Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • PACS: ‘পাঁচ বছরের মধ্যেই সব পঞ্চায়েতে মিল্ক ডেয়ারি ও ফিশারি সোসাইটি গড়ে উঠবে’, বললেন শাহ

    PACS: ‘পাঁচ বছরের মধ্যেই সব পঞ্চায়েতে মিল্ক ডেয়ারি ও ফিশারি সোসাইটি গড়ে উঠবে’, বললেন শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কো-অপারেশনকে প্রোমোট করতে কেন্দ্রীয় বাজেটে নানা স্কিমের কথা উল্লেখ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। কথাগুলি যিনি বললেন, তিনি আর কেউ নন স্বয়ং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তথা কো-অপারেটিভ মন্ত্রী অমিত শাহ শনিবার বলেন, সম্প্রতি সংসদে যে কেন্দ্রীয় বাজেট পেশ করা হয়েছে তাতে দু লক্ষ বহুমুখী প্রাইমারি এগ্রিকালচারাল ক্রেডিট সোসাইটি (PACS) রেজিস্ট্রেশন করার জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণ বরাদ্দ করা হয়েছে। তিনি বলেন, প্রতিটি পঞ্চায়েত ডেয়ারি কিংবা ফিশারি কো-অপারেটিভ সোসাইটি তৈরি নিশ্চিত করতে প্রাইমারি এগ্রিকালচারাল ক্রেডিট সোসাইটি তৈরি করা হয়েছিল।

    অমিত শাহ…

    এদিন ঝাড়খণ্ডের দেওঘরে ন্যানো ইউরিয়া প্ল্যান্টের শিলান্যাস অনুষ্ঠানে যোগ দেন অমিত শাহ। প্ল্যান্টটি ইন্ডিয়ান ফার্মার্স ফার্টিলাইজার কো-অপারেটিভের। ওই অনুষ্ঠানে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তথা কো-অপারেটিভ মন্ত্রী অমিত শাহ বলেন, কো-অপারেশনকে প্রোমোট করতে কেন্দ্রীয় বাজেটে নানা স্কিমের কথা উল্লেখ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। আগে কো-অপারেশনের প্রোডাকশনের ওপর যে ২৬ শতাংশ কর ধার্য করা হত, এখন তা কমে ১৫ শতাংশ করা হয়েছে।

    আরও পড়ুুন: ফের রক্তাক্ত বাসন্তী! বোমা বাঁধার সময় বিস্ফোরণে মৃত্যু ১ জনের, আহত ২

    তিনি বলেন, যে সব পঞ্চায়েতে মিল্ক ও ফিশারি সোসাইটি নেই, সেগুলি পরীক্ষা করতে আমরা একটা কো-অপারেশন মন্ত্রক তৈরি করেছি। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, কো-অপারেশন মন্ত্রক তৈরি করার পর আমরা গোটা দেশে কোথায় কোথায় কো-অপারেটিভ নেই তা জানতে ডেটা ব্যাঙ্ক তৈরি করেছি। এই ব্যাঙ্ক থেকেই জানা যাবে কোথায় কোথায় প্রাইমারি এগ্রিকালচারাল ক্রেডিট সোসাইটি (PACS), মিল্ক কিংবা ফিশারি নেই। এর পরেই তিনি বলেন, আগামী পাঁচ বছর পরে দেখা যাবে দেশে এমন একটিও পঞ্চায়েত নেই যেখানে প্রাইমারি এগ্রিকালচারাল ক্রেডিট সোসাইটি নেই। কৃষিতে মাত্রতিরিক্ত রাসায়নিক সার ব্যবহারের কুফল সম্পর্কেও এদিন কৃষকদের সাবধান করে দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, আমি কৃষকভাইদের বলতে চাই, জমিতে মাত্রাতিরিক্ত রাসায়নিক সার ব্যবহার করলে আদতে ক্ষতি হবে ফসলের। ক্ষতি হবে মাটিরও। তিনি বলেন, আপনি যদি প্রাকৃতিক ইউরিয়া ব্যবহার করেন তাহলে বাড়বে ফসলের উৎপাদন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।    

     
     
  • Hillary Clinton: দুদিনের গুজরাট সফরে আসছেন হিলারি ক্লিনটন, শ্রদ্ধা জানাবেন ইলা ভাটকে

    Hillary Clinton: দুদিনের গুজরাট সফরে আসছেন হিলারি ক্লিনটন, শ্রদ্ধা জানাবেন ইলা ভাটকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রাক্তন মার্কিন বিদেশমন্ত্রী হিলারি ক্লিনটন (Hillary Clinton) রবিবার দুদিনের গুজরাট সফরে আসছেন। সমাজকর্মী এবং গান্ধীবাদী ইলা ভাটকে শ্রদ্ধা জানাবেন তিনি। গত বছরের নভেম্বরে প্রয়াত হয়েছেন ইলা ভাট। ইলা ভাটের প্রতিষ্ঠিত স্ব-কর্মসংস্থান মহিলা সমিতির কর্মসূচিতে অংশ নেবেন হিলারি।  

    দুদিনের সফরে তিনি প্রথমে আহমেদাবাদে ভাটকে শ্রদ্ধা জানাবেন এবং ওইদিনই সেওয়ার অফিসে ফিয়ে সদস্যদের সঙ্গে কথা বলবেন। সোমবার হিলারি ক্লিনটন (Hillary Clinton) সুরেন্দ্রনগর জেলার  ধ্রাংধরা যাবেন। সেখানে সেওয়ার গ্রামীণ উদ্যোগের অংশ হিসাবে লবণ প্যান কর্মীদের সঙ্গে কথা বলবেন। এমনটাই জানান প্রোগ্রাম কোঅর্ডিনেটর রশ্মি বেদী।

    আরও পড়ুন: কৃষি ও সংশ্লিষ্ট পণ্যের রফতানি উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে! সংসদে দাবি কেন্দ্রীয় কৃষিমন্ত্রী নরেন্দ্র সিং তোমরের    

    রশ্মি বেদী আরও বলেন, “হিলারি ক্লিনটন ২:৪৫-৪:০০ – এর মধ্যে আহমেদাবাদে সেওয়ার অভ্যর্থনা কেন্দ্র পরিদর্শন করবেন এবং সদস্যদের সঙ্গে কথা বলবেন। তিনি (Hillary Clinton) সেখানে বক্তৃতাও  দেবেন। এর আগে তিনি ২০২২ সালে সেওয়া ফাউন্ডেশনের ৫০ তম বর্ষ উদযাপনের অনুষ্ঠানে ভিক্টোরিয়া গার্ডেনে ইলা ভাটের রোপিত একটি বটগাছের কাছে একটি ফলক উন্মোচন করবেন।”

    আরও পড়ুন: ফের রক্তাক্ত বাসন্তী! বোমা বাঁধার সময় বিস্ফোরণে মৃত্যু ১ জনের, আহত ২

    বয়সজনিত অসুস্থতার কারণে গত বছরের ২ নভেম্বর মৃত্যু হয় ইলা ভাটের। হিলারি ক্লিনটন (Hillary Clinton) এবং ইলা ভাট একে অপরকে ১৯৯৫ সাল থেকে চিনতেন। ২০১৮ সালের একটি সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে, নারী অধিকার কর্মীর কাজকে “বিপ্লবী পরীক্ষা” হিসাবে বর্ণনা করেছিলেন হিলারি। ক্লিনটন পোস্টে লিখেছিলেন, “১৯৭২ সালে তিনি মহিলাদের ঋণ দেওয়ার জন্য একটি ছোট সংস্থা শুরু করেছিলেন। যা তাদের কাজের পরিপূর্ণতা খুঁজে পেতে এবং তাদের পরিবারের মঙ্গলে অবদান রাখতে সহায়তা করতে পারে। এটির নাম ছিল স্ব-কর্মসংস্থান মহিলা সমিতি বা SEWA।”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     

     
     
  • Agri Export: কৃষি ও সংশ্লিষ্ট পণ্যের রফতানি উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে! সংসদে দাবি কেন্দ্রীয় কৃষিমন্ত্রী নরেন্দ্র সিং তোমরের

    Agri Export: কৃষি ও সংশ্লিষ্ট পণ্যের রফতানি উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে! সংসদে দাবি কেন্দ্রীয় কৃষিমন্ত্রী নরেন্দ্র সিং তোমরের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এগিয়ে যাচ্ছে ভারতেক কৃষিক্ষেত্র। গত কয়েক বছরে কৃষি ও সংশ্লিষ্ট পণ্যের রফতানি উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। সংসদে জানালেন কেন্দ্রীয় কৃষিমন্ত্রী নরেন্দ্র সিং তোমর । তিনি বলেন, ২০১৯-২০ সালে, কৃষি ও সংশ্লিষ্ট পণ্যের রফতানির মূল্য ছিল ২,৫২,৪০০ কোটি টাকা যা ২০২০-২১ এ বেড়ে ৩,১০,১৩০ কোটি টাকা হয়েছে এবং ২২.৮৭ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। 

    শুক্রবার কৃষি ও কৃষক কল্যাণ মন্ত্রকের প্রকাশিত এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, গত এক বছরে অর্থাৎ কৃষি ও সংশ্লিষ্ট পণ্যের রফতানি ৩,৭৪, ৬১১ কোটি টাকা। এর আগে এমনটা হয়নি। কৃষি ও সংশ্লিষ্ট পণ্য রফতানিতে পশ্চিম অঞ্চলে, গুজরাট এবং মহারাষ্ট্র, পূর্ব অঞ্চলে অন্ধ্রপ্রদেশ এবং পশ্চিমবঙ্গ, মধ্য বা উত্তর অঞ্চলে উত্তর প্রদেশ এবং হরিয়ানা এবং দক্ষিণ অঞ্চলে কর্ণাটক এবং কেরালা নেতৃত্ব দেয়।

    রফতানি মূল্য বৃদ্ধি

    রফতানিকৃত পণ্যের মধ্যে, সামুদ্রিক পণ্যের মূল্য ২০২১-২২ অর্থবছরে ১৩,৭৩৪.৬১ কোটি টাকা বেড়েছে যেখানে চিনির মূল্য ১৩,৬৭৬.১২ কোটি টাকা বেড়েছে। গমের মূল্য ১১.৬৭২.৩৭ কোটি টাকা বেড়েছে। বাসমতি বাদে চাল, বেড়েছ ১০৯,৬৯৮.39 কোটি টাকা। কাঁচা তুলার মূল্য ৭,০৩৮.৬৬ কোটি টাকা বেড়েছে, অন্যান্য সিরিয়ালের মূল্য ২৯১১.০৪ টাকা বেড়েছে। ২০২১-২২ সালে দুগ্ধজাত পণ্যের রফতানি মূল্য ২,৩৫২.৯৩ কোটি টাকা বেড়েছে যেখানে কফির মূল্য ২,২৭৩.৯৭ কোটি টাকা বেড়েছে। ক্যাস্টর অয়েলের রফতানি মূল্য ১,৯৫২.৩৬ কোটি টাকা বেড়েছে যেখানে বিবিধ প্রক্রিয়াজাত জিনিসগুলির মূল্য ২,৩১১.৮৬ কোটি টাকা বেড়েছে।

    আরও পড়ুন: বাজেটে বাংলার জন্য রেলের রেকর্ড বরাদ্দ! ১১ হাজার ৯৭০ কোটি টাকার ঘোষণা রেলমন্ত্রীর

    অর্থনৈতিক সার্ভেতেও দাবি করা হয়েছে সাম্প্রতিক বছরগুলিতে ভারত দ্রুত কৃষিপণ্যের নিট রফতানিকারক হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। ২০২০-২১ সালে ভারত থেকে কৃষি ও সংশ্লিষ্ট পণ্যের রফতানি আগের তুলনায় ১৮ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০২১-২২এর কৃষি রফতানি সর্বকালের সর্বোচ্চ ৫০.২ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছেছে। আর্থনৈতিক সার্ভেতে বলা হয়েছে, কৃষি উৎপাদক সংস্থাগুলিকে আরও উন্নত করতে, শস্যে বৈচিত্র আনতে, কৃষি ক্ষেত্রে প্রযুক্তির ব্যবহার বৃদ্ধির জন্য ও কৃষি অবকাঠামো তৈরির জন্য সরকার যে পদক্ষেপ করেছিল তা ছিল সঠিক।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • TCS: ফরচুন ম্যাগাজিনের বিশ্বের সবচেয়ে প্রশংসিত সংস্থার তালিকায় টিসিএস

    TCS: ফরচুন ম্যাগাজিনের বিশ্বের সবচেয়ে প্রশংসিত সংস্থার তালিকায় টিসিএস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফরচুন ম্যাগাজিনের বিশ্বের সবচেয়ে প্রশংসিত কোম্পানির তালিকায় স্থান পেয়েছে ভারতীয় সংস্থা টাটা কনসাল্টেন্সি সার্ভিস (TCS)। কর্পোরেট খ্যাতির ব্যারোমিটার হিসাবে বিবেচিত, তালিকাটি বিশ্বজুড়ে ব্যবসায়িক নির্বাহী, পরিচালক এবং বিশ্লেষকদের একটি সমীক্ষার উপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছে। উদ্ভাবন, সামাজিক দায়বদ্ধতা, ব্যবস্থাপনার গুণমান, বৈশ্বিক প্রতিযোগিতা, প্রতিভা ব্যবস্থাপনা এবং পণ্য/পরিষেবার গুণমানের ভিত্তিতে কোম্পানির মূল্যায়ন করা হয়। 

    টিসিএস উত্তর আমেরিকার চেয়ারম্যান সুরেশ মুথুস্বামী এ বিষয়ে বলেন, “টিসিএস (TCS) ফরচুন ম্যাগাজিনের বিশ্বের সবচেয়ে প্রশংসিত কোম্পানির তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হতে পেরে সম্মানিত। বিশেষ করে যেহেতু আমরা আমাদের অনেক ক্লায়েন্টের সঙ্গে এই সফলতা ভাগ করে নিতে চাই।” তিনি আরও বলেন, “এই স্বীকৃতি আমাদের দীর্ঘমেয়াদী, উদ্দেশ্য-চালিত অংশীদারিত্বের ফল। এই সাফল্যের কৃতিত্বের ভাগীদার আমাদের সঙ্ংআমাদের ক্লায়েন্ট এবং অন্যান্য স্টেকহোল্ডাররাও।” উদ্ভাবন, বৃদ্ধি এবং রূপান্তর উদ্যোগে বিশ্বের কিছু বড় কর্পোরেশনের সঙ্গে অংশীদারিত্ব রয়েছে টিসিএসএর। গত এক দশকে বিশ্বে শিল্প-নেতৃত্বে বড় জায়গা করে নিয়েছে টাটাদের এই সংস্থা। ক্রমাগত ক্লায়েন্টদের লাভের কথা মাথায় রেখে নতুন সুযোগের সন্ধান করা, সক্রিয়ভাবে নতুন সক্ষমতায় বিনিয়োগ করা, এর কর্মীদের দক্ষ করে তোলা এবং নতুন পরিষেবা, সমাধান, পণ্য এবং প্ল্যাটফর্ম চালু করার ক্ষেত্রে টিসিএস যথেষ্ট ভালো কাজ করেছে।

    আরও পড়ুন: আবাস যোজনায় মুখ পুড়ল রাজ্যের, প্রাপকদের তালিকায় থাকা মাত্র ৭৩ শতাংশের আধার সংযোগ সম্পূর্ণ হয়েছে 

    বিশ্ব মন্দার মাঝেও লাভ টিসিএসের 

    সম্প্রতি টিসিএস (TCS) ১০,৪৩১ কোটি টাকার নেট লাভ করেছে। এই প্রথমবার কোনও অর্ধে ১০,০০০ কোটি টাকার লক্ষ্যমাত্রা অতিক্রম করেছে সংস্থা। এমনিতে টিসিএসের চাকরিকে অন্যতম নিরাপদ চাকরি বলে মনে করা হয়। যখন সারা বিশ্বে বড়-বড় সংস্থা থেকে কর্মী ছাঁটাই চলছে, সে সময়েও টিসিএসে ১২০০ নতুন কর্মী যোগ দিয়েছেন। তাছাড়া ২০২২ সালের জুলাই-সেপ্টেম্বর এই সময়ের মধ্যে সংস্থার কর্মী সংখ্যা ৯,৮৪০ জন বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০২২ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর কোম্পানির মোট কর্মী সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬,১৬,১৭১।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।    

     

     

  • Nirmala Sitharaman: ‘এটা কেন্দ্রের জবাব দেওয়ার মতো বিষয় নয়’, আদানি ভাঙন নিয়ে মুখ খুললেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী

    Nirmala Sitharaman: ‘এটা কেন্দ্রের জবাব দেওয়ার মতো বিষয় নয়’, আদানি ভাঙন নিয়ে মুখ খুললেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মার্কিন রিসার্চ সংস্থা হিন্ডেনবার্গের রিপোর্টের কারণে বড় ক্ষতির মুখে আদানি গ্রুপ। গৌতম আদানির সম্পত্তি মাত্র ১০ দিনের মধ্যেই কার্যত অর্ধেকে এসে ঠেকেছে। শেয়ার বাজারে আদানি গ্রুপের সবকটি স্টকেরই দাম পড়েছে। আদানি এন্টারপ্রাইজের শেয়ারের দর শেষ ৫ দিনে ৫০ শতাংশ কমেছে। ভারতের শেয়ার বাজারের সূচকও নিম্নমুখী। এবার এ নিয়ে মুখ খুললেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন (Nirmala Sitharaman)।

    শুক্রবার কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন (Nirmala Sitharaman) আশ্বাস দিয়ে বলেন, দেশের বাজার রয়েছে ‘যথেষ্ট নিয়ন্ত্রণে’। পাশাপাশি তিনি বলেন, আদানি গ্রুপের বিতর্কের জেরে যে বিনিয়োগকারীদের আস্থা ও বিশ্বাসকে প্রভাবিত করবে, তা তিনি আশা করেননি। তিনি এও বলেন যে, এটা কেন্দ্রের উত্তর দেওয়ার মতো বিষয় নয়। নিয়ন্ত্রকরা বিষয়টি খতিয়ে দেখছেন।  

    প্রসঙ্গত, সম্প্রতি মার্কিন আর্থিক রিসার্চ সংস্থা হিন্ডেনবার্গ রিসার্চ আদানি গ্রুপের বিরুদ্ধে রিপোর্ট প্রকাশ করে। আর তাতেই ভয়ঙ্করভাবে ক্ষতিগ্রস্থ আদানি গ্রুপ। খোদ গৌতম আদানির সম্পত্তি ১২০ বিলিয়ন ডলার থেকে নেমে এসেছে ৬১.৯ বিলিয়ন ডলারে। বিশ্বের তৃতীয় ধনীতম ব্যক্তি এক ধাক্কায় ছিটকে গিয়েছেন ২১ তম স্থানে। রিসার্চ সংস্থা হিন্ডেনবার্গ রিসার্চের প্রকাশিত রিপোর্টে দাবি করা হয়েছিল, আদানি গ্রুপ কারচুপি করে নিজেদের শেয়ারের দাম বাড়িয়েছে। যদিও আদানি গ্রুপ হিন্ডেনবার্গের এই রিপোর্টকে ‘ভুয়ো’ বলে দাবি করেছে। 

    সম্প্রতি একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমে স্বাক্ষাৎকারে অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন (Nirmala Sitharaman) দাবি করেন, দেশ ‘সম্পূর্ণ সুশাসনে’ রয়েছে। দেশের বাজার ‘খুব ভালোভাবে নিয়ন্ত্রিত আর্থিক বাজার’ হিসেবে রয়েছে। সীতারমন এপ্রসঙ্গে জানিয়েছেন, “গোটা বিশ্বে অনেক কথা বলা হচ্ছে, কিন্তু ভারতীয় আর্থিক বাজারগুলি কতটা ভালোভাবে পরিচালিত হচ্ছে, সে বিষয়ে কিছু বলা হচ্ছে না।”

    এসবিআই- এলআইসি নিয়ে কী বললেন অর্থমন্ত্রী? 

    এদিকে, আদানি গ্রুপের শেয়ারের দাম যত পড়ছে, তত দুশ্চিন্তা বাড়ছে আমজনতার। কারণ স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া এবং জীবন বিমা নিগমের সঙ্গে আদানি গোষ্ঠীর যোগ রয়েছে। এই দুই সংস্থাই আদানি গ্রুপকে বড় অঙ্কের ঋণ দিয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। আবার আদানি গ্রুপে বিনিয়োগ করেছে এলআইসি। সেই উদ্বেগের মধ্যেই কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন (Nirmala Sitharaman) আশ্বাস দিলেন, এখনও আদানি গ্রুপে টাকা ঢেলে লাভ করছে এলআইসি এবং এসবিআই।

    অর্থমন্ত্রী সীতারামন (Nirmala Sitharaman )বলেন, “আদানি নিয়ে স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া এবং এলআইসি বিস্তারিত বিবৃতি জারি করেছে। আদানি গ্রুপে ওরা বেশি টাকা ঢালেনি। ওরা স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছে যে অনুমোদিত সীমার মধ্যেই ওরা টাকা ঢেলেছে এবং লাভজনক অবস্থায় আছে।”

    শুক্রবার ভারতের সর্ববৃহৎ রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্ক এসবিআইয়ের চেয়ারম্যান দীনেশ খারা দাবি করেছেন, আদানি গ্রুপে সার্বিকভাবে ২৭,০০০ কোটি টাকা ঢেলেছে এসবিআই। যা রাষ্টায়ত্ত ব্যাঙ্কের মোট মূলধনের ০.৮৮ শতাংশ।

    এদিকে, গত ৩০ জানুয়ারি এলআইসির তরফে বিবৃতিতে (Nirmala Sitharaman) দাবি করা হয়, আদানি গ্রুপে যে পরিমাণ টাকা ঢেলেছে এলআইসি, তা মোট বিনিয়োগের এক শতাংশেরও কম। ৩৬,৪৭৪.৭৮ কোটি টাকা। সংবাদসংস্থা পিটিআইয়ের প্রতিবেদন অনুযায়ী, আদানি এন্টারপ্রাইজের ফলো-অন পাবলিক অফারিংয়ে বিনিয়োগ করেছিল এলআইসি। যদিও সেই এফপিও তুলে নিয়েছে আদানি এন্টারপ্রাইজ। টাকা ফিরিয়ে দেওয়া বলেও জানিয়েছে। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।    

     

     

  • Captain Amrinder Singh: দলবিরোধী কাজের অভিযোগে সাসপেন্ড কংগ্রেস সাংসদ প্রীনীত কৌর, তিনি কে জানেন?

    Captain Amrinder Singh: দলবিরোধী কাজের অভিযোগে সাসপেন্ড কংগ্রেস সাংসদ প্রীনীত কৌর, তিনি কে জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দলবিরোধী কাজের অভিযোগে সাসপেন্ড করা হল সাংসদ কংগ্রেসের (Congress) প্রীনীত কৌরকে। তিনি বিজেপি (BJP) নেতা অমরিন্দর সিংয়ের (Captain Amrinder Singh) স্ত্রী। পঞ্জাবের পাতিয়ালা থেকে কংগ্রেসের টিকিটে জয়ী হয়েছিলেন তিনি। তাঁর বিরুদ্ধে দলবিরোধী কার্যকলাপের অভিযোগ তুলেছিল পঞ্জাব প্রদেশ কংগ্রেসের প্রধান। তারপরেই এই সিদ্ধান্ত নেয় কংগ্রেস হাইকমান্ড।

    সিদ্ধান্তের নেপথ্যে…

    জানা গিয়েছে, দিন কয়েক আগে পঞ্জাব প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অমরিন্দর সিং রাজা ওয়ারিং প্রীনীতের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ তুলে চিঠি লেখেন হাইকমান্ডকে। চিঠিতে প্রীনীতের বিরুদ্ধে বিজেপিকে সাহায্য করার অভিযোগ করা হয়। পাতিয়ালার সাংসদকে দল থেকে সাসপেন্ড করার জন্য দলের ডিসিপ্লিনারি অ্যাকশন কমিটির কাছে আবেদনও করা হয়েছিল। তার পরেই দলের তরফে প্রীনীতকে শোকজ করা হয়। দল বিরোধী কাজের জন্য কেন তাঁকে সাসপেন্ড করা হবে না, তা জানতে চাওয়া হয় শোকজ নোটিশে। তিন দিনের মধ্যে তাঁকে শোকজের জবাব দিতে বলা হয়। সেই সময়সীমার মধ্যে উপযুক্ত জবাব প্রীনীতের (Captain Amrinder Singh) তরফে না পেয়ে এদিন সাসপেন্ড করা হয় তাঁকে।

    একুশের নভেম্বরে কংগ্রেস ছাড়েন অমরিন্দর। তিনি কংগ্রেস ছাড়লেও, তাঁর স্ত্রী প্রীনীত ছিলেন সোনিয়া গান্ধীর দলেই। দল ছাড়ার সময় অমরিন্দর আক্রমণ শানান গান্ধী পরিবারকে। এর পর পঞ্জাব লোক কংগ্রেস নামে একটি রাজনৈতিক দল গঠন করেন অমরিন্দর। ২০২২ সালে পঞ্জাব বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির সঙ্গে জোট করে লড়লেও, ভরাডুবি হয় অমরিন্দরের দলের। তার পরেই বিজেপিতে যোগ দেন ক্যাপ্টেন। অবশ্য দল ছাড়েননি তাঁর স্ত্রী। ২০২৪ সালে লোকসভা নির্বাচন। পাতিয়ালা থেকে টিকিট পাবেন না ভেবে আগেভাগেই প্রীনীত বিজেপির সঙ্গে যোগাযোগ রেখে চলছিলেন বলে অভিযোগ। তার জেরেই তাঁকে সাসপেন্ড করা হয়েছে বলে কংগ্রেসের একটি সূত্রের খবর।

    আরও পড়ুুন: ‘রাষ্ট্রবাদী সংখ্যালঘু মুসলিমদের সঙ্গে বিজেপির কোনও বিরোধী নেই’, সাফ জানালেন শুভেন্দু

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
     
  • Indus Water Treaty: সিন্ধু জল চুক্তি নিয়ে বিশ্বব্যাঙ্কের মধ্যস্থতার প্রস্তাব খারিজ করে দিল ভারত

    Indus Water Treaty: সিন্ধু জল চুক্তি নিয়ে বিশ্বব্যাঙ্কের মধ্যস্থতার প্রস্তাব খারিজ করে দিল ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সিন্ধু জল চুক্তি (Indus Water Treaty) নিয়ে ভারত (India) ও পাকিস্তানের (Pakistan) মধ্যে আলোচনায় মধ্যস্ততা করার আগ্রহ দেখিয়েছিল বিশ্বব্যাঙ্ক (World Bank)। বৃহস্পতিবার তারই কড়া প্রতিক্রিয়া দিল ভারত। নয়াদিল্লির তরফে সাফ জানিয়ে দেওয়া হল সিন্ধু জল চুক্তি নিয়ে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে বিরোধ মেটানোর জন্য তৃতীয় কোনও পক্ষের প্রয়োজন নেই।এদিন ভারতের তরফে কোর্ট অফ আরবিট্রেশনের সিদ্ধান্ত নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়। কেন্দ্রের তরফে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, জম্মু-কাশ্মীরে কিষানগঙ্গা ও রাতলে হাইড্রো ইলেকট্রিক প্রকল্প নিয়ে নয়াদিল্লি ও ইসলামাবাদের মধ্যে আলোচনার বিষয়টি সম্পূর্ণ আলাদা। এ প্রসঙ্গে বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র অরিন্দম বাগচি বলেন, আমাদের মনে হয় না দেশের হয়ে কোনও চুক্তিকে ব্যাখ্যা করার অবস্থানে রয়েছে বিশ্বব্যাঙ্ক। ওটা দুই দেশের মধ্যে চুক্তি।

    নয়াদিল্লি…

    নয়াদিল্লির তরফে এদিন জানিয়ে দেওয়া হয়, বিশ্বব্যাঙ্ক কোর্ট অফ অর্বিট্রেশনে যাওয়ায় ভারত অত্যন্ত ক্ষুণ্ণ। অরিন্দম বাগচি বলেন, ভারতের তরফে সিন্ধু জল চুক্তির (Indus Water Treaty) কমিশনার ২৫ জানুয়ারি নোটিশ জারি করেছে। এই নোটিশে পাকিস্তানকে সরাসরি সরকারের সঙ্গে চুক্তিভঙ্গের বিষয় নিয়ে আলোচনার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। ৯০ দিনের মধ্যে এই নোটিশের জবাব দেওয়ার জন্য বলা হয়েছে। তিনি জানান, পাকিস্তানের তরফে ভারতের দেওয়া নোটিশের এখনও কোনও জবাব দেওয়া হয়নি। বিশ্ব ব্যাঙ্কের তরফে কী বলা হয়েছে বা এই চুক্তি নিয়ে তাদের প্রতিক্রিয়া কী, সে বিষয়েও অবগত নন তিনি।

    আরও পড়ুুন: ‘রাষ্ট্রবাদী সংখ্যালঘু মুসলিমদের সঙ্গে বিজেপির কোনও বিরোধী নেই’, সাফ জানালেন শুভেন্দু

    দীর্ঘদিনের বিরোধ মেটাতে ১৯৬০ সালে বিশ্বব্যাঙ্কের মধ্যস্থতায় সিন্ধু জল চুক্তি (Indus Water Treaty) স্বাক্ষর করে ভারত ও পাকিস্তান। চুক্তি অনুযায়ী, বিতস্তা ও চন্দ্রভাগার জলের ওপর পাকিস্তানের অধিকার ৮০ শতাংশ, ভারতের ২০ শতাংশ। চুক্তির শর্ত অনুযায়ী, ভারত ওই জল ব্যবহার করলেও, আটকাতে পারবে না। ২০১৫ সালে ভারতের কিষেনগঙ্গা ও রাতলে জলবিদ্যুৎ প্রকল্প নিয়ে আপত্তি তোলে পাকিস্তান। তাতে তাদের ভাগের জল কমে যাবে বলে দাবি করে ইসলামাবাদ। যদিও ভারতের পক্ষ থেকে আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল, সিন্ধু জল চুক্তি মেনেই প্রকল্পে নির্দিষ্ট পরিমাণ জল ব্যবহার করবে ভারত। ভারতের এই আশ্বাস কানে তোলেনি পাকিস্তান।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Meghalaya: মেঘালয় বিধানসভা নির্বাচনে প্রার্থী তালিকা প্রকাশ বিজেপির

    Meghalaya: মেঘালয় বিধানসভা নির্বাচনে প্রার্থী তালিকা প্রকাশ বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সামনেই মেঘালয়ে বিধানসভা নির্বাচন। প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করল বিজেপি। মোট ৬০টি আসনে  ৬জন মহিলা প্রার্থীও রয়েছেন। প্রার্থী তালিকায় রয়েছে একাধিক চমক। বিজেপির রাজ্য সভাপতি আর্নেস্ট মাউরি, তিনজন প্রাক্তন বিধায়ক এমএম ডাঙ্গো, ডি জিনডিয়াং ও এডমান্ড কে সাংমা রয়েছেন। প্রাক্তন আইপিএস মারিয়াহোম খারক্রাং দাঁড়াচ্ছেন উত্তর শিলং থেকে। 

    মোদিকে সামনে রেখেই প্রচার

    বিজেপির এই প্রার্থী তালিকায় অনুমোদন দিয়েছে দলের কেন্দ্রীয় ইলেকশন কমিটি। মেঘালয়ে বিজেপির রাজ্য সভাপতি জানিয়েছেন, এবার বহু আসনে জিতবে দল। এদিন  প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করে ট্যুইট করেছে মেঘালয় বিজেপি।

    ২০১৮ সালে বিজেপি ৪৭টি আসনে লড়াই করেছিল। সেবার মাত্র দুটি আসনে জিতেছিল বিজেপি। ৭টি আসনে বিজেপি ছিল দ্বিতীয়। ১২টি আসনে বিজেপি ছিল তৃতীয় স্থানে। বিজেপির ন্যাশানাল সেক্রেটারি ঋতুরাজ সিনহা জানিয়েছেন, এবার মেঘালয়ে ডবল ইঞ্জিন সরকার তৈরি হবে। তার জন্য এবার জোরদার লড়াই করতে হবে দলকে। 

    আরও পড়ুন: হাইকোর্টে স্বস্তি শুভেন্দুর! রাজ্য শিশু সুরক্ষা কমিশনের শোকজ নোটিসের উপর স্থগিতাদেশ

    আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে মেঘালয়ে বিজেপির প্রচারের ট্যাগ লাইন এম পাওয়ার মেঘালয়। এম মানে মোদি পাওয়ারড মেঘালয়। কিছুদিন আগেই, গত ডিসেম্বর মাসে মেঘালয় সফরে এসেছিলেন মোদি। তখনই এই রাজ্যের জন্য একগুচ্ছ পরিকল্পনা করেছিলেন তিনি। প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে দেশ এগোচ্ছে। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে ভারত কীভাবে নিজের জায়গা তৈরি করছে সেকথাও এবার প্রচারে তুলে আনা হচ্ছে। আগামী ২৭ ফেব্রুয়ারি ভোট হবে মেঘালয়ে। আগামী ২ মার্চ মেঘালয় ভোটের ফলাফল বের হবে। উল্লেখ্য, মেঘালয়ে বর্তমানে বিজেপির জোট সরকার রয়েছে। অন্যদিকে প্রধান বিরোধী দল তৃণমূল। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Union Budget: নির্মলার বাজেটের ভূয়সী প্রশংসা তালিবানের মুখে, কেন জানেন?

    Union Budget: নির্মলার বাজেটের ভূয়সী প্রশংসা তালিবানের মুখে, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১ ফেব্রুয়ারি সংসদে বাজেট (Union Budget) পেশ করেছেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামণ (Nirmala Sitharaman)। স্কুল অফ লন্ডন ইকনোমিক্সের এই প্রাক্তনীর করা সেই বাজেটকে ঐতিহাসিক আখ্যা দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি স্বয়ং। এবার নির্মলার বাজেটের সুখ্যাতি শোনা গেল সুদূর আফগানিস্তানেও। এবং প্রশংসা করল খোদ তালিবান প্রশাসন। বুধবার ভারতের বাজেটের দেদার প্রশংসা করল তালিবানরা। তারা জানাল, বাজেটে ভারত আফগানিস্তানকে সাহায্যের জন্য যে বরাদ্দ করেছে তাতে দু দেশের বন্ধন আরও দৃঢ় হবে। মজবুত হবে দুই দেশের বিশ্বাসের সম্পর্কও। কেন্দ্রীয় এই বাজেটে আফগানিস্তানের উন্নয়নের জন্য ২৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার সাহায্যের প্রস্তাব করা হয়েছে। সেই কারণেই নির্মলার পেশ করা বাজেটের স্তুতি শোনা গিয়েছে তালিবানের মুখে।

    বাজেট…

    ১ ফেব্রুয়ারি বেলা ১১টায় সংসদে বাজেট (Union Budget) পেশ করেন নির্মলা সীতারামণ। এটাই ছিল মোদি সরকারের শেষ পূর্ণাঙ্গ বাজেট। ২০২৪ সালে রয়েছে লোকসভা নির্বাচন। প্রথা অনুযায়ী, ওই বছর পেশ হবে ভোট অন অ্যাকাউন্ট, পূর্ণাঙ্গ বাজেট নয়। চলতি বাজেটে আফগানিস্তানের জন্য ২৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার সাহায্যের প্রস্তাব দিয়েছেন নির্মলা। নির্বাচিত সরকারকে হটিয়ে তালিবান ক্ষমতায় আসার পর এটা আফগানিস্তানকে দ্বিতীয়বার সাহায্য ভারতের। প্রথমবার সাহায্যের কথা ঘোষণা করা হয়েছিল গতবারের বাজেটে।

    ভারতের কেন্দ্রীয় বাজেটকে (Union Budget) স্বাগত জানিয়েছেন সোহেল শাহিন। তিনি তালিবানের আলোচনাকারী দলের প্রাক্তন সদস্য। শাহিন বলেন, আফগানিস্তানের উন্নয়নের জন্য ভারতের সাহায্যকে সমর্থন জানাচ্ছি। এটা দুই দেশের সম্পর্ক ও বিশ্বাসের জায়গাটিকে দৃঢ় করবে। তিনি বলেন, আফগানিস্তানে এমন অনেক প্রকল্প চলছিল, যাতে অর্থায়ন করেছিল ভারত। ভারত যদি ফের এগুলি চালু করে, তাহলে দুই দেশের সম্পর্ক হবে মজবুত। অবিশ্বাসের প্রাচীর যাবে ভেঙে।

    আরও পড়ুুন: ‘রাষ্ট্রবাদী সংখ্যালঘু মুসলিমদের সঙ্গে বিজেপির কোনও বিরোধী নেই’, সাফ জানালেন শুভেন্দু

    প্রসঙ্গত, আফগানিস্তানের ৩৪টি প্রদেশেই কোনও না কোনও পরিকাঠামো নির্মাণ করেছে ভারত। এখনও হাতে রয়েছে বেশ কিছু প্রকল্প। দেশটির রাশ তালিবানের হাতে চলে যাওয়ার পর আর সম্পূর্ণ করা যায়নি সেই সব প্রকল্প। সম্প্রতি তালিবান জানিয়ে দিয়েছে, ভারত আফগানিস্তানে তাদের অসমাপ্ত অন্তত যে ২০টি প্রকল্প রয়েছে, তা সম্পূর্ণ করার কাজ শুরু করতে পারে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • BBC Documentary: ভারতে বিবিসিকে নিষিদ্ধ করতে সুপ্রিম কোর্টে দায়ের জনস্বার্থ মামলা

    BBC Documentary: ভারতে বিবিসিকে নিষিদ্ধ করতে সুপ্রিম কোর্টে দায়ের জনস্বার্থ মামলা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতে (India) বিবিসিকে নিষিদ্ধ করার দাবিতে জনস্বার্থ মামলা দায়ের হল সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court)। সম্প্রতি বিতর্কিত তথ্যচিত্র (BBC Documentary) ‘ইন্ডিয়া: দ্য মোদি কোয়েশ্চন’ সম্প্রচার করে বিবিসি। তার পরেই দেশজুড়ে ওঠে সমালোচনার ঝড়। বিবিসি ভারত ও কেন্দ্রের বিরুদ্ধে বৈষম্যমূলক আচরণ করেছে, এই অভিযোগ তুলে সুপ্রিম কোর্টে দায়ের হয়েছে মামলা। তাতে বলা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ওপর তৈরি তথ্যচিত্রটি ভারত ও দেশের প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র। এই জনস্বার্থ মামলা দায়ের করেছে হিন্দু সেনা সভাপতি বিষ্ণু গুপ্ত ও জনৈক বীরেন্দ্রকুমার সিং। এই আবেদনটিকে জরুরি তালিকাভুক্তির জন্য আবেদনকারীদের শুক্রবার ফের তা উল্লেখ করার নির্দেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট।

    বিবিসি…

    এদিকে, বিবিসি (BBC Documentary) ও তার কর্মীদের বিরুদ্ধে গোয়েন্দা সংস্থা দিয়ে তদন্তের দাবি তুলেও সুপ্রিম কোর্টে দায়ের হয়েছে আরও একটি মামলা। প্রধান বিচারপতি ডি ওয়াই চন্দ্রচূড়ের নেতৃত্বে একটি বেঞ্চ এই আবেদনের ভিত্তিতে শুনানি শুরু করেছে। অন্যদিকে, দেশে বিবিসির তথ্যচিত্রে নিষেধাজ্ঞা জারি করার কেন্দ্রের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করেও পাল্টা আবেদন করা হয়েছে সুপ্রিম কোর্টে। সোমবার সেই আবেদনের শুনানি শুরু হওয়ার কথা।

    ২০০২ সালের গুজরাট হিংসা ও তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ভূমিকার ওপর তৈরি ওই তথ্যচিত্রটি বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে দেখছেন পড়ুয়ারা। এতেই বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে প্রবল সংঘাত তৈরি হচ্ছে দেশের বিভিন্ন জায়গায়। ভারতে অলিখিতভাবে নিষিদ্ধ হয়েছে ওই তথ্যচিত্র। এবার এনিয়ে তাদের অবস্থান জানিয়ে দিল ব্রিটিশ সরকার। 

    আরও পড়ুুন: ‘১০ লাখ চাকরির কথা বলা হয়েছিল, এবার কী হবে?’, আদানিকাণ্ডে রাজ্যকে প্রশ্ন শুভেন্দুর

    বিবিসির ওই তথ্যচিত্র (BBC Documentary) নিয়ে বিবিসির পাশাপাশি চাপ বাড়ছিল ঋষি সুনক সরকারের ওপরও। ব্রিটেনে বসবাসকারী ভারতীয়দের একাংশ বিক্ষোভ দেখাচ্ছিলেন বিবিসির বিরুদ্ধে। এর মধ্যেই ব্রিটিশ পার্লামেন্টে বিদেশ সচিব এক বিবৃতিতে বলেন, ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের উন্নতিতে প্রয়াস চালিয়ে যাবে ব্রিটেন। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর মুখপাত্র বলেন, বিবিসি স্বাধীন সংবাদ মাধ্যম। তারা কী সংবাদ পরিবেশন করবে, সে ব্যাপারে তাদের স্বাধীনতা রয়েছে। তবে আমরা এও বলব ভারত আমাদের অত্যন্ত কাছের বন্ধু। ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের উন্নতির জন্য সব চেষ্টাই করবে ব্রিটেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

LinkedIn
Share