Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Justice DY Chandrachud: “দেশের সমস্ত নাগরিকদের রক্ষা করব…”, প্রধান বিচারপতি পদে শপথ নিলেন ডি ওয়াই চন্দ্রচূড়

    Justice DY Chandrachud: “দেশের সমস্ত নাগরিকদের রক্ষা করব…”, প্রধান বিচারপতি পদে শপথ নিলেন ডি ওয়াই চন্দ্রচূড়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ, বুধবার দেশের সুপ্রিম কোর্টের ৫০ তম প্রধান বিচারপতি পদে শপথ নিলেন বিচারপতি ধনঞ্জয় যশবন্ত চন্দ্রচূড় (Justice DY Chandrachud)। আজ রাষ্ট্রপতি ভবনে, রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু তাঁকে শপথবাক্য পাঠ করান। এর আগে সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ছিলেন উদয় উমেশ ললিত৷ তাঁর মেয়াদকাল শেষ হওয়ার পরেই দায়িত্ব নিলেন চন্দ্রচূড়৷ আগামী ২০২৪ সালের ১০ নভেম্বর পর্যন্ত সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি পদে থাকবেন তিনি।

    বিচারপতি ডি ওয়াই চন্দ্রচূড়ের শপথগ্রহণ

    শপথ নেওয়ার পর বিচারপতি চন্দ্রচূড় (Justice DY Chandrachud) সুপ্রিম কোর্টে মহাত্মা গান্ধীর মূর্তির প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন এবং বলেন যে দেশের সেবা করা তাঁর কর্তব্য। তিনি বলেন, “জাতির সেবা করা আমার কর্তব্য। আমরা ভারতের সমস্ত নাগরিককে রক্ষা করব।” নতুন প্রধান বিচারপতি ২০১৬ সালে ভারতের সুপ্রিম কোর্টে নিযুক্ত হওয়ার আগে ২০১৩ সালে, এলাহাবাদ আদালতের প্রধান বিচারপতি হিসেবে শপথ নিয়েছিলেন। এছাড়াও তিনি ২০০০ সালে, বম্বে হাইকোর্টের বিচারক ছিলেন। এর আগে ১৯৯৮ সালে বম্বে এইচসি দ্বারা সিনিয়র অ্যাডভোকেট হিসাবে মনোনীত হন ও তিনি ভারতের অতিরিক্ত সলিসিটর জেনারেল হিসেবেও নিযুক্ত হন।

    আরও পড়ুন: ছেলেকে অন্যায় ‘সুবিধা’ পাইয়ে দিতেন বিচারপতি চন্দ্রচূড়! অভিযোগ খারিজ বার কাউন্সিলের

    প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি ইউ ইউ ললিতের প্রস্তাব

    প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি এন ভি রামানার অবসরের পর গত ২৭ আগস্ট দেশের প্রধান বিচারপতি হিসেবে শপথ নিয়েছিলেন বিচারপতি ললিত। নিয়ম অনুযায়ী, দেশের প্রধান বিচারপতি অবসরগ্রহণের আগে পরবর্তী প্রধান বিচারপতির নাম সুপারিশ করে যাবেন। সেই প্রথা মেনে গত ১১ অক্টোবর সুপ্রিম কোর্টের সব বিচারপতিকে নিয়ে বৈঠকে বসে কেন্দ্রের হাতে চিঠি তুলে দেন প্রধান বিচারপতি ললিত। ফলে দেশের প্রাাক্তন প্রধান বিচারপতি ইউ ইউ ললিতই (Justice U U Lalit) তাঁর উত্তরসূরী হিসেবে ডি ওয়াই চন্দ্রচূড়ের ((Justice DY Chandrachud)) নাম প্রস্তাব করেছিলেন ও তাঁর প্রস্তাবে মান্যতা দেন ও তাঁকে প্রধান বিচারপতি পদে নিয়োগ করেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু।

    উল্লেখ্য, ৪৪ বছর আগে দেশের প্রধান বিচারপতি হয়েছিলেন ধনঞ্জয়ের বাবা যশবন্ত বিষ্ণু চন্দ্রচূড়। ১৯৭৮ সালের ২ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৯৮৫ সালের ১১ জুলাই পর্যন্ত প্রায় সাড়ে ৭ বছর প্রধান বিচারপতি পদে ছিলেন তিনি। আর আজ তাঁরই ছেলে (Justice DY Chandrachud) প্রধান বিচারপতির আসনে বসবেন।

  • Aadhaar Card: ১০ বছরে অন্তত একবার আপডেট করতে হবে আধার কার্ডের তথ্য, নয়া গাইডলাইন কেন্দ্রের

    Aadhaar Card: ১০ বছরে অন্তত একবার আপডেট করতে হবে আধার কার্ডের তথ্য, নয়া গাইডলাইন কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আধার কার্ড (Aadhaar) নিয়ে নয়া নির্দেশিকা জারি করল কেন্দ্র। এবার থেকে আধার কার্ড করা থাকলেই দায়িত্ব ফুরিয়ে যাবে না। এতদিন সদ্যোজাত শিশু কিংবা নাবালকদের কয়েক বছর অন্তর আধারের তথ‌্য ও বায়োমেট্রিক তথ‌্য আপডেট করতে হত। কিন্তু এখন থেকে প্রাপ্তবয়স্কদেরও ১০ বছর অন্তর আপডেট করতে হবে আধার কার্ডের তথ্য। 

    আরও পড়ুন: কোভিড না ডেঙ্গি, বুঝবেন কী করে?

    প্রতি দশ বছরে তথ্যে কোনও বদল না থাকলেও, আধারের তথ‌্য আপডেট করা বাধ্যতামূলক। আধার কার্ডের তথ্যের সত‌্যতা ও ধারাবাহিকতা বজায় রাখতেই এই পদক্ষেপ বলে কেন্দ্রের তরফে জানানো হয়েছে। কেন্দ্রীয় তথ‌্যপ্রযুক্তি ও বৈদ্যুতিন মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, প্রতি দশ বছরে অন্তত একবার ব্যক্তিগত নথি এবং বাসস্থানের প্রামাণ‌্য নথি জমা করে সেন্ট্রাল আইডেন্টিটিজ ডেটা রিপোজিটরি বা সিআইডিআর-এর কাছে নিজের অস্তিত্ব প্রমাণ করতে হবে। গত মাসে কেন্দ্রের আধার বিষয়ক বিভাগ ইউআইডিএআই-এর তরফে জানানো হয়, যাঁদের আধার কার্ড দশ বা তার বেশি সময় আগে ইস্যু করা হয়েছে তাঁদের আধারের ঠিকানা ও অ‌ন‌্যান‌্য নথির প্রমাণ জমা দিয়ে আধার আপডেট করতে হবে।

    কী করে করবেন আধার আপডেট?

    এর জন‌্য মাই আধার ইউআইডিএআই-এর পোর্টালে ‘আপডেট ডকুমেন্ট’ নামে নতুন একটি ট‌্যাব যোগ করা হয়েছে। সেখানে সমস্ত নথি দিয়ে আধার আপডেট করতে হবে। এছাড়া দেশের বিভিন্ন প্রান্তে আধার এনরোলমেন্ট সেন্টারে নথি জমা দিয়েও আধার আপডেট করা যাবে। সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে, বুধবারই কেন্দ্রের তরফে নিয়মে পরিবর্তন এনে প্রতি দশ বছর অন্তর আধার আপডেট করার বিষয়টি বাধ‌্যতামূলক করা হয়েছে। যদিও নিয়ম পরিবর্তনের বিষয়ে এখনও স্পষ্ট করে কিছু জানায়নি কেন্দ্র।

    অক্টোবরে ইউআইডিএআই-এর তরফে বেশ কিছু আধার নম্বর জানিয়ে বলা হয়েছিল, সেইসব আধার নম্বরধারীরা তাদের শনাক্তকরণ এবং বসবাসের প্রমাণের নথিগুলি যেন আপডেট করেন। এছাড়াও সাধারণ মানুষের কাছে অনুরোধও করা হয়েছিল। কেননা সেইসব আধার নম্বরগুলি দশ বছরের আগে ইস্যু করা হয়েছিল, যেগুলির গত ১০ বছরের বেশি সময়ে কোনও আপডেট করা হয়নি। বিভিন্ন রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের অন্তত হাজার সরকারি প্রকল্পে নির্দিষ্ট ব্যক্তিকে সনাক্তকরণে আধার ব্যবহার করা হয়। এর মধ্যে ৬৫০ টি প্রকল্প রাজ্য সরকারগুলির এবং ৩১৫ টি প্রকল্প কেন্দ্রীয় সরকারের। এসবগুলির ক্ষেত্রেই ইকোসিস্টেম এবং বায়োমেট্রিক প্রমাণীকরণ ব্যবহার করা হয়।

    ইউআইডিএআই সূত্রে জানা গিয়েছে, এখনও পর্যন্ত প্রায় ১৩৪ কোটি আধার নম্বর দেওয়া হয়েছে। তবে ‘আপডেট ডকুমেন্ট’ বৈশিষ্টটি যুক্ত করার পরে ঠিক কতজনকে আধার আপডেট করতে হবে, তা জানা যায়নি। তবে গত বছরে দেশের প্রায় ১৬ কোটি মানুষ তাঁদের আধার ডকুমেন্ট আপডেট করেছিলেন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

     
  • Tushar Mehta: দেশবিরোধী কাজে যুক্ত থাকলেই পদক্ষেপ! আন্তর্জাতিক মানবাধিকার পরিষদের সভায় ভারত

    Tushar Mehta: দেশবিরোধী কাজে যুক্ত থাকলেই পদক্ষেপ! আন্তর্জাতিক মানবাধিকার পরিষদের সভায় ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কিছু স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ও মানবাধিকার কর্মীর বিরুদ্ধে ভারত সরকার কেন কঠোর ব্যবস্থা নিয়েছে তা স্পষ্ট করলেন সলিসিটার জেনারেল তুষার মেহতা (Tushar Mehta)। জেনেভায় হিউম্যান রাইটস কাউন্সিলের সভায় বেশ কিছু সদস্য দেশ ভারত সরকারের বিরুদ্ধে অতি সক্রিয়তার অভিযোগ আনে। যদিও সেই অভিযোগ তথ্যভিত্তিক যুক্তির পেরিপ্রেক্ষিতে উড়িয়ে দেন তুষার মেহতা। তিনি বলেন, ‘গণতন্ত্রে স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা, মানবাধিকার কর্মী, সাংবাদিকদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ও অবদান রয়েছে। কিন্তু কেউ যদি আইন না মানে, অনৈতিক ও দেশদ্রোহী কার্যকলাপ চালায় তাহলে যে কোনও সরকারের কড়া ব্যবস্থা গ্রহণের অধিকার রয়েছে। ভারত সরকার সেই পথেই হেঁটেছে। কারণ যেসব সংখ্যালঘু এবং বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে তাঁরা নানা অভিযোগে অভিযুক্ত। কেউ দেশের আইন লঙ্ঘন করেছেন। প্রত্যেকের বিরুদ্ধে যথোপযুক্ত প্রমাণ রয়েছে। তার ভিত্তিতেই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।’

    আয়ারল্যান্ডের অভিযোগ

    উল্লেখ্য, আয়ারল্যান্ড সহ বেশ কয়েকটি দেশ অভিযোগ করে, ভারতে নাকি মানবাধিকার লঙ্ঘিত হচ্ছে। বেছে বেছে সংখ্যালঘু নেতাদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিচ্ছে সরকার। বহু স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনকে ভুয়ো মামলায় ফাঁসানোর মতো অভিযোগ তোলা হয়েছে জেনেভার সভায়। এমনকি ভারতে বাক স্বাধীনতা নেই বলেও দাবি করা হচ্ছে। আরও একদম এগিয়ে, জার্মানির প্রতিনিধি অভিযোগ করেন, ভারতে দলিতরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। ইতালির প্রতিনিধি প্রস্তাব রাখেন, সংখ্যালঘুদের উপর যাতে নির্যাতন অবিলম্বে বন্ধ হয় সে ব্যাপারে দ্রুত ব্যবস্থা নিক ভারত সরকার। ভারতে ধর্মীয় স্বাধীনতা নিয়ে সওয়াল করেন বেলজিয়ামের প্রতিনিধি।

    ভারতের উত্তর

    সমস্ত প্রশ্নের উপযুক্ত উত্তর দিয়েছেন সলিসিটার জেনারেল। তিনি বুঝিয়ে দেন, ভারত সরকার সঠিক পদক্ষেপ করেছে। যে কোনও দেশ তার সার্বভৌমত্ব রক্ষা করবে। কেউ যদি পর্দার আড়ালে দেশ বিরোধী কাজ করে তাকে ছেড়ে দেওয়া যায় না। তবে শুধুই যে সমালোচিত হয়েছে ভারত তা নয় অনেকেই মোদি সরকারের প্রশংসাও করেছেন। কোভিডের সময় পাশে থাকার জন্য ভারতকে ধন্যবাদ জানিয়েছে মালদ্বীপ। মোরবি ব্রিজ দুর্ঘটনায় নিহতদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান দ্যা মার্শাল আইল্যাণ্ডের প্রতিনিধি।

  • Foreign Trade Policy: বড় ঘোষণা! বৈদেশিক বাণিজ্য নীতিতে সংশোধনী আনল কেন্দ্র

    Foreign Trade Policy: বড় ঘোষণা! বৈদেশিক বাণিজ্য নীতিতে সংশোধনী আনল কেন্দ্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পৃথিবীর অন্যান্য দেশের মতো ভারতীয় (Indian) অর্থনীতিতেও বৈদেশিক বাণিজ্য নীতির (Foreign Trade Policy) গুরত্ব অপরিসীম। এই বৈদেশিক বাণিজ্য যাতে মসৃণ হয়, সেজন্য বৈদেশিক বাণিজ্য নীতিতে সংশোধনী আনল কেন্দ্র। বুধবার কেন্দ্রের তরফে নয়া বৈদেশিক বাণিজ্য নীতি ঘোষণা করা হয়। ভারতীয় মুদ্রায় (Rupee) যাতে আন্তর্জাতিক ট্রেড সেটলমেন্ট করা যায় সেজন্য হ্যান্ডবুক অফ প্রসিডিওরসও ঘোষণা করা হয়েছে। ভারতীয় মুদ্রায় যাতে আমদানি কিংবা রফতানি করা যায়, সে ব্যাপারেও এদিন ঘোষণা করা হয়েছে।

    কী বলা হয়েছে বিবৃতিতে?

    ভারতের শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রকের তরফে জারি করা বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, ভারত সরকার বৈদেশিক বাণিজ্য নীতিতে (Foreign Trade Policy) প্রয়োজনীয় সংশোধনী নিয়ে এসেছে। ভারতীয় মুদ্রায় যাতে আন্তর্জাতিক ট্রেড সেটলমেন্ট করা যায়, সেজন্য হ্যান্ডবুক অফ প্রসিডিওরসও ঘোষণা করা হয়েছে। এর ফলে ভারতীয় মুদ্রায় করা যাবে ইনভয়েসিং, পেমেন্ট এবং আমদানি রফতানি সেটেলমেন্ট। বিবৃতিতে এও বলা হয়েছে, এর আগে রিজার্ভ ব্যাঙ্কের সার্কুলারকে মান্যতা দিয়ে গত সেপ্টেম্বর মাসে ভারতীয় টাকায় ইনভয়েস, লেনদেন ও আমদানি-রফতানি সেটেলমেন্ট করার অনুমতি দিয়েছিল ডিরেক্টরেট জেনারেল অফ ফরেন ট্রেড।

    আরও পড়ুন: যেভাবে ঋণ নিচ্ছে রাজ্য, তাতে ভেঙে পড়তে পারে অর্থনৈতিক কাঠামো! আশঙ্কা বিশেষজ্ঞদের

    এর আগে রাশিয়ার সঙ্গে বাণিজ্য করতে গিয়ে সমস্যায় পড়েছিল ভারত এবং রাশিয়া দুই দেশই। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারির ২৪ তারিখে শুরু হয় রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধ। তার পর থেকে গোটা বিশ্ব ভাগ হয়ে যায় দুটি ভাগে। একদল সমর্থন করে রাশিয়াকে। ইউক্রেনের পাশে দাঁড়ায় বিশ্বের বাকি অংশ। ওই সময় রাশিয়ার সঙ্গে বাণিজ্যে নিষেধাজ্ঞা জারি করে পশ্চিমের কয়েকটি দেশ। এর মধ্যে ছিল আমেরিকাও। তার জেরে রাশিয়ার মুদ্রা রুবেলের সঙ্গে ভারতীয় মুদ্রা রুপির বিনিময়ও সমস্যার হয়ে দাঁড়ায়। অথচ বিশ্বের একটা বড় অংশ রাশিয়ার সঙ্গে বাণিজ্য না করায় পড়ে যায় সে দেশের জীবাশ্ম জ্বালানির দাম। এই সুযোগে রাশিয়া থেকে জ্বালানি কিনতে আগ্রহী হয় বিশ্বের বেশ কয়েকটি দেশ। রাশিয়ার বন্ধু দেশ ভারতও দেশের চাহিদা মেটাতে রাশিয়া থেকে সংগ্রহ করে জীবাশ্ম জ্বালানি। সেই সময় সমস্যা দেখা দেয় রুপি-রুবেল বিনিময়ে। পরে দুই দেশই সিদ্ধান্ত নেয় আর্থিক লেনদেন হবে দুই দেশের নিজস্ব মুদ্রায়। এবার নয়া বৈদেশিক বাণিজ্য নীতির (Foreign Trade Policy) জেরে ভারত অনায়াসেই বাণিজ্য করতে পারবে ভারতীয় মুদ্রায়।

     

      দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Dengue New Variant: রাজ্যে ডেঙ্গির নতুন ভ্যারিয়েন্টের জোড়া হানা! এর উপসর্গ কী কী?

    Dengue New Variant: রাজ্যে ডেঙ্গির নতুন ভ্যারিয়েন্টের জোড়া হানা! এর উপসর্গ কী কী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে ক্রমশ ডেঙ্গির (Dengue) প্রকোপ বেড়েই চলেছে। তবে এবারে আরও উদ্বেগজনক তথ্য নাইসেডের (National Institute of Cholera and Enteric Diseases/NICED) রিপোর্টে উঠে এসেছে। রাজ্যে ডেঙ্গির দুরকম ভ্যারিয়েন্ট দেখা গিয়েছে (Dengue New Variant)। যা সাধারণ ডেঙ্গির থেকে বেশি বিপজ্জনক বলে জানা গিয়েছে। নাইসেডের রিপোর্ট অনুযায়ী, এই মুহূর্তে রাজ্যে হানা দিয়েছে ডেঙ্গির নতুন দুটি প্রজাতি, ‘ডেঙ্গি-২’ বা ‘ডেঙ্গ-২’ (DENG-2) এবং ‘ডেঙ্গি ৩’-এর (DENG-3) সেরো টাইপ।

    নাইসেড সূত্রে খবর, প্রত্যেক মাসে স্বাস্থ্য ভবনের তরফে ৪০০টি করে রক্তের নমুনা পাঠানো হয়। সেই নমুনা বিশ্লেষণ করেই দেখা গিয়েছে, অক্টোবরে ৬০ শতাংশ রক্তের নমুনাতে ডেঙ্গি ৩-এর সেরো টাইপ পাওয়া গিয়েছে। আর ডেঙ্গি-২-এর সেরো টাইপ ধরা পড়েছে ৪০ শতাংশ। আবার গত সেপ্টেম্বর মাসে, যে রক্তের নমুনা পাঠানো হয়েছে, তাতে ডেঙ্গি-৩-এর সেরো টাইপ দেখা গিয়েছে ৩৭ শতাংশ। পাশাপাশি ডেঙ্গি ২-এর সেরো টাইপ ছিল ২৭ শতাংশ। এর থেকেই বোঝা যাচ্ছে, ডেঙ্গির দুই ভ্যারিয়েন্ট ভয়ঙ্কর রূপ ধারণ করছে (Dengue New Variant)। এছাড়াও বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, ডেঙ্গি টাইপ ৩-এর তুলনায় ডেঙ্গি টাইপ ২ মানুষের দেহের পক্ষে আরও বেশি ক্ষতিকর।

    আরও পড়ুন: রাজ্যে ডেঙ্গির পরিস্থিতি ভয়াবহ, এর থেকে রেহাই পেতে কী করবেন ও কী করবেন না?

    আর এই প্রজাতির ভ্যারিয়েন্টের উপসর্গও (Dengue New Variant) সাধারণ ডেঙ্গির তুলনায় আলাদা। চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, এই দুই ডেঙ্গির ভ্যারিয়েন্টে সুস্থ হয়ে ওঠার পরও, ফের হঠাৎ কমে যাচ্ছে প্লেটলেটের সংখ্যা। মূলত উত্তর প্রদেশ ও দিল্লিতে কিছু সংখ্যক রোগীর মধ্যে বর্তমানে ডেঙ্গ-২-এর উপসর্গ দেখা যাচ্ছে। চিকিৎসকরা আরও জানিয়েছেন, ডেঙ্গির এই নতুন ভ্যারিয়েন্টে রোগীদের প্রথম দুই দিন জ্বর থাকছে। তৃতীয় দিন থেকে কমতে শুরু করছে জ্বর। এরপর রোগী যখন সম্পূর্ণ সুস্থ বোধ করছেন, সেই সময়ই হঠাৎ প্লেটলেটের সংখ্যা কমতে শুরু করছে। ফলে প্রাণঘাতী হয়ে উঠছে ডেঙ্গির নতুন ভ্যারিয়েন্ট।

    সাধারণ ডেঙ্গি ও ডেঙ্গির নতুন ভ্যারিয়েন্ট ডেঙ্গ-২-এর উপসর্গের মধ্যে পার্থক্য কী?

    সাধারণ ডেঙ্গি হলে জ্বর, ঠাণ্ডা লাগা, মাথা ব্যথা, চোখের পিছনে, পেশি, হাঁটুতে ব্যথা, দুর্বল বোধ করা ও খিদে কমে যাওয়া, মাথাঘোরা, গলা ব্যথা, শরীরে র‌্যাশ বেরোনো ইত্যাদির মত উপসর্গ দেখা যায়। তবে নতুন ভ্যারিয়েন্ট ডি-২ বা ডেঙ্গ-২-এর ক্ষেত্রে নাক ও মাড়ি থেকে রক্তপাত, বমির সঙ্গে রক্তপাত, গায়ে গাঢ় নীল বা কালো দাগ-এমন উপসর্গ দেখা যায়।

  • CJI of India: ‘১০ হাজার মামলার নিষ্পত্তি হয়েছে…’, শেষ দিনে আর কী বললেন প্রধান বিচারপতি  

    CJI of India: ‘১০ হাজার মামলার নিষ্পত্তি হয়েছে…’, শেষ দিনে আর কী বললেন প্রধান বিচারপতি  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মঙ্গলবার অবসর নিলেন দেশের ৪৯তম প্রধান বিচারপতি (CJI of India) ইউইউ ললিত (UU Lalit)। আগামিকাল অফিস ছেড়ে দেবেন তিনি। এদিন ললিতের অবসর গ্রহণ উপলক্ষে সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) বার অ্যাসোসিয়েশনের তরফে আয়োজন করা হয় ফেয়ারওয়েল অনুষ্ঠানের। এই অনুষ্ঠানে বিদায়ী ভাষণ দেন ললিত। জানান, প্রধান বিচারপতি পদে শপথ নেওয়ার দিন যে শপথ নিয়েছিলেন, তার অনেকটাই পূরণ করতে পেরেছেন।

    চলতি বছরের ২৭ অগাস্ট সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি পদে শপথ নিয়েছিলেন ললিত। এই পদে তাঁর কার্যকালের মেয়াদ মাত্র ৭৪ দিনের। এদিন তাই বিদায়ী ভাষণ দিতে গিয়ে খানিকটা আবেগ প্রবণ হয়ে পড়েন ললিত। বলেন, আমি প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম রোজকার বিষয়গুলির দ্রুত শুনানি ও নিয়ম মাফিক করার। আমার ধারণা, আমি আমার দেওয়া প্রতিশ্রুতির কিছুটা পূরণ করতে পেরেছি। আমরা ১০ হাজার মামলার নিষ্পত্তি করেছি। ক্লিয়ার করেছি আরও ১৩ হাজার মামলা, যেগুলিতে ডিফেক্ট ছিল।

    সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি (CJI of India)  জানান, তিনি সুপ্রিম কোর্টে কাটিয়েছেন ৩৭ বছর। আইনজীবী হিসেবে প্র্যাকটিস করেছিলেন ২৯ বছর। শেষ আট বছর সুপ্রিম কোর্টের জাজ ছিলেন। এদিন তিনি প্রবীণ আইনজীবী প্রয়াত সোলি সোরাবজিকেও ধন্যবাদ জানান। পাঁচ বছরেরও বেশি সময় তিনি তাঁর অধীনে কাজ করেছিলেন, তাই। ললিত বলেন, আমি এই আদালতে প্রায় ৩৭ বছর কাটিয়েছি। এই আদালত থেকে আমার যাত্রা শুরু হয়েছিল। আমি মুম্বইয়ে আইন প্র্যাকটিস করছিলাম। এখানে এসেছিলাম তৎকালীন প্রধান বিচারপতি ওয়াইভি চন্দ্রচূড়ের সামনে একটি মামলা উপস্থাপন করতে। ললিত বলেন, আমার যাত্রা এই আদালত থেকে শুরু হয়ে আজ এই আদালতেই শেষ হচ্ছে।

    আরও পড়ুন: উচ্চশিক্ষা ও চাকরিক্ষেত্রে আর্থিক অনগ্রসরদের ১০ শতাংশ সংরক্ষণ বহাল রাখল সুপ্রিম কোর্ট

    ললিতের পরে দেশের প্রধান বিচারপতির পদ অলঙ্কৃত করবেন ডি ওয়াই চন্দ্রচূড়। তিনি প্রাক্তন বিচারপতি ওয়াইভি চন্দ্রচূড়ের ছেলে। এদিনের অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, প্রধান বিচারপতি হিসেবে আপনার কার্যকালে বিচারবিভাগে বেশ কিছু সংস্কার হয়েছে। এবং আমি আপনাকে এই বলে আশ্বস্ত করতে পারি যে এই ধারাবাহিকতা বজায় থাকবে। তিনি বলেন, আমি প্রধান বিচারপতিকে বহু বছর ধরে চিনি। একটি বিষয়ে মাত্র একবারই তাঁর বিরোধিতা করেছিলাম।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Himachal Pradesh Polls: ভোটের মুখে রামধাক্কা, কুপোকাত কংগ্রেস! হিমাচলে ‘হাত’ ছেড়ে ‘পদ্মে’ ২৬ নেতা

    Himachal Pradesh Polls: ভোটের মুখে রামধাক্কা, কুপোকাত কংগ্রেস! হিমাচলে ‘হাত’ ছেড়ে ‘পদ্মে’ ২৬ নেতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রথম রাউন্ডেই কুপোকাত কংগ্রেস (Congress)! অ্যাডভান্টেজ বিজেপি (BJP)। ভোটের মুখে কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপিতে গিয়ে ভিড়লেন ২৬ জন নেতা। ঘটনায় হিমাচল প্রদেশে বিধানসভা নির্বাচনের (Himachal Pradesh Polls) আগে বেজায় বিপাকে পড়ল কংগ্রেস। এক সঙ্গে বিপক্ষের ২৬ জন নেতাকে পেয়ে যারপরনাই খুশি পদ্ম শিবির। প্রত্যাশিতভাবেই মুষড়ে পড়েছে কংগ্রেস।

    হিমাচল প্রদেশ বিধানসভার নির্বাচন (Himachal Pradesh Polls) হবে নভেম্বরের ১২ তারিখে। ৬৮ আসনের ওই বিধানসভার রশি রয়েছে বিজেপির হাতে। রাজনৈতিক মহলের মতে, এবারও ক্ষমতায় ফিরছে বিজেপি। এমতাবস্থায় নিজেদের শিবিরে এই ভাঙনে বিব্রত কংগ্রেস। সোমবার যে ২৬ জন কংগ্রেস নেতা হাতে তুলে নিয়েছেন গেরুয়া ঝান্ডা, তাঁদের মধ্যে রয়েছেন প্রদেশ কংগ্রেসের প্রাক্তন সাধারণ সম্পাদক ধরমপাল ঠাকুর খাণ্দও।

    এদিনের দলবদলের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী জয়রাম ঠাকুর এবং বিজেপির রাজ্য নির্বাচনের ইনচার্জ সুধান সিং। উপস্থিত ছিলেন সিমলার বিজেপি প্রার্থী সঞ্জয় সুদও। ধরমপাল ছাড়াও এদিন যাঁরা বিজেপির ঝান্ডা হাতে তুলে নিয়েছেন, তাঁরা হলেন, প্রাক্তন সম্পাদক আকাশ সাইনি, প্রাক্তন কাউন্সিলর রাজন ঠাকুর, প্রাক্তন জেলা সভাপতি অমিত মেহতা, মেহের সিং কানওয়ার, যুব কংগ্রেসের রাহুল নেগি, জয় মা শক্তি সোশ্যাল সংস্থান সভাপতি যোগিন্দর ঠাকুর, নরেশ ভার্মা, ছাম্বায়ানা ওয়ার্ড সদস্য যোগেন্দ্র সিং, ট্যাক্সি ইউনিয়ন সদস্য রাকেশ চৌহান, ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল ট্রাস্ট ফর আর্ট অ্যান্ড কালচারাল হেরিটেজের সিমলা প্রেসিডেন্ট ধর্মেন্দ্র কুমার, বীরেন্দ্র শর্মা, রাহুল রাওয়াত, সোনু শর্মা, অরুণ কুমার, শিবম কুমার এবং গোপাল ঠাকুর।

    আরও পড়ুন: ‘হিন্দু’ পার্সিয়ান শব্দ! কংগ্রেস নেতার ‘বিতর্কিত’ মন্তব্যে কড়া প্রতিক্রিয়া বিজেপির

    এঁরা ছাড়াও এদিন পদ্ম শিবিরে যোগ দিয়েছেন চমন লাল, জেলা কংগ্রেস কমিটির সম্পাদক দেবেন্দ্র সিং, মহেন্দ্র সিং, যুব কংগ্রেসের প্রাক্তন সম্পাদক মুনিশ মান্দলা, বালকৃষ্ণণ ববি, সুনীল শর্মা, সুরেন্দ্র ঠাকুর, সন্দীপ সামতা এবং রবি। হিমাচল প্রদেশের বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী জয়রাম ঠাকুর তাঁদের স্বাগত জানান। বলেন, দলের ঐতিহাসিক জয়ের লক্ষ্যে এবার জোট বেঁধে কাজ করা যাক। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Cooperative Federalism: আজ না হয় কাল, জম্মু ও কাশ্মীর ফের রাজ্যের তকমা পাবে! ইঙ্গিত কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রীর

    Cooperative Federalism: আজ না হয় কাল, জম্মু ও কাশ্মীর ফের রাজ্যের তকমা পাবে! ইঙ্গিত কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পূর্ণরাজ্যের মর্যাদা ফিরে পেতে চলেছে জম্মু ও কাশ্মীর। সম্প্রতি একটি অনুষ্ঠানে এমনই ইঙ্গিত দিয়েছেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। কেরলের তিরুবনন্তপুরমে ‘কো অপারেটিভ ফেডেরালিজম’ শীর্ষক এক অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে একথা বলেন তিনি। সেখানে কেন্দ্র ও রাজ্যের মধ্যে করের বণ্টন নিয়ে বক্তব্য রাখছিলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী। সেখানেই তিনি বলেন, “আজ না হয় কাল, জম্মু ও কাশ্মীর ফের রাজ্যের তকমা পাবে।” কবে হবে, তা অবশ্য নির্দিষ্ট করে বলেননি নির্মলা।

    আরও পড়ুন: অতীতের সব রেকর্ড ভাঙতে চান, গুজরাটের জন্য নয়া স্লোগানও বাঁধলেন মোদি

    প্রসঙ্গত, ২০১৯-এ মোদি সরকার দ্বিতীয় বার ক্ষমতায় আসার পরেই কাশ্মীরে ৩৭০ অনুচ্ছেদ রদ করা হয়। জম্মু-কাশ্মীর রাজ্য ভেঙে দু’টি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল তৈরি হয়। তার পরে প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন, যত দ্রুত সম্ভব জম্মু-কাশ্মীর রাজ্যের তকমা ফিরে পাবে। তিন বছর কেটে গেলেও তা হয়নি। জম্মু-কাশ্মীর কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে বিধানসভা ভোটও হয়নি। গত বছর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বলেন, প্রথমে আসন পুনর্বিন্যাস হবে। তার পর বিধানসভা ভোট হবে। তার পরে জম্মু-কাশ্মীর রাজ্যের মর্যাদা ফিরে পাবে। আপাতত শীত পড়ে যাওয়ায় জম্মু-কাশ্মীরের রাজনীতিকরা মনে করছেন, আগামী বছর মার্চ-এপ্রিলের আগে ভোট সম্ভব নয়।

    আরও পড়ুন: ‘দুর্নীতি’, ‘বিভাজনকারী শক্তি’কে হুঁশিয়ারি মোদি-শাহের

    এদিন নির্মলা জানান, ২০১৪ সালে অর্থ কমিশন কেন্দ্রকে একটি প্রস্তাব দিয়েছিল। তাতে তারা জানায়, সামগ্রিক কর আদায়ের ৩২ শতাংশ সমস্ত রাজ্যকে দেওয়া হয়।  অবিলম্বে তা ৪২ শতাংশ করা দরকার। এই সিদ্ধান্ত মেনে নেওয়ার অর্থ, কেন্দ্রের হাতে কম টাকা থাকবে। তা সত্ত্বেও কোনও সময় নষ্ট না করে প্রধানমন্ত্রী সেই প্রস্তাব মেনে নেন। নির্মলা আরও জানান, ওই সিদ্ধান্তের জন্য রাজ্যগুলি মোট কর আদায়ের ৪২ শতাংশ পাচ্ছিল। কিন্তু, জম্মু ও কাশ্মীর পূর্ণ রাজ্যের তকমা হারানোয় তা কমিয়ে ৪১ শতাংশ করা হয়েছে। এরপরই তাৎপর্যপূর্ণভাবে তিনি জানান, আজ না হয় কাল, কাশ্মীর আবার পূর্ণরাজ্যে পরিণত হবে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

  • Gujarat Election: গুজরাটে বিজেপির প্রার্থী তালিকায় চমক, কে কে লড়ছেন জানেন?

    Gujarat Election: গুজরাটে বিজেপির প্রার্থী তালিকায় চমক, কে কে লড়ছেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গুজরাট বিধানসভা নির্বাচনের (Gujarat Election) প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করল বিজেপি (BJP)। তালিকা থেকেই স্পষ্ট, প্রথম রাউন্ডেই বিরোধীদের মাত দিয়েছে নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)- অমিত শাহের দল। প্রার্থী তালিকায় রয়েছেন ক্রিকেটার রবীন্দ্র জাদেজার স্ত্রী রিভাবা। জামনগর উত্তরের পদ্ম-প্রার্থী তিনিই। বছর তিনেক আগে রাজনীতির ময়দানে আসেন জাদেজার স্ত্রী। যোগ দেন বিজেপিতে। তার পর এবার সরাসরি ভোটের ময়দানে। বৃহস্পতিবারই প্রথম প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করে গেরুয়া শিবির। এই দফায় ১৬০টি আসনে প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হয়েছে।

    ক’টি আসনে ভোট হবে? 

    ডিসেম্বরে দু দফায় ভোট হবে গুজরাটে (Gujarat Election)। ভোট হবে রাজ্যের ১৮২টি আসনে। এদিন তার মধ্যে ১৬০ আসনে প্রার্থীর নাম ঘোষণা করল গুজরাট বিজেপি। এর মধ্যে যেমন রয়েছেন রবীন্দ্র জাদেজার স্ত্রী, তেমনি এবারও ফের প্রার্থী হচ্ছেন বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী ভূপেন্দ্র প্যাটেল। তাঁর নামও রয়েছে তালিকায়। ঘাটলোদিয়া কেন্দ্র থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন তিনি।  

    চমক রয়েছে আরও। ওই তালিকায় নাম রয়েছে কংগ্রেস থেকে বিজেপিতে যোগ দেওয়া পতিদার আন্দোলনের নেতা হার্দিক প্যাটেলের। ভিরামগান কেন্দ্র থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন তিনি। এছাড়াও লড়াইয়ের ময়দানে থাকছেন রাজ্যের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হর্ষ সাংভি। তিনি মাজুরা কেন্দ্র থেকে পদ্ম চিহ্ন লড়বেন। ভাদগাম কেন্দ্র থেকে লড়বেন মণি ভাগেলা। পালানপুরে প্রার্থী হচ্ছেন অনিকেত ঠাকুর। দিসা কেন্দ্র থেকে লড়ছেন প্রবীণ মালি। দেওধরে বিজেপির বাজি কেশব চৌহান। এদিন যে তালিকা প্রকাশিত হয়েছে, তাতে গত বিধানসভা নির্বাচনে জয়ী ৬৯ বিধায়কের নামও রয়েছে। তবে এদিনের তালিকায় নাম নেই বিদায়ী বিধায়কদের মধ্যে ৩৮ জনের। দ্বিতীয় দফায় যে প্রার্থী তালিকা প্রকাশিত হবে, তাতে এঁদের সকলের নাম যে থাকবে না, তা স্পষ্ট।  

    আরও পড়ুন:কেজরির ‘গুজরাট ডিলে’র অভিযোগ সর্বৈব মিথ্যা, সাফ জানাল বিজেপি

    এদিকে, এবার গুজরাট বিধানসভা নির্বাচনে (Gujarat Election) লড়ছেন না বলে ঘোষণা করেছেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বিজয় রুপানি এবং প্রাক্তন উপ মুখ্যমন্ত্রী নীতিন প্যাটেল। লড়াইয়ের ময়দানে থাকছেন না রূপানি মন্ত্রিসভার সদস্য ভূপেন্দ্র সিং চুদাসামা ও প্রদীপ সিং জাদেজাও। এদিন যে তালিকা প্রকাশিত হয়েছে, তাতে প্রথম দফায় যে ৮৯ আসনে ভোট হবে, তার মধ্যে ৮৪টি কেন্দ্রের প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হয়েছে। আর দ্বিতীয় দফায় যে ৯৩টি আসনে ভোট হবে, তার মধ্যে রয়েছে ৭৬টি কেন্দ্রের প্রার্থীর নাম।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Arunachal Pradesh Earthquake: ফের ভূমিকম্প! কেঁপে উঠল অরুণাচল প্রদেশ, কম্পনের তীব্রতা ৫.৭

    Arunachal Pradesh Earthquake: ফের ভূমিকম্প! কেঁপে উঠল অরুণাচল প্রদেশ, কম্পনের তীব্রতা ৫.৭

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গতকাল ভূমিকম্পের পর ফের আজ কেঁপে উঠল ভারতের অরুণাচল প্রদেশ (Arunachal Pradesh Earthquake)। গতকাল নেপালে ভূমিকম্পের মাত্রা তীব্র ছিল, যার প্রভাব রাজধানী দিল্লি সহ আরও বেশ কয়েক জায়গায় পড়েছিল। আবার গতকাল উত্তরাখণ্ডের পিথোরাগড়েও ভূমিকম্প হয়েছিল, যদিও এর তীব্রতা কম ছিল। আর আজ কেঁপে উঠল অরুণাচল প্রদেশ। এত বার ঘন ঘন ভূমিকম্প হওয়ার ফলে মানুষের মধ্যে আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে। আজকের ভূমিকম্পের রিখটার স্কেলে কম্পনের তীব্রতা ছিল ৫.৭। এখনও পর্যন্ত কোনও হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

    অরুণাচল প্রদেশে ভূমিকম্প

    আজ, বৃহস্পতিবার সকালে ভূমিকম্প অনুভূত হল উত্তর পূর্ব ভারতের অরুণাচল প্রদেশের উত্তর-পশ্চিমের সিয়াং এলাকায় (Arunachal Pradesh Earthquake)। সকাল সাড়ে ১০টা নাগাদ কম্পন অনুভূত হয় এই রাজ্যে। শুধুমাত্র সিয়াং নয়, গোটা উত্তর-পূর্ব ভারতের বিভিন্ন এলাকায় অনুভূত হয়েছে জোরালো কম্পন। ন্যাশনাল সেন্টার ফর সিসমোলজি (National Center for Seismology) -এর থেকে জানা গিয়েছে, আজ ভূমিকম্পের মাত্রা রিখটার স্কেলে ছিল ৫.৭। এই ভূমিকম্পের উৎপত্তি স্থল ভূগর্ভের ১০ কিলোমিটার গভীরে। জানা গিয়েছে, অরুণাচল প্রদেশের বাসা এলাকা থেকে প্রায় ৫২ কিলোমিটার উত্তর ও উত্তর পশ্চিমের সিয়াং এলাকা এর উৎপত্তিস্থল। অরুণাচলের পাশাপাশি কম্পন অনুভূত হয়েছে আশেপাশের এলাকা এবং পড়শি রাজ্য অসমেও। অসমের তিনসুকিয়া এবং ডিব্রুগড়েও অনুভূত হয়েছে কম্পন।

    আরও পড়ুন: একদিনে চারবার ভূমিকম্প নেপালে! কম্পন অনুভূত দিল্লিতে, সকালে ফের কাঁপল উত্তরাখণ্ডও

    [tw]


    [/tw]

    নেপালেও আজ ফের ভূমিকম্প

    একদিন পর আবারও ভূমিকম্প হল নেপালে। আজ, পশ্চিম নেপালে ভোর ৫.১৩ মিনিটে ভূমিকম্পটি হয়। রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ৪.১। এর উৎপত্তিস্থল ছিল কাঠমান্ডু থেকে ৭৫০ কিলোমিটার দূরে বাজুরা জেলার কাদা অঞ্চলে। এখন পর্যন্ত কোনও ক্ষয়-ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি। তবে গতকালের মাত্রা ছিল ৬.৬। তাতে ছ’জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়। কম্পনের জেরে বেশ কিছু বাড়িঘরও ভেঙে পড়েছে সেখানে।  

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

LinkedIn
Share