Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • African Cheetahs: কোয়ারেন্টাইন থেকে ছাড়া পাওয়ার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই কুনোয় চিতল শিকার দুই আফ্রিকান চিতার

    African Cheetahs: কোয়ারেন্টাইন থেকে ছাড়া পাওয়ার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই কুনোয় চিতল শিকার দুই আফ্রিকান চিতার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত সেপ্টেম্বরেই আফ্রিকার নামিবিয়া থেকে মধ্যপ্রদেশের কুনো জাতীয় উদ্যানে (Kuno National Park) আনা হয়েছে দুটি চিতা (African Cheetah)। ৮০ বছর পর ভারতের মাটিতে পা রেখেছে চিতা। প্রথমে দুমাসের জন্যে তাদের কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়। কোয়ারেন্টাইন থেকে ছাড়া পাওয়ার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই চিতল হরিণ শিকার করল দুই চিতা। চিতা দুটির নাম ফ্রেডি ও এলটন। এই দুই পুরুষ চিতা আদতে সহোদর। ৬-৭ নভেম্বরের মধ্যে তারা একটি চিতল হরিণ বা স্পটেড ডিয়ার শিকার করেছে। রবিবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে সোমবার সকালের মধ্যে চিতাদুটি ওই শিকার করেছে। এমনটাই জানিয়েছেন মধ্যপ্রদেশের বনদফতর।

    এই খবরে উচ্ছ্বসিত প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তাঁর জন্মদিন ১৭ সেপ্টেম্বরেই চিতাদুটিকে কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছিল। একটি ট্যুইটের প্রধানমন্ত্রী লেখেন, “বিরাট খবর! আমাকে জানানো হয়েছে যে বাধ্যতামূলক কোয়ারেন্টাইনের শেষে দুটি চিতাকে বৃহত্তর বনাঞ্চলে ছাড়া হয়েছে। অন্যান্য চিতাগুলোকেও খুব শীঘ্রই ছেড়ে দেওয়া হবে। আমি খুব আনন্দের সঙ্গে জানাতে চাই যে সমস্ত চিতারই স্বাস্থ্য ভালো আছে। তারা রীতিমতো সক্রিয়। আর, পরিবেশের সঙ্গে ভালোভাবে মানিয়ে নিয়েছে।”   

    আরও পড়ুন: রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের জোড়াসাঁকো ক্যাম্পাসে নির্মাণে স্থগিতাদেশ কলকাতা হাইকোর্টের 

    বনদফতরের মতে, চিতা শিকার করছে মানেই স্বাভাবিক জীবনে ফিরছে। তাদের শারীরিক অবস্থা ভালো। আর, চিতাগুলোর পুনর্বাসন প্রক্রিয়াও সঠিক পথেই চলছে। এই ব্যাপারে বন দফতরের এক উচ্চপদস্থ আধিকারিক বলেন, “প্রত্যাশাতীতভাবে মুক্তির ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই চিতাগুলো প্রথমবার শিকার করল। যার অর্থ চিতাগুলো সম্পূর্ণ সুস্থ আছে। চিতাগুলো দুর্বল হয়ে পড়েছে কি না, এই চিন্তা এবার দূর হল।”

    আফ্রিকা থেকে দীর্ঘ ৮ হাজার কিলোমিটার পথ পেরিয়ে ভারতে এসেছে আটটি চিতা। নামিবিয়ার সঙ্গে ভারতের জলবায়ুর বিস্তর পার্থক্য। চিতাগুলোর কাছে তাই ভারতের পরিবেশ নতুন। বাস্তবে, বিশ্বে এই প্রথমবার বড় আকারের মাংসাশী প্রাণী চিতাকে এক মহাদেশ থেকে অন্য মহাদেশে নিয়ে আসা হয়েছে। তারপর থেকে ওই চিতাগুলোকে দীর্ঘদিন কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছিল। কোয়ারেন্টাইনে থাকাকালীন চিতাগুলো মোষের মাংস খাচ্ছিল। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।      

  • Metro AG: এবার ভারতীয় মেট্রো ক্যাশ অ্যান্ড ক্যারির মালিকও আম্বানি? জানুন কত টাকায় হচ্ছে হস্তান্তর

    Metro AG: এবার ভারতীয় মেট্রো ক্যাশ অ্যান্ড ক্যারির মালিকও আম্বানি? জানুন কত টাকায় হচ্ছে হস্তান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিগবাজার তো ঝুলিতে ছিলই, এবার দেশের খুচরো বাজারের একচেটিয়া সম্রাট হওয়ার লক্ষ্যে আরও এক ব্যবসা কিনতে চলেছে রিলায়্য়ান্সে গ্রুপ (Reliance Industries Ltd)। জার্মান ফার্ম মেট্রো এজির (METRO AG) ক্যাশ অ্যান্ড ক্যারির ভারতীয় ব্যবসা অধিগ্রহণ করতে চলেছেন মুকেশ আম্বানি। জানা গিয়েছে, প্রায় ৪,০৬০ কোটি টাকায় এই হস্তান্তর হতে চলেছে। যদিও আগের খবর মোতাবেক, এই চুক্তি হওয়ার কথা ছিল ৮,২০০ কোটি টাকায়। এই চুক্তির মাধ্যমে মেট্রো ক্যাশ অ্যান্ড ক্যারির ব্যবসা ভারতে ছড়িয়ে দেবে রিলায়্য়ান্স। 

    জানা গিয়েছে, ৩১টি পাইকারি ডিস্ট্রিবিউশন সেন্টার, ল্যান্ড ব্যাঙ্ক এবং মেট্রো ক্যাশ অ্যান্ড ক্যারির মালিকানাধীন অন্য সম্পত্তিগুলিও এই চুক্তির আওতায় আসছে। বেশ কয়েক মাস ধরেই এই আলোচনা চলছিল। সূত্রের খবর, গত সপ্তাহেই এই প্রস্তাবে রাজী হয়েছে মেট্রো এজি।

    আরও পড়ুন: সৌদি আরব এবং ইরাককে পিছনে ফেলে অক্টোবরে ভারতের শীর্ষ তেল রপ্তানিকারী দেশ রাশিয়া 

    এদিকে ভারতে এই ব্যবসা কেনার দৌড়ে ছিল আরও অনেক বিদেশি সংস্থাও। তবে শেষ হাসিটি হাসলেন আম্বানিই। যদিও এই বিষয়ে কোনও পক্ষই নিশ্চিত করে কিছু বলেনি। রিলায়্য়ান্সের মুখপাত্র বলেছেন, ‘আমাদের সংস্থা বিভিন্ন সময়ই নানারকম সুযোগ খতিয়ে দেখে।” আর মেট্রো এজির মুখপাত্র বলেছেন, “বাজারে ছড়ানো রটনা বা জল্পনায় আমরা কোনও মন্তব্য করি না।” 

    উল্লেখ্য, দেশের বিভিন্ন মেট্রো শহরে মেট্রো ক্যাশ অ্য়ান্ড ক্যারির বেশ কিছু আউটলেট রয়েছে। যার মধ্যে কলকাতাতেই রয়েছে ১ টি, ৬ টি রয়েছে বেঙ্গালুরুতে, ৪ টি হায়দ্রাবাদে, মুম্বইতে ও দিল্লিতে ২ টি করে এবং জয়পুর, জলন্ধর, জিরাকপুর, অমৃতসর, আমেদাবাদ, সুরাট, ইন্দোর, লখনউ, মীরাট, নাসিক, গাজিয়াবাদ, তুমাকুরু, বিজয়ওয়াড়া, বিশাখাপত্তনম, গুন্টুর ও হুব্বাল্লিতে ১ টি করে আউটলেট রয়েছে। ভারত ছাড়াও বিশ্বের ৩৪ টি দেশে মেট্রো এজির ব্যবসা রয়েছে। ভারতে ২০০৩ সালে ব্যবসা শুরু করেছিল এই জার্মান সংস্থা্টি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।    

     
     

     

  • Oil Import: সৌদি আরব এবং ইরাককে পিছনে ফেলে অক্টোবরে ভারতের শীর্ষ তেল রপ্তানিকারী দেশ রাশিয়া

    Oil Import: সৌদি আরব এবং ইরাককে পিছনে ফেলে অক্টোবরে ভারতের শীর্ষ তেল রপ্তানিকারী দেশ রাশিয়া

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতে জ্বালানি তেল সরবরাহে সৌদি আরব (Saudi Arabia) ও ইরাককে (Iraq) পিছনে ফেলে শীর্ষস্থান দখল করে নিল রাশিয়া (Russia)। শুধু অক্টোবর মাসেই ভারতে রাশিয়ার জ্বালানি তেলের (Crude Oil) রপ্তানি বেড়েছে ৯ লক্ষ ৪৬ হাজার ব্যারেল।  শতকরা হিসেবে এই বৃদ্ধির হার ৮ শতাংশ।     

    এতদিন পর্যন্ত জ্বালানি তেলের জন্য মূলত সৌদি আরব এবং ইরাকের ওপর নির্ভরশীল ছিল ভারত। কিন্তু জ্বালানি পণ্যের আন্তর্জাতিক বাজার পর্যবেক্ষক সংস্থা ভোরটেক্সা জানিয়েছে, অক্টোবর মাসে মোট যে পরিমাণ জ্বালানি তেল আমদানি করেছে ভারত, শতকরা হিসেবে তার ২২ শতাংশই এসেছে রাশিয়া থেকে। ইরাক থেকে ২০.৫ শতাংশ এবং সৌদি থেকে ১৬ শতাংশ অপরিশোধিত তেল ভারতে এসেছে। 

    প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, এতদিন রাশিয়ার তেলের সবচেয়ে বড় ক্রেতা ছিল ইউরোপের দেশগুলো। তবে অক্টোবরে ইউরোপকে সরিয়ে সেই জায়গা নিয়েছে ভারত। ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধ শুরুর পর রাশিয়ার ওপর একগুচ্ছ অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা চাপিয়েছে ইউরোপীয় দেশগুলি। এই নিষেধাজ্ঞাগুলির মধ্যে রাশিয়ার জ্বালানি তেলও রয়েছে। ঘোষণা অনুযায়ী, আগামী ডিসেম্বর থেকে রাশিয়া থেকে জ্বালানি তেল কেনার হার শূণ্যের কোঠায় নামিয়ে আনবে ইউরোপ। 

    আরও পড়ুন: শহিদ ভগৎ সিং- এর নামে চণ্ডীগড় বিমানবন্দরের নামকরণ, জারি হল নোটিস  

    রাশিয়া থেকে তেল আমদানির হিসেবে গত মাসে শীর্ষে ছিল চিন। ভোরাটেক্সার তথ্য অনুযায়ী, অক্টোবরে প্রতিদিন প্রায় ১০ লক্ষ ব্যারেল রুশ তেল আমদানি করেছে চিন। ইউক্রেনে রাশিয়ার সামরিক অভিযানের কারণে যুক্তরাষ্ট্র ও তার পশ্চিমা বন্ধু দেশগুলি চলতি বছরের মার্চের দিকে রাশিয়ার তেল বিক্রির ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করতে শুরু করে। এ সময় নতুন বাজার খুঁজতে শুরু করে রাশিয়া। বন্ধু দেশগুলির কাছে কম দামে তেল বিক্রির প্রস্তাব দেয়  মস্কো। আর ভারত লুফে নেয় সেই প্রস্তাব। 

    ভারতের কেন্দ্রীয় জ্বালানিমন্ত্রী হরদীপ সিং পুরি চলতি সপ্তাহে মার্কিন সংবাদমাধ্যমকে এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, “রাশিয়ার কাছ থেকে তেল কেনার জন্য কোনও প্রকার নৈতিক সংকট নেই ভারতের। জ্বালানি তেলের মূল্য বেড়ে গেলে সাধারণ লোকজন ব্যাপক ভোগান্তির শিকার হবে। যেহেতু আমরা ভারতের নাগরিকের কাছে দায়বদ্ধ, তাই জনস্বার্থেই আমরা রাশিয়া থেকে তেল কিনছি।”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।    

  • Abhijit Vinayak Banerjee: প্রাক-নির্বাচনী খয়রাতি গরিব মানুষকে সাহায্য করার সেরা পন্থা নয়, জানালেন অভিজিৎ

    Abhijit Vinayak Banerjee: প্রাক-নির্বাচনী খয়রাতি গরিব মানুষকে সাহায্য করার সেরা পন্থা নয়, জানালেন অভিজিৎ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটের আগে খয়রাতি (Pre-poll Give Away) করে জনগণের সমর্থন আদায়ের মরিয়া চেষ্টা করে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) একে ‘রেউড়ি সংস্কৃতি’ তকমা দিয়েছেন। মামলা চলছে সুপ্রিম কোর্টেও (Supreme Court)। এহেন আবহে নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অভিজিৎ বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhijit Vinayak Banerjee) সাফ কথা, প্রাক নির্বাচনী খয়রাতি গরিব মানুষকে সাহায্য করার সেরা পন্থা নয়। বরং তাঁদের শৃঙ্খলাবদ্ধভাবে সাহায্য করতে হবে।

    শনিবার দিল্লিতে ভাল অর্থনীতি, খারাপ অর্থনীতি শীর্ষক এক আলোচনাসভায় যোগ দেন অভিজিৎ (Abhijit Vinayak Banerjee)। সভার উদ্যোক্তা ছিলেন অর্থনীতিবিদ শ্রায়ানা ভট্টাচার্য। এই সভায় যোগ দিয়ে অর্থনীতির নানা দিক নিয়ে আলোচনা করেন অভিজিৎ। অর্থনীতি কীভাবে মানুষের জীবন ও দেশের সামগ্রিক উন্নয়নকে প্রভাবিত করছে, তারও ব্যাখ্যা দেন নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ। উন্নয়নমূলক অর্থনীতি, অর্থনীতির ব্যবহারিক মডেল, জীবনযাত্রার সংকট, সামাজিক সুরক্ষা, মূল্যের বণ্টনমূলক প্রভাব ইত্যাদি নানা বিষয়ও উঠে আসে তাঁর আলোচনায়।

    অভিজিতের (Abhijit Vinayak Banerjee) বক্তৃতায় উঠে আসে মুদ্রাস্ফীতি, বেকারত্ব সহ নানা সমস্যার কথা, যেগুলি এই মুহূর্তে ভারতেরও সমস্যা। সেই প্রসঙ্গ টেনেই নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ বলেন, ভারতে একটি প্রচলিত রেওয়াজ আছে। যে কোনও নির্বাচনের আগে গরিবদের সামান্য কিছু উপহার দিয়ে ভোট কেনার চেষ্টা হয়। এই প্রবণতা অত্যন্ত খারাপ। তাঁর মতে, এই সামান্য উপহারে গরিবের কোনও উপকার হয় না। পরন্তু, স্তব্ধ হয়ে যায় দেশের উন্নয়ন। তিনি বলেন, বিষয়টিতে একটি শৃঙ্খলা থাকা দরকার। কারণ এই মুহূর্তে এই রেওয়াজ থেকে বেরিয়ে আসাও কঠিন। প্রসঙ্গত, অভিজিতের ঢের আগেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিই জানিয়েছিলেন, খয়রাতি সংস্কৃতি দেশের অর্থনীতির ওপর চাপ সৃষ্টি করছে।

    আরও পড়ুন: খয়রাতি নয়, মর্যাদার সঙ্গে রোজগার করাই বেশি পছন্দ ভোটারদের, মত সুপ্রিম কোর্টের

    দেশের অর্থ-সংকট কাটানোর দাওয়াইও বাতলেছেন অভিজিৎ (Abhijit Vinayak Banerjee)। বলেন, আমাদের সমাজে যে অসাম্য রয়েছে, তা বেলুনের মতোই ফুলে চলেছে। এই অসাম্য দূর করতে ধনীদের কাছে থেকে ভাল মতো কর নেওয়া যেতে পারে। সেই করের টাকা কেন্দ্রীয় সরকারের তহবিলে জমা হবে। পরে সেই টাকা শৃঙ্খলাবদ্ধভাবে ভাগ করে দেওয়া যেতে পারে গরিবদের মধ্যে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • JP Nadda: অভিন্ন দেওয়ানি বিধি, সরকারি চাকরিতে মহিলাদের জন্য সংরক্ষণ, হিমাচলে গুচ্ছ প্রতিশ্রুতি নাড্ডার

    JP Nadda: অভিন্ন দেওয়ানি বিধি, সরকারি চাকরিতে মহিলাদের জন্য সংরক্ষণ, হিমাচলে গুচ্ছ প্রতিশ্রুতি নাড্ডার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের কুর্সিতে ফের বিজেপি (BJP) এলে চালু হবে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি (UCC)। সরকারি চাকরিতে মহিলাদের জন্য থাকবে ৩৩ শতাংশ সংরক্ষণও। হিমাচল প্রদেশ (Himachal Pradesh) বিধানসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে শনিবার দলের ইস্তেহার প্রকাশ অনুষ্ঠানে এই প্রতিশ্রুতিই দিলেন বিজেপির সভাপতি জেপি নাড্ডা (JP Nadda)।

    হিমাচল প্রদেশ বিধানসভার আসন সংখ্যা ৬৮। সতেরোর বিধানসভা নির্বাচনে ৪৪টি আসন পেয়েছিল বিজেপি (BJP)। কংগ্রেস (Congress) পেয়েছিল ২১টি আসন। একটি আসন পেয়েছিল সিপিএম (CPM)। অন্যরা পেয়েছিল ২টি আসন। এবার ভোট হবে ১২ নভেম্বর। বিজেপির প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী কংগ্রেস। নিজের রাজ্য হিমাচল প্রদেশের এদিনের অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে গুচ্ছ প্রতিশ্রুতি দেন নাড্ডা (JP Nadda)। এর মধ্যে ছিল ৮ লক্ষ চাকরি, উচ্চ শিক্ষার পাঠ নিতে যাওয়া মেয়েদের স্কুটার দেওয়া এবং রাজ্যে পাঁচটি নয়া মেডিক্যাল কলেজ স্থাপনও।

    এদিন বিজেপির ইস্তেহার প্রকাশ করেন নাড্ডা (JP Nadda)। এই ইস্তেহারের পোশাকি নাম ‘সঙ্কল্প পত্র’। এই ‘সঙ্কল্প পত্র’ প্রকাশ অনুষ্ঠানে নাড্ডা বলেন, রাজ্যের ক্ষমতায় ফের বিজেপি এলে চালু হবে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি। এজন্য গড়া হবে কমিটিও। রাজ্যে ওয়াকফ সম্পত্তির কত পরিমাণ অংশ অবৈধ কাজে ব্যবহৃত হচ্ছে, তা জানতে বিজেপি সরকার সমীক্ষা করবে বলেও আশ্বাস দেন নাড্ডা।

    আরও পড়ুন: ‘পদ্ম চিহ্নে ছাপ দেওয়া মানেই মোদিকে ভোট দেওয়া’, হিমাচল প্রদেশের জনসভায় বললেন প্রধানমন্ত্রী

    মহিলা ভোটারদের কথা মাথায় রেখে নাড্ডা (JP Nadda) এদিন আলাদা একটি ইস্তেহার প্রকাশ করেন। তাতেই ঘোষণা করা হয়েছে সরকারি চাকরিতে ৩৩ শতাংশ আসন সংরক্ষণের কথা। বিজেপি ফের ক্ষমতায় এলে ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত পাঠরত মেয়েদের সাইকেল দেওয়ার প্রতিশ্রুতিও দেন নাড্ডা। এদিনই প্রকাশিত হয়েছে রাজ্যে বিজেপির প্রধান প্রতিপক্ষ কংগ্রেসের (Congress) নির্বাচনী ইস্তেহারও। তাকে কটাক্ষ করে নাড্ডার (JP Nadda) সংক্ষিপ্ত প্রতিক্রিয়া, ওই ইস্তেহারের না আছে কোনও দিশা, না আছে ভার। জানা গিয়েছে, এই ইস্তেহারের খসড়া তৈরির আগে একটি কমিটি গড়েছিল বিজেপি। ওই কমিটির সদস্যরা কথা বলেন সাধারণ মানুষের সঙ্গে। তার পরেই তৈরি হয় খসড়া।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • PM Modi: ‘পদ্ম চিহ্নে ছাপ দেওয়া মানেই মোদিকে ভোট দেওয়া’, হিমাচল প্রদেশের জনসভায় বললেন প্রধানমন্ত্রী

    PM Modi: ‘পদ্ম চিহ্নে ছাপ দেওয়া মানেই মোদিকে ভোট দেওয়া’, হিমাচল প্রদেশের জনসভায় বললেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রে ও রাজ্যে একই দলের সরকার থাকার প্রয়োজনীয়তার কথা বারংবার বলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। তাঁর ভাষায়, এটা হল ডাবল ইঞ্জিন সরকার। শনিবার হিমাচল প্রদেশের এক জনসভায় ফের একবার ডাবল ইঞ্জিন সরকারের হয়ে সওয়াল করলেন প্রধানমন্ত্রী। তারই সঙ্গে বললেন, পদ্মফুল চিহ্নে ছাপ দিলে তা আশীর্বাদ হয়ে পড়বে মোদির ঝুলিতে। তিনি বলেন, প্রার্থী কে, তা দেখার দরকার নেই। পদ্মফুল চিহ্নে ছাপ দেওয়া মানে মোদিকে ভোট দেওয়া।

    ৬৮ আসনের হিমাচল প্রদেশে গত বিধানসভা নির্বাচনে ৪৪টি পেয়েছিল বিজেপি (BJP)। কংগ্রেস (Congress) পেয়েছিল ২১টি আসন। একটি আসন পেয়েছিল সিপিএম (CPM)। অন্যরা পেয়েছিল ২টি আসন। এবার ভোট হবে ১২ নভেম্বর। সেই উপলক্ষেই এদিন জনসভায় ভাষণ দিচ্ছিলেন মোদি (PM Modi)। এ রাজ্যের সঙ্গে তাঁর যে আত্মিক সম্পর্ক রয়েছে এদিন তাও মনে করিয়ে দেন প্রধানমন্ত্রী। তার পরেই বলেন, জানতে চান কে বিজেপি প্রার্থী? আপনার কাউকে মনে রাখার দরকার নেই। শুধু মনে রাখুন, পদ্ম। হাতের পদ্ম দেখিয়ে মোদি বলেন, আমি পদ্ম নিয়ে আপনাদের কাছে এসেছি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, আপনি যদি ভোট দিতে গিয়ে পদ্মফুল চিহ্ন দেখেন, বুঝবেন এটাই বিজেপি। এটাই মোদি, যিনি আপনাদের কাছে এসেছেন। তিনি বলেন, পদ্ম চিহ্নে ভোট দেওয়া মানেই তা আশীর্বাদ হয়ে চলে আসবে আমার ঝুলিতে।

    আরও পড়ুন: যারা ভারতের ঐক্য ভাঙার চেষ্টা করছে, তাদের থেকে সাবধান, বললেন মোদি

    মোদি (PM Modi) বলেন, দিল্লিতে মোদি সরকার রয়েছে। এখানেও মোদির হাত শক্ত করতে হবে। এ রাজ্যে ফের প্রতিষ্ঠিত করতে হবে বিজেপির সরকার। এদিনের জনসভায় প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী কংগ্রেসকে একহাত নেন মোদি। বলেন, এর আগে দেশে কংগ্রেসের সরকার ছিল। তারা দেশে স্থিতাবস্থা চায়নি। নিজেদের স্বার্থেই ছোট ছোট রাজ্যেও তারা কখনওই স্থায়ী সরকার চায়নি। মোদি বলেন, এই স্বার্থপরের দল যখনই ক্ষমতায় এসেছে নিজেদের নিয়েই ব্যস্ত থেকেছে। সমাজ ভাঙার ষড়যন্ত্র করেছে। চক্রান্ত করেছে দেশের ঐক্য ভাঙার। প্রধানমন্ত্রী বলেন, কংগ্রেস মানেই অস্থায়িত্ব, কংগ্রেস মানেই দুর্নীতি, কংগ্রেস মানেই স্বার্থপরতা এবং কংগ্রেস মানেই স্বজনপোষণ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Twitter Blue: কবে ভারতে আসবে ট্যুইটার ব্লু? প্রশ্নের জবাবে কী বললেন ইলন মাস্ক?

    Twitter Blue: কবে ভারতে আসবে ট্যুইটার ব্লু? প্রশ্নের জবাবে কী বললেন ইলন মাস্ক?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কবে ট্যুইটার ব্লু (Twitter Blue) আসবে ভারতে? এমনই এক প্রশ্ন সম্প্রতি মাইক্রো ব্লগিং সাইটের নয়া মালিককে করেছিলেন এক ভারতীয়। উত্তর দিলেন ইলন মাস্ক (Elon Musk)। পাল্টা ট্যুইটে লেখেন, এক মাসের কম সময়েই ভারতে চলে আসবে ট্যুইটারের এই বিশেষ ভার্সান।   

    কিছু কিছু জায়গায় ট্যুইটারের ৮ মার্কিন ডলারের এই বিশেষ ফিচার এসেছে। এই ফিচার মূলত আইফোন ব্যবহারকারীদের জন্যে। নতুন ভেরিফিকেশন সিস্টেমের ট্যুইটার ব্লু্র সুবিধা আপাতত ইউএস, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, ইউকে- এর আইফোন ব্যবহারকারীরা পাচ্ছেন।

     

    আইফোনের ট্যুইটার অ্যাপের বিষয়ে একটি নোটিফিকেশনে বলা হয়েছে, ট্যুইটার ব্লুতে আরও নতুন নতুন ফিচার যুক্ত করা হবে। এখন সাবস্ক্রাইব করলে প্রতিমাসে ৭.৯৯ মার্কিন ডলারেই এই সুবিধা পাওয়া যাবে।  

    ট্যুইটার আরও জানায়, ট্যুইটার ব্লু ব্যবহারকারীদের হ্যান্ডেলে তারকাদের মতোই ব্লু টিক থাকবে। নতুন ফিচারগুলি সম্পর্কেও জানিয়েছে ট্যুইটার কর্তৃপক্ষ। জানানো হয়েছে, বিজ্ঞাপনের পরিমাণ অর্ধেক করা হবে, আরও দীর্ঘ ভিডিও পোস্ট করা যাবে, কন্টেন্ট- এর প্রায়োরিটি র‍্যাঙ্কিং করা হবে। এতে স্প্যাম, বটের পরিমাণ কমে আসবে। 

    আরও পড়ুন: জাতীয় গেমসে অংশ নিচ্ছেন না নীরজ! সামনে বিশ্বচ্যাম্পিয়নশিপ, চোটমুক্ত থাকাই লক্ষ্য

    সম্প্রতি ব্লু টিকের জন্যে ট্যুইটার মাসিক চার্জ নেওয়ার কথা ঘোষণা করেছে। এতে দু ভাগে বিভক্ত হয়ে গিয়েছে নেট পাড়া। অনেকেরই বক্তব্য, সাংবাদিক, লেখকরা প্রয়োজনীয় কন্টেন্ট শেয়ার করেন ট্যুইটারে। তাঁদের কাছ থেকে টাকা নেওয়া অনৈতিক। অনেকে আবার ইলন মাস্কের এই নতুন সিদ্ধান্তের প্রশংসাও করেছেন। তাঁদের বক্তব্য, এই ভেরিফিকেশন সিস্টেমের ফলে, অনেক নতুন ফিচারের সুবিধাও উপভোগ করা যাবে। 

    ইলন মাস্ক জানিয়েছেন, ট্যুইটার ব্লু- র মাসিক ভাড়া দেশের চাহিদা বিবেচনা করে নির্ধারণ করা হবে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
  • China Spy Ship: ভারত মহাসাগরে ফের চিনা গুপ্তচর জাহাজ, কারণ জানেন?  

    China Spy Ship: ভারত মহাসাগরে ফের চিনা গুপ্তচর জাহাজ, কারণ জানেন?  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আবারও গুপ্তচর (China Spy Ship) জাহাজ পাঠাল শি জিন পিংয়ের দেশ। বর্তমানে ভারত মহাসাগরে রয়েছে চিনের ওই গুপ্তচর জাহাজ। পরিস্থিতির ওপর কড়া নজর রাখছে ভারত (India)। ভারতীয় নৌবাহিনী এ ব্যাপারে সতর্ক করে দিয়েছে। নজর রাখছে জাহাজটির ওপরও।

    প্রতিরক্ষা মন্ত্রক (Defence Ministry) সূত্রে খবর, ভারত মহাসাগরে চিন যে গুপ্তচর জাহাজটি (China Spy Ship) মোতায়েন করেছে, সেটি ভারতের জলসীমার অনেক দূরে। তবুও নিরাপত্তার খাতিরে ড্রাগনের দেশের ওই গুপ্তচর জাহাজটির ওপর কড়া নজর রাখছে ভারত। মানববিহীন এরিয়াল ভেহিক্যাল দিয়েই চালানো হচ্ছে নজরদারি।

    অগাস্ট মাসেই একটি চিনা গুপ্তচর (China Spy Ship) জাহাজ নোঙর করেছিল শ্রীলঙ্কার হাম্বানটোটা বন্দরে। এরই কিছু দিন আগে চিনের ওই জাহাজটি রওনা দিয়েছিল শ্রীলঙ্কার দিকে। তখনই আপত্তি জানিয়েছিল ভারত। উদ্বেগ প্রকাশ করেছিল আমেরিকাও। জাহাজটি যাতে হাম্বানটোটা বন্দরে নোঙর না করে, সেজন্য শি জিন পিংয়ের দেশকে আবেদন করেছিল শ্রীলঙ্কাও। সেসব কানে না তুলেই শ্রীলঙ্কা অভিমুখে যাত্রা করতে শুরু করে ইউয়ান ওয়াং-৫ নামের ওই জাহাজটি।

    জানা গিয়েছে, ওই গুপ্তচর জাহাজটি (China Spy Ship) চিনের মহাকাশ ও উপগ্রহ গবেষণার কাজে ব্যবহৃত হয়। যেহেতু জাহাজটি শি জিন পিংয়ের দেশের মহাকাশ ও উপগ্রহ গবেষণার কাজে ব্যবহৃত হয়, তাই আপত্তি জানিয়েছিল ভারত। নয়াদিল্লির আশঙ্কা, অত্যাধুনিক এই জাহাজের মাধ্যমে ভারতের ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থার ওপর নজরদারি চালাতে পারে ড্রাগনের দেশ। ভারতের এই আপত্তির পরে পরেই শ্রীলঙ্কার তরফেও চিনকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল তাদের বন্দরে ওই জাহাজ যেন নোঙর না করে। তার পরেও জাহাজ আসে হাম্বানটোটায়। কয়েকদিন পরে শ্রীলঙ্কার বন্দর ছাড়ে জাহাজটি।

    আরও পড়ুন: শ্রীলঙ্কা ছেড়ে গেল চিনা ‘গুপ্তচর’ জাহাজ, হাঁফ ছাড়ল ভারতও

    সূত্রের খবর, বর্তমানে বালি উপকূলের কাছাকাছি রয়েছে চিনের এই নয়া গুপ্তচর জাহাজটি (China Spy Ship)। এটি এমন এক সময় ভারত মহাসাগরে পৌঁছেছে, যখন ভারত একটি ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার নোটিশ জারি করেছে। প্রসঙ্গত, ভারত ১০-১১ নভেম্বরের মধ্যে ওড়িশা উপকূলে আবদুল কালাম দ্বীপ থেকে নিক্ষেপ করতে পারে ক্ষেপণাস্ত্রটি। ক্ষেপণাস্ত্রটির পাল্লা ২২০০ কিলোমিটার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Mukhtar Ansari: আর্থিক তছরুপ মামলায় উত্তর প্রদেশে ইডির হাতে গ্রেফতার মুখতার আনসারির ছেলে   

    Mukhtar Ansari: আর্থিক তছরুপ মামলায় উত্তর প্রদেশে ইডির হাতে গ্রেফতার মুখতার আনসারির ছেলে   

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার ইডির (ED) হাতে গ্রেফতার উত্তর প্রদেশের আব্বাস আনসারি (Abbas Ansari)। তিনি সুহেলদেব ভারতীয় সমাজবাদী পার্টির বিধায়ক। মউ কেন্দ্র থেকে জয়ী হয়েছিলেন তিনি। তাঁর আরও একটি পরিচয় রয়েছে। সেটি হল, তিনি গ্যাংস্টার থেকে রাজনীতিক বনে যাওয়া মুখতার আনসারির (Mukhtar Ansari) ছেলে। শনিবার আব্বাসকে গ্রেফতারির খবর জানিয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। এই সংস্থার আধিকারিকরা জানান, আর্থিক তছরুপের মামলায় (Money Laundering Case) গ্রেফতার করা হয়েছে মুখতারের ছেলেকে।

    ইডির আধিকারিকরা জানান, বছর তিরিশের আব্বাসকে গ্রেফতার করার আগে দীর্ঘক্ষণ ধরে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। উত্তর প্রদেশের প্রয়াগরাজের ফেডারেল এজেন্সির অফিসে জেরা করা হয় তাঁকে। পরে গ্রেফতার করা হয় মউয়ের বিধায়ককে। তাঁরা জানান, আর্থিক তছরুপের মামলায় তাঁর বাবা (Mukhtar Ansari) এবং পরিবারের বিরুদ্ধে তদন্ত চলছিল। সেই সূত্রেই গ্রেফতার করা হয়েছে আব্বাসকে। জানা গিয়েছে, মুখতার আনসারির সাতটি স্থাবর সম্পত্তি অ্যাটাচ করেছে ইডি। যার মূল্য ১.৪৮ কোটি টাকা।

    মুখতার আনসারি (Mukhtar Ansari) বর্তমানে উত্তর প্রদেশেরই বান্দা জেলে বন্দি। তিনি পাঁচ বারের বিধায়ক ছিলেন। গতবছর এই মামলায় তাঁকেও জিজ্ঞাসাবাদ করেছিল ইডি। কেবল তাঁকেই জেরা নয়, চলতি বছরের অগাস্ট মাসে ইডির তদন্তকারী আধিকারিকরা তাঁর দাদা এবং বহুজন সমাজবাদী পার্টির সাংসদ আফজল আনসারির দিল্লির বাড়িতে হানা দিয়েছিলেন। গাজিপুর, মোহম্মদাবাদ, মউ এবং লখনউতেও হানা দিয়েছিল ইডির তদন্তকারী দল। মুখতারের (Mukhtar Ansari) বিরুদ্ধে আর্থিক তছরুপের একাধিক অভিযোগ দায়ের হয় উত্তর প্রদেশ পুলিশের কাছে। এছাড়াও দুটি অভিযোগ দায়ের হয় বিকাশ কনসট্রাকশান নামে একটি কোম্পানির বিরুদ্ধে। এই কোম্পানিটি চালান মুখতারের স্ত্রী, দুই শ্যালক এবং অন্যরা।

    আরও পড়ুন: ‘‘সব বলে এসেছি…’’, ইডি-র সামনে কোন কোন সত্যের খোলসা করলেন কেষ্ট-কন্যা?

    মুখতার আনসারির (Mukhtar Ansari) বিচার চলছে সাতটি মামলায়। এর মধ্যে রয়েছে উত্তর প্রদেশে খুন এবং খুনের চেষ্টার অভিযোগও। অগাস্ট মাসেই গাজিপুর জেলা প্রশাসন তাঁর দুটি জমি বাজেয়াপ্ত করেছে। এর আনুমানিক মূল্য ৬ কোটি টাকারও বেশি। পুলিশের দাবি, অবৈধভাবে রোজগারের টাকায় কেনা হয়েছিল ওই দুটি জমি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।   

  • Tripura Murder: হাড়হিম করা কাণ্ড! মা-বোন-দাদু সহ চারজনকে কুপিয়ে খুন নবম শ্রেণির ছাত্রের, কারণটা কী?

    Tripura Murder: হাড়হিম করা কাণ্ড! মা-বোন-দাদু সহ চারজনকে কুপিয়ে খুন নবম শ্রেণির ছাত্রের, কারণটা কী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গা শিউরে ওঠার মত ঘটনা (Tripura Murder)। মা, বোন, দাদু সহ চারজনকে নৃশংসভাবে কুপিয়ে খুন করার অভিযোগ উঠল এক নাবালকের বিরুদ্ধে। সূত্রের খবর অনুযায়ী, নাবালকটি নবম শ্রেণির ছাত্র। গতকাল, রবিবার ঘটনাটি ত্রিপুরার ধলাই জেলায় ঘটেছে। খুন করার সময় আশেপাশের যাতে কেউ টের না পায় তাই তারস্বরে সাউন্ড সিস্টেম বাজিয়ে রেখে দিয়েছিল। শুধুমাত্র খুন নয়, খুনের পর মৃতদেহ লুকিয়ে রাখার জন্য বাড়ির পাশে গর্তও খুঁড়েছিল। কিন্তু শেষপর্যন্ত পুলিশের হাতে ধরা পড়ে। এই ঘটনার পর এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    এক নবম শ্রেণির ছাত্র কীভাবে এমন নৃশংস খুন (Tripura Murder) করতে পারে তা শুনেই সবাই শিউরে উঠছেন। এরপরেই তদন্ত করতে গিয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ্যে এসেছে। জানা গিয়েছে, ছেলেটি মোবাইল গেমে এতটাই আসক্ত হয়ে পড়েছিল যে, নিজের মা, বোন কে খুন করতে একবারও হাত কাঁপেনি। মোবাইল গেম খেলার জন্য চাহিদা মতো টাকা দিতে রাজি ছিল না তার বাবা-মা৷ আর তারই ক্ষোভে এমন হাড় হিম করা কাণ্ড ঘটিয়েছে ছেলেটি। 

    আরও পড়ুন: উচ্চশিক্ষা ও চাকরিক্ষেত্রে আর্থিক অনগ্রসরদের ১০ শতাংশ সংরক্ষণ বহাল রাখল সুপ্রিম কোর্ট

    প্রতিবেশীরা জানিয়েছেন, মোবাইল গেমে আসক্ত হয়ে পড়েছিল অভিযুক্ত নাবালক৷ মাঝে মধ্যেই বাবা-মায়ের থেকে গেম খেলার জন্য টাকা চাইত সে৷ তা নিয়ে বাবা-মায়ের সঙ্গে অশান্তিও বাঁধত তার৷ সূত্রের খবর অনুযায়ী, প্রথমে মাথার পিছনে ভারী কিছু দিয়ে আঘাত করে তারপর তিনজনকে কুপিয়ে খুন করে সে৷ ওই কিশোর যখন এই কাণ্ড ঘটাচ্ছে তখনই জল খাওয়ার জন্য তাদের বাড়িতে আসেন এক প্রতিবেশী৷ তখন তাঁকেও একই ভাবে ওই কিশোর খুন করে বলে অভিযোগ উঠেছে। খুনের পর বাড়ির পাশেই মৃতদেহ লোপাট করতে বিশাল গর্তও খুঁড়েছিল। আর এই খবর জানাজানি হতেই এলাকা ঘিরে ফেলে পুলিশ। পরে তার চেষ্টা সফল হয়নি ও গতকাল গভীর রাতেই গ্রেফতার করে পুলিশ। পুলিশ এসে বাড়ির মধ্যে থেকে একজনের দেহ উদ্ধার করে। ঘটনাস্থলে এসে নমুনা সংগ্রহ করে ফরেন্সিক দল। পুলিশ সূত্রে খবর, আজই অভিযুক্তকে আদালতে পেশ করবে পুলিশ৷

LinkedIn
Share