Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Central DA: কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের জন্য সুখবর, ফের বাড়ছে ৪ শতাংশ ডিএ, কবে থেকে জানেন?

    Central DA: কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের জন্য সুখবর, ফের বাড়ছে ৪ শতাংশ ডিএ, কবে থেকে জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের জন্য সুখবর। মার্চ মাসের শুরুতেই ফের ডিএ (Central DA) বৃদ্ধির ঘোষণা করতে পারে কেন্দ্রীয় সরকার। ৪ শতাংশ ডিএ বেড়ে হতে পারে ৪২ শতাংশ। গত বছর অক্টোবরে ডিএ বৃদ্ধির ঘোষণা করেছিল কেন্দ্র। সেবারও বেড়েছিল ৪ শতাংশ। কার্যকর হয়েছে ওই বছরের ১ জুলাই (July) থেকে। ফের বাড়বে ৪ শতাংশ। কার্যকর হবে ১ জানুয়ারি (January) থেকে। প্রসঙ্গত, ২০২২ সালের ১ এপ্রিল ও ১ জুলাই ৩ ও ৪ শতাংশ হারে ডিএ বাড়িয়েছিল কেন্দ্র। এ বারেরটা ১ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হলে চলতি অর্থবর্ষে কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের ডিএ বাড়বে ১১ শতাংশ। কেন্দ্র এবার ডিএ ঘোষণা করলে নয়া ব্যবস্থায় কেন্দ্রের সঙ্গে  এ রাজ্যের ডিএ-র ফারাক বেড়ে হবে ৩৯ শতাংশ।

    ডিএ…

    অল ইন্ডিয়া রেলওয়েমেন ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক শিবগোপাল মিশ্র বলেন, ২০২৩ সালের ৩১ জানুয়ারি শিল্পক্ষেত্রের শ্রমিকদের জন্য উপভোক্তা মূল্য সূচক প্রকাশ করা হয়েছে। ডিএ (Central DA) ৪.২৩ শতাংশ বাড়তে পারে। তবে দশমিকে ডিএ বাড়ায় না সরকার। তাই ডিএ ৪ শতাংশ বেড়ে হতে পারে ৪২ শতাংশ। তিনি জানান, অর্থ মন্ত্রকের ব্যয় বিভাগ রাজস্ব প্রভাব সহ ডিএ বাড়ানোর একটি প্রস্তাব প্রণয়ন করবে। অনুমোদনের জন্য প্রস্তাবটি উপস্থাপন করবে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার কাছে।সূত্রের খবর, কেবল কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদেরই নয়, ডিএ বাড়বে পেনশনভোগীদেরও। ২০১৬ সালের ১ জুলাই থেকে সপ্তম বেতন কমিশনের আওতায় নয়া হারে ডিএ দিতে শুরু করে কেন্দ্র। তার পর রীতি মেনে ফি বছর জুলাই ও জানুয়ারি, বছরে দু বার ডিএ বাড়াতে থাকে। সেই মতোই জুলাইয়ের পর জানুয়ারি থেকে বাড়তে চলেছে ডিএ।

    আরও পড়ুুন: ‘ঈশ্বরের কাছে জাতি বর্ণের কোনও বিভেদ নেই’, রোহিদাসের জন্মবার্ষিকীতে বার্তা ভাগবতের

    জানা গিয়েছে, ২০২৩ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ডিএ (Central DA) বৃদ্ধি কার্যকর হবে। বর্তমানে এক কোটিরও বেশি কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মী ও পেনশনভোগী ৩৮ শতাংশ ডিএ পাচ্ছেন। এদিকে, তিন মাসের মধ্যে রাজ্যের সরকারি কর্মীদের বকেয়া ডিএ মিটিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল হাইকোর্টের সিঙ্গল বেঞ্চ। সিঙ্গল বেঞ্চের সেই নির্দেশ বহাল রাখে ডিভিশন বেঞ্চও। কিন্তু নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কর্মীদের ডিএ মেটানো হয়নি। এর পর আদালত অবমাননার অভিযোগে যখন ফের হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয় ইউনিটি ফোরাম নামে একটি সংস্থা, তখন পাল্টা সুপ্রিম কোর্টে মামলা করে রাজ্য।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
  • Union Budget: প্রকল্পের কাজ শেষ হলে তবেই টাকা পাবে রাজ্য, নয়া ভাবনার পথে মোদি সরকার

    Union Budget: প্রকল্পের কাজ শেষ হলে তবেই টাকা পাবে রাজ্য, নয়া ভাবনার পথে মোদি সরকার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কথায় বলে, ফেল কড়ি, মাখো তেল। একথার দিন বোধহয় ফুরোতে চলেছে। এবার যা দাঁড়াতে চলেছে, তা হল আগে তেল মাখাতে হবে, তার পরেই মিলবে কড়ি। হেঁয়ালি ছেড়ে এবার আসল কথায় আসা যাক। কেন্দ্র-রাজ্য (Center- State) যৌথ প্রকল্পে এতদিন পর্যন্ত কাজ শুরু হওয়ার পরে পরেই মিলত অর্থ। তবে পরে দেখা যেত কাজ পুরোপুরি শেষ হয়নি। অথচ টাকা খরচ হয়ে গিয়েছে। এই পদ্ধতিতে বদল আনার চিন্তাভাবনা করছে কেন্দ্র (Union Budget)। জানা গিয়েছে, জল জীবন মিশন, প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা বা গ্রাম সড়ক যোজনার মতো যে সব কেন্দ্রীয় সাহায্যে চলা প্রকল্পে কেন্দ্র ও রাজ্য দুই সরকারই অর্থ খরচ করে, তার মধ্যে বাছাই করা কিছু প্রকল্পে এই ব্যবস্থা চালু করতে চাইছে মোদি সরকার। প্রথমে পরীক্ষামূলকভাবে হলেও, পরে তা হয়ে যাবে পাকাপাকি।

    বাজেট…

    ১ ফেব্রুয়ারি বাজেট (Union Budget) পেশ করতে গিয়ে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামণ (nirmala sitharaman) বলেছিলেন, উন্নয়নের প্রয়োজনীয় অর্থ ঠিকভাবে খরচ করতে কিছু বাছাই করা প্রকল্পে অর্থ মঞ্জুরির পদ্ধতি পরীক্ষামূলকভাবে বদলানো হবে। কাজের অগ্রগতির বদলে কাজ শেষে ফল মেলার ভিত্তিতে টাকা দেওয়া হবে। কেন্দ্রের যুক্তি, এর ফলে রাজ্যগুলি যে কোনও প্রকল্পের সুফল মানুষের হাতে পৌঁছে দিতে উৎসাহিত হবে। দ্রুত কাজ শেষ হবে। কেন্দ্রের পাঠানো অর্থ খরচ না করে রাজ্যগুলি বসে থাকে। সেই সমস্যাও দূর হবে। কেন্দ্রীয় অর্থ মন্ত্রকের শীর্ষ সূত্রের ব্যাখ্যা, প্রাথমিকভাবে কাজ শুরুর জন্য রাজ্যকে পুঁজি হিসেবে কিছু অর্থ দেওয়া হবে। কিন্তু অধিকাংশ অর্থই মিলবে কাজের ফল মেলার পরে।

    আরও পড়ুুন: ‘ঈশ্বরের কাছে জাতি বর্ণের কোনও বিভেদ নেই’, রোহিদাসের জন্মবার্ষিকীতে বার্তা ভাগবতের

    এদিকে, কেন্দ্রীয় সরকার যে প্রকল্পের (Union Budget) যে নাম দেবে, তা কোনওভাবেই বদলানো যাবে না বলে জানিয়ে দিয়েছেন কেন্দ্রীয় অর্থসচিব। যে কোনও প্রকল্পে অর্থ পাওয়ার ক্ষেত্রে যোগ্যতা অর্জনের মূল শর্ত দুটি। এক কেন্দ্রীয় সরকার যে প্রকল্পের যে নাম দেবে, তা কোনওভাবেই বদলানো যাবে না। আর দুই, কেন্দ্রীয় সরকারের টাকা পাওয়ার জন্য ওই প্রকল্পের জন্য একটি নির্দিষ্ট অ্যাকাউন্ট তৈরি করতে হবে। রাজ্যের অর্থও সেই অ্যাকাউন্টে যাবে। এর ফলে সেই অ্যাকাউন্টে কেন্দ্র ও রাজ্য দু পক্ষই নজরদারি করতে পারবে। কোনওভাবেই সেই অর্থ রাজ্য অন্য কোনও প্রয়োজনে খরচ করতে পারবে না। প্রসঙ্গত, কেন্দ্রীয় অনেক প্রকল্পেরই নাম বদলে দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে তৃণমূল পরিচালিত রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে। এক খাতের অন্য খাতে খরচ করার অভিযোগও রয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
  • Mohan Bhagwat: ‘ঈশ্বরের কাছে জাতি বর্ণের কোনও বিভেদ নেই’, রোহিদাসের জন্মবার্ষিকীতে বার্তা ভাগবতের

    Mohan Bhagwat: ‘ঈশ্বরের কাছে জাতি বর্ণের কোনও বিভেদ নেই’, রোহিদাসের জন্মবার্ষিকীতে বার্তা ভাগবতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঈশ্বরের (God) কাছে সকলের সমান কদর। জাতি বর্ণের কোনও বিভেদ নেই। সমাজে শ্রেণি তৈরি করেন পুরোরিতরাই, যা ভুল ছিল। কথাগুলি যিনি বললেন, তিনি আর কেউ নন স্বয়ং মোহন ভাগবত (Mohan Bhagwat), আরএসএস (RSS) প্রধান। রবিবার মুম্বইয়ের রবীন্দ্র নাট্য মন্দির মিলনায়তনে সাধক শিরোমণি রোহিদাসের ৬৪৭তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজন করা হয়েছিল এক অনুষ্ঠানের। এই অনুষ্ঠানে বক্তৃতা দেন রাষ্ট্রীয় স্বয়ং সেবক সংঘের প্রধান মোহন ভাগবত। সেখানেই তিনি বলেন, ঈশ্বরের কাছে সকলের সমান কদর। জাতি বর্ণের কোনও বিভেদ নেই। সমাজে শ্রেণি তৈরি করেন পুরোরিতরাই, যা ভুল ছিল।

    ভাগবত উবাচ…

    সরসংঘ চালক বলেন, আমাদের সমাজের এই বিভেদের ফায়দা তোলে বহিঃশত্রুরা। সেই জন্যই বার বার আক্রমণ হয়েছে। বাইরে থেকে এসে আমাদের মধ্যেকার বিভেদকে কাজে লাগিয়ে ফায়দা তুলেছে কিছু মানুষ। ভাগবত বলেন, দেশের বিবেক এবং চেতনা সবই এক, শুধু মতামত ভিন্ন। অন্যান্য ধর্মের প্রতি বিদ্বেষ ছাড়াই কোনও ব্যক্তির তাঁর নিজ ধর্ম পালন করা উচিত। তিনি বলেন, ধর্মীয় বার্তাগুলিকে পৌঁছে দেওয়ার পদ্ধতিগুলি ভিন্ন হলেও, বার্তাগুলি অভিন্ন।

    আরও পড়ুুন: “নোটার থেকেও কম ভোট পাবে তৃণমূল”, পিংলা সভা থেকে তৃণমূলকে আক্রমণ শুভেন্দুর

    সরসংঘ চালক (Mohan Bhagwat) বলেন, যখন আমরা জীবিকা অর্জন করি, তখন সমাজের প্রতিও আমাদের একটা দায়বদ্ধতা থাকে। প্রতিটি কাজই সমাজের বৃহত্তর মঙ্গলের জন্য করা হয়। তাঁর প্রশ্ন, তাহলে কীভাবে কোনও কাজ বড়, কোনও কাজ ছোট হতে পারে? ভাগবত বলেন, আমাদের নির্মাতার কাছে আমরা সবাই সমান। কোনও জাতি বা সম্প্রদায় ভেদ নেই। এই পার্থক্যগুলি তৈরি করেছিলেন আমাদের পুরোহিতরা। এর পরেই তিনি বলেন, দেশের বিবেক এবং চেতনা সব একই, শুধু মতামত ভিন্ন।  

    রোহিদাস যে অনেক উঁচু দরের সাধক, এদিন তাও মনে করিয়ে দিয়েছেন সংঘ প্রধান (Mohan Bhagwat)। তিনি বলেন, সাধক রোহিদাসের মর্যাদা তুলসীদাস, কবির এবং সুরদাসের চেয়েও বড়। তাই তাঁকে সাধক শিরোমণি বলা হয়। ভাগবত বলেন, তিনি (সাধক রোহিদাস) শাস্ত্রজ্ঞানে ব্রাহ্মণদের হারাতে পারেননি ঠিকই, তবে অনেকের হৃদয় স্পর্শ করতে পেরেছিলেন। সরসংঘ চালক বলেন, ধর্ম মানে শুধু পেট ভরানো নয়। নিজের কাজ করুন এবং আপনার ধর্ম মেনে তা করুন। সমাজকে ঐক্যবদ্ধ করুন। তার উন্নতির জন্য কাজ করুন। এটাই ধর্মের মূল কথা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
     
  • Indian Railway: শহরতলির নিত্যযাত্রীদের সুবিধার জন্য এবার চলবে বন্দে মেট্রো! কবে থেকে জানেন

    Indian Railway: শহরতলির নিত্যযাত্রীদের সুবিধার জন্য এবার চলবে বন্দে মেট্রো! কবে থেকে জানেন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বন্দে ভারতের আবার নতুন চমক রেলের। জানা যাচ্ছে, বন্দে মেট্রো আনছে ভারতীয় রেল (Indian Railway)। শোনা যাচ্ছে, বড় শহরগুলি থেকে ৫০-৬০ কিলোমিটারের মধ্যে শহরতলিগুলিকে যুক্ত করার জন্য এই ট্রেনগুলি নির্মাণ করা হবে।

    কী বললেন রেলমন্ত্রী

    রেলমন্ত্রী এদিন বলেন, “বড় শহরগুলির আশেপাশে প্রচুর মানুষ থাকেন। তাঁদের জন্যই এই ট্রেন। তবে এতে চড়ার জন্য খুব বেশিদিন অপেক্ষা করতে হবে না তাঁদের। ২০২৩ সালের মধ্যেই এর নকশা আঁকার কাজ শেষ হবে বলে আশাবাদী আমরা। প্রোটোটাইপ তৈরি শুরু হয়ে যাবে। এরপর আগামী অর্থবর্ষে পুরোদমে উত্পাদনে নেমে পড়বে রেল (Indian Railway)।”

    রেলমন্ত্রীর আরও সংযোজন, ‘বড় বড় মেট্রো সিটিগুলির আশেপাশের ৫০-৬০ কিলোমিটার এলাকাগুলি থেকে বহু মানুষকেই কাজের জন্য যাতায়াত করতে হয়, তাঁদের কথা মাথায় রেখেই এই বন্দে মেট্রো ট্রেন (Indian Railway) তৈরি করা হবে। রাজ্যের মধ্যেই বিভিন্ন এলাকায় সহজে যাতায়াতের জন্য এই ট্রেন। প্রধামন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ভাবনা অনুযায়ী, ভারতেই এই ট্রেনগুলি (Indian Railway) নির্মাণ করা হবে।

    রেলমন্ত্রী ব্যাখা করে বলেন, ‘অনেকটা দ্রুতগামী শাটেলের মতো অভিজ্ঞতা হবে যাত্রীদের।’ বিশ্বমানের প্রযুক্তি দিয়ে এই ট্রেনগুলি নির্মাণ করা হবে। এই বিষয়ে রেলের আধিকারিকরা জানিয়েছেন, সম্ভবত ৮টি কোচ থাকবে বন্দে মেট্রোতে। আমাদের পরিচিত মেট্রো ট্রেনের (Indian Railway) মতোই অনেকটা হবে। নিত্যযাত্রীদের আরাম ও দ্রুত যাতায়াতের ভাবনা মাথায় রেখেই এই ট্রেনগুলি তৈরি করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন রেলের আধিকারিকরা।

    কোথায় তৈরি হবে বন্দে মেট্রো

    কেন্দ্রীয় সরকারের সূত্রে জানা গিয়েছে, চেন্নাই-এর ইন্টিগ্রাল কোচ ফ্যাক্টরি (ICF) এবং লখনউয়ের রিসার্চ ডিজাইন অ্যান্ড স্ট্যান্ডার্ড অর্গানাইজেশন (RDSO)- কে ইতিমধ্যে ৮ কোচের বন্দে ভারত মেট্রো বানানোর জন্য রেলমন্ত্রক নির্দেশ দিয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

     

     

     

  • Narendra Modi: সোমবার এশিয়ার বৃহত্তম হেলিকপ্টার তৈরির কারখানা উদ্বোধন করবেন মোদি

    Narendra Modi: সোমবার এশিয়ার বৃহত্তম হেলিকপ্টার তৈরির কারখানা উদ্বোধন করবেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi) চলতি সপ্তাহের সোমবার একটি হেলিকপ্টার তৈরির কারখানার উদ্বোধন করবেন বলে জানা গিয়েছে। কর্নাটকের তুমাকুরুতে এই কারখানাটি গড়ে তুলেছে  হিন্দুস্তান অ্যারোনটিক্স লিমিটেড (HAL)। প্রসঙ্গত এটি এশিয়ার বৃহত্তম হেলিকপ্টার তৈরির কারখানা হতে চলেছে। 

    প্রধানমন্ত্রীর (Narendra Modi) দপ্তর কী বলছে

    প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর বলছে, ” এটি এশিয়ার বৃহত্তম কারখানা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করতে চলেছে  এবং প্রাথমিকভাবে লাইট ইউটিলিটি হেলিকপ্টার (LUH) তৈরি করবে এই কারখানা”। লাইট ইউটিলিটি হেলিকপ্টার বা LUH হল একটি দেশীয়ভাবে ডিজাইন করা হেলিকপ্টার মডেল। 

    প্রকল্পের আরও খুঁটিনাটি

    কেন্দ্রীয় সরকার সূত্রে জানা গিয়েছে, ভবিষ্যতে এখানে লাইট কমব্যাট হেলিকপ্টার (LCH) এবং ইন্ডিয়ান মাল্টিরোল হেলিকপ্টারও (IMRH) তৈরি হবে। শুধু তাই নয় হেলিকপ্টার মেরামতির কাজও করবে এই কারখানা। জানা গেছে, প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং এবং মন্ত্রকের অন্যান্য ঊর্ধ্বতন আধিকারিকরাও এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন। আগামী ২০ বছরে ১০০০ এরও বেশি কপ্টার তৈরির লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে বলে কেন্দ্রীয় সরকার সূত্রে জানা গেছে। সরকার আশাবাদী এই প্রকল্পের মাধ্যমে ৬০০০ মানুষের কর্মসংস্থান হবে। 

    আরও অনেকগুলি প্রকল্পের উদ্বোধন করার কথা প্রধানমন্ত্রীর

    সোমবার আরও অনেকগুলি সরকারি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে কর্নাটকে। যেমন প্রধানমন্ত্রী তুমাকুরু ইন্ডাস্ট্রিয়াল টাউনশিপের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন এদিন এর সঙ্গে দুটি জল সরবরাহ প্রকল্পেরও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করার কথা প্রধানমন্ত্রী মোদির (Narendra Modi)। জানা গিয়েছে, কর্নাটকের তুমাকুরুর টিপটুর এবং চিককানায়কানাহল্লিতে দুটি জলজীবন মিশন প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। টিপটুর মাল্টি-ভিলেজ পানীয় জল সরবরাহ প্রকল্পটি ৪৩০ কোটি টাকারও বেশি ব্যয়ে নির্মিত হবে। অন্যদিকে, চিককানায়কানাহল্লির প্রকল্পটির মাধ্যমে অজস্র গ্রামে জল সরবরাহ করা সম্ভব হবে। প্রকল্পটি প্রায় ১১৫ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত হবে, এমনটাই জানা গিয়েছে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর সূত্রে। প্রকল্পগুলির ফলে এই অঞ্চলের বসবাসকারী মানুষরা সহজেই বিশুদ্ধ পানীয় জল পাবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

     

  • Rail Projects: বাজেটে রেকর্ড বরাদ্দ, অথচ জমি জটে আটকে রেল প্রকল্প, খরচ কীভাবে?

    Rail Projects: বাজেটে রেকর্ড বরাদ্দ, অথচ জমি জটে আটকে রেল প্রকল্প, খরচ কীভাবে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টাকা দিচ্ছে না বলে নানা সময় কেন্দ্রীয় সরকারের মুণ্ডপাত করে বাংলার তৃণমূল (TMC) পরিচালিত রাজ্য সরকার। অথচ টাকা মিললেও, যে খরচ করতে পারে না মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) সরকার, তা জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী স্মৃতি ইরানিও। বাংলার জন্য এবারের বাজেটে রেলে (Rail Projects) রেকর্ড পরিমাণ বরাদ্দ হয়েছে। রাজ্য পেয়েছে ১১ হাজার ৯৭০ কোটি টাকা। ট্রেন হোক কিংবা মেট্রো বিগত বছরগুলির তুলনায় এ বছর বাজেট বরাদ্দ পাওয়ার ক্ষেত্রে রেকর্ড করেছে পশ্চিমবঙ্গ। অন্তত এমনই ঘোষণা করেছেন কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রী অশ্বনী বৈষ্ণব। রেলমন্ত্রকেরও দাবি, ইউপিএ জমানার চেয়ে এবার তিনগুণ বেড়েছে বরাদ্দ অর্থরাশির পরিমাণ। তবে বরাদ্দ মিললেই হবে না, অভিযোগ, রেল প্রকল্পের জন্য জমি অধিগ্রহণে সহযোগিতা করছে না রাজ্য।

    বিজেপি…

    রাজ্যকে কাঠগড়ায় তুলে এ প্রসঙ্গে বিজেপি (BJP) নেতা শমীক ভট্টাচার্য বলেন, শুধু রেল নয়, এখানে বিএসএফ পোস্ট তৈরি করতে পারছে না। যেখানে দেশের নিরাপত্তার প্রশ্ন আছে, সেখানেও তৃণমূল কংগ্রেসের কোনও সহযোগিতা নেই। তৃণমূল কংগ্রেসের সরকার ৩ হাজার ২১৭ কোটি টাকা তাঁদের কোষাগারে ফেলে রেখেছে, খরচ করতে পারছে না। কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সুভাষ সরকারও দাবি করেন, জমি জট (Rail Projects) কাটাতে রাজ্য সরকারের তরফে কোনও প্রচেষ্টাই করা হয়নি। তাঁর অভিযোগ, এ বিষয়ে রাজ্য সরকারকে বহুবার জানানো হলেও, কোনও সদর্থক উত্তর মেলেনি।

    আরও পড়ুুন: ‘ক্ষমা চান, না হলে নবান্ন অভিযান হবে’, মতুয়া বিতর্কে মুখ্যমন্ত্রীকে হুঁশিয়ারি পরিষদের

    জানা গিয়েছে, রাজ্যে রেলের মোট ৪৪টি প্রকল্প আটকে রয়েছে। সব মিলিয়ে আটকে থাকা প্রকল্পের মোট আয়তন ১ হাজার ২৯ কিলোমিটার। পূর্ব রেলের জেনারেল ম্যানেজার অরুণ অরোরা জানান, জমি জটের কারণেই আটকে রয়েছে প্রকল্প। তাঁর দাবি, এ ব্যাপারে রাজ্যকে চিঠিও দেওয়া হয়েছে। তার পরেও সমস্যা মেটেনি। আরও জানা গিয়েছে, জমি জটে আটকে রয়েছে শান্তিপুর-নবদ্বীপ ব্রডগেজ লাইন। অথচ অনুমোদনের পর কেটে গিয়েছে ১৪ বছর। থমকে রয়েছে তারকেশ্বর-বিষ্ণুপুর রেল প্রকল্পের কাজও। ভাবাদিঘির ৫২ বিঘা জলাশয় বাঁচানোর আন্দোলনের জেরে আটক রয়েছে এই রেল প্রকল্পও।

    রেলমন্ত্রী (Rail Projects) বলেন, শতাংশের নিরিখে বৃদ্ধি পাওয়া বাজেটের পরিমাণ ১৭৩। প্রধানমন্ত্রী সবকা সাথ, সবকা বিকাশ ও সবকা প্রয়াসের কথা বলেন। তাই রাজ্য সরকারের কাছে আমার অনুরোধ যে তারাও যেন এই প্রকল্পগুলিকে বাস্তবায়িত করার জন্য পূর্ণ সহযোগিতা করেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Nirmala Sitharaman: আয়কর সরল হোক, চেয়েছিলেন খোদ প্রধানমন্ত্রী, জানালেন নির্মলা সীতারমন

    Nirmala Sitharaman: আয়কর সরল হোক, চেয়েছিলেন খোদ প্রধানমন্ত্রী, জানালেন নির্মলা সীতারমন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আয়করের ক্ষেত্রে নতুন কর নীতিতেই ভরসা কেন্দ্রের৷ বাজেট পেশ করার পর সংবাদমাধ্যমকে নির্মলা সীতারমন (Nirmala Sitharaman) জানান, প্রধানমন্ত্রী নিজেও সরল কর ব্যবস্থার পক্ষে৷ কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রীর বলেন, “প্রধানমন্ত্রী সবসময় চেয়েছেন যাতে ব্যক্তিগত আয়কর ব্যবস্থা সরল হোক৷ প্রধানমন্ত্রী চেয়েছিলেন, কর দেওয়ার জন্য যেন প্রচুর কাগজপত্র জমা দেওয়ার প্রয়োজন না হয়৷”

    কী বলেন অর্থমন্ত্রী? 

    কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রীর দাবি, অন্তত পঞ্চাশ শতাংশ করদাতা নতুন আয়কর ব্যবস্থাকেই বেছে নেবেন৷ তিনি বলেন, “প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য খুব পরিষ্কার ছিল, করদাতাদের জানা উচিত তাঁরা ঠিক কত টাকা আয়কর দিচ্ছেন৷” 

    বাজেট প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী (Nirmala Sitharaman) আরও বলেন, “ভাল বাজেট সেটাই যা সমাজের সব স্তরের মানুষকে ছুঁয়ে যায়৷ বাজেটের সুফল আগামী দিনে বোঝা যাবে৷ সরকার নতুন কর পদ্ধতিকে সাধারণ করদাতাদের জন্য আরও আকর্ষণীয় করে তুলতে চেয়েছে৷ মধ্যবিত্তের কথা ভেবেই নতুন কর কাঠামো তৈরি করেছে কেন্দ্রীয় সরকার৷”

    বিমা শিল্প ও বিশেষজ্ঞদের অভিযোগ, নতুন ব্যবস্থা সঞ্চয়ের পাশাপাশি বিমাকেও নিরুৎসাহ করবে। ফলে কর বাঁচলেও, ঝুঁকি তৈরি হবে মধ্যবিত্তের আর্থিক সুরক্ষা নিয়ে। এই প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রী নিশ্চিত হয়ে বলেন, তেমন কোনও আশঙ্কা নেই। আয়কর সংক্রান্ত প্রস্তাব বিমার প্রসারে বাধা সৃষ্টি করবে না। নতুন কর ব্যবস্থা সঞ্চয়েও কোপ ফেলবে, এই অভিযোগ প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রী বলেন, “কর কমে যাওয়ায় হাতে থাকা টাকা দিয়ে করদাতা খুশি মতো সঞ্চয় প্রকল্প বাছবেন। আর করছাড়ের সুবিধা পেতে পুরনো প্রকল্প তো রইলই।”

    কেন্দ্রীয় বাজেট নিয়ে আরও বিভিন্ন ভ্রান্তি তৈরি হয়েছে দেশের জনগণের মধ্যে। কেন্দ্রীয় বাজেট নিয়ে যে কোনও প্রকার সংশয় দূর করতে আমজনতাকে তা কীভাবে বোঝাতে হবে, তার রূপরেখা তৈরি করে দিলেন খোদ অর্থমন্ত্রী (Nirmala Sitharaman)। কোন কোন বিষয়গুলির জোর দিতে হবে, তাও স্পষ্ট করে দিয়েছেন তিনি।

    আরও পড়ুন: সৌরভ গাঙ্গুলির বায়োপিকে কে অভিনয় করবেন নাম ভূমিকায়? কবে থেকে শুটিং?

    দেশের মহিলা এবং যুব সম্প্রদায়ের জন্য বাজেটে যে সমস্ত ঘোষণা করা হয়েছে, সেগুলি মানুষের সামনে বেশি করে তুলে ধরার জন্য দলীয় সাংসদদের পরামর্শ দিয়েছেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী (Nirmala Sitharaman)। শুক্রবার সংসদের অধিবেশন শুরুর আগেই বিজেপি সাংসদদের বাজেট নিয়ে বোঝান নির্মলা। বাজেটে সাধারণ মানুষের জন্য কী কী রয়েছে, তার সংক্ষিপ্তসার তুলে ধরে কোন কোন বিষয়গুলিকে নিয়ে মানুষের কাছে যেতে হবে সেই তালিকাও একপ্রকার ঠিক করে দেন তিনি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

     

  • Karnataka: কর্নাটক বিধানসভা নির্বাচনে ইনচার্জ ধর্মেন্দ্র, কো-ইনচার্জ স্বাস্থ্যমন্ত্রী মনসুখ মাণ্ডব্য

    Karnataka: কর্নাটক বিধানসভা নির্বাচনে ইনচার্জ ধর্মেন্দ্র, কো-ইনচার্জ স্বাস্থ্যমন্ত্রী মনসুখ মাণ্ডব্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দোরগোড়ায় কর্নাটক (Karnataka) নির্বাচন। আস্তিন গুটিয়ে ইতিমধ্যেই মাঠে নেমে পড়েছে বিজেপি (BJP)। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী মনসুখ মাণ্ডব্যকে আসন্ন কর্নাটক বিধানসভা নির্বাচনের কো-ইনচার্জ করল বিজেপি। শনিবার তাঁর হাতে তুলে দেওয়া হয় এই নতুন দায়িত্ব। এর ঠিক একদিন আগে ইনচার্জ হিসেবে নাম ঘোষণা করা হয়েছিল আর এক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের। এদিনই কো-ইনচার্জ করা হয়েছিল তামিলনাড়ুর বিজেপি সভাপতি কে আন্নামালাইকে। শনিবার তাঁর পাশাপাশি কো-ইনচার্জ করা হল কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে।

    ভোটের বাদ্যি…

    চলতি বছরের এপ্রিল-মে মাস নাগাদ হতে পারে কর্নাটক বিধানসভার নির্বাচন। সেই নির্বাচনে যাতে বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে পারে দল, সেজন্য চেষ্টার কসুর করছে না গেরুয়া শিবির। বিজেপির তরফে জারি করা এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, আসন্ন কর্নাটক বিধানসভা নির্বাচনে দলের জাতীয় সভাপতি জগত প্রকাশ নাড্ডা শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানকে ইনচার্জ করেছেন। ওই নির্বাচনের জন্য কো-ইনচার্জের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে স্বাস্থ্যমন্ত্রী মনসুখ মাণ্ডব্য এবং তামিলনাড়ু বিজেপির সভাপতি কে আন্নামালাইকে। এই নিয়োগ এখন থেকেই কার্যকর হচ্ছে। কর্নাটক বিধানসভা নির্বাচন যে আপাতত বিজেপির পাখির চোখ, তার ইঙ্গিত মিলেছিল আগেই।

    আরও পড়ুুন: ‘পাঁচ বছরের মধ্যেই সব পঞ্চায়েতে মিল্ক ডেয়ারি ও ফিশারি সোসাইটি গড়ে উঠবে’, বললেন শাহ

    চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে কর্নাটক (Karnataka) গিয়েছিলেন খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সে যাত্রায় হুবলিতে তিনি রোডশো করেন। প্রধানমন্ত্রীর ওই রোডশো দেখতে উপচে পড়েছিল ভিড়। তাঁর পরে পরেই কর্নাটক গিয়েছিলেন জেপি নাড্ডা। নির্বাচন উপলক্ষে দলের প্রস্তুতি কেমন, তা দেখতেই তিনি গিয়েছিলেন কর্নাটক সফরে। গেরুয়া শিবির সূত্রে খবর, ফেব্রুয়ারি মাসের ১১ তারিখে কর্নাটক সফরে যাবেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তিনি যাবেন দক্ষিণ কান্নাডা জেলার পুত্তুরে। সেখানে একটি কো-অপারেটিভ কনভেনশনে যোগ দেবেন তিনি। কর্নাটকের পদ্ম শিবিরের আশা, শাহ কর্নাটক সফরে এলেই চাঙা হয়ে উঠবে দল। মিটবে দলীয় অভ্যন্তরীণ সমস্যাগুলিও। যার জেরে দক্ষিণের এই রাজ্যে দল ফের ক্ষমতায় আসবে বলেও আশাবাদী তারা।

    প্রসঙ্গত, এর আগের এক জনসভায় কর্নাটককে (Karnataka) দক্ষিণের গেটওয়ে বলে সম্বোধন করেছিলেন শাহ। দক্ষিণের এই রাজ্যেই কেবল ক্ষমতায় রয়েছে বিজেপি। দলীয় সংগঠন চাঙা করতে বিএস ইয়েদুরাপ্পাকে সরিয়ে বাসবরাজ বোম্বাইয়ের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছিল দলের রাশ, ২০১৮ সালে। এই বিধানসভার আসন সংখ্যা ২২৪।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।     

  • Hand Transplant: দেশে প্রথমবার হাত প্রতিস্থাপন, তরুণীকে নতুন জীবন দান মুম্বইয়ের হাসপাতালের

    Hand Transplant: দেশে প্রথমবার হাত প্রতিস্থাপন, তরুণীকে নতুন জীবন দান মুম্বইয়ের হাসপাতালের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জন্মগত ত্রুটির কারণে সম্পূর্ণ হয়নি হাতের গঠন। তা নিয়ে মনমরা হয়েছিলেন গুজরাটের (Gujarat) ভারুচের বাসিন্দা সামিয়া মনসুরি। বয়স যত বেড়েছে, ততই বেড়েছে বিড়ম্বনা। ১৮ বছর বয়স হতেই মিটল সমস্যা। জন্মদিনে কার্যত নতুন জীবন পেলেন ওই অষ্টদশী। আজ্ঞে, হ্যাঁ, যে ডান হাতের গঠন সম্পূর্ণ হয়েছিল না জন্মগত ত্রুটির কারণে, সেই হাতই প্রতিস্থাপন (Hand Transplant) করা হল। বিরল অস্ত্রোপচার করে ওই তরুণীর হাত প্রতিস্থাপন করে নজির সৃষ্টি করলেন মুম্বইয়ের একটি হাসপাতালের চিকিৎসকরা।

    সামিয়া…

    জন্ম থেকেই সামিয়ার ডান হাতের কনুই থেকে আঙুল পর্যন্ত হাড়, পেশি, স্নায়ু, রক্তবাহ সব কিছুই স্বভাবিকের তুলনায় আকারে ছোট। জন্মের পর থেকেই তাই তাঁর পরিবার তাঁকে নিয়ে ঘুরেছেন চিকিৎসকের দোরে দোরে। দেশের একাধিক হাসপাতালেও ঘুরেছেন শিশু সামিয়ার হাত ঠিক করার জন্য। কেউই আশার আলো দেখাতে পারেনি। শেষমেশ তাঁরা দ্বারস্থ হন মুম্বইয়ের গ্লোবাল হাসপাতালের। বেশ কয়েকটি কাউন্সেলিং সেশনের পর হাসপাতালের প্লাস্টিক, হ্যান্ড এবং রিকনস্ট্রাক্টিভ মাইক্রো সার্জন নীলেশ সতভাইয়ের নেতৃত্বে চিকিৎসকদের একটি দল সামিয়ার হাত প্রতিস্থাপন করতে রাজি হন। যদিও নাবালিকা হওয়ায় তাঁর হাত প্রতিস্থাপন (Hand Transplant) করা যায়নি।

    আরও পড়ুুন: ‘পাঁচ বছরের মধ্যেই সব পঞ্চায়েতে মিল্ক ডেয়ারি ও ফিশারি সোসাইটি গড়ে উঠবে’, বললেন শাহ

    জানুয়ারির ১০ তারিখে আঠারোয় পা দেন সামিয়া। তাঁর সম্মতি মেলার পর শুরু হয় অঙ্গদাতার খোঁজ। মিলেও যায়। ইন্দোরের বাসিন্দা ৫২ বছর বয়সি এক মহিলার পরিবার হাত দান করতে রাজি হন। টানা ১৩ ঘণ্টার অস্ত্রোপচারের শেষে নতুন জীবন ফিরে পান সামিয়া। বলেন, জন্মদিনে এটাই আমার কাছে সেরা উপহার। আমি এই মুহূর্তে পৃথিবীর সুখীতম মানুষ। বিসিএ নিয়ে পড়াশোনা করছেন সামিয়া। বলেন, বিসিএ, এমসিএ পড়ার পর পুলিশের সাইবার ক্রাইম বিভাগে কাজ করতে চাই।

    চিকিৎসক নীলেশ সতভাই বলেন, জন্মগত ত্রুটির ক্ষেত্রে হাত প্রতিস্থাপনের (Hand Transplant) নজির চিকিৎসাশাস্ত্রে আর নেই। অস্ত্রোপচারের জটিলতা বোঝার জন্য এবং তাতে বৈধ সম্মতি দেওয়ার জন্য রোগীর বয়স ১৮ হওয়া পর্যন্ত আমাদের অপেক্ষা করতে হয়েছে। ওর ১৮তম জন্মদিনে আমরা ওকে প্রতিস্থাপনের জন্য নথিভুক্ত করি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।    

     
  • PACS: ‘পাঁচ বছরের মধ্যেই সব পঞ্চায়েতে মিল্ক ডেয়ারি ও ফিশারি সোসাইটি গড়ে উঠবে’, বললেন শাহ

    PACS: ‘পাঁচ বছরের মধ্যেই সব পঞ্চায়েতে মিল্ক ডেয়ারি ও ফিশারি সোসাইটি গড়ে উঠবে’, বললেন শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কো-অপারেশনকে প্রোমোট করতে কেন্দ্রীয় বাজেটে নানা স্কিমের কথা উল্লেখ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। কথাগুলি যিনি বললেন, তিনি আর কেউ নন স্বয়ং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তথা কো-অপারেটিভ মন্ত্রী অমিত শাহ শনিবার বলেন, সম্প্রতি সংসদে যে কেন্দ্রীয় বাজেট পেশ করা হয়েছে তাতে দু লক্ষ বহুমুখী প্রাইমারি এগ্রিকালচারাল ক্রেডিট সোসাইটি (PACS) রেজিস্ট্রেশন করার জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণ বরাদ্দ করা হয়েছে। তিনি বলেন, প্রতিটি পঞ্চায়েত ডেয়ারি কিংবা ফিশারি কো-অপারেটিভ সোসাইটি তৈরি নিশ্চিত করতে প্রাইমারি এগ্রিকালচারাল ক্রেডিট সোসাইটি তৈরি করা হয়েছিল।

    অমিত শাহ…

    এদিন ঝাড়খণ্ডের দেওঘরে ন্যানো ইউরিয়া প্ল্যান্টের শিলান্যাস অনুষ্ঠানে যোগ দেন অমিত শাহ। প্ল্যান্টটি ইন্ডিয়ান ফার্মার্স ফার্টিলাইজার কো-অপারেটিভের। ওই অনুষ্ঠানে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তথা কো-অপারেটিভ মন্ত্রী অমিত শাহ বলেন, কো-অপারেশনকে প্রোমোট করতে কেন্দ্রীয় বাজেটে নানা স্কিমের কথা উল্লেখ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। আগে কো-অপারেশনের প্রোডাকশনের ওপর যে ২৬ শতাংশ কর ধার্য করা হত, এখন তা কমে ১৫ শতাংশ করা হয়েছে।

    আরও পড়ুুন: ফের রক্তাক্ত বাসন্তী! বোমা বাঁধার সময় বিস্ফোরণে মৃত্যু ১ জনের, আহত ২

    তিনি বলেন, যে সব পঞ্চায়েতে মিল্ক ও ফিশারি সোসাইটি নেই, সেগুলি পরীক্ষা করতে আমরা একটা কো-অপারেশন মন্ত্রক তৈরি করেছি। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, কো-অপারেশন মন্ত্রক তৈরি করার পর আমরা গোটা দেশে কোথায় কোথায় কো-অপারেটিভ নেই তা জানতে ডেটা ব্যাঙ্ক তৈরি করেছি। এই ব্যাঙ্ক থেকেই জানা যাবে কোথায় কোথায় প্রাইমারি এগ্রিকালচারাল ক্রেডিট সোসাইটি (PACS), মিল্ক কিংবা ফিশারি নেই। এর পরেই তিনি বলেন, আগামী পাঁচ বছর পরে দেখা যাবে দেশে এমন একটিও পঞ্চায়েত নেই যেখানে প্রাইমারি এগ্রিকালচারাল ক্রেডিট সোসাইটি নেই। কৃষিতে মাত্রতিরিক্ত রাসায়নিক সার ব্যবহারের কুফল সম্পর্কেও এদিন কৃষকদের সাবধান করে দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, আমি কৃষকভাইদের বলতে চাই, জমিতে মাত্রাতিরিক্ত রাসায়নিক সার ব্যবহার করলে আদতে ক্ষতি হবে ফসলের। ক্ষতি হবে মাটিরও। তিনি বলেন, আপনি যদি প্রাকৃতিক ইউরিয়া ব্যবহার করেন তাহলে বাড়বে ফসলের উৎপাদন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।    

     
     
LinkedIn
Share