Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Airport: তিনটি নয়া বিমানবন্দর পাচ্ছে পশ্চিমবঙ্গ, কোথায় কোথায় জানেন?

    Airport: তিনটি নয়া বিমানবন্দর পাচ্ছে পশ্চিমবঙ্গ, কোথায় কোথায় জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিনটি নয়া বিমানবন্দর (Airport) পাচ্ছে পশ্চিমবঙ্গ। অন্তর্দেশীয় যোগাযোগ ব্যবস্থা বাড়াতেই চালু হচ্ছে এই তিনটি বিমানবন্দর। এই তিনটি বিমানবন্দর হবে বার্নপুর, কোচবিহার এবং কলাইকুন্ডায়। গোটা ভারতে রয়েছে ৭০টি বিমানবন্দর। এর মধ্যে রয়েছে দুটি ওয়াটার এয়ারোড্রোম এবং ন’ টি হেলিপোর্ট।

    উদান…

    সিভিল অ্যাভিয়েশন মন্ত্রক চালু করেছে রিজিয়নাল কানেক্টিভিটি স্কিম। নাম দেওয়া হয়েছে উড়ে দেশ কা আম নাগরিক (UDAN)। আম জনতা যাতে সস্তায় বিমান ভ্রমণ করতে পারেন, তাই এই স্কিম চালু করা হয়েছে। চারবার নিলাম হওয়ার পর ৪৫৩টি রুট চালু হয়েছে। এর মধ্যে যুক্ত হয়েছে ৭০টি এয়ারপোর্ট, দুটি ওয়াটার অ্যারোড্রোম এবং ৯টি হেলিপোর্টও। জানা গিয়েছে, ২.১৫ লক্ষেরও বেশি উদান ফ্লাইট অপারেট করা হচ্ছে। এ পর্যন্ত এই ভ্রমণ উপভোগ করেছেন ১.১ কোটি যাত্রী।

    আরও পড়ুন: ‘ভারত জোড় যাত্রা’য় বেরিয়ে চায়ে মজে রাহুল, বাইরে ঠায় দাঁড়িয়ে ফার্ম হাউসের মালকিন

    কোচবিহারে বিমানবন্দর (Airport) প্রস্তুত হয়ে গিয়েছে। তবে রয়ে গিয়েছে জটিলতা। কোচবিহার বিমানবন্দরের লাইসেন্স নবীকরণ হবে না বলেও জানা গিয়েছিল। ওই বিমানবন্দর চালু করতে উদ্যোগী হয় রাজ্য সরকার। কলাইকুন্ডায় সেনাবাহিনীর বিমান ওঠানামা করে। এবার সেখানে হচ্ছে আস্ত একটি বিমানবন্দর। কারণ কলাইকুন্ডায় যেখানে সেনাবাহিনীর বিমান ওঠানামা করে, সেটি খড়্গপুরের কাছেই। এই খড়্গপুর রেলশহর নামে পরিচিত। জায়গাটি মিনি ইন্ডিয়া নামেও পরিচিত। তাই এখান থেকে বিমান পরিষেবা চালু হবে আদতে লাভবান হবেন স্থানীয়রাই।

    বার্নপুরেও বিমানবন্দর (Airport) চালুর দাবি দীর্ঘদিনের পুরানো। এটাও রেলশহর। এখানেও ভারতের বিভিন্ন প্রদেশের মানুষ বসবাস করেন। তাই এখানে বিমানবন্দর হলে আদতে উপকৃত হবেন স্থানীয়রা। ঘুরে দাঁড়াবে এলাকার অর্থনীতিও। ভারত সরকার এই স্কিমে বরাদ্দা করেছে ৪ হাজার ৫০০ কোটি টাকা। এই টাকায় আনসার্ভড এবং আন্ডারসার্ভড এয়ারপোর্ট বা এয়ারস্ট্রিপগুলিকে পুনরুজ্জীবিত করা যাবে। ২০২৪ সালের মধ্যে এগুলিকে সংস্কার কিংবা পুনরুজ্জীবিত করার লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

  • Himachal Pradesh New CM: জল্পনার অবসান! হিমাচল প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী হচ্ছেন সুখবিন্দর সিং সুখু

    Himachal Pradesh New CM: জল্পনার অবসান! হিমাচল প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী হচ্ছেন সুখবিন্দর সিং সুখু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হিমাচল প্রদেশে মুখ্যমন্ত্রীর নতুন মুখ কে হবে, তা নিয়ে জল্পনা ছিল তুঙ্গে। মুখ্যমন্ত্রীর পদের জন্য একাধিক নাম ঘোরাফেরা করছিল দলের অন্দরে। আজ, সন্ধ্যায় সেই নামই অবশেষে ঘোষণা করা হল। হিমাচল প্রদেশের নতুন মুখ্যমন্ত্রী (Himachal Pradesh New CM) হচ্ছেন সুখবিন্দর সিং সুখু (Sukhwinder Singh Sukhu)। কংগ্রেস হাইকমান্ডের (Congress high command) তরফে এমনই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে সূ্ত্র মারফত। খুব শীঘ্রই এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা হতে চলেছে। সুখবিন্দর সিং সুখুর নাম মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে চূড়ান্ত হওয়ার খবর পেতেই উ‍ৎসবে মেতে উঠেছেন তাঁর অনুগামীরা।

    হিমাচলের নয়া মুখ্যমন্ত্রী সুখবিন্দর সিং সুখু

    দলের অধিকাংশ বিধায়কের মতামতকে গুরুত্ব দিয়ে তিন বারের বিধায়ককেই মুখ্যমন্ত্রীর কুর্সিতে বসানোর (Himachal Pradesh New CM) সিদ্ধান্ত নিয়েছে কংগ্রেস শীর্ষ নেতৃত্ব। সূত্রের খবর অনুযায়ী, হিমাচল প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে সুখবিন্দর সিং সুখুর নাম অনুমোদন পেয়েছে কংগ্রেস হাইকমান্ডের বৈঠকে। অন্যান্য নেতা-নেত্রীদের সঙ্গে আলোচনার (discussion) পর শনিবার সন্ধ্যাতেই তাঁর নাম আনুষ্ঠানিক ভাবে ঘোষণা করা হবে বলেও জানা গেছে সূত্র মারফত। আবার জানা গিয়েছে, হিমাচল প্রদেশের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী প্রয়াত বীরভদ্র সিংয়ের ছেলে বিক্রমাদিত্য সিংকে বড় দায়িত্ব দেওয়া হবে।

    আরও পড়ুন: হিমাচলে মুখ্য়মন্ত্রীর পদের জন্য একাধিক দাবিদার, অস্বস্তিতে হাত শিবির

    সদ্য সমাপ্ত বিধানসভা ভোটে ৬৮ আসন বিশিষ্ট হিমাচল প্রদেশে ৪০ আসনে জিতেছে কংগ্রেস। শুক্রবারই মুখ্যমন্ত্রী বেছে নিতে সিমলায় নব নির্বাচিত কংগ্রেস বিধায়কদের সঙ্গে বৈঠকে বসেছিলেন ভূপেশ বাঘেল-রাজীব শুক্লারা। আরও জানা গিয়েছে, কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে গান্ধী পরিবারের সঙ্গে আলোচনা করেই সুখুর নাম অনুমোদন করা হয়েছে ও এই চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে আসা হয়েছে।

    উল্লেখ্য, এ বারের নির্বাচনে সুখু (Himachal Pradesh New CM) নাদৌন থেকে লড়েছিলেন। তিনি নাদৌনের বিধায়ক হওয়ার পাশাপাশি পাহাড়ি রাজ্যে বেশ কয়েকটি সাংগঠনিক পদেও দায়িত্ব পালন করেছেন। সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, আগামিকাল, রবিবারই হিমাচল প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী (Himachal Pradesh New CM) পদে শপথ নিতে পারেন প্রাক্তন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি।

    বিক্ষোভ প্রতিভার অনুগামীদের

    সূত্রের খবর অনুযায়ী, হিমাচলের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে সুখবিন্দরের নাম প্রায় চূড়ান্ত হয়ে যাওয়ার পরই কংগ্রেসের অন্দরে টানাপোড়েন শুরু হয়েছে। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বীরভদ্র সিংয়ের স্ত্রী তথা প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি প্রতিভার অনুগামীরা বিক্ষোভে নেমেছেন। কারণ জয় আসার পরে মুখ্যমন্ত্রীর পদের জন্য দাবিদার হিসাবে মুখ খুলেছিলেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বীরভদ্র সিং-এর স্ত্রী প্রতিভা সিং। ফলে মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে তিনিও ছিলেন। তবে তাঁর জায়গায় সুখুকে অনুমোদন দেওয়ায় শুরু হয়েছে বিক্ষোভ।

     

  • Bharat Jodo Yatra: ‘ভারত জোড় যাত্রা’য় বেরিয়ে চায়ে মজে রাহুল, বাইরে ঠায় দাঁড়িয়ে ফার্ম হাউসের মালকিন  

    Bharat Jodo Yatra: ‘ভারত জোড় যাত্রা’য় বেরিয়ে চায়ে মজে রাহুল, বাইরে ঠায় দাঁড়িয়ে ফার্ম হাউসের মালকিন  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত জোড় যাত্রায় (Bharat Jodo Yatra) বেরিয়েছেন কংগ্রেস (Congress) সাংসদ রাহুল গান্ধী (Rahul Gandhi)। এই যাত্রা নিয়ে বিতর্কের অন্ত নেই। যে যে রাজ্যের ভিতর দিয়ে এই পদযাত্রা গিয়েছে, সেই সেই রাজ্যেই রাহুলের ছায়ার মতো তাঁকে অনুসরণ করেছে বিতর্ক। অতি সম্প্রতি সেই তালিকায় যুক্ত হল আরও একটি বিতর্ক।

    যত কাণ্ড কোটায়…

    সম্প্রতি রাহুলের ভারত জোড় যাত্রার একটি ভিডিও প্রকাশ্যে আসে। তাতে দেখা যায়, রাজস্থানের কোটায় এক ফার্ম হাউসে গিয়েছেন রাহুল ও তাঁর দলবল। ফার্ম হাউসের ছাদে বসে রাহুল ও অন্য কংগ্রেস নেতারা চা ও স্ন্যাক্স খাচ্ছিলেন। সেই সময় ওই ফার্ম হাউসের মালকিনকে বাড়ির বাইরে থাকতে বাধ্য করা হয়েছিল বলে জানা গিয়েছে। মিনিট চল্লিশেক বাড়ির বাইরেই ঠায় দাঁড়িয়ে ছিলেন তিনি। আর কংগ্রেস নেতা কর্মীরা মজেছিলেন চায়ে। ভিডিও ফুটেজটি ৭ ডিসেম্বরের। কংগ্রেসের তরফে জানানো হয়েছে, রাহুলের নিরাপত্তার কারণে হয়তো নিরাপত্তারক্ষীরা একাজ করেছেন।

    আরও পড়ুন: ‘হিন্দু’ পার্সিয়ান শব্দ! কংগ্রেস নেতার ‘বিতর্কিত’ মন্তব্যে কড়া প্রতিক্রিয়া বিজেপির

    জানা গিয়েছে, রাহুলের ৩ হাজার ৫৭০ কিমি দীর্ঘ ভারত জোড় যাত্রা (Bharat Jodo Yatra) ঝালওয়ার থেকে ৫ সেপ্টেম্বর পৌঁছেছে রাজস্থানে। সেখানে যাত্রার দ্বিতীয় দিনে কোটায় টানা সাড়ে তিন ঘণ্টা পদযাত্রা করেন রাহুল। ক্ষণিক বিশ্রামের জন্য ৫২ নম্বর জাতীয় সড়কের ওপর গোপালপুরা গ্রামের লাদপুরা পঞ্চায়েত সমিতির ভাইস প্রেসিডেন্ট অশোক মিনার ফার্ম হাউসে ওঠেন। সেখানেই কিছুক্ষণ বিশ্রাম নেন তাঁরা। খান চা ও স্ন্যাক্স। রাহুল বাড়িতে যাওয়ার আগে বাড়ির বাইরে গিয়েছিলেন অশোকের মা ঊর্মিলা।

    আরও পড়ুন: গুজরাতসহ গোটা দেশকে ধ্বংস করেছে কংগ্রেস, প্রচার মঞ্চ থেকে নরেন্দ্র মোদি

    রাহুলরা যখন চা খাচ্ছিলেন, তখনই ফিরে আসেন তিনি। ব্যস। তার পর আর বাড়িতে ঢুকতে দেওয়া হয়নি তাঁকে। বাধা দেন নিরাপত্তারক্ষীরা। রাহুল ওই খামারবাড়িতে ছিলেন মিনিট চল্লিশেক। এই পুরো সময়টা ঊর্মিলাকে ঠায় দাঁড়িয়ে থাকতে হয় বাড়ির বাইরে। রাহুলের ভারত জোড় যাত্রায় (Bharat Jodo Yatra) পা মিলিয়েছিলেন নর্মাদা বাঁচাও আন্দোলনের নেত্রী মেধা পাটকর। তা নিয়েও বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছিল। রাহুলের পদযাত্রায় মেধা শামিল হওয়ায় কড়া সমালোচনা করেছিল বিজেপি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

  • NJC Bill: রাজ্যসভায় পেশ ন্যাশনাল জুডিশিয়াল বিল, কী আছে প্রস্তাবিত আইনে?

    NJC Bill: রাজ্যসভায় পেশ ন্যাশনাল জুডিশিয়াল বিল, কী আছে প্রস্তাবিত আইনে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সংসদের শীতকালীন অধিবেশন শুরু হয়েছে ৭ ডিসেম্বর, বুধবার। চলবে এ মাসেরই ২৯ তারিখ পর্যন্ত। শুক্রবার তৃতীয় দিনে রাজ্যসভায় পেশ হয় অভিন্ন দেওয়ানি বিধি বিল ২০২০। এটি একটি প্রাইভেট মেম্বার বিল। (NJC Bill) বিলটি পেশ করেন বিজেপির রাজস্থানের সাংসদ। এদিন রাজ্যসভায় একটি প্রাইভেট মেম্বার বিল পেশ করেন সাংসদ সিপিএমের (CPM) বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্যও (Bikash Ranjan Bhattacharya)।

    বিলের বক্তব্য…

    সুপ্রিম কোর্ট এবং হাইকোর্টগুলির বিচারপতিদের নিয়োগ নিয়ন্ত্রণ করতেই আনা হয়েছে বিলটি (NJC Bill)। বিলটিতে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে ন্যাশনাল জুডিশিয়াল কমিশন গঠনের। এই কমিশনই রেকমেন্ড করবেন কে হবেন সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি, কারা হবেন বিচারপতি, হাইকোর্টের বিচারপতিই বা কারা হবেন। এদিন ধ্বনিভোটে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়ার পর পেশ করা হয় ন্যাশনাল জুডিশিয়াল কমিশন বিল (national judicial commission bill) ২০২২। প্রস্তাবিত আইনটির উদ্দেশ্য হল, একটি জুডিশিয়াল স্ট্যান্ডার্ড তৈরি করা। বিচারকদের দায়িত্ব দেওয়া। একটি বিশ্বাসযোগ্য ও সমীচিন মেকানিজম তৈরি করা যাতে করে সুপ্রিম কোর্ট কিংবা হাইকোর্টের কোনও বিচারপতির বিরুদ্ধে যদি অসদাচরণ অথবা অদক্ষতার অভিযোগ ওঠে, তাহলে তদন্তের কাঠামো তৈরি করা। কোনও বিচারপতিকে সরিয়ে দেওয়া সংক্রান্ত বিষয়ে সংসদের আলোচনা রাষ্ট্রপতির কাছে তুলে ধরার বিষয়টিও প্রস্তাব করা হয়েছে ওই বিলে।

    আরও পড়ুন: ‘মোদি বিশ্বের কণ্ঠস্বর, উন্নয়নশীল দেশগুলির স্বর ভারত’, বললেন জয়শঙ্কর

    সিপিএম সাংসদ বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্যের (Bikash Ranjan Bhattacharya) ন্যাশনাল জুডিশিয়াল কমিশন বিল (NJC Bill) ২০২২ এর বিরোধিতা করেন আম আদমি পার্টির সাংসদ রাঘব চাড্ডা। তাঁর যুক্তি, ন্যাশনাল জুডিশিয়াল কমিশনের যে ধারণা, সেই বিষয়টি তিনবার বিবেচনা করেছে দেশের শীর্ষ আদালত। বিচারপতিদের স্বাধীনতায় গুরুত্ব দিয়ে তিনবারই সেটি খারিজ করে দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। চাড্ডা বলেন, আমরা এমন একটা কাজ করার চেষ্টা করছি, যা সাংবিধানিকভাবে অসম্ভব। আম আদমি পার্টির সাংসদ বলেন, আমার মতে বর্তমানে বিচারপতিদের নিয়োগের ক্ষেত্রে যে কলেজিয়াম প্রথা রয়েছে, তা ভালভাবেই চলছে। এই প্রথায় কিছু ইমপ্রুভমেন্ট করার সুযোগও থাকতে পারে। যা বিচারব্যবস্থার সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতে করা যেতে পারে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Jaishankar: ‘মোদি বিশ্বের কণ্ঠস্বর, উন্নয়নশীল দেশগুলির স্বর ভারত’, বললেন জয়শঙ্কর

    Jaishankar: ‘মোদি বিশ্বের কণ্ঠস্বর, উন্নয়নশীল দেশগুলির স্বর ভারত’, বললেন জয়শঙ্কর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সীমান্তপারের সন্ত্রাস নিয়ে শুক্রবার ফের একবার সুর চড়ালেন ভারতের (India) বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর (S Jaishankar)। এশিয়া কাপ ২০২৩ নিয়ে বিসিসিআই (BCCI) এবং পিসিবি (PCB)-র বিতর্ক চলছে। কারণ বিসিসিআইয়ের তরফে ঘোষণা করা হয়েছে ভারতীয় ক্রিকেট খেলোয়াড়রা পাকিস্তানে যাবেন না। এই প্রসঙ্গেই ভারতের বিদেশমন্ত্রী বলেন, টুর্নামেন্ট হবে। এ নিয়ে আপনারা সরকারের অবস্থান জানেন। দেখা যাক, কী হয়!

    জয়শঙ্কর উবাচ…

    ভারতের বিদেশমন্ত্রী বলেন, আমি আবারও বলতে চাই যে আমাদের এটা গ্রহণ করা উচিত হবে না যে কোনও একটি দেশের সন্ত্রাসবাদে মদত দেওয়ার অধিকার রয়েছে। এটাকে বৈধতা দিতে হবে। আর তা করতে গেলে ওই দেশটির ওপর আন্তর্জাতিক চাপ সৃষ্টি করতে হবে। এই চাপ ততক্ষণ জারি থাকবে যতক্ষণ না সন্ত্রাসবাদের বলি যাঁরা হয়েছেন, তাঁদের পরিবার সুর চড়াবেন। জয়শঙ্কর বলেন, এ ব্যাপারে আমাদের নেতৃত্ব দিতে হবে। কারণ সন্ত্রাসবাদের কারণে আমরা রক্তাক্ত হয়েছি।

    প্রতিবেশী দেশ পাকিস্তানের সঙ্গে ভারত এখনই কোনও আলোচনায় যেতে রাজি নয় বলে এদিন ফের একবার জানিয়ে দেন জয়শঙ্কর। ভারতের বিদেশমন্ত্রী বলেন, এটা একটা জটিল বিষয়। প্রতিবেশী যদি লজ্জা না করে সন্ত্রাসবাদে মদত দেয়, তাহলে কী করবেন? মাথায় বন্দুক ধরলে আপনি কী করবেন? যদি আপনার প্রতিবেশী প্রকাশ্যে সন্ত্রাসবাদে মদত দেয়…এবং এ ব্যাপারে কোনও রহস্য নেই, কারা এর নেতৃত্ব দিচ্ছে, তাদের শিবিরই বা কোথায়। জয়শঙ্কর (S Jaishankar) বলেন, আমাদের কখনওই ভাবা উচিত নয় যে সীমান্তপারের সন্ত্রাস স্বাভাবিক।

    আরও পড়ুন: ‘রাশিয়া থেকে তেল আমদানি নিয়ে দু’ রকম কথা বলছে পশ্চিম’, বললেন জয়শঙ্কর

    তিনি বলেন, আমাকে আর একটা উদাহরণ দিন, যেখানে আর কোনও প্রতিবেশী দেশ তার পড়শি দেশের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসে মদত দিচ্ছে। জয়শঙ্কর বলেন, এমন কোনও উদাহরণ নেই। এক দিক থেকে এটা অস্বাভাবিক নয়, তবে ব্যতিক্রম। তিনি বলেন, আমরা চাই পাকিস্তান সন্ত্রাসবাদের রাস্তা থেকে সরে আসুক। কারণ কোনও দেশের অধিকার নেই সন্ত্রাস করার। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ প্রসঙ্গে জয়শঙ্কর (S Jaishankar) বলেন, আমরা চাই শান্তি আসুক। যুদ্ধ থামুক। তেলের দাম, অন্য পণ্যের দাম কমুক। তিনি বলেন, ভারত ও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বিশ্বের কণ্ঠস্বর হয়ে গিয়েছে। উন্নয়নশীল দেশগুলির স্বর হয়েছে ভারত।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     
     
  • Uniform Civil Code: অভিন্ন দেওয়ানি বিধি বিল পেশ রাজ্যসভায়, বিরোধীদের আপত্তি খারিজ ধ্বনিভোটে

    Uniform Civil Code: অভিন্ন দেওয়ানি বিধি বিল পেশ রাজ্যসভায়, বিরোধীদের আপত্তি খারিজ ধ্বনিভোটে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অভিন্ন দেওয়ানি বিধি (Uniform Civil Code) বিল ২০২০ পেশ করা নিয়ে হইচই রাজ্যসভায় (Rajya Sabha)। বুধবার শুরু হয়েছে সংসদের শীতকালীন অধিবেশন। এই অধিবেশনের তৃতীয় দিনে রাজ্যসভায় বিলটি পেশ করেন রাজস্থানের সাংসদ বিজেপির (BJP) কিরোডি লাল মিনা। তার পরেই রাজ্যসভায় শুরু হয়ে যায় বিশৃঙ্খলা।

    অভিন্ন দেওয়ানি বিধি…

    অভিন্ন দেওয়ানি বিধি (Uniform Civil Code) হল দেশের সব নাগরিকের জন্য এক আইন। দেশের সব ধর্মীয় সম্প্রদায়ের ব্যক্তিগত ক্ষেত্রেও একই আইন কার্যকর হবে। উত্তরাধিকার, বিবাহ, বিবাহ বিচ্ছেদ এবং সন্তান দত্তক নেওয়ার ক্ষেত্রেও দেশের সব নাগরিককেই একই আইন মেনে চলতে হবে। ভারতীয় সংবিধানের ৪৪ নম্বর অনুচ্ছেদে এর উল্লেখ রয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, ভারতে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি লাগু করতে উদ্যোগ নিতে হবে রাষ্ট্রকে। বিলটি পেশের পরেই হইচই শুরু করে দেন বিরোধীরা। বিলের বিরোধিতায় তিনটি প্রস্তাবও উত্থাপন করা হয়। সেই প্রস্তাবে বলা হয়েছে, অভিন্ন দেওয়ানি বিধি কার্যকর হলে তা দেশের অখণ্ডতাকে বিঘ্নিত করবে এবং দেশের বৈচিত্র্যময় সংস্কৃতিকেও আঘাত করবে।

    জানা গিয়েছে, প্রাইভেট মেম্বার বিল হিসেবে বিলটি পেশ করতেই হইচই জুড়ে দেয় কংগ্রেস, তৃণমূল, সিপিএম, সিপিআইয়ের মতো দলের সাংসদরা। তাঁদের দাবি, বিলটি ভারতের গণতান্ত্রিক ও সাংবিধানিক কাঠামোকে ধ্বংস করবে। বিলটি ভারতের সংস্কৃতির পরিপন্থী বলেও দাবি তাঁদের। এই সময় বলতে ওঠেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী পীযূষ গয়াল। তিনি বলেন, অধিবেশনের এটা নিয়ে আলোচনা হোক। এই অবস্থায় সরকারের সমালোচনা ও বিলের বিরোধিতার কোনও অর্থ হয় না। এর পরেই চেয়ারম্যান জগদীপ ধনখড় ধ্বনিভোট করান। তাতে দেখা যায়, বিলের পক্ষে সায় দিয়েছেন ৬৩ জন। বিপক্ষে পড়েছে ২৩টি ভোট।

    আরও পড়ুন: ‘সবাই একটাই বিয়ে করবে’, অভিন্ন দেওয়ানি বিধি কার্যকরে কমিটি গড়ে বললেন চৌহান

    রাজ্যসভার সাংসদ সিপিএমের জন বিট্টাস বলেন, অভিন্ন দেওয়ানি বিধি (Uniform Civil Code) অপ্রয়োজনীয় এবং তা কাম্য নয়। ডিএমকের সাংসদ তিরুচি সিভার দাবি, অভিন্ন দেওয়ানি বিধির ধারণাটি ধর্মনিরপেক্ষতার বিরোধী। আর বিজেপি সাংসদ হরনাথ সিংহ যাদব দেশজুড়ে অভিন্ন দেওয়া বিধি চালু করা নিয়ে আলোচনার প্রস্তাব দিয়ে জিরো আওয়ার নোটিশ দেন। প্রসঙ্গত, অতীতে বিলটি পেশ করার জন্য তালিকাভুক্ত করা হলেও, রাজ্যসভায় পেশ করা হয়নি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Cyclone Mandous: তামিলনাড়ুর উপকূলে আছড়ে পড়েছে মন্দৌস, দুর্যোগের কবলে চেন্নাই

    Cyclone Mandous: তামিলনাড়ুর উপকূলে আছড়ে পড়েছে মন্দৌস, দুর্যোগের কবলে চেন্নাই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুক্রবার মধ্যরাতে তামিলনাড়ুর উপকূলে আছড়ে পড়ে শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় মন্দৌস (Cyclone Mandous)। রাত দেড়টা নাগাদ পুদুচেরি ও শ্রীহরিকোটার মধ্যে আছড়ে পড়েছে ঘূর্ণিঝড়টি। ল্যান্ডফলের সময় ঘূর্ণিঝড়ের সর্বোচ্চ বেগ ছিল ঘণ্টায় ৮৫ কিলোমিটার। শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়ের দাপটে প্রায় দুশোটি গাছ উপড়ে পড়েছে তামিলনাড়ুর উপকূল সংলগ্ন এলাকায়। ভারী বৃষ্টির জেরে জল জমেছে বিভিন্ন এলাকায়। একাধিক ট্রেন বাতিল হয়েছে, বাতিল করা হয়েছে বিমানও।      

    হাওয়া অফিস জানিয়েছে, ল্যান্ডফলের পরেই শক্তি কমতে শুরু করে মন্দৌস (Cyclone Mandous)। এখন তা আবার দুর্বল নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে। চেঙ্গালপাট্টু জেলা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। ইস্ট কোস্ট রোড ও জিএসটি রোডে গাছ উপড়ে পড়ায় যান চলাচল ব্যহত হয়েছে।

    ব্যহত হয়েছে ট্রেন-বিমান  

    ঘূর্ণিঝড়ের (Cyclone Mandous) জেরে টানা বৃষ্টিপাত হচ্ছে চেন্নাইতে। একাধিক এলাকা জলমগ্ন। ১৩টি ডোমেস্টিক ও ৩টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। ট্রেন চলাচলও আপাতত বন্ধ রয়েছে। আবহাওয়া দফতরের তরফে জানানো হয়েছে, ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাব পড়বে তামিলনাড়ু, পুদুচেরি ও অন্ধ্রপ্রদেশে। ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস জারি করা হয়েছে তামিলনাড়ু ও পুদুচেরিতে। বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে সমস্ত স্কুল-কলেজ এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। মৎস্যজীবীদের গভীর সমুদ্রে যেতে নিষেধ করা হয়েছে। ট্রলার ও নৌকাগুলিকে মাঝসমুদ্র থেকে ফিরে আসার পরামর্শ দিয়েছে হাওয়া অফিস।

    আরও পড়ুন: ওএমআর শিটে কারচুপির প্রচুর প্রমাণ সিবিআইয়ের হাতে, রিপোর্ট পেশ হাইকোর্টে

    তামিলনাড়ু, পুদুচেরি এবং অন্ধ্রপ্রদেশে চূড়ান্ত সতর্কতা অবলম্বন করা হয়েছে। এনডিআরএফ বাহিনীও মোতায়েন করা হয়েছে কেন্দ্রের তরফ থেকে। ১৬৯ টি ত্রাণ শিবির স্থাপন করা  হয়েছে। এই ঘূর্ণিঝড়ের (Cyclone Mandous) খুব বেশি প্রভাব পড়েনি বাংলায়। আকাশ মেঘলা থাকলেও বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই। প্রত্যক্ষ প্রভাব না পড়লেও পরোক্ষ প্রভাব থাকবে। 

    তামিলনাড়ুর বিভিন্ন এলাকায় বৃষ্টিপাত চলছে। আপাতত মহাবলীপুরম ও তার আশেপাশের অঞ্চলে এই ঝড়ের (Cyclone Mandous) প্রভাব রয়েছে। রাস্তায় চলাচলের ক্ষেত্রে বিভিন্ন সতর্কতা জারি করেছে ট্রাফিক পুলিশ। সিরুমালাই এবং কোদাইকানালে স্কুল-কলেজ বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ট্রেন বাতিল হতে পারে বলেও সতর্ক করেছে চেন্নাই রেলওয়ে।

    ১৬০০০ পুলিশ এবং ১৫০০ হোমগার্ডকে মোতায়েন করা হয়েছে। ‘মন্দৌস’ (Cyclone Mandous) একটি আরবি শব্দ। এই শব্দের অর্থ গুপ্তধনের বাক্স। এই ঘূর্ণিঝড়টির নাম দিয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরশাহি। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।    

                                                                                   

     

  • Halal: হালাল জিহাদ নিয়ে সচেতনতামূলক প্রচার হায়দ্রাবাদে, কেন জানেন?

    Halal: হালাল জিহাদ নিয়ে সচেতনতামূলক প্রচার হায়দ্রাবাদে, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হিন্দুধর্ম বাঁচাতে হলে সচেতন হতে হবে হিন্দুদের (Hindus)। তাই হিন্দুদের সচেতন করতে হায়দ্রাবাদে (Hyderabad) পথে নামল হিন্দুত্ববাদী বিভিন্ন সংগঠন। প্রচার চালাল হালাল (Halal) জিহাদ (Jihad) নিয়েও। হিন্দু সম্প্রদায় ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে হালাল জিহাদ কী, ব্যাখ্যা করলেন তাও। সম্প্রতি এরকমই একটি প্রোগ্রাম হয়ে গেল কাচিগুডার বদরুকা কলেজে।

    হালাল…

    সচেতনতামূলক প্রচার হিসেবে একটি বার্তা পাঠানো হয়েছে। তাতে বলা হয়েছে, হালালের বিরুদ্ধে আমাদের ধর্মযুদ্ধ চলছেই। এই হালাল হিন্দু বিশেষত হিন্দু ব্যবসায়ীদের অর্থনীতিকে ধ্বংস করছে। আমাদের বুঝতে হবে হালাল সম্পর্কে না জেনেই কীভাবে আমরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছি। তাই গ্রুপে জয়েন করুন। আমাদের উদ্বেগের কারণ বুঝুন। এবং হালাল নামক দৈত্যকে শেষ করে দিন। হাতে গোণা অল্প কিছু হিন্দুত্ববাদী গোষ্ঠী হালাল প্রোডাক্ট নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। এই হালালই এখন বাজার কাঁপিয়ে বেড়াচ্ছে। হালাল প্রোডাক্ট নিয়ে সুর চড়াচ্ছে ভারতীয় জনতা পার্টি। কারণ এই হালাল প্রোডাক্টই সর্বনাশ ডেকে আনছে হিন্দু ব্যবসায়ীদের।

    আরও পড়ুন: ‘রামমন্দির নির্মাণ বন্ধ করে অযোধ্যায় বাবরি গড়ুন’, ভারতকে বলল পাকিস্তান, কী জবাব দিল নয়াদিল্লি?

    এবার জেনে নেওয়া যাক হালাল কী? ইসলামিক রীতিতে ভোগের উদ্দেশ্যে কোনও প্রাণী হত্যা করা একটি বিশেষ পদ্ধতিতে। এই পদ্ধতিতে প্রাণীটির গলা কাটা হয় আড়াই প্যাঁচে। এতে কাটা পড়ে প্রাণীটির জাগুলার ভেন, ক্যারোটিড আর্টারি এবং শ্বাসনালী। প্রাণীটিকে হত্যার আগে করা হয় প্রার্থনা। এই কারণে মুসলিমদের কাছে হালাল করা মাংসের চাহিদা বিপুল। বিশেষত যাঁরা গোঁড়া মুসলমান, তাঁরা হালাল করা মাংস ছাড়া খান না। সেই কারণেই বিভিন্ন দোকানে লেখা থাকে এখানে হালাল করা মাংস পাওয়া যায়।

    মুসলিমদের কাছে হালাল করা মাংস যে কারণে জনপ্রিয়, সেই ধর্মীয় কারণেই হিন্দু ব্যবসায়ীদের সিংহভাগ হালাল করা মাংস বিক্রি করেন না। বিশ্বের মুসলিম দেশগুলিতে হালাল করা মাংসের চাহিদা ক্রমবর্ধমান। স্বাভাবিকভাবেই মার খাচ্ছেন হিন্দু মাংস ব্যবসায়ীরা। তাঁরা না পারছেন হালাল করা প্রোডাক্ট বিক্রি করতে, না খুঁজে পাচ্ছেন ব্যবসার অন্য কোনও পন্থা। সেই কারণেই হিন্দু ব্যবসায়ীদের সচেতন করতে করা হচ্ছে নানা প্রোগ্রাম।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Ram Temple: ‘রামমন্দির নির্মাণ বন্ধ করে অযোধ্যায় বাবরি গড়ুন’, ভারতকে বলল পাকিস্তান, কী জবাব দিল নয়াদিল্লি?

    Ram Temple: ‘রামমন্দির নির্মাণ বন্ধ করে অযোধ্যায় বাবরি গড়ুন’, ভারতকে বলল পাকিস্তান, কী জবাব দিল নয়াদিল্লি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফয়সালা হয়ে গিয়েছে সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court)। অযোধ্যায় রামের (Lord Ram) জন্মস্থানেই গড়ে উঠছে রামমন্দির (Ram Temple)। এক সময় ওই জায়গায় ছিল বাবরি মসজিস। সেই মসজিদ কমিটিকে অযোধ্যারই অন্যত্র জমি দেওয়া হয়েছে। রামের জন্মভূমিতে যেমন রামমন্দির নির্মাণের কাজ চলছে, বাবরি মসজিদ কমিটিকে যেখানে জমি দেওয়া হয়েছে, কাজ চলছে সেখানেও। এমতাবস্থায় আমরা পেরিয়ে এলাম আরও একটা ৬ ডিসেম্বর। এদিনই ভারতের প্রতিবেশী দেশ পাকিস্তান ভারতকে বলেছে, রামমন্দির গড়া বন্ধ রাখতে। ওই জায়গায় তৈরি হোক বাবরি মসজিদ। দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে পাকিস্তানের নাক গলানোকে ভাল চোখে দেখছে না নয়াদিল্লি। ভারতে যে ধর্মীয় স্বাধীনতা রয়েছে, ইসলামাবাদকে তাও স্পষ্ট করে জানিয়ে দিয়েছে নরেন্দ্র মোদির সরকার।

    বাবরি মসজিদ…

    ৬ ডিসেম্বর বাবরি মসজিদ ভাঙার পূর্তি দিবস। এদিনই ভারতকে মন্দির নির্মাণ বন্ধ রেখে ওই জায়গায় বাবরি মসজিদ গড়ে তুলতে বলেছে পাকিস্তান। ভারতে মুসলমানদের ধর্মীয় স্বাধীনতা নেই বলেও দাবি করেছে পাকিস্তানের বিদেশমন্ত্রক। ভারতে ধর্মীয় সংখ্যালঘুরা যে স্বধর্ম পালন করেন ইসলামাবাদকে সেকথা জানিয়ে দিয়েছে নয়াদিল্লি। কেবল তাই নয়, পাকিস্তানের বিভিন্ন জায়গায় যে মন্দির এবং গুরুদ্বার ভেঙে মসজিদ গড়ে তোলা হয়েছে, সেকথাও শাহবাজ শরিফের সরকারকে মনে করিয়ে দিয়েছে নরেন্দ্র মোদির সরকার। পাকিস্তানে যে ধর্মীয় সংখ্যালঘুরা নিরন্তর হুমকির মুখে পড়ছেন, সেকথাও বারংবার জানিয়েছে নয়াদিল্লি। পাকিস্তানে যাতে ধর্মীয় সংখ্যালঘুরা ভাল থাকেন, সেই বিষয়টি যেন পাক সরকার নিশ্চিত করে, এমন অনুরোধও করেছে ভারত।

    আরও পড়ুন: ‘দাতব্য স্বাগত, তবে দানের উদ্দেশ্য অবশ্যই ধর্মান্তকরণ নয়, সাফ জানাল সুপ্রিম কোর্ট

    এদিকে, জোরকদমে চলছে রামমন্দির (Ram Temple) নির্মাণের কাজ। মন্দির গড়ছে শ্রীরাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্ট। ২০২৩ সালের ডিসেম্বর মাসের মধ্যে মন্দির নির্মাণের কাজ শেষ হওয়ার কথা। তার আগে চলছে মন্দিরের গর্ভগৃহ নির্মাণের নকসা ঘিরে উদ্যোগ। জানা গিয়েছে, রাজস্থান থেকে ইতিমধ্যেই বিশেষ ধরনের পাথর এসে পৌঁছেছে রাম মন্দির নির্মাণর জন্য। মন্দিরের ট্রাস্টের জেনারেল সেক্রেটারি চম্পত রাই জানান, ইতিমধ্যেই রামমন্দিরের গর্ভগৃহটি বিশেষ জ্যামিতিক আকারে তৈরি হচ্ছে। তিনি বলেন, গর্ভগৃহটি এমনভাবে নির্মিত হবে যে প্রতি রামনবমীতে দুপুরে সূর্যের আলো এসে সরাসরি পড়বে রামলালার ওপরে। এও জানা গিয়েছে, রাজস্থানের বানসি পাহাড়পুর থেকে বিশেষ বেলে পাথর নিয়ে এসে ওই গর্ভগৃহ তৈরি হবে। ৪.৭৫ কিউবিক ফুটের ওই বেলেপাথর দিয়েই তৈরি হবে মন্দিরের গর্ভগৃহ। ২০২৪ সালের জানুয়ারি মাসে মন্দিরের (Ram Temple) দরজা খুলে যাবে ভক্তদের জন্য।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Cyclone Mandous: আজ মধ্যরাতেই উপকূলে আছড়ে পড়বে ঘূর্ণিঝড় মন্দৌস, লাল সতর্কতা জারি তামিলনাড়ুতে

    Cyclone Mandous: আজ মধ্যরাতেই উপকূলে আছড়ে পড়বে ঘূর্ণিঝড় মন্দৌস, লাল সতর্কতা জারি তামিলনাড়ুতে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত কয়েকদিন ধরেই চর্চায় রয়েছে ঘূর্ণিঝড় ‘মন্দৌস’ (Cyclone Mandous)। এই ঘূর্ণিঝড় নিয়ে বার বার সতর্কতা জারি করা হয়েছে। আবহাওয়া দফতর সূত্রের খবর, তামিলনাড়ুর উপকূলের দিকে ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড়টি। বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে স্কুল-কলেজ। হাওয়া অফিসের তরফ থেকে আগেই তামিলনাড়ুর ১৩ টি জেলায় ৭ থেকে ১০ ডিসেম্বর পর্যন্ত ভারি থেকে অতিভারি বৃষ্টির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছিল। ভারি বৃষ্টির সম্ভাবনায় ১৩ টি জেলায় লাল সতর্কতাও জারি করা হয়েছে। তারমধ্যে রয়েছে চেন্নাই, তিরুভেল্লুর, চেঙ্গালপট্টু, ভেলোর রানিপেট্টাই, কাঞ্চিপূরম। এনডিআরএফ- এর দল ইতিমধ্যেই প্রস্তুত। তারা ১০টি জেলায় ছড়িয়ে রয়েছেন। 

    আরও পড়ুন: ‘‘১২, ১৪, ২১… খেয়াল রাখুন, দেখুন কী হয়’’, নিশানায় রাজ্য! কীসের ইঙ্গিত শুভেন্দুর?

    নির্দেশিকা জারি সরকারের 

    তৎপর রয়েছে তামিলনাড়ু সরকারও। সূত্রের খবর, আজ মধ্যরাতেই চেন্নাই উপকূল পেরোবে ঘূর্ণিঝড় মন্দৌস (Cyclone Mandous)। ইতিমধ্যেই ভারি বৃষ্টি শুরু হয়েছে রাজ্যে। ভারি থেকে অতিভারি বৃষ্টির আশঙ্কায় আজ চেন্নাই, তিরুইভাল্লুর, ভেলোরসহ ১২ জায়গায় স্কুল, কলেজ বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে সরকারের পক্ষ থেকে। রাজ্যের উত্তরাঞ্চলে সকাল থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাত হচ্ছে। সমুদ্র তীরে যাওয়ার ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। উপকূলের সমস্ত দোকান বন্ধ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশ পর্যন্ত পার্কে, ময়দানে যাওয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। গাছের নিচে গাড়ি পার্ক করতেও নিষেধ করা হয়েছে। শুক্রবার ভোরে চেন্নাই ৫২.৫ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে। গোটা শহর বিপর্যস্ত।

    শুক্রবার মাঝরাতে উপকূলে আছড়ে পড়বে ঘূর্ণিঝড়টি। শ্রীহরিকোটায় ঘণ্টায় ৬৫ থেকে ৭৫ কিলোমিটার বেগে বইতে শুরু করেছে ঝোড়ো হাওয়া। কারাইকাল উপকূল থেকে ২৭০ কিলোমিটার দূরে অবস্থান করছে মন্দৌস (Cyclone Mandous)।

    পরিস্থিতি (Cyclone Mandous) সামাল দিতে ইতিমধ্যেই একগুচ্ছ গাইডলাইন জারি করেছে তামিলনাড়ু সরকার। প্রয়োজন ছাড়া কাউকে বাড়ির বাইরে বেরোতে নিষেধ করা হয়েছে। বাড়িতে শুকনো খাবার মজুত করে রাখতে বলা হয়েছে। সেই সঙ্গে মোমবাতি, ব্যাটারি টর্চ মজুত রাখতে বলা হয়েছে। মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধ করা হয়েছে। হাসপাতালগুলিকেও সতর্ক করা হয়েছে। ইতিমধ্যে সেচ দফতর একাধিক জায়গায় অতিরিক্ত জল ছাড়ার সতর্কতা জারি করেছে। 

    ৫০৯৩টি ত্রাণ শিবির খোলা হয়েছে। শুধু চেন্নাইতেই ১৬৯টি ত্রাণ শিবির খোলা হয়েছে। ইতিমধ্যেই সমুদ্রে জলোচ্ছ্বাস (Cyclone Mandous) শুরু হয়ে গিয়েছে। পণ্ডিচেরি, চেঙ্গালপেট্টু, ভিল্লুপুরম, কাঞ্চিপুরমে অতিভারি বৃষ্টি শুরু হয়ে গিয়েছে।  

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

LinkedIn
Share