Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Job in India: প্রতি মাসে ১৫ থেকে ১৬ লাখ চাকরির আশ্বাস কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণবের

    Job in India: প্রতি মাসে ১৫ থেকে ১৬ লাখ চাকরির আশ্বাস কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণবের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রীয় সরকার প্রতি মাসে প্রায় ১৫ থেকে ১৬ লক্ষ কর্মসংস্থান (job in India) সৃষ্টি করছে। সম্প্রতি এমনই দাবি করলেন রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। আজমীরে সিআরপিএফ-এর আয়োজিত এক ‘রোজগার মেলা’-য় বক্তব্য রাখার সময়ে এই কথা বলেন তিনি।

    কী বললেন মন্ত্রী

    সারা বিশ্বে প্রতিদিন কাজ (job in India)  হারাচ্ছেন বহু মানুষ। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে অর্থনৈতিক সংকটের সময় ভারত নয়া দিশা দেখাচ্ছে, বলে মনে করেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। ইপিএফও-এর সাম্প্রতিক একটি রিপোর্ট থেকেই দেখা গিয়েছে ক্রমশ বাড়ছে ইপিএফওর গ্রাহক। ফলে কাজ পাচ্ছেন বহু মানুষ। রেলমন্ত্রী বৈষ্ণব বলেন, ‘আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক সংকটের পরিস্থিতিতেও ভারতে কর্মসংস্থানের সুযোগ রয়েছে। ভারত এক শক্তিশালী দেশ হিসাবে এগিয়ে চলেছে।’ তিনি আরও বলেন, “স্বচ্ছতাই মোদি সরকারের মূল ভিত্তি। কেন্দ্রের সুষ্ঠ পরিকল্পনার কারণে আজ সমাজের প্রতিটি শ্রেণীর জীবন সহজতর হয়েছে। কাজ পাচ্ছেন বহু বেকার ছেলে-মেয়ে। কর্মসংস্থানের সৃষ্টি হয়েছে। দেশে বেকারত্ব দূর করতে সক্রিয় সরকার। সেই লক্ষ্যেই আত্মনির্ভর ভারত গঠন করতে চান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তাই জোর দেওয়া হয়েছে মেক-ইন ইন্ডিয়া প্রকল্পে।

    আরও পড়ুন: শ্রদ্ধা হত্যার পরে আফতাবের ফ্ল্যাটে যেতেন এক মহিলা চিকিৎসক

    সবার আগে দেশ

    যুবসমাজকে ‘সবার আগে দেশ’-এর ভাবনা গ্রহণ করার আহ্বান জানান কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। অশ্বিনী বলেন, ‘জীবনে তাঁরাই প্রকৃত সাফল্য অর্জন করেন, যাঁরা নিজের দেশকে অগ্রাধিকার দেন।’ সম্প্রতি, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে দ্বিতীয় রোজগার মেলার অনুষ্ঠানে যোগ দেন। আগের রোজগার মেলার মতোই, দ্বিতীয় রোজগার মেলাতেও ৭১ হাজারেরও বেশি চাকরির নিয়োগপত্র হস্তান্তর করা হয়। মূলত বিভিন্ন সরকারি চাকরির পরীক্ষায় পাশ করা প্রার্থীদের হাতে আনুষ্ঠানিক নিয়োগপত্র প্রদান করা হয়। গত অক্টোবরে রোজগার মেলাতে ৭৫ হাজারের বেশি চাকরির  নিয়োগপত্র দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী। বিভিন্ন পদে দ্রুত নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতেই কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে রোজগার মেলার সূচনা করা হয়েছে। যে সমস্ত পদে চাকুরিপ্রার্থীদের নিয়োগ বিভিন্ন কারণে আটকে রয়েছে। সেগুলির নিয়োগ দ্রুত সম্পন্ন করতে কেন্দ্রীয় সরকারের এই উদ্যোগ। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় (পিএমও) সূত্রে খবর, কর্মসংস্থানকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে এই কাজ করা হচ্ছে। এর ফলে প্রচুর কর্মসংস্থান তৈরি হবে। যা আখেরে দেশের অর্থনীতিকে আরও মজবুত করতে প্রত্যক্ষভাবে সহায়তা করবে।

  • Giriraj Singh: ভারতে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ বিল খুবই প্রয়োজনীয়, দাবি গিরিরাজ সিংয়ের

    Giriraj Singh: ভারতে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ বিল খুবই প্রয়োজনীয়, দাবি গিরিরাজ সিংয়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের জনসংখ্যা নিয়ে সতর্ক করলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী গিরিরাজ সিং (Giriraj Singh)। তিনি বলেন, ভারতের জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। দেশের সম্পদ সীমিত হওয়ায় জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ বিল খুবই প্রয়োজনীয় হতে চলেছে বলে দাবি করেন বিজেপি-র দাপুটে নেতা-মন্ত্রী গিরিরাজ। ভারতের জনসংখ্যা যে কী হারে বেড়ে চলেছে, তা তিনি চিনের উদাহরণ দিয়ে বুঝিয়ে দেন।  

    চিনের উদাহরণ দিয়ে কী বললেন মন্ত্রী?

    বেগুসরাইয়ের বিজেপি সাংসদ-মন্ত্রী বললেন, “চিন এক সন্তান নীতি (One Child Policy) বাস্তবায়ন করে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ করে দেশের উন্নয়ন করতে পেরেছে। চিনে যেখানে এখন মিনিটে দশজন শিশুর জন্ম হয়, সেখানে ভারতে প্রতি মিনিটে ৩০ জন শিশুর জন্ম হয়। এভাবে চললে আমরা কী করে চিনের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করতে পারব?”

    জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ বিল খুবই প্রয়োজনীয়…

    তিনি (Giriraj Singh) গতকাল জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ নিয়ে সরব হয়েছেন ও বলেছেন, “জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ বিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কারণ আমাদের সম্পদ সীমিত”। তিনি আরও উল্লেখ করেছেন, এই বিলকে কড়াকড়ি করতে হবে। সব ধর্ম-জাতির মানুষকে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ বিল মেনে চলা উচিত। আর যাঁরা এই নিয়ম মানবেন না তাঁদের সরকারি সুবিধা দেওয়া হবে না ও তাঁদের ভোটাধিকারও কেড়ে নেওয়া দরকার। ইতিমধ্যেই একাধিক বিজেপি নেতা এই বিলের সপক্ষে মতামত দিয়েছেন। এর আগে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ দফতরের প্রতিমন্ত্রী ভারতী প্রবীন জানিয়েছিলেন, আধুনিক জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি প্রায় ৫৬.৫ শতাংশ বেড়ে গিয়েছে।

    আরও পড়ুন: আবাস যোজনার বরাদ্দ পেতে রাজ্যকে মানতে হচ্ছে কোন কোন শর্ত?

    গিরিরাজ সিং-এর ‘নই চেতনা’ ক্যাম্পেইন

    আবার তিনি (Giriraj Singh) বক্তব্য রাখতে গিয়ে সমাজের মেয়ে-নারীদের অত্যাচারের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর জন্য কিছু পদক্ষেপ নেওয়ার কথা জানিয়েছেন। সিং (Giriraj Singh) শুক্রবার নারী ও মেয়েদের অত্যাচারের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে আন্তর্জাতিক দিবস উপলক্ষে একটি মাসব্যাপী ক্যাম্পেইন ‘নই চেতনা’ শুরু করেছেন, যাকে ‘জন আন্দোলন’ (জনগণের আন্দোলন) হিসাবে বলা হয়েছে।

    তিনি (Giriraj Singh) এক অনুষ্ঠানে তাঁর ভাষণে বলেন, “যে মহিলারা প্রায়শই সহিংসতার বিরুদ্ধে তাঁদের আওয়াজ তোলে না এবং শিকার হওয়ার পরেও চুপ থাকে কারণ তাঁরা ভয় পায় যে লোকেরা তাঁদের সম্পর্কে কী ভাববে।” মহিলাদের বিরুদ্ধে সহিংসতা বন্ধ করার উপর জোর দিয়ে, সিং মহিলাদের প্রতি সহিংসতা সহ্য না করার আহ্বান জানান। আবার তিনি নরেন্দ্র মোদির কথাও উল্লেখ করে বলেন যে, মোদি সরকার কীভাবে নারীর ক্ষমতায়নের জন্য একাধিক পদক্ষেপ নিচ্ছে। এমনকি মোদি সরকারের অধীনেই নারীদের সেনাবাহিনীতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। মন্ত্রী (Giriraj Singh) আরও পরামর্শ দিয়েছেন যে, আত্মরক্ষার জন্য মহিলাদের মার্শাল আর্ট প্রশিক্ষণ দেওয়া উচিত।

  • Shraddha Walker Murder: তিহার জেলে বন্দি আফতাব, রয়েছে সিসিটিভির নজরদারিতে

    Shraddha Walker Murder: তিহার জেলে বন্দি আফতাব, রয়েছে সিসিটিভির নজরদারিতে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বান্ধবী শ্রদ্ধা ওয়ালকার খুনে (Shraddha Walker Murder) অভিযুক্ত আফতাব পুন্নাওয়ালাকে (Aaftab Poonawala) পাঠানো হল বিচার বিভাগীয় হেফাজতে। তার পরেই আফতাবকে পাঠানো হয় তিহার জেলে (Tihar Jail)। সেখানে চব্বিশ ঘণ্টা সিসিটিভি ক্যামেরায় নজর রাখা হবে তার ওপর। তিহার জেলের ৪ নম্বর কুঠুরিতে রাখা হয়েছে তাকে। প্রথমবার কোনও অপরাধ করে যারা তিহার জেলে আসে, তাদের রাখা হয় এখানেই। দিল্লির আদালত আফতাবকে বিচার বিভাগীয় হেফাজতে পাঠিয়েছে। এদিকে, পুলিশও ওই খুনের ঘটনায় নতুন কিছু সূত্র পেয়েছে। তারা জেনেছে, শ্রদ্ধাকে খুনের পরে পরেই এক মহিলা আফতাবের বাসভবনে গিয়েছিলেন। তাঁকে চিহ্নিতও করেছে দিল্লি পুলিশ।

    আফতাবের বিরুদ্ধে অভিযোগ…

    অভিযুক্ত আফতাবের বিরুদ্ধে প্রধান অভিযোগ, সে তার বান্ধবী তথা লিভ-ইন সঙ্গী শ্রদ্ধা ওয়ালকারকে খুন (Shraddha Walker Murder) করে তাঁর দেহ টুকরো টুকরো করে কেটেছেন। মোট ৩৫টি টুকরো করা হয়েছিল শ্রদ্ধার দেহ। দেহের সেই টুকরোগুলি রাখা হয়েছিল ৩০০ লিটারের একটি ফ্রিজে। হত্যার পরে প্রমাণ লোপাটের জন্য বিভিন্ন রাসায়নিকের ব্যবহারও করে সে। রাতের অন্ধকারে নিকটবর্তী জঙ্গলে সেই দেহাংশ সে ফেলে আসত বলেও জেনেছে পুলিশ। পুলিশের দাবি, শ্রদ্ধাকে খুনের কথা জেরায় স্বীকারও করে নিয়েছে আফতাব।

    আরও পড়ুন: ন্যূনতম সময়ের মধ্যে উপযুক্ত শাস্তি পাবে শ্রদ্ধা হত্যাকারী! কী বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    এদিন বিচার বিভাগীয় হেফাজত হওয়ার পর আফতাব পুন্নাওয়ালার স্বাস্থ্য পরীক্ষাও হয়। পরে পাঠানো হয় জেলে। তিহার জেলের ওই সেলে আফতাব একা নয়, রয়েছে আরও কয়েকজন। তাই প্রয়োজন আফতাবের নিরাপত্তার। সেই কারণেই তাকে চব্বিশ ঘণ্টা সিসিটিভির নজরদারিতে রাখা হয়েছে বলে সূত্রের খবর। শ্রদ্ধাকে খুনের (Shraddha Walker Murder) অভিযোগে আফতাবকে গ্রেফতার করা হয় নভেম্বরের ১২ তারিখে। প্রথমে তাকে পাঁচ দিনের পুলিশি হেফাজতে পাঠানো হয়। নভেম্বরের ১৭ তারিখে সেটা বাড়ানো হয় আরও পাঁচ দিন। মঙ্গলবার আরও চার দিনের জন্য তাকে পাঠানো হয় পুলিশি হেফাজতে। তার পর হয়েছে বিচার বিভাগীয় হেফাজত।

    এদিকে, শ্রদ্ধা খুনের (Shraddha Walker Murder) পরপরই আফতাবের ফ্ল্যাটে গিয়েছিলেন যে মহিলা, তাঁকে চিহ্নিত করেছে পুলিশ। ওই মহিলা সাইকোলজিস্ট। একটি ডেটিং অ্যাপের মাধ্যমে তাঁর সঙ্গে পরিচয় হয় আফতাবের। তাঁকেও জেরা করছে পুলিশ।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Delhi Murder: শ্রদ্ধার হাড়ের টুকরো এবং রক্তের নমুনার সঙ্গে ডিএনএ মিলল বাবা বিকাশ ওয়ালকারের

    Delhi Murder: শ্রদ্ধার হাড়ের টুকরো এবং রক্তের নমুনার সঙ্গে ডিএনএ মিলল বাবা বিকাশ ওয়ালকারের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লির জঙ্গল থেকে পাওয়া শ্রদ্ধা ওয়ালকারের হাড়ের টুকরো এবং জমাট বাধা রক্তের সঙ্গে ডিএনএ মিলল শ্রদ্ধার (Delhi Murder) বাবা বিকাশ ওয়ালকারের। এমনটাই জানাল ফরেন্সিক টিম। শ্রদ্ধা ওয়ালকার হত্যা মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তাঁরা। সূত্রমতে জানা গিয়েছে শ্রদ্ধা-আফতাবের বাড়ির ফ্ল্যাটের টাইল থেকে পাওয়া কিছু রক্তের নমুনা শ্রদ্ধা এবং কিছু তাঁর লিভ-ইন পার্টনার আফতাব পুনাওয়ালার সঙ্গে মিলেছে। আপাতত মৌখিকভাবে দিল্লি পুলিশকে পুরো বিষয়টি জানিয়েছে ফরেন্সিক বিশেষজ্ঞরা। পুর্নাঙ্গ রিপোর্ট আসতে এখনও কিছুটা সময় লাগবে বলে জানা গিয়েছে। 

    এদিকে আফতাব পুনাওয়ালা তাঁকে খুন (Delhi Murder) করতে চায়। এমন আশঙ্কা প্রকাশ করে ২০২০ সালে শ্রদ্ধা ওয়ালকর মুম্বইয়ের ভাসাই থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। মুম্বই পুলিশের কাছে শ্রদ্ধা যে অভিযোগ দায়ের করেন, সেখানে তিনি খুন হওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করেন। এমনকী, আফতাব তাঁকে খুন করে টুকরো টুকরো করে ফেলতে পারে বলে পুলিশকে চিঠি লেখেন বলে খবর। তাঁর সঙ্গে যদি কিছু হয়ে যায়, তাহলে কী হবে বলেও পুলিশ চিঠি লেখেন শ্রদ্ধা। এমন খবর প্রকাশ্যে আসতেই তা নিয়ে ফের শোরগোল শুরু হয়েছে। ২০২০ সালে শ্রদ্ধা যেভাবে আশঙ্কা প্রকাশ করে চিঠি লেখেন, তারপরও পুলিশ কেন পদক্ষেপ করেনি, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।

    আরও পড়ুন: আফতাবের নার্কো টেস্ট করা হল, এই টেস্টে কী হয়?

    নার্কো টেস্ট 

    আফতাব আমিন (Delhi Murder) পুনাওয়ালার নার্কো টেস্ট করা হয়েছে। আজও চলবে পরীক্ষা। দিল্লির শ্রদ্ধা ওয়ালকার খুনের ঘটনায় অভিযুক্ত আফতাব তদন্তে সহযোগিতা করছে না, এমনই অভিযোগ ছিল তদন্তকারী আধিকারিকদের। ঠান্ডা মাথায় পরিকল্পনা করে খুন করা হয় শ্রদ্ধাকে। তারপর দেহ লোপাটের জন্য ৩৫টি টুকরো করে জঙ্গলে ফেলে দেয় আফতাব। হত্যার পরে প্রমাণ লোপাটের জন্য বিভিন্ন রাসায়নিকের ব্যবহার করে সে। খুন সংক্রান্ত তথ্যের সত্যতা যাচাই করতে নার্কো টেস্টের (Narco Test) আবেদন করে পুলিশ। আদালত আবেদন মঞ্জুর করে।সেই মতো গতকাল নার্কো টেস্ট করানো হয় আফতাবের। 

    নার্কো টেস্টের (Delhi Murder) আগে ব্যক্তির মেডিক্যাল টেস্ট করানো হয়। প্রেশার, সুগার, পালস রেট সব কিছু স্বাভাবিক আছে  কী না দেখা হয়। বয়স, লিঙ্গ অনুযায়ী ইঞ্জেকশনের  ডোজ আলাদা হয়।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     
     

     

  • DY Chandrachud: ‘গণতন্ত্রে  কোনও প্রতিষ্ঠানই একশো শতাংশ ত্রুটিমুক্ত নয়’, বললেন প্রধান বিচারপতি  

    DY Chandrachud: ‘গণতন্ত্রে  কোনও প্রতিষ্ঠানই একশো শতাংশ ত্রুটিমুক্ত নয়’, বললেন প্রধান বিচারপতি  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গণতন্ত্রে (Democracy) কোনও প্রতিষ্ঠানই একশো শতাংশ ত্রুটিমুক্ত নয়। এমন কী কলেজিয়াম সিস্টেম, যারা বিচারক নিয়োগ করে, তারাও এর বাইরে নয়। শুক্রবার একথা বলেন সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) প্রধান বিচারপতি ডি ওয়াই চন্দ্রচূড় (DY Chandrachud)। আজ, শনিবার সংবিধান দিবস (Constitution Day)। এই উপলক্ষে শুক্রবার বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিল সুপ্রিম কোর্টের বার অ্যাসোসিয়েশন। এই অনুষ্ঠানে যোগ দেন দেশের প্রধান বিচারপতি। সেখানেই তিনি বলেন, এই সমস্যার সমাধান হল, যে সিস্টেম রয়েছে, তার মধ্যে থেকে কাজ করাই একমাত্র পথ।

    চন্দ্রচূড় বলেন…

    সংবিধান দিবস উপলক্ষে আয়োজিত ওই অনুষ্ঠানে প্রধান বিচারপতি (DY Chandrachud) বলেন, আমি ভেবেছিলাম, আমি সেরাটাকে সংরক্ষণ করব। এর পরেই তিনি বলেন, গণতন্ত্রে কোনও প্রতিষ্ঠানই একশো শতাংশ ত্রুটিমুক্ত নয়। যে পরিকাঠামো রয়েছে, তার মধ্যে থেকেই কাজ করতে হবে। তিনি বলেন, আমরা বিশ্বস্ত সৈনিক, যারা সংবিধানকে কার্যকর করব। দেশের প্রধান বিচারপতি বলেন, আমরা যখন অপূর্ণতার কথা বলি, তখনও আমাদের সমাধান হল, যে সিস্টেম রয়েছে, তার মধ্যে থেকেই কাজ করা। চন্দ্রচূড় আরও বলেন, কেবল কলেজিয়াম সিস্টেম সংস্কার করলে কিংবা বিচারকদের বেতন বাড়িয়ে দিলেই ভাল এবং যোগ্য মানুষ বেঞ্চে যোগ দেবেন, তা নিশ্চিত হয় না।

    দেশের শীর্ষ আদালতের প্রধান বিচারপতি চন্দ্রচূড় (DY Chandrachud)  বলেন, সুপ্রিম কোর্টের বার কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট ভাল মানুষের নিয়োগ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। এর পরেই তিনি বলেন, ভাল মানুষদের বিচার ব্যবস্থার অন্তর্ভুক্ত করা, ভাল আইনজীবী তৈরি করেই কলেজিয়াম ব্যবস্থার সংস্কার সম্ভব নয়। টাকা কিংবা বেতন দিয়ে বিচারকের মান নির্ণয় করাও সম্ভব নয়। প্রধান বিচারপতি বলেন, একজন বিচারককে আপনি যতই বেতন দেন না কেন, তা একজন সফল আইনজীবীর দিনের শেষের উপার্জনের একটা ছোট অংশ হবে। তিনি বলেন, বিচারক হওয়া আসলে বিবেকের ডাক, পাবলিক সার্ভিসের প্রতি দায়বদ্ধতা।

    আরও পড়ুন: “দেশের সমস্ত নাগরিকদের রক্ষা করব…”, প্রধান বিচারপতি পদে শপথ নিলেন ডি ওয়াই চন্দ্রচূড়

    প্রসঙ্গত, ১৯৪৯ সালের ২৬ নভেম্বর গণপরিষদে গৃহীত হয়েছিল ভারতীয় সংবিধান। ২০১৪ সালে কেন্দ্রে ক্ষমতায় আসে নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে বিজেপি সরকার। তার পরের বছর থেকে ফি বছর এই দিনটিকে সংবিধান দিবস হিসেবে পালন করা হয়। আগে এই দিনটি পালিত হত আইন দিবস হিসেবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Jama Masjid: মহিলাদের ‘একা’ প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা! বিতর্কিত নোটিশ প্রত্যাহারে রাজি জামা মসজিদ

    Jama Masjid: মহিলাদের ‘একা’ প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা! বিতর্কিত নোটিশ প্রত্যাহারে রাজি জামা মসজিদ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লির জামা মসজিদে (Jama Masjid) মহিলারা যেতে পারবেন না বলে নির্দেশিকা জারি করেছিলেন মসজিদ কর্তৃপক্ষ। তার পরেই হইচই পড়ে যায় দেশজুড়ে। মসজিদ কর্তৃপক্ষকে এ নিয়ে নোটিশও পাঠায় দিল্লির (Delhi) মহিলা কমিশন। তার পরেও অবশ্য পিছু হটেননি মসজিদ কর্তৃপক্ষ। শেষমেশ জট খুলল দিল্লির লেফটেন্যান্ট গভর্নর ভিকে সাক্সেনার হস্তক্ষেপে। তিনি কথা বলেন জামা মসজিদের শাহি ইমামের (Shahi Imam) সঙ্গে। মহিলাদের মসজিদে ঢোকার নির্দেশিকা প্রত্যাহার করতে তাঁকে অনুরোধ করেন। তার পরেই মসজিদ কর্তৃপক্ষ ওই নির্দেশিকা প্রত্যাহার করে নেন। সূত্রের খবর, ইমাম বুখারিও ওই নির্দেশিকা প্রত্যাহারে সম্মত হয়েছেন। তবে সেক্ষেত্রে একটি শর্ত আরোপ করা হয়েছে। তাতে বলা হয়েছে, দর্শনার্থীদের মসজিদের পবিত্রতা বজায় রাখতে হবে।

    জামা মসজিদের নোটিশ…

    দিল্লির জামা মসজিদ (Jama Masjid) কর্তৃপক্ষ মসজিদের প্রধান ফটকের বাইরে একটি নোটিশ টাঙায়। তাতে মহিলাদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে বলে জানানো হয়। কোনও মহিলা একাই আসুন কিংবা দলবদ্ধভাবে আসুন, তাঁরা কেউই প্রবেশ করতে পারবেন না মসজিদে। তার পরেই দেশজুড়ে শুরু হয় বিতর্ক। প্রবল বিতর্কের মুখে পড়ে মসজিদের শাহি ইমাম বৃহস্পতিবার জানিয়ে দেন, যাঁরা প্রার্থনার জন্য মসজিদে আসবেন, তাঁদের ক্ষেত্রে এই নির্দেশিকা প্রযোজ্য নয়।

    মসজিদের (Jama Masjid) মূল গেটের সামনে মহিলাদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করে যে নোটিশ টাঙানো হয়েছিল, তাতে নোটিশ ইস্যুর কোনও তারিখ দেওয়া ছিল না। দিন কয়েক আগে তিনটি ফটকের সামনে ওই নোটিশ ঝুলতে দেখা যায়। তার পরেই শুরু হয় বিতর্ক। মসজিদ কমিটির তরফে জারি করা নোটিশে বলা হয়েছে, কোনও মহিলা যদি একা আসেন কিংবা দলবদ্ধভাবেও আসেন, তাহলেও তাঁরা মসজিদে ঢুকতে পারবেন না। প্রসঙ্গত, দিল্লির জামা মসজিদ তৈরি হয়েছি মুঘল আমলে, সপ্তদশ শতাব্দীতে। প্রতিদিন হাজার হাজার পর্যটক আসেন মসজিদ দর্শনে।

    আরও পড়ুন: জামা মসজিদে মেয়েদের ‘একা’ ঢোকায় নিষেধাজ্ঞা! ‘‘এটা ইরান নাকি?’’ তোপ মহিলা কমিশনের

    মসজিদ (Jama Masjid) কমিটির ওই সিদ্ধান্তের তীব্র সমালোচনা করা হয় বিশ্ব হিন্দু পরিষদের তরফেও। মসজিদ কমিটির ওই সিদ্ধান্তকে ‘মহিলা বিরোধী’ বলেও দাবি করে বিশ্ব হিন্দু পরিষদ। এই বিষয়ে তারা দাবি করে মহিলা ও শিশু কল্যাণ মন্ত্রক এবং জাতীয় মহিলা কমিশনের হস্তক্ষেপ। পরে মসজিদ কমিটিকে নোটিশ পাঠায় দিল্লির মহিলা কমিশনও।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

  • Shraddha Walkar: শ্রদ্ধা খুনে ব্যবহৃত অস্ত্রের সন্ধান মিলল! আফতাবের পলিগ্রাফ টেস্টের পরই তদন্তে নয়া দিক

    Shraddha Walkar: শ্রদ্ধা খুনে ব্যবহৃত অস্ত্রের সন্ধান মিলল! আফতাবের পলিগ্রাফ টেস্টের পরই তদন্তে নয়া দিক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লিতে শ্রদ্ধা খুনে অভিযুক্ত আফতাব পুনাওয়ালার পলিগ্রাফ টেস্ট করা হল বৃহস্পতিবার। দিল্লি পুলিশের তরফে সে কথা জানানো হয়। দিল্লির রোহিনী ফরেন্সিক ল্যাবে এই পরীক্ষা করা হয়। এই পরীক্ষার সময়ই উঠে আসে চাঞ্চল্যকর তথ্য। আফতাবের কথার উপর ভিত্তি করেই মেলে শ্রদ্ধার দেহ টুকরো করতে ব্যবহার করা পাঁচটি ছুরি।

    কোথায় মিলল ছুরি

    আফতাবের ঘর থেকে ৫টি ছুরি পুলিশ উদ্ধার করেছে। সেগুলিকে ফরেন্সিক পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে বলে সূত্রের খবর। পুলিশের তরফে জানানো হয়, পলিগ্রাফ টেস্টের সময় আজ আফতাব পুনাওয়ালা (Aftab Amin Poonawala) একেবারে স্বাভাবিক ছিল। পলিগ্রাফ টেস্টের সময় আফতাব ধীর, স্থির ছিল বলে জানা যায়। প্রসঙ্গত বুধবারই আফতাবের পলিগ্রাফ টেস্টের কথা ছিল। তবে গতকাল আফতাব সুস্থবোধ না করায়, পলিগ্রাফ টেস্টের জন্য একদিন পিছিয়ে দেওয়া হয়। পলিগ্রাফের পর আফতাবের নারকো টেস্টও করা হবে বলে খবর।

    আরও পড়ুন: শ্রদ্ধা হত্যা মামলায় আফতাবের পরিবারের বয়ান রেকর্ড করল দিল্লি পুলিশ

    বৃহস্পতিবার দিল্লি পুলিশের তরফে দাবি করা হয়েছে যে, শ্রদ্ধার দেহ ৩৫ টুকরো করতে ৫টি ছুরি ব্যবহার করেছিলেন আফতাব। ওই পাঁচটি ছুরি উদ্ধার করা হয়েছে। শ্রদ্ধাকে খুনের পর দেহ টুকরো করতে যে একের বেশি অস্ত্র ব্যবহার করেছিলেন আফতাব, তার আন্দাজ আগেই করেছিল পুলিশ। সম্প্রতি দিল্লিতে আফতাবের ফ্ল্যাট থেকে ১টি করাতও উদ্ধার হয়। দেহ টুকরো করতে ওই করাতটি ব্যবহার করা হয়েছিল কি না, তা-ও খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর। দিল্লিতে প্রেমিকা তথা লিভ-ইন সঙ্গী শ্রদ্ধাকে খুনের পর তাঁর দেহ টুকরো টুকরো করে কাটার অভিযোগ উঠেছে প্রেমিক আফতাবের (Aftab Amin Poonawalla) বিরুদ্ধে। পুলিশের দাবি, প্রাথমিক ভাবে নিজের অপরাধের কথা সে স্বীকারও করে নিয়েছে। তবে তা প্রমাণ করতে মরিয়া পুলিশ। তদন্ত যত এগোচ্ছে ততই নতুন নতুন তথ্য প্রকাশ্যে আসছে। শ্রদ্ধা খুনের ঘটনায় অভিযুক্তকে কঠোরতম শাস্তি দেওয়া হবে, বলে আগেই জানিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

  • Jama Masjid: জামা মসজিদে মেয়েদের ‘একা’ ঢোকায় নিষেধাজ্ঞা! ‘‘এটা ইরান নাকি?’’ তোপ মহিলা কমিশনের

    Jama Masjid: জামা মসজিদে মেয়েদের ‘একা’ ঢোকায় নিষেধাজ্ঞা! ‘‘এটা ইরান নাকি?’’ তোপ মহিলা কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহিলারা মসজিদে (Jama Masjid) একা যেতে পারবেন না। সম্প্রতি এমনই নির্দেশ জারি করেছে দিল্লির জামা মসজিদ। আর এই নির্দেশিকা আসার পরই, এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে মসজিদকে নোটিস পাঠাল দিল্লির মহিলা কমিশন। দিল্লির মহিলা কমিশনের চেয়ারপার্সন স্বাতী মালিওয়াল জামা মসজিদের ইমামকে একটি চিঠি লিখে মসজিদে মহিলাদের একা প্রবেশ নিষিদ্ধ করার বিষয় ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন।

    স্বাতী ট্যুইটে ক্ষোভ উগরে দেন 

    ট্যুইটারে স্বাতী মালিওয়াল লিখেছেন, ‘”জামা মসজিদে (Jama Masjid) মহিলাদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করার সিদ্ধান্ত একেবারেই ঠিক না। এক জন পুরুষের যেমন উপাসনার অধিকার আছে, তেমনই এক জন নারীরও আছে। আমি জামা মসজিদের ইমামকে নোটিস পাঠিয়েছি। উপাসনা কেন্দ্রে মহিলাদের এ ভাবে প্রবেশ নিষিদ্ধ করার অধিকার কারও নেই।”

     

    স্বাতী আরও বলেন, “এটা ইরান নাকি? যে মহিলাদের সঙ্গে অসম আচরণ করা হবে, আর কেউ কিছু বলবে না!”  

    জামা মসজিদের (Jama Masjid) জনসংযোগ আধিকারিক সাবিউল্লাহ খান এর জবাবে বলেন, “মসজিদ কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তে কোনও ভুল নেই। এই সিদ্ধান্ত লিঙ্গবিদ্বেষমূলক নয়। পরিবারের সঙ্গে বা স্বামীর সঙ্গে এলে মহলাদের মসজিদে কোনও বাধা থাকবে না। মসজিদ চত্বরে অশোভন কাজকর্ম যাতে না হয়, তাই এই সিদ্ধান্ত।” তিনি আরও বলেন, “মহিলাদের প্রবেশে কোনও নিষেধাজ্ঞা নেই। অনেক সময়ই দেখা যায়, মহিলারা একা এলে অনেক অশোভন কাজকর্ম হয়। তাঁরা টিকটক ভিডিয়ো রেকর্ড করেন, নাচগান করেন। পরিবার বা দম্পতিদের মসজিদে প্রবেশে কোনও বাধা নেই।মসজিদকে মহিলা-পুরুষদের মিলনক্ষেত্র বানানোটা ঠিক নয়।”

    আরও পড়ুন: হাইকোর্টে ধাক্কা খেল স্কুল সার্ভিস কমিশন! এবার কি সুপ্রিম দুয়ারে যাবে রাজ্য সরকার?

    বিশ্ব হিন্দু পরিষদের পক্ষ থেকে এই সিদ্ধান্তের (Jama Masjid) তীব্র সমালোচনা করা হয়েছে। এই সিদ্ধান্তকে ‘মহিলা-বিরোধী’ বলে দাবি করা হয়েছে। এই বিষয়ে মহিলা ও শিশু কল্যাণ মন্ত্রক এবং জাতীয় মহিলা কমিশনের হস্তক্ষেপ দাবি করেছে বিশ্ব হিন্দু পরিষদ।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

  • Chief Election Commissioner: মুখ্য নির্বাচন কমিশনার নিয়োগে হস্তক্ষেপ অনভিপ্রেত, সুপ্রিম কোর্টে কেন্দ্র

    Chief Election Commissioner: মুখ্য নির্বাচন কমিশনার নিয়োগে হস্তক্ষেপ অনভিপ্রেত, সুপ্রিম কোর্টে কেন্দ্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুখ্য নির্বাচন কমিশনার নিয়োগে হস্তক্ষেপ অনভিপ্রেত, সুপ্রিম কোর্টে সাফ জানাল কেন্দ্র। মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের (Chief Election Commissioner) ‘ভঙ্গুর ঘাড়ে’র ওপর সংবিধান প্রচুর ক্ষমতা চাপিয়েছে। তাই এরকম একটি গুরুত্বপূর্ণ পদে বসাতে হবে শক্ত চরিত্রের কাউকে। মঙ্গলবার একথা জানিয়েছিল দেশের শীর্ষ আদালত। সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) মতে, পরিস্থিতি উদ্বেগজনক। এবং তাই প্রয়াত মুখ্য নির্বাচন কমিশনার টিএন শেষনের (T N Seshan) মতো একজন কাউকে প্রয়োজন। এদিন এই প্রসঙ্গেই তার অবস্থান স্পষ্ট করল কেন্দ্র।

    ‘সংবিধানের নীরবতা’

    প্রসঙ্গত, ১৯৯০ সাল থেকে ১৯৯৬ পর্যন্ত মুখ্য নির্বাচন কমিশনার পদে আসীন ছিলেন শেষন। তাঁর আমলে নির্বাচনী নানা সংস্কার হয়। এদিন সেই প্রসঙ্গই টেনেছে দেশের শীর্ষ আদালত। আদালত এও জানায়, কোনও দৃঢ় চরিত্রের ব্যক্তির এই পদে থাকা উচিত, যিনি নিজেকে বুলডোজ হতে দেবেন না। এর পরেই শেষনের প্রসঙ্গ টেনে দেশের শীর্ষ আদালত বলে, অনেক মুখ্য নির্বাচন কমিশনার এসেছেন, কিন্তু টিএন শেষন একবারই এসেছেন। এই মামলার শুনানির সময়ই কমিশনার নিয়োগের পদ্ধতি, যোগ্যতা ইত্যাদি বিষয়ে ‘সংবিধানের নীরবতা’র উল্লেখ করেন। এ প্রসঙ্গে বুধবার কেন্দ্র সাফ জানিয়ে দেয়, মুখ্য নির্বাচন কমিশনার এবং নির্বাচন কমিশনার নিয়োগের অধিকার রয়েছে কেন্দ্রীয় সরকারের হাতে। এও বলেছে, ‘সাংবিধানিক নীরবতা’ পূরণ করতে পারে না বিচারবিভাগ। বিচারবিভাগের উচিত নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে থেকেই এক্সিকিউটিভের স্বাধীনতাকে সম্মান করা।

    আরও পড়ুন: রাজীব হত্যা মামলায় সুপ্রিম কোর্টে কেন্দ্র, কেন জানেন?

    নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ নিয়ে দায়ের করা পিটিশনের শুনানি চলছে সুপ্রিম কোর্টের সাংবিধানিক বেঞ্চে। সম্প্রতি কেন্দ্র ওই পদে বসিয়েছে অরুণ গোয়েলকে। ১৯৮৫ সালের ব্যাচের আএএস অফিসার তিনি। এদিন দেশের শীর্ষ আদালত অরুণ গোয়েলের নিয়োগ সংক্রান্ত ফাইল খতিয়ে দেখার ইচ্ছে প্রকাশ করেছে। এই মামলার শুনানি চলছে সুপ্রিম কোর্টের পাঁচ বিচারপতির সাংবিধানিক বেঞ্চে। এই বেঞ্চের মাথায় রয়েছেন বিচারপতি কে এম জোসেফ। শুনানি চলাকালীন তিনি অ্যাটর্নি জেনারেল আর ভেঙ্কাট্রামনিকে অরুণ গোয়েলের নিয়োগ সংক্রান্ত ফাইল পেশ করার নির্দেশ দেয়। এর পরেই অরুণ কুমারের আইনজীবী বলেন, অরুণ কুমার শুক্রবার ভিআরএস নিয়েছেন। তার পরের দিনই তাঁকে ইলেকশন কমিশনার হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Satyendar Jain: কারাগারে ‘আম’ মন্ত্রীর রাজকীয় ভোজ! সত্যেন্দ্র জৈনের নয়া ভিডিও ভাইরাল

    Satyendar Jain: কারাগারে ‘আম’ মন্ত্রীর রাজকীয় ভোজ! সত্যেন্দ্র জৈনের নয়া ভিডিও ভাইরাল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আর্থিক তছরুপের দায়ে অভিযুক্ত দিল্লির মন্ত্রী সত্যেন্দ্র জৈন (Satyendra Jain) তিহাড়ের জেলে বসে খাচ্ছেন রাজকীয় খাবার। জেলে তেল মালিশের পর সদ্য আপ মন্ত্রী সত্যেন্দ্র জৈনের এই ভিডিও ভাইরাল। ওজন কমে গিয়েছে আঠাশ কেজি। যথেষ্ট খাবার দেওয়া হচ্ছে না জেলে। আদালতে এমন অভিযোগই করেছিলেন দিল্লির জেলবন্দি মন্ত্রী সত্যেন্দ্র জৈন। তার এক দিন পরেই প্রকাশ্যে এল একটি সিসিটিভি ফুটেজ, যেখানে দেখা গিয়েছে জেলের কুঠুরিতে বসে ফল, স্যালাড খাচ্ছেন সত্যেন্দ্র। তিহাড় জেলের একটি সূত্র বলছে, প্রকাশ্যে আসা ফুটেজ সেপ্টেম্বর এবং অক্টোবর মাসের তিনটি দিনের। সূত্রটির দাবি, এই ফুটেজ থেকে একটি বিষয় স্পষ্ট যে, সত্যেন্দ্রের পর্যাপ্ত খাবার না পাওয়ার অভিযোগ ঠিক নয়। ওই সূত্রটি আরও জানিয়েছে, জেলে থেকে দিল্লির মন্ত্রীর ওজন আঠাশ কেজি কমেনি। বরং ৮ কেজি বেড়েছে।

    নতুন ভিডিও

    বিজেপির জাতীয় মুখপাত্র শেহজাদ পুনাওয়ালা সম্প্রতি একটি ভিডিও শেয়ার করেছেন, যেখানে দেখা যাচ্ছে, আর্থিক তরুপের দায়ে গ্রেফতার হওয়া আপ মন্ত্রী সত্যেন্দ্র জৈন (Satyendra Jain) জেলের ভিতর নিজের পছন্দের খাবার খাচ্ছেন। ট্যুইটারে পুনাওয়ালা লেখেন, “জনমাধ্যমে আরও একটি ভিডিও সামনে এসেছে। ধর্ষকের কাছ থেকে মালিশ নেওয়ার পর এখন রাজকীয় খাবার উপভোগ করছেন সত্যেন্দ্র জৈন। তাঁকে সেলের মধ্যে কর্মীরা খাবার দিয়ে যাচ্ছেন, যেন কোনও রিসোর্টে বেড়াতে গিয়েছেন তিনি! কালো টাকার কারবারি যেন জেলের ভিতর ভিভিআইপি সুবিধা পান, তা কেজরিওয়ালজি নিজে নিশ্চিত করেছেন”। ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, খিদে বৃদ্ধিকারক খাবার দিয়ে ভোজন শুরু করার পর স্যালাড সহ অন্যান্য পুষ্টিকর খাবার খাচ্ছেন মন্ত্রী। সেইসঙ্গে তাঁর জন্য কেনা পানীয় জলের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। একজন কর্মী তাঁকে খাবার সাজিয়ে দেওয়া থেকে শুরু করে তাঁর চেয়ারের কাছে একটি ডাস্টবিনও রেখে দিয়েছেন।

    আরও পড়ুন: জেলে সত্যেন্দ্রকে মালিশ করা ব্যক্তি ধর্ষণে অভিযুক্ত বন্দি! সরব বিজেপি

    বিতর্কের কেন্দ্র

    উল্লেখ্য,গত কয়েক দিন ধরেই সত্যেন্দ্র জৈনকে (Satyendra Jain) ঘিরে একাধিক ভিডিও প্রকাশ্যে আসতে শুরু করেছে। যা নিয়ে দিল্লির কেজরিওয়াল সরকারের মন্ত্রী সত্যেন্দ্র জৈন বিতর্কের কেন্দ্রে থেকেছেন।সত্যেন্দ্রর আইনজীবী আদালতে অভিযোগ করেছিলেন, গত ছ’মাসে শুধুই ফল, সব্জি, দানাশস্য, শুকনো ফল এবং খেজুর খেয়ে রয়েছেন। প্রত্যেক জেলবন্দির জন্য যে রেশন বরাদ্দ থাকে, তার আওতায় ওই ফলমূল কিনে খেয়েছেন বলে দাবি সত্যেন্দ্রের। অভিযোগ ছিল, গত ছ’মাস ধরে ধর্মীয় উপবাস করছেন সত্যেন্দ্র। তা সত্ত্বেও তাঁকে ফল, সব্জি, শুকনো ফল, খেজুর দিচ্ছেন না জেল কর্তৃপক্ষ। এর ফলে সত্যেন্দ্রর শরীরে ‘প্রোটিন ও আয়রনের ঘাটতি’ হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হয়েছিল। এই অবস্থায় প্রকাশ্যে এল এই ভিডিও ফুটেজ। যা নিয়ে পুরভোটের আগে দিল্লির রাজনীতি সরগরম।

LinkedIn
Share