Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • SC on Stray Dogs: পথ কুকুরদের খাওয়ালে দত্তক নিতে হবে, বম্বে হাইকোর্টের রায়ে স্থগিতাদেশ সুপ্রিম কোর্টের

    SC on Stray Dogs: পথ কুকুরদের খাওয়ালে দত্তক নিতে হবে, বম্বে হাইকোর্টের রায়ে স্থগিতাদেশ সুপ্রিম কোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কিছুদিন আগেই বম্বে হাইকোর্ট রায় দিয়েছিল, পথের কুকুরদের (Stray Dogs) যদি খাওয়াতেই হয়, তবে নিজের বাড়িতে নিয়ে যেতে হবে। অন্য কোথাও খাওয়ানো যাবে না। অন্যথায় করা হবে জরিমানা। অক্টোবর মাসেই এমন নির্দেশ দিয়েছিল বম্বে হাই কোর্টের নাগপুর বেঞ্চ। বুধবার সেই রায়ের উপর স্থগিতাদেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)।

    আরও পড়ুন: কম ভোটের ব্যবধানে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি পরিষদ দখল রিপাবলিকানদের 

    বম্বে হাইকোর্টের নির্দেশিকায় কী বলা হয়েছিল?

    বম্বে হাই কোর্টের দুই বিচারপতি সুনীল সুকরে ও অনিল পনসারের ডিভিশন বেঞ্চ নির্দেশ দিয়ে জানায়, “কেউ রাস্তার কুকুরকে খাওয়াতে বা যত্ন নিতে চাইলে, তবে নাগপুর মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশনে আবেদন করে সরকারি ভাবে কুকুরগুলিকে দত্তক নিতে হবে।” এই নির্দেশের ওপর এবার অন্তর্বর্তী কালীন স্থগিতাদেশ দিল সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি সঞ্জীব খন্না এবং জে কে মহেশ্বরীর বেঞ্চ। বেঞ্চ তার পর্যবেক্ষণে বলে, কাউকে জোর করা যায় না যে, কুকুরদের খাওয়াতে গেলেই তাঁদের দত্তক নিতে হবে সেগুলিকে। বিষয়টির যৌক্তিকতা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন বিচারপতিরা। 

    শীর্ষ আদালতের দুই বিচারপতি জানিয়েছেন, পথ কুকুরদের খাওয়ালেই, তাঁদের বিরুদ্ধে এখনই কোনও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে পারবে না নাগপুর মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশন। কোনও নির্দিষ্ট জায়গায় কুকুরকে খাওয়ানোর ব্যবস্থা করা যায় কি না, সেটা দেখতে হবে। এই সমস্যা সমাধানে বিশেষ কোনও উপায় খুঁজে বের করতে হবে। তবে পশু প্রেমীদেরও সতর্কতা অবলম্বন করার। কোনও মতেই যেন সাধারণ মানুষের অসুবিধা না হয়, তা তাদেরকেই নিশ্চিত করার পরামর্শ দিয়েছেন বিচারপতি। বিচারপতিরা আরও বলেন, পথ কুকুরদের খাওয়ানোর ফলে যদি আশপাশের মানুষজনের সমস্যা হয়, তাহলে যারা কুকুরদের খাওয়াচ্ছেন তাঁদের নাম নথিভুক্ত করে রাখতে পারে প্রশাসন। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

     

     

       

     

         

      
  • Covid Travel Advisory: বিমানে আর বাধ্যতামূলক নয় মাস্ক! ইচ্ছে হলে পরুন, জানাল মন্ত্রক

    Covid Travel Advisory: বিমানে আর বাধ্যতামূলক নয় মাস্ক! ইচ্ছে হলে পরুন, জানাল মন্ত্রক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিমানে আর মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক নয়। তবে করোনা ভাইরাসকে চিরতরে নির্মূল করতে গেলে মাস্ক পরা জরুরি বলে জানিয়েছেন অসামরিক বিমান পরিবহণ মন্ত্রক। এমনকি, ধূলো-বালি, ধোঁয়া ও নানান এয়ার ভাইরাস থেকে বাঁচতে  মাস্ক পরা উচিত।

    কোভিড-১৯ ঠেকাতে মাস্ক

    সংক্রমণ থেকে বাঁচতে, গত দু’বছর বিমানে উঠতে গেলে মুখে মাস্ক এবং ‘ফেস শিল্ড’ পরা বাধ্যতামূলক ছিল। কিছু কিছু বিমান সংস্থা বিমানে ওঠার আগেই যাত্রীদের এক বার ব্যবহারযোগ্য মাস্ক, স্যানিটাইজারের পাউচ এবং ‘ফেস শিল্ড’হাতে ধরিয়ে দিত। কিন্তু দেশে প্রতিদিন এখন করোনার গ্রাফ নামছে। পথে-ঘাটে, বাসে-ট্রামে মাস্ক পরে এখন খুব কম লোকেই যাতায়াত করেন। স্কুল, কলেজেও এখন আর সবসময় মাস্ক পরতে দেখা যায় না। অফিসে মাস্ক খুলে কাজ করাটাই আবার অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। এবার থেকে বিমান ভ্রমণে (Air Travel) মুখে মাস্ক (Mask) পরা আর বাধ্যতামূলক রইল না। বুধবার কেন্দ্রীয় সরকার (Centre) একথা জানিয়ে দিল। তবে যদি কেউ মাস্ক পরেন, তা তাঁর পক্ষেই ভালো বলে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে সরকারের তরফে। 

    বিমানযাত্রার বিজ্ঞপ্তি

    দেশে কোভিড (Covid 19) সংক্রমণের হার কমতে থাকায় বিমানে মাস্ক পরা নিয়ে এই সিদ্ধান্ত নিল কেন্দ্র। এদিন বিমান সংস্থাগুলিকে একথা জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। অভ্যন্তরীণ এবং আন্তর্জাতিক সব ধরনের বিমানেই এই সুপারিশ কার্যকর হবে। বিজ্ঞপ্তিতে বিমান সংস্থাগুলিকে বলা হয়েছে, উড়ানের আগে যে বাধ্যতামূলক ঘোষণা করা হয়, সেখানে সমস্ত যাত্রীকে মাস্ক পরতে পরামর্শ দেওয়া যাবে। মাস্ক না পরলে কোনও জরিমানা বা অর্থদণ্ড কিংবা শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে, এমন কথা বলা যাবে না।  প্রসঙ্গত, এখনও পর্যন্ত বিমানযাত্রীদের মুখে মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক রয়েছে।

    আরও পড়ুন: বেসরকারি পরীক্ষাগারে গেলেই ধরা পড়ছে ডেঙ্গি! আর সরকারি কেন্দ্রে?

    কোভিড-গ্রাফ নিম্নমুখী

    স্বাস্থ্য মন্ত্রক সূত্রে পাওয়া খবর অনুযায়ী, এখনও পর্যন্ত দেশে সক্রিয় রোগীর সংখ্যা ০.০২ শতাংশ। আরোগ্যের হার ৯৮.৭৯ শতাংশ। যা আগের তুলনায় অনেকটাই বেশি। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ৫০১ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। ফলে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসায় সরকার এই সিদ্ধান্ত নিল বলে মনে করা হচ্ছে। উল্লেখ্য, কোভিড পরবর্তীকালে বিমান সেবক-সেবিকাদের পিপিই কিট পরা বাধ্যতামূলক করা হয়েছিল। কিছুদিন আগে সেই নির্দেশও প্রত্যাহার করে নেয় সরকার। এবার বিমানযাত্রীদের বাধ্যতামূলক মাস্ক পরার নিয়মও তুলে নেওয়া হল।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Amazon Job Cuts: ভারতেও কর্মী ছাঁটাই করবে অ্যামাজন! কতজন ভারতীয় চাকরি হারাতে চলেছেন?

    Amazon Job Cuts: ভারতেও কর্মী ছাঁটাই করবে অ্যামাজন! কতজন ভারতীয় চাকরি হারাতে চলেছেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ট্যুইটার, মেটার গণছাঁটাইয়ের পর এবারে কর্মী ছাঁটাইয়ের পথে হাঁটল অ্যামাজনও (Amazon Job Cuts)। কয়েকদিন আগেই এই খবর উঠে এসেছিল যে, অ্যামাজনের মালিক জেফ বেজোস ইলন, জুকারবার্গের মতই কর্মী ছাঁটাই করতে চলেছে। আর এই সপ্তাহ থেকেই শুরু হবে ছাঁটাই। সেই অনুমান মতই, শুরু হল কর্মী ছাঁটাই, প্রায় ১০ হাজার কর্মী ছাঁটাই করা হচ্ছে। আর এবারে এই কর্মী ছাঁটাইয়ের প্রভাব এসে পড়ল ভারতীয়দের উপরেও। কারণ জানা গিয়েছে, অ্যামাজন ভারত থেকেও একাধিক কর্মীকে ছাঁটাই করতে চলেছে।  

    অ্যামাজন ভারত থেকে কর্মী ছাঁটাই

    সূত্রের খবর অনুযায়ী, ভারতে প্রায় ১০০ জন কর্মীদের ছাঁটাই করা হবে। বিশেষ করে ইঞ্জিনিয়ারিং ও অন্যান্য ডিপার্টমেন্ট থেকে এই কর্মীদের সরিয়ে দেওয়া হবে (Amazon Job Cuts)।। ইলন মাস্ক ট্যুইটার অধিগ্রহণ করলে কর্মী ছাঁটাই করবেন এই খবর আগের থেকেই শোনা গিয়েছিল। কিন্তু অ্যামাজনের কর্মী ছাঁটাইয়ের খবর আচমকা উঠে আসায় টেক মহলে ফের আশঙ্কার সৃষ্টি হয়েছে (Amazon Job)। লাভ হচ্ছে না, তাই খরচ কমাতে ছাঁটাই করা হবে কর্মীদের। এমনটাই জানিয়েছিল ই-কমার্স জায়েন্ট অ্যামাজন (Amazon)।

    আরও পড়ুন: নোটিশ-ইমেল নয়, ট্যুইট করেই ছাঁটাই কর্মী, কেন এমন করলেন ইলন মাস্ক?

    আরও জানা গিয়েছে, যদি অ্যামাজনে ১০ হাজার কর্মীই ছাঁটাই করা হয়, তবে এটি এই সংস্থার ইতিহাসে সবচেয়ে বড় গণছাঁটাই হতে চলেছে। বিশ্বজুড়ে এই সংস্থার সঙ্গে যুক্ত কর্মীর সংখ্যা প্রায় ১৬ লক্ষ। ফলে এই পরিমাণ ছাঁটাইয়ে ১৬ লক্ষ কর্মীর মাত্র ১ শতাংশই ছাঁটাই করার পরিকল্পনা করছে অ্যামাজন। আর ভারতে কর্মীর সংখ্যা প্রায় ১ লক্ষ। ফলে ভারতে যদি ১০০ কর্মী বরখাস্ত করা হয়, তবে এর পরিমাণ অন্যান্য সব সংস্থা থেকে খুবই সামান্য (Amazon Job Cuts)।

    উল্লেখ্য, ট্যুইটারে প্রায় অর্ধেক কর্মী বরখাস্ত করা হয়েছে। আবার মেটাতেও প্রায় ১১ হাজার কর্মী বরখাস্ত করা হয়েছে। আবার ট্যুইটার ভারতে প্রায় ৯০ শতাংশ কর্মীই ছেঁটে ফেলেছে। মোট কর্মীর সংখ্যা ছিল ২৩০ ও মেটার কর্মী সংখ্যা ভারতে ৪০০, সেখানে অ্যামাজনের কর্মী সংখ্যা ১ লাখ। ফলে যে হারে বাকি সংস্থাগুলি ছাঁটাই করেছে, সেখানে অ্যামাজনের ছাঁটাইয়ের পরিমাণ খুবই কম (Amazon Job Cuts)। 

    আরও পড়ুন: ট্যুইটার-মেটার পর এবারে কর্মী ছাঁটাই অ্যামাজনেও! কাজ হারাতে পারেন কত জন কর্মী?

  • Nirmala Sitharaman: ১০-১৫ বছরে বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতিতে পরিণত হবে ভারত, বললেন অর্থমন্ত্রী

    Nirmala Sitharaman: ১০-১৫ বছরে বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতিতে পরিণত হবে ভারত, বললেন অর্থমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী ১০-১৫ বছরে বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতি হতে চলেছে ভারত। এমনটাই জানালেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন (Nirmala Sitharaman)। সম্প্রতি ব্রিটেনকে পিছনে ফেলে বিশ্বের পঞ্চম বৃহত্তম অর্থনীতি হয়ে উঠেছে ভারত। 

    আরও পড়ুন: রাজীব গান্ধী হত্যা মামলায় মুক্ত ৬ বন্দির জীবন এবার কোন পথে?

    কী বলেছেন অর্থমন্ত্রী?

    শুক্রবার দিল্লিতে একটি মার্কিন-ভারত ব্যবসা ও বিনিয়োগ সুযোগ নিয়ে একটি অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, “বিশ্বে যে দেশগুলির অর্থনীতি দ্রুততার সঙ্গে বৃদ্ধি পাচ্ছে তাদের মধ্যে অন্যতম। সম্প্রতি যুক্তরাজ্যকে পিছনে ফেলে বিশ্বের পঞ্চম বৃহত্তম অর্থনীতিতে পরিণত হয়েছে এবং আগামী ১০ থেকে ১৫ বছরে বিশ্বের শীর্ষ তিন অর্থনৈতিক শক্তিধর দেশগুলির মধ্যে ভারত একটি হবে বলে আশা করা হচ্ছে।” দেশের অর্থনীতিকে চাঙ্গা করতে তিনি এদিন সরকারের তরফে নেওয়া বেশ কিছু প্রকল্পের কথা বলেন। তিনি বিভিন্ন ক্ষেত্রে প্রোডাকশন লিঙ্কড ইনসেনটিভ (PLI), পিএম গতিশক্তি প্রোগ্রাম ও  সেমিকন্ডাক্টর মিশনের কথা উল্লেখ করেছেন।

    অর্থমন্ত্রী বলেন, “ভারত ১০০ কোটির বেশি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট , ১০০ কোটির বেশি মোবাইল ফোন ও ডিজিটাল পরিচয় (আধার)-র মাধ্যমে একটি সম্পূর্ণ নতুন ডিজিটাল অর্থনীতি তৈরি করেছে।” তিনি জানিয়েছেন, বিশ্বের সামগ্রিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি যথেষ্ট অনিশ্চিত। কিন্তু সেই নেতিবাচক প্রভাব ভারতীয় অর্থনীতির উপরে পড়েনি। কারণ, কৃষি সহায়ক ভাল বৃষ্টিপাত, বেসরকারি বিনিয়োগ, কর্পোরেট ক্ষেত্রের ভাল অর্থনৈতিক ফল, ভোক্তা এবং ব্যবসায়িক গোষ্ঠীর আত্মবিশ্বাস এবং সর্বোপরি কোভিড সংক্রমণের ছায়া ক্রমশ সরে যাওয়া, এই এতগুলো বিষয় ভারতের অর্থনৈতিক বৃদ্ধির নেপথ্যে কাজ করে চলেছে।

    প্রসঙ্গত, ইন্ডাস্ট্রিয়াল প্রোডাকশনের ইন্ডেক্সের (IIP) দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত সেপ্টেম্বরে ভারতের শিল্পক্ষেত্রে ৩.১ শতাংশ অর্থনৈতিক বৃদ্ধি হয়েছে। এদিকে ভারতের বিশ্বের তৃতীয় অর্থনীতি হওয়া নিয়ে একটি রিপোর্ট পেশ করেছিল মর্গ্যান স্ট্যানলি। সেই রিপোর্টে বলা হয়েছিল, ২০২৭ সালের মধ্যে ভারতের বিশ্বের মধ্যে তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতি হওয়ার পথে কোনও বাধা নেই। সেই রিপোর্টে বলা হয়েছে, এক্ষেত্রে জাপান ও জার্মানিকে ছাপিয়ে যাবে ভারত। ২০৩০ সালের মধ্যে ভারত তৃতীয় বৃহত্তম স্টক মার্কেটও হয়ে উঠবে। এই রিপোর্টে আরও বলা হয়েছে, ভারত ইতিমধ্যেই দ্রুত বৃদ্ধি পাওয়া অর্থনীতি। গত কয়েক দশক ধরেই ভারতের জিডিপি ৫.৫ শতাংশের উপরে রয়েছে। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

          

     

     

  • G20 Summit: বালিতে গিয়ে সুনক, মাক্রঁর সঙ্গে বৈঠক করবেন মোদি, কেন জানেন?   

    G20 Summit: বালিতে গিয়ে সুনক, মাক্রঁর সঙ্গে বৈঠক করবেন মোদি, কেন জানেন?   

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দোরগোড়ায় জি-২০ সম্মেলন (G20 Summit)। ইন্দোনেশিয়ার বালিতে হবে এই সম্মেলন। উপস্থিত থাকবেন বিশ্বের বিভিন্ন দেশের প্রধানরা। ভারতের (India) তরফে এই সম্মেলনে যোগ দিতে যাবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। সম্মেলনের পাশাপাশি বেশ কয়েকটি দেশের রাষ্ট্র প্রধানের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকও করবেন নরেন্দ্র মোদি। মোদির দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের তালিকায় রয়েছে ব্রিটেন এবং ফ্রান্সও। ব্রিটেনের (Britain) নয়া প্রধানমন্ত্রী ভারতীয় বংশোদ্ভূত ঋষি সুনক। তাঁর সঙ্গে বৈঠক করতে তিনি যে মুখিয়ে, তা আগেই জানিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এই পর্বে মোদি দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করবেন ফান্সের (France) প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাক্রঁর সঙ্গেও।

    কবে জি ২০ সম্মেলন?

    চলতি মাসের ১৫ তারিখে ইন্দোনেশিয়ার বালিতে বসতে চলেছে জি ২০ সম্মেলন (G20 Summit)। চলবে ১৬ তারিখ পর্যন্ত। ১৪ তারিখে মোদি যাচ্ছেন ওই সম্মেলেন যোগ দিতে। থাকবেন ১৬ তারিখ পর্যন্ত। এই সম্মেলন শুরুর আগেই কয়েকটি দেশের রাষ্ট্র প্রধানের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে বসবেন প্রধানমন্ত্রী। এর পাশাপাশি মোদি কথা বললেন ইন্দোনেশিয়ার প্রবাসী ভারতীয়দের সঙ্গেও।

    ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী পদে ঋষি আসীন হন গত মাসের শেষের দিকে। তার পরেই ফোন করে তাঁকে অভিনন্দন জানান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। প্রস্তাবিত মুক্ত বাণিজ্য চুক্তিতে সমস্ত দিককে সংযুক্ত করে ভারসাম্য বজায় রাখার প্রয়োজনের কথা সেই ফোনালাপের সময়ই জানিয়ে দেন মোদি। জানা গিয়েছে, ওই চুক্তির বেশ কিছু বিষয় নিয়ে আপাতত দর কষাকষি চলছে ভারত ও ব্রিটেনের মধ্যে।

    আরও পড়ুন: পদ্মের অপমান মানে হিন্দু সংস্কৃতির অসম্মান! জি-২০ লোগো বিতর্কে বিজেপি

    প্রথমে সিদ্ধান্ত হয়েছিল, মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত হয়ে যাবে দিওয়ালির আগেই। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী পদকে কেন্দ্র করে ব্রিটেনের টালমাটাল পরিস্থিতির জেরে সেটা আর হয়ে ওঠেনি। ভারতীয় বংশোদ্ভূত ঋষি প্রধানমন্ত্রী হতেই মোদির ট্যুইট, দুই দেশের সামগ্রিক কৌশলগত অংশীদারির দিকটিকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে আমরা আরও প্রচেষ্টা চালাব। সমস্ত রকম ভারসাম্য বজায় রেখে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি রূপায়ণের ব্যাপারে আরও দ্রুত সিদ্ধান্তে আসা যে অত্যন্ত জরুরি, সে বিষয়ে আমরা সহমত হতে পেরেছি। ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রীর পাশাপাশি মোদি বৈঠক করবেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্টের সঙ্গেও। নয়াদিল্লি-প্যারিস সম্পর্ক আরও গাঢ় করার লক্ষ্যেই হবে এই বৈঠক। এই সফরে মোদি সুরিনামের প্রেসিডেন্ট এবং ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট জোকো ওয়াইদোদোর সঙ্গেও বৈঠক করবেন আলাদা করে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Himachal Election 2022: হিমাচলে চলছে বিধানসভা নির্বাচন, জেনে নিন ভোটের খুঁটিনাটি    

    Himachal Election 2022: হিমাচলে চলছে বিধানসভা নির্বাচন, জেনে নিন ভোটের খুঁটিনাটি    

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জোর কদমে চলছে হিমাচল প্রদেশ বিধানসভার নির্বাচন (Himachal Election 2022)। আজ, শনিবার ভোট হচ্ছে এক দফায়। বিধানসভার ৬৮টি আসনেই চলছে ভোট গ্রহণ। ট্র্যাডিশন ভেঙে দ্বিতীয়বারের জন্য হিমাচল প্রদেশের ক্ষমতায় ফিরতে চলেছে বিজেপি (BJP)। গড়তে চাইছে ডবল ইঞ্জিন সরকার। পাঁচ বছর বাদে ক্ষমতায় ফিরতে মরিয়া গ্র্যান্ড ওল্ড পার্টি কংগ্রেসও (Congress)।

    এদিন রাজ্যের ৬৮টি বিধানসভা কেন্দ্রে ভাগ্য নির্ধারণ হচ্ছে ৪১২ জন প্রার্থীর। এর মধ্যে মহিলা রয়েছেন ২৪ জন। ভোট দেবেন ৫৫ লক্ষ ভোটার। এই রাজ্যেও বিজেপির তাস প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির স্বচ্ছ ভাবমূর্তি। তাঁর উন্নয়নকে প্রচারের হাতিয়ার করেছে বিজেপি। এ রাজ্যেও ডাবল ইঞ্জিন সরকারের স্লোগান দিয়েছে  বিজেপি। কেন্দ্র ও রাজ্যে বিজেপি থাকলে উন্নয়নের জোয়ার বইবে দেশে, এই প্রচারও করেছে পদ্ম শিবির। মোদি এবং উন্নয়ন এই জোড়া তাসে বিরোধীদের মাত দিতে চাইছে বিজেপি।

    কংগ্রেসের ভরসা

    এ রাজ্যে বিজেপির প্রধান প্রতিপক্ষ কংগ্রেস। কংগ্রেসের মুখে বিভিন্ন স্থানীয় ইস্যু। তাদের ভরসা গত চল্লিশ দশকের প্রথা। এ রাজ্যে কোনও সরকার পর পর দুবার ক্ষমতায় আসে না। সেই হিসেবে এবার বিজেপিকে সরিয়ে হিমাচলের কুর্সি দখলের কথা কংগ্রেসের। তবে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, তা হবে না বলেই মনে হয়। কারণ রাজ্যবাসী মজেছেন বিজেপির উন্নয়নে।

    আরও পড়ুন: পদ্মের অপমান মানে হিন্দু সংস্কৃতির অসম্মান! জি-২০ লোগো বিতর্কে বিজেপি

    হিমাচল প্রদেশের এই নির্বাচন (Himachal Election 2022)বিজেপির জাতীয় প্রধান জেপি নাড্ডার কাছে প্রেস্টিজ ইস্যুও। কারণ এ রাজ্যে এক সময় মন্ত্রী ছিলেন তিনি। তখন মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন প্রেমকুমার ধুমল। চার দশকের প্রথা ভাঙতে এবার ঝাঁপিয়ে পড়েছিল বিজেপি। প্রচার করেছেন বিজেপির হেভিওয়েট নেতারা। এর মধ্যে ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি স্বয়ংও। ছিলেন উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী তথা বিজেপি নেতা যোগী আদিত্যনাথ।

    এদিকে ভারত জোড়ো যাত্রায় ব্যস্ত থাকায় হিমাচল প্রদেশ নির্বাচনে (Himachal Election 2022) প্রচারে আসেননি কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি রাহুল গান্ধী। তবে প্রচার করেছেন কংগ্রেস নেত্রী প্রিয়ঙ্কা গান্ধী বঢরা। প্রচার করেছেন কংগ্রেস সভাপতি মল্লাকার্জুন খাড়গেও। স্থানীয় ইস্যুর পাশাপাশি কংগ্রেস এবার পুরানো পেনশন নীতি চালুকেও প্রচারের হাতিয়ার করেছে। আর বিজেপির অস্ত্র অভিন্ন দেওয়ানি বিধি। ক্ষমতায় ফিরলে ৮ লক্ষ বেকারকে চাকরি দেওয়ার প্রতিশ্রুতিও দিয়েছে বিজেপি। এই নির্বাচনে তারকা প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী জয়রাম ঠাকুর, প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বীরভদ্র সিংয়ের ছেলে বিক্রমাদিত্য সিং এবং বিজেপির প্রাক্তন প্রধান সতপাল সিং সাত্তি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Gujarat Election: গুজরাটে বিজেপি ক্ষমতায় এলে মুখ্যমন্ত্রী কে হবেন জানেন? কী বললেন অমিত শাহ?

    Gujarat Election: গুজরাটে বিজেপি ক্ষমতায় এলে মুখ্যমন্ত্রী কে হবেন জানেন? কী বললেন অমিত শাহ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত আড়াই দশক ধরে গুজরাটের (Gujarat) রাশ রয়েছে বিজেপির (BJP) হাতে। আসন্ন গুজরাট বিধানসভা নির্বাচনে (Gujarat Election) ফের আসতে চলেছে বিজেপি। অন্ততঃ রাজনৈতিক মহলের অনুমান তাই। যদি তাই হয়, বিজেপি যদি ফের গুজরাটের মসনদে আসীন হয়, তাহলে মুখ্যমন্ত্রী হবেন বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী ভূপেন্দ্র প্যাটেলই। প্রবীণ বিজেপি নেতা তথা কেন্দ্রের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ সংবাদ মাধ্যমকে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে জানান একথা। শাহের এই বক্তব্য থেকেই পরিষ্কার, এবারও গুজরাট বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির মুখ ভূপেন্দ্র প্যাটেলই। গুজরাট নির্বাচনে ফের বিজেপি ক্ষমতায় আসছে বলেও আশাবাদী অমিত শাহ। সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, গুজরাটে যদি মেজরিটি পায় বিজেপি, তাহলে পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী হবেন ভূপেন্দ্র প্যাটেলই।

    কবে মুখ্যমন্ত্রী হয়েছিলেন ভূপেন্দ্র?

    গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী পদে আসীন ছিলেন বিজয় রূপানি। ২০২১ সালের সেপ্টেম্বর মাসে তাঁকে সরিয়ে নরেন্দ্র মোদি অমিত শাহের রাজ্যের কুর্সিতে বসানো হয় ভূপেন্দ্র প্যাটেলকে। সেই থেকে তিনিই রয়েছেন গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী পদে। ঘাটলোডিয়া কেন্দ্র থেকে প্রথমবারের জন্য বিধায়ক হয়ে মুখ্যমন্ত্রী হয়েছিলেন ভূপেন্দ্র প্যাটেল। এবারও ওই কেন্দ্রেই বিজেপির প্রার্থী হয়েছেন তিনি।

    আরও পড়ুন: কেজরির ‘গুজরাট ডিলে’র অভিযোগ সর্বৈব মিথ্যা, সাফ জানাল বিজেপি

    গুজরাট নির্বাচনে (Gujarat Election) এবার মূল লড়াই ‘ত্রিশক্তি’র। একদিকে রয়েছে শাসক দল বিজেপি। তাকে লড়তে হবে গ্র্যান্ড ওল্ড পার্টি কংগ্রেসের সঙ্গে। লড়াইয়ের ময়দানে এবার হাজির আরও একটি দল। সেটি হল দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালের আম আদমি পার্টি। চলতি বছরই পাঞ্জাবের কুর্সি থেকে কংগ্রেসকে সরিয়ে ক্ষমতা দখল করে কেজরির পার্টি। এবার তাদের টার্গেট গুজরাটের মসনদ। সেই আপ ইতিমধ্যেই তাদের মুখ্যমন্ত্রী পদে ইসুদান গাধভির নাম ঘোষণা করেছে। তাঁকে সামনে রেখেই গুজরাট দখলের খোয়াব দেখছে কেজরিওয়ালের দল। কেজরির দল এবং রাজ্যের শাসক দল মুখ্যমন্ত্রীর নাম ঘোষণা করে দিলে কী হবে, কংগ্রেস এখনও এ ব্যাপারে ওই পদে কারও নাম ঘোষণা করেনি। ভোটের পরেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে গ্র্যান্ড ওল্ড পার্টি সূত্রে খবর। প্রসঙ্গত, গুজরাট বিধানসভা নির্বাচন হবে দু দফায়। ডিসেম্বরের ১ ও ৫ তারিখে। ভোট হবে রাজ্যের ১৮২টি বিধানসভা কেন্দ্রে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • AAP: দিল্লি পুরভোটের টিকিট মেলেনি, বিদ্যুতের খুঁটিতে উঠে আত্মহত্যার হুমকি আপ নেতার

    AAP: দিল্লি পুরভোটের টিকিট মেলেনি, বিদ্যুতের খুঁটিতে উঠে আত্মহত্যার হুমকি আপ নেতার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সাত সকালে এক প্রস্ত নাটক দিল্লির (Delhi) বুকে! পুরভোটের টিকিট না পেয়ে রবিবার হাই টেনশন বিদ্যুতের খুঁটিতে উঠে পড়লেন আম আদমি পার্টির (AAP) এক প্রাক্তন কাউন্সিলর। টিকিট না পেলে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যার হুমকিও দিলেন প্রাক্তন ওই আপ কাউন্সিলর। হাই টেনশন বিদ্যুতের খুঁটি থেকে তাঁকে নামাতে যথেষ্ট বেগ পেতে হয় প্রশাসনের লোকজনকে।  

    ক্ষোভের কারণ…

    দিল্লি পুরসভার নির্বাচন হবে ৪ ডিসেম্বর। ইতিমধ্যেই প্রথম দফার প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করেছে আম আদমি পার্টি (AAP)। ওই প্রার্থী তালিকায় নাম রয়েছে ১৩৪ জনের। এর মধ্যে মহিলা প্রার্থীর সংখ্যা ৭০। দিল্লি পুরসভার প্রবীণ কাউন্সিলর মুকেশ গোয়াল কংগ্রেস ছেড়ে কিছুদিন আগে যোগ দিয়েছেন অরবিন্দ কেজরিওয়ালের দলে। তাঁকে টিকিট দিয়েছে আপ। আদর্শ নগর ওয়ার্ডে প্রার্থী হয়েছেন তিনি। কংগ্রেস ছেড়ে আপে ভিড়েছেন জনৈক গুড্ডি দেবী। তাঁকেও প্রার্থী করেছে কেজরিওয়ালের দল। তিনি প্রার্থী হয়েছেন টিমরপুরের মালকানগঞ্জে। ভিন দল থেকে আসা লোকজন টিকিট পেয়ে যাওয়ায় অসন্তোষের আগুন ক্রমেই ধূমায়িত হচ্ছে আপের (AAP) অন্দরে। এই দলের একাংশের অভিযোগ, অন্য দল থেকে এলেই প্রার্থী করা হচ্ছে। শনিবার আপ দ্বিতীয় দফার প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করেছে। ওই তালিকায় নাম রয়েছে ১১৭ জনের। প্রথম দফা ও দ্বিতীয় দফা কোনও প্রার্থী তালিকায়ই নাম নেই আপের প্রাক্তন কাউন্সিলর হাসিবউল হাসানের।

    আরও পড়ুন: অমিত শাহের সঙ্গে করমর্দনের ছবি ভাইরাল, বিজেপিতে যোগ দিচ্ছেন ধোনি?

    জানা গিয়েছে, সেই ক্ষোভ থেকেই এদিন প্রাক্তন ওই আপ (AAP) কাউন্সিলর দিল্লির শাস্ত্রী পার্ক মেট্রো স্টেশনের কাছে হাই টেনশন বিদ্যুতের খুঁটিতে উঠে পড়েন। যতক্ষণ না প্রার্থী হওয়ার আশ্বাস পাচ্ছেন, ততক্ষণ নামবেন না বলেও হুঁশিয়ারি দেন তিনি। দেন আত্মহত্যা করার হুমকিও। ঘটনায় হকচকিয়ে যান পথ চলতি মানুষজন। তাঁরা তাঁকে নীচে নেমে আসতে অনুরোধ করেন। তাতে অবশ্য কান দেননি তিনি। তাঁর অভিযোগ, দল ভুল পথে চলছে। তিনি জানান, আপ (AAP) নেতারা ঠকিয়েছেন তাঁকে। পূর্ব দিল্লির গান্ধীনগর এলাকার কাউন্সিলর ছিলেন তিনি। তাঁর দাবি, দলের তরফে কাগজপত্র জমা দিতে বলা হয়েছিল তাঁকে। কিন্তু তার পরেও দেওয়া হয়নি টিকিট।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Assam Minor Rape: নাবালিকার ধর্ষণ-খুনকে আত্মহত্যা! আসামে গ্রেফতার জেলাশাসক, পুলিশ সুপার, সরকারি চিকিৎসক!

    Assam Minor Rape: নাবালিকার ধর্ষণ-খুনকে আত্মহত্যা! আসামে গ্রেফতার জেলাশাসক, পুলিশ সুপার, সরকারি চিকিৎসক!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আসামে ১৩ বছরের নাবালিকা পরিচারিকা ধর্ষণ এবং খুনের (Assam Minor Rape) মামলায় কর্তব্য পালন না করার অভিযোগে গ্রেফতার দরং জেলার জেলাশাসক। এমনটাই জানালেন আসামের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা।

    কী অভিযোগ? 

    ১৩ বছরের কিশোরীকে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় আসাম পুলিশের দুর্নীতির বেশ কিছু তথ্য সামনে এসেছে। মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে পরিচারিকা হত্যার ঘটনা ধামাচাপা দিতে চেয়েছিল পুলিশ। ঘটনার তদন্তে নেমে একথা জানিয়েছে সিআইডি। হত্যার ঘটনাকে আত্মহত্যার রূপ দিতে প্রায় পাঁচ লক্ষ টাকা লেনদেন হয়েছে বলে জানিয়েছেন গোয়েন্দারা। এই ঘটনায় ভুয়ো পোস্টমর্টেম রিপোর্ট তৈরির দায়ে মঙ্গলবার তিন চিকিৎসককে গ্রেফতার করেছে সিআইডি। সোমবার দরং জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপারকে গ্রেফতার হয়েছেন। এর এক দিন পরেই গ্রেফতার হয়েছেন ধুলা থানার ওসি। দরং জেলার পুলিশ সুপার এখনও নিখোঁজ।

    আরও পড়ুন: ১০-১৫ বছরে বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতিতে পরিণত হবে ভারত, বললেন অর্থমন্ত্রী

    কী ঘটেছিল?

    চলতি বছর জুন মাসে আসামের দরং জেলার ধুলা থানার ঢেকিয়াজুলি এলাকার এসএসবি জওয়ান কৃষ্ণকমল বরুয়ার বাড়িতে তেরো বছরের কিশোরীর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়। ওই বাড়িতে পরিচারিকার কাজ করতেন নাবালিকা। তাঁর মৃত্যুকে আত্মহত্যা বলে চালানোর চেষ্টা করে স্থানীয় পুলিশ। ময়নাতদন্তের রিপোর্টেও আত্মহত্যার কথাই বলা হয়। কিন্তু কিশোরীর মা-বাবার অভিযোগ করেন, তাদের মেয়েকে খুন করা হয়েছে। কারণ,মৃতদেহের শরীরে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। গোপনাঙ্গে রক্তের দাগ ছিল। ঘটনায় উত্তাল হয়ে ওঠে গোটা রাজ্য। সঠিক তদন্তের আশ্বাস দেয় রাজ্য সরকার। আন্দোলনের চাপে ফের ময়নাতদন্ত করতে বাধ্য হয় পুলিশ।

    এরপর রাজ্য সরকারের নির্দেশে ফের ময়নাতদন্ত করা হয়। এবং তাতে ধর্ষণের করার প্রমাণ মেলে। ডিএনএ পরীক্ষায় জানা যায়, বাড়ির মালিক কৃষ্ণকমল বরুয়া ধর্ষণ করেছে। ময়নাতদন্তের এই রিপোর্ট আসার পর আসাম  পুলিশের ভূমিকায় প্রশ্ন ওঠে। ওই কিশোরীর বাড়িতে গিয়ে তার পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন মুখ্যমন্ত্রী হিমন্তবিশ্ব শর্মা। সেদিন তিনি এই ঘটনার তদন্তের দায়িত্ব সিআইডিকে দেন। সিআইডির বিশেষ টিম গত ১২ অগাস্ট  তদন্ত নামে। সিআইডির তদন্তে দেখা যায় মৃতদেহ উদ্ধারের সময় ভিডিওগ্রাফি করেনি পুলিশ। এমনকি ফুটপ্রিন্টও নেওয়া হয়নি। এরপর এক এক করে দুর্নীতির তথ্য সামনে আসতে শুরু করে।        

    হিমন্ত বিশ্বশর্মা জানান, এক সাংবাদিক এই মামলার বিষয়ে তাঁকে হোয়াটসঅ্যাপ জানান এবং দুর্নীতির কথা তুলে ধরেন। তারপরেই এই মামলার তদন্ত ভার তিনি দেন সিআইডিকে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Rajiv Kumar: ‘এক জাতি, এক ভোটে’র সিদ্ধান্ত নিতে হবে আইনসভাকে, জানালেন রাজীব কুমার

    Rajiv Kumar: ‘এক জাতি, এক ভোটে’র সিদ্ধান্ত নিতে হবে আইনসভাকে, জানালেন রাজীব কুমার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘এক জাতি, এক ভোটে’র (One Nation One Election) সিদ্ধান্ত নিতে হবে দেশের আইনসভাকে। বুধবার একথা জানালেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার রাজীব কুমার (Rajiv Kumar)। তিনি এও জানান, আইনসভায় এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত হয়ে গেলে কমিশন প্রশাসনিকভাবে সিদ্ধান্ত রূপায়ন করতে পারে।

    কী বলেছিলেন প্রধানমন্ত্রী?

    ২০১৪ সালে ক্ষমতায় আসার পরেই ‘এক জাতি, এক ভোটে’র পক্ষে সওয়াল করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। তাঁর পদাঙ্ক অনুসরণ করে বিজেপির (BJP) একাধিক নেতা-মন্ত্রীও ‘এক জাতি, এক ভোটে’র পক্ষে সওয়াল করেন। ‘এক জাতি, এক ভোট’ নীতির কথা প্রথম বলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। পরে ল’ কমিশনকে চিঠি লিখে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বলেছিলেন, তিনি এই নীতির পক্ষে।

    প্রধানমন্ত্রীর যুক্তি ছিল, কয়েক মাস পর পর নির্বাচন চলে আসে। এর প্রভাব পড়ে উন্নয়নমূলক কাজের অগ্রগতিতে। তাঁর প্রস্তাব ছিল, লোকসভা, বিধানসভা এবং পঞ্চায়েত নির্বাচনে একটিই ভোটার তালিকা প্রস্তুত করা হোক। আলাদা আলাদ তালিকা তৈরি করতে জনগণের টাকার অপচয় বলেও দাবি তাঁর।

    প্রধানমন্ত্রী তথা বিজেপির এই প্রস্তাবের তুমুল বিরোধিতা করেছিল বিভিন্ন রাজনৈতিক দল। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আবার এক কদম এগিয়ে বলেন, এত বড় দেশে একই সঙ্গে কেন্দ্র ও রাজ্য দু জায়গায় নির্বাচন করা বাস্তবসম্মত প্রস্তাব নয়। তিনি বলেছিলেন, আমি নির্বাচনে খরচ কমানোর ব্যাপারে সহমত। ‘এক জাতি, এক  ভোট’ প্রক্রিয়াটি সমস্ত রাজ্যের নির্বাচনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে। কিন্তু যদি এটা হল, আর কেন্দ্রের সরকার পড়ে যায়, তাহলে কি আগামিকাল ফের একটা রাজ্য ও কেন্দ্রের নির্বাচন হবে?

    আরও পড়ুন: কাশ্মীরে জঙ্গি মডিউলের পর্দাফাঁস, বিপুল অস্ত্র সহ ধৃত ৩ জইশ জঙ্গি

    তবে আইনসভা সিদ্ধান্ত নিলে রূপায়ণ করা যেতে পারে ‘এক জাতি, এক ভোট’ নীতি। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার  রাজীব কুমার (Rajiv Kumar) বলেন, এই কর্মযজ্ঞ সামলাতে অনেক কিছুই প্রয়োজন। অনেক সমস্যাও আছে। তবে এখন দেশে চলছে আইনের শাসন। তাই এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিতে হবে আইনসভাকেই। আইনসভা সিদ্ধান্ত নিলে কমিশন তা রূপায়ণ করতে প্রস্তুত বলেও জানান তিনি। ভূতপূর্ব মুখ্য নির্বাচন কমিশনার সুশীল চন্দ্র সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে বলেছিলেন, ‘এক জাতি, এক ভোট’ উত্তম প্রস্তাব। তবে এজন্য সংবিধান সংশোধন করতে হবে। এই সিদ্ধান্ত নিতে হবে সংসদে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।   

LinkedIn
Share