Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Election Commission: বয়স ১৭ হলেই নাম তোলা যাবে ভোটার লিস্টে, ঘোষণা নির্বাচন কমিশনের

    Election Commission: বয়স ১৭ হলেই নাম তোলা যাবে ভোটার লিস্টে, ঘোষণা নির্বাচন কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এতদিন ভোটার লিস্টে (Voter List) নাম তুলতে হলে ১৮ বছর বয়স হতে হত। এবার থেকে আর ১৮ পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে না। ভোটার লিস্টে নাম তুলতে গেলে ১৭ হলেই চলবে। ১৩তম জাতীয় ভোটার দিবসে এমনই ঘোষণা করল নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। বুধবার কলকাতায় ন্যাশনাল লাইব্রেরিতে ভোটার দিবস পালনের অনুষ্ঠানে এ রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক আরিজ আফতাব জানান, নতুন ভোটারদের জন্য প্রি রেজিস্ট্রেশন সিস্টেম শুরু করা হয়েছে। ১৭ বছর বয়স হলেই করা যাবে রেজিস্ট্রেশন। জানা গিয়েছে, ১৭ বছর বয়সে রেজিস্ট্রেশন হলেও, ভোট দেওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হবে ১৮ বছর পর্যন্ত। তবে এর সুবিধা হল, রেজিস্ট্রেশন হয়ে থাকলে ১৮ বছর হলেই ভোট দিতে পারবেন নতুন ভোটাররা। রেজিস্ট্রেশন হয়ে গেলে ভোটারদের বাড়িতেই পৌঁছে যাবে ভোটার কার্ড।

    জাতীয় ভোটার দিবস…

    ২৫ জানুয়ারি, বুধবার ছিল জাতীয় ভোটার দিবস (Election Commission)। এ উপলক্ষে এদিন দিনভর দেশজুড়ে হয় নানা অনুষ্ঠান। সেই উপলক্ষে এদিন অনুষ্ঠান হয়েছে এ রাজ্যেও। জাতীয় ভোটার দিবস উপলক্ষে এদিন একটি সুসজ্জিত ট্যাবলোর উদ্বোধন করেন জলপাইগুড়ির জেলাশাসক মৌমিতা গোদারা বসু। ডিএম অফিসে আয়োজিত ওই অনুষ্ঠানে জেলাশাসক ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন এসডিও এবং অন্য পদস্থ আধিকারিকরা। ভোটার দিবস উপলক্ষে জেলাশাসক হলে একটি বৈঠকও হয়। বৈঠকে জাতীয় ভোটার দিবসের কার্যকারিতা সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করেন জেলাশাসক স্বয়ং।

    আরও পড়ুুন: মোদিকে নিয়ে বিবিসির তথ্যচিত্রের জের, কংগ্রেস ছাড়লেন এ কে অ্যান্টনির ছেলে

    ১৯৫০ সালের ২৫ জানুয়ারি ভারতের নির্বাচন কমিশনের প্রতিষ্ঠা দিবস উপলক্ষে এই দিনটিকেই ভোটার দিবস হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছিল। প্রসঙ্গত, ২০১১ সাল থেকে ২৫ জানুয়ারি দিনটিকে জাতীয় ভোটার দিবস হিসেবে পালন করা হচ্ছে। ভোটাধিকার প্রয়োগ, ভোট দেওয়ার প্রয়োজনীয়তা, নির্বাচনী সচেতনতা এবং নতুন ভোটারদের ভোটদানে উৎসাহিত করতে প্রতি বছর এদিন নানা কর্মসূচি পালন করা হয় দেশজুড়ে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Meghalaya: ইস্তেহার প্রকাশ তৃণমূলের, ভোট কিনতে বাংলার মতো টাকার টোপ মেঘালয়েও!

    Meghalaya: ইস্তেহার প্রকাশ তৃণমূলের, ভোট কিনতে বাংলার মতো টাকার টোপ মেঘালয়েও!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলার (West Bengal) মতো মেঘালয়েও (Meghalaya) ভোট ‘কেনা’র পথে হাঁটল তৃণমূল কংগ্রেস (TMC)! লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পের ধাঁচে ক্ষমতায় এলে এখানেও মহিলাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ফি মাসে ১০০০ টাকা করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিল বাংলার শাসক দল। মঙ্গলবার তৃণমূলের তরফে শিলং থেকে ইস্তেহার প্রকাশ করেন দলের সর্ব ভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃণমূল ক্ষমতায় এলে খাসো এবং গারো ভাষাকে স্বীকৃতি দেওয়ার প্রতিশ্রুতিও দেওয়া হয়।

    তৃণমূল…

    বাংলায় তৃতীয়বার ক্ষমতায় আসার পর গোটা দেশে সংগঠন বিস্তারে উদ্যোগী হয় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল। এজন্য বড় রাজ্যগুলির পরিবর্তে তারা পাখির চোখ করে ছোট ছোট রাজ্যগুলিকে। সেই মতো গোয়ায় প্রার্থী দেয় তৃণমূল। সেখানে শক্তিশালী প্রতিপক্ষ বিজেপির কাছে মুখ থুবড়ে পড়ে মমতার দল। তার আগে আক্ষরিক অর্থেই ‘রাম’ধাক্কা খেয়েছিল উত্তর-পূর্বের বিজেপি শাসিত রাজ্য ত্রিপুরায়। গত বছর পঞ্চায়েত নির্বাচনে ত্রিপুরায় প্রার্থী দেয় তৃণমূল। কাঁড়ি কাঁড়ি টাকা খরচ করে সেখানে প্রচারে যান দলের হেভিওয়েট নেতারা। দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় অন্তত বার পাঁচেক প্রচারে যান ত্রিপুরায়। তার পরেও আদতে কোনও লাভ হয়নি। বিজেপির কাছে গোহারা হারে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল। একটি মাত্র আসনে যিনি তৃণমূলের প্রতীকে জয়ী হয়েছিলেন, তিনিও পরে যোগ দেন বিজেপিতে।

    আরও পড়ুুন: কেন্দ্রীয় প্রকল্পের অর্থ নয়ছয়! মামলায় রাজ্যের অর্থসচিবকে জুড়তে বলল হাইকোর্ট

    উত্তর পূর্বের আরও একটি রাজ্যকে পাখির চোখ করেছে তৃণমূল। সেটি মেঘালয় (Meghalaya)। মেঘের রাজ্যে পায়ের নীচে মাটি পেতে বিধানসভা নির্বাচনের আগে কংগ্রেস ভাঙিয়ে দল ভারী করেছে তৃণমূল। চ্যালেঞ্জ জানিয়েছে বিজেপিকে। এ রাজ্যে বিজেপি বেশ শক্তশালী। তাই বিজেপিকে গদিচ্যুত করতে নগদ অর্থের ‘টোপ’ দিয়েছে তৃণমূল। বাংলার লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পের মতো এখানেও ফি মাসে মহিলাদের ১০০০ টাকা করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি ইস্তেহারে দিয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল।  

    একুশের বিধানসভা ভোটে বাংলা দখল করতে মহিলাদের প্রতি মাসে ৫০০ টাকা করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেয় তৃণমূল। ভোটে জয়ী হওয়ার পরে সে টাকা দেওয়াও হয়। তবে সেজন্য আগে থেকে কোনও ফান্ডের ব্যবস্থা করা হয়নি। অভিযোগ, মিড-ডে মিল সহ বিভিন্ন কেন্দ্রীয় প্রকল্পের টাকা ‘সরিয়ে’ দেওয়া হচ্ছে ‘ভাণ্ডারে’। এনিয়ে একাধিকবার কেন্দ্রকে নালিশ জানিয়েছেন বাংলার বিরোধী দলনেতা তথা নন্দীগ্রামের বিধায়ক বিজেপির শুভেন্দু অধিকারী। অভিযোগ খতিয়ে দেখার ব্যবস্থা করেছে কেন্দ্র। তার পরেও শিক্ষা হয়নি এ রাজ্যের শাসক দলের। যার জেরে ফের টাকার টোপ। রাজ্যটা অবশ্য বাংলা নয়, উপজাতি অধ্যুষিত মেঘালয়!

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Adi Shaurya:Parv Parakram Ka: শুরু সাধারণতন্ত্র দিবসের অনুষ্ঠান ‘আদি শৌর্য-পর্ব পরাক্রম কা’

    Adi Shaurya:Parv Parakram Ka: শুরু সাধারণতন্ত্র দিবসের অনুষ্ঠান ‘আদি শৌর্য-পর্ব পরাক্রম কা’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজধানীতে শুরু হয়ে গেল সাধারণতন্ত্র দিবসের অনুষ্ঠান। সোমবার কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের তরফে মিলিটারি ট্যাটু ও ‘আদি শৌর্য-পর্ব পরাক্রম কা’ নামে একটি আদিবাসী নৃত্য অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। গতকাল, ২৩ জানুয়ারি ও আজ, ২৪ জানুয়ারি দুই দিন ধরে এই অনুষ্ঠান উদযাপিত হবে দিল্লির জওহরলাল নেহেরু স্টেডিয়ামে।

     এই অনুষ্ঠান নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসুর ১২৬ তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষ্যে পালন করা হচ্ছে। রয়েছে নৃত্যকলার আয়োজন- আদিবাসী নৃত্যের যে আয়োজন করা হয়েছে, তাতে জায়গা করে নিয়েছে গৌর মারিয়া, সিদ্ধি ধামাল.বৈগ পারধনি, বাগরুম্বা, ঘুসাড়ি, রথওয়া, গাড্ডিনাটি সমেত একাধিক ধরণের নৃত্য।  

    বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠান

     গত বছরই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (Narendra Modi) নির্দেশে নেতাজির জন্মবার্ষিকীকে সাধারণতন্ত্র দিবস (Republic Day) উদযাপনের অংশ করা হয়। কেন্দ্রের তরফে নেতাজির জন্মবার্ষিকীকে ‘পরাক্রম দিবস’ (Parakram Divas) হিসাবে পালনের ঘোষণাও করা হয়। সেই মতোই এদিন থেকেই দিল্লিতে শুরু হয়ে গেল সাধারণতন্ত্র দিবসের অনুষ্ঠান।

    আরও পড়ুন: প্রযুক্তি বিশ্বে এগিয়ে চলেছে দেশ! ‘টেকনোলজি হাব’-এর জন্য প্রস্তুত গ্রামীণ ভারতও

    এদিন সকাল থেকেই রাজধানীর কর্তব্য পথে সাধারণতন্ত্র দিবসের কুচকাওয়াজ বা প্যারেডের রিহার্সাল শুরু হয়। সাধারণতন্ত্র দিবসের কুচকাওয়াজ নিয়ে ইতিমধ্যেই দিল্লি পুলিশের তরফে ট্রাফিক সংক্রান্ত নির্দেশিকাও জারি করা হয়েছে।

    ‘আদি শৌর্য-পর্ব পরাক্রম কা’ নামে এই অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ছিলেন লোকসভার স্পিকার শ্রী ওম বিড়লা। ছিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অর্জুন মুন্ডা, অজয় ভাট। অনুষ্ঠানে আদিবাসী নৃত্য, সেনা কৌশল ছাড়াও সঙ্গীত পরিবেশন করেন পদ্মশ্রী প্রাপক গায়ক কৈলাস খের।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Ayush: পর্যটন মন্ত্রকের সঙ্গে মউ স্বাক্ষর আয়ুষের, জানুন কারণ

    Ayush: পর্যটন মন্ত্রকের সঙ্গে মউ স্বাক্ষর আয়ুষের, জানুন কারণ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইন্ডিয়া ট্যুরিজম ডেভেলপমেন্ট কর্পোরেশন, পর্যটন মন্ত্রক, ভারত (India) সরকারের সঙ্গে মউ (MOU) স্বাক্ষর করল আয়ুষ মন্ত্রক (Ayush)। আয়ুর্বেদে মেডিক্যাল ভ্যালু ট্রাভেল প্রোমোশন এবং ওষুধের ঐতিহ্যশালী সিস্টেমগুলিকে কাজে লাগাতেই ইন্ডিয়া ট্যুরিজম ডেভেলপমেন্ট কর্পোরেশনের সঙ্গে মউ সই করল আয়ুষ মন্ত্রক। আয়ুষ মন্ত্রকের ডিরেক্টর শশী রঞ্জন বিদ্যার্থী এবং ইন্ডিয়া ট্যুরিজম ডেভেলপমেন্ট কর্পোরেশনের ডিরেক্টর (কমার্সিয়াল ও মার্কেটিং) ওই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।

    মউ…

    চুক্তি সই হয় এ প্রমোদকুমার পাঠকের উপস্থিতিতে। প্রমোদকুমার আয়ুষ মন্ত্রকের স্পেশাল সেক্রেটারি। চুক্তি স্বাক্ষরের সময় দু তরফেই আরও কয়েকজন করে পদস্থ আধিকারিক উপস্থিত ছিলেন। এদিন যে মউ স্বাক্ষর হয়েছে, তাতে বলা হয়েছে, আয়ুষ মন্ত্রক ইন্ডিয়া ট্যুরিজম ডেভেলপমেন্ট কর্পোরেশনের আধিকারিকদের প্রয়োজনীয় ট্রেনিং দেবে। আয়ুর্বেদে মেডিক্যাল ভ্যালু ট্রাভেল এবং ওষুধের ঐতিহ্যশালী সিস্টেমগুলির সঙ্গে তাঁদের পরিচয় ঘটাবেন। ট্যুরিস্ট সার্কিটের মধ্যেই এটা করা হবে। কারণ এই ক্ষেত্রেই আয়ুর্বেদে মেডিক্যাল ভ্যালু ট্রাভেল প্রোমোশন এবং ওষুধের ঐতিহ্যশালী সিস্টেমগুলির সম্পর্কে সম্যক ধারণা দেওয়া যাবে। এ সংক্রান্ত টেকনিক্যাল বিষয়গুলিও বোঝানো হবে। জারি করা বিবৃতিতে আয়ুষ (Ayush) মন্ত্রক জানিয়েছে, ট্যুরিস্ট গন্তব্যগুলিতে নলেজ ট্যুরিজম ও ফিল্মের ডেভেলপমেন্ট কিংবা সাহিত্য ট্যুরিস্টদের কাছে প্রয়োজনীয় হয়ে উঠবে।

    আরও পড়ুুন: ‘স্বাধীনতার পর নেতাজিকে ভোলানোর চেষ্টা করা হয়েছে’, অনুযোগ প্রধানমন্ত্রীর

    ইন্ডিয়া ট্যুরিজম ডেভেলপমেন্ট কর্পোরেশন পরিচালিত হোটেলগুলিতে যে আয়ুর্বেদ চর্চা হয় এবং যোগ সেন্টার চলে সেগুলিও ঘুরে দেখতে পারবেন পর্যটকেরা। আয়ুষ মন্ত্রকের সঙ্গে যৌথভাবে যে কর্মশালার আয়োজন করা হবে, তাতেও অংশ গ্রহণ করতে পারবেন তাঁরা। মউ কতদূর এগোল, কীভাবেই বা কাজ করবে, তা মনিটরিং করবে জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপ। আষূষ মন্ত্রক ও ইন্ডিয়া ট্যুরিজম ডেভেলপমেন্ট কর্পোরেশনের প্রতিনিধিরাও নজরদারি চালাবেন। জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপের সদস্যরা মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ড, সিঙ্গাপুরের বিভিন্ন অঞ্চল খুঁজে বেড়াবে, যে জায়গাগুলিতে আয়ুর্বেদ নিয়ে সব থেকে বেশি চর্চা হয়। ওই জায়গাগুলি মেডিক্যাল ভ্যালু ট্রাভেল ট্যুরিজমের গন্তব্য হতে পারে কিনা, তাও খতিয়ে দেখবেন তাঁরা। ভারতে ইদানিং বেড়ে গিয়েছে আয়ুর্বেদের (Ayush) চর্চা। একটি রিপোর্ট অনুযায়ী, দেশে আয়ুষ ভিত্তিক হেল্থ কেয়ার এবং ওয়েলনেস ইকোনমি ২০২৫ সালের মধ্যে ৭০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছে যাবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।   

  • Sonam Wangchuk: “অল ইজ নট ওয়েল ইন লাদাখ”, ভিডিও বার্তায় প্রধানমন্ত্রীকে ওয়াংচুক

    Sonam Wangchuk: “অল ইজ নট ওয়েল ইন লাদাখ”, ভিডিও বার্তায় প্রধানমন্ত্রীকে ওয়াংচুক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আমির খানের সিনেমা ‘থ্রি ইডিয়টস’- এর মাধ্যমে গোটা বিশ্ব চিনেছিল সোনাম ওয়াংচুককে (Sonam Wangchuk)। ২০১০ সালে মুক্তি পাওয়া সিনেমা বিপুল জনপ্রিয়তা পায়। ছবিটির মুখ্য চরিত্রে র‍্যাঞ্চোর ভূমিকায় অভিনয় করেছিলেন আমির খান। ছবিটি মূলত এক ভারতীয় বিজ্ঞানীর জীবনের গল্প নিয়ে তৈরি। লাদাখের ওই বিজ্ঞানীর নাম সোনাম ওয়াংচুক। ছবিটি মুক্তির পরই রাতারাতি সেলিব্রিটি হয়ে উঠেছিলেন তিনি। এবার সেই ওয়াংচুকই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে ভিডিও বার্তা পাঠালেন। ছবিটির সংলাপ ধার করে ভিডিও-তে ওয়াংচুক বলেন, ‘অল ইজ নট ওয়েল ইন লাদাখ’!

    আরও পড়ুন: ‘স্বাধীনতার পর নেতাজিকে ভোলানোর চেষ্টা করা হয়েছে’, অনুযোগ প্রধানমন্ত্রীর  

    কেন এমন বললেন ওয়াংচুক? 

    ভিডিওতে লাদাখের বর্তমান পরিস্থিতি প্রধানমন্ত্রীর সামনে তুলে ধরেছেন তিনি। তিনি জানান, জলবায়ু পরিবর্তনের জেরে বিপর্যস্ত হচ্ছে লাদাখ (Sonam Wangchuk)। তাই তাঁর প্রাণের লাদাখকে বাঁচাতে কেন্দ্রের হস্তক্ষেপ চেয়ে মোদিকে বার্তা পাঠিয়েছেন ওয়াংচুক। এমনকী ভিডিওতে চিনা দ্রব্য বয়কট করারও অনুরোধ জানিয়েছেন তিনি।    

    ওয়াংচুকের অভিযোগ, লাদাখের ৯৫ শতাংশ (Sonam Wangchuk) বাসিন্দাই জনজাতি গোষ্ঠীভুক্ত, কিন্তু তারপরও এই অঞ্চলকে ষষ্ঠ তফসিলের অন্তর্ভুক্ত হয়নি। তিনি বলেন, “এই ব্যাপারে কেন্দ্র সরকার কোনও ব্যবস্থা নেয়নি।” শুধু ভিডিও বার্তা নয়, প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি লেখার কথাও জানিয়েছেন তিনি।

     

    প্রসঙ্গত, লাদাখের খারদুংলা পাসে ১৮ হাজার ফিট উচ্চতায় অনশনে বসবেন ওয়াংচুক (Sonam Wangchuk)। পাঁচ দিনের এই প্রতীকী অনশন কর্মসূচির নাম দিয়েছেন, ‘ক্লাইমেট ফাস্ট’। এই কর্মসূচির কথাও তিনি তাঁর ভিডিওতে জানিয়েছেন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

     
     
  • Kiren Rijiju: গোপনীয়তা ভঙ্গ করেছে কলেজিয়াম! শীর্ষ আদালতের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রী রিজিজু

    Kiren Rijiju: গোপনীয়তা ভঙ্গ করেছে কলেজিয়াম! শীর্ষ আদালতের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রী রিজিজু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিচারকদের নিয়োগে আপত্তি জানিয়ে পাঠানো গোপন রিপোর্ট, প্রকাশ করে গর্হিত কাজ করেছে সুপ্রিম কোর্ট, বললেন কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রী কিরণ রিজিজু। বিচারপতি নিয়োগের ক্ষেত্রে কলেজিয়াম পদ্ধতির স্বচ্ছতা নিয়ে আগেই প্রশ্ন তুলেছিলেন আইনমন্ত্রী। এবার দেশের সর্বোচ্চ আদালতের সঙ্গে সরাসরি সংঘাতে জড়িয়ে পড়লেন রিজিজু। প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ের নেতৃত্বাধীন কলেজিয়ামের বিরুদ্ধে গোপন সরকারি তথ্য ফাঁসের অভিযোগ তুললেন তিনি। 

    রিজিজুর যুক্তি

    সরকারের আপত্তির কথা জানিয়ে সাংবাদিক বৈঠকে রিজিজু বলেন, ‘‘জনসমক্ষে ‘র’ (ভারতীয় গুপ্তচর সংস্থা) এবং আইবি (কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা বিভাগ)-র রিপোর্ট চলে আসা আমাদের কাছে গুরুতর উদ্বেগের বিষয়।’’ এর ফলে বাহিনীর কর্মক্ষমতায় আঘাত আসতে পারে জানিয়ে রিজিজুর মন্তব্য, ‘‘যদি কোনও গোয়েন্দা আধিকারিক আগে থেকে আঁচ পান, তাঁর রিপোর্ট প্রকাশ্যে আসবে, তবে তিনি দু’বার ভাববেন।’’কেন্দ্রের এই আপত্তির কথা তিনি প্রধান বিচারপতিকে জানাবেন কি না, জানতে চাওয়া হলে রিজিজু বলেন, ‘‘আমি সব সময়ই ওঁর সঙ্গে যোগাযোগ রাখি। উনি বিচার বিভাগের প্রধান, আমি সরকার এবং বিচার বিভাগের মধ্যে সেতুর কাজ করি। আমাদের এক সঙ্গে কাজ করতে হবে। আমরা বিচ্ছিন্ন ভাবে কাজ করতে পারি না। এটি একটি বড় সমস্যা।’’

    আরও পড়ুুন: কেন্দ্রীয় প্রকল্পের অর্থ নয়ছয়! মামলায় রাজ্যের অর্থসচিবকে জুড়তে বলল হাইকোর্ট

    সম্প্রতি, কলেজিয়াম সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে একটি তালিকা আপলোড করে। সেই তালিকায় তিনজের পদোন্নতির কথা বলা হয়। সরকারের তরফ থেকে এই নিয়োগে তীব্র আপত্তি প্রকাশ করা হয়। এই তিনজনের ব্যাপারে আইবি, এবং ‘র’ কি রিপোর্ট দিয়েছে,সেটা সুপ্রিম কোর্টকে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। কোন তিন বিচারপতির পদোন্নাতির সিদ্ধান্ত নিয়েছিল কলেজিয়াম,আর তাদের সম্পর্কে  সরকারের গোয়েন্দা রিপোর্ট কী, তা-ও সর্বোচ্চ আদালতের ওয়েবসাইটে আপলোড করা হয়। এরপরই দেশের শীর্ষ আদালতের বিরুদ্ধে গোপনীয়তা ভঙ্গের অভিযোগ আনেন রিজিজু। , সুপ্রিম কোর্টকে সরকারের তরফ থেকে যে রিপোর্ট পাঠানো হয়েছে, সেটা অত্যন্ত গোপন। সেই রিপোর্টে প্রকাশ করে সর্বোচ্চ আদালত অত্যন্ত গর্হিত কাজ করেছে। সঠিক সময়ে পদক্ষেপ করা হবে, বলে জানান কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রী।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Shradhha Walkar: রাগের মাথায় খুন! শ্রদ্ধা ওয়ালকার কাণ্ডে চার্জশিট জমা দিল দিল্লি পুলিশ

    Shradhha Walkar: রাগের মাথায় খুন! শ্রদ্ধা ওয়ালকার কাণ্ডে চার্জশিট জমা দিল দিল্লি পুলিশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শ্রদ্ধা ওয়ালকার খুনের মামলায় প্রায় ৬ হাজার ৬২৯ পাতার চার্জশিট জমা দিল দিল্লি পুলিশ (Delhi Police)। মঙ্গলবার আদালতে জমা দেওয়া ওই চার্জশিটে দাবি করা হয়েছে, রাগের বশে শ্রদ্ধাকে খুন করে আফতাব। ঘটনার দিন শ্রদ্ধা তাঁর এক বন্ধুর সাতে দেখা করতে বের হয়েছিল। এটা ভালো মনে মেনে নিতে পারেনি আফতাব। শ্রদ্ধা ফেরার পর তা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে অভিযুক্ত। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বচসার জেরেই শ্রদ্ধাকে খুন করা হয়। চার্জশিটে এ কথাই উল্লেখ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন দিল্লি পুলিশের যুগ্ম কমিশনার মীনু চৌধুরি।

    আদালতে আফতাব

    দিল্লিতে গত বছর মে মাসে লিভ-ইন পার্টনার শ্রদ্ধাকে খুনের দায়ে বর্তমানে তিহার জেলে বন্দি অভিযুক্ত আফতাব পুনেওয়ালা। ভিডিয়ো কনফারেন্সের মাধ্যমে মঙ্গলবার আদালতে হাজিরা দেয় আফতাব আমিন পুনাওয়ালা। শুনানি শেষে আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত তাকে জেল হেফাজতে থাকতে হবে বলে নির্দেশ দিয়েছে আদালত।  এদিন আদালতে শ্রদ্ধা খুনে দিল্লি পুলিশ যে চার্জশিট পেশ করে, সেখানে ফরেন্সিক এবং ইলেকট্রনিক্স তথ্য রয়েছে। ওই দুই তথ্যের উপর নির্ভর করে দিল্লি পুলিশ এই মামলার চার্জশিট পেশ করে বলে খবর।

    চার্জশিটে যা রয়েছে

    পুলিশের দাবি, গত বছরের ১৮ মে প্রথমে শ্বাসরোধ করে শ্রদ্ধাকে খুন করে আফতাব। তারপর প্রমাণ লোপাট করতে দেহ ৩৫ টুকরো করে ফেলে সে। কী ভাবে শ্রদ্ধাকে খুনের পর তাঁর দেহ খণ্ড খণ্ড করে ফেলা হয়েছিল, তার বিস্তারিত বিবরণ রয়েছে চার্জশিটে। ঘটনার তদন্তে দিল্লি পুলিশের (Delhi Police) নয়টি দলকে কাজে লাগানো হয়েছিল। তদন্তের স্বার্থে হরিয়ানা, হিমাচল প্রদেশ, মহারাষ্ট্রে তদন্তকারীদের পাঠানো হয়। প্রায় দেড়শো জনের জবানবন্দি নেওয়ার পরেই চার্জশিট তৈরি করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন যুগ্ম পুলিশ কমিশনার। 

    আরও পড়ুন: শ্রদ্ধা হত্যাকাণ্ডে ৩ হাজার পাতার খসড়া চার্জশিট দিল্লি পুলিশের, রয়েছে শতাধিক সাক্ষীর বয়ান

    পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, দিল্লির বিভিন্ন প্রান্ত থেকে শ্রদ্ধার শরীরের যে হাড় উদ্ধার করা হয়েছিল, তা প্রমাণ বিশ্লেষণে কাজে লেগেছে। চার্জশিটে বলা হয়েছে, শ্রদ্ধার দেহ কাটার জন্য পাঁচ ধরনের ছুরি এবং অন্যান্য সরঞ্জাম ব্যবহার করেছিল আফতাব। তার স্বীকারোক্তিও চার্জশিটে দেওয়া হয়েছে।  চার্জশিটে সমস্ত DNA রিপোর্টের উল্লেখ থাকছে বলে জানিয়েছেন দিল্লি পুলিশের যুগ্ম কমিশনার মীনু চৌধুরি। দক্ষিণ দিল্লির মেহরৌলি এলাকা থেকে চুল এবং হাড় উদ্ধার করা হয়েছিল। DNA পরীক্ষায় সেগুলি শ্রদ্ধার বলে জানা যায়। প্রসঙ্গত, এই ঘটনা প্রকাশ্যে আসার প্রায় ৭৫ দিনের মাথায় চার্জশিট দাখিল করল দিল্লি পুলিশ।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Republic Day: প্রজতন্ত্র দিবসের অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি রিকশাচালক, সবজি বিক্রেতা সহ সেন্ট্রাল ভিস্তা ও কর্তব্যপথের কর্মীরা

    Republic Day: প্রজতন্ত্র দিবসের অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি রিকশাচালক, সবজি বিক্রেতা সহ সেন্ট্রাল ভিস্তা ও কর্তব্যপথের কর্মীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রজাতন্ত্র দিবস নিয়ে রাজধানী দিল্লির বুকে সাজো সাজো রব। শুরু হয়ে গিয়েছে ২০২৩ প্রজাতন্ত্র দিবসের প্রস্তুতি। তবে ২০২৩ সালের প্রজাতন্ত্র দিবস হতে চলেছে ভারতের ইতিহাসে এক অনন্য দিন। এবারের কুচকাওয়াজে বিশেষ অতিথিদের পাশাপাশি সামনের সারিতে থাকবেন রিকশাচালক থেকে শুরু করে সবজি বিক্রেতা সহ শ্রমিকও। যেসব শ্রমিক সেন্ট্রাল ভিস্তা, কর্তব্য পথ তৈরির কাজে যুক্ত রয়েছে তাঁদের আমন্ত্রণ করা হয়েছে। প্রজাতন্ত্র দিবসের বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠান দেখার সুযোগ হয় না যেসব মানুষের, এবার তাঁদের জন্যই এই বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

    প্রজাতন্ত্র দিবসের অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি

    এই বছরের উদযাপনের থিম হল ‘পার্টিসিপেশন অফ দ্য কমন পিপল’ অর্থাৎ “সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণ”। সংবাদমাধ্যম সূত্রের খবর, প্যারেড চলাকালীন শ্রমজীবীরা অর্থাৎ ​​যে শ্রমিক সেন্ট্রাল ভিস্তা তৈরিতে সাহায্য করেছেন, তাঁদের পরিবার, কর্তব্য পথের রক্ষণাবেক্ষণ কর্মী এবং সম্প্রদায়ের অন্যান্য সদস্যরা যেমন রিকশাচালক, ছোট মুদি এবং সবজি বিক্রেতারা প্রধান মঞ্চের সামনে বসে থাকবেন। সব মিলিয়ে এক হাজার মানুষ এই অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির সম্মান পাবেন।

    প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের তরফে জানা গিয়েছে, কর্তব্য পথ তৈরির ক্ষেত্রে যাঁরা কাজ করেছেন, প্রজাতন্ত্র দিবসের অনুষ্ঠানে তাঁদের বিশেষ আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। এছাড়াও তফসিলি জাতি, দিব্যাঙ্গদের মধ্যে থেকেও বহু মানুষকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। গতবছরও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi) প্রজাতন্ত্র দিবসের প্যারেডের জমকালো অনুষ্ঠানে অটোরিকশা চালক, নির্মাণ শ্রমিক, সাফাইকর্মী এবং ফ্রন্টলাইন কর্মীদের আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন।

    তবে কোভিড বিধি মেনে দর্শকের সংখ্যা অনেক কমিয়ে দেওয়া হয়েছে। প্রজাতন্ত্র দিবসের অনুষ্ঠানের আসন সংখ্যা নামিয়ে আনা হয়েছে ৪৫০০০-এ। ৪৫০০০ টি আসনের মধ্যে ৩২০০০ টি এই বছর সাধারণ জনগণের জন্য অনলাইন বুকিংয়ের জন্য উপলব্ধ হবে, যেখানে দ্য বিটিং রিট্রিটে মোট আসনের ১০ শতাংশ অনলাইন বুকিংয়ের জন্য উপলব্ধ হবে। শুধুমাত্র ভ্যাকসিন নেওয়া থাকলেই এই অনুষ্ঠানে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হবে।

    প্রসঙ্গত উল্লেখ্য যে, চলতি বছরের এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন মিশরের প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাট্টা আল সিসি। জানা গিয়েছে, মিশর থেকে ১২০ জনের প্রতিনিধিদল অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে পারেন। এছাড়াও এবারে দেশের প্রজাতন্ত্র দিবসে নজর কাড়তে চলেছে প্রযুক্তি। ৩,৫০০ টি ড্রোন নিয়ে এক বিশেষ শোয়ের আয়োজন করা হয়েছে। অন্যদিকে, অনুষ্ঠানের আগে নিরাপত্তায় মুড়ে ফেলা হয়েছে গোটা দিল্লি। সীমান্তে এলাকায় কড়া নজরদারি চালাচ্ছে দিল্লি পুলিশ।

  • Information Technology: প্রযুক্তি বিশ্বে এগিয়ে চলেছে দেশ!  ‘টেকনোলজি হাব’-এর জন্য প্রস্তুত গ্রামীণ ভারতও

    Information Technology: প্রযুক্তি বিশ্বে এগিয়ে চলেছে দেশ! ‘টেকনোলজি হাব’-এর জন্য প্রস্তুত গ্রামীণ ভারতও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রযুক্তি বিশ্বে (Information Technology) ভারত এখন নিজেদের জায়গা করে নিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ২০২০ সালে আত্মনির্ভর ভারতের (Make in India)ডাক দিয়েছিলেন। দেশে এখন বিদেশি স্মার্টফোন যেমন আসে, তেমনই আবার স্বদেশি স্মার্টফোনও তৈরি হয়, আবার বিদেশি সংস্থাগুলিও এ দেশে নিজেদের ব্র্যান্ডের ফোন তৈরি করছে। শুধু ফোন নয়। নানাবিধ গ্যাজেটস থেকে শুরু করে বৈদ্যুতিক গাড়ি বা বাইকও তৈরি হচ্ছে দেশে। 

    গতি শক্তি-তে জোর

    ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নিয়েছে মোদি সরকার, যার নাম দেওয়া হয়েছে ‘গতি শক্তি’। অর্থাৎ, দ্রুততাই যেখানে হবে বিকাশের শক্তি। সরকারের নতুন এ ডিজিটাল পোর্টালে প্রকল্পের নকশা জমা দিতে পারবে বিনিয়োগকারী ও বেসরকারি কোম্পানিগুলো। আর অনুমোদন প্রক্রিয়াও হবে মসৃণভাবে। নয়াদিল্লিতে এক সাক্ষাৎকারে শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের লজিস্টিক্স বিষয়ক বিশেষ সচিব অমৃত লাল মিনা বলেন, ‘সময় ও ব্যয় সীমার মধ্যে রেখে প্রকল্প বাস্তবায়নই আমাদের মিশন। বৈশ্বিক কোম্পানিগুলো যেন পণ্য প্রস্তুতের জন্য ভারতকে বেছে নেয়– সেটাই মূল লক্ষ্য’। 

    কৃত্রিম মেধার উপর ভরসা

    জিও পলিটিক্সে তথ্য-প্রযুক্তির হাত ধরে ভারত যাতে চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের দিকে এগিয়ে যেতে পারে তার চেষ্টা করে যাচ্ছে বর্তমান কেন্দ্র সরকার। ইতিমধ্যেই কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন, কৃত্রিম মেধাকে প্রযুক্তির ক্ষেত্রে পাখির চোখ করার জন্য জোরালো সওয়াল করেছিলেন। সরকারে জোর দিয়েছে ‘ড্রোন-শক্তি’র মতো প্রকল্পে, যেখানে কৃত্রিম মেধার সাহায্যে বিভিন্ন আকারের ড্রোন ব্যবহার করা হবে দৈনন্দিন ব্যবসায়িক পরিসরে। গত ৬ বছরে, ভারতে স্টার্ট-আপ সংস্থাগুলোর বিনিয়োগ বেড়েছে প্রায় ১৫৪০০%। এর সিংহভাগেরই কেন্দ্রে রয়েছে কৃত্রিম মেধা-ভিত্তিক কোনও নতুন ব্যবসায়িক ধারণা। 

    আরও পড়ুন: নেতাজিই আদর্শ! তাঁর দেখানো পথেই এগিয়ে চলার বার্তা দিলেন আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবত

    গত বছর সেপ্টেম্বরে প্রকাশিত ইউনেস্কো-র একটি শিক্ষা-সংক্রান্ত রিপোর্ট অনুযায়ী, ভারতে কৃত্রিম মেধাভিত্তিক ব্যবসার বাজার এই মুহূর্তে বছরে ২০.২% চক্রবৃদ্ধি হারে বাড়ছে, এবং ২০২৫ নাগাদ এই বাজারটির অর্থমূল্য দাঁড়াবে প্রায় ৭.৮ বিলিয়ন ডলার, বা প্রায় পঁয়ষট্টি হাজার কোটি টাকা। এই বাজারের মূল প্রসার মূলত তিনটি প্রয়োগক্ষেত্রকে ঘিরে— ভোগ্যপণ্য ও পাইকারি ব্যবসা, কৃষি, এবং ব্যাঙ্কিং ব্যবস্থা। অর্থনীতি-র পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০৩৫ নাগাদ কৃত্রিম মেধার ব্যবসায়িক লভ্যাংশ থেকেই আসবে ভারতের লক্ষ্য যে ৫ ট্রিলিয়ন ডলারের জিডিপি, তার প্রায় ১০%। বিশ্বের পঁচিশটি দেশকে নিয়ে গঠিত সংস্থা গ্লোবাল পার্টনারশিপ অন আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স বা জিপিএআই-এর মূল দায়িত্ব হল সাধারণ মানুষের কল্যাণার্থে কৃত্রিম মেধার দায়িত্বশীল প্রয়োগ এবং প্রসার ঘটানো। ২০২২-২৩ সালে এই সংস্থাটির পরিচালনভার নিয়েছে ভারত। সব মিলিয়ে, ভারত এখন ডিজিটাল বিপ্লবের মঞ্চ তৈরি করছে। 

    ডিজিটাল ইন্ডিয়ার স্বপ্ন গ্রাম থেকেই

    তথ্য প্রযুক্তির হাত ধরে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি নতুন প্রজন্মের উপর ভরসা রেখেছেন। ইনোভেশনের শক্তি অনুযায়ী এখন ইউপিআই- ভীম, ডিজিটাল পেমেন্ট, ফিনটেকের বিশ্বে ভারত নিজের জায়গা করে নিয়েছে। আজ বিশ্বে রিয়েল টাইম চল্লিশ শতাংশ ডিজিটাল আর্থিক লেনদেন ভারতে হয়। দেশ এখন ফাইভ জি-পর্বে পা রেখেছে। ভারতের গ্রামে গ্রামে এখন অপটিক্যাল ফাইবারের নেটওয়ার্ক পৌঁছে যাচ্ছে। ডিজিটাল ইন্ডিয়ার স্বপ্ন গ্রাম থেকেই বাস্তবায়িত করার উপর জোর দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। ভারতের চার লক্ষ কমন সার্ভিস সেন্টার গ্রামে গ্রামে গড়ে উঠছে। গ্রামের নবীন যুবক-যুবতীরা কমন সার্ভিস সেন্টার চালাচ্ছেন। দেশ গর্ব করতে পারে যে গ্রামীণ ক্ষেত্রে চার লক্ষ ‘ডিজিটাল এন্টারপ্রেনিউর’ তৈরি হয়েছে। গ্রামীণ ভারতও এখন ‘টেকনোলজি হাব’-এর জন্য প্রস্তুত বলে অনুমান বিশেষজ্ঞদের।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • PMRBP: আগামীকাল দেশের ১১ জন শিশুকে ‘প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রীয় বাল পুরস্কার’ প্রদান করবেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু

    PMRBP: আগামীকাল দেশের ১১ জন শিশুকে ‘প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রীয় বাল পুরস্কার’ প্রদান করবেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবছর দেশের ১১ জন শিশুকে তাদের ব্যতিক্রমী প্রতিভা ও কৃতিত্বের জন্য প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রীয় বাল পুরস্কারে ভূষিত (Pradhan Mantri Rashtriya Bal Puraskar 2023) করা হবে। সূত্রের খবর, ১১ জন শিশুকে প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রীয় বাল পুরস্কার প্রদান করবেন দেশের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। আগামীকাল, ২৩ জানুয়ারি রাষ্ট্রপতি বিজ্ঞান ভবনে এই রাষ্ট্রীয় বাল পুরস্কার (PMRBP) ১১ জন শিশুদের হাতে তুলে দেওয়া হবে। শুধু তাই নয়, এরপর প্রধানমন্ত্রী মোদি ২৪ জানুয়ারি পুরস্কার প্রাপরদের সঙ্গে কথাও বলবেন বলে জানা গিয়েছে।

    প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রীয় বাল পুরস্কার

    ১৯৯৬ সালে ব্যতিক্রমী কৃতিত্ব অর্জনকারী শিশুদের সম্মানের জন্য পুরস্কারটি চালু করা হয়েছিল। এই পুরস্কার অর্জনকারী শিশুদের পদক ছাড়াও নগদ পুরস্কার দেওয়া হয়। ২০১৮ সাল থেকে এই পুরস্কারের নাম পরিবর্তন করে ‘বাল শক্তি পুরস্কার’ করা হয়েছে এবং এতে সাহসিকতার ক্ষেত্রে কৃতিত্ব অর্জনকারী শিশুদেরও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। যেসব শিশু ভারতের নাগরিক ও ভারতে বসবাস করে তাদের এই পুরস্কার দেওয়া হয়। নারী ও শিশু উন্নয়ন মন্ত্রক ৫ বছর থেকে ১৮ বছর মধ্যের শিশুদেরই এই পুরস্কার প্রদান করে। এই পুরস্কার শিশুদের উৎসাহীত করবে যা নতুন ভারত তৈরিতে অগ্রণী ভূমিকা গ্রহণ করবে।

    ৬টি ক্যাটাগরী যেমন-শিক্ষা, শিল্প ও সংস্কৃতি, সাহসিকতা, ইনোভেশন, সমাজসেবা এবং ক্রীড়া ক্ষেত্রে এই পুরস্কার দেওয়া হয়। জাতীয় শিশু পুরস্কার বিজয়ীদের পদক ও শংসাপত্র ছাড়াও নগদ ১ লাখ টাকাও পুরস্কার দেওয়া হয়। 

    এবছর শিল্প ও সংস্কৃতি থেকে চারজন, সাহসিকতায় একজন, ইনোভেশনে দুইজন, সমাজসেবায় একজন এবং ক্রীড়া ক্ষেত্রে তিনজন শিশুকে পুরস্কার দেওয়া হবে। ব্যতিক্রমী কৃতিত্ব অর্জনকারী  ৬টি বিভাগে শিশুদের এই পুরস্কার দেওয়া হয়। 

    প্রধানমন্ত্রী মোদির সঙ্গে প্রাপ্ত বিজয়ীদের সাক্ষাৎ

    আগামীকাল পুরস্কার বিতরণের পর ২৪ জানুয়ারি প্রধানমন্ত্রী পুরস্কার প্রাপকদের সঙ্গে কথাও বলবেন নরেন্দ্র মোদি। এছাড়াও নারী ও শিশু উন্নয়ন মন্ত্রী স্মৃতি জুবিন ইরানি শিশুদের সঙ্গে কথা বলবেন এবং মন্ত্রীদের উপস্থিতিতে শিশুদের পারফরম্যান্সের জন্য তাদের অভিনন্দন জানাবেন। উল্লেখ্য, গতবছর দেশের ২৯ জন শিশুদের এই পুরস্কারে ভূষিত করা হয়েছিল। পুরস্কার প্রাপকদের মধ্যে ১৫ জন ছেলে ও ১৪ জন মেয়ে ছিল।

LinkedIn
Share