Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Union Budget 2023: বাজেটে কীসের দাম বাড়ল আর কী কী কমল? এক নজরে

    Union Budget 2023: বাজেটে কীসের দাম বাড়ল আর কী কী কমল? এক নজরে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলতি আর্থিক বছরের বাজেট পেশ করলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। বাজেটে কর ছাড়ের ক্ষেত্রে বড় চমক দিয়েছেন তিনি। ইতিমধ্যেই করছাড়ের ঘোষণায় স্বস্তি পেয়েছেন চাকুরিজীবীরা। বাজেটে ঠিক কোন কোন জিনিসের দাম বাড়ছে, কিসের দাম কমছে আম জনতার মূলত নজর থাকে সেই দিকে। ফলে এক ঝলকে দেখে নিন কিসের কিসের দাম এ বারের বাজেটে কমল।

    কোন কোন জিনিসের দাম কমল?

    • বুধবারের বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন জানালেন, দাম কমতে পারে টিভি-চিমনির মত নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের। সেই সঙ্গে দাম কমতে পারে ক্যামেরা লেন্স, ব্যাটারি-সহ একাধিক জিনিসের।
    • দেশে টিভি তৈরির জন্য যন্ত্রাংশের আমদানি শুল্কের উপর ২.৫ শতাংশ ছাড় দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। তার ফলে বেশ খানিকটা কমবে টিভির দাম।
    • ক্যামেরার লেন্সের মত আরও বেশ কয়েকটি জিনিসেরও আমদানি শুল্কে ছাড়ের পরিমাণ বাড়ানো হয়েছে। ফলে দাম কমবে ক্যামেরা লেন্সের।
    • মোবাইলের যন্ত্রাংশের উপর শুল্কের ছাড় দেওয়া হয়েছে। ফলে কমবে মোবাইলের দামও।
    • বস্ত্র ও কৃষি ছাড়া অন্যান্য ক্ষেত্রে আমদানি কর ২১ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১৩ শতাংশ করা হয়েছে।
    • ইলেকট্রিক গাড়ির ব্য্যাটারির যন্ত্রাংশ আমদানিতে শুল্ক ছাড় রয়েছে। ফলে সাইকেল, ইলেকট্রিক গাড়ির দাম কমবে বলে ঘোষণা করেন অর্থমন্ত্রী।
    • বাজেটের পর সস্তা হবে লিথিয়াম ব্যাটারিও। ব্যাটারির দাম বেশ খানিকটা কমতে চলেছে। শুল্কে ছাড় দিয়েছে সরকার।
    • সস্তায় পাওয়া যাবে দেশে তৈরি খেলনাও।
    • শিল্পক্ষেত্রে ব্যবহৃত অ্যালকোহলের দামও কমে যাবে।
    • দাম কমেছে হিরের গয়নারও।

    আরও পড়ুন: বাজেটে মহিলাদের জন্য বিশেষ স্বল্প সঞ্চয় প্রকল্পের ঘোষণা! সুদের হার ৭.৫ শতাংশ

    কিসের কিসের দাম বাড়ল?

    • ধূমপায়ীদের জন্য এটি সুখবর নয়। কারণ দাম বাড়বে সিগারেটের। সিগারেটের উপর ১৬ শতাংশ কর আরোপ করা হয়েছে এ বারের বাজেটে।
    • চিন থেকে আমদানি করা খেলনার উপরেও শুল্ক বাড়ানো হয়েছে। ফলে দাম বাড়বে চিনের তৈরি খেলনার।
    • সোনা, রুপো, প্ল্যাটিনামের মত ধাতুর দাম বাড়ায় গয়না ও বাসনের দাম বাড়ছে।
  • Union Budget: বাজেটে মহিলাদের জন্য বিশেষ স্বল্প সঞ্চয় প্রকল্পের ঘোষণা! সুদের হার ৭.৫ শতাংশ

    Union Budget: বাজেটে মহিলাদের জন্য বিশেষ স্বল্প সঞ্চয় প্রকল্পের ঘোষণা! সুদের হার ৭.৫ শতাংশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ছোট সেভিংস স্কিম হিসেবে মহিলাদের জন্য নয়া যোজনার প্রস্তাব দিলেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। চলতি বছর ‘মহিলা সম্মান’ যোজনা চালুর কথা ২০২৩-২০২৪ সালের বাজেটে ঘোষণা করলেন অর্থমন্ত্রী। এই যোজনায়  ২ বছরের জন্য ন্যুনতম ২ লক্ষ টাকা জমা রাখা যাবে। সুদের হার ৭.৫ শতাংশ। এই যোজনার নামকরণ করা হয়েছে, ‘মহিলা সম্মান বাচত পত্র।’

    এদিন বাজেট পেশ করতে গিয়ে শুরুতেই মহিলাদের কথা উল্লেখ করেন অর্থমন্ত্রী। তিনি বলেন, এটাই অমৃতকালের প্রথম বাজেট। এই বাজেটে মহিলা ও যুব সম্প্রদায়কে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি। একই সঙ্গে সিনিয়র সিটিজেন স্কিম (SCSS) নিয়েও বিশেষ ঘোষণা করেছেন অর্থমন্ত্রী। সিনিয়র সিটিজেন সেভিংস স্কিমে সর্বোচ্চ ৩০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত রাখা যাবে। পোস্টঅফিসে মান্থলি ইনকাম স্কিমে ৪.৫ লক্ষের পরিবর্তে ৯ লক্ষ টাকা রাখা যাবে। জয়েন্ট অ্যাকাউন্টে ৯ লক্ষ টাকার পরিবর্তে ১৫ লক্ষ টাকা রাখা যাবে।

    আরও পড়ুন: আবাস যোজনায় বরাদ্দ বৃদ্ধি থেকে আয়করে ছাড়, বাজেটে কী কী বললেন নির্মলা?

     মহিলা সম্মান সঞ্চয় প্রকল্প 

    লোকসভা ভোটের আগে এটাই অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামণের (Nirmala Sitharaman) শেষ পূর্ণাঙ্গ বাজেট। মহিলাদের উন্নয়নের কথা সবসময় মাথায় রাখে মোদি সরকার এই প্রকল্প তারই প্রমাণ। অর্থমন্ত্রী বলেন যে, স্বাধীনতার অমৃত মহোৎসবের অধীনে মহিলা সম্মান বচত পত্র ঘোষণা করা হচ্ছে। মহিলাদের জন্য একটি নতুন সঞ্চয় প্রকল্প এটি। এতে ২ বছরের জন্য বিনিয়োগ করতে পারবেন। ২ লক্ষ টাকা জমা করতে হবে। যার উপর ৭.৫ শতাংশ সুদ দেওয়া হবে। যেকোনও মহিলা এই অ্যাকাউন্ট খুলতে পারবেন এবং সেখান থেকে টাকা তোলার শর্ত থাকবে। এবারের বাজেটে নারী কল্যাণে এটি একটি বড় পদক্ষেপ।

    নারীর ক্ষমতায়ন

    স্বনির্ভর গোষ্ঠীগুলির বিষয়ে অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন বলেছেন- “নারীদের অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন একটি সুযোগ যা উপরোক্ত ক্ষেত্রগুলিতে ফোকাস করে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি অর্জনে রূপান্তরিত হতে পারে৷ দীনদয়াল অন্ত্যোদয় যোজনা গ্রামীণ মহিলাদের ৮১ লক্ষ স্বনির্ভরতা প্রদান করেছে। স্বনির্ভর গোষ্ঠীগুলিকে একত্র করে আমরা উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছি। আমরা এই স্বনির্ভর গোষ্ঠীগুলিকে বড় উৎপাদনশীল উদ্যোগে পরিণত করব যাতে তাদের অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নের পরবর্তী পর্যায়ে পৌঁছাতে সহায়তা করা যায়।” 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Union Budget 2023: ৭ লক্ষ টাকা পর্যন্ত দিতে হবে না কোনও আয়কর! দেখুন নতুন কর-তালিকা

    Union Budget 2023: ৭ লক্ষ টাকা পর্যন্ত দিতে হবে না কোনও আয়কর! দেখুন নতুন কর-তালিকা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ, সংসদে কেন্দ্রীয় বাজেট পেশ করছেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। এটি হল মোদি ২.০ সরকারের শেষ পূর্ণাঙ্গ বাজেট। এই নিয়ে পঞ্চম বাজেট পেশ করলেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। সেই সঙ্গে নিয়ে এলেন মধ্যবিত্তদের জন্য সুখবর। এই বাজেটে প্রত্যাশা মতই ব্যক্তিগত আয়করে বড় ছাড় ঘোষণা করলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী। ৫ লক্ষ টাকা থেকে আয়কর ছাড়ের ঊর্ধ্বসীমা বেড়ে ৭ লক্ষ টাকা হল। অর্থাৎ বছরে ৭ লক্ষ টাকা পর্যন্ত আয় হলে আয়করে ছাড় পাওয়া যাবে। নতুন ট্যাক্স রেট অনুযায়ী, এখন ৩ লক্ষ টাকা পর্যন্ত কোনও আয়কর দিতে হবে না। ৩ লক্ষ থেকে ৬ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ৫ শতাংশ আয়কর। ৬ লক্ষ থেকে ৯ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ১০ শতাংশ আয়কর।

    বড় ঘোষণা কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রীর

    নয়া আয়কর ব্যবস্থা অনুযায়ী, বছরে ৭ লক্ষ টাকা পর্যন্ত আয় হলে আয়করে ছাড়। এ দিন বাজেট পেশের সময় এমনটাই ঘোষণা করলেন নির্মলা সীতারামন। উল্লেখ্য, এর আগে ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত আয় হলে ছিল আয়করে ছাড়। আজ সেটিই বৃদ্ধি করা হল। আর এর ফলে চাকরিজীবীদের অনেক স্বস্তি হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এর পাশাপাশি, কারও বছরে ৯ লক্ষ টাকা পর্যন্ত আয় হলে ৪৫ হাজার টাকা আয়কর দিতে হবে। যা আগের তুলনায় ২৫ শতাংশ কম। যাঁর ১৫ লক্ষ টাকা বাৎসরিক আয় তাঁকে দেড় লক্ষ টাকা কর দিতে হবে। আগে দিতে হত ১ লক্ষ ৮৭ হাজার টাকা। ফলে অনেকটাই সাশ্রয় হবে সাধারণ মানুষের।

    আরও পড়ুন: আবাস যোজনায় বরাদ্দ বৃদ্ধি থেকে আয়করে ছাড়, বাজেটে কী কী বললেন নির্মলা?

    একনজরে নতুন কর কাঠামো জেনে নিন

    নতুন কর ব্যবস্থায়, ৩ লক্ষ টাকা পর্যন্ত করযোগ্য আয়ে করের হার হবে শূন্য শতাংশ।

    ৩ থেকে ৬ লক্ষ টাকা পর্যন্ত করযোগ্য আয়ে আয়কর দিতে হবে ৫ শতাংশ হারে।

    বাৎসরিক আয় ৬ লক্ষ টাকা থেকে ৯ লক্ষ টাকা হলে কর দিতে হবে ১০ শতাংশ।

    ৯ থেকে ১২ লক্ষ টাকা পর্যন্ত করযোগ্য আয়ে আয়কর দিতে হবে ১৫ শতাংশ হারে।

    বাৎসরিক আয় ১২ লক্ষ টাকা থেকে ১৫ লক্ষ টাকা হলে কর দিতে হবে ২০ শতাংশ।

    ১৫ লক্ষ টাকার বেশি করযোগ্য আয়ে আয়কর দিতে হবে ৩০ শতাংশ হারে।

     

  • Union Budget 2023: আবাস যোজনায় বরাদ্দ বৃদ্ধি থেকে আয়করে ছাড়, বাজেটে কী কী বললেন নির্মলা?

    Union Budget 2023: আবাস যোজনায় বরাদ্দ বৃদ্ধি থেকে আয়করে ছাড়, বাজেটে কী কী বললেন নির্মলা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ, সংসদে কেন্দ্রীয় বাজেট পেশ করছেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। এটি হল মোদি ২.০ সরকারের শেষ পূর্ণাঙ্গ বাজেট।

    এক ঝলকে দেখে নেওয়া যাক কী কী রয়েছে এই বাজেটে—

    • হস্তশিল্পের জন্য নয়া প্রকল্প আনা হচ্ছে। নাম হবে ‘পিএম বিকাশ’। বাজেটে পেশে ঘোষণা কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রীর। এই শিল্পসামগ্রীর বিক্রির ব্যবস্থা করবে সরকার।

    • কৃষক, শিল্প সংস্থা এবং সরকারের মধ্যে মেলবন্ধন থাকবে। ৬৩ হাজার প্রাথমিক কৃষি ক্রেডিট সোসাইটিকে কম্পিউটারাইজ়ড করা হবে। কৃষকরা উৎপাদনের সঠিক দাম পাবেন।

    • দেশ জুড়ে ১৫৭টি নতুন নার্সিং কলেজের ঘোষণা নির্মলা সীতারামনের। শিশুশিক্ষায় জোর দিয়ে তৈরি হবে ডিজিটাল লাইব্রেরি

    • পশুপালন এবং মৎস্যচাষে ৬ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ করল কেন্দ্র।

    • প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার বরাদ্দ বৃদ্ধি বেড়ে হল ৭৯ হাজার কোটি টাকা। ১ লক্ষ প্রাচীন লিপির ডিজিটালকরণ।

    • ২.৪ লক্ষ কোটি টাকার বেশি বরাদ্দ হল রেলের জন্য। জানালেন নির্মলা সীতারামন।

    • একলব্য মডেল আবাসিক স্কুল: আগামী তিন বছরে সাড়ে ৩ লক্ষ আদিবাসী ছাত্রছাত্রীর জন্য ৩৮,৮০০ শিক্ষক নিয়োগ করা হবে। ঘোষণা করলে সীতারামন। যেখানে সাড়ে তিন লক্ষ জনজাতি পড়ুয়া পড়াশোনা করবে। 

    আরও পড়ুন: ‘সবার আগে দেশ, সব থেকে আগে দেশবাসী’, বাজেট প্রসঙ্গে বললেন প্রধানমন্ত্রী

    • ডিজিটাল ক্ষেত্রে প্যান কার্ডই হবে মূল পরিচয়পত্র। বললেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা।

    • রাজ্যগুলিকে বিনা সুদে ঋণ আরও এক বছরের জন্য। 

    • মহিলাদের জন্য আনা হল স্বল্পসঞ্চয় প্রকল্প। ২ বছরের জন্য রাখা যাবে ২ লক্ষ টাকা। সুদের হার ৭.৫। নাম ‘মহিলা সম্মানপত্র’। ৩১ মার্চ ২০২৫ সাল পর্যন্ত এই টাকা রাখা যাবে।

    • ৩০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত সঞ্চয়ে আয়কর ছাড় পাবেন বয়স্করা। প্রবীণ নাগরিকদের ক্ষেত্রে আয়কর ছাড় ছিল ১৫ লক্ষ টাকা। সেটা করা হল ৩০ লক্ষ টাকা। এ ছাড়া পোস্ট অফিসে টাকা রাখার ক্ষেত্রেও বিশেষ ছাড়।

    • আগামী ৩ বছরে ১ কোটি কৃষককে স্বাভাবিক কৃষিকাজে সাহায্য দেব। তটরেখা জুড়ে ম্যানগ্রোভ অরণ্য তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হবে

    • মধ্যবিত্তদের জন্য সুখবর।  বার্ষিক ৭ লক্ষ টাকা পর্যন্ত আয়ে কোনও আয়কর দিতে হবে না। আগে ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত আয়ের ক্ষেত্রে আয়কর দিতে হত না।

    • ৯ লক্ষ টাকা পর্যন্ত আয়ের ক্ষেত্রে ৪৫ হাজার টাকা কর দিতে হবে। ২৫ শতাংশ কমল আয়কর, দাবি কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রীর। যাঁর ১৫ লক্ষ টাকা বাৎসরিক আয় তাঁকে দেড় লক্ষ টাকা কর দিতে হবে। আগে দিতে হত ১ লক্ষ ৮৭ হাজার টাকা।

    • নতুন ট্যাক্স রেটে ৩ লক্ষ টাকা পর্যন্ত আয়কর ছাড়। ৩-৬ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ৫ শতাংশ আয়কর। ৬-৯ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ১০ শতাংশ আয়কর। ৯-১২ লক্ষ টাকাতে ১৫ শতাংশ আয়কর। ১২-১৫ লক্ষ টাকাতে ২০ শতাংশ আয়কর। ১৫ লক্ষের বেশিটাকাতে ৩০ শতাংশ আয়কর।
    • বিশেষ নজর জম্মু-কাশ্মীর,লাদাখ ও উত্তর-পূর্ব ভারতে। 

    • ৯.৬ কোটি রান্নার গ্যাসের কানেকশন উজ্জ্বলা যোজনায়।

    • ৫০টি নতুন এয়ারপোর্ট ও হ্যালিপ্যাড তৈরি হবে।

    • কিষাণ ক্রেডিট কার্ডের জন্য বারাদ্দ হল ২০ লক্ষ কোটি টাকা।

     

  • Union Budget: মানুষের জন্য মোদি সরকারের বাজেট পেশ আজ! জানুন কখন কোথায় দেখবেন

    Union Budget: মানুষের জন্য মোদি সরকারের বাজেট পেশ আজ! জানুন কখন কোথায় দেখবেন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী বছর লোকসভা নির্বাচন। তার আগে আজ আর কিছুক্ষণের মধ্যেই বর্তমান মোদি সরকারের শেষ পূর্ণাঙ্গ বাজেট পেশ করতে চলেছেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। এই নিয়ে পঞ্চম বাজেট পেশ করবেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। রাজনৈতিক মহলের ধারণা, দেশজুড়ে আসন্ন নির্বাচনের কথা মাথায় রেখে জনমোহিনী বাজেটের পথে হাঁটতে পারে সরকার। সেই ক্ষেত্রে আশা করা হচ্ছে, এই বাজেটে আয়কর, কর্মসংস্থান, পরিকাঠামো, কৃষি ও গ্রামীণ অর্থনীতির বিষয়গুলিতে বেশি নজর দেবে সরকার।

    এবারে বাজেটে পিএম কিষাণের অনুদানের পরিমাণ বাড়ানো হতে পারে। উত্তর ভাবতের রাজস্থান এবং মধ্যপ্রদেশের মতো রাজ্যের বিস্তীর্ণ অঞ্চল কৃষি প্রধান। এই আবহে কৃষকদের মন জয় করতে এবং বিতর্কিত কৃষি আইনের স্মৃতি ভুলিয়ে দিতে ৬ হাজার থেকে বাড়িয়ে পিএম কিষাণের বার্ষিক অনুদানের পরিমাণ ৮ হাজার করা হতে পারে। এছাড়া মহিলা, গরিব, অনগ্রসর, দলিত, জনজাতির ভোটারদের জন্য বেশ কিছু বড় ঘোষণা করা হতে পারে আজকের বাজেটে। মূল্যবৃদ্ধি এবং বেকারত্ব ঠেকাতেও কিছু পদক্ষেপের ঘোষণা করা হতে পারে কেন্দ্রের তরফে। আন্তর্জাতিক অর্থনীতিতে মন্দার আশঙ্কা ঘনাচ্ছে, সেখানে দেশের অর্থনীতিকে স্থিতিশীল রাখতে অর্থমন্ত্রী কী কী পদক্ষেপ করেন তাই দেখার। 

    নির্মলার আজকের দিন…

    বুধবার গুরুত্বপূর্ণ দিন। সীতারামনের এদিনের শুরুটা করলেন সকালে পুজো দিয়ে। সেখান থেকে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী যান অর্থমন্ত্রকে। এরপর সেখান থেকে যান রাষ্ট্রপতি ভবনে। সেখানে তিনি রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর সঙ্গে দেখা করেন। এই সময় রাষ্ট্রপতি মুর্মু বাজেটের আনুষ্ঠানিক অনুমোদন দেবেন।

    রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর কাছ থেকে অনুমোদন নেওয়ার পরে, অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন বাজেট বহিখাতা (আদতে, ট্যাবলেট। এখন কেন্দ্রের পেপারলেস নীতি অনুযায়ী ডিজিটাইজড ভার্সান ব্যবহৃত হয়) নিয়ে সংসদে পৌঁছাবেন। সেখানে অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন মন্ত্রিসভার সঙ্গে বৈঠক করবেন। এই বৈঠকে মন্ত্রিসভা থেকে বাজেটের আনুষ্ঠানিক অনুমোদন নেওয়া হবে।

    অতঃপর, অর্থমন্ত্রী সকাল ১১টায় সংসদে সাধারণ বাজেট পেশ করবেন এবং এ বিষয়ে বক্তৃতা শুরু করবেন।

    আরও পড়ুুন: বিপুল জনসমাগম! নেতাইয়ের সভা থেকে মমতা-অভিষককে আক্রমণ শুভেন্দুর

    কখন দেখবেন

    মঙ্গলবার সংসদের বাজেট অধিবেশনের প্রথম দিনে সরকার অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩ পেশ করেছে। আগের দুটির মতো, ২০২৩-২৪ কেন্দ্রীয় বাজেটও পেপারলেস হবে। আজ বাজেট বক্তৃতা সকাল ১১ টায় শুরু হবে। গতবার, সীতারামন তার ২০২২-২৩ কেন্দ্রীয় বাজেট বক্তৃতায় প্রায় ৯২ মিনিট সময় নিয়েছিলেন, যা এখনও পর্যন্ত  সবচেয়ে ছোট বক্তৃতা। এবার তিনি কতক্ষণ সময় নেন, তা-ও দেখার।

    কোথায় দেখবেন

    সংসদ টিভি ও দূরদর্শনে কেন্দ্রীয় বাজেটের লাইভ-স্ট্রিম করা হবে। সরাসরি সম্প্রচার তাদের ইউটিউব চ্যানেলেও পাওয়া যাবে। প্রেস ইনফরমেশন ব্যুরো (PIB) তাদের অনলাইন প্ল্যাটফর্মে বাজেট 2023 স্ট্রিম করবে।

    মোবাইল অ্যাপ

    ফিনান্স বিল সহ সব ১৪টি কেন্দ্রীয় বাজেটের নথি, “ইউনিয়ন বাজেট মোবাইল অ্যাপ”-এ পাওয়া যাবে – সংসদ সদস্য ও সাধারণ জনগণের এই বাজেট নথি বিনামূল্যে নিতে পারবেন। অর্থমন্ত্রকবিবৃতিতে সেই বিষয়টি জানিয়েছে। অ্যাপটি  (ইংরেজি ও হিন্দি)  অ্যান্ড্রয়েড ও আইওএস উভয় প্ল্যাটফর্মেই পাওয়া যাবে । এটি কেন্দ্রীয় বাজেট ওয়েব পোর্টাল www.indiabudget.gov.in  থেকেও ডাউনলোড করা যেতে পারে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Tripura: ত্রিপুরা বিধানসভায় অর্ধেক আসনে লড়বে তৃণমূল, ‘পর্যটক’ বলে কটাক্ষ বিজেপির

    Tripura: ত্রিপুরা বিধানসভায় অর্ধেক আসনে লড়বে তৃণমূল, ‘পর্যটক’ বলে কটাক্ষ বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বহু অনিশ্চয়তার পর ত্রিপুরার (Tripura) বিধানসভায় অর্ধেক আসনে প্রার্থী দিল তৃণমূল। সোমবার মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন ছিল। রবিবার রাতে আগরতলায় সাংবাদিক বৈঠক করে ২২ জন প্রার্থীর নাম ঘোষণা করে তৃণমূল। উপস্থিত ছিলেন ত্রিপুরার তৃণমূলের পর্যবেক্ষক রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, “এটা প্রথম তালিকা প্রকাশ করা হল। আরও বেশ কিছু আসনে প্রার্থী দেওয়া হবে। শীর্ষ নেতৃত্বের অনুমোদন পেলেই তালিকা প্রকাশ করে দেওয়া হবে।” এরপরই সোমবার সকালে আরও একটি তালিকা প্রকাশ করে তৃণমূল। সেই তালিকায় পাঁচ জন প্রার্থীর নাম ছিল। এতে মোট প্রার্থী সংখ্যা দাঁড়ায় ২৭- এ। পরে তালিকার বাইরে আরও পাঁচ জন মনোনয়ন পেশ করেন। কিন্তু প্রয়োজনীয় সব নথি না থাকায় দু’জনের মনোনয়ন বাতিল হয়ে যায়। অবশেষে ৬০ আসনের মধ্যে ত্রিপুরায় ৩০টি আসনে প্রার্থী দিল তৃণমূল।

    জয়ে নিশ্চিত বিজেপি 

    এরপরেই ঘাসফুল শিবিরকে কটাক্ষ করে গেরুয়া (Tripura) শিবির। বিজেপির বক্তব্য, ভোটের লড়াই নয়, ‘পর্যটক’ হিসাবে ত্রিপুরায় এসেছে তৃণমূল। এদিকে আরও বেশি আসনে জয় নিয়ে বিশ্বাসী আসামের মুখ্যমন্ত্রী এবং উত্তর-পূর্ব গণতান্ত্রিক জোটের আহ্বায়ক হিমন্ত বিশ্বশর্মা। তিনি বলেন, “আমি নিশ্চিত, বিজেপি একাই সরকার গঠন করবে।”

    এদিন ত্রিপুরায় (Tripura) মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন ছিল। শেষ দিন সকালে মনোনয়ন জমা দেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মানিক সাহা। এরপর আগরতলায় মুখ্যমন্ত্রীকে পাশে নিয়ে  উত্তর-পূর্ব গণতান্ত্রিক জোটের আহ্বায়ক হিমন্ত বিশ্বশর্মা বলেন, তাঁরা ত্রিপুরাক ঐক্যের কথা চিন্তা করেই তারা এককভাবে নির্বাচনের সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। তারা এবার নিজেদের মতো করেই সরকার গঠন করবে বলেও জানিয়েছেন তিনি। তবে আইপিএফটি তাদের জোটসঙ্গী হিসেবে থাকবে। প্রসঙ্গত আইপিএফটিকে বিজেপি এবারের নির্বাচনে পাঁচটি আসন ছেড়েছে।

    হিমন্ত আরও বলেন, “ত্রিপুরায় (Tripura) এখন শান্তির পরিবেশ বিরাজ করছে। তবে ২০১৮-র নির্বাচনের সময় সেখানে ভয়ের পরিবেশ ছিল।” ত্রিপুরায় সাধারণ মানুষ উন্নয়নের জন্য শান্তির পরিবেশ চায় বলেও জানিয়েছেন তিনি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

     
     

     

  • Budget Session: আজ, রাষ্ট্রপতির ভাষণের মধ্য দিয়ে শুরু বাজেট অধিবেশন! আর্থিক সমীক্ষা পেশ করবেন অর্থমন্ত্রী

    Budget Session: আজ, রাষ্ট্রপতির ভাষণের মধ্য দিয়ে শুরু বাজেট অধিবেশন! আর্থিক সমীক্ষা পেশ করবেন অর্থমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ, মঙ্গলবার শুরু হচ্ছে বাজেট অধিবেশন (Budget Session 2023)। লোকসভা ও রাজ্যসভার যৌথ অধিবেশনে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর (Draupadi Murmu) ভাষণ দিয়ে এই অধিবেশনের সূচনা হবে।  রাষ্ট্রপতির ভাষণের পর সংসদে আর্থিক সমীক্ষা রিপোর্ট পেশ করবেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন। 

    কী কী থাকবে

    এরপর সরকারের লক্ষ্য রাষ্ট্রপতির ভাষণে ধন্য়বাদ জ্ঞাপন ও আর্থিক বিলে অনুমোদন আদায় করা। আগামিকাল অর্থাৎ ১ ফেব্রুয়ারি লোকসভায় পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় বাজেট পেশ করবেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন। ২০২৪ -র নির্বাচনের আগে এটাই শেষ পূর্ণাঙ্গ বাজেট মোদি সরকারের।  সরকার এই অধিবেশনে মোট ৩৬ টি বিল নিয়ে আসতে পারে। এর মধ্যে ৪ টি এই অধিবেশনের বাজেট সংক্রান্ত। আজ থেকে শুরু করে ৬ এপ্রিল অবধি চলবে এই অধিবেশন। মোট ২৭ টি সিটিং থাকবে এই অধিবেশনে। একমাস ধরে বাজেট পেপারের পরীক্ষা করা হবে। তবে দুই ভাগে হবে এই বাজেট অধিবেশন। প্রথমা ভাগের অধিবেশন শেষ হবে ১৪ ফেব্রুয়ারি। তারপর কিছুদিনের বিরতি। আবার ১২ মার্চ থেকে শুরু হবে বাজেট অধিবেশনের দ্বিতীয় ভাগ।

    আরও পড়ুন: সীমান্ত সুরক্ষিত, ভয় নেই! সর্বদলীয় বৈঠকে বললেন রাজনাথ

    রাষ্ট্রপতি হিসাবে সংসদের যৌথ অধিবেশনে আজ প্রথম বক্তৃতা দেবেন দ্রৌপদী মুর্মু। গত বছরই তিনি দেশের রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হয়েছেন। লোকসভা ও রাজ্যসভায় বিতর্কের পর বিরোধীদের উত্তর দেবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। অধিবেশন চলাকালীন, সরকারের ফোকাস রাষ্ট্রপতির ভাষণ এবং ২০২৩-২৪ আর্থিক বছরের সাধারণ বাজেটের ধন্যবাদ প্রস্তাবের উপর মসৃণ আলোচনার উপর থাকবে। অন্যদিকে, বিরোধী দলগুলি আদানি গোষ্ঠী, কয়েকটি রাজ্যে রাজ্যপালদের কাজকর্ম, জাতিভিত্তিক আদমশুমারি, মুদ্রাস্ফীতি, বেকারত্ব সংক্রান্ত বিষয়ে সরকারকে ঘেরাও করার ইঙ্গিত দিয়েছে।  বাজেট অধিবেশনের আগে সোমবার সর্বদলীয় বৈঠকের পর বিরোধীদের তরফে সেরকমই ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Article 370: ‘মোদির জন্যেই সম্ভব হয়েছে’, কাশ্মীরে রাহুলের পতাকা উত্তোলনের পর দাবি বিজেপির

    Article 370: ‘মোদির জন্যেই সম্ভব হয়েছে’, কাশ্মীরে রাহুলের পতাকা উত্তোলনের পর দাবি বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত ৭ সেপ্টেম্বর কন্যাকুমারী থেকে শুরু হওয়া রাহুল গান্ধীর (Article 370) ভারত জোড়ো যাত্রা সোমবার জম্মু ও কাশ্মীরের শ্রীনগরে শেষ হয়েছে। ভারতের পতাকা উত্তোলন করে যাত্রার সমাপ্তি ঘোষণা করেছেন রাহুল গান্ধী। কাশ্মীরে ৩৭০ ধারা ফিরিয়ে আনার পক্ষে সওয়াল করেন এই কংগ্রেস সাংসদ। এরপরেই রাহুলকে এক হাত নেয় গেরুয়া শিবির। বিজেপির পক্ষ থেকে রাহুল গান্ধির লাল চকে পতাকা তোলা নিয়ে কটাক্ষ করা হয়েছে। গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে রাহুলের শান্তিপূর্ণ যাত্রার কৃতিত্ব দেওয়া হয়েছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে। বিজেপি মুখপাত্র এবং প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রবিশঙ্কর প্রসাদ বলেন, “রাহুল গান্ধী কীভাবে আজ শন্তিপূর্ণভাবে লালচকে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করতে পারলেন? কারণ, জম্মু ও কাশ্মীরের ৩৭০ ধারা প্রত্যাহার করেছেন মোদিজি। তারপর সেখানে প্রচুর পর্যটকের সমাবেশ হয়েছে। কংগ্রেস আমলে জম্মু ও কাশ্মীরে শুধুই সন্ত্রাসের পরিবেশ ছিল।”

    আরও পড়ুন: ৮১ জন পড়ুয়ার জন্যে ৭ কিলো চাল! স্কুল পরিদর্শনে এসে অবাক কেন্দ্রীয় দল

    কী বললেন অন্যান্য নেতারা? 

    বিজেপির আরও এক সাংসদ রাজ্যবর্ধন রাঠোর (Article 370) বলেন, “মোদি সরকারের কারণেই কাশ্মীরে এখন এমন পরিবেশ যে, যেকোনও নাগরিক শ্রীনগরের লালচকে গিয়ে তিরঙ্গা ওড়াতে পারেন।”

    জম্মু এবং কাশ্মীরের বিজেপি সভাপতি রবীন্দ্র রায়না (Article 370) বলেন, ” প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের কারণেই আজ রাহুল গান্ধী শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভ্রাতৃত্বের মাঝে কাশ্মীরে তিরঙ্গা উত্তোলন করতে পারলেন।” তিনি আরও বলেন, “৭০ বছরের ইতিহাসে এই প্রথম নেহেরু-গান্ধী পরিবারের কেউ লালচকে পতাকা ওড়াতে পারলেন।”

    ঠিক ৭৫ বছর আগে জম্মু ও কাশ্মীরের লালচকে জাতীয় পতাকা (Article 370) তুলেছিলেন প্রথম প্রধানমন্ত্রী পণ্ডিত জওহরলাল নেহেরু। রবিবার সেখানেই জাতীয় পতাকা উত্তোলন করে ভারত জোড়ো যাত্রার সমাপ্তি ঘোষণা করেন রাহুল গান্ধী। সাংবাদিক সম্মেলন করে চিন থেকে শুরু করে কাশ্মীরে শান্তি ফেরানো নিয়ে মোদি সরকারের সমালোচনায় সরব হন তিনি।

    রাহুল গান্ধি বলেন, “কেন্দ্রীয় সরকার বলছে, কাশ্মীরে শান্তি (Article 370) ফিরেছে, তাহলে জম্মু থেকে লালচক পর্যন্ত কেন পদযাত্রা করছেন না স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহ?” তাঁর অভিযোগ, কাশ্মীরবাসী কষ্টের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। এর জন্য রাজ্যের মর্যাদা ফেরানো এবং গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া শুরু করার দাবি তোলেন তিনি। এরপরেই রাহুলকে এই কটাক্ষ বিজেপির। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
     

     

     

  • Ayodhya: অযোধ্যায় রামলালার বিগ্রহ তৈরির পাথর আসছে নেপাল থেকে! জানেন এই শীলার মাহাত্ম্য?

    Ayodhya: অযোধ্যায় রামলালার বিগ্রহ তৈরির পাথর আসছে নেপাল থেকে! জানেন এই শীলার মাহাত্ম্য?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অযোধ্যায় (Ayodhya) রাম মন্দিরের নির্মাণ কাজ পুরোদমে চলছে, অক্টোবর মাসের মধ্যে প্রথম তল সম্পূর্ণ হয়ে যাবে বলেই শোনা যাচ্ছে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের কথায়, সম্পূর্ণ মন্দিরটি ২০২৪ সালের জানুয়ারির মধ্যে তৈরি হয়ে যাবে। সূত্রের খবর, মন্দিরের বাইরের দিকের নির্মাণ কাজে কারিগররা বেশ ভাল মানের পাথর ব্যবহার করছেন।

    নেপালের কালী গণ্ডকী নদী থেকে আসছে শিলা

    বিশ্বাস মতে, পার্শ্ববর্তী প্রতিবেশী দেশ নেপাল দেবী সীতার জন্মস্থান। তাই মন্দির নির্মাণের কাজে হাত লাগাতে পিছিয়ে নেই নেপালও। জানা যাচ্ছে তারা রাম-সীতার মূর্তি খোদাই করার জন্য অযোধ্যা মন্দিরে দুটি বড় মাপের শিলা (পাথর) পাঠাচ্ছে। নেপালের কালী গণ্ডকী নদী থেকে অযোধ্যায় আসছে এই দুটি শালিগ্রাম শিলা। নেপাল সরকার সূত্রে জানা গিয়েছে ওই দুটি শিলা অন্তত ৬ কোটি বছরের প্রাচীন। শিলা প্রেরণের পবিত্র দিনে গত ২৬ জানুয়ারি পোখারায় একটি জাঁকজমক পূর্ণ ধর্মীয় অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিল তারা। জানা গিয়েছে, দুটি ট্রাকের মাধ্যমে শিলা দুটি আনা হচ্ছে। গাড়িগুলির যাত্রাপথের মধ্যে পড়বে জনকপুরধাম, মধুবনির পিপরাউন গিরজাস্থান, মুজাফফরপুর এবং গোরখপুর, অবশেষে অযোধ্যায় (Ayodhya) পৌঁছবে। ১ ফেব্রুয়ারি অযোধ্যায় পৌঁছানোর সম্ভাবনা রয়েছে।

    রাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্রের সাধারণ সম্পাদক কী বললেন

     এবিষয়ে অবশ্য শ্রী রাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্রের সাধারণ সম্পাদক চম্পত রাই কিছু বলেননি।  জানা গিয়েছে, রাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র মূর্তি তৈরির জন্য মাকরানা মার্বেলও ব্যবহার করতে পারে। তবে এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি বলেই জানা যাচ্ছে।

    শিলা আনার ভিডিও

    একটি ভাইরাল ভিডিওতে দেখা গিয়েছে যে নেপালের স্থানীয় বাসিন্দারা শিলাগুলিকে প্রণাম করছেন। সূত্রমতে জানা যাচ্ছে পাথরগুলোর ওজন ৩৫০ টন এবং এগুলি লম্বায় ৭ ফুট। নেপালের সংবাদ মাধ্যমগুলির রিপোর্ট অনুযায়ী পাথরগুলি ভূতাত্ত্বিক এবং প্রযুক্তিবিদ সহ বিশেষজ্ঞদের একটি দল চিহ্নিত করেছে। পাথরগুলি হাজার হাজার বছর ধরে চলবে এবং ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত হবে না, এমনটাই দাবি রয়েছে বিশেষজ্ঞদের।

    প্রসঙ্গত উল্লেখ্য যে, কালী গন্ডকী নদীকে নারায়ণীও বলা হয়ে থাকে। এই নদী শালিগ্রাম শিলার একমাত্র উৎস। শালগ্রাম শিলাগুলি আজও হিন্দু বাড়িতে ভগবান বিষ্ণুর প্রতীক রূপে পূজিত হয় এবং ভগবান রামকে ভগবান বিষ্ণুর অবতার মানা হয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Higher Education: উচ্চশিক্ষায় পড়ুয়া বৃদ্ধি পেয়েছে ৭.৫%, জানাচ্ছে সর্বভারতীয় সমীক্ষা

    Higher Education: উচ্চশিক্ষায় পড়ুয়া বৃদ্ধি পেয়েছে ৭.৫%, জানাচ্ছে সর্বভারতীয় সমীক্ষা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উচ্চশিক্ষায় ঝোঁক বেড়েছে ভারতীয়দের। এমনই তথ্য দিল সর্বভারতীয় উচ্চশিক্ষা সমীক্ষা (Higher Education)। সমীক্ষার রিপোর্তে দেখা গিয়েছে, উচ্চশিক্ষায় পড়ুয়া সংখ্যা বেড়েছে ৭.৫% অল ইন্ডিয়া সার্ভে অন হায়ার এডুকেশন -এর রিপোর্টে বলা হয়েছে, ২০১৯-২০ সালের তুলনায় ২০২০-২১ সালে প্রায় ৭.৫ শতাংশ বেশি পড়ুয়া উচ্চশিক্ষায় নাম লিখিয়েছেন। ২০১৯-২০ সালে উচ্চশিক্ষা নিতে এসেছিলেন প্রায় ১.৮৮ কোটি ছাত্রী। ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষে সেটি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২.০১ কোটি। রবিবার প্রকাশিত হয়েছে সমীক্ষার রিপোর্ট। 

    প্রথম বার এই সমীক্ষা (Higher Education) চালানো হয়েছিল ২০১১ সালে। দেশ জুড়ে স্কুলের পরিকাঠামো, শিক্ষক-শিক্ষিকাদের সংখ্যা, স্কুলগুলির অর্থনৈতিক হাল, পড়ুয়াদের ভর্তির সংখ্যা নিয়ে এই সমীক্ষা চালানো হয়।

    আরও পড়ুন: জেলায় জেলায় মিড ডে মিলের পরিদর্শনে বেরল কেন্দ্রীয় দল, রিপোর্টের দিকে বিশেষ নজর শুভেন্দুর

    আর কী বলা হয়েছে রিপোর্টে? 

    • ২০১৯-২০ সালে উচ্চশিক্ষায় ভর্তির হার ছিল ৩.৮৫ কোটি। ২০২০-২১ সালে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪.১৪ কোটি। 
    • ২০১৪-১৫ সালের পর থেকে শেষ সমীক্ষা পর্যন্ত উচ্চশিক্ষায় ভর্তির সংখ্যা বেড়েছে প্রায় ৭২ লক্ষ। অর্থাৎ প্রায় ২১ শতাংশ বৃদ্ধি।
    • উচ্চশিক্ষায় ছাত্রের সঙ্গে সঙ্গেই বেড়েছে ছাত্রীর সংখ্যাও। ২০১৯-২০ সালে উচ্চশিক্ষা নিতে এসেছিলেন প্রায় ১.৮৮ কোটি ছাত্রী। ২০২০-২১ সালে সেটি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২.০১ কোটি। অর্থাৎ উচ্চশিক্ষায় মেয়েদের অংশগ্রহণ বাড়ছে।
    • উচ্চশিক্ষায় তফশিলি জাতিভুক্ত পড়ুয়াদের সংখ্যাও বেড়েছে। ২০১৯-২০ সালে সেই সংখ্যা ছিল ৪৬.০৬ লক্ষ। সেটি ২০২০-২১ সালে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫৬.৫৭ লক্ষ। তফশিলি উপজাতির ক্ষেত্রেও সংখ্যাটি বেড়েছে ২১.৬ লক্ষ থেকে ২৪.১ লক্ষে। সমীক্ষায় এ কথা উল্লেখ করাও হয়েছে, ২০১৪-১৫ এবং ২০১৯-২০-র রিপোর্টের দিকে তাকালে দেখা যাবে যে উচ্চশিক্ষায় তফশিলি জাতি এবং উপজাতির পড়ুয়াদের অংশগ্রহণ অনেকটাই বেড়েছে।       
    • আন্ডার গ্র্যাজুয়েট কোর্সের বিষয়েও কিছু তথ্য প্রকাশ করেছে সমীক্ষা। দেখা গিয়েছে সবচেয়ে বেশি পড়ুয়ারা ভর্তি হয়েছে হিউম্যানিটিজ বিভাগে (৩৩.৫ শতাংশ), তার পরে বিজ্ঞান (১৫.৫ শতাংশ), তার পরে কমার্সে (১৩.৯ শতাংশ)। আর ইঞ্জিনিয়ারিং ও টেকনোলজি বিভাগে (১১.৯ শতাংশ)। 
    • পোস্ট গ্র্যাজুয়েশনের ক্ষেত্রে সামাজিক বিজ্ঞানে ভর্তি হয়েছেন ২০.৫৬ শতাংশ পড়ুয়া, বিজ্ঞানে ভর্তি হয়েছেন ১৪.৮৩ শতাংশ পড়ুয়া।    

    সমীক্ষার রিপোর্ট অনুযায়ী, সব মিলিয়ে ভারতে উচ্চশিক্ষার হার বিগত কয়েক বছরের তুলনায় অনেকটাই বেশি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
     
LinkedIn
Share