Category: বিদেশ

Get updates on World News Headlines International News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Bangladesh: ‘চিন্ময় প্রভুর হয়ে সওয়াল করলেই গণপিটুনি’! মৌলবাদীদের সন্ত্রাসে ইস্তফা এপিপি-র

    Bangladesh: ‘চিন্ময় প্রভুর হয়ে সওয়াল করলেই গণপিটুনি’! মৌলবাদীদের সন্ত্রাসে ইস্তফা এপিপি-র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আর কত নীচে নামবে? চিন্ময়কৃষ্ণ দাসকে (Chinmoy Prabhu) জেলবন্দি করে রাখার ছক বাংলাদেশের (Bangladesh) মৌলবাদীদের। হিন্দুদের কণ্ঠস্বর হয়ে ওঠা এই সন্ন্যাসী যাতে ছাড়া না পান, তার জন্য পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র করে মৌলবাদীরা। টার্গেট করা হয় চিন্ময় প্রভুর আইনজীবীদের টার্গেট করে জেহাদিরা। বাড়ি ভাঙচুর থেকে শুরু করে হুমকি কোনও কিছু বাদ যায়নি। এমনকী, তাঁদের গণপিটুনির হুমকিও দেওয়া হয়েছে। জোর করে ইস্তফা দিতে বাধ্য করা হয়েছে অতিরিক্ত পাবলিক প্রোসিকিউটরকে। 

    গণপিটুনির হুমকি দেন চিন্ময়কৃষ্ণ বিরোধী আইনজীবী!

    চিন্ময় দাসের হয়ে সওয়াল করলে গণপিটুনি দেওয়া হবে বলে হুমকি দেন চিন্ময়ের বিরোধী পক্ষের আইনজীবী! ওই আইনজীবীকে বলতে শোনা গিয়েছে, ‘‘ইসকনের, এই জঙ্গি সংগঠনের নেতা এই চিন্ময় দাসকে যতদিন পর্যন্ত হত্যা মামলায় আসামি করা হবে না, আইনজীবীদের আন্দোলন ততদিন চলবে। আমি স্পষ্ট করে বলতে চাই, এই চট্টগ্রাম আদালত পাড়ায় যদি কেউ সাহস করে এই চিন্ময় দাসের পক্ষে এবং চিন্ময় দাসের তোষণের পক্ষে কেউ যদি ওকালতি করতে চায়, কিংবা ওকালতনামা দাখিল করে, সঙ্গে সঙ্গে এই বিল্ডিংয়ে তাকে গণপিটুনি দিতে হবে।’’

    জেহাদিদের হুমকির মুখে ত্রস্ত চিন্ময়ের আইনজীবীরা

    বিরোধী আইনজীবী প্রকাশ্যে যদি এই হুমকি দেন, তাহলে চিন্ময়ের হয়ে দাঁড়ানোর সাহস কী করে পাবেন তাঁর আইনজীবীরা। কেবলমাত্র হুমকি দেওয়া নয়। চিন্ময় প্রভুর আইনজীবীদের ওপর নৃশংস হামলাও চালানো হয়। সোমবার তাঁর অন্যতম প্রধান আইনজীবী রমেন রায়ের ওপর ভয়াবহ হামলা হয়। তিনি বর্তমানে হাসপাতালে আইসিইউতে ভর্তি। মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন। আরেও এক আইনজীবী রিগন আচার্যর চেম্বারেও হামলা চালানো হয়। ভেঙে চুরমার করে দেওয়া হয় সব। ৫০ জনের বেশি আইনজীবী চিন্ময়ের জন্য আদালতে লড়তে রাজি ছিলেন, কিন্তু সন্ত্রাসের জেরে সব আইনজীবী সকলেই এলাকা ছাড়া। কারও ফোন বন্ধ। আতঙ্কে আত্মগোপন করেছেন অনেক আইনজীবী। জেহাদিদের হুমকির ভয়ে চিন্ময় প্রভুর হয়ে কোনও আইনজীবী আদালতে আসার সাহস দেখাননি।

    অতিরিক্ত পিপি-কে ইস্তফা দিতে বাধ্য করা হয়েছে

    শুধু তাই নয়। এও জানা গিয়েছে, সন্ন্যাসী চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের পক্ষে সওয়াল করতে ওকালতনামা জমা দিয়েছিলেন চট্টগ্রামের (Bangladesh) আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর। এই কথা জানতে পেরেই তাঁকে ঘিরে ধরে বাংলাদেশের বিরোধী আইনজীবীরা। লাগাতার হুমকি ও নির্যাতন করা হয় তাঁর উপরে। আইনজীবীর কক্ষে চড়াও হয়ে বাধ্য করা হয় অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর পদ থেকে ইস্তফা দিতে। ভাইরাল হয়েছে ওই মুহূর্তের হাড়হিম করা ভিডিও। কলকাতা ইসকনের ভাইস প্রেসিডেন্ট রাধারমণ দাস বলেন, ‘‘৫১ জনের বেশি আইনজীবী যাঁরা তাঁর হয়ে লড়াই করছেন, সবার বিরুদ্ধে পুলিশ কেস করা হয়েছে। সবার বাড়ি ঘর ভাঙা হয়েছে। আর ওদের মধ্যে অনেকে লুকিয়ে রয়েছে। কারণ ওরাও আতঙ্কে রয়েছে।’’ 

    ইউনূসের আসল চেহারা গোটা বিশ্বের সামনে উন্মোচিত

    এহেন মন্তব্যের তীব্র বিরোধিতা করেছে বাংলাদেশ সম্মিলিত সনাতনী জাগরণ জোট, যার মুখপাত্র হলেন চিন্ময়। তারা জোটের তরফে কড়া বিবৃতিতে বলা হয়েছে, চিন্ময়কৃষ্ণ দাসের হয়ে কোনও আইনজীবীকে দাঁড়াতে না দেওয়ার তীব্র নিন্দা করছি আমরা। সরকার কী চাইছে? এটা কি স্বাধীন বিচারব্যবস্থার নমুনা? এটা যদি চলতে থাকে তাহলে বাংলাদেশে সনাতনী সহ সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা কোথায়? তাদের প্রশ্ন, এরপর কি আদৌ বলা যায় বাংলাদেশে আইনের শাসন আছে? প্রশ্ন বাংলাদেশ সম্মিলিত সনাতনী জাগরণ জোটের। তাদের মতে, এই ঘটনা শান্তি-সম্প্রীতি-মানবাধিকারের হয়ে সওয়াল করে নোবেল পুরস্কার পাওয়া মহম্মদ ইউনূসের আসল চেহারা গোটা বিশ্বের সামনে উন্মোচিত করে দিল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • South Korea: সামরিক আইন ঘোষণার ৬ ঘণ্টার মধ্যেই প্রত্যাহার! দক্ষিণ কোরিয়ায় পিছু হটল সরকার

    South Korea: সামরিক আইন ঘোষণার ৬ ঘণ্টার মধ্যেই প্রত্যাহার! দক্ষিণ কোরিয়ায় পিছু হটল সরকার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশ জুড়ে বিক্ষোভের মুখে পড়ে সামরিক আইনের বিষয়ে পিছু হটল দক্ষিণ কোরিয়ার সরকার। ৬ ঘণ্টার মধ্যেই দেশ থেকে ‘মার্শাল ল’ (Martial Law) প্রত্যাহার করে নেওয়ার ঘোষণা করলেন প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইওল। মঙ্গলবার রাতেই তিনি দক্ষিণ কোরিয়া (South Korea) জুড়ে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেন। কিন্তু সংসদের দাবি মেনে সেই অবস্থান থেকে পিছু হটলেন তিনি।

    কেন সামরিক আইন জারি (Martial Law)

    মঙ্গলবার বিকেলে জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেওয়ার সময় এক ‘ঐতিহাসিক’ সিদ্ধান্তের কথা ঘোষণা করেন দক্ষিণ কোরিয়া প্রেসিডেন্ট (South Korea)। সারা দেশে সামরিক আইন বা জরুরি অবস্থা জারির মতো সিদ্ধান্ত নেন তিনি। কেন এমন সিদ্ধান্ত নিতে হল তাঁকে, তার ব্যাখ্যাও করেছিলেন ইওল। তিনি জানান, উত্তর কোরিয়ার একনায়ক কিম জং উনের মদতে ক্ষমতা দখলের ছক কষছে বিরোধীরা। তাঁর ব্যাখ্যা, দেশকে কমিউনিস্ট আগ্রাসন থেকে সুরক্ষা দিতে এবং রাষ্ট্রবিরোধী শক্তি নির্মূল করতে দক্ষিণ কোরিয়ায় সামরিক আইন (Martial Law)  জারি করছেন। এই আইন বাস্তবায়ন করতে দায়িত্ব দেওয়া হয় সে দেশের সেনাপ্রধান জেনারেল পার্ক আন সু-কে। 

    আরও পড়ুন: ভীত বাংলাদেশ! ত্রিপুরার উপ-দূতাবাস বন্ধ করল ঢাকা, অমিল ভিসা পরিষেবা

    সামরিক আইন প্রত্যাহার

    সামরিক আইন জারির মধ্যে দিয়ে দেশে সব ধরনের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করতে চেয়েছিলেন ইওল। এই আইনের (Martial Law) অধীনে মিটিং-মিছিল করার অধিকার কেড়ে নেওয়া থেকে শুরু করে সোশ্যাল মিডিয়া, ইন্টারনেটের নিয়ন্ত্রণ থাকে সরকারের হাতে। কোনও পরোয়ানা ছাড়াই কারোর বাড়ির তল্লাশি নেওয়া যায়। বিরোধিতা করলে আটক, গ্রেফতারও করা যায়। প্রেসিডেন্ট জরুরি অবস্থা ঘোষণা করলেও, তার বিরোধিতা করেন আইন প্রণেতারা। সিওলের রাস্তায় প্রতিবাদ শুরু হয়। প্রেসিডেন্টের গ্রেফতারির দাবিও তোলা হয়। মার্শাল ল লাগু করতে প্রশাসনের তরফে যুদ্ধে ব্যবহৃত ট্যাঙ্ক পর্যন্ত নামানো হয়। সংসদ ভবনের ছাদে নামানো হয় হেলিকপ্টার। জোর করে ঢোকে সেনাবাহিনী। এদিকে, উত্তপ্ত পরিস্থিতির মাঝেই সেনাকে এড়িয়ে সংসদে ঢোকেন ১৯০ জন সাংসদ। তারা মার্শাল ল (Martial Law) জারির বিরুদ্ধে ভোট দেন। এরপরই চাপের মুখে পড়ে জরুরি অবস্থা প্রত্যাহার করে নিতে বাধ্য হন দক্ষিণ কোরিয়ার (South Korea) প্রেসিডেন্ট। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh: “মেয়ে-বউকে তুলে নিতে চায় ওরা”, বাংলাদেশ থেকে ফিরে বললেন সুনীতা

    Bangladesh: “মেয়ে-বউকে তুলে নিতে চায় ওরা”, বাংলাদেশ থেকে ফিরে বললেন সুনীতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চিন্ময় প্রভুর গ্রেফতারের পর থেকে উত্তাল বাংলাদেশ। সংখ্যালঘু হিন্দুদের ওপর ক্রমাগত অত্যাচার চলছে। বাংলাদেশের (Bangladesh) কী পরিস্থিতি, কী ভয়ানক অবস্থায় রয়েছেন সেখানকার হিন্দুরা, সেই অভিজ্ঞতার কথা শোনালেন বাংলাদেশ থেকে এপারে আসা বাসিন্দারা। প্রত্যকের চোখে-মুখে আতঙ্কের ছাপ।

    ভালো ভালো বউকে, মেয়েকে ওরা তুলে নিতে চায়! (Bangladesh)

    জানা গিয়েছে, দিন দশেক আগে বাংলাদেশের (Bangladesh) দিদি-দাদার বাড়িতে ঘুরতে গিয়েছিলেন বনগাঁর হরিদাসপুরের সুনীতি মৃধা। বছর পঞ্চাশের ওই মহিলার চোখেমুখে এখনও আতঙ্কের ছাপ। তিনি বলেন, “একদিন আমাকে এসে সেখানকার এক মুসলিম বলল, তোমরা নমঃশূদ্ররা ভারতে চলে যাও, নাহলে তোমাদের একটাকেও আস্ত রাখব না। “কী অবস্থা চলছে সেখানে? প্রশ্ন করতেই তিনি বললেন, “উরি বাবা, সে বলা যাবে না। বিশাল হামলা চলছে ওখানে। ভালো ভালো বউকে, মেয়েকে ওরা তুলে নিতে চায়। জামাতের দল আর খালাদের দল। মায়ের কাছ থেকে বাবার কাছ থেকে মেয়ে তুলে নিয়ে যাচ্ছে। ঘরে আগুন দিচ্ছে। জমি জমা দখল করে নেওয়ার হুমকি দিচ্ছে।” সুনীতির বক্তব্য, “দিনটা যা হোক করে কাটছে, কিন্তু রাতটা ভয়ঙ্কর। ওখানকার মানুষের প্রাণটা ধুকধুক করছে। ছেলেদের ধরে নিয়ে গিয়ে মারছে। আমাদের ভারতে যদি মুসলিমরা আসে চিকিৎসা করাতে, তাহলে আমি বলব ঘেঁটি ধরে বার করে দেওয়া উচিত। চাল গম, তেল কিচ্ছু পাঠানো যাবে না।”

    ইন্ডিয়ায় হয় না, বাংলাদেশে কেন?

    বাংলাদেশ (Bangladesh) থেকে আসা এক মুসলিম ব্যবসায়ী বলেন, “আমরা যারা ইন্ডিয়ায় আসি এখানকার পুলিশ প্রশাসন এখানকার মানুষ কোনওদিন কোনও প্রবলেম করে না। সবাই সাহায্য করে। কিন্তু,আমাদের দেশে সংখ্যালঘুদের ওপর যে ভাবে বাংলাদেশিরা অত্যাচার করছে সেটা দুঃখজনক।ওখানে ঘরবাড়ি পুড়িয়ে দিয়েছে। তাদের ঘর থেকে মেয়েদের তুলে নিয়ে যাচ্ছে। যুদ্ধের সময় যেমন হত। এটা বেশিরভাগ করছে আমাদের দেশের মৌলবাদীরা। ওই ব্যবসায়ী বলেন, আমি ধর্মে মুসলিম। এতদিন ধরে ইন্ডিয়ায় আসি, আমার ওপর কোনও দিন কোনও অত্যাচার হয়নি। তাহলে আমাদের দেশে সংখ্যালঘুদের ওপর এই অত্যাচার কেন?” প্রশ্ন ওই ব্যবসায়ীর।

    শুভেন্দুর আন্দোলন বাংলাদেশে প্রভাব!

    শুভেন্দু অধিকারীর আন্দোলন যে বাংলাদেশে (Bangladesh) প্রভাব ফেলছে, সেকথাও বললেন বাংলাদেশ থেকে এদেশে আসা বাসিন্দারা। পেট্রাপোলে অরাজনৈতিক ব্যানারে প্রতিবাদে নেমেছে বিজেপি। সোমবারই তাতে শামিল হন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। হিন্দু বাঁচাও, সনাতনীদের রক্ষা করার সুর চড়ান তিনি। চিন্ময়কৃষ্ণের মুক্তির দাবি যাতে এপার বাংলা থেকে ওপার বাংলায়ও পৌঁছে যায়, তার দাবিতে বেলুন ওড়ান তিনি। বাংলাদেশে অশান্তি যারা পাকাচ্ছে, তাদের হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “ভারত বিশ্বের শক্তিশালী রাষ্ট্র। সীমান্তে অনেকগুলো শব্দদানব রাখা রয়েছে। দুটি যদি ঘুরিয়ে দেয় না ভারতের বীর সেনা, ছুটে পালিয়ে যাবে মোল্লার দল।” কিন্তু শুভেন্দুর হুঁশিয়ারি যে সে বাংলায় প্রভাব ফেলছে, সে কথাও বললেন বাংলাদেশ থেকে আসা এই প্রৌঢ়া।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh: ‘ছুরির ধারে দাঁড়িয়ে বাংলাদেশ’! হিন্দুদের ওপর হামলা নিয়ে নিন্দার ঝড় ব্রিটিশ সংসদে

    Bangladesh: ‘ছুরির ধারে দাঁড়িয়ে বাংলাদেশ’! হিন্দুদের ওপর হামলা নিয়ে নিন্দার ঝড় ব্রিটিশ সংসদে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশের (Bangladesh) হিন্দুদের ওপর ক্রমাগত নির্যাতনের বিরুদ্ধে এবার মুখ খুললেন ব্রিটেনের সাংসদ প্রীতি প্যাটেল এবং ব্যারি গার্ডিনার। ইউনূস সরকারের বিরুদ্ধে তোপ দেগে গার্ডিনারের মন্তব্য যে, বাংলাদেশের (Bangladesh) পরিস্থিতি দেখে মনে হচ্ছে তা ‘ছুরির ধারে’র ওপর দাঁড়িয়ে রয়েছে। প্রসঙ্গত, গতকাল সোমবারই বসেছিল ব্রিটেনের সংসদ অধিবেশন। সেখানেই বক্তব্য রাখেন গার্ডিনার। নিজের বক্তব্যে তিনি জানান, শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদকারী চিন্ময়কৃষ্ণকে গ্রেফতার করেছে বাংলাদেশ সরকার, অথচ মন্দিরে যারা হামলা করছে তাদের ধরতে পারছে না ইউনূস প্রশাসন।

    মন্দিরে হামলাকারীদের গ্রেফতার করতে পারেনি ইউনূস সরকার

    গার্ডিনার নিজের বক্তব্যে উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, ‘‘যখন বাংলাদেশের শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ করছিলেন চিন্ময় কৃষ্ণ প্রভুরা, তখনই তাঁদের বিরুদ্ধে দেশদ্রোহিতার মতো অভিযোগ আনা হয়েছে এবং তাঁদের জামিন প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে। কিন্তু মন্দিরগুলিতে যারা হামলা করছে, তাদের কাউকেই গ্রেফতার করতে পারেনি ইউনূস সরকার।’’ এর পাশাপাশি বাংলাদেশের শান্তি পুনরুদ্ধারের জন্য তিনি জোরদার সওয়াল করেন ব্রিটিশ সংসদে। তিনি বলেন, ‘‘বাংলাদেশের (Bangladesh) পরিস্থিতি ছুরির ধারের ওপর দাঁড়িয়ে রয়েছে।’’

    সেক্রেটারি অফ স্টেট, ক্যাথরিন ওয়েস্টের বিবৃতি

    ব্রেইন্ড ওয়েস্টের এমপি তথা লেবার পার্টির নেতা ব্যারি গার্ডিনার ব্রিটেনের বিদেশ মন্ত্রককে অনুরোধ জানান যে, হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর চলমান হামলার ওপর বিবৃতি দিতে। এরই জবাবে ব্রিটেনের কমনওয়েলথ বিষয়ক বিদেশসচিব ক্যাথরিন ওয়েস্ট আশ্বস্ত করেন যে, বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারকে ইতিমধ্যে বিষয়টি (সংখ্যালঘুদের ওপর হামলা) জানানো হয়েছে। ক্যাথরিন আরও বলেন, ‘‘তারা (বাংলাদেশ সরকার) জানিয়েছে যে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের সমর্থনেই তারা চলবে।’’ ক্যাথরিন ওয়েস্ট নিজের বক্তব্যে বলেন, ‘‘অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান ইউনূসের প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠকে আমরা সম্পূর্ণভাবে আলোচনা করেছি এবং যার মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু ছিল বাংলাদেশি হিন্দুদের সুরক্ষা। কারণ ব্রিটিশ সরকার সবসময় মনে করে, ধর্মীয় স্বাধীনতা অধিকার প্রত্যেকের থাকা উচিত।’’ নিজের বক্তব্যে ক্যাথরিন ওয়েস্ট আরও বলেন, ‘‘ওই বৈঠকের সময়ে আমাকে ইউনূস সরকার আশ্বস্ত করেছিল, বাংলাদেশের (Bangladesh) অন্যতম প্রধান উৎসব, দুর্গাপুজোর আগে সংখ্যালঘুদের সঙ্গে যা সমস্যা হয়েছে তা মিটিয়ে নেওয়া হবে। আমরা তখন খুশি হয়েছিলাম ও লক্ষ্য করেছিলাম যে মণ্ডপ এবং হিন্দু মন্দিরগুলোতে সুরক্ষার জন্য বিশেষ পুলিশি ব্যবস্থা ছিল।’’

    হিন্দু সন্ন্যাসী গ্রেফতার উদ্বেগ প্রকাশ গার্ডিনারের (Attacks on Hindus)

    অন্যদিকে, ব্রিটিশ সংসদে বক্তব্যের সময় লেবার পার্টির নেতা গার্ডিনার হিন্দু সন্ন্যাসী চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের গ্রেফতারিতে উদ্বেগ প্রকাশ করেন এবং বলেন, ‘‘একজন হিন্দু সন্ন্যাসী চিন্ময় কৃষ্ণ দাসকে গ্রেফতার করা হয়েছে।’’ এ প্রসঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন ইসকনের প্রসঙ্গ। তিনি বলেন, ‘‘ইসকন হল হিন্দু ধর্মের একটি বিশ্বব্যাপী প্ল্যাটফর্ম। আমাদের দেশেও অনেক ইসকনের ভক্ত রয়েছেন। আমার নির্বাচনী এলাকা উত্তর পশ্চিম মন্ডলের আশেপাশেও দেখা যায়।’’

    বাংলাদেশে (Bangladesh) প্রতিষ্ঠিত হোক আইনের শাসন

    তিনি (গার্ডিনার ) আরও বলেন, ‘‘বাংলাদেশ সরকারের উচিত সেদেশে আইনের শাসনকে প্রতিষ্ঠা করা এবং শান্তি-শৃঙ্খলাকে ফিরিয়ে আনা। আমরা এখন যা দেখছি তাতে বোঝা যাচ্ছে যে সেখানকার হিংসা নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গিয়েছে।’’ অন্যদিকে, কনজারভেটিভ পার্টির এমপি প্রীতি প্যাটেলের উদ্বেগ প্রকাশ করেন এবং গার্ডিনারের বক্তব্যকে সমর্থন করে তিনি বলেন, ‘‘বাংলাদেশে হিংসা আরও ব্যাপকভাবে বেড়েছে। আমরা এখন তা লক্ষ্য করছি। আমরা দেখছি বাংলাদেশের মানুষজন আতঙ্কের মধ্যে রয়েছেন।’’ একইসঙ্গে প্রীতি প্যাটেল ব্রিটিশ সরকারের উদ্দেশ্যে জিজ্ঞেস করেন, ‘‘বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে সংখ্যালঘুদের জীবন রক্ষার অধিকার, হিংসা প্রতিরোধ— এ সমস্ত বিষয় নিয়ে ব্রিটিশ সরকারের কী আলোচনা হয়েছে তার বিবরণ মন্ত্রী কি দেবেন?’’

    বাংলাদেশের ঘটনাবলীর ওপর নজর রাখছে ব্রিটিশ হাইকমিশন

    এর জবাবে ক্যাথরিন ওয়েস্ট বলেন, ‘‘বাংলাদেশে অবস্থিত আমাদের হাইকমিশন অত্যন্ত সক্রিয় রয়েছে এবং প্রতিটি ঘটনার উপরে গুরুত্বপূর্ণভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। বিশ্বের যে কোন প্রান্তে যখনই ধর্মীয় স্বাধীনতা এবং ধর্মীয় বিশ্বাস চ্যালেঞ্জের মধ্যে পড়বে, আমরা সেখানে সেই সমস্ত সংখ্যালঘু গোষ্ঠীর অধিকারের পক্ষে সওয়াল করব।’’

    বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর অত্যাচার চলছেই, হল না চিন্ময় প্রভুর শুনানি

    প্রসঙ্গত, আজ মঙ্গলবার চট্টগ্রাম আদালতে ছিল চিন্ময় প্রভুর মামলার শুনানি। সন্ন্যাসী চিন্ময় প্রভুর (Chinmoy Krishna Das) হয়ে সওয়াল করার কথা ছিল আইনজীবী রমেন রায়ের। কিন্তু তাঁর ওপর নৃশংস হামলা চালায় মৌলবাদীরা। বর্তমানে, সঙ্কটজনক অবস্থায় হাসপাতালের আইসিইউতে রমেন রায়। ফলে, আশঙ্কা ছিলই যে, আজ, মঙ্গলবার চিন্ময়ের হয়ে আদালতে সওয়াল কে করবেন? সেই আশঙ্কাই সত্যি হল। প্রাণের ভয়ে কোনও আইনজীবী হিন্দু সন্ন্যাসীর হয়ে আদালতে সওয়াল করলেন না। এর ফলে পিছিয়ে গেল সন্ন্যাসী চিন্ময়কৃষ্ণ দাসের জামিন মামলা। মঙ্গলবার আদালত কী রায় দেয়, সেদিকে তাকিয়ে ছিলেন বিশ্বজুড়ে হিন্দুরা। কিন্তু এদিন কোনও আইনজীবী উপস্থিত না হওয়ায়, পিছিয়ে গেল সেই মামলা। আপাতত ১ মাস জেলেই থাকতে হবে (Bangladesh) সনাতনী সন্ন্যাসীকে। মামলার পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করা হয়েছে আগামী বছরের ২ জানুয়ারি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh Monk: “জীবন বাঁচাতে পরিচয় গোপন করুন”, বাংলাদেশে নির্যাতিত হিন্দু সন্ন্যাসীদের পরামর্শ ইসকনের

    Bangladesh Monk: “জীবন বাঁচাতে পরিচয় গোপন করুন”, বাংলাদেশে নির্যাতিত হিন্দু সন্ন্যাসীদের পরামর্শ ইসকনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘শান্তিতে’ নোবেল পেয়ে এখন ‘অশান্তির’ জন্য কুখ্যাত হয়ে উঠেছেন বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান মহম্মদ ইউনূস। গত ৫ অগাস্টের পর থেকেই সংখ্যালঘু হিন্দুরা (Bangladesh Monk) নিপীড়নের শিকার হয়ে চলেছেন ওই দেশে। মঠ, মন্দির, মূর্তি, হিন্দুদের বাড়ি-ঘর, ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে প্রতিদিন আক্রমণ করছে কট্টর মুসলিম জেহাদিরা। ওই দেশে হিন্দুদের সুরক্ষার দাবিতে পথে নেমে মিথ্যা মামলায় গ্রেফতার হয়েছেন হিন্দু ধর্মগুরু চিন্ময় কৃষ্ণ দাস।

    অত্যাচার, লুটপাট, অগ্নিসংযোগ, ধর্ষণ-খুনের সবরকম সীমা অতিক্রম করে গিয়েছে মৌলবাদীরা। কার্যত হিন্দু শূন্য করার ভয়াবহ চক্রান্ত চলেছে ওই দেশে। এই অবস্থায় কলকাতা ইসকনের (ISKCON) সহ সভাপতি রাধারমণ দাস বলেছেন, “জীবন বাঁচাতে আপনারা হিন্দু পরিচয় গোপন করুন। সন্ন্যাসীরা জীবন রক্ষা করতে পরিচয় আত্মগোপন করুন।” ফলে প্রশ্ন উঠছে এ কোন বাংলাদেশে পরিণত হল? বিপ্লবী মাস্টার দা সূর্যসেন, প্রীতিলতা, কালীপদ মুখোপাধ্যায়, বিনয়-বাদল-দীনেশের জন্মভূমিতে আজ কারা রাজত্ব করছে?

    সন্ন্যাসীদের টার্গেট করে আক্রমণ করা হচ্ছে (Bangladesh Monk)

    কলকাতা ইসকনের (ISKCON) পক্ষ থেকে রাধারমণ দাস বলেছেন, “বাংলাদেশে ইসকন সন্ন্যাসীদের (Bangladesh Monk) এখন থেকে ধর্মীয় পরিচয়কে আত্মগোপন করে, এমন পোশাকই পরার কথা পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। গৈরিক পোশাক ব্যবহার না করাই শ্রেয়। এখন থেকে গলার তুলসীর মালা লুকিয়ে রাখতে হবে। কপালে তিলক কাটা যাবে না। চন্দন কাঠের তিলক মুছে ফেলতে হবে। টাক মাথা এবং টিকি ঢাকতে মাথায় টুপি পরতে হবে। ভিক্ষা করতে গেলে বা প্রার্থনা করতে গেলে জপের মালা যেন প্রকাশ্যে না ব্যবহার করেন, সেই দিকে নজর দিতে হবে। মন্দিরের বাইরে গেলে হিন্দু পরিচয় জ্ঞাপক সব পরিচয়কে আত্মগোপন করতে হবে। মঠ থেকে বাইরে বের হলে সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। বাংলাদেশে বিপজ্জনক পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে এই নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। সন্ন্যাসীদের টার্গেট করে আক্রমণ করা হচ্ছে।”

    আরও পড়ুনঃ আইনজীবী আইসিইউতে, ‘ভয়ে’ দাঁড়ালেন না অন্য কেউ, আরও ১ মাস জেলে চিন্ময় প্রভু

    পুণ্ডরীক ধামকে টার্গেট করছে মুসলিমরা

    বাংলাদেশে হিন্দু নিধনের বিরুদ্ধে সরব হয়ে চট্টগ্রাম এবং রংপুরে লক্ষ লক্ষ হিন্দুরা আট দফা দাবি নিয়ে রাজপথে নেমেছিল। তার মুখ্য নেতৃত্বে ছিলেন সনাতনী গুরু চিন্ময় কৃষ্ণ (Bangladesh Monk)। ইউনূস প্রশাসন আন্দোলনকে ভয় পেয়ে দ্রুত দমন করতে এই হিন্দু সন্ন্য়াসীকে গ্রেফতার করে। এরপর লাগাতার চট্টগ্রাম সহ নানা জেলায় হিন্দু নিধনের যজ্ঞ শুরু করে মুসলিম দুষ্কৃতীরা। মিথ্যা মামলা যেমন দেওয়া হচ্ছে, ঠিক তেমনি হিন্দুদের হয়ে আইনজীবীরা পাশে দাঁড়ালে প্রাণঘাতী হামলাও চলছে প্রকাশ্যে। জেলে বন্দি চিন্ময় কৃষ্ণের জন্য খাবার নিয়ে গেলে দুই আরও সন্ন্যাসীকে গ্রেফতার করে ইউনূস প্রশাসন। এমনকী, চট্টগ্রামের পুণ্ডরীক ধামকে টার্গেট করে নানা ভাবে মিথ্যা মামলা দিয়ে প্রতিহিংসার রাজনীতি করছে অন্তর্বর্তী সরকার। ঢাকা সহ একাধিক জেলার হিন্দু যুবকদের নির্বিচারে গ্রেফতার চলছে এবং মোবাইল নিয়ে গিয়ে সনাতনী জাগরণ জোটের সঙ্গে যুক্ত কিনা তা দেখা হচ্ছে। প্রচুর পরিমাণে মিথ্যা মামলা দিয়ে হিন্দুদের জনজীবনে অত্যাচার চালানো হচ্ছে। দেশে আইন শৃঙ্খলা এবং শাসন বলে কিছু নেই।

    ইসলাম সংখ্যা গরিষ্ঠ রাষ্ট্র নিরাপদ নয়!

    মঙ্গলবার আদালতে চিন্ময় কৃষ্ণের (Bangladesh Monk) জামিনের শুনানি ছিল। কিন্তু তার ঠিক একদিন আগেই এই তাঁর আইনজীবী রমেন রায়কে হত্যার পরিকল্পনা করা হয়। মৌলবাদী মুসলমানদের আঘাতে গুরুতর জখম হলে ওই আইনজীবীকে আইসিইউতে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন। হামলার পাশাপাশি বাড়িতে আক্রমণও করা হয় বাড়িতে। অপর দিকে ভয়ে দ্বিতীয় কোনও আইনজীবী প্রভুর পক্ষে আদালতে হাজির হননি। মামলা পিছিয়ে গিয়েছে ১ মাস। ইসলাম সংখ্যা গরিষ্ঠ রাষ্ট্রে এই ভাবে হিন্দুদের উপর অত্যাচারের ঘটনায় কলকাতা ইসকনের (ISKCON) পক্ষ থেকে ওই দেশের সন্ন্যাসী এবং হিন্দুদের নিয়ে অত্যন্ত চিন্তা-উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh: আইনজীবী আইসিইউতে, ‘ভয়ে’ দাঁড়ালেন না অন্য কেউ, আরও ১ মাস জেলে চিন্ময় প্রভু

    Bangladesh: আইনজীবী আইসিইউতে, ‘ভয়ে’ দাঁড়ালেন না অন্য কেউ, আরও ১ মাস জেলে চিন্ময় প্রভু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্ন্যাসী চিন্ময় প্রভুর (Chinmoy Krishna Das) হয়ে সওয়াল করার কথা ছিল আইনজীবী রমেন রায়ের। তাঁর ওপর নৃশংস হামলা চালায় মৌলবাদীরা। বর্তমানে, সঙ্কটজনক অবস্থায় হাসপাতালের আইসিইউতে রমেন রায়। ফলে, আশঙ্কা ছিলই যে, আজ, মঙ্গলবার চিন্ময়ের হয়ে আদালতে সওয়াল কে করবেন? সেই আশঙ্কাই সত্যি হল। প্রাণের ভয়ে কোনও আইনজীবী হিন্দু সন্ন্যাসীর হয়ে আদালতে সওয়াল করলেন না। এর ফলে পিছিয়ে গেল সন্ন্যাসী চিন্ময়কৃষ্ণ দাসের (Chinmoy Krishna Das) জামিন মামলা। মঙ্গলবার আদালত কী রায় দেয়, সেদিকে তাকিয়ে ছিলেন বিশ্বজুড়ে হিন্দুরা। কিন্তু এদিন কোনও আইনজীবী উপস্থিত না হওয়ায়, পিছিয়ে গেল সেই মামলা। আপাতত ১ মাস জেলেই থাকতে হবে (Bangladesh) সনাতনী সন্ন্যাসীকে। মামলার পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করা হয়েছে আগামী বছরের ২ জানুয়ারি।

    চট্টগ্রাম আদালতের ১১৪ জন আইনজীবীর বিরুদ্ধে মামলা 

    এদিন শুনানি পিছিয়ে যাওয়ায় ক্ষোভ আরও বাড়ল বাংলাদেশের (Bangladesh) হিন্দুদের, এমনটাই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। এমনিতে, মঙ্গলবার চট্টগ্রাম আদালতে পরিস্থিতি উত্তপ্ত ছিল শুনানিকে কেন্দ্র করে। সূত্রের খবর, চট্টগ্রাম আদালতে ১১৪ জন আইনজীবীর বিরুদ্ধে জামিন অযোগ্য ধারায় মামলা দায়ের হয়েছে। এরাই মূলত চিন্ময় দাসের (Chinmoy Krishna Das) হয়ে মামলায় লড়ছিলেন। এর মধ্যে অনেকেই আহত, তাঁদের চিকিৎসা চলছে বলে জানা গিয়েছে। প্রসঙ্গত, যাঁদের এদিন চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের হয়ে মামলায় অংশ নেওয়ার কথা ছিল, তাঁদের প্রায় সকলেই সকাল থেকে তাঁদের মোবাইল বন্ধ করে রেখেছেন (Bangladesh)। এমনটাই জানিয়েছেন চট্টগ্রাম ইসকন প্রবর্তক মন্দির পরিচালনা কমিটির সদস্য স্বতন্ত্র গৌরাঙ্গ দাস।

    ২৫ নভেম্বর গ্রেফতার হন চিন্ময়কৃষ্ণ (Chinmoy Krishna Das)

    প্রসঙ্গত, গত মাসের ২৫ নভেম্বর ঢাকা বিমানবন্দর থেকে গ্রেফতার করা হয় সন্ন্যাসী চিন্ময়কৃষ্ণ দাসকে। তাঁর মুক্তির দাবিতে চট্টগ্রাম এবং রংপুরে প্রবল বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন সংখ্যালঘু হিন্দুরা। গত সপ্তাহের মঙ্গলবার চিন্ময়কৃষ্ণ দাসকে (Chinmoy Krishna Das) চট্টগ্রাম আদালতে তোলা হয়। সেই সময় বাংলাদেশ (Bangladesh) পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে এক আইনজীবীর মৃত্যু হয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Sheikh Hasina: “বাংলাদেশে গণহত্যা ও হিন্দুদের টার্গেট করার মূল পরিকল্পনাকারী ইউনূস’’, তোপ হাসিনার

    Sheikh Hasina: “বাংলাদেশে গণহত্যা ও হিন্দুদের টার্গেট করার মূল পরিকল্পনাকারী ইউনূস’’, তোপ হাসিনার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “দেশজুড়ে গণহত্যা ও বিশেষত সংখ্যালঘু, বিশেষ করে হিন্দু সম্প্রদায়কে লক্ষ্যবস্তু করার মূল পরিকল্পনাকারী মহম্মদ ইউনূস (Muhammad Yunus)।” অন্তত এমনই অভিযোগ করলেন বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা (Sheikh Hasina)। মঙ্গলবার ভার্চুয়ালি নিউইয়র্কে আওয়ামি লিগের একটি অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখছিলেন তিনি। সেই সময়ই তিনি নিশানা করেন বাংলাদেশের তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান ইউনূসকে। মন্দির, গির্জা এবং ইসকনের ওপর হামলার জন্য তিনি কাঠগড়ায় তোলেন ইউনূসকে।

    কী বললেন হাসিনা? (Sheikh Hasina)

    বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর দাবি, ইউনূস ছাত্র সমন্বয়কারীদের নিয়ে একটি সূক্ষ্ম পরিকল্পনার মাধ্যমে গণহত্যায় লিপ্ত হয়েছেন। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, হাসিনার এহেন মন্তব্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ হিন্দু সন্ন্যাসী চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের গ্রেফতারিকে কেন্দ্র করে নতুন করে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে বাংলাদেশে। সেই সময় তিনি নিশানা করলেন ইউনূসকে। গত ৫ অগাস্ট বাংলাদেশ ছেড়ে চলে যান হাসিনা (Sheikh Hasina)। আশ্রয় নেন ভারতে। বলেন, “আজ আমায় গণহত্যার অভিযোগে অভিযুক্ত করা হয়েছে। বাস্তবে, মহম্মদ ইউনূসই ছাত্র সমন্বয়কারীদের নিয়ে সূক্ষ্ম পরিকল্পনার মাধ্যমে গণহত্যায় লিপ্ত হয়েছেন।”

    গণহত্যা চাইনি

    তিনি বলেন, “আমার কট্টর বিরোধী এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) প্রধান খালেদা জিয়ার পুত্র তারেক রহমান লন্ডন থেকে বলেছেন যে, যদি মৃত্যুর ঘটনা চলতে থাকে তবে তত্ত্বাবধায়ক সরকার বেশি দিন টিকবে না।” হাসিনা বলেন, “আমি কোনও গণহত্যা চাইনি। আমি যদি ক্ষমতা ধরে রাখতে চাইতাম, তাহলে তা ঘটতে পারত।” তিনি বলেন, “যখন মানুষ নির্বিচারে মারা যাচ্ছিল, তখন আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম, আমি চলে যাব, ক্ষমতায় থাকার প্রয়োজন নেই। যদি নিরাপত্তা কর্মীরা গুলি চালাত, তাহলে গণভবনে অনেক মানুষ মারা যেত। আমি তা চাইনি।”

    আরও পড়ুন: চিন্ময় প্রভুর আইনজীবীর ওপর প্রাণঘাতী হামলা বাংলাদেশে, মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছেন রমেন রায়

    প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী বলেন, “একদল সশস্ত্র লোক গণভবনে এসেছিল। আমাকে হত্যা করার পরিকল্পনা করা হয়েছিল। যেভাবে আমার বাবা ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যা করা হয়েছিল, ঠিক সেভাবেই।” তিনি (Sheikh Hasina) বলেন, “২৫-৩০ মিনিটের মধ্যেই আমি দেশ ছেড়েছিলাম। আমার নিরাপত্তা কর্মীদের বলেছিলাম গুলি চালাবেন না (Muhammad Yunus)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh: চিন্ময় প্রভুর আইনজীবীর ওপর প্রাণঘাতী হামলা বাংলাদেশে, মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছেন রমেন রায়

    Bangladesh: চিন্ময় প্রভুর আইনজীবীর ওপর প্রাণঘাতী হামলা বাংলাদেশে, মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছেন রমেন রায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  ৮ দিন ধরে জেলবন্দি বাংলাদেশের (Bangladesh) সন্ন্যাসী চিন্ময় কৃষ্ণ দাস (Chinmoy Krishna Das)। এবার তাঁর আইনজীবী রমেন রায়ের ওপরও হামলা চালাল মৌলবাদীরা। হামলা চালানোর এমন অভিযোগ সামনে এনেছেন কলকাতা ইসকনের ভাইস প্রেসিডেন্ট রাধারমণ দাস। মৌলবাদীরা রমেন রায়ের বাড়ি ভাঙচুর করেছে, নৃশংসভাবে মারধর করেছে। আঘাত এতটাই গুরুতর যে আইসিইউ-তে ভর্তি করতে হয়েছে। মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করছেন আইনজীবী, এক্স হ্যান্ডলে এমনটাই জানিয়েছেন কলকাতা ইসকনের সন্ন্যাসী রাধারমণ দাস। আইনজীবীর ছবিও পোস্ট করেছেন রাধারমণ দাস।

    আইনজীবী-সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ দায়ের

    বাংলাদেশের (Bangladesh) সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে, ৭০ জন সংখ্যালঘু আইনজীবী এবং চট্টগ্রামের ২ জন হিন্দু সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মিথ্যা নিগ্রহের অভিযোগ দায়ের হয়েছে বলে দাবি করেছে বাংলাদেশ হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ। জানা গিয়েছে, গত ৩০ নভেম্বর কোতয়ালি থানায় অভিযোগ দায়ের হয়, আইনজীবী ও সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে দেশি বোমা বিস্ফোরণ, গাড়ি ভাঙচুরের মতো আজব অভিযোগ এনেছে ইউনূস সরকার। 

    ভিত্তিহীন মামলা তোলার আবেদন

    বাংলাদেশের (Bangladesh) হিন্দু সংগঠনগুলির দাবি, সন্ন্যাসী চিন্ময়কৃষ্ণ দাসের মামলায় আইনি সাহায্য এবং সংবাদ সম্প্রচারে বাধা দেওয়ার জন্যই এই মামলা করা হয়েছে। একদল মানুষ নিজেদের স্বার্থে এই মামলা দায়ের করেছেন। এই ধরনের ঘটনা পুরোপুরি মানবাধিকার এবং আইনের শাসনের বিরোধী, দাবি বাংলাদেশ হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের। সরকারের কাছে এই ধরনের ভিত্তিহীন মামলা তুলে নেওয়ার জন্যও আবেদন জানিয়েছে ঐক্য পরিষদ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh: ভারতের প্রধানমন্ত্রীই ভরসা! মোদির সঙ্গে দেখা করতে চান বাংলাদেশের হিন্দুরা

    Bangladesh: ভারতের প্রধানমন্ত্রীই ভরসা! মোদির সঙ্গে দেখা করতে চান বাংলাদেশের হিন্দুরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অশান্ত বাংলাদেশ। প্রাণভয়ে ঘুম ছুটেছে হিন্দুদের। নানা কাজে ভারতে এসে, সেই উদ্বেগের কথাই শোনালেন বাংলাদেশের নাগরিকরা। বিশিষ্টজন থেকে ছাপোষা গৃহবধূ বাংলাদেশের (Bangladesh) বর্তমান পরিস্থিতিতে, আতঙ্কে রয়েছেন সবাই। মহম্মদ ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকারের তরফে, মুখে অনেক সাফাই দেওয়া হলেও, পরিস্থিতি যে মোটেই ভালো নয়, তা উঠে আসছে ভারতে আসা বাংলাদেশের নাগরিকদের মুখেই। পাশে দাঁড়ানোর আর্জি জানিয়ে ভারতবর্ষের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে দেখা করতে পারেন বাংলাদেশের হিন্দুরা। সেই খবর পেয়েই কি ইসকন ভক্তদের সীমান্ত পারে বাধা দেয় বাংলাদেশ প্রশাসন? এমনই সম্ভাবনার কথা উঠে আসছে পেট্রাপোল সীমান্তে।

    ইসকন ভক্ত ও সন্ন্যাসীকে সীমান্তে বাধা! (Bangladesh)

    সোমবার সীমান্ত পার করে বাংলাদেশের (Bangladesh) বেনাপোল থেকে ভারতে ঢোকেন বেশ কয়েকজন হিন্দু। তাঁদের মুখে শোনা গিয়েছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে সাক্ষাতের ইচ্ছার কথা। তবে কার সাহায্যে, কীভাবে তাঁরা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে চান, তা এখনও স্পষ্ট নয়। এর আগে গত শুক্র এবং শনিবার বাংলাদেশের বেনাপোল চেকপোস্টে মোট ৮০ জন ইসকন ভক্ত ও সন্ন্যাসীকে সীমান্ত পার করে ভারতে ঢুকতে বাধা দেওয়া হয় বলে জানা গিয়েছে। কিন্তু, কোনও বৈধ নথি না থাকা সত্বেও বাংলাদেশের অস্থায়ী সরকার তাদের সীমান্ত পার করতে বাধা দিচ্ছে তা স্পষ্টভাবে জানা যায়নি। বাংলাদেশের অভিবাসন দফতরের এক আধিকারিক জানিয়েছিলেন, যাদের বাধা দেওয়া হয়েছে তাদের গতিবিধি সন্দেহজনক। কিন্তু উদ্ভূত পরিস্থিতিতে এই যুক্তি গ্রহণযোগ্য মনে হয়নি অনেকের কাছেই। সোমবার কিছুটা স্পষ্ট হল ইসকন ভক্তদের বাধা দেওয়ার কারণ। সোমবার সকাল থেকে ফের শুরু হয়েছে পেট্রাপোল সীমান্তে পারাপার। বাংলাদেশ সরকারের বাধা পেরিয়ে ভারতে ঢুকতে পেরেছেন কয়েকজন বাংলাদেশি হিন্দু ও ইসকন ভক্ত। আর সংবাদমাধ্যমকে তাঁরা জানিয়েছেন সে দেশে হিন্দুদের ওপর চরম অত্যাচারের কথা।

    আরও পড়ুন: বাংলাদেশে হিন্দুদের নিরাপত্তার দাবিতে পেট্রাপোল সীমান্তে আজ প্রতিবাদ-সভা শুভেন্দুর

    মোদির সঙ্গে সাক্ষাতের ইচ্ছা

    এক হিন্দু মহিলা (Bangladesh) বলেন, “আমাদের ওপর ওদেশে চরম অত্যাচার করছে। ঘরবাড়ি ভাঙচুর করছে। পুজোআচ্চা বন্ধ করে – দিয়েছে। শঙ্খ বাজানো যাবে না, ঢাক ঢোল বাজানো যাবে না। মুসলমানদের সঙ্গে কথা বলা যাবে না। ঘরে দরজা দিয়ে বসে থাকতে হবে। তার মধ্যেই এদেশে এসেছি। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছে বাংলাদেশে হিন্দুদের অবস্থার কথা পৌঁছে দিতে চাই। আশা করি সফল হব।গোপালগঞ্জের বাসিন্দা কাকুতি বৈরাগী। চিকিৎসা করাতে ভারতে এসেছেন। কিন্তু, নিজের দেশকেই আর নিরাপদ মনে করতে পারছেন না তিনি। তাঁর কথায়, ‘চুরি-ডাকাতি এগুলো বেড়ে গেছে অনেকটা। ঘুমানো যায় না। পাহারা দিতে হয়। অনেকটা আতঙ্কের মধ্যে রয়েছি। এই বুঝি মারা যাই। এই বুঝি আগুন দিয়ে দেয় বাড়িতে।’ তিনি বলেন, “ওখানে মুসলমানদেরই বেশি আক্রোশ। দেখেছি মূর্তি ভাঙচুর। রাস্তাঘাটে বেরনো যায় না। ভয়ে থাকতে হয়, মহিলা মানুষ, কী দিয়ে কী হয়ে যায়, এরকম আতঙ্কে আছি।” সবার একটাই প্রশ্ন, কবে আবার শান্ত হবে সোনার বাংলা? সবার একটাই প্রার্থনা, শান্তি ফিরুক বাংলাদেশে। থেমে যাক অশান্তির ঝড়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Guinea: প্রেসিডেন্টের সম্মানে ফুটবল ম্যাচ ঘিরে গিনিতে ভয়াবহ সংঘর্ষ, মৃত্যু শতাধিক মানুষের

    Guinea: প্রেসিডেন্টের সম্মানে ফুটবল ম্যাচ ঘিরে গিনিতে ভয়াবহ সংঘর্ষ, মৃত্যু শতাধিক মানুষের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গিনিতে (Guinea) এক ফুটবল ম্যাচকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, আর তাতেই মৃত্যু হল শতাধিক জনের। আশঙ্কা করা হচ্ছে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে। প্রসঙ্গত, ঘটনাটি ঘটেছে রবিবারই। গিনির দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর নজেরেকরে ঘটে এই ঘটনা। প্রাথমিকভাবে জানা যাচ্ছে, পুরো ঘটনার সূত্রপাত হয় রেফারির এক বিতর্কিত সিদ্ধান্তে।

    গিনির (Guinea) সামরিক নেতা তথা প্রেসিডেন্ট মামাদি দোম্বুয়ার সম্মানে ছিল ম্যাচ

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, গিনির (Guinea) সামরিক নেতা তথা প্রেসিডেন্ট মামাদি দোম্বুয়ার সম্মানে একটি ফুটবল (Football) টুর্নামেন্ট আয়োজন করা হয়েছিল। সেই ম্যাচ দেখার জন্যই স্টেডিয়ামে উপস্থিত হয়েছিলেন ফুটবল ভক্তরা। ম্যাচ চলাকালীন রেফারির এক সিদ্ধান্ত ঘিরে অশান্তির সূত্রপাত হয়। দুই দলের সমর্থকদের মধ্যে শুরু হয় হাতাহাতি। এরপর একটা সময় ভয়াবহ রূপ নেয় সেই অশান্তি। মাঠের দখল নিয়ে নেন দুই দলের সমর্থকরা।

    স্থানীয় থানাতেও ধরানো হয় আগুন

    পরিস্থিতি একেবারে হাতের বাইরে বেরিয়ে যায়। জানা গিয়েছে, শুধু ঝামেলা মাঠেই সীমাবদ্ধ ছিল না। একটা সময়ে সেই উন্মত্ত সমর্থকরা স্থানীয় থানাতেও আগুন ধরিয়ে দেন। ঘটনার (Football) পর থেকেই একের পর এক দেহ উদ্ধার হতে থাকে স্টেডিয়াম চত্বর থেকে।

    কী বলছেন হাসপাতালের ডাক্তার 

    সেদেশের এক ডাক্তার আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমকে বলেছেন, ‘‘যতদূর চোখ যাচ্ছে হাসপাতালে শুধুই মৃতদেহ। এখন এমন পর্যায় যে দেহ মেঝেতে ফেলে রাখতে হচ্ছে। মর্গে কোনও জায়গা নেই। প্রায় ১০০ জনের মৃত্যু হয়েছে।’’ যদিও এখনও সে দেশের সরকারের তরফে কোনও আনুষ্ঠানিক বিবৃতি জারি করা হয়নি মৃতের সংখ্যা নিয়ে। ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন গিনির (Guinea) প্রধানমন্ত্রী।

    এমন খুনোখুনির নজির নেই

    ফুটবল মাঠে সংঘর্ষের ঘটনা বিশ্বের মানচিত্রে নতুন নয়। সারা বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে এরকম সংঘর্ষ ঘটেই থাকে। কলকাতা ফুটবলেও ইস্টবেঙ্গল-মোহনবাগানের ডার্বিকেও ঘিরেও একাধিকবার উত্তেজনা ছড়িয়েছে স্টেডিয়ামে। কিন্তু ফুটবল ম্যাচকে কেন্দ্র করে এরকম খুনোখুনির নজির একেবারেই নেই।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share