Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Nitin Gadkari: এবার প্রাণনাশের হুমকি নিতিন গড়কড়িকে, নেপথ্যে দাউদ ইব্রাহিম!

    Nitin Gadkari: এবার প্রাণনাশের হুমকি নিতিন গড়কড়িকে, নেপথ্যে দাউদ ইব্রাহিম!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার প্রাণনাশের হুমকি কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নিতিন গড়কড়িকে (Nitin Gadkari)। শনিবার সকালে মহারাষ্ট্রের নাগপুরে (Nagpur) তাঁর দফতরে ল্যান্ডলাইন নম্বরে হুমকি ফোন আসে তিনবার। তার মধ্যে তিনি নিজেই দুবার ফোনটি তোলেন। ফোনের অপর প্রান্ত থেকে অজ্ঞাত পরিচয় এক ব্যক্তি তাঁকে প্রাণে মারার হুমকি দেয়। হুমকি দেওয়া হয়েছে কুখ্যাত ডন দাউদ ইব্রাহিমের নামে। পুরো বিষয়টি জানিয়ে গড়কড়ির অফিসের তরফে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে নাগপুর পুলিশে। শুরু হয়েছে তদন্ত। নাগপুরের ডেপুটি পুলিশ কমিশনার রাহুল মাদানে বলেন, যিনি ফোন করেছিলেন, তাঁর কণ্ঠস্বর খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

    নীতিন গডকরী…

    নাগপুরের কমলাচক এলাকায় রয়েছে নীতিন গড়কড়ির (Nitin Gadkari) অফিস। সেখান থেকে এক কিলোমিটার দূরে বাড়ি মন্ত্রীর। এদিন সকালে ১১টা ২৫ মিনিট নাগদ অফিসের ল্যান্ডলাইনে আসে প্রথম ফোনটি। দ্বিতীয় ফোনটি আসে এর ঠিক সাত মিনিট পরে। বেলা সাড়ে ১২টা নাগাদ আসে তৃতীয় ফোন। মকর সংক্রান্তি উপলক্ষে বর্তমানে নাগপুরেই রয়েছেন মন্ত্রী। হুমকি ফোন পাওয়ার পরেই আঁটোসাঁটো করা হয়েছে তাঁর অফিস ও বাড়ির নিরাপত্তা ব্যবস্থা। নীতিনের আগে দাউদের নাম করে খুনের হুমকি দেওয়া হয়েছিল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে। মুম্বই ট্রাফিক পুলিশের হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরে ভয়েস মেসেজ এসেছিল গত ২৮ নভেম্বর। তাতে বলা হয়েছিল, দুজন ব্যক্তি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে হত্যা করবে। ইতিমধ্যেই সমস্ত পরিকল্পনা করা হয়ে গিয়েছে। অডিও মেসেজের পাশাপাশি ওই নম্বরে পাঠানো হয় কিছু ডকুমেন্টও। তদন্ত শুরু করে মুম্বই ক্রাইম ব্রাঞ্চ। শেষমেশ রহস্যের পর্দা ফাঁস করে গুজরাটের জঙ্গি দমন শাখা।

    আরও পড়ুুন: অভিযোগ করেছিলেন শুভেন্দু, মিড-ডে মিলের ‘পর্যালোচনা’ করতে রাজ্যে আসছে কেন্দ্রীয় দল

    তারা জানায়, ভয়েস মেসেজটি পাঠিয়েছিলেন বছর আঠাশের বম্বে আইআইটির পড়ুয়া অমন সাক্সেনা। উত্তর প্রদেশের বদাউ জেলায় পৈত্রিক বাড়িতে গা ঢাকা দিয়েছিলেন তিনি। খবর পেয়ে তাঁকে সেখান থেকে গ্রেফতার করেন তদন্তকারীরা। এক তরুণী সহ অমনের দুই বন্ধুকেও গ্রেফতার করা হয়। সেই ঘটনার রেশ পুরোপুরি মিলিয়ে যাওয়ার আগেই ফের হুমকি ফোন। এবং সেই দাউদের নামেই। যাঁদের হুমকি দেওয়া হয়েছে ঘটনাচক্রে তাঁরা দুজনেই বিজেপি নেতা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Joshimath: গোদের উপর বিষফোঁড়া! বিপজ্জনক জোশীমঠে এবার তুষারপাতের আশঙ্কা, উভয় সঙ্কটে স্থানীয়রা

    Joshimath: গোদের উপর বিষফোঁড়া! বিপজ্জনক জোশীমঠে এবার তুষারপাতের আশঙ্কা, উভয় সঙ্কটে স্থানীয়রা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইতিমধ্যে জোশীমঠকে ডুবতে থাকা অঞ্চল হিসেবে ঘোষণা করেছে স্থানীয় প্রশাসন। গত ২ জানুয়ারি থেকে কয়েকশো বাড়িতে ফাটল দেখা দিয়েছে সেখানে। হাজারেরও বেশি মানুষ গৃহহীন হয়ে পড়েছেন। মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিং ধামী সেখানকার স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে ক্ষতিপূরণ ঘোষণা করেছেন। এরমধ্যেই আবার তুষারপাত শুরু হয়েছে সেখানে। ঠিক যেন গোদের উপর বিষের ফোঁড়া।

    আরও পড়ুন: ‘‘নিরপেক্ষ থাকুন, না হলে পদপিষ্ট হতে হবে’’! পুলিশকে সতর্কবার্তা সুকান্তর

    কোথায় হল তুষারপাত

    তুষারপাত শুরু হয়েছে আউলিতে। জোশীমঠ থেকে মাত্র ১০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত আউলি। হাওয়া অফিস সেখানে বৃষ্টির পূর্বাভাসও দিয়েছে। বৃষ্টি ও তুষারপাত শুরু হলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হবে, এমন আশঙ্কাই করছেন জোশীমঠের (Joshimath) বাসিন্দারা।
    আউলিতে বরফপাতের ফলে সেখানকার তাপমাত্রার পারদ আরও নামছে। সেই সঙ্গে বৃষ্টির সম্ভাবনাও বাড়ছে। স্থানীয় হাওয়া অফিসের প্রধান বিক্রম সিংহ বলেন, ‘‘জোশীমঠ এবং আশপাশের এলাকায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা আরও কমবে। রাতের পারদ ২.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নামতে পারে। দিনের বেলায় ১০ থেকে ১১ ডিগ্রি সেলসিয়াসে থাকবে তাপমাত্রা। আগামী কয়েক দিন উত্তরাখণ্ডে শুষ্ক আবহাওয়া থাকবে। তার পর আবার বৃষ্টি এবং তুষারপাত হবে।’’

    ভয়ঙ্কর পরিস্থিতি রয়েছে জোশীমঠে বিগত কয়েকদিন ধরেই। বাড়িতে ফাটল ধরায় ক্যাম্পে আশ্রয় নিয়েছে কয়েক শো পরিবার।  ঠান্ডায় প্রচন্ড কষ্ট পাচ্ছেন বলে জানিয়েছেন তাঁরা। তার ওপর তুষারপাতের পূর্বাভাস জারি হয়েছে, এতে আরও উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন তাঁরা। স্থানীয়দের মতে ফাটল বেড়েই চলেছে প্রতিদিন, এরপর বাড়িগুলোর ওপর বরফ জমলে ওজন বেড়ে আরও বড় বিপদ হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তাঁরা। উত্তরাখণ্ড সরকার বিপজ্জনক বাড়ি খালি করার কাজ শুরু করেছে। সমগ্র জোশীমঠকে তারা তিনটি জোনে ভাগ করেছে। ডে়ঞ্জার জোন, বাফার জোন এবং সেফ জোন। প্রতিবছর ২.৫ ইঞ্চি করে ডুবছিল জোশীমঠ, উপগ্রহ চিত্রে এমনটাই ধরা পড়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Dangri: “রানী লক্ষ্মীবাঈয়ের মত শত্রুদের সঙ্গে লড়াই করব”, জঙ্গি দমনে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ ডাংরির রেখা শর্মা

    Dangri: “রানী লক্ষ্মীবাঈয়ের মত শত্রুদের সঙ্গে লড়াই করব”, জঙ্গি দমনে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ ডাংরির রেখা শর্মা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নতুন বছরের শুরুর থেকেই রক্তাক্ত ভূস্বর্গ। ১ জানুয়ারি, বছরের প্রথম দিন রাজৌরির ডাংরি গ্রামে ৭ জন হিন্দুকে হত্যা করেছে সন্ত্রাসবাদীরা। এরপর গ্রামবাসীরা সন্ত্রাসবাদীর বিরুদ্ধে লড়তে হাতে অস্ত্র তুলে নেওয়ার দাবি জানায়। ফলে আপার ডাংরি গ্রামের স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবকের একটি দলকে সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলায় প্রশিক্ষণ দিচ্ছে সিআরপিএফ। তাঁদের মধ্যে ৪৭ বছরের এক মহিলা রেখা শর্মা জানিয়েছেন, ঝাঁসির রানী লক্ষ্মীবাঈয়ের মত শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত শত্রুদের বিরুদ্ধে লড়াই করবেন তিনি। তিনি সংবাদমাধ্যমে শেয়ার করেছেন, হাতে অস্ত্র তুলে নেওয়ার পিছনে তাঁর কী কাহিনী রয়েছে।

    বন্দুক হাতে ডাংরির রেখা শর্মা

    রেখা তাঁর বাড়ির আশেপাশের পরিস্থিতি দেখে উপত্যকায় জঙ্গি হামলা রুখতে হাতে তুলে নিয়েছেন বন্দুক। একদিকে পাকিস্তানে যেমন মহিলাদের সন্ত্রাসী হিসাবে প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে, অন্যদিকে ভারতে, মহিলাদের সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য প্রস্তুত করা হচ্ছে। তাঁদের গ্রাম প্রতিরক্ষা কমিটির (ভিডিসি) সদস্য হিসেবে প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। রেখা সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, “ঝাঁসির রানী লক্ষ্মীবাঈ যেমন তাঁর শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে লড়াই করেছিলেন, আমরা ডাংরির মহিলারাও পাকিস্তানের মদদপুষ্ট সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াই করব।” তিনি আরও বলেন, “জঙ্গিরা আমার বাড়ি, আমার গ্রাম এবং আমার মাতৃভূমি রক্তাক্ত করেছে… আমরা এই হত্যাকাণ্ডের প্রতিশোধ নেব।” তিনি জানিয়েছেন, ডাংরির কোন ঘটনা তাঁকে ভাবুক করে তুলেছিল ও কোন ঘটনার জন্যই জঙ্গিদের সঙ্গে লড়াই করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

    আরও পড়ুন: সন্ত্রাসবাদীদের আটকাতে রাজৌরিতে গ্রামবাসীরদের অস্ত্র প্রশিক্ষণ দিচ্ছে সিআরপিএফ

    তিনি জানিয়েছেন, তাঁর প্রতিবেশী সুরজ দেবী কয়েক বছর আগে তাঁর স্বামীকে হারান, তাঁর দুই সন্তান দীপক শর্মা এবং প্রিন্স শর্মা ছিল। দুজনেই শিক্ষিত ও ভাল চাকরিও করতেন। কিন্তু দুজনেই চলতি বছর জঙ্গি হানায় নিহত হন। এরপর তিনি প্রতিজ্ঞা করেন, এই মৃত্যুর বদলা তাঁকে নিতেই হবে। সদ্য সন্তানহারা মায়ের কান্না সহ্য করতে পারেননি রেখাদেবী। আর সেই থেকেই জঙ্গিদের শেষ করে দেওয়ার জন্য প্রতিজ্ঞা নিয়েছেন ও হাতে বন্দুক তুলে নিয়েছেন রেখাদেবী। 

    রেখা শর্মা আসলে দিল্লির বাসিন্দা ছিলেন। এরপর  ১৯৯৭ সালে বিয়ের পর ডাংরিতে আসেন। তাঁর স্বামী রণধীর কুমার শর্মা একজন ব্যবসায়ী। তাঁর বড় ছেলে স্নাতক শেষ করে ব্যবসা করছে, মেয়ে জম্মু বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমএসসি করছে এবং ছোট ছেলে নবম শ্রেণিতে পড়ছে। রেখার বাবা প্রয়াত কৃষ্ণ লাল দিল্লি পুলিশে কর্মরত ছিলেন।

    রেখা আরও জানিয়েছেন, সন্ত্রাসবাদী হামলায় দীপক ও প্রিন্সসহ সাতজন সাধারণ নাগরিক নিহত হওয়ার পর আবারও অস্ত্রের চাহিদা বাড়ছে। তিনি নিজে বন্দুক চালানো শিখবেই, অন্যদিকে গ্রামের অন্যান্য মহিলাদেরকেও অস্ত্র ধরতে এবং সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে লড়াই করার প্রশিক্ষণ নিতে রাজি করানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

    গ্রাম প্রতিরক্ষা কমিটি গঠনের আশ্বাস

    আপার ডাংরি গ্রামে সন্ত্রাসী হামলার পর, জম্মু ও কাশ্মীরের লেফটেন্যান্ট-গভর্নর মনোজ সিনহা গ্রামবাসীদের গ্রাম প্রতিরক্ষা গার্ড নামে ডোডা-টাইপ গ্রাম প্রতিরক্ষা কমিটি গঠনের আশ্বাস দিয়েছেন। সূত্রের খবর অনুযায়ী, গ্রাম প্রতিরক্ষা কমিটির এসপিওদের প্রতি মাসে ১৫০০ টাকা ও প্রতিটি ভিডিজি প্রতি মাসে ৪০০০ টাকা পাবে। যে ব্যক্তি ভিডিজির প্রধান হবেন তাঁকে প্রতি মাসে ৪৫০০ টাকা দেওয়া হবে।

  • Budget Session: মোদি সরকারের শেষ পূর্ণাঙ্গ বাজেট, অধিবেশন শুরু কবে জানেন?

    Budget Session: মোদি সরকারের শেষ পূর্ণাঙ্গ বাজেট, অধিবেশন শুরু কবে জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বছর ঘুরলেই লোকসভা নির্বাচন। তার আগে এটাই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) শেষ পূর্ণাঙ্গ বাজেট। আগামী বছর নির্বাচন থাকায় পেশ হবে ভোট অন অ্যাকাউন্ট। এবারও বাজেট পেশ করবেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামণ (Nirmala Sitharaman)। যেহেতু সামনেই রয়েছে লোকসভা নির্বাচন এবং চলতি বছর রয়েছে অন্তত ১০টি রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচন, তাই এবারের বাজেটে থাকতে পারে একাধিক চমক। এবার বাজেট অধিবেশন (Budget Session) শুরু হচ্ছে ৩১ জানুয়ারি। চলবে ৬ এপ্রিল পর্যন্ত। শুক্রবার একথা জানান সংসদ বিষয়ক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রহ্লাদ জোশী (Pralhad Joshi)। চলতি বছরের ১ ফেব্রুয়ারি সংসদে ২০২৩-২৪ অর্থবর্ষের বাজেট প্রস্তাব পেশ করবেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী। ট্যুইট বার্তায় সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী বলেন, বাজেট অধিবেশন শুরু হবে ৩১ জানুয়ারি, চলবে ৬ এপ্রিল পর্যন্ত। ৬৬-রও বেশি দিনের মধ্যে অধিবেশন হবে ২৭ দিন। রাষ্ট্রপতির বক্তৃতার পর মোশন অফ থ্যাঙ্কস, কেন্দ্রীয় বাজেট এবং অন্য আইটেমগুলিও হবে।

    বাজেট অধিবেশন…

    কেন্দ্রীয় সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী বলেন, বাজেট অধিবেশন পর্বে ১৪ ফেব্রুয়ারি থেকে ১২ মার্চ পর্যন্ত সংসদ ছুটি থাকবে। সূত্রের খবর, ৩১ জানুয়ারি শুরু হওয়া অধিবেশন চলবে ১৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। তার পর ছুটি থাকবে। ফের অধিবেশন (Budget Session) শুরু হবে ১৩ মার্চ। চলবে ৬ এপ্রিল পর্যন্ত। বাজেট অধিবেশনের প্রথমার্ধে সংসদের উভয় কক্ষ মোশন অফ থ্যাঙ্কসের ওপর আলোচনা করবে। পরে আলোচনা হবে বাজেট নিয়ে। রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর যে মোশন অফ থ্যাঙ্কস হবে, তার বিতর্কের উত্তর দেবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। আর বাজেট অধিবেশনে যে আলোচনা হবে, তার বিতর্কের উত্তর দেবেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামণ। অধিবেশনের দ্বিতীয়ার্ধে পাশ করানো হবে বাজেট এবং অর্থ বিল।

    আরও পড়ুুন: বিচারপতি মান্থার এজলাসের ঘটনা নিন্দনীয়! রাজ্যে আসছে বার কাউন্সিলের প্রতিনিধি দল

    এদিকে সেন্ট্রাল ভিস্তা ডেভলপমেন্টের অংশ হিসেবে তৈরি হচ্ছে নয়া সংসদ ভবন নির্মাণের কাজ। যাঁরা সংসদ ভবন নির্মাণের কাজ করছেন, তাঁরা জানান বাজেট অধিবেশনের দ্বিতীয়ার্ধ হবে সংসদের নয়া ভবনে। প্রসঙ্গত, গত অধিবেশনে লোকসভায় পেশ হয়েছিল ৯টি বিল। তার মধ্যে এই সভায় পাশ রয়েছিল ৭টি। আর রাজ্যসভায় পাশ হয়েছিল ৯টি বিল। গত অধিবেশনে সংসদের দুটি কক্ষে পাশ হয়েছিল ৯টি বিল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     

  • Congress: ভারত জোড় যাত্রায় হাঁটতে গিয়ে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু কংগ্রেস সাংসদের

    Congress: ভারত জোড় যাত্রায় হাঁটতে গিয়ে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু কংগ্রেস সাংসদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কংগ্রেসের (Congress) ভারত জোড় যাত্রায় (Bharat Jodo Yatra) বিপত্তি। যাত্রা চলাকালীন হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু কংগ্রেস নেতা সান্তোখ সিং চৌধুরীর। তিনি জলন্ধরের সাংসদ ছিলেন। বয়স হয়েছিল ৭৬ বছর। কংগ্রেস সাংসদের প্রয়াণের খবর পেয়ে ভারত জোড় যাত্রা ছেড়ে হাসপাতালে চলে যান কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী (Rahul Gandhi)। জলন্ধরের সাংসদের মৃত্যুর খবর পেয়ে শোক প্রকাশ করেছেন পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী ভগবন্ত মান।

    ভারত জোড় যাত্রা…

    গত বছরের ৭ সেপ্টেম্বর কন্যাকুমারীতে শুরু হয় ভারত জোড় যাত্রা। কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বে শুরু হয় ওই যাত্রা। চলতি বছরের ৩০ জানুয়ারি জম্মু-কাশ্মীরের শ্রীনগরে গিয়ে শেষ হবে যাত্রা। কংগ্রেসের এই যাত্রায় পা মিলিয়েছেন সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষ। তা নিয়ে বিতর্কও কম হয়নি।

    বর্তমানে পাঞ্জাবে রয়েছে ভারত জোড় যাত্রা। শনিবার সকালে যাত্রা হচ্ছিল ফিল্লৌরে। কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীও ছিলেন ওই যাত্রায়। আচমকাই বুকে ব্যথা অনুভব করেন জলন্ধরের সাংসদ সান্তোখ সিং চৌধুরী। সঙ্গে সঙ্গে তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয় ফাগওয়ারার ভির্ক হাসপাতালে। সেখানে তাঁকে মৃত ঘোষণা করা হয়। 

    খবর পেয়ে প্রয়াত নেতাকে দেখতে ভারত জোড় যাত্রা ছেড়ে সোজা হাসপাতালে চলে যান রাহুল। ঘটনায় শোক প্রকাশ করেছেন কংগ্রেস নেতৃত্ব। শোক প্রকাশ করেছেন পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী ভগবন্ত মান। ট্যুইট-বার্তায় তিনি লেখেন, জলন্ধরের কংগ্রেস সাংসদের আকস্মিক প্রয়াণে শোকাহত। ওঁর আত্মার শান্তি কামনা করছি। শোক প্রকাশ করেছেন লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লাও।

    আরও পড়ুুন: আসন্ন পঞ্চায়েত নির্বাচন ‘ডু অর ডাই ম্যাচ’! প্রতিটি বুথকে দুর্গ বানানোর কথা বললেন শুভেন্দু

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Joshimath: মাত্র ১২ দিনের মধ্যেই ৫.৪ সেমি বসে গিয়েছে জোশীমঠ! আতঙ্কের ছবি শেয়ার করল ইসরো

    Joshimath: মাত্র ১২ দিনের মধ্যেই ৫.৪ সেমি বসে গিয়েছে জোশীমঠ! আতঙ্কের ছবি শেয়ার করল ইসরো

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জোশীমঠ ঘিরে আতঙ্ক ক্রমশ বেড়েই চলেছে। গত ১২ দিনে ৫.৪ সেন্টিমিটার বসে গেছে জোশীমঠ! এমনই উদ্বেগজনক তথ্য মিলল ইসরোর রিপোর্টে। ইন্ডিয়ান স্পেস রিসার্চ অর্গানাইজেশনের ন্যাশনাল রিমোট সেন্সিং সেন্টারের তরফে উপগ্রহ চিত্র প্রকাশ করা হয়েছে, তাতেই দেখা গিয়েছে দ্রুতগতিতে বসে যাচ্ছে জোশীমঠের মাটি। জানা গিয়েছে, গত ২৭ ডিসেম্বর থেকে গত ৮ জানুয়ারির মধ্যে জোশীমঠের মাটি ৫.৪ সেন্টিমিটার বসে গিয়েছে।

    ইসরোর প্রকাশিত উপগ্রহ চিত্র

    ইসরো-র ন্যাশনাল রিমোট সেন্সিং সেন্টার (এনআরএসসি) জানাচ্ছে, ২০২২ সাল থেকে এই ধস শুরু হয়। গত বছরের এপ্রিল মাস থেকে নভেম্বর মাস পর্যন্ত একটি তথ্য দিয়েছেন এনআরএসসি। জানা গিয়েছে, গত বছরের এপ্রিল থেকে নভেম্বর এই সাত মাসে জোশীমঠের জমি ধসেছে প্রায় ৯ সেন্টিমিটার। আবার ২০২২ সালের ২৭ ডিসেম্বর থেকে ৮ জানুয়ারি পর্যন্ত অর্থাৎ ১২ দিনেরও একটি রিপোর্ট সংস্থা সামনে নিয়ে এসেছে। প্রকাশ্যে এনেছে বেশ কিছু স্যাটেলাইট ছবিও। আর তাতে দেখা যাচ্ছে, এই সময়ে ভূমি ধস ব্যাপক ভাবে বেড়েছে। আর তা বেড়ে ৫.৪ সেন্টিমিটারে দাঁড়িয়েছে বলে জানাচ্ছে ন্যাশনাল রিমোট সেন্সিং সেন্টার।

    আর্মি হেলিপ্যাড এবং নরসিংহ মন্দিরের আশেপাশের অঞ্চলে মধ্য জোশীমঠের মাটির দ্রুত স্থানান্তর ঘটেছে। ইসরো-র রিপোর্টে বলা হয়েছে, “নিম্নপতনের শীর্ষস্থানটি ২ হাজার ১৮০ মিটার উচ্চতায় জোশীমঠ-আউলি রোডের কাছে অবস্থিত।”

    আরও পড়ুন: জোশীমঠের গৃহহীনদের ক্ষতিপূরণ দেওয়া শুরু, স্থানীয়দের আশ্বস্ত করলেন ধামি

    ডুবন্ত জোশীমঠ…

    জোশীমঠকে (Joshimath) একটি ডুবতে থাকা অঞ্চল হিসেবে ঘোষণা করেছে সেখানকার প্রশাসন, ইতিমধ্যে এলাকা ছাড়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে স্থানীয় বাসিন্দাদের। গত কয়েকদিন ধরে জোশীমঠের (Joshimath) বহু বাড়িতে ফাটল ধরেছে। একের পর এক বাড়িতে ফাটল বেড়েই চলেছে। হোটেল মালারি ইন ও মাউন্ট ভিউ, পাশাপাশি দুটি হোটেল ভাঙা শুরু হয়েছে। হোটেলের পিছনের দিকে ঘনবসতিপূর্ণ এলাকা রয়েছে। সেখানকার বাসিন্দাদেরও সরানো হয়েছে। দুর্ঘটনা এড়াতে হোটেলের এক একটা তলা ধীরে ধীরে ভেঙে সরানো হচ্ছে। বিপজ্জনক বাড়িগুলিতে রেড ক্রস দিয়ে চিহ্নিত করা হয়েছে। সেখান থেকে বাসিন্দাদের সরানো হয়েছে। আজ দেরাদুনে মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিং ধামী ক্যাবিনেট বৈঠক করবেন। ক্ষতিগ্রস্তদের আর্থিক সাহায্য নিয়ে আলোচনার সম্ভাবনা রয়েছে।

  • Delhi Airport: এবার দিল্লি বিমানবন্দরে প্রকাশ্যে প্রস্রাব মদ্যপ যুবকের, গ্রেফতার

    Delhi Airport: এবার দিল্লি বিমানবন্দরে প্রকাশ্যে প্রস্রাব মদ্যপ যুবকের, গ্রেফতার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লি প্রস্রাব-কাণ্ডে যখন তোলপাড় দেশ, তখনই ফের এক বিমানযাত্রীর বিরুদ্ধে প্রস্রাব করার অভিযোগ উঠল। এবার বিমানে নয়, দিল্লির ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে প্রকাশ্যে প্রস্রাব করে গ্রেফতার হন এক ব্যক্তি। পরে জামিনে মুক্তিও পান তিনি। সূত্রের খবর অনুযায়ী, গত ৮ জানুয়ারি দিল্লি বিমানবন্দরে ঘটনাটি ঘটে। সেইসময় মত্ত অবস্থাতে ছিলেন ওই যাত্রী। এমনকী তাঁকে থামাতে গেলে সহযাত্রীদের হুমকিও দেন বলে অভিযোগ।

    ঠিক কী ঘটেছিল?

    সূত্রের খবর অনুযায়ী, ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের টার্মিনাল ৩-এর ৬ নম্বর প্রস্থান গেটের সামনে জৌহর আলি খান নামের এক যাত্রীকে প্রস্রাব করতে দেখা যায়। তিনি সেদিন দিল্লি থেকে সৌদি আরবের দাম্মাম যাওয়ার জন্য ফ্লাইট ধরতে এসেছিলেন। তার আগেই এমন কাণ্ড ঘটায় বিহারের বাসিন্দা জৌহর আলি খান।

    প্রকাশ্যে ওই যাত্রীকে এমন কাণ্ড ঘটাতে দেখে ঘাবড়ে যান উপস্থিত সকলেই। তিনি মত্ত অবস্থায় ছিলেন বলে জানা গিয়েছে। এরপরই তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। কয়েকজন তাঁকে নিরস্ত করার চেষ্টাও করেন। কিন্তু তিনি তাঁদের হুমকি দেন ও অশালীন ভাষা প্রয়োগ এবং অভব্য আচরণ করতেও দেখা যায় বলে অভিযোগ। এর পর ঘটনার কথা জানতে পেরেই তৎপর হয় বিমান কর্তৃপক্ষ। বিমানবন্দরের পুলিশ তাঁকে গ্রেফতারও করে। যদিও পরে বন্ড দিয়ে জামিনে মুক্তি পান জৌহর।

    দিল্লি পুলিশ জানিয়েছে যে, তাঁরা সেন্ট্রাল ইন্ডাস্ট্রিয়াল সিকিউরিটি ফোর্স (সিআইএসএফ) কর্মীদের কাছ থেকে একটি অভিযোগ পেয়েছে যে, টার্মিনাল ৩-এর গেট নং ৬-এ মত্ত অবস্থায় এক যাত্রী প্রকাশ্যে প্রস্রাব করেছেন। এর পাশাপাশি তিনি চিৎকার করছিলেন, অশালীন গালিগালাজও করছিলেন বলে অভিযোগ। আর এই অভিযোগের ভিত্তিতেই অভিযুক্ত যাত্রীর বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করা হয়। আইপিসি-র ২৯৪ নম্বর ধারা এবং ৫১০ নম্বর ধারায় তাঁর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়। পরবর্তীতে তাঁকে জামিনও দিয়ে দেওয়া হয়।

    প্রসঙ্গত, দিন কয়েক আগেই এয়ার ইন্ডিয়ার একটি বিমানে মত্ত অবস্থায় শঙ্কর মিশ্র নামের এক ব্যক্তি এক বৃদ্ধার গায়ে প্রস্রাব করায় তোলপাড় পড়ে যায়। সেই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই ফের সামনে এল প্রস্রাব-কাণ্ড।

  • Iran: হিজাব-বিরোধী আন্দোলনের জের, ইরানে ফাঁসি ৫ জনকে, কড়া নিন্দা রাষ্ট্রসংঘের

    Iran: হিজাব-বিরোধী আন্দোলনের জের, ইরানে ফাঁসি ৫ জনকে, কড়া নিন্দা রাষ্ট্রসংঘের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুলিশি হেফাজতে (Police Custody) মৃত্যু হয়েছিল মাহসা আমিনির। তার জেরে ইরানে (Iran) অব্যাহত প্রতিবাদ মিছিল, বিক্ষোভ প্রদর্শন। এই আন্দোলনে অংশ নেওয়ায় সে দেশে ফাঁসি দেওয়া হল আরও একজনকে। গত বছর সেপ্টেম্বরের ১৬ তারিখে মৃত্যু হয় বছর বাইশের আমিনির। অভিযোগ, ইরানের ড্রেস কোড মানতে অস্বীকার করেছিলেন তিনি। তাঁর মৃত্যুর পর দেশজুড়ে শুরু হয় প্রতিবাদ আন্দোলন। তাতে অংশ নেওয়ায়ই জাভেদ রাউহি নামে একজনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে মঙ্গলবার। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ, পৃথিবীতে দুর্নীতিতে যুক্ত তিনি।

    হিজাব…

    ইরানে হিজাব পরা বাধ্যতামূলক। এই হিজাব না পরায় গ্রেফতার করা হয়েছিল আমিনিকে। পরে পুলিশি হেফাজতে মৃত্যু হয় তাঁর। তার পরেই ইরানে শুরু হয় হিজাব বিরোধী আন্দোলন। আন্দোলন দমন করতে কঠোর অবস্থান নেয় সরকার। বেশ কয়েকজনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। অভিযুক্ত এক আন্দোলনকারীকে প্রকাশ্যে ক্রেন থেকে ঝুলিয়ে ফাঁসি দেওয়া হয়। এদিকে, এদিন আরও তিনজনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে ইরানের আদালত। তাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তাঁরা বাহিনীর ওপর হামলা চালিয়েছেন। যদিও চার্জশিটে বলা হয়েছে, ধর্মের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছেন তাঁরা। যার সর্বোচ্চ সাজা প্রাণদণ্ড।

    আরও পড়ুুন: অস্কারের দৌড়ে ‘দ্য কাশ্মীর ফাইলস’, ‘‘লাপিড যোগ্য জবাব পেলেন’’, বললেন মিঠুন

    প্রসঙ্গত, এ নিয়ে গত তিন মাসে ১৭ জনকে প্রাণদণ্ডের সাজা দেওয়া দিল ইরান (Iran) সরকার। এর মধ্যে পাঁচজনের ফাঁসি হয়ে গিয়েছে। দু জনের সাজা স্থগিত রেখেছে সুপ্রিম কোর্ট। বাকিদের মামলা চলছে। এদিন যাঁদের মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে, তাঁরা হলেন সালে মিরহাশেমি, মাজিদ কাজেমি ও সইদ ইয়াগুবি। এই তিনজনের চার্জশিটেও লেখা হয়েছে ঈশ্বরের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা। এই ঘটনায় জড়িত থাকায় জেল হয়েছে আরও দুজনের।

    শনিবারই মহম্মদ মেহদি কারামি এবং সইদ মহম্মদ হোসেনিকে ফাঁসি দিয়েছে ইরান সরকার। ডিসেম্বরে ফাঁসি দেওয়া হয়েছে মহসেন শেকারি ও মাজিদরেজা রাহানাবার্দ নামে দুই আন্দোলনকারীকেও। হিজাব বিরোধী আন্দোলন দমন করতে ইরান সরকারের এই ভূমিকায় ক্ষুব্ধ গোটা বিশ্ব। ইরানের (Iran) এই সাজা আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইন লঙ্ঘন করছে বলে জানিয়ে দিলেন রাষ্ট্রসংঘের মানবাধিকার প্রধান ভোলকের টার্ক। তিনি বলেন, যাঁরা মৌলিক অধিকারের দাবিতে আন্দোলন করছেন, তাঁদের দমন করতে মানুষ খুন করছে খোদ রাষ্ট্র।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     
     
  • Rahul Gandhi: ‘রাহুলের উচিত আরএসএসের শাখায় উপস্থিত হওয়া’, কেন বললেন বিজেপি নেতা, জানেন?

    Rahul Gandhi: ‘রাহুলের উচিত আরএসএসের শাখায় উপস্থিত হওয়া’, কেন বললেন বিজেপি নেতা, জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাহুল গান্ধীর (Rahul Gandhi) উচিত কয়েক দিনের জন্য আরএসএসের (RSS) শাখায় উপস্থিত হওয়া। কারণ তিনি সংগঠন সম্পর্কে কিছুই জানেন না। মঙ্গলবার এই ভাষায়ই কংগ্রেস (Congress) নেতা রাহুল গান্ধীকে নিশানা করলেন হরিয়ানার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনিল ভিজ। এর ঠিক একদিন আগেই আরএসএসকে আক্রমণ শানিয়েছিলেন রাহুল। এদিন তাঁকে মুখের মতো জবাব দিলেন হরিয়ানার বিজেপি (BJP) নেতা। হরিয়ানার মুখ্যমন্ত্রী মনোহরলাল খট্টরও একহাত নিয়েছেন এই কংগ্রেস নেতাকে। তিনি বলেন, রাহুল গান্ধীর মন্তব্যে কংগ্রেস নেতারাও কিংকর্তব্যবিমূঢ় হয়ে পড়ছেন। রাহুলকে কটাক্ষ করে তিনি বলেন, তিনি পাপ্পুই রয়ে গেলেন! প্রসঙ্গত, বিজেপি নেতারা রাহুলকে প্রায়ই এই অভিধায় ভূষিত করেন।

    প্যালেস অন হুইলস...

    বর্তমানে ভারত জোড় যাত্রায় রয়েছেন রাহুল (Rahul Gandhi)। এই যাত্রা চলাকালীন সোমবার হরিয়ানার আম্বালায় একটি সভায় তিনি আরএসএসকে আক্রমণ শানিয়েছিলেন। আরএসএস সদস্যদের তিনি একবিংশ শতাব্দীর কৌরব বলে মন্তব্য করেছিলেন। হরিয়ানার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ভিজ রাহুলের এহেন মন্তব্যের তীব্র সমালোচনা করেছেন। তিনি বলেন, তিনি (রাহুল) মুখে গরিবদের কথা বলেন। কিন্তু ভারত জোড় যাত্রার সময় তিনি ঘুমোন প্যালেস অন হুইলসে। ভিজ বলেন, আরএসএস সম্পর্কে তিনি (রাহুল) কিছুই জানেন না। তাই এ ব্যাপারে কোনও মন্তব্য করার অধিকার তাঁর নেই। এই বিজেপি নেতা বলেন, আরএসএসের কারণেই বর্তমানে দেশ অখণ্ড রয়েছে।

    আরও পড়ুুন: ‘আমরা ফের এই দেশ শাসন করব’, মুসলমানদের এই ধারণা ছাড়তে হবে, বললেন ভাগবত

    এর পরেই তিনি বলেন, রাহুলের (Rahul Gandhi) উচিত কয়েক দিনের জন্য আরএসএসের শাখায় যোগ দেওয়া উচিত রাহুলের। কারণ সংগঠন সম্পর্কে কিছুই জানেন না তিনি। প্রবল ঠান্ডায় টি-শার্ট পরেই ভারত জোড় যাত্রা করছেন রাহুল। গোটা যাত্রা পথে এই পোশাকই পরে থাকবেন বলে জানিয়েছেন তিনি। কারণ হিসেবে রাহুল জানিয়েছিলেন, ভারত জোড় যাত্রার সময় মধ্য প্রদেশে তিনি তিনজন দরিদ্র মেয়েকে ছেঁড়া জামাকাপড় পরে ঠান্ডায় কাঁপতে দেখেছিলেন। সে প্রসঙ্গ টেনে ভিজ বলেন, রাহুল গান্ধীর উচিত ছিল ওই মেয়েদের বাড়িতে যাওয়া। চাক্ষুষ করা উচিত ছিল তারা কীভাবে বাঁচে, তারা কোথায় ঘুমোয়। ভিজ বলেন, তিনি (রাহুল) তো প্যালেস অন হুইলসে ঘুমোন। এতে লাক্সারি ব্যবস্থা রয়েছে। এটা তাঁর সঙ্গে সঙ্গে যাচ্ছে। তাঁর (Rahul Gandhi) এই যাত্রায় লক্ষ লক্ষ টাকা খরচ হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন ভিজ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Joshimath: প্রাণ গেলে যাক! জোশীমঠে ঘর ছাড়তে নারাজ বাসিন্দারা

    Joshimath: প্রাণ গেলে যাক! জোশীমঠে ঘর ছাড়তে নারাজ বাসিন্দারা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উন্নয়নের মাশুল দিচ্ছে  জোশীমঠ। সারাজীবনের সঞ্চয় দিয়ে বানানো বাড়ি ছেড়ে সাধারণ মানুষকে আশ্রয় নিতে হচ্ছে ত্রাণ শিবিরে। বিপজ্জনক বাড়িগুলিকে লাল কালি দিয়ে চিহ্নিত করার পরেও স্থানীয়রা ঘর ছাড়তে নারাজ। প্রাণ গেলেও ভিটে-মাটি থেকে উৎখাত হতে নারাজ স্থানীয় নাগরিকেরা। পর্যাপ্ত পুনর্বাসন না থাকার অভিযোগ স্থানীয়দের একাংশের। এক কামরার ঘরে গোটা পরিবারের আসবাব পত্র কীভাবে রাখা সম্ভব, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তাঁরা।

    ধ্বংসের পথে যোশীমঠ!

    ওয়াকিবহাল মহল বলছে, পরিস্থিতি খারাপের দিকে গত কয়েকবছর ধরেই। ধ্বংসস্তূপের উপর গড়ে ওঠা উত্তরাখণ্ডের চামোলি জেলার যোশীমঠ শহর ক্রমশ বসে যাচ্ছে। ধসে পড়ছে বাড়িঘর, মন্দির। সেখানকার রাস্তা, হোটেল, বাড়ির মেঝে ও দেওয়ালে চওড়া ফাটল দেখা দিচ্ছে। যেকোনও সময় তলিয়ে যাওয়ার দিন গুনছেন জোশীমঠের বাসিন্দারা। এখনও পর্যন্ত ঘরছাড়া চার হাজারের বেশি মানুষ। ফাটল ধরেছে ৬৭৮ বাড়িতে এই পরিস্থিতিতে ‘জাতীয় বিপর্যয়’ (National Disaster) ঘোষণার দাবি তুলছেন স্থানীয়রা। জোশীমঠ নিয়ে মামলাও হয়েছে সুপ্রিম কোর্টে। মঙ্গলবার জোশীমঠ নিয়ে আবেদনের জরুরি শুনানির দাবি খারিজ করে দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। আগামী ১৬ই জানুয়ারি জোশীমঠ মামলা শুনবে সুপ্রিমকোর্ট। শুনানির দিন ধার্য করতে গিয়ে প্রধান বিচারপতি ডি ওয়াই চন্দ্রচূড় বলেছেন, মামলাকারী অন্য কোন সংস্থার কাছেও আবেদন করতে পারেন।

    আরও পড়ুন: বিজেপির গঙ্গাপুজোয় ‘না’ পুলিশের, ‘কর্মসূচি হবেই’, জানালেন সুকান্ত

    উদ্বিগ্ন প্রধানমন্ত্রীও

    জোশীমঠে রয়েছে SDRF এবং NDRF-এর টিম। সমাধানের খোঁজে সাতটি সংস্থার বিশেষজ্ঞদের নিয়ে কমিটি তৈরি করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। জোশীমঠের পরিস্থিতি নিয়ে প্রধানমন্ত্রী ব্যক্তিগত ভাবে খোঁজ নিচ্ছেন বলে জানিয়েছেন উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী পুস্কর সিং ধামি।  জোশীমঠের পরিস্থিতি কী, সঠিক ভাবে তা জানতে একটি বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠিত হয়েছে আগেই, তাঁরা রিপোর্ট জমা দেবেন প্রধানমন্ত্রীর কাছে। মুখ্যমন্ত্রী পুস্কর সিং ধামি, জোশীমঠকে বাঁচানোর জন্য সকলকে একত্রিত ভাবে কাজ করার অনুরোধ জানিয়েছেন। জোশীমঠ উদ্ধারে এলাকাকে তিনভাগে  ভাগ করা হয়েছে। সম্পূর্ণ নিরাপদ, বিপদ কম এবং বিপদ যুক্ত, তিন ভাগে ভাগ করে কাজ শুরু করা হয়েছ।  মঙ্গলবার থেকে উত্তরাখণ্ডের জোশীমঠে বিপজ্জনক বাড়ি ভাঙার কাজ শুরু করার কথা। প্রথমে ভাঙার কথা ছিল বিপজ্জনক হোটেলগুলি। কিন্তু স্থানীয় মানুষের অসহযোগিতায় নির্দিষ্ট সময়ের পরেও শুরু করা যায়নি হোটেল ভাঙার কাজ। স্থানীয় প্রশাসন জানাচ্ছে এই এলাকার হোটেল এবং ঘরগুলি ভাঙা হবে বুলডোজার দিয়ে। কোন বিস্ফোরক ব্যবহার করা হবে না।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

LinkedIn
Share