Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Indian Economy: বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির দেশের শিরোপা পাবে ভারত, কবে জানেন?

    Indian Economy: বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির দেশের শিরোপা পাবে ভারত, কবে জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৭-২৮ সালের মধ্যেই বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির দেশের (Indian Economy) শিরোপা পাবে ভারত। অন্তত এমনই ‘ভবিষ্যদ্বাণী’ করলেন বিখ্যাত অর্থনীতিবিদ অরবিন্দ পানাগারিয়া (Arvind Panagariya)। ভারত যে দ্রুত উন্নতির শিখরে পৌঁছবে, সে ব্যাপারেও আত্মবিশ্বাসী এই খ্যাতনামা অর্থনীতিবিদ। কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতির অধ্যাপক পানাগারিয়া। নীতি আয়োগের ভাইস চেয়ারম্যানও ছিলেন। তিনি বলেন, বর্তমানে ভারত বিশ্বের পঞ্চম বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ। আগামী পাঁচ বছর ভারত এই জায়গায় থাকবে। তিনি বলেন, বর্তমানে ২০২৩ সাল চলছে। তাই ২০২৭-২৮ সালের মধ্যে বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ হওয়া উচিত ভারতের। বুধবারই বাজেট পেশ করেছেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামণ। তার ঠিক একদিন আগে লোকসভায় ইকনোমিক সার্ভের রিপোর্ট পেশ করা হয়েছে। তাতে দেখা যাচ্ছে, ২০২৩-২৪ অর্থবর্ষে ভারতের জিডিপি গ্রোথ দাঁড়াবে ৬.৫ শতাংশে।

    মেরা ভারত…

    প্রসঙ্গত, বর্তমানে ভারত (Indian Economy) বিশ্বের পঞ্চম বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ। এই জায়গাটা দীর্ঘদিন দখল করেছিল ইংল্যান্ড। রাজার দেশকে সরিয়ে বর্তমানে ওই জায়গা দখল করেছে মোদির ভারত। তার পর থেকেই শুরু হয়েছে তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ হওয়ার দৌড়। মঙ্গলবার ইন্টারন্যাশনাল মানিটরি ফান্ডস ওয়ার্ল্ড ইকনোমিক আউটলুক আপডেটে জানিয়েছে, ভারতের গ্রোথ ৬.৮ শতাংশ থেকে ২০২২ সালে কমে দাঁড়ায় ৬.১ শতাংশে। ২০২৪ সালে এটা ফের গিয়ে দাঁড়াতে পারে ৬.৮ শতাংশে।

    আরও পড়ুুন: শুক্রবার ত্রিপুরায় মেগা-শো বিজেপির, কারা কারা থাকবেন প্রচারে, জানেন?

    গত সপ্তাহে রাষ্ট্রসংঘ ওয়ার্ল্ড ইকনোমিক সিচুয়েশন অ্যান্ড প্রসপেক্টস ২০২৩ রিপোর্টে জানিয়েছিল ২০২৪ সালে ভারতের গ্রোথ হতে পারে ৬.৭। তাতে এও বলা হয়েছে, ভারত হল বর্তমান বিশ্বে ফাস্টেস্ট গ্রোয়িং মেজর ইকনোমির দেশ। পানাগারিয়া বলেন, আমার সেন্স বলছে, ভারত (Indian Economy) বর্তমানে যেখানে দাঁড়িয়ে রয়েছে, এর গ্রোথ রেট হওয়া উচিত ৭ শতাংশেরও বেশি। তিনি বলেন, ভারতীয় অর্থনীতির যা ছবি তা ২০০৩ সালের মতো। ওই বছর গ্রোথ রেট ছিল প্রায় ৮ শতাংশ। গ্রোথ রেট বৃদ্ধির কারণ হিসেবে তিনি বলেন, সংস্কারমূলক নানা পন্থা অবলম্বন করা হয়েছে। অর্থনীতির যে দুর্বল দিকগুলি ছিল, কোভিড অতিমারি পরিস্থিতিতে সেগুলি পরিষ্কার করা হয়েছে। এসব কারণেই তাঁর আশা, ভারত অচিরেই হবে বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     

  • Supreme Court: এক প্রার্থীর একাধিক আসন থেকে লড়ার বিরুদ্ধে দায়ের জনস্বার্থ মামলা খারিজ সুপ্রিম কোর্টে

    Supreme Court: এক প্রার্থীর একাধিক আসন থেকে লড়ার বিরুদ্ধে দায়ের জনস্বার্থ মামলা খারিজ সুপ্রিম কোর্টে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নির্বাচনে একজন প্রার্থীর একাধিক আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা উচিত কিনা এই প্রশ্ন বারবার উঠেছে। সম্প্রতি এই নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে একটি জনস্বার্থ মামলাও হয়। আবেদনে আদালতে দাবি করা হয়, নতুন আইন প্রণয়ন করে একজন প্রার্থীর একাধিক আসনে লড়ায় নিষেধাজ্ঞা আনা হোক। বৃহস্পতিবার ওই মামলাই খারিজ করল সুপ্রিম কোর্ট। শীর্ষ আদালত এদিন সাফ জানিয়ে দিয়েছে, বিষয়টিতে তারা হস্তক্ষেপ করবে না। এই বিষয়ে আইন প্রণয়ন তথা সিদ্ধান্ত নিতে পারবে সংসদ, আদালত নয়।

    মামলাটি কী?

    এক ব্যক্তির একাধিক আসনে লড়ার ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হোক, এমনই আবেদন করে সুপ্রিম কোর্টে জনস্বার্থ মামলা করেছিলেন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব তথা আইনজীবী অশ্বিনী কুমার উপাধ্যায়। তাঁর আবেদনে বলা হয়েছে, একই ব্যক্তি দু’টি কেন্দ্রে লড়াই করলে ফল প্রকাশের পরে একটি আসন ফাঁকা হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। একই ব্যক্তি দু’টি কেন্দ্রের নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি হতে পারেন না। সেখানে উপনির্বাচন করতে আবার প্রচুর পরিমাণে খরচ হয় নির্বাচন কমিশনের। আর এটি নির্বাচনী এলাকার ভোটারদের প্রতিও অবিচারও। ফলে তিনি এক ব্যক্তির একাধিক আসনে লড়াইয়ে নিষেধাজ্ঞা চেয়েছেন।

    আরও পড়ুন:‘‘সিবিআইয়ের জন্য খারাপ সময় আসছে’’! তাদেরই অফিসারকে জেরার নির্দেশ বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের

    শীর্ষ আদালতের তরফে কী বলা হল?

    ভারতের প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়, বিচারপতি পিএস নরসিমা এবং জেবি পারদিওয়ালার বেঞ্চ এক ব্যক্তির একাধিক আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার আইনকে বাতিল করতে অস্বীকার করেছে। এই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে শীর্ষ আদালত এদিন জানিয়ে দিয়েছে, বিষয়টিতে তারা হস্তক্ষেপ করতে চায় না। আদালতের মন্তব্য, “এটি রাজনৈতিক গণতন্ত্রের একটি ইস্যু এবং এটি আদালতের জন্য নয়। এই বিষয়ে দেশের সংসদ সিদ্ধান্ত নিতে পারে।”

    বেঞ্চের তরফে আরও বলা হয়েছে, প্রার্থীরা বিভিন্ন কারণে বিভিন্ন আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারেন এবং এটি গণতন্ত্রের পথকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাবে কিনা তা সংসদের উপর নির্ভর করে। সুপ্রিম কোর্ট বলেছে যে, আইন প্রণয়ন সংসদীয় সার্বভৌমত্বের বিষয়, ফলে এটিকে অসাংবিধানিক বলাও যাবে না। শীর্ষ আদালত আরও জানিয়েছে, সংসদকে আইন সংশোধন করতে বাধাও দেবে না সুপ্রিম কোর্ট। ফলে এদিন আইনজীবীর মামলা খারিজ করে দেয় সুপ্রিম কোর্ট।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Mithun Chakraborty: শুক্রবার ত্রিপুরায় মেগা-শো বিজেপির, কারা কারা থাকবেন প্রচারে, জানেন?

    Mithun Chakraborty: শুক্রবার ত্রিপুরায় মেগা-শো বিজেপির, কারা কারা থাকবেন প্রচারে, জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১৬ ফেব্রুয়ারি ত্রিপুরা (Tripura) বিধানসভা নির্বাচন। উত্তর পূর্বের এই রাজ্যের রাশ ধরে রাখতে জোর কদমে প্রচার শুরু করছে বিজেপি (BJP)। আজ, বৃহস্পতিবার মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিন। আগামিকাল, শুক্রবার ত্রিপুরায় মেগা শো করবে বিজেপি (Mithun Chakraborty)। জানা গিয়েছে, এদিন ত্রিপুরায় বিজয় সংকল্প জনসভার কর্মসূচি পালন করবে বিজেপি। এই পর্বে ত্রিপুরায় প্রচারে নামবেন এক ঝাঁক বিজেপি নেতা।

    প্রচারে বিজেপি…

    শুক্রবার কুমারঘাট এবং অমরপুর বিধানসভা কেন্দ্রে জনসভা করে প্রচারের সূচনা করবেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা। এদিনই তিনি আগরতলায় এসে পৌঁছবেন বলে বিজেপি সূত্রে খবর। গেরুয়া শিবির সূত্রে আরও খবর, একুশের বাংলার বিধানসভা নির্বাচনে যেভাবে এক ঝাঁক কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব প্রচার করেছিলেন, তেমনি ত্রিপুরায়ও হবে। এখানে সভা করবেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, স্মৃতি ইরানি, উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ প্রমুখ। একের বেশি জনসভা করার কথা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিরও (PM Modi)। তবে তিনি কবে সভা করবেন, কোথায়ইবা করবেন, তা জানা যায়নি। ৬ ফেব্রুয়ারি ত্রিপুরায় সভা করার কথা কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের। পরের দিন আসবেন উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা, প্রতিমা ভৌমিক, বিপ্লব দেব এবং রাজীব ভট্টাচার্যেরও বিজেপির হয়ে প্রচার করার কথা।

    আরও পড়ুুন: ‘আরএসএস ডানপন্থীও নয়, বামপন্থীও নয়, জাতীয়তাবাদী’, সাফ জানালেন দত্তাত্রেয়

    এদিকে বঙ্গ বিজেপির এক ঝাঁক নেতাও শুক্রবার কার্যত চষে বেড়াবেন ত্রিপুরা। এদিন সভা করবেন দিলীপ ঘোষ, শুভেন্দু অধিকারী, লকেট চ্যাটার্জি, শান্তনু ঠাকুর ও মিঠুন চক্রবর্তী (Mithun Chakraborty)। মিঠুন সভা করবেন তিনটি। লকেটেরও এদিন তিনটি সভা করার কথা। দুটি করে সভা করবেন দিলীপ ঘোষ, শুভেন্দু অধিকারী এবং শান্তনু ঠাকুর। রাজ্য বিজেপির এক নেতা বলেন, আজ (বৃহস্পতিবার) মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিন। বিক্ষুব্ধ যে দু একজন মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন, তাঁরাও তা প্রত্যাহার করে নেবেন। প্রসঙ্গত, গত বিধানসভা নির্বাচনে বামেদের হঠিয়ে ত্রিপুরার ক্ষমতায় আসে বিজেপি। তার পর থেকে রাজ্যে কার্যত শুরু হয়েছে উন্নয়ন যজ্ঞ। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, সেই কারণে ত্রিপুরায় এবারও ফিরছে বিজেপি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     
  • MQ9B-Predator: আতঙ্কে চিন-পাকিস্তান! ৩০০ কোটি ডলার ব্যয়ে ভারতের হাতে আসছে আরও ৩০ ‘প্রিডেটর’?

    MQ9B-Predator: আতঙ্কে চিন-পাকিস্তান! ৩০০ কোটি ডলার ব্যয়ে ভারতের হাতে আসছে আরও ৩০ ‘প্রিডেটর’?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সব ঠিকঠাক চললে অপেক্ষা হয়ত আর কিছুদিনের। টাকাপয়সার লেনদেন ঠিকঠাক হলই তিন দফায় আমেরিকা থেকে ১০টি করে এমকিউ-৯বি (Predator MQ-9B Reaper) সশস্ত্র প্রিডেটর ড্রোন চলে আসবে ভারতীয় সামরিক বাহিনীর তিন বিভাগ অর্থাৎ স্থল, নৌ ও বায়ুসেনার হাতে। মাঝেমধ্যেই সীমান্ত পেড়িয়ে ভারতের আকাশে চলে আসছে পাক ড্রোন। মাঝে মধ্যেই উত্তপ্ত হয়ে উঠছে চিন (China) সীমান্তবর্তী লাদাখের প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা। এই পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে এবার খুব শীঘ্রই ভারত আমেরিকা থেকে আমদানি করবে অতি উন্নতমানের সশস্ত্র ড্রোন। 

    আধুনিক ড্রোন

    আমেরিকার হানাদার ড্রোনের শিকার হয়েছেন তালিবান প্রতিষ্ঠাতা মোল্লা মহম্মদ ওমর থেকে সিরিয়ার আল কায়দা প্রধান সেলিম আবু আহমেদ। সেই ‘প্রিডেটর ড্রোন’ ৩০০ কোটি ডলার ব্যয় করে আমেরিকা থেকে কিনবে ভারত। ভারতীয় স্থল, নৌ এবং বায়ুসেনার জন্য প্রিডেটরের ‘এমকিউ-৯বি’-র ‘সি গার্ডিয়ান’ (Predator Drone) এবং ‘স্কাই গার্ডিয়ান’ সংস্করণ কেনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে। জেনারেল অ্যাটোমিক্স গ্লোবাল কর্পোরেশনের মুখ্য আধিকারিক বিবেক লাল জানান, এই ড্রোন নিয়ে ভারত ও আমেরিকার সরকারের মধ্যে কথাবার্তা প্রায় চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছে গেছে। আমেরিকার সঙ্গে যৌথ উদ্য়োগে শক্তিশালী সশস্ত্র ড্রোন বানানোর পরিকল্পনাও আছে ভারতের।

    আরও পড়ুন: প্রতিরক্ষা খাতে বরাদ্দ ৫ লক্ষ ৯৪ হাজার কোটি টাকা! জানেন কী কী অস্ত্র কিনতে পারে ভারত?

    ঘাতক ড্রোন

    মার্কিন বায়ুসেনা এই ধরনের সশস্ত্র ড্রোন (Drones) ব্যবহার করে। প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞরা এই প্রিডেটর-বি ড্রোনকে বলেন ঘাতক ড্রোন। উঁচু পাহাড়ি এলাকায় নজরদারি চালানো এবং দুর্গম এলাকায় অতর্কিতে শত্রুঘাঁটির উপরে হামলা চালাতে এই ড্রোনের জুড়ি মেলা ভার। এর উন্নত রাডার ও সেন্সর সিস্টেম অনেক উঁচু থেকেই শত্রুঘাঁটি চিনে নিতে পারে। প্রতিপক্ষ টের পাওয়ার আগেই নির্ভুল লক্ষ্যে আঘাত হানতে পারে। আমেরিকার তৈরি এই ঘাতক ড্রোনকে ‘এমকিউ-৯ রিপার’ বলা হয়। ৫০ হাজার ফুট উচ্চতায় ২৭ ঘণ্টা ধরে একটানা ওড়ার ক্ষমতা রয়েছে এই ড্রোনের। সর্বোচ্চ বহন ক্ষমতা ১,৭৪৬ কিলোগ্রাম।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Assam: ৪ হাজার নাবালিকার বিয়ে! কড়া ব্যবস্থা শুক্রবার থেকেই, জানাল অসম সরকার

    Assam: ৪ হাজার নাবালিকার বিয়ে! কড়া ব্যবস্থা শুক্রবার থেকেই, জানাল অসম সরকার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চার হাজার চারজন নাবালিকার বিয়ের খবর নথিভুক্ত হয়েছে। নাবালিকার বিয়ে রুখতে তাই এবার কড়া পদক্ষেপ করতে চলেছে অসম (Assam) সরকার। জানা গিয়েছে, যে সব নাবালিকার বিয়ের (Child Marriage) খবর নথিভুক্ত করা হয়েছে, সে সব ক্ষেত্রে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে।  

    নাবালিকা বিয়ে…

    সম্প্রতি এক ট্যুইট-বার্তায় নাবালিকা বিয়ের এই তথ্য তুলে ধরেছেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা। তিনি লিখেছেন, রাজ্যে নাবালিকার বিয়ে বন্ধে বদ্ধ পরিকর অসম সরকার। এতদিন পর্যন্ত ৪ হাজার ৪টি নাবালিকার বিয়ে নথিভুক্ত হয়েছে গোটা রাজ্যে। এই কেসগুলির ক্ষেত্রে ব্যবস্থা নেওয়া শুরু হবে ৩ ফেব্রুয়ারি থেকে। তিনি লিখেছেন, এ ব্যাপারে সবাইকে সহযোগিতা করতে অনুরোধ করি। মুখ্যমন্ত্রীর (Assam) শেয়ার করা তথ্য থেকে দেখা যাচ্ছে, ধুবড়ি জেলায় সব চেয়ে বেশি নাবালিকার বিয়ের খবর মিলেছে।

    এই জেলায় এমনতর বিয়ে হয়েছে ৩৭০টি। হোজাই জেলায় বিয়ে হয়েছে ২৫৫ নাবালিকার। তার পরে রয়েছে উদালগুড়ি। সেখানে বিয়ে হয়েছে ২৩৫ নাবালিকার। সব চেয়ে কম নাবালিকার বিয়ে হয়েছে দিমা হোসা জেলায়।

    আরও পড়ুুন: ‘আরএসএস ডানপন্থীও নয়, বামপন্থীও নয়, জাতীয়তাবাদী’, সাফ জানালেন দত্তাত্রেয়

    প্রসঙ্গত, ১৯২৯ সালের আইন অনুযায়ী মেয়েদের ক্ষেত্রে ১৪ ও ছেলেদের ক্ষেত্রে ১৮ হলেই বিয়ের অনুমতি মিলত। ১৯৭৮ সালে সংশোধন করা হয় এই আইন। তার পরে মহিলাদের ক্ষেত্রে বিয়ের বয়স বেড়ে দাঁড়ায় ১৮ বছর, পুরুষদের ক্ষেত্রে ২১ বছর। গুয়াহাটি শহরেও নাবালিকার বিয়ের সংখ্যা বাড়ছে বলেও গত সেপ্টেম্বরে খবর হয় সংবাদ মাধ্যমে। তখন জানা গিয়েছিল, ওই সময়ের কয়েক মাস আগে পর্যন্ত খোদ গুয়াহাটি শহরে বিয়ে হয়েছিল অন্তত ২৪ নাবালিকার। এর মধ্যে ১০টি ক্ষেত্রে অপহরণ, ৬টি ক্ষেত্রে প্রাক বিবাহ, পাঁচটি ক্ষেত্রে বিয়ের পরে এবং দুটি ক্ষেত্রে বিয়ের নামে পাচারের অভিযোগ দায়ের হয়েছিল। গত বছর এপ্রিল মাস থেকে ওই অভিযোগগুলি দায়ের হয়েছিল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     
  • RSS: ‘আরএসএস ডানপন্থীও নয়, বামপন্থীও নয়, জাতীয়তাবাদী’, সাফ জানালেন দত্তাত্রেয়

    RSS: ‘আরএসএস ডানপন্থীও নয়, বামপন্থীও নয়, জাতীয়তাবাদী’, সাফ জানালেন দত্তাত্রেয়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের (RSS) কর্মীরা জাতীয়তাবাদী। তাঁরা ডানপন্থী নন, বামপন্থীও নন। বুধবার একথা সাফ জানিয়ে দিলেন আরএসএসের সাধারণ সম্পাদক দত্তাত্রেয় হোসাবল (Dattatreya hosable)। এদিন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ: কাল, আজ ও কাল শীর্ষক দীনদয়াল স্মৃতি বক্তৃতায় যোগ দেন দত্রাত্রেয়। এই আলোচনা সভায় ভাষণও দেন তিনি। সংঘের সাধারণ সম্পাদক বলেন, আমরা ডানপন্থীও নই, বামপন্থীও নয়। আমরা জাতীয়তাবাদী।

    দত্তাত্রেয় বলেন…

    দত্তাত্রেয় বলেন, সংঘ কেবল জাতির স্বার্থে কাজ করে চলেছে। এদিন তিনিও বলেন, ভারতে যাঁরা বসবাস করছেন, তাঁরা সবাই হিন্দু। কারণ তাঁদের পূর্ব পুরুষরা হিন্দু ছিলেন। তাঁদের প্রার্থনা পদ্ধতি আলাদা হতে পারে, যদিও তাঁদের প্রত্যেকের ডিএনএ এক। সংঘের সাধারণ সম্পাদক বলেন, সংঘ কেবল একটি শাখা তৈরি করবে। কিন্তু সমস্ত কাজ করবেন সংঘের স্বেচ্ছাসেবকরা। তিনি বলেন, আমাদের সকলের প্রচেষ্টায় ভারত বিশ্বকে নেতৃত্ব দেবে। এভাবে ভারত হয়ে উঠবে বিশ্বগুরু। দত্তাত্রেয় বলেন, সংঘ ভারতের সমস্ত ধর্ম ও সম্প্রদায়কে এক বলে মনে করে।

    দত্তাত্রেয় বলেন, সম্প্রদায়গত ভেদ সরিয়ে রেখে মানুষ ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে পারে। এই ইউনিয়ন রিজিড নয়, বরং ফ্লেক্সিবল। তিনি বলেন, সংঘকে (RSS) বুঝতে হলে হৃদয়ের কোনও প্রয়োজন নেই। কেবল মন একা কাজ করতে পারে না। দত্তাত্রেয় বলেন, সংঘের কাজই হল উন্নত হৃদয় এবং মন তৈরি করা। জানুন, জীবন কী?  জীবনের লক্ষ্যই বা কী? আরএসএসের সাধারণ সম্পাদক বলেন, সংবিধান ভাল। কিন্তু সেই সংবিধান যাঁরা পরিচালনা করেন, তাঁরা যদি বাজে হন, তাহলে সংবিধানও কিছু করতে পারবে না।

    আরও পড়ুুন: সাগরদিঘি বিধানসভার উপনির্বাচনে ত্রিমুখী লড়াই! বিজেপির প্রার্থী দিলীপ সাহা

    এদিনের অনুষ্ঠানে দত্তাত্রেয় বলেন, এটা আমাদের মনে রাখা উচিত যে আমাদের পরবর্তী প্রজন্ম এই কলঙ্ক বয়ে বেড়াবে না। তাই পরিবেশ, জল, স্থল এবং জঙ্গল রক্ষা করা গেলে আমরা সুরক্ষিত থাকব। তিনি বলেন, আমাদের সমাজকে সক্রিয় রাখতে হবে। ভারতের অস্তিত্ব ও পরিচয় টিকিয়ে রাখতে এটা আমাদের করতে হবে। দত্তাত্রেয় বলেন, দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করতে আরএসএসের (RSS) ভূমিকা ছিল। তামিলনাড়ুতে যে ধর্মান্তকরণ হয়েছিল, তার বিরুদ্ধে হিন্দু জাগরণের জন্য একটা শঙ্খের প্রয়োজন ছিল। তিনি বলেন, আজ জাতীয় জীবনের কেন্দ্রে রয়েছে সংঘ। এই সংঘ সমাজ এবং ব্যক্তি মানুষ গঠন করতে কাজ করে যাবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     
  • Supreme Court: প্রাইভেসি পলিসি মানতে বাধ্য নয় ভারতের ব্যবহারকারীরা! হোয়াটসঅ্যাপকে ‘সুপ্রিম’-নির্দেশ

    Supreme Court: প্রাইভেসি পলিসি মানতে বাধ্য নয় ভারতের ব্যবহারকারীরা! হোয়াটসঅ্যাপকে ‘সুপ্রিম’-নির্দেশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২১ সালে জারি করা হোয়াটসঅ্যাপের প্রাইভেসি পলিসি (Privacy policy) মানতে বাধ্য নয় ভারতের ব্যবহারকারীরা (Indian Users)। এই নিয়ে হোয়াটসঅ্যাপকে (WhatsAPP) প্রচার চালানোর নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)।

    কী বলল আদালত

    ভারতের (India) সর্বোচ্চ আদালত তবে একথাও জানিয়ে দিয়েছে, যাঁরা এই বিষয়টি গ্রহণ করেছে তাদের ক্ষেত্রে ডাটা প্রোটেকশন বিল (Data Protection Bill) যতক্ষণ না লাঘু হচ্ছে ততক্ষণ হোয়াটসঅ্যাপ ঠিকঠাক ভাবেই কাজ করবে। বুধবার এই নির্দেশ দেয় সুপ্রিম কোর্টের সাংবিধানিক বেঞ্চ (Constitution Bench)। এর ফলে ভারতে বসবাসকারী হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহারকারীরা যাঁরা লেটেস্ট প্রাইভেসি পলিসি গ্রহণ করেননি তাদেরও এই অ্যাপটি ব্যবহার করতে কোনও অসুবিধা হবে না। এই অর্ডারটি পাশ করতে গিয়ে সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি কে এম যোশেফ, অজয় রাস্তোগি, অনিরুদ্ধ বোস, ঋষিকেশ রায় ও সিটি রবিকুমারের পাঁচ সদস্যের সাংবিধানিক বেঞ্চ জানায়, যাঁরা ২০২১ সালে জারি করা হোয়াটসঅ্যাপের প্রাইভেসি পলিসির শর্তাবলী মানতে চাননি তাঁরা উপকৃত হবেন।

    আরও পড়ুন: পুড়িয়ে ফেলা হয়েছে ২০১৭-এর টেটের ওএমআর শিট! কার নির্দেশে এমন কাজ, রিপোর্ট চাইলেন বিচারপতি

    হয় ফেসবুক নয়তো হোয়াটসঅ্যাপ

    বেশীরভাগ হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহারকারীদের ফেসবুক অ্যাকাউন্টও রয়েছে। খুব কম সংখ্যক মানুষের এই দুটির মধ্যে যে কোনও একটি সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট রয়েছে। যাঁদের একইসঙ্গে দুটি অ্যাকাউন্ট রয়েছে, তাঁরা কোন অ্যাকউন্টটি রাখতে চান সেব্যাপারে চিন্তা ভাবনা শুরু করা উচিত। অন্তত গোপনীয়তা রক্ষার ক্ষেত্রে একটি অ্যাকাউন্ট বন্ধ করা কাম্য। এব্যাপারে সুপ্রিম কোর্টে তাদের অবস্থান জানিয়েছে ফেসবুক। যদি কোনও হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহারকারী সঠিকভাবে গোপনীয়তা রক্ষা করতে চান, তাহলে তাঁর ফেসবুক অ্যাকাউন্ট মুছে ফেলা ভাল। সুপ্রিম কোর্টে শুনানির সময় আইনজীবী কপিল সিবাল বলেছেন, হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহারকারীদের কিছু ডেটা ফেসবুকের সঙ্গে ভাগ করে নেওয়া হয়। এক্ষেত্রে ব্যবহারকারীরা যদি সম্পূর্ণ গোপনীয়তা চান, তাহলে তাঁদের ফেসবুক অ্যাকাউন্ট না রাখাই উচিত।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Adani FPO: কারচুপির অভিযোগে পড়েছে শেয়ার দর, ২০ হাজার কোটি টাকার এফপিও প্রত্যাহার আদানি গোষ্ঠীর

    Adani FPO: কারচুপির অভিযোগে পড়েছে শেয়ার দর, ২০ হাজার কোটি টাকার এফপিও প্রত্যাহার আদানি গোষ্ঠীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হিন্ডেনবার্গ রিপোর্টের জেরে বিপাকে আদানি গ্রুপ। ক্ষতির মুখে গৌতম আদানির গোষ্ঠী (Adani FPO)। বিগত কয়েকদিনে শেয়ার বাজারে সজোরে ধাক্কা খেয়েছে আদানি গ্রুপ। এবার চাপের মুখে  আদানি গ্রুপ তুলে নিল ফলো-অন পাবলিক অফার (এফপিও)। শুধু তাই নয়, আদানি গ্রুপ অফ এন্টারপ্রাইজের তরফে জানানো হয়েছে, বিনিয়োগকারীদের পুরো ২০ হাজার কোটি টাকা ফিরিয়ে দেওয়া হবে।   

    গতকাল পেশ হয়েছে কেন্দ্রীয় বাজেট। আর এদিনই আদানি গোষ্ঠী (Adani FPO) তাদের বিনিয়োগকারীদের জন্য কিছুটা স্বস্তির কথা জানাল। আর এর মাঝেই কিছুটা স্বস্তির বিষয় আদানির এই বিবৃতি। আদানি গ্রুপ আগে ২০ হাজার কোটি টাকার নতুন শেয়ার ছাড়ার কথা জানিয়েছিল। কিন্তু বিগত কয়েকদিন আদানি গোষ্ঠীকে নিয়ে যে টানাপড়েন তৈরি হয়েছিল তার প্রভাব পড়ছিল শেয়ার মার্কেটে। তাই এই মুহূর্তে সেই শেয়ার ছাড়ার বিষয়টি এখন স্থগিত রাখা হচ্ছে বলে জানিয়েছে আদানি গ্রুপ। শুধু তাই নয়, আদানি গোষ্ঠীর তরফে বিবৃতি দিয়ে জানানো হয়েছে, ইতিমধ্যেই যাঁরা এফপিওতে লগ্নি করেছেন, তাঁদের টাকা ফেরত দেওয়া হবে।

    বিবৃতিতে কী জানাল আদানিরা?

    আদানি গোষ্ঠীর বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, আদানিতে এফপিও (Adani FPO) প্রক্রিয়ার অংশ হতে চাওয়ার জন্য বিনিয়োগকারীদের ধন্যবাদ জানিয়েছেন সংস্থার প্রধান। কিন্তু গত কয়েকদিনে শেয়ারের দাম যেভাবে পড়ছে তাতে সংস্থার মনে হয়েছে এমতাবস্থায় বিনিয়োগকারীদের কোনওরকম ঝুঁকিতে ফেলা ঠিক হবে না। তাই আপাতত প্রক্রিয়াটি স্থগিত করা হয়েছে। তাছাড়া যাঁরা ইতিমধ্যে বিনিয়োগ করে ফেলেছেন তাঁদের অর্থ ফিরিয়ে দেওয়া কীভাবে সম্ভব সেটাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পাশপাশি সংস্থা আরও জানিয়েছে, শেয়ারের বাজারের পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে এই প্রক্রিয়া নতুন করে শুরু হয়। আদানিদের দাবি, তাদের সংস্থার আর্থিক পরিস্থিতি যথেষ্টই ভালো তাই সংশ্লিষ্ট কারও কোনও চিন্তা করার দরকার নেই। সংস্থার সম্প্রসারণ থেকে শুরু করে অন্য পরিকল্পনাও বাতিল হচ্ছে না বলে ওই বিবৃতিতে বলা হয়েছে।

    আরও পড়ুন: পুড়িয়ে ফেলা হয়েছে ২০১৭-এর টেটের ওএমআর শিট! কার নির্দেশে এমন কাজ, রিপোর্ট চাইলেন বিচারপতি

    ২৪ জানুয়ারি হিন্ডেনবার্গেররিপোর্ট যে দিন প্রকাশিত হয়, ওই দিনই আদানি গোষ্ঠীর এফপিও (Adani FPO) বাজারে আসে। তার প্রভাব পড়েছে আদানি গোষ্ঠীর শেয়ার দরেও। আদানি গোষ্ঠী যদিও অভিযোগ অস্বীকার করেছে। তাদের দাবি, ভারতের উপর অযাচিত আঘাত হানা হচ্ছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Union Budget: ‘ঐতিহাসিক বাজেট’ নিয়ে জন দরবারে যাচ্ছে বিজেপি, জানুন বিশদে  

    Union Budget: ‘ঐতিহাসিক বাজেট’ নিয়ে জন দরবারে যাচ্ছে বিজেপি, জানুন বিশদে  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাজেট (Union Budget) হয়েছে সাধারণ মানুষের কথা ভেবে। মোদি সরকারের (PM Modi) এটাই শেষ পূর্ণাঙ্গ বাজেট। ২০২৪ সালে লোকসভা নির্বাচন। তাই সেবার বাজেট পেশ হবে না, হবে ভোট অন অ্যাকাউন্ট পেশ। তবে এবার কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন (Nirmala Sitharaman) যে বাজেট পেশ করেছেন, তাতে খুশি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি স্বয়ং। এবারের বাজেটকে তিনি ঐতিহাসিক আখ্যা দিয়েছেন। সেই ঐতিহাসিক বাজেট নিয়ে এবার জনতার দরবারে হাজির হচ্ছে বিজেপি (BJP)। জানা গিয়েছে, বুধবার থেকে ১২ দিন ধরে দেশব্যাপী প্রচার শুরু করবে গেরুয়া শিবির।

    প্রচারে পদ্মশিবির…

    দলের একটি সূত্রের মতে, ১ ফেব্রুয়ারি থেকে ১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বাজেট নিয়ে দেশব্যাপী প্রচার করবে পদ্ম শিবির। এ জন্য একটি কমিটি গঠন করেছেন বিজেপির জাতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা। এই কমিটির আহ্বায়ক করা হয়েছে বিহারের প্রাক্তন উপ-মুখ্যমন্ত্রী ও রাজ্যসভার সাংসদ সুশীল কুমার মোদিকে। ৪ এবং ৫ ফেব্রুয়ারি কেন্দ্রীয় সরকারের মন্ত্রী অফিসার এবং অর্থনৈতিক বিশেষজ্ঞরা দেশের বিভিন্ন রাজ্যের রাজধানী সহ ৫০টি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে বাজেট নিয়ে একটি সম্মেলন করবেন। এর পাশাপাশি, বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলির মুখ্যমন্ত্রী, রাজ্য সভাপতি, মন্ত্রী, সাংসদ এবং বিধায়করা আগামী দু সপ্তাহ সারা দেশে সম্মেলন এবং জনসভা করবেন এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে বাজেট এবং এর সুবিধাগুলি নিয়ে আলোচনা করবেন।

    আরও পড়ুুন: “আমি অমৃতকাল বাজেটে বিশ্বাস করি”, বললেন শুভেন্দু, কী প্রতিক্রিয়া দিলীপ ঘোষের?

    বিজেপির তৈরি এই কমিটিতে দলের জাতীয় সাধারণ সম্পাদক সুনীল বনসল, কিষান মোর্চার সভাপতি রাজকুমার চাহার, বিজেপি যুব মোর্চার জাতীয় সভাপতি তেজস্বী সূর্য সহ বহু হেভিওয়েট নেতাকে সদস্য করা হয়েছে। সুশীল মোদির বিবৃতি অনুসারে, এই কমিটি দিল্লিতে দলের সদর দফতরে প্রথম বৈঠকে সিদ্ধান্ত নিয়েছে, ৪ থেকে ৫ ফেব্রুয়ারির মধ্যে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীরা, দলের সর্বভারতীয় পদাধিকারিরা সমস্ত রাজ্যের রাজধানী সহ ৫০টি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র পরিদর্শন করবেন। দেশের অর্থনীতি বিশেষজ্ঞরা বাজেট নিয়ে সম্মেলন করবেন।

    জানা গিয়েছে, প্রতিটি রাজ্যে এই কর্মসূচির জন্য ৪ সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে। ২ ফেব্রুয়ারি বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলির মুখ্যমন্ত্রী ও রাজ্য সভাপতি এবং বিরোধী দলের নেতারা সাংবাদিক সম্মেলন করবেন। সব জেলায় সম্মেলনের আয়োজন করা হবে। বাজেটের (Union Budget) বিষয়গুলি পৌঁছে দেওয়া হবে ব্লকস্তর পর্যন্ত জনগণের কাছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

     
     
  • Union Budget: কোন পথে আয়করে ছাড় ৭ লক্ষ টাকা বুঝতে পারছেন না? দেখে নিন

    Union Budget: কোন পথে আয়করে ছাড় ৭ লক্ষ টাকা বুঝতে পারছেন না? দেখে নিন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বুধবার বাজেট পেশ করেছেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। বাজেটের সবথেকে বেশি আকর্ষণ ছিল আয়কর নিয়েই। কেন্দ্রীয় বাজেটে আয়কর নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকার কী ছাড় ঘোষণা করবে, তা নিয়ে সাধারণ মানুষের বরাবরই আগ্রহ থাকে। আর এবারের বাজটে ছিল একের পর এক চমক। কারণ আগামী ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের আগে এটাই কেন্দ্রীয় সরকারের শেষ পূর্ণাঙ্গ বাজেট। সেই কারণে এবারের বাজেটে সরকার আয়কর নিয়ে বড় কোনও ঘোষণা করতে পারে, এমনটাই প্রত্যাশা ছিল সকলের।

    ফলে সেই প্রত্যাশা মতই আয়করে বড় ছাড় ঘোষণা করলেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। এবারের বাজেটে আয়কর ছাড়ের ঊর্ধ্বসীমা বাড়িয়েছেন। জানিয়েছেন, বছরে ৭ লক্ষ টাকা পর্যন্ত আয় হলে আয়করে ছাড় মিলবে। যা আগে ছিল ৫ লক্ষ টাকা। তাই এই বাজেটে মধ্যবিত্তরা কিছুটা স্বস্তি পেয়েছেন বলে মনে করছে বিশেষজ্ঞ মহল। কিন্তু অনেকেই এখনও বুঝতে পারছেন না, এই আয়করে হিসাব করবেন কী করে? কাকে কত টাকা আয়কর দিতে হবে?

    নতুন আয়করের হার…

    শূন্য থেকে ৩ লক্ষ টাকা অবধি উপার্জনের ক্ষেত্রে কোনও আয়কর দিতে হবে না।

    বার্ষিক ৩ থেকে ৬ লক্ষ টাকা উপার্জনের ক্ষেত্রে আপনাকে ৫ শতাংশ হারে আয়কর দিতে হবে।

    ৬ লক্ষ টাকা থেকে ৯ লক্ষ টাকা বার্ষিক আয়ের ক্ষেত্রে ১০ শতাংশ হারে আয়কর দিতে হবে।

    ৯ লক্ষ টাকা থেকে ১২ লক্ষ টাকা আয়ের ক্ষেত্রে ১৫ শতাংশ হারে আয়কর দিতে হবে।

    ১২ লক্ষ টাকা থেকে ১৫ লক্ষ টাকা অবধি উপার্জনের ক্ষেত্রে ২০ শতাংশ কর দিতে হবে।

    ১৫ লক্ষ টাকার অধিক উপার্জনের ক্ষেত্রে ৩০ শতাংশ কর দিতে হবে।

    কীভাবে আয়করের হিসাব করবেন?

    যদি আপনার বেতন বছরে ৭ লক্ষ টাকা হয়, তাহলে আপনাকে কোনও ট্যাক্স দিতে হবে না। যদি আপনার বার্ষিক আয় ৯ লক্ষ টাকা হয়, তবে ৩ লক্ষ টাকা অবধি আয়ের ক্ষেত্রে আপনাকে কোনও আয়কর দিতে হবে না। এর পর বার্ষিক আয় থেকে ৩ লক্ষ বাদ দিলে থাকবে ৬ লক্ষ টাকা। ৩ থেকে ৬ লক্ষ টাকা আয়ের উপরে ৫ শতাংশ কর দিতে হবে। ফলে এই ৩ লক্ষ টাকার হিসাবে আপনাকে ১৫ হাজার টাকা আয়কর দিতে হবে। এরপরের আয়করের ধাপ হল ৬ থেকে ৯ লক্ষ টাকা। এই ধাপে করের হার হল ১০ শতাংশ। এই ধাপে ৩ লক্ষ টাকার হিসাবে যদি ১০ শতাংশ কর দিতে হয়, ফলে ৩ লক্ষ টাকার হিসাবে ৩০ হাজার টাকা আয়কর দিতে হবে। এবার মোট হিসাব মিলিয়ে দেখলে ১৫ হাজার, ৩০ হাজার যোগ করলে ৯ লক্ষ টাকার উপরে মোট ৪৫ হাজার টাকা দিতে হবে আয়কর। পুরনো আয়কর অনুযায়ী, ৯ লক্ষ টাকার উপরে কমপক্ষে ৬০ হাজার দিতে হত, যার অর্থ নতুন আয়করে কাঠামোয় কোনও লোকের ২৫ শতাংশ সঞ্চয় হতে পারে।

LinkedIn
Share