Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Digvijay Singh: পুলওয়ামা নিয়ে বেফাঁস মন্তব্য করায় দিগ্বিজয়কে থামালেন জয়রাম রমেশ

    Digvijay Singh: পুলওয়ামা নিয়ে বেফাঁস মন্তব্য করায় দিগ্বিজয়কে থামালেন জয়রাম রমেশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সম্প্রতি সার্জিক্যাল স্ট্রাইকের সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন মধ্যপ্রদেশের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী দিগ্বিজয় সিং (Digvijay Singh)। সোমবার সাংবাদিকদের সামনে পুলওয়ামা আক্রমণ নিয়ে আরও বেফাঁস মন্তব্য করা থেকে দিগ্বিজয়কে আটকালেন কংগ্রেসের বর্ষীয়ান নেতা জয়রাম রমেশ। সাংবাদিকরা দিগ্বিজয়ের মন্তব্যের ব্যাখ্যা চাইলে, সাংবাদিকদের ঠেলে দূরে সরিয়ে দেন জয়রাম রমেশ।

    কী ঘটেছে?  

    ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, সাংবাদিকরা সার্জিক্যাল স্ট্রাইক এবং পুলওয়ামা হামলার বিষয়ে দিগ্বিজয়ের (Digvijay Singh) মন্তব্যের ব্যাখ্যা চাইলে, জয়রাম রমেশ পিছন থেকে দ্রুত এগিয়ে যান এবং সাংবাদিকের হাতে ধরে রাখা মাইকটিকে ধাক্কা দেন। যদিও এরপরেও নিজের বক্তব্য রাখেন দিগ্বিজয় সিং। 

    সোমবার ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনীর সার্জিক্যাল স্ট্রাইকের সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন তোলার পরে বিতর্কে জানান দিগ্বিজয় সিং (Digvijay Singh)। সোমবার জম্মুতে রাহুল গান্ধীর ভারত জোড়ো যাত্রায় এসে মধ্যপ্রদেশের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী দিগ্বিজয় সিং বলেন, “আমাদের ৪০ জন সিআরপিএফ জওয়ান পুলওয়ামায় শহীদ হয়েছিলেন। সিআরপিএফ আধিকারিকরা প্রধানমন্ত্রী মোদিকে অনুরোধ করেছিলেন যে, কর্মীদের এয়ারলিফ্ট করা উচিত, কিন্তু প্রধানমন্ত্রী মোদি রাজি হননি। কীভাবে এই ধরনের ত্রুটি ঘটল? আজ পর্যন্ত, পুলওয়ামা নিয়ে কোনও রিপোর্ট সংসদের সামনে রাখা হয়নি’। কংগ্রেস নেতা আরও বলেন, “তারা দাবি করে যে একটি সার্জিক্যাল স্ট্রাইক করা হয়েছে, কিন্তু প্রমাণ দেখায়নি। তাঁরা শুধু মিথ্যা ছড়ায়।”  

    প্রসঙ্গত, ২০১৬ সালে জম্মুকাশ্মীরের উড়িতে সন্ত্রাসবাদী হামলার ১০ দিন পর সার্জিক্যাল স্ট্রাইক চালায় ভারত। উড়িতে সেনাবাহিনীর ১২ নম্বর ব্রিগেডের সদর দফতরে হামলা চালায় চার জন জঙ্গি। হামলায় মৃত্যু হয় ১৮ জন সেনার।

    এর আগে রবিবার দিগ্বিজয় সিং (Digvijay Singh) বলেন, “প্রথমত, আমরা রাজৌরির ধাংরি এবং জম্মুর নারওয়ালে সন্ত্রাসবাদী হামলার নিন্দা জানাই। ৩৭০ ধারা বাতিলের পর জম্মুকাশ্মীরের পরিস্থিতি নিয়ে যা প্রচার করা হচ্ছে আসলে তা নয়। হত্যা এবং বোমা বিস্ফোরণ ফের শুরু হয়েছে।”

    আরও পড়ুন: মঙ্গলে কুন্তল-তাপসকে বসিয়ে মুখোমুখি জেরা! নীলাদ্রির ‘পরিচয়’ মিলবে এদিনই?

    প্রসঙ্গত রাহুল গান্ধীর ভারত জোড়ো যাত্রার ১২৯তম দিনে তাতে যোগ দেন দিগ্বিজয় সিং (Digvijay Singh), কে সি ভেনুগোপাল, জয়রাম রমেশ, জম্মুকাশ্মীর কংগ্রেসের প্রধান ভিকার রসুল ওয়ানি, কার্যকরী সভাপতি রমন ভাল্লা এবং প্রাক্তন মন্ত্রী তারিক হামিদ কাররা-র মতো নেতারা। গত ৭ সেপ্টেম্বর কন্যাকুমারী থেকে শুরু হয়েছে ভারত জোড়ো যাত্রা। আগামী ৩০ জানুয়ারি তা শ্রীনগরে সমাপ্ত হওয়ার কথা। পদযাত্রার সমাপ্তি উপলক্ষে একটি মেগা র‍্যালিতে দলের সদর দফতরে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করার কথা রয়েছে রাহুল গান্ধীর।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

     
     
  • National Retail Policy: জাতীয় খুচরো নীতির বাস্তবায়ন চান বিশেষজ্ঞরা

    National Retail Policy: জাতীয় খুচরো নীতির বাস্তবায়ন চান বিশেষজ্ঞরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মেট্রো ক্যাশ অ্যান্ড ক্যারিজ ইন্ডিয়ার সহযোগিতায় ক্ষুদ্র এবং কুটির শিল্প এবং খুচরো ব্যাবসায়ীদের সমর্থনে ছোট খুচরা বিক্রেতাদের ক্ষমতায়নের লক্ষ্যে ভারতের সর্বোচ্চ সংস্থা-ইন্ডিয়া সেন্টার ফর পলিসি রিসার্চ অ্যান্ড গভর্ন্যান্স (National Retail Policy) রিটেল সংবাদের পঞ্চম সংস্করণের আয়োজন করেছিল। কনক্লেভটি ভারতের স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নিত্যানন্দ রাই এবং আইএমএফ- এর অর্থনীতিবিদ এবং প্রাক্তন নির্বাহী পরিচালক সুরজিত ভাল্লা অংশগ্রহণ করেন। 

    রিটেল সংবাদের আলোচনায় বক্তৃতা দেওয়ার সময় ভারতের স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নিত্যানন্দ (National Retail Policy) রাই বলেন, “ভারতের ছোট শহর ও গ্রামের খুচরো ব্যবসাই অর্থনৈতিক বৃদ্ধির পিছনে চালিকা শক্তি। ভারতীয় খুচরো ব্যবসা দেশের যুবকদের সফলতা ও উন্নতির জন্য একটি বিশাল সুযোগ দেয়। এই খাতে দেশের ১৩০ কোটি নাগরিকেরও ক্ষমতায়ন হয়েছে এবং এটি ভারতের  ক্রমবর্ধমান অর্থনীতির সত্যিকারের মেরুদণ্ড। ভারতে খুচরো ব্যবসাকে শক্তিশালী করার লক্ষ্য নিয়ে, আত্মনির্ভরতার দিকে এগোচ্ছে ভারত।”

    বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ সুরজিৎ ভাল্লা (National Retail Policy) বলেন, “এই দশকটিকে ভবিষ্যতে ‘ভারতের দশক’ হিসাবে আখ্যা দেওয়া হবে। ভারত বর্তমানে সবচেয়ে দ্রুত বর্ধনশীল দেশ। আমরা অর্থনীতি এবং বিশ্বায়ন ২.০ -এর চূড়ায় রয়েছি। ২০১৪-এর পরে কার্যকরী অর্থনৈতিক সংস্কার হয়েছে। পিএলআই প্রকল্পের ক্ষেত্রে, দেউলিয়া আইন, কৃষকদের কাছে নগদ হস্তান্তর, জিএসটি, স্যানিটেশনের ক্ষেত্রে সামাজিক সংস্কার ভারতকে অনেকটা এগিয়ে দিয়েছে। যদিও নীতি সংস্কারগুলি ভাল হয়েছে, তবে তাদের বাস্তবায়ন আরও দ্রুত হওয়া উচিত। নীতি যত বেশি স্বচ্ছ হবে, বাস্তবায়ন ততই দ্রুত হবে। এছাড়াও, ভারতে অনেক নিয়মকানুন অপ্রয়োজনীয় এবং সেগুলি কমাতে হবে। ভারত বিশ্বব্যাপী মুদ্রাস্ফীতির প্রবণতায় কম প্রভাবিত হবে, কারণ ভারতের আভ্যন্তরীণ উন্নতি অব্যহত থাকবে।”

    আরও পড়ুন: নরেন্দ্র মোদিকে নিয়ে বিবিসির তথ্যচিত্র ভিত্তিহীন, দাবি ভারতের, সংবাদ সংস্থার সমালোচনা সুনাকেরও

    প্রথম প্যানেলের আলোচনার (National Retail Policy) বিষয় ছিল ‘ভারতীয় খুচরো সেক্টরের টেকসই উন্নয়নের জন্য প্রয়োজনীয় নীতির বাস্তবায়ন’, যেখানে সেক্টর বিশেষজ্ঞরা নীতিগত হস্তক্ষেপ এবং আনুষ্ঠানিক অর্থনৈতিক সুবিধাগুলিতে অ্যাক্সেস, আর্থিক অন্তর্ভুক্তি এবং ডিজিটালাইজেশনের পক্ষে সওয়াল করেছেন।

    সম্মেলনে বক্তৃতা (National Retail Policy) দিতে গিয়ে, মেট্রো ক্যাশ অ্যান্ড ক্যারি ইন্ডিয়ার এমডি এবং সিইও অরবিন্দ মেদিরাত্তা বলেন, “কেন্দ্রীয় সরকারের একটি পৃথক খুচরো মন্ত্রক তৈরির বিষয়টি ভীষণই প্রাসঙ্গিক। এই মন্ত্রক খুচরো ব্যবসায় আসা চ্যালেঞ্জগুলিকে একচেটিয়াভাবে মোকাবেলা করতে পারে৷ এই দেশে কৃষির পরে খুচরো ব্যবসাই দ্বিতীয় বৃহত্তম জীবিকা প্রদানকারী। সমস্ত দেশ জুড়ে জাতীয় খুচরো নীতির বাস্তবায়ন এবং সরলীকরণ প্রয়োজন। খুচরো নীতিতে এফডিআই, ব্যবসা করার সুবিধা, শ্রম আইনের মতো দিকগুলিকে কভার করতে হবে।” 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Odisha: হল না শেষরক্ষা, বুকে গুলি লেগে প্রয়াত ওড়িশার স্বাস্থ্যমন্ত্রী নব দাস

    Odisha: হল না শেষরক্ষা, বুকে গুলি লেগে প্রয়াত ওড়িশার স্বাস্থ্যমন্ত্রী নব দাস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রয়াত হলেন ওড়িশার (Odisha) স্বাস্থ্যমন্ত্রী নব দাস। বুকে গুলি লেগে মৃত্যু হয়েছে তাঁর। এদিন দুপুরে ঝাড়সুগুদা জেলার ব্রজরাজনগরের কাছে গান্ধী চকে রাজ্য পুলিশের এক অ্যাসিস্ট্যান্ট সাব ইনস্পেক্টর তাঁকে লক্ষ্য করে পর পর দুটি গুলি ছোঁড়েন। সেখানেই মাটিতে পড়ে যান তিনি। তাঁকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। পরবর্তীকে স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে এয়ারলিফট করে ভুবনেশ্বরেও নিয়ে যাওয়া হয়। এত কিছুর পরেও হল না শেষরক্ষা। এদিকে হামলাকারী পুলিশকর্মীকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে বলে পুলিশসূত্রে জানা গিয়েছে।

    আজ দুপুর একটার দিকে ঝাড়সুগুদা জেলার ব্রজনগরে এক অনুষ্ঠানে যোগ দিতে যাচ্ছিলেন নব দাস (Odisha) । সেই সময় নিজের সার্ভিস রিভলবার থেকে গুলি চালায় ওড়িশা পুলিশের এক অ্যাসিস্ট্যান্ট সাব ইনস্পেক্টর। ব্রজরাজনগরের এসডিপিও গুপ্তেশ্বর ভোই জানিয়েছেন, হামলাকারী এএসআই-এর নাম গোপাল দাস। স্থানীয়রাই গোপাল দাসকে ধরে পুলিশের হাতে তুলে দেন। তারপরে হামলাকারীকে পুলিশ হেফাজতে নেয়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন গাড়ি থেকে নামার সময় গুলি চালানো হয়। গুলি চালানোর কারণ এখনও জানা যায়নি।

    আরও পড়ুন: ব্রিটিশ কন্যাদের হারিয়ে অনূর্ধ্ব ১৯ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে জয় ছিনিয়ে নিল ভারতীয় তরুণীরা

    কী জানা গেল?

    প্রশাসন সূত্রে খবর, এদিন দুপুর সাড়ে ১২টা নাগাদ ঝাড়সুগুদা (Odisha) জেলার বজরঙ্গ নগরের গান্ধী চকে নতুন দলীয় কার্যালয়ের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দিতে যাচ্ছিলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। গাড়ির দরজা খুলে নামতেই তাঁকে লক্ষ্য করে গুলি চালানো হয়। মন্ত্রীর বুকে দুটি গুলি লাগে। দ্রুত তাঁকে উদ্ধার করে নিয়ে যাওয়া হয় ঝাড়সুগুদা বিমানবন্দরে। সেখান থেকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে নিয়ে যাওয়া হয় ভুবনেশ্বরে। মন্ত্রীর অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে হাসপাতাল সূত্রে খবর।

    এদিকে, প্রথমে হামলাকারীর পরিচয় না জানা গেলেও, পরে জানা গিয়েছে যিনি গুলি চালিয়েছেন, তিনি পুলিশের এএসআই। তাঁর নাম গোপাল চন্দ্র দাস। সূত্রের খবর, ওই পুলিশ অফিসার গান্ধী চক পোস্টে (Odisha) ডিউটিতে ছিলেন। মন্ত্রী আসার খবর পেয়েই তিনি ওই দলীয় কার্যালয়ের কাছে যান। মন্ত্রী গাড়ি থেকে নামতেই নিজের সার্ভিস রিভলভার থেকে পরপর কয়েক রাউন্ড গুলি চালান। মন্ত্রী লুটিয়ে পড়লে তিনি ঘটনাস্থল ছেড়ে চলে যান। ঘটনার জেরে ওড়িশা সরকারের তরফে উচ্চ পর্যায়ের তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। স্বাস্থ্যমন্ত্রীর নিরাপত্তায় ত্রুটি কীভাবে, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

    মহারাষ্ট্রের একটি মন্দিরে এক কোটি টাকারও বেশি মূল্যের স্বর্ণ কলস দান করে সম্প্রতি খবরের শিরোনামে এসেছিলেন ওড়িশার (Odisha) এই মন্ত্রী। তবে কী কারণে এই ঘটনা ঘটল, তা জানে না তাঁর দলও। তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

  • Maan ki Baat: ১৪৫টি পেটেন্ট রয়েছে এই সংস্থার নামে, আইআইএসসি-র প্রশংসায় নরেন্দ্র মোদি

    Maan ki Baat: ১৪৫টি পেটেন্ট রয়েছে এই সংস্থার নামে, আইআইএসসি-র প্রশংসায় নরেন্দ্র মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ৯৭ তম ‘মন কি বাত’ (Maan ki Baat) অনুষ্ঠানে ইন্ডিয়ান ইন্সটিটিউট অফ সায়েন্স, বেঙ্গালুরুর ভূয়সী প্রশংসা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি বলেন, “দেশের সবথেকে পুরোনো বিজ্ঞান প্রতিষ্ঠানগুলির মধ্যে অন্যতম বেঙ্গালুরুর ইন্ডিয়ান ইন্সটিটিউট অফ সায়েন্স, অর্থাৎ আইআইএসসি এক মহৎ দৃষ্টান্ত পেশ করছে। মন কি বাত-এ আমি আগে এ বিষয়ে আলোচনা করেছি। এই সংস্থা স্থাপনের নেপথ্যে ভারতের দুই মহান ব্যক্তিত্ব জামশেদজী টাটা ও স্বামী বিবেকানন্দের প্রেরণা রয়েছে। এটা জেনে আমাদের সবার গর্ব হবে যে, ২০২২ সালে এই সংস্থার নামে ১৪৫ টি পেটেন্ট রয়েছে। এর অর্থ প্রতি পাঁচ দিনে দুটি পেটেন্ট। এই রেকর্ড আশ্চর্য! এই সফলতার জন্য আমি আইআইএসসির  টিম কে শুভেচ্ছা জানাতে চাই। বন্ধুরা আজ পেটেন্ট ফিলিং-এ ভারতের স্থান সপ্তম আর ট্রেডমার্কে পঞ্চম। শুধুমাত্র পেটেণ্টের কথা বললে গত পাঁচ বছরে এখানে প্রায় পঞ্চাশ শতাংশ বৃদ্ধি হয়েছে।  গ্লোবাল ইনোভেশন ইনডেক্সেও ভারতের র‍্যাঙ্কিং-এ উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়েছে এবং এখন ভারত চল্লিশতম স্থানে রয়েছে। যেখানে ২০১৫-তে ভারতের স্থান ছিল আশিতম। আমি আরও একটি খুশির কথা আপনাদের বলতে চাই। ভারতে গত এগারো বছরে প্রথমবার ডোমেস্টিক পেটেন্ট ফিলিং-এর সংখ্যা ফরেন ফিলিং-এর থেকে বেশি দেখা গিয়েছে। এটি ভারতের বর্ধিষ্ণু বৈজ্ঞানিক সামর্থ্যের পরিচয় দেয়।

    কী বলেন প্রধানমন্ত্রী?      

    বছরের প্রথম মন কি বাত (Maan ki Baat) অনুষ্ঠানে জাতির উদ্দেশে বক্তব্য রাখলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এদিন শুরুতেইই পদ্ম সম্মান প্রাপকদের অভিনন্দন জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এটাই ছিল বছরের প্রথম মনকি বাত অনুষ্ঠান। প্রতি মাসের চতুর্থ রবিবার মনকি বাত অনুষ্ঠানে দেশবাসীকে বার্তা দিয়ে থাকেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। এদিন বছরের প্রথম মনকি বাত অনুষ্ঠানে ভারতকে ‘গণতন্ত্রের জননী’ সম্মোধন করেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমাদের রক্তে, সংস্কৃতিতে মিশে রয়েছে গণতন্ত্র। বহু শতাব্ধী ধরেই এটি আমাদের জীবনের, সমাজের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ হিসানে রয়েছে। আমরা গণতান্ত্রিক সমাজে থাকি। আমি গর্বের সঙ্গে বলতে পারি, গণতন্ত্রের জননী ভারত।” সেই সঙ্গে দেশবাসীকে প্রজাতন্ত্র দিবসের শুভেচ্ছাও জানান তিনি।

    প্রধানমন্ত্রী (Maan ki Baat) বলেন, “এবারের পদ্ম সম্মানে সম্মানিত করা হয়েছে তাদেরও, যারা প্রাচীন, ঐতিহ্যশালী বাদ্য়, যেমন সন্তুর, বামহুম, দোতারা বাজিয়ে সুর ছড়িয়ে দিয়েছেন।”

    মিলেটের গুরুত্ব নিয়ে কথা বলতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন (Maan ki Baat), ২০২৩ সালকে মিলেটের আন্তর্জাতিক বর্ষ হিসাবে গণ্য করা হবে। দেশের বিভিন্ন প্রান্তের মানুষ মিলেট দিয়ে নানা খাবার তৈরি করে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন।

    আরও পড়ুন: কাস্মীর স্নো ক্রিকেট এবং উইন্টার গেমসকে ‘খেলো ইন্ডিয়ার’- সম্প্রসারিত অংশ বলে উল্লেখ প্রধানমন্ত্রীর

    প্রধানমন্ত্রী (Maan ki Baat) আরও বলেন, “আগামিদিনে নতুন বিপ্লব আসতে চলেছে। সাধারণ মানুষ যেভাবে বিশাল হারে যোগাসন ও শরীরচর্চায় সক্রিয় অংশগ্রহণ করে যোগাসনকে আন্তর্জাতিক স্তরে পৌঁছে দিয়েছে, একইভাবে মিলেটকেও ব্যাপক হারে গ্রহণ করে তা জনপ্রিয় করে তোলা হবে। ভারতের প্রস্তাবেই রাষ্ট্রপুঞ্জ আন্তর্জাতিক যোগাসন দিবস ও আন্তর্জাতিক মিলেট বর্ষের ঘোষণা করেছে। যোগাসন যেমন স্বাস্থ্যের সঙ্গে সম্পর্কিত, একইভাবে মিলেটও স্বাস্থ্যরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Union Budget: এবারও ‘পেপারলেস’ বাজেট পেশ করবেন নির্মলা সীতারামণ, কেন জানেন?

    Union Budget: এবারও ‘পেপারলেস’ বাজেট পেশ করবেন নির্মলা সীতারামণ, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কী বলবেন একে? বাজেট (Union Budget) পেশের পদ্ধতির বিবর্তন? নাকি অন্য কিছু? জানুয়ারির ৩১ তারিখে শুরু হবে বাজেট অধিবেশন। চলবে এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত। তার আগে ১ ফেব্রুয়ারি হবে বাজেট পেশ। নরেন্দ্র মোদি সরকারের এটাই শেষ পূ্র্ণাঙ্গ বাজেট। ২০২৪ সালে লোকসভা নির্বাচন। প্রথা অনুযায়ী, সাধারণ নির্বাচনের বছর পূর্ণাঙ্গ বাজেট পেশ করা হয় না। হয় ভোট অন অ্যাকাউন্ট পেশ। তাই এবারই শেষবারের মতো পূর্ণাঙ্গ বাজেট পেশ করতে চলেছেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামণ (Nirmala Sitharaman)।

    ব্রিফকেস সংস্কৃতি…

    এতদিন আমরা দেখতাম যিনি পার্লামেন্টে বাজেট পেশ করতে চলেছেন, তিনি নিয়ে যাচ্ছেন ব্রিফকেস (Briefcase)। দীর্ঘ দিনের এই প্রথায় ছেদ পড়ে নির্মলার জমানায়, ২০১৯ সালে। সেবার বাজেট করতে তিনি নিয়ে যান চিরাচরিত বহিখাতা। বাজেট (Union Budget) পেশের ধরনের গা থেকে ইংরেজ শাসনের গন্ধ ঝেড়ে ফেলতেই এই ব্যবস্থা করেছিলেন তিনি। স্বাধীনতা-উত্তর কালে ভারতের প্রথম অর্থমন্ত্রী আর কে শাঙ্কমুখম ছেট্টি লেদার পোর্টফোলিও ব্যাগে করে বাজেট পেশ করেছিলেন। তাঁর পরবর্তী কালের অর্থমন্ত্রীরা বাজেট পেশের জন্য নানা রকম ব্রিফকেস ব্যবহার করতেন। ২০২১ সালে ফের বাজেট পেশের ক্ষেত্রে যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত নেন সীতারামণ। এবার তিনি বাজেট পেশ করেন ভারতে তৈরি ট্যাবলেটে। মোদির ডিজিটাল ইন্ডায়ার স্বপ্ন সার্থক করতেই এই পন্থা অবলম্বন করেছিলেন তিনি। তাঁর আগে ভারতের কোনও অর্থমন্ত্রী এভাবে বাজেট পেশ করেননি। চলতি বছরও ‘পেপারলেস’ বাজেট পেশ করবেন বলে ঘোষণা করে দিয়েছেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী।

    আরও পড়ুুন: ‘আমি মধ্যবিত্ত পরিবারে জন্মেছি, তাঁদের সমস্যা বুঝি’, বাজেট প্রসঙ্গে বললেন সীতারামন

    ব্রিফকেস সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামণ যখন বাজেট (Union Budget) পেশের জন্য সাবেকি বহিখাতার ওপর নির্ভর করলেন, তখন তাঁর কারণও ব্যাখ্যা করেছিলেন তিনি। সীতারামণ বলেছিলেন, আমি ভাবলাম ব্রিটিশদের অধীনতা থেকে আমাদের বেরিয়ে আসাই ভাল। আমি এটাও ভেবেছিলাম, আমাদের নিজেদের মতো করে কিছু একটা করা প্রয়োজন। তিনি বলেন, ভারতীয় এই জিনিসটি (বহিখাতা) বহন করা আমার পক্ষে সহজ ছিল। খুব বেশি করে ভারতীয় বলে মনেও হচ্ছিল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Love Jihad: ধর্মান্তর বিরোধী আইনের দাবি, মুম্বইয়ে লভ জিহাদ বিরোধী মিছিল হিন্দু সংগঠনের

    Love Jihad: ধর্মান্তর বিরোধী আইনের দাবি, মুম্বইয়ে লভ জিহাদ বিরোধী মিছিল হিন্দু সংগঠনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  গতকাল মুম্বইয়ের রাস্তায় জড়ো হয়েছিল হিন্দু জনতা। লভ জিহাদ, ল্যান্ড জিহাদ সহ হিন্দু রাষ্ট্র ইস্যুতে রবিবার মুম্বইয়ের রাজপথে হিন্দু সংগঠনের পক্ষ থেকে ব্যাপক হিন্দু জন আক্রোশ মোর্চা মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছিল। হিন্দু সংগঠনগুলি মহারাষ্ট্রের এক লক্ষেরও বেশি হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষকে একত্রিত করার প্রস্তুতি নিয়েছিল। সকাল ১০ টায় মুম্বইয়ের শিবাজি পার্কে লোকেরা জড়ো হয়েছিল এবং তারপরে শিবাজি পার্ক থেকে পেরেলের কামগার ময়দান পর্যন্ত একটি পদযাত্রা বের করেছিল। বিজেপির কিছু নেতা, সাধু-সন্ন্যাসী এই মোর্চায় যোগ দিয়েছিলেন। অংশগ্রহণকারীরা ধর্মান্তর বিরোধী আইন প্রণয়ন ও ধর্মের নামে জমি দখলের বিরুদ্ধে কঠোর ভূমিকা নেওয়ার দাবি তোলেন।

    কারা অংশগ্রহণ করেছিলেন এই পদযাত্রায়?

    গত ২ মাসে মহারাষ্ট্রে ৪০ টিরও বেশি হিন্দু জন আক্রোশ মোর্চা সংঘটিত হয়েছে, তবে গতকালের মোর্চাকে এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বড় বলে মনে করা হচ্ছে। লভ জিহাদ, ধর্মের নামে জমি দখল এবং ধর্মান্তর বিরোধী আইনের দাবিতেই মুম্বইয়ে হিন্দু জন আক্রোশ মোর্চা সংগঠিত করেছে সকল হিন্দু সমাজ। এতে প্রায় এক লক্ষ হিন্দু অংশগ্রহণ করেছিল বলে জানা গিয়েছে। এছাড়াও হিন্দু সংগঠন, উৎসব মন্ডল এবং নাগরিক ও হিন্দুদের কল্যাণে কাজ করে এমন এনজিও গতকালের মিছিলে অংশ নিয়েছিল। এই অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ (আরএসএস), বজরং দল এবং বিশ্ব হিন্দু পরিষদ (ভিএইচপি) সহ হিন্দু সংগঠনের নেতা ও কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। বিজেপির একাধিক নেতা ও বিধায়ক এবং শিবসেনার একনাথ শিন্ডে গোষ্ঠীও সমাবেশে অংশ নেন। মুম্বই বিজেপির সভাপতি আশিস শেলার, বিধায়ক প্রবীণ দারেকার, বিধায়ক অতুল ভাটখালকর, বিধায়ক নীতেশ রানে প্রমুখ বিজেপি নেতারা সমাবেশে অংশ নিয়েছিলেন। মিছিল উপলক্ষে পুরো পথে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়। মোতায়েন করা হয় বাড়তি পুলিশ।

    অনুষ্ঠানের প্রধান বক্তা ছিলেন হায়দ্রাবাদের বিধায়ক টি রাজা সিং। তিনি আবেগঘন ভাষণ দেন এবং হিন্দুদের ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান। এছাড়াও ভিএইচপি মুখপাত্র এবং জেটি সেক্রেটারি, শ্রীরাজ নায়ার বলেছেন, “প্রায় এক লাখ হিন্দু মিছিলে অংশ নিয়েছিলেন এবং লভ জিহাদ এবং ল্যান্ড জিহাদের বিরুদ্ধে তাঁদের আওয়াজ তুলেছিলেন। হিন্দুদের নৃশংসতার হাত থেকে বাঁচাতে সরকারের উচিত ধর্মান্তর বিরোধী আইন আনা।” বিজেপি বিধায়ক নীতেশ রানে বলেছেন যে হিন্দুদের নিপীড়নের চেষ্টা করা হয়েছে, এবং হিন্দুদের একত্রিত হয়ে একটি বার্তা দিতে হবে।

    হিন্দু সংগঠনের তরফে কী কী দাবি তোলা হয়েছিল?

    তাঁরা গতকাল লভ জিহাদের বিরুদ্ধে আইন, ল্যান্ড জিহাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা, ধর্মান্তর বিরোধী আইনের দাবি করেছেন। আবার ধর্মের নামে জমি দখল করা, মসজিদের লাউডস্পিকার থেকে আওয়াজ ইত্যাদির বিরুদ্ধে সরব হয়েছিলেন। মিছিলে অংশগ্রহণকারীদের লভ জিহাদের বিরুদ্ধে স্লোগান দিতেও দেখা যায়।                                  

  • Bharat Jodo Yatra: কংগ্রেসের ভারত জোড় যাত্রা, রাহুলের লক্ষ্য পূরণ হল কি?

    Bharat Jodo Yatra: কংগ্রেসের ভারত জোড় যাত্রা, রাহুলের লক্ষ্য পূরণ হল কি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নামেই ভারত জোড় যাত্রা (Bharat Jodo Yatra)। আদতে লোকসভা নির্বাচনের (Lok Sabha Election) আগে বিরোধী ঐক্যে শান দেওয়া। রাজনৈতিক মহলের মতে, যে উদ্দেশ্যে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী কন্যাকুমারী থেকে পাড়ি দিলেন কাশ্মীর পর্যন্ত, সেই লক্ষ্য তাঁর আদৌ পূরণ হবে কিনা, তা নিয়ে রয়েছে বড়সড় একটা জিজ্ঞাসা চিহ্ন। ভারত জোড় যাত্রায় রাহুল ব্যয় করেছেন প্রায় পাঁচ মাস। কন্যাকুমারীতে শুরু হওয়া ওই পদযাত্রা শেষ হবে কাশ্মীরে শ্রীনগরে, ৩০ জানুয়ারি। কেন্দ্রের শাসক দল বিজেপি বিরোধী বিভিন্ন দলকে এক ছাতার তলায় আনতে চেয়েছিলেন কংগ্রেস সাংসদ। কংগ্রেসের কমিউনিকেশন হেড তথা প্রবীণ নেতা জয়রাম রমেশ গত সপ্তাহেই সাংবাদিকদের বলেছিলেন, কংগ্রেসকে অবশ্যই যে কোনও কার্যকর বিরোধী জোটের পাশে থাকতে হবে। তবে বিরোধী ঐক্যের ভরকেন্দ্র যে কংগ্রেসই, সেদিন তাও স্পষ্ট করে দিয়েছিলেন তিনি। বলেছিলেন, যে কোনও বিরোধী জোটের ভরকেন্দ্র অবশ্যই কংগ্রেস (Congress)। কংগ্রেস ছাড়া কোনও বিরোধী জোট অর্থবহ হবে না।

    বিরোধী জোটের স্বপ্ন…

    অতএব বিরোধীদের একজোট করতে হবে। সেই উদ্দেশ্যে সমমনস্ক ২১টি রাজনৈতিক দলকে ভারত জোড় যাত্রায় (Bharat Jodo Yatra) অংশ নেওয়ার জন্য আহ্বান জানিয়েছিলেন কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে। ফাইনাল ইভেন্টে তারা আহ্বান জানিয়েছিল ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চা, ইন্ডিয়ান ইউনিয়ন মুসলিম লিগ, ডিএমকে, এবং সিপিআই(এম)কে। আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল, তৃণমূল কংগ্রেস, রাষ্ট্রীয় জনতা দল, তেলগু দেশম পার্টি, সমাজবাদী পার্টি, বহুজন সমাজবাদী পার্টি, ন্যাশনাল কনফারেন্স, পিডিপি এবং সিপিআইকেও। অদ্ভুতভাবে আমন্ত্রিত দলের তালিকায় নেই আম আদমি পার্টি, শিরোমণি অকালি দল, ভারত রাষ্ট্র সমিতি এবং গুলাম নবি আজাদের ডেমক্রেটিক প্রোগ্রেসিভ আজাদ পার্টি।

    আরও পড়ুুন: বন্ধ একশো দিনের প্রকল্প, ফের ভিন রাজ্যে কাজে গিয়ে মৃত্যু ৩ পরিযায়ী শ্রমিকের

    গত সপ্তাহে জনতা দল ইউনাইটেডের তরফে রাজীব রঞ্জন সিং খাড়গেকে জানিয়ে দেন, অন্য কাজ থাকায় তিনি ওই যাত্রায় যোগ দিতে পারছেন না। যদিও বিরোধী ঐক্যের প্রয়োজন রয়েছে বলে স্বীকার করেন তিনি। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, আসলে শক্তিশালী বিরোধী জোটের প্রাসঙ্গিকতার কথা সকলে স্বীকার করলেও, কংগ্রেসকে তার মুখ হিসেবে মেনে নিতে পারছেন না অনেকেই। তার জেরে ডাক পেয়েও সচেতনভাবে কংগ্রেসের ভারত জোড় যাত্রা এড়িয়ে গিয়েছেন অনেকেই।

    বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার ভারত জোড় যাত্রাকে (Bharat Jodo Yatra) কংগ্রেসের অভ্যন্তরণী বিষয় বলে জানিয়েছিলেন। তিনি এও বলেছিলেন, আমরা এই যাত্রায় যোগ দেব না। যাত্রা শেষে বিরোধী ঐক্য নিয়ে কথা বলা যাবে। বিহারে জন সুরজ অভিযানে অনেক হেঁটেছি। এই অজুহাতে ভারত জোড় যাত্রা এড়িয়ে গিয়েছেন ইলেকশন স্পেশালিস্ট প্রশান্ত কিশোর। কংগ্রেসের ডাকে সাড়া দেননি আরজেডি নেতা লালু প্রসাদ যাদবের ছেলে তথা বিহারের উপমুখ্যমন্ত্রী তেজস্বী যাদবও। অখিলেশ যাদবে সমাজবাদী পার্টি এবং মায়াবতীর বহুজন সমাজবাদী পার্টি উত্তর প্রদেশের প্রধান এই দুই বিরোধী দলই যোগ দেননি কংগ্রেসের ভারত জোড় যাত্রায়। যদিও ডাক পেয়েছিল ওই দুই দলই।

    কংগ্রেসের তরফে আমন্ত্রণ পাওয়ার পর অখিলেশ বলেছিলেন, কংগ্রেস এবং বিজেপি একই মুদ্রার এপিঠ আর ওপিঠ। যদিও সমাজবাদী পার্টির সহযোগী দল রাষ্ট্রীয় লোক দলের তরফে প্রতিনিধি পাঠানো হয়েছে। ন্যাশনাল কনফারেন্স নেতা তথা কাশ্মীরের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ফারুক আবদুল্লা ও তাঁর ছেলে তথা প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লা দুজনেই যোগ দিয়েছেন কংগ্রেসের ওই যাত্রায়। যোগ দিয়েছেন পিডিপি নেত্রী মেহবুবা মুফতিও। তৃণমূল এই যাত্রায় যোগ না দিলেও, দলের বিধায়ক চিরঞ্জিত চক্রবর্তী এই যাত্রার ভূয়সী প্রশংসা করেছেন। তবে সংবাদ মাধ্যমে তিনি এও বলেছেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিজির একটা বোঝাপড়া রয়েছে। মোদি যাতে আপসেট হয়ে পড়েন, এমন কোনও কাজ মমতা করবেন না। যখন মোদিজি বলেছিলেন ভারতকে কংগ্রেস মুক্ত করতে হবে, তখন মমতাও বলেছিলেন বাংলা থেকে কংগ্রেসকে দূর করা উচিত।

    যে লক্ষ্যে রাহুল পাঁচ মাস ধরে হাঁটলেন, সেই লক্ষ্য পূরণ হবে কি? বলবে সময়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

  • Suvendu Adhikari: “বিজেপি বাংলায় ক্ষমতায় এলে সমস্ত ব্রিটিশ এবং মুঘল নাম মুছে দেব”, বললেন শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: “বিজেপি বাংলায় ক্ষমতায় এলে সমস্ত ব্রিটিশ এবং মুঘল নাম মুছে দেব”, বললেন শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পরিবর্তন করা হল রাষ্ট্রপতি ভবনের মুঘল গার্ডেনের নাম। এবার থেকে ‘অমৃত উদ্যান’ হিসেবে পরিচিতি পাবে রাষ্ট্রপতি ভবনের ঐতিহ্যশালী স্থান। আজই রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু অমৃত উদ্যানের উদ্বোধন করবেন। আর কেন্দ্রীয় সরকারের এই সিদ্ধান্তে খুশি রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তিনি সংবাদমাধ্যমে জানিয়েছেন, মুঘলরা অনেক হিন্দুকে হত্যা করেছে এবং মন্দির ধ্বংস করেছে। তাই তাদের নামে নামকরণ করা সমস্ত জায়গা চিহ্নিত করা উচিত এবং সেগুলোর নতুন নামকরণ করা উচিত। তিনি আরও জানিয়েছেন, আগামী বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি ক্ষমতায় এলে এক সপ্তাহের মধ্যে ব্রিটেন ও মুঘলদের সঙ্গে যুক্ত সব জায়গার নাম পরিবর্তন করা হবে।

    মুঘল গার্ডেনের নাম এখন ‘অমৃত উদ্যান’

    জানা গিয়েছে, ‘আজাদি কা অমৃত মহোৎসব’ উপলক্ষে বদলে ফেলা হয়েছে রাষ্ট্রপতি ভবনের ‘মুঘল গার্ডেন’-এর নাম। শনিবার একথা ঘোষণা করেছেন রাষ্ট্রপতির ডেপুটি প্রেস সচিব নবিকা গুপ্তা। আর আজ রবিবার, ২৯ জানুয়ারি এই অমৃত উদ্যানের আনুষ্ঠানিক ভাবে উদ্বোধন করবেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। এর পরেই সর্বসাধারণের জন্য এই উদ্যান খুলে দেওয়া হবে। তারপর আগামী দু-মাস অর্থাৎ ৩১ জানুয়ারি থেকে ২৬ মার্চ পর্যন্ত জনগণের জন্য খোলা থাকবে এই উদ্যান।

    আরও পড়ুন: নাম বদলে গেল জাতীয় ঐতিহ্য মুঘল গার্ডেনের, কী হল নতুন নাম?

    শুভেন্দু অধিকারীর বক্তব্য

    গতকাল কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে মুঘল গার্ডেনের নাম পরিবর্তনের কথা জানানো হলে সংবাদমাধ্যমে রাজ্যে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেছেন, “তারা (মুঘলরা) অনেক হিন্দুকে হত্যা করেছে এবং মন্দির ধ্বংস করেছে। তাদের নামে নামকরণ করা সমস্ত জায়গা চিহ্নিত করা উচিত এবং নতুন নামকরণ করা উচিত। বিজেপি বাংলায় ক্ষমতায় এলে আমরা এক সপ্তাহের মধ্যে সমস্ত ব্রিটিশ এবং মুঘল নাম মুছে দেব।”

    অন্যদিকে কেন্দ্রীয় গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রী গিরিরাজ সিং রাষ্ট্রপতি ভবনের মুঘল গার্ডেনের নাম অমৃত উদ্যান করার পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছেন। তিনি বলেন, দেশের স্বাধীনতাকে ভালোভাবে উদযাপন করা উচিত।

  • Yogi Adityanath: সনাতন ধর্মই ভারতের রাষ্ট্রীয় ধর্ম, সাফ জানালেন যোগী আদিত্যনাথ

    Yogi Adityanath: সনাতন ধর্মই ভারতের রাষ্ট্রীয় ধর্ম, সাফ জানালেন যোগী আদিত্যনাথ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সনাতন ধর্মই (Sanatan Dharma) ভারতের (India) রাষ্ট্রীয় ধর্ম। রাজস্থানের ভিনমলে নীলকণ্ঠ মহাদেব মন্দিরের পুননির্মাণ ও মূর্তি প্রতিষ্ঠা উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে একথা বলেন উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ (Yogi Adityanath)। ওই অনুষ্ঠানে সভাপতি হিসেবে হাজির ছিলেন তিনি।

    আদিত্যনাথ উবাচ…

    বক্তৃতা দিতে গিয়ে উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী বলেন, সনাতন ধর্মই ভারতের রাষ্ট্রীয় ধর্ম। যখন আমরা স্বার্থপরতার ঊর্ধ্বে উঠতে পারি, কেবল তখনই আমরা রাষ্ট্রীয় ধর্মের সঙ্গে সংযুক্ত হতে পারি। তিনি বলেন, আমরা যখন জাতীয় ধর্মের সঙ্গে একাত্মবোধ করি, তখন আমাদের দেশও সুরক্ষিত থাকে। এদিনের অনুষ্ঠানে যোগী আদিত্যনাথ বলেন, অতীতে কখনও যদি আমাদের ধর্মীয় স্থানকে ধ্বংস করা হয়ে থাকে বা তাকে অপবিত্র করা হয়ে থাকে, তাহলে সেই স্থানগুলিকে পুরনো মর্যাদা ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য প্রচার অভিযান চালানো জরুরি। ঠিক যেমন অযোধ্যার রাম মন্দিরের ক্ষেত্রে হয়েছে। তিনি (Yogi Adityanath) বলেন, ৫০০ বছর ধরে লড়াই চালানোর পর সেখানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দক্ষতায় সুউচ্চ, সুরম্য রামমন্দির তৈরি হচ্ছে। আপনারা সবাই তাতে সাধ্য মতো দান করেছেন। এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় জলবিদ্যুৎ মন্ত্রী গজেন্দ্র সিং শেখাওয়াতও। মন্দির উদ্বোধনের পর লাগোয়া এলাকায় একটি রুদ্রাক্ষ বৃক্ষ রোপণ করেন আদিত্যনাথ ও শেখাওয়াত।

    প্রসঙ্গত, ইতিমধ্যেই বারাণসীর জ্ঞানবাপী ও মথুরার শাহি ইদগা মসজিদ নিয়েও অযোধ্যার মতোই দাবি তুলেছে হিন্দুত্ববাদী নানা সংগঠন। বারাণসীর জ্ঞানবাপী মসজিদ বিতর্কের আঁচ গড়িয়েছে আদালত পর্যন্ত। কাশী বিশ্বনাথ মন্দিরের পাশে মসজিদটির বাইরের দেওয়াল সংলগ্ন এলাকায় মা শৃঙ্গার গৌরী স্থল বলে দাবি করেছেন হিন্দুরা। মা শৃঙ্গার গৌরীর কাছে প্রার্থনা করার দাবি জানিয়ে আদালতে আবেদন করেছেন পাঁচ হিন্দু মহিলা। এদিকে, মসজিদের ওজুখানায় শিবলিঙ্গ রয়েছে বলে দাবি করে হিন্দত্ববাদী সংগঠন। তাঁদের এও দাবি, আদালতের নির্দেশে ভিডিওগ্রাফি করার সময় ওজুখানায় শিবলিঙ্গ দেখা গিয়েছে। যদিও মসজিদ কমিটির দাবি, ওজুখানায় থাকা বস্তুটি শিবলিঙ্গ নয়, সেটি আদতে একটি ফোয়ারা।

    আরও পড়ুুন: আরএসএস, বিজেপি নেতাদের সম্পর্কে খোঁজখবর নিতে ফলওয়ালাকে রিপোর্টার নিয়োগ করেছিল পিএফআই!

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
     

     

     

  • Indian Air Force: মধ্যপ্রদেশ ও রাজস্থানে এক ঘণ্টার ব্যবধানে ভেঙে পড়ল বায়ুসেনার তিনটি বিমান, মৃত ১ পাইলট

    Indian Air Force: মধ্যপ্রদেশ ও রাজস্থানে এক ঘণ্টার ব্যবধানে ভেঙে পড়ল বায়ুসেনার তিনটি বিমান, মৃত ১ পাইলট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এক ঘণ্টার ব্যবধানে ভেঙে পড়ল ভারতীয় বায়ুসেনার তিনটি বিমান। শনিবার সকালে মাঝ আকাশে বায়ুসেনার দুই যুদ্ধবিমানের (Air Force fighter jets) মুখোমুখি সংঘর্ষ ঘটে। এর ফলে মধ্যপ্রদেশের (Madhya Pradesh) মোরেনাতে ভেঙে পড়ল সুখোই এসইউ ৩০ ও মিরাজ ২০০০ বিমান। দুটি বিমানই গোয়ালিয়র এয়ার বেস থেকে উড়েছিল। অনুশীলনের সময়ে দুর্ঘটনা ঘটেছে বলে বায়ুসেনা সূত্রে খবর। সুখোইতে ছিলেন ২ জন পাইলট, মিরাজে ছিলেন এক জন পাইলট। সুখোই-এর ২ পাইলটকে সুরক্ষিত উদ্ধার করা গেছে। মিরাজ-২০০০ যুদ্ধবিমানটির পাইলটের মৃত্যু হয়েছে। বিমান দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছিলেন তিনি। অন্যদিকে, রাজস্থানের ভরতপুরে ভেঙে পড়েছে বায়ুসেনার একটি বিমান। সেটি যুদ্ধবিমান না কি প্রশিক্ষণ বিমান, তা ধ্বংসাবশেষ দেখে বোঝা সম্ভব হচ্ছে না।

    খোঁজ নিলেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী

    ঘটনার কথা প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংকে জানিয়েছেন বায়ুসেনা প্রধান। এর বিস্তারিত ব্যাখ্যাও দেন তিনি। ট্যুইটারে এই ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করেছেন মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহান। তিনি লেখেন, ‘মোরিনায় সুখোই-৩০ ও মিরাজ-২০০০ যুদ্ধবিমানের দুর্ঘটনার খবর খুবই মর্মান্তিক। বায়ুসেনাকে দ্রুত উদ্ধারকাজে সহযোগিতা করার জন্য স্থানীয় প্রশাসনকে বলেছি। ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা করি, বিমান চালকরা যেন নিরাপদে থাকেন। ‘

    আরও পড়ুন: ‘হাতেখড়ি’ হয়েছিল আলিপুরদুয়ারে, আজ ডায়মন্ড হারবারে প্রশাসনিক বৈঠক অভিষেকের!

    প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, এ ধরনের যুদ্ধ বিমান মাঝআকাশে বিকল হলে পাইলটের ইজেক্ট করার সুযোগ থাকে। অর্থাৎ বিমানের উপরের ঢাকনা খুলে পাইলট ছিটকে বেরিয়ে যেতে পারেন। এ ক্ষেত্রে তেমনই ঘটেছে বলে মনে করা হচ্ছে। সুখোই থার্টি বিমানটিতে দু’জন পাইলট ছিলেন। মিরাজ বিমানটিতে ছিলেন একজন পাইলট। সূত্রের খবর, এঁদের মধ্যে দু’জনের খোঁজ পাওয়া গিয়েছে। তাঁদের স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। তবে তাঁদের দু’জনের অবস্থাই সঙ্কটজনক। বাকি একজনের খোঁজ এখনও মেলেনি।


    রাজস্থানে দুর্ঘটনা

    অপর আর একটি ঘটনায় ভরতপুরের নাগলা দিদা এলাকায় একটি চার্টার্ড বিমান ভেঙে পড়ে শনিবার সকালে। স্থানীয় প্রশাসনের তরফে উদ্ধারকাজ শুরু করা হয়েছে। প্রাথমিক ভাবে মনে করা হচ্ছে, যান্ত্রিক ত্রুটির কারণেই এই দুর্ঘটনা। স্থানীয় সূত্রে দাবি, দুর্ঘটনাস্থলে বিমানচালকের খোঁজ মেলেনি। তাঁর সন্ধানে তল্লাশি চালানো হচ্ছে। জোরকদমে চলছে উদ্ধারকাজ। বিমানে কত জন ছিলেন, তা-ও স্পষ্ট নয়। শনিবারই রাজস্থানের উদয়পুর সফরে যাওয়ার কথা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির। তার আগে বায়ুসেনার বিমানে দুর্ঘটনা উদ্বেগ বাড়িয়েছে।

LinkedIn
Share