Category: বিদেশ

Get updates on World News Headlines International News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Bangladesh Crisis: “মাথায় তলোয়ার ঠেকিয়ে ধর্মান্তরিত করা হচ্ছে হিন্দুদের”, বাংলাদেশ নিয়ে বিস্ফোরক রাধারমণ

    Bangladesh Crisis: “মাথায় তলোয়ার ঠেকিয়ে ধর্মান্তরিত করা হচ্ছে হিন্দুদের”, বাংলাদেশ নিয়ে বিস্ফোরক রাধারমণ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “মাথায় তলোয়ার ঠেকিয়ে ধর্মান্তরিত করা হচ্ছে হিন্দুদের”, বাংলাদেশে হিন্দু নির্যাতন নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন কলকাতা ইসকন শাখার সহ-সভাপতি রাধারমণ দাস (Radharman Das)। গত ৫ অগাস্টের পর থেকে বাংলাদেশের (Bangladesh Crisis) প্রশাসন বিএনপি, জামাত, হিজবুল তাহরির মতো কট্টর মৌলবাদী সংগঠনের হাতে। দেশের সর্বত্র হিন্দুদের উপর ব্যাপক ভাবে নির্যাতন করা হচ্ছে। কখনও প্রকাশ্যে খুন করা হচ্ছে আবার কখনও বাড়ি-ঘর ভাঙচুর, মন্দিরে অগ্নিসংযোগ, ধর্ষণ-সহ একাধিক কর্মকাণ্ডে অস্থির গোটা বাংলাদেশের সনাতনীদের জীবন যাপন।

    “ওই মেয়েটিকে নাগরিকত্ব দিতে বলব” (Bangladesh)

    একটি সংবাদ মাধ্যমকে সাক্ষাৎকার দিয়ে রাধারমণ দাস (Radharman Das) বলেন, “বাংলাদেশের (Bangladesh Crisis) পরিস্থিতি অত্যন্ত উদ্বেগজনক। এই মুহূর্তে সেই দেশের শাসকরা ক্ষমতার অপব্যবহার করছে। হুমকি দিয়ে হিন্দুদের মুসলমান করা হচ্ছে। আমাদের কাছে খবর রয়েছে তলোয়ার দেখিয়ে ভয় দেখানো হচ্ছে মুসলিম হওয়ার জন্য। এক তরুণী সাঁতরে এপারে ভারতে চলে এসেছেন। তাঁর পরিবারকে হুমকি দেওয়া হচ্ছিল। ইসকনের পক্ষ থেকে ওই মেয়েটিকে নাগরিকত্ব দিতে আবেদন জানানো হচ্ছে। তাঁকে এবং তাঁর পরিবারকে সুরক্ষা দেওয়া হোক। সাম্প্রতিক রাজনৈতিক অস্থিরতার জন্য ইসকনের পীঠ দেওয়ালে ঠেকে গিয়েছে। দেশের অন্তর্বর্তী সরকার কট্টর মৌলবাদী এবং দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে কোনও পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি।”

    অযথা বিচার প্রক্রিয়াকে বিলম্ব করা হচ্ছে

    অপর দিকে মিথ্যা মামলায় ধৃত চিন্ময়কৃষ্ণ দাসের জামিন মামলাকে অকারণে পিছিয়ে দেওয়ায় বাংলাদেশে (Bangladesh Crisis) বিচার ব্যবস্থায় গণতান্ত্রিক অধিকার রক্ষা এবং সুরক্ষা নিয়ে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন রাধারমণ দাস (Radharman Das)। তিনি বলেন, “অযথা বিচার প্রক্রিয়াকে বিলম্ব করা হচ্ছে। আশা করব তিনি যাতে আইনি সাহায্য পান। দ্রুত তাঁকে যেন মুক্তি দেওয়া হয় ওই ব্যবস্থা কার্যকর করার আবেদন করব। আশা করব অন্তর্বর্তী সরকার যেন নিজের নিজের দায়িত্ব পালন করে সঠিক ভাবে। মানুষের জীবন এবং সম্পত্তি রক্ষার দায়িত্ব নিতে হবে।”

    আরও পড়ুনঃ সংখ্যালঘুদের কারও পদোন্নতি আটকে, কাউকে কমিশনে না রেখে সমানে চলেছে দমন-পীড়ন!

    হিন্দু নিরাপত্তা চাই

    গত ২৫ নভেম্বর বাংলাদেশে (Bangladesh Crisis) হিন্দু ধর্মগুরু চিন্ময় কৃষ্ণ গোস্বামীকে গ্রেফতার করেছে ওই দেশের প্রশাসন। তাঁর বিরুদ্ধে দেশের পতাকা অবমাননার মিথ্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। হাসিনাকে দেশ থেকে বিতারিত করার পর থেকে সেই দেশে হিন্দু নিধনযজ্ঞ অবিরাম গতিতে চলছে। প্রতিবাদে রংপুর, চট্টগ্রামে বড় হিন্দু ধর্মসভার আয়োজন করলে চিন্ময়কৃষ্ণকে, ইউনূস প্রশাসন টার্গেট করে। হিন্দুদের জীবন দিন দিন বাংলাদেশে সঙ্কট থেকে আরও গভীর সঙ্কটে পরিণত হচ্ছে। বিশ্বের সকল হিন্দু সংগঠনের পক্ষ থেকে ইতিমধ্যেই আন্দোলন, বিদ্রোহ, বিক্ষোভ জানিয়ে নিরাপত্তার দাবি তোলা হয়েছে।  

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh Crisis: সংখ্যালঘুদের কারও পদোন্নতি আটকে, কাউকে কমিশনে না রেখে সমানে চলেছে দমন-পীড়ন!

    Bangladesh Crisis: সংখ্যালঘুদের কারও পদোন্নতি আটকে, কাউকে কমিশনে না রেখে সমানে চলেছে দমন-পীড়ন!

    হাসিনা সরকারকে উৎখাত করার পর থেকেই অশান্ত বাংলাদেশ। মন্দির ভাঙচুর, আগুন, মারধর, খুন-সবেতেই টার্গেট সংখ্যালঘু হিন্দু। শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পাওয়া ইউনূসের কঙ্কালসার চেহারাটা এখন গোটা বিশ্বের কাছে পরিষ্কার। ইসকনের সন্ন্যাসী চিন্ময়কৃষ্ণ দাসকে গ্রেফতারের পর গোটা বিশ্ব জেনে গিয়েছে, কী ভয়াবহ এবং আতঙ্কের পরিবেশ সেখানে। শুধু কি সাধারণ নিরীহ হিন্দু বা হিন্দুদের মন্দির? না, বেছে বেছে কাঠগড়ায় তুলে চরম শাস্তি দেওয়া হয়েছে আওয়ামি লিগপন্থী জনপ্রতিনিধি, পুলিশ অফিসার থেকে শুরু করে স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের পদস্থ কর্তাদেরও। কীভাবে বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর নিপীড়ন চলছে, কীভাবে একের পর এক সরকারি অফিসার বা জনপ্রতিনিধির ওপর শাস্তির খাঁড়া নেমে আসছে, তা নিয়েই আমাদের ধারাবাহিক প্রতিবেদন। আজ তৃতীয় পর্ব।

     

    অশান্ত বাংলাদেশ: টার্গেট হিন্দু-৩

     

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশে (Bangladesh Crisis) শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর থেকেই সংখ্যালঘুদের ওপর অত্যাচার (Minorities Targeted) চলছে নির্মমভাবে। বার বার নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন হিন্দু-সংখ্যালঘুরা। পুলিশ থেকে রাজনৈতিক নেতা, এমনকী বাদ যাননি প্রশাসনের মাথায় থাকা সংখ্যালঘু আধিকারিকরাও। প্রশাসনে সংখ্যালঘু কর্মকর্তাদের ওপর মারাত্মক এবং বিরূপ প্রভাব ফেলে সরকারের হঠাৎ পরিবর্তন। শেখ হাসিনা সরকারের পদত্যাগের পরপরই পরিকল্পনা মন্ত্রকের সিনিয়র সচিব সত‍্যজিত কর্মকারসহ ১০ জন সিনিয়র সচিবের চুক্তি বাতিল করা হয়। এর পাশাপাশি, ডাক বিভাগের মহাপরিচালক শুদ্ধাংশুশেখর ভদ্রকে ১৫ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশন গ্রেফতার করে। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি নাকি সরকারি প্রকল্পের টাকা আত্মসাৎ করেছেন। অভিযোগ, কারণ একটা কিছু দেখালেই হল। লক্ষ্য, বিরোধী কণ্ঠস্বরকে নানা পদ্ধতি অবলম্বন করে দমিয়ে রাখা। কারও পদোন্নতি আটকে, কাউকে কমিটি বা কমিশনে না রেখে দমিয়ে রাখার কৌশল (Minorities Targeted)। এমনই অভিযোগ উঠেছে বারবার।

    মামলায় জর্জরিত সচিবরা

    দমন-পীড়ন চালানোর রাস্তা এখানেই শেষ নয়। সম্প্রতি হাসিনা সরকারের আমলের (Bangladesh Crisis) ৫৩ জন সচিবের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে দেওয়া হয়েছে। যার মধ্যে অনেকেই সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের সদস্য। একই সময়ে, প্রশাসনে পদোন্নতি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সংখ্যালঘুদের অবহেলা আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে। প্রশাসনের অনেকেই যুগ্ম সচিব ও অতিরিক্ত সচিব পদে পদোন্নতি লাভ করলেও, সংখ্যালঘু কর্মকর্তাদের উপস্থিতি ছিল একেবারেই নগণ্য। মাত্র দুইজন সংখ্যালঘু কর্মকর্তা-মুকেশচন্দ্র বিশ্বাস এবং দীপঙ্কর মণ্ডল অতিরিক্ত সচিব পদে পদোন্নতি পান। তদুপরি, পাঁচজন সংখ্যালঘু কর্মকর্তাকে যুগ্ম সচিব হিসেবে পদোন্নতি দেওয়া হয়, যার মধ্যে আছেন অতিন কুণ্ডু (অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ), অভিজিৎ রায় (বাস্তবায়ন ও পাবলিক ওয়ার্কস বিভাগ), কঙ্কন চাকমা (বাংলাদেশ পারমাণবিক শক্তি কমিশন), সুবর্ণ চাকমা (পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ) এবং কালাচাঁদ সিনহা (মংলা পোর্ট অথরিটি)।

    বৈষম্যের শিকার বিচারকরাও

    সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের (Minorities Targeted) কূটনৈতিক কর্মকর্তাদেরও বৈষম্যের শিকার হতে হয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল কলকাতায় বাংলাদেশ ডেপুটি হাইকমিশনের প্রথম সচিবের সাময়িক বরখাস্ত হওয়া। আন্তর্জাতিক বিচারব্যবস্থা, পুলিশ-প্রশাসন এবং দুর্নীতি দমন কমিশনে প্রভাবশালী পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে, অন্তর্বর্তী সরকার ব্যাপক পরিবর্তন এনেছে। ৮১ জন নিম্ন আদালতের বিচারককে বদলি করা হয়েছে। ৬৬ জন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ও ১৬১ জন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলকে নিয়োগ দেওয়া হলেও, এসব পদে সংখ্যালঘু সদস্যদের উপস্থিতি ছিল নেহাতই কম। দুজন সংখ্যালঘু সদস্য প্রাকাশআনন্দ বিশ্বাস (মানিকগঞ্জ) ও সুজিতকুমার চট্টোপাধ্যায় (মাদারীপুর) ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল পদে নিয়োগ পান।

    কোনও কমিশনেই সংখ্যালঘু নেই

    বাংলাদেশের (Bangladesh Crisis) নির্বাচনী ব্যবস্থা, পুলিশ-প্রশাসন, বিচারব্যবস্থা, দুর্নীতি দমন কমিশন ও সরকারি প্রশাসন সংস্কারের উদ্যোগ হিসেবে অন্তর্বর্তী সরকার বেশ কিছু কমিশন গঠন করেছে, কিন্তু এই কমিশনগুলোর মধ্যে কোনও সংখ্যালঘু সদস্যের স্থান হয়নি। এর ফলে, দেশের প্রশাসনিক কাঠামো ও শাসন ব্যবস্থায় সংখ্যালঘুদের বঞ্চনা আরও তীব্র হয়েছে এবং তাদের প্রতিনিধিত্ব ও প্রভাব সীমিত হয়ে পড়েছে।

    আরও পড়ুন: নিশানায় হিন্দু পুলিশ অফিসাররাও, সংখ্যালঘু পুলিশকর্তাদের বিরুদ্ধে একাধিক খুনের মামলা!

    রেহেই পাননি সাংবাদিকরাও 

    অন্তর্বর্তী সরকার (Bangladesh Crisis) সংখ্যালঘু সাংবাদিকদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। কোটা সংস্কার আন্দোলনে হিংসায় জড়িত থাকার অভিযোগে ৫৩ জনের মধ্যে ২৮ জন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে তারা তদন্ত শুরু করেছে। অভিযুক্তদের মধ্যে বেশ কয়েকজন সাংবাদিক সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের (Minorities Targeted)। এদের মধ্যে শ্যামল দত্ত, নবনিতা চৌধুরী, সুবাস সিনহা, মনস ঘোষ, প্রণব সাহা, মুননি সাহা, স্বদেশ সিনহা, শ্যামল সরকার, অজয় দাস এবং আশীষ সৈকত উল্লেখযোগ্য। এর মধ্যেই তারাকান্দা প্রেস ক্লাবের সহ-সভাপতি এবং দৈনিক স্বজনের সাংবাদিক স্বপন কুমার ভদ্রকে তাঁর বাড়ির সামনে হামলা করে হত্যাও করা হয়। ঘটনাটি ঘটে শম্ভুগঞ্জের টানপাড়া এলাকায়। ( …ক্রমশ)

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh Crisis: সংখ্যালঘুদের কারও পদোন্নতি আটকে, কাউকে কমিশনে না রেখে সমানে চলেছে দমন-পীড়ন!

    Bangladesh Crisis: সংখ্যালঘুদের কারও পদোন্নতি আটকে, কাউকে কমিশনে না রেখে সমানে চলেছে দমন-পীড়ন!

    হাসিনা সরকারকে উৎখাত করার পর থেকেই অশান্ত বাংলাদেশ। মন্দির ভাঙচুর, আগুন, মারধর, খুন-সবেতেই টার্গেট সংখ্যালঘু হিন্দু। শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পাওয়া ইউনূসের কঙ্কালসার চেহারাটা এখন গোটা বিশ্বের কাছে পরিষ্কার। ইসকনের সন্ন্যাসী চিন্ময়কৃষ্ণ দাসকে গ্রেফতারের পর গোটা বিশ্ব জেনে গিয়েছে, কী ভয়াবহ এবং আতঙ্কের পরিবেশ সেখানে। শুধু কি সাধারণ নিরীহ হিন্দু বা হিন্দুদের মন্দির? না, বেছে বেছে কাঠগড়ায় তুলে চরম শাস্তি দেওয়া হয়েছে আওয়ামি লিগপন্থী জনপ্রতিনিধি, পুলিশ অফিসার থেকে শুরু করে স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের পদস্থ কর্তাদেরও। কীভাবে বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর নিপীড়ন চলছে, কীভাবে একের পর এক সরকারি অফিসার বা জনপ্রতিনিধির ওপর শাস্তির খাঁড়া নেমে আসছে, তা নিয়েই আমাদের ধারাবাহিক প্রতিবেদন। আজ তৃতীয় পর্ব।

     

    অশান্ত বাংলাদেশ: টার্গেট হিন্দু-৩

     

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশে (Bangladesh Crisis) শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর থেকেই সংখ্যালঘুদের ওপর অত্যাচার (Minorities Targeted) চলছে নির্মমভাবে। বার বার নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন হিন্দু-সংখ্যালঘুরা। পুলিশ থেকে রাজনৈতিক নেতা, এমনকী বাদ যাননি প্রশাসনের মাথায় থাকা সংখ্যালঘু আধিকারিকরাও। প্রশাসনে সংখ্যালঘু কর্মকর্তাদের ওপর মারাত্মক এবং বিরূপ প্রভাব ফেলে সরকারের হঠাৎ পরিবর্তন। শেখ হাসিনা সরকারের পদত্যাগের পরপরই পরিকল্পনা মন্ত্রকের সিনিয়র সচিব সত‍্যজিত কর্মকারসহ ১০ জন সিনিয়র সচিবের চুক্তি বাতিল করা হয়। এর পাশাপাশি, ডাক বিভাগের মহাপরিচালক শুদ্ধাংশুশেখর ভদ্রকে ১৫ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশন গ্রেফতার করে। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি নাকি সরকারি প্রকল্পের টাকা আত্মসাৎ করেছেন। অভিযোগ, কারণ একটা কিছু দেখালেই হল। লক্ষ্য, বিরোধী কণ্ঠস্বরকে নানা পদ্ধতি অবলম্বন করে দমিয়ে রাখা। কারও পদোন্নতি আটকে, কাউকে কমিটি বা কমিশনে না রেখে দমিয়ে রাখার কৌশল (Minorities Targeted)। এমনই অভিযোগ উঠেছে বারবার।

    মামলায় জর্জরিত সচিবরা

    দমন-পীড়ন চালানোর রাস্তা এখানেই শেষ নয়। সম্প্রতি হাসিনা সরকারের আমলের (Bangladesh Crisis) ৫৩ জন সচিবের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে দেওয়া হয়েছে। যার মধ্যে অনেকেই সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের সদস্য। একই সময়ে, প্রশাসনে পদোন্নতি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সংখ্যালঘুদের অবহেলা আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে। প্রশাসনের অনেকেই যুগ্ম সচিব ও অতিরিক্ত সচিব পদে পদোন্নতি লাভ করলেও, সংখ্যালঘু কর্মকর্তাদের উপস্থিতি ছিল একেবারেই নগণ্য। মাত্র দুইজন সংখ্যালঘু কর্মকর্তা-মুকেশচন্দ্র বিশ্বাস এবং দীপঙ্কর মণ্ডল অতিরিক্ত সচিব পদে পদোন্নতি পান। তদুপরি, পাঁচজন সংখ্যালঘু কর্মকর্তাকে যুগ্ম সচিব হিসেবে পদোন্নতি দেওয়া হয়, যার মধ্যে আছেন অতিন কুণ্ডু (অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ), অভিজিৎ রায় (বাস্তবায়ন ও পাবলিক ওয়ার্কস বিভাগ), কঙ্কন চাকমা (বাংলাদেশ পারমাণবিক শক্তি কমিশন), সুবর্ণ চাকমা (পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ) এবং কালাচাঁদ সিনহা (মংলা পোর্ট অথরিটি)।

    বৈষম্যের শিকার বিচারকরাও

    সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের (Minorities Targeted) কূটনৈতিক কর্মকর্তাদেরও বৈষম্যের শিকার হতে হয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল কলকাতায় বাংলাদেশ ডেপুটি হাইকমিশনের প্রথম সচিবের সাময়িক বরখাস্ত হওয়া। আন্তর্জাতিক বিচারব্যবস্থা, পুলিশ-প্রশাসন এবং দুর্নীতি দমন কমিশনে প্রভাবশালী পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে, অন্তর্বর্তী সরকার ব্যাপক পরিবর্তন এনেছে। ৮১ জন নিম্ন আদালতের বিচারককে বদলি করা হয়েছে। ৬৬ জন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ও ১৬১ জন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলকে নিয়োগ দেওয়া হলেও, এসব পদে সংখ্যালঘু সদস্যদের উপস্থিতি ছিল নেহাতই কম। দুজন সংখ্যালঘু সদস্য প্রাকাশআনন্দ বিশ্বাস (মানিকগঞ্জ) ও সুজিতকুমার চট্টোপাধ্যায় (মাদারীপুর) ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল পদে নিয়োগ পান।

    কোনও কমিশনেই সংখ্যালঘু নেই

    বাংলাদেশের (Bangladesh Crisis) নির্বাচনী ব্যবস্থা, পুলিশ-প্রশাসন, বিচারব্যবস্থা, দুর্নীতি দমন কমিশন ও সরকারি প্রশাসন সংস্কারের উদ্যোগ হিসেবে অন্তর্বর্তী সরকার বেশ কিছু কমিশন গঠন করেছে, কিন্তু এই কমিশনগুলোর মধ্যে কোনও সংখ্যালঘু সদস্যের স্থান হয়নি। এর ফলে, দেশের প্রশাসনিক কাঠামো ও শাসন ব্যবস্থায় সংখ্যালঘুদের বঞ্চনা আরও তীব্র হয়েছে এবং তাদের প্রতিনিধিত্ব ও প্রভাব সীমিত হয়ে পড়েছে।

    আরও পড়ুন: নিশানায় হিন্দু পুলিশ অফিসাররাও, সংখ্যালঘু পুলিশকর্তাদের বিরুদ্ধে একাধিক খুনের মামলা!

    রেহেই পাননি সাংবাদিকরাও 

    অন্তর্বর্তী সরকার (Bangladesh Crisis) সংখ্যালঘু সাংবাদিকদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। কোটা সংস্কার আন্দোলনে হিংসায় জড়িত থাকার অভিযোগে ৫৩ জনের মধ্যে ২৮ জন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে তারা তদন্ত শুরু করেছে। অভিযুক্তদের মধ্যে বেশ কয়েকজন সাংবাদিক সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের (Minorities Targeted)। এদের মধ্যে শ্যামল দত্ত, নবনিতা চৌধুরী, সুবাস সিনহা, মনস ঘোষ, প্রণব সাহা, মুননি সাহা, স্বদেশ সিনহা, শ্যামল সরকার, অজয় দাস এবং আশীষ সৈকত উল্লেখযোগ্য। এর মধ্যেই তারাকান্দা প্রেস ক্লাবের সহ-সভাপতি এবং দৈনিক স্বজনের সাংবাদিক স্বপন কুমার ভদ্রকে তাঁর বাড়ির সামনে হামলা করে হত্যাও করা হয়। ঘটনাটি ঘটে শম্ভুগঞ্জের টানপাড়া এলাকায়। ( …ক্রমশ)

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh: ‘‘এই ভুল ধারণা রাখবেন না’’, বিএনপি নেতাকে মোক্ষম জবাব দিলেন ভারতীয় চিকিৎসকরা

    Bangladesh: ‘‘এই ভুল ধারণা রাখবেন না’’, বিএনপি নেতাকে মোক্ষম জবাব দিলেন ভারতীয় চিকিৎসকরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চিকিৎসার ক্ষেত্রে বাংলাদেশিদের বড় ভরসার জায়গা ভারত। তাই, জটিল কোনও ব্যাধি বা পয়সাওয়ালারা সাধারণ চেকআপ করার জন্য নিজের দেশের ডাক্তারের ওপর ভরসা করেন না। সোজা চলে আসেন এপার বাংলায়। তবে বর্তমানের পরিস্থিতি আলাদা। অশান্ত বাংলাদেশ (Bangladesh) দিয়েছে ভারতীয় পণ্য বয়কটের ডাক। এদিকে ভারতীয় ভিসাও বন্ধ। নিয়মের কড়াকড়িতে বহু বাংলাদেশিই ভারতে আসতে পারছেন না। এরই মধ্যে বিতর্কিত মন্তব্য করেছেন বিএনপি নেতা। মূলত, ভারতীয় ডাক্তারদের হকারি করার কথা বলেছেন তিনি। পাল্টা জবাব দিয়েছে ভারতীয় চিকিৎসকরাও।

    ঠিক কী বললেন বিএনপি নেতা?(Bangladesh)

    বিএনপির (BNP) স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, “বাংলাদেশে যত অবৈধ ভারতীয় বাসিন্দা আছে, তাদের দেশে ফেরত পাঠানোর ব্যবস্থা করতে হবে অন্তর্বর্তী সরকারকে (Bangladesh)।” ভিসা সমস্যা ও ভারতে চিকিৎসার জন্য যেতে না পারার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “আমরা ভারতে না গেলে দেশের কয়েকশো কোটি টাকা সাশ্রয় হবে। অনন্তকাল ধরে ভিসা বন্ধ করে রাখলে ভারতীয় ডাক্তাররা রোগী পাবেন না। ভারতীয় ডাক্তারদের হকারি করতে হবে। ফুটপাথে হকারি করে খেতে হবে। তাই ভিসা বন্ধ করায় ভারতকে স্বাগত।”

    আরও পড়ুন: সর্বকনিষ্ঠ বিশ্বচ্যাম্পিয়ন! দাবায় সেরা ডি গুকেশ, কুর্নিশ সচিন-মোদি-মুর্মুদের

    কড়া প্রতিক্রিয়া দিলেন ভারতীয় চিকিৎসকরা

    বিএনপি নেতার বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে ভারতীয় চিকিৎসক অরিন্দম বিশ্বাস বলেন, “বাংলাদেশি (Bangladesh) রোগীরা না এলে, ভারতীয় চিকিৎসকরা পথে বসবেন, এই ভুল ধারণা রাখবেন না। আপনি যেই হন না কেন, আপনার ভারত সম্পর্কে ধ্যানধারণা নেই। এই বাংলাতেই ১০ কোটি মানুষের বাস। ১৪০ কোটির দেশে কোনও ডাক্তার পথে বসবেন না। আপনার মতো ভিক্ষার দশা আমাদের হবে না। ভিক্ষার ঝুলি নিয়ে ঘুরতে হবে না।” আরেক চিকিৎসক, রঞ্জন ভট্টাচার্য বলেন, “পরিসংখ্যানগতভাবে বলি, বাংলাদেশে সরকারি মেডিক্যাল কলেজ রয়েছে ৪৫টি। আর সেখানেই পশ্চিমবঙ্গে মেডিক্যাল কলেজ রয়েছে ৩৫টি। আমাদের দেশে ৭৩১টি মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল রয়েছে। আপনাদের ওপর নির্ভর করে আমাদের সংসার চলে না। কিন্তু ভারতে চিকিৎসা না পেলে আপনাদের অবস্থা কী হবে সেটা ভেবে দেখবেন। কারণ বাংলাদেশের মানুষের নিজের দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থার ওপরেই ভরসা নেই। বিপদে, দুর্দিনে তাঁরা আমাদের কাছেই আসেন।”

    মহাসঙ্কটে হাজার হাজার বাংলাদেশি

    বাংলাদেশে (Bangladesh) অশান্তির কারণে মহা সঙ্কটে পড়েছেন চিকিৎসার জন্য নিয়মিত কলকাতায় আসা-যাওয়া করা হাজার হাজার বাংলাদেশি। তাঁদের এ-পারে আসায় এখন কার্যত দাঁড়ি পড়েছে। নিয়মের এই ‘ফাঁস’ আলগা হয়ে কলকাতা-সহ দক্ষিণ ভারতে যাওয়ার পথ কবে আবার সুগম হবে, সেই চিন্তায় দিন কাটাচ্ছেন পদ্মাপারের রোগী এবং তাঁদের আত্মীয়েরা। ঢাকার বাসিন্দা মহম্মদ মুর্তাফিজ বলেন, “সাত বছর আগে চেন্নাইয়ের হাসপাতালে স্ত্রীর চিকিৎসা হয়েছিল। সেই চিকিৎসকই কলকাতার মল্লিকবাজারে কয়েক মাস অন্তর রোগী দেখতে আসেন। সপ্তাহ দুয়েক আগে ওই চিকিৎসক কলকাতায় এসে ঘুরে গিয়েছেন। কিন্তু স্ত্রীকে নিয়ে যেতে পারিনি। আপাতত যে ওষুধ চলছে, সেটাই ভরসা। কিন্তু চিকিৎসককে না দেখি এ ভাবে কত দিন চলবে?”উদ্বেগের একই সুর শোনা গেল সিলেটের বাসিন্দা নূর আহমেদের গলাতেও। নুরের কথায়, “হঠাৎ করেই দু’দেশের সম্পর্ক খারাপ হয়ে গেল। এখন তো কলকাতার চিকিৎসকদের একাংশ বাংলাদেশিদের চিকিৎসা করবেন না বলে জানিয়েছেন। আমাদের মতো রোগীদের কী হবে, জানি না।” বিভিন্ন দফতর ঘুরেও সীমান্ত পেরোনোর অনুমতি পাননি পাবনার বাসিন্দা মহম্মদ আলি ও জান্নাতুর ফিরদৌস। তিনি বলেন, “স্বামীর শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় কলকাতায় যেতে না পেরে ঢাকাতেই এক জন চিকিৎসককে দেখিয়েছি। কিন্তু আশানুরূপ ফল মিলছে না। ফুসফুসে জল জমছে। দু’দেশের সম্পর্ক মুষ্টিমেয় কয়েক জন নিজেদের স্বার্থে বিষিয়ে দিচ্ছেন। এর ফল আমাদের মতো সাধারণ মানুষদের ভুগতে হচ্ছে!”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh: বাংলাদেশে বিচারের নামে প্রহসন! অদ্ভূত যুক্তি দেখিয়ে চিন্ময়ের আবেদন শুনল না আদালত

    Bangladesh: বাংলাদেশে বিচারের নামে প্রহসন! অদ্ভূত যুক্তি দেখিয়ে চিন্ময়ের আবেদন শুনল না আদালত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইউনূস সরকার ক্ষমতায় আসার পর মৌলবাদীরা কার্যত দেশ চালাচ্ছে! এমনিতেই সংখ্যালঘু হিন্দুদের ওপর লাগাতার অত্যাচার চলছে। চিন্ময় প্রভু (Chinmoy Prabhu) গ্রেফতার হওয়ার পর বিচার বিভাগকেও নিজেদের মর্জি মতো চালাচ্ছে কট্টরপন্থীরা। এখন বিচারের নামে প্রহসন হচ্ছে বাংলাদেশে (Bangladesh)? কারণ, স্থানীয় কোনও আইনজীবী সঙ্গে নেই, এই অজুহাতে বৃহস্পতিবার চট্টগ্রাম আদালতে সন্ন্যাসী চিন্ময়কৃষ্ণ দাসের আইনজীবী রবীন্দ্র ঘোষের শুনানি এগিয়ে নিয়ে আসার আবেদন খারিজ করা হল। তিনটি মামলার আবেদন করেন রবীন্দ্র ঘোষ নামে বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্টের এক আইনজীবী। তিনি ঢাকা থেকে এসেছিলেন চট্টগ্রামে। কিন্তু তাঁর আবেদনে শুনানি হয়নি কোর্টে। দায়রা আদালতের বিচারক সাইফুল ইসলাম সেই আবেদন খারিজ করে দেন। উপযুক্ত ওকালতনামা না থাকার কারণ দেখিয়ে খারিজ হয় আবেদন। শুধু তাই নয় কোর্টের মধ্যেই রবীন্দ্রবাবুকে নিগ্রহ করা হয়।

    ঠিক কী হয়েছিল আদালতে? (Bangladesh)

    আইনজীবী রবীন্দ্র ঘোষ বলেন, ‘‘জজসাহেব সকাল ১১টায় যখন কোর্টে (Bangladesh) উঠলেন, আমি বললাম শুনানি করতে চাই। উনি অনুমতি দেন। কিন্তু বিকেল আড়াইটে-তিনটে নাগাদ যখন শুনানি শুরু হল, তখন প্রায় ৩০-৪০ জন আইনজীবী কোনও অনুমতি ছাড়াই এজলাসে ঢুকে পড়ল। এটা কী করে সম্ভব? ওদের কোনও ওকালতনামা ছিল না। কাদের হয়ে ওরা গেল? অভিযুক্তের হয়ে, নাকি অভিযুক্তের বিরুদ্ধে? কেন আমার কথা শোনা হল না? আমি জজসাহেবের ওপর সত্যিই মনক্ষুন্ন। আমাকে বলা হল, আমি এই আদালতে দাঁড়াতে পারব না। আমি ওকালতনামা নিয়ে এসেছিলাম। আমাকে বলা হয়, আপনার এখানকার আইনজীবী লাগবে। আমি প্রশ্ন করি, কেন? এখানকার আইনজীবী তো লাগার কথা নয়। তারপর জজসাহেব আমাকে এখানকার আইনজীবী আনার কথা বলেন। আইনজীবীদের বিরুদ্ধে মামলা করা হচ্ছে। কেন আইনজীবীরা দাঁড়াবে? চট্টগ্রাম আদালতের ভূমিকা বৈষম্যমূলক। শুনানি স্থগিত রেখে দেওয়ার কী অর্থ?”

    আরও পড়ুন: সর্বকনিষ্ঠ বিশ্বচ্যাম্পিয়ন! দাবায় সেরা ডি গুকেশ, কুর্নিশ সচিন-মোদি-মুর্মুদের

    কোর্টের মধ্যে নিগ্রহ!

    আইনজীবী রবীন্দ্র ঘোষ আরও বলেন, ‘‘মহম্মদ ফিরোজ খান চিন্ময়কৃষ্ণ ও অন্যান্যদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছিলেন। সেই কেস লড়তে আমি ঢাকা থেকে চট্টগ্রামে (Bangladesh) এসেছি। আমরা ইতিমধ্যে একটি পিটিশন দিয়েছি। যে ফৌজদারি মামলা দায়ের হয়েছে তার শুনানি যাতে দ্রুত করা যায় তার আবেদন জানিয়েছি। এর তারিখ যাতে এগিয়ে আনা হয় সেই কথাও বলেছি। কিন্তু জজ সাহেবের ভূমিকা ঠিক ছিল না। অপর পক্ষের তিরিশ-চল্লিশ জন আইনজীবী আমাই ধাক্কা মেরেছে। আমি অসুস্থ মানুষ। হাঁটতে পারি না। আমার ৭৫ বছর বয়স। জজ সাহেবের সামনেই কোর্টের ভিতরে নিগ্রহ করেছে। আমি মামলার শুনানি করতে চেয়েছিলাম। করতে দেওয়া হয়নি। যেহেতু আমরা নিম্ন আদালতে বিচার পেলাম না,তাই হাইকোর্টে যাব পরে।”

    যাঁরা বিচার পাচ্ছেন না, তাঁদের হয়ে লড়াই করব

    গোটা ঘটনায় যারপরনাই ক্ষুব্ধ প্রবীণ আইনজীবী (Bangladesh) রবীন্দ্র ঘোষ। তিনি বলেন, ‘‘আমি শুধু আইনজীবী নই, মানবাধিকার কর্মীও। আমি ওকালতি করি নিজের জীবন রক্ষার জন্য নয়, সংখ্যালঘুদের পাশে থাকতে। আমি নিষ্ঠা নিয়ে কাজ করি। ফি দিয়ে আমাকে সন্তুষ্ট করা কঠিন হবে কারণ আমি এগুলো পছন্দ করি না। আমি যেহেতু দীর্ঘদিন সংখ্যালঘুদের অধিকার নিয়ে কাজ করি, আমার ডকুমেন্টেশন, কাগজপত্র, ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং অনেক। আমি এটা জজসাহেবকে বিভিন্ন সময়ে দেখিয়েছি। স্থানীয় প্রশাসনকে দেখিয়েছি। কিন্তু মানবাধিকার লঙ্ঘন করছে এরকম অপরাধের বিরুদ্ধে তাঁরা কোনও পদক্ষেপ করছেন না। মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ হলে ওঁরা তদন্ত করবেন, ওঁরা সুফল কিছু দিতে পারেন না। সেই জন্য আমি দৃঢ়প্রতিজ্ঞ হয়েছি, শুধু চিন্ময় প্রভু নন, এর আরও যাঁরা আছেন যাঁরা বিচার পাচ্ছেন না এরকম অপরাধের বিরুদ্ধে তাঁরা কোনও পদক্ষেপ করছেন না। মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ হলে ওঁরা তদন্ত করবেন, ওঁরা সুফল কিছু দিতে পারেন না। সেই জন্য আমি দৃঢ়প্রতিজ্ঞ হয়েছি, শুধু চিন্ময় প্রভু নন, এরকম আরও যাঁরা আছেন, যাঁরা বিচার পাচ্ছেন না, তাঁদের সকলের পাশে দাঁড়িয়ে আমি লড়াই করব।”

    পরবর্তী পদক্ষেপ কী?

    রবীন্দ্র ঘোষ বলেন, ‘‘উচ্চ আদালতে (Bangladesh) যাব। কীভাবে যাব? ২ জানুয়ারি যদি শুনানি হয়, তাহলেও আরও একমাস লেগে যাবে হাইকোর্টে মামলা নিয়ে যেতে। জেলে থাকতে হবে আরও একমাস। বিচার দেব কী করে?” প্রসঙ্গত, রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছিল চিন্ময়কৃষ্ণকে। এরপর তাঁর মামলাটি আদালতে ওঠে। তবে সেই সময় কোনও আইনজীবী তাঁর হয়ে না লড়ায় মামলা খারিজ হয়। কোনও আইনজীবী চিন্ময় কৃষ্ণর পক্ষে সওয়াল করতে চাননি বলে জানা গিয়েছে। চিন্ময়কৃষ্ণের আইনজীবীদের ওপর হামলা চালানো হয়েছে। বাড়ি ভাঙচুর হয়েছে। এখনও এক আইনজীবী হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। আইনজীবীদের প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়েছে। অভিযোগ ওঠে এর আগে বার অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে হুমকি দেওয়া হয় চিন্ময়ের পক্ষে না সওয়াল করার। সেই সব তোয়াক্কা না করেই ঢাকা শীর্ষ আদালতের আইনজীবী রবীন্দ্র ঘোষ এলে তাঁকেও হেনস্থা করা হয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Hijab Law: মহিলাদের জন্য ইরানে নয়া পোশাকবিধি, না মানলে হতে পারে মৃত্যুদণ্ডও! শুরু বিতর্ক

    Hijab Law: মহিলাদের জন্য ইরানে নয়া পোশাকবিধি, না মানলে হতে পারে মৃত্যুদণ্ডও! শুরু বিতর্ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পোশাকবিধি না মানলে এবার মৃত্যুদণ্ড পর্যন্ত হতে পারে ইরানি (Iran) নারীদের। এই বিষয়ে চলতি সপ্তাহে নয়া আইন (Hijab Law) চালু করেছে তেহরান। নতুন আইনে পোশাক বিধি না মানার জন্য ভিন্ন ভিন্ন পর্যায়ে আলাদা আলাদা শাস্তির বিধান দেওয়া হয়েছে। কেউ অশোভন পোশাক পরলে কিংবা নগ্নতাকে তুলে ধরছেন বলে মনে করা হলে ভারতীয় মুদ্রায় জরিমানা হতে পারে সাড়ে ১৩ লাখ টাকা।

    কড়া শাস্তির বিধান (Hijab Law)

    বারংবার একই অন্যায় করলে ৫ থেকে ১৫ বছর পর্যন্ত জেলও হতে পারে। যদি কোনও মহিলার অপরাধকে ‘পৃথিবীর প্রতি অনাচার’ বলে মনে করে প্রশাসন, তাহলে ইরানের ইসলামীয় দণ্ডবিধি অনুসারে তাঁর মৃত্যুদণ্ড পর্যন্ত হতে পারে। নয়া আইন অনুসারে যাঁরা এই পোশাকবিধি লঙ্ঘন করবেন, তাঁদেরও পেতে হবে শাস্তি। কোনও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান, স্কুল, সংবাদমাধ্যম মায় কোনও ট্যাক্সিচালকও যদি মহিলাদের অশোভন পোশাকে দেখেন, তাহলে তা সঙ্গে সঙ্গে জানাতে হবে প্রশাসনকে। না হলে, সেটাও গণ্য হবে শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে।

    পোশাক বিধি

    ইরানে দীর্ঘদিন ধরে মহিলাদের জন্য কড়া পোশাক বিধি চালু রয়েছে। হিজাবে মাথা ঢাকা সে দেশে আবশ্যিক। রাস্তায় বের হলে ঢিলেঢালা পোশাক পরতে হয় মহিলাদের। ইরানের প্রাক্তন ধর্মগুরু আয়াতোল্লা খোমেইনি এই নিয়ম চালু করেন। বর্তমান ধর্মগুরু আলি খামেনেইও মহিলাদের জন্য জারি রেখেছেন পোশাকবিধি। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে কড়াকড়ি বেড়েছে পোশাকবিধিতে (Hijab Law)। পোশাক-ফতোয়ার বিরুদ্ধে নানা সময় প্রতিবাদ, বিক্ষোভ হয়েছে সে দেশে। তার পরেও শিথিল হয়নি পোশাক বিধি। বরং প্রশাসন সেই আন্দোলন দমন করেছে কড়া হাতে। শাস্তি হয়েছে কঠোরতর।

    আরও পড়ুন: “জোর করে জমির ফসল কেটে নিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশিরা”! আতঙ্কে নদিয়ার সীমান্ত এলাকার চাষিরা

    ইরানের নয়া পোশাকবিধিকে ‘ন্যক্কারজনক’ আখ্যা দিয়েছেন মানবাধিকার সংগঠনের পশ্চিম এশিয়ার সহকারি অধিকর্তা ডায়ানা এল্টাহাওয়ে। তিনি বলেন, “নারী স্বাধীনতা ও নারীর অধিকার খর্ব করতে এই আইন চালু করা হয়েছে।” ইরানে হিজাব না পরার অপরাধে মাহসা আমিনিকে তুলে নিয়ে গিয়েছিল ইরানের নীতি পুলিশ। পরে পুলিশি হেফাজতেই তাঁর মৃত্যু হয় বলে অভিযোগ। এর প্রতিবাদে ইরানের বিভিন্ন জায়গায় ব্যাপক আন্দোলন হয়। হিজাব পুড়িয়ে বিক্ষোভও দেখাতে দেখা যায় মহিলাদের। সেবার কড়া হাতে সেই আন্দোলন দমন (Iran) করেছিল ইরানের পুলিশ (Hijab Law)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • India Bangladesh Relation: সরাসরি যুদ্ধের ডাক বিএনপি নেতার! বাংলাদেশে আরও তীব্র ভারত-বিদ্বেষের বিষ

    India Bangladesh Relation: সরাসরি যুদ্ধের ডাক বিএনপি নেতার! বাংলাদেশে আরও তীব্র ভারত-বিদ্বেষের বিষ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশের রাজনীতির আঙিনায় এখন ভারত বিরোধিতার প্রতিযোগিতা চলছে। কখনও মানচিত্র বদলের হুঁশিয়ারি, কখনও কলকাতা তো কখনও সেভেন সিস্টার্স দখলের ডাক। সীমান্ত ডিঙিয়ে আগরতলা অভিযানের ডাকও দিয়েছে এখন বাংলাদেশের প্রধান রাজনৈতিক দল বিএনপি। এবার সরাসরি যুদ্ধের ডাক দিলেন বিএনপি নেতা হাফিজউদ্দিন আহমেদ। তাঁর কথায়, ‘প্রত্যেক বাংলাদেশি নাগরিককে সামরিক প্রশিক্ষণ দিয়ে যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত করা হবে। প্রত্যেক ছাত্রকে রাইফেল চালানো শিখতে হবে।’ বৃহস্পতিবার ঢাকার এক সভায় এমনই মন্তব্য করতে দেখা যায় বিএনপি নেতাকে।

    ভারতের বিরুদ্ধে যুদ্ধ!

    নানা ঘটনায় অভ্যন্তরীণ কোন্দলে বাংলাদেশ এখন উত্তাল। বাংলাদেশের এই অস্থিরতায় বারবার সেদেশের মৌলবাদীরা ভারতের দিকে আঙুল তুলছে। বাংলাদেশে ক্রমে ভারত বিরোধিতার সুর জোরালো হচ্ছে। যে দেশ স্বাধীন করার জন্য ভারতের অনেক যোদ্ধা রক্ত দিয়েছিলেন। মুক্তিযুদ্ধ আন্দোলনে যোগ দিয়ে প্রাণ হারিয়েছিলেন বহু ভারতীয়। ভারত না থাকলে একদা বাংলাদেশের জন্মই হতো না, সেই বাংলাদেশেই ভারত বিরোধিতার স্লোগান উঠছে। বঙ্গবন্ধুকে যারা অপমান করে, তারাই পাকিস্তানের মদতে ঢাকার বাতাসে ভারত বিদ্বেষ ছড়াচ্ছে বলে মত কূটনৈতিক মহলের। 

    কট্টরপন্থী নেতাদের হুঙ্কার

    ভারতের জন্য হুমকির তো অন্ত নেই। বিগত কয়েকদিনে বাংলাদেশের একের পর এক কট্টরপন্থী নেতাদের হুঙ্কারে চিন্তিত আন্তর্জাতিক মহলও। এবার বিএনপি নেতা হাফিজউদ্দিন আহমেদকে বলতে শোনা যায়, “প্রত্যেক ছাত্রকে বেসিক মিলিটারি ট্রেনিং আমরা দেব। আমাদের দিকে যাতে কেউ রক্তচক্ষু না দেখাতে পারে তাই এটা দরকার। আমরা যুদ্ধ করে তৈরি হয়েছি। চিরকাল জয়ী হবে বাংলাদেশের মানুষ।” এর আগে চার ঘণ্টায় কলকাতা দখলের ডাক দিতে দেখা গিয়েছিল সে দেশের প্রাক্তন সেনা কর্তাকে। 

    ভারতীয়দের উৎখাতের ডাক

    হিন্দুদের উপরে হামলা-অত্যাচারের পর পরিবর্তনের বাংলাদেশে ভারতীয়দের উৎখাত করার হুমকিও উঠেছে। ‘ভারতীয়দের লাথি মেরে তাড়ানোর’ হুমকি দিয়েছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম মুখ তথা গণ অধিকার পরিষদের যুগ্ম সদস্য সচিব তারেক রহমান। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল বাংলাদেশি নেতাদের হুমকির ভিডিও। একটি ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে ভারতীয়দের লাথি মেরে তাড়ানোর হুমকি দিচ্ছেন তারেক রহমান। ভারতের বিরুদ্ধে হিংসা, ক্ষোভ উগরে দিয়ে তিনি বলেন, “রাঙামাটি থেকে সিলেট পর্যন্ত ৪৫ কিমি রাস্তা ভারত আমাদের দেয়নি। ৪০০ কিমি ঘুরে যেতে হয়। তাহলে কেন ভারতকে ১৫০০ কিমি বাঁচানোর জন্য ৪০০ কিমি ট্রানজিট দেওয়া হল?”

    সীমা ছাড়াচ্ছে ভারত-বিদ্বেষ

    তারেক রহমানের প্রশ্ন, “ফেণী, চট্টগ্রামে ইকোনমিক জোন দিয়েছেন শেখ হাসিনা। আমি প্রশ্ন করছি, আপনি কি বাংলাদেশের সন্তান? এরকম সাঙ্ঘাতিক কাজ করলেন কী করে। আমরা কি পারব ভারতে চিকেন নেকে ইকোনমিক জোন তৈরি করতে? এখান নেপাল-ভুটান যাওয়ার রাস্তাটুকু আমরা পাইনি। এভাবে হবে না। আমাদের ওই অর্থনৈতিক অঞ্চলে যেতে হবে। একটা একটা করে ভারতীয়কে লাথি মেরে ভারত সীমান্তে ঢুকিয়ে দিয়ে আসতে হবে।” তারেক আরও বিষোদগার করে বলেন, “ভারত নিজের সুবিধার জন্য চট্টগ্রাম, মঙ্গলা বন্দর ব্যবহার করে। কিন্তু নেপাল-ভুটানের মতো ছোট দেশ যখন বন্দর ব্যবহার করতে চাইল, ভারত অনুমোদন দেয়নি। এবার সোজাসুজি হিসেব করার সময় এসেছে।”

    বাংলাদেশ সরকারের ভূমিকা 

    হিন্দুদের ওপর হামলার মধ্যেই ভারতের বিরোধিতায় ঢাকায় মিছিল হচ্ছে প্রতিদিন। ঢাকায় প্রাক্তন সেনাকর্মীদের মিছিলে ভারতের প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে স্লোগানও উঠেছে। বলা হচ্ছে, বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে আশ্রয় দিয়ে ঢাকার সঙ্গে বিরোধিতা করছে দিল্লি। ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) সদস্যদের সঙ্গে বৈঠকে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মহম্মদ ইউনূস অনুরোধ জানিয়েছেন, ইইউ ভিসা সেন্টার যেন দিল্লি থেকে অন্য দেশে স্থানান্তর করা হয়। তাঁর অনুরোধেই স্পষ্ট, ভারতের সঙ্গে দূরত্ব বাড়ানোরই চেষ্টা করছে বাংলাদেশ। বিগত কয়েকদিনে একের পর এক বিএনপি নেতাকে লাগাতার ভারত-বিরোধী মন্তব্য করতে দেখা গিয়েছে। এমনকী ভারতীয় পণ্য বয়কটেরও ডাক দিতে দেখা গিয়েছে। এবার তাতে নবতম সংযোজন হাফিজউদ্দিন, তারেক রহমানদের মন্তব্য। 

    আরও পড়ুন: নিশানায় হিন্দু পুলিশ অফিসাররাও, সংখ্যালঘু পুলিশকর্তাদের বিরুদ্ধে একাধিক খুনের মামলা!

    সক্রিয় পাকিস্তান

    বাংলাদেশের ভারত-বিরোধিতার মধ্যেই পাকিস্তান প্রীতিও প্রকাশ্যে এসেছে। পাকিস্তানের আরও কাছাকাছি এসেছে ইউনূস সরকার। পাক নাগরিকদের ভিসা পাওয়া আরও সহজ করেছে ঢাকা। নৈরাজ্যের বাংলাদেশে, ফায়দা তুলতে আসরে নেমেছ পাকিস্তান-চিনও। জামাত প্রধানের সঙ্গে চিনা রাষ্ট্রদূতের বৈঠক হয়েছে। খালেদা জিয়ার বাড়িতে পৌঁছেছেন পাক হাই কমিশনার। যে ভারতের দয়ায় মাত্র ৫৩ বছর আগে পাকিস্তান সেনা বাহিনীর হাত থেকে স্বাধীনতা পেয়েছিল বাংলাদশ, সেই বাংলাদেশ এবার ভারতের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার প্রস্তুতি শুরু করে দিল। শেখ হাসিনার পতনের পর থেকেই বাংলাদেশে মৌলবাদী সংগঠনগুলির রমরমা বাড়ছে। পাশাপাশি মাথা চাড়া দিয়েছে জামাতের মতো জঙ্গি সংগঠন। সেখান হিন্দু -সহ একাধিক সংখ্যালঘুদের ওপর নির্যাতন ক্রমশই বাড়ছে। এই অবস্থায় মৌলবাদী, জামাত আর পাকিস্তানের হাতে কাঠের পুতুল হয়ে পড়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান মহম্মদ ইউনূস।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Elon Musk: বিশ্বের প্রথম মানুষ! ৪০০ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি সম্পত্তির মালিক হলেন ইলন মাস্ক

    Elon Musk: বিশ্বের প্রথম মানুষ! ৪০০ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি সম্পত্তির মালিক হলেন ইলন মাস্ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাস্ক-এর বাজিমাত। রেকর্ড গড়ে বিশ্বের প্রথম ধনকুবের হিসেবে ৪০০ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি সম্পত্তির মালিক হলেন ইলন মাস্ক (Elon Musk)। বিশেষজ্ঞদের মতে, আমেরিকার নির্বাচনে ডোনাল্ড ট্রাম্প জেতায় ব্যবসায়িক ক্ষেত্রে বিরাট সুবিধা পেয়েছেন টেসলা কর্তা। গত কয়েকদিনে লাফিয়ে বেড়েছে তাঁর সম্পত্তির পরিমাণ।

    ট্রাম্প আসতেই টেসলার টেক্কা

    ট্রাম্প ক্ষমতায় আসতেই পোয়াবারো ইলন মাস্কের (Elon Musk)। ব্লুমবার্গের পরিসংখ্যান বলছে, এই মুহূর্তে ৪৪০ বিলিয়ন ডলারের সম্পত্তি রয়েছে ইলন মাস্কের কাছে। ভারতীয় মুদ্রায় যে অঙ্কটা দাঁড়ায় ৩৮ লক্ষ কোটি টাকার কাছাকাছি। ইলন মাস্কের মালিকানাধীন টেসলা এবং স্পেসএক্স, দুই সংস্থাই সম্প্রতি বিরাট লাভের মুখ দেখেছে। এর মধ্যে টেসলার স্টকের দাম বেড়েছে প্রায় ৬৫ শতাংশ। তার জেরেই লাফিয়ে বেড়েছে মার্কিন এই ধনকুবেরের সম্পত্তির পরিমাণ। বিশ্লেষকদের মতে, টেসলার এই উত্থানের নেপথ্যে রয়েছে দুটি কারণ। প্রথমত, হবু মার্কিন প্রেসিডেন্ট রোবটচালিত গাড়ির পক্ষে সওয়াল করবেন। পাশাপাশি টেসলার প্রতিদ্বন্দ্বী গাড়ি প্রস্তুতকারীদের কর সংক্রান্ত সুযোগসুবিধাতেও কোপ বসাবেন ট্রাম্প। সেই কারণেই টেসলার উপর আস্থা রেখেছেন বিনিয়োগকারীরা। ফলে চড়চড়িয়ে বেড়েছে মাস্কের সম্পত্তির পরিমাণ।

    মাস্কের মুনাফা

    টেসলার পাশাপাশি মাস্কের (Elon Musk) স্পেসএক্স এবং এক্সআই-ও সর্বকালের সেরা মুনাফা পেয়েছে। বুধবাই নতুন এক চুক্তি সেরেছে এই সংস্থা। গোটা বিশ্বে এই সংস্থাই সবচেয়ে মূল্যবান স্টার্টআপ। ট্রাম্প জেতার পর থেকে যেন ‘আচ্ছে দিন’ শুরু হয়েছে মাস্কের। নয়া মার্কিন প্রশাসনে গুরুদায়িত্ব পেয়েছেন তিনি। এবার বিপুল সম্পত্তির অধিকারী হয়ে গড়ে ফেললেন নয়া রেকর্ড। শোনা যায়, ট্রাম্পের নির্বাচনী খরচের অনেকটাই বহন করেছিলেন মাস্ক। তাই ট্রাম্প জয়ের পর থেকে লাফিয়ে বেড়েছে মাস্কের সম্পদের পরিমাণ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Bangladesh Crisis: হিন্দুদের ভাতে মারার ছক! গো-মাংস বিক্রি করতেই হবে হোটেল-রেস্তোরাঁয়, দাবি মৌলবাদীদের

    Bangladesh Crisis: হিন্দুদের ভাতে মারার ছক! গো-মাংস বিক্রি করতেই হবে হোটেল-রেস্তোরাঁয়, দাবি মৌলবাদীদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান মহম্মদ ইউনূসের শাসনে ভালো নেই সে দেশের হিন্দুরা (Bangladesh Crisis)। হিন্দুদের ওপর নিত্য অত্যাচার তো চলছেই। এবার বাংলাদেশে বসবাসকারী হিন্দুদের ভাতে মারতে উদ্যোগী হয়েছে মৌলবাদীরা। সে দেশের হিন্দু হোটেলগুলিতে (Hindu Hotel) যাতে কেউ না যায়, সে জন্য তৈরি হয়েছে পোস্টার। পোস্টারে লেখা হয়েছে ‘নো বীফ খাবার হোটেল বর্জন করুন’। কীভাবে হিন্দু হোটেল চেনা যাবে, সে কথাও পোস্টারে বলা হয়েছে ফলাও করে। নতুন উপদ্রব শুরু হওয়ায় বিপাকে বাংলাদেশে বসবাসকারী হিন্দু হোটেল ব্যবসায়ীরা।

    ভালো নেই হিন্দুরা (Bangladesh Crisis)

    হাসিনা-উত্তর জমানায় বাংলাদেশে ভালো নেই হিন্দুরা। নানা অছিলায় লুট করা হচ্ছে তাঁদের বাড়িঘর। লুটপাট চালানো হচ্ছে দোকানগুলোতেও। জমি কেড়ে নেওয়ার অভিযোগও উঠেছে। উঠেছে হিন্দু বাড়ির মেয়ে-বউদের ঘর থেকে তুলে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগও। তার পরেও স্রেফ দেশকে ভালোবেসেই সে দেশে বসবাস করছেন হিন্দুরা। এবার সেই হিন্দুদেরই আক্ষরিক অর্থেই ভাতে মারতে উদ্যোগী হয়েছে বাংলাদেশি মৌলবাদীরা। তারা প্রচার করছে, ‘যে হোটেলে গো-মাংস বিক্রি হয় না, সেটাই হিন্দুদের হোটেল। সেই হোটেলই বর্জন করতে হবে।’ আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের মতে, হিন্দুদের বাংলাদেশছাড়া করতেই উদ্যোগী হয়েছে সে দেশের মৌলবাদীরা।

    আরও পড়ুন: জল জীবন মিশন প্রকল্প বদলে দিয়েছে গ্রামীণ মহিলাদের অর্থনীতির ভিত, ঠিক কীভাবে?

    মুসলিম ভোক্তা অধিকার পরিষদের হুঁশিয়ারি

    যে দেশে ৯৮ শতাংশ মানুষই মুসলমান, সে দেশে কেন নো বীফ লেখা হোটেল থাকবে, প্রশ্ন তুলে মিছিল করেছে মুসলিম ভোক্তা অধিকার পরিষদ। সম্প্রতি পুরানো ঢাকার বংশালে আল রজ্জাক হোটেলের সামনে বিক্ষোভও দেখানো হয় (Bangladesh Crisis)। পরিষদের দাবি, নো বিফ লেখা খাবারের হোটেলগুলি ভারত ও হিন্দুত্ববাদীদের দালাল। তাই এই জাতীয় হোটেল বর্জনের ডাক দেওয়া হয়েছে। প্রত্যেক হোটেলে যাতে গো-মাংস বিক্রি হয়, সেই দাবিও জানিয়েছে পরিষদ। বীফ বিক্রি না হলে সমস্ত হোটেল বন্ধ করে দেওয়ার হুঁশিয়ারিও দেওয়া হয়েছে মুসলিম ভোক্তা অধিকার পরিষদের তরফে। পরিষদের তরফে আরিফ আল খাবীর বলেন, “বাংলাদেশে ব্যবসা করতে হলে খাবার হোটেলগুলিকে বাধ্যতামূলকভাবে গরুর মাংস রাখতে হবে। যদি কোনও হোটেলে একটিও গরুর মাংসের তরকারি না থাকে, তবে সেই হোটেলটি (Hindu Hotel) হিন্দুত্ববাদী হোটেল ও ভারতের দালাল বলে প্রমাণিত হবে (Bangladesh Crisis)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh Crisis: নিশানায় হিন্দু পুলিশ অফিসাররাও, সংখ্যালঘু পুলিশকর্তাদের বিরুদ্ধে একাধিক খুনের মামলা!

    Bangladesh Crisis: নিশানায় হিন্দু পুলিশ অফিসাররাও, সংখ্যালঘু পুলিশকর্তাদের বিরুদ্ধে একাধিক খুনের মামলা!

    হাসিনা সরকারকে উৎখাত করার পর থেকেই অশান্ত বাংলাদেশ। মন্দির ভাঙচুর, আগুন, মারধর, খুন-সবেতেই টার্গেট সংখ্যালঘু হিন্দু। শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পাওয়া ইউনূসের কঙ্কালসার চেহারাটা এখন গোটা বিশ্বের কাছে পরিষ্কার। ইসকনের সন্ন্যাসী চিন্ময়কৃষ্ণ দাসকে গ্রেফতারের পর গোটা বিশ্ব জেনে গিয়েছে, কী ভয়াবহ এবং আতঙ্কের পরিবেশ সেখানে। শুধু কি সাধারণ নিরীহ হিন্দু বা হিন্দুদের মন্দির? না, বেছে বেছে কাঠগড়ায় তুলে চরম শাস্তি দেওয়া হয়েছে আওয়ামি লিগপন্থী জনপ্রতিনিধি, পুলিশ অফিসার থেকে শুরু করে স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের পদস্থ কর্তাদেরও। কীভাবে বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর নিপীড়ন চলছে, কীভাবে একের পর এক সরকারি অফিসার বা জনপ্রতিনিধির ওপর শাস্তির খাঁড়া নেমে আসছে, তা নিয়েই আমাদের ধারাবাহিক প্রতিবেদন। আজ দ্বিতীয় পর্ব।

    অশান্ত বাংলাদেশ: টার্গেট হিন্দু-২

     

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশে সরকার (Bangladesh Crisis) পরিবর্তনের পর কীভাবে মন্ত্রী এবং জনপ্রতিনিধিদের ওপর দমন-পীড়ন চালানো হয়েছে, তার বিশদ বিবরণ আমরা প্রথম পর্বে দিয়েছি। কিন্তু সেখানেই শেষ নয়, এই পর্বে আমরা দেখব, কীভাবে সংখ্যালঘু পুলিশ কর্মকর্তাদেরও করুণ পরিণতির সম্মুখীন হতে হয়েছে। দুর্নীতি দমনের নামে অনেককেই আইনি নিপীড়নের মুখোমুখি হতে হয়। একের পর এক অপসারণ করা হয় সংখ্যালঘু পুলিশ অফিসারদের (Minority Police Officers)। যাদের স্বচ্ছ্বতায় কোনওভাবেই দাগ লাগানো যায়নি, তাদেরকে বলপূর্বক অবসরগ্রহণে বাধ্য করা হয়। বেশ কয়েকজন অফিসারকে বদলি করা হয়। আটকে দেওয়া হয় পদোন্নতি। বাদ যায়নি প্রশিক্ষণরত পুলিশ ক্যাডেটরাও। 

    হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে একের পর এক মামলা

    গত ৩০ অগাস্ট ঢাকা মহানগর দায়রা আদালতে বিপ্লবকুমার সরকার নামে এক পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে খুনের অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়। ঝিনাইদহে একদা সহকারী পুলিশ সুপার গোপীনাথ কঞ্জিলাল-সহ আরও একাধিক পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ২০১৪ ও ২০১৬ সালে চট্টগ্রাম ছাত্রদল নেতা ইসলাম ও ছাত্রশিবির নেতা ইবনুল ইসলামের হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ আনা হয়। একই মামলায় সংখ্যালঘু পুলিশ কর্মকর্তা ইজ্জাল মিত্রের নামও আনা হয়েছে। এর পাশাপাশি, ১৯ জুলাই অনুষ্ঠিত অ্যান্টি-কোটার আন্দোলনের সময় বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার শ্যামকুমার পালকে এক ফল বিক্রেতা মিরাজুল ইসলামের হত্যাকাণ্ডে জড়িত হওয়ার অভিযোগে অভিযুক্ত করা হয়। নাজ খাতুন নামে এক মহিলা ২০১৬ সালে তার স্বামীর অপহরণের ঘটনায় সাতজন পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলা করেছেন। এই অভিযোগে আব-৫ রেলওয়ে কলোনি ক্যাম্পের পুলিশ ইন্সপেক্টর (এসআই) দেবব্রত মজুমদারকে আটক করা হয়।

    দুর্নীতি দমনের নামে নিশানা

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র আবু সাইদের হত্যাকাণ্ডেও মূল অভিযুক্তদের মধ্যে একজন ছিলেন সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ভুক্ত। কনস্টেবল সুজনচন্দ্র রায়কে এই ঘটনায় গ্রেফতার করা হয়। এছাড়াও হাসিনা সরকারের পতনের পর থেকেই দুর্নীতি দমনের নামে একাধিক সংখ্যালঘু পুলিশ অফিসারকে নিশানা করা হয়। বিশেষ করে যারা পূর্বের হাসিনা সরকারের সাথে ঘনিষ্ঠ সম্পর্কিত ছিলেন। ঢাকার দৈনিকেই প্রকাশিত হয় পুলিশ কর্মকর্তাদের মধ্যে যারা অভিযুক্ত হচ্ছেন তাদের মধ্যে বেশিরভাগই হিন্দু সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ভুক্ত। এই তালিকায় রয়েছেন বাংলাদেশ পুলিশ ব্যুরোর (পিবিপি) একদা প্রধান বানজ কুমার মজুমদার, অতিরিক্ত আইজি দেবদাস ভট্টাচার্য, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের প্রাক্তন কমিশনার কৃষ্ণপদ রায়, এবং ডিআইজি বিপ্লবকুমার তালুকদার ও জয়দেবকুমার ভদ্রা সহ আরও অনেক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা।

    বলপ্রয়োগে অবসরগ্রহণ

    বেশি সংখ্যক সংখ্যালঘু পুলিশ কর্মকর্তাদের বলপ্রয়োগ করে অবসরগ্রহণ করতে বাধ্য করা হয়। এই তালিকায় রয়েছেন আইজি কৃষ্ণপদ রায়, আইজি দেবদাস ভট্টাচার্য। এই অবসরগ্রহণের ঘটনা একটি পরিকল্পিত প্রচেষ্টার অংশ, যার মাধ্যমে সংখ্যালঘু কর্মকর্তাদের প্রতিষ্ঠান থেকে পক্ষপাতমূলকভাবে বাদ দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ।

    বদলি করা হয় সংখ্যালঘু পুলিশ আধিকারিকদের

    অস্থায়ী সরকার পুলিশের প্রশাসনে ব্যাপক স্থানান্তরের উদ্যোগ গ্রহণ করে। এখানেও শিকার হন সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের কর্মকর্তারা। অনেক পুলিশ কর্মকর্তাকে কম প্রভাবশালী পদে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। ফলে তাদের কার্যকরী ভূমিকা হ্রাস পেয়েছে। স্থানান্তরিত কর্মকর্তাদের মধ্যে ছিলেন ডেপুটি ইন্সপেক্টর জেনারেল (DIG) বিপ্লববিজয় তালুকদার এবং ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (DMP) যুগ্ম কমিশনার সুদীপকুমার চক্রবর্তী। ছিলেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের যুগ্ম কমিশনার লিটনকুমার সাহা, ডিএমপি ঢাকা জেলার ডেপুটি পুলিশ কমিশনার মনাসকুমার পোদ্দার, ঢাকার জামনা পুলিশ স্টেশন ইনচার্জ সিপি কল্পাল বারুয়া, শাহজাহানপুর পুলিশ স্টেশনের ইনচার্জ সিএস উজ্জ্বলকুমার সাহা, মোহাম্মদপুর পুলিশ স্টেশনের ইনচার্জ সিপি দীপকচন্দ্র সাহা, এবং সবুজবাগ পুলিশ স্টেশনের ইনচার্জ সিপি প্রবলয়কুমার সাহা।

    আরও পড়ুন: বাংলাদেশে নির্যাতনের শিকার আওয়ামি লিগের সংখ্যালঘু নেতা-মন্ত্রীরাও! ইউনূসের রোষে দিন কাটছে জেলে

    পদোন্নতিতে সীমিত প্রতিনিধিত্ব

    অস্থায়ী সরকারের অধীনে পুলিশের পদোন্নতি প্রক্রিয়া আরও একবার সংখ্যালঘু কর্মকর্তাদের প্রতি বৈষম্যের চিত্র তুলে ধরেছে। পুলিশ সুপার এবং ডেপুটি ইন্সপেক্টর জেনারেল পদে অনেকেই পদোন্নতি পেলেও, সংখ্যালঘু সম্প্রদায় থেকে শুধুমাত্র দুজন কর্মকর্তাকে পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে। প্রাত্যুশকুমার মজুমদারকে পুলিশ সুপার এবং প্রবলয় চিশিমকে ডেপুটি ইন্সপেক্টর জেনারেল পদে উন্নীত করা হয়। এই বৈষম্যমূলক পদোন্নতির ঘটনা পুলিশ বাহিনীতে সংখ্যালঘুদের প্রভাব কমানোর জন্য একটি পরিকল্পিত পদক্ষেপ হিসেবে অনেকে দেখছেন।

    প্রশিক্ষণরত পুলিশ ক্যাডেটদের বরখাস্ত

    অস্থায়ী সরকার সম্প্রতি সারদা পুলিশ অ্যাকাডেমির ৪০তম ক্যাডেট ব্যাচের ২৫২ জন ট্রেইনি সাব-ইন্সপেক্টরকে (এসআই) এক মাসের মধ্যে তাদের প্রশিক্ষণ শেষ করার আগেই বরখাস্ত করেছে। সরকারি ভাবে, এসব বরখাস্তকে শৃঙ্খলাভঙ্গের জন্য দেখানো হলেও, এর পিছনে চক্রান্ত রয়েছে বলে দাবি আওয়ামি লিগের। এর মধ্যে ৯০ জন সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের।

    এ তো গেল পুলিশের কথা। বাদ যাননি প্রশাসনের নানা গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকা কর্মকর্তারাও। তাঁদের ওপরও নানা ভাবে আইনি পথে ঘুরিয়ে নির্যাতন চালানো হয়েছে বলে অভিযোগ। পরের তৃতীয় পর্বে তা নিয়েই আমরা বিশদে আলোচলা করব।   (……ক্রমশ )

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share