Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Sushil Modi: ‘২০০০ টাকার নোট কালো টাকার সমান’, বাতিল করার পরামর্শ সুশীল মোদির

    Sushil Modi: ‘২০০০ টাকার নোট কালো টাকার সমান’, বাতিল করার পরামর্শ সুশীল মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০০০ টাকার নোট সন্ত্রাসবাদ এবং মাদকপাচারের মতো ঘৃণ্য কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে। রাজ্যসভায় এমনটাই বললেন বিজেপি সাংসদ সুশীল মোদি (Sushil Modi)। তিন বছর আগেই ২০০০ হাজার টাকার নোট ছাপানো বন্ধ করে দিয়েছে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া। বিজেপি সাংসদের দাবি , ২০০০ হাজার টাকার নোট জমিয়ে ব্যবহার করে সন্ত্রাসবাদে মদত ও মাদকপাচারের কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে। এই টাকা কালো টাকার সমান।

    আরও পড়ুন: বিশ্বভারতীর পড়ুয়া-নিরাপত্তারক্ষীদের মধ্যে ধস্তাধস্তি, অশান্ত বিশ্ববিদ্যালয় চত্বর   

    কেন এমন মন্তব্য করলেন সাংসদ?

    রাজ্যসভায় বিজেপি সাংসদ (Sushil Modi) বলেন, “২০১৬ সালে বাতিল হওয়া ৫০০ ও ১০০০ টাকার নোটের বিকল্প হিসেবে ২ হাজার টাকার নোট নিয়ে এসেছিল আরবিআই। কিন্তু বেশ কিছু কারণে গত তিন বছর ধরে এই নোটের মুদ্রণ বন্ধ রয়েছে। ফলে ২ হাজার টাকার নোটের কালোবাজারি বাড়ছে।” তিনি আরও বলেন, “আমজনতার কষ্টের উপার্জনের টাকা যাতে পুরোপুরি রূপান্তরিত করা যেতে পারে, সে জন্য তাঁদের আরও সময় দেওয়া দরকার। অন্য দেশের উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, “বহু আধুনিক দেশেই ছোট অঙ্কের নোট চালু রয়েছে। আমেরিকায় যেমন সর্বোচ্চ অঙ্কের নোট ১০০ ডলার, চিনের সর্বোচ্চ অঙ্কের নোট ১০০ ইউয়ান, কানাডায় ১০০ ক্যাড, ইউরোর ক্ষেত্রে ২০০ ইউরো। মাদক পাচার, আর্থিক নয়ছয়, সন্ত্রাসবাদে মদত এবং করফাঁকির মতো বেআইনি কার্যকলাপ আটকাতে ইইউ ২০১৮ সালে ৫০০ ইউরোর নোট বাতিল করে। ২০১০ সালে রাস্তায় হেঁটে ১০ হাজার সিঙ্গাপুর ডলারের নোট বাতিল করে সিঙ্গাপুর।”

    সুশীল মোদির (Sushil Modi) বক্তব্য, যেহেতু ভারত এখন ডিজিটাল লেনদেনের হাব হয়ে দাঁড়াচ্ছে, তাই এখানে ২০০০ টাকার নোটের প্রয়োজন কম। ২০১৬ সালে কালো টাকা, দুর্নীতি এবং জালনোট রোধে ৫০০ ও ১০০০ টাকার নোট বাতিল করে গোটা দেশে হইচই ফেলে দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বিরোধী শিবির থেকে অর্থনীতিবিদ, নানা মহলের বিপুল সমালোচনার মুখে পড়ে সেই পদক্ষেপ। কিন্তু স্বয়ং দলীয় সাংসদের বক্তব্যে ২ হাজার টাকার নোট নিয়ে সংশয় তৈরি হওয়ায় স্বাভাবিক ভাবেই অস্বস্তিতে বিজেপি।   

    কোনও আগাম সূচনা ছাড়াই ২০১৬-র ৮ নভেম্বর প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা করেন, মধ্যরাত থেকে ৫০০ ও ১০০০ টাকার পুরনো নোট বন্ধ হচ্ছে। এরপর ৫০০ ও ১০০০ টাকা দিয়ে কোনও লেনদেন করা যাবে না, ঘোষণা করেন তিনি। সঙ্গে জানান, বদলে বাজারে শীঘ্রই আসতে চলেছে ৫০০ ও ২০০০ টাকার নতুন নোট। তাঁর যুক্তি ছিল, কালো টাকা, দুর্নীতি এবং জালনোট রোধে এই পদক্ষেপ নিতে হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, কিন্তু যাঁদের কাছে পুরনো ৫০০ ও ১০০০ টাকার নোট রয়েছে, তাঁরা কী করবেন? উপায়ও বাতলে দিয়েছিলেন মোদি। জানিয়েছিলেন, ওই বছরের ১০ নভেম্বর থেকে ৩০ ডিসেম্বর পর্যন্ত পুরনো নোট ব্যাঙ্কে জমা করা যাবে। কেন্দ্রের এই আচমকা সিদ্ধান্তের বিপুল সমালোচনা শুরু করে বিরোধী শিবির। পথে নামার হুঁশিয়ারি দেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কলকাতার রিজার্ভ ব্যাঙ্কেও যান তিনি। ছ’বছর পরও সমালোচনার কেন্দ্রে প্রধানমন্ত্রীর এই সিদ্ধান্ত। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Bengaluru: রাত ১১টার পর রাস্তায় ঘোরা ‘বেআইনি’! দম্পতিকে ৩০০০ টাকা জরিমানা বেঙ্গালুরু পুলিশের

    Bengaluru: রাত ১১টার পর রাস্তায় ঘোরা ‘বেআইনি’! দম্পতিকে ৩০০০ টাকা জরিমানা বেঙ্গালুরু পুলিশের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাত ১১ টার পর বাইরে থাকা ‘অপরাধ’। এটি ‘আইন-বিরুদ্ধ’ কাজ। ফলে এর জন্য দিতে হবে ৩০০০ টাকা জরিমানা। এমন আইন কখনও শুনেছেন আপনি? কিন্তু এমনটাই ঘটেছে বেঙ্গালুরুতে। এমনই এক ভয়াবহ অভিজ্ঞতার কথা সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করলেন বেঙ্গালুরু এক যুবক। রাত্রিবেলা স্ত্রীর সঙ্গে একটি অনুষ্ঠান থেকে নিজের বাড়িতে ফিরছিলেন বেঙ্গালুরুর (Bengaluru) বাসিন্দা এক যুবক। কিন্তু রাতে নাকি এইভাবে হেঁটে বেড়ানোর ‘অনুমতি নেই।’ এমন আশ্চর্য দাবি করেই ওই দম্পতির কাছ থেকে টাকা নেওয়ার অভিযোগ উঠল কয়েকজন পুলিশকর্মীর (police) বিরুদ্ধে। ইতিমধ্যেই ওই দুই অভিযুক্ত পুলিশকর্মীকে সাসপেন্ড করা হয়েছে।

    ঠিক কী ঘটেছিল?

    বেঙ্গালুরুর (Bengaluru) যুবকটির নাম কার্তিক পাত্রী। কার্তিক জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১২ টা নাগাদ বেঙ্গালুরু পুলিশের হয়রানির শিকার হয়েছেন তিনি ও তাঁর স্ত্রী। জন্মদিনের অনুষ্ঠান থেকে বাড়ি ফিরছিলেন। বাড়ির প্রায় কাছেই পথ আটকায় দুই পুলিশ আধিকারিক। তাঁদের জানায়, রাত ১১ টার পরে বাড়ির বাইরে থাকা একপ্রকার ‘আইন লঙ্ঘন’। এরপর তাঁদের কাছে প্রথমে পরিচয় পত্র দেখতে চান ওই আধিকারিকরা। ফোনে আধার কার্ডের ছবি দেখাতেই ৩০০০ টাকা জরিমানা করেন বলে অভিযোগ জানান ওই দম্পতি।

    তিনি আরও জানিয়েছেন, তাঁদের কাছে পরিচয়পত্র দেখতে চাইলে তিনি বুঝতে পারেন না, প্রাপ্তবয়স্ক দম্পতি রাত্রে রাস্তায় হাঁটলে পরিচয় পত্র দেখাতে হবে কেন। এরপরেই ওই পুলিশকর্মীরা একটি চালান বই বের করে কার্তিক ও তাঁর স্ত্রীর নাম এবং আধার কার্ডের নম্বর তাতে লিখতে শুরু করেন। বিপদ বুঝতে পেরে তাঁদের প্রশ্ন করেন কার্তিক, ‘কেন আমাদের নামে চালান কাটছেন?’

    উত্তরে ওই পুলিশকর্মীরা জানায়, রাত ১১টার পর নাকি রাস্তায় ঘুরে বেড়ানো নিষেধ। বিষয়টি নিয়ে যথেষ্ট সন্দেহ থাকলেও ঝামেলা বাড়াননি দম্পতি। কিন্তু ওই পুলিশকর্মীরা তাদের ফোনগুলি বাজেয়াপ্ত করে নেয়। এরপর আইন না জানার জন্য ক্ষমা চান কার্তিক ও তাঁর স্ত্রী। কিন্তু ওই পুলিশকর্মীরা বলে, এর জন্য ৩ হাজার টাকা জরিমানা দিতে হবে। তাঁরা কাকুতিমিনুতি করলেও কোনও কাজে দেয়নি। এমনকি পুলিশ তাঁদের গ্রেফতার করারও হুমকি দেয়। পরে তাঁর স্ত্রী কাঁদতে শুরু করলে এক পুলিশকর্মী কার্তিককে বলে, ঝামেলা না বাড়িয়ে মাত্র ১ হাজার টাকা পেটিএমের সাহায্যে দিয়ে দিতে। এরপরে সেই টাকা দিয়ে দেওয়ার পর তাঁদের ছেড়ে দেয় পুলিশ।

    এরপর বাড়ি আসার পর পুরো ঘটনাটি ট্যুইট করে বেঙ্গালুরু সিটির পুলিশ কমিশনারকে জানান কার্তিক। এরপরেই অবিলম্বে পদক্ষেপ নেয় পুলিশ। ইতিমধ্যে সাসপেন্ড করা হয়েছে সামপিগহল্লি থানার একজন হেড কনস্টেবল এবং অন্য এক কনস্টেবলকে। ঘটনাটি নজরে আনার জন্য কার্তিককে ধন্যবাদও জানিয়েছে বেঙ্গালুরু (Bengaluru) সিটি পুলিশ।

  • Indo China Clash: চিনা ড্রোনের আনাগোনা রুখতে ভারত আগেই উড়িয়েছিল যুদ্ধবিমান!

    Indo China Clash: চিনা ড্রোনের আনাগোনা রুখতে ভারত আগেই উড়িয়েছিল যুদ্ধবিমান!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ডিসেম্বরের ৯ তারিখে অরুণাচল প্রদেশের (Arunachal Pradesh) তাওয়াং (Twang) সেক্টরে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখায় সংঘাত বাঁধে চিন ও ভারতীয় সেনার (Indo China Clash) মধ্যে। সূত্রের খবর, চিন যাতে ভারতীয় আকাশসীমা লঙ্ঘন করতে না পারে, তাই নজরদারি চালাতে ভারতীয় বায়ুসেনার তরফে অরুণাচল প্রদেশে টহল দিচ্ছে বিমান। অবশ্য সংঘাত শুরুর আগে থেকেই আকাশে ওড়ানো হয়েছিল যুদ্ধবিমান। প্রতিরক্ষামন্ত্রকের এক সূত্র বলছে, গত কয়েক সপ্তাহে দু তিনবার আমাদের যুদ্ধবিমান ওড়ানো হয়েছিল। কারণ প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর আমাদের ছাউনির দিকে এগিয়ে আসছিল চিনা ড্রোন। চিনা ড্রোন যাতে আকাশসীমা লঙ্ঘন করতে না পারে, সেজন্য ওড়ানো হয়েছিল সুখোই ৩০ এমকেআই। প্রসঙ্গত, এক সপ্তাহ আগে পিএলএল-র তিনশো সেনা জওয়ান প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা অতিক্রম করে। তার পরেই সরাসরি সংঘাতে জড়িয়ে পড়ে দুই দেশের সেনা।

    চিনের ড্রোনের গতিবিধি…

    জানা গিয়েছে, উত্তর-পূর্ব ভারতে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর চিনের ড্রোনের গতিবিধির ওপর লাগাতার নজর রেখে যাচ্ছে ভারতীয় বায়ুসেনা। সূত্র উদ্ধৃত করে এএনআই জানিয়েছে, যদি প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখার সমান্তরালে কোনও ড্রোন ওড়ে, তাহলে ভারতের কোনও আপত্তি নেই। কোনও ড্রোন ভারতীয় ভূখণ্ডের দিকে এগিয়ে আসছে বলে র‌্যাডারে ধরা পড়লেই বায়ুসেনা পদক্ষেপ করে।

    আরও পড়ুন: চিনকে যোগ্য জবাব দিয়েছে ভারতীয় সেনা, বললেন রাজনাথ

    সূত্রের খবর, অরুণাচল প্রদেশে চিন যাতে কোনওভাবে আকাশসীমা লঙ্ঘন করতে না পারে, তাই সাম্প্রতিককালে এক সপ্তাহে দু থেকে তিনবার টহল দিতে হবে ফাইটার জেটগুলিকে। ভারতীয় বায়ুসেনা অরুণাচল প্রদেশের প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখার কাছে সম্প্রতি চিনা বিমানের কার্যকলাপ শনাক্ত করেছে। তাই বাড়তি সতর্কতা নিয়ে অরুণাচল প্রদেশের আকাশসীমায় টহল দিচ্ছে ভারতীয় বায়ুসেনার ফাইটার জেটগুলি।

    আরও পড়ুন: তাওয়াং সীমান্তে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা লঙ্ঘন করল চিন! জবাব ভারতীয় সেনার

    এদিকে, চিন সীমান্তের বিষয়টি মাথায় রেখে উত্তরপূর্ব ভারতে বায়ুসেনার যথেষ্ট শক্তি বাড়িয়েছে। অসমের তেজপুর, ছাবুয়া-সহ একাধিক জায়গায় সুখোই ৩০ যুদ্ধবিমানের একাধিক স্কোয়াড্রন মোতায়েন করে রাখা হয়েছে। সেই সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গের হাসিমারায় একাধিক রাফাল যুদ্ধ বিমান মোতায়েন করা হয়েছে। যা ভারত-চিন সীমান্তের কাছেই অবস্থিত। ফলে প্রয়োজন হলে হাসিমারা থেকে রাফাল ওড়ানো হতে পারে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Rajnath Singh: চিনকে যোগ্য জবাব দিয়েছে ভারতীয় সেনা, বললেন রাজনাথ

    Rajnath Singh: চিনকে যোগ্য জবাব দিয়েছে ভারতীয় সেনা, বললেন রাজনাথ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যতদিন বিজেপি সরকার ক্ষমতায় রয়েছে, ততদিন দেশের এক ইঞ্চি জায়গাও কেউ দখল করতে পারবে না। তাওয়াঙে (Tawang) ভারত-চিন সংঘর্ষ (Indo China Clash) নিয়ে বিরোধীদের আক্রমণের মুখে এমনই মন্তব্য করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। এদিন ভারতীয় সেনার অবদানকে কুর্নিশও জানান কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, ৮-৯ ডিসেম্বর মধ্যরাতে অরুণাচল প্রদেশে ভারতীয় সেনাবাহিনী যে বীরত্ব দেখিয়েছে, তাকে স্যালুট জানাই। চিনকে যোগ্য জবাব দিয়েছে ভারতীয় সেনা, বললেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং।

    চিনা আগ্রাসন…

    এদিকে, অরুণাচল প্রদেশে চিনা আগ্রাসনের অভিযোগ তুলে কেন্দ্রকে যে নিশানা করেছেন বিরোধীরা, এদিন তার জবাব দিয়েছেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং (Rajnath Singh)। তাঁর দাবি, ভারতীয় জওয়ানরা চিনকে যোগ্য জবাব দিয়েছে। তাদের নিজেদের পোস্টেও ফেরত পাঠিয়ে দিয়েছে। প্রতিরক্ষামন্ত্রী সংসদে বলেন, অরুণাচল প্রদেশের তাওয়াংয়ের ঘটনা সম্পর্কে আপনাদের জানাতে চাই। ৯ ডিসেম্বর, ২০২২-এ পিএলএ সৈন্যরা সীমান্তে স্থিতাবস্থা পরিবর্তনের চেষ্টা করে। আমাদের সেনাবাহিনী দৃঢ়তার সঙ্গে তার মোকাবিলা করে। দু পক্ষের মধ্যে হাতাহাতিও হয়। আমাদের জওয়ানরা চিনা সেনাদের বাধা দেয় এবং তাদের পোস্টে ফেরত পাঠায়। তিনি বলেন, আমাদের সেনাবাহিনীর কোনও জওয়ান নিহত বা আহত হয়নি। প্রতিরক্ষামন্ত্রী জানান, এই ঘটনার পর স্থানীয় কমান্ডার ১১ ডিসেম্বর চিনের সেনা কমান্ডারদের সঙ্গে বৈঠক করেন এবং ঘটনাটি নিয়ে আলোচনাও করেন। চিনকে সীমান্তে শান্তি বজায় রাখতে বলা হয়েছে।

    আরও পড়ুন: তাওয়াং সীমান্তে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা লঙ্ঘন করল চিন! জবাব ভারতীয় সেনার

    এদিকে, তাওয়াঙে ভারত-চিন সংঘর্ষের প্রেক্ষিতে চিফ অফ ডিফেন্স স্টাফ জেনারেল অনিল চৌহানের সঙ্গে বৈঠক করেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী (Rajnath Singh)। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন তিন বাহিনীর প্রধানরাও। প্রতিরক্ষা মন্ত্রক সূত্রে খবর, উভয় পক্ষের সংঘর্ষ নিয়ে খবর নেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী। সূত্রের খবর, অরুণাচল প্রদেশের তাওয়াঙ সেক্টরে গত ৯ ডিসেম্বর উভয় পক্ষের সংঘর্ষে চিনা বাহিনীকে কড়া জবাব দিয়েছে ভারত। সংঘর্ষে ভারতীয় জওয়ানদের থেকে চিনা জওয়ানদের জখম হওয়ার সংখ্যা বেশি।

    প্রসঙ্গত, ২০২০ সালের ১৫ জুন গালওয়ানেও সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েছিল চিনা সেনা ও ভারতীয় বাহিনী। ওই সংঘর্ষে ২০ জন ভারতীয় সেনার মৃত্যু হয়। ২০২১ সালের অক্টোবর মাসেও ওই একই এলাকায় ঢুকে পড়েছিল প্রচুর চিনা সেনা। সেই সময়ও দু পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছিল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Ashwini Vaishnaw: ‘১ লাখ ২৫ হাজার কোটি কালো টাকা উদ্ধার করেছে কেন্দ্র’, দাবি অশ্বিনী বৈষ্ণবের

    Ashwini Vaishnaw: ‘১ লাখ ২৫ হাজার কোটি কালো টাকা উদ্ধার করেছে কেন্দ্র’, দাবি অশ্বিনী বৈষ্ণবের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রীয় সরকার এ পর্যন্ত ১ লাখ ২৫ হাজার কোটি কালো টাকা (Black Money) উদ্ধার করেছে। সোমবার এমনই দাবি করলেন রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব (Ashwini Vaishnaw)। এদিন এক সাক্ষাৎকারে কেন্দ্রীয় এই মন্ত্রী বলেন, দুর্নীতি রুখতে কড়া পদক্ষেপ করছে কেন্দ্র। এর পরেই তিনি বলেন, এখনও পর্যন্ত ১ লাখ ২৫ কোটি কালো টাকা উদ্ধার হয়েছে। ক্রোক করা হয়েছে ৪৬ হাজার কোটি মূল্যের আয়ের সঙ্গে সঙ্গতিহীন সম্পত্তি। অশ্বিনী বৈষ্ণবের দাবি, মোদি সরকারের নেতৃত্বে কল্যাণমূলক কেন্দ্রীয় প্রকল্পে প্রাপ্য টাকার পুরোটাই পাচ্ছেন দেশের দরিদ্র মানুষরা। ডিজিটাল অর্থনীতির সাহায্যে বিভিন্ন স্তরে রোধ করা গিয়েছে দুর্নীতি। কংগ্রেস জমানার কয়লা, স্পেকট্রামের মতো দুর্নীতির পথও বন্ধ হয়েছে বলে দাবি তাঁর।

    রাজীব গান্ধীর প্রসঙ্গও…

    এদিন প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী রাজীব গান্ধীর প্রসঙ্গও টানেন এই বিজেপি নেতা। নাম না করে নিশানা করেন কংগ্রেসকে। বলেন, প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী রাজীব গান্ধী বলেছিলেন, দরিদ্রদের কল্যাণের জন্য বরাদ্দ এক টাকার মধ্যে মাত্র ১৫ পয়সা তাঁদের কাছে পৌঁছায়। অশ্বিনী বৈষ্ণব বলেন, আর এখন প্রকল্পের একশো শতাংশ অর্থ সরাসরি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে সাধারণ মানুষ পাচ্ছেন। এর ফলে আমজনতার সঞ্চয় বাড়ছে।

    কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব (Ashwini Vaishnaw) বলেন, প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী রাজীব গান্ধী বলেছিলেন ৮৫ শতাংশ সরকারি প্রকল্প মানুষের কাছে পৌঁছায় না। কিন্তু বর্তমানে ২৬ লাখ কোটি টাকা সরাসরি আমজনতার অ্যাকাউন্টে স্থানান্তরিত হয়েছে। সঞ্চয় হয়েছে প্রায় ২ লাখ ২৫ কোটি টাকা। জনধন অ্যাকাউন্টের মতো প্রকল্পে আমজনতার সুবিধার কথাও উল্লেখ করেন তিনি।

    আরও পড়ুন: প্রতি মাসে ১৫ থেকে ১৬ লাখ চাকরির আশ্বাস কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণবের

    এদিন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) ভূয়সী প্রশংসা করেন অশ্বিনী বৈষ্ণব। প্রধানমন্ত্রী দেশে সুশাসন মডেল চালু করেছেন বলে দাবি তাঁর। অশ্বিনী (Ashwini Vaishnaw) বলেন, শর্টকাট রাজনীতির দিকে না গিয়ে সুশাসনের পথে দেশকে নিয়ে যেতে হবে। এই দৃষ্টিভঙ্গী নিয়েই চলছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, দেশকে সুশাসনের লক্ষ্যে নিয়ে যাওয়ার অন্যতম পথ হল ডিজিটাল লেনদেন। তাঁর দাবি, ২০১৪ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত স্পেকট্রাম নিলামে পুরানো দুর্নীতির মুখে কেন্দ্র লাভ করেছে ৪.৫ কোটি টাকা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

     

  • Delhi Liquor Scam: দিল্লি মদ কেলেঙ্কারিতে সিবিআইয়ের জেরার মুখে কেসিআর কন্যা কে কবিতা

    Delhi Liquor Scam: দিল্লি মদ কেলেঙ্কারিতে সিবিআইয়ের জেরার মুখে কেসিআর কন্যা কে কবিতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লি মদ কেলেঙ্কারি মামলায় (Delhi Liquor Scam) সিবিআই জেরার মুখে পড়ে তেলঙ্গানা মুখ্যমন্ত্রী কেসিআর-এর কন্যা কে কবিতা। গতকাল, রবিবার বেলা ১১ টা নাগাদ হায়দ্রাবাদে কবিতার বানজারা হিলসের বাসভবনে সিবিআই গিয়ে পৌঁছয় ও টানা ৭ ঘণ্টা ধরে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় তাঁকে। গতকালের জেরা পর্ব ঘিরে বাড়ির সামনে মোতায়েন করা হয় বিশাল পুলিশ বাহিনী। কেসিআর কন্যার বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে যে, তিনি দিল্লি মদ কেলেঙ্কারিতে যুক্ত রয়েছেন ও এই মামলায় কবিতা প্রায় ১০০ কোটি টাকা দিয়েছে আম আদমি পার্টি-কে। সূত্রের খবর, গতকাল তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করার সময়ে তাঁর বয়ান রেকর্ড করা হয়েছে।

    সিবিআই জেরার মুখে কে কবিতা…

    দিল্লি মদ কেলেঙ্কারিতে (Delhi Liquor Scam) কবিতার নাম উঠে এসেছে গত ৩০ নভেম্বর। এরপরেই ১১ ডিসেম্বর তাঁকে জেরা করা হবে বলে নোটিশ পাঠিয়েছিল সিবিআই। আর এর উত্তরে কবিতাও জানিয়েছিলেন যে, ১১ ডিসেম্বর তিনি তাঁর বাড়িতে থাকবেন ও দিল্লি আবগারি মামলার তদন্তে সহযোগিতা করবেন। অবশেষে গতকাল, তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে তাঁর বাসভবনে পৌঁছে যায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। সিবিআই সূত্রে খবর, কবিতাকে কিছু তথ্যের পাশাপাশি তাঁর মোবাইল ফোনও জমা দিতে বলেছে সিবিআই। টিআরএস সূত্রের খবর, টিআরএস শীর্ষ নেতৃত্বের পক্ষ থেকে দলীয় কর্মীদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল, অযথা বাসভবনের বাইরে ভিড় না করার জন্য। দলের তরফেও সিবিআইকে এই মামলায় সব রকমের সাহায্যের আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল।

    আরও পড়ুন: দিল্লির আবগারি কেলেঙ্কারি মামলায় উঠে এল কেসিআরের মেয়ে কে কবিতার নাম

    অন্যদিকে এই মামলায় (Delhi Liquor Scam) কবিতার বিরুদ্ধে ইডিও তদন্ত করছে। তাই ইডি সূত্রে জানা গিয়েছে, কবিতা তাঁর মোবাইল ফোন একাধিক বার পরিবর্তন করেছেন। অন্যদিকে, জেরার একদিন আগেই শনিবার তাঁর বাড়ির চারপাশে কবিতার সমর্থনে পোস্টার ছেয়ে যায়। তেলঙ্গানা রাষ্ট্র সমিতি বা টিআরএস-এর কর্মী-সমর্থকরা তাঁর ছবি নিয়ে স্লোগান দিয়ে মিছিল করে। পোস্টারে লেখা রয়েছে, “এক যোদ্ধার মেয়ে কখনও ভয় পাবে না। আমরা কবিতার সঙ্গে রয়েছি।”

    মামলাটি কী?

    দিল্লির আবগারি দুর্নীতির মামলায় ইডি দিল্লি আদালতে রিপোর্ট পেশ করে। সেখানে কে কবিতার নাম উঠে আসে। এই মামলায় অন্যতম অভিযুক্ত হলেন অমিত অরোরা। ফলে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে ও তাঁর বক্তব্যের ভিত্তিতেই কেন্দ্রীয় সংস্থা ইডি দাবি করেছে যে, কেসিআরের মেয়ে কে কবিতা “সাউথ গ্রুপ” এর একজন বিশিষ্ট সদস্য ছিলেন ও তিনি অন্য এক ধৃত ব্যবসায়ী বিজয় নায়ারের মাধ্যমে দিল্লির ক্ষমতাসীন আম আদমি পার্টির (এএপি) নেতাদের অন্তত ১০০ কোটি টাকা দিয়েছিলেন। এখনও পর্যন্ত কবিতা সহ মদ কেলেঙ্কারিতে সাত অভিযুক্তের নাম উঠে এসেছে। এর মধ্যে দিল্লির ডেপুটি সিএম মণীশ সিসোদিয়ার ঘনিষ্ঠ সহযোগী, বিজয় নায়ার এবং হায়দ্রাবাদের ব্যবসায়ী অভিষেক বোয়নাপল্লির নাম রয়েছে।

  • Gujarat: সুর বদল গুজরাটের আপ বিধায়কের! বিজেপিতে যোগ দিতে চলেছেন ভূপত ভায়ানি?

    Gujarat: সুর বদল গুজরাটের আপ বিধায়কের! বিজেপিতে যোগ দিতে চলেছেন ভূপত ভায়ানি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গুজরাটে (Gujarat) বড় ধাক্কা খেতে পারে আম আদমি পার্টি! গুজরাট বিধানসভায় (Gujarat Assembly Elections 2022) প্রথমবার খাতা খুলেছে আম আদমি পার্টি (AAM Admi Party)। নরেন্দ্র মোদির রাজ্যে ব্যাপক প্রচার করেও আপ জেতে মাত্র ৫টি আসনে। তবে এতেও স্বস্তি নেই। কারণ সূত্রের খবর মারফত জানা গিয়েছে, আপের জয়ী পাঁচ বিধায়কই এখন বিজেপিতে যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন। এদের মধ্যে যাঁর নাম বেশি শোনা যাচ্ছে তিনি হলেন গুজরাটের (Gujarat) ভিসাভাদারের আপ বিধায়ক ভূপত ভায়ানি। ফলে গুজরাট বিধানসভা নির্বাচনের ফলপ্রকাশের ৭২ ঘণ্টা না পেরোতেই শুরু হয়ে গিয়েছে দল বদলের খেলা।

    সংবাদমাধ্যমে কী বলতে শোনা গেল আপ বিধায়ককে?

    সদ্য নির্বাচিত আপ বিধায়ক ভূপত ভায়ানি সংবাদমাধ্যমে বললেন, “আমি বিজেপিতে যোগদান করিনি… আমি জনগণকে জিজ্ঞাসা করব আমার বিজেপিতে যোগ দেওয়া উচিত কি না।” এদিন তিনি আরও জানান, তাঁর নির্বাচনী এলাকার মানুষ, তাঁর সমর্থক এবং কৃষকদের সঙ্গে দেখা করার পরে বিজেপিতে যোগ দেওয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন। তিনি বলেন, “আমার এলাকার সমস্যাগুলো যাতে সমাধান করতে পারি সেজন্য সরকারে যোগ দিতে চাই। সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ না থাকলে কাজ করব কিভাবে?”

    আরও পড়ুন: হিমাচলে মুখ্যমন্ত্রী পদে সুখবিন্দর সিং সুখুর নাম চূড়ান্ত, তিনি কে জানেন?

    ভূপত প্রশংসা করলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি ও আরএসএস-এর

    গুজরাট (Gujarat) নির্বাচেনর ফলাফলের পরেই সুর বদল আপ বিধায়কের! প্রধানমন্ত্রী মোদির প্রশংসা করে ভূপত ভায়ানি বলেন, “আমি নরেন্দ্র মোদিকে পছন্দ করি। তিনি দেশের অহংকার। সমস্ত গুজরাটিরা প্রধানমন্ত্রী মোদিকে নিয়ে গর্বিত। আমিও গর্বিত।” গুজরাট নির্বাচনে বিজেপির জয় নিয়ে তিনি বলেছেন যে, “আমি এই আদেশকে সম্মান করি, এটি একটি ঐতিহাসিক ম্যান্ডেট। আগে আমি বিজেপিতেই ছিলাম আর বিজেপি আমার পরিবার। তবে এখন পর্যন্ত আমি আপে আছি, বিজেপিতে যোগ দেইনি।”

    ভিসাভাদার আসন থেকে নির্বাচিত বিধায়ক

    ভূপত ভায়ানি সম্প্রতি শেষ হওয়া রাজ্য (Gujarat) বিধানসভা নির্বাচনে জুনাগড় জেলার ভিসাভাদার আসনে বিজেপি প্রার্থীকে পরাজিত করেছেন। ভায়ানি বিজেপিতে যোগ দিলে রাজ্য বিধানসভায় বিজেপির শক্তি বেড়ে দাঁড়াবে ১৫৭। আরও চার জন আপ বিধায়ক বিজেপির সঙ্গে যোগাযোগ করছেন বলে জানা গেছে।

    ফলে জুনাগড়ের ভিসাভাদার থেকে নির্বাচিত আপ বিধায়ক ভূপত ভায়ানির দলবদল নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে। অন্যদিকে নির্বাচনী প্রচারে আপ নিজেদের বিজেপির একমাত্র প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে তুলে ধরেছিল। নির্বাচনের ফলে খুশি আপ। তারা বলছে, এটি কেজরিওয়ালের সৎ রাজনীতির জয়। আপ জানিয়েছে, আগামী বছর তারা ছত্তিশগড়, কর্ণাটক, রাজস্থান এবং মধ্যপ্রদেশের বিধানসভা নির্বাচনে বেশিরভাগ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার পরিকল্পনা করেছে। কিন্তু তার আগেই গুজরাটের (Gujarat) নব-নির্বাচিত আপ বিধায়কদের দলবদলের জল্পনায় অস্বস্তি বাড়ল আম আদমি পার্টির।

  • Congress Leader Arrested: ‘মোদিকে খুন করতে প্রস্তুত হোন’, মন্তব্যের জেরে গ্রেফতার কংগ্রেস নেতা

    Congress Leader Arrested: ‘মোদিকে খুন করতে প্রস্তুত হোন’, মন্তব্যের জেরে গ্রেফতার কংগ্রেস নেতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘মোদিকে (PM Modi) খুন করতে প্রস্তুত হোন’ মন্তব্যের জেরে গ্রেফতার মধ্যপ্রদেশের কংগ্রেস নেতা (Congress Leader Arrested) রাজা পাতেরিয়া। মঙ্গলবার ভোর সাড়ে পাঁচটা নাগাদ গ্রেফতার করা হয় তাঁকে। মধ্যপ্রদেশের দামো জেলার হাতার বাড়ি থেকে গ্রেফতার করা হয় ওই কংগ্রেস নেতাকে। রাজা পাতেরিয়াকে তাঁর বাড়ি থেকে পুলিশের জিপে তোলার ভিডিও প্রকাশ্যে এসেছে। প্রসঙ্গত, সোমবার একটি জনসভায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করেন এই কংগ্রেস (Congress) নেতা। তাঁর সেই বার্তা ভাইরাল হয় সোশ্যাল মিডিয়ায়। এর পরেই কংগ্রেসের প্রাক্তন মন্ত্রী পাতেরিয়ার বিরুদ্ধে দায়ের হয় এফআইআর। পরে করা হয় গ্রেফতার।

    রাজা পাতেরিয়া উবাচ…

    ভাইরাল হওয়া ভিডিওয় দেখা যাচ্ছে, মধ্যপ্রদেশের প্রাক্তন মন্ত্রী রাজা পাতেরিয়া বলছেন, মোদি নির্বাচনকে শেষ করে দেবেন। ধর্ম, বর্ণ, ভাষার ভিত্তিতে বিভাজন করবেন মোদি। দলিত, আদিবাসী, সংখ্যালঘুদের জীবন বিপন্ন। সংবিধান বাঁচাতে হবে মোদিকে হত্যা করতে প্রস্তুত হোন। এর পরেই এই কংগ্রেস নেতা বলেন, মোদিকে হত্যা করতে আপনারা তৈরি থাকুন। তাঁকে নির্বাচনে পরাস্ত করার অর্থে হত্যা করার কথা বলছি। মধ্যপ্রদেশের এই প্রাক্তন মন্ত্রীর এহেন সংলাপ প্রকাশ্যে আসতেই পুলিশে অভিযোগ দায়ের করে মধ্যপ্রদেশ সরকার। পান্না জেলার পাওয়ি থানায় দায়ের হয় অভিযোগ। মঙ্গলবার কাকভোরে গ্রেফতার করা হয় প্রাক্তন মন্ত্রীকে (Congress Leader Arrested)।

    আরও পড়ুন: গুজরাতসহ গোটা দেশকে ধ্বংস করেছে কংগ্রেস, প্রচার মঞ্চ থেকে নরেন্দ্র মোদি

    মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহান নিশানা করেন রাহুল গান্ধীকে। তিনি বলেন, যাঁরা ভারত জোড় যাত্রার ভান করছেন, তাঁদের প্রকৃত মুখটা বেরিয়ে আসছে। তিনি বলেন, এরকম মন্তব্য করা গুরুতর অপরাধ। এটা কংগ্রেসের নীতি কিনা, সে ব্যাপারে রাহুল গান্ধীর জবাব দেওয়া উচিত। তিনি বলেন, এর ফল বিপজ্জনক হতে পারে। এটা ক্ষমার অযোগ্য অপরাধ। বিবৃতি জারি করে মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী বলেন, কংগ্রেস লড়াইয়ের ময়দানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে এঁটে উঠতে পারছে না। তাই তারা প্রধানমন্ত্রীকে হত্যার কথা বলছে। এটা ঘৃণার প্রকাশ। তিনি বলেন, কংগ্রেসের প্রকৃত সত্তা বেরিয়ে আসছে। আইন ব্যবস্থা নেবে। মধ্যপ্রদেশের মন্ত্রী বিজেপির নরোত্তম মিশ্র বলেন, মাহাত্মা গান্ধীর আদর্শ ভুলে কংগ্রেস ইটালির ফ্যাসিস্ট নেতা মুসোলিনির পথে চলছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

     

  • Mohan Bhagwat: প্রতিটি গ্রামে রাষ্ট্রীয় স্বয়ং সেবক সঙ্ঘের একটি করে শাখা থাকা উচিত, দাবি ভাগবতের

    Mohan Bhagwat: প্রতিটি গ্রামে রাষ্ট্রীয় স্বয়ং সেবক সঙ্ঘের একটি করে শাখা থাকা উচিত, দাবি ভাগবতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের প্রতিটি গ্রামে রাষ্ট্রীয় স্বয়ং সেবক সঙ্ঘের একটি করে শাখা থাকা উচিত। প্রত্যন্ত গ্রামও যেন সংগঠনের আওতায় থাকে। সম্প্রতি একটি অনুষ্ঠানে একথা বললেন রাষ্ট্রীয় স্বয়ং সেবক সঙ্ঘের প্রধান (RSS) মোহন ভাগবত। সংগঠনের প্রতিটি সদস্যকে দেশের উন্নতির জন্য কাজ করতে হবে, বলেও জানান তিনি।

    কী বললেন সঙ্ঘ প্রধান

    অসম ইউনিটের কর্মী শিবিরের সমাপ্তি অনুষ্ঠানে ভাষণ দিতে গিয়ে রবিবার সঙ্ঘ প্রধান মোহন ভাগবত বলেন,  “সমস্ত ভেদাভেদ ভুলে, জাতি-ধর্মের পার্থক্য না করে সকল মানুষের জন্য কাজ করতে হবে। মানুষকে অগ্রাধিকার দিতে হবে। এটিই হিন্দুত্বের মূল মন্ত্র। সমগ্র সমাজের জন্য কাজ করতে গেলে সঙ্ঘ সেবকদের সামনে থেকে নেতৃত্ব দিতে হবে। তাই দেশের প্রতিটি গ্রামে সংগঠনের একটি শাখা থাকা উচিত, বলে জানান মোহন ভাগবত।”

    আরও পড়ুন: বর্ণ ও জাতিভেদ প্রথা লুপ্ত হোক, চান আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবত

    আরএসএস-এর অসম ইউনিটের তিনদিনের রুদ্ধদ্বার শিবিরের শেষে ভাগবত বলেন, “ভারতের গর্ব এবং ঐতিহ্যের প্রতি পূর্ণ আস্থা রেখে সঙ্ঘ সেবকদের কাজ করতে হবে। দেশের আদর্শ হল বৈচিত্র্যের মধ্যে ঐক্য। তাই এই ঐক্যের কথা মাথায় রেখে দেশের সকল নাগরিকদের জন্য জাতির কল্যাণে অক্লান্ত পরিশ্রম করতে হবে। আমাদের জাতির জন্য সবকিছু করতে প্রস্তুত থাকতে হবে। ডাঃ কেশব বলিরাম হেডগেওয়ার ১৯২৫ সালে মানব সম্পদ বিকাশের লক্ষ্যে আরএসএস প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। আমাদের মতামতের পার্থক্য থাকতে পারে কিন্তু মনের নয়।” প্রসঙ্গত, ১৯২৫ সালেই আরএসএস প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। মোহন ভাগবত আগেও বলেছিলেন, ভারতীয়রা এক। এখানে যাঁরা বসবাস করেন তাঁরা সবাই হিন্দু বলে জানান তিনি। যাঁরা ভারতকে তাদের ‘মাতৃভূমি’ বলে মনে করে এবং বৈচিত্র্যের মধ্যে ঐক্যের সংস্কৃতি নিয়ে বাঁচতে চায় এবং ধর্ম, সংস্কৃতি, ভাষা, খাদ্যাভ্যাস এবং আদর্শ যাই হোক না কেন, এই পথে এগোনোর চেষ্টা করেন, তারা সকলেই হিন্দু, বলে ঘোষণা করেছিলেন ভাগবত।

    আরও পড়ুন: সংখ্যালঘু-সংখ্যাগুরু বিভাজনে বিশ্বাস করে না আরএসএস, সাফ জানালেন প্রচার প্রমুখ

    মোহন ভাগবতের কথায়, আরএসএস তার শতবর্ষ উদযাপন করতে চলেছে। প্রতি বছর তরুণ প্রজন্মকে আকর্ষণ করে এই সংগঠন। নতুন নতুন সেবকরা দেশ গঠনের কাজে ব্রতী হয়। একটা দুর্বল সমাজ কখনও রাজনৈতিক স্বাধীনতার ফল ভোগ করতে পারে না। তাই সমাজকে শক্ত করতে হবে, বলে জানান ভাগবত।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Apple Stores: ভারতে অ্যাপেলের স্টোর? নেপথ্যে টাটা গ্রুপ

    Apple Stores: ভারতে অ্যাপেলের স্টোর? নেপথ্যে টাটা গ্রুপ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশজুড়ে অ্যাপেলের স্টোর (Apple Stores) খুলতে চলেছে টাটা গ্রুপের মালিকানাধীন সংস্থা ইনফিনিটি রিটেল। ভারত জুড়ে মোট ১০০টি রিটেল স্টোর খুলবে টাটা। আইফোন, ম্যাকবুক সহ সব ধরনের অ্যাপেল প্রোডাক্টের জন্যে বিভিন্ন দেশে রয়েছে অ্যাপেল স্টোর। অ্যাপেল স্টোরগুলিতে চলতে থাকে বিভিন্ন অফার। এই স্টোরগুলির ডিজাইনেও বিশেষত্ব রয়েছে। ইউরোপ-আমেরিকায় থাকলেও, এতদিন এরকম স্টোর ভারতে ছিল না। ঝাঁ চকচকে এই কাঁচের দোকানগুলি তৈরি করবে টাটাদের মালিকানাধীন ইনফিনিটি রিটেল। প্রসঙ্গত, এই মুহূর্তে ইনফিনিটি কোম্পানির ইলেকট্রনিক রিটেল চেন ক্রোমা পরিচালনা করে। 

    কী বলছে রিপোর্ট? 

    গত মাসে প্রকাশিত রিপোর্টে জানানো হয়েছিল, খুব তাড়াতাড়ি ভারতে আইফোন (Apple Stores) তৈরিতে গতি আনতে অ্যাপেলকে সাহায্য করতে পারে টাটারা। এই জন্য আইফোন উৎপাদন কেন্দ্রে বিপুল লগ্নি করেছে ভারতীয় সংস্থাটি।

    টাটা গ্রুপ ভারতে ৫,০০০ কোটি টাকা দিয়ে উইসট্রন- এর ম্যানুফ্যাকচারিং হাব কেনার চেষ্টা করছে। যারা ভারতে অ্যাপল প্রোডাক্ট (Apple Stores) তৈরির অন্যতম প্রধান ভেন্ডর। যদি টাটা গ্রুপের প্রস্তাব উইসট্রন ফিরিয়ে দেয় তবে তারা একসঙ্গে কাজ করতে পারে বলেও রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে। এমনকী ব্লুমবার্গের একটি প্রতিবেদনে বলা হয় যে, টাটা, উইসট্রনের সঙ্গে হাত মিলিয়ে ভারতে যৌথভাবে আইনফোন তৈরি করবে। তারা কোনও প্ল্যান্ট কেনার কথা ঘোষণা করেনি।

    আরও পড়ুন: “ভগবান থেকে শয়তান হয়ে গিয়েছি”, কেন এমন বললেন অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়?  

    উল্লেখ্য, ভারতে এই মুহূর্তে তিনটি বড় কোম্পানি আইফোন (Apple Stores) তৈরি করে। যারা হল, উইসট্রন, ফক্সকন ও পেগাট্রন। প্রথম কোম্পানিটির প্ল‌্যান্ট কর্ণাটকে এবং অন্য দুটির প্ল্যান্ট তামিলনাড়ুতে অবস্থিত।  

    যাইহোক, প্রতিটি রিপোর্ট থেকে একটি বিষয় স্পষ্ট যে, টাটা গ্রুপ অ্যাপলের (Apple Stores) সঙ্গে ব্যবসা করতে বদ্ধপরিকর। তাই তারা আইফোন অ্যাসেম্বেল প্ল্যান্ট তৈরি বা রিটেল স্টোরের মাধ্যমে এই প্রিমিয়াম ফোন বিক্রির চেষ্টা চালাচ্ছে। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

LinkedIn
Share