Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Jammu & Kashmir: ফের জঙ্গিদের নিশানায় পরিযায়ী শ্রমিক! পুলওয়ামায় গুলিবিদ্ধ বিহারের দুই বাসিন্দা

    Jammu & Kashmir: ফের জঙ্গিদের নিশানায় পরিযায়ী শ্রমিক! পুলওয়ামায় গুলিবিদ্ধ বিহারের দুই বাসিন্দা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের রক্তাক্ত ভূস্বর্গ। জঙ্গিদের হামলার শিকার ফের দুই পরিযায়ী শ্রমিক। সূত্রের খবর, শনিবার জম্মু ও কাশ্মীরের পুলওয়ামায় দুই পরিযায়ী শ্রমিককে গুলি করে সন্ত্রাসীরা। ফলে আহত অবস্থায় তাঁদের নিকটবর্তী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। জানা গিয়েছে, আহত দুই শ্রমিক আদতে বিহারের বাসিন্দা।

    পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গতকাল সন্ধ্যায় দক্ষিণ কাশ্মীরের পুলওয়ামা জেলার রত্নিপোরার খারপোরা এলাকায় দুই শ্রমিককে লক্ষ্য করে সন্ত্রাসবাদীরা গুলি চালায়। ঘটনার পর দুই শ্রমিককে হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়েছে, যেখানে তাদের অবস্থা স্থিতিশীল বলে জানা গেছে। পুলিশ জানিয়েছে, তাঁরা বিহারের বাটিয়া জেলার বাসিন্দা শামশাদ এবং ফাইজান কাসরি। এই বিষয়ে গতকালই কাশ্মীর পুলিশ ট্যুইট করে জানিয়েছে।


    [/tw]

    আরও পড়ুন: কাশ্মীর পুলিশের এনকাউন্টারে খতম বাংলার শ্রমিক হত্যাকারী দুই জঙ্গি

    কিন্তু তাঁদের লক্ষ্য করে গুলি চালিয়ে ঘটনাস্থল ছেড়ে পালিয়ে যায় জঙ্গিরা। ঘটনার পর থেকে এলাকায় তল্লাশি চালাচ্ছেন নিরাপত্তারক্ষীরা। তবে, এখনও হামলাকারী জঙ্গিদের খোঁজ পাওয়া যায়নি বলেই খবর। পাশাপাশি এখনও পর্যন্ত কোনও জঙ্গি সংগঠন এই হামলার দায় স্বীকার করেনি।

    প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, ২০১৯ সালের অক্টোবর থেকে জম্মু-কাশ্মীরে বারবার জঙ্গি হামলার মুখে পড়তে হয়েছে পরিযায়ী শ্রমিকদের। গত মাসেই কাশ্মীরের বান্দিপোরায় এক পরিযায়ী শ্রমিককে লক্ষ্য করে গুলি চালায় জঙ্গিরা। দ্রুত তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও শেষরক্ষা হয়নি। হাসপাতালে চিকিৎসা চলাকালীন মৃত্যু হয় ওই শ্রমিকের। ওই শ্রমিকও বিহারের বাসিন্দা ছিলেন। চলতি মাসেও বাংলার এক পরিযায়ী শ্রমিককে লক্ষ্য করে গুলি চালিয়েছিল জঙ্গিরা। ২ সেপ্টেম্বর এই ঘটনাটি ঘটেছিল। এরপর তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছিল, আহত ওই শ্রমিক বাঙালি। তাঁর নাম মুনিরুল ইসলাম। পুলওয়ামার উগারগুন্ড এলাকায় জঙ্গিহামলার এই ঘটনাটি ঘটেছিল। চিকিৎসার পর তাঁর অবস্থা স্থিতিশীল ছিল। বাঙালি শ্রমিককে মেরে ফেলার ঘটনায় যুক্ত ছিল দুই জঙ্গি, পরে তাদেরকে শ্রীনগরের নওগাম এলাকায় এনকাউন্টারে খতম করা হয়। 

  • Agnipath scheme: অগ্নিপথে অটল! প্রকল্প প্রত্যাহারের প্রশ্নই নেই মত কেন্দ্রের

    Agnipath scheme: অগ্নিপথে অটল! প্রকল্প প্রত্যাহারের প্রশ্নই নেই মত কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অগ্নিপথ প্রকল্প (Agnipath scheme) কোনও ভাবেই প্রত্যাহার করা হবে না। এ ব্যাপারে যেন কেউ কোনও ভুল ধারণা পোষণ না করেন। অগ্নিপথ প্রকল্প প্রত্যাহারের কোনও প্রশ্নই নেই বলে জানালেন ভারতীয় সেনা বিষয়ক দফতরের অতিরিক্ত সচিব লেফটেন্যান্ট জেনারেল (Lt Gen) অনিল পুরী  (Anil Puri)। প্রকল্প ঘোষণার পর যে সংশোধনী প্রস্তাব বা ছাড়ের কথা বলা হয়েছে তা সবই আগে থেকে ঠিক করা ছিল। ধাপে ধাপে ঘোষণা করা হয়েছে। কোনও বিক্ষোভ বা বিরোধিতার কথা ভেবে ছাড় দেওয়া হয়নি বলে দাবি,লেফটেন্যান্ট জেনারেলের।

    রবিবার সাউথ ব্লকে (Defence ministry)সেনামন্ত্রকের দফতরেই সাংবাদিক বৈঠকে ‘অগ্নিপথ’ নিয়োগ প্রকল্প প্রসঙ্গে একথা স্পষ্ট করলেন অনিল। তাঁর প্রশ্ন, ‘‘কেন অগ্নিপথ প্রকল্প প্রত্যাহার করা হবে? দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার একটি প্রকল্প থেকে কেন পিছিয়ে আসব আমরা?’’ অগ্নিপথ নিয়ে যখন বিক্ষোভে উত্তাল দেশ, ঠিক তখন সেনাবিভাগের কর্তা বলেন, ‘‘আমরা বাহিনীতে তারুণ্য চেয়েছিলাম। সেনাবাহিনীতে ‘যোশ’ আর ‘হোশ’ (অর্থাৎ জেদ আর সচেতনতার)-এর যৌথ প্রকাশ চেয়েছিলাম। তাই সব দিক মাথায় রেখেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।’’এখন যা-ই হোক প্রকল্প প্রত্যাহারের কোনও সম্ভাবনা নেই।

    আরও পড়ুন: অগ্নিপথ প্রকল্পে বায়ুসেনায় নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু ২৪ জুন, সেনায় ডিসেম্বরে

    ভবিষ্যতে দেশে যুদ্ধ পরিস্থিতি তৈরি হলে প্রযুক্তির উপরে ভর করেই এগোতে হবে, অভিমত অনিলের। তাই অগ্নিপথে তরুণদের নিয়োগেই জোর দেওয়া হচ্ছে। তিনি বললেন, ‘‘প্রযুক্তির ব্যাপারে তরুণ প্রজন্ম অনেক বেশি সড়গড়। সে কথা বিবেচনা করেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।’’ তাঁর কথায় প্রতিবছর সেনার তিন বিভাগ থেকে সময়ের আগেই প্রায় ১৭হাজার ৬০০ জন অবসর নিয়ে নেন। কেউ তো জানতে চান না, তাঁরা কোথায় যাচ্ছেন। অবসরের পর কী করছেন? নতুন একটা ঘোষণার পরই সবাই সেনাদের ভবিষ্যত নিয়ে জল্পনা করতে শুরু করেছে। যা অনভিপ্রেত বলে দাবি সেনা কর্তার। অনিল জানান, প্রাথমিকভাবে পরীক্ষা করার জন্যই সেনাবাহিনীতে ৪৬ হাজার ‘অগ্নিবীর’ নিয়োগের পরিকল্পনার কথা বলা হয়েছে। তবে খুব শীঘ্রই সেনাবাহিনীতে ‘অগ্নিবীর’দের সংখ্যা বেড়ে এক লাখ ২৫ হাজার হবে। 

     

  • Agnipath scheme: নিয়ম শিথিল! অগ্নিপথ প্রকল্পে নিয়োগে বয়সের ঊর্ধ্বসীমা বেড়ে ২৩

    Agnipath scheme: নিয়ম শিথিল! অগ্নিপথ প্রকল্পে নিয়োগে বয়সের ঊর্ধ্বসীমা বেড়ে ২৩

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অগ্নিপথ প্রকল্পে (Agnipath scheme) নিয়োগের ক্ষেত্রে বয়সের ঊর্ধ্বসীমা (upper age limit) বাড়াল কেন্দ্র। এই প্রকল্পের মাধ্যমে চলতি বছর ভারতীয় সেনার (Indian Army) তিন বিভাগে ৪৬ হাজার তরুণ-তরুণীকে নিয়োগ করা হবে। মাধ্যমিক পাশের পরই এই পদের জন্য আবেদন করা যাবে। উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার পরও ছেলে-মেয়েরা অগ্নিবীর হিসেবে দেশসেবায় নিয়োজিত হতে পারবেন।

    তবে এই পদে আবেদনের ক্ষেত্রে বয়স হতে নূন্যতম সাড়ে ১৭ বছর। গত মঙ্গলবার ভারতীয় সেনার তিন বিভাগের প্রধান অর্থাৎ সেনাপ্রধান জেনারেল মনোজ পাণ্ডে (General Manoj Pande), নৌসেনা প্রধান অ্যাডমিরাল আর হরি কুমার (Admiral R Hari Kumar), এবং বায়ুসেনা প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল ভিআর চৌধুরীর (ACM V R Choudhury) উপস্থিতিতে এই অগ্নিপথ স্কিমের ঘোষণা করেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং (Rajnath Singh)। জানানো হয়, ১৭ বছর ৬ মাস থেকে ২১ বছর পর্যন্ত যুবক-যুবতীরা চার বছরের চুক্তিতে সেনায় নিযুক্ত হতে পারবেন। তবে, বৃহস্পতিবার বয়সের ঊর্ধ্বসীমা ২১ থেকে বাড়িয়ে ২৩ করার কথা জানায় প্রতিরক্ষা মন্ত্রক।

    আরও পড়ুন: বিপুল বেতন পাবেন ‘অগ্নিবীর’রা! মেয়াদ শেষে এককালীন করমুক্ত টাকার প্রস্তাবও

    কেন্দ্র এদিন এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, গত দু’বছরে সেনাবাহিনীতে নিয়োগ করা সম্ভব হয়নি। এই বিষয়টি সম্পর্কে সরকার যথেষ্ট সচেতন। তাই সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, ২০২২ সালে প্রস্তাবিত অগ্নিপথ প্রকল্পে নিয়োগের ক্ষেত্রে এককালীন ছাড় দেওয়া হবে। নিয়োগের ক্ষেত্রে বয়সের ঊর্ধ্বসীমা ২৩ করা হচ্ছে। করোনার জন্য গত দু’বছর সেনায় নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়নি। ফলে অনেক যুবক-যুবতীই বঞ্চিত হয়েছেন। সেনাতেও শূন্যপদের সৃষ্টি হয়েছে। একথা মাথায় রেখেই এই সিদ্ধান্ত নেয় প্রতিরক্ষামন্ত্রক।

    চুক্তির ভিত্তিতে সেনাবাহিনীতে নিয়োগের বিরুদ্ধে দেশের একাধিক জায়গায় বিক্ষোভ শুরু হয়েছে। কিন্তু তাতে আমল দিতে নারাজ সরকার। প্রতিরক্ষা মন্ত্রক (Ministry of Defence) সূত্রে জানানো হয়েছে, এটি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (Modi) একটি দূরদর্শী প্রকল্প। চুক্তির মেয়াদ শেষ হলে ‘অগ্নিবীর‘রা (Agniveer) বহু জায়গা থেকেই কাজের সুযোগ পাবেন। সরকারি সংস্থা, রাজ্য পুলিশ, আধা সামরিক বাহিনী, বেসরকারি নিরাপত্তা সংস্থা প্রতিটি ক্ষেত্রেই অগ্রাধিকার পাবেন ‘অগ্নিবীর’রা।

     

  • Cyrus Mistry: তীব্র গতি কাড়ল প্রাণ, গাড়ি দুর্ঘটনায় মৃত টাটা সন্সের প্রাক্তন চেয়ারম্যান সাইরাস মিস্ত্রি, শোকপ্রকাশ প্রধানমন্ত্রীর

    Cyrus Mistry: তীব্র গতি কাড়ল প্রাণ, গাড়ি দুর্ঘটনায় মৃত টাটা সন্সের প্রাক্তন চেয়ারম্যান সাইরাস মিস্ত্রি, শোকপ্রকাশ প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রবিবার ভয়ঙ্কর পথ দুর্ঘটনায় প্রাণ হারালেন টাটা সন্সের প্রাক্তন চেয়ারম্যান ও শিল্পপতি সাইরাস মিস্ত্রি (Cyrus Mistry)। ঘটনাটি ঘটেছে মহারাষ্ট্রের পালঘরে (Palgahr)। সূত্রের খবর, তাঁর গাড়ি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার ডিভাইডারে ধাক্কা মারে ও সেখানেই দুর্ঘটনাটি ঘটে। দুর্ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয় বলে জানা যায়।

    পুলিশ সূত্রে জানা যায়, রবিবার ৩টে ১৫ মিনিটে আহমেদাবাদ থেকে মুম্বইয়ে মার্সিডিজে করে ফিরছিলেন সাইরাস। চারোতি ব্রিজের কাছে ডিভাইডারে ধাক্কা মারে। জানা গিয়েছে, সেই গাড়িতে মোট চারজন ছিলেন। সাইরাসের সঙ্গে আরও একজন এই দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন। তিনি হলেন জাহাঙ্গীর বিনশাহ প্যান্ডোল। আর বাকি দুজন অনাহিতা প্যান্ডোল ও ড্যারিয়াস পান্ডোল আহত হয়েছেন। তাঁদের গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অনাহিতা প্যান্ডোল গাড়ি চালাচ্ছিলেন বলে জানা গিয়েছে।

    সম্প্রতি দুর্ঘটনার যেসব ভিডিও প্রকাশ্যে এসেছে, তাতে দেখা যাচ্ছে, গাড়িটির সামনের অংশ ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। গাড়ির ভেতরের অংশ ভেঙে সব চুরমার হয়ে গিয়েছে।

    এদিকে সাইরাসের মৃত্যুর খবর পেয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Modi) শোকপ্রকাশ করে ট্যুইটারে লিখেছেন ‘শ্রী সাইরাস মিস্ত্রির অকাল মৃত্যু মর্মান্তিক। দক্ষ ব্যবসায়ীদের মধ্যে একজন ছিলেন তিনি এবং তিনি ভারতের অর্থনৈতিক দক্ষতায় বিশ্বাস করতেন। তাঁর মৃত্যু বাণিজ্য ও শিল্প জগতের জন্য বড় ক্ষতি। তাঁর পরিবার ও বন্ধুবান্ধবের প্রতি আমার সমবেদনা। তাঁর আত্মার শান্তি কামনা করি।’

    আবার মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী একনাথ শিন্ডে তাঁর শোক প্রকাশ করে  বলেছেন, “মিস্ত্রি কেবল একজন সফল শিল্পপতিই ছিলেন না, একজন তরুণ এবং ভবিষ্যৎমুখী ব্যক্তিও ছিলেন। আমরা একজন মেধাবী শিল্পপতিকে হারালাম। তাঁর মৃত্যু শুধু মিস্ত্রি পরিবারের জন্য নয়, ভারতের শিল্প বিভাগের জন্যও ক্ষতি। তাঁর মৃত্যুতে আমার আন্তরিক সমবেদনা।”


    প্রসঙ্গত, সাইরাস মিস্ত্রি শিল্পপতি পালোনজি শাপুরজি মিস্ত্রির ছেলে। সবচেয়ে সফল শিল্পপতিদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন তিনি। ১৯৯১ সালে সাইরাস পালোনজি গ্রুপে যোগ দিয়েছিলেন। এরপরে টাটা গ্রুপে যোগদান করেন ও রতন টাটার পর ২০১৩ সালে টাটা সন্সের চেয়ারম্যান হন। এরপর ২০১৬ সালে তাঁকে চেয়ারম্যানের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। ৫৪ বছরেই সাইরাসের অকাল মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে ভারতের শিল্প মহলে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Madras HC: জামাতের অনুমতি পেলেই গণেশ পুজো! নির্দেশ মাদ্রাজ হাইকোর্টের

    Madras HC: জামাতের অনুমতি পেলেই গণেশ পুজো! নির্দেশ মাদ্রাজ হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুসলিম অধ্যুষিত অঞ্চলে গণেশ পুজো করতে গেলে জামাতের অনুমতি পত্র থানায় জমা দেওয়ার নির্দেশ দিল মাদ্রাজ হাইকোর্ট। কলোনির সকলকে নিয়ে গণেশ পুজো করতে চেয়েছিলেন কোয়েম্বাটোরের উক্কাদামের হাউজিং বোর্ড কলোনির বাসিন্দা মহালক্ষ্মী। গণেশ চতুর্থী থেকে শুরু করে চারদিন ব্যাপী পুজোর আয়োজনের কথা ভেবেছিলেন তিনি। কিন্তু প্যান্ডেল করার জন্য থানা থেকে সম্মতি চাইতে গেলেই বাধে বিপত্তি। অঞ্চলটি মুসলিম প্রধান হওয়ায় থানা সম্মতি দিতে রাজি হয় না। থানা থেকে সম্মতি না মেলায় আদালতের দ্বারস্থ হন মহালক্ষ্মী। সেই আবেদনের  ভিত্তিতেই এই নির্দেশ।

    আরও পড়ুন: চলতি বছরেই এফএমসিজি বাজারে আত্মপ্রকাশ রিলায়েন্স রিটেলের, ঘোষণা মুকেশ-কন্যা ইশার

    মহালক্ষ্মীর আইনজীবী জানিয়েছেন, ওই এলাকাটিতে মুসলিমরা বাস করলেও পুজো-অর্চনা বা গণপতি আরাধনায় কারুর আপত্তি নেই। তাঁর আবেদনে বলা হয়েছে যে, কলোনির বাসিন্দারা গণেশের মূর্তি স্থাপন করে গণেশ চতুর্থী উদযাপন করতে চান। আশেপাশের অঞ্চলে বসবাসকারী মুসলিমদের এতে কোনও সমস্যা নেই। তারা উৎসবে অংশ নিতে চান। এমনকি ভোগ বিতরণেও তাদের সম্মতি রয়েছে। এরপরে পুলিশ-প্রশাসনের আপত্তি খাটে না।  তিনি আদালতকে অনুরোধ করেন, প্যান্ডেলের অনুমতি দেওয়ার জন্য পুলিশকে যেন নির্দেশ দেওয়া হয়।

    আরও পড়ুন: কালীপুজোর সময়েই আসতে চলেছে জিও ৫জি! আগামী বছরেই সারা দেশে, জানুন কী বললেন মুকেশ আম্বানি

    পুলিশের তরফে আদালতে বলা হয় মুসলিম অধ্যুষিত এলাকায় প্যান্ডেল করে পুজো করলে আইনশৃঙ্খলার সমস্যা হতে পারে। এখন না বোঝা গেলেও পরবর্তীতে সমস্যার সৃষ্টি হওয়া অস্বাভাবিক নয়। দুপক্ষের কথা শুনে মাদ্রাজ হাইকোর্ট মহালক্ষ্মীকে গণেশ প্যান্ডেল স্থাপনের আগে স্থানীয় জামাতের সম্মতি নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। আদালতের তরফে বলা হয়, ” বিনায়ক মূর্তি স্থাপনের জন্য জামাত কমিটির অনুমতি-সহ সংশ্লিষ্ট থানায় একটি হলফনামা দাখিল করতে হবে। তারপর তিনি গণেশ চতুর্থীর উৎসব পালন করুন।”  তবে পুজো অর্চনা করলেও কোনও মিছিল বা জমায়েতের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে আদালত। বলা হয় সমস্ত অনুষ্ঠান হাউজিং কলোনির মধ্যেই যেন সীমাবদ্ধ থাকে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

  • ‘Har Ghar Tiranga’: ৫ কোটিরও বেশি সেলফি ‘হর ঘর তিরঙ্গা’-র ওয়েবসাইটে, দাবি কেন্দ্রের

    ‘Har Ghar Tiranga’: ৫ কোটিরও বেশি সেলফি ‘হর ঘর তিরঙ্গা’-র ওয়েবসাইটে, দাবি কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের ৭৬তম স্বাধীনতা দিবস (76th Independence Day) উপলক্ষে দেশবাসীকে ‘হর ঘর তিরাঙ্গা‘ (Har Ghar Tiranga) অভিযানে সামিল হওয়ার ডাক দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। ‘আজাদি কা অমৃত মহোৎসব’ (Azadi Ka Amrit Mahotsav) -এর অংশ হিসেবে কেন্দ্রীয় সরকার এই অভিযানটি শুরু করেছে। ফলে জাতীয় পতাকা নিয়ে সেলফি (Selfie) বা ছবি ‘হর ঘর তিরঙ্গা’ (Har Ghar Tiranga) ওয়েবসাইটে (website) আপলোড (Upload) করার জন্য আহ্বান করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। দেখা গিয়েছে, এই আহ্বানে বিপুল সাড়া পড়েছে। কেন্দ্রের হিসেব অনুযায়ী, ‘হর ঘর তিরাঙ্গা’ ওয়েবসাইটে ৫ কোটিরও বেশি সেলফি আপলোড হয়েছে। বিষয়টিকে ‘অসাধারণ সাফল্য’ বলে অভিহিত করেছে কেন্দ্রীয় সংস্কৃতি মন্ত্রক।

    আরও পড়ুন: ‘হর ঘর তেরঙ্গা’ অভিযানে শামিল হবেন কীভাবে? সার্টিফিকেট কী করে ডাউনলোড করবেন? জেনে নিন

    সূত্রে খবর, স্বাধীনতা দিবসের দিন বিকেল ৪টের সময় ‘হর ঘর তিরঙ্গা’-র সাইটে জাতীয় পতাকা নিয়ে ৫ কোটিরও বেশি সেলফি আপলোড হয়েছে। এই বিশেষ দিনটিকে এইভাবে উদযাপন করার জন্য দেশের সমস্ত নাগরিক ও যাঁরা দেশের বাইরে থেকেও এই দিনটিকে উদযাপন করেছে, তাঁদের কে ধন্যবাদ জানিয়েছে কেন্দ্রীয় সংস্কৃতি মন্ত্রক। প্রসঙ্গত, স্বাধীনতার ৭৫ বছর উদযাপন, ১২ মার্চ, ২০২১ এ শুরু হয়েছিল এবং ১৫ অগাস্ট, ২০২৩ সাল পর্যন্ত চলবে। ফলে দেশের ৭৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে ‘আজাদি কা অমৃত মহোৎসব’- এর আয়োজন করা হয়েছে আর এর ভিত্তিতে অনেক কর্মসূচির আয়োজন করেছে কেন্দ্র সরকার। তারই একটি অংশ ছিল ‘হর ঘর তিরঙ্গা’। এদিন কেন্দ্রীয় সংস্কৃতিমন্ত্রী জি কিষাণ রেড্ডি বলেন, ‘গোটা দেশকে ধন্যবাদ! মাতৃভূমির প্রতি ভালবাসা প্রকাশের এক বিশেষ মুহূর্ত এটি। সকলকে স্বাধীনতা দিবসের শুভেচ্ছা।’

    আরও পড়ুন: স্বাধীনতা দিবসে গাড়িতে পতাকা লাগানোর কথা ভাবছেন? তাহলে আগে জানুন এই নিয়ম

    এবারের স্বাধীনতা দিবস উদযাপন অন্য বছরের থেকে কিছুটা আলাদাই ছিল। এই হর ঘর তিরাঙ্গা উদ্যোগের ফলে যেমন সমস্ত ভারতবাসী তাঁদের বাড়িতে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করতে অনুপ্রাণিত হয়েছে, তেমনি এবারে জাতীয় পতাকার চাহিদাও ছিল তুঙ্গে। এই কর্মসূচির উদ্দেশ্য ছিল সাধারণ মানুষের মনে দেশাত্মবোধ তৈরি করা এবং জাতীয় পতাকার প্রতি তাঁদের আরও বেশি শ্রদ্ধাশীল করে তোলা। শুধুমাত্র সাধারণ মানুষ নয়, এবারে সরকারের এই উদ্যোগে সিনেমা জগতের অনেক তারকাদেরও এই কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করতে দেখা গিয়েছে। হাতে জাতীয় পতাকা নিয়ে বা বাড়িতে পতাকা উত্তোলন করেছেন ও ছবি তুলে সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ারও করেছেন।

  • India at 75: ১৫ অগাস্টকেই কেন ভারতের স্বাধীনতা দিবস হিসেবে বেছে নেওয়া হল জানেন?

    India at 75: ১৫ অগাস্টকেই কেন ভারতের স্বাধীনতা দিবস হিসেবে বেছে নেওয়া হল জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রায় ২০০ বছরের ব্রিটিশ শাসন থেকে মুক্তির পর এবার ১৫ অগাস্ট (15th August) ৭৬ তম স্বাধীনতা দিবস উদযাপন করবে ভারত। দেশের স্বাধীনতার ৭৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে ‘আজাদি কা অমৃত মহোৎসব’ (Azadi ka Amrit Mohatsav) কর্মসূচির ঘোষণা করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। 

    সালটা ছিল ১৯২৯। তখন কংগ্রেসের সভাপতি ছিলেন জওহরলাল নেহরু (Jawaharlal Nehru)। সেই সময় ‘পূর্ণ স্বরাজ’(Purna Swaraj)- এর ডাক দেন তিনি। শুরুতে ২৬ জানুয়ারি দিনটিকে স্বাধীনতা দিবস হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছিল। ১৯৩০ থেকে ১৯৪৬ পর্যন্ত ২৬ জানুয়ারিকেই  স্বাধীনতা দিবস হিসেবে পালন করত কংগ্রেস। বর্তমানে এই দিনটিকে সাধারণতন্ত্র দিবস হিসেবে পালন করে গোটা দেশ। ১৯৫০ সালে এই দিনেই স্বাধীন ভারতের প্রথম সংবিধান কার্যকর হয়।

    আরও পড়ুন: ‘হর ঘর তেরঙ্গা’, কী ভাবে পোস্ট অফিস থেকে অনলাইনে অর্ডার করবেন দেশের পতাকা?     

    গোটা দেশে যখন পূর্ণ স্বরাজের দাবি প্রবল হয়ে ওঠে, তখন ভারত ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেয় ব্রিটিশ সরকার। ক্ষমতা হস্তান্তরের জন্য ব্রিটিশ পার্লামেন্ট  লর্ড মাউন্টব্যাটেনকে ১৯৪৮ সালের জুন মাস পর্যন্ত সময় বেঁধে দেয়। কিন্তু, গোটা দেশে যেভাবে বিক্ষোভের পরিমাণ বাড়ছিল, তাতে মাউন্টব্যাটেন বুঝতে পেরেছিলেন, ১৯৪৮ পর্যন্ত আর অপেক্ষা করা যাবে না। যত দ্রুত সম্ভব, ক্ষমতা হস্তান্তর করতে হবে। এ প্রসঙ্গে কংগ্রেস নেতা রাজা গোপালাচারী ঐতিহাসিক মন্তব্য করেন। তিনি বলেছিলেন, “ব্রিটিশরা যদি ১৯৪৮ সালের ৩০ জুনের অপেক্ষা করত, তাহলে হস্তান্তরের জন্য ব্রিটিশের হাতে কোনও ক্ষমতাই অবশিষ্ট থাকত না।” ভাবগতিক বুঝে মাউন্টব্যাটনে স্বাধীনতা এগিয়ে আনেন  ১৯৪৭ সালের অগাস্টে। 

    আরও পড়ুন: ‘হর ঘর তেরঙ্গা’ অভিযানে শামিল হবেন কীভাবে? সার্টিফিকেট কী করে ডাউনলোড করবেন? জেনে নিন

    ব্রিটিশ ভারতের সর্বশেষ শাসক লর্ড মাউন্টব্যাটেন দাবি করেছিলেন, তিনি দাঙ্গা বা রক্তপাত চাননি। তাই ক্ষমতা হস্তান্তরের সময় এগিয়ে আনেন। কিন্তু তার পরেও ভারত ভাগের সময় ব্যাপক রক্তপাতের সাক্ষী হয় গোটা দেশ। এর পরে মাউন্টব্যাটেন লিখেছিলেন, “যেখানেই সাম্রাজ্যের ক্ষমতা হস্তান্তর হয়েছে, সেখানেই রক্তপাত হয়েছে। এ দাম দিতেই হবে।”  

    কেন ১৫ অগাস্ট দিনটিকেই বেছে নিলেন, সেই জবাবে মাউন্ট ব্যাটেন বলেছিলেন,  দিনটি ছিল দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জাপানের আত্মসমর্পণের দ্বিতীয় বার্ষিকী। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ১৯৪৫ সালের ১৫ অগাস্ট জাপান সেনাবাহিনী আত্মসমর্পণ করেছিল এবং মাউন্টব্যাটেন সে সময় মিত্রবাহিনীর সেনাপতি ছিলেন। তাই যখন সবাই ক্ষমতা হস্তান্তরের দিন তাঁর কাছে জানতে চান, তখন ওই দিনটির কথাই হঠাত বলে ফেলেন মাউন্ট ব্যাটেন।

    একইসঙ্গে স্বাধীন হয়েছিল ভারত-পাকিস্তান। তবে পাকিস্তানের স্বাধীনতা দিবস ১৪ অগাস্ট হলেও ভারতে স্বাধীনতা দিবস পালিত হয় ১৫ অগাস্ট। অথচ  স্বাধীনতা আইন অনুযায়ী একই দিনে দুই দেশ স্বাধীন হওয়ার কথা ছিল। 

    ভারত ও পাকিস্তানের স্বাধীনতা দিবস আলাদা কেন?

    আইন অনুযায়ী অবিভক্ত ভারতে ব্রিটিশ রাজ শেষ হয় একদিনেই, তা ১৫ অগাস্ট। ভারতের স্বাধীনতা বিলেও দুই দেশকেই ১৫ অগাস্ট স্বাধীনতা দেওয়ার কথা বলা ছিল। পাকিস্তান শুরুতে ১৫ অগাস্টকেই স্বাধীনতা দিবস হিসেবে মেনে নিয়েছিল। পাকিস্তানের প্রথম ভাষণে জিন্না বলেছিলেন, “১৫ অগাস্ট স্বাধীন, সার্বভৌম পাকিস্তানের জন্মদিন”। কিন্তু ১৯৪৮ সাল থেকে পাকিস্তান ১৪ আগস্টকে স্বাধীনতা দিবস হিসেবে পালন করতে শুরু করে। ১৯৪৭ সালের ১৪ অগাস্ট রাতটি ছিল রমজান মাসের ২৭ তারিখ। সালটি ছিল ১৩৬৬ হিজরি। রমজানের ২৭ তম রাতটিকে  মুসলমানরা পবিত্র রজনী হিসেবে মনে করে। অনেকেই মনে করেন, এই বিষয় দুটিকে জুড়তেই স্বাধীনতা দিবস বদলে দেয় পাকিস্তান।    

  • Modi I-Day Speech: বিশ্বজুড়ে জনপ্রিয়তার শিখরে মোদি! ইউটিউবে ট্রেন্ডিং লালকেল্লার ভাষণ

    Modi I-Day Speech: বিশ্বজুড়ে জনপ্রিয়তার শিখরে মোদি! ইউটিউবে ট্রেন্ডিং লালকেল্লার ভাষণ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ৭৬ তম স্বাধীনতা দিবসে (76th Independence Day) দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ((Narendra Modi) জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণ দিতে গিয়ে কী বলবেন, সেদিকেই তাকিয়েছিল পুরো দেশবাসী। ফলে দেখা গিয়েছে লাল কেল্লা থেকে নরেন্দ্র মোদির ভিডিও ইউটিউবে (Youtube) ট্রেন্ডিং-এ রয়েছে। তাঁর জনপ্রিয়তা এতই যে তাঁর ভিডিও এবারে ট্রেন্ডিং-এ চলে এসেছে। এবারের স্বাধীনতা দিবস প্রত্যেকবারের তুলনায় একটু আলাদা ভাবেই উদযাপন করা হয়েছে। এবারের স্বাধীনতা দিবসে কী কী হতে চলেছে, তার জন্যও অপেক্ষা করছিল গোটা দেশবাসী।

    এদিন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি লালকেল্লায় (Red Fort) নবমবারের জন্য জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণ দেন ও তারপরে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন। প্রায় ৮৩ মিনিট ধরে জাতির উদ্দেশ্যে বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রীর পতাকা উত্তোলনের ভিডিও ও তাঁকে গার্ড অফ অনার দেওয়ার সেই ভিডিও মঙ্গলবার পর্যন্ত ইউটিউবে ট্রেন্ডিং লিস্টের প্রথমে ছিল। তাঁকে গার্ড অনার দেওয়ার ভিডিওটিতে মঙ্গলবারের সন্ধ্যে পর্যন্ত ২০ মিলিয়ন ভিউ এসেছে। অন্যদিকে পতাকা উত্তোলনের ভিডিওতে ৪.৪ মিলিয়নের মত ভিউ এসেছে। সাধারণত, কোনও সিনেমা, গান ইউটিউবের ট্রেন্ডিং লিস্টে থাকে। কিন্তু এবারে দেশের প্রধানমন্ত্রীর ভিডিও ট্রেন্ডিং-এ আসায় বোঝাই যাচ্ছে যে, শুধুমাত্র নরেন্দ্র মোদির জনপ্রিয়তা শুধুমাত্র আমাদের দেশের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, পুরো বিশ্ব জুড়ে মোদির জনপ্রিয়তা ছড়িয়ে পড়েছে।

    আরও পড়ুন: ৫ কোটিরও বেশি সেলফি ‘হর ঘর তিরঙ্গা’-র ওয়েবসাইটে, দাবি কেন্দ্রের

    এছাড়াও দেশের স্বাধীনতার ৭৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে ‘আজাদি কা অমৃত মহোৎসব’-এর আয়োজন করা হয়েছে। আর এরই ভিত্তিতে অনেক কর্মসূচির আয়োজন করেছে কেন্দ্র সরকার। তার একটি অংশ ছিল ‘হর ঘর তেরঙ্গা’। যেখানে জাতীয় পতাকা নিয়ে সেলফি (Selfie) বা ছবি ‘হর ঘর তেরঙ্গা’ (Har Ghar Tiranga) ওয়েবসাইটে (website) আপলোড (Upload) করার জন্য আহ্বান করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। দেখা গিয়েছে, এই আহ্বানেও বিপুল সাড়া পড়েছে। এই উদযাপনের ঝলক দেখার জন্যও পুরো বিশ্ববাসী অপেক্ষা করে ছিল।

    এছাড়াও মোদির জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণ দেওয়ার ভিডিও প্রথম ছটি ট্রেন্ডিং ভিডিও-এর মধ্যে ছিল। এদিন তাঁর ভাষণে দেশের নারীশক্তির প্রসঙ্গ উঠে এসেছে। মহিলাদের সম্মানের কথা উল্লেখ করে লিঙ্গ বৈষম্য থেকে দূরে সরে আসার বার্তা দিয়েছেন তিনি। এছাড়াও আগামী ২৫ বছরে দেশকে উন্নয়নের পথে নিয়ে যাওয়ার জন্য অনেক বৃহত্তর সংকল্প গ্রহণ করার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

    আরও পড়ুন: ‘আগামী ২৫ বছরে উন্নত দেশের রূপ নেবে ভারত’! জানেন লাল কেল্লায় কী বললেন প্রধানমন্ত্রী

     

     

  • Agnipath Scheme: ভারতে প্রথম মহিলা নাবিক! অগ্নিপথ প্রকল্প দেখাচ্ছে পথ

    Agnipath Scheme: ভারতে প্রথম মহিলা নাবিক! অগ্নিপথ প্রকল্প দেখাচ্ছে পথ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অগ্নিপথ (Agnipath scheme) প্রকল্পের অধীনে প্রথম মহিলা নাবিক (Women Sailors) পেতে চলেছে ভারতীয় নৌবাহিনী। রবিবার, নৌবাহিনীর ভাইস অ্যাডমিরাল দীনেশ ত্রিপাঠী (Vice Admiral Dinesh K Tripathi) একথা জানান। তিনি বলেন, ”  শীঘ্রই নৌবাহিনীর নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হবে। ২৫ জুনের মধ্যে আমাদের বিজ্ঞাপন পৌঁছে যাবে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রকে। এক মাসের মধ্যে নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হয়ে যাবে। নৌবাহিনীর প্রথম অগ্নিবীর ২১শে নভেম্বর আমাদের প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে রিপোর্ট করবে। প্রাথমিকভাবে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আমরা নৌবাহিনীতে নারী অগ্নিবীর নিচ্ছি। এর জন্য আমাদের প্রশিক্ষণে সংশোধনী আনার কাজ ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে। আমি আশা করি পুরুষ ও মহিলা অগ্নিবীর আইএনএস চিল্কায় রিপোর্ট করবেন।” 

    রবিবার অগ্নিপথ প্রকল্পের অধীনে সেনা নিয়োগের সময়সূচি ঘোষণা করেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল অনিল পুরি। সাংবাদিক বৈঠকে তিনি জানান, সরকার অগ্নিপথ প্রকল্পের বাস্তবায়নের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। যুব সমাজকে আবেদন করা হচ্ছে তারা যেন আন্দোলনে এ বার রাশ টানে। এর পরই অগ্নিপথ প্রকল্প অধীনস্থ অগ্নিবীরদের অন্তর্ভুক্তির বিষয়ে নৌবাহিনীর পরিকল্পনার বিবরণ দেন ভাইস অ্যাডমিরাল দীনেশ ত্রিপাঠী। তিনি জানান, আগামী ২৫ জুনের মধ্যে নৌবাহিনীর প্রধান কার্যালয় থেকে নিয়োগের বিস্তৃত নির্দেশিকা প্রকাশ করা হবে। মহিলা এবং পুরুষ—উভয়ের কাছে অগ্নিবীর প্রকল্পের অধীনে নৌবাহিনীতে যোগ দেওয়ার সুযোগ থাকছে।

    আরও পড়ুন: বায়ুসেনায় অগ্নিবীর নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু ২৪ জুন, পরীক্ষা জুলাইয়ে

    নৌবাহিনীতে প্রথম বছরে তিন হাজার অগ্নিবীর নিয়োগের কথা রয়েছে। এদের মধ্যে আনুমানিক ১০ শতাংশ মহিলা অগ্নিবীর নেওয়ার কথা ভাবা হচ্ছে। অর্থাৎ ৩০ জন মহিলা অগ্নিবীর ভারতীয় নৌবাহিনীতে আসতে চলেছে, বলে আশা প্রকাশ করেন ভাইস অ্যাডমিরাল দীনেশ ত্রিপাঠী। নৌবাহিনীতে নারীদের সমান মর্যাদা দেওয়া হবে বলে আগেই জানিয়েছিলেন নৌ-সেনা প্রধান অ্যাডমিরাল আর হরি কুমার। তিনি বলেন, “নৌবাহিনীতে বিভিন্ন পদে মহিলারা বর্তমানে কাজ করছেন। এখানে প্রশাসনিক পদ বলে কোনও পৃথক জায়গা থাকে না। নৌবাহিনীর ইউনিটগুলির মধ্যে কিছু ইউনিট সমুদ্রে কাজ করে, আর কিছু ইউনিট স্থলভাগে কাজ করে। মহিলারা স্থলভাগে বশি কাজ করলেও এখন সমুদ্রেও কাজ করছেন।” এবার দেশের নৌবাহিনীতে নাবিক পদে দেখা যেতে পারে মহিলাদের। সৌজন্যে অগ্নিপথ প্রকল্প!

  • DGCA Fines Air India: যাত্রী হেনস্থা, এয়ার ইন্ডিয়াকে ১০ লক্ষ টাকা জরিমানা ডিজিসিএ-র

    DGCA Fines Air India: যাত্রী হেনস্থা, এয়ার ইন্ডিয়াকে ১০ লক্ষ টাকা জরিমানা ডিজিসিএ-র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১০ লক্ষ টাকা জরিমানা করা হল এয়ার ইন্ডিয়াকে (Air India)। বৈধ টিকিট থাকা সত্ত্বেও বিমানে উঠতে না দেওয়ার অভিযোগ তুলেছিলেন এক যাত্রী। তার জেরেই এই শাস্তি। পরবর্তীতে এই বিমানসংস্থার বিরুদ্ধে একই অভিযোগ তুলেছেন একাধিক যাত্রী। তাঁদের দাবি, বৈধ  টিকিটসহ নির্দিষ্ট সময়ে বিমানবন্দরে চেক-ইন করার পরেও তাঁরা বিমানে ওঠার অনুমতি পাননি। অভিযোগ পাওয়ার পরই তদন্তের নির্দেশ দেয় ডিরেক্টরেট জেনারেল অফ সিভিল অ্যাভিয়েশন (DGCA)। অভিযোগ সত্যি প্রমাণিত হলে বেঙ্গালুরু, হায়দ্রাবাদ এবং দিল্লিতে লাগাতার নজরদারি চালানো হয়। তারপরই এয়ার ইন্ডিয়ার বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেয় ডিজিসিএ।    

    আরও পড়ুন: বিমানে মাস্ক বাধ্যতামূলক, কেমন মাস্ক উড়ানে আদর্শ?

    একটি বিজ্ঞপ্তিতে ডিজিসিএ জানায়, তদন্তের পর এয়ার ইন্ডিয়াকে ১০ লক্ষ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। একই সঙ্গে দ্রুত সমস্যার সমাধান করে নিয়মাবলি মেনে চলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নির্দেশ অমান্য করলে আগামী দিনে কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হবে সেকথাও জানিয়েছে ডিজিসিএ। কিছুদিন আগেই নিয়ম পালন না করার জন্য এয়ার ইন্ডিয়াকে শোকজ নোটিস ধরিয়েছিল ডিজিসিএ। জানা যায়, বিমানসংস্থাটি নির্দিষ্ট কোনও নির্দেশিকা অনুসরণ করে চলে না। এমনকী ভোগান্তির শিকার হওয়া যাত্রীদের কোনও ক্ষতিপূরণও দেওয়া হয় না।    

      আরও পড়ুন: অ্যালকোহল পরীক্ষায় ফেল! সাসপেন্ড একাধিক এয়ারলাইন্সের ৯ পাইলট ও ৩২ ক্রু 
     
    [tw]


    [/tw]

    ডিজিসিএ-র নতুন গাইডলাইন অনুযায়ী, বৈধ টিকিট থাকা সত্ত্বেও যদি কোনও সংস্থা যাত্রীকে বিমানে ওঠার অনুমতি না দেয়, তাহলে হয় সংস্থাটিই অন্য বিমানে ওঠার ব্যবস্থা করে দেবে সেই যাত্রীকে বা ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে অন্য ফ্লাইটের ব্যবস্থা করতে পারলে যাত্রীকে ১০ হাজার টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে হবে বিমানসংস্থাকে। ২৪ ঘণ্টা অতিক্রম করে গেলে ক্ষতিপূরণের অঙ্ক ২০ হাজার অবধি পৌঁছতে পারে।  সঙ্গে সঙ্গে অন্য ফ্লাইটের ব্যবস্থা করলে সেক্ষেত্রে যাত্রীরা কোনও ক্ষতিপূরণ পাবেন না। 

      

LinkedIn
Share