Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • PFI: হিন্দু নেতাদের হত্যা থেকে হাওয়ালা কারবার! কী কী করত পিএফআই, জানেন?

    PFI: হিন্দু নেতাদের হত্যা থেকে হাওয়ালা কারবার! কী কী করত পিএফআই, জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দীর্ঘদিন ধরেই অবৈধ কার্যকলাপের সঙ্গে যুক্ত ছিল সদ্য নিষিদ্ধ পপুলার ফ্রন্ট অফ ইন্ডিয়া (Popular Front of India) ও তার অনুমোদিত বিভিন্ন সংস্থা। সম্প্রতি দেশজুড়ে পিএফআইয়ের (PFI) বিভিন্ন ডেরায় হানা দিয়েছে এনআইএ (NIA)। গ্রেফতার করা হয়েছে প্রচুর পিএফআই সদস্যকে। তার পরেই প্রকাশ্যে আসছে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য।

    আগামী পাঁচ বছরের জন্য নিষিদ্ধ করা হয়েছে পিএফআইকে। তদন্তকারী সংস্থাগুলি জানতে পেরেছে, পিএফআই একটি হিংসাত্মক সংগঠনে পরিণত হয়েছিল। এই সংগঠন জঙ্গি কার্যকলাপে মদত দিত, হাওয়ালায় টাকা ঢালত, দেশের বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মধ্যে ঘৃণার পরিবেশও সৃষ্টি করত এই নিষিদ্ধ সংগঠন। তদন্তকারীরা এও জেনেছেন, পিএফআই বেশ কয়েকজন হিন্দু নেতাকেও হত্যা করেছ।

    বিদেশ মন্ত্রকের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, মন্ত্রক বিশ্বাস করে পিএফআই এমন একটি সংগঠন যার সদস্যরা দেশে বিভিন্ন হিংসামূলক এবং অবৈধ কাজকর্মে লিপ্ত। সন্ত্রাসবাদী কাজকর্মেও যুক্ত এই সংগঠনের সদস্যরা। দেশের ১৭টি রাজ্যে পিএফআই ও তাদের অনুমোদিত সংগঠনের উপস্থিতির কথাও প্রকাশ্যে এসেছে। ডশিয়ারে বলা হয়েছে, পিএফআই তার ক্যাডারদের শান্তি এবং দেশের ঐক্য বিনষ্ট করে এমন কাজকর্ম করতে উৎসাহ জোগাত। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করে এমন কাজ করতেও উৎসাহ জোগাত। দেশের ধর্মনিরপেক্ষ চরিত্র নষ্ট করার চেষ্টাও করত এই সংগঠন। সেই কারণেই ইউএপিএতে ব্যান করা হয়েছে এই সংগঠনকে।

    আরও পড়ুন : লক্ষ্য ছিল দাঙ্গা! আর একটা ‘শাহিনবাগ’-এর ছক কষেছিল পিএফআই?

    জানা গিয়েছে, দেশজুড়ে পিএফআইয়ের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়েছে প্রায় ১ হাজার ৩০০টি। এর মধ্যে এর ক্যাডার এবং সহযোগী সংগঠনগুলিও রয়েছে। বিভিন্ন রাজ্য পুলিশ এবং এনআইএ এই মামলা করেছে। এই মামলাগুলির মধ্যে কিছু মামলা করা হয়েছে ইউএপিএর অধীনে। বিস্ফোরক পদার্থ আইন, অস্ত্র আইন এবং আরও কয়েকটি ধারায়ও মামলা দায়ের হয়েছে। সদ্য নিষিদ্ধ এই সংগঠনের সঙ্গে আন্তর্জাতিক জঙ্গি সংগঠনের যোগসূত্রের খোঁজও পেয়েছেন তদন্তকারীরা। ডশিয়ারে বলা হয়েছে, পিএফআইয়ের কিছু কাজ বিশেষত কেরালায়, আইএসআইএসের সঙ্গে হাত মিলিয়ে করা হয়েছে। সিরিয়া, ইরাক এবং আফগানিস্তানে সন্ত্রাসবাদ কাজকর্মেও তারা যুক্ত ছিল। যুদ্ধে ভারতীয় আইএসআইএস জঙ্গি নিহতও হয়েছে। এনআইএ আইএসআইএসের সঙ্গে পিএফআই সদস্যদের কয়েকজনকে গ্রেফতারও করেছে বিভিন্ন রাজ্যে। বাংলাদেশের জামাত-উল-মুজাহিদান সঙ্গেও পিএফআইয়ের যোগসূত্র পাওয়া গিয়েছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Indian Army: আতঙ্কিত চিন! সীমান্তে আধুনিক ও উন্নত যুদ্ধাস্ত্র মোতায়েন ভারতের

    Indian Army: আতঙ্কিত চিন! সীমান্তে আধুনিক ও উন্নত যুদ্ধাস্ত্র মোতায়েন ভারতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গোগরা -হটস্প্রিং থেকে দুদেশ সেনা সরালেও প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা (LAC) বরাবর মাঝেমাঝেই চক্কর কেটে চলেছে চিনা ফাইটার জেট (Chinese Fighter Jets)। সম্প্রতি একাধিকবার প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখার (Line of Actual Control) কাছে প্ররোচনা দিয়ে চলেছে চিনা ফৌজ। ভারতীয় প্রতিরক্ষা (Indian defence) ব্যবস্থাকে মাপার জন্য বরাবর সক্রিয় চিন (China)। এবার তারই পাল্টা দিল ভারত (India)। পাল্টা প্রতিরোধ-ব্যবস্থা হিসেবে চিন সীমান্তে আগ্নেয়াস্ত্র-সহ সেনার ব্যাটেলিয়ন মজুত রাখা হচ্ছে।

    সক্রিয় রয়েছে ভারতীয় বায়ুসেনাও (Indian Air Force)। একেবারে সীমান্ত বরাবর যুদ্ধ বিমান ওড়াচ্ছে ভারত। তাতেই আতঙ্কিত চিন! ভারতীয় সেনার লাদাখ সেক্টরের মানোন্নয়ন নিয়ে অস্বস্তিতে রয়েছে চিনের পিপলস লিবারেশন আর্মি (PLA)। তাই বুধবারই ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক অনেকটা ঠিক হয়ে গিয়েছে বলে জানিয়েছেন চিনের রাষ্ট্রদূত সান ওয়েডং। পিপলস রিপাবলিক অফ চায়নার ৭৫ বার্ষিকী অনুষ্ঠানে ভার্চুয়াল মাধ্যমে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি বলেন, সবমিলিয়ে স্থিতাবস্থা রয়েছে সীমান্তে। আপৎকালীন পরিস্থিতি থেকে দুই দেশই বেরিয়ে এসেছে। দিল্লি অবশ্য এ বিষয়ে কোনও মত দেয়নি।

    আরও পড়ুন: নারীশক্তির জয়! চিন সীমান্তে সুখোই-৩০ যুদ্ধবিমান ওড়াচ্ছেন এই বীর কন্যা… 

    ভারতীয় সেনা সূত্রে খবর, সীমান্ত বরাবর আধুনিক মানের উন্নত যুদ্ধাস্ত্র প্রস্তুত করা হচ্ছে। এই মর্মে সেনার আর্টিলারি  ডিভিসনকে ঢেলে সাজানো হচ্ছে। পুরনো ও ভারী প্রকৃতির ফিল্ড গানের জায়গায় বসানো হচ্ছে আধুনিকতম, হাল্কা ফিল্ড বা আর্টিলারি গান। সেই তালিকায় রয়েছে ১৫৫মিমি/৫২ ক্যালিবার ট্র্যাকড্ সেল্ফ প্রোপেল্ড কে-৯ বজ্র-টি (K9 Vajra-T) গান, অতিরিক্ত ১৫৫মিমি/৪৫ ক্যালিবার ধনুষ (Dhanush) আর্টি গান, ১৫৫মিমি/৫২ ক্যালিবার অ্যাডভান্সড টাওড আর্টিলারি গান সিস্টেম (ATAGS) এবং আধুনিকীকরণ করা ফিল্ড গান সরঙ্গ (Sharang)।

    এর পাশাপাশি, প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখায় মোতায়েন করা হয়েছে অধিক পাল্লার পিনাকা রকেট সিস্টেমের সর্বাধুনিক সংস্করণ। রয়েছে অ্যারিয়াল ভেহিকলস, আধুনিক ড্রোন-সহ নানান সমরাস্ত্র। শুধু তাই নয়, ভারতীয় সীমান্তের মধ্যে কিন্তু LAC-এর খুব কাছে ড্রোন ব্যবহার করা হচ্ছে। আর তাতেই ঘুম উড়েছে চিনের। 

    আরও পড়ুন: ভারতে রকেট লঞ্চার তৈরি করবে স্যাব! কী বলছে সুইডেনের সংস্থা?

    আগেই দিল্লির তরফে জানানো হয়েছিল, ভারত প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখতে চায় কিন্তু কোনওভাবেই আর শান্তি ভিক্ষা করা হবে না। আর কয়েকমাসের মধ্যেই শীত এসে যাবে। এই অবস্থায় ভারত এবং চিন দুই দেশই সীমান্তে পরিকাঠামো ঢেলে সাজাতে উদ্যোগ নিয়েছে। এক আধিকারিক জানিয়েছে, ভারত সীমান্তের কাছে রাস্তা এবং অন্য পরিকাঠামো নির্মাণ করছে। শীঘ্রই ধনুষ রেজিমেন্ট ইতিমধ্যেই তৈরি, বলে সেনা সূত্রে খবর। যদিও আধুনিক আগ্নেয়াস্ত্র সজ্জিত নয়া সেনাদল হয়ত বা শীতের পরই কসরত দেখাবে। উত্তর সীমান্তে চিনের গতিবিধির দিকে সবসময়ই নজর রয়েছে ভারতের। চিন যদি ভারতকে উপেক্ষা করে নিজেদের শক্ত করতে চায়, তাহলে সীমান্তে নিজেদের অধিকার বজায় রাখতে এতটুকু খামতি দেখাবে না দিল্লি, এমনই অভিমত কূটনীতিকদের।

  • Credit & Debit Cards: ১ অক্টোবর থেকে পাল্টাচ্ছে ডেবিট ও ক্রেডিট কার্ড ব্যবহারের নিয়ম, জানেন তো?

    Credit & Debit Cards: ১ অক্টোবর থেকে পাল্টাচ্ছে ডেবিট ও ক্রেডিট কার্ড ব্যবহারের নিয়ম, জানেন তো?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এখন ক্রেডিট কার্ড ও ডেবিট কার্ডেরই যুগ। এমন কোনও মানুষ নেই যাদের কাছে এক ক্রেডিট কার্ড অথবা ডেবিট কার্ড নেই। ক্রেডিট কার্ড না থাকলেও আমাদের সকলের কাছে এটিএম বা ডেবিট কার্ড রয়েছে। দেশের প্রায় ৫০ শতাংশ প্রাপ্তবয়স্ক লোক এই কার্ড ব্যবহার করে থাকেন। অনেকেই এখন নগদ ক্যাশের  ঝামেলা এড়াতে ব্যবহার করে থাকেন এই কার্ড। তবে এই কার্ডের অনলাইন পেমেন্টের ক্ষেত্রে পয়লা অক্টোবর থেকে কিছু পরিবর্তন আনতে চলেছে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া। রিজার্ভ ব্যাংক জানিয়েছে যে আগামী মাসের প্রথম দিন থেকে কার্ড-অন-ফাইল টোকেনাইজেশন (CoF Card Tokenisation) নিয়ম আনা হচ্ছে। আর এতে ক্রেডিট কার্ড ও ডেবিট কার্ডের সাহায্যে লেনদেন আরও নিরাপদ হবে বলে জানা গিয়েছে।

    নতুন নিয়ম

    নতুন এই নিয়মে একাধিক পরিবর্তন আসার ফলে নতুন টোকেন সিস্টেমের আওতায় কার্ডের সমস্ত ডেটা বদলে যাবে টোকেনে। কোনও শপিং ওয়েবসাইট আর আপনার কার্ডের কোনও তথ্য পাবে না। সমস্ত তথ্য থাকবে টোকেন আকারে। ফলে আপনার কার্ড হয়ে যাবে আরো বেশি সুরক্ষিত। আগে যেমন অনলাইন শপিং-এ কার্ড ব্যবহার করলে অনলাইন সাইটগুলো আপনার কার্ডের ডিটেলস নিয়ে রাখত, পরে সিভিভি নম্বর আপনাকে দিত হত। এখন থেকে তা আর হবে না। এখন থেকে এই তথ্য আর সংরক্ষিত থাকবে না, গ্রাহককে কেনাকাটা করতে হলে কার্ডের নম্বর পুনরায় দিতে হবে।

    আরও পড়ুন: তবে কি ক্রেডিট কার্ডের নয়া নিয়ম কার্যকর হবে অক্টোবর মাসে?

    কী এই টোকেনাইজেশন?

    টোকেনাইজেশন (Tokenisation) হল এমন একটি প্রক্রিয়া, যার মাধ্যমে কার্ডের তথ্য একটি অন্য কোড বা টোকেনে রূপান্তরিত হবে। এর ফলে কার্ডের গুরুত্বপূর্ণ নথি প্রকাশ না করেই অনলাইনে কেনাকাটা করা যাবে। আপনার ডেবিট ও ক্রেডিট কার্ডের নম্বর একটি টোকেন-এ পরিবর্তিত হলে, আপনার কার্ডের তথ্য কোনও ভাবে চুরি বা পুনর্ব্যবহার করা সম্ভব নয়। একটি টোকেন যুক্ত কার্ড লেনদেন অনেক সুরক্ষিত বলেও মনে করা হয়৷

    কীভাবে টোকেনাইজেশন করা যেতে পারে?

    নয়া নিয়ম শুরু হওয়ার পর অনলাইন কেনাকাটার সময় আপনার কার্ডের সমস্ত তথ্য দিতে হবে৷ আর এই তথ্য টোকেনে রূপান্তরিত হবে। একবার যখন গ্রাহকরা কোনও জিনিসের কেনাকাটা শুরু করে সে ক্ষেত্রে সংস্থার তরফে টোকেনাইজেশন শুরু করা হবে এবং টোকেন করার জন্য অনুমতি চাইবে৷ একবার অনুমতি দেওয়ার পর মার্চেন্ট কার্ড নেটওয়ার্ককে অনুরোধ পাঠিয়ে দেবে৷ এর জেরে প্রত্যেক কার্ডের জন্য একটি টোকেন নম্বর জেনারেট করা হবে যা ভবিষ্যতে কেনাকাটা করার জন্য অনলাইন বা মার্চেন্ট প্ল্যাটফর্মে সেভ করা যেতে পারে৷

  • Congress Poll: দ্বিগ্বিজয়, কমল নাথ না গেহলট! কংগ্রেস সভাপতি নির্বাচনে শশী থারুরের প্রতিদ্বন্দ্বী কে?

    Congress Poll: দ্বিগ্বিজয়, কমল নাথ না গেহলট! কংগ্রেস সভাপতি নির্বাচনে শশী থারুরের প্রতিদ্বন্দ্বী কে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একটা সময় মনে হয়েছিল কংগ্রেসের সভাপতি নির্বাচনে (Congress elections) লড়াইটা হবে মূলত শশী থারুর (Shashi Tharoor) ও রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রী অশোক গেহলটের মধ্যে। কিন্তু কয়েকদিনে দ্রুত বদলে গিয়েছে ছবিটা। রাজস্থানের নতুন মুথ্যমন্ত্রী নির্বাচন ঘিরে বাবাদ সামনে আসার আসার পর গেহলটের উপর বেজায় ক্ষুব্ধ গান্ধী পরিবার। পরিস্থিতি এমন জায়গায় পৌঁছেছে যে, সভাপতি পদে এবার মধ্যপ্রদেশের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী দ্বিগ্বিজয় সিংকে (Digvijaya Singh) ময়দানে নামানোর জোর প্রক্রিয়া চলছে। শোনা যাচ্ছে, সোনিয়া গান্ধীর (Sonia Gandhi) আস্থাভাজন হিসেবেই কংগ্রেস সভাপতি পদের নির্বাচনে দ্বিগ্বিজয় সিং প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। সেক্ষেত্রে লড়াইটা হতে পারে শশী থারুর বনাম দ্বিগ্বিজয় সিংয়ের মধ্যে। তবে ভোটে লড়াইয়ের সিদ্ধান্ত তিনি এখনও নেননি বলে দাবি করেছেন দ্বিগ্বিজয় সিং। যা দেখে রাজনৈতিক মহলের ধারণা, গান্ধী পরিবারের সবুজ সংকেতের অপেক্ষায় রয়েছেন তিনি।

    আরও পড়ুন: দেশের নয়া সিডিএস হচ্ছেন অনিল চৌহান, জানেন তিনি কে?

    মোদ্দা কথা হল, গান্ধী পরিবারের বাইরে কাউকে কংগ্রেস সভাপতি পদে বসিয়ে রিমোট নিজের হাতেই রাখার চেষ্টা করছেন সোনিয়া গান্ধী। এক্ষেত্রে শশী থারুর তাঁর যে না পসন্দ, তা বলার অপেক্ষা রাখে না। কারণ, কংগ্রেসের বিক্ষুব্ধ জি ২৩ নেতাদের সঙ্গে তাঁর এখনও ভালো যোগাযোগ হয়েছে। সেই কারণেই আজ্ঞাবহ নেতাকে দলের দায়িত্ব দেওয়ার জন্য রণকৌশল ঠিক করতে ব্যস্ত গান্ধী পরিবার। এক্ষেত্রে অশোক গেহলট প্রথম পছন্দ। কিন্তু রাজস্থানের নতুন মুখ্যমন্ত্রী চয়ন ঘিরে যেভাবে গেহলট পন্থিরী বিক্ষোভ দেখিয়েছেন, তাতে খুশি নন সোনিয়া। তাই গেহলটের উপর চাপ বাড়াতে দ্বিগ্বিজয় সিংয়ের নাম ভাসিয়ে দেওয়া হয়েছে। কংগ্রেসের এই বর্ষীয়ান নেতা গেহলটের মতো গান্ধী পরিবারের ভীষণই আস্থাভাজন বলে পরিচিত। শুধু তাই নয়, মধ্যপ্রদেশের আর এক প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী কমল নাথও কংগ্রেস সভাপতি নির্বাচনে লড়াই ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন। কিন্তু তাঁকে আবার পছন্দ নয় গান্ধী পরিবারের। আর মধ্যপ্রদেশের রাজনীতিতে দ্বিগ্বিজয় সিং বরাবরই কমল নাথ বিরোধী। তাই তাঁকে ময়দানে নামি সোনিয়া গান্ধী কি এক ঢিলে দুই পাখি মারার চেষ্টা করছেন?

    আরও পড়ুন: উৎসবের মরশুমে সুখবর, আরও তিনমাস বিনামূল্যে রেশন দেওয়ার সিদ্ধান্ত কেন্দ্রের

    যাই হোক, ৩০ সেপ্টেম্বর মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন। ইতিমধ্যেই শশী থারুর নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার কথা আগেই ঘোষণা করেছেন। মনোনয়ন তুলেছেন পবন বনসলও। এখন ১৭ অক্টোবরের নির্বাচনে কে কার মুখোমুখি হয়, সেটাই দেখার!

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Mohammed Shami: দশেরায় শুভেচ্ছা জানিয়ে মৌলবাদীদের আক্রমণের মুখে মহম্মদ শামি

    Mohammed Shami: দশেরায় শুভেচ্ছা জানিয়ে মৌলবাদীদের আক্রমণের মুখে মহম্মদ শামি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দশেরার শুভেচ্ছা জানিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি পোস্ট করেছিলেন ভারতীয় ক্রিকেট দলের তারকা পেসার মহম্মদ শামি (Mohammed Shami)। আর তাতেই চরমপন্থী মুসলিমদের কুনজরে পড়লেন তিনি। পোস্টটির ছবিতে দেখা যাচ্ছে যে, রাম হাতে তীর-ধনুক নিয়ে রাবণের দিকে তীর নিক্ষেপ করার নিশানা করছেন। তিনি পোস্টটিতে লেখেন, “দশেরার দিন প্রার্থনা করব আপনাদের জীবন যেন আনন্দ সম্মৃদ্ধি এবং সাফল্য ভরে ওঠে। এই কামনা করি।” মহম্মদ শামির এই পোস্টের পরেই সোশ্যাল মিডিয়ায় তীব্র কটাক্ষের শিকার হতে হয় তাঁকে।   

     

    শামি পোস্ট করা মাত্র তাঁর পোস্টটি ভাইরাল হয় এবং মৌলবাদীরা তাঁকে কাঠগড়ায় তোলা শুরু করে। তাদের দাবি, একজন মুসলমান হয়ে কেন তিনি হিন্দুদের উৎসবের শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন? শারীরিক  কারণে ভারতের টি-টোয়েন্টি দলে ফেরার সুযোগ হারিয়েছিলেন এই তারকা পেসার। তিনি বিশ্বকাপের দলে জায়গা পাবেন কিনা তা নিয়েও এখনো বড় প্রশ্ন চিহ্ন রয়েছে। বিশ্বকাপের (T-20 World Cup) দলে সুযোগ পাওয়ার জন্য বিধর্মীদের মতো আচরণ করছেন শামি। এমন অভিযোগও তোলা হয়েছে শামির বিরুদ্ধে। অনেকে শামির বিরুদ্ধে ফতোয়া জারি করার দাবিও জানিয়েছেন।  

    অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন, শামি কি সত্যিই মুসলিম? প্রকৃত মুসলিম হয়ে এই কাজ কীভাবে করলেন তিনি? কেউ কেউ বলেছেন, পথ ভুলে গিয়েছেন শামি, আল্লা তাঁকে রক্ষা করুন। অধিকাংশের মতে, অত্যন্ত লজ্জাজনক কাজ করেছেন শামি। তাঁর ট্যুইটের কমেন্ট সেকশন ভরে গিয়েছে “শেম অন শামি” বার্তায়। 

    আরও পড়ুন: অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে টি-টোয়েন্টি সিরিজ থেকেও ছিটকে গেলেন শামি, কেন জানেন?
      
    কিছুদিন আগে ঠিক এমনটাই ঘটেছিল বাংলাদেশের ক্রিকেটার লিটন দাসের সঙ্গে। তিনি মহালয়া উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানান। আর তারপরেই তাঁকে মৌলবাদীদের আক্রমণের মুখে পড়তে হয়।

    তবে সেই সময়ে লিটনের মতোই এবার শামিও নিজের পাশে পেয়েছেন। শামির পাশে দাঁড়িয়ে তাকে পাল্টা শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বহু ভক্ত। অনেকেই লিখেছেন, এটাই ভারতবর্ষ যেখানে সব ধর্ম একসঙ্গে অবস্থান করতে পারে। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

     
  • Adipurush Controversy: ‘আদিপুরুষ’- এ হিন্দু সংস্কৃতি নিয়ে উপহাস করা হয়েছে, দাবি বিশ্ব হিন্দু পরিষদের

    Adipurush Controversy: ‘আদিপুরুষ’- এ হিন্দু সংস্কৃতি নিয়ে উপহাস করা হয়েছে, দাবি বিশ্ব হিন্দু পরিষদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সম্প্রতি মুক্তি পেয়েছে বহু প্রতিক্ষিত বিগ বেজেট ছবি ‘আদিপুরুষ’- (Adipurush Controversy) এর প্রথম টিজার। টিজার মুক্তি পাওয়ার পর থেকেই যেন বিতর্ক পিছু ছাড়ছে না এই ছবির। প্রথমে ছবির ভিএফএক্স ব্যাপকভাবে সমালোচিত হয়। এবার ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত করার অভিযোগ উঠল ‘আদিপুরুষ’- এর নির্মাতাদের বিরুদ্ধে।  

    ইতিমধ্যেই সিনেমাটি নিষিদ্ধ করার দাবি তুলেছে ধর্মীয় হিন্দু সংগঠনগুলি। এবার এই সিনেমার বিরুদ্ধে হিন্দু সমাজ, হিন্দু সংস্কৃতি, হিন্দু ধর্মকে উপহাস করার অভিযোগ তুলল বিশ্ব হিন্দু পরিষদ (Viswa Hindu Parishad)। ভিএইচপি- র দাবি, ‘আদিপুরুষ’-এর টিজারে রাম, হনুমান এবং রাবণের চিত্র ঠিকভাবে উপস্থাপিত করা হয়নি। সিনেমাটি বয়কটের ডাকও দিয়েছে এই সংগঠন। এই সিনেমা কোনওভাবেই প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাবে না বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তাঁরা। 

    ভিএইচপি- র সম্বল ইউনিটের প্রচার প্রধান অজয় ​​শর্মা সংবাদমাধ্যমকে বলেন, “ভগবান রাম, রাবণ এবং লক্ষ্মণকে যেভাবে ‘আদিপুরুষ’-এ চিত্রিত করা হয়েছে, তা হিন্দুধর্মের উপহাস। হিন্দু সমাজের মূল্যবোধকে উপহাস করা হয়েছে। এটা মেনে নেওয়া হবে না। রাবণকে যেভাবে চিত্রিত করা হয়েছে এখানে, রামায়ণ এবং অন্যান্য ধর্মীয় শাস্ত্রের সঙ্গে তার কোনও মিল নেই।”

    অযোধ্যার রাম মন্দিরের তরফ থেকেও এই ছবিকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করার দাবি তোলা হয়েছে। মন্দিরের প্রধান পুরোহিত সত্যেন্দ্র দাস বলেন, “টিজারে যেভাবে রাম ও রাবণের চরিত্রকে দেখানো হয়েছে তার সঙ্গে পৌরাণিক চরিত্রের কোনও মিল নেই। এই চরিত্রায়ন সম্পূর্ণ ভুল এবং নিন্দনীয়। এই ছবিকে নিষিদ্ধ করার দাবি জানাচ্ছি আমরা।”

    উত্তরপ্রদেশের উপমুখ্যমন্ত্রী কেশব প্রসাদ মৌর্য এবং ব্রজেশ পাঠকও এ ছবিকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করার পক্ষেই সওয়াল করেছেন। বিজেপি মুখপাত্র মালবিকা অবিনাশ বলেছেন, “ছবিতে যে রাবণকে আকাশে উড়তে দেখা যাচ্ছে, সে আদৌ ভারতীয়? চোখে নীল মেকআপ, চামড়ার জ্যাকেট পরা ও কী মূর্তি! কেবলমাত্র সৃষ্টির অধিকার আছে বলেই যা খুশি করা যায় না বোধহয়! ছবি বানানো কোনও অপরাধ নয়। কিন্তু যা ইচ্ছে তাই করা উচিৎ নয়।” 

    আরও পড়ুন: মুক্তি পেয়েছে ‘আদিপুরুষ’- এর টিজার, মুগ্ধ দর্শক

    সোশ্যাল মিডিয়াতেও ব্যাপকভাবে ট্রোলড হয়েছে ছবির টিজার। রাবণের বেশে সইফকে দেখে হতভম্ব অনেকেই। অনেকের মতেই, লম্বা ঘন দাড়ি, ছোট ছোট চুল আর চোখে সুরমা পরা সইফকে রাবণ তো মনে হচ্ছেই না, বরং আলাউদ্দিন খিলজি বা বাবর বেশি মনে হচ্ছে। একজন লিখেছেন, সইফকে দেখে ঔরঙ্গজেবের মতো লাগছে না? রাবণের মতো একেবারেই দেখাচ্ছে না। রাবণ উত্তর ভারতের হিন্দু ব্রাহ্মণ ছিলেন। কিন্তু সইফকে দেখে মনে হচ্ছে যেন কোনো ইসলামিক অনুপ্রবেশকারী। এই দাবিও করেছেন অনেকে। আবার কেউ লিখেছেন, রাবণের বদলে রিজওয়ান বানিয়ে দেওয়া হয়েছে সইফকে। 

    গত ২ অক্টোবর মুক্তি পেয়েছে আদিপুরুষের প্রথম টিজার। পৌরাণিক এই গল্পে রামচন্দ্রের ভূমিকায় অভিনয় করেছেন দক্ষিণী সুপারস্টার প্রভাস। সীতার ভূমিকায় কৃতি স্যানন এবং রাবণের ভূমিকায় সইফ আলি খান। ছবিটি মুক্তি পাওয়ার কথা ২০২৩ সালের শুরুর দিকে। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

     
     
  • Mohan Bhagwat: হিন্দু শব্দের ওপর জোর দেব! জানেন দশেরার অনুষ্ঠানে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নিয়ে কী বললেন মোহন ভাগবত?

    Mohan Bhagwat: হিন্দু শব্দের ওপর জোর দেব! জানেন দশেরার অনুষ্ঠানে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নিয়ে কী বললেন মোহন ভাগবত?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দশেরার অনুষ্ঠানে নাগপুরে আরও একবার ‘অখণ্ড ভারত’ ও ‘হিন্দুরাষ্ট্রের’ কথা শোনা গেল রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের  (Rashtriya Swayamsevak Sangh) প্রধান মোহন ভাগবতের (Mohan Bhagwat)।   গলায়। বুধবারের অনুষ্ঠানে সংঘ প্রধান বলেন, “হিন্দু রাষ্ট্রের কথা সর্বত্র আলোচনা করা হয়। অনেকে এর সঙ্গে সহমত। অনেকে আবার এর বিরোধিতা করেন। হিন্দু শব্দটি নিয়েও অনেকের আপত্তি রয়েছে। কেউ যদি হিন্দু শব্দের পরিবর্তে সমার্থক অন্য শব্দ ব্যবহার করেন, সেক্ষেত্রে আমাদের কোনও আপত্তি নেই। তবে ধারণার স্বচ্ছতার জন্য আমরা আগেও যেমন হিন্দু শব্দের ওপর জোর দিয়েছি, এখনও হিন্দু শব্দের ওপর জোর দেব।”

    আরও পড়ুন: মোহন ভাগবতকে ‘রাষ্ট্রপিতা’ আখ্যা ভারতীয় ইমাম সংগঠনের

    সাম্প্রদায়িক হিংসা নিয়েও এদিন সরব হন মোহন ভাগবত। তিনি বলেন, “সাম্প্রদায়িক হিংসা ও বিদ্বেষ ছড়ানোর কাজ স্বাধীন ভারতেও পুরোদমে চলছে। এই সমস্ত মানুষরা নিজেদের স্বার্থের জন্য আমাদের কাছে আসে। এদের বিষয়ে আমাদের আরও সতর্ক হতে হবে। সংঘ কোনওদিন অন্য ধর্মের প্রতি বিদ্বেষ ছড়াতে বলে না।” এদিন সংঘ প্রধান সমাজে ঐক্যের কথাও তাঁর বক্তব্যে তুলে ধরেন। তিনি আরও বলেন, ভাষা ও সংস্কৃতিকে রক্ষা করতে সবাইকে জেগে উঠতে হবে। তিনি দাবি করেন, শিশুদের শুধু চাকরি পাওয়ার জন্য নয়, বরং ভালো সংষ্কার এবং উন্নত মানুষ হওয়ার জন্য শিক্ষা গ্রহন করতে হবে। তিনি বলেন,”সাধারণ মানুষের ভ্রান্ত ধারণা রয়েছে, ভালো কেরিয়ারের জন্য ইংরেজি জানা প্রয়োজন। তবে এটা একটা মিথের বাইরে কিছু নয়।”

    আরও পড়ুন: ‘‘রোজগার মানে কেবলমাত্র চাকরি নয়…’’, নাগপুরে মোহন ভাগবত

    এদিন বিশ্ব রাজনীতিতে ভারতের অবস্থান নিয়েও কথা বলেন ভাগবত। শ্রীলঙ্কার রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সঙ্কট, ইউক্রেন ও রাশিয়ার দ্বন্দ্বের প্রসঙ্গ টেনে আনেন সংঘ প্রধান। তিনি বলেন,”বিশ্বে আমাদের মর্যাদা ও বিশ্বাসযোগ্যতা বেড়েছে। আমরা শ্রীলঙ্কাকে ব্যাপকভাবে সাহায্য করেছি। ইউক্রেন ও রাশিয়ার সংঘাতে ভারতের মন্তব্য গুরুত্ব সহকারে শোনা হচ্ছে।” মোহন ভাগবত বলেছেন, করোনায় বিশ্বের বেশিরভাগ দেশের সঙ্গে ভারতের অর্থনীতির ওপর প্রভাব পড়েছে। কিন্তু ভারত সেই প্রভাব বর্তমানে কাটিয়ে উঠেছে। বিশ্বের বিভিন্ন অর্থনীতিবিদরা ভবিষ্যদ্বানী করেছেন, ভারতের অর্থনীতির আরও উন্নতি হবে। ভারত বর্তমানে ব্রিটেনকেও ছাড়িয়ে গিয়েছে। খেলাধুলার ক্ষেত্রে ভারতের অনেক অগ্রগতি হয়েছে। খেলোয়াড়রা দেশকে গর্বিত করেছে।

  • Modi-Zelenskyy: “আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে যুদ্ধ শেষ করতে হবে…”, জেলেনস্কিকে বললেন মোদি

    Modi-Zelenskyy: “আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে যুদ্ধ শেষ করতে হবে…”, জেলেনস্কিকে বললেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (Narendra Modi) সঙ্গে ফের কথা বললেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি (Volodymyr Zelenskyy)। আজ, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় টেলিফোনে কথা বলেন তাঁরা (Modi-Zelenskyy)। সূত্রের খবর অনুযায়ী, সম্প্রতি রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ (Russia-Ukraine War) পরিস্থিতির মধ্যে যেভাবে পারমাণবিক শক্তির তত্ত্ব উঠে আসছে, সেই নিয়ে মূলত দুই রাষ্ট্রপ্রধানের মধ্যে কথা হয়েছে। এর আগেও মোদি পুতিনকে (Vladimir Putin) রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ শেষ করার কথা বলেছিলেন, এবং আজও জেলেনস্কিকে যত দ্রুত সম্ভব যুদ্ধে ইতি টানার পরামর্শ দিয়েছেন মোদি। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ পরিস্থিতিতে প্রধানমন্ত্রীর অবস্থান নিয়ে প্রশংসা করেছেন বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রনেতারা। ফলে আজ আবার তাঁদের মধ্যের আলোচনা যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে বিশেষজ্ঞমহল।

    আরও পড়ুন: ইউক্রেনের চার অঞ্চলকে রাশিয়ায় যুক্ত করতে চলেছেন পুতিন?

    সূত্রের খবর অনুযায়ী, নরেন্দ্র মোদি ফোনে কথা বলার সময় বলেন, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে পরমাণুকেন্দ্রগুলি ক্ষতিগ্রস্ত হলে জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশের সুদূর প্রসারী ক্ষতি হতে পারে। নেমে আসতে পারে বিপর্যয়। তিনি এদিন আরও জানান, শান্তি বজায় রাখার জন্য যে কোনও ধরণের প্রচেষ্টায় অবদান রাখতে ভারত পুরোপুরি প্রস্তুত।

    প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে বিবৃতি জারি করে জানানো হয়েছে, যুদ্ধ থেকে কোনও সমাধান আসে না। আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে যুদ্ধ শেষ করতে হবে। প্রধানমন্ত্রী মোদি আবারও রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে সংকট থেকে বেরিয়ে আসার জন্য আলোচনা এবং কূটনীতির পথ অনুসরণ করার প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন। এছাড়াও আজ প্রধানমন্ত্রী মোদি রাষ্ট্রসংঘের সনদ, আন্তর্জাতিক আইন এবং সমস্ত দেশের সার্বভৌমত্ব ও আঞ্চলিক অখণ্ডতাকে সম্মানের কথাও স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন।  

    আরও পড়ুন: ‘রাশিয়া – ইউক্রেন যুদ্ধে ভারত শান্তির পক্ষে রয়েছে…’, রাষ্ট্রসংঘের সাধারণ সভায় ঘোষণা করলেন বিদেশমন্ত্রী

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।   

  • Narendra Modi: মানবিক মোদি! রাত ১০টায় সভায় এসে চাইলেন ক্ষমা, অ্যাম্বুল্যান্সের জন্য ছাড়লেন রাস্তা

    Narendra Modi: মানবিক মোদি! রাত ১০টায় সভায় এসে চাইলেন ক্ষমা, অ্যাম্বুল্যান্সের জন্য ছাড়লেন রাস্তা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিনি নিয়মের বাইরে নন। দেশের প্রধান হলেও নিয়ম তার জন্যও প্রযোজ্য। তাই রাত ১০টায় জনসভায় পৌঁছে মাইক ব্যবহার করলেন না। দেরিতে সভায় পৌঁছনোর জন্য চাইলেন ক্ষমা। সকলের সামনে আদর্শ স্থাপন করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Modi)। শুক্রবার রাজস্থানের সিরোহির আবু রোডের একটি সভায় পৌঁছতে দেরি হয়ে যায় তাঁর। তাই সভায় বক্তব্য না রেখে মাইক ছাড়াই সমাবেশে উপস্থিত সকলের কাছে ক্ষমা চাইলেন মোদি। সকলের উদ্দেশে মোদি বলেন, ‘আমার পৌঁছতে দেরি হয়ে গিয়েছে। এখন রাত ১০ টা বাজে। আমার বিবেক বলে, আমার নিয়ম নীতি মেনে চলা উচিত। তাই আমি আপনাদের কাছে ক্ষমা চাইছি।’

    পুনরায় ওখানে আসার প্রতিশ্রুতি দিয়ে মোদি আরও বলেন, ‘কিন্তু আমি আপনাদের কথা দিচ্ছি, আবার আসব আমি এখানে এবং আমাকে দেওয়া আপনাদের সব ভালবাসা সুদ সমেত ফিরিয়ে দেব।’ এই স্বল্প দৈর্ঘ্যের বক্তৃতাই এখন সোশ্যাল সাইটে ভাইরাল। এরপরই মঞ্চে হাঁটু গেড়ে বসে ‘ভারত মাতা কি জয়’ স্লোগান তোলেন মোদি। তাঁর সঙ্গে সঙ্গে উপস্থিত জনতাও স্লোগান দিয়ে ওঠেন। একাধিক বিজেপি নেতা এবং সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীরা প্রধানমন্ত্রীকে ব্যবহারের প্রশংসা করেছেন। তাঁর মাইক্রোফোন এবং লাউডস্পিকারের নিয়ম অনুসরণ করার জন্য তাঁকে বাহবা দিয়েছেন।

    এর আগেও এদিন মোদির মানবিক রূপ দেখেন দেশবাসী। অ্যাম্বুল্যান্সকে জায়গা দেওয়ার জন্য থেমে যায় প্রধানমন্ত্রীর কনভয়। শুক্রবার আমেদাবাদ থেকে গান্ধীনগরে (Gujarat) যাচ্ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Modi)। সোশ্যাল মিডিয়াতে ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে ধীরে ধীরে বাঁদিকে সরে গিয়ে অ্যাম্বুল্যান্সকে পথ করে দিচ্ছে মোদির কনভয়। প্রধানমন্ত্রীর ভিডিয়ো পোস্ট করে গুজরাটের স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হর্ষ সাংভি লিখেছেন, ‘জনগণের সরকার। আমেদাবাদ থেকে গান্ধীনগর যাওয়ার পথে অ্যাম্বুল্যান্সকে পথ দিতে থামল প্রধানমন্ত্রীর কনভয়।’আর কিছু দিন বাদেই গুজরাটে বিধানসভা নির্বাচন। তার আগে নবরাত্রী উৎসবের মধ্যে নিজের রাজ্যে গিয়েছেন মোদি। গুজরাটে প্রায় ২৯ হাজার কোটি টাকার প্রকল্প উদ্বোধন করছেন তিনি। শুক্রবার বন্দে ভারত এক্সপ্রেসেরও উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। 

  • PFI: কেন্দ্রের নিষিদ্ধ ঘোষণার পরেই, পিএফআইকে ‘বেআইনি সংগঠন’ আখ্যা তিন রাজ্যের

    PFI: কেন্দ্রের নিষিদ্ধ ঘোষণার পরেই, পিএফআইকে ‘বেআইনি সংগঠন’ আখ্যা তিন রাজ্যের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বুধবারই পপুলার ফ্রন্ট অফ ইন্ডিয়ার (PFI) ওপর পাঁচ বছরের জন্যে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে ভারত সরকার (Central Goverment)। কেন্দ্রের নিষেধাজ্ঞা জারি করার পরেই তামিলনাড়ু (Tamil Nadu), কেরল (Kerala) এবং মহারাষ্ট্র (Maharashtra) সরকারও পিএফআই- কে এই রাজ্যগুলিতে ‘বেআইনি সংগঠন’ (Unlawful Association) ঘোষণা করেছে। বৃহস্পতিবার তিন রাজ্যের তরফে, বিজ্ঞপ্তি জারি করে জানানো হয়েছে, রাজ্যগুলিতে পিএফআই-এর সব অফিস বন্ধ করে দেওয়া হবে। এই সংগঠনের সঙ্গে জড়িত সব ব্যাংক অ্যাকাউন্টও বন্ধ করা হবে বলে জানিয়েছে রাজ্যগুলি। এই রাজ্যগুলিতেই এই নিষিদ্ধ সংগঠনের সব থেকে বেশি বাড়বাড়ন্ত ছিল। শুধুমাত্র কেরলেই সংগঠনটির ১৪০-এর বেশি  অফিস রয়েছে। এই দলের সঙ্গে যুক্ত যে কোনও ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে পারবে পুলিশ। এমনটাই বলা হয়েছে সরকারি বিজ্ঞপ্তিতে।  তাদের সোশ্যাল মিডিয়ার গতিবিধিতেও নজর রাখা হবে। 

    আরও পড়ুন: নিষিদ্ধ ঘোষিত হওয়ার আগে পিএফআইকে প্রকাশ্যে সমর্থন পাকিস্তান দূতাবাসের

     

     

    ইতিমধ্যেই পিএফআই-এর ট্যুইটার অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। ফেসবুক, ইনস্টাগ্রামের থেকেও সরিয়ে দেওয়া হয়েছে পিএফআই-কে। সেই সঙ্গে এই দলের সঙ্গে যুক্ত নেতাদের অ্যাকাউন্টও বন্ধ হয়ে গিয়েছে। সংগঠনটির অফিসিয়াল ট্যুইটার অ্যাকাউন্টে ৮১ হাজার ফলোয়ার ছিল। দলের চেয়ারপার্সন ওএমএ সালামের ট্যুইটারে ফলোয়ার সংখ্যা ছিল প্রায় ৫০ হাজার। দলের সাধারণ সম্পাদক আনিস আহমেদের ফলোয়ার সংখ্যা ছিল প্রায় ৮৫ হাজার। সব কটি অ্যাকাউন্টই সরিয়ে দেওয়া হয়েছে ট্যুইটার থেকে।   

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

LinkedIn
Share