Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Cervical Cancer Vaccine: জরায়ুমুখের ক্যানসারের টিকা নিয়ে হাজির সিরাম, আজ থেকে শুরু হচ্ছে ট্রায়াল 

    Cervical Cancer Vaccine: জরায়ুমুখের ক্যানসারের টিকা নিয়ে হাজির সিরাম, আজ থেকে শুরু হচ্ছে ট্রায়াল 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চিকিৎসা শাস্ত্রে সাফল্যের মুখ দেখল ভারত। চিকিৎসা বিজ্ঞানের একটি বড় বড় অবদান রাখল দেশ। সিরাম ইনস্টিটিউট অফ ইন্ডিয়া (SII) এবং ডিপার্টমেন্ট অফ বায়োটেকনোলজি (DBT) জরায়ুমুখের ক্যানসারের বিরুদ্ধে ভারতের প্রথম দেশীয়ভাবে তৈরি কোয়াড্রিভালেন্ট হিউম্যান প্যাপিলোমাভাইরাস ভ্যাকসিন (QHPV) লঞ্চ করছে আজ। বৃহস্পতিবার এই বহুল প্রতীক্ষিত ভ্যাকসিনটির উদ্বোধন করবেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং।  

    আরও পড়ুন: সব জানতেন অভিনেত্রী! চার্জশিটে দাবি ইডি-র, তছরুপকাণ্ডে আরও অস্বস্তিতে জ্যাকলিন 

    ন্যাশনাল টেকনিক্যাল অ্যাডভাইজরি গ্রুপ অন ইমিউনাইজেশন (NTAGI) কোভিড ওয়ার্কিং গ্রুপের চেয়ারপারসন ডাঃ এন কে অরোরা এ বিষয়ে বলেন, “ভারতে তৈরি এই ভ্যাকসিনের লঞ্চ এক গৌরবময় অভিজ্ঞতা। এটা ভেবেই ভালো লাগছে যে, এখন আমাদের দেশের মেয়েরা এই টিকা নিতে পারবেন।” তিনি আরও বলেন, “এই ভ্যাকসিন চালু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে এটি এখন দেশেও সহজলভ্য হবে। আশা করা যায় এই টিকা চালু হওয়ার পর সরকার শীঘ্রই ৯-১৪ বছর বয়সী মেয়েদের টিকা দেওয়ার প্রক্রিয়া চালু করবে।”

    আরও পড়ুন: মাছ-মাংস-ডিমের চেয়েও বেশি উপকারী সয়াবিন, জানেন কেন? 
      
    ডাঃ অরোরা আরও বলেন, “এই টিকা জরায়ুর ক্যানসার (Cervical Cancer) প্রতিরোধ করে। ৮৫ শতাংশ থেকে ৯০ শতাংশ ক্ষেত্রে টিকার অভাবে জরায়ুর ক্যানসারের সম্ভবনা বেড়ে যেত। কিন্তু এখন আর তা হবে না। যদি ছোট বাচ্চাদের এবং মেয়েদের আগেই এই টিকা দিয়ে দেওয়া যায়, তাহলে তারা সংক্রমণ থেকে নিরাপদ থাকবে এবং এর ফলে তাদের পরবর্তী ৩০ বছর ক্যানসারে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভবনা কমবে। এই টিকা আবিষ্কারের ফলে ভারতের পাশাপাশি প্রতিবেশী দেশগুলিও উপকৃত হবে।”

    বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ক্যানসার অন্যান্য ক্যানসারের থেকে অনেকটাই আলাদা। কারা এই রোগে ভবিষ্যতে আক্রান্ত হতে পারেন, তা আগে থেকেই বোঝা সম্ভব। এইচপিভি ভাইরাস শরীরে প্রবেশের প্রায় ১৫ থেকে ২০ বছর পর শরীরে দেখা দেয় এই ক্যানসার। ফলে সচেতন থাকলে এই ক্যানসার প্রতিরোধ করা সম্ভব। টিকার মাধ্যমে এই রোগ হওয়া আটকানো যায়। তবে যৌন সংসর্গ শুরুর আগেই নারীদের এই টিকা নিয়ে নিতে হয়।  

    এত দিন সারভাইক্যাল ক্যানসারের টিকা হিসেবে পাওয়া যেত গার্ডাসিল ও সার্ভারিক্স। ওই দুই টিকাই আনতে হতে বিদেশ থেকে। এ বার জরায়ুমুখের ক্যানসারের টিকা মিলবে দেশেই। 
     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Dumka Murder: জীবন্ত পুড়িয়ে মারার আগেও অঙ্কিতার বাড়িতে হামলা চালিয়েছিল শাহরুখ?

    Dumka Murder: জীবন্ত পুড়িয়ে মারার আগেও অঙ্কিতার বাড়িতে হামলা চালিয়েছিল শাহরুখ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুমকার (Dumka) কিশোরী ছাত্রী অঙ্কিতা সিংকে (Ankita Singh) জীবন্ত পুড়িয়ে মারার দিন কয়েক আগে তার বাড়ির জানালা ভেঙেছিল অভিযুক্ত উত্যক্তকারী (Stalker) শাহরুখ (Shahrukh)। সেই সময় তার ভাই সলমান অঙ্কিতার পরিবারের কাছে এসে ক্ষমাও চেয়েছিল। পুলিশে অভিযোগ দায়ের না করতে অনুরোধও করেছিল।    

    ২২ অগাস্ট রাতে দুমকার জারুয়াডি কসবার ঘরে ঘুমোচ্ছিল বছর ষোলোর অঙ্কিতা সিং। অভিযোগ, বছর ২৩ শাহরুখ হুসেন গভীর রাতে জানালা দিয়ে পেট্রোল ছুড়ে দেয় ওই কিশোরীর গায়ে। পরে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। রাঁচির রাজেন্দ্র ইনস্টিটিউট অফ মেডিক্যাল সায়েন্স হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে ২৮ অগাস্ট মৃত্যু হয় ওই কিশোরীর। শাহরুখের প্রেমের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করাতেই ওই কিশোরীর এহেন পরিণতি বলে দাবি অঙ্কিতার পরিবারের।

    জানা গিয়েছে, অঙ্কিতার চরম পরিণতির দিন পাঁচেক আগে তার বাড়িতে এসেছিলেন শাহরুখ। এনিয়ে তার সঙ্গে অঙ্কিতার পরিবারের সদস্যদের ঝগড়াও হয়। তখনই রাগের বশে সে জানালার কাচ ভেঙে দেয় বলে অভিযোগ। তার পরেই সলমান তাঁর মামাকে নিয়ে অঙ্কিতার বাড়িতে আসে। দাদার কৃতকর্মের জন্য ক্ষমাও চায়। থানায় অভিযোগ দায়ের না করতে অনুরোধ করে। অঙ্কিতার কাকার আক্ষেপ, আমরা যদি তখনই ব্যবস্থা নিতাম, তাহলে অঙ্কিতার এই পরিণতি হত না। ঘটনাটিকে লাভ জিহাদ আখ্যা দিয়েছে হিন্দুত্ববাদী সংগঠন। অভিযুক্তের ফাঁসির দাবিও জানানো হয়েছে। মৃতের পরিবারকে উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেন। আশ্বাস দিয়েছেন দ্রুত বিচারের।

    আরও পড়ুন :‘‘ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করো, নইলে…!’’ হুমকি দিয়েছিল উত্যক্তকারী, দাবি নিহত কিশোরীর বাবার

    এদিকে, শিশু অধিকার রক্ষা কমিশনের চেয়ারপার্সন প্রিয়ঙ্কা কানুনগো জানান, বিষয়টি সম্পর্কে খোঁজখবর নিতে এই সপ্তাহেই তিনি যাবেন দুমকা। ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত চেয়ে ঝাড়খণ্ড পুলিশকে চিঠি লিখেছে জাতীয় মহিলা কমশন। দুমকার শিশু কল্যাণ কমিটির দাবি, মাধ্যমিক পরীক্ষার মার্কশিট অনুযায়ী অঙ্কিতার বয়স ১৬, যদিও পুলিশ দাবি করছে, সে প্রাপ্ত বয়স্ক। অন্যদিকে, স্বতঃপ্রণোদিত মামলা দায়ের করে পুলিশকে আদালতে রিপোর্ট দাখিল করার নির্দেশ দিয়েছে ঝাড়খণ্ড হাইকোর্ট (Jharkhand High Court)।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Nadimarg massacre: নাদিমার্গ গণহত্যা মামলা পুনরায় চালুর নির্দেশ জম্মু ও কাশ্মীর হাইকোর্টের

    Nadimarg massacre: নাদিমার্গ গণহত্যা মামলা পুনরায় চালুর নির্দেশ জম্মু ও কাশ্মীর হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নাদিমার্গ গণহত্যা মামলা পুনরায় চালু করার নির্দেশ দিয়েছে জম্মু ও কাশ্মীর (Jammu and Kashmir) এবং লাদাখ (Ladakh) হাইকোর্ট (High Court) । ২০০৩ সালের ২৩ মার্চ পুলওয়ামার নাদিমার্গে (Nadimarg) দুই শিশুসহ মোট ২৪ জনকে হত্যার অভিযোগ ওঠে। তাঁরা সকলেই কাশ্মীরি পণ্ডিত ছিলেন। 

    এই গণহত্যার সঙ্গে জড়িত বহু জঙ্গি মারা যাওয়ায় মামলাটি প্রায় এক দশক আগে, ২০১৪ সালে বন্ধ করে দেওয়া হয়। মামলাটি সোপিয়ান আদালতে চলছিল। কিন্তু সেখানে সাক্ষ্যপ্রমাণের অভাবে মামলাটি খারিজ করে দেওয়া হয়। বহু সাক্ষী ভয়ে উপত্যকা ছেড়ে চলে গিয়েছিলেন। অনেকে  প্রাণভয়ে জবানবন্দি দিতে অস্বীকার করেন এমনটাই দাবি।  তাই জম্মু ও কাশ্মীর এবং লাদাখ হাইকোর্ট সেই পুরনো মামলার সমস্ত কাগজপত্র নিয়ে ১৫ সেপ্টেম্বর পুনরায় ওই মামলা চলুর নির্দেশ দিয়েছে।  

    ২০০৩ সালের ২৩ মার্চ নাদিমার্গে পণ্ডিতদের বাড়িতে সেনার পোশাকে গিয়েছিল জঙ্গিরা। ১১ জন পুরুষ ও মহিলাকে বাড়ির ভিতর থেকে বাইরে নিয়ে আসে তারা। বাদ পড়েনি দু’জন শিশুও। সবাইকে বাড়ির সামনে দাঁড় করিয়ে গুলি করে জঙ্গিরা। এক সঙ্গে মৃত্যু হয় ২৪ জনেরই। এই হত্যাকাণ্ডের ভয়বহতায় সেদিন শিউরে উঠেছিল গোটা দেশ। ঘটনার পিছনে মূল মাস্টার মাইন্ড হিসেবে নাম উঠে আসে পাক অধিকৃত কাশ্মীরের রাওয়ালকোটের বাসিন্দা মুস্তাফার। তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। জেরায় সে জানিয়েছিল, লস্কর নেতাদের নির্দেশে সে পণ্ডিতদের হত্যা করেছে। পরে, পুঞ্চের জঙ্গলে জঙ্গিদের সঙ্গে বাহিনীর সংঘর্ষে মারা পড়ে নাদিমার্গ গণহত্যার মাস্টার মাইন্ড জিয়া মুস্তাফা।

    আরও পড়ুন: ফের ধস জম্মু-কাশ্মীর কংগ্রেসে, আড়ে বহরে বাড়ছে আজাদ শিবির!

    সম্প্রতি উপত্যকায় কাশ্মীরি পণ্ডিতদের ওপর জঙ্গিদের হামলা ক্রমাগত বেড়েই চলেছে। চলতি বছর মে মাসেও জম্মু-কাশ্মীরের বদগামে অফিসে ঢুকে রাহুল ভাট নামে এক সরকারি কর্মীকে খুন করেছিল জঙ্গিরা। সেই ঘটনায় তোলপাড় পড়ে যায় উপত্যকায়। তার রেশ কাটার আগেই কুলগামে খুন করা হয় আরেক হিন্দু স্কুল শিক্ষিকাকে। এ বছর জম্মু-কাশ্মীরে টার্গেট কিলিংয়ে প্রাণ হারিয়েছেন অন্তত ২৫ জন।

    নাদিগ্রাম হত্যাকাণ্ড মামলা পুনরায় শুরু করার সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন বিজেপির প্রাক্তন জম্মু-কাশ্মীরের ডেপুটি সিএম কাবিন্দর গুপ্ত।  তিনি বলেন, যারা ন্যায়বিচারের অপেক্ষায় ছিলেন তারা এবার তা পাবেন। 

  • Avijit Sen: হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে প্রয়াত বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ অভিজিৎ সেন

    Avijit Sen: হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে প্রয়াত বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ অভিজিৎ সেন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রয়াত বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ অভিজিৎ সেন (Avijit Sen)। মৃত্যুকালে ৭২ বছর বয়স হয়েছিল তাঁর। হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে তাঁর। সোমবার রাত ১১ টা নাগাদ হৃদরোগে আক্রান্ত হন তিনি। সঙ্গে সঙ্গে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও, সেখানে তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা। অর্থনীতিবিদের ভাই প্রণব সেন বলেন, “রাত ১১টা নাগাদ দাদার হার্ট অ্যাটাক হয় ৷ আমরা তাঁকে নিয়ে হাসপাতালে ছুটে যাই ৷ কিন্তু সেখানে পৌঁছনোর আগেই সব শেষ হয়ে গিয়েছে ৷”  

    আরও পড়ুন: ‘‘ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করো, নইলে…!’’ হুমকি দিয়েছিল উত্যক্তকারী, দাবি নিহত কিশোরীর বাবার
     
    অর্থনীতিবিদ হিসেবে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ভূমিকায় দায়িত্ব পালন করেছেন অভিজিৎ সেন। তিনি বিভিন্ন সময়ে ছিলেন প্ল্যানিং কমিশনের সদস্য, জাতীয় পরিসংখ্যান কমিশনের চেয়ারম্যান এবং ভারতের প্রধান পরিসংখ্যানবিদ। ‘কমিশন অফ এগ্রিকালচারাল কস্ট অ্যান্ড প্রাইসেস’ -এর একটি গুরুত্বপূর্ণ পদের দায়িত্বে ছিলেন। মনমোহন সিং প্রধানমন্ত্রী থাকার সময়, ২০০৪ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত প্ল্যানিং কমিশনের সদস্য ছিলেন।  

    ১৯৫০ সালের ১৮ নভেম্বর জামশেদপুরে জন্মগ্রহণ করেন অভিজিৎ সেন। দিল্লির সর্দার প্যাটেল বিদ্যালয়ে স্কুল জীবন এবং দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্ট স্টিফেন কলেজে ফিজিক্স অনার্স পড়েন। ১৯৮১ সালে কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্থনীতিতে পিএইচডি করেন। তাঁর গবেষণাপত্রের বিষয় ছিল, “ভারতের ক্ষেত্রে অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য কৃষি প্রতিবন্ধকতা”। তিনি ১৯৮৫ সালে জওহরলাল নেহেরু বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি ও পরিকল্পনা বিভাগে যোগ দেন। 

    আরও পড়ুন: স্বস্তিতে সরকার! রাফাল চুক্তি নিয়ে নতুন মামলার আর্জি খারিজ করল সুপ্রিম কোর্ট  

    এক রিপোর্টে তিনি সুপারিশ করেছিলেন, কৃষি খরচ ও মূল্য কমিশনকে (CACP) ক্ষমতাপ্রাপ্ত সংবিধিবদ্ধ সংস্থা হিসেবে গড়ে  তোলা হবে। যে সংস্থা কৃষি পণ্যের ন্যূনতম সহায়ক মূল্য নির্ধারণ করবে। প্রসঙ্গত সেই সময় এই নীতি, সরকার মেনে নিতে বাধ্যও হয়। উৎপাদনের ক্ষেত্রে যাকে বলা হয় C2 খরচ, সেই মূল্য নির্ধারণ করার কথাই এই কমিটির মাধ্যমে সুপারিশ করা হয়েছিল।  

    পরে এম এস স্বামীনাথনের নেতৃত্বাধীন কৃষকদের জাতীয় কমিশন, ২০০৬ সালের এপ্রিলে চূড়ান্ত প্রতিবেদনে সুপারিশ করে যে, ফসলের এমএসপিগুলি ‘C2’ খরচের চেয়ে কমপক্ষে ৫০ শতাংশ বেশি হবে। অভিজিৎ সেন কমিটি অবশ্য প্রস্তাব করেছিল বিশেষ কিছু অঞ্চলেই ব্যাপক ‘C2’ খরচ বিবেচনা করা হবে।   

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Kerala NEET innerwear row: অন্তর্বাস খুলতে বাধ্য করা হয়েছিল, সেই ছাত্রীদের ফের নীট পরীক্ষায় বসার সুযোগ দিল এনটিএ 

    Kerala NEET innerwear row: অন্তর্বাস খুলতে বাধ্য করা হয়েছিল, সেই ছাত্রীদের ফের নীট পরীক্ষায় বসার সুযোগ দিল এনটিএ 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলতি বছর নীট পরীক্ষার (NEET 2022) সময় বিতর্কে উত্তাল হয় কেরল (Kerala)। পরীক্ষার্থীদের অন্তর্বাস (Innerwear) খুলতে বাধ্য করার অভিযোগ ওঠে কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসতেই দেশ জুড়ে বিতর্ক দেখা দেয়। রাজ্য সরকারের তরফে কেন্দ্রীয় মন্ত্রকে অভিযোগও জানানো হয়েছিল। এবার সেই ঘটনায় নতুন করে পরীক্ষায় বসার সুযোগ পাচ্ছেন সেই ছাত্রীরা।  আগামী ৪ সেপ্টেম্বর অভিযোগকারী পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষা নেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সির (NTA) তরফে। ইতিমধ্যে ওই পরীক্ষার্থীদের মেলও পাঠানো হয়েছে। 

    আরও পড়ুন: ১১ সেপ্টেম্বর জেইই অ্যাডভান্সডের ফল প্রকাশ করবে আইআইটি বম্বে, জানুন বিস্তারিত আরও পড়ুন: ১১ সেপ্টেম্বর জেইই অ্যাডভান্সডের ফল প্রকাশ করবে আইআইটি বম্বে, জানুন বিস্তারিত

    চলতি বছর জুলাই মাসে কেরলের কোত্তারাকারা থানায় এক ব্যক্তি অভিযোগ দায়ের করেন। সেখানে ওই ব্যক্তি জানান, ন্যাশনাল এলিজিবিটি এন্ট্রান্স টেস্টের জন্য পরীক্ষা কেন্দ্রে ঢোকার আগে তাঁর মেয়ে সহ বেশ কয়েকজন ছাত্রীকে অন্তর্বাস খুলতে বাধ্য করা হয়। ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সি এই পরীক্ষা পরিচালনার দায়িত্বে ছিল। তাদের তরফে প্রথমে বলা হয়, ইমেল মারফৎ পরীক্ষায় বসার জন্য পোশাকবিধির কথা স্পষ্ট করা হয়েছিল। কিন্তু তারপরেও ওই ছাত্রী পোশাক বিধি মেনে চলেনি। মেটাল ডিরেক্টরে ধাতব অস্তিত্ব ধরা পড়ে। যদিও পরে জানা যায় অন্তর্বাসের হুক মেটাল ডিরেক্টরে চিহ্নিত হয়েছিল। পরীক্ষা পরিচালনকারী সংস্থা নিরাপত্তার আশঙ্কা করে ওই ছাত্রীদের অন্তর্বাস খুলতে বাধ্য করে। শুধু তাই নয়, পরীক্ষা শেষ হওয়ার পর বেরনোর সময় তাঁদের অন্তর্বাস পরার সুযোগও দেওয়া হয়নি, হাতে নিয়েই বেরিয়ে যেতে হয়। কেরলের কোল্লাম জেলায় ছিল এই পরীক্ষা কেন্দ্রটি। ওই পরীক্ষার্থীদের দাবি ছিল, অন্তর্বাস খুলে পরীক্ষা দিতে বাধ্য করায় অস্বস্থিতে পড়তে হয়েছিল তাঁদের। মন দিয়ে পরীক্ষা দিতে পারেননি তাঁরা। 

    আরও পড়ুন: পড়ুয়ারা পড়বে দেশের সেনা জওয়ানদের বীরত্বের কাহিনী, জানালেন শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান

    ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩৫৪ ধারা অনুসারে মহিলাদের শালীনতা ক্ষুন্ন করার উদ্দেশে আক্রমণ বা বলপ্রয়োগ, ৫০৯ ধারা অনুসারে মহিলাদের অপশব্দপ্রয়োগ বা অঙ্গভঙ্গি -এর অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়। ঘটনায় সাত জনকে গ্রেফতার করে কেরল পুলিশ। তার মধ্যে পরীক্ষাকেন্দ্র কলেজের দুই কর্মী ও নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা সংস্থার তিন কর্মী ছিলেন বলে জানা গিয়েছে। পরে প্রত্যেকেই জামিন পেয়ে যান। তবে ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসতেই দেশজুড়ে প্রবল বিতর্কের সৃষ্টি হয়। ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়ে এনটিএ।  

    ঘটনায় তৎপর হয় জাতীয় মহিলা কমিশন ও শিশু সুরক্ষা কমিশনও। কমিশনের তরফে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। পরে ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সির তরফে কমিটি গঠন করে পুরো ঘটনার তদন্ত করা হয়। তদন্ত শেষে এবার পরীক্ষার ব্যবস্থা করল এনটিএ।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
     
  • NCRB Report: ২০২১ সালে জঙ্গিদের থেকে মাওবাদীদের হাতে নিহত হয়েছেন বেশি পুলিশকর্মী, বলছে এনসিআরবি রিপোর্ট 

    NCRB Report: ২০২১ সালে জঙ্গিদের থেকে মাওবাদীদের হাতে নিহত হয়েছেন বেশি পুলিশকর্মী, বলছে এনসিআরবি রিপোর্ট 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্ত্রাসবাদীদের তুলনায় দ্বিগুণ পুলিশকর্মী (police personnel) নিহত হয়েছেন মাওবাদী সংগঠনগুলির (Left Wing Extremists) হাতে। এমনটাই জানা গিয়েছে ন্যাশনাল ক্রাইম রেকর্ড ব্যুরোর ২০২১ সালের রিপোর্ট (NCRB 2021 Report) থেকে। 

    আরও পড়ুন: গরুপাচার মামলায় এবার সিবিআই- এর হাতে গ্রেফতার অনুব্রত ঘনিষ্ঠ কাউন্সিলর

    রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০২১ সালে জঙ্গিদের হাতে খুন হন ১৮ জন পুলিশকর্মী। আর মাওবাদী সংগঠন খুন করে ৪০ জন পুলিশকে। একইভাবে, ১১ জন পুলিশকর্মী সীমান্ত গুলিতে, একজন দাঙ্গায়, ১১ জন অপরাধীদের হাতে নিহত হয়েছেন। সাতজন দুর্ঘটনাক্রমে নিজের অস্ত্র দিয়ে এবং ৩৩৯ জন দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন। তবে, উত্তর-পূর্বের বিদ্রোহীদের হাতে কোনও পুলিশকর্মীর মৃত্যু হয়নি।    

    কর্তব্যরত অবস্থায় নিহত মোট ৪২৭ জন পুলিশ নিহত হয়েছেন। এদের মধ্যে ছিলেন, কনস্টেবল পদমর্যাদার ২৩৩ জন, হেড কনস্টেবল ৪৪ জন, সহকারী সাব ইস্পেক্টর ৩৭ জন, সাব ইন্সপেক্টর ২৬ জন, ইস্পেক্টর ৪ জন এবং গেজেটেড অফিসার এবং আরও দুজন। প্রায় একই সময় ১৬৩২ জন বিভিন্ন পদ মর্যাদার পুলিশের আহত হওয়ার খবরও সামনে এসেছে।

    আরও পড়ুন: মধ্যরাতের শুনানিতে মিলল ছাড়পত্র, কর্নাটকের হুব্বালি ইদগাহ ময়দানে হবে গণেশ উৎসব 

    যে রাজ্যগুলিতে পুলিশের মৃত্যুর খবর সব থেকে বেশি। তার মধ্যে প্রথম তামিলনাড়ু। এই রাজ্যে সর্বাধিক পুলিশকর্মীর মৃত্যু হয়েছে। ৫৬ জন পুলিশকর্মী পথ দুর্ঘটনায় এবং দুজন অপরাধীদের হাতে নিহত হয়েছেন। ছত্তিশগড়ে ৪০ জন পুলিশ কর্মী এলডব্লিউই এবং সাতজন সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন। বিহারে, ৩৮ জন পুলিশ কর্মী সড়ক দুর্ঘটনায় এবং একজন দাঙ্গায় নিহত হয়েছেন। 

    কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলির মধ্যে, ১৮ জন পুলিশ কর্মী সন্ত্রাসবাদীদের হাতে নিহত হয়েছেন এবং দিল্লিতে সড়ক দুর্ঘটনায় দুজনের মৃত্যু হয়েছে।

    ২০২১ সালে, ওড়িশায় অপরাধী দমন অভিযানে সবচেয়ে বেশি পুলিশ আহত হন। ১৮৮ জন আহত পুলিশের মধ্যে ১৭৬ জন অপরাধীদের হাতে এবং ১২ জন দাঙ্গায় জখম হন। কেরলে মোট ১৫৯ জন পুলিশ কর্মী আহত হয়েছেন যার মধ্যে ৯০ জন অপরাধীদের হাতে, ৬৮ জন দাঙ্গার কারণে এবং একজন সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হয়েছিলেন। তামিলনাড়ুতে, মোট ১৩৩ জন পুলিশ কর্মী আহত হওয়ার খবর পাওয়া গিয়েছে। যার মধ্যে ৯৬ জন দুর্ঘটনায়, তিনজন নিজের অস্ত্র দিয়ে এবং ৩০ জন অপরাধীদের হাতে আহত হন। 

    কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলির মধ্যে দিল্লিতে সর্বাধিক সংখ্যক পুলিশকর্মী আহত হয়েছেন। দাঙ্গায় আহত হয়েছেন ১৫৬ জন, অপরাধীদের হাতে ২২ জন এবং দুর্ঘটনায় ১৭ জন আহত হয়েছেন। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।     

  • Narendra Modi: ‘ওয়ার্ক ফ্রম হোমই ভবিষ্যত’, বললেন প্রধানমন্ত্রী, কর্মদক্ষতা বাড়াতে একাধিক পরামর্শ মোদির

    Narendra Modi: ‘ওয়ার্ক ফ্রম হোমই ভবিষ্যত’, বললেন প্রধানমন্ত্রী, কর্মদক্ষতা বাড়াতে একাধিক পরামর্শ মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত বৃহস্পতিবার, শ্রমশক্তি নিয়ে এক বড় ঘোষণা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Modi)। তিনি বলেছেন, ‘ওয়ার্ক ফ্রম হোম’ (Work From Home) এই দেশের ভবিষ্যত হতে চলেছে। বৃহস্পতিবার শ্রম মন্ত্রকের তরফে আয়োজিত জাতীয় কনফারেন্সে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে যোগ দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেখানেই ভারতের শ্রমিক উন্নয়নের ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেছেন, ভবিষ্যতের জন্য নমনীয় কর্মস্থল, নমনীয় কাজের সময় এবং ঘরে বসে কাজের সুবিধাকে আরও উন্নত করতে হবে এবং ভবিষ্যতে এটিই প্রয়োজন। তাঁর মতে ‘ওয়ার্ক ফ্রম হোম’-এর সুযোগ থাকলে আরও বেশি সংখ্যক নারী কাজে যোগ দিতে পারবেন।

    প্রধানমন্ত্রী মোদি এদিন জানান, ভারতে অর্থনৈতিক পরিস্থিতির দ্রুত হারে উন্নতি হচ্ছে এবং এর পেছনে শ্রমিকদেরই অবদান রয়েছে। তিনি আরও জানান, কেন্দ্রের ই-শ্রম পোর্টাল (E-Shram Portal) কর্মীদের সামাজিক সুরক্ষা দিতে বিশেষ ভূমিকা পালন করছে। মাত্র এক বছরেই দেশের ৪০০টি জায়গা থেকে ২৮ কোটি শ্রমিক এই পোর্টালে নিজেদের নাম নথিভুক্ত করেছেন। এই পোর্টালের মাধ্যমে বিশেষ করে পরিযায়ী শ্রমিক, নির্মাণকর্মী, ঠিকা কর্মী ও বাড়িতে কর্মরত মহিলারা উপকৃত হয়েছেন। প্রত্যেক রাজ্যের শ্রম পোর্টালের সঙ্গে কেন্দ্রের ই-শ্রম পোর্টালের সংযুক্তিকরণের জন্য অনুরোধ করেছেন প্রধানমন্ত্রী।

    আরও পড়ুন: ফের বিশ্বসেরা মোদি! সকল রাষ্ট্রনেতাদের পিছনে ফেলে জনপ্রিয়তার শিখরে ভারতের প্রধানমন্ত্রী

    তিনি ২০৪৭ সালের অমৃতকালের কথাও বলেছেন। অর্থাৎ দেশের শ্রম মন্ত্রকের (Labour Ministry) নির্দিষ্ট কিছু লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে। ২০৪৭ সালের জন্য এই লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এই লক্ষ্যমাত্রা করার উদ্দেশ্য হল দেশের কর্মশক্তির মধ্যে মহিলাদের সংখ্যাকে বাড়িয়ে তোলা। তার জন্যেই নির্দিষ্ট কিছু পদক্ষেপ নিতে চলেছে সরকার। আবার কাজের পদ্ধতি শিথিল করার কথা ভাবা হয়েছে।

    এই কনফারেন্সে সমস্ত রাজ্যের শ্রমমন্ত্রীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, “ভারতের স্বপ্ন পূরণে এবং অমৃতকালে দাঁড়িয়ে ভারতকে উন্নত দেশে পরিণত করার পিছনে দেশের শ্রমশক্তির বিরাট অবদান রয়েছে। দেশের সংগঠিত ও অসংগঠিত ক্ষেত্রে বর্তমানে কোটি কোটি কর্মী রয়েছেন, যাঁদের অবদান অনস্বীকার্য।”

    প্রসঙ্গত, অন্ধ্রপ্রদেশের তিরুপতিতে ২৫ ও ২৬ অগাস্ট কেন্দ্রীয় শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রক দুদিনের সম্মেলনের আয়োজন করেছিল। শ্রম-সম্পর্কিত বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনার জন্য সমবায় ফেডারেলিজমের নেতৃত্বে এই কনফারেন্সের আয়োজন করা হয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Congress President Poll: ভোটে অংশ নিতে বৈঠকে বসতে চলেছে কংগ্রেসের জি-২৩!

    Congress President Poll: ভোটে অংশ নিতে বৈঠকে বসতে চলেছে কংগ্রেসের জি-২৩!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কংগ্রেস সভাপতি নির্বাচনে (Congress President Poll) লড়ার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিতে বৈঠকে বসছে কংগ্রেসের (Congress) বিক্ষুব্ধ অংশ জি-২৩ (G-23)। অক্টোবরে নির্বাচন হওয়ার কথা ওই পদে। গত রবিবারই বৈঠকে বসে কংগ্রেস ওয়ার্কিং কমিটি (Congress Working Committee)। সেখানেই ঠিক হয় প্রেসিডেন্ট পদে নির্বাচনে হবে অক্টোবরে।    

    দীর্ঘদিন ধরে খালি পড়ে রয়েছে কংগ্রেস (Congress) সভাপতির পদ। উনিশের লোকসভা নির্বাচনের আগে ওই পদে বসানো হয়েছিল রাহুল গান্ধীকে। ভোটে বিজেপির (BJP) কাছে গোহারা হারে সোনিয়া গান্ধীর দল। হারের দায় ঘাড়ে নিয়ে পদত্যাগ করেন রাহুল। তার পর থেকে অন্তর্বর্তীকালীন প্রেসিডেন্ট হিসেবে কাজ চালাচ্ছেন সোনিয়া গান্ধী। বয়সজনিত কারণে তিনি আর দায়িত্ব নিতে চাইছেন না। দায়িত্ব নিতে রাজি নন রাহুলও। তাই প্রয়োজন হয়ে পড়েছে নয়া প্রেসিডেন্ট নির্বাচন। কংগ্রেস সূত্রে খবর, সেপ্টেম্বরের ২২ তারিখে নির্বাচনী নোটিফিকেশন জারি করা হবে। মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার কাজ শুরু হবে সেপ্টেম্বরের ২৪ তারিখে। চলবে ওই মাসের ৩০ তারিখ পর্যন্ত। ৮ অক্টোবর মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিন। ভোট হলে হবে ১৭ তারিখ সকাল ১০ থেকে বিকেল ৪টে পর্যন্ত। গণনা এবং ফল ঘোষণা হবে ১৯ তারিখে। 

    আরও পড়ুন : কংগ্রেস সভাপতি নির্বাচন পর্যন্ত ‘ওয়েট অ্যান্ড ওয়াচ’ নীতি নিচ্ছে জি-২৩!

    কংগ্রেসের বিক্ষুদ্ধ অংশ যারা জি-২৩ নামে পরিচিত, আগামী সপ্তাহে নয়া দিল্লিতে বৈঠকে বসতে চলেছেন তাঁরা। সেখানেই ভোটে লড়ার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। জি-২৩ এর এক নেতা বলেন, আমরা দেখব এটা প্রকৃত নির্বাচন নাকি সাজানো। তিনি বলেন, আমরা প্রথমে ভোটার তালিকা খুঁটিয়ে দেখব। যদি সাজানো হয়, তাহলে ভোটে অংশ নেওয়ার কোনও মানে হয় না। মহারাষ্ট্রের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী পৃথ্বীরাজ চৌহান রয়েছেন জি-২৩ শিবিরে। তিনি বলেন, দলে অভ্যন্তরীণ গণতন্ত্র চেয়ে দু বছর আগে আমরা চিঠি লিখেছিলাম সোনিয়া গান্ধীকে। তাই ভোটের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানাই। অভ্যন্তরীণ গণতন্ত্র কোনও একটি রাজনৈতিক দলের প্রাণবন্ততার প্রতীক। ইদানিং সব ক্ষেত্রে পার্টি হারছে। দলের অভ্যন্তরে ভোট হয়নি, মনোনীত কয়েকজন অফিস বেয়ারারই সব সিদ্ধন্ত নিচ্ছেন। জি-২৩ এর এক নেতা বলেন, কংগ্রেসের সব পদের ক্ষেত্রে নির্বাচন হওয়াটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কেবল পার্টির প্রেসিডেন্ট নয়, পার্টির নিচুতলায় নির্বাচনও গুরুত্বপূর্ণ। তাঁর প্রশ্ন, নির্বাচনে অংশ নিলে ভুল কী হবে? এটা তো গণতন্ত্র!

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Assam’s Bongaigaon : অবৈধ নির্মাণ না জঙ্গি-যোগ! অসমে বুলডোজার দিয়ে ভাঙা হল মাদ্রাসা

    Assam’s Bongaigaon : অবৈধ নির্মাণ না জঙ্গি-যোগ! অসমে বুলডোজার দিয়ে ভাঙা হল মাদ্রাসা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অসমের (Assam) বঙ্গাইগাঁও (Bongaigaon) এলাকায় একটি অবৈধ মাদ্রাসা গুঁড়িয়ে দিল অসম সরকার (Assam Government)। সরকারের তরফে বলা হয়েছে, জঙ্গি সংগঠন আল-কায়দার সঙ্গে যোগসূত্র থাকার অভিযোগ ওঠার পর পরই বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে ফেলা হয় ওই মাদ্রাসা। একই সঙ্গে, প্রশাসনের তরফ থেকে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষকে চিঠি দিয়ে আগেই জানানো হয়েছিল, মাদ্রসা ভবনটি কাঠামোগত ভাবে দুর্বল এবং এখানে কারও বসবাস করা নিরাপদ নয়। এই ভবনগুলি নিয়ম মেনে তৈরি করা হয়নি বলেও অভিযোগ আনা হয়েছে।

    মাদ্রাসাটির নাম মারকাজুল মা আরিফ করিয়ানা। এই মাদ্রাসায় মোট ২২৪ জন শিশু পড়াশুনা করত। মাদ্রাসাটি ছিল আবাসিক। ওখানে বসবাসকারী ছাত্রদের অন্যত্র সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। বঙ্গাইগাঁও-এর জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সূত্রে জানানো হয়, এই মাদ্রাসা সরকারি নিয়ম অনুসারে নির্মিত হয়নি। শুধু তাই নয়, সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপের সঙ্গে এই মাদ্রাসার যোগাযোগের প্রমাণ মিলেছে। বঙ্গাইগাঁওয়ের এসপি স্বপ্ননীল ডেকা বলেন, ‘‘মঙ্গলবার আল কায়দার সঙ্গে যুক্ত এক জন গ্রেফতার জঙ্গিকে সঙ্গে নিয়ে মাদ্রাসার ভিতরে তল্লাশি অভিযান চালায় গোয়ালপাড়া জেলা পুলিশ। জেলা প্রশাসনের নির্দেশ অনুসারে, আমরা মাদ্রাসাটি ভেঙে ফেলার প্রক্রিয়া শুরু করেছি।’’

    আরও পড়ুন: মোদির ট্যুইটের জবাব দিলেন পাক প্রধানমন্ত্রী, কী লিখলেন জানেন?

    এটি অসমের তৃতীয় মাদ্রাসা, যা অবৈধভাবে নির্মাণের কারণে ভেঙে ফেলা হল। এর আগে মনিকা ও গোয়ালপাড়ায় দুটি মাদ্রাসা গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। তাদের সঙ্গেও জিহাদিদের যোগাযোগ ছিল বলে অভিযোগ।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Supreme Court: হিজাব মামলায় আবেদনকারীদের ভর্ৎসনা সুপ্রিম কোর্টের, সরকারকে নোটিস

    Supreme Court: হিজাব মামলায় আবেদনকারীদের ভর্ৎসনা সুপ্রিম কোর্টের, সরকারকে নোটিস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কিছুদিন আগেই হিজাব বিতর্ক (Hijab Row) নিয়ে উত্তপ্ত হয়েছিল কর্নাটক (Karnataka Hijab Row) তথা গোটা দেশ। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে হিজাবের নিষেধাজ্ঞার পক্ষেই রায় দিয়েছিল কর্নাটক হাইকোর্ট (Karnataka HC)। সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) আবেদন দায়ের করা হয়েছে। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে প্রায় ২৩টি মামলা দায়ের হয়েছে। এর মধ্যে কিছু মামলা সরাসরি সুপ্রিম কোর্টে দায়ের করা হয়েছে। আর কিছু মামলা হাইকোর্টের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে করা হয়েছে। সোমবার ছিল সেই মামলার শুনানি। এই মামলায় কর্নাটক সরকারকে জবাব চেয়ে নোটিস দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। অপরদিকে, মামলাকারীদের মামলায় স্থগিতাদেশের আর্জিতে কড়া বার্তা দিল দেশের শীর্ষ আদালত। বিচারপতি হেমন্ত গুপ্ত ও সুধাংশু ধুলিয়ার বেঞ্চ আবেদনকারীদের দাবি মেনে নিষেধাজ্ঞা বহাল রাখার নির্দেশে স্থগিতাদেশ জারি করতে রাজি হয়নি। আদালত স্থগিতাদেশ জারির আবেদন প্রত্যাখ্যান করে জানিয়েছে, আদালত ‘ফোরাম শপিং’ (মঞ্চ কেনাকাটা)- এর জায়গা নয়। ৫ সেপ্টেম্বর মামলার পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করা হয়েছে।

    আরও পড়ুন: ৩০ ঘণ্টার অভিযানে হারিয়ে যাওয়া হাঙ্গেরি ট্রেকারকে উদ্ধার ভারতীয় সেনার       

    কর্নাটক হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে বেশ কয়েকটি আবেদন দাখিল হয়েছে। কর্নাটক হাইকোর্ট রায় দিয়েছিল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে হিজাব পরা অপরিহার্য ধর্মীয় অনুশীলন নয়। কেবল অপরিহার্য ধর্মীয় আচরণই সংবিধানের ২৫ নম্বর অনুচ্ছেদের অধীনে সুরক্ষা পেতে পারে। সেই ভিত্তিতেই কর্নাটক হাইকোর্ট সেই রাজ্যের মুসলিম পড়ুয়াদের ক্লাসে হিজাব পরার আবেদন খারিজ করে দেয়।    

    কিছুদিন আগেই হিজাব বিতর্কে উত্তাল হয়ে উঠেছিল গোটা কর্নাটক। রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে বিক্ষোভ দেখিয়েছেন মুসলিম পড়ুয়ারা। সেই অশান্তির আগুন ছড়িয়ে পড়ে গোটা দেশে। এমনকী দক্ষিণের রাজ্যগুলিতে বেশ কিছুদিন বন্ধ রাখতে হয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলি। পুলিশের সঙ্গেও অশান্তিতে জড়িয়ে পড়েন বহু পড়ুয়া। বিক্ষোভ ঠেকাতে বহু ব্যক্তিকে গ্রেফতারও করা হয়। এই বিক্ষোভের মাঝেই ১৫ মার্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিতে হিজাব পড়ায় নিষেধাজ্ঞার নির্দেশকে বহাল রেখেই রায় দেয় হাইকোর্ট। 

    আরও পড়ুন: ফের বিনোদন জগতে শোকের ছায়া, প্রয়াত সত্যজিত রায়ের ‘সোমনাথ’
     
    শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে হিজাব পরা সংবিধানের ২৫ নম্বর অনুচ্ছেদের অধীনে সুরক্ষিত বলে দাবি করেন সংখ্যালঘু পড়ুয়ারা। যা নিয়ে আদালতে দীর্ঘদিন মামলা চলে। সেই মামলাতেই শেষ পর্যন্ত কর্নাটক হাইকোর্ট জানিয়ে দেয়, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে হিজাব পরা অপরিহার্য ধর্মীয় অনুশীলন নয়। প্রসঙ্গত, এই বছরের জানুয়ারিতে উদুপির সরকারি পিইউ কলেজে হিজাব পরা ছয়জন মেয়েকে প্রবেশে বাধা দেওয়ায় বিতর্ক দানা বাধে। এর পরেই কলেজের বাইরে ছাত্রীরা বিক্ষোভে বসেন। আর সেই বিক্ষোভ ধীরে ধীরে গোটা রাজ্যে ছড়িয়ে পড়ে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

     
     
LinkedIn
Share