Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Dhankhar at FIFA World Cup: কাতারে ফিফা বিশ্বকাপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভারতের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করবেন জগদীপ ধনখড়

    Dhankhar at FIFA World Cup: কাতারে ফিফা বিশ্বকাপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভারতের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করবেন জগদীপ ধনখড়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রবিবার থেকেই কাতারে শুরু হচ্ছে বিশ্ব ফুটবলের মহাযুদ্ধ। আর ফিফা বিশ্বকাপের সেই মহাযুদ্ধের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন ভারতের উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনখড় (Dhankhar at FIFA World Cup)। ২০ নভেম্বর ও ২১ নভেম্বর কাতারে থাকবেন তিনি। বিদেশমন্ত্রকের পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, রবিবার কাতারে ফিফা বিশ্বকাপের উদ্বোধনে উপস্থিত থাকবেন জগদীপ ধনখড়। ভারতের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করবেন তিনি। স্টেট অব কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানির আমন্ত্রণে মরুদেশে যাচ্ছেন ধনখড়। ফুটবল বিশ্বকাপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার পাশাপাশি উপরাষ্ট্রপতি তাঁর সফরকালে কাতারে বসবাসকারী প্রবাসী ভারতীয়দের সঙ্গেও আলোচনায় বসবেন।  

    আরও পড়ুন: “সন্ত্রাসবাদে মদত দিলে মূল্য চোকাতেই হবে”, নাম না করে চিন-পাকিস্তানকে নিশানা মোদির

    বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, “ভারত ও কাতারের বাণিজ্য, শক্তি, নিরাপত্তা, প্রতিরক্ষা, স্বাস্থ্য, সংস্কৃতি, শিক্ষা ইত্যাদির ক্ষেত্রে ঘনিষ্ঠ এবং বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে। গত আর্থিক বছরে, দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ১৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার অতিক্রম করেছে। কাতার ভারতের শক্তি নিরাপত্তায় গুরুত্বপূর্ণ অংশীদারের ভূমিকা পালন করে ও উপসাগরীয় দেশের খাদ্য নিরাপত্তায় অংশগ্রহণ করে। ভারত এবং কাতার আগামী বছর পূর্ণ কূটনৈতিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার ৫০ বছর উদযাপন করবে।”  

    উপরাষ্ট্রপতির উপস্থিতি তাৎপর্যপূর্ণ কেন? 

    প্রসঙ্গত, ভারত ও কাতার উভয় দেশের মধ্যেই একাধিক বাণিজ্যিক চ্যুক্তি রয়েছে। বাণিজ্য থেকে শুরু করে জ্বালানি শক্তি, প্রতিরক্ষা, স্বাস্থ্য, সংস্কৃতি, শিক্ষা সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বরাবর একে অপরের পাশে দাঁড়িয়েছে এই দুই দেশ। দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্কও যথেষ্ট ভালো। কাতার ভারতের জ্বালানি শক্তির ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশীদারের ভূমিকা পালন করে। অন্যদিকে কাতারে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে ভারতের উল্লেখযোগ্য অবদান রয়েছে। এছাড়াও কাতারে প্রায় ৮ লক্ষ ৪০ হাজার ভারতীয় বাস করেন। এমতাবস্থায় উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনখড়ের কাতারে ফিফা বিশ্বকাপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকা তাৎপর্যপূর্ণ  বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

    প্রসঙ্গত, রবিবার রাজধানী দোহা থেকে ৪০ কিলোমিটার উত্তরে আল বায়েত স্টেডিয়ামে ফিফা ফুটবল বিশ্বকাপের বর্ণাঢ্য উদ্বোধনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে। উপস্থিত থাকবেন প্রায় ৬০ হাজার দর্শক। ভারতীয় সময় সাড়ে  ৭টা থেকে শুরু হবে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের পর বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে নামবে আয়োজক কাতার ও ইকুয়েডর। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে পারফর্ম করবে দক্ষিণ কোরিয়ার বিখ্যাত ব্যান্ড বিটিএস এবং আমেরিকার ব্ল্যাক আয়েড পিস। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Facebook এবং Twitter পেজ। 

     

     

  • Satyendar Jain: কয়েদিকে আরামের মালিশ! জেলে সত্যেন্দ্র জৈনের সিসিটিভি ফুটেজ ভাইরাল

    Satyendar Jain: কয়েদিকে আরামের মালিশ! জেলে সত্যেন্দ্র জৈনের সিসিটিভি ফুটেজ ভাইরাল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুর্নীতির অভিযোগে গ্রেফতার হয়েছেন কেজরিওয়াল সরকারের মন্ত্রী সত্যেন্দ্রে জৈন (Satyendar Jain)। দিন কাটছে হাজতে। এই কথাটা শুনেই যদি আপনার সিনেমায় দেখা বন্দিদের দুরাবস্থার করুণ ছবি চোখের সামনে ভেসে ওঠে, তাহলে আপনি ভুল ভাবছে। জেলের মধ্যেও মন্ত্রীর জীবন কাটছে রাজার হালে। হাজতেই পাঁচতারা হোটেলের পরিষেবা পাচ্ছেন দিল্লি সরকারের মন্ত্রী সত্যেন্দ্র জৈন। তাঁর জন্যে রয়েছে গোটা শরীর মালিশের বিশেষ ব্যবস্থা। অন্তত দিল্লির তিহার জেলের ভাইরাল সিসিটিভি ফুটেজ সে গল্পই শোনাচ্ছে। 

    আর্থিক তছরুপের দায়ে ৩০ মে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের হাতে গ্রেফতার হন সত্যেন্দ্র জৈন। তারপর থেকেই তাঁর ঠিকানা তিহার জেল। ১৩ সেপ্টেম্বরের তিহার জেলের একটি সিসিটিভি ফুটেজ ভাইরাল হয়েছে। সেখানে দেখা যাচ্ছে মন্ত্রী একটি বছানায় আরামে শুয়ে রয়েছেন এবং তাঁর পায়ে মালিশ করছেন এক ব্যক্তি।  

     

    বিজেপির নিশানায় আম আদমি পার্টি

    বিষয়টিতে কেজরিওয়াল সরকারকে এক হাত নিয়েছে কেন্দ্রীয় শাসক দল। বিজেপি নেতা সেহজাদ পুনাওয়ালা ট্যুইটে লেখেন, “কারাগারে ভিভিআইপি আচরণ! তিহার জেলে থাকাকালীন শরীর মালিশ? যে পাঁচ মাস জামিন পায়নি, সেই বন্দিকে এমন সুবিধা! এটি আম আদমি পার্টির আসল চেহারা দর্শায়।”   

     

    এদিকে সাংবাদিক সম্মেলনে বিজেপি মুখপাত্র গৌরব ভাটিয়া বলেন, “অরবিন্দ কেজরিওয়াল দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য এবং ভিভিআইপি সংস্কৃতির অবসানের জন্য দল তৈরি করেছিলেন। কিন্তু এখানে একজন দুর্নীতিবাজ সব সুযোগ-সুবিধা পাচ্ছেন।”

    নিজেরদের সাফাইয়ে কী বলল আপ?

    এদিকে নিজেদের সাফাই দিয়ে আম আদমি পার্টি (AAP) দাবি করে, যে সত্যেন্দ্র জৈনের চিকিৎসার কারণে এই মালিশ দেওয়া হচ্ছে। পাল্টা বিজেপি এই মন্তব্যের সমালোচনা করে বলে, “এভাবে কারও অসুস্থতা নিয়ে তামাসা করা ঠিক নয়।” বিষয়টির তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন দিল্লির লেফটেন্যান্ট গভর্নর। তিহার জেলের সুপারকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। এরপরেও আম আদমি পার্টি নিজেদের দাবিতে অনড়। এখনও একই সুরে তাঁরা বলে চলেছেন যে, সত্যেন্দ্র জৈনকে কোনও ভিআইপি সুযোগ সুবিধা দেওয়া হচ্ছে না জেলে। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Facebook এবং Twitter পেজ। 

     

     

     

     

  • Army Jawan: চলন্ত রাজধানী থেকে ধাক্কা টিটিই-র, দু-পা খোয়ালেন সেনা জওয়ান!

    Army Jawan: চলন্ত রাজধানী থেকে ধাক্কা টিটিই-র, দু-পা খোয়ালেন সেনা জওয়ান!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টিটিই-র ধাক্কায় চলন্ত রাজধানী এক্সপ্রেস থেকে পড়ে গিয়ে দুই পা কাটা পড়ল সেনা জওয়ানের (Army Jawan) । বর্তমানে তিনি সামরিক হাসপাতালে সঙ্কটজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন। ২৯ বছর বয়সি জওয়ানের নাম সোনু কুমার সিং। ঘটনাটি ঘটেছে বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৯টা নাগাদ উত্তরপ্রদেশের বরেলি স্টেশনের কাছে। 

    ঠিক কী ঘটেছিল?

    সংবাদসংস্থা সূত্রে খবর, বরেলি ছেড়ে ডিব্রুগড়-নয়াদিল্লি রাজধানী এক্সপ্রেস (২০৫০৩) দিল্লি অভিমুখে যাচ্ছিল। উত্তরপ্রদেশের বালিয়া জেলার বাসিন্দা জওয়ান (Army Jawan) সোনুর পোস্টিং দিল্লিতে। কর্মস্থলে যোগ দিতেই তিনি যাচ্ছিলেন। অভিযোগ, ট্রেন যখন স্টেশন থেকে চলতে শুরু করেছিল, সেই সময় চলন্ত ট্রেনে ওঠার চেষ্টা করেন সোনু। টিটিই দরজা বন্ধ করে দিলে সোনু প্ল্যাটফর্ম ও লাইনের মাঝে পড়ে যান।

    আরও পড়ুন: ভিসা পেতে ভারতীয়দের লাগবে না পিসিসি, বড় ঘোষণা সৌদি আরবের

    প্রত্যক্ষদর্শীদের বয়ান…

    এই ঘটনার অন্যতম প্রত্যক্ষদর্শী স্টেশনের একজন চা বিক্রেতা দেশ রাজ বলেন, ‘‘আমি সকালে চা বিক্রি করছিলাম। তখন দেখলাম একজন ব্যক্তি বি-৬ কামরায় ওঠার চেষ্টা করছেন। তখন টিটি জোরপূর্বক দরজাটি ঠেলে দেন। এর ফলে ওই ব্যক্তি প্ল্যাটফর্ম এবং চলন্ত ট্রেনের মাঝামাঝি পড়ে যান। মুহূর্তের মধ্যে স্টেশনে দাঁড়িয়ে থাকা লোকজন চিৎকার চেঁচামেচি শুরু করলে, চালক ট্রেনটিকে থামিয়ে দেন। সংজ্ঞাহীন অবস্থায় তাঁকে বাইরে বের করা হয়। পরে আমরা জানতে পারি তিনি সেনা জওয়ান (Army Jawan)।’’ 

    অভিযোগ দায়ের

    বরেলি স্টেশনের জিআরপি ইনচার্জ অজিত প্রতাপ সিং বলেছেন, ‘‘এদিন দু’নম্বর প্ল্যাটফর্মে টিটিই কুপান বোরের বিরুদ্ধে অভিযোগ আসে যে তিনি একজন জওয়ানকে (Army Jawan) ধাক্কা দিয়ে ট্রেন থেকে ফেলে দিয়েছেন। বর্তমানে ওই জওয়ানের অবস্থা আশঙ্কাজনক।’’ কর্মরত এই টিটিই-র বিরুদ্ধে অভিযোগ জানিয়েছেন সুবেদার হারিন্দর কুমার সিং। জানা গেছে ভারতীয় দণ্ডবিধি ৩২৬ এবং ৩০৭ ধারায় এই অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। এই ঘটনার পরেই উত্তেজিত জনতা কয়েকজন রেলকর্মীকে মারধর করে বলে অভিযোগ। জিআরপি গিয়ে তাঁদের উদ্ধার করে। অভিযুক্ত টিটিই এখনও পর্যন্ত পলাতক।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Assam Madrasa: অসমের মাদ্রাসায় জিহাদি শিক্ষা! গ্রেফতার ২ শিক্ষক

    Assam Madrasa: অসমের মাদ্রাসায় জিহাদি শিক্ষা! গ্রেফতার ২ শিক্ষক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিনি শিক্ষক (Teacher)। ছাত্রছাত্রীদের জীবনে প্রতিষ্ঠিত করাই তাঁর ব্রত। অথচ তিনি শিক্ষা দিতেন হিন্দুদের (Hindu) ধ্বংস করতে! পড়ুয়াদের শেখাতেন, যারা হিন্দুদের ধ্বংস করতে পারবে, তারা আল্লাহর কাছ থেকে বিশেষ আশীর্বাদ পাবে। অন্ততঃ আসামের এক মাদ্রাসার (Assam Madrasa) এক পড়ুয়ার অভিযোগ এমনই। শুধু তাই নয়, ওই মাদ্রাসার দুই শিক্ষক জিহাদির শিক্ষাও দিতেন বলে অভিযোগ। অভিযোগের ভিত্তিতে গ্রেফতার করা হয়েছে ওই মাদ্রাসার দুই শিক্ষককে।

    আসামের কাছাড় জেলায় রয়েছে স্বাধীন বাজার ইসলামিয়া মাদ্রাসা এতিমখানা। এই মাদ্রাসারই (Assam Madrasa) দুই শিক্ষককে গ্রেফতার করা হয়েছে। এঁদের দুজনকেই গ্রেফতার করা হয়েছে সোনাই টাউন থেকে। ওই মাদ্রাসার বছর চোদ্দর এক পড়ুয়ার কাছ থেকে অভিযোগ পেয়ে দায়ের হয় এফআইআর। তার ভিত্তিতে তাঁদের গ্রেফতার করে সোনাই থানার পুলিশ। সোনাই থানার পুলিশ আধিকারিক জোসেফ কেইভম বলেন, যে দুই শিক্ষককে গ্রেফতার করা হয়েছে। এঁরা হলেন, বছর একান্নর আবদুর হুসেন লস্কর এবং বছর আঠাশের দিলওয়ার হুসেন মজুমদার।

    ছাত্রের অভিযোগ…

    সংবাদ মাধ্যমের সামনে আসাম মাদ্রাসার (Assam Madrasa) ওই ছাত্র বলে, ওই দুই শিক্ষক প্রায়ই আমাদের বলতেন, যদি হিন্দুদের ধ্বংস করতে পার, তাহলে আল্লাহর কাছ থেকে বিশেষ আশীর্বাদ পাবে। রাত্রি ১১টার স্পেশাল ক্লাসে যারা উপস্থিত থাকবে না, তাদের হত্যা করার হুমকিও দেওয়া হত বলে অভিযোগ। মাদ্রাসার ওই পড়ুয়া বলে, শারীরিক সমস্যার জন্য স্পেশাল ক্লাসে যেতে পারব না বলায় তাঁরা আমাকেও হত্যার হুমকি দেন। সে বলে, তাঁরা আমার রুমে ঢুকে ওষুধপত্র পুড়িয়ে দেন। নির্দয়ভাবে মারতে থাকেন। আমাকে একটি ঘরে বন্দিও করে রাখেন। পরে মাদ্রাসা থেকে ওই ছাত্রকে বাড়ি নিয়ে যান তার বাবা।

    আরও পড়ুন: ভিনরাজ্য থেকে আসা ইমাম ও মাদ্রাসা শিক্ষকদের পুলিশ ভেরিফিকেশন বাধ্যতামূলক! অসমে কেন এই নয়া নিয়ম

    যদিও সব অভিযোগই অস্বীকার করেছেন ওই মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ। স্বাধীন বাজার ইসলামিয়া মাদ্রাসা এতিমখানার তরফে ফকরুল ইসলাম লস্কর বলেন, ছেলেটি অপরাধমূলক নানা কাজকর্ম করত। শিক্ষকরা তাকে সৎপথে ফেরানোর চেষ্টা করেছিলেন। সেই কারণেই তাঁরা ছড়ি ব্যবহার করতেন। তিনি বলেন, এটা একজন শিক্ষক করতেই পারেন। পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Indian Air Force: আদালতে জয় মেয়েদের! বায়ুসেনার ৩২ জন প্রাক্তন মহিলা অফিসার পাবেন পুরো পেনশন

    Indian Air Force: আদালতে জয় মেয়েদের! বায়ুসেনার ৩২ জন প্রাক্তন মহিলা অফিসার পাবেন পুরো পেনশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আদালতে জয় ভারতীয় বায়ুসেনার ৩২ জন প্রাক্তন মহিলা অফিসারের। দীর্ঘ ১২ বছর ধরে সুপ্রিম কোর্টে মামলা চলার পরে মহিলাদের জন্য সমান হারে পেনশনের ব্যবস্থা করতে বায়ুসেনাকে নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। বাহিনী থেকে অবসরের পর একজন কর্মী যে পেনশন পেয়ে থাকেন, ওই ৩২জন মহিলা অফিসারকে সেই হারে পেনশন দিতে হবে বলে জানিয়ে দিয়েছে দেশের শীর্ষ আদালত।  একই সঙ্গে আগ্রহী মহিলাদের ফের চাকরিতে পুনর্বহাল করার পক্ষেও রায় দিয়েছে শীর্ষ আদালত। 

    আরও পড়ুন: নোটবন্দির সিদ্ধান্ত সুবিবেচনা প্রসূত, সুপ্রিম কোর্টে জানাল কেন্দ্র

    মামলা কী নিয়ে

    ৩২ জন প্রাক্তন বায়ুসেনা অফিসারকে শর্ট সার্ভিস কমিশনের অধীনে নিয়োগ করা হয়েছিল। নিয়োগের পর থেকে তারা চাকরির মেয়াদ বৃদ্ধির দাবি জানিয়ে আসছিলেন। যদিও বাহিনী তাদের দাবি মানতে অস্বীকার করে। পাঁচ বছর বাদে এই ৩২জন অবসর নিতে বাধ্য হন। যেহেতু শর্ট সার্ভিস কমিশনের অধীনে নিয়োগ, তাই নিয়ম অনুসারে তারা পেনশনের সুবিধা পাওয়ার অধিকারী নন। এরপর ওই ৩২ জন মহিলা বায়ুসেনা আধিকারিক এই মামলা দায়ের করেছিলেন। বায়ুসেনার নিয়ম অনুযায়ী, মহিলারা সারাজীবন সেনাবাহিনীতে কাজ করতে পারবেন না। নির্দিষ্ট সময়ের মেয়াদ শেষ হয়ে গেলে বাধ্যতামূলকভাবে তাঁদের অবসর নিতে হবে। আদালতে মামলাকারী এই ৩২ জন মহিলা আধিকারিক জানিয়েছিলেন, মেয়াদ শেষ হয়ে গেলেও বায়ুসেনাতে কাজ করতে ইচ্ছুক ছিলেন তাঁরা। 

    আরও পড়ুন: জোর করে ধর্মান্তকরণ, গুরুতর বিষয়! পদক্ষেপ নিক কেন্দ্র, অভিমত সুপ্রিম কোর্টের

    আদালতের রায়

    বুধবার সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছে,আগ্রহী ও সক্ষম থাকলে মহিলা আধিকারিকরাও সারাজীবন বায়ুসেনাতে কাজ করতে পারবেন। তাঁদের পুরোপেনশন দেওয়ার কথাও বলা হয়েছে। অন্তত কুড়ি বছর সেনাবাহিনীতে কাজ করার পরে আধিকারিকরা যে হারে পেনশন পান, সেই হারেই মামলাকারীদের পেনশন দিতে হবে। আদালতের রায়ে খুশি ওই মহিলা অফিসারেরা। তাঁদের আশা, আগামী দিনে বায়ুসেনাতে যোগ দিয়ে সারাজীবন কাজ করতে পারবেন মেয়েরা।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Demonetisation: নোটবন্দির সিদ্ধান্ত সুবিবেচনা প্রসূত, সুপ্রিম কোর্টে জানাল কেন্দ্র

    Demonetisation: নোটবন্দির সিদ্ধান্ত সুবিবেচনা প্রসূত, সুপ্রিম কোর্টে জানাল কেন্দ্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০১৬ সালের নোটবন্দির (Demonetisation) সিদ্ধান্ত সুবিবেচনা প্রসূত। এটি একটি বড় পরিকল্পনার অংশ। জাল নোট, কালো টাকা (Black Money), কর ফাঁকি এবং সন্ত্রাসবাদে অর্থায়ন রুখতে করা হয়েছিল নোটবন্দি। সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) জানাল কেন্দ্র।

    নোটবন্দি…

    ২০১৬ সালে নোটবন্দির (Demonetisation) সিদ্ধান্ত নেয় নরেন্দ্র মোদির সরকার। কেন্দ্রের ওই সিদ্ধান্তের জেরে বাতিল হয়েছিল দেশের সমস্ত ৫০০ ও ১০০০ টাকার নোট। নোটবন্দির জেরে এটিএম, ব্যাঙ্কে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ভোগান্তির শিকার হন রাজ্যবাসীর একটা বড় অংশ। সমস্যায় পড়েন বহু সাধারণ মানুষ। এটিএম, ব্যাঙ্কের লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে গিয়ে অসুস্থতার জেরে কয়েকজনের মৃত্যু হয় বলেও অভিযোগ উঠেছিল। কালো টাকা উদ্ধারের জন্যই এই সিদ্ধান্ত বলে তখন সাফাই দেওয়া হয়েছিল কেন্দ্রর তরফে। নোটবন্দির (Demonetisation) জেরে কেন্দ্রের সিদ্ধান্তের কড়া সমালোচনা করেছিলেন বিরোধীরাও। নোটবন্দির সিদ্ধান্ত দেশের সব চেয়ে বড় অপরাধ বলে দাবি করেছিলেন তাঁরা। কেন্দ্রের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে দায়ের হয় ৫৮টি মামলা। ২০১৬ সালের ১৬ ডিসেম্বর তৎকালীন প্রধান বিচারপতি টিএস ঠাকুর এই মামলাগুলিকে পাঠিয়েছিলেন সাংবিধানিক বেঞ্চে।

    আরও পড়ুন: ‘… আমাদের মনোভাব বদলানো প্রয়োজন’, প্রধান বিচারপতি কেন বললেন একথা, জানেন?

    ২০১৬ সালের ৮ নভেম্বর, কেন্দ্রীয় সরকার পুরনো ৫০০ ও ১০০০ টাকার সমস্ত নোট বাতিল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। তার বিরুদ্ধে আদালতে দায়ের হওয়া একাধিক মামলার একত্রে শুনানি চলছিল। তাতে নোটবন্দির (Demonetisation) পক্ষে যুক্তি দিতে গিয়ে কেন্দ্র সুপ্রিম কোর্টকে জানিয়েছে, ৫০০ ও ১০০০ টাকার নোট বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে অত্যন্ত সচেতনভাবেই। তারা এও জানিয়েছিল, এনিয়ে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ার সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনাও হয়েছিল। নোটবন্দি হওয়ার আগে এ ব্যাপারে নানা প্রস্তুতিও নেওয়া হয়েছিল। সিদ্ধান্তের স্বপক্ষে যুক্তি দিতে গিয়ে কেন্দ্র জানায়, নোটবন্দির এই সিদ্ধান্ত একটি বৃহত্তর পরিকল্পনার অঙ্গ। জাল নোট, কালো টাকা, কর ফাঁকি এবং সন্ত্রাসবাদে অর্থ মদত রুখতে করা হয়েছিল নোটবন্দি। এদিন যে পাঁচ বিচারপতির সাংবিধানিক বেঞ্চে এই মামলার শুনানি হয়েছে, সেই বেঞ্চে রয়েছেন বিচারপতি এসএ নাজির, বিআর গাভাই, এএস বোপোন্না, ভি রামসুব্রহ্মনিয়ম এবং বিভি নাগারাথনা। ২৪ নভেম্বর ফের শুনানি হবে এই মামলার। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Petrol Diesel Under GST: জিএসটির আওতায় আসছে পেট্রোল-ডিজেল? কী বললেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী?

    Petrol Diesel Under GST: জিএসটির আওতায় আসছে পেট্রোল-ডিজেল? কী বললেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার কি পেট্রোল ও ডিজেলও চলে আসবে জিএসটির আওতায় (Petrol Diesel Under GST)? সোমবার বিকেল থেকে এমনই প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে। এর কারণ কেন্দ্রীয় পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রকের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী হরদীপ সিং পুরীর একটি মন্তব্য। সোমবার তিনি বলেন, পেট্রোল (Petrol) ও ডিজেলকে (Diesel) জিএসটির (GST) আওতায় আনতে প্রস্তুত কেন্দ্র। একই সঙ্গে তিনি সংশয় প্রকাশ করেছেন এই বলে যে, রাজ্যগুলি কেন্দ্রের এই প্রস্তাবে রাজি না-ও হতে পারে। কারণ মদ ও তেলের থেকে তাদের রাজস্বের একটি বড় অংশ আদায় হয়। মন্ত্রী বলেন, তবে যদি রাজ্য রাজি হয়, তাহলে আমরা প্রস্তুত।

    মন্ত্রী বলেন…

    পেট্রোল ডিজেলকে জিএসটির আওতায় (Petrol Diesel Under GST) নিয়ে আসা প্রসঙ্গে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বলেন, পেট্রোল-ডিজেলকে জিএসটির আওতায় নিয়ে আসতে গেলে রাজ্যগুলিকে রাজি হতে হবে। তিনি বলেন, যদি রাজ্য পদক্ষেপ করে, তাহলে আমরা প্রস্তুত। মন্ত্রী বলেন, আমরা বরাবরই প্রস্তুত রয়েছি। অন্তত আমি এমনটাই বুঝেছি। তবে কীভাবে এটি লাগু করা হবে, তা অন্য বিষয়। এ বিষয়ে অর্থমন্ত্রীকে জিজ্ঞাসা করা উচিত।

    হরদীপ সিং পুরী বলেন, এটা বোঝা কঠিন নয় যে তারা (রাজ্যগুলি) এ থেকে রাজস্ব আদায় করে। যে রাজস্ব পাচ্ছে, সে কেন সেটা ছাড়বে? তিনি বলেন, মদ ও জ্বালানি দুটি ক্ষেত্র যেখান থেকে তারা রাজস্ব আদায় করে। মন্ত্রী বলেন, এটা একমাত্র কেন্দ্রীয় সরকার যে মুদ্রাস্ফীতি ও অন্যান্য বিষয় নিয়ে ভাবনাচিন্তা করে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জানান, ভারতের অনেক প্রতিবেশী দেশেই জ্বালানির দাম অত্যন্ত চড়া। তবে ভারতের প্রান্তিক এলাকায়ও জ্বালানি সহজলভ্য। তাঁর মতে, কেন্দ্র-রাজ্য সমন্বয়ের কারণেই এটা হয়েছে।

    আরও পড়ুন: অক্টোবরের জিএসটি সংগ্রহ প্রায় ১.৫২ লক্ষ কোটি টাকা, এযাবৎ কালের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ

    ভারতে যে পেট্রোল ডিজেলের দাম অন্যান্য দেশের তুলনায় সস্তা, এদিন তাও মনে করিয়ে দেন মন্ত্রী। বলেন, গত এক বছরে উত্তর আমেরিকায় জ্বালানির দর বেড়েছে ৪৩ শতাংশ। আর ভারতে এই বৃদ্ধির হার মাত্র ২ শতাংশ। তিনি বলেন, বিশ্বের কোথাও যদি কোনও উজ্জ্বল আলো দেখা যায়, তাহলে তা রয়েছে ভারতেই। এটা আমি বলছি না, বলছেন মর্গান স্ট্যানলি, আন্তর্জাতিক মুদ্রা ভাণ্ডারের ম্যানেজিং ডিরেক্টর।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Rozgar Mela: আরও ৭১ হাজার তরুণের হাতে নিয়োগপত্র তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী

    Rozgar Mela: আরও ৭১ হাজার তরুণের হাতে নিয়োগপত্র তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রোজগার মেলা (Rozgar Mela) তরুণদের ক্ষমতা দিতে আমাদের একটা প্রচেষ্টা। তাঁরা যাতে দেশের উন্নতিতে অনুঘটক হয়ে উঠতে পারেন, তাই এই মেলা। মঙ্গলবার একথা বলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। এদিন ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে তিনি নিয়োগপত্র (Appointment Letter) তুলে দেন ৭১ হাজার জনের হাতে।

    কর্মসংস্থানকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার…

    প্রধানমন্ত্রীর অফিস জানিয়েছে, এই কর্মসংস্থান মেলা (Rozgar Mela) তাঁর (প্রধানমন্ত্রীর) প্রতিশ্রুতি পূরণের একটি পদক্ষেপ। কর্মসংস্থানকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে এই কাজ করা হচ্ছে। এর ফলে প্রচুর কর্মসংস্থান তৈরি হবে। যা আদতে দেশের অর্থনীতিকে আরও মজবুত করতে প্রত্যক্ষভাবে সাহায্য করবে। যুবকদের কাছেও সুযোগের দোর খুলে দেবে।

    কর্মপ্রার্থীদের হাতে নিয়োগপত্র তুলে দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজ, ৭১ হাজারেরও বেশি তরুণের হাতে নিয়োগপত্র তুলে দেওয়া হল। দেশের ৪৫টি শহর থেকে এই নিয়োগপত্র দেওয়া হয়েছে। এটা হাজার হাজার পরিবারে খুশির খবর বয়ে আনবে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, গত মাসে ধনতেরাসের সময় ৭৫ হাজার তরুণের হাতে নিয়োগপত্র তুলে দেওয়া হয়েছিল। তিনি বলেন, এই যে বিরাট রোজগার মেলা (Rozgar Mela) হচ্ছে, এটা প্রমাণ করে তরুণদের চাকরি দেওয়ার লক্ষ্যে কাজ করছে সরকার। প্রধানমন্ত্রী বলেন, সার্ভিস এক্সপোর্টের ক্ষেত্রে তামাম বিশ্বে ভারত একটি বড় শক্তি। তিনি জানান, বিশেষজ্ঞদের মতে, ভারত ক্রমেই বিশ্বের ম্যানুফ্যাকচারিং হাউস হওয়ার পথে এগোচ্ছে।

    এদিন দেশের ৪৫টি শহর থেকে তরুণদের হাতে নিয়োগপত্র তুলে দেওয়া হয়।এর মধ্যে বিভিন্ন রাজ্য থাকলেও, বাদ ছিল গুজরাট ও হিমাচল প্রদেশে। হিমাচল প্রদেশ বিধানসভার নির্বাচন হয়ে গেলেও, ফল বের হয়নি। আর গুজরাট বিধানসভার নির্বাচন রয়েছে ডিসেম্বরের ১ ও ৫ তারিখে। সেই কারণে এই দুই রাজ্যে বলবৎ রয়েছে নির্বাচনী আচরণ বিধি।

    আরও পড়ুন: সন্ত্রাসের প্রতিটি ঘটনার ক্ষেত্রেই সমতুল প্রত্যাঘাত প্রয়োজন, বললেন মোদি

    জানা গিয়েছে, চলতি বছর জুন মাসে বিভিন্ন সরকারি দফতরকে প্রধামন্ত্রী নির্দেশ দিয়েছিলেন ‘মিশন মোডে’ আগামী দেড় বছরের মধ্যে ১০ লক্ষ নিয়োগ করতে হবে। তারই অঙ্গ হিসেবে রোজগার মেলার (Rozgar Mela) মাধ্যমে সরকারি দফতরে শূন্যপদ পূরণ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Delhi-Mehrauli Murder: ধর্ম পরিবর্তনে রাজি না হওয়াতেই কি খুন শ্রদ্ধা? দিল্লির নৃশংস হত্যাকাণ্ডে নয়া মোড়

    Delhi-Mehrauli Murder: ধর্ম পরিবর্তনে রাজি না হওয়াতেই কি খুন শ্রদ্ধা? দিল্লির নৃশংস হত্যাকাণ্ডে নয়া মোড়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাবা-মা কে ছেড়ে ভালবেসে ঘর ছেড়েছিলেন মহারাষ্ট্রের হিন্দু পরিবারের মেয়ে শ্রদ্ধা ওয়েলকার। সম্পর্ক গড়েছিলেন এক মুসলিম যুবকের সঙ্গে। আফতাব আমিন পুনাওয়ালার সঙ্গে লিভ-ইন করছিলেন। বিয়ের জন্য প্রেমিককে চাপ দেওয়াতেই তাঁকে খুন (Delhi-Mehrauli Murder) করে আফতাব। পুলিশকে তাই জানিয়েছে সে। কিন্তু শ্রদ্ধার বন্ধুর দাবি, লিভ-ইন ছেড়ে বিয়ের কথা বলতেই শ্রদ্ধাকে ধর্ম পরিবর্তন করতে জোর করে  আফতাব। তাতে মত দেয়নি শ্রদ্ধা। পরিবার ত্যাগ করলেও ধর্ম ছাড়তে হয়ত রাজি ছিলেন না তিনি। তাই এই পরিণতি। ধর্মান্তরণের বিষয়টি খতিয়ে দেখছে পুলিশও। 

    শ্রদ্ধার বাবার দাবি

    আফতাব আমিন পুনাওয়ালার সঙ্গে আলাপ হওয়ার পরই তাঁর মেয়ে বদলে গিয়েছিল। এমনই দাবি করলেন দিল্লিতে নৃশংস হত্যার শিকার শ্রদ্ধার বাবা বিকাশ মদন ওয়েলকার। তাঁর দাবি, “শ্রদ্ধা খুব ভাল মেয়ে ছিল। ফ্যাশন ট্যাশন কিছু করত না। একদম সাধারণভাবে থাকত। যখন থেকে ও প্রথম চাকরি করা শুরু করেছিল এবং ওর সঙ্গে এই ছেলেটির দেখা হয়েছিল, তখন থেকেই লাইফস্টাইলে পরিবর্তন এসেছিল শ্রদ্ধার।” ভিন্ন ধর্ম, অন্য পরিবেশে বড় হয়ে ওঠা আফতাবের সঙ্গে সম্পর্কে যেতে দিতে রাজি ছিল না শ্রদ্ধার পরিবার। তাই বাড়ি ছাড়েন শ্রদ্ধা। কিন্তু বাড়ি ছাড়লেও শ্রদ্ধার বন্ধুর অনুমান, নিজের ধর্ম-ত্যাগ করতে রাজি ছিল না হিন্দু পরিবারের মেয়ে।  

    শ্রদ্ধার ছোটবেলার বন্ধু লক্ষ্মণ নাদার জানান, মাঝেমাঝেই শ্রদ্ধার সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করত আফতাব।  সে কথা শ্রদ্ধা তাঁকে জানিয়েছিল। শ্রদ্ধাকে সে সম্পর্ক থেকে বেরিয়ে আসার কথাও বলে। এমনকী, আফতাবকে ভয়ও দেখায় পুলিশকে জানিয়ে দেবে বলে। লক্ষ্মণ বলেন, আফতাব তখনই শ্রদ্ধার থেকে ক্ষমা চেয়ে নেয়। তারপর শ্রদ্ধাই লক্ষ্মণকে পুলিশে যেতে আটকায়। শ্রদ্ধার পরিবার সূত্রে খবর, মা ও বাবাকেও আফতাবের ব্যবহারের কথা জানিয়েছিল শ্রদ্ধা কিন্তু সম্পর্ক থেকে বেরিয়ে আসতে রাজি ছিল না।

    আরও পড়ুন: দিল্লিতে হিন্দু লিভ-ইন পার্টনারকে খুন করে দেহ ৩৫ টুকরো করল মুসলিম যুবক

    তদন্তে নয়া দিক

    পুলিশকে জেরায় আফতাব জানিয়েছে খুনের এক সপ্তাহ আগে থেকেই পরিকল্পনা করেছিল সে। শ্রদ্ধা তাকে সন্দেহ করত। ফোনে কারুর সঙ্গে কথা বললে বিরক্ত হত। তার প্রতি শ্রদ্ধা অবিশ্বাস করত বলেই বিরক্ত হয়ে শ্রদ্ধাকে শেষ করার কথা ভাবে সে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, শ্রদ্ধার দেহ মাটিতে পুঁতে দিলে বা কোথাও ফেললে ধরা পড়তে পারে এই আশঙ্কাতেই দেহ ৩৫ টুকরো করে ফ্রিজে রেখে দিয়েছিল আফতাব। পরে তা জঙ্গলে ছড়িয়ে ছিটিয়ে পুঁতে ফেলা হয়েছিল। সেই সময়ও বাড়িতে নতুন বান্ধবীদের নিয়ে এসেছিল অভিযুক্ত আফতাব। ডেটিং অ্যাপ বাম্বেলেই তাঁদের সঙ্গে পরিচয় হয়েছিল আফতাবের। এবার দিল্লি পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, কোন কোন মহিলার সঙ্গে আফতাবের সাক্ষাৎ হয়েছে সে সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য হাতে পেতে এবার বাম্বল ডেটিং অ্যাপকে চিঠি পাঠাতে পারে দিল্লি পুলিশ।  শ্রদ্ধা হত্যাকাণ্ডের (Delhi-Mehrauli Murder) পিছনে সেই মহিলাদের কোনও হাত ছিল কিনা সেই বিষয়টি খতিয়ে দেখতে চায় পুলিশ।

    পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, তদন্তের অগ্রগতির স্বার্থে প্রমাণ উদ্ধারের জন্য একাধিক দল মোতায়েন করা হয়েছে । সবার আগে শ্রদ্ধার শরীরের টুকরো অংশগুলি খুঁজে বের করতে চায় পুলিশ। এখনও পর্যন্ত শরীরের ১৩টি টুকরো পাওয়া গিয়েছে । বেশিরভাগই হাড় । এখনও ,মাথা, ধড় কিংবা শরীরের অন্য কোনও অংশ খুঁজে পাওয়া যায়নি, যা দেখে শ্রদ্ধাকে সনাক্ত করা যেতে পারে । মেহরাউলি জঙ্গলে তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ । কিন্তু, এত বড়, ঘন জঙ্গলে শরীরের টুকরো অংশগুলি খুঁজে পাওয়া খুবই কঠিন বলে জানাচ্ছে দিল্লি পুলিশ। ছয় মাস হয়ে গিয়েছে শ্রদ্ধার শরীরের অংশ জঙ্গলে রয়েছে। তা পচে যেতে পারে বা কোনও প্রাণী খেয়ে ফেলতে পারে বলেও পুলিশের অনুমান।

    যে অস্ত্র দিয়ে শ্রদ্ধার দেহের (Delhi-Mehrauli Murder) টুকরো টুকরো করেছিল আফতাব, এখনও তা উদ্ধার করতে পারেনি পুলিশ। পাশাপাশি, খুনের সময় আফতাবের রক্তমাখা জামারও খোঁজ চালাচ্ছে পুলিশ। জেরা চলাকালীন আফতাব পুলিশকে জানায়, আবর্জনার ভ্যানে সে তার রক্তমাখা জামাকাপড় ফেলে দিয়েছিল। এক সিনিয়র পুলিশ আধিকারিক জানিয়েছেন, কিছু প্রমাণ তাঁরা পেয়েছেন সেগুলি ফরেন্সিক পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। এতটা সময়ের ব্যবধান যে তদন্তকে কঠিন করে তুলেছে, তা-ও মেনে নিয়েছেন তিনি। 

     

  • Indian Defence Ministry: চিনা আগ্রাসন রুখতে পূর্ব লাদাখে কী কী ব্যবস্থা নিচ্ছে ভারত, জানেন?  

    Indian Defence Ministry: চিনা আগ্রাসন রুখতে পূর্ব লাদাখে কী কী ব্যবস্থা নিচ্ছে ভারত, জানেন?  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রুখতে হবে চিনা আগ্রাসন। তাই ভারতীয় সীমান্ত সুরক্ষিত করতে পূর্ব লাদাখ সেক্টরে ৪৫০টি ট্যাঙ্ক ও ২২ হাজার সৈন্য মোতায়েন করার সিদ্ধান্ত নিল ভারতীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রক (Indian Defence Ministry)। ভারত (India) ও চিনের (China) মধ্যে রয়েছে প্যাংগং সো লেক। সূত্রের খবর, এই লেকে চিনা আগ্রাসনের মোকাবিলা করতেই ভারতীয় আর্মির কোর অফ ইঞ্জিনিয়াররা সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, পূর্ব লাদাখের (Ladakh Border) দু জায়গায় দুটি নয়া ল্যান্ডিং ক্র্যাফটস বসানো হবে। এর ফলে চিনা সীমান্তে নজরদারি আরও বাড়ানো যাবে। মানুষ কিংবা জিনিস সীমান্ত পেরিয়ে যা-ই এদেশে আসুক না কেন, তা ধরা পড়বে। সন্দেহজনক কিছু দেখলেই বাহিনীকে সে ব্যাপারের সতর্ক করে দেবে এই নয়া ব্যবস্থা। নয়া যে দুটি ক্র্যাফট বসানো হচ্ছে, সেগুলির প্রতিটি ৩৫ জন করে সেনা বহন করতে পারবে বলেও জানা গিয়েছে।

    স্থায়ী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা…

    স্থায়ী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সম্পর্কে বলতে গিয়ে ভারতীয় সেনাবাহিনীর ইঞ্জিনিয়র ইন চিফ লেফটেন্যান্ট জেনারেল হরপাল সিং বলেন, মরুভূমি সেক্টরে ভারতীয় সেনাবাহিনীর কোর অফ ইঞ্জিনিয়াররা ৩-ডি প্রিন্টেড স্থায়ী প্রতিরক্ষা নির্মাণে তৎপর হয়েছে। এই ব্যবস্থাগুলি পুরোপুরি পরীক্ষামূলক ছিল। তবে এই স্থায়ী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাগুলি পরীক্ষা করে দেখা গিয়েছে, যে ছোট অস্ত্র থেকে টি-৯০ ট্যাঙ্কের মূল যে বন্দুক, সবগুলিকেই প্রতিরোধ করতে পারে। বিস্ফোরণের সময়ও কিছুই হবে না, অটল থাকবে। তিনি জানান, সব চেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হল এগুলি ৩৬ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে যে কোনও জায়গায় বসিয়ে দেওয়া যাবে। প্রয়োজনে এক স্থান থেকে অন্যত্র সরিয়েও নিয়ে যাওয়া যাবে। তিনি জানান, পূর্ব লাদাখে ঠিক একই রকম প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা করা হচ্ছে পরীক্ষামূলকভাবে।

    আরও পড়ুন: এবার ট্রেনে চড়েই যাওয়া যাবে অরুণাচলের চিন সীমান্তে, কবে থেকে জানেন?

    চিন সীমান্তে বর্ডার রোডস অর্গানাইজেশনের পরিকাঠামোর উল্লেখ করে প্রতিরক্ষা মন্ত্রক সূত্র জানায়, বর্তমানে ভারতে রয়েছে এমন নটি টানেল। এর মধ্যে একটি প্রায় ২ হাজার ৫৩৫ কিলোমিটার দীর্ঘ। এটিই বিশ্বের সর্বোচ্চ বাইলেন টানেল। এছাড়া আরও ১১টি টানেল নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে বলেও জানিয়েছে ওই সূত্র। প্রসঙ্গত, ২০২০ সালের মে মাস থেকেই লাদাখ সীমান্তে সেনা সমাবেশ বাড়িয়েছে চিন। ওই বছরই জুন মাসে ভারতীয় সেনার সঙ্গে চিনা সেনাদের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষও হয়। তার পরেও ওই এলাকায় চিনা সেনা ক্রমেই বাড়িয়েছে তাদের নিয়ন্ত্রণ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
     
LinkedIn
Share