Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Lucknow: মর্মান্তিক! মালাবদলের সময়েই মারা গেলেন এক কনে, কী এমন হল?

    Lucknow: মর্মান্তিক! মালাবদলের সময়েই মারা গেলেন এক কনে, কী এমন হল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিয়ের অনুষ্ঠান শুরু হয়ে গিয়েছে। চারিদিকে আনন্দের পরিবেশ। মালাবদলের অনুষ্ঠান সবে শুরু হবে। কিন্তু এই ধুমধাম করে বিয়ের আনন্দ এক নিমেষের মধ্যে মিলিয়ে গেল চোখের জলে। জয়মালা বা বরমাল্য পরিণত হল মৃতদেহের মালায়। মালাবদলের সময় আচমকাই মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়লেন সদ্য কুড়িতে পা রাখা এক কনে। যা দেখে শোকস্তব্ধ হয়ে পড়ে গোটা গ্রাম। ঘটনাটি ঘটেছে শনিবার রাতে, লখনউয়ের (Lucknow) মালিহাবাদের (Malihabad) ভাদোয়ানা (Bhadwana) গ্রামে। আনন্দের মুহূর্তেই নেমে আসে শোকের ছায়া। এক মর্মান্তিক পরিণতির সাক্ষী থাকলেন বিয়েবাড়িতে হাজির অতিথিরা।

    কী ঘটেছিল?

    সূত্রের খবর অনুযায়ী, সানাই, বাজনা, পটকা, আলোর রোশনাই-এর মাঝে বিয়ের অনুষ্ঠানের সব রীতি হচ্ছিল। এরপর সময় আসে মালাবদলের। উপস্থিত প্রত্যেকের মুখে হাসি। কিন্তু পরমুহূর্তেই তা পরিণত হয়ে যায় কান্নায়। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই কনের নাম শিবাঙ্গী শর্মা। মালাবদলের সময়ই হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয় কনের।  

    মালিহাবাদ থানা জানিয়েছে, তারা ঘটনাটি সামাজিক মাধ্যম সূত্র জানতে পেরে ওই এলাকায় পুলিশ পাঠিয়েছিল (Lucknow)। স্থানীয় সূত্রে পুলিশ জানতে পারে, গ্রামের বাসিন্দা রাজপালের মেয়ে শিবাঙ্গীর সঙ্গে বিবেক নামে এক যুবকের বিয়ে হচ্ছিল। কনেকে মণ্ডপে নিয়ে এলে তিনি বরকে মালা পরানোর সময়েই মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। সেখানে উপস্থিত বহু লোকই সেই দৃশ্য মোবাইল ক্যামেরায় বন্দি করছিলেন।

    কনেকে সেই অবস্থায় দেখে হইচই পড়ে যায়। এরপর তাঁকে সঙ্গে সঙ্গে স্থানীয় স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখান থেকে তাঁকে ট্রমা সেন্টারে রেফার করা হলেও রাস্তায় যাওয়ার পথেই তাঁর মৃত্যু হয়। ফলে বিয়ের মণ্ডপে এমন ঘটনা সত্যিই মর্মান্তিক। যে মেয়েকে বধূ রূপে বরণ করে ঘরে তোলার কথা ছিল, তাঁকেই মণ্ডপ থেকে তুলে নিয়ে যাওয়া হল শশ্মানে (Lucknow)।  

    সূত্রের খবর অনুযায়ী, জানা গিয়েছে, মেয়েটি গত ১৫-২০ দিন ধরে অসুস্থ ছিলেন এবং তাঁর জ্বর ছিল। ডাক্তার বলেছিলেন তাঁর রক্তচাপ কম, কিন্তু এক সপ্তাহ আগে সে সুস্থ হয়ে উঠেছিলেন। কিন্তু বিয়ের দিন সে আবার অসুস্থ হয়ে পড়লে তাঁকে মালিহাবাদ সিএইচসিতে নিয়ে যাওয়া হয়, সেখানে তাঁর রক্তচাপ কম পাওয়া যায়। তাঁকে ওষুধ দেওয়া হয়েছিল এবং তার রক্তচাপ স্বাভাবিক হলে তাঁকে বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু বিয়ের সময় তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন এবং মারা যান (Lucknow)।

  • Navy Day: নৌ দিবসের অনুষ্ঠান বিশাখাপত্তনমে, অভিনন্দন প্রধানমন্ত্রীর

    Navy Day: নৌ দিবসের অনুষ্ঠান বিশাখাপত্তনমে, অভিনন্দন প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এই প্রথম নৌ দিবসের (Navy Day) অনুষ্ঠান হবে দিল্লির বাইরে, বিশাখাপত্তনমে। সম্মানীয় অতিথি হিসেবে ওই অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু (Draupadi Murmu)। প্রতি বছরই দিনটি পালিত হয় মর্যাদার সঙ্গে। এবারও হবে। ১৯৭১ সালে ভারত-পাক যুদ্ধ (India Pak War) অপারেশন ট্রাইডেন্টের সাফল্য স্মরণ করে ফি বছর দিনটি পালিত হয়।

    নৌ দিবস…

    নৌ দিবস উপলক্ষে অভিনন্দন জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং। ট্যুইটবার্তায় প্রধানমন্ত্রী লেখেন, নৌ দিবস উপলক্ষে নৌ ব্যক্তিত্ব এবং তাঁদের পরিবারকে শুভেচ্ছা জানাই। আমাদের সমৃদ্ধ নৌবাহিনীর ইতিহাসের কারণে আমরা, ভারতবাসী হিসেবে গর্বিত। তিনি আরও লিখেছেন, ভারতীয় নৌবাহিনী প্রাণপণে আমাদের দেশকে রক্ষা করছে। চ্যালেঞ্জের সময় একে আলাদা করে চেনা যায়। ট্যুইটারে যে মেসেজ শেয়ার করেছেন প্রধানমন্ত্রী, তার অডিও মেসেজও দিয়েছেন তিনি।

    নৌ দিবস (Navy Day) উপলক্ষে ট্যুইট করেছেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং-ও। অনুষ্ঠানের একটি ভিডিও-ও শেয়ার করেছেন তিনি। ট্যুইটবার্তায় রাজনাথ লেখেন, সব নৌ ব্যক্তিত্বকে নৌ দিবসের শুভেচ্ছা। দেশ রক্ষার ব্যাপারে ভারতীয় নৌবাহিনী সর্বদা সামনের সারিতে। নৌবাহিনীর সাহস, দায়বদ্ধতা ও পেশাদারিত্বে দেশ গর্বিত।

    আরও পড়ুন: সিবিআইয়ের জালে বগটুইকাণ্ডের মূল অভিযুক্ত লালন শেখ, কোথায় ধরা পড়ল জানেন?

    বিশাখাপত্তনমে সম্মানীয় অতিথি রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু ও অন্যান্য অভ্যাগতদের স্বাগত জানাবেন নৌবাহিনীর প্রধান। সরকারের তরফে জারি করা এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, ভারতীয় যুদ্ধ জাহাজ, সাবমেরিনস, এয়ারক্রাফ্ট এবং পূর্বাঞ্চল, পশ্চিমাঞ্চল এবং দক্ষিণাঞ্চলের নৌ প্রধানরা ভারতীয় নৌবাহিনীর দক্ষতা ও বৈচিত্র্য তুলে ধরবেন। এই ইভেন্ট প্রদর্শিত হবে সানসেট সেরিমনি হিসেবে। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, সাধারণ মানুষ যাতে নৌবাহিনী সম্পর্কে আরও বেশি করে আগ্রহী হন, তাঁরা যাতে নৌবাহিনীর ইতিহাস সম্পর্কে সচেতন হন, তাই এই অনুষ্ঠানের আয়োজন। দেশ রক্ষায় নৌবাহিনীর অবদান স্মরণ করিয়ে দেওয়াও এই অনুষ্ঠানের আরও একটি উদ্দেশ্য।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Shraddha Murder Case: খোশমেজাজে জেলবন্দি আফতাব! দিন কাটছে দাবা খেলে, বই পড়ে

    Shraddha Murder Case: খোশমেজাজে জেলবন্দি আফতাব! দিন কাটছে দাবা খেলে, বই পড়ে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লিভ-ইন পার্টনার শ্রদ্ধা ওয়ালকরকে (Shraddha Murder Case) নৃশংসভাবে খুন করে, দেহ ৩৫ টুকরো করেছিল আফতাব আমিন পুলাওয়ালা। ফলে তিহার জেলে দিন কাটছে আফতাবের। তবে কোনওরকমের অনুশোচনা নেই তার। খোশমেজাজেই দিন কাটছে তার। জেলে দিন কাটছে দাবা খেলে ও বই পড়ে। জেল কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা গিয়েছে, জেলে শান্তই রয়েছে আফতাব। বেশিরভাগ সময়ে নিজেকে ব্যস্ত রাখে সে। তার দাবি অনুযায়ী, তাকে একটি বইও দেওয়া হয়েছে। ফলে এইসবেই মজে ‘কিলার’ আফতাব।

    কী বই পড়ছে আফতাব?

    তিহার জেল সূত্রে খবর, আফতাব (Shraddha Murder Case) ইংরেজি বই পড়তে চেয়েছে। জেল কর্তৃপক্ষের তরফে সেই দাবি মেনে ইংরেজি বই ‘দ্য গ্রেট রেলওয়ে বাজার: বাই ট্রেন থ্রু এশিয়া’ নামক একটি বই দেওয়া হয়েছে আফতাবকে। এটি একটি ভ্রমণের অভিজ্ঞতার বই। এই বই সম্পর্কে জেল কর্তৃপক্ষের তরফে জানানো হয়েছে, আফতাবকে যে বইটি দেওয়া হয়েছে তা বিদেশি লেখক পল থেরক্সের লেখা। এই বইয়ে কোনও অপরাধের উল্লেখ নেই এবং বইয়ের বিষয়বস্তুও এমন কিছু নয়, যা পড়ে আফতাব তার সঙ্গে থাকা বন্দিদের ক্ষতি করতে পারে।

    দাবা খেলায় মজে আফতাব

    পুলিশ জানিয়েছে, জেলে বেশির ভাগ সময় আফতাব দাবা খেলে। পুনাওয়ালা দাবা খেলার পরিকল্পনা করে সময় কাটায় ও একা থাকতেই পছন্দ করে। তাকে মাঝে মাঝে দুই জেলবন্দীর সঙ্গে ঝগড়া করতেও দেখা গিয়েছে। উল্লেখ্য, আফতাবের সেলে আরও দুই বন্দি রয়েছে, যারা চুরির অপরাধে অভিযুক্ত। দুইজনকেই জেল কর্তৃপক্ষের তরফে আফতাবের উপরে বিশেষ নজর রাখতে বলা হয়েছে (Shraddha Murder Case)।  

    পুলিশ কী জানিয়েছে?

    অন্যদিকে পুলিশ জানিয়েছে, আফতাবকে দাবা খেলায় বেশ পারদর্শী মনে হয়েছে। সে নিজেই নিজের প্রতিপক্ষ হিসাবেও দাবা খেলে। তাঁকে হারানো খুবই কঠিন। ফলে তার দাবা খেলার চাল দেখে মনে হচ্ছে, সে কতটা ধূর্ত ও তীক্ষ্ণ মস্তিষ্কের। জেলসূত্রে জানা গিয়েছে, তার দাবা খেলার এক-একটি চাল দেখে মনে হচ্ছে শ্রদ্ধা ওয়ালকরের হত্যাও তার দাবা কৌশলের মতো গভীর ষড়যন্ত্রের অংশ ছিল। আবার এই হত্যাকাণ্ডের এক তদন্তকারী জানিয়েছে, পুলিশ তাকে যা করতে বলেছিল তা পুরোপুরি অনুসরণ করেছে। সে তার অপরাধও স্বীকার করেছে, পুলিশকে সহযোগিতা করেছে এবং পলিগ্রাফ ও নারকো টেস্টেও রাজি হয়েছে। কিন্তু এখন তার ‘ভালো’ আচরণেও সন্দেহ হচ্ছে পুলিশের।

    উল্লেখ্য, এরই মধ্যে আফতাবের নারকো ও পলিগ্রাফ টেস্ট দুই-ই করা হয়েছ। দুটিতেই সে শ্রদ্ধাকে খুন করার কথা স্বীকার করেছে। এরপর অভিযুক্ত আফতাব পুনাওয়ালার ব্রেন ম্যাপিংও (Brain Mapping) করতে পারে দিল্লি পুলিশ। ব্রেন ম্যাপিং- এর ফলে ব্রেনের পরিস্কার ছবি পাবেন বিশেষজ্ঞরা। এটি পরবর্তীতে তদন্তে সাহায্য করবে।

  • Himanta Biswa Sarma: ‘হিন্দুরা শান্তিপ্রিয়, তারা কখনওই সন্ত্রাসে জড়ায় না’, বললেন হিমন্ত

    Himanta Biswa Sarma: ‘হিন্দুরা শান্তিপ্রিয়, তারা কখনওই সন্ত্রাসে জড়ায় না’, বললেন হিমন্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হিন্দুরা শান্তিপ্রিয়। তারা কখনওই সন্ত্রাসে জড়ায় না। বৃহস্পতিবার একথা বলেন অসমের (Assam) মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা (Himanta Biswa Sarma)। তিনি বলেন, হিন্দুরা (Hindus) সচরাচর দাঙ্গায় জড়িত থাকে না। এই সম্প্রদায় জিহাদে বিশ্বাস করে না। ভারতে নানা সময় সাম্প্রদায়িক হিংসার ঘটনা ঘটছে। এ প্রসঙ্গে জিজ্ঞাসা করা হলে অসমের মুখ্যমন্ত্রী বলেন, হিন্দুরা শান্তিপ্রিয়। এদিন রাহুল গান্ধী সম্পর্কে সাদ্দাম হুসেন মন্তব্য নিয়েও উত্তর দিয়েছেন হিমন্ত।

    হিমন্ত উবাচ…

    এদিন একটি বৈদ্যুতিন সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিচ্ছিলেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা। সেখানেই এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, হিন্দুরা শান্তিপ্রিয়। তারা দাঙ্গা করে না। তিনি বলেন, সম্প্রদায় হিসেবে হিন্দুরা জিহাদে বিশ্বাস করে না। হিন্দু সম্প্রদায় কখনও দাঙ্গায় জড়াবে না। প্রসঙ্গত, দিন কয়েক আগে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ গুজরাটের এক জনসভায় বলেছিলেন, উচিত শিক্ষা দেওয়ায় সমাজবিরোধীরা হিংসা করা বন্ধ করেছে। তার পরেই হিমন্তের এহেন মন্তব্য তাৎপর্যপূর্ণ বই কি! ওই সভায় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দাবি করেছিলেন, গুজরাটে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠা করেছে বিজেপি।

    এদিন কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধীকেও একহাত নেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী (Himanta Biswa Sarma)। ওই সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, রাহুলকে সুন্দর দেখতে। তাঁর গ্ল্যামার রয়েছে। কিন্তু এখন ছবি তুলে সাদ্দাম হুসেনের ছবির সঙ্গে মিলিয়ে দেখুন। প্রসঙ্গত, ২৩ নভেম্বর হিমন্ত বলেছিলেন, রাহুল গান্ধীকে সাদ্দাম হুসেনের মতো দেখায়। ইরাকের একনায়ক ছিলেন সাদ্দাম। হিমন্ত এও বলেছিলেন, তিনি বরং সর্দার বল্লভভাই প্যাটেল, জওহরলাল নেহরু বা মাহাত্মা গান্ধীর মতো লুক নিলে ভাল করতেন।

    আরও পড়ুন: মাদ্রাসাগুলি ছিল আল-কায়দার অফিস, বিস্ফোরক হিমন্ত! জানেন কী বললেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী?

    কংগ্রেসে থাকায় তাঁর জীবনের মূল্যবান ২২টা বছর নষ্ট হয়েছে বলেও ওই সাক্ষাৎকারে জানান অসমের মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, কংগ্রেসে থাকাকালীন আমরা একটি পরিবারের ভজনা করতাম। আর বিজেপিতে আমরা পুজো করি দেশের। এর পরেই তিনি বলেন, কংগ্রেসে থেকে জীবনের ২২টা বছর নষ্ট করেছি আমি। আদর্শগত কারণেই যে তিনি কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন, এদিন তা মনে করিয়ে দিয়েছেন হিমন্ত (Himanta Biswa Sarma)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • SSC Candidate List: হাইকোর্টের নির্দেশে বৃহস্পতিবারই ১৮৩ জন অযোগ্য প্রার্থীর তালিকা প্রকাশ এসএসসির

    SSC Candidate List: হাইকোর্টের নির্দেশে বৃহস্পতিবারই ১৮৩ জন অযোগ্য প্রার্থীর তালিকা প্রকাশ এসএসসির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এসএসসিতে ১৮৩ জন অযোগ্য প্রার্থীর তালিকা প্রকাশ (SSC Candidate List) করার নির্দেশ দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্ট। বৃহস্পতিবারই সেই নির্দেশ পালন করল স্কুল সার্ভিস কমিশন। নিজেদের ওয়েবসাইটে এসএসসি সেই তালিকা প্রকাশ করেছে। ১৮৩ জন শিক্ষক যাঁরা ভুয়ো সুপারিশপত্রের ভিত্তিতে নিয়োগ পেয়েছিলেন, তাঁদের নাম, রোল নম্বর, অ্যাপ্লিকেশন নম্বর থেকে শুরু করে কোন বিষয়ে শিক্ষকতার জন্য আবেদন করেছিলেন, তাও জানানো হয়েছে ওই তালিকায়। বাংলা, ইংরেজি, অঙ্কের পাশাপাশি ইতিহাস, ভূগোল, জীবন বিজ্ঞান এমনকি পদার্থ বিজ্ঞানের শিক্ষকরাও রয়েছেন সেই  তালিকায়। 

    আরও পড়ুন: ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ১৮৩ ভুয়ো নিয়োগের তালিকা প্রকাশের নির্দেশ বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের

    আজই সকালে বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় কড়া নির্দেশ দিয়ে, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে নবম-দশমে ভুয়ো শিক্ষকদের তালিকা (SSC Candidate List) প্রকাশ করতে বলেছিলেন। তিনি বলেন, “শুক্রবারের মধ্যে অবৈধ উপায়ে সুপারিশপত্র নিয়েছেন এমন ১৮৩ জনের তালিকা তাঁদের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করতে হবে স্কুল সার্ভিস কমিশনকে।

    বৃহস্পতিবার সন্ধ্যে বেলা আদালতের নির্দেশ মেনে তালিকা প্রকাশ করেছে এসএসসি। তালিকায় (SSC Candidate List) যাদের নাম রয়েছে সবাই- ই বেআইনিভাবে নিয়োগ পেয়েছে। ১৮৩ জন অযোগ্য শিক্ষকদের মধ্যে ৫৭ জনই ইংরেজির শিক্ষক বা শিক্ষিকা। এ ছাড়া ৩০ জন ভূগোলের, ২২ জন জীবন বিজ্ঞানের, ২১ জন বাংলায়, অঙ্ক এবং পদার্থ বিজ্ঞানে ১৮ জন করে এবং ইতিহাসে ১৭ জন শিক্ষক-শিক্ষিকা সুপারিশের মাধ্যমে নিয়োগ পেয়েছিলেন।

    দেখে নিন সেই তালিকা:

    এদিন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় জানান, আগামী ৩ ডিসেম্বর এসএসসি কর্তৃপক্ষ, মামলাকারী এবং সিবিআই নিজেদের মধ্যে বৈঠক করবেন। ৫ ডিসেম্বরের মধ্যে দুই সংবাদপত্রে বিজ্ঞাপন দিয়ে বেআইনি সুপারিশ ‘১৮৩’ তথ্য জানাতে নির্দেশ এসএসসি কে। গাজিয়াবাদ ও এসএসসির দফতর থেকে বাজেয়াপ্ত হওয়া হার্ডডিস্ক থেকে ইতিমধ্যেই ওএমআর শিটের যে নমুনা দেওয়া হয়েছে, তা খতিয়ে দেখে রিপোর্ট দেবে সিবিআই। এর পরেই এসএসসির ((SSC Candidate List) উদ্দেশ্যে বিচারপতি বলেন, কোনও রকম ভয় পাবেন না। অনেক ধেড়ে ইঁদুর বেরবে। তিনি বলেন, ওএমআর শিটে ৩ আর এসএসসি দেখাচ্ছে ৫৩! সুবীরেশ ভট্টাচার্য কেন মুখ খুলছেন না, এদিন সে প্রশ্ন করেন বিচারপতি। তিনি বলেন, সুবীরেশ ভট্টাচার্য মুখ খুলছে না? মুখ খোলানোর কৌশল প্রয়োগ করুক সিবিআই। দিল্লি নিয়ে যাক।  এদিন সিবিআইকে বিচারপতির নির্দেশ, দুপুর তিনটের সময় এসে আমাকে জানান যে সুবীরেশ ভট্টাচার্য মুখ খুলছেন কিনা। তারপরেই বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, অকল্পনীয় নির্দেশ দেব। এরা সরকারকে  সমস্যায় ফেলছে। কমিশনের অফিসে ভুরি ভুরি দুর্নীতি হয়েছে। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Gujarat Election: ‘‘রামে বিশ্বাস নেই, কিন্তু আমাকে গালি দিতে রাবণকে টানে’’, কংগ্রেসকে নিশানা মোদির

    Gujarat Election: ‘‘রামে বিশ্বাস নেই, কিন্তু আমাকে গালি দিতে রাবণকে টানে’’, কংগ্রেসকে নিশানা মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রামায়ণে কোনও বিশ্বাস নেই। প্রভু রামের ওপরও বিশ্বাস নেই তাদের। তবে আমাকে গালি দিতে কংগ্রেস ‘রাবণ’ শব্দটি ব্যবহার করেছে। গুজরাটের ছোট্টা উদেপুরে এক নির্বাচনী জনসভায় (Gujarat Election) ভাষণ দিতে গিয়ে একথা বলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। দিন কয়েক আগে কংগ্রেস (Congress) সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে প্রধানমন্ত্রীকে রাবণের সঙ্গে তুলনা করে বিতর্কে জড়িয়েছিলেন। ততক্ষণাৎ কিছু না বললেও, এদিন কংগ্রসের ওই বাক্যবাণের পাল্টা দিলেন প্রধানমন্ত্রী।

    মোদি উবাচ…

    এদিনের জনসভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, রামায়ণে কংগ্রেসের কোনও বিশ্বাস নেই। প্রভু রামের ওপরও বিশ্বাস নেই তাদের। বিশ্বাস নেই রামসেতুতেও। কিন্তু কংগ্রেস আমাকে গালি দিতে রাবণ শব্দটি ব্যবহার করছে। তিনি বলেন, কংগ্রেস নেতাদের মধ্যে একটা প্রতিযোগিতা চলছে, তাঁদের কে কতটা গালি দিতে পারেন আমায়।

    গত মঙ্গলবার আহমেদাবাদের এক জনসভায় (Gujarat Election) ভাষণ দিতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে রাবণের সঙ্গে তুলনা করেছিলেন প্রবীণ কংগ্রেস নেতা মল্লিকার্জুন খাড়গে। ওই জনসভায় তিনি বলেছিলেন, মোদিজি প্রধানমন্ত্রী। কিন্তু তিনি কাজকর্ম ভুলে বিধানসভা নির্বাচন, পুরসভা নির্বাচনের প্রচারই করে চলেছেন। কতবার আপনার মুখ আমাদের দেখতে হবে? আপনার কটা রূপ? রাবণের মতো কি আপনার ১০০টি মাথা? এতদিন এর উত্তর না দিলেও, আজ, বৃহস্পতিবার দিলেন। এদিনই হচ্ছে গুজরাট বিধানসভার প্রথম দফার নির্বাচন। ভোট হচ্ছে দক্ষিণ গুজরাটের ৮৯ আসনে। এর মধ্যে রয়েছে কচ্ছ ও সৌরাষ্ট্র এলাকাও। এদিন যে আসনগুলিতে নির্বাচন হয়েছে, তার মধ্যে বিজেপির হাতে রয়েছে ৪৮টি আসনের রশি। আর ৪০ কেন্দ্রের রাশ রয়েছে কংগ্রেসের হাতে।

    আরও পড়ুন: গুজরাতসহ গোটা দেশকে ধ্বংস করেছে কংগ্রেস, প্রচার মঞ্চ থেকে নরেন্দ্র মোদি

    বুধবার বিজেপির তরফে একটি ভিডিও প্রকাশ করা হয়। তাতে কংগ্রেসের কোন কোন নেতা কিংবা নেত্রী প্রধানমন্ত্রীকে কী কী ভাষায় আক্রমণ শানিয়েছেন, তা তুলে ধরা হয়েছে। ওই ভিডিও ছড়িয়েই বিজেপি জনতা জনর্দনের কাছে আবেদন জানিয়েছে, ভূমিপুত্র মোদিকে অপমান করার জন্য কংগ্রেসকে উচিত শিক্ষা দিন। গুজরাট বিধানসভার (Gujarat Election) দ্বিতীয় দফার নির্বাচন হবে চলতি মাসের পাঁচ তারিখে। দু দফায় মিলিয়ে ভোট হবে বিধানসভার মোট ১৮২টি আসনে। সেই কারণে গুজরাটের একাংশে এদিন ভোট গ্রহণ পর্ব চললেও, অন্য অংশে চলছে জোর কদমে প্রচার। এদিন আহমেদাবাদে রোড শো করেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। রোড শো করেন গুজরাটের বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী ভূপেন্দ্র প্যাটেলও।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

  • India China: প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখার কাছে সামরিক ঘাঁটি, সেতু! চিনের নির্মাণ নিয়ে সতর্ক দিল্লি

    India China: প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখার কাছে সামরিক ঘাঁটি, সেতু! চিনের নির্মাণ নিয়ে সতর্ক দিল্লি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্যাংগং হ্রদের কাছে একটি সামরিক ঘাঁটি নির্মাণ করেছে চিন। উপগ্রহ চিত্রে এই ছবি ধরা পড়েছে বলে সেনা সূত্রে খবর। ছবিতে দেখা যাচ্ছে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা থেকে মাত্র ৬ কিলোমিটার দূরে এই সেনা ঘাঁটি রয়েছে। দেখা যাচ্ছে, সেখানে রয়েছে সাঁজোয়া গাড়ি, সামরিক যান রাখার জায়গা, বিভিন্ন আধুনিক অস্ত্র। 

    নয়া সেতু

    প্যাংগং হ্রদের উত্তর এবং দক্ষিণ তীরের একাংশকে জুড়ে চিনা ফৌজের নির্মীয়মাণ সেতুর ছবি আগেই সামনে এসেছিল। এর পাশ দিয়েই তৈরি হয়েছে আরও একটি সেতু। সামরিক বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, লাদাখে জবরদখল করা জমিতে ওই সেতু বানাতে পারলে প্যাংগং হ্রদের উত্তর এবং দক্ষিণপ্রাপ্তে কৌশলগত ভাবে সুবিধাজনক অবস্থানে চলে যাবে চিনা সেনা। লাদাখের দুর্গম এলাকায় সেতু নির্মাণের উদ্দেশ্যে ভারী ক্রেন-সহ নানা সরঞ্জাম মজুত করেছে চিনা পিপলস লিবারেশন আর্মি। প্যাংগং হ্রদের উত্তরপ্রান্তে চিনা সেনার একটি হাসপাতালের অদূরে তৈরি সেতুটি জুড়েছে দক্ষিণ তীরের একটি অংশকে। দক্ষিণ তীরের ওই অংশেই ২০২০-২১ সালে মুখোমুখি অবস্থানে ছিল ভারতীয় এবং চিনা সেনা। ভবিষ্যতে ফের এমন পরিস্থিতি তৈরি হলে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা (এলএসি) লাগোয়া বিস্তীর্ণ অংশে ওই সেতুর মাধ্যমে দ্রুত সেনা, অস্ত্র এবং রসদ পাঠাতে পারবে পিএলএ। কারণ, সেতু তৈরি হয়ে গেলে প্যাংগংয়ের ওই দুই প্রান্তে চিনা সেনাশিবিরের দূরত্ব ২০০ কিলোমিটার থেকে কমে দাঁড়াবে ৫০ কিলোমিটার।

    সামরিক চুক্তি

    গালওয়ান সংঘর্ষের পরে বারবার সীমান্তে শান্তি বজায় রাখার দাবি করেছে চিন। কিন্তু সেই কথা বাস্তবায়িত হয়নি। সম্প্রতি মার্কিন সংসদে একটি রিপোর্ট পেশ করেছে পেন্টাগন। সেখানে বলা হয়েছে, “ভারতের সঙ্গে সীমান্ত এলাকায় বিবাদ কমাতে উদ্যোগ দেখাত চিন। কারণ ভারতের সঙ্গে আমেরিকার সম্পর্কে ধারাবাহিকভাবে উন্নতি হয়েছিল। সেই বিষয়টি পছন্দ হয়নি জিনপিংয়ের। সেই জন্য বারবার মার্কিন আধিকারিকদের বলা হয়েছিল, ভারতের সঙ্গে চিনের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে তাঁরা যেন হস্তক্ষেপ না করেন। সেই সঙ্গে বলা হয়েছিল, সীমান্ত সমস্যা মিটিয়ে নিতে খুবই আগ্রহী বেজিং।” আদতে বেজিং সীমান্ত সমস্যা মেটাতে কতটা আগ্রহী তা নিয়ে সন্দিহান দিল্লিও। সেই জন্য প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখার কাছে চিনের গতিবিধির উপর নজর রাখছে দিল্লি।

  • Gujarat Assembly Elections: গুজরাট বিধানসভার নির্বাচন আজ প্রথম দফার ভোটগ্রহণ, অ্যাডভান্টেজ কে?

    Gujarat Assembly Elections: গুজরাট বিধানসভার নির্বাচন আজ প্রথম দফার ভোটগ্রহণ, অ্যাডভান্টেজ কে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জোরকদমে চলছে গুজরাট বিধানসভা নির্বাচন (Gujarat Assembly Elections)। আজ, বৃহস্পতিবার চলছে প্রথম দফার ভোটগ্রহণ। এদিন ভোট হচ্ছে ৮৯ আসনে। এই আসনগুলি ছড়িয়ে রয়েছে রাজ্যের ১৯টি জেলায়। এর মধ্যে রয়েছে রাজ্যের দক্ষিণ অংশের কচ্ছ এবং সৌরাষ্ট্রও। এদিন ভাগ্য নির্ধারণ হচ্ছে ৭৮৮ জন প্রার্থীর। ভোটের মুখে এদিন ট্যুইট করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। ট্যুইট-বার্তায় তিনি লেখেন, আজ গুজরাটে (Gujarat) প্রথম দফার নির্বাচন হচ্ছে। সবাইকে বলব ভোট দেওয়ার জন্য। বিশেষত যাঁরা প্রথমবার ভোট দিচ্ছেন, তাঁরা রেকর্ড সংখ্যায় ভোট দিন।

    বিজেপি…

    গুজরাটে টানা আড়াই দশক ক্ষমতায় রয়েছে বিজেপি। এতদিন মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হত কংগ্রেস এবং বিজেপির মধ্যে। তবে এবার লড়াইয়ের ময়দানে রয়েছে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী আম আদমি পার্টি সুপ্রিমো অরবিন্দ কেজরিওয়ালের দল। দিল্লির পাশাপাশি পাঞ্জাবেও সরকার গড়েছে কেজরিওয়ালের দল। রাজনৈতিক মহলের মতে, গুজরাট বিধানসভা নির্বাচনে তারা হয়ে উঠতে পারে এক্স ফ্যাক্টর। নির্বাচনের আগে কেজরিওয়াল দাবি করেছিলেন, গুজরাটে নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে কংগ্রেস। তারা পাবে অন্তত ৯২টি আসন। এর মধ্যে আবার আটটি আসন আসবে সুরাট থেকে। যদিও আপের দাবিকে গুরুত্ব দিতে রাজি নন বিজেপি নেতৃত্ব। দিন কয়েক আগে গুজরাটে প্রচারে গিয়ে তিনি বলেছিলেন, নির্বাচনের ফল প্রকাশ পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। আপ আর কংগ্রেস বলে এখানে কিছুই থাকবে না।

    প্রসঙ্গত, ১৯৯৫ সাল থেকে গুজরাটের কুর্সিতে রয়েছে পদ্ম-পার্টি। আঠারোর বিধানসভা নির্বাচনে (Gujarat Assembly Elections) গেরুয়া শিবিরের আসন ১৩৭ থেকে কমে হয় ৯৯। তবে এবার কোমর কষে প্রচারে নামেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। নির্বাচনে ১৪০টি আসনে জয়ের লক্ষ্যমাত্রা বেঁধে দিয়েছেন অমিত শাহ। ওই নির্বাচনে কংগ্রেস জয়ী হয়েছিল ৭৭টি আসনে। তবে এবার আসরে আপের প্রার্থীরা থাকায় অ্যাডভান্টেজ বিজেপি বলেই অনুমান রাজনৈতিক মহলের।

    আরও পড়ুন: ভোটের মুখে জোর ধাক্কা গুজরাট কংগ্রেসে, ৬ মাসের কারাদণ্ডের সাজা জিগনেশ মেবানির

    গুজরাট বিধানসভার (Gujarat Assembly Elections) দ্বিতীয় দফার ভোট হবে চলতি মাসেরই ৫ তারিখে। এই বিধানসভার আসন সংখ্যা ১৮২। তার মধ্যেই এদিন হচ্ছে ৮৯ আসনে ভোট। এদিন যাঁদের ভাগ্য নির্ধারণ হচ্ছে, তাঁদের মধ্যে রয়েছেন বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী বিজেপির ভূপেন্দ্র প্যাটেল এবং প্রাক্তন কংগ্রেস নেতা বিজেপির হার্দিক প্যাটেলও।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     

  • Delhi Murder: “আফতাবের ফাঁসি চাই! আগে তদন্ত হলে আমার মেয়েটা বেঁচে যেত”, বললেন শ্রদ্ধার বাবা

    Delhi Murder: “আফতাবের ফাঁসি চাই! আগে তদন্ত হলে আমার মেয়েটা বেঁচে যেত”, বললেন শ্রদ্ধার বাবা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শ্রদ্ধা ওয়ালকার হত্যায় (Delhi Murder) অভিযুক্ত তাঁর প্রেমিক আফতাব আমিন পুনাওয়ালার ফাঁসির সাজার দাবি করলেন শ্রদ্ধার বাবা বিকাশ মদন ওয়ালকার। আফতাবের পরিবারের  সদস্যদের বিরুদ্ধেও তদন্তের দাবি জানিয়েছেন তিনি। বিকাশের আক্ষেপ, পুলিশ আরও আগে তদন্ত করলে তাঁর মেয়ে হয়তো আজ বেঁচে থাকত। 

    এই প্রথমবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হলেন শ্রদ্ধার বাবা বিকাশ মদন ওয়ালকার। শুক্রবার সাংবাদিক বৈঠকে তিনি বলেন, “এই হত্যাকাণ্ডের (Delhi Murder) যথাযথ তদন্ত করা উচিত। আফতাবকে ফাঁসিতে ঝোলানো উচিত। ওঁর পরিবারের লোকেদের বিরুদ্ধেও তদন্ত হওয়া দরকার। ওদেরও শাস্তি প্রাপ্য।’’

    আরও পড়ুন: দুর্নীতির টাকা গেল কোথায়? মানিকের ৮ কোটি টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত ইডির

    বিকাশের দাবি, অনেক দিন আগেই মেয়ের নিখোঁজ হওয়ার অভিযোগ জানালেও পুলিশের তরফে কোনও সাহায্য পাওয়া যায়নি। তিনি বলেন, “মহারাষ্ট্রের মানিকপুর এবং বসই থানার অসহযোগিতায় আমি সমস্যায় পড়ি। সময় মতো পুলিশ পদক্ষেপ নিলে আমার মেয়েটা হয়তো বেঁচে থাকত (Delhi Murder)। আমার মেয়ের সঙ্গে যা হয়েছে, তা যেন অন্য  কারোর সঙ্গে না হয়।” 

    শুক্রবার সাংবাদিক বৈঠক করার আগে মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়ণবীসের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন শ্রদ্ধার বাবা। এই মামলায় দোষীর বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ (Delhi Murder) নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন দেবে ফড়ণবীস। বিকাশের দাবি, “তুলিঞ্জ, বসই এবং নালাসোপারা থানার পুলিশ তদন্ত বিলম্বিত করছে। এখন অবশ্য দিল্লি এবং বসই পুলিশ যথাযথ তদন্ত করছে।” 

    ফের ১৪ দিনের জেল হেফাজতে আফতাব 

    এদিকে শুক্রবার আরও ১৪ দিনের জন্য আফতাবের জেল হেফাজতের মেয়াদ বাড়ানোর নির্দেশ দিয়েছে আদালত। শ্রদ্ধা ওয়ালকারকে খুনের অভিযোগে গত ১২ নভেম্বর আফতাব পুনাওয়ালাকে গ্রেফতার করে দিল্লি পুলিশ। এই মামলার তদন্ত যত এগোচ্ছে তত নতুন নতুন তথ্য পুলিশের হাতে আসছে। ইতিমধ্যেই আফতাবের পলিগ্রাফ এবং নারকো টেস্ট করানো হয়েছে। লিভ-ইন পার্টনার শ্রদ্ধাকে খুনের কথা নিজে মুখে স্বীকার করেছে আফতাব। নারকো পরীক্ষায় অবচেতন মনে শ্রদ্ধাকে হত্যার (Delhi Murder) কথা স্বীকার করেছে আফতাব। পরীক্ষার সময় আফতাব দাবি করেছে, রাগ ও ক্ষোভের বশেই সে শ্রদ্ধাকে হত্যা করেছিল। পাশাপাশি সে জানিয়েছে, এই হত্যাকাণ্ডে মোট ৭টি অস্ত্র ব্যবহার করেছিল। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, কোন কোন অস্ত্র ব্যবহার করেছে, হত্যার পর সেই সব অস্ত্র সে কোথায় ফেলেছে, তাও জেরায় জানিয়েছে আফতাব। শ্রদ্ধার মোবাইল ও জামাকাপড় কোথায় ফেলেছে, তাও জানিয়েছে আফতাব।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     
  • HP Election: এক পদ, দাবিদার ৪, হিমাচলে কংগ্রেসের মুখ্যমন্ত্রী কে?

    HP Election: এক পদ, দাবিদার ৪, হিমাচলে কংগ্রেসের মুখ্যমন্ত্রী কে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পদ একটা। অথচ পদের দাবিদার চারজন। কিংবা তারও বেশি। তাই হিমাচল প্রদেশে বিপুল জয় পেয়েও স্বস্তিতে নেই কংগ্রেস (Congress)। সমস্যা মেটাতে শুক্রবারই বৈঠকে বসেছে হিমাচল প্রদেশ কংগ্রেস।

    মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে…

    হিমাচল প্রদেশ বিধানসভার আসন সংখ্যা ৬৮। প্রতি পাঁচ বছর অন্তর সরকার বদলায় এখানে। গত টার্মে হিমাচল প্রদেশের ক্ষমতায় ছিল বিজেপি (BJP)। তার আগের বার কংগ্রেস। সেই কংগ্রেসই এবার নির্বাচনে (HP Election) ৪০টি আসন নিয়ে ফিরে এসেছে ক্ষমতায়। তার পরেই কাকে দেওয়া হবে মুখ্যমন্ত্রীর পদ, তা নিয়ে শুরু হয়েছে চুলচেরা বিশ্লেষণ। মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে আপাতত চারটি নাম শোনা যাচ্ছে। এই তালিকায় সবার ওপরে রয়েছে যে নামটি, সেটি হল দলের রাজ্য সভাপতি প্রতিভা সিং। প্রয়াত কংগ্রেস নেতা বীরভদ্র সিংয়ের স্ত্রী তিনি। প্রতিভার ছেলে তথা বিধায়ক বিক্রমাদিত্য সিংয়ের নামও শোনা যাচ্ছে। বিজেপি শাসনে বিরোধী দলনেতা ছিলেন মুকেশ অগ্নিহোত্রী। তাই তাঁর নামও রয়েছে তালিকায়। 

    আরও পড়ুন: ‘ভূপেন্দ্র যাতে রেকর্ড ভাঙতে পারে, তাই কঠোর পরিশ্রম করেছিল নরেন্দ্র’, বললেন মোদি

    মুখ্যমন্ত্রীর মুখ হিসেবে উঠে আসছে প্রাক্তন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি তথা এবার নির্বাচনী প্রচার কমিটির প্রধান সুখবিন্দর সিং সুখুর নামও। মুখ্যমন্ত্রী পদের দাবিদার কংগ্রেস নেত্রী আশা কুমারীও। যদিও তিনি হেরে গিয়েছেন। তবে তাঁকে মুখ্যমন্ত্রী করা হলে ছ মাসের মধ্যে কোনও একটি আসন থেকে জিতে আসতে হবে। কংগ্রেস নেতা আনন্দ শর্মাও মুখ্যমন্ত্রী পদের অন্যতম দাবিদার। জানা গিয়েছে, বৈঠক বসেছে সিমলায়। কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্ব দুজন পর্যবেক্ষকও পাঠিয়েছেন। এদিনই সিমলায় পৌঁছেছেন ছত্তীসগড়ের মুখ্যমন্ত্রী ভূপেশ বাঘেল ও কংগ্রেসের শীর্ষ নেতা ভূপিন্দর হুডা। কংগ্রেস নেতা রাজীব শুক্ল বলেন, মুখ্যমন্ত্রী কে হবেন, তা নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন কংগ্রেস হাইকমান্ড। বিজেপির বিধায়ক ভাঙানোর চেষ্টা সফল হবে না। তিনি বলেন, কংগ্রেসের কাছে সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য প্রয়োজনীয় ৩৫ জনের থেকেও পাঁচজন বেশি বিধায়ক রয়েছেন।  

    কংগ্রেস সূত্রে খবর, হিমাচলে (HP Election) ব্রাহ্মণ কিংবা ঠাকুর সম্প্রদায়ের মধ্যে থেকে কাউকে মুখ্যমন্ত্রী করা হতে পারে। ঠাকুর হলে মুখ্যমন্ত্রী হতে পারেন প্রতিভা সিং কিংবা সুখবিন্দর সিং। আর ব্রাহ্মণ হলে মুখ্যমন্ত্রী হচ্ছেন মুকেশ অগ্নিহোত্রী। সেক্ষত্রে ঠাকুর সম্প্রদায়কে তুষ্ট করতে উপমুখ্যমন্ত্রী করা হতে পারে বিক্রমাদিত্যকে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Facebook এবং Twitter পেজ।    

     

LinkedIn
Share