Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Social Media Influencers: সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সারদের জন্যে নয়া নির্দেশিকা কেন্দ্রের

    Social Media Influencers: সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সারদের জন্যে নয়া নির্দেশিকা কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সারদের (Social Media Influencers) জন্যে নয়া নিয়ম জারি করল কেন্দ্র। না মানলে ১০ লক্ষ থেকে ৫০ লক্ষ টাকা অবধি জরিমানা হতে পারে। বর্তমানে এই ইন্টারনেটের যুগে, সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সার নামটি ব্যাপক ভাবে জনপ্রিয়। অনেক সাধারণ মানুষ এদের অনুসরণ করে থাকেন। বিশেষ করে কম বয়সী ছেলে মেয়েদের ওপর বড় প্রভাব রয়েছে ইনফ্লুয়েন্সারদের। শুধু শহরেই নয়, গ্রামেও ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে বহু ইনফ্লুয়েন্সার। ইনফ্লুয়েন্সাররা তাদের পেজ বা চ্যানেলকে মনিটাইজ করে বহু অর্থ উপার্জন করেন। ইনফ্লুয়েন্সার নিয়ে ২০ জানুয়ারি কনসিউমার অ্যাফেয়ার্স মন্ত্রক এক নয়া নির্দেশিকা জারি করেছে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রকের নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, সোশ্যাল মিডিয়ার গাইডলাইন লঙ্ঘন করলে ইনফ্লুয়েন্সারদের ১০ লক্ষ টাকা জরিমানা হতে পারে। যদি বার বার এই নিয়ম লঙ্ঘন করা হয়, তাহলে জরিমানার পরিমান ৫০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত করা হতে পারে বলে জানিয়েছে মন্ত্রক।

    কী বলা হয়েছে গাইডলাইনে?  

    কনজিউমার অ্যাফেয়ার্স মিনিস্ট্রি গত ২৪শে ডিসেম্বর থেকে সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সারদের (Social Media Influencers) জন্য নতুন নির্দেশিকা লাগু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল৷ এই নতুন গাইডলাইনের অধীনে, প্রত্যেক ইনফ্লুয়েন্সারকে নিজেদের ফলোয়ারদের কাছে ঘোষণা করতে হবে যে তাঁদের সোশ্যাল মিডিয়া প্রোফাইগুলিতে পোস্ট করা ভিডিও বা ছবিতে দেখানো প্রোডাক্টের প্রচারের জন্য অর্থ পেয়েছেন। আর যদি এই নিয়মের অবমাননা করা হয়, তবে বিনা ঘোষণায় কোনও পণ্যের পেইড প্রমোশন করার জন্য সেই ব্যক্তির বিরুদ্ধে ৫০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত জরিমানা করা হতে পারে।

    আরও পড়ুন: কলকাতায় নেতাজির জন্মদিবসের অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবত  

    নির্দেশিকায় আরও বলা হয়েছে, শুধুমাত্র রোজগারের লোভে সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সাররা (Social Media Influencers), পোস্ট বা ভিডিওর মাধ্যমে প্রচার করা প্রোডাক্টগুলিকে অনেক সময় নিজেরা ব্যবহার না করেই ভালো রিভিউ দিয়ে থাকেন। একইসঙ্গে মানুষকে তা কেনার জন্য পরামর্শ দেন। ওই সব ইনফ্লুয়েন্সারদের ওপর ভরসা করে কোনও রকম বিবেচনা না করেই অনেকেই সেই প্রোডাক্ট ব্যবহারও করে থাকেন। এই পরিস্থিতিতে একটি প্রোডাক্টের গুনাগুন পরীক্ষা না করেই তা ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া যাবে না বলেও ওই নির্দেশিকায় বলে হয়েছে। কোনওরকম অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতেই এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে কেন্দ্রীয় মন্ত্রক। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।    

     
     
  • PFI: ভারতকে ইসলামিক রাষ্ট্রে পরিণত করতে চায় পিএফআই! কী বলছে এনআইএ-এর চার্জশিট?

    PFI: ভারতকে ইসলামিক রাষ্ট্রে পরিণত করতে চায় পিএফআই! কী বলছে এনআইএ-এর চার্জশিট?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশকে ইসলামিক রাষ্ট্র হিসাবে গড়ে তুলতে চায় পপুলার ফ্রন্ট অফ ইন্ডিয়া (PFI)। এই ধরনের ভাবধারায় বিশ্বাসী সংগঠনের কাজকর্ম মেনে নেওয়া যায় না। তারা নানা ধরনের অশান্তির ঘটনায় যুক্ত ছিল। সংগঠনটি শরিয়তি শাসন ব্যবস্থা কায়েমের পক্ষে। এই ভাবধারা প্রচারের জন্য তারা অর্থ সংগ্রহ করে। এমনই বিস্ফোরক তথ্য উঠে এল কেন্দ্রীয় সংস্থা এনআইএ-র (NIA) পেশ করা চার্জশিটে।

    পিএফআই-এর কিলার স্কোয়াড

    ভারতকে মুসলিম রাষ্ট্র (Islamic Country) বানানোর লক্ষ্যেই ‘কিলার স্কোয়াড’ বা ‘সার্ভিস টিম’ তৈরি করছিল পপুলার ফ্রন্ট অফ ইন্ডিয়া (PFI)। ২০৪৭ সালের মধ্যেই ভারতকে মুসলিম রাষ্ট্র হিসাবে দেখতে চায় পিএফআই। বেঙ্গালুরুর বিশেষ আদালতে এই চার্জশিট দাখিল করেছে কেন্দ্রীয় সংস্থা। ২০২২ সালের ২৬ জুলাই দক্ষিণ কর্ণাটকের সুলিয়া জেলায় প্রভীন নেত্রু নামে এক বিজেপি কর্মী খুন হন। এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে পিএফআই-এর প্রত্যক্ষ যোগ রয়েছে বলে দাবি এনআইএ-র। এনআইএ-র চার্জশিটে বলা হয়েছে, ‘পিএফআই-এর কর্মীরা সন্ত্রাসবাদী আক্রমণ এবং টার্গেট কিলিং-এর জন্য প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত। তাদেরকে পরিচালনা করত এই মুসলিম কট্টরপন্থী সংগঠনটির শীর্ষ নেতৃত্ব।’ এই খবর প্রকাশ্যে আসতেই শোরগোল পড়ে গিয়েছে গোটা দেশ জুড়ে।এনআইএ-র চার্জশিটে আরও বলা হয়েছে, পিএফআই-র একটি মিটিং হয় বেঙ্গালুরুর সুলিয়া শহর এবং বেলারি গ্রামে। সেই মিটিং-এ জেলা সেবা দলের প্রধান মুস্তফা পাচার নির্দেশ হিন্দু ধর্মের কোনও নেতাকে টার্গেট করা হয়। সেই লক্ষ্যেই খুন হন প্রভীন নেত্রু।

    আরও পড়ুন: নরেন্দ্র মোদিকে নিয়ে বিবিসির তথ্যচিত্র ভিত্তিহীন, দাবি ভারতের, সংবাদ সংস্থার সমালোচনা সুনাকেরও

    এনআইএ জানায়, মোট চারজনকে টার্গেট করে পিএফআই। এই তালিকায় নাম ছিল বিজেপির যুব মোর্চার সদস্য প্রভীন নেত্রু। গতবছরের ২৬ জুলাই অস্ত্র নিয়ে তাঁর উপর হামলা চালানো হয়। তাঁকে হত্যা করা হয় শুধুমাত্র সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করার জন্য। জানা যাচ্ছে, মোট ২০ জন পিএফআই সদস্যের নাম রয়েছে ওই চার্জশিটে। তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল, মুস্তফা পাচার, মাসুদ কেএ, কোদাজি মহম্মদ শরিফ, আবু বক্কর সিদ্দিকী, উমর ফারুখ। এর পিছনে পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআইয়ের মদত রয়েছে বলে ইতিপূর্বে একাধিক মামলায় জানিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • PM Modi: ‘স্বাধীনতার পর নেতাজিকে ভোলানোর চেষ্টা করা হয়েছে’, অনুযোগ প্রধানমন্ত্রীর

    PM Modi: ‘স্বাধীনতার পর নেতাজিকে ভোলানোর চেষ্টা করা হয়েছে’, অনুযোগ প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এক সময় আন্দামান নিকোবর দ্বীপপুঞ্জের অন্তর্গত এই দ্বীপগুলির নামকরণ করেছিলেন নেতাজি (Netaji Subhas Chandra Bose) সুভাষচন্দ্র বসু স্বয়ং। নেতাজির দেওয়া সেই নামকে ব্রিটিশ সরকার কোনও মর্যাদা দেয়নি। দেশ স্বাধীন হওয়ার পরেও মেলেনি স্বীকৃতি। আজ, ২৩ জানুয়ারি, নেতাজির ১২৭তম জন্মদিনে নামকরণ হল নামহীন দ্বীপগুলির। ভার্চুয়ালি নামকরণ করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এই দ্বীপগুলির নাম রাখা হচ্ছে ২১জন পরমবীর প্রাপকের নামে। ২০১৪ সালে প্রথমবারের জন্য দিল্লির কুর্সি দখল করে বিজেপি। প্রধানমন্ত্রী হন নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। ২০২১ সালের ২৩ জানুয়ারি নেতাজির জন্মদিনটিকে মোদি সরকার পরাক্রম দিবস বলে ঘোষণা করেছিল।

    সুভাষচন্দ্র বসু দ্বীপ…

    এর আগে, রস আইল্যান্ডকে সুভাষচন্দ্র বসু দ্বীপ এবং নীল ও হ্যাভলককে শহিদ ও স্বরাজ দ্বীপ নাম দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এদিন আন্দামান নিকোবর দ্বীপপুঞ্জের বৃহত্তম ২১টি দ্বীপের নামকরণ হয় পরমবীর পুরস্কার প্রাপকদের নামে। নামকরণ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) বলেন, এক সময় নেতাজিই এই সব দ্বীপের নামকরণ করেছিলেন। কিন্তু সেই সময় মর্যাদা দেওয়া হয়নি। নেতাজির ১২৭তম জন্মবার্ষিকীতে তাই বীরদের শ্রদ্ধা জানাতে এই ভাবনা। নেতাজির ভাবনা সর্বত্র ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য একাধিক মিউজিয়ামও করা হয়েছে। তিনি বলেন, ১২৫তম জন্ম দিবস দেশে ধুমধাম করে উদযাপন করা হয়েছিল। বাংলা থেকে দিল্লি হয়ে আন্দামান সর্বত্র নেতাজিকে স্মরণ করা হচ্ছে। স্বাধীনতার পর নেতাজিকে ভোলানোর চেষ্টা করা হয়েছে। নেতাজিকে নিয়ে যত ফাইল রয়েছে, তা সকলের সামনে আনা হচ্ছে। যাতে মানুষ সব জানতে পারেন।

    আরও পড়ুুন: নেতাজিই আদর্শ! তাঁর দেখানো পথেই এগিয়ে চলার বার্তা দিলেন আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবত

    ২১টি দ্বীপের নামকরণের পিছনে যে এক ভারত (India), শ্রেষ্ঠ ভারতের ভাবনা রয়েছে, এদিন তাও স্বীকার করেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)। তিনি বলেন, যে ২১ দ্বীপের আজ নামকরণ হল, সেখানে এক ভারত, শ্রেষ্ঠ ভারতের ভাবনা। অমৃতস্য পুত্রঃ। বীরদের পরাক্রম বার্তা। তিনি বলেন, মাতৃভূমির জন্য যাঁরা নিজেদের জীবন দিয়েছেন, আজকের দিন তাঁদের। সেনা থেকে সিপাহী, আজকের দিন তাঁদের জন্য উৎসর্গ করছি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, নেতাজির এই জন্মদিনে তাই পরাক্রম দিবস পালন করে চলেছি আমরা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।   

  • Netaji Subhas Chandra Bose: ‘রিয়েল লাইফ হিরো’কে শ্রদ্ধা প্রধানমন্ত্রীর, ২১ দ্বীপের নামকরণ পরমবীর প্রাপকদের নামে

    Netaji Subhas Chandra Bose: ‘রিয়েল লাইফ হিরো’কে শ্রদ্ধা প্রধানমন্ত্রীর, ২১ দ্বীপের নামকরণ পরমবীর প্রাপকদের নামে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ, ২৩ জানুয়ারি। দেশজুড়ে পালিত হচ্ছে নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর (Netaji Subhas Chandra Bose) ১২৬তম জন্ম বার্ষিকী। দিকে দিকে নানাভাবে শ্রদ্ধা জানানো হচ্ছে বরেণ্য এই দেশনায়ককে। বালু শিল্পী (Sand artist) সুদর্শন পট্টনায়ক পুরীর (Puri) সমুদ্র সৈকতে বালি দিয়ে তৈরি করেছেন নেতাজির আবক্ষ মূর্তি। এজন্য তিনি ব্যবহার করেছেন সাড়ে চারশো স্টিলের বাটি। দেশের বিভিন্ন অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। নেতাজির জন্মদিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে যোগ দিতে আন্দামান নিকোবর গিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)।

    রিয়েল লাইফ হিরো…

    প্রধানমন্ত্রীর দফতরের তরফে জারি করা বিবৃতিতে বলা হয়েছে, দেশের রিয়েল লাইফ হিরোকে সর্বদা শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁকে সব সময় অগ্রাধিকার দেন। সেই কারণে স্থির হয়েছে, দেশের ২১টি বৃহত্তম নামহীন দ্বীপের নামকরণ করা হবে ২১ জন পরমবীর চক্র পুরস্কার বিজয়ীর নামে। জানা গিয়েছে, সরকারের এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার পিছনে রয়েছে আন্দামান নিকোবর দ্বীপপুঞ্জের ঐতিহাসিক গুরুত্ব। কেন্দ্রশাসিত এই অঞ্চলে কঠিন সময় কাটিয়েছিলেন নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু। তাঁর সেই অবদানও মাথায় রাখা হয়েছে। ১৯৪৩ সালে সেলুলার জেল পরিদর্শনে গিয়েছিলেন নেতাজি (Netaji Subhas Chandra Bose)। এখানেই ভারতীয় স্বাধীনতা যোদ্ধাদের বন্দি করে চরম অত্যাচার করত ব্রিটিশরা। এই দ্বীপগুলির নামকরণ করা হবে ক্রোনোলজিক্যাল স্টাইলে। যেমন, সব চেয়ে বৃহত্তম দ্বীপটির নামকরণ করা হবে প্রথম পরমবীর পুরস্কার প্রাপকের নামে। তার চেয়ে একটু ছোট দ্বীপের নামকরণ করা হবে দ্বিতীয় পরমবীর পুরস্কার প্রাপকের নামে। এভাবেই হবে বাকি ১৯টি দ্বীপের নামকরণও।

    আরও পড়ুুন: নেতাজির জন্মদিনটি পালিত হয় পরাক্রম দিবস হিসেবে, কেন জানেন?

    জানা গিয়েছে, সব চেয়ে বৃহত্তম দ্বীপটির নামকরণ করা হবে মেজর সোমনাথ শর্মার নামে। পরেরটির নামকরণ করা হবে ল্যান্স নায়েক করণ সিংয়ের নামে। বাকি দ্বীপগুলির নামকরণ হবে সেকেন্ড লেফটেন্যান্ট রামরাঘব রানে, নায়েক যদুনাথ সিং, কোম্পানি হাবিলদার মেজর পিরু সিং, ক্যাপটেন জিএস সালারিয়া, মেজর ধন সিং থাপা, সুবেদার যোগিন্দর সিং, মেজর শাইতান সিং, সিকিউএমএইচ আবদুল হামিদ, লেফটেন্যান্ট কলোনেল আরদেশির বুরজোরজি তারাপোর, ল্যান্স নায়েক অ্যালবার্ট এক্কা, মেজর হোসেইর সিং, সেকেন্ড লেফটেন্যান্ট অরুণ খেট্রাপল, ফ্লাইং অফিসার নির্মলজিৎ সিং শেখন, মেজর রামসময় পরমেশ্বরম, নায়েব সুবেদার বানা সিং, ক্যাপটেন বিক্রম বাটরা, লেফটেন্যান্ট মনোজ কুমার পাণ্ডে, সুবেদার মেজর সঞ্জয় কুমার, সুবেদার মেজর অবসরপ্রাপ্ত গ্রেনেডিয়ার যোগেন্দ্র সিং যাদব।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Bihar: ফের বিষমদ কাণ্ড বিহারে! মৃত্যু অন্তত ২ জনের, অসুস্থ বহু

    Bihar: ফের বিষমদ কাণ্ড বিহারে! মৃত্যু অন্তত ২ জনের, অসুস্থ বহু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের বিষমদ কাণ্ড বিহারে। এবার ঘটনাস্থল সিওয়ান। মৃত্যু হয়েছে ২ জনের। অসুস্থ বেশ কয়েকজন। সূত্রের খবর, রবিবার বিহারের সিওয়ান এলাকায় পেটে যন্ত্রণা নিয়ে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় এক ব্যক্তিকে। চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। এছাড়া, অন্য এক জনকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার আগেই তিনি মারা যান বলে জানিয়েছে পুলিশ।

    বিহারে ফের বিষমদে প্রাণ গেল ২ জনের

    পুলিশ সূত্রে খবর, মৃতেরা হলেন, জনক বিন ওরফে জনক প্রসাদ এবং নরেশ বিন। তাঁরা সিওয়ানের নবীগঞ্জের বালা গ্রামের বাসিন্দা। অভিযোগ, রবিবার সন্ধ্যায় জনক এবং নরেশ জানান, তাঁদের পেটে অসহ্য যন্ত্রণা হচ্ছে। আত্মীয়েরা সিওয়ান সদর হাসপাতালে নিয়ে যান দু’জনকেই। কিন্তু চিকিৎসকেরা তাঁদের মৃত বলে ঘোষণা করেন।

    সিওয়ানের সাব ডিভিশনাল পাবলিক গ্রিভ্যান্স অফিসার অভিষেক চন্দন জানান, রবিবার বিষাক্ত মদ খেয়ে মৃত্যু হয় একজনের। এছাড়া অসুস্থ হয়ে পড়েন অন্তত ১২ জন। তাঁদের মধ্যে একজনকে হাসপাতালে নিয়ে আসার পর কর্তব্যরত চিকিৎসকরা আরও একজনকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। তবে তাঁর মৃত্যুর কারণ অনিশ্চিত। ময়নাতদন্তের রিপোর্টের পরে পরিষ্কার জানা যাবে। সিওয়ান হাসপাতালে আরও পাঁচজন চিকিৎসাধীন রয়েছেন। ঘটনায় মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। বিষাক্ত মদের কারণে মৃত্যুর ঘটনা সামনে আসার পর থেকেই গ্রামে গ্রামে বিষমদের বিরুদ্ধে প্রচার করতে ক্যাম্প চালাতে শুরু করেছে জেলা প্রশাসন।

    আরও পড়ুন: কোথাও খাঁচায় বন্দী, কোথাও আবার দাঁড়িপাল্লায় সরস্বতী! দেবী বন্দনায় নিয়োগ দুর্নীতির ছোঁয়া শহরের মণ্ডপে

    গ্রামের জেলা কাউন্সিলর রমেশ কুমার বলেন, “অন্তত দু’জনকে সিওয়ান সদর হাসপাতালে পাঠানোর পরে মৃত ঘোষণা করা হয়েছিল কারণ তাঁরা বিষমদ খেয়েছিল। প্রায় কয়েক ডজন লোক এখনও অসুস্থ এবং পুলিশ গ্রামে ক্যাম্প স্থাপন করেছে।”     

    প্রসঙ্গত, গত ডিসেম্বরেই বিহারের ছাপরায় বিষমদ খেয়ে ৭০-এরও বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছিল। সেই ঘটনায় অন্যতম মূল চক্রীকে দিল্লি থেকে গ্রেফতারও করে পুলিশ। তার একমাস কাটতে না কাটতেই নতুন করে ফের এমন ঘটনা সামনে এল। এছাড়াও গত মাসেই বিহারের দানাপুর এলাকা থেকে বহু লুকনো বিষমদের বোতল উদ্ধার করেছিল পুলিশ। সেই মদ উদ্ধারের আগে বিক্রি হয়ে গিয়েছিল কি না, তা থেকেই সিওয়ানের গ্রামে দু’জনের মৃত্যু হল কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

  • Sugarcane: ব্রাজিলকে হারিয়ে আখ উৎপাদনে বিশ্বসেরা ভারত! চিনি রপ্তানিও রেকর্ড মাত্রায়

    Sugarcane: ব্রাজিলকে হারিয়ে আখ উৎপাদনে বিশ্বসেরা ভারত! চিনি রপ্তানিও রেকর্ড মাত্রায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আখ উৎপাদনে ভারত বিশ্বসেরার মুকুট ছিনিয়ে নিল ভারত। গত বছরে আখের রেকর্ড উৎপাদন। এর ফলে ভারতে চিনির উৎপাদনও বেড়ে গিয়েছে ভারতে। খাদ্য ও জনবন্টন মন্ত্রক জানিয়েছে, ভারতে গত বছরের মরসুমে রেকর্ড ৫,০০০ লক্ষ মেট্রিক টন (LMT) আখ উৎপাদন হয়েছে। এর ফলে বিশ্বের বৃহত্তম চিনি উৎপাদনকারীর স্থান অর্জন করেছে ভারত। এর আগে বিশ্বসেরার শিরোপা ছিল ব্রাজিলের। ফলে বর্তমানে আখ উৎপাদনে ভারতের পর স্থান ব্রাজিলের।

    আখ উৎপাদনে বিশ্বের সেরা ভারত

    এতদিন ব্রাজিলই ছিল বিশ্বের বৃহত্তম আখ উৎপাদনকারী দেশ। কিন্তু আখ উৎপাদনে শীর্ষস্থানে পৌঁছেছে ভারত। গত বছরের শুরুতে ১ জুন থেকে কেন্দ্রীয় সরকার চিনি রপ্তানির উর্ধ্বসীমা বেঁধে দিয়েছে। ১০০ LMT ছিল সেই সীমা। উৎসবের মরশুমে দেশের অভ্যন্তরে চাহিদা বৃদ্ধির সম্ভাবনাকে মাথায় রেখেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। খাদ্য ও জনবন্টন মন্ত্রক সূত্রে জানা গেছে, গতবছরের মৌসুমে রেকর্ড ৫ হাজার লক্ষ টন আখ উৎপাদন হয়েছে। এর মধ্যে ৩৫৭৪ লক্ষ টন আখ থেকে উৎপাদন করা হয়েছে ৩৯৫ লক্ষ টন চিনি (সুক্রোজ)। এর মধ্যে ৩৬ লক্ষ টন চিনি ব্যবহার করা হয়েছে ইথানল, অন্যদিকে সুগার মিলগুলো ৩৫৯ লক্ষ টন খাদ্য চিনি উৎপাদন করেছে।

    আরও পড়ুন: ভাঙড়ে আরাবুলের বাড়ির অদূরে মিলল বোমা, নেপথ্যে কারা?

    ফলে ২০২১-২২ অর্থবছরে ভারতের চিনি রপ্তানির পরিমাণ ৫৭ ভাগ বেড়েছে। এই সময়ে ভারত ১০৯.৮ লক্ষ টন চিনি রপ্তানি করেছে, যা রেকর্ড মাত্রা। এর মাধ্যমে বিশ্বে দ্বিতীয় সর্ববৃহৎ চিনি রপ্তানিকার দেশ হিসেবে জায়গা করে নিয়েছে ভারত। ভারত এখন বিশ্বের বৃহত্তম চিনি উৎপাদনকারী এবং ভোক্তা এবং ব্রাজিলের পরে দ্বিতীয় বৃহত্তম চিনি রপ্তানিকারক।

    কেন্দ্রীয় সরকারের অবদান

    ভারতের খাদ্য মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে ভালো মূল্য এবং ভারত সরকারের নীতির দৌলতেই চিনি রপ্তানির রেকর্ড পরিমাণ বেড়েছে। এসব রপ্তানিতে ৪০ হাজার কোটি টাকা আয় হয়েছে। তাছাড়া গত পাঁচ বছরে সরকার সময়মত হস্তক্ষেপ করায় এই সেক্টরটি অর্থনৈতিক বিপর্যয় থেকে রক্ষা পেয়েছে। ভারতের অর্থমন্ত্রণালয় আরও জানিয়েছে, সরকারের কোনও আর্থিক সহায়তা ছাড়াই ১০৯.৮ টন চিনি রপ্তানি করা হয়েছে।

  • Assam: মাদ্রাসার সংখ্যা কমাতে চায় অসম সরকার, সাফ জানালেন হিমন্ত বিশ্ব শর্মা

    Assam: মাদ্রাসার সংখ্যা কমাতে চায় অসম সরকার, সাফ জানালেন হিমন্ত বিশ্ব শর্মা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে মাদ্রাসার সংখ্যা কমাতে চায় সরকার। শনিবার একথা জানালেন অসমের (Assam) মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা (Himanta Biswa Sarma)। তিনি এও জানান, এটি নিয়ে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের সঙ্গে কাজ করছে সরকার। এদিন এক সাংবাদিক সম্মেলনে যোগ দেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী। সেখানে তিনি বলেন, প্রথম দফায় আমরা রাজ্যে মাদ্রাসার সংখ্যা কমাতে চাই। মাদ্রাসায় (Madrasa) আমরা জেনারেল এডুকেশন চালু করতে চাই। মাদ্রাসাগুলিকে নথিভুক্তও করতে চাই। হিমন্ত বিশ্বশর্মা বলেন, বিষয়টি নিয়ে রাজ্য সরকার সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের সঙ্গে কাজ করছে। তারাও অসম সরকারকে সাহায্য করছে।

    ডিজিপি…

    অসমের (Assam) মুখ্যমন্ত্রীর এই বক্তব্যের দিন কয়েক আগেই সে রাজ্যের ডিজিপি ভাস্কর জ্যোতি মহন্ত জানিয়েছিলেন, রাজ্যে মাদ্রাসাগুলির সংস্কার সাধনের ব্যাপারে আলোচনা চলছে। ছোট মাদ্রাসাগুলিকে কাছাকাছি থাকা বড় মাদ্রাসার সঙ্গে মিলিয়ে দেওয়া হবে। উগ্র মৌলবাদ এড়াতেই এই ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সোমবার গুয়াহাটিতে অসম পুলিশের ডিজিপি বলেছিলেন, অসমে মাদ্রাসাগুলি ঠিকঠাক চলছে। যাঁরা মাদ্রাসা চালান এমন ৬৮ জনের সঙ্গে আমরা কথা বলেছি। এর পরেই তিনি বলেন, ছোট মাদ্রাসাগুলিকে এলাকার কোনও বড় মাদ্রাসার সঙ্গে মিলিয়ে দেওয়ার ব্যাপারে কথাবার্তা চলছে। মাদ্রাসাগুলির সংস্কার সাধনের ব্যাপারেও কথাবার্তা চলছে। আইনকানুন তৈরি, মাদ্রাসা বোর্ড স্থাপনের ব্যাপারেও আলোচনা চলছে।

    আরও পড়ুুন: ভাঙড়ে আরাবুলের বাড়ির অদূরে মিলল বোমা, নেপথ্যে কারা?

    ডিজিপি বলেন, ইতিমধ্যেই প্রায় ১০০টি ছোট মাদ্রাসাকে বড় বড় মাদ্রাসার সঙ্গে মিশিয়ে দেওয়া হয়েছে। এ ব্যাপারে এখনও সার্ভে চলছে। কিছুদিন আগে অসমের (Assam) মুখ্যমন্ত্রী বলেছিলেন, অসমের মুসলিমরা মৌলবাদীদের বিশেষ টার্গেট। রাজ্যের ছোট ছোট মাদ্রাসাগুলিতে এমন ঘটনা হামেশাই ঘটে। তিনি আরও বলেন, অসম পুলিশ সন্ত্রাসী সংগঠন আনসারুল বাংলা টিম ও আল কায়েদা ইন ইন্ডিয়ান সাবকন্টিনেন্টের ৯টি মডিউল ধ্বংস করেছে। গত বছর ৫৩ জন সন্ত্রাসবাদীকে গ্রেফতার করেছে। তিনি বলেন, যাঁদের গ্রেফতার করা হয়েছে, তাঁদের মধ্যে বেশ কয়েকজন বেসরকারি মাদ্রাসার শিক্ষক। হিমন্ত বলেন, মুসলিম নেতারা মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষকে বলেছেন, এই জাতীয় কাজকর্মে রাশ টানতে। একটি বৈঠকে যেখানে উপস্থিত ছিলেন মুসলিম সম্প্রদায়ের ৬৮ জন নেতা, মাদ্রাসগুলির সংস্কার সাধনে তাঁরা সহমত পোষণ করেছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।    

     
  • Bomb Threat: ফের মস্কো থেকে গোয়ামুখী বিমানে বোমাতঙ্ক, রুট বদলে উজবেকিস্তানে জরুরি ল্যান্ডিং

    Bomb Threat: ফের মস্কো থেকে গোয়ামুখী বিমানে বোমাতঙ্ক, রুট বদলে উজবেকিস্তানে জরুরি ল্যান্ডিং

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের মস্কো থেকে গোয়া অভিমুখী বিমানে বোমাতঙ্ক। ২৩৮ জন যাত্রী নিয়ে রাশিয়া থেকে ভারতের উদ্দেশে ওড়ে বিমানটি (Bomb Threat)। গোয়া ডাম্বোলিম বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের কাছে একটি ইমেল আসে যে, গোয়ামুখী একটি চার্টার্ড ফ্লাইটে বোমা রয়েছে। তারপরেই কোনও রকম ঝুঁকি না নিয়ে বিমানটিকে উজবেকিস্তানে ঘুরিয়ে দেওয়া হয়। এই নিয়ে ১১ দিনে দু’বার এমন বোমাতঙ্ক  ছড়াল মস্কো-গোয়া বিমানে।

    কী জানা গিয়েছে? 

    বিমানবন্দর সূত্রে জানা গিয়েছে, রাশিয়ার পার্ম আন্তর্জাতিক এয়ারপোর্ট (Bomb Threat) থেকে গোয়ার উদ্দেশ্যে রওনা দেয় আজুর এয়ারের একটি চার্টার্ড বিমান। ভারতীয় সীমান্তে ঢোকার আগেই একটি ইমেল আসে গোয়া বিমানবন্দরে। তারপরই বিমানটি ঘুরিয়ে দেওয়া হয় উজবিকেস্তানের দিকে। 

    সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, এদিন সকাল ৪:১৫ নাগাদ গোয়ার ডাম্বোলিম বিমানবন্দরে নামার কথা ছিল বিমানটির। রাত সাড়ে ১২:৩০ নাগাদ বিমানবন্দরের ডিরেক্টরের কাছে হুমকি ইমেল আসে। 

    প্রসঙ্গত, গত ৯ জানুয়ারি মস্কো-গোয়া বিমানে বোমাতঙ্ক (Bomb Threat) ছড়িয়েছিল। এয়ার ট্র্যাফিক কন্ট্রোলে আসা একটি ফোনে দাবি করা হয়েছিল, বিমানের মধ্যে বোমা রয়েছে। সেই বিমানে ছিল ২৪৪ জন যাত্রী। সেই সময় বিমানটিকে গুজরাটের জামনগরে নামানো হয়। তবে বিমানের মধ্যে তল্লাশি চালিয়েও কোনও বোমার সন্ধান মেলেনি। একইভাবে দিন কয়েক আগেও দিল্লি-পুণের স্পাইস জেট বিমানের মধ্যে বোমা রয়েছে বলে খবর মেলে। যদিও শেষ অবধি কোনও বোমা পাওয়া যায়নি।

    উজবেকিস্তানের বিমানবন্দরে অবতরণ করবে ওই বিমান। ওর পরই যাত্রীদের নামিয়ে এনে চলবে তল্লাশি। সূত্রের খবর, পুরোপুরি নিশ্চিত হওয়ার পরই ফের ওই বিমানকে গোয়ার উদ্দেশে রওনা করা হবে।

    আরও পড়ুন: ইডির জালে কুন্তল! কী মিলল চিনার পার্কের ফ্ল্যাট থেকে?

    এর আগের বিমানটিকে (Bomb Threat) জামনগরে অবতরণ করতেই তা ঘিরে ফেলেন এনএসজির কমান্ডোরা। ডাকা হয় বম্ব স্কোয়াডকে। প্রথমে যাত্রীদের নিরাপদে নামিয়ে আনা হয়। তারপর শুরু হয় তল্লাশি। প্রায় ন’ঘণ্টা ধরে তন্ন-তন্ন করে খোঁজা হয় বিস্ফোরক। খুঁজে দেখা হয় উড়ানের প্রতিটা কোনা। কিন্তু তাতে কোনও বিস্ফোরক পাওয়া যায়নি। পরের দিন অর্থাৎ মঙ্গলবার সকাল ১০টার পর বিমানটি ফের গন্তব্যস্থলের দিকে রওনা হয়ে যায়।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

     
     
  • BBC: নরেন্দ্র মোদিকে নিয়ে বিবিসির তথ্যচিত্র ভিত্তিহীন, দাবি ভারতের, সংবাদ সংস্থার সমালোচনা সুনাকেরও

    BBC: নরেন্দ্র মোদিকে নিয়ে বিবিসির তথ্যচিত্র ভিত্তিহীন, দাবি ভারতের, সংবাদ সংস্থার সমালোচনা সুনাকেরও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে নিয়ে ‘ইন্ডিয়া: দ্য মোদি কোয়েশ্চেন’ নামে দুই পর্বের তথ্যচিত্র প্রকাশ করেছে ব্রিটিশ সংবাদ মাধ্যম বিবিসি (BBC)। তথ্যচিত্রটি প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই গোটা বিশ্বজুড়ে ব্যাপক বিতর্ক শুরু হয়েছে। তথ্যচিত্রটিকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছে বিদেশমন্ত্রক। দুই পর্বের এই তথ্যচিত্রটিকে প্রোপাগান্ডা হিসেবে অভিহিত করেছে কেন্দ্র। 

    নির্মাতারা (BBC) দাবি করেন, মোদির সঙ্গে ভারতের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ে, মূলত মুসলিমদের সম্পর্কের তিক্ততার বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে তথ্যচিত্রটিতে। পাশাপাশি ২০০২ সালে গুজরাট দাঙ্গায় মোদির ভূমিকার প্রসঙ্গও উঠে এসেছে এই ধারাবাহিকে।

    আরও পড়ুন: ঝালদা পুরসভা নিয়ে আদালতে ধাক্কা রাজ্যের, পূর্ণিমা কান্দুই অস্থায়ী চেয়ারপার্সন

    ক্ষুব্ধ নয়াদিল্লি 

    বৃহস্পতিবার এক সংবাদ সম্মেলনে বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র অরিন্দম বাগচি বলেন, “তথ্যচিত্রে পক্ষপাতিত্ব করা হয়েছে। বস্তুনিষ্ঠা এবং সত্যতার চরম অভাব রয়েছে। ঔপনিবেশিক মানসিকতা থেকেই এই তথ্যচিত্র তৈরি করা হয়েছে।”   

    সংবাদ সম্মেলনে (BBC) আরও জানানো হয়, বিবিসির ওই তথ্যচিত্র ভারতে দেখানো হয়নি। তথ্যচিত্রটিতে ভারতীয় প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তিদের নেতিবাচকভাবে তুলে ধরা হয়েছে, যা রীতিমতো পক্ষপাতদুষ্ট।

    এদিকে, নয়াদিল্লির এমন অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে প্রায় একই ধরনের বিবৃতি দিয়েছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনাক। সুনাক বলেন, ডকুমেন্টারিতে যেভাবে ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে তুলে ধরা হয়েছে এর সঙ্গে তিনি একমত নন।  

    এই সিরিজ় নিয়ে ইতিমধ্যেই ব্যাপক বিতর্ক তৈরি হয়েছে। ভারতীয় বংশোদ্ভূতদের অনেকেই ট্যুইটারে বিবিসির এই উদ্যোগ নিয়ে উপহাস করেছে। অনেকেই বলেছেন, বিবিসির উচিত ১৯৪৩ সালের বাংলার দুর্ভিক্ষের উপরও একটি সিরিজ তৈরি করা উচিত, যার নাম হবে ‘ইউকে: দ্য চার্চিল কোয়েশ্চন’। প্রসঙ্গত, এই মন্বন্তরে প্রায় ৩০ লক্ষ মানুষের মৃত্যু হয়েছিল। সেই সময় ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ছিলেন উইনস্টন চার্চিল। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের কারণে, ভারতীয়দের থালা থেকে খাবার তুলে নিয়ে গিয়েছিল ব্রিটেন। ব্রিটিশ সৈন্যদের খাওয়ানোর জন্য মজুত করা হয়েছিল সেই খাদ্য। যার বলি হতে হয়েছিল বাংলার মানুষকে। ব্রিটিশ হাউস অব লর্ডসের সদস্য লর্ড রামি রেঞ্জারও এই সিরিজের প্রেক্ষিতে বিবিসির বিরুদ্ধে পক্ষপাতমূলক প্রতিবেদনের অভিযোগ করেছেন।   

    অনেকেরই ধারণা গুজরাট হিংসা নিয়ে ভুল তথ্য দেওয়ার অভিযোগে ধৃত সমাজকর্মী তিস্তা শেতলওয়াড়, প্রাক্তন আইপিএস অফিসার সঞ্জীব ভাট এবং আর বি শ্রীকুমারের দেওয়া তথ্যের ওপর ভিত্তি করেই এই তথ্যচিত্র তৈরি করে ব্রিটিশ সংবাদ সংস্থাটি। প্রসঙ্গত, ইতিমধ্যেই গুজরাট দাঙ্গা নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে ক্লিনচিট দিয়েছে দেশের শীর্ষ আদালত। তারপরেও এই তথ্যচিত্রের কী ভিত্তি রয়েছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে আন্তর্জাতিক মহল।

    যেই মুহূর্তে রাজনৈতিক বিতর্কের সূত্রপাত হয়েছে, ইউটিউব কর্তৃপক্ষ এই বিতর্কিত তথ্যচিত্রটি সরিয়ে দেয় বলে জানা গিয়েছে। স্বাভাবিকভাবেই বিবিসি যেভাবে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে নিয়ে বিতর্ক উসকে দিয়েছে, তা নিয়ে ভারতের রাজনৈতিক মহলেও শুরু হয়েছে চর্চা।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     

  • Joshimath Disaster: প্রবল তুষারপাত, ফের ভূমিধসের আশঙ্কা! আস্তে আস্তে বসছে জোশীমঠ

    Joshimath Disaster: প্রবল তুষারপাত, ফের ভূমিধসের আশঙ্কা! আস্তে আস্তে বসছে জোশীমঠ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভূমিধসের পর এবার তুষারপাত। জোশীমঠকে কেন্দ্র করে আতঙ্ক অব্যাহত (Joshimath Sinking)। ভূমিধসের কারণে এলাকার প্রচুর বাড়িতে ফাটল। ‘বিপজ্জনক’ চিহ্নিত করে সেইসব বাড়ি ভেঙে ফেলার সিদ্ধান্ত নেয় প্রশাসন। গত কয়েক দিনে নতুন করে আর ফাটল ধরেনি সেখানকার কোনও বাড়িতে। কিন্তু সম্প্রতি হিমালয়ের কোলে থাকা এই শহরে শুরু হয়েছে প্রবল তুষারপাত এবং বৃষ্টি। আর এতেই নয়া বিপদের আশঙ্কায় আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে পড়েছেন সেখানকার বাসিন্দারা। 

    নিরাপদ স্থানে পুনর্বাসনের পরিকল্পনা

    প্রশাসনের তরফে শহরের বিপদগ্রস্ত এলাকাগুলি থেকে বাসিন্দাদের সরিয়ে নিয়ে গিয়ে নিরাপদ স্থানে পুনর্বাসন দেওয়া হলেও, এখনও সেখানকার প্রায় ৬০০টি বাড়িতে বাসিন্দারা রয়ে গিয়েছেন। এই সব বাড়িগুলিতে অল্প ফাটল ধরায় তাদের কেউ অন্যত্র যেতে চাননি। কিন্তু জোশীমঠবাসীর আশঙ্কা, তুষারপাত ও বৃষ্টির কারণে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় ফাটল আরও চওড়া হতে পারে। নতুন করে ভূমিধসও নামতে পারে এলাকায়। তাই আর কোনও অস্থায়ী আশ্রয় শিবির বা মাথা গোঁজার ঠাঁই নয়, এ বার গাড়োয়াল হিমালয়ের ‘ডুবন্ত’ জনপদ জোশীমঠের সকল বাসিন্দাকে পাকাপাকি সরানোর বন্দোবস্ত করতে চাইছে প্রশাসন। চলছে অন্যত্র নিয়ে যাওয়ার চিন্তাভাবনা। খোঁজ চলছে বসবাসযোগ্য উপযুক্ত জমিরও। চামোলির জেলাশাসক হিমাংশু খুরানা জানিয়েছেন, “আমরা এই পুনর্বাসনের জন্য স্থানীয় বাসিন্দাদের থেকে পরামর্শ চেয়েছি। আমরা যাতে এই প্রক্রিয়া ভালভাবে চালিয়ে যেতে পারি সেটাই এখন আমাদের প্রথম লক্ষ্য।” তিনি আরও যোগ করেন, “আমাদের উদ্দেশ্য হল স্থানীয়দের পরামর্শ নিয়ে স্থায়ী বন্দোবস্ত করা।”

    আরও পড়ুন: এবার জানা যাবে জ্ঞানবাপীর ‘শিবলিঙ্গের’ বয়স? পুরাতত্ত্ববিদদের আট সপ্তাহ সময় আদালতের

    ভয় ধরাচ্ছে স্যাটেলাইট চিত্র

    সম্প্রতি জোশীমঠের যে স্যাটেলাইট ছবি ধরা পড়েছে তাতে দেখা গিয়েছে, ২০১৮ থেকে ২০২২ সালের মধ্যে উত্তরাখণ্ডের পূর্বাংশ ধীরে ধীরে বসে গেছে। একটি গবেষণা সংস্থার রিপোর্ট থেকে জানা গেছে, এই চারবছরে বেশ অনেকটাই জমি বসে গেছে। প্রতি বছরে সর্বাধিক ১০ সেন্টিমিটার করে জমি তলিয়ে গেছে। গবেষণায় আরও জানা গেছে, উত্তরাখণ্ডের পূর্বাংশ তুলনায় বেশি বসে যাচ্ছে। জোশীমঠের পরিস্থিতি নিয়ে উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিং ধামি সম্প্রতি  কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, জোশীমঠের বসবাসের ৭০ শতাংশ জায়গা সুরক্ষিত রয়েছে। ভূমিধসের কবলে পড়েছে মাত্র ৩০ শতাংশ। তবে ক্ষতিগ্রস্তদের যত দ্রুত সম্ভব স্থায়ী বন্দোবস্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

LinkedIn
Share