Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Narendra Modi: গোয়ায় নতুন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী, দেওয়া হল নতুন নাম

    Narendra Modi: গোয়ায় নতুন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী, দেওয়া হল নতুন নাম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রবিবার অর্থাৎ ১১ ডিসেম্বর গোয়া সফরে গিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। সন্ধ্যা নাগাদ তিনি পৌঁছে গোয়াবাসীকে এক ঝাঁ চকচকে বিমানবন্দর উপহার দিলেন। কর্মসূচি অনুযায়ী, এদিন উত্তর গোয়ার মোপায় এই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের প্রথম ধাপ উদ্বোধন করলেন তিনি। এদিন তাঁর উপস্থিতিতেই এই বিমান বন্দরের নামকরণও করা হল। গোয়ার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মনোহর পারিকরের নামে নামকরণ করা হয়েছে এই বিমানবন্দরের। প্রসঙ্গত, ২০১৯ সালে তাঁর মৃত্যু হয়। গোয়ার রাজধানী পানাজি থেকে মাত্র ৩৫ কিলোমিটার দূরে এই মনোহর পারিকর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর।

    মনোহর পারিকর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর

    এই বিমানবন্দর হবে গোয়ার দ্বিতীয় বিমানবন্দর। বিমানবন্দরের ভিত্তিপ্রস্তর প্রধানমন্ত্রী (Narendra Modi) ২০১৬ সালে স্থাপন করেছিলেন। ২৮৭০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই বিমানবন্দরটি পণ্য পরিষেবাগুলিও পূরণ করবে। যেখানে ডাবোলিম বিমানবন্দরটি ১৫টি অভ্যন্তরীণ এবং ৬টি আন্তর্জাতিক গন্তব্যে সরাসরি সংযোগ স্থাপন করে। সেখানে এই বিমানবন্দরের মাধ্যমে ৩৫টি অভ্যন্তরীণ এবং ১৮টি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের সঙ্গে যোগাযোগ হবে। ফলে মোপা বিমানবন্দরটি ডাবোলিম বিমানবন্দেরর চেয়ে বেশি উন্নত। সূত্রের খবর অনুযায়ী, এই বিমানবন্দরটি ৫ জানুয়ারী থেকে চালু হবে। বিমানবন্দরটি পর্যটনের ক্ষেত্রে অনেক সহায়ক হবে। এবং গোয়ার আর্থ-সামাজিক ক্ষেত্রকে আরও উন্নত করবে বলে জানানো হয়েছে।

    এছাড়াও জানা গিয়েছে, প্রথম পর্যায়ে বিমানবন্দরটি বছরে ৪৪ লাখ যাত্রী বহন করতে সক্ষম এবং প্রকল্পটি শেষ হলে বছরে এক কোটি যাত্রী চলাচল করতে পারবেন। ডাবোলিম বিমানবন্দরের বার্ষিক সাড়ে আট লক্ষ যাত্রীবহন ক্ষমতা রয়েছে। কিন্তু এতে পণ্য পরিবহনের সুবিধা নেই, অন্যদিকে নতুন বিমানবন্দরে পণ্য পরিবহনের সুবিধাও রয়েছে। সূত্রের খবর অনুযায়ী জানা গিয়েছে, বিমানবন্দরটি সবুজবান্ধব। এছাড়াও থ্রি-ডি মনোলিথিক প্রিকাস্ট প্রযুক্তি, ফাইভ-জির মত সেরা প্রযুক্তিতে তৈরি হয়েছে নতুন বিমানবন্দরটি। 

    এছাড়াও এদিন নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi) ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে গোয়ার আয়ুষ ইনস্টিটিউটের পাশাপাশি গাজিয়াবাদ ও দিল্লির আয়ুষ ইনস্টিটিউটের উদ্বোধন করেন। মহারাষ্ট্রে এদিন মোদি নাগপুর মেট্রোর প্রথম ধাপের উদ্বোধন করার পাশাপাশি নাগপুর মেট্রোর দ্বিতীয় ধাপের ভিত্তিপ্রস্তরও স্থাপন করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)।

  • Sukhvinder Singh Sukhu: হিমাচলে মুখ্যমন্ত্রী পদে সুখবিন্দর সিং সুখুর নাম চূড়ান্ত, তিনি কে জানেন?

    Sukhvinder Singh Sukhu: হিমাচলে মুখ্যমন্ত্রী পদে সুখবিন্দর সিং সুখুর নাম চূড়ান্ত, তিনি কে জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হিমাচল প্রদেশে (Himachal Pradesh) ক্ষমতায় এসেছে কংগ্রেস। ৬৮ আসন বিশিষ্ট এই বিধানসভায় ৪০টি আসনে জয়ী হয়েছেন ‘হাত’-প্রার্থীরা। তার পরেই মুখ্যমন্ত্রীর নাম চূড়ান্ত করতে বৈঠকে বসে কংগ্রেস (Congress)। ওই পদের জন্য একাধিক দাবিদার থাকলেও, শেষমেশ সিলমোহর পড়ে সুখবিন্দর সিং সুখুর (Sukhvinder Singh Sukhu) নামে। তাই তিনিই হচ্ছেন হিমাচল প্রদেশের পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী (CM)।

    সুখবিন্দর…

    গ্রামের এক সম্মানীয় পরিবারে জন্ম সুখবিন্দরের। বাবা ছিলেন বাসচালক। ছোটবেলায় সুখবিন্দর দুধের কাউন্টার চালাতেন। এর মধ্যেই পড়াশোনাও করতেন। এভাবে হন ল’ গ্র্যাজুয়েট। হিমাচল প্রদেশ বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময়ই রাজনীতির সংস্পর্শে আসেন তিনি। যোগ দেন কংগ্রেস অনুমোদিত ন্যাশনাল স্টুডেন্টস ইউনিয়ন অফ ইন্ডিয়ায়। পরে স্টুডেন্ট-বডির সভাপতিও হন। এক দশক ধরে তিনি হিমাচল প্রদেশ যুব কংগ্রেসের প্রধান ছিলেন। পরে হিমাচল প্রদেশ কংগ্রেসের প্রধান হন। ২০১৩ সাল থেকে টানা ছ বছর ওই পদে ছিলেন তিনি। ২০০৩ সালে সুখবিন্দর প্রথম নাদৌন কেন্দ্র থেকে জয়ী হয়ে বিধায়ক হন। ২০১২ সালে ওই কেন্দ্রেই হেরে যান তিনি। ফের জেতেন ২০১৭ সালে। চলতি বিধানসভা নির্বাচনেও জয়ী হয়েছেন তিনি।

    চারবারের বিধায়ক সুখবিন্দর (Sukhvinder Singh Sukhu)। দু বার তিনি জয়ী হয়েছিলেন শিমলা মিউনিসিপ্যাল ইলেকশনে। চল্লিশ বছরের রাজনৈতিক জীবনে সুখবিন্দর একাধিকবার ছ বারের মুখ্যমন্ত্রী প্রয়াত বীরভদ্র সিংয়ের সঙ্গে ঝগড়ায় জড়িয়েছেন। তবে গান্ধী পরিবারের বদান্যতায় প্রতিবারই বেরিয়ে এসেছেন সমস্যা থেকে। সুখবিন্দর কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীর ঘনিষ্ঠ। তিনিই প্রথম রাজনীতিবিদ যিনি নামনি হিমাচল প্রদেশ থেকে সোজা গিয়ে বসেছেন মুখ্যমন্ত্রীর তখতে।

    আরও পড়ুন: ‘ভারত জোড় যাত্রা’য় বেরিয়ে চায়ে মজে রাহুল, বাইরে ঠায় দাঁড়িয়ে ফার্ম হাউসের মালকিন

    জানা গিয়েছে, হিমাচলের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে সুখবিন্দরের নাম চূড়ান্ত হয়ে যাওয়ার পরেই কংগ্রেসের অন্দরে শুরু হয়েছে অশান্তি। প্রয়াত মুখ্যমন্ত্রী বীরভদ্র সিংয়ের স্ত্রী তথা প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি প্রতিভার অনুগামীরা বিক্ষোভ দেখাতে নেমে পড়েছেন। হিমাচলের মুখ্যমন্ত্রিত্বের দৌড়ে ছিলেন তিনিও। তাঁর জায়গায় সিলমোহর দেওয়া হয় সুখবিন্দরের নামে। মুখ্যমন্ত্রী পদের দাবিদার ছিলেন বীরভদ্রের ছেলে বিক্রমাদিত্য।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

  • PM Modi: ঢোলবাদকদের সঙ্গে ঢোল বাজালেন মোদি, ভাইরাল ভিডিও

    PM Modi: ঢোলবাদকদের সঙ্গে ঢোল বাজালেন মোদি, ভাইরাল ভিডিও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহারাষ্ট্রের (Maharashtra) নাগপুরে গিয়েছিলেন অনুষ্ঠানে যোগ দিতে। সেখানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে (PM Modi) স্বাগত জানাতে হাজির ছিলেন ঢোলবাদকরা। তাঁরা ঢোলও বাজাচ্ছিলেন। আচমকাই তাঁদের সঙ্গে ভিড়ে যান স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী। তার পরেই অনভ্যস্ত হাতে বাজাতে শুরু করেন ঢোল। সম্প্রতি একটি ভিডিও শেয়ার হয়েছে ট্যুইটারে। সেখানেই প্রধানমন্ত্রীকে ঢোল বাজাতে দেখা গিয়েছে। টেক্সটে লেখা, মহারাষ্ট্রের নাগপুরে ঐতিহ্যের স্বাগতম।

    বন্দে ভারত এক্সপ্রেস…

    এদিন বন্দে ভারত এক্সপ্রেস ট্রেনের যাত্রার সূচনা করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেই ছবি দিয়ে প্রধানমন্ত্রী লিখেছেন, নাগপুর এবং বিলাসপুরের মধ্যে বন্দে ভারত এক্সপ্রেসের যাত্রার সূচনা হল। তাৎপর্যপূর্ণভাবে এই ট্রেনের মাধ্যমে যোগাযোগ ব্যবস্থা আরও উন্নত হবে।

    এদিন নাগপুর মেট্রোর প্রথম দফার যাত্রার সূচনাও করেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)। তিনি প্রথম মেট্রোয় চড়েনও। নাগপুরবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়ে তিনি লেখেন, নাগপুর মেট্রোর প্রথম দফার উদ্বোধনে আমি নাগপুরবাসীকে শুভেচ্ছা জানাই। দুটি মেট্রোর যাত্রার সূচনা করলাম। মেট্রোয় চড়লাম। মেট্রোর যাত্রা আরামদায়ক। মেট্রো ভ্রমণের সময় প্রধানমন্ত্রীকে যাত্রীদের সঙ্গে কথাও বলতে দেখা যায়। সে ছবিও শেয়ার করেছেন তিনি। এদিন নাগপুর মেট্রোর দ্বিতীয় দফার শিলান্যাসও করেন প্রধানমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রীর দফতর সূত্রেই এ খবর জানানো হয়েছে। এখান থেকেই প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) চলে যাবেন গোয়া।  

     

    আরও পড়ুন: কাশ্মীরে কুখ্যাত জঙ্গির দোতলা বাড়ি গুঁড়িয়ে দিল প্রশাসন

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Facebook এবং Twitter পেজ। 

     

     

  • Air India: এয়ার ইন্ডিয়ার সম্প্রসারণের ক্ষেত্রে বড় পদক্ষেপ! ১৫০টি বোয়িং বিমান কিনবে টাটা গ্রুপ

    Air India: এয়ার ইন্ডিয়ার সম্প্রসারণের ক্ষেত্রে বড় পদক্ষেপ! ১৫০টি বোয়িং বিমান কিনবে টাটা গ্রুপ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এয়ার ইন্ডিয়ার (Air India) সম্প্রসারণের ক্ষেত্রে আরও এক পদক্ষেপ নিল টাটা গ্রুপ। মনে করা হচ্ছে আগামী বছর থেকেই বিমান বহর বাড়তে চলেছে সংস্থার। সূত্রের খবর, বোয়িং-কে খুব শীঘ্রই বিশাল অঙ্কের চুক্তি দিতে পারে টাটা গোষ্ঠী। এয়ার ইন্ডিয়া মোট ৫০টি ৭৩৭ ম্যাক্স এয়ারক্রাফ্টের অর্ডার দিতে পারে। সব মিলিয়ে মোট ১৫০টি বিমান কেনার কথা ভেবেছে টাটা। বোয়িং ৭৩৭ বিমানের এই বিশাল অর্ডার নজর কেড়েছে গোটা বিশ্বের। এয়ার ইন্ডিয়ার মালিকানা পাওয়ার পর থেকেই টাটা গ্রুপের পক্ষ থেকে নানা ধরনের পরিবর্তন করা হচ্ছে বিমান পরিষেবা ক্ষেত্রে। যেগুলোর মধ্যে অন্যতম হল এই চুক্তি।

    বোয়িং-এর সঙ্গে এয়ার ইন্ডিয়ার চুক্তি

    সূত্রের খবর অনুযায়ী, আমেরিকার বিমান তৈরির কোম্পানি বোয়িং প্রতিশ্রুতি দিয়েছে যে, ২০২৩ সালের মধ্যে ৫০ টি বিমান এয়ার ইন্ডিয়াকে ডেলিভারি করবে। আর আমেরিকার এই কোম্পানি প্রথম ৫০ টি বিমান দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়ার ফলেই এয়ার ইন্ডিয়া বোয়িং-এর সঙ্গে চুক্তি করতে সম্মত হয়েছে। আগামী কয়েক দিনের মধ্যে এয়ার ইন্ডিয়া-বোয়িং চুক্তি চূড়ান্ত হতে পারে বলে খবর। আর ২০২১ সালের পর থেকে বিমান প্রস্তুতকারকদের জন্য এই অর্ডারটি এখনও পর্যন্ত সবচেয়ে বড়। প্রসঙ্গত, বোয়িং কোম্পানি ২০২১ সালে আকাশা এয়ারের কাছে ৭৫ টি বিমান বিক্রি করেছিল।

    আরও পড়ুন: এয়ার ইন্ডিয়ার সঙ্গে মিশে যাচ্ছে ভিস্তারা, জানিয়ে দিল টাটা সন্স

    সূত্রের খবর অনুযায়ী আরও জানা গিয়েছে, এয়ার ইন্ডিয়া (Air India) বিমান কেনার চুক্তি এয়ারবাসের সঙ্গেও পরে করতে পারে। কারণ এয়ার ইন্ডিয়াকে সত্যিকারের বিশ্বমানের বিমান সংস্থায় পরিণত করতে ও পরিষেবা উন্নত করতে আরও অনেক বিমান কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে টাটা গ্রুপ। কিন্তু বিমান কেনার চুক্তিটি প্রথমে বোয়িং-এর সঙ্গেই চূড়ান্ত করতে চায়, কারণ, এয়ারবাস ২০২৫ সালের মধ্যে এ৩২০ ডেলিভারি দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিতে পারেনি।

    এয়ার ইন্ডিয়াকে উন্নত করতে একাধিক পদক্ষেপ

    প্রসঙ্গত, চলতি বছরের শুরুতেই টাটা গ্রুপ এয়ার ইন্ডিয়া (Air India) অধিগ্রহণ করে। তারপর থেকেই দেনার দায়ে জর্জরিত সংস্থার ভোল পাল্টানোর চেষ্টা করছেন নয়া মালিকরা। এয়ার ইন্ডিয়াকে ঢেলে সাজাতে একের পর এক পদক্ষেপ নিয়ে চলেছে টাটা গোষ্ঠী। ইতিমধ্যেই রতন টাটার এয়ার ইন্ডিয়ার (Air India) সঙ্গে মিশে যেতে চলেছে বিমান সংস্থা ভিস্তারা(Vistara)। আগামী বছর মার্চ মাসের মধ্যেই এই একত্রীকরণের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে বলে জানিয়েছে দুই সংস্থা। এছাড়াও দেশ তথা আন্তর্জাতিক বাজারে নিজেদের শেয়ার বাড়াতে চাইছে এয়ার ইন্ডিয়া। আবার বিভিন্ন অভিজ্ঞ ব্যক্তিদের নিযুক্ত করে তৈরি করা হয়েছে নতুন ব্র্যান্ড-বিল্ডিং টিমও। অন্যদিকে বিশ্বব্যাপী দর্শকদের কাছে এয়ার ইন্ডিয়াকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলতে ও নতুন রুপ দিতে টাটা গ্রুপ ব্রিটিশ ব্র্যান্ড এবং ডিজাইন কনসালটেন্সি ফার্ম ফিউচারব্র্যান্ডের সঙ্গেও কাজ করছে।  বর্তমানে এভিয়েশনে বিশ্বের দ্রুততম বর্ধনশীল বাজার দক্ষিণ এশিয়া। আর সেই বাজারেই বাজিমাত করার লক্ষ্য টাটা গোষ্ঠীর।

  • Supreme Court: মুসলিম মেয়েদের বিয়ের নূন্যতম বয়স ১৮ করার দাবিতে সুপ্রিম কোর্টে মামলা জাতীয় মহিলা কমিশনের

    Supreme Court: মুসলিম মেয়েদের বিয়ের নূন্যতম বয়স ১৮ করার দাবিতে সুপ্রিম কোর্টে মামলা জাতীয় মহিলা কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অন্যান্য সম্প্রদায়ের পাশাপাশি মুসলিম ধর্মের মেয়েদেরও বিয়ের নূন্যতম বয়স ১৮ বছর করা হোক। এমন আবেদন নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) জনস্বার্থ মামলা করল জাতীয় মহিলা কমিশন। গতকাল, শুক্রবার এই মামলাটি গ্রহণ করেছে সুপ্রিম কোর্ট। ফলে জাতীয় মহিলা কমিশনের এই আবেদনের ভিত্তিতে শুক্রবার এই বিষয়ে কেন্দ্রের মতামত জানতে চাইল দেশের শীর্ষ আদালত।

    শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ জাতীয় মহিলা কমিশন

    ধর্ম নির্বিশেষে মহিলাদের বিবাহের একটি বয়সকেই নির্ধারণ করার দাবি জানায় জাতীয় মহিলা কমিশন। মুসলিম ব্যক্তিগত আইনে বিবাহের বয়স বাড়ানোর আবেদন জানিয়ে জাতীয় মহিলা কমিশন সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) একটি আবদেন করে। অন্যান্য ব্যক্তিগত আইন ও দণ্ডবিধি অনুযায়ী, একজন মহিলার ক্ষেত্রে বিবাহের সর্বনিম্ন বয়স ১৮ বছর ও পুরুষের ক্ষেত্রে তা ২১ বছর। কিন্তু মুসলিম ব্যক্তিগত আইন অনুযায়ী, কোনও ব্যক্তি বা মহিলা বয়ঃসন্ধিকালে পৌঁছলেই অর্থাৎ ১৫ বছরেই তাদের বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়। আর এই বিষয়েই প্রশ্ন তোলে জাতীয় মহিলা কমিশন।

    জাতীয় মহিলা কমিশনের তরফে এই মামলাটি করেছেন আইনজীবী গীতা লুথেরা, আইনজীবী শিবানী লুথেরা লোহিয়া এবং অস্মিতা নারুলা। আর মহিলা কমিশনের আবেদনের ভিত্তিতেই প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড় এবং বিচারপতি পিএস নরসিং-এর ডিভিশন বেঞ্চ কেন্দ্রকে নোটিস পাঠিয়েছে। এই বিষয়ে কেন্দ্রের মতামত জানতে চাওয়া হয়েছে। এই মামলার প্রেক্ষিতে চার সপ্তাহের মধ্যে কেন্দ্রের প্রতিক্রিয়া চেয়েছে শীর্ষ আদালত (Supreme Court)।

    জাতীয় মহিলা কমিশনের তরফে কী কী জানানো হয়েছে?

    মুসলিম সম্প্রদায়ের মেয়েদের বিয়ের নূন্যতম বয়স ১৫ বছর নিয়ে কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, এই নিয়ম শুধুমাত্র স্বেচ্ছাচারী ও অযৌক্তিকই নয় বরং বৈষম্যমূলকও। এবং এটি দণ্ডবিধির বিধানকেও লঙ্ঘন করে। মুসলিম ব্যক্তিগত আইনে বয়ঃসন্ধিকালে পৌঁছলে মেয়েদের বিয়ে হলে তা ভারতে প্রচলিত কিছু আইনের বিরোধিতা করে। যেমন- বিবাহ নিষেধাজ্ঞা আইন, ২০০৬ অনুযায়ী ২১ বছরের নীচে কোনও ব্যক্তি ও ১৮ বছরের নীচে কোনও কিশোরীর বিবাহ শাস্তিযোগ্য বলে বিবেচিত হয়। আবার পকসো আইন যা ১৮ বছরের নীচে অপ্রাপ্তবয়স্ক কিশোরীদের কোনওরকম যৌন হেনস্থা থেকে নিরাপত্তা দিয়ে থাকে। এদিকে ভারতীয় দণ্ডবিধিতে ধর্ষণ নিয়ে বলা হয়েছে যে, ১৮ বছরের নীচে কোনও কিশোরীর সঙ্গে যৌন সঙ্গমে লিপ্ত হলে সেখানে কিশোরীর সম্মতিকে বিবেচনা করা হবে না। বরং সেই যৌন মিলনকে ধর্ষণ বলেই ধরে নেওয়া হবে।

    ফলে মহিলা কমিশন এমন আবেদন এনেছেন, যেখানে অপ্রাপ্তবয়স্ক মুসলিম মহিলাদের পরে কোনও সমস্যায় পড়তে হয় না। প্রসঙ্গত, এ দেশে মেয়েদের ক্ষেত্রে বিয়ের ন্যূনতম বয়স ১৮ বছর এবং পুরুষদের ক্ষেত্রে ২১ বছর। তবে এখন মহিলা এবং পুরুষের বিয়ের বয়স এক করার ব্যাপারেও ভাবনাচিন্তা চলছে। গঠিত হয়েছে সংসদীয় কমিটি।

  • Jaish Commander: কাশ্মীরে কুখ্যাত জঙ্গির দোতলা বাড়ি গুঁড়িয়ে দিল প্রশাসন

    Jaish Commander: কাশ্মীরে কুখ্যাত জঙ্গির দোতলা বাড়ি গুঁড়িয়ে দিল প্রশাসন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তর প্রদেশের ‘বুলডোজার থিয়োরি’র প্রয়োগ এবার কাশ্মীরেও (Kashmir)! সরকারি জমিতে অবৈধভাবে বাড়ি বানিয়েছিল কুখ্যাত এক জঙ্গি (Terrorist)। সে জইশ কমান্ডার (Jaish Commander)। নাম আশিক নেঙ্গরু। পুলওয়ামা জেলার রাজপোরা এলাকায় নিউ কলোনিতে আস্ত একটা দ্বিতল বাড়ি বানিয়েছিল সে। শনিবার বুলডোজার চালিয়ে বাড়িটি ভেঙে গুঁড়িয়ে দেয় জম্মু-কাশ্মীর প্রশাসন।

    সন্ত্রাসবাদীর তালিকায়…

    কেন্দ্রের সন্ত্রাসবাদীর তালিকায় নাম রয়েছে কাশ্মীরের বাসিন্দা আশিকের। একাধিক সন্ত্রাসবাদী হামলায় জড়িত সে। ২০১৯ সালের পুলওয়ামা হামলায় জইশ-ই-মহম্মদের কমান্ডার আশিক নেঙ্গরুর হাত রয়েছে বলে জেনেছেন তদন্তকারীরা। সূত্রের খবর, এহেন আশিকের একটি দোতলা বাড়ি ছিল নিউ কলোনিতে। বাড়িটি অবৈধভাবে তৈরি হয়েছে সরকারি জমির ওপর। এদিন বাড়িটি ভেঙে দেয় প্রশাসন।

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের তরফে জারি করা এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আশিক (Jaish Commander) জম্মু-কাশ্মীরে জঙ্গি অনুপ্রবেশে সাহায্য করে। এলাকায় নানা সন্ত্রাসবাদী কাজকর্মেও জড়িত সে। কাশ্মীরে সে একটি সন্ত্রাস সিন্ডিকেট চালাচ্ছে। জম্মু-কাশ্মীরে সন্ত্রাসমূলক কাজকর্ম করতে ব্যাপক প্রচারও চালাচ্ছে। পাকিস্তানে বসেই এসব করছে সে। স্থানীয় সূত্রে খবর, বছর পঁয়ত্রিশের এই কুখ্যাত জঙ্গি কোনওভাবে সপরিবারে পাকিস্তানে পালিয়ে যায়। সেখান থেকেই সন্ত্রাস সংগঠিত করছে।

    আরও পড়ুন: সরকারের নির্দেশের অপেক্ষা! পাক অধিকৃত কাশ্মীর দখল করবে ভারতীয় সেনা

    জম্মু-কাশ্মীরকে সন্ত্রাসমুক্ত করতে নানা পদক্ষেপ নিয়েছে কেন্দ্রের মোদি সরকার। ভেঙে দেওয়া হয়েছে বিধানসভা। পরিণত করা হয়েছে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে। উপত্যকা থেকে বাতিল করা হয়েছে ৩৭০ ধারা। তার পরেই সন্ত্রাস দমনে কোমর কষে নামে কেন্দ্র। জঙ্গিদমনের অংশ হিসেবেই সেপ্টেম্বর ও চলতি ডিসেম্বরে বেশ কয়েকজন জঙ্গিকে খতম করেছেন নিরাপত্তারক্ষীরা। যার জেরে উপত্যকায় ক্রমেই ফিরছে কাঙ্খিত শান্তি। আগামী বছর জম্মু-কাশ্মীরে বিধানসভা নির্বাচন করাতে পারে কেন্দ্র। সেজন্য চলছে জঙ্গি ঘাঁটি গুঁড়িয়ে দেওয়ার কাজ। এমতাবস্থায় নিউ কলোনিতে খোঁজ মেলে আশিকের বাড়ির। জানতে পারে বাড়িটি তৈরি করা হয়েছে সরকারি জমি দখল করে। তার পরেই বাড়িটি ভেঙে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় প্রশাসন।

    প্রসঙ্গত, জঙ্গিযোগের অভিযোগে মাঝেমধ্যেই প্যালেস্টাইনে বাড়িঘর গুঁড়িয়ে দেয় ইজরায়েলের সেনাবাহিনী। উত্তর প্রদেশের যোগী আদিত্যনাথের সরকারও কুখ্যাত দুষ্কৃতীদের অবৈধভাবে গড়ে তোলা বাড়ি গুঁড়িয়ে দেয় বুলডোজার চালিয়ে। এবার সেই একই পন্থা অবলম্বন করল জম্মু-কাশ্মীর প্রশাসন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • UGC: বড় সিদ্ধান্ত ইউজিসি-র! তিন নয়, এবার থেকে চার বছরে শেষ হবে ‘অনার্স ডিগ্রি’

    UGC: বড় সিদ্ধান্ত ইউজিসি-র! তিন নয়, এবার থেকে চার বছরে শেষ হবে ‘অনার্স ডিগ্রি’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অনার্স ডিগ্রি নিয়ে বড়সড় সিদ্ধান্ত নিল ইউনিভার্সিটি গ্র্যান্টস কমিশন (UGC)। নতুন শিক্ষাবর্ষ থেকে বদলে যাচ্ছে অনার্স ডিগ্রির নিয়ম। এতদিন পর্যন্ত অনার্স কোর্সের মেয়াদ ছিল তিন বছর। নতুন শিক্ষবর্ষ থেকে তিন বছরের বদলে চার বছর করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন। এই সংক্রান্ত নতুন নিয়মের খসড়াও তৈরি করেছে তারা।

    অনার্স কোর্সের মেয়াদ বৃদ্ধি

    কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, জাতীয় শিক্ষা নীতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই ‘কারিক্যুলাম অ্যান্ড ক্রেডিট ফ্রেমওয়ার্ক ফর ফোর-ইয়ার আন্ডারগ্র্যাজুয়েট প্রোগ্রামস’ নামে খসড়া প্রস্তাবটি তৈরি করা হয়েছে। সোমবার আনুষ্ঠানিকভাবে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (UGC) নতুন নিয়মের কথা ঘোষণা করবে।

    কী কী নতুন নিয়ম আসতে চলেছে?

    খসড়া প্রস্তাবটিতে বলা হয়েছে, ৩ বছরে স্নাতক হতে গেলে শিক্ষার্থীকে ১২০ ক্রেডিট পয়েন্ট লাভ করতে হবে। অন্য দিকে, ৪ বছরে স্নাতক হতে গেলে শিক্ষার্থীর ১৬০ ক্রেডিট পয়েন্ট প্রয়োজন। খসড়া প্রস্তাবটিতে আরও বলা হয়েছে, যদি কোনও পড়ুয়া ভবিষ্যতে গবেষণা করতে চান, তবে তাদের চার বছরের স্নাতক ডিগ্রি চলাকালীনই রিসার্চ প্রজেক্ট বেছে নিতে হবে। এতে তারা কোর্সের মেয়াদ শেষে রিসার্চ স্পেশালাইজেশনের সঙ্গে স্নাতক ডিগ্রি পাবেন।

    আরও পড়ুন: এবার থেকে ফি-বছর নির্দিষ্ট দিনেই জেইই, নীট ও কুয়েট পরীক্ষা? ভাবনা কেন্দ্রের

    বর্তমানে যারা ‘চয়েস বেসড ক্রেডিট সিস্টেমে’ তিন বছরের অনার্স ডিগ্রিতে ভর্তি হয়েছেন এবং পড়াশোনা করছেন, তাঁরা চাইলে চার বছরের স্নাতক ডিগ্রিতে পড়ার জন্য আবেদন করতে পারবেন। তবে সেক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয়ের তরফে অফলাইন ও অনলাইনে ক্লাস সহ একাধিক পদ্ধতিতে দুই কোর্সকে মিলিত করে দেওয়া হতে পারে।

    আবার এই নতুন নিয়মের প্রস্তাবে পড়ুয়াদের বাড়তি সুবিধা দেওয়া হচ্ছে। যেমন-ইউজিসি-এর (UGC) তরফে জানানো হয়েছে, চার বছরের অনার্স কোর্স পড়ার মাঝে কোনও পড়ুয়া যদি পড়াশোনা ছেড়ে দেন ও তবে তিনি পরে আবার তা শুরু করার সুযোগ পাবেন। তবে অনার্স কোর্স ছেড়ে যাওয়ার তিন বছরের মধ্যে তা শুরু করতে হবে। আবার কোর্সটি শেষ করার জন্য পড়ুয়া ৭ বছর সময় পাবেন।

    এছাড়াও পড়ুয়ারা চাইলে দ্বিতীয় সেমেস্টারে নিজেদের স্নাতক ডিগ্রির মূল বিষয় পরিবর্তন করার সুযোগ পাবেন। কোনও পড়ুয়া চাইলে একসঙ্গে দুটি বিষয় নিয়েও স্নাতক স্তরে পড়াশোনা করতে পারবেন। স্নাতক ডিগ্রির জন্য পড়ুয়াদের ন্যূনতম ৫০ শতাংশ নম্বর পেতেই হবে।

    খসড়া প্রস্তাবে (UGC) বিভিন্ন শাখা, অন্যান্য কোর্স ও তার নিয়ম নিয়েও উল্লেখ করা হয়েছে। ভাষার কোর্স, পরিবেশ শিক্ষা,  ডিজিটাল ও প্রযুক্তিগত সমাধান, স্বাস্থ্য, যোগশিক্ষা, ক্রীড়া ও শরীরচর্চা নিয়েও কোর্সের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

  • Tarn Taran: পাঞ্জাবের তরন তরন থানায় রকেট লঞ্চার হামলা! ঘটনার পিছনে কি আইএসআই?

    Tarn Taran: পাঞ্জাবের তরন তরন থানায় রকেট লঞ্চার হামলা! ঘটনার পিছনে কি আইএসআই?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তান সীমান্তের কাছে পাঞ্জাবের তরন তরন (Tarn Taran) থানায় গভীর রাতে রকেট লঞ্চার (Rocket launcher) দিয়ে হামলা চালানো হল। এই ঘটনায় কোনও প্রাণহানি না ঘটলেও সীমান্তবর্তী থানায় এই ধরনের হামলায় উচ্চপর্যায়ের তদন্ত শুরু হয়েছে। ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে পাঞ্জাব পুলিশের বিশাল বাহিনী।

    বিস্ফোরণের উদ্দেশ্য

    পুলিশ সূত্রে খবর, অমৃতসর-ভাতিন্ডা হাইওয়ে ( Amritsar-Bathinda Highway)-র উপর থানা লক্ষ্য করে রাত প্রায় একটা নাগাদ হামলা চলে। বিস্ফোরণের জেরে থানার কাচের দরজা ভেঙে পড়ে বলে খবর। বিস্ফোরণের জেরে পাশের একটি সার্ভিস স্টেশনের জানলাও ভেঙে পড়ে। এই ঘটনার পিছনে খলিস্থানি জঙ্গিদের হাত থাকতে পারে বলে খবর। এর আগেও বারবার খালিস্তানপন্থীদের স্লিপার সেলকে কাজে লাগিয়ে রকেট লঞ্চার হামলার চেষ্টা চালানো হয়েছে। খালিস্তানপন্থী সন্ত্রাসবাদী হরবিন্দর সিং ওরফে রিন্দা (Harvinder Singh Alias Rinda)-র মৃত্যুর হয়েছে। অনেকেই বলছেন,তার মৃত্যুর বদলা নিতেই এই হামলা।

    আইএসআই-এর হাত

    অনেকে এর পিছনে পাকিস্তানের গুপ্তচর সংস্থা আইএসআইয়ের হাত থাকতে পারে বলেও মনে করছে। পাক গুপ্তচর সংস্থা ISI খালিস্তানপন্থীদের স্লিপার সেল ব্যবহার করে এই ধরনের হামলার পরিকল্পনা চালাচ্ছে। চলতি বছর মে মাসে মোহালিতে পাঞ্জাব পুলিশের গোয়েন্দা শাখার সদর দফতরে হামলা হয়। মোহালির এসএএস নগরের সেক্টর ৭৭-এর ওই অফিসেও রকেট লঞ্চারের সাহায্যে গ্রেনেড হামলা করা হয়েছিল। তদন্তে নেমে পুলিশ জানায় গ্যাংস্টার -খালিস্তানপন্থী জঙ্গিদের ব্যবহার করে এই ধরনের হামলার ষড়যন্ত্র করছে পাকিস্তানের গুপ্তচর সংস্থা ISI।

    আরও পড়ুন: হিন্দু মহিলাদের বিরুদ্ধে বিতর্কিত মন্তব্যের জের, অসম মহিলা কমিশনের নোটিশ মুসলিম সাংসদকে

    ঘটনার তদন্ত

    ঘটনাস্থলে পৌঁছেছেন সিনিয়র পুলিশ আধিকারিকরা। বিস্ফোরণস্থল খতিয়ে দেখতে রওনা দিয়েছে ফরেনসিক টিম। পাঞ্জাব পুলিশের ডিজি গৌরব যাদব খোদ ঘটনাস্থলে রয়েছেন। তিনি বলেন, “গতকাল রাত ১১টা বেজে ২২ মিনিটে এই ঘটনা ঘটে। আপাতত গ্রেনেড ছোড়া হয়েছে বলেই মনে হচ্ছে। রকেট বাহিত গ্রেনেড ছোড়া হয়। সরহলি থানার সুবিধা কেন্দ্রে সেটি এসে পড়ে। ইউএপিএ ধারায় মামলা দায়ের হয়েছে। ফরেনসিক দল এসে পৌঁছেছে। এসে পৌঁছেছে সেনার একটি দলও।”

    প্রযুক্তিগত দিক থেকে এবং ফরেনসিকদের তথ্য অনুযায়ী তদন্ত এগোবে বলেও জানান ডিজি। ঘটনাস্থল থেকে নমুনা সংগ্রহ করা হচ্ছে। ঘটনার পুনর্নির্মাণ করা নিয়েও চলছে পর্যালোচনা। রকেট লঞ্চারটি উদ্ধার করেছে পুলিশ।এই ঘটনায় যদিও পাঞ্জাবে ক্ষমতাসীন আম আদমি পার্টি সরকারকে নিশানা করেছে বিজেপি। দলের নেতা মনজিন্দর সিংহ সিরসা ট্যুইটারে লেখেন, ‘আপ সরকার গুজরাট বিধানসভা এবং দিল্লি পৌরসভা নির্বাচনের ফল উদযাপনে ব্যস্ত। সীমান্ত লাগোয়া পাঞ্জাবের শান্তি এবং নিরাপত্তা নিয়ে গা ছাড়া ভাব দেখাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী ভগবন্ত মান’।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     

  • Nuclear Bomb: ভারতের পারমাণবিক শক্তি ১৯৬৮তে ভয় ধরিয়েছিল আমেরিকাকেও?

    Nuclear Bomb: ভারতের পারমাণবিক শক্তি ১৯৬৮তে ভয় ধরিয়েছিল আমেরিকাকেও?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১৯৬৮ সালের জুন মাস। কানাডিয়ান নিউক্লিয়র ইনসপেক্টরদের একটি দল এসেছিলেন মুম্বইয়ের ট্রম্বেতে, কানাডা (Canada)-ইন্ডিয়া রিয়েক্টর পরিদর্শনে। তখনই তাঁরা জানিয়েছিলেন, ভারত নিউক্লিয়র ডিভাইস (Nuclear Device) উন্নত করতে দ্রুত এগোচ্ছে। আমেরিকার প্রতিদ্বন্দ্বীও হয়ে উঠছে। অস্ত্র (Nuclear Bomb) দৌড়ে শামিল হওয়ার ভয়ও দেখাচ্ছে এই দেশ। সম্প্রতি এমনই এক নথি প্রকাশ্যে এসেছে। প্রকাশ করেছে ওয়াশিংটন। পরে কানাডার ওই প্রতিনিধি দল মার্কিন কূটনীতিকদের বলেছিলেন, প্লুটোনিয়াম গ্রেড অস্ত্র বানানোর জন্য তারা (ভারত) কম বিকিরণ করে এমন জ্বালানি ব্যবহার করছে। ওই প্রতিনিধি দল এও জানিয়েছিল, ভারত যদি প্লুটোনিয়াম উৎপাদন করে, তাহলে যে রিয়েক্টরে কাজ হবে, সেটি বছরে ১২ কেজি পর্যন্ত উৎপাদন করতে পারবে।

    ভারতের নিউক্লিয়ার প্রোগ্রাম…

    এ সংক্রান্ত নথিটি সংরক্ষিত রয়েছে ইউএস ন্যাশনাল সিকিউরিটি আর্কাইভে। এটা দেখেই ভারতের নিউক্লিয়ার প্রোগ্রাম সম্পর্কে একটা ধারণা করতে পেরেছিল আমেরিকা। ভারত প্রথম নিউক্লিয়ার পরীক্ষা করে ১৯৭৪ সালের মে মাসে। তার ঢের আগেই তার শক্তি সম্পর্কে একটা ধারণা করে ফেলেছিল ওয়াশিংটন। এই গোপন নথি থেকে জানা যায়, ভারতের সর্বোচ্চ নিউক্লিয়ার অফিসাররা তখনই আমেরিকাকে একটি চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলে দিয়েছিল। ১৯৭০ সালের নভেম্বরে মার্কিন ডিমার্চে ভারত সরকারের কাছে বলেছিল, উৎপাদিত প্লুটোনিয়াম ব্যবহার করতে হবে মার্কিন-ভারতীয় চুক্তি অনুসারে। পিসফুল নিউক্লিয়ার এক্সপ্লোশান ডিভাইসগুলি এই ধরনের চুক্তির সঙ্গে বেমানান হবে। তিনি এও বলেছিলেন, আমরা এই ধরনের ব্যবহারে সব চেয়ে বেশি আপত্তি জানাব।

    আরও পড়ুন: কাশ্মীরে কুখ্যাত জঙ্গির দোতলা বাড়ি গুঁড়িয়ে দিল প্রশাসন

    তক্ষণাৎ জবাব দিয়েছিল ভারতও। নয়াদিল্লি সাফ জানিয়ে দিয়েছিল, তারা নিউক্লিয়ার অস্ত্র ডেভেলপ করতে চায় না। তারা দেখছে নিউক্লিয়ার টেকনোলজি ব্যবহার করে কী কী সুফল ঘরে তোলা যায়। তারা এও জানিয়েছিল, এ সবই হচ্ছে শান্তি বজায় রাখার উদ্দেশ্যে। এবং এজন্য যা ডেভেলপমেন্ট করা প্রয়োজন, ভারত তা করবে। এবং ভারত যে নিউক্লিয়ার প্রযুক্তি শান্তির জন্যই ব্যবহার করছে, তার উল্লেখ রয়েছে ওই নথিতেও। সেখানে বলা হয়েছে, একজন (ভারত) নিউক্লিয়ার ডেভেলপমেন্ট করে চলেছে শান্তির উদ্দেশ্যে, মিলিটারি উদ্দেশ্যে নয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Facebook এবং Twitter পেজ।  

  • Assam: ফেব্রুয়ারিতে দু দিনের বিশেষ ছুটি ঘোষণা অসম সরকারের, কেন জানেন?

    Assam: ফেব্রুয়ারিতে দু দিনের বিশেষ ছুটি ঘোষণা অসম সরকারের, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কাজের চাপে সময় দেওয়া যাচ্ছে না বাবা-মাকে। কর্মসূত্রে অনেকেই থাকেন দূর-দুরান্তে। বাবা-মা আগলে বসে থাকেন ভিটে। তাই দূরত্ব বাড়ছে মা বাবার সঙ্গে। এই সমস্যার সমাধানের জন্য চলতি বছর থেকে সরকারি কর্মীদের জন্য দু দিনের বিশেষ ক্যাজুয়েল লিভের ব্যবস্থা করেছে অসমের (Assam) বিজেপি (BJP) সরকার। আগামী বছরও মিলবে ছুটি। সম্প্রতি এক বিজ্ঞপ্তি জারি করে একথা জানিয়ে দিয়েছে অসম সরকার। এ বছর ছুটি ছিল জানুয়ারিতে (January)। আগামী বছর ছুটি মিলবে ফেব্রুয়ারিতে। ফেব্রুয়ারির ৯ এবং ১০ তারিখ এই দু দিন ছুটি। কর্মীরা চাইলে ওই দু দিন ছুটি না নিয়ে অন্য সময় নিতে পারেন।

    অসমই প্রথম?

    বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এই ছুটি দেওয়ার রেওয়াজ রয়েছে। তবে এ দেশে এর চল নেই বলেই মনে হয়। অসমই প্রথম রাজ্য যারা এটা চালু করেছে। চলতি বছর মা-বাবার সঙ্গে সময় কাটানোর জন্য অসমে ছুটি দেওয়া হয়েছিল ৬ ও ৭ জানুয়ারি। অনেক কর্মী ওই দিনই ছুটি নিয়েছেন। অনেকে আবার অন্য ছুটির সঙ্গে এই দু দিন জুড়ে দিয়ে দীর্ঘায়িত করে নিয়েছেন ছুটির তালিকা। সরকারের তরফে জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, এই যে দু দিনের বিশেষ ছুটি, সেই ছুটি দিনের দিন না নিয়ে শনি-রবিবারের সঙ্গে জুড়ে দিয়েও নেওয়া যাবে। সেক্ষেত্রে মা-বাবার সঙ্গে কাটানোর জন্য মিলবে টানা চারদিন। এই বিশেষ ছুটি পেতে গেলে কীভাবে আবেদন করতে হবে, তা একটি স্পেশাল ওয়েব পোর্টাল মারফত জানিয়ে দেওয়া হবে বলেও জানানো হয়েছে বিজ্ঞপ্তিতে।

    আরও পড়ুন: হিন্দু মহিলাদের বিরুদ্ধে বিতর্কিত মন্তব্যের জের, অসম মহিলা কমিশনের নোটিশ মুসলিম সাংসদকে

    ২০২১ সালে অসমের (Assam) ক্ষমতায় আসে হিমন্ত বিশ্বশর্মার নেতৃত্বে বিজেপি সরকার। ওই বছরই ১৫ই অগাস্টের অনুষ্ঠানে ভাষণ দিতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বলেছিলেন, সরকারি কর্মীরা যাতে মা-বাবা এবং শ্বশুর-শাশুড়ির সঙ্গে সময় কাটাতে পারেন, তাই দু দিনের বিশেষ ছুটি দেওয়া হবে। পরে মন্ত্রিসভা সায় দেয় এই প্রস্তাবে। তার পরেই চলতি বছর ছুটি দিয়ে দেওয়া হয় জানুয়ারির ৬ এবং ৭-এ। হিমন্ত জানিয়েছিলেন, মুখ্যমন্ত্রী, মুখ্য সচিব এবং পুলিশের ডিজি ছাড়া এই ছুটি সবাই পাবেন। এমনকী মন্ত্রীরাও।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

LinkedIn
Share