Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Crude Oil: রাশিয়া থেকে আমদানি কমিয়েছে ভারত, বেড়েছে সৌদি আরব থেকে তেল কেনা 

    Crude Oil: রাশিয়া থেকে আমদানি কমিয়েছে ভারত, বেড়েছে সৌদি আরব থেকে তেল কেনা 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাশিয়া থেকে অপরিশোধিত জ্বালানি তেল (Crude Oil) আমদানি (Purchase) কমিয়ে দিয়েছে ভারত। পাঁচ মাসে এই প্রথম বার। রাশিয়া (Russia) থেকে আমদানি কমিয়ে তেল আমদানি বাড়ানো হয়েছে সৌদি আরব (Saudi Arabia) থেকে। 

    চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় রুশ জ্বালানি তেলের মূল্য বেড়ে যায়, সেই ক্ষেত্রে অনেকটাই কম দামে সৌদি আরব তেল রপ্তানি করছে। তাই এই সিদ্ধান্ত বলে জানা গিয়েছে। 

    ভারত জুলাই মাসে রাশিয়া থেকে প্রতিদিন ৮ লক্ষ ৭৭ হাজার ৪০০ ব্যারেল জ্বালানি তেল আমদানি করেছে। জুন মাসের থেকে যা ৭.৩ শতাংশ কম। 

    আরও পড়ুন: ১০ সন্তানের জন্ম দিয়ে বাঁচিয়ে রাখলেই ১৩ লক্ষ টাকা, জনসংখ্যা বাড়াতে মরিয়া পুতিন

    ফেব্রুয়ারির শেষের দিকে রাশিয়া, ইউক্রেন আক্রমণ করার পরে, মস্কোর কাছ থেকে পশ্চিমা দেশগুলি তেল কেনা বন্ধ করে দেয়। এরপর থেকে রাশিয়া থেকে কম দামে প্রচুর তেল কেনা শুরু করে ভারত। 
     
    সামগ্রিকভাবে ভারত বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম তেল আমদানিকারী দেশ। কিন্তু জুন থেকে জুলাই মাসে ভারত জ্বালানি তেল আমদানি ৩.২ শতাংশ কমিয়েছে। কারণ দেশের কিছু জ্বালানি শোধনাগার অগাস্ট থেকে রক্ষণাবেক্ষণের পরিকল্পনা করছে। 

    আরও পড়ুন: শীঘ্রই আসছে রাশিয়ার প্রতিনিধি দল! সুখোই নিয়ে ভারতের সঙ্গে আলোচনায় জোর

    এ দিকে সৌদি আরব থেকে ভারতের জ্বালানি তেল আমদানি জুলাই মাসে ২৫.৫ শতাংশ বেড়েছে। এখন ভারত প্রতিদিন সেই দেশ থেকে ৮ লক্ষ ২৪ হাজার ৭০০ ব্যারেল জ্বালানি তেল আমদানি করেছে। ভারতের জ্বালানি সরবরাহকারীদের মধ্যে সৌদি আরবের অবস্থান এখন তৃতীয়। 

    উল্টোদিকে তেলের চাহিদা বাড়ায় ফের দাম বাড়িয়েছে রাশিয়া। কিন্তু এতে তেলে রপ্তানি তলানিতে ঠেকেছে রাশিয়ার। দৈনিক ২০ লক্ষ ব্যারেলেরও কম তেল বিক্রি হচ্ছে। তাই রাশিয়া এখন তেল রপ্তানির জন্যে নতুন বাজারের সন্ধান করছে। শ্রীলঙ্কা এবং মিশরেও যাচ্ছে রুশ ট্যাঙ্কার। 

    তবে এখন সৌদি আরবই একমাত্র কম টাকায় অপরিশোধিত তেল দিচ্ছে এমনটা নয়। কম দামে পাওয়া যাচ্ছে মার্কিন তেলও। মার্কিন তেলের কম দামেও আকৃষ্ট হয়েছে ভারত এবং কোরিয়া। ফলে বিশ্বের তেল উৎপাদনকারী দেশগুলির মধ্যে প্রতিযোগিতা অব্যহত। 

     

  • ISRO Spy Case: ইসরো গুপ্তচর মামলায় প্রাক্তন আইবি আধিকারিককে কোচি বিমান বন্দরে আটকাল সিবিআই 

    ISRO Spy Case: ইসরো গুপ্তচর মামলায় প্রাক্তন আইবি আধিকারিককে কোচি বিমান বন্দরে আটকাল সিবিআই 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইসরো গুপ্তচর মামলায় (ISRO Spy Case) কোচি আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে (Kochi international airport) এক প্রাক্তন আইবি আধিকারিককে (Former IB Officer) আটকাল বন্দর কর্তৃপক্ষ। শনিবার, ১৩ অগাস্ট স্ত্রীর সঙ্গে  লন্ডনে যাওয়ার কথা ছিল কেভি থমাসের (KV Thomas)। সেই মতো ব্যাগ চেক-ইন করাও হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু লন্ডন যাওয়া আর হল না। কারণ তার আগেই বিমান বন্দর কর্তৃপক্ষ জানায় তাঁর নামে ‘লুক আউট’ নোটিস জারি করেছে সিবিআই (CBI)। প্রায় চার দশক আইবিতে বিভিন্ন পদে দায়িত্ব সামলেছেন কেভি থমাস। অ্যাসিসট্যান্ট ডিরেক্টর হিসেবে অবসর নিয়েছেন। এই ঘটনায় হতচকিত হয়ে যান ওই প্রাক্তন গোয়েন্দা আধিকারিক। বলেন, ওই নোটিস সম্পর্কে কিছুই জানতেন না। আইনি সহয়তা নেবেন বলেও জানান তিনি। 

    তিনি বলেন, “আমি আদালতের কাছে অনুরোধ করব যাতে আমার ভ্রমণের ওপর নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হয় এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিষয়টিতেও যাতে নজর দেওয়া হয়। আমরা আমাদের মেয়ের সঙ্গে দেখা করতে যাচ্ছিলাম। ও এখন লন্ডনে আছে। আমরা প্রতি টিকিটের জন্যে ৩ লক্ষ টাকা করে খরচ করেছি। ভারতের ৭৫তম স্বাধীনতা দিবসের আগে এই উপহার পেলাম আমি।”

    ১৯৯৪ সালের ইসরো গুপ্তচর মামলায় তদন্তের দায়িত্বে ছিলেন কেভি থমাস। এই মামলাতেই বিজ্ঞানী এস নাম্বিনারায়ণন (S Nambinarayanan) গ্রেফতার হন। ভারতের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য অর্থের বিনিময়ে অন্য দেশে পাচার করার অভিযোগে গ্রেফতার করা হয় তাঁকে। ১৯৯৫ সালে সিবিআই এই মামলা থেকে মুক্তি দেয় বিজ্ঞানীকে। তারপর থেকে নাম্বিনারায়ণন, যারা তাঁকে মিথ্যে মামলায় ফাঁসিয়েছে তাঁদের বিরুদ্ধে আদালতে লড়াই করতে থাকেন। গত বছর শীর্ষ আদালত তিন জনের একটি কমিটি গঠন করে। ইসরোর এই প্রাক্তন বিজ্ঞানীকে কারা ফাঁসিয়েছিলেন, কোন সরকারি আধিকারিকরা জড়িত আছেন, সেই বিষয়ে তদন্ত পরিচালনার জন্যে। কমিটিটি অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি ডিকে জৈনের নেতৃত্বে গঠিত হয়।   

    জাস্টিস ডিকে জৈনের রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পর শীর্ষ আদালত মামলার তদন্তভার সিবিআইয়ের হাতে তুলে দেয়। ১৮ জনের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করে গোয়েন্দা সংস্থাটি। এর মধ্যে রয়েছেন কেরলেন দুজন উচ্চ পদস্থ পুলিশ কর্তা। ষড়যন্ত্র এবং প্রমাণ জালিয়াতির অভিযোগ রয়েছে এই পুলিশ কর্তাদের বিরুদ্ধে। ১৯৯৪ সালে কেভি থমাস আইবি আধিকারিকের পদে মালাপ্পুরমে কর্মরত ছিলেন। আর এই মামলায় সরাসরি যুক্ত ছিলেন।  

  • Manish Sisodia: দিল্লির উপমুখ্যমন্ত্রীর বাড়িতে সিবিআই হানা! স্বাগত ট্যুইট মণীশ, কেজরির

    Manish Sisodia: দিল্লির উপমুখ্যমন্ত্রীর বাড়িতে সিবিআই হানা! স্বাগত ট্যুইট মণীশ, কেজরির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লির উপমুখ্যমন্ত্রী মণীশ সিসোদিয়ার বাড়িতে হানা দিল সিবিআই আধিকারিকরা। শুক্রবার সকালে জানা গিয়েছে, দিল্লির আবগারি নীতি নিয়ে যে দুর্নীতি ও বিতর্কের শুরু হয়েছে, সেই সংক্রান্ত তদন্তেই শুক্রবার সকালে দিল্লির উপ-মুখ্যমন্ত্রীর বাড়িতে পৌঁছয় সিবিআই। 

    এদিন সকাল আটটা নাগাদ সিবিআই আধিকারিকরা মণীশ সিসোদিয়ার  বাড়িতে গেলেই পুলিশি নিরাপত্তায় ঘিরে ফেলা হয় বাড়ি। সূত্রের খবর, দিল্লির আবগারি নীতিতে বেনিয়মের যে অভিযোগ তুলেছিলেন লেফটেন্যান্ট গভর্নর, সেই তদন্তেই উপ-মুখ্যমন্ত্রীর বাড়িতে তল্লাশি চালাচ্ছেন সিবিআই আধিকারিকেরা। মণীশ সিসোদিয়া নিজেই ট্যুইট করে সিবিআই আসার কথা জানিয়েছেন। তদন্তে সম্পূর্ণ সহযোগিতা করার আশ্বাসও দেন তিনি।

    উপমুখ্যমন্ত্রীর বাড়িতে সিবিআই হানার নিন্দা করেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরীবাল। ট্যুইটবার্তায় তিনি বলেন, “যেদিন আমেরিকার সবথেকে বড় সংবাদপত্র নিউইয়র্ক টাইমসে দিল্লির শিক্ষা মডেলের প্রশংসা করা হয়েছে এবং মণীশ সিসোদিয়ার ছবি প্রথম পাতায় ছাপানো হয়েছে, সেইদিনই মণীশের বাড়িতে কেন্দ্র থেকে সিবিআই পাঠানো হল। সিবিআইকে স্বাগত। আমরা তদন্তে পূর্ণ সহযোগিতা করব। এর আগেও অনেক পরীক্ষা, তল্লাশি চালানো হয়েছে, কিন্তু কিছুই পাওয়া যায়নি। এবারও কিছু পাওয়া যাবে না।”

    বাড়িতে সিবিআই আধিকারিকেরা আসতেই মণীশ সিসোদিয়া পরপর ট্যুইট করে লেখেন, “সিবিআই এসেছে। আমরা সৎ, লক্ষাধিক শিশুর ভবিষ্যৎ তৈরি করছি। কিন্তু দুঃখজনকভাবে এই দেশে যারাই ভাল কাজ করেন, তাদের এইভাবে হেনস্থা হতে হয়। দেশে শিক্ষাক্ষেত্রে উন্নতির জন্য আমি যে কাজ করছি, তা কোনভাবেই আটকানো যাবে না।”

    আরও পড়ুন: অনুব্রতের চালকলে সিবিআই হানা! মিলল রাজ্য সরকারের স্টিকার লাগানো ৫টি গাড়ি

    সিবিআইকে স্বাগত জানিয়ে মণীশ  বলেন, তিনি চান সত্যিটা দ্রুত সামনে আসুক। তার জন্য সবরকম সহযোগিতা করতে প্রস্তুত তিনি। দুর্নীতি দমনের লক্ষ্যে এদিন সারা দেশের সাতটি রাজ্যের ২০টি জায়গায় তল্লাশি চালায় সিবিআই। 

     

  • CJI U U Lalit: দেশের ৪৯তম প্রধান বিচারপতি হচ্ছেন উদয় উমেশ ললিত, জানেন তিনি কে?

    CJI U U Lalit: দেশের ৪৯তম প্রধান বিচারপতি হচ্ছেন উদয় উমেশ ললিত, জানেন তিনি কে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের প্রধান বিচারপতি (Cheif Justice of India) পদের দায়িত্ব নিতে চলেছেন উদয় উমেশ ললিত (Uday Umesh Lalit)। দেশের ৪৯তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে তাঁকে নিযুক্ত করতে চলেছেন ভারতের রাষ্ট্রপতি। ভারতের দ্বিতীয় বিচার বিভাগীয় প্রধান হিসেবে নিযুক্ত হচ্ছেন তিনি।

    আরও পড়ুন: উত্তরসূরির নাম সুপারিশ করলেন এনভি রমানা, কে হবেন প্রধান বিচারপতি?     

    উদয় উমেশ ললিত মুম্বইয়ের ল কলেজে পড়াশোনা করেছেন। ১৯৮৫ সাল অবধি তিনি বোম্বে হাইকোর্টে প্র্যাক্টিশ করতেন। ১৯৮৬ সালে দিল্লিতে পাড়ি দেন তিনি। ১৯৮৬-১৯৯২ সাল পর্যন্ত তিনি প্রাক্তন অ্যাটর্নি জেনারেল সোলি জে সোবারজির সঙ্গে কর্মরত ছিলেন। আগামী ২৭ অগস্ট তিনি শপথ গ্রহণ করবেন বলে সূত্রের খবর। ৬৪ বছর বয়সী জাস্টিস ললিতের জীবনে বেশ কিছু ঐতিহাসিক রায় রয়েছে।   
     
    প্রধান বিচারপতি এনভি রামানা তাঁর নাম সুপারিশ করেছিলেন বলে জানা গিয়েছে। আগামী ৮ নভেম্বরই অবসরগ্রহণ করতে পারেন জাস্টিস ললিত। অত্যন্ত কম সময়ের জন্য় তিনি এই পদে বসছেন। জাস্টিস ললিত দ্বিতীয় প্রধান বিচারপতি হতে চলেছেন যিনি সরাসরি বার থেকে শীর্ষ আদালতের শীর্ষ পদে বসতে চলেছেন। এর আগে ভারতের ১৩তম প্রধান বিচারপতি জাস্টিস এসএম সিকরি সরাসরি শীর্ষ আদালতের বেঞ্চে বসেছিলেন। 

    আরও পড়ুন: বিচারালয় শুধুমাত্র সংবিধানের কাছেই দায়বদ্ধ, মন্তব্য দেশের মুখ্যবিচারপতির

    ২০১৪ সালের ১৩ অগাস্ট সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি নিযুক্ত হন জাস্টিস ললিত। তার সময়কালে একের পর এক দৃষ্টান্তমূলক রায় দিয়েছেন তিনি। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল তিন তালাক প্রত্যাহার এবং তিন তালাককে ‘অকার্যকর’, ‘অবৈধ’ এবং ‘অসাংবিধানিক’ ঘোষণা করা। ২০১৯ সালে রাজনৈতিভাবে সংবেদনশীল বাবরি মসজিদ মামলার শুনানি থেকে নিজেকে প্রত্যাহার করেছিলেন তিনি। তাঁর আর এক দৃষ্টান্তমূলক রায় হল পক্সো আইনের আওতায় ‘স্কিন টু স্কিন’ থিওরি বাতিল। হাইকোর্ট বলেছিল নিপীড়িতের সঙ্গে অভিযুক্তের সরাসরি ত্বকের যোগাযোগ না হলে অভিযুক্ত  দোষী সাব্যস্থ হবে না। এই রায় বাতিল করে ললিত বলেন যৌন আক্রমণের ক্ষেত্রে ত্বকের সঙ্গে ত্বকের যোগাযোগের থেকেও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল যৌন অভিপ্রায়। টু জি স্পেকট্রাম মামলায় সিবিআই-এর পক্ষে বিশেষ পাবলিক প্রসিকিউটর নিযুক্ত করা হয়েছিল।   

    আইনজীবী হিসেবে একাধিক হাই প্রোফাইল মামলায় যুক্ত ছিলেন বিচারপতি ললিত। দেশের প্রাক্তন সেনা প্রধান ভিকে সিংহ, পঞ্জাবের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ক্যাপ্টেন অমরিন্দর সিংহ, সলমন খানের হয়ে মামলা লড়েছেন তিনি। দেশের বর্তমান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের হয়েও সোহরাবউদ্দিন শেখ এবং তুলসিরাম প্রজাপতি হত্যা মামলায় সওয়াল করেন জাস্টিস ললিত। 

  • Bihar Politics: দলকে কলঙ্ক মুক্ত রাখতে নয়া ফরমান তেজস্বী যাদবের, জানেন কী কী?    

    Bihar Politics: দলকে কলঙ্ক মুক্ত রাখতে নয়া ফরমান তেজস্বী যাদবের, জানেন কী কী?    

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিহারে (Bihar) আরজেডির (RJD) বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে বারংবার। তাই দুর্নীতির কালি যাতে গায়ে না লাগে, সেজন্য প্রথম থেকেই দলের মন্ত্রীদের সতর্ক করে দিলেন আরজেডি নেতা তথা বিহারের উপমুখ্যমন্ত্রী তেজস্বী যাদব (Tejashwi Yadav)। বেঁধে দিলেন নির্দিষ্ট আচরণ বিধি। কী করবেন আর কী করবেন না সম্বলিত ছ দফা নির্দেশিকাও ধরিয়ে দিলেন মন্ত্রীদের হাতে।

    শপথ নেওয়ার এক সপ্তাহের মধ্যেই অপরাধমূলক কার্যকলাপের অভিযোগ উঠেছে নীতীশ কুমারের (Nitish Kumar) মহাজোট সরকারের দুই মন্ত্রীর বিরুদ্ধে। এঁরা দুজনেই আরজেডির। এহেন আবহে তেজস্বীর এই নির্দেশিকা জারি দলকে কলঙ্কের হাত থেকে রক্ষা করতেই বলে ধারণা রাজনৈতিক মহলের। তেজস্বীর নয়া নির্দেশ অনুযায়ী, আরজেডির কোনও মন্ত্রী নিজ নিজ দায়িত্বপ্রাপ্ত বিভাগের জন্য নতুন করে গাড়ি কিনতে পারবেন না। সমর্থক, সমাজকর্মী, শুভাকাঙ্খী বয়স যাই হোক না কেন, কাউকে পা ছুঁয়ে প্রণাম করতে দেওয়া যাবে না। তার বদলে শুভেচ্ছা বিনিময়ের ক্ষেত্রে হাতজোড় করেন নমস্কার কিংবা সেলাম করতে হবে। সকলের সঙ্গে ভদ্র ব্যবহার করার নির্দেশও দিয়েছেন তেজস্বী। জনসংযোগ বাড়াতে জাত-ধর্ম নির্বিশেষে দরিদ্র ও দুঃস্থ মানুষদের সাহায্যে এগিয়ে যেতে হবে। উপহার দেওয়া নেওয়ার প্রথায়ও বদল আনার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তেজস্বীর নির্দেশ, উপহার বা ফুলের তোড়ার বদলে বই দেওয়া নেওয়ায় জোর দিতে হবে। সকলকে তাতে উৎসাহিতও করতে হবে। দলের কোনও মন্ত্রী যাতে কলঙ্কের ভাগীদার না হন, সেজন্য তেজস্বীর ফরমান, কাজের ক্ষেত্রে সততা ও স্বচ্ছতা বজায় রাখতে হবে।

    আরও পড়ুন : নতুন সঙ্গী আরজেডি! বিজেপির সঙ্গ ত্যাগ নীতীশের, ফের ‘মহাজোট’-এর পথে বিহার?

    মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমারের নেতৃত্বে সকলকে দ্রুত নীতি রূয়াপণ ও কাজ শেষ করতে হবে। সব মন্ত্রী, মুখ্যমন্ত্রী ও বিহার সরকার ও তাদের সব দফতর কী কী উন্নয়নমূলক কাজ করছে, সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে তা সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে হবে। প্রসঙ্গত, নীতীশের নয়া মন্ত্রিসভার সদস্য সংখ্যা ৩৩। এর মধ্যে তেজস্বী ছাড়া আরজেডির মন্ত্রী রয়েছেন ১৬ জন। তেজস্বী উপমুখ্যমন্ত্রী। স্বদলের এই ১৬ মন্ত্রীর জন্যই নয়া ফরমান ঘোষণা করেছেন তেজস্বী।

    আরও পড়ুন : নীতীশ ‘পরজীবী’, তোপ বিহার বিজেপির

     

  • Covid Update: হু হু করে বাড়ছে দৈনিক করোনা আক্রান্তের সংখ্যা, একদিনে আক্রান্ত ১২ হাজারের বেশি

    Covid Update: হু হু করে বাড়ছে দৈনিক করোনা আক্রান্তের সংখ্যা, একদিনে আক্রান্ত ১২ হাজারের বেশি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের ঊর্ধ্বমুখী করোনা (Covid-19) সংক্রমণ। করোনা ভাইরাস যেন ছেড়ে যেতেই চাইছে না। একদিকে যেমন বিশ্বজুড়ে মাঙ্কি পক্সে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে, তেমনি অন্যদিকে দিনের পর দিন বেড়েই চলেছে কোভিডে আক্রান্তের সংখ্যা। গত দু’দিনে দেশ জুড়ে করোনা সংক্রমণ দশ হাজারের নীচে নেমেছিল। কিন্তু গত ২৪ ঘণ্টায় সংক্রমণের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১২ হাজারেরও বেশি। মৃতের সংখ্যাও বেড়ে গিয়েছে।

    আরও পড়ুন: আতঙ্ক বাড়াচ্ছে মাঙ্কি পক্স, বিশ্বজুড়ে আক্রান্তের সংখ্যা ৩৫০০০-এর বেশি, মৃত্যু ১২ জনের

    কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের দেওয়া রিপোর্ট অনুযায়ী, কোভিড আক্রান্তের সংখ্যা গত ২৪ ঘণ্টায় বেড়ে হয়েছে ১২ হাজার ৬০৮। বুধবার এই সংখ্যা ছিল ৯ হাজার ০৬২। মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৪,৪২,৯৮,৮৬৪। তবে এই মুহূর্তে দেশে সক্রিয় রোগীর সংখ্যা কমে হয়েছে ১,০১,৩৪৩। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় প্রাণ হারিয়েছেন ৭২ জন। স্বাস্থ্যমন্ত্রক থেকে জানানো হয়েছে, অ্যাক্টিভ রোগীর সংখ্যা ০.২৩ শতাংশ হারে কমেছে। আর ভাইরাস থেকে সুস্থ হওয়ার হারও ৯৮.৫৮ শতাংশ বেড়ে গিয়েছে। দৈনিক পজিটিভিটি রেট ৩.৪৮ শতাংশ ও সপ্তাহে পজিটিভিটি রেট ৪.২ শতাংশ।

    আরও পড়ুন: কোভিশিল্ড-কোভ্যাক্সিনের পর বুস্টার ডোজ হিসেবে নেওয়া যাবে কর্বেভ্যাক্সও, অনুমোদন কেন্দ্রের

    কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় কোভিডে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে ৭২ জনের। এর মধ্যে কেরালায় গত ২৪ ঘণ্টায় মৃতের সংখ্যা সর্বোচ্চ। কেরালায় গত ২৪ ঘণ্টায় ২৯ জন করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গিয়েছেন। এ ছাড়া দিল্লিতে আট জন, মহারাষ্ট্রে ছয় জন, হরিয়ানায় পাঁচ জন এবং পশ্চিমবঙ্গ ও পাঞ্জাবে চার জন এবং কর্নাটকে তিন জন মারা গিয়েছেন। রাজস্থান, গুজরাট, উত্তরপ্রদেশ, ওড়িশা ও ছত্তিশগড়ে দু’জন এবং চণ্ডীগড়, উত্তরাখণ্ড ও মধ্যপ্রদেশে এক জন করে ব্যক্তির মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে। বুধবার মৃতের সংখ্যা ছিল ৩৬। দেশে এখনও পর্যন্ত ৫ লক্ষ ২৯ হাজার ৭৬৯ জন ব্যক্তি কোভিডে আক্রান্ত হয়ে মারা গিয়েছেন।

     

  • IB Ministry: ভারত বিরোধী প্রচার, ৮ ইউটিউব চ্যানেল ব্লক করল কেন্দ্র, একটি পাকিস্তানের 

    IB Ministry: ভারত বিরোধী প্রচার, ৮ ইউটিউব চ্যানেল ব্লক করল কেন্দ্র, একটি পাকিস্তানের 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত বিরোধী কন্টেন্ট প্রচারের জন্যে ৮ টি ইউটিউব চ্যানেল (Youtube Channel) বন্ধ (Block) করল ভারত সরকার (Indian Government) ৷ বৃহস্পতিবার তথ্য় ও সম্প্রচার মন্ত্রকের পক্ষ থেকে ট্যুইট করে জানানো হয় ৮ টি ইউটিউব চ্যানেল ব্লক করছে ভারত সরকার ৷ এর মধ্যে ৭টি ভারতের, একটি পাকিস্তানের (Pakistan)৷ কেন্দ্রের দাবি, ওই সমস্ত চ্যানেলের মাধ্যমে ভুয়ো এবং ভারত বিরোধী কনটেন্ট প্রচার করে টাকা রোজগার করেছেন ভিডিও নির্মাতারা ৷ এদের লক্ষ্য ভারতে বিভিন্ন ধর্ম এবং সম্প্রদায়ের মধ্যে ঘৃণা ছড়ানো ৷ তাই ২০২১-এর তথ্যপ্রযুক্তি আইন অনুযায়ী এই ইউটিউব চ্যানেলগুলিকে ব্লক করা হয়েছে বলে জানিয়েছে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রক (Ministry of Information and Broadcasting)৷  

    আরও পড়ুন: অনুপ্রবেশ ইস্যুতে কোনও আপস করবে না মোদি সরকার, জানাল বিজেপিও

    মন্ত্রক তাদের ট্যুইটার হ্যান্ডেলে একটি প্রেস বিবৃতি পোস্ট করেছে ৷ সেখানে লেখা রয়েছে, “ভুয়ো তথ্য তুলে ধরে এই চ্যানেলগুলি ভারতে সাম্প্রদায়িক ঘৃণা ছড়াচ্ছিল। যেমন, ভারত সরকার কিছু ধর্মীয় নির্মাণ ভেঙে ফেলার নির্দেশ দিয়েছে, ধর্মীয় উৎসব পালন নিষিদ্ধ করা হয়েছে, ভারতে ধর্ম নিয়ে যুদ্ধ শুরু হয়েছে। ভুয়ো এবং উত্তেজনামূলক থাম্বনেল বানিয়ে, খবরের চ্যানেলের প্রতীকীচিহ্ন এবং সঞ্চালকদের ছবি দিয়ে বিভ্রান্ত করা হয় দর্শকদের।” ব্লক করা ইউটিউব চ্যানেলগুলির সব মিলিয়ে ভিউয়ারের সংখ্যা ১১৪ কোটিরও বেশি এবং মোট সাবস্ক্রাইবারের সংখ্যা ৮৫ লক্ষ ছাড়িয়ে গিয়েছে ৷

    নিখরচায় নানা পরিষেবা পাইয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েও ভোটে হেরে গিয়েছে…   

    এই ইউটিউব চ্যানেলগুলিতে প্রচারিত ভিডিয়োয় বেশ কিছু মিথ্যে দাবি করা হয় ৷ কেন্দ্রীয় সরকারের মতে এই ধরনের কন্টেন্ট দেশের আইন ও শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে যেকোনও মুহূর্তে ৷ চ্যানেগুলিতে ভারতীয় সেনাবাহিনী থেকে শুরু করে জম্মু ও কাশ্মীরের পরিস্থিতি নিয়েও নানা ভুয়ো খবর প্রচার করা হত বলে জানা গিয়েছে ৷ দেশের নিরাপত্তার দিক দিয়ে সম্পূর্ণরূপে মিথ্যে এবং স্পর্শকাতর এই খবরগুলি অন্য দেশের সঙ্গে ভারতের সম্পর্কে প্রভাব ফেলতে পারে ৷

    যে আটটি ইউটিউব চ্যানেল ব্লক করানো হয়েছে, সেগুলিতে মূলত খবর দেখানো হত। এর মধ্যে অন্যতম হল – ‘সব কুছ দেখো’। ওই চ্যানেলের গ্রাহক সংখ্যা ১৯ লক্ষ ৪০ হাজার প্রায়। তাদের ভিডিও দেখেছেন ৩৩ কোটির বেশি মানুষ। তালিকায় রয়েছে ‘লোকতন্ত্র টিভি’ও। তাদের ফেসবুক অ্যাকাউন্টও ব্লক করানো হয়েছে। এ ছাড়াও ব্লক করানো হয়েছে ‘ইউ অ্যান্ড ভি টিভি’, ‘এএম রিজভি’, ‘গৌরবশালী পবন মিথিলাঞ্চল’, ‘সি টপ ফিফথ’ এবং ‘সরকারি আপডেট’ চ্যানেল। পাকিস্তানের যে চ্যানেলটিকে ব্লক করা হয়েছে, তার নাম ‘নিউজ কি দুনিয়া’। এই চ্যানেলগুলিতে কাশ্মীরে ভারতীয় সেনাদের আচরণ কেমন, তা নিয়েও ভিডিও করা হয়েছে বলে অভিযোগ। 

    এর আগে, এ বছরই এপ্রিল মাসে ১৬টি ইউটিউব চ্যানেল ব্লক করে কেন্দ্র। সেবার ১০টি ভারতীয় এবং ৬টি পাকিস্তানি চ্য়ানেল ব্লক করানো হয়।  

     

  • SC on Freebies: খয়রাতি নয়, মর্যাদার সঙ্গে রোজগার করাই বেশি পছন্দ ভোটারদের, মত সুপ্রিম কোর্টের

    SC on Freebies: খয়রাতি নয়, মর্যাদার সঙ্গে রোজগার করাই বেশি পছন্দ ভোটারদের, মত সুপ্রিম কোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিনামূল্যে পাইয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতির (Freebies) তুলনায় ভোটাররা (Voters) মর্যাদার সঙ্গে রোজগার করতেই বেশি পছন্দ করেন। একশো দিনের কাজ প্রকল্প সহ বিভিন্ন জনকল্যাণ মূলক কাজের মাধ্যমেই ভোটাররা রোজগার করতে পছন্দ করেন। বুধবার একথাই জানাল সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)।

    ক্ষমতায় আসতে প্রতিটি নির্বাচনের আগে প্রতিশ্রুতির (Election Freebies) বন্যা বইয়ে দেয় বিভিন্ন রাজনৈতিক দল। এর মধ্যে থাকে নিখরচায় নানা পরিষেবা পাইয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতিও। এ নিয়ে কটাক্ষ করেছেন খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও (Modi)। বিষয়টিকে ‘গুরুতর’ হিসেবে চিহ্নিত করেছে দেশের শীর্ষ আদালতও। সুপ্রিম কোর্টে দায়ের হওয়া একটি জনস্বার্থ মামলার প্রেক্ষিতে প্রধান বিচারপতি এনভি রমানার (NV Ramana) নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ সম্প্রতি তাদের পর্যবেক্ষণে বলেছে, জনকল্যাণ কর্মসূচি আর বিনামূল্যে দেওয়া এক বিষয় নয়। বিজেপি ঘনিষ্ঠ জনৈক অশ্বিনী উপাধ্যায়ের দায়ের করা জনস্বার্থ মামলার শুনানিতে প্রধান বিচারপতি বলেছিলেন, যাঁরা বিনামূল্যে পাচ্ছেন, তাঁরা তা পেতে চান। আবার অনেকে বলেন, তাঁদের করের টাকা প্রকৃত উন্নয়নমূলক কর্মসূচিতে ব্যবহার করতে হবে।

    আরও পড়ুন : খয়রাতির রাজনীতি বন্ধ হওয়া প্রয়োজন, মত সুপ্রিম কোর্টের

    এদিন ওই মামলায় প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বে গঠিত ওই বেঞ্চ জানায়, নিখরচায় নানা পরিষেবা পাইয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েও ভোটে হেরে গিয়েছে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, এমন উদাহরণও রয়েছে। প্রধান বিচারপতি বলেন, আমি মনে করি না ভোটাররা নিখরচায় নানা পরিষেবা পেতে চান। সুযোগ পেলে তাঁরা সম্মানজনকভাবে রোজগার করতেই চাইবেন। যেমন একশো দিনের কাজ। এই প্রকল্পে গ্রামীণ এলাকায় সম্পদও সৃষ্টি হবে। তাই আমি বিশ্বাস করি না যে নিখরচায় পাইয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি কোনও ফল দেয়। এর পরেই তিনি বলেন, নিখরচায় পাইয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েও ভোটে হেরে গিয়েছেন অনেক রাজনৈতিক দল, এমন উদাহরণও রয়েছে।

    আরও পড়ুন : ভোটারদের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি দেওয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত হয় অর্থনীতি, জানাল সুপ্রিম কোর্ট

    আদালত জানায়, তাদের প্রাথমিক বিবেচ্য বিষয় হল, জনগণের টাকা ঠিকঠাক খরচ হচ্ছে কিনা। আদালত জানিয়ে দিয়েছে, নিখরচায় পাইয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতিতে যা খরচ করা হয়, তা আদতে জনগণেরই টাকা। বেঞ্চের পর্যবেক্ষণ, দিনের শেষে নিখরচায় কোনও আহার জুটবে না। এদিন আরও একবার প্রধান বিচারপতি মনে করিয়ে দেন, জনকল্যাণমূলক প্রকল্পের সঙ্গে নিখরচায় পাইয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতিকে গুলিয়ে ফেলা ঠিক নয়।

  • Vikram Sarabhai: ১০৩ তম জন্মবার্ষিকী, চিনে নিন ‘ভারতীয় বিজ্ঞানের মহাত্মা গান্ধী’কে  

    Vikram Sarabhai: ১০৩ তম জন্মবার্ষিকী, চিনে নিন ‘ভারতীয় বিজ্ঞানের মহাত্মা গান্ধী’কে  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রথিতযশা বিজ্ঞানী (Scientist) তথা ভারতের প্রয়াত রাষ্ট্রপতি এপিজে আবদুল কালাম (APJ Abdul Kalam) বলেছিলেন, তিনি ভারতীয় বিজ্ঞানের মহাত্মা গান্ধী (Mahatma Gandhi of Indian Science)। যাঁর সম্পর্কে তিনি একথা বলেছিলেন, তিনি আর কেউ নন, ডাঃ বিক্রম সারাভাই (Vikaram Sarabhai)। ভারতীয় বিজ্ঞানের পথিকৃত। ১২ অগাস্ট হয়ে গেল তাঁর ১০৩ জন্মবার্ষিকী।

    ১৯১৯ সালের ১২ অগাস্ট গুজরাটের (Gujrat) আহমেদাবাদে এক শিল্পপতির বাড়িতে জন্মগ্রহণ করেছিলেন বিক্রম সারাভাই। গুজরাটের কলেজে স্নাতকস্তরের পড়াশোনা করেন তিনি। পরে চলে যান কেমব্রিজে। ১৯৪০ সালে ওই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পদার্থবিদ্যায় স্নাতক হন তিনি। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় সারাভাই ভারতে ফিরে আসেন। ভারতীয় পদার্থবিদ স্যার চন্দ্রশেখর ভেঙ্কটেশ রমণের অধীনে আইআইএসসিতে মহাজাগতিক রশ্মি নিয়ে শুরু করেন গবেষণা। ১৯৪৫ সালে ফের চলে যান কেমব্রিজে। সেখানে কসমিক রে ইনভেস্টিগেশন ইন ট্রপিক্যাল শীর্ষক গবেষণাপত্র জমা দেন সারাভাই। এরপর ফের দেশে ফেরেন এই প্রবাদপ্রতীম বিজ্ঞানী। ১৯৪৭ সালে প্রতিষ্ঠা করেন টেক্সটাইল ইন্ডাস্ট্রি রিসার্চ অ্যাসোসিয়েশন। তাঁর যখন ২৮ বছর বয়স, তখনই গুজরাটে তিনি গড়ে তোলেন উন্নতমানের ফিজিক্স-ল্যাব। ১৯৬২ সালে আহমেদাবাদে ইন্ডিয়ান ইন্সটিটিউট অফ ম্যানেজমেন্ট প্রতিষ্ঠায় গুরুত্ব ভূমিকা নেন সারাভাই।

    আরও পড়ুন : ভাল আছেন রুশদি, এবার হুমকি দেওয়া হল হ্যারি পটারের স্রষ্টাকে

    ছয়ের দশকের গোড়ায় ভারতে শুরু হয় মহাকাশ গবেষণা। ওই সময়ই আমেরিকার স্যাটেলাইট সিনকম-৩ এর সাহায্যে টোকিও অলিম্পিকের লাইভ ট্রান্সমিশন হয়। ইসরোর ওয়েবসাইট অনুযায়ী, এটি দেখেই সারাভাই ভারতে মহাকাশ গবেষণার প্রয়োজনীয়তা উপলব্ধি করেন। রাশিয়া প্রথম কৃত্রিম আর্থ স্যাটেলাইট স্পুটনিক-১ উৎক্ষেপণের পরেই সারাভাই ভারতে মহাকাশ গবেষণা কেন্দ্র ইসরো স্থাপনে সক্রিয় ভূমিকা নেন। বস্তুত তিনিই ইসরোর প্রতিষ্ঠাতা। মহাকাশ গবেষণা সম্পর্কে তিনি বলেন, মহাকাশ গবেষণার মাধ্যমে উন্নত দেশগুলোর সঙ্গে প্রতিযোগিতায় নামার কোনও আগ্রহ নেই। দেশের নানা সামাজিক সমস্যার সমাধান করার জন্যই এই গবেষণা কেন্দ্র স্থাপন করা প্রয়োজন। দেশের প্রযুক্তি ব্যবস্থা উন্নত করার জন্যও প্রয়োজন গবেষণা কেন্দ্র স্থাপন। ১৯৭১ সালের ৩০ ডিসেম্বর মাত্র ৫২ বছর বয়সে প্রয়াত হন এই বিশ্বশ্রুত বিজ্ঞানী।

    আরও পড়ুন :গ্রহাণু, উল্কা এবং ধূমকেতুর মধ্যে পার্থক্য সম্পর্কে জানেন কী?

     

  • GST on House Rent: বাড়ি ভাড়া নিয়ে থাকেন? দিতে হতে পারে জিএসটি, জেনে নিন নিয়ম 

    GST on House Rent: বাড়ি ভাড়া নিয়ে থাকেন? দিতে হতে পারে জিএসটি, জেনে নিন নিয়ম 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  বাড়ি ভাড়া সংক্রান্ত নিয়মে সম্প্রতি কিছু বদল এনেছে কেন্দ্র সরকার। এখন থেকে বাড়ি ভাড়াতেও দিতে হবে জিএসটি (GST)। ঘাবড়ে গেলেন? আগেই ঘাবড়ানোর কোনও কারণ নেই। সবাইকে এই নিয়মের আওতায় ফেলা হয়নি। বিশেষ কিছু ক্ষেত্রেই বাড়ির ভাড়ার ওপর জিএসটি লাগু হবে। 

    গুডস এন্ড সার্ভিসেস ট্যাক্স কাউন্সিলের সদ্য হওয়া বৈঠকে জিএসটি সংক্রান্ত অনেক নিয়মে পরিবর্তন আনা হয়েছে। যার মধ্যে বাড়ি ভাড়া (House Rent) সংক্রান্ত বেশ কিছু নতুন নিয়মও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে বাড়ির ভাড়ার উপর জিএসটি দিতে হবে।

    আরও পড়ুন: অক্টোবর থেকে বড়সড় পরিবর্তন আসছে জিএসটি নিয়মে, জেনে নিন

    নয়া নিয়ম অনুযায়ী, যদি কোনও ভাড়াটের জিএসটির রেজিস্ট্রেশন থাকে, তবে তাঁকে ভাড়ার উপর জিএসটি দিতে হবে। 

    এ ক্ষেত্রে ভাড়াটে ইনপুট ট্যাক্স ক্রেডিট-এর অধীনে জিএসটি বাবদ দেওয়া টাকা দাবি করলে, ফেরতও পেয়ে যাবেন। ১৮ জুলাই থেকেই কার্যকর হয়েছে এই নতুন নিয়ম। 

    আরও পড়ুন: ট্যুইটে ডেরেকের জবাব দিলেন অর্থমন্ত্রী, কী বললেন তৃণমূল সংসদকে?

    কী পরিবর্তন এল নতুন নিয়মে? 

    • নয়া নিয়ম অনুযায়ী, আপনি যদি চাকরি করেন এবং ভাড়া বাড়ি বা ফ্ল্যাট ভাড়া নিয়ে থাকেন, তাহলে আপনাকে ভাড়ার উপর কোনও জিএসটি দিতে হবে না। 
    • নতুন নিয়মে, যদি কোনও জিএসটি রেজিস্ট্রেশন নেই এমন ব্যক্তি, তাঁর ফ্ল্যাট বা সম্পত্তি জিএসটি রেজিস্ট্রেশন আছে এমন কোনও ব্যক্তিকে ভাড়া দেন, তবে এই ভাড়ার উপর জিএসটি প্রযোজ্য হবে।
    • এক্ষেত্রে রিভার্স চার্জ মেকানিজমের অধীনে ভাড়াটেকে ভাড়ার উপর ১৮ শতাংশ জিএসটি দিতে হবে। তবে ভাড়াটের জিএসটি রেজিস্ট্রেশন না থাকলে এই কর প্রযোজ্য হবে না।
    • অন্যদিকে, যদি কোনও সংস্থা বা ব্যক্তি তার আবাসিক সম্পত্তি কর্মচারীর বাসভবন, গেস্ট হাউস বা অফিস ব্যবহারের জন্য দেয়, তবে যে কর্মচারী বা সংস্থাটি সেই আবাসিক সম্পত্তি ভাড়ায় নিচ্ছেন তাকে ১৮ শতাংশ জিএসটি দিতে হবে। 
    • যদি কোনও সংস্থা তার কর্মচারীর জন্য একটি আবাসিক ফ্ল্যাট নিয়ে থাকে এবং বাড়িওয়ালার জিএসটি রেজিস্ট্রেশন করা না থাকে, তাহলেও সংস্থাকে ভাড়ার উপর ১৮ শতাংশ জিএসটি দিতে হবে।  
    • যদি বাড়িওয়ালা এবং ভাড়াটে উভয়েরই জিএসটি রেজিস্ট্রেশন না থাকে, তবে সে ক্ষেত্রে ভাড়ার উপর জিএসটির নিয়ম প্রযোজ্য হবে না। 
LinkedIn
Share