Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Pee Gate: এয়ার ইন্ডিয়ার ঘটনার পুনরাবৃত্তি, বিমানের সহযাত্রীর গায়ে মূত্রত্যাগ মদ্যপ পড়ুয়ার!

    Pee Gate: এয়ার ইন্ডিয়ার ঘটনার পুনরাবৃত্তি, বিমানের সহযাত্রীর গায়ে মূত্রত্যাগ মদ্যপ পড়ুয়ার!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কিছুদিন আগেই খবরের শিরোনামে এসেছিল এয়ার ইন্ডিয়া (Pee Gate)। ভালো কোনও কারণে নয়, বরং এক অদ্ভুত কারণে। এয়ার ইন্ডিয়ার বিমানে সহযাত্রীর কম্বলে প্রস্রাবের ঘটনায় শোরগোল পড়ে গিয়েছিল দেশজুড়ে। সেই ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটল এবার আমেরিকান এয়ারলাইন্সের বিমানেও। নিউ ইয়র্ক থেকে নয়াদিল্লিগামী বিমানে মদ্যপ অবস্থায় সহযাত্রীর গায়ে প্রস্রাব করার অভিযোগ উঠল এক ছাত্রের বিরুদ্ধে। 

    ঠিক কী ঘটেছে? 

    জানা গিয়েছে, গত শুক্রবার নিউ ইয়র্কের স্থানীয় সময় রাত ৯টা ১৬ মিনিটে বিমানটি রওনা দেয় (Pee Gate)। শনিবার নয়াদিল্লিতে রাত ১০টা ১২ মিনিটে সেটি অবতরণ করে। এই বিমানেই এক যাত্রী আরেক পুরুষ যাত্রীর গায়ে প্রস্রাব করে দেন। তিনি মদ্যপ অবস্থায় ছিলেন বলেই জানা যাচ্ছে।

    আরও পড়ুন: বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে যোগ ব্যায়াম শেখানোর পরিকল্পনা নিচ্ছে সৌদি আরব

    আরও জানা গিয়েছে, অভিযুক্ত এক মার্কিন বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়া (Pee Gate)। ঘুমন্ত অবস্থায় তিনি প্রস্রাব করে দেন সহযাত্রীর গায়ে। ওই যাত্রী পরে বিমানের ক্রু সদস্যদের বিষয়টি জানান। তবে পড়ুয়া ক্ষমা চেয়ে নেওয়ায় বিষয়টি পুলিশের কাছে আর জানাতে চাননি তিনি। তাঁর মতে, অভিযোগ জানালে ওই পড়ুয়ার কেরিয়ার সমস্যা্র মুখে পড়ত। তাই তিনি এই নিয়ে আর জল ঘোলা করেননি। কিন্তু উড়ান সংস্থা বিষয়টিকে হালকা ভাবে নিতে রাজি নয়। বিমানের পাইলটের অভিযোগের ভিত্তিতে পরে অভিযুক্তকে দিল্লি পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়। 

    উল্লেখ্য, গত বছরের ২৬ নভেম্বর নিউ ইয়র্ক থেকে এয়ার ইন্ডিয়ার বিমানে দিল্লি ফেরার সময় ৭০ বছর বয়সি এক বৃদ্ধার কম্বলে মূত্রত্যাগ করেন এক ব্যক্তি (Pee Gate)। পরে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। আপাতত জামিনে মুক্তি রয়েছেন তিনি। এই ঘটনার ছায়াই যেন নতুন করে দেখা গেল আমেরিকান এয়ারলাইন্সের বিমানে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ। 

     

  • Manish Sisodia: জামিন পেলেন না সিসোদিয়া, আরও দুদিন বাড়ল সিবিআই হেফাজতের মেয়াদ, পরবর্তী শুনানি ১০ মার্চ

    Manish Sisodia: জামিন পেলেন না সিসোদিয়া, আরও দুদিন বাড়ল সিবিআই হেফাজতের মেয়াদ, পরবর্তী শুনানি ১০ মার্চ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জামিন পেলেন না মণীশ সিসোদিয়া (Manish Sisodia)। তাঁকে আরও দুদিনের সিবিআই হেফাজতের নির্দেশ দিল দিল্লির রাউস অ্যাভিনিউ আদালত। আবগারি দুর্নীতির তদন্তে সহযোগিতা করছেন না, এই অভিযোগে শনিবার দিল্লির প্রাক্তন উপ-মুখ্যমন্ত্রী মণীশ সিসোদিয়ার আরও তিন দিনের হেফাজতের দাবি জানান সিবিআই পক্ষের বিশেষ আইনজীবী। সেই আবেদনের ভিত্তিতেই আদালত আরও দুদিনের সিবিআই হেফাজতের নির্দেশ দেয়। 

    আবগারি কেলেঙ্কারিতে সিসোদিয়াকে (Manish Sisodia) গ্রেফতার করার পর আজই সিসোদিয়ার পাঁচ দিনের সিবিআই হেফাজতের মেয়াদ শেষ হয়েছে। আজ তাঁকে আদালতে হাজির করে সিবিআই।  সিবিআইয়ের তরফে অভিযোগ করা হয়েছে, তদন্তে কোনও প্রকার সহযোগিতা করছেন না সিসোদিয়া। সিসোদিয়া আইনজীবী এদিন আদালতে বলেন, “অসহযোগিতা হেফাজতের ভিত্তি হতে পারে না।”

    এদিন সিসোদিয়ার (Manish Sisodia) আইনজীবী আরও জানান, তাঁর মক্কেলের স্ত্রী গুরুতর অসুস্থ। তিনি বলেন, ‘‘সিবিআইয়ের অদক্ষতা কখনওই জামিন না পাওয়ার কারণ হতে পারে না।’’ শেষ পর্যন্ত সিবিআই- এর আবেদনই আংশিক মেনে নেন বিচারক। দুদিনের হেফাজতের নির্দেশ দেওয়া হয় সিসোদিয়াকে।

    আরও পড়ুন: পর্যটন শিল্পের বিকাশে ‘ডেস্টিনেশন ওয়েডিং’- এ জোর মোদি সরকারের

    প্রসঙ্গত, আবগারী দুর্নীতি মামলায় জড়িত থাকার অভিযোগে কয়েক দফায় প্রায় ৯ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ করার পরে গত রবিবার মণীশ সিসোদিয়াকে (Manish Sisodia) গ্রেফতার করে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা। সোমবার তাঁকে দিল্লির রাউস অ্যাভিনিউ আদালতে হাজির করানো হলে বিচারক ৫ দিনের সিবিআই হেফাজতের নির্দেশ দেন। এর পরে মঙ্গলবার জেল থেকেই দিল্লির উপমুখ্যমন্ত্রী পদে ইস্তফা দিয়েছেন তিনি। পাঁচ দিনের হেফাজতের সময়সীমা শেষ হওয়ায় শনিবার তাকে আদালতে হাজির করানো হয়। 

    আদালতে সিবিআই দাবি করেছে, তাদের বেশ কিছু প্রশ্নের উত্তর এড়িয়ে গিয়েছেন প্রাক্তন উপ-মুখ্যমন্ত্রী। আবগারি নীতির প্রথম খসড়ার অন্তত ৬টি বিষয়ের ব্যাখ্যা দিতে পারেননি সিসোদিয়া।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Destination Wedding: পর্যটন শিল্পের বিকাশে ‘ডেস্টিনেশন  ওয়েডিং’- এ জোর মোদি সরকারের

    Destination Wedding: পর্যটন শিল্পের বিকাশে ‘ডেস্টিনেশন ওয়েডিং’- এ জোর মোদি সরকারের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সাম্প্রতিককালে ডেস্টিনেশন ওয়েডিং (Destination Wedding) একটি জনপ্রিয় বিষয় হয়ে উঠেছে। দূর-দূরান্তে গিয়ে বিয়ের আসর বসানোকেই বলে ডেস্টিনেশন ওয়েডিং। সাধারণত বিত্তশালীরাই এভাবে অন্য জায়গায় বিয়ের আসর বসিয়ে থাকেন। এবার এই ট্রেন্ডের কথা শোনা গেল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মুখেও। প্রধানমন্ত্রীর প্রস্তাব, কোনও দম্পতি এই ভাবে বিয়ে করার পরিকল্পনা করলে তাঁদের জন্য বিশেষ প্যাকেজ ঘোষণা করা হবে। এতে মধ্যবিত্ত, উচ্চ-মধ্যবিত্তরা আরও উৎসাহিত হবেন। মূলত মধ্যবিত্তদেরও এই ট্রেন্ডে সামিল করে পর্যটনে জোয়ার আনতে চাইছে কেন্দ্র।

    কী বললেন প্রধানমন্ত্রী?

    শুক্রবার বাজেট পরবর্তী ওয়েবিনারে অংশ নিয়ে পর্যটন বিভাগকে চাঙ্গা করার কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। এই আলোচনায় অন্যতম বিষয় ছিল ‘ডেস্টিনেশন ওয়েডিং’ (Destination Wedding)। তিনি বলেন, “কিছু মানুষের কাছে ‘ট্যুরিজম’ শব্দটা একেবারেই সৌখিন শব্দ। তাঁরা মনে করেন এটি উচ্চ মধ্যবিত্তদের বিষয়। কিন্তু দেশে এর একটা সামাজিক-সাংস্কৃতিক পরিপ্রেক্ষিত রয়েছে। এই শিল্পের দারুণ সম্ভাবনা রয়েছে মধ্যবিত্ত, উচ্চ-মধ্যবিত্তদের মধ্যেও। ডেস্টিনেশন ওয়েডিংয়ের জন্য স্পেশাল প্যাকেজ এনে দেখা যেতে পারে।”

    তিনি আরও বলেন, “পর্যটন ক্ষেত্রকে শিখরে পৌঁছতে গেলে আমাদের নতুন কোনও ভাবনা নিয়ে আসতে হবে। অনেকেই ইদানীং ডেস্টিনেশন ওয়েডিং- এর (Destination Wedding) জন্য বিদেশে যান। ভারতের রাজ্যগুলি কি গন্তব্য বিবাহের জন্য একটি বিশেষ প্যাকেজ ঘোষণা করতে পারে না? আমি মনে করি, আমাদের দেশে এমন পরিবেশ তৈরি হওয়া উচিত যখন গুজরাতের জনগণ তামিলনাড়ুতে গিয়ে সেখানকার সংস্কৃতি অনুসারে বিয়ে করতে উদ্যোগী হবে। ধরা যাক, কারও যদি দু’টি সন্তান থাকে, তা হলে তার দুই সন্তানকে আলাদা রাজ্যে গিয়ে বিয়ে দেওয়ার কথাও ভাবতে পারেন মানুষ। যেমন এক জনের বিয়ে হোক অসমিয়া সংস্কৃতি অনুযায়ী এবং অন্য জনের পঞ্জাবি রীতিনীতি মেনে।”

    এদিন প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমাদের দেশের উচ্চবিত্ত মানুষজনের মধ্যে বেশ কয়েক বছর ধরেই বিদেশে গিয়ে বিয়ে করার চল। তবে এখন মধ্যবিত্ত এবং উচ্চমধ্যবিত্তওরাও বিদেশে যাচ্ছেন বিয়ে সারতে। আমরা কিন্তু এখনও এই দিকে কাজ করছি না। কয়েকটি জায়গায় অবশ্য এই নিয়ে টুকটাক কাজ চলছে। তবে আমাদের ভাবনা আরও বড় করতে হবে।”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Indian Army: আকাশে উড়ে সীমান্তে টহল দেবে ভারতীয় জওয়ানরা! আসছে জেটপ্যাক, কী এটি?

    Indian Army: আকাশে উড়ে সীমান্তে টহল দেবে ভারতীয় জওয়ানরা! আসছে জেটপ্যাক, কী এটি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সিয়াচেন হোক বা লাদাখ-অরুণাচলের কোনও প্রত্যন্ত এলাকা বা ভারত পাকিস্তান সীমান্ত, সব দিক থেকেই শত্রুদের অনুপ্রবেশ ঠেকাতে এবারে শক্তি বাড়াতে চলেছে ভারত। ভারতের সেনাবাহিনীর কাছে এমনই কিছু পোশাক, অস্ত্র ও রোবট আসতে চলেছে, যার ফলে সীমান্তে নজরদারিতে আর কোনও সমস্যা হবে না। নিজেদের প্রযুক্তিগত দিক থেকে আরও উন্নত করতে সব সময়েই উদ্যত ভারতের সশস্ত্র বাহিনীগুলি (Indian Army)। শত্রুর হাত থেকে নিজেদের বাঁচাতে নিজেদের অস্ত্রভাণ্ডার আরও মজবুত করছে ভারত। জানা গিয়েছে, খুব শীঘ্রই ভারতীয় সেনার কাছে আসতে চলেছে জেটপ্যাক। যার ফলে শূন্যে উড়তে পারবে জওয়ান। আবার কিছু রোবোটিক মিউলস ও অ্যাডভান্সড টোড আর্টিলারি গান সিস্টেমও পেতে চলেছে জওয়ানরা।

    কী এই জেটপ্যাক?

    আয়রন ম্যানের স্যুটের বিষয়ে নিশ্চয়ই জানেন আপনারা! এবারে ভারতীয় সেনা জওয়ানরাও খানিকটা তেমনই পোশাক পেতে চলেছে। যার সাহায্যে আকাশে উড়তে পারবেন তাঁরা। এটি ঘণ্টায় ৫০ কিমি বেগে চলবে বলে জানা গিয়েছে। ইতিমধ্যেই ব্রিটিশ (UK) সংস্থা ‘গ্র্যাভিটি ইন্ডাস্ট্রিজে’র তৈরি জেটপ্যাকের প্রদর্শন হয়ে গিয়েছে আগ্রায়। ভাইরাল হয়ে গিয়েছে সেই ভিডিওগুলি। সূত্রের খবর, ভারতীয় সেনা ৪৮টি জেটপ্যাকের বরাত দিয়েছে ওই সংস্থার কাছে।

    সংস্থার সিইও রিচার্ড ব্রাউনিং নিজে ওই মহাকর্ষ-বিরোধী স্যুট পরে শূন্যে উড়ে বেড়িয়েছেন। ভিডিওয় দেখা গিয়েছে, জলাশয় ও ফাঁকা প্রান্তরের উপর উড়ছেন তিনি। তাঁর স্যুটের সঙ্গে তিনটি জেট ইঞ্জিনকে জুড়ে থাকতে দেখা যাচ্ছে। এর মধ্যে একটি স্যুটের পিছনে। বাকি দু’টি রয়েছে স্যুটের হাতে। প্রসঙ্গত, এই স্যুটগুলিতে জ্বালানি হিসেবে তরল গ্যাস ব্যবহার করা হয়েছে। নেট মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে ভিডিওগুলি।

    রোবোটিক মিউলস

    জেটপ্যাক ছাড়াও রোবট প্রযুক্তিও সেনায় অন্তর্ভুক্ত করতে উদ্যোগী হয়েছে প্রতিরক্ষা মন্ত্রক। রোবোটিক মিউল কিনতে চলেছে ভারতীয় সেনা। জানা গিয়েছে, ১০০ টি রোবট কিনতে চলেছে ভারতীয় সেনা। সূত্রের খবর, এটি ১০ হাজার ফুট উচ্চতায় কাজ করতে সক্ষম ও অসম ভূখণ্ডেও চলতে পারে। এটিতে চারটি পা থাকবে। উল্লেখ্য, এই মিউলস ও জেটপ্যাকগুলি ফাস্ট ট্র্যাক পদ্ধতির মাধ্যমে জরুরি ভিত্তিতে কেনা হবে বলে জানা গিয়েছে।

    আর্টিলারি গান সিস্টেম

    পাকিস্তান ও চিন দেশের সীমান্তে ভারত নিজেদের আর্টিলারি সক্ষমতা বাড়ানোর পরিকল্পনার উপর কাজ করছে। এর ফলে সেনাবাহিনী ৩০৭টি এটিএজিএস হাউইটজার কেনার প্রস্তাব দিয়েছে। এমনই জানিয়েছে কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রক। চিন ও পাকিস্তান সীমান্তে মোতায়েন করার জন্য ভারতীয় সেনাবাহিনী ৩০৭টি অ্যাডভান্সড টোড আর্টিলারি গান সিস্টেম কেনার প্রস্তাব দিয়েছে প্রতিরক্ষা মন্ত্রককে। সেনাবাহিনীর আধিকারিকরা জানিয়েছেন, স্বদেশী প্রযুক্তিতে তৈরি হাউইটজারের জন্য এটিই প্রথম প্রস্তাব হতে চলেছে। তাঁরা আরও জানিয়েছেন, ইতিমধ্যেই বিভিন্ন উচ্চতার অঞ্চলে এগুলির পরীক্ষা করা হচ্ছে। একইসঙ্গে ব্যবহারকারীদের পরামর্শ অনুযায়ী এগুলিকে আরও উন্নত কীভাবে বানানো যায়, তা নিয়েও আলোচনা চলছে। এই হাউইটজারগুলি তৈরি করেছে ডিফেন্স রিসার্চ অ্যান্ড ডেভলপমেন্ট অর্গানাইজেশন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Anthony Albanese: ভারত সফরে আসছেন অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী, অংশ নেবেন রংয়ের উৎসবে?

    Anthony Albanese: ভারত সফরে আসছেন অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী, অংশ নেবেন রংয়ের উৎসবে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলতি মাসেই তিনদিনের ভারত (India) সফরে আসছেন অস্ট্রেলিয়ার (Australia) প্রধানমন্ত্রী অ্যান্টনি আলবানেজ (Anthony Albanese)। ভারত-অস্ট্রেলিয়া অর্থনৈতিক সহযোগিতা ও বাণিজ্য চুক্তি করতেই মূলত নয়াদিল্লি আসছেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকও করবেন আলবানেজ। ভারত-অস্ট্রেলিয়ার সম্পর্ক সুদৃঢ় করতেই এই দ্বিপাক্ষিক বৈঠক হচ্ছে বলেও জানা গিয়েছে। বিদেশমন্ত্রকের তরফে জারি করা এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আহ্বানেই ভারতে আসছেন অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী। তিনি একা নন, অ্যান্টনি আলবানেজের সঙ্গে ভারতে আসছেন সেনেটর ডন ফ্যারেল, বাণিজ্য ও পর্যটন মন্ত্রী এবং মিনিস্টার ফর রিসোর্স অ্যান্ড নর্দান অস্ট্রেলিয় ম্যাডেলাইন কিং। তাঁদের সঙ্গে অস্ট্রেলিয়া প্রশাসনের কয়েকজন প্রবীণ আধিকারিক ও পদস্থ বাণিজ্য প্রতিনিধিও আসবেন।

    অ্যান্টনি আলবানেজ (Anthony Albanese)…

    ২০২২ সালের মে মাসে স্কট মরিসনকে হারিয়ে অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রীর মসনদে বসেছেন অ্যান্টনি আলবানেজ (Anthony Albanese)। ভারতের সঙ্গে অস্ট্রেলিয়ার সম্পর্ক যথেষ্টই মধুর। সেই কারণেই গত শনিবার বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর ক্যানবেরায় গিয়ে আমন্ত্রণ জানিয়ে এসেছেন অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রীকে। জয়শঙ্করের সঙ্গে বৈঠকের পরেই ট্যুইট-বার্তায় এ মাসে নয়াদিল্লি সফরে আসার কথা জানান আলবানেজ। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে এটাই আলবানেজের প্রথম ভারত সফর। ৮ মার্চ আমেদাবাদে এসে পৌঁছবেন তিনি। এই দিনেই পড়েছে হোলি। রংয়ের উৎসবেও অংশ নিতে পারেন আলবানেজ। পরের দিন দিল্লি আসার আগে তিনি ঘুরে দেখবেন মুম্বই।

    আরও পড়ুুন: নাম না করে চিনকে কড়া বার্তা কোয়াড গোষ্ঠীর, কেন জানেন?

    চলতি সফরে অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী (Anthony Albanese) সাক্ষাৎ করবেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর সঙ্গে। দ্বিপাক্ষিক বিভিন্ন বিষয় এবং বিশ্বের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়েও আলোচনা করবেন তাঁরা। বিদেশমন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, মোদি এবং আলবানেজ বার্ষিক সম্মেলনেও যোগ দেবেন। ভারত অস্ট্রেলিয়া কম্প্রিহেনসিভ স্ট্র্যাটেজিক পার্টনারশিপ নিয়েও আলোচনা হবে। আলোচনা হবে আঞ্চলিক ও বিশ্বজনীন নানা বিষয়েও। আমেদাবাদে হবে বর্ডার-গাভাস্কার ট্রফির চতুর্থ টেস্ট ম্যাচ। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বসে ওই ম্যাচ দেখবেন অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী। বিদেশমন্ত্রক সূত্রে খবর, অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রীর আসন্ন সফরে দুই দেশের মধ্যে বেশ কয়েকটি বাণিজ্যিক ও পর্যটন ভিত্তিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হবে। অস্ট্রেলিয়ায় থাকা ভারতীয় হিন্দুদের নিরাপত্তার বিষয়টি নিয়েও কথা হবে দুই দেশের মধ্যে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ

     

     

  • QUAD: নাম না করে চিনকে কড়া বার্তা কোয়াড গোষ্ঠীর, কেন জানেন?

    QUAD: নাম না করে চিনকে কড়া বার্তা কোয়াড গোষ্ঠীর, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত-প্রশান্ত (Indo-Pacific) মহাসাগরীয় অঞ্চলে ক্রমেই পাকাপোক্ত ঘাঁটি গাড়ছে চিন (China)। কৃত্রিম দ্বীপে ইতিমধ্যেই সামরিক ঘাঁটি তৈরি করে ফেলেছে ড্রাগনের দেশ। যার জেরে বিপন্ন মুক্ত বাণিজ্য পথ। এর আগে ওই অঞ্চলে নজরদারি জাহাজ মোতায়েন করেছিল বেজিং। যদিও তাদের দাবি, ওই এলাকায় মোতায়েন করা জাহাজটি লাগানো হচ্ছে গবেষণার কাজে। জানা গিয়েছে, ওই এলাকায় কৃত্রিম দ্বীপ তৈরি করে সামরিক ঘাঁটি তৈরি করেছে চিন। এমতাবস্থায় নাম না করে চিনকে কড়া বার্তা দিল কোয়াড (QUAD) গোষ্ঠী।

    কোয়াড (QUAD)…

    ভারত (India), জাপান, আমেরিকা ও অস্ট্রেলিয়া মিলে গঠিত হয়েছে কোয়াড্রিল্যাটারাল সিকিউরিটি ডায়ালগ, সংক্ষেপে কোয়াড। চলতি বছর জি-২০ সম্মেলন হচ্ছে ভারতে। সেই উপলক্ষে এসেছেন বিভিন্ন দেশের বিদেশমন্ত্রীরা। শুক্রবার সেই বৈঠকের ফাঁকে আলোচনায় বসেন কোয়াডের বিদেশমন্ত্রীরা। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর, জাপানের বিদেশমন্ত্রী ইয়োশিমাসা হায়াশি, অস্ট্রেলিয়ার বিদেশমন্ত্রী পেনি ওং এবং মার্কিন বিদেশ সচিব অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন। যৌথ এক বিবৃতিতে কোয়াডভুক্ত দেশগুলি সাফ জানিয়েছে, ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের স্বাধীনতা বজায় রাখতে বদ্ধপরিকর কোয়াড।

    আরও পড়ুুন: লোকসভা ভোটে একলা চলার সিদ্ধান্ত মমতার, কারণ কি জানেন?

    বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, প্রশান্ত মহাসাগর এলাকায় আঞ্চলিক প্রতিষ্ঠানগুলিকে আমরা সমর্থন করি। আমরা (কোয়াডভুক্ত দেশগুলি) ইন্ডিয়ান ওসান রিম অ্যাসোসিয়েশনের সম্পর্ককেও মজবুত করব। এই এলাকার বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ আমরা যৌথভাবে মোকাবিলা করব। ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে শান্তি বজায় রাখতে আমরা ইন্ডিয়ান ওসান রিম অ্যাসোসিয়েশনে ভারতের নেতৃত্বকে স্বাগত জানাই। ওই বিবৃতিতেই বলা হয়েছে, ইন্দো-প্যাসিফিক এলাকা যাতে মুক্ত থাকে সে ব্যাপারে আমরা (কোয়াডভুক্ত দেশগুলি) প্রতিশ্রতিবদ্ধ। আমরা স্বাধীনতার নীতি, আইনের শাসন, সার্বভৌমত্ব ও ভূখণ্ডের ঐক্য এবং বিতর্কিত বিষয়ের শান্তিপূর্ণ সমাধানের জোরাল সমর্থক। স্থিতাবস্থা নষ্টের যে কোনও প্রচেষ্টার বিরোধিতাও করি আমরা।

    সন্ত্রাসবাদ যে আধুনিক বিশ্বের অন্যতম মাথাব্যথার কারণ হয়ে উঠেছে, এদিন তাও উঠে এসেছে কোয়াড সদস্যভুক্ত দেশগুলির আলোচনায়। সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলায় ওয়ার্কিং গ্রুপ গড়তে উদ্যোগী হয়েছে কোয়াডভুক্ত দেশগুলি। মুম্বইয়ের ২৬/১১ হামলায় যাঁদের প্রাণ গিয়েছে তাঁদের মধ্যে কোয়াডভুক্ত দেশেরও বাসিন্দা ছিলেন। এদিন যৌথ বিবৃতিতে কোয়াডভুক্ত দেশগুলি সাফ জানিয়ে দিয়েছে, এই জাতীয় সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপ রুখতে ওয়ার্কিং গ্রুপ গড়বে কোয়াড।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ

     

     

  • Indian Army: হিমাঙ্কের নিচে তাপমাত্রায় ক্রিকেট খেলছে ভারতীয় সেনা জওয়ান, কড়া নজরদারি গালওয়ান উপত্যকায়

    Indian Army: হিমাঙ্কের নিচে তাপমাত্রায় ক্রিকেট খেলছে ভারতীয় সেনা জওয়ান, কড়া নজরদারি গালওয়ান উপত্যকায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২০ সালে গালওয়ান সংঘর্ষের পর লাদাখের প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা বরাবর ভারতীয় সেনা জওয়ানের নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। ফলে সেরকম ঘটনা যাতে আর না ঘটতে পারে, তার জন্য বিশেষ পদক্ষেপ নিয়েছে ভারতীয় সেনাবাহিনী। কিন্তু এই টহলদারি বাড়ানোর পাশাপাশি এক অন্য ছবিই দেখা গেল গালওয়ানে, যা দেখে হতবাক ভারতীয়রা। দেখা যাচ্ছে, সেই রক্তাক্ত উপত্যকাতেই মনের আনন্দে ক্রিকেট খেলছে ভারতীয় সেনা। শুধু তাই নয়, প্যাংগং হ্রদের পাশে হাফ ম্যারাথন রেসেরও আয়োজন করা হয় ভারতীয় সেনার পক্ষ থেকে।

    মিশন ইমপসিবল!

    ভারতীয় সেনা কার্গিলের (Kargil) রুক্ষ জমিতে দাঁড়িয়ে হিমাঙ্কের নিচে থাকা তাপমাত্রায় ক্রিকেট খেলছে ভারতীয় জওয়ান, একে ‘মিশন ইমপসিবল’ই বলা চলে। সেই ক্রিকেট খেলার ছবিগুলি এই মুহূর্তে ছড়িয়ে পড়েছে নেট দুনিয়ায়। আর তা দেখে রীতিমত অবাক নেটিজেনরা। এমনিতেই উচ্চ অক্ষাংশ। তারপর সেখানে অক্সিজেন সরবরাহ কম। তার উপর আবার তাপমাত্রা হিমাঙ্কের নিচে। এমন এক প্রতিকূল পরিস্থিতিতে যেখানে স্বাভাবিকভাবে চলাফেরা করা একটা বড় চ্যালেঞ্জ, সেখানে রীতিমত চলছে ক্রিকেট প্রতিযোগিতা।

    আরও পড়ুন: ‘ভারত সর্ব শ্রেষ্ঠ’, দৃপ্ত ঘোষণা শ্রীলঙ্কার বিদেশমন্ত্রী আলি স্যাব্রির

    ফায়ার অ্যান্ড ফিউরি কর্পস-এর তরফে ট্যুইট করে কিছু ছবি শেয়ার করা হয়েছে। পাটিয়ালা ব্রিগেডের ত্রিশূল ডিভিশন আয়োজিত ওই প্রতিযোগিতায় খেলোয়াড়দের যে উচ্ছ্বসিত ভঙ্গি দেখা গিয়েছে তা কার্যতই ‘মিশন ইমপসিবল’। ছবিগুলি পোস্ট করে ওই ব্রিগেডের তরফে জানানো হয়েছে, ‘আমরা অসম্ভবকে সম্ভব করেছি।’

    নজরদারি বাড়ানো হয়েছে গালওয়ানে

    প্রসঙ্গত, ২০২০ সালে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল গালওয়ান উপত্যকা। ভারতীয় সেনা (Indian Army) ও চিনের লাল ফৌজের (PLA) মুখোমুখি সংঘর্ষে রক্তাক্ত হয়ে ওঠে পাহাড়ি এলাকা। ২০ জন ভারতীয় সেনা শহিদ হন। চিনের পক্ষে হতাহতের সংখ্যা কত তা সঠিক জানা যায় নি আজও। এই ঘটনার পরই লাদাখের প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা বরাবর নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। ২০২০ সাল থেকে ৫০ হাজারেরও বেশি ভারতীয় জওয়ান এলএসি-তে উন্নত অস্ত্র সহ মোতায়েন করা হয়েছে। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • India Bangladesh: ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে লেনদেনে আসতে চলেছে ‘ডি-ডলারাইজেশন’ পদ্ধতি, কী এটি?

    India Bangladesh: ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে লেনদেনে আসতে চলেছে ‘ডি-ডলারাইজেশন’ পদ্ধতি, কী এটি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সম্প্রতি ভারত ও বাংলাদেশ (India Bangladesh) লেনদেনের ক্ষেত্র্রে এক বড় সিদ্ধান্ত নেওয়ার পরিকল্পনা করেছে। বাংলাদেশ ও ভারত নিজেদের মধ্যে লেনদেনের জন্য বিনিময় মুদ্রা হিসেবে ডলারকে সরিয়ে দেওয়ার বিষয়ে (De-dollarisation) আলোচনা করছে। গত ২৪-২৫ ফেব্রুয়ারি দক্ষিণ ভারতের শহর বেঙ্গালুরুতে অনুষ্ঠিত জি-২০-তে অর্থমন্ত্রী ও কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্ক গভর্নরদের বৈঠকের ফাঁকে এই বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। উল্লেখ্য, এই দুই দেশের মধ্যে লেনদেন হয় মার্কিন ডলারে এবং তারপরে তা রুপি বা টাকায় হিসাব করা হয়। এর ফলে উভয়পক্ষেরই কিছু ক্ষতি হয়। ফলে এমন এক ব্যবস্থার পরিকল্পনা করা হচ্ছে, যেখানে এই দুই দেশের মধ্যে লেনদেনের ক্ষেত্রে টাকা প্রথমে ডলারে রূপান্তর করতে হবে না।

    ডি-ডলারাইজেশন কী?

    ধরা যাক, একজন বাংলাদেশি (India Bangladesh) যার ক্রেডিট কার্ড রয়েছে তিনি ভারতে কেনাকাটা করলে রুপির পরিমাণ প্রথমে ডলারে এবং এরপর ডলার থেকে টাকায় রূপান্তরিত হয়। এটিকে ডলারাইজেশন বলা হয়। কিন্তু এই পদ্ধতি সরিয়ে ফেলা বা ডি-ডলারাইজেশন (De-dollarisation) করার কথাই আলোচনা করা হচ্ছে। শুধুমাত্র একটি লেনদেনের জন্য ২ বার ডলার রূপান্তরের কারণে ওই ব্যক্তিকে প্রকৃত রুপি-টাকার বিনিময় হারের চেয়ে বেশি অর্থ দিতে হয়। কিন্তু ডি-ডলারইজেশন হলে বেশি অর্থ দিতে হবে না।

    ভারত ও বাংলাদেশের (India Bangladesh) লেনদেন…

    বাংলাদেশ (India Bangladesh) ব্যাঙ্কের গভর্নর আবদুর রউফ তালুকদার এবং ভারতীয় রিজার্ভ ব্যাঙ্কের গভর্নর শক্তিকান্ত দাস এমনই একটি ব্যবস্থা নিয়ে আলোচনা করেছেন, যেখানে লেনদেনের ক্ষেত্রে ডলারে পরিবর্তন করতে হবে না। ফলে ভারতে আসা বাংলাদেশিদের কাছে একটি ডুয়াল কারেন্সি কার্ড থাকবে, যেখানে তাঁরা ভ্রমণের আগে ভারতীয় রুপি যোগ করে নিতে পারবেন। একইভাবে কোনও ভারতীয় বাংলাদেশে ভ্রমণের সময় একইভাবে তাদের কার্ডে টাকা যোগ করে নিতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে বিনিময় হার হবে সরাসরি টাকা থেকে রুপি বা রুপি থেকে টাকায়।

    ভারত (India Bangladesh) থেকে পণ্য ও পরিষেবা আমদানির ক্ষেত্রেও একই হিসাব প্রযোজ্য হয়। কিন্তু এই পদ্ধতি অনুসরণ করা হলে খুব কম সময়ের মধ্যেই ব্যবসায়ীরা তাদের মধ্যে লেনদেন সম্পন্ন করতে পারবেন। এছাড়াও বৈঠকে আবদুর রউফ তালুকদার জানান, এই পদ্ধতি চালু করা হলে ভারতকে যে পরিমাণ অর্থ দিতে হয়, তা আর বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ থেকে দিতে হবে না এবং এর ফলে রিজার্ভের ওপর চাপও কমবে (De-dollarisation)।

    শেখ হাসিনার সঙ্গে আলোচনা

    গত বুধবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের বৈঠকে এই বিষয়টি (De-dollarisation) নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। জানা গিয়েছে, এটি প্রথমে পরীক্ষামূলকভাবে চালু করা হবে। ব্যবসায়ীদের এই পদ্ধতিতে বিল পরিশোধের জন্য আরও অপেক্ষা করতে হবে। কারণ এর জন্য এই পদ্ধতিতে বেসরকারি ব্যাঙ্কগুলোকেও যুক্ত করতে হবে। গভর্নর খুব শীঘ্রই বিষয়টি নিয়ে ব্যাঙ্কগুলোর (India Bangladesh) সঙ্গে আলোচনা করবেন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Amit Malviya: ‘উত্তর-পূর্ব মমতাকে প্রত্যাখ্যান করেছে, এবার পশ্চিমবঙ্গের পালা’, কটাক্ষ অমিত মালব্যর

    Amit Malviya: ‘উত্তর-পূর্ব মমতাকে প্রত্যাখ্যান করেছে, এবার পশ্চিমবঙ্গের পালা’, কটাক্ষ অমিত মালব্যর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলার বাইরে এবারও শাখা বিস্তারে ব্যর্থ হল তৃণমূল কংগ্রেস। ত্রিপুরা বিধানসভা নির্বাচনে কার্যতই মুখ থুবড়ে পড়ল তৃণমূল। প্রায় একবছর ধরে সেখানে পড়ে ছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, নির্বাচনের আগে সভা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জিও (Mamata banerjee)। তার পরও সেখানে খাতা খুলতে পারল না তৃণমূল। এমনকী নোটার চেয়েও কম ভোট পেল তারা। ফলে উত্তর-পূর্বের তিন রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল আসতেই এবারে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে তীব্র কটাক্ষ করলেন বিজেপি নেতা অমিত মালব্য।

    গেরুয়া শিবিরের জয়

    সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে ত্রিপুরায় সরকারে ফিরছে বিজেপি। জোটসঙ্গী এনডিপিপি-কে নিয়ে তারা ক্ষমতা ধরে রাখতে পেরেছে নাগাল্যান্ডেও। ফলাফল ঘোষণার পরে বৃহস্পতিবার উত্তর-পূর্বের তিন রাজ্যেরই জনতা এবং বিজেপির নেতা-কর্মীদের ধন্যবাদ জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ট্যুইটে ত্রিপুরার জন্য তাঁর বার্তা, “শান্তি ও স্থিতিশীলতার পক্ষে এই ভোট। রাজ্যকে বৃদ্ধির পথে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্যে বিজেপি কাজ করে যাবে।” অন্যদিকে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী, রাজ্য বিজেপির সভাপতি সুকান্ত মজুমদার ও বিজেপির আইটি সেলের প্রধান অমিত মালব্য জয়ের পর ট্যুইটে উত্তর-পূর্ব রাজ্যের বিজেপি কর্মকর্তাদের অভিনন্দন জানিয়েছেন।

    আরও পড়ুন:উত্তর-পূর্বের তিন রাজ্যেই সরকারে পদ্ম! মেঘালয়ে এনপিপি-কে সমর্থন বিজেপির

    উল্লেখ্য, ত্রিপুরায় খাতা খুলতে ব্যর্থ হলেও মেঘালয়ে পাঁচটি আসন জিতে নিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। তাই তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, “ছ’মাস আগে আমরা সেখানে শুরু করেছিলাম, ১৫% ভোট পেয়েছি। জাতীয় দলের তকমা পেতে সাহায্য করবে। প্রধান বিরোধী হিসাবে কাজ করব।”

    তৃণমূল সুপ্রিমোকে কটাক্ষ মালব্যর

    অন্যদিকে ত্রিপুরার ফলপ্রকাশের পর বিজেপির আইটি সেলের প্রধান অমিত মালব্য উত্তর-পূর্ব রাজ্যগুলোতে তৃণমূলের অবস্থান দেখে মমতাকে তীব্র কটাক্ষ করেছেন। তিনি বলেছেন, উত্তর পূর্বের রাজ্যগুলি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে প্রত্যাখান করেছে। এবারে পশ্চিমবঙ্গের পালা। তিনি ট্যুইট করেও তৃণমূল কংগ্রেসের পরিস্থিতির সমালোচনা করে বলেছেন, “বাম কংগ্রেস জোট এবং টিএমসি থাকা সত্ত্বেও বিজেপিকে ত্রিপুরা ধরে রেখেছে। টিএমসি নোটার চেয়েও কম ভোট পেয়েছে। টিএমসি মেঘালয়ে ১২ জন বিধায়ককে নিয়েছিল। কিন্তু সংখ্যাটা এখন কমে দাঁড়িয়েছে ৫-এ। উত্তর-পূর্ব মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে প্রত্যাখ্যান করেছে। এরপর হবে পশ্চিমবঙ্গে।”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ

  • S Jaishankar: ‘সম্পর্ক স্বাভাবিক নেই…শান্তিই মূল লক্ষ্য’, চিনা বিদেশমন্ত্রীকে কড়া বার্তা জয়শঙ্করের

    S Jaishankar: ‘সম্পর্ক স্বাভাবিক নেই…শান্তিই মূল লক্ষ্য’, চিনা বিদেশমন্ত্রীকে কড়া বার্তা জয়শঙ্করের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত-চিন সম্পর্ক এখনও স্বাভাবিক নয়। ফলে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক যাতে স্বাভাবিক অবস্থায় ফেরে, সেজন্য দুই দেশকে ‘প্রকৃত সমস্যা’-র সমাধান করতে হবে। নয়াদিল্লিতে চিনের বিদেশমন্ত্রী কিন গ্যাংকে এমনটাই বার্তা দিলেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর (S Jaishankar)। জি-২০ বৈঠকের ব্যস্ত সূচির মধ্যেই চিনের বিদেশমন্ত্রী কিন গাংয়ের সঙ্গে সীমান্ত ইস্যুতে আলোচনা করেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। তিনি প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা বা এলএসি নিয়ে আলোচনা করেন। ভারত-চিন দ্বিপাক্ষিক আলোচনা মূলত জি-২০ বৈঠকের ফাঁকেই হয়েছে। ২০১৯ সালের পরে ফের কোনও চিনা বিদেশমন্ত্রী ভারত সফরে এলেন। উল্লেখ্য, ভারত সফরের আগে দু’দেশের মধ্যে সম্পর্কের উন্নতির পক্ষে সওয়াল করেছিলেন গ্যাং।

    কী বললেন বিদেশমন্ত্রী (S Jaishankar)?

    গতকাল সোশ্যাল মিডিয়ায় এস জয়শঙ্কর ট্যুইট করে জানান “আজ বিকেলে জি-২০ বৈঠকের ফাঁকে চিনের বিদেশমন্ত্রী কিন গ্যাং-এর সঙ্গে দেখা হয়েছিল। সীমান্ত এলাকায় শান্তি প্রশান্তির পাশাপাশি দুই দেশের মধ্যে বর্তমানে যেসব চ্যালেঞ্জগুলি রয়েছে তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। পরিস্থিতি মোকাবিলা নিয়েও কথা হয়েছে।” এদিন সাংবাদিক বৈঠকে জয়শঙ্কর বলেন, “চিনা মন্ত্রী দায়িত্ব নেওয়ার পরে এটাই ছিল তাঁর সঙ্গে আমার প্রথম বৈঠক। আমরা সম্ভবত প্রায় ৪৫ মিনিট একে অপরের সঙ্গে কথা বলেছি। আমাদের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের বর্তমান পরিস্থিতিই ছিল আজকের বৈঠকের প্রধান অংশ। জানানো হয়েছে, দু’দেশের মধ্যে আসল সমস্যা নিয়ে খোলাখুলি ভাবে, কোনও জড়তা ছাড়াই আলোচনা করতে হবে। তা না-হলে সম্পর্কে স্বাভাবিকতা ফিরবে না। আমাদের কথাবার্তার মূল লক্ষ্য সীমান্তে শান্তি ফেরানো।” উল্লেখ্য, ডিসেম্বরে চিনের বিদেশ মন্ত্রকের দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন কিন গ্যাং। তারপর এটাই জয়শঙ্করের (S Jaishankar) সঙ্গে তাঁর প্রথম বৈঠক।

    আরও পড়ুন: প্রয়াত হলেন প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা বিজেপি সাংসদ সত্যব্রত মুখোপাধ্যায়

    ভারত ও চিন সম্পর্ক

    বার বার শান্তির কথা বলা হলেও ভারত এবং চিনের প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা সংলগ্ন অঞ্চলে গেড়ে বসেছে চিনা ফৌজ। গত আড়াই বছর ধরে ভারতের টহলদারির এলাকাও তারা দখল করে রেখেছে বলে অভিযোগ। ফলে এবারে সীমান্তে শান্তি ফেরানো নিয়ে তিনি গ্যাংয়ের উপরে চাপ তৈরি করেছেন বলে বিদেশমন্ত্রী (S Jaishankar) জানিয়েছেন। প্রসঙ্গত, ২০২০ সাল থেকেই ভারত ও চিন সীমান্তে অস্থিরতা দেখা গেছে। চিনা সেনার লাদাখ ও অরুণাচপ্রদেশ সীমান্ত এলাকায় আগ্রাসনের কারণে গালওয়ানের সংঘর্ষও ঘটেছে। মৃত্যু হয়েছিল ভারতীয় সেনার ২০ জন জওয়ানের। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে দুই দেশই একাধিক বৈঠক করেছে। কিন্তু এখনও পর্যন্ত সমাধান সূত্র অধরাই রয়ে গেছে। এই পরিস্থিতির মধ্যেই চলতি বছরে অরুণাচল প্রদেশের তাওয়াং অঞ্চলে ফের চিনা আগ্রাসনের ঘটনা ঘটে। এ নিয়ে চিনের কড়া সমালোচনা করেছিল নয়াদিল্লি। এই পরিস্থিতিতে দুই বিদেশমন্ত্রীর বৈঠক যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ।

    ২০২০ সালের পর অরুণাচল প্রদেশে চিনা আগ্রাসনে পর ভারত-চিন সম্পর্কের অবস্থা স্বাভাবিক নেই, ফলে এবারে বৈঠকে চিনের বিদেশমন্ত্রীকে কড়া বার্তা দিয়ে জয়শঙ্কর (S Jaishankar) জানিয়ে দিয়েছেন যে, সীমান্তে পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হলে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কও স্বাভাবিক ছন্দে ফিরবে না।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ। 

LinkedIn
Share