Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Nirmala Sitharaman: নিজের রাজ্যে খুঁজুন পাপ্পুকে দেখতে পাবেন! মহুয়াকে কড়া জবাব নির্মলার

    Nirmala Sitharaman: নিজের রাজ্যে খুঁজুন পাপ্পুকে দেখতে পাবেন! মহুয়াকে কড়া জবাব নির্মলার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিজের রাজ্যে খোঁজ করুন, ‘পাপ্পুর’দেখা পেতে পারেন।  তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ মহুয়া মৈত্রকে কড়া জবাব দিলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন। ‘পাপ্পু’ প্রসঙ্গ তুলে আগে কেন্দ্রকে তোপ দেগেছিলেন মহুয়া। দেশের অর্থনীতি পরিচালনা নিয়ে কেন্দ্রের সমালোচনা করেন তৃণমূল সাংসদ। এর জবাবে নির্মলা বলেন, তৃণমূল নেত্রী পশ্চিমবঙ্গে নিজের আঙিনায় যদি খোঁজ করেন সেখানে ‘পাপ্পুর’দেখা পেতে পারেন।

    মহুয়ার কথা

     প্রসঙ্গত, কেন্দ্রের বিরুদ্ধে লোকসভায় মহুয়া বলেন দেশের আর্থিক উন্নতি নিয়ে মিথ্যা কথা বলছে কেন্দ্রীয় সরকার। গতকাল তিনি কেন্দ্রের বিজেপি সরকারকে আক্রমণ করে বলেন, ‘প্রত্যেক ফেব্রুয়ারি মাসে সরকার সাধারণ মানুষকে বিশ্বাস করতে বাধ্য করে যে দেশের অর্থনীতির উন্নতি হচ্ছে, সকলে অত্যাবশ্যকীয় পণ্য পরিষেবা যেমন গ্যাস সিলিন্ডার, বাড়ি ও বিদ্যুৎ পরিষেবা পাচ্ছেন। এগুলো সবই মিথ্যা।’ তিনি আরও বলেন, ‘নরেন্দ্র মোদি সরকার দেশের অর্থনীতির বৃদ্ধি নিয়ে মিথ্যাচার করছে। দেশের অর্থনীতির ক্রমাগত অবনতি হচ্ছে, অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামনকে অনুরোধ করছি দেশের অর্থনীতি সামলান।’ এসবের পাশাপাশি তিনি ‘পাপ্পু’ বলে কেন্দ্রীয় সরকারকে কটাক্ষও করেন। তিনি বলেন, ‘সরকার ও শাসক দল এই পাপ্পু শব্দটি তৈরি করেছে। চরম অক্ষমতা বোঝাতে এবং তার নিন্দা করতে এই শব্দটি ব্যবহার করা হয়ে থাকে। তবে পরিসংখ্যান বলে দিচ্ছে আসল পাপ্পু কে।’ এবার মহুয়া মৈত্রের এই কটাক্ষের পাল্টা জবাব দিলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন। সংসদে দাঁড়িয়ে ভোট পরবর্তী রাজনৈতিক হিংসা প্রসঙ্গে তৃণমূলকে তুলোধোনা করলেন তিনি। 

    নির্মলা যা বললেন

    এর আগে তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্র অভিযোগ করেছিলেন যে পাগলের হাতে ম্য়াচিস কে দিল? সরকারের দিকে আয়না ধরুন। দেখে নিন আসল পাপ্পু কে? তারই জবাবে নির্মলা জানিয়েছেন, দেশলাই কার হাতে রয়েছে। এটা উদ্বেগের ব্যাপার। কাদের হাতে দেশলাই দিলেন সেটা গুরুত্বপূর্ণ নয়। কারণ মানুষ দিয়েছেন। জনতা দিয়েছেন। এটা আমরা ছোট করে দেখতে পারি না। কিন্তু কাদের হাতে দেশলাই কীভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে এটাই গুরুত্বপূর্ণ। সম্প্রতি গুজরাটে বিজেপির বড় জয় হয়েছে। ভোট পরবর্তী সময়ে কী হয়েছে সেখানে? শান্তির বাতাবরণ। পশ্চিমবঙ্গের সঙ্গে একবার তুলনা করে দেখুন। সেখানে ভোট পরবর্তী হিংসায় কী হয়েছিল। নির্মলা বলেন, দেশলাই কাদের হাতে কীভাবে ব্যবহার হচ্ছে দেখুন। এটাই প্রশ্ন। আমাদের হাতে যখন দেশলাই ছিল তখন আমরা উজ্জ্বলা দিয়েছি, পিএম কিষান দিয়েছি স্বচ্ছ ভারত দিয়েছি। আর আপনাদের হাতে যখন দেশলাই এল তখন কী করলেন, ধর্ষণ হল, নির্যাতন হল, হিংসা হল, আমাদের কার্যকর্তাদের ঘর জ্বালিয়ে দিলেন। একজন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী এমএস মুরলিধরনের উপর এমন হামলা হল যে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীও নিরাপদে থাকলেন না। জেপি নাড্ডার গাড়িও ভাঙা হল। এটাই ভোট পরবর্তী বাংলা।

    আরও পড়ুন: লালন শেখের রহস্যমৃত্যু, রাজ্যের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের অভিযোগে সরব শুভেন্দু

  • Indian Airforce: যুদ্ধবিমানের তৎপরতা পরীক্ষা করতে উত্তর-পূর্বে সামরিক মহড়া বায়ুসেনার

    Indian Airforce: যুদ্ধবিমানের তৎপরতা পরীক্ষা করতে উত্তর-পূর্বে সামরিক মহড়া বায়ুসেনার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অরুণাচল প্রদেশের (Arunachal Pradesh) তাওয়াংয়ে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়েছিল ভারত (India) ও চিনের (China) সেনারা। ওই ঘটনার রেশ পুরোপুরি মিলিয়ে যাওয়ার আগেই যুদ্ধবিমানের তৎপরতা পরীক্ষা করার সিদ্ধান্ত নিল ভারতীয় বায়ুসেনা (Indian Airforce)। বৃহস্পতিবার থেকে উত্তর-পূর্বে শুরু হচ্ছে সামরিক মহড়া (Training Exercise)। চলবে দুদিন ধরে। বায়ুসেনা সূত্রেই এ খবর মিলেছে।

    পিএলএ সৈন্য…

    প্রতিরক্ষা মন্ত্রক সূত্রে খবর, ৯ ডিসেম্বর, ২০২২-এ পিএলএ সৈন্যরা সীমান্তে স্থিতাবস্থা পরিবর্তনের চেষ্টা করে। ভারতীয় সেনাবাহিনী দৃঢ়তার সঙ্গে তার মোকাবিলা করে। দু পক্ষের মধ্যে হাতাহাতিও হয়। ভারতের জওয়ানরা চিনা সেনাদের বাধা দেয় এবং তাদের পোস্টে ফেরত পাঠায়। এই ঘটনায় ভারতীয় সেনাবাহিনীর কোনও জওয়ান নিহত বা আহত হননি। এই ঘটনার পর স্থানীয় কমান্ডার ১১ ডিসেম্বর চিনের সেনা কমান্ডারদের সঙ্গে বৈঠক করেন এবং ঘটনাটি নিয়ে আলোচনাও করেন। চিনকে সীমান্তে শান্তি বজায় রাখতে বলা হয়েছে ভারতের তরফে। এহেন আবহে উত্তরপূর্বে আয়োজন হয়েছে সামরিক মহড়ার।

    আরও পড়ুন: চিনকে যোগ্য জবাব দিয়েছে ভারতীয় সেনা, বললেন রাজনাথ

    সূত্রের খবর, চলতি সপ্তাহে ভারতীয় বায়ুসেনার (Indian Airforce) মহড়া হবে ইস্টার্ন সেক্টরে। সেখানে যুদ্ধবিমানগুলির ক্ষিপ্রতা পরীক্ষা করা হবে। জানা গিয়েছে, সামরিক এই মহড়ার পরিকল্পনা হয়েছে অনেক আগেই। ওই সূত্রেই আরও জানা গিয়েছে, গত কয়েক সপ্তাহ ধরে মাঝে মধ্যেই সীমান্তে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা বরাবর উঁকিঝুঁকি মারছিল চিনা ড্রোন। তাদের ঠেকাতে দু তিনবার ভারতকে ওড়াতে হয়েছে যুদ্ধ বিমান। জানা গিয়েছে, চিনা ড্রোনের মোকাবিলায় ওড়ানো হয়েছে এসইউ ৩০ এমকেআই জেট। তাওয়াংয়ের ঘটনার প্রেক্ষিতে প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং বলেন, চিনকে যোগ্য জবাব দিয়েছে ভারতীয় সেনা।

    এই প্রথম নয়, এর আগেও একাধিকবার সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েছে ভারত ও চিনা সেনা। ২০২০ সালের ১৫ জুন গালওয়ানেও সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েছিল চিনা সেনা ও ভারতীয় বাহিনী। ওই সংঘর্ষে ২০ জন ভারতীয় সেনার মৃত্যু হয়। ২০২১ সালের অক্টোবর মাসেও ওই একই এলাকায় ঢুকে পড়েছিল প্রচুর চিনা সেনা। সেই সময়ও দু পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছিল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Delhi Accident: দিল্লিতে ফুটপাতে থাকা তিন শিশুকে ধাক্কা বেসামাল গাড়ির, সিসিটিভি ফুটেজে ভয়ঙ্কর দৃশ্য

    Delhi Accident: দিল্লিতে ফুটপাতে থাকা তিন শিশুকে ধাক্কা বেসামাল গাড়ির, সিসিটিভি ফুটেজে ভয়ঙ্কর দৃশ্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের রাজধানীতে আবার ঘটল হিট অ্যান্ড রানের ঘটনা! দুর্ঘটনার (Delhi Accident) শিকার তিন শিশু। রাস্তার পাশে ফুটপাতে দাঁড়িয়ে রোদ পোয়াচ্ছিল তিন শিশু। হঠাৎ করেই বেসামাল গাড়ি উঠে যায় ফুটপাতে। গাড়িটি ছিল একটি মারুতি গাড়ি। গাড়ির চাকায় পিষ্ট হয় ওই তিন শিশু। ঘটনাটি ঘটেছে দিল্লির গুলাবিবাগ এলাকায়। এই মর্মান্তি ঘটনার ভিডিও ওই এলাকার সিসিটিভিতে ধরা পড়েছে।  

    পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, দিল্লির (Delhi Accident) প্রতাপনগরের বাসিন্দা গাজেন্দ্রর গাড়ির ধাক্কায় গুরুতর আহত হয়েছে ওই তিন শিশু। বয়স যথাক্রমে ১০ বছর, ৬ বছর এবং ৪ বছর। নিয়ন্ত্রণ হারিয়েই গজেন্দ্রর গাড়িটি ফুটপাতে চলে আসে এবং সেই গাড়ির ধাক্কায় তিন শিশু গুরুতর আহত হয়েছে বলে প্রাথমিক তদন্তে মনে করছে পুলিশ। আহত শিশুদের স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। তারা এখন চিকিৎসাধীন। বর্তমানে তারা বিপদমুক্ত বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা। ঘটনায় ইতিমধ্যে গজেন্দ্রকে গ্রেফতার করে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।

    আরও পড়ুন: পোষ্য নিয়ে বিমানে উঠতে বাধা, এয়ার ইন্ডিয়ার বিরুদ্ধে বিস্ফোরক বেঙ্গালুরুর পরিবার

    কী ঘটে?     

    প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য,দুর্ঘটনাটি ঘটে সকাল নটার সময়। সিসিটিভি (Delhi Accident) ফুটেছে দেখা গিয়েছে, গুলাবি বাগের লীলাওয়াতি স্কুলের পাশ দিয়ে মারুতি ব্রিজা গাড়িটি চালিয়ে আসছিলেন গজেন্দ্র। দ্রুতগতিতে আসা গাড়িটি হঠাৎ করেই নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফুটপাতে উঠে যায়। তারপরই ফুটপাতে দাঁড়িয়ে থাকা তিন শিশুকে ধাক্কা মারে গাড়িটি। গুরুতর আহত হয় ওই তিন শিশু। স্থানীয় বাসিন্দারাই তাদের হাসপাতালে নিয়ে যান। অন্যদিকে, গজেন্দ্রর গাড়ি ধরে বিক্ষোভ দেখান বাসিন্দারা। এরপরে পুলিশে খবর দেওয়া হয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছলে, এলাকার বাসিন্দারা গজেন্দ্রকে পুলিশের হাতে তুলে দেন।

     

    গজেন্দ্র মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালাচ্ছিলেন বলে অভিযোগ এক প্রত্যক্ষদর্শীর। তাঁর কড়া শাস্তির দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা। গজেন্দ্রকে ইতিমধ্যে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে এবং গোটা ঘটনার তদন্ত চালাচ্ছে দিল্লি পুলিশ।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • CJI DY Chandrachud: “অনার কিলিং- এর নামে প্রতিবছর এ দেশে শয়ে শয়ে মানুষ খুন হয়”, উদ্বেগ প্রকাশ প্রধান বিচারপতির

    CJI DY Chandrachud: “অনার কিলিং- এর নামে প্রতিবছর এ দেশে শয়ে শয়ে মানুষ খুন হয়”, উদ্বেগ প্রকাশ প্রধান বিচারপতির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতে অনার কিলিং- এর বাড়বাড়ন্ত নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করলেন দেশের প্রধান বিচারপতি ডি ওয়াই চন্দ্রচূড় (CJI DY Chandrachud)। শনিবার একটি অনুষ্ঠানে প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড় বলেন, “পরিবারের অমতে বিয়ে করার জন্য প্রতিবছর দেশে শত শত ছেলে-মেয়েকে হত্যা করা হয়। দেশে জাতিভেদ এখনও ভীষণভাবে প্রকট।”  

    কী বলেন প্রধান বিচারপতি?

    তিনি (CJI DY Chandrachud) আরও বলেন, “সচেতনতা তৈরি করেও অনার কিলিং যে রোখা যাচ্ছে না ভারতে। দেশ এগিয়ে গেলেও জাত-পাতের ভেদাভেদ যে এখনও মেটেনি। তার সবচেয়ে বড় প্রমাণ অনার কিলিং। প্রতিবছরই ভারতের একাধিক জায়গায় অনার কিলিং- এর ঘটনা ঘটতে দেখা যায়। পরিবারের অমতে গিয়ে ভিন জাতের ছেলেকে বিয়ে করে পরিবারের রোষের মুখে পড়ে মেয়েরা। যার পরিণতি মৃত্যু।” 

    সম্প্রতি অনার কিলিংয়ের ঘটনা সবচেয়ে বেশি ঘটেছে রাজস্থান, উত্তর প্রদেশ, হরিয়ানা, মধ্যপ্রদেশে। কিছুতেই এই ধরনের ঘটনা নিয়ন্ত্রণে আনা যাচ্ছে না। বিষয়টি নিয়ে চিন্তিত দেশের প্রধান বিচারপতি ডি ওয়াই চন্দ্রচূড় (CJI DY Chandrachud)। তিনি বলেন, “এইসব মামলা কোর্ট পর্যন্ত গড়ালেও, শেষ পর্যন্ত বলি হয়ে যায় মেয়েরাই। যাঁরা এই ধরনের ঘটনা ঘটান তাঁরা আইন নিজের হাতে তুলে নেন।” 

    প্রধান বিচারপতি (CJI DY Chandrachud) আরও বলেন, “আইন রক্ষায় পুলিশ প্রশাসন থাকলেও অনার কিলিংয়ের নামে প্রতিবছর যেভাবে একের পর এক হত্যার ঘটনা ঘটে তা আইনের রক্ষকদের প্রশ্নের মুখে ফেলে দেয়। কিছু মানুষ আইন হাতে তুলে নিতে ভালোবাসেন। তাঁদের কাছে পরিবারের সম্মান রক্ষার বিষয়টি এতটাই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে যে তারা প্রাণ নিতেও পিছপা হয় না।”

    আইন এবং নৈতিকতা- প্রসঙ্গে ভাষণে ১৯৯১ সালে একটি মার্কিন পত্রিকায় প্রকাশিত অনার কিলিং- এর ঘটনার উদাহরণ তুলে ধরেন তিনি (CJI DY Chandrachud)। ওই রিপোর্ট অনুযায়ী, ১৫ বছরের একটি মেয়ে ২০ বছরের এক যুবকের সঙ্গে ঘর ছাড়েন। যুবকটি নিম্নবর্ণের ছিলেন। এর জেরেই গ্রামের উচ্চবর্ণের লোকেরা তাঁদের হত্যা করে। এই খুনকে ন্যায়সঙ্গত বলেও আখ্যা দিয়েছিলেন ওই উচ্চবর্ণের গ্রামবাসীরা। কারণ তাঁরা মনে করতেন সামাজিক আচরণবিধি মেনে এই কাজ করা হয়েছিল। 

    আরও পড়ুন: হিজাব বিরোধী আন্দোলনের সমর্থনে শাস্তি! গ্রেফতার অস্কারজয়ী সিনেমার অভিনেত্রী

    তিনি (CJI DY Chandrachud) আরও বলেন, “দলিত সম্প্রদায়কে সমাজের মূল স্রোত থেকে বিচ্ছি্ন্ন করতে পোশাককেও হাতিয়ার করা হয়েছে। ভারতের সংবিধানে সকলের সমান অধিকার। তারপরেও জাতিভেদ প্রথার মতো বিষয় রয়েছে এই দেশে। সংববিধান প্রদত্ত অধিকারকে সামাজিক নৈতিকতার দোহাই দিয়ে খর্ব করা যায় না।”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
     

         

  • Agni 5: অগ্নি-৫ এর পাল্লা বাড়িয়ে করা যেতে পারে ৭ হাজার কিমি!

    Agni 5: অগ্নি-৫ এর পাল্লা বাড়িয়ে করা যেতে পারে ৭ হাজার কিমি!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সফল উৎক্ষেপণ হয়েছে অগ্নি-৫ ব্যালিস্টিক মিসাইলের। চিন ও পাকিস্তানের ঘুম উড়িয়ে বৃহস্পতিবার রাতের অন্ধকারে অগ্নি-৫-এর (Agni 5) পরীক্ষামূলক সফল উৎক্ষেপণ করেছে ভারত। এর ফলে ভারতীয় সেনার মুকুটে জুড়েছে আরও একটি পালক। ৫০০০ কিমি দূরে লক্ষ্যবস্তুতেও আঘাত হানতে পারে এই ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র। এই ক্ষেপণাস্ত্র পারমাণবিক অস্ত্র বহনেও সক্ষম। প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের সূত্র মারফত এমনটাই জানা গিয়েছে। এই সফল উৎক্ষেপণের মাধ্যমে ভারত চিন ও পাকিস্তানকে কড়া বার্তা দিতে চাইছে বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞরা।

    অগ্নি-৫ এর পাল্লা…

    এখন অগ্নি-৫ এর পাল্লা ৫ হাজার কিমি। জানা গিয়েছে, ভারত এর পাল্লা বাড়িয়ে ৭ হাজার কিমি করছে। প্রতিরক্ষামন্ত্রকের এক সূত্র মারফত এ খবর জানা গিয়েছে। কেবল তাই নয়, অগ্নি-৫-এর ভারও লাঘব করা হচ্ছে। স্টিলের বদলে কাজে লাগানো হবে কম্পিজিট মেটিরিয়ালস। ফলে গতিবেগ হবে আরও বেশি।

    প্রতিরক্ষামন্ত্রক সূত্রে খবর, অগ্নি-৫ (Agni 5) এর ওজন ২০ শতাংশ কমানো যেতে পারে। শুধু তাই নয়, সরকার চাইলে পরমাণু অস্ত্র বহনে সক্ষম এই ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লা বাড়িয়ে ৭ হাজার কিমিও করা যেতে পারে। অগ্নি-৩-এর উদাহরণ দিয়ে ওই সূত্র জানিয়েছে, অগ্নি-৩ মিসাইলের ওজন ৪০ টনের কাছাকাছি। এটি আঘাত হানতে পারে ৩ হাজার কিমি দূরের কোনও লক্ষ্যবস্তুতে। কিন্তু অগ্নি-৪-এর ওজন ২০ টনের সামান্য বেশি। তাই এর পাল্লাও অগ্নি-৩-এর চেয়ে অনেক বেশি।

    আরও পড়ুন: ‘অগ্নি’ পরীক্ষার আগেই ভারত মহাসাগরে হাজির চিনের সেই ‘গুপ্তচর’ জাহাজ, কেন জানেন?

    বৃহস্পতিবার অগ্নি-৫-এর (Agni 5) সফল উৎক্ষেপণ করেছে ভারত। এই অগ্নি-৫ পারমাণবিক অস্ত্র বহনে সক্ষম। এর পাল্লা ৫ হাজার ৪০০ কিমি। যে সমস্ত সরঞ্জাম এতে ব্যবহার করা হয়েছে, তা অগ্নির আগের ভার্সানগুলোর তুলনায় বেশ কম। প্রসঙ্গত, গত বছর অক্টোবরে সারফেস-টু-সারফেস মিসাইল অগ্নি-৫-এর সফল উৎক্ষেপণ করেছে ওড়িশার এপিজে আবদুল কালাম দ্বীপ থেকে। ২০১৮ সালের জুন মাসে ভারত প্রথম অগ্নি-৫-এর সফল উৎক্ষেপণ করে। সেবারও উৎক্ষেপণ করা হয়েছিল আবদুল কালাম দ্বীপ থেকে। উৎক্ষেপণ সফল হওয়ায় অগ্নির পাল্লায় চলে এল ভারতের দুই প্রতিবেশী দেশ পাকিস্তান ও চিন। স্বাভাবিকভাবেই বেশ খানিকটা চাপে পড়ে গেল ইসলামাবাদ ও বেজিং।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Measles: ভারতে হামে আক্রান্তের সংখ্যা ১০ হাজার পার, মৃত্যু ৪০ জনের

    Measles: ভারতে হামে আক্রান্তের সংখ্যা ১০ হাজার পার, মৃত্যু ৪০ জনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের বিভিন্ন প্রান্তে হামে (Measles) আক্রান্ত হচ্ছে শিশুরা। আক্রান্তের সংখ্যা ১০ হাজার ছাড়িয়েছে। স্বাস্থ্যমন্ত্রকের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী ১২ ডিসেম্বর অবধি দেশজুড়ে এই রোগে আক্রান্ত হয়েছে ১০,৪১৬ জন। ইতিমধ্যেই মৃত্যু হয়েছে ৪০ জনের। সংসদেও উঠেছে বিষয়টি।

    কী বললেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী? 

    শুক্রবার সংসদে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ভারতী প্রবীণ পাওয়ার পরিসংখ্যান দিয়ে বলেন, “মহারাষ্ট্রে আক্রান্তের সংখ্যা (Measles) সব থেকে বেশি, ৩০৭৫। মৃত্যু হয়েছে ১৩ জনের। এরপরেই তালিকায় রয়েছে ঝাড়খণ্ড। আক্রান্তের সংখ্যা ২,৬৮৩। মৃত্যু হয়েছে ৮ জনের।” ২০২২ সালের নভেম্বরে হামের বাড়বাড়ন্ত হয় দেশজুড়ে। সবচেয়ে বেশি এই রোগ ছড়িয়েছে মহারাষ্ট্র, ঝাড়খণ্ড, গুজরাট এবং কেরলে।

    কেন্দ্রের তরফে জানানো হয়েছে, আক্রান্ত (Measles) শিশুদের অধিকাংশই প্রতিষেধকহীন, এবং আক্রান্ত অঞ্চলে হাম ও রুবেলার প্রতিষেধক প্রদানের পরিমাণ জাতীয় গড়ের তুলনায় কম। এই ঘটনা অপ্রত্যাশিত নয়। অতিমারির শুরু থেকেই বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এবং অন্য বিশেষজ্ঞরাও বারংবার সতর্ক করেছিলেন, যাতে কোনও ভাবেই জাতীয় প্রতিষেধক প্রদানের কর্মসূচিটি ক্ষতিগ্রস্ত না হয়। অন্যথায় যে রোগগুলির প্রকোপ প্রতিষেধকে নির্মূল হয়েছে, তা ফের ফিরে আসবে। অতিমারীর কারণে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে গোটা বিশ্বের স্বাস্থ্য পরিষেবা। ভারতও তার ব্যতিক্রম নয়। 

    হাম (Measles) হল মরিবিলিভাইরাস দ্বারা সৃষ্ট একটি ভাইরাল সংক্রমণ। এই ভাইরাস সবার প্রথমে রোগীর শ্বাসতন্ত্রে আক্রমণ করে। কাশি এবং হাঁচির দ্বারা এই ভাইরাস সংক্রমিত হয়। সংক্রমিত রোগীর ব্যবহার করা জিনিসে হাত দিয়ে সেই হাত চোখে কিংবা মুখে দিলে অপর ব্যক্তির শরীরে অনাসায়ে প্রবেশ করে হামের ভাইরাস। মূলত শিশুদের এই রোগ হয়ে থাকে।

    আরও পড়ুন: একদিনের ক্রিকেট বিশ্বকাপের দায়িত্ব হারাতে পারে ভারত? নেপথ্যে কর জটিলতা 

    এখনও অবধি সেই অর্থে হামের (Measles) কোন ওষুধ নেই। যত্ন এবং সুষম আহার ধীরে ধীরে সুস্থ করে তুলতে পারে রোগীকে। সচেতন না হলে নিউমোনিয়ে, ব্রঙ্কাইটিস, কাশি, পেটের গণ্ডগোল নানা সমস্যা দেখা দিতে পারে। কিছু ক্ষেত্রে প্রাণহানির আশঙ্কাও থেকে যায়।

    হাম (Measles) বা বসন্তের প্রতিকার বলতে একমাত্র টিকাকরণ। বিগত দুই বছরে করোনার জেরে হাম, রেবেলা, মাম্পসের টিকাকরণের কাজ ব্যহত হয়েছে। যার কারণে মারাত্মক ভাবে সংক্রমিত হচ্ছে এই ভাইরাস। তবে পর্যাপ্ত ভাবে যদি হাইজিনের বিষয়টা মাথায় রাখা যায় তা হলেও অনেক ক্ষেত্রে উপকার হয়।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • ICC ODI World Cup 2023: একদিনের ক্রিকেট বিশ্বকাপের দায়িত্ব হারাতে পারে ভারত? নেপথ্যে কর জটিলতা

    ICC ODI World Cup 2023: একদিনের ক্রিকেট বিশ্বকাপের দায়িত্ব হারাতে পারে ভারত? নেপথ্যে কর জটিলতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৩- এ এক দিনের ক্রিকেট বিশ্বকাপের (ICC ODI World Cup 2023) আয়োজক দেশ হওয়ার কথা ভারতের। এই অবধি এমনটাই ঠিক রয়েছে। কিন্তু তীরে এসে তরী ডুববে না তো! জল্পনা তৈরি হয়েছে ভারত থেকে নাকি বিশ্বকাপ সরিয়েও নিতে পারে আইসিসি। এমনটা হলে দায়ী হবে কর সংক্রান্ত জটিলতা। বিভিন্ন রিপোর্ট মারফত জানা যাচ্ছে হোস্টিং রাইটস হারাতে পারে ভারত। ভারত থেকে বিশ্বকাপ সরিয়ে নেওয়া ছাড়া হয়তো কোনও উপায় নেই খোলা নেই আইসিসি’র সামনে।

    কী জটিলতা? 

    জানা গিয়েছে কর ছাড় নিয়ে জটিলতা তৈরি হয়েছে। ভারত সরকারের কাছে করে ছাড় চেয়েছে আইসিসি (ICC ODI World Cup 2023)। কিন্তু তাতে রাজি নাও হতে পারে কেন্দ্র। এমনটাই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। সেক্ষেত্রে বিশ্বকাপ ভারত থেকে সরিয়ে নিতে পারে আইসিসি। ২০১৬ সালেও টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সময়ও কর ছাড় সংক্রান্ত জটিলতা দেখা দিয়েছিল।

    ভারতের ট্যাক্স অথরিটির কাছ থেকে অন্তবর্তীকালীন ট্যাক্স বেনিফিট পাওয়ার পরই ২০১৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ এই দেশে আয়োজনের সিদ্ধান্ত নিয়েছিল আইসিসি (ICC ODI World Cup 2023)। ভারতের রাজস্ব ভাগ থেকে ১০.৩ শতাংশ সারচার্জ রাখার অনুমতি দেওয়া হয়েছিল আইসিসিকে এবং সেই মামলা এখনও লড়ছে বিসিসিআই। ২০২৩ বিশ্বকাপের ক্ষেত্রেও আরও একটি অন্তবর্তীকালীন ট্যাক্স বেনিফিট পেয়েছে আইসিসি। কিন্তু এখন জানা যাচ্ছে যে বিষয়টিতে খুশি নয় বিসিসিআই।

    আইসিসির (ICC ODI World Cup 2023) নীতি অনুযায়ী যে দেশে আইসিসির ইভেন্ট আয়োজিত হবে সেই দেশের ক্রিকেট বোর্ডকে কর ছাড়ের বিষয়টা নিশ্চিত করতে হবে। বিসিসিআই ইতিমধ্যেই আইসিসিকে জানিয়ে দিয়েছে, এই বিষয়ে তাদের এবার কিছু করার নেই। ২০১৬ সালেও কর ছাড় দেওয়ার বিষয়ে রাজি হয়নি ভারত সরকার। এর ফলে ১৯০ কোটি টাকা ক্ষতি হয় বিসিসিআই-এর। সরকার ছাড় না দেওয়ায় বিসিসিআই-এর রেভিনিউ থেকে সেই অর্থ কেটে নেয় আইসিসি। ২০২৩ বিশ্বকাপের ক্ষেত্রেও একই সিদ্ধান্ত নিতে পারে ভারত সরকার। এই জটিলতায় এখনও অনিশ্চয়তায় বিশ্বকাপের ভাগ্য।

    আরও পড়ুন: “টাইম হো গ্যায়া”, শাহী সাক্ষাতের পরই রহস্যময় ইঙ্গিত শুভেন্দুর

    এদিকে এরই মাঝে বড় ঘোষণা করলেন বিসিসাই (ICC ODI World Cup 2023) সচিব জয় শাহ। জয় শাহ জানিয়েছেন, পাকিস্তানে আসন্ন সংস্করণের এশিয়া কাপে অংশ নিতে না-ও যেতে পারে ভারতীয় দল। পাশাপাশি এশিয়া কাপ পাকিস্তান থেকে সরিয়ে নিয়ে যাওয়াও হতে পারে বলে জানিয়েছেন তিনি। বেশ কিছুদিন ধরেই দুই দেশের সম্পর্ক তলানিতে। দ্বিপাক্ষিক ক্রিকেট খেলাও বন্ধ করেছে দুই দেশ। এরই মাঝে জয়ের এই ঘোষণায় উত্তাল হয় ক্রিকেট বিশ্ব। 

    জয় শাহের (ICC ODI World Cup 2023) মন্তব্যের পাল্টা জবাব দিয়েছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড। পিসিবি চেয়ারম্যান রামিজ রাজা বলেন, “নিজের ইচ্ছামতো সব কিছু করতে পারে না বিসিসিআই। পাশাপাশি ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড এশিয়া কাপে দল না পাঠালে ভারতের মাটিতে হতে চলা ২০২৩ বিশ্বকাপ বয়কটের ডাক দেবে পাকিস্তান।”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Aadhaar-Voter ID Linking: ভোটার কার্ডের সঙ্গে আধার যুক্ত করা বাধ্যতামূলক নয়! কী জানালেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী?

    Aadhaar-Voter ID Linking: ভোটার কার্ডের সঙ্গে আধার যুক্ত করা বাধ্যতামূলক নয়! কী জানালেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটার কার্ডের সঙ্গে আধারের লিঙ্ক করা না হলেও কারোর নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হবে না। ১৬ ডিসেম্বর, শুক্রবার সংসদে তিন সাংসদের প্রশ্নের জবাবে সাফ জানালেন কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রী কিরণ রিজিজু।

    আধার কার্ড – ভোটার আইডি যুক্ত করা নিয়ে অনেকের মনেই একাধিক প্রশ্ন। অনেকে জানেন, ভোটার কার্ডের সঙ্গে আধার কার্ড যুক্তটা করাটা বাধ্যতামূলক। আবার অনেকে বলেন, ভোটার-আধার আইডি লিঙ্ক করার কোনও প্রয়োজনীয়তা নেই। আবার কিছু সোশ্যাল মিডিয়াতে বলা হয়েছে, ভোটার কার্ডের সঙ্গে আধার কার্ড যুক্ত না করলে ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়বে নাম।  ফলে পুরো বিষয়টির কোনও কিছুই নিশ্চিত নয়। কিন্তু এবারে এই বিষয়টি সংসদে স্পষ্ট ভাবে জানিয়ে দিলেন কেন্দ্রীয় আইন মন্ত্রী কিরেন রিজিজু।

    আরও পড়ুন: ‘এটা রাহুলের প্রপিতামহ নেহরুর ভারত নয়…’, কেন বললেন বিজেপি নেতা, জানেন?

    কিরেন রিজিজু কী ঘোষণা করলেন?

    আইন মন্ত্রী কিরেন রিজিজু ভোটার আইডি ও আধার কার্ডের লিঙ্ক করা নিয়ে বলেন, ” ভোটার কার্ডের সঙ্গে আধার কার্ড যুক্ত করাটা একেবারেই ভোটারদের ইচ্ছাধীন। এটা না করলে ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ করার কোনও সম্ভাবনাই নেই।” আরও জানানো হয়েছে, লিঙ্ক করার ক্ষেত্রে অবশ্যই ভোটারদের সম্মতি নিতে হবে। নির্বাচনী আইন (সংশোধনী), ২০২১-এ নির্বাচনী আধিকারিকদের শুধুমাত্র পরিচয় প্রমাণের জন্য ভোটারদের আধার নম্বর জিজ্ঞেস করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। তবে, ভোটাররা না চাইলে, তা নাও দিতে পারেন বলে স্পষ্ট জানিয়েছেন তিনি।

    চলতি বছরের ১ অগাস্ট থেকে ভারতের নির্বাচন কমিশন ভোটারদের ইচ্ছার ভিত্তিতে তাঁদের আধার নম্বর সংগ্রহ করা শুরু করেছে। তবে, এরপরই অভিযোগ উঠেছিল, নির্বাচন কর্তৃপক্ষ ভোটার পরিচয়পত্রের সঙ্গে আধার সংযোগ করা বাধ্যতামূলক করেছে। আধার-ভোটার কার্ড লিঙ্ক করা সংক্রান্ত দুটি বিজ্ঞপ্তিকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে একটি আবেদনও করা হয়েছিল। তাতে বলা হয়েছিল, সরকারি নিয়ম এবং বিজ্ঞপ্তি জারি করে, ভারতের নির্বাচন কমিশন নাগরিকদের আধার নম্বর ভোটার তালিকার সঙ্গে লিঙ্ক করা বাধ্যতামূলক করতে চাইছে। কিন্তু এরপরেই ভোটার বা আধার লিঙ্ক করা নিয়ে একাধিক প্রশ্ন উঠলে কিরেন রিজিজু স্পষ্ট জানিয়ে দেন যে, আধার কার্ড না থাকলেও, ভোটার তালিকায় নাম থাকা কোনও নাগরিকের ভোট দিতে অসুবিধা হবে না। যদি কোনও নাগরিক আধার-ভোটার লিঙ্ক করাতে চাইলে করবেন ও আবার যদি কেউ লিঙ্ক করতে না চান, তবে করবেন না। পুরো বিষয়টি নাগরিকদের ইচ্ছার উপর নির্ভর করে।

  • Tawang: তাওয়াংয়ে লাল ফৌজকে দৃঢ়ভাবে প্রতিরোধ করেছে ভারত, জানালেন পূর্বাঞ্চলীয় সেনাপ্রধান

    Tawang: তাওয়াংয়ে লাল ফৌজকে দৃঢ়ভাবে প্রতিরোধ করেছে ভারত, জানালেন পূর্বাঞ্চলীয় সেনাপ্রধান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অরুণাচল প্রদেশের তাওয়াংয়ে (Tawang) প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা পেরিয়ে ভারতে ঢোকার চেষ্টা করেছিল চিনা (China) সেনা পিপলস লিবারেশন আর্মি (PLA)। তাদের দৃঢ়ভাবে প্রতিরোধ করেছে ভারতীয় সেনা। শুক্রবার এ কথা জানালেন সেনার ইস্টার্ন কমান্ডের প্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল রাণাপ্রতাপ কলিতা। তিনি এও জানান, বুমলায় দুই দেশের প্রতিনিধিরা ফ্ল্যাগ মিটিংও করেছে। তার পরেই সমস্যার সমাধান হয়েছে।

    নেপথ্য কাহিনি…

    প্রসঙ্গত, দিন কয়েক আগে ভারতীয় সেনা রুটিনমাফিক টহল দিচ্ছিল। টহলদারির সময়ে চিনা সেনার অন্তত ৩০০ জনের একটি দল প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা পার করার চেষ্টা করে। ভারতীয় ভূখণ্ডে পা রাখারও চেষ্টা করে চিনা সেনারা। তারা ভারতীয় সেনার টহলদারির কাজে বাধা দেয়। এলাকা দখল নিয়ে বাদানুবাদ শুরু করে লাল ফৌজ। যদিও পাল্টা প্রস্তুত ছিল ভারতীয় সেনাও। চিনের সমস্ত ছক ভেস্তে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়। আর তা করতেই সংঘাতে জড়িয়ে পড়ে ভারত ও চিনের বাহিনী। শুধু তাই নয়, ধাক্কা দিয়ে সীমান্ত থেকে লাল ফৌজকে ভারতীয় সেনার জওয়ানরা বার করে দেয়। তার আগে বেশ কিছুক্ষণ ধরে ভারত এবং চিনের বাহিনীর মধ্যে হাতাহাতি হয়। জানা গিয়েছে, ভারতীয় জওয়ানদের আঘাত খুব একটা গুরুতর নয়। তাঁদের হাতে, পায়ে এবং পিঠে আঘাত লেগেছে। ঘুষির কারণেও মুখে আঘাত লেগেছে। সেনা সূত্রে খবর, ভারতীয় সেনার চেয়ে ঢের বেশি আঘাত পেয়েছে চিনের জওয়ানরা।

    আরও পড়ুন: ‘‘আপনার মন্ত্রীকে প্রশ্ন করুন সন্ত্রাস কবে বন্ধ হবে?’’, পাক সাংবাদিককে জবাব জয়শঙ্করের

    এদিন ফোর্ট উইলিয়ামে বিজয় দিবসের অনুষ্ঠানের ফাঁকে পূর্বাঞ্চলীয় জিওসি-ইন-সি কলিতা বলেন, আপনারা জানেন, প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা বরাবর আটটি অমীমাংসিত এলাকা রয়েছে। টহলদারির সময় এরকম একটি জায়গা দিয়ে ভারতে ঢোকার চেষ্টা করে চিনা সেনা। তাদের দৃঢ়ভাবে প্রতিরোধ করা হয়েছে। মঙ্গলবার রাজ্যসভায় প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং জানিয়েছিলেন, প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা পেরিয়ে অরুণাচল প্রদেশের তাওয়াং (Tawang) সেক্টরে ঢোকার চেষ্টা করেছিল পিপলস লিবারেশন আর্মি। তারা স্থিতাবস্থা নষ্ট করার চেষ্টা করছিল। রাজনাথ সিং জানান, ভারতীয় সেনাদের তৎপরতায় দ্রুত তাদের ফেরত পাঠানো গিয়েছে। তিনি বলেন, আমাদের ভূখণ্ড অটুট রাখতে আমাদের সেনারা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এরকম কোনও চেষ্টা হলে, যে কোনও মূল্যে তা প্রতিরোধ করার চেষ্টাও করবে তারা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Islamic Terrorism: ‘এই ট্রানজিট কলোনিগুলি তোমাদের কবরস্থান’, ফের কাশ্মীরি পণ্ডিতদের হুমকি চিঠি জঙ্গিদের

    Islamic Terrorism: ‘এই ট্রানজিট কলোনিগুলি তোমাদের কবরস্থান’, ফের কাশ্মীরি পণ্ডিতদের হুমকি চিঠি জঙ্গিদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এই ট্রানজিট কলোনিগুলি তোমাদের কবরস্থান। সম্প্রতি এই ভাষায়ই সরকারি কর্মী কাশ্মীরি পণ্ডিতদের (Kashmir Pandits) হুমকি দিয়েছে কাশ্মীর ফাইট নামে এক জঙ্গি সংগঠন (Islamic Terrorism)। একটি চিঠি দিয়ে তারা এই হুমকি দিয়েছে। তাতেই লেখা হয়েছে, ট্রানজিট কলোনিগুলিকে পুনর্বাসন পাওয়া পণ্ডিতদের কবরস্থানে পরিণত করার হুমকি।

    ট্রানজিট কলোনি...

    উত্তর কাশ্মীরের বান্দিপোরা জেলার সুম্বল এলাকার ওডিনা গ্রামে তৈরি হচ্ছে অভিবাসী কাশ্মীরি পণ্ডিত সরকারি কর্মীদের জন্য ট্রানজিট কলোনি। এদিন জম্মু-কাশ্মীরের লেফটেন্যান্ট গভর্নর মনোজ সিনহা বারামুল্লা ও বান্দিপোরায় কাশ্মীরি পণ্ডিত সরকারি কর্মীদের ওই কলোনিগুলি পরিদর্শন করেন। তারই কয়েক ঘণ্টা পরে হুমকি চিঠি জঙ্গিদের।

    জঙ্গি সংগঠন কাশ্মীর ফাইট সরকারি কর্মী কাশ্মীরি পণ্ডিতদের পাশাপাশি নয়া ট্রানজিট কলোনি নির্মাণের সঙ্গে জড়িত ঠিকাদারদেরও হুমকি দিয়েছে। সরকারি কর্মী কাশ্মীরি পণ্ডিতদের একটি তালিকা প্রকাশ করে কাশ্মীর ফাইট চিঠিতে পণ্ডিতদের উপনিবেশকে ইজরায়েলি ধরনের বসতি স্থাপন বলে অভিহিত করেছে। তাতে লেখা হয়েছে, এটি কেবল সময়ের ব্যাপার যখন প্রতিরোধকারী যোদ্ধাদের রাগ সেই সব বিশ্বাসঘাতকদের ওপর আছড়ে পড়বে। প্রধানমন্ত্রীর প্যাকেজের বলির পাঁঠাদের আত্মবিশ্লেষণ প্রয়োজন। এই আধিপত্যকারী ফ্যাসিবাদী শাসন আপনাকে কীভাবে ব্যবহার করে, তা বুঝুন। কী সিদ্ধান্ত নেবেন, তা আপনার ওপর নির্ভর করবে। এই কলোনিগুলিই আপনাদের কবরস্থান। চিঠিতে এও লেখা হয়েছে, যেসব ঠিকাদার সংস্থা কলোনি নির্মাণ করছে, তাদেরও রেয়াত করা হবে না। যে বা যারাই এর সঙ্গে যুক্ত, তাদের প্রত্যেককেই উপযুক্ত সাজা দেওয়া হবে। 

    আরও পড়ুন: ‘‘আপনার মন্ত্রীকে প্রশ্ন করুন সন্ত্রাস কবে বন্ধ হবে?’’, পাক সাংবাদিককে জবাব জয়শঙ্করের

    জঙ্গিদের হুমকি চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, মনে রাখবে, যখন সমুদ্র খেপে ওঠে, তখন এর যাত্রাপথে যা পড়ে, তাকেই ধ্বংস করে। প্যাকেজ পাওয়া বলির পাঁঠারা এবং অন্যান্য যাঁরা স্থানীয় নয় কিংবা বিদেশি, লেফটেন্যান্ট মনোজ সিনহার কর্মীরা তাঁদের কবরের কারণ হবেন। চলতি মাসের শুরুতে এই জঙ্গি গোষ্ঠী প্রধানমন্ত্রীর পুনর্বাসন প্যাকেজের অধীনে শিক্ষক হিসেবে কাশ্মীর উপত্যকায় কর্মরত ৫৭ কাশ্মীরি পণ্ডিতকে হুমকি দেয়। তার পরেই প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপের দাবিতে সরব হয়েছিলেন সরকারি কর্মী কাশ্মীরি পণ্ডিতরা। এহেন আবহেই এল ফের হুমকি চিঠি।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

LinkedIn
Share