Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Himanta Biswa Sarma: ‘নিঃশর্ত ক্ষমা’ চেয়েছেন পবন খেরা! ট্যুইট করে জানালেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী

    Himanta Biswa Sarma: ‘নিঃশর্ত ক্ষমা’ চেয়েছেন পবন খেরা! ট্যুইট করে জানালেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘নিঃশর্ত ক্ষমা’ চেয়েছেন কংগ্রেস নেতা পবন খেরা বলে দাবি করলেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা। আজ, শুক্রবার এই দাবি করেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সম্পর্কে আপত্তিকর মন্তব্য করার অভিযোগ উঠেছিল কংগ্রেস নেতা পবন খেরার বিরুদ্ধে। ফলে এই নিয়ে তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয় অসমের হাফলং থানায়। বৃহস্পতিবার অসম পুলিশ গ্রেফতারও করেছিল তাঁকে। তবে আপাতত অন্তর্বর্তীকালীন জামিন পেয়েছেন পবন খেরা। আর এর পরেই পবন খেরাকে নিয়ে বলতে দেখা গেল হিমন্ত বিশ্ব শর্মাকে। এদিন তিনি ট্যুইট করে এও জানান যে, অসমের পুলিশ এই মামলায় ‘যৌক্তিক পরিণতি’ নিয়ে আসবে।

    কী ঘটেছিল?

    প্রসঙ্গত, দিন কয়েক আগে এক সাংবাদিক বৈঠকে আদানিকাণ্ডে মোদিকে কটাক্ষ করেন পবন। প্রধানমন্ত্রীকে নরেন্দ্র দামোদরদাস মোদির বদলে ‘নরেন্দ্র গৌতমদাস মোদি’ বলে কটাক্ষ করেন। এর পরেই পবনের গ্রেফতারির দাবি জানায় গেরুয়া শিবির। বিজেপি নেতাদের অভিযোগের প্রেক্ষিতে এফআইআর দায়ের করেছিল অসম পুলিশ। সব মিলিয়ে অসমের ১৫টি জেলায় পবনের বিরুদ্ধে ১৫টি মামলা দায়ের হয়। এরপর বৃহস্পতিবার দিল্লি থেকে ছত্তিশগড়ের রায়পুর যাওয়ার পথে বিমান থেকে নামিয়ে তাঁকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তারপরই গ্রেফতারির বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন পবন ও বৃহস্পতিবারই জামিন পান এই কংগ্রেস নেতা। সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড় পবন খেরাকে অন্তর্বর্তীকালীন জামিন দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। এই মামলার পরবর্তী শুনানি ২৮ ফেব্রুয়ারি।

    অসমের মুখ্যমন্ত্রী কী বললেন?

    এদিন অসমের মুখ্যমন্ত্রী রিট পিটিশনের একটি কপি শেয়ার করে ট্যুইট করে লিখেছেন, “অভিযুক্ত নিঃশর্ত ক্ষমা চেয়েছেন। আমরা আশা করি , ‘পাবলিক স্পেসের’ পবিত্রতা বজায় রেখে পরবর্তীকালে কেউ রাজনৈতিক আলোচনায় অসভ্য ভাষা ব্যবহার করবেন না। অসম পুলিশ যুক্তিপূর্ণভাবে এই এই বিষয়টি খতিয়ে দেখছে।”

    ক্ষমা চেয়েছেন পবন খেরা!

    গতকাল আবার সুপ্রিম কোর্টে পবন খেরার আইনজীবী অভিষেক মনু সিংভি জানান, ওই মন্তব্যের জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছেন পবন খেরা। পবন খেরা জানিয়েছেন, এটা ভুল এবং ‘স্লিপ অফ টাং’। পবন খেরা আরও জানিয়েছেন এই জন্য তিনি ক্ষমাপ্রার্থী। আগামী দিনে এই রকম মন্তব্য করা থেকে বিরত থাকবেন তিনি।

  • Vaccination: টিকাকরণ কর্মসূচির কারণে প্রাণ বেঁচেছে প্রায় ৩৪ লক্ষ ভারতীয়র, বললেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী

    Vaccination: টিকাকরণ কর্মসূচির কারণে প্রাণ বেঁচেছে প্রায় ৩৪ লক্ষ ভারতীয়র, বললেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: করোনার টিকাকরণ কর্মসূচি (Vaccination) দেশে প্রায় ৩৪ লক্ষ মানুষের প্রাণ বাঁচিয়েছে। শুক্রবার একথা বললেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী মনসুখ মাণ্ডব্য। করোনাকালে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ভূমিকার ভূয়সী প্রশংসা করেন তিনি। তাঁর মতে, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ৩০ জানুয়ারি ২০২০ সালে করোনাকে মহামারি ঘোষণা করার অনেক আগেই মোদিজি প্রস্তুতি ও পরিকল্পনা দুই-ই শুরু করেন করোনা মোকাবিলা করার।

    আরও পড়ুন: টলিউডের সঙ্গে কতটা যোগ ছিল নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডের নতুন ‘গ্ল্যামার-গার্ল’ হৈমন্তীর?

    কী বললেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী মনসুখ মাণ্ডব্য

    এদিন স্ট্যান্ডফোর্ডে ‘The India Dialog’ অনুষ্ঠানে একটি ভার্চুয়ালি বক্তব্য রাখছিলেন দেশের স্বাস্থ্যমন্ত্রী, সেখানেই তিনি এই মন্তব্য করেন। এদিন মন্ত্রী বলেন, মোদি সরকারের এই প্রচেষ্টায় প্রাণ বেঁচেছে ৩৪ লক্ষ মানুষের। করোনাকালে লকডাউনের সময় দেশের মধ্যে প্রতিটি মানুষ গৃহবন্দি ছিলেন। হাতে কারও কাজ ছিল না। প্রায় ৮০ কোটি মানুষ যাতে রাতে ক্ষুধার্ত না ঘুমায় তাই মোদিজি বিনামূল্যে রেশনের মাধ্যমে খাদ্যশস্য দিয়েছেন প্রত্যেককে।

    এদিন তিনি বক্তব্যে আরও বলেন, করোনাকালে কেন্দ্রীয় সরকারের নীতি ছিল “Whole of Government” and “Whole of Society” এই প্রচেষ্টাতেই মোকাবিলা করা সম্ভব হয়েছে করোনার মতো ভয়ঙ্কর মহামারির। ২৯ মার্চ ২০২০ এর আগেই ১১টি গ্রুপ তৈরি করা হয় সম্পূর্ণ ব্য়বস্থাকে পরিচালনা করার জন্য, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিল Drugs, Vaccination, Logistics ইত্যাদি।

    রেকর্ড পরিমাণ করোনার পরীক্ষাও সম্পন্ন হয়েছে বলে জানান তিনি। মাণ্ডব্য বলেন, মোট ৯১ কোটি মানুষের করোনা পরীক্ষা করা হয়েছে। মোদি সরকার সেসময় ৫২টি ল্যাবও তৈরি করেছিল করোনার নতুন নতুন ভ্যারিয়েন্টগুলির বিষয়ে গবেষণা করার জন্য। এখনও অবধি ২২০ কোটি ভ্যাকসিনের ডোজ সম্পূর্ণ হয়েছে বলে জানান তিনি।

    আরও পড়ুন: ‘১২টা ৪৮ মিনিটেই হাতে এসে যায়’, মাধ্যমিকের ইংরেজি প্রশ্নপত্র নিয়ে বিস্ফোরক দাবি সুকান্তর

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     

     

     

  • Delhi Liquor Policy: কেজরির দুয়ারে ইডি! এবার জেরা মুখ্যমন্ত্রীর আপ্ত সহায়ককে, কেন জানেন?

    Delhi Liquor Policy: কেজরির দুয়ারে ইডি! এবার জেরা মুখ্যমন্ত্রীর আপ্ত সহায়ককে, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লির আবগারি নীতি (Delhi Liquor Policy) মামলায় এবার মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালের (Arvind Kejriwal) আপ্ত সহায়ক বিভব কুমারকে জিজ্ঞাসাবাদ করল ইডি (ED)। বিভব  কেজরিওয়ালের ঘনিষ্ঠ সহচর। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে খবর, বৃহস্পতিবার বিভবকে দিল্লির আবগারি নীতি ও তৎপরবর্তীকালে ঘুষ নিয়ে মদের দোকানের লাইসেন্স পাইয়ে দেওয়ার অভিযোগেই জেরা করা হয়েছে। সম্প্রতি এই মামলায়ই দিল্লির উপমুখ্যমন্ত্রী মনীশ সিসোদিয়াকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছিল সিবিআই। তল্লাশি চালানো হয়েছিল মুখ্যমন্ত্রীর সচিবালয়েও। এবার খোদ মুখ্যমন্ত্রীর আপ্ত সহায়ককে তলব করে জিজ্ঞাসাবাদ করতে শুরু করল ইডি।

    ইডির দাবি…

    ইডির দাবি, প্রায় ১০০ কোটি টাকা ঘুষ নেওয়া হয়েছিল। প্রমাণ লোপাট করতে ইতিমধ্যেই নষ্ট করা হয়েছে ১৭০টি ফোন। কিছু দিন আগেই তদন্তকারীরা জানিয়েছিলেন, লাইসেন্সের (Delhi Liquor Policy) বিনিময়ে নেওয়া ঘুষের অর্থের প্রমাণ লোপাট করার চেষ্টা চলছে। ওই কাজে অন্তত ৩৬ জন যুক্ত বলেও অভিযোগ ইডির। এই ৩৬ জনের মধ্যেই রয়েছেন মনীশ এবং বিভব। সেই সূত্রেই এদিন জেরা করা হয় বিভবকে।

    আবগারি নীতিকাণ্ডে ইতিমধ্যেই দুটি চার্জশিট জমা দিয়েছে ইডি। তাতে বলা হয়েছে, অন্তত ৩৬ জন অভিযুক্ত লেনদেন ও বেআইনি কারবার গোপন করতে ঘন ঘন মোবাইল সেট বদল করতেন। ওই তালিকায় দিল্লির আবগারি মন্ত্রী মনীশ সিসোদিয়া ও কেজরিওয়ালের পিএ বিভব কুমারের নামও রয়েছে। গোয়েন্দাদের বক্তব্য, আবগারি নীতি (Delhi Liquor Policy) তৈরির প্রক্রিয়ায় যুক্ত ছিলেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী কেজরিওয়ালও। সেই কাজে তাঁর ফ্রন্টম্যান ছিলেন বিভব। গোয়েন্দাদের আরও দাবি, আবগারি নীতির খসড়ার কপি মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ি থেকে এনে সংশ্লিষ্ট সকলের কাছে পৌঁছে দিয়েছিলেন বিভবই। বিজেপির দাবি, এই কাণ্ডে আসল চক্রী মুখ্যমন্ত্রী কেজরিওয়াল। এদিন তাঁরই আপ্ত সহায়ককে জেরা করা হল।

    আরও পড়ুুন: ‘শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতিতে আমি মাঝের সেই গুরুকে চাই’, সিবিআইকে বললেন বিচারক

    প্রসঙ্গত, দুর্নীতির বিরুদ্ধে সুর চড়িয়ে দিল্লির ক্ষমতা দখল করেছিল কেজরিওয়ালের আম আদমি পার্টি। সরকার জানিয়েছিল, নয়া আবগারি নীতিতে মদের কালোবাজারি কমবে, শায়েস্তা হবে মদ মাফিয়ারা। এর আগে দিল্লির উপমুখ্যমন্ত্রী মনীশ সিসোদিয়ার বাড়িতে হানা দিয়েছে সিবিআই। দিল্লির লেফটেন্যান্ট গভর্নর বিনয় কুমার সাক্সেনা আগেই আবগারি নীতি নিয়ে সিবিআই তদন্তের সুপারিশ করেছিলেন। তাঁর দাবি ছিল, দিল্লির উপমুখ্যমন্ত্রী আবগারি নীতিতে দুর্নীতিতে সরাসরি যুক্ত এবং বিভিন্ন ব্যক্তিকে এই আবগারি নীতির মাধ্যমে সুযোগ সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার বিনিময়ে তিনি নিজেও আর্থিকভাবে লাভবান হয়েছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     

     

  • Antony Blinken: মার্চে ভারতে আসছেন মার্কিন বিদেশ সচিব অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন, এই সফর কতটা তাৎপর্যের?

    Antony Blinken: মার্চে ভারতে আসছেন মার্কিন বিদেশ সচিব অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন, এই সফর কতটা তাৎপর্যের?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতে (India) আসছেন মার্কিন বিদেশ সচিব অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন (Antony Blinken)। মার্চ মাসের ১ তারিখে ভারতে আসবেন তিনি। এবার জি ২০ (G 20) সম্মেলনের আয়োজক দেশ ভারত। এরই অঙ্গ হিসেবে মার্চে হবে সদস্য দেশগুলির বিদেশমন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠক। ওই বৈঠকে যোগ দিতেই ভারতে আসছেন ব্লিঙ্কেন। ইউএস ডিপার্টমেন্ট অফ স্টেটের তরফেই জানা গিয়েছে এ খবর। এই বৈঠকে মূলত আলোচনা হবে খাদ্য সহযোগিতা, শক্তি, নিরাপত্তা, বহু পাক্ষিকতা এবং  উন্নয়ন নিয়ে।

    অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন…

    ভারত সরকারের বিভিন্ন আধিকারিকের সঙ্গে বৈঠকও করবেন ব্লিঙ্কেন। এ পর্বের ভারত সফরে তিনি নাগরিক সমাজের সঙ্গেও বৈঠক করবেন। অফিসিয়াল স্টেটমেন্ট অনুযায়ী, মার্চের ১ তারিখে ব্লিঙ্কেন নয়াদিল্লি সফরে আসবেন জি ২০ সম্মেলনে বিদেশমন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকে যোগ দিতে। এই বৈঠকে আলোচনা হবে মূলত বহু পাক্ষিকতার ওপর। আলোচনা হবে খাদ্য সহযোগিতা, শক্তি নিরাপত্তা, উন্নয়ন, মাদক বিরোধী, বিশ্ব স্বাস্থ্য, মানবিক সহযোগিতা এবং বিপর্যয় ত্রাণ নিয়েও। লিঙ্গ-সাম্য এবং মহিলাদের ক্ষমতায়ন নিয়েও আলোচনা হবে। বিবৃতিতে এও জানানো হয়েছে, ব্লিঙ্কেন ভারত সরকারের আধিকারিক এবং নাগরিক সমাজের সঙ্গে বৈঠক করবেন।

    আরও পড়ুুন: ‘‘শেহবাজ-ইমরান নয়, আমাদের মোদিকে প্রয়োজন’’! দাবি পাক নাগরিকদের, দেখুন ভিডিও

    ভারতে আসার আগে ব্লিঙ্কেন (Antony Blinken) কাজাখাস্তান ও উজবেকিস্তান সফর করবেন। কাজাখাস্তানের আস্তানায় ব্লিঙ্কেন বৈঠক করবেন ওই দেশের প্রবীণ আধিকারিকদের সঙ্গে। সি ফাইভ প্লাস ওয়ানের মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকেও অংশ নেবেন তিনি। রবিবার ব্লিঙ্কেন ও চিনের উচ্চ পর্যায়ের কূটনীতিজ্ঞ ওয়াং ই মিউনিখ সিকিউরিটি কনফারেন্সের বাইরে বৈঠক করেন। দুই দেশের উত্তেজনা কমাতেই হয়েছে এই বৈঠক। ঘণ্টাখানেকের ওই বৈঠকে হয়েছে অজ্ঞাত এক স্থানে। প্রসঙ্গত, এই মাসের প্রথম দিকে বেলুন ওড়ানো নিয়ে উত্তেজনা ছড়ায় দুই দেশের মধ্যে। রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধে রাশিয়াকে সাহায্য করার অভিযোগে বেজিংকে একহাত নেন ব্লিঙ্কেন। এমতাবস্থায় হচ্ছে দুই দেশের বৈঠক।

    দিন কয়েক আগে চিনের বেলুন ঢুকে পড়ে মার্কিন আকাশে। সেই বেলুনটিকে গুলি করে নামায় মার্কিন সেনা। তার পর থেকেই চিন এবং আমেরিকার মধ্যে দেখা গিয়েছে উত্তেজনা। সেই উত্তেজনা প্রশমিত করতেই এদিনের বৈঠক (Antony Blinken) বলে আন্তর্জাতিক মহলের ধারণা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebookবং Twitter পেজ।

     

     

     

  • Russia Ukraine War: ইউক্রেন ইস্যুতে রাষ্ট্রসংঘে ভোটদানে বিরত রইল ভারত, কেন জানেন?

    Russia Ukraine War: ইউক্রেন ইস্যুতে রাষ্ট্রসংঘে ভোটদানে বিরত রইল ভারত, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ শুক্রবার, ২৪ ফেব্রুয়ারি। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের (Russia Ukraine War) বর্ষপূর্তি। রাশিয়ার (Russia) আক্রমণের জেরে কার্যত বিধ্বস্ত ইউক্রেন। এই যুদ্ধবিধ্বস্ত ইউক্রেন থেকে রাশিয়ার সেনা প্রত্যাহারের দাবিতে বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রপুঞ্জে (UN) পাশ হল প্রস্তাব। এই ভোটে অংশ নেয়নি ভারত (India)। অংশ নেয়নি চিন সহ ৩২টি দেশও। রাষ্ট্রপুঞ্জের ১৪১টি সদস্য দেশ এই প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দিয়েছে। প্রস্তাবের বিরোধিতা করেছে ৭ সদস্য দেশ।

    রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ…

    ২০২২ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেন আক্রমণের নির্দেশ দেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। শুক্রবার ছিল তার বর্ষপূর্তি। এর ঠিক একদিন আগে ভোটাভুটি হয় রাষ্ট্রসংঘের সাধারণ সভায়। রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধ (Russia Ukraine War) শুরু হওয়ার পর থেকেই একাধিকবার রাষ্ট্রসংঘের সাধারণ সভা ও নিরাপত্তা পরিষদে এই ইস্যুতে ভোটাভুটি হয়েছে। প্রতিবারই ভোটদানে বিরত থেকেছে ভারত। এবারও অন্যথা হয়নি তার।

    রাষ্ট্রপুঞ্জে ভারতের স্থায়ী প্রতিনিধি রুচিরা কম্বোজ বলেন, ইউক্রেনের পরিস্থিতি নিয়ে ভারত উদ্বিগ্ন। দু দেশের সংঘাতের কারণে অগুণতি জীবন হারিয়েছে। মানুষের জীবনে দুর্ভোগ বেড়েছে এবং লক্ষাধিক মানুষ গৃহহীন হয়ে পড়েছেন। সাধারণ মানুষের ওপর হামলা গভীরভাবে উদ্বেগজনক। তিনি আরও বলেন, ভারত রাষ্ট্রসংঘের সনদের নীতিগুলিকে সমর্থন করে। আমাদের দেশেও আমরা আলোচনা ও কূটনৈতিক পদ্ধতিতে কোনও সমস্যার সমাধানে বিশ্বাসী। তিনি বলেন, আমাদের মনে হয় এই প্রস্তাবে দীর্ঘস্থায়ী শান্তি সুরক্ষিত করার যে পন্থার কথা বলা হয়েছে, তাতে বেশ কিছু সীমাবদ্ধতা রয়েছে। আর সেই কারণেই আমরা ভোটদান থেকে নিজেদের বিরত রাখছি।

    আরও পড়ুুন: অক্টোবরকে ‘হিন্দু হেরিটেজ’ মাস ঘোষণার দাবি ভারতীয় বংশোদ্ভূত স্টেট সেনেটরের

    এদিন ভোটাভুটির সময় নয়াদিল্লির অবস্থান স্পষ্ট করেন রুচিরা। এ প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির প্রসঙ্গ উল্লেখ করেন তিনি। গত বছর উজবেকিস্তানের সমরখন্দে সাংহাই কর্পোরেশন অর্গানাইজেশনের সম্মেলনে যোগ দিতে গিয়ে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী। সেই বৈঠকে পুতিনকে মোদি সাফ জানিয়ে দেন, এটা যুদ্ধের যুগ নয়। মোদির সেই সুরের প্রতিধ্বনিই এদিন শোনা গিয়েছে রুচিরার কণ্ঠে। তিনি বলেন, ভারত সব সময়ই রাষ্ট্রসংঘের নীতিগুলিকে সমর্থন করে এসেছে। এই নীতিগুলি আমরা মেনে চলি। আলোচনা ও কূটনীতির মাধ্যমেই সমস্যার সমাধান হবে বলে আমরা বিশ্বাসও করি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Pawan Khera: বিমান থেকে নামিয়ে গ্রেফতার করা হল কংগ্রেস নেতা পবন খেরাকে, কেন জানেন?

    Pawan Khera: বিমান থেকে নামিয়ে গ্রেফতার করা হল কংগ্রেস নেতা পবন খেরাকে, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিমান থেকে নামিয়ে গ্রেফতার করা হল কংগ্রেস (Congress) নেতা পবন খেরাকে (Pawan Khera)। রায়পুরগামী বিমান থেকে নামানো হয় এআইসিসির অন্যতম মুখপাত্র পবনকে। সেখানেই অসম পুলিশ গ্রেফতার করে বর্ষীয়ান এই কংগ্রেস নেতাকে। অসম (Assam) পুলিশ জানিয়েছে, তাদের অনুরোধে দিল্লি পুলিশ পবনকে বিমান থেকে নামিয়ে নেয়। কারণ পবনের বিরুদ্ধে রয়েছে এফআইআর। এরপর পবনকে গ্রেফতার করা হয়।

    পবন…

    বৃহস্পতিবার সতীর্থদের সঙ্গে দিল্লি থেকে ছত্তিশগড়ের রায়পুর যাচ্ছিলেন পবন। কংগ্রেসের প্লেনারি অধিবেশনে যোগ দিতে যাচ্ছিলেন তাঁরা। বোর্ডিং পাস হাতে নিয়ে বিমানের আসনে বসে পড়ার পর তাঁকে বিমানকর্মীরা জানান, তাঁর সঙ্গে ডিপিসি দেখা করবেন। তাই নীচে নামতে হবে তাঁকে। তাঁকে রায়পুরগামী বিমানে নেওয়ার অনুমতি নেই বলেও বিমানকর্মীরা জানান। পবন নীচে নামতেই গ্রেফতার করা হয় তাঁকে। ঘটনার প্রতিবাদে টারম্যাকেই অবস্থান বিক্ষোভ শুরু করেন কংগ্রেস নেতা কেসি বেণুগোপাল, সুপ্রিয়া শ্রীনাতে, রণদীপ সিংহ সূরযেওয়ালা প্রমুখ।

    গ্রেফতারির বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন পবন (Pawan Khera)। সুপ্রিম কোর্টকে তিনি জানিয়েছেন, তাঁর বিরুদ্ধে বারাণসী, লখনউ, অসমে একাধিক এফআইআর দায়ের করা হয়েছে। অভিযোগ, তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে নিয়ে কটাক্ষ করেছিলেন। আদালতে পবন জানান, তাঁকে রায়পুরগামী বিমান থেকে নামিয়ে গ্রেফতার করেছে অসম পুলিশ। আদালত থেকে রক্ষাকবচেরও আবেদন করেছেন পবন।

    আরও পড়ুুন: ভূস্বর্গে ফিরেছে শান্তি! ৩৭০ অবলুপ্তির পর প্রথমবার কাশ্মীর থেকে সেনা সরানোর পথে মোদি সরকার?

    দিন কয়েক আগে এক সাংবাদিক বৈঠকে আদানিকাণ্ডে মোদিকে কটাক্ষ করেন পবন। প্রধানমন্ত্রীকে নরেন্দ্র দামোদরদাস মোদির বদলে নরেন্দ্র গৌতমদাস মোদি বলে কটাক্ষ করেন। এর পরেই পবনের (Pawan Khera) গ্রেফতারির দাবি জানায় গেরুয়া শিবির। বিজেপি নেতাদের অভিযোগের প্রেক্ষিতে এফআইআর দায়ের করেছিল অসম পুলিশ। সব মিলিয়ে অসমের ১৫টি জেলায় পবনের বিরুদ্ধে ১৫টি মামলা দায়ের হয়। কংগ্রেসের অভিযোগ, এই কারণেই পবনকে হেনস্থা করা হচ্ছে। ওই কারণেই তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলেও প্রাথমিক অনুমান কংগ্রেসের। ভয়ে হিতাহিত জ্ঞানশূন্য হয়ে বিজেপি এসব করছে বলেও অভিযোগ গ্র্যান্ড ওল্ড পার্টির।

    প্রসঙ্গত, শুক্রবার থেকে রায়পুরে শুরু হচ্ছে কংগ্রেসের তিনদিন ব্যাপী প্লেনারি। কংগ্রেসের শীর্ষস্থানীয় সব নেতাই উপস্থিত থাকবেন সেখানে। এই প্লেনারিতে যোগ দিতেই রায়পুরে উড়ে যাচ্ছিলেন পবন। তিনি বলেন, আমাকে প্রথমে বলা হয়েছিল আপনার লাগেজে সমস্যা রয়েছে। পরে ফ্লাইট থেকে নেমে যেতে বলা হয়। তার পর বলা হয় ডিসিপি আপনার সঙ্গে দেখা করবেন। এরপর আমাকে অনেকক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়। তিনি বলেন, কোনও নিয়মকানুন, আইনশৃঙ্খলা, যুক্তিবু্দ্ধির কোনও চিহ্নই ছিল না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Kashmir: ভূস্বর্গে ফিরেছে শান্তি! ৩৭০ অবলুপ্তির পর এবার কাশ্মীর থেকে সেনা প্রত্যাহারের পথে মোদি সরকার?

    Kashmir: ভূস্বর্গে ফিরেছে শান্তি! ৩৭০ অবলুপ্তির পর এবার কাশ্মীর থেকে সেনা প্রত্যাহারের পথে মোদি সরকার?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মোদি সরকারের জমানায় নেওয়া হয় এক ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত। সংবিধান থেকে অবলুপ্ত করে দেওয়া হয় ধারা ৩৭০, বিশেষ মর্যাদা হারায় জম্মু-কাশ্মীর। সেসময় উপত্যকা জুড়ে প্রচুর পরিমাণে অতিরিক্ত সেনা মোতায়েন করে কেন্দ্রীয় সরকার। এই ঘটনার এখন তিন বছর পার হয়েছে। ফলে এক বড় পদক্ষেপ নিতে চলেছে কেন্দ্রীয় সরকার। জম্মু ও কাশ্মীর থেকে সেনা প্রত্যাহারের কথা ভাবছে কেন্দ্রীয় সরকার।

    ভূস্বর্গ থেকে সেনা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত

    সূত্রের খবর, বিশেষ মর্যাদা প্রত্যাহারের সাড়ে তিন বছর পর উপত্যকা থেকে সেই সেনা প্রত্যাহারের চিন্তাভাবনা করছে কেন্দ্রীয় সরকার। শীর্ষস্তর থেকে এই প্রস্তাব মঞ্জুর হলেই এই প্রস্তাব কেবল নিয়ন্ত্রণ রেখা (এলওসি) বরাবর মোতায়েন থাকবে সেনাবাহিনীর সদস্যরা। এক সর্বভারতীয় সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, বিষয়টি নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক, প্রতিরক্ষা মন্ত্রক, সশস্ত্র বাহিনী এবং জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশের মধ্যে আলোচনা হয়েছে। ফলে এই প্রস্তাবনা গৃহীত হলে জম্মু-কাশ্মীরে ভারত-পাকিস্তান আন্তর্জাতিক সীমান্তের নিয়ন্ত্রণ রেখা বরাবর ছাড়া আর কোথাও সেনা মোতায়েন থাকবে না। সূত্রের খবর, গত দু’বছর ধরেই এ বিষয়ে আলোচনা চলছে।

    নিরাপত্তার দায়িত্বে সিআরপিএফ

    জানা গিয়েছে, ভারতীয় সেনাকে কাশ্মীরের নিরাপত্তার দায়িত্ব থেকে সরিয়ে সেখানে সিআরপিএফকে দায়িত্ব দেওয়া হবে। দুই কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের আইন-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে ও সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলার জন্যই সিআরপিএফ মোতায়েন করা হবে বলে জানানো হয়েছে।

    কেন এই পরিকল্পনা?

    কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের এক আধিকারিক বলেছেন, সরকার দাবি করেছে যে ২০১৯ সালের অগাস্ট থেকে জম্মু ও কাশ্মীরে সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপ নিরাপত্তা কর্মীদের হত্যার ঘটনায় উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন হয়েছে। কমেছে সেনাবাহিনীর ওপর পাথর ছোঁড়ার ঘটনাও। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলেই সেনা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত, দাবি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের।

    সূত্রের খবর অনুযায়ী, সেনাবাহিনী প্রত্যাহারের পর সেখানকার দায়িত্বে থাকবে সিআরপিএফ এবং জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশ। আরও জানা গিয়েছে, উপত্যকার দায়িত্বে থাকা সেনাবাহিনীর রাষ্ট্রীয় রাইফেলসকেও তিনটি ভাগে তুলে নেওয়া হবে। সিআরপিএফকে দিয়ে তাদের আংশিক প্রত্যাহারের পরিকল্পনা করা হয়েছে। তবে এই পরিকল্পনায় রাষ্ট্রীয় রাইফেলসের সদস্য সংখ্যা হ্রাস করা হবে, তাদেরকে একেবারে প্রত্যাহার করা হবে না। এইভাবে প্রায় ১৫ হাজার রাষ্ট্রীয় রাইফেলস প্রত্যাহার করা যেতে পারে।

    উল্লেখ্য, ১৯৯০ সালে তৈরি করা হয় রাষ্ট্রীয় রাইফেলস। তখন থেকেই জম্মু ও কাশ্মীরে জঙ্গি কার্যকলাপ দমনে নেতৃত্বে দিচ্ছে রাষ্ট্রীয় রাইফেলস। তবে ২০০৫ সাল থেকে শ্রীনগরে জঙ্গি দমন অভিযান পরিচালনা করে সিআরপিএফ এবং জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশ।

  • CBI: এলাহাবাদ হাইকোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতির বিরুদ্ধে মামলা সিবিআইয়ের, কেন জানেন?

    CBI: এলাহাবাদ হাইকোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতির বিরুদ্ধে মামলা সিবিআইয়ের, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এক সময় তিনিই করতেন বিচার। এবার তাঁরই বিচার হবে। এলাহাবাদ হাইকোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি এস এন শুক্ল ও তাঁর স্ত্রী শুচিতা তিওয়ারির বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করল সিবিআই (CBI)। আর্থিক অনিয়মের অভিযোগে দায়ের ওই হয়েছে মামলা। ওই দম্পতির বিরুদ্ধে আয়ের সঙ্গে সঙ্গতিহীন সম্পত্তির অভিযোগ এনেছে সিবিআই। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী এই সংস্থার দাবি, এলাহাবাদ হাইকোর্টের (Allahabad HC) বিচারপতি থাকাকালীন এস এন শুক্ল ও তাঁর স্ত্রীর মোট সম্পত্তির পরিমাণ ২.৪৫ কোটি টাকা।

    সিবিআই…

    এই প্রথম নয়, এর আগেও এস এন শুক্লর বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগে মামলা দায়ের করেছিল সিবিআই। সেটা ২০১৯ সাল। তখন এলাহাবাদ হাইকোর্টে কর্মরত ছিলেন তিনি। সেই সময় তাঁর বিরুদ্ধে, বেআইনিভাবে প্রসাদ ইনস্টিটিউট অফ মেডিক্যাল সায়েন্স নামে একটি প্রতিষ্ঠানে ছাত্র ভর্তির পক্ষে রায় দিয়েছিলেন বিচারপতি এস এন শুক্ল। সেই মামলা এখনও সিবিআইয়ের আদালতে বিচারাধীন। বস্তুত, সেই প্রথম কোনও কর্মরত বিচারপতির বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের হয়েছিল।

    দ্বিতীয় বার যে মামলা শুক্লর বিরুদ্ধে দায়ের হয়েছে, তাতে সিবিআইয়ের (CBI) অভিযোগ, ২০১৪ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত কর্মরত থাকার সময় বিচারপতি শুক্ল ও তাঁর দ্বিতীয় স্ত্রী শুচিতার আয়ের সঙ্গে সঙ্গতিহীন ২ কোটি ৪৯ টাকা সম্পত্তির হদিশ মিলেছে। সিবিআইয়ের অভিযোগ, বিচারপতি পদে থাকাকালীন ক্ষমতার অপব্যবহার করেই ওই সম্পত্তি সংগ্রহ করেছেন শুক্ল ও তাঁর দ্বিতীয় স্ত্রী।

    আরও পড়ুুন: ‘সিবিআই কান অবধি পৌঁছে গেছে…’, কালীঘাটের কাকু সম্পর্কে বললেন সুকান্ত

    এর আগে শুক্লর বিরুদ্ধে চার্জশিট জমা দিয়েছিল ফেডারেল এজেন্সি। সেটা ২০২১ সালের ডিসেম্বর মাস। লখনউ ভিত্তিক প্রসাদ ইনস্টিটিউট অফ মেডিক্যাল সায়েন্স নিয়ে একটি মামলার রায় দিতে গিয়ে তিনি জুডিশিয়ার কোরাপশন করেছেন বলে অভিযোগ ওঠে। তার ভিত্তিতেই জমা দেওয়া হয় চার্জশিট। বুধবার সিবিআয়ের তরফে জানানো হয়, আগে যে তদন্ত হয়েছে, সূত্র মারফত তাতে জানা গিয়েছে এস এন শুক্ল একজন পাবলিক সার্ভেন্ট। এলাহাবাদ হাইকোর্টের লখনউ বেঞ্চে ছিলেন তিনি। দুর্নীতিমূলক কাজের সঙ্গে যুক্ত হয়ে তিনি আয়ের সঙ্গে সঙ্গতিহীন সম্পদ করেছেন। তাঁর দ্বিতীয় স্ত্রী শুচিতা তিওয়ারিও একই অভিযোগে অভিযুক্ত। প্রসঙ্গত, ২০২০ সালে এলাহাবাদ হাইকোর্ট থেকে অবসর নেন বিচারপতি শুক্ল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • CBI: এবার বেআইনি নজরদারি চালানোর অভিযোগে মণীশ সিসোদিয়ার বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের পথে সিবিআই

    CBI: এবার বেআইনি নজরদারি চালানোর অভিযোগে মণীশ সিসোদিয়ার বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের পথে সিবিআই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লির উপমুখ্যমন্ত্রী মণীশ সিসোদিয়ার বিরুদ্ধে নতুন মামলা দায়ের করতে চলেছে সিবিআই (CBI)। সূত্রের খবর ইতিমধ্যে সবুজ সংকেতও দিয়েছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। দিল্লির অন্দরের খবর প্রধানমন্ত্রীর অফিস দিল্লির উপ-রাজ্যপাল বিকে সাক্সেনার পাঠানো এই সংক্রান্ত প্রস্তাবে সায় দিয়েছে। সাক্সেনার কাছে সিবিআই (CBI) এই মামলা দায়ের করার অনুমতি চেয়েছিল।
    আপাতত সিসোদিয়ার বিরুদ্ধে দিল্লির মদনীতি কেন্দ্রীক অনিয়মের মামলার তদন্ত চলছে। সেই মামলায় তাঁকে আবারও তলব করেছে সিবিআই। কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার বক্তব্য, মদনীতি সংক্রান্ত অনিয়মের ঘটনায় মণীশই মূল অভিযুক্ত। উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে আবগারি নীতি তৈরি করা হয়েছিল যাতে ব্যবসায়ীরা উপরি লাভ করতে পারে। অভিযোগ, যে আপ সবসময় দুর্নিতীমুক্ত প্রশাসনের কথা বলে অতিরিক্ত লাভের একটি অংশ গিয়েছে তাদের নির্বাচনী তহবিলে।

    সিসোদিয়ার বিরুদ্ধে নতুন কী অভিযোগ দায়ের করতে চলেছে সিবিআই (CBI)

    তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে বলা হয়েছে, দিল্লির আম আদমি সরকারের অধীনে ‘ফিডব্যাক ইউনিট’ নামে একটি সেল আছে। দিল্লি সরকারের অধীনে থাকা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কাজকর্মের দিকে নজর রাখা, অভিযোগ থাকলে খতিয়ে দেখাই এই ইউনিটের কাজ বলে জানানো হয়। অথচ দিল্লির রাজ্যপালকে এর বিন্দু বিসর্গও জানানো হয়নি। কেন্দ্রীয় শাসিত অঞ্চল হওয়ার সুবাদে দিল্লির যাবতীয় প্রশাসনিক কাজ দেখভাল কেন্দ্র সরকারই করে থাকে।

    কিন্তু সিবিআই (CBI) বিভিন্ন মহলের অভিযোগের ভিত্তিতে প্রাথমিক তদন্তের ভিত্তিতে নিশ্চিত হয়েছে, ওই ইউনিট রাজনৈতিক নেতা, মন্ত্রী, আমলা, ব্যবসায়ী-সহ প্রায় সাতশো জনের উপর নজরদারি চালিয়েছে, যা তাদের এক্তিয়ারের মধ্যে পড়ে না। জানা গেছে, ফিডব্যাক ইউনিট এভাবে বেআইনি নজরদারি চালিয়েছিল ২০১৬ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর অবধি।
    সিবিআইয়ের (CBI) দাবি, ওই ইউনিটটির কাজকর্ম নিয়মিত দেখভাল করে থাকেন মণীশ এবং তিনিই ঠিক করতেন কাদের উপর নজরদারি চালাতে হবে। শুধু বিরোধী দলের নেতা কর্মী নয়, নিজেদের দলের বিক্ষুব্ধ নেতাদের উপরেও নজরদারি চালাত এই ইউনিট।  ২০১৫-র শেষপ্রান্তে অরবিন্দ কেজরিওয়ালের সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠকে ফিডব্যাক ইউনিট চালুর সিদ্ধান্ত হয়। কিন্তু মন্ত্রিসভায় এজন্য কোনও নোট পেশ করা হয়নি। মৌখিকভাবে জানিয়ে প্রস্তাবটি পাশ করিয়ে নেওয়া হয়। এটাও বেনিয়ম বলছে সিবিআই (CBI)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

     

  • Earthquake Delhi: মাঝারি ভূমিকম্পে কাঁপল দিল্লি, ভবিষ্যতে বড় ক্ষতির আশঙ্কা ভারতেও! সতর্কবার্তা বিশেষজ্ঞদের

    Earthquake Delhi: মাঝারি ভূমিকম্পে কাঁপল দিল্লি, ভবিষ্যতে বড় ক্ষতির আশঙ্কা ভারতেও! সতর্কবার্তা বিশেষজ্ঞদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেঁপে উঠল রাজধানী দিল্লি-সহ উত্তর ভারতের বিভিন্ন অঞ্চল। বুধবার দুপুরে আচমকাই কেঁপে ওঠে রাজধানী দিল্লি ও সংলগ্ন এলাকা। জানা গিয়েছে এদিন দুপুর দেড়টা নাগাদ নেপালে একটি ভূমিকম্প আঘাত হানে। রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা ছিল ৪.৪। তবে এখনও ক্ষয়ক্ষতির খবর নেই। ভূমিকম্পের গভীরতা ছিল ১০ কিমি।

    রাজধানী দিল্লির পাশাপাশি ভূমিকম্পের অভিঘাত অনুভূত হয়েছে উত্তরপ্রদেশ, উত্তরাখণ্ড এবং হরিয়ানার বিস্তীর্ণ এলাকায়। এর ফলে সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়ায়। এদিন দুপুর দেড়টায় উত্তরাখণ্ডের পিথোরাগড়েও ভূমিকম্প অনুভূত হয়। ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৪.৪। পিথোরাগড় থেকে ১৪৩ কিলোমিটার দূরে ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল ছিল ১০ কিলোমিটারের মধ্যে।

    ভূমিকম্প অনুভূত মধ্যপ্রদেশ, উত্তর-পূর্ব ভারতে

    এর আগে রবিবার অর্থাৎ, ২০ ফেব্রুয়ারি মধ্যপ্রদেশের মালওয়া এলাকায় ভূমিকম্প হয়। ন্যাশনাল সেন্টার ফর সিসমোলজি (ভারতের ভূমিকম্প গবেষণা কেন্দ্র) ট্যুইট করে জানিয়েছে যে মধ্যপ্রদেশের ইন্দোর সদর দফতর থেকে ১৫১ কিলোমিটার দূরে ধার জেলায় রবিবার দুপুর ১২টা ৫৪ মিনিটে ভূমিকম্প হয়। ভুপৃষ্ঠের ১০ কিলোমিটার নিচে ৩.০ তীব্রতার ভূমিকম্প অনুভূত হয়। এর কেন্দ্রস্থল ছিল ধার জেলার গুজরাট ও মহারাষ্ট্র সীমান্তে। মৃদু এই ভূমিকম্পে কোনও ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি। ধার ছাড়াও বারওয়ানি ও আলিরাজপুরেও ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। 

    রবিবার শুধুমাত্র মধ্যপ্রদেশ নয়, অরুণাচল প্রদেশেও ভূমিকম্প হয়েছিল। রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা ছিল ৩.৮। জাতীয় ভূমিকম্প গবেষণা কেন্দ্রের রিপোর্ট অনুসারে, ওই দিন সকাল ৬টা বেজে ২৬ মিনিটে ভূমিকম্পে কেঁপে ওঠে মেঘালয়। ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল ছিল মেঘালয়ের পূর্ব খাসি পাহাড়ে ভূপৃষ্ঠ থেকে ৪৬ কিলোমিটার গভীরে। শুধু মেঘালয় নয়, অসম ও গুয়াহাটির বেশ কিছু এলাকায় ভূমিকম্পের কম্পন অনুভূত হয়েছিল।

    রবিবার সকাল ৭টা ৩ মিনিটে ভারত মহাসাগরে রিখটার স্কেলে ৪.৭ মাত্রার ভূকম্পন অনুভূত হয়েছিল। কম্পনের উৎসস্থল ছিল আন্দামান-নিকোবর দ্বীপপুঞ্জের ক্যাম্পবেল সৈকত থেকে ৬২৩ কিলোমিটার দক্ষিণপূর্বে সমদ্রতলে, ভূপৃষ্ঠ থেকে ৬৬ কিলোমিটার গভীরে।

    আরও পড়ুুন: ‘গোর্খারা বহিরাগত…’, শোভনদেবের মন্তব্যের প্রতিবাদে বিধানসভায় ওয়াকআউট বিজেপির

    ভয়াবহ ভূমিকম্পের শঙ্কা

    ভূমিকম্পের জেরে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন এইসব রাজ্যের বাসিন্দারা। তবে হতাহতের কোনও খবর নেই। সাম্প্রতিক তুরস্ক-সিরিয়ার ভূমিকম্পের ক্ষয়ক্ষতির কথা ভেবেই মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়ায়। তবে এই ভূমিকম্পের তীব্রতা অতটা না থাকায় বিশেষ ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। তবে, ভারতেও ভয়াবহ ভূমিকম্পের সম্ভাবনা রয়েছে বলে অভিমত ভূ-বিজ্ঞানীদের। গবেষণায় দেখা গিয়েছে, প্রতি বছর ৫ সেন্টিমিটার করে সরে যাচ্ছে ভারতীয় টেকটনিক প্লেট। হায়দরাবাদের ন্যাশন্যাল জিও ফিজিক্যাল রিসার্চ ইন্সটিটিউটের প্রধান আবহবিদ এবং ভূবিজ্ঞানী ডঃ এন পূর্ণ চন্দ্র রাও জানান, পৃথিবীর ভূত্বকে বহু রকমের প্লেট রয়েছে। যেগুলি প্রতিনিয়ত চলমান। ভারতীয় প্লেট প্রতি বছর ৫ সেন্টিমিটার করে সরে যাচ্ছে। যার ফলে চাপ বাড়ছে হিমালয় সংলগ্ন এলাকাগুলিতে। এর ফলে সম্ভাবনা থেকেই যাচ্ছে ভূমিকম্পের।

    ন্যাশন্যাল সেন্টার ফর সিসমোলজির তরফে জানা গেছে সোমবার উত্তরাখন্ডের ধর্মশালা থেকে ৫৬ কিমি উত্তরে ৩.৬ ম্যাগনিটিউডের ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। যার কেন্দ্রস্থল ছিল ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল থেকে ১০ কিমি গভীরে। এছাড়া ফ্রেবরুয়ারির ১৯ তারিখেও অন্ধ্রপ্রদেশের  এনটিআর জেলার নন্দিগামা এলাকা কেঁপে ওঠে ভূমিকম্পে। তবে এতে ক্ষয়ক্ষতির কোনও খবর পাওয়া যায়নি। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

LinkedIn
Share