Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Mangaluru: আইএস আদর্শে অনুপ্রাণিত মেঙ্গালুরু অটো বিস্ফোরণের মূল অভিযুক্ত

    Mangaluru: আইএস আদর্শে অনুপ্রাণিত মেঙ্গালুরু অটো বিস্ফোরণের মূল অভিযুক্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আন্তর্জাতিক জঙ্গি গোষ্ঠী আইএস – এর আদর্শে অনুপ্রাণিত মেঙ্গালুরু (Mangaluru) অটো বিস্ফোরণের মূল হোতা। এমনকি ডার্ক ওয়েবের সাহায্যে দেশের জঙ্গি সংগঠনদের মাথাদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতেন ওই জঙ্গি। এমনই চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে কর্নাটক পুলিশের তদন্তে।  

    কর্নাটক পুলিশের এক উচ্চপদস্থ কর্তা দাবি করেছেন, আইএস-প্রভাবিত ‘আল হিন্দ’-সহ দেশের একাধিক জঙ্গি সংগঠনের হয়ে কাজ করতেন মেঙ্গালুরু বিস্ফোরণে অভিযুক্ত মহম্মদ শরিক। দুটি মামলায় অভিযুক্ত আফাফত আলির নির্দেশেই কাজ করতেন শরিক। আরাফতের সঙ্গে আল হিন্দ মডিউলের মুসবির হুসেনের যোগাযোগ ছিল। তবে আব্দুল মতিন ত্বহা হলেন শরিকের প্রধান হ্যান্ডলার। এ ছাড়া, আরও দুতিন জনের সঙ্গেও কাজ করছেন শরিক। যাঁদের এখনও চিহ্নিত করা যায়নি। 

    আরও পড়ুন: এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় চাকরি প্রার্থী এবং প্রাপককে তলব সিবিআই- এর

    ওই পুলিশ কর্তা আরও দাবি করেন, “মাইসুরুতে শরিকের ঘাটিসহ কর্নাটকের ৫টি জায়গায় হানা দিয়েছে পুলিশ। শরিকের বাড়ি থেকে বিস্ফোরণের জন্য ব্যবহৃত যন্ত্রপাতিও উদ্ধার করা হয়েছে। আইএস আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে নিজের বাড়িতেই বোমা তৈরি করতেন শরিক। সেই বোমা পরীক্ষা করার জন্য ১৯ সেপ্টেম্বর দু’জনের সঙ্গে শিবমোগ্গার জঙ্গলে বিস্ফোরণও ঘটিয়েছিলেন।” 

     ২০ সেপ্টেম্বর শরিকের ২ সঙ্গীকে গ্রেফতার করে পুলিশ। কিন্তু শরিক পালিয়ে যান।  ভুয়ো আধার কার্ড দেখিয়ে মাইসুরুতে বাড়ি ভাড়া নিয়ে থাকতে শুরু করেন ওই জঙ্গি। সেখানেও চলত বোমা বাঁধার কাজ। 

    তদন্তে এনআইএ:

    এবার বিস্ফোরণকাণ্ডে তদন্তের ভার পেল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ। শনিবার বিকেল সাড়ে ৫টা নাগাদ মেঙ্গালুরুতে এক  বিস্ফোরণে একটি অটোয় আগুন ধরে যায়। বিস্ফোরণের সামান্য শব্দও শোনা যায়।  অটোর যাত্রী ও চালককে অগ্নিদগ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। জখম অটোচালক দাবি করেন, অটোর এক যাত্রীর ব্যাগে আগুন ধরে যায়। সেখান থেকেই বিস্ফোরণ ঘটে। দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে যায় ফরেনসিক টিম। বিস্ফোরণের নমুনা সংগ্রহ করে তারা। পরবর্তীতে জানা গিয়েছে, ওই ব্যাগের ভিতরে ছিল একটি প্রেশার কুকার। যেটি ব্যাটারি ও বিস্ফোরকে ঠাসা ছিল।    

    মামলার মূল অভিযুক্ত মহম্মদ শরিকও অগ্নিদগ্ধ হন ওই বিস্ফোরণে। মেঙ্গালুরুর ফাদার মুলার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে তাঁকে। এডিজিপি (আইনশৃঙ্খলা) অলোক কুমার জানিয়েছেন,  অভিযুক্তর বিরুদ্ধে তিনটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। এর মধ্যে দুটি মেঙ্গালুরুতে এবং একটি শিবমোগা জেলায়। দুটি মামলায় তাঁকে গ্রেফতার করা হয় এবং তৃতীয় মামলায় ওয়ান্টেড ঘোষণা করা হয়। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Facebook এবং Twitter পেজ। 

     

  • Nalini Sriharan: ‘নতুন জীবন পেলাম…’ দীর্ঘ ৩১ বছর পর জেলের বাইরে এসে কী বললেন নলিনী শ্রীহরণ?

    Nalini Sriharan: ‘নতুন জীবন পেলাম…’ দীর্ঘ ৩১ বছর পর জেলের বাইরে এসে কী বললেন নলিনী শ্রীহরণ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজীব গান্ধী হত্যা মামলায় অবশেষে মুক্তি পেল নলিনী শ্রীহরণ। দীর্ঘ ৩১ বছর পর ফের একবার খোলা আকাশের নীচে। তাঁর সঙ্গে মুক্তি পেয়েছে তাঁর স্বামী মুরুগান শ্রীহরণও। শুক্রবারই সু্প্রিম কোর্টের নির্দেশে তিন দশক অবশেষে জেলের বাইরে পা রাখলেন রাজীব গান্ধী হত্যাকাণ্ডে অন্যতম অভিযুক্ত নলিনী শ্রীহরণ (Nalini Sriharan) ও তাঁর স্বামী। এছাড়াও দেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী রাজীব গান্ধীর(Rajiv Gandhi) হত্যা মামলায় অভিযুক্ত নলিনী ও তাঁর স্বামী সহ ৬জনকেই মুক্তির আদেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। ১১ নভেম্বর সুপ্রিম কোর্টের সিদ্ধান্তের পর গতকাল তামিলনাড়ুর ভেলোর জেল থেকে মুক্তি পান নলিনী।

    সংবাদমাধ্যমে কী বললেন নলিনী?

    ‘নতুন জীবন পেলাম’। শনিবার জেল থেকে বেরিয়ে এটাই ছিল রাজীব হত্যায় দোষী নলিনী শ্রীহরণের প্রথম প্রতিক্রিয়া। তিনি বলেন, “আমার স্বামী ও মেয়ের সঙ্গে এটি আমার নতুন জীবন।” এছাড়াও তিনি বলেন, “আমাকে সমর্থন করার জন্য আমি তামিল জনগণকে ধন্যবাদ জানাই।” তাঁর মুক্তির জন্য তিনি রাজ্য এবং কেন্দ্রীয় সরকারকেও ধন্যবাদ জানিয়েছেন।

    আরও পড়ুন: রাজীব গান্ধী হত্যা মামলায় মুক্ত ৬ বন্দির জীবন এবার কোন পথে?

    এরপর সাংবাদিকরা গান্ধী পরিবারের সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তিনি বলেন, “আমি গান্ধী পরিবারের জন্য খুব দুঃখিত, আমরা বহু বছর ধরে এটি নিয়ে চিন্তা করেছি এবং তাঁদের কাছে ক্ষমা চাইতে চাই, আমরা সত্যি অনুতপ্ত।” এরপর প্রয়াত রাজীব গান্ধীর পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাতের বিষয়েও জবাব দেন তিনি। তিনি সরাসরি জানিয়ে দেন যে, তিনি কোনওমতেই গান্ধী পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে চাননা। তিনি বলেন, ‘গান্ধী পরিবারের কারও সঙ্গে দেখা করার পরিকল্পনা আমার নেই।’ তিনি এরপর কোথায় থাকবেন অর্থাৎ তিনি চেন্নাইয়ে নাকি লন্ডনে মেয়ের সঙ্গে থাকবেন, তা স্পষ্ট জানা যায়নি। তবে তিনি জানিয়েছেন, তাঁর স্বামী যেখানে থাকবেন, তিনিও সেখানেই থাকবেন।

    সাজা মকুব

    উল্লেখ্য, আসামীদের প্রত্যেকেই তিন দশকের বেশি সময় কারাগারে কাটিয়েছেন। সেই সময়ে তাদের আচার-আচরণ ভাল ছিল এবং তারা সকলেই জেলে বসে বিভিন্ন ডিগ্রি অর্জন করেছেন। আসামীদের মধ্যে কয়েকজন শারীরিক সমস্যাতেও ভুগছেন। সবদিক বিবেচনা করেই তাঁদের মুক্তির নির্দেশ দিয়েছে শীর্ষ আদালত। এছাড়া এর আগেও শ্রীপেরুমবুদুরে রাজীব গান্ধী হত্যা মামলার পর রাজ্য সরকারের সুপারিশ এবং সোনিয়া গান্ধীর আপিলের ভিত্তিতে তামিলনাড়ুর গর্ভনর ২০০০ সালে নলিনীকে মৃত্যুদণ্ডের সাজা থেকে রেহাই দিয়েছিলেন। তার অন্য তিনটি সাজার মেয়াদও ২০১৪ সালে কমিয়ে দেওয়া হয়। এরপর তাঁকে গতকাল পুরোপুরিভাবে মুক্তি দেওয়া হল।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।   

  • Rajiv Gandhi assassination: রাজীব গান্ধী হত্যা মামলায় মুক্ত ৬ বন্দির জীবন এবার কোন পথে?

    Rajiv Gandhi assassination: রাজীব গান্ধী হত্যা মামলায় মুক্ত ৬ বন্দির জীবন এবার কোন পথে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তামিলনাড়ু সরকারের সুপারিশে রাজীব গান্ধী হত্যা (Rajiv Gandhi assassination) মামলায় যাবজ্জীবনের সাজাপ্রাপ্ত ছয় বন্দিকেই মুক্তির নির্দেশ দিয়েছে শীর্ষ আদালত (Supreme Court)। মে মাসে, শীর্ষ আদালত এজি পেরারিভালানের মুক্তির নির্দেশ দিয়েছিল। তিনি ১৯৯১ সালে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীকে হত্যার জন্য যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের সাজা পেয়েছিলেন। বিচারপতি বি আর গাভাই এবং বিভি নাগারথনার সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ দোষীদের মুক্তির আদেশ দিয়েছে। মুক্তি দেওয়া হয়েছে নলিনী, শান্তন, মুরুগান, শ্রীহরণ, রবার্ট পায়াস এবং রবিচন্দ্রনকে। এরা প্রত্যেকেই রাজীব গান্ধী ও আরও ২১ জনের হত্যার দায়ে অভিযুক্ত।

    সুপ্রিম কোর্ট তাঁদের জন্য জেলের দরজা খুলে দিয়েছে, এবার কী অপেক্ষা করছে রাজীব গান্ধী হত্যা মামলার ছয় আসামির জন্যে?

    প্রথমত, নলিনীকে চেন্নাই থেকে ফিরে আসতে হবে এবং ভেলোরের মহিলাদের জন্য বিশেষ কারাগারে আত্মসমর্পণ করতে হবে। কারণ এই সপ্তাহান্তে তাঁর প্যারোলের মেয়াদ শেষ হবে। তারপরে তাঁকে চূড়ান্ত মুক্তির প্রক্রিয়া শুরু করতে হবে। রবিচন্দ্রনের প্যারোলের মেয়াদ বৃহস্পতিবার বাড়ানো হয়েছিল এবং তিনি আরও এক মাসের জন্য বাইরে থাকতে পারবেন, যদি না কর্তৃপক্ষ তাঁকে ফেরত চায় যাতে তিনিও মুক্ত হতে পারেন। 

    সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, শ্রীহরন ওরফে মুরুগান, রবার্ট পায়াস, জয়কুমার এবং সানথান – চার বিদেশীর নাগরিকত্বের বিষয়টি আপাতত ঝুলে রয়েছে। অভিবাসন কর্তৃপক্ষ ইতিমধ্যেই জেল প্রশাসনের সঙ্গে তাঁদের যত তাড়াতাড়ি সম্ভব শ্রীলঙ্কায় নির্বাসনের জন্য জরুরি ভ্রমণের কাগজপত্রের ব্যবস্থা করার বিষয়ে কথা বলেছে। 

    আরও পড়ুন: ডেঙ্গি নিয়ে সঠিক তথ্য দিচ্ছে না পশ্চিমবঙ্গ, কলকাতায় বিস্ফোরক কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী   

    চারজন এই ব্যবস্থার জন্য সম্মত হবেন কিনা বা শ্রীহরনরা অন্য কোনও ব্যবস্থার জন্য আদালতের দ্বারস্থ হবেন কি না এখন সেটাই দেখার পালা। 

    আধিকারিকরা জানিয়েছেন, যে তাঁরা কারাগার থেকে বন্দিদের মুক্তির প্রক্রিয়া শুরু করার আগে সুপ্রিম কোর্টের রায়ের হার্ড কপির জন্য অপেক্ষা করবেন এবং এই প্রক্রিয়া অবিলম্বে শুরু করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে কি না সেটাও দেখতে চান তাঁরা । শুক্রবার সন্ধ্যা পর্যন্ত, তারের বা ডাকযোগে কোন আনুষ্ঠানিক যোগাযোগ আসেনি, বলে জানিয়েছেন সরকারি আধিকারিকরা। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।   

      
  • Gyanvapi Mosque: জ্ঞানবাপী মসজিদে প্রাপ্ত ‘শিবলিঙ্গ’ সংরক্ষণের রায় বহাল রাখল সুপ্রিম কোর্ট

    Gyanvapi Mosque: জ্ঞানবাপী মসজিদে প্রাপ্ত ‘শিবলিঙ্গ’ সংরক্ষণের রায় বহাল রাখল সুপ্রিম কোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জ্ঞানবাপী মসজিদে যেখানে শিবলিঙ্গ পাওয়া গিয়েছিল বলে দাবি করা হয়েছে, সেই এলাকাকে সংরক্ষণের নির্দেশ দিল দেশের শীর্ষ আদালত (Supreme Court)। এদিন একটি অন্তর্বর্তী রায়ে শীর্ষ আদালত জানায়, কাশী বিশ্বনাথ মন্দির এবং জ্ঞানবাপী মসজিদ চত্বরে যে প্রস্তাবিত শিবলিঙ্গ রয়েছে, তা পরবর্তী নির্দেশ না আসা পর্যন্ত সংরক্ষণ করতে হবে। অর্থাৎ গত ১৭ মের নির্দেশই বহাল রাখল সুপ্রিম কোর্ট। এছাড়াও এদিন সুপ্রিম কোর্ট বারাণসী জেলা আদালতে হিন্দুপক্ষকে জ্ঞানবাপী মসজিত নিয়ে আবেদন করার অনুমতিও দিয়েছে।  

    আরও পড়ুন: জ্ঞানবাপী কাণ্ডে কার্বন ডেটিংয়ের আবেদন খারিজ করে দিল বারাণসী আদালত

    সিজেআই ডিওয়াই চন্দ্রচূড়, বিচারপতি সূর্যকান্ত, বিচারপতি পিএস নরসিংহ-র বেঞ্চ জানায়, পরবর্তী নির্দেশ আসা পর্যন্ত জ্ঞানবাপী সংক্রান্ত ১৭ মে- র রায়ই বহাল থাকবে। চলতি বছরের ১৭ মে সুপ্রিম কোর্ট রায় দিয়েছিল, জ্ঞানব্যাপী মসজিদে যে শিবলিঙ্গ পাওয়া গিয়েছে, সেটি রক্ষা করতে হবে। সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ধনঞ্জয় ওয়াই চন্দ্রচূড় ওই রায় দিয়েছিলেন। ওই রায়ে এও বলা হয়েছিল, মসজিদে মুসলিমদের অধিকারও রক্ষা করতে হবে।  

    কেন আলোচনায় জ্ঞানবাপী? 

    ২০২১ সালের অগাস্ট মাসে পাঁচ হিন্দু মহিলা দাবি করেন, জ্ঞানবাপী মসজিদে (Gyanvapi Mosque) রয়েছে শৃঙ্গার গৌরী। যা আপাতত ওজুখানা ও তহখানা নামে পরিচিত। সেখানে পুজোর অধিকার চেয়ে মামলা করেন তাঁরা। মামলাকারীদের আরও দাবি, মসজিদের পশ্চিম দিকের দেওয়ালে হিন্দু দেবদেবীর মূর্তি রয়েছে। এর পরেই বারাণসী দায়রা আদালতের বিচারক রবিকুমার দিবাকরের নির্দেশে এ সংক্রান্ত একটি বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়। মসজিদের ভিতরে তদন্ত করে তারা। করা হয় ভিডিওগ্রাফিও। এর পরেই ভিডিওর একটি ফুটেজ ছড়িয়ে পড়ে বলে অভিযোগ। তাতে দেখা যায়, মসজিদের (Gyanvapi Mosque) ওজুখানার জলাশয়ে শিবলিঙ্গের মতো আকৃতির কিছু একটা। হিন্দুত্ববাদী সংগঠনের দাবি, সেটি শিবলিঙ্গ। আর মসজিদ কর্তৃপক্ষের দাবি, সেটি পুরানো ফোয়ারার অংশ। হিন্দুত্ববাদীদের একাংশ শিবলিঙ্গের বয়স জানার জন্য কার্বন ডেটিং পরীক্ষার আর্জি জানায় সুপ্রিম কোর্টে। সেই আর্জি খারিজ করে দেয় দেশের শীর্ষ আদালত। বারাণসী আদালতের মতে, কার্বন ডেটিং হলে শিবলিঙ্গের ক্ষতি হতে পারে। যা সুপ্রিম কোর্টের রায়ের পরিপন্থী হবে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

     

     

     

     

  • Road Accident: বিহারে ট্রাকের ধাক্কায় মৃত আট শিশুসহ অন্তত ১২

    Road Accident: বিহারে ট্রাকের ধাক্কায় মৃত আট শিশুসহ অন্তত ১২

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রবিবার রাতে ভয়ঙ্কর দুর্ঘটনা (Road Accident) ঘটল বিহারের বৈশালীতে। জমায়েতের মধ্যেই পূর্ণ গতিতে ঢুকে পড়ল বেসামাল ট্রাক। জানা গিয়েছে ট্রাকের চাকার তলায় চাপা পড়ে মৃত্যু হয়েছে অন্তত ১২ জনের। এদের মধ্যে ৮ জনই শিশু। মৃতদের পরিবার এবং আহতদের জন্যে আর্থিক সাহায্যের কথা ঘোষণা করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। রবিবার রাত ৯টা নাগাদ দুর্ঘটনাটি ঘটে। স্থানীয় একটি পুজো উপলক্ষ্যে অনুষ্ঠান চলছিল সেখানে। সেই জমায়েতের মধ্যেই দ্রুত গতিতে আসা একটি ট্রাক ঢুকে পড়ে।

    আরও পড়ুন: সাঁইথিয়ার বোমা বিস্ফোরণের তদন্ত এনআইএ করবে কিনা, সিদ্ধান্ত নেবে কেন্দ্র, জানাল হাইকোর্ট

    সঙ্গে সঙ্গেই দুর্ঘটনাস্থলে পুলিশ ও জেলা প্রশাসন পৌঁছয়। অ্যাম্বুলেন্সে শিশুদের জেলা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। স্তব্ধ হয় যান চলাচল। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে যান চলাচল স্বাভাবিক করে।    

    বিহারের দুর্ঘটনায় শোক প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রীর দফতরের তরফে ট্যুইট করে ঘোষণা করা হয়েছে, “বিহারের বৈশালীতে দুর্ঘটনা অত্যন্ত দুঃখজনক। শোকাহত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাই। আহতদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করছি। সেই সঙ্গে ঘোষণা করা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী ত্রাণ তহবিল থেকে মৃতদের পরিবারকে ২ লক্ষ টাকা করে আর্থিক সাহায্য দেওয়া হবে। আহতদের দেওয়া হবে ৫০ হাজার টাকা।”    

     

     

    পুণে হাইওয়েতে দুর্ঘটনা 

    একই দিনে আরও এক ভয়াবহ পথ দুর্ঘটনার সাক্ষী হল পুনে বেঙ্গালুরু হাইওয়ে। দুর্ঘটনার জেরে প্রায় ৪৮টি গাড়ি একসঙ্গে দুমড়ে মুছরে গিয়েছে বলে জানা গিয়েছে। আপাতত বন্ধ রয়েছে পুনে বেঙ্গালুরু হাইওয়ে। জানা গিয়েছে, রবিবার রাত ন‍‍`টা নাগাদ পুনে বেঙ্গালুরু হাইওয়েতে ব্রেকফেল করে একটি ট্যাংকার। এরপরে সেই ট্যাঙ্কারটি একের পর এক গাড়িকে ধাক্কা মারতে থাকে। এদিকে ট্যাংকার উল্টে যাওয়ায় রাস্তায় তেল গড়িয়ে পড়ে এবং রাস্তা পিচ্ছিল হয়ে যায়। নিয়ন্ত্রণ হারাতে থাকে একের পর এক গাড়ি।     

    এই ঘটনায় হাইওয়েতে দ্রুত গতিতে আসা যানবাহন গুলি একের পর এক দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি গাড়ি আরেকটি গাড়িকে ধাক্কা মারতে থাকে। দুর্ঘটনায় হতাহতের কোনও খবর নেই। সাতার থেকে মুম্বই যাওয়ার পথে বিশাল যানজট হয়। বন্ধ হয়ে যায় যাতায়াত ব্যবস্থা।   

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
     

     

  • Mangaluru: কোয়েম্বাতুর ও মেঙ্গালুরু বিস্ফোরণের মধ্যে রয়েছে যোগসূত্র? মূল অভিযুক্ত শরীকের বাড়িতে পুলিশ

    Mangaluru: কোয়েম্বাতুর ও মেঙ্গালুরু বিস্ফোরণের মধ্যে রয়েছে যোগসূত্র? মূল অভিযুক্ত শরীকের বাড়িতে পুলিশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মেঙ্গালুরুর (Mangaluru) অটো বিস্ফোরণের (Blast) ঘটনায় ক্রমেই বাড়ছে রহস্য। উঠে আসছে একাধিক তথ্য। ইতিমধ্যেই এই ঘটনার সঙ্গে কোয়েম্বাতুর ঘটনার কোনও যোগসূত্র রয়েছে কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পুলিশরা অনুমান করেছেন যে, এই ঘটনায় হাত থাকতে পারে আইএসআইএস (ISIS) জঙ্গিদের। সূত্রের খবর, রবিবার মূল অভিযুক্ত শরীকের বাড়িতে হানা দিয়েছে পুলিশ। সেখানে গিয়ে তল্লাশি চালানো হয় ও একাধিক তথ্য উঠে আসে।

    কী কী তথ্য উঠে এসেছে?

    সূত্রের খবর অনুযায়ী, রবিবার ওই ঘটনায় (Mangaluru) মূল অভিযুক্তের মাইসুরের ভাড়া বাড়িতে অভিযান চালিয়েছে পুলিশ। এলাকায় বোমা স্কোয়াডও মোতায়েন করা হয়েছে। পুলিশের মতে, শরীক গত একমাস ধরে একটি ঘর ভাড়া নিয়ে ছিল। বাড়ির মালিককে সে ভাড়া নেওয়ার সময় জানিয়েছিল, সে মোবাইল রিপেয়ার ট্রেনিং-এর জন্য শহরে থাকছে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে যে, শরীক একটি আধার কার্ড ব্যবহার করছিল যেটি তার নয়। এরপর কার্ডের মালিকের সন্ধানও পাওয়া গেছে। তিনি কর্ণাটকের হুব্বলি জেলার বাসিন্দা প্রেমরাজ হুতাগি। তিনি দাবি করেছেন, তাঁর আধার কার্ডটি হারিয়ে গিয়েছিল ও এই ঘটনার সঙ্গে তাঁর কোনও যোগ নেই।

    উল্লেখ্য, শনিবারের ঘটনার পর কর্ণাটক (Karnataka) পুলিশের ডিজি নিশ্চিতভাবে জানিয়ে দেন, এই বিস্ফোরণ কোনও দুর্ঘটনা নয়। প্রচুর ক্ষয়ক্ষতির উদ্দেশ্য নিয়ে ঘটানো হয়েছে এই বিস্ফোরণ। আর এর পিছনে রয়েছে নাশকতার ছক। সেদিন বিস্ফোরণের পর একটি ব্যাগের ভিতরে ব্যাটারি ও বিস্ফোরকে ঠাসা প্রেশার কুকার উদ্ধার করা হয়েছিল। এই ঘটনার মূল অভিযুক্তর থেকে এখনও কোনও বয়ান নেওয়া যায়নি। এছাড়াও অটোচালক ও এক যাত্রীও বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

    আরও পড়ুন: মেঙ্গালুরুতে যাত্রিবাহী অটোরিক্সায় বিস্ফোরণ জঙ্গি হামলা!

    কোয়েম্বাতুর ও মেঙ্গালুরুর ঘটনার যোগসূত্র

    রাজ্যের পুলিশ প্রধান প্রবীন সুদ বলেছেন, “আমরা সাম্প্রতিক কোয়েম্বাতুর বিস্ফোরণের সঙ্গে তার যোগসূত্র উড়িয়ে দিচ্ছি না।” এর আগে খবরে উঠে এসেছিল যে, চলতি বছরের ৩ অক্টোবর কোয়েম্বাতুরের বিস্ফোরণে নিহত জামেজা মুবিন আইএস জঙ্গিদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিল। ফলে এই মেঙ্গালুরুর (Mangaluru) ঘটনার মূল অভিযুক্ত শরীকের সঙ্গে মুবিনের সম্পর্ক রয়েছে কিনা, তা নিয়ে তদন্ত চালানো হচ্ছে। ফলে এতেও যে জঙ্গি সংগঠনের যোগ রয়েছে, তাও সন্দেহ করা হচ্ছে। কারণ পুলিশ তদন্ত করে জানতে পেরেছে যে, মহম্মদ শরীক সেপ্টেম্বরে কোয়েম্বাতুরের সিঙ্গানাল্লুর পাড়ায় গিয়েছিল ও সেখানে এক শিক্ষকের সঙ্গে বন্ধুত্ব করেই তাঁর নামে সিম কার্ড নিয়েছিল। এই ২৮ বছর বয়সী শিক্ষক নীলগিরি জেলার থুমানাট্টির বাসিন্দা, যাঁকে ইতিমধ্যে কর্ণাটক পু্লিশ জিজ্ঞাবাদের জন্য আটক করেছে।

    পুলিশ জানিয়েছে যে, এটি একটি কাকতালীয় ঘটনা হতে পারে না যে, কোয়েম্বাতুরে গাড়ি বিস্ফোরণের কয়েক দিন আগেই শরীক সেখানে গিয়েছিল। তাই পুলিশ জানিয়েছে, শরীক ও মুবিনের মধ্যে কোনও যোগ রয়েছে কিনা ও তারা আইএস জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে রয়েছে কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে (Mangaluru)।

  • Shraddha Walker Murder: শ্রদ্ধার খুলি উদ্ধার, পাঠানো হল ডিএনএ পরীক্ষায়

    Shraddha Walker Murder: শ্রদ্ধার খুলি উদ্ধার, পাঠানো হল ডিএনএ পরীক্ষায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শ্রদ্ধা ওয়ালকার হত্যা (Shraddha Walker Murder) মামলার তদন্ত যত এগোচ্ছে, ততই একের পর এক তথ্য উঠে আসছে দিল্লি পুলিশের হাতে। এবার মেহুরুলির জঙ্গল থেকে শ্রদ্ধার আরও কিছু কাটা দেহাংশ উদ্ধার করল পুলিশ। পাওয়া গেল খুলির অংশও। পুলিশ সূত্রে খবর, দেহাংশগুলি ডিএনএ পরীক্ষার জন্যে পাঠানো হয়েছে। 

    কে চালাবে সংসারের খরচ এই নিয়েই বচসা শুরু হয়েছিল ১৮ মে। তারপরই সেই ভয়ঙ্কর পরিণতি আড়াই বছর ধরে লিভ-ইনে থাকা সঙ্গীর হাতে খুন হয় শ্রদ্ধা। পুলিশের জেরায় এমনই জানিয়েছে আফতাব। খুনের পর প্রমাণ লোপাটের সবরকম প্রয়াস চালায় সে। শ্রদ্ধার দেহ ৩৫ টুকরো করে ফ্রিজে রাখে। তারপর রাতের অন্ধকারে তা ফেলে আসে জঙ্গলে। এখনও সব টুকরো খুঁজে পাওয়া যায়নি। বাকি দেহাংশের খোঁজে তল্লাসি চালাচ্ছে দিল্লি পুলিশ। 

    আফতাবের (Aftab Amin Poonawala) দিল্লির ছত্তরপুরের ফ্ল্যাটে একাধিক রক্তের দাগ মিলেছে। রান্নাঘর-সহ ফ্ল্যাটের একাধিক জায়গায় মিলেছে রক্তের দাগ। আফতাবের ওই ফ্ল্যাটের জলের বিল বকেয়া রয়েছে। ওই মাসে ৩০০টাকা জলের বিল আসায়, পুলিশের অনুমান রক্তের দাগ ধোয়ার জন্য প্রচুর জল খরচ করেছে আফতাব। শ্রদ্ধাকে বাথরুমে নিয়ে যাওয়ার পর সেখনাকার শাওয়ার ছেড়ে দেয় আফতাব। তারপর দেহ টুকরো করতে থাকে। শাওয়ারের তলায় পুরো কাজটি করে সে। যাতে রক্ত শাওয়ারের জলে ভেসে বাইরে চলে যেতে পারে খুব সহজে, তাই এই পদ্ধতি। 

    প্রেম থেকে খুনের আখ্যান

    বাবা-মা কে ছেড়ে ভালবেসে ঘর ছেড়েছিলেন মহারাষ্ট্রের হিন্দু পরিবারের মেয়ে শ্রদ্ধা ওয়েলকার। সম্পর্ক গড়েছিলেন এক মুসলিম যুবকের সঙ্গে। আফতাব আমিন পুনাওয়ালার সঙ্গে লিভ-ইন করছিলেন। বিয়ের জন্য প্রেমিককে চাপ দেওয়াতেই তাঁকে খুন (Shraddha Walker Murder) করে আফতাব। পুলিশকে তাই জানিয়েছে সে। কিন্তু শ্রদ্ধার বন্ধুর দাবি, লিভ-ইন ছেড়ে বিয়ের কথা বলতেই শ্রদ্ধাকে ধর্ম পরিবর্তন করতে জোর করে  আফতাব। তাতে মত দেয়নি শ্রদ্ধা। পরিবার ত্যাগ করলেও ধর্ম ছাড়তে হয়ত রাজি ছিলেন না তিনি। তাই এই পরিণতি। ধর্মান্তরণের বিষয়টি খতিয়ে দেখছে পুলিশও। 

    আরও পড়ুন: সোমনাথ মন্দিরে পুজো দিয়ে গুজরাটে প্রচার শুরু মোদির

    মুম্বইয়ের একটি কল সেন্টারে কাজ করার সময় পরিচয় হয় দুই যুবক-যুবতীর। সেখান থেকে প্রেম। ধর্মীয় ব্যবধানের কারণে শ্রদ্ধার বাড়ির লোক তাদের সম্পর্ককে মেনে না নিলে তাঁরা দিল্লিতে চলে আসেন ও বাড়ি ভাড়া নিয়ে একসঙ্গে থাকা শুরু করেন। শ্রদ্ধা আফতাবকে বিয়ে করতে চাইলেও আফতাব তাতে রাজি না হওয়ায় তাঁদের মধ্যে প্রায় ঝগড়া লেগেই থাকত। সূত্রের খবর, গত ১৮ মে অভিযুক্ত আফতাব ও শ্রদ্ধার ঝগড়া চরমে পৌঁছয়। এই ঝগড়ার সময় শ্রদ্ধা চেঁচামেচি শুরু করেন। প্রতিবেশীরা যাতে তাঁদের ঝগড়া না শুনে ফেলে, সেই ভয়ে শ্রদ্ধাকে চুপ করাতে যায় আফতাব। শ্রদ্ধার মুখ চেপে ধরে। আর এতেই মৃত্যু হয় তরুণীর।

    কিন্তু এরপর এই কাণ্ড লুকোতে যা করল আফতাব তা আরও হাড় হিম করে দেওয়ার মত ঘটনা। এরপরেই একটি ফ্রিজ কিনে আনে ও শ্রদ্ধার দেহ ৩৫টি টুকরোয় কেটে ফ্রিজারে রেখে দেয়। শুধু তাই নয়, গন্ধ যাতে না বের হয় তার জন্য ব্যবহার করা হত আগরবাতি, ধূপ এবং রুম ফ্রেশনার (Shraddha Walker Murder)। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, তার পুরো একদিন লেগেছে শ্রদ্ধার দেহকে টুকরো টুকরো করে কেটে ব্যাগে ভরতে। আর এসব তার বাথরুমে করে। আবার তার ঘরের মেঝেও অনেকবার মুছেছে। পুলিশ আরও জানিয়েছে, শ্রদ্ধাকে খুন করার ২-৩ মাস পর্যন্ত তার কেটে রাখা মাথা রেখে দেয় ও তারপর ফেলে দেয়। রাত দুটো নাগাদ জঙ্গলে যেত। ঘণ্টাদুয়েক পরে ফিরে আসত। প্রায় ২০ দিন ধরে সেই কাজ করেছিল সে (Shraddha Walker Murder)। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     

     

  • Jet Airways: খরচ কমাতে কর্মীদের বিনা বেতনে ছুটিতে পাঠাচ্ছে জেট এয়ারওয়েজ

    Jet Airways: খরচ কমাতে কর্মীদের বিনা বেতনে ছুটিতে পাঠাচ্ছে জেট এয়ারওয়েজ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জেট এয়ারওয়েজের (Jet Airways) ৬০ শতাংশ কর্মীকে বিনা বেতনে ছুটিতে পাঠানো হচ্ছে। বাকি কর্মচারীদের একাংশের শতাংশের বেতন ৫০ শতাংশ কমিয়ে দেওয়ার ঘোষণা করেছে ওই বিমান সংস্থা। মূলত উচ্চ পদস্থদের বেতন কমানো হয়েছে। ১ ডিসেম্বর থেকে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর বলে জানিয়েছে উড়ান সংস্থাটি। জেট এয়ারওয়েজ কিনেছে দুই সংস্থার মিলিত সমবায় কার্লক জালান। কোম্পানি ট্রাইব্যুনালের কিছু  নিয়মকানুন এখনও বকেয়া রয়েছে তাদের।  সেগুলি পূরণ করতে এখনও কিছুদিন সময় লাগবে তাদের। 

    আরও পড়ুন: শিক্ষক নিয়োগকাণ্ডে এবার মুর্শিদাবাদের ১৬ স্কুল পরিদর্শককে তলব সিবিআইয়ের

    বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডের রিপোর্ট অনুযায়ী, বর্তমানে জেট এয়ারওয়েজে ২৩০ জন কর্মী রয়েছেন। নিম্ন স্তরে প্রায় ১০০ জন কেবিন ক্রু এবং জুনিয়র ম্যানেজার রয়েছেন। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মাঝারি থেকে সিনিয়র লেভেলের প্রায় ৬০ জন কর্মীকে বিনা বেতনে ২ মাসের ছুটিতে পাঠানো হয়েছে।  

    কী জানিয়েছে বিমান সংস্থা? 

    কার্লক জালান একটি বিবৃতি জারি করে জানিয়েছে, “একই কাজের জন্য যে সময় ভাবা হয়েছিল, তার থেকে বেশি সময় লাগছে। সেই কারণে কিছু সমস্যা তৈরি হয়েছে। এখন সেই কারণেই বেতন কাঠামো কিছুটা আঁটোসাঁটো করা হবে। দুই তৃতীয়াংশ কর্মীদের ওপর কোনও প্রভাব পড়বে না। বাকি এক তৃতীয়াংশ কর্মীদের বেতন কমিয়ে দেওয়া হবে।” সংস্থার তরফে আরও জানানো হয়েছে, মোট কর্মীদের ১০ শতাংশকে বিনা বেতনে ছুটিতে পাঠানো হচ্ছে। 

    জেট এয়ারওয়েজ ঋণের দায়ে ডুবে রয়েছে। বর্তমানে কর্মীদের প্রায় ২৫০ কোটি টাকার পিএফ ও গ্র্যাচুইটি বকেয়া রয়েছে। এদিকে নতুন মালিক কার্লক জালান জানিয়েছে যে এই বকেয়া মেটানোর মতো টাকা তাদের কাছে নেই। 

    গত মে মাসেই বিমান নিয়ামক সংস্থা ডিজিসিএ জেট এয়ারওয়েজের উড়ান সংক্রান্ত শংসাপত্র ফের বৈধ করেছিল। দেনায় ডুবে ২০১৯ সালেই উড়ান বন্ধ করে এই বিমান সংস্থা। স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ার নেতৃত্বাধীন ঋণদাতাদের গোষ্ঠীর দ্বারা জারি করা পিটিশন জুনেই জাতীয় কোম্পানি আইন ট্রাইবুনালে গৃহীত হয়। তারপর থেকেই জেট এয়ারওয়েজকে আকাশ পথে ফেরানোর পরিকল্পনা শুরু হয়। দেনা শোধ করে ফের উড়ান স্বাভাবিক করার পরিকল্পনা করা হয়। কিন্তু সে পরিকল্পনা যে এখন বিশ বাঁও জলে তা এই ঘটনা থেকেই পরিষ্কার হয়ে গেল।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
     

     

  • Dhankhar at FIFA World Cup: কাতারে ফিফা বিশ্বকাপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভারতের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করবেন জগদীপ ধনখড়

    Dhankhar at FIFA World Cup: কাতারে ফিফা বিশ্বকাপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভারতের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করবেন জগদীপ ধনখড়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রবিবার থেকেই কাতারে শুরু হচ্ছে বিশ্ব ফুটবলের মহাযুদ্ধ। আর ফিফা বিশ্বকাপের সেই মহাযুদ্ধের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন ভারতের উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনখড় (Dhankhar at FIFA World Cup)। ২০ নভেম্বর ও ২১ নভেম্বর কাতারে থাকবেন তিনি। বিদেশমন্ত্রকের পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, রবিবার কাতারে ফিফা বিশ্বকাপের উদ্বোধনে উপস্থিত থাকবেন জগদীপ ধনখড়। ভারতের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করবেন তিনি। স্টেট অব কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানির আমন্ত্রণে মরুদেশে যাচ্ছেন ধনখড়। ফুটবল বিশ্বকাপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার পাশাপাশি উপরাষ্ট্রপতি তাঁর সফরকালে কাতারে বসবাসকারী প্রবাসী ভারতীয়দের সঙ্গেও আলোচনায় বসবেন।  

    আরও পড়ুন: “সন্ত্রাসবাদে মদত দিলে মূল্য চোকাতেই হবে”, নাম না করে চিন-পাকিস্তানকে নিশানা মোদির

    বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, “ভারত ও কাতারের বাণিজ্য, শক্তি, নিরাপত্তা, প্রতিরক্ষা, স্বাস্থ্য, সংস্কৃতি, শিক্ষা ইত্যাদির ক্ষেত্রে ঘনিষ্ঠ এবং বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে। গত আর্থিক বছরে, দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ১৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার অতিক্রম করেছে। কাতার ভারতের শক্তি নিরাপত্তায় গুরুত্বপূর্ণ অংশীদারের ভূমিকা পালন করে ও উপসাগরীয় দেশের খাদ্য নিরাপত্তায় অংশগ্রহণ করে। ভারত এবং কাতার আগামী বছর পূর্ণ কূটনৈতিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার ৫০ বছর উদযাপন করবে।”  

    উপরাষ্ট্রপতির উপস্থিতি তাৎপর্যপূর্ণ কেন? 

    প্রসঙ্গত, ভারত ও কাতার উভয় দেশের মধ্যেই একাধিক বাণিজ্যিক চ্যুক্তি রয়েছে। বাণিজ্য থেকে শুরু করে জ্বালানি শক্তি, প্রতিরক্ষা, স্বাস্থ্য, সংস্কৃতি, শিক্ষা সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বরাবর একে অপরের পাশে দাঁড়িয়েছে এই দুই দেশ। দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্কও যথেষ্ট ভালো। কাতার ভারতের জ্বালানি শক্তির ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশীদারের ভূমিকা পালন করে। অন্যদিকে কাতারে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে ভারতের উল্লেখযোগ্য অবদান রয়েছে। এছাড়াও কাতারে প্রায় ৮ লক্ষ ৪০ হাজার ভারতীয় বাস করেন। এমতাবস্থায় উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনখড়ের কাতারে ফিফা বিশ্বকাপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকা তাৎপর্যপূর্ণ  বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

    প্রসঙ্গত, রবিবার রাজধানী দোহা থেকে ৪০ কিলোমিটার উত্তরে আল বায়েত স্টেডিয়ামে ফিফা ফুটবল বিশ্বকাপের বর্ণাঢ্য উদ্বোধনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে। উপস্থিত থাকবেন প্রায় ৬০ হাজার দর্শক। ভারতীয় সময় সাড়ে  ৭টা থেকে শুরু হবে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের পর বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে নামবে আয়োজক কাতার ও ইকুয়েডর। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে পারফর্ম করবে দক্ষিণ কোরিয়ার বিখ্যাত ব্যান্ড বিটিএস এবং আমেরিকার ব্ল্যাক আয়েড পিস। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Facebook এবং Twitter পেজ। 

     

     

  • Satyendar Jain: কয়েদিকে আরামের মালিশ! জেলে সত্যেন্দ্র জৈনের সিসিটিভি ফুটেজ ভাইরাল

    Satyendar Jain: কয়েদিকে আরামের মালিশ! জেলে সত্যেন্দ্র জৈনের সিসিটিভি ফুটেজ ভাইরাল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুর্নীতির অভিযোগে গ্রেফতার হয়েছেন কেজরিওয়াল সরকারের মন্ত্রী সত্যেন্দ্রে জৈন (Satyendar Jain)। দিন কাটছে হাজতে। এই কথাটা শুনেই যদি আপনার সিনেমায় দেখা বন্দিদের দুরাবস্থার করুণ ছবি চোখের সামনে ভেসে ওঠে, তাহলে আপনি ভুল ভাবছে। জেলের মধ্যেও মন্ত্রীর জীবন কাটছে রাজার হালে। হাজতেই পাঁচতারা হোটেলের পরিষেবা পাচ্ছেন দিল্লি সরকারের মন্ত্রী সত্যেন্দ্র জৈন। তাঁর জন্যে রয়েছে গোটা শরীর মালিশের বিশেষ ব্যবস্থা। অন্তত দিল্লির তিহার জেলের ভাইরাল সিসিটিভি ফুটেজ সে গল্পই শোনাচ্ছে। 

    আর্থিক তছরুপের দায়ে ৩০ মে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের হাতে গ্রেফতার হন সত্যেন্দ্র জৈন। তারপর থেকেই তাঁর ঠিকানা তিহার জেল। ১৩ সেপ্টেম্বরের তিহার জেলের একটি সিসিটিভি ফুটেজ ভাইরাল হয়েছে। সেখানে দেখা যাচ্ছে মন্ত্রী একটি বছানায় আরামে শুয়ে রয়েছেন এবং তাঁর পায়ে মালিশ করছেন এক ব্যক্তি।  

     

    বিজেপির নিশানায় আম আদমি পার্টি

    বিষয়টিতে কেজরিওয়াল সরকারকে এক হাত নিয়েছে কেন্দ্রীয় শাসক দল। বিজেপি নেতা সেহজাদ পুনাওয়ালা ট্যুইটে লেখেন, “কারাগারে ভিভিআইপি আচরণ! তিহার জেলে থাকাকালীন শরীর মালিশ? যে পাঁচ মাস জামিন পায়নি, সেই বন্দিকে এমন সুবিধা! এটি আম আদমি পার্টির আসল চেহারা দর্শায়।”   

     

    এদিকে সাংবাদিক সম্মেলনে বিজেপি মুখপাত্র গৌরব ভাটিয়া বলেন, “অরবিন্দ কেজরিওয়াল দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য এবং ভিভিআইপি সংস্কৃতির অবসানের জন্য দল তৈরি করেছিলেন। কিন্তু এখানে একজন দুর্নীতিবাজ সব সুযোগ-সুবিধা পাচ্ছেন।”

    নিজেরদের সাফাইয়ে কী বলল আপ?

    এদিকে নিজেদের সাফাই দিয়ে আম আদমি পার্টি (AAP) দাবি করে, যে সত্যেন্দ্র জৈনের চিকিৎসার কারণে এই মালিশ দেওয়া হচ্ছে। পাল্টা বিজেপি এই মন্তব্যের সমালোচনা করে বলে, “এভাবে কারও অসুস্থতা নিয়ে তামাসা করা ঠিক নয়।” বিষয়টির তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন দিল্লির লেফটেন্যান্ট গভর্নর। তিহার জেলের সুপারকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। এরপরেও আম আদমি পার্টি নিজেদের দাবিতে অনড়। এখনও একই সুরে তাঁরা বলে চলেছেন যে, সত্যেন্দ্র জৈনকে কোনও ভিআইপি সুযোগ সুবিধা দেওয়া হচ্ছে না জেলে। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Facebook এবং Twitter পেজ। 

     

     

     

     

LinkedIn
Share