Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Real Shiv Sena tussle: আসল শিবসেনা কারা, সিদ্ধান্ত নেবে নির্বাচন কমিশন, সাফ জানাল সুপ্রিম কোর্ট

    Real Shiv Sena tussle: আসল শিবসেনা কারা, সিদ্ধান্ত নেবে নির্বাচন কমিশন, সাফ জানাল সুপ্রিম কোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আসল শিবসেনা (Shiv Sena) কারা? সেই সিদ্ধান্ত নেওয়ার ভার নির্বাচন কমিশনকেই দিল দেশের শীর্ষ আদালত (Supreme Court)। উদ্ধব ঠাকরে (Uddhav Thackeray) এবং একনাথ শিন্ডের (Eknath Shinde) এই লড়াইয়ে রেফারির ভূমিকায় থাকবে কমিশন। শীর্ষ আদালত জানিয়েছে, শিবসেনার প্রতীক নিয়ে মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য শুনতে পারবে কমিশন। কে প্রকৃত শিবসেনা, তা বাছাইয়ের দায়িত্ব যাতে নির্বাচন কমিশন না পায়, সে জন্য সুপ্রিম কোর্টে আবেদন জানিয়েছিল মহারাষ্ট্রের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরের গোষ্ঠী।  

    আরও পড়ুন: ইয়াকুবের কবর সৌন্দর্যায়ন, দোষীদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস শিন্ডের          
      
    মঙ্গলবার উদ্ধবদের আর্জি খারিজ করে দিয়েছে বিচারপতি ডি ওয়াই চন্দ্রচূড়ের নেতৃত্বাধীন সুপ্রিম কোর্টের একটি সাংবিধানিক বেঞ্চ। প্রকৃত শিবসেনা হিসেবে স্বীকৃতি এবং শিবসেনার তির-ধনুক প্রতীক প্রদানের যে দাবি জানিয়েছে শিন্ডে শিবির, তা যাতে কমিশন না শোনে, সেই আর্জি জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টে পিটিশন দাখিল করেছিল উদ্ধব শিবির। মঙ্গলবার সেই পিটিশন খারিজ করে দিয়েছে আদালত।   

    শীর্ষ আদালতের পাঁচ সদস্যের সাংবিধানিক বেঞ্চ জানিয়েছে, “নির্বাচন কমিশনে সওয়াল-জবাবে কোনও স্থগিতাদেশ দেওয়া হবে না বলে নির্দেশ দিচ্ছি আমরা।” যে বেঞ্চে আছেন বিচারপতি এমআর শাহ, বিচারপতি কৃষ্ণ মুরারী, বিচারপতি হিমা কোহলি এবং বিচারপতি পিএস নরসীমা। 

    আরও পড়ুন: বিজেপির সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছেন উদ্ধব, তাঁর শিক্ষা পাওয়া প্রয়োজন, জানালেন শাহ

    মঙ্গলবার শুনানির সময় উদ্ধব পক্ষের আইনজীবী কপিল সিব্বল দাবি করেন, বহিষ্কৃত হওয়ার পরে শিবসেনার প্রতীক প্রদানের দাবি জানিয়ে কমিশনের কাছে যেতে পারেন না শিন্ডেরা। শিন্ডে পক্ষের আইনজীবী নীরজ কিষান কৌল পাল্টা দাবি করেন, কমিশনের কাছে শিন্ডে শিবিরের প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন ১.৫ লক্ষ শিবসেনা সমর্থক। ভোটের আগে দুই শিবিরের সমস্যা হয়েছিল। বিধানসভায় আস্থা ভোটের একদিন আগেই মুখ্যমন্ত্রিত্ব ছেড়ে দিয়েছেন উদ্ধব। এ থেকে ধরেই নেওয়া যায় সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারিয়েছিলেন উদ্ধব ঠাকরে। তাই উদ্ধবদের পিটিশনের কোনও ভিত্তি নেই।     
     
    একনাথ শিন্ডের নেতৃত্বে শিবসেনা বিধায়কদের একাংশের বিদ্রোহের জেরে মহারাষ্ট্রে তিন মাস আগেই উদ্ধভ ঠাকরের সরকারের পতন হয়েছে। তারপর বিজেপির সঙ্গে হাত মিলিয়ে গত ৩০ জুন মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন শিন্ডে। শপথ নেওয়ার এক সপ্তাহ পরই, সংযুক্তিকরণ, বহিষ্কারের মতো বিষয়গুলিতে একনাথের বিরুদ্ধে নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয় উদ্ধব শিবির। সেইসময় উদ্ধবের আইনজীবীরা দাবি করেছিলেন, শুধুমাত্র অপর কোনও রাজনৈতিক দলের সঙ্গে মিশে গেলে সংবিধান দশম তফসিলের আওতায় শিবসেনা থেকে বহিষ্কারের হাত থেকে রেহাই পেতে পারেন শিন্ডেরা। যে বিষয়টি নিয়েও মঙ্গলবারও সওয়াল-জবাব হয় আদালতে।      

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

  • Ban PFI: জঙ্গি-যোগ! পিএফআই কে নিষিদ্ধ ঘোষণা করার আর্জি দেশজুড়ে, তল্লাশি চালিয়ে কী পেল এনআইএ?

    Ban PFI: জঙ্গি-যোগ! পিএফআই কে নিষিদ্ধ ঘোষণা করার আর্জি দেশজুড়ে, তল্লাশি চালিয়ে কী পেল এনআইএ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশে নিষিদ্ধ হতে চলেছে ইসলামিক সংগঠন পপুলার ফ্রন্ট অফ ইন্ডিয়া (PFI)। বিভিন্ন অসামাজিক ও দেশবিরোধী কার্যকলাপে জড়িত থাকার অভিযোগ উঠেছে ২০০৬ সালে গঠিত, এই সংগঠনটির বিরুদ্ধে। অভিযোগ , সন্ত্রাসে মদত দিচ্ছে পিএফআই। সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপের জন্য অর্থ সংগ্রহ করছে তারা। তাই দেশ জুড়ে পিএফআইকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করার দাবি জোড়াল হয়েছে। গোয়েন্দা সূত্রের খবর, কেন্দ্রীয় সরকার খুব শীঘ্রই পপুলার ফ্রন্ট অফ ইন্ডিয়াকে (পিএফআই) নিষিদ্ধ করতে পারে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের কাছে এই দলটিকে বেআইনি ঘোষণা করার জন্য যথেষ্ট প্রমাণও রয়েছে, বলে খবর। 

    আরও পড়ুন: পিএফআই-এর বিরুদ্ধে বাংলা সহ ১০ রাজ্যে ইডি-এনআইএ যৌথ হানা, গ্রেফতার ১০০

    বৃহস্পতিবার দেশজুড়ে তল্লাশি অভিযান চালিয়েছে ন্যাশনাল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি (NIA) ও এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ED)। কেরল সহ একাধিক রাজ্যে নিষিদ্ধ সংগঠন পপুলার ফ্রন্ট অব ইন্ডিয়ার বিভিন্ন সংগঠনেই হানা দিয়েছে কেন্দ্রীয় দুই তদন্তকারী সংস্থা। এখনও অবধি ১০০ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলেও জানা গিয়েছে। গ্রেফতার করা হয়েছে পিএফআইয়ের প্রধান পারভেজ আহমেদকেও। কেরল, তামিলনাড়ু, কর্নাটক, অন্ধ্রপ্রদেশ, মহারাষ্ট্র, তেলেঙ্গানা, উত্তর প্রদেশ, রাজস্থান, দিল্লি, অসম, মধ্যপ্রদেশ, গোয়া, পশ্চিমবঙ্গ, বিহার, মণিপুরে প্রায় ৩০০ এনআইএ অফিসার একযোগে তল্লাশি চালায়।  ৫টি মামলায় মোট ১০৬ জন পিএফআই সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তার মধ্যে ৪৫ জন নেতা। কেরল থেকে সর্বাধিক ১৯ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তারপরেই রয়েছে তামিলনাাড়ু। সেখান থেকে ১১জনকে গ্রেফতার করা হয়। এছড়া কর্নাটক থেকে ৭ জন, অন্ধ্রপ্রদেশ থেকে ৪, রাজস্থান থেকে ২, তেলেঙ্গানা এবং উত্তর প্রদেশ থেকে ১ জন করে গ্রেফতার করা হয়েছে।

    আরও পড়ুন: অবশেষে এনআইএ-এর জালে মাওবাদী নেতা সম্রাট চক্রবর্তী, জানেন কীভাবে?  

    এনআইএ-র দাবি, পিএফআই নেতারা একাধিক জায়গায় জঙ্গি কার্যকলাপ, এবং জঙ্গি প্রশিক্ষণ শিবিরের আয়োজন করতেন। তাঁরা অস্ত্র চালনার প্রশিক্ষণও দেন। তল্লাশিতে প্রচুর টাকা, অস্ত্র এবং বিপুল ডিজিটাল ডিভাইস উদ্ধার করা হয়েছে। এনআইএ-এর অভিযানের প্রতিবাদে কেরল এবং কর্নাটকের বিভিন্ন অঞ্চলে বিক্ষোভ দেখিয়েছেন পিএফআই সদস্যরা। শুক্রবার কেরলে ১২ ঘণ্টার বনধের ডাকও দিয়েছে সংগঠন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • PFI: কেন, কোন ধারায় নিষিদ্ধ পিএফআই? কী অপেক্ষা করছে এই জঙ্গি সংগঠনের জন্য?

    PFI: কেন, কোন ধারায় নিষিদ্ধ পিএফআই? কী অপেক্ষা করছে এই জঙ্গি সংগঠনের জন্য?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  পাঁচ বছরের জন্য পপুলার ফ্রন্ট অফ ইন্ডিয়াকে (PFI) নিষিদ্ধ ঘোষণা করল কেন্দ্র। বেআইনি কাজকর্মের জন্য পিএফআইয়ের সমস্ত সহযোগী সংস্থা এবং অনুমোদিত সংস্থার উপরও নিষেধাজ্ঞা চাপানো হয়েছে। অনলাইনেও পপুলার ফ্রন্ট অফ ইন্ডিয়ার (পিএফআই) গতিবিধি রুখতে পদক্ষেপ করছে কেন্দ্র। পিএফআই এবং আটটি সহযোগী সংস্থার সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট এবং ওয়েবসাইট ব্লক (Social Sight) করে দেওয়ার জন্য নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। এখন প্রশ্ন হল কেন এই নিষেধাজ্ঞা? এরপরে কী হতে পারে? আসলে পিএফআই কে, কী এদের ভবিষ্যৎ?

    পিএফআই-এর জন্ম
    পপুলার ফ্রন্ট অব ইন্ডিয়া একটি ইসলামিক উগ্রপন্থী সংগঠন। ১৯৯২ সালে বাবরি মসজিদ ধ্বংস হয়। তার পরই তিনটি মুসলিম সংগঠন একত্রিত হয়ে এই সংগঠন তৈরি করে। ২০০৬ সালে গঠিত এই সংগঠনের নাম ছিল ন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট ফ্রন্ট। পরবর্তী সময়ে মানিথা নীতি পাসারাই, কর্নাটক ফোরাম ফর ডিগনিটি সহ একাধিক সংগঠন মিলিত হয়ে পপুলার ফ্রন্ট অব ইন্ডিয়া তৈরি করে। দেশবিরোধী ও সমাজবিরোধী কার্যকলাপের সঙ্গেই যুক্ত ছিল এই সংগঠন।

    আরও পড়ুন: নিষিদ্ধ হচ্ছে পিএফআই? দেশ জুড়ে এনআইএর দ্বিতীয় দফার অভিযানের পর বৈঠকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক

    কেন নিষিদ্ধ
    দেশবিরোধী কার্যকলাপের সঙ্গে জড়িত থাকার প্রমাণের সাপেক্ষেই এই সংগঠনকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে, বলে জানিয়েছে কেন্দ্র। ভারত সরকারের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, একাধিক অপরাধমূলক কাজ এবং সন্ত্রাসমূলক কাজকর্মে জড়িত আছে পিএফআই। বিদেশ থেকে অর্থ সাহায্যও পায়। যা দেশের অভ্যন্তরীণ সুরক্ষার ক্ষেত্রে বড়সড় উদ্বেগের বিষয়। এই সংগঠনটিকে নিষিদ্ধ করার দাবি জানান হয়েছিল বিভিন্ন রাজ্যের তরফে। পরে তদন্তকারী সংস্থার রিপোর্টের ভিত্তিতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বেআইনি কার্যকলাপ প্রতিরোধ আইন ১৯৬৭ এর ৩৫ নম্বর ধারার অধীনে দেশে ৪২ টি জঙ্গি সংগঠনকে নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। পিএফআই-কেও এই ধারায় নিষিদ্ধ করা হয়। এই আইনের ৩৫ নম্বর ধারায় উল্লেখ রয়েছে, যদি কোনও সংগঠন সন্ত্রাসবাদের প্রচার করে, বিভিন্ন সন্ত্রাসবিরোধী কার্যকলাপে লিপ্ত থাকে তাহলে সেই সংগঠনকে সন্ত্রাসবাদী সংগঠন হিসেবে গণ্য় করা হবে।

    আরও পড়ুন: পাঁচ বছরের জন্য নিষিদ্ধ পিএফআই! মিলেছে জঙ্গি যোগের প্রমাণ, কী বলছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক?

    পিএফআই-এর ভবিষ্যৎ
    সন্ত্রাসবিরোধী আইনে পিএফআই-র পাশাপাশি আরও আটটি সংগঠনের উপরও নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। বুধবার ইউএপিএ আইনের অধীনে আগামী পাঁচ বছরের জন্য নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে পিএফআই (PFI) সংগঠনকে। শুধু পিএফআই-ই নয়, এরসঙ্গে যুক্ত একাধিক সংগঠন যেমন সিএফআই, অল ইন্ডিয়া ইমাম কাউন্সিল, রিহ্যাব ইন্ডিয়া ফাউন্ডেশন, ন্যাশনাল উইমেন্স ফ্রন্টকেও বেআইনি কার্যকলাপের সঙ্গে যুক্ত সংগঠন বলে ঘোষণা করা হয়েছে। এই দল যাতে সংবিধানের বিভিন্ন ধারা দেখিয়ে আইনি পথে না যেতে পারে তারও ব্যবস্থা করছে কেন্দ্র। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক সূত্রে খবর, ভারতকে ২০৪৭ সালের মধ্যে ইসলামিক রাষ্ট্রে পরিণত করতে চেয়েছিল পিএফআই। যা ভারতের ধর্মনিরপেক্ষতার আদর্শকে খণ্ডন করে। এই দল পাঁচ বছরের জন্য নিষিদ্ধ হওয়ায় এদেরকে আর কেউ অর্থনৈতিকভাবে সাহায্য করতে পারবে না। করলে তারাও আইন ভঙ্গ করবে। ফলে ভিবিষ্যতে পিএফআইয়ের ঘুরে দাঁড়ানোর সম্ভাবনা ক্ষীণ।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Flipkart Sale: শুরু হল ফ্লিপকার্টের ‘বিগ বিলিয়ন ডে’জ’, সদস্যদের জন্য থাকছে বিশেষ সুবিধা

    Flipkart Sale: শুরু হল ফ্লিপকার্টের ‘বিগ বিলিয়ন ডে’জ’, সদস্যদের জন্য থাকছে বিশেষ সুবিধা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ থেকে শুরু হয়ে গেল ফ্লিপকার্টের (Flipkart) ‘দ্য বিগ বিলিয়ন ডে’জ’ (‘The Big Billion Days’)। উৎসবের মরশুমে আর কী চাই! কারণ এই বিগ বিলিয়ন ডেইসে থাকে জামা-কাপড় থেকে শুরু করে ইলেকট্রনিক জিনিস প্রায় সবেতেই আকর্ষণীয় ছাড়। পুজোতে তো কেনাকাটা করতেই হবে। তাই অনলাইন শপিং থেকে এখন ভালো আর কী হতে পারে! এই সেল ২৩ সেপ্টেম্বর থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চলবে। তবে জানেন কী, যারা ফ্লিপকার্টের প্লাস মেম্বার (Plus Member) তাঁরা সেল শুরু হওয়ার ২৪ ঘণ্টা অর্থাৎ এক দিন আগে থেকেই আকর্ষণীয় ছাড়ে জিনিসপত্র কিনতে পারবেন।

    কী এই ফ্লিপকার্ট প্লাস?

    যারা ফ্লিপকার্টে একটি নির্দিষ্ট পরিমাণে শপিং করেছেন, তাদের জন্য কেবল এই ফ্লিপকার্ট প্লাস মেম্বার হওয়ার সুযোগ রয়েছে। গ্রাহকদের সঙ্গে সংস্থার সম্পর্ক উন্নত করতে এবং তাঁদের অতিরিক্ত সুবিধা দেওয়ার জন্য এমন পরিষেবা তৈরি করেছে ফ্লিপকার্ট। প্লাসে যোগদান করার জন্য, আপনাকে কেনাকাটা করে ১২ মাসে কমপক্ষে ২০০টি সুপারকয়েন অর্জন করতে হবে। এই প্লাস মেম্বার হলে ছাড়ের ওপরেও অনেক সুবিধা পাওয়া যায়। যেমন- গ্রাহকরা বিনামূল্যে শিপিং, আরলি অ্যাক্সেস টু সেল (early access to sales), সুপারকয়েন ব্যবহার করে জিনিসের দামও কমানোর সুযোগ থাকে। আর তাই প্লাস মেম্বার হলেই সেল শুরুর আগে আপনি সেলের দামে যা কিছু কিনতে পারবেন (Early Access To Sale)।

    আরও পড়ুন: শুরু হচ্ছে অ্যামাজন গ্রেট ইন্ডিয়ান ফেস্টিভ্যাল সেল! জানুন কিসে মিলবে ছাড়

    পুজোর আগে এই ছাড়ের জন্যই অনেকেই অপেক্ষায় বসে থাকেন। কারণ এটি বছরের সবচেয়ে বেশি ছাড় দেওয়ার সময়। এবছর ইলেকট্রনিক গ্যাজেট এবং স্মার্টফোন, স্মার্টওয়াচ, টিভি, ল্যাপটপ ইত্যাদি ডিভাইসে প্রায় ৮০ শতাংশ পর্যন্ত ছাড় দেওয়া হচ্ছে। এছাড়াও ফ্লিপকার্টের সঙ্গে কিছু ব্যাঙ্কেরও চুক্তি করা থাকে, যাতে সেই নির্দিষ্ট ব্যাঙ্কের ডেবিট বা ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে কেনাকাটা করলে অতিরিক্ত ছাড় পাওয়া যায়। এবছর, ICICI ব্যাঙ্ক এবং Axis ব্যাঙ্কের সঙ্গে চুক্তি করেছে ফ্লিপকার্ট। এর ফলে এই ব্যাঙ্কগুলোর কার্ড ব্যবহার করলে গ্রাহকদের ক্রয়ের উপর ১০ শতাংশ অতিরিক্ত ছাড় দেওয়া হবে। 

  • Postal ballot: পোস্টাল ব্যালটে কারচুপি রুখতে সক্রিয় কমিশন! সুপারিশ আইনমন্ত্রকের কাছে

    Postal ballot: পোস্টাল ব্যালটে কারচুপি রুখতে সক্রিয় কমিশন! সুপারিশ আইনমন্ত্রকের কাছে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নির্বাচনে স্বচ্ছতা আনতে পোস্টাল ব্যালটে ভোটদানের ক্ষেত্রে কিছু পরিবর্তন করতে চায় জাতীয় নির্বাচন কমিশন (Election Commission of India। এই মর্মে কমিশনের তরফে সরকারের কাছে একটি সুপারিশ পত্রও পাঠানো হয়েছে। কেন্দ্রীয় আইন মন্ত্রকের (Law Ministry) কাছে এ নিয়ে একটি চিঠি দিয়েছেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার রাজীব কুমার (Rajiv Kumar)।

    আরও পড়ুন: আইন সংশোধনের আর্জি! নির্বাচনে কালো টাকার রমরমা রুখতে সুপারিশ কমিশনের

    নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর, ভোটকর্মী, সরকারি কর্মী যাঁরা পোস্টাল ব্যালটে ভোট দেন তাঁরা অনেক সময় দীর্ঘদিন নিজেদের কাছে ব্যালট পেপারটা রেখে দেন। অনেক সময় ভোটগ্রহণ কেন্দ্রেও নিয়ে যান বলে নানা জায়গা থেকে অভিযোগ এসেছে। তাঁরা ওই ব্যালট পেপার দেখিয়ে অন্যকে ভোট দানে প্রভাবিত করেন, এমনও শোনা গিয়েছে। তাই এই পদ্ধতির পরিবর্তন প্রয়োজন। এর জন্য  ১৯৫১ সালের জনপ্রতিনিধিত্ব আইন সংশোধনও জরুরি।  জনপ্রতিনিধিত্ব আইন সংশোধন করতে পারে সরকার। তাই এই চিঠি দেওয়া হয়েছে। 

    আরও পড়ুন: প্রাইমারিতে লক্ষ লক্ষ টাকার বিনিময়ে চাকরি বিক্রি হয়েছে! চার্জশিটে দাবি ইডির

    কমিশনের তরফে সুপারিশ করা হয়েছে,  জাতীয় নির্বাচনের সময় সারা দেশে কয়েক লক্ষ ভোটকেন্দ্র স্থাপন করা হয়। সেইসব ভোট গ্রহণ কেন্দ্রে যাঁরা কাজ করেন সেই সরকারি কর্মীরা বা নিরাপত্তাকর্মীরা নিজেরা গিয়ে ভোট দিতে পারেন না। প্রায় এক কোটি ভোটার নির্বাচনী দায়িত্ব পালন করেন। এই ধরনের ভোটারদের মধ্যে রয়েছে পুলিশ কর্মী, পোলিং অফিসার এবং প্রিসাইডিং অফিসাররা যারা নির্বাচন প্রক্রিয়ার সাথে জড়িত। তাঁদের জন্য পোস্টাল ব্যালটের সুবিধা রয়েছে। কমিশনের পক্ষে বলা হয়েছে, তাঁরা যেখানে ভোট গ্রহণের জন্য প্রশিক্ষণ নিতে যান, সেই সেন্টারগুলি থেকেই যেন পোস্টাল ব্যলট ইস্যুর সঙ্গে সঙ্গেই তা জমা করে দেন। দ্রুত ব্যালট পেপার ডাকযোগে পাঠিয়ে দেওয়া হলে, তাতে কারচুপির পরিমাণ কম হবে। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • PFI: পাঁচ বছরের জন্য নিষিদ্ধ পিএফআই! মিলেছে জঙ্গি যোগের প্রমাণ, কী বলছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক?

    PFI: পাঁচ বছরের জন্য নিষিদ্ধ পিএফআই! মিলেছে জঙ্গি যোগের প্রমাণ, কী বলছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের আভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার স্বার্থে পপুলার ফ্রন্ট অফ ইন্ডিয়াকে (PFI) পাঁচ বছরের জন্য নিষিদ্ধ করল কেন্দ্র সরকার। বেআইনি কাজকর্মের জন্য পিএফআইয়ের সমস্ত সহযোগী সংস্থা এবং অনুমোদিত সংস্থার উপরও নিষেধাজ্ঞা চাপানো হয়েছে। যে নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ অবিলম্বে কার্যকর হচ্ছে বলে জানিয়েছে সরকার। বুধবার একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করে পিএফআই এবং এর অনুমোদন পাওয়া দলগুলিকে বেআইনি কার্যকলাপ প্রতিরোধ আইন (UAPA)-এর আওতায় নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে কেন্দ্র।এ প্রসঙ্গে বিজেপির আইটি সেলের প্রধান অমিত মালব্য ট্যুইট করে জানান, এরপর বিরোধীরা অনেক কথা বলবে। কিন্তু দেশের নিরাপত্তার স্বার্থে এই পদক্ষেপ জরুরি।

    সরকারের তরফে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, পিএফআই সামনে থেকে আর্থ-সামাজিক এবং শিক্ষার উন্নতির জন্য কাজ করছে বলে জানালেও আসলে তারা সমাজের একটি নির্দিষ্ট অংশে সাম্প্রদায়িকতার বীজ বপন করে যাচ্ছে। ছড়াচ্ছে উগ্রপন্থা। মানুষে মানুষে ভেদাভেদ সৃষ্টি করছে। হিংসা ছড়াচ্ছে যা দেশের গণতান্ত্রিক ভিত্তিকে নষ্ট করছে। বিজ্ঞপ্তিতে এ-ও বলা হয়েছে, পিএফআই এবং এর সহযোগী দলগুলি যে বেআইনি কার্যকলাপের যুক্ত আছে তা ‘দেশের অখণ্ডতা, সার্বভৌমত্ব এবং নিরাপত্তার জন্য ক্ষতিকর’। এই দলগুলি সক্রিয় থাকলে দেশের শান্তি ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। বিদেশ থেকেও অর্থ সাহায্য পায় পিএফআই, যা দেশের অভ্যন্তরীণ সুরক্ষার ক্ষেত্রে বড়সড় উদ্বেগের বিষয় বলে জানিয়েছে কেন্দ্র। 

    আরও পড়ুন: নিষিদ্ধ হচ্ছে পিএফআই? দেশ জুড়ে এনআইএর দ্বিতীয় দফার অভিযানের পর বৈঠকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক

    উল্লেখ্য, গত সপ্তাহ থেকে দেশ জুড়ে পিএফআইয়ের বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। মঙ্গলবার চলে দ্বিতীয় দফার অভিযান। এরপরেই বৈঠক ডাকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। পিএফআই-সহ বাকি শরিক দলগুলিকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে সরকারের তরফে জানানো হয়েছে, স্টুডেন্টস ইসলামিক মুভমেন্ট অফ ইন্ডিয়া (সিমি), জামাত-উল-মুজাহিদিন বাংলাদেশ (জেএমবি) এবং ইসলামিক স্টেট অফ ইরাক অ্যান্ড সিরিয়া (আইএসআইএস) এর সঙ্গেও এই দলগুলির যোগসূত্র আছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • BJP reaction on PFI Ban:  ‘‘মোদি-জমানার ভারত…’’, পিএফআই নিষিদ্ধ হওয়ায় প্রতিক্রিয়া বিজেপির

    BJP reaction on PFI Ban: ‘‘মোদি-জমানার ভারত…’’, পিএফআই নিষিদ্ধ হওয়ায় প্রতিক্রিয়া বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী পাঁচ বছরের জন্য নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হল পপুলার ফ্রন্ট অফ ইন্ডিয়া (Popular Front of India), সংক্ষেপে পিএফআইকে (PFI)। দেশজুড়ে বেআইনি কাজকর্মের জন্য পিএফআইয়ের সব সহযোগী সংস্থা এবং ওই সংগঠন অনুমোদিত সংস্থাগুলির ওপরও জারি করা হয়েছে নিষেধাজ্ঞা। কেন্দ্রের পিএফআই নিষেধাজ্ঞার (PFI Ban) এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন বিজেপি (BJP) নেতারা।

    বিজেপির জাতীয় সাধারণ সম্পাদক অরুণ সিং বুধবার বলেন, দেশের অখণ্ডতা বজায় রাখার জন্য পপুলার ফ্রন্ট অফ ইন্ডিয়ার (Popular Front of India) ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা প্রয়োজন ছিল। তিনি বলেন, যখন রাজস্থানের বিভিন্ন জেলায় দাঙ্গার ঘটনা ঘটেছিল, আমরা বলেছিলাম পিএফআই যুক্ত ছিল। কর্নাটকে যখন সিদ্ধারামাইয়া ক্ষমতায় ছিলেন, তখন ২৩ জনেরও বেশি খুন হয়েছিলেন। দেশের অখণ্ডতা বজায় রাখতে পিএফআই ব্যান (PFI Ban) জরুরি ছিল।

    আরও পড়ুন : পাঁচ বছরের জন্য নিষিদ্ধ পিএফআই! মিলেছে জঙ্গি যোগের প্রমাণ, কী বলছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক?

    কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রী বাসবরাজ বোম্মাই বলেন, দীর্ঘ দিন ধরে দেশবাসী এটা চাইছিলেন। সিপিআই, সিপিএম এবং কংগ্রেস সহ সব রাজনৈতিক দলও এটাই চাইছিলেন। পিএফআই (Popular Front of India) সিমি এবং কর্নাটক ফোরাম ফর ডিগনিটির অবতার। তারা দেশবিরোধী কার্যকলাপ ও হিংসার ঘটনায় যুক্ত।

    পিএফআই ব্যানকে স্বাগত জানিয়েছেন আসামের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা। যারা দেশবিরোধী কার্যকলাপে লিপ্ত, সরকার তাদের কড়া হাতে দমন করবে। ভারতে  এখন মোদি যুগ চলছে। তিনি লেখেন, আসাম সরকার ইতিমধ্যেই ব্যবস্থা নিয়েছে। আমরা পিএফআই ও সিএফআইয়ের অফিস সিল করেছি। গ্রেফতার করা হয় পিএফআইয়ের কিছু সদস্যকে। আরও গ্রেফতার করা হবে। 

    পিএফআই নিষেধাজ্ঞার (PFI Ban) সরকারি সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী একনাথ শিন্ডেও। ধন্যবাদ জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে। ট্যুইটে তিনি লেখেন, মহারাষ্ট্রে অশান্তি পাকাতে চেয়েছিল পিএফআই। সাম্প্রদায়িক বিভেদ সৃষ্টির পরিকল্পনাও করছিল। অন্য একটি ট্যুইটে তিনি লেখেন, পিএফআই পাকিস্তান জিন্দাবাদ স্লোগান তুলেছিল। দেশে থেকে এ স্লোগান দেওয়ার অধিকার তাদের নেই। কেন্দ্র সঠিক সিদ্ধান্তই নিয়েছে। এটা দেশপ্রেমিকদের দেশ। 

    পিএফআই (Popular Front of India) ব্যানের  সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন উত্তর প্রদেশের উপমুখ্যমন্ত্রী কেশব মৌর্যও। ট্যুইট বার্তায় লেখেন, যারা এর বিরোধিতা করছে, ভারত তা মেনে নেবে না। উত্তর দেবে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Mukesh Ambani: নিরাপত্তা বাড়ল মুকেশ আম্বানির, পেলেন ‘জেড প্লাস’ সিকিউরিটি

    Mukesh Ambani: নিরাপত্তা বাড়ল মুকেশ আম্বানির, পেলেন ‘জেড প্লাস’ সিকিউরিটি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রিলায়েন্স কর্তা মুকেশ আম্বানির (Mukesh Ambani) নিরাপত্তা বৃদ্ধি করল কেন্দ্রীয় সরকার (Central Govt)। গোয়েন্দা সূত্র মারফত তথ্যের ভিত্তিতে জেড ক্যাটাগরির সিকিউরিটি থেকে একবারে জেড প্লাস সিকিউরিটি (Z plus Security) দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে অমিত শাহের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক (Union Home Ministry)। মূলত তাঁকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়েছে এই রিপোর্টের ভিত্তিতেই সিকিউরিটি বাড়ানো হয়েছে ভারতের প্রথম সারির এই শিল্পপতির।

    রিলায়েন্স (Reliance) ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের ম্যানেজিং ডিরেক্টর ও চেয়ারম্যান (CMD) হলেন মুকেশ আম্বানি। বিশ্বের ধনীতম প্রথম ১০ শিল্পপতির তালিকায় তিনি অষ্টম স্থানে রয়েছেন। গত বছর মুকেশ আম্বানির বাড়ি অ্যান্টিলার (Antilia) বাইরে থাকা এক গাড়িতে বিস্ফোরক পাওয়া গিয়েছিল। এরপরেই আম্বানির নিরাপত্তা নিয়ে রীতিমত প্রশ্ন উঠতে শুরু করে। এই বিষয়টিকে হালকাভাবে নেননি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। তারপর থেকেই রিলায়েন্স কর্তার সূরক্ষার বিষয়টি নিয়ে ভাবনা চিন্তা শুরু করে কেন্দ্রীয় সরকার।

    আরও পড়ুন: প্রার্থী হচ্ছেন খাড়গেও! কংগ্রেসের রাশ থাকবে গান্ধী পরিবারের হাতেই?

    সূত্রের খবর, অন্তত ৫৮ জন কমান্ডো (Commando) ঘিরে থাকবেন মুকেশ আম্বানিকে। একেবারে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তায় মুড়ে ফেলা হবে তাঁর বাসভবনকে। তবে জেড প্লাস সিকিউরিটির সমস্ত ব্যয় ভার বহন করতে হবে আম্বানিকেই।

    ভারতে সাধারণত বিশিষ্ট ব্যাক্তিদের সিকিউরিটি কভারেজ দেওয়া হয়ে থাকে। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে নিরাপত্তা বাড়ানো কমানো হয়ে থাকে। স্পেশাল সিকিউরিটিতে এক্স, ওয়াই, জেড, জেড প্লাস ছাড়াও আরও বিভিন্ন মানের সিকিউরিটি দেখা যায়।

    বর্তমানে ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah), উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ (Yogi Adityanath), কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রীর মতো বিশিষ্ট ব্যক্তিদের এই জেড প্লাস সিকিউরিটি দেওয়া হয়। জেড প্লাস সিকিউরিটির আওতায় ১০ জন এনএসজি (NSG) কমান্ডো এবং ৪৫ জন পুলিশ অফিসারকে রাখা হয়। প্রত্যেক কমান্ডো মার্শাল আর্টে পারদর্শী এবং নিরস্ত্র অবস্থায় যুদ্ধের প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Modi in Gujarat: সপ্তাহান্তে গুজরাটে নতুন বন্দে ভারত ট্রেন-রুটের সূচনা মোদির

    Modi in Gujarat: সপ্তাহান্তে গুজরাটে নতুন বন্দে ভারত ট্রেন-রুটের সূচনা মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অপেক্ষার অবসান! চলতি বছরে, ভারতীয় রেলের অন্যতম বড় আকর্ষণ হল ‘বন্দে ভারত এক্সপ্রেস’ ট্রেন (Vande Bharat Express)। আর এই বন্দে ভারত ট্রেনের জন্যই অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করে বসেছিলেন পুরো দেশবাসী। কবে এই ট্রেনে যাত্রা শুরু হবে সেই আশায় দিন গুনছিলেন তাঁরা। তবে আর অপেক্ষা নয়, আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে এই ট্রেন তার পথ চলা শুরু করবে। আর এই ট্রেনের সূচনা করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। গুজরাটে (Gujarat) প্রথম বারের জন্য চালু হতে চলেছে বন্দে ভারত ট্রেন। আগামীকাল অর্থাৎ ২৯ অক্টোবর নরেন্দ্র মোদি দুদিনের জন্য গুজরাট সফরে যাবেন আর তখনই তিনি এই ট্রেনের সূচনা করবেন।

    সূত্রের খবর অনুযায়ী, গুজরাট সফরে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি গান্ধীনগর-মুম্বই বন্দে ভারত এক্সপ্রেস ট্রেনের যাত্রা শুরু করার জন্য ফ্ল্যাগ অফ করবেন। একই সঙ্গে এদিন মোদিজি আহমেদাবাদ মেট্রো রেল প্রকল্পেরও সূচনা করবেন। এর পাশাপাশি ৩০ সেপ্টেম্বর তিনি আরও বেশ কয়েকটি প্রকল্প উদ্বোধন করবেন। এই প্রকল্প গুলোতে মোট খরচ হয়েছে ২৯০০০ কোটি টাকা। আর এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ভূপেন্দ্র প্যাটেল, রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব সহ বিশিষ্ট নেতা-মন্ত্রীরা।

    আরও জানা গিয়েছে, প্রধানমন্ত্রী ফ্ল্যাগ অফ করার পর বন্দে ভারত এক্সপ্রেস করে কালুপুর রেলওয়ে স্টেশনে যাবেন এবং এরপর আহমেদাবাদ মেট্রো রেল প্রকল্পের ফ্ল্যাগ অফ করার পরে, কালুপুর স্টেশন থেকে দূরদর্শন কেন্দ্র স্টেশন পর্যন্ত মেট্রোতে যাত্রা করবেন। এই প্রকল্পগুলি চালু করার পরে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আহমেদাবাদে নবরাত্রি উৎসব উদযাপনেও যোগ দেবেন।

    আরও পড়ুন: নবরাত্রিতে মুম্বই-আমেদাবাদ রুটে যাত্রা শুরু হতে পারে নতুন বন্দে ভারত এক্সপ্রেসের, কেমন হবে এই ট্রেনে যাত্রা?

    উল্লেখ্য, চলতি বছরেই গুজরাটে বিধানসভা নির্বাচন (Assembly Elections)। ১৯৯৫ সাল থেকে রাজ্যে ক্ষমতায় রয়েছে বিজেপি। এবার তাদের প্রধান প্রতিপক্ষ আপ। ফলে অনুমান করা হয়েছে, আসন্ন গুজরাট নির্বাচনের আগে রাজ্যবাসীকে একগুচ্ছ নতুন উপহার দিতেই মোদির এই দু’দিনের সফর।

    এছাড়াও এই সফরেই তিনি মোদি ভাবনগরে বিশ্বের প্রথম সিএনজি টার্মিনালের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন এবং ৩৬ তম ন্যাশানাল গেমসের উদ্বোধন ঘোষণা করবেন। এটি প্রথমবার গুজরাটে অনুষ্ঠিত হতে চলেছে। প্রধানমন্ত্রী আসন্ন গুজরাট সফরে ড্রিম সিটিরও সূচনা করবেন। এই প্রকল্পের লক্ষ্য, সুরাটে হীরার ব্যবসা আরও বেশি বৃদ্ধি করা। সুরাটে উদ্বোধন করা প্রকল্পগুলির মোট ব্যয় ৩,৪০০ কোটিরও বেশি। ভাবনগরে  ৫,২০০ কোটির বেশি মূল্যের একাধিক উন্নয়নমূলক উদ্যোগের উদ্বোধন করবেন। এছাড়াও তীর্থযাত্রীদের আম্বাজি মন্দির যাওয়ার সুবিধার্থে একটি ব্রডগেজ রেললাইনের ভিত্তিপ্রস্তরও স্থাপন করবেন বলে জানা গিয়েছে। এরপর নিজেও তিনি আম্বাজি মন্দিরে যাবেন এবং সেখানে প্রার্থনা অনুষ্ঠান ও মহা আরতিতেও যোগ দেবেন।

  • Mohan Bhagwat: ঐক্যের লক্ষ্যে! মসজিদে গিয়ে ইমামের সঙ্গে বৈঠক সংঘ প্রধান মোহন ভাগবতের

    Mohan Bhagwat: ঐক্যের লক্ষ্যে! মসজিদে গিয়ে ইমামের সঙ্গে বৈঠক সংঘ প্রধান মোহন ভাগবতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের ঐক্য এবং অখণ্ডতা বজায় রাখার চেষ্টায় খামতি নেই আরএসএস (RSS) প্রধান মোহন ভাগবতের (Mohan Bhagwat)। দিন দুই আগে রাষ্ট্রীয় স্বয়ং সেবক সংঘের এই প্রধান বৈঠক করেছিলেন মুসলমান (Muslims) সম্প্রদায়ের বুদ্ধিজীবীদের সঙ্গে। এবার তিনি পরিদর্শন করলেন দিল্লির একটি মসজিদ। সেখানে বৈঠক করেন ইমামের সঙ্গে। ঘটনায় যারপরনাই খুশি মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষও।

    মুসলমান সম্প্রদায়ের বুদ্ধিজীবীদের সঙ্গে বৈঠকের পরে এদিন সংঘ প্রধান মোহন ভাগবত যান দিল্লির একটি মসজিদে। সেখানে তিনি অল ইন্ডিয়া ইমাম অর্গানাইজেশনের প্রধান ইমাম উমের আহমেদ ইলিয়াসির সঙ্গে বৈঠক করেন। এদিন তিনি দিল্লির যে মসজিদে গিয়েছিলেন, সেটি সরকারি ও রাজনৈতিক দলগুলির কার্যালয় থেকে বেশি দূরে নয়। সূত্রের খবর, ভাগবতের সঙ্গে উমের আহমেদ ইলিয়াসির রুদ্ধদ্বার বৈঠক হয়েছে ঘণ্টাখানেক ধরে। ইলিয়াসির ছেলে সুহাইব ইলিয়াসি বলেন, এটা দেশের পক্ষে একটি ভাল বার্তা দেবে। একটি পারিবারিক আবহে আমাদের বৈঠক হয়েছে। এটা আনন্দের খবর যে তাঁরা আমাদের আমন্ত্রণে এখানে এসেছেন।  

    জ্ঞানবাপী মসজিদ বিতর্কের রেশ এখনও মেলায়নি। সুপ্রিম কোর্টে চলছে হিজাব বিতর্ক নিরসনের চেষ্টাও। এহেন আবহে ঐক্যের বার্তা দিতে এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি শক্তপোক্ত করতে দিন দুই আগে মুসলিম বুদ্ধিজীবীদের সঙ্গে বৈঠক করেন সংঘ প্রধান মোহন ভাগবত। এই দুই বিতর্কের মাঝেই হজরত মহম্মদকে নিয়ে বিজেপির সাসপেন্ডেড নেত্রী নূপুর শর্মার বিতর্কিত মন্তব্যের জেরে উত্তাল হয়ে উঠেছিল দেশ। সেই আবহেই সংঘ প্রধানের মুসলিম বুদ্ধিজীবীদের সঙ্গে বৈঠক নিঃসন্দেহে তাৎপর্যপূর্ণ।

    আরও পড়ুন : জ্ঞানবাপী, হিজাব বিতর্কের আবহেই মুসলিম বুদ্ধিজীবীদের সঙ্গে বৈঠক আরএসএস প্রধানের

    আরএসএসের অখিল ভারতীয় প্রচার প্রমুখ সুনীল আম্বেকর বলেন, আরএসএস সরসংঘচালক সমাজের প্রতিটি ক্ষেত্রের মানুষের সঙ্গে কথা বলেন। এটা জেনারেল সম্বাদ পদ্ধতির একটি অংশ। ট্যুইট বার্তায় তিনি লেখেন, ইলিয়াস সাহেব (ইমাম) তাঁকে (মোহন ভাগবতকে) আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন দিন কয়েক আগে। তাই তিনি তাঁর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছিলেন। আরএসএস সরসংঘচালক সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রের মানুষের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এটা সম্বাদ পদ্ধতির একটি অংশ।  

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

LinkedIn
Share