরা মাঝে মাঝেই প্রতারণার শিকার হন, তাই প্রতারণার হাত থেকে বাঁচার বিশেষ সতর্ক বার্তা দেয় আইআরসিটিসি।

    প্রতারণার শিকার হলে কোথায় অভিযোগ করবেন?

    যদি কোনও ব্যক্তি ভুয়ো অ্যাপ (IRCTC Fake App) এর প্রতারণার শিকার হন, তাহলে আইআরসিটিসির কাস্টমার কেয়ারের হটলাইনে অভিযোগ জানাতে পারবেন। এছাড়া আইআরসিটিসির অফিসিয়াল ওয়েবসাইট care@irctc.co.in এ গিয়েও গ্রাহকরা প্রতারকদের বিরুদ্ধে অভিযোগ জানাতে পারবেন। উল্লেখ্য এই সতর্কতা অভিযান প্রথম নয়। এর আগে, গত এপ্রিল মাসেও একবার সতর্ক বার্তা দেওয়া হয়েছিল বলে জানা গেছে। সেই সময় irctcconnect.apk নামে একটি ভুয়ো লিঙ্কের বিরুদ্ধে ব্যবহারকারীদের সতর্ক করা হয়। এই প্রসঙ্গে আরও বলা হয়, শুধু রেলের ভুয়ো অ্যাপ নয়, যে কোনও রকম ভুয়ো অ্যাপ মোবাইলের হোয়াটসঅ্যাপ, টেলিগ্রাম, মেসেঞ্জারে আসতে পারে, তাই এই সকল ভুয়ো অ্যাপ থেকে ব্যবহারকারীদের সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে। সামজিক মাধ্যম থেকে আসা যে কোনও মেসেজকে ভালো করে দেখে ব্যবহার করা একান্ত আবশ্যক বলে মনে করেন সামজিক মাধ্যমের বিশেষজ্ঞরা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share