Category: বিদেশ

Get updates on World News Headlines International News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Bangladesh Unrest: ২ বছর ধরে বাংলাদেশে হিন্দু-বিরোধী চক্রান্তের জাল বুনেছে ইসলামি ছাত্র শিবির, আইএসআই!

    Bangladesh Unrest: ২ বছর ধরে বাংলাদেশে হিন্দু-বিরোধী চক্রান্তের জাল বুনেছে ইসলামি ছাত্র শিবির, আইএসআই!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর পাকিস্তানের কবল থেকে ভারতের প্রত্যক্ষ মদতে স্বাধীনতা লাভ করেছিল বাংলাদেশ (Bangladesh)। ৫২ বছর পর সেই বাংলাদেশে ভিড়ল পাকিস্তানের জাহাজ। পাকিস্তানের সেই জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছয়। জাহাজে কী ছিল? জানা যায়নি স্পষ্ট করে। কিন্তু এরমধ্যে হাসিনার গণতান্ত্রিক সরকারকে ফেলে দিয়ে লুট হয়েছে গণভবন (Bangladesh Unrest)। আওয়ামি লিগকে বিতাড়িত করে, পেছনের দরজা দিয়ে গদিতে বসেছেন মহম্মদ ইউনূস (Muhammed Yunus)। দেশ এখন সম্পূর্ণ ভাবে জামাত-ই-ইসলামি এবং বিএনপি-র মতো কট্টর মৌলবাদী জেহাদিদের হাতে। বাংলাদেশে সংখ্যালঘু হিন্দু সম্প্রদায়ের উপর অকথ্য অত্যাচার চলছে (Anti Hindu Conspiracy)। একই ভাবে ভারতের জাতীয় পতাকা এবং সম্মানকে ক্ষুণ্ণ করার দৃষ্টান্ত নজরে এসেছে সামজিক মাধ্যমে। কীভাবে উপকারীর অপকার করতে হয় তার হয়ত উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে ইউনূস প্রশাসন। তবে, এটা আচমকা শুরু হয়নি। গত ২ বছর ধরে ধীরে ধীরে বাংলাদেশে হিন্দু-বিরোধী (Anti Hindu Conspiracy) ও ভারত-বিরোধী চক্রান্তের জাল বুনে চলেছে কট্টর মৌলবাদী ইসলামি ছাত্র শিবির (Islami Chhatra Shibir) এবং পাকিস্তানের আইএসআই (Pak ISI)। আসুন জেনে নিই কীভাবে এতকাণ্ড ঘটল।

    ষড়যন্ত্র শুরু হয় ২০২২ সালে

    বাংলাদেশে (Bangladesh Unrest) গভীর ষড়যন্ত্রের প্রথম শুরু হয় ২০২২ সালের একেবারে গোড়ায়। ইসলামিক ছাত্র শিবিরের (Islami Chhatra Shibir) নেতারা তখন ঘনঘন পাকিস্তান সফরে গিয়েছিলেন। পাকিস্তানের রাওয়ালপিন্ডিতে লাগাতার বৈঠক হয়। সেখানেই আন্দোলন এবং পরিকল্পনার রোডম্যাপ তৈরি করা হয়। তবে তারা এক দিনের আন্দোলন নয়, দীর্ঘ দিনের আন্দোলনের বিষয় স্থির করেছিল। যার প্রথম ধাপে ছিল বিপুল পরিমাণ মানুষকে ক্ষিপ্ত করে রাস্তায় নামানো (Bangladesh Unrest)। এরপর শেখ হাসিনাকে পদত্যাগ করানো। তারপর দ্বিতীয় ধাপে মহম্মদ ইউনূসকে তত্ত্বাবোধায়ক সরকার গঠনে নেতৃত্ব দেওয়া। কারণ ইউনূস এমন ব্যক্তি যিনি ইসালামি আগ্রাসী মনোভাব নিয়েই কাজ করবেন। আইএসআই স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছিল, বাংলাদেশে ইসলামকে সর্বাত্মক কার্যকর করতে হবে। কোনও সংখ্যালঘু (Anti Hindu Conspiracy) যেন আর না থাকে। অত্যাচার, নিপীড়ন, লুট, ধর্ষণ, খুনের বিরাট টার্গেট স্থির করা হয়। পাকিস্তানের মতো যেন বাংলাদেশ হিন্দু শূন্য হয়, এটাই পরিকল্পনা স্থির হয়েছিল। 

    আইএসআই-এর বিরাট ষড়যন্ত্র! (Anti Hindu Conspiracy)

    কার্যত এই পরিকল্পনার স্পষ্ট বাস্তবায়ন আমরা দেখেছি গত ৫ অগাস্টের পর থেকে। একে একে রংপুর, কুমিল্লা, ঢাকা, রাজশাহী, বরিশাল, চট্টগ্রামে হিন্দু মন্দির এবং বাড়ি-ঘরে কীভাবে হামলা হয়েছে (Bangladesh Unrest)। তবে আইএসআই ছাত্র শিবিরকে আশ্বাস দিয়েছিল, আন্দোলনে শোরগোল ফেলতে আরও বেশি কর্মীর প্রয়োজন হবে। তরুণ মুসলমান যুবকদের ভারত বিরোধী (Anti India Campaign) মগজ ধোলাই করতে সামজিক মাধ্যমে নানা উপকরণ ছড়িয়ে দেওয়া হয়। বিকৃত তথ্য এবং বিভ্রান্ত খবরের জোগান দিয়ে যুব সমাজের মনকে আকর্ষণ করা হয়। প্রথমে সামজিক মাধ্যমে আবহকে উত্তপ্ত করা হয় এবং এরপর মাঠে-ময়দানে, রাস্তায়  ধাপে ধাপে পরিকল্পনা করে নামানো হয় জনগণকে।

    ছাত্রদের মুখ করতে হবে

    আইএসআই খুব স্পষ্ট ভাবে নির্দেশ দিয়েছিল এই আন্দোলন যেন দেখতে সম্পূর্ণ ভাবে ছাত্র আন্দোলন হয়। ছাত্রদের সামনে রাখলে তবেই আন্দোলন বাস্তবায়ন হবে। উদ্দেশ্য সফল হবে। যে ছাত্র সমাজ কোটা-বিরোধী আন্দোলনে (Bangladesh Unrest) যোগদান করেছিল, তাদের একটা বড় অংশ আসল উদ্দেশ্য সম্পর্কে অন্ধকারে ছিল (Anti Hindu Conspiracy)। বিএনপি এই বিষয়ের সঙ্গে যুক্ত হয়ে রাজনৈতিক রং দেয়। বিশ্বের ইতিহাস দেখলে দেখা যাবে ছাত্র আন্দোলনের নামে যে কোনও স্বার্থকে খুব সহজেই আদায় করা যায়। জামাত শিবির, ইসলামিক ছাত্র শিবির (Islami Chhatra Shibir) এবং আইএসআই তাই এই বৃহৎ পরিকল্পনা করেছিল (Islami Chhatra Shibir Pak ISI Nexus)।

    আরও পড়ুনঃ ‘‘লুট করা হচ্ছে হিন্দুদের দোকান-বাড়ি’’, বাংলাদেশ ইস্যুতে সংসদে বিবৃতি জয়শঙ্করের

    প্রাতিষ্ঠানিক পরিকল্পনা (Bangladesh Unrest)

    প্রায় দুই বছর ধরে ইসালামিক ছাত্র শিবির (Islami Chhatra Shibir) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, সিলেট বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় এবং জাহাঙ্গির নগর বিশ্ববিদ্যালয় সহ একাধিক জায়গায় ছাত্র সংসদ নির্বাচনে জয়ী হয়ে ধীরে ধীরে প্রভাব বিস্তার শুরু করে। জামাতের এই ছাত্র সংগঠনের অনেক সদস্য পাকিস্তানের আইএসআই-এর দ্বারা প্রশিক্ষিত হয়। তবে তারা নিজেরা রাস্তায় না নামলেও পরিকল্পিত ভাবে সাধারণ ছাত্র-জনতাকে রাস্তায় নামতে যুক্তি, কারণ এবং তথ্য প্রদানের কাজ করেছে। ফলে, আজকে বাংলাদেশের যা পরিস্থিতি, তার জন্য আইএসআই ভীষণ ভাবে দায়ী। 

    ভারত বিদ্বেষী প্রচার 

    আইএসআই-এর কাছে হাসিনার সরকারকে টার্গেট করার আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ঠিক হয় ভারত বিদ্বেষী (Anti India Campaign) ভাবনার ব্যাপক প্রচার-প্রসার। হাসিনার আমলে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে ৬.৩ শতাংশ আর্থিক বৃদ্ধি হয়েছিল। ভারতের সঙ্গেও সম্পর্ক ছিল অত্যন্ত মিত্রতার। ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের (Bangladesh Unrest) বাণিজ্য ২০২১ সালে রেকর্ড স্তর ১৪ বিলিয়ন ডালারে পৌঁছে গিয়েছিল। কিন্তু রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাবে ২০২৩ সালে ১১.৩ বিলিয়ন ডলারে পরিণত হয়েছে। অপর দিকে নতুন ইউনূস সরকার জানিয়েছে, দুই দেশের বাণিজ্যে প্রভাব পড়বে না। যদিও বাংলাদেশের থেকে আদানি পাওয়ার সংস্থার ৮০ কোটি ডলার পাওনা রয়েছে। এখন এই পরিকল্পনার মূল উদ্দেশ্য হল ভারতের সঙ্গে যাতে বাংলাদেশের সম্পর্ক ছিন্ন হয়ে যায়।    

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh: বাংলাদেশে হিন্দু নির্যাতন ও চিন্ময় প্রভুর গ্রেফতারির বিরুদ্ধে আওয়াজ উঠল ব্রিটিশ সংসদেও

    Bangladesh: বাংলাদেশে হিন্দু নির্যাতন ও চিন্ময় প্রভুর গ্রেফতারির বিরুদ্ধে আওয়াজ উঠল ব্রিটিশ সংসদেও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশে (Bangladesh) হিন্দু নির্যাতনের বিরুদ্ধে ব্রিটেনের সংসদে সরব হলেন কনজারভেটিভ পার্টির এমপি বব ব্ল্যাকম্যান। বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর আক্রমণ ও চিন্ময়কৃষ্ণ প্রভুর গ্রেফতারির ঘটনায় তিনি তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। বব ব্ল্যাকম্যান (Bob Blackman) বলেন, “বাংলাদেশে যেভাবে হিন্দুদের ওপর হামলা হচ্ছে, জেলে ভরা হয়েছে চিন্ময় কৃষ্ণ দাসকে, সেসবের তীব্র নিন্দা করছি। ইসকনকে নিষিদ্ধ করতে চেয়ে বাংলাদেশের হাইকোর্টে যেভাবে মামলা দায়ের হয়েছে, সেটাও যথেষ্ট উদ্বেগের। বিশ্বের সমস্ত দেশেই ধর্মপালনের স্বাধীনতা থাকা উচিত।”

    ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের ওপর এমন নির্যাতন মোটেই বরদাস্ত করা যায় না

    বব ব্ল্যাকম্যান (Bob Blackman)  আরও বলেন, “বাংলাদেশে (Bangladesh) হিন্দুদের হত্যা করে তাঁদের বাড়ি জ্বালিয়ে দেওয়া হচ্ছে। পুড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে মন্দির। বাংলাদেশ (Bangladesh) সরকারে যাই পরিবর্তন হয়ে থাকুক না কেন, ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের ওপর এমন নির্যাতন মোটেই বরদাস্ত করা যায় না। গোটা ঘটনায় দায় রয়েছে আমাদেরও, কারণ বাংলাদেশকে স্বাধীন হতে সাহায্য করেছিল ব্রিটেন।”

    ইউনূস সরকারের আমলে বাংলাদেশে দু’হাজারের বেশি হিংসার ঘটনা নথিভুক্ত হয়েছে

    প্রসঙ্গত, গত বুধবারই বাংলাদেশের (Bangladesh) ইউনূস সরকারের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক রিপোর্ট পেশ করে ব্রিটিশ পার্লামেন্টের হাউস অব কমন্স-এর বহুদলীয় গোষ্ঠী ‘অল-পার্টি পার্লামেন্টারি গ্রুপ ফর দ্য কমনওয়েলথ’। ওই রিপোর্টে বলা হয়, “ইউনূস সরকারের আমলে বাংলাদেশে দু’হাজারের বেশি হিংসার ঘটনা নথিভুক্ত হয়েছে। মহম্মদ ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকার বদলা নিতে বিচার ব্যবস্থাকে ব্যবহার করেছে। আইনকে রাজনৈতিক অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করার সংস্কৃতি অবিলম্বে বন্ধ করা প্রয়োজন।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • ISKCON: বাংলাদেশের বন্যায় খাদ্য বিতরণ করেছিল ইসকন, সেদেশেই ‘জঙ্গি’ বলে দাগিয়ে দেওয়া হচ্ছে!

    ISKCON: বাংলাদেশের বন্যায় খাদ্য বিতরণ করেছিল ইসকন, সেদেশেই ‘জঙ্গি’ বলে দাগিয়ে দেওয়া হচ্ছে!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইসকনকে (ISKCON) জঙ্গি সংগঠনের তকমা দিতে উঠে পড়ে লেগেছে বাংলাদেশের ইসলামি মৌলবাদী সংগঠনগুলি। ইউনূস সরকারকে সামনে রেখে তারা এই নোংরা খেলায় নেমেছে। কিন্তু, মৌলবাদীরা ভুলে গিয়েছে বাংলাদেশের প্রতি ইসকনের দেশপ্রেমের কথা। চলতি বছরের অগাস্টেই ক্ষমতাচ্যুত হন হাসিনা। ক্ষমতায় আসেন মহম্মদ ইউনূস। আর সেই অগাস্টেই ভয়ঙ্কর বন্যার মুখোমুখি হয়েছিল বাংলাদশ। সেই সময় বন্যা কবলিত অসহায় মুসলিমদের মুখে অন্ন তুলে দিয়েছিল এই ইসকন। আর সেটা তখন বাংলাদেশের সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিতও হয়েছিল। ফলে, দেশবাসী ইসকনের বন্যা কবলিত বাংলাদেশবাসীর প্রতি তার ভূমিকা কী তা জেনেছিলেন। আর এখন সেই ইসকনকে মৌলবাদী সংগঠনের তকমা দেওয়া হচ্ছে।

    বন্যার সময় ঠিক কী কাজ করেছিল ইসকন? (ISKCON)

    অগাস্ট মাসে বন্যার সময় ইসকন (ISKCON) করেছিল তার একটু উদাহরণ দিলে বিষয়টি আরও স্পষ্ট হবে। বাংলাদেশের সংবাদপত্র ‘‘কালবেলা’’। সকলেই এই পত্রিকার নাম জানেন। সেই সংবাদ পত্রে প্রকাশিত খবরে বলা হয়েছিল, ‘‘দেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চল ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলে বন্যাকবলিত অসহায় মানুষের মধ্যে ত্রাণ বিতরণ করছে ইসকন। প্রাকৃতিক এই দুর্যোগ বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকার কথা প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। শনিবার ২৪ অগাস্ট থেকে এ কার্যক্রম শুরুর কথা জানান ইসকনের পাবলিক জনসংযোগ সহ-পরিচালক বিমলা প্রসাদ দাস। ২৫ অগাস্ট কুমিল্লার বুড়িচং থানার বন্যায় আক্রান্ত বিভিন্ন এলাকায় রান্না করা খিচুড়ি বিতরণ করেন ইসকন বাংলাদেশের সাধারণ সম্পাদক চারু চন্দ্র দাস। দুই হাজারের বেশি মানুষের মধ্যে রান্না করা খাবার বিতরণ করা হয়। একই দিন আরও দুটি টিম নোয়াখালী সদর, ফেনী, চৌমুহনী এলাকায় শুকনো খাবার ও বিশুদ্ধ পানি বিতরণ করে। এছাড়া খাগড়াছড়ি, চট্টগ্রাম, খুলনা, সিলেট, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় পৃথক পৃথক টিম বন্যার্তদের মধ্যে চিড়া, মুড়ি, অষুধ, পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট, বোতলজাত পানি ইসকনের পক্ষ থেকে বিতরণ করেছে।’’

    ফলে, বোঝা যাচ্ছে ইসকন শুধু একটি এলাকায় এই শিবির করেছে তা নয়, সমগ্র বাংলাদেশের বন্যা কবলিত এলাকায় গিয়ে ইসকনের টিম অসহায় হিন্দু-মুসলিমসহ সমস্ত অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে। মুখে অন্ন তুলে দিয়েছে। আর তিন মাসের মধ্যে সমাজসেবা করা একটি প্রতিষ্ঠানকে নিষিদ্ধ করার চেষ্টা করছে বাংলাদেশের মৌলবাদীরা।

    আরও পড়ুন: বাংলাদেশে হয়রানির শিকার আরও এক হিন্দু সন্ন্যাসী, এবার গ্রেফতার সন্ত মহারাজ স্বরূপ দাস

    ইসকনকে নিষিদ্ধ করার আর্জি কোর্টে

    বাংলাদেশে নিষিদ্ধ ইসকন? বুধবার এক আইনজীবী সেই আর্জি জানান। তা নিয়ে হাইকোর্টে নিজের মতামত জানান বাংলাদেশের অ্যাটর্নি জেনারেল মহম্মদ আসাদুজ্জামান। বৃহস্পতিবার বাংলাদেশের হাইকোর্টে ইসকনকে নিষিদ্ধ করার বিষয়টি উত্থাপিত হয়। সেখানে ইসকনকে নিষিদ্ধ করার আর্জি খারিজ করে দেয় বাংলাদেশের হাইকোর্ট। একইসঙ্গে বাংলাদেশের একটি মহল থেকে হিন্দু সন্ন্যাসী তথা বাংলাদেশ সম্মিলিত সনাতনী জাগরণ জোটের মুখপাত্র শ্রী চিন্ময় কৃষ্ণদাসকে ‘জঙ্গি’ বলে দাগিয়ে দেওয়া হচ্ছে এবং ইসকনকে (ISKCON)  ‘জঙ্গি’ সংগঠন বলে দাবি করা হচ্ছে।

    ইসকনের সভাপতি কী বললেন?

    এই প্রসঙ্গে ইসকনের (ISKCON) সভাপতি মধু পণ্ডিত দাস বলেন, ‘‘ইসকনের তরফে আর্জি জানানো হচ্ছে যে ভারত সরকার যেন অবিলম্বে পদক্ষেপ গ্রহণ করে এবং বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে কথা বলে। বাংলাদেশ সরকারের কাছে যেন এই বার্তাটা পৌঁছে দেয় যে আমরা শান্তিপ্রিয় ভক্তি আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত। বাংলাদেশে বন্যার সময় ইসকন যেভাবে মানুষকে সহায়তা করেছিল, তা সকলেই জানেন। বিশ্বের কোনও প্রান্তে সন্ত্রাসবাদের সঙ্গে ইসকন কোনওভাবে জড়িত থাকার ভিত্তিহীন অভিযোগ করার বিষয়টি সাংঘাতিক।’’

    ডোনাল্ড ট্রাম্পের হস্তক্ষেপ দাবি

    গত ৫ অগাস্ট শেখ হাসিনা সরকার পতনের পর থেকে বাংলাদেশে হিন্দুদের উপরে ২০০টির বেশি হামলা ঘটনা ঘটেছে। হামলা চালানো হয়েছে মন্দিরেও। এর মধ্যে নতুন করে চিন্ময় প্রভুকে গ্রেফতারি এবং তাঁর জামিনের আবেদন খারিজ করে দেওয়ার প্রতিবাদে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষরা প্রতিবাদে সামিল হয়েছেন। ভারতে তো প্রতিবাদ হচ্ছেই, প্রভাবশালী ইন্দো-মার্কিন সংস্থা ‘ফাউন্ডেশন ফর ইন্ডিয়া অ্যান্ড ইন্ডিয়ান ডায়াসপোরা স্টাডিজ’-এর তরফে বিষয়টি নিয়ে জো বাইডেন এবং ভাবী প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হস্তক্ষেপ দাবি করা হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh Crisis: বাংলাদেশে নিষিদ্ধ নয় ইসকন, আবেদন খারিজ করে জানিয়ে দিল সেদেশের হাইকোর্ট

    Bangladesh Crisis: বাংলাদেশে নিষিদ্ধ নয় ইসকন, আবেদন খারিজ করে জানিয়ে দিল সেদেশের হাইকোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভেস্তে গেল ইসকনকে (ISKCON) নিষিদ্ধ করার প্রচেষ্টা! বাংলাদেশে (Bangladesh Crisis) আর নিষিদ্ধ নয় ইসকন। সে দেশের হাইকোর্টে খারিজ হয়ে গেল রিট পিটিশন। বৃহস্পতিবার আদালতের তরফে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়, ইসকন নিষিদ্ধ হবে কিনা, সেই সিদ্ধান্ত নেবে সরকার।

    কী বলল আদালত? (Bangladesh Crisis)

    রিট পিটিশন খারিজ করে দিয়ে আদালত জানিয়ে দিয়েছে, শান্তিরক্ষায় সরকার যাবতীয় পদক্ষেপ করবে। কিন্তু কোনওভাবেই ইসকনকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হচ্ছে না। বৃহস্পতিবার শুনানি চলাকালীন আইনজীবী মনিরউদ্দিন ইসকনকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করার দাবি জানান। তার পরেই আদালত জানিয়ে দেয়, ইসকনকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হচ্ছে না। হাইকোর্টের বিচারপতি ফারাহ্ মাহবুব ও বিচারপতি দেবাশিস রায় চৌধুরীর ডিভিশন বেঞ্চ জানায়, ইসকন নিষিদ্ধ করা হবে কি না, সেই সিদ্ধান্ত নেবে সরকার। এ নিয়ে আদালতের হস্তক্ষেপ করা ঠিক হবে না।

    গ্রেফতার চিন্ময় কৃষ্ণ দাস

    দিন কয়েক আগেই ঢাকা থেকে গ্রেফতার করা হয় নিপীড়িত হিন্দুদের মুখ ইসকনের অন্যতম কর্তা চিন্ময় কৃষ্ণ দাসকে। তার পর থেকেই ইসকনকে নিষিদ্ধ করার দাবি জোরালো হয় বাংলাদেশে। চিন্ময়কে গ্রেফতারের প্রতিবাদে বিক্ষোভ চলাকালীনই মঙ্গলবার চট্টগ্রাম আদালতের আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফকে হত্যা করা হয়। তার পরেই ইসকনকে নিষিদ্ধ করার দাবি জানায় হেফাজতে ইসলাম-সহ বাংলাদেশের একাধিক ইসলামি সংগঠন।

    প্রসঙ্গত, ইসকনকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করার দাবি জানিয়ে বাংলাদেশের (Bangladesh Crisis) হাইকোর্টে একটি পিটিশন জমা দেন মনিরউজ্জামান নামের এক আইনজীবী। একই সঙ্গে অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে চট্টগ্রাম ও রংপুরে জরুরি অবস্থা জারির নির্দেশও দেওয়ার দাবি জানান ওই আইনজীবী। এ নিয়ে সেখানকার সরকার কী পদক্ষেপ করছে, আদালতে তা জানানোর আবেদনও করেন ওই আইনজীবী।

    আরও পড়ুন: ১৯৭৪ সালের আইন দিয়ে বাংলাদেশে হিন্দু মন্দির, সনাতনীদের জমি হাতাচ্ছে ইসলামি মৌলবাদীরা

    সূত্রের খবর, এদিন এই বিষয়ে সরকারের মনোভাব ও পদক্ষেপ করার কথা আদালতকে জানান অ্যার্টনি জেনারেল মহম্মদ আসাদুজ্জামান। তিনি জানান, চট্টগ্রামের ওই আইনজীবী হত্যার ঘটনায় দায়ের হয়েছে তিনটি মামলা। ওই ঘটনায় গ্রেফতার করা হয়েছে ৩৩ জনকে। ওই মামলায় আরও যাদের নাম রয়েছে, তাদেরও গ্রেফতার করার চেষ্টা চলছে। অ্যাটর্নি জেনারেল জানান, ইসকন (ISKCON) নিয়ে কঠোর অবস্থান নিচ্ছে বাংলাদেশ সরকার (Bangladesh Crisis)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh: বাংলাদেশে হয়রানির শিকার আরও এক হিন্দু সন্ন্যাসী, এবার গ্রেফতার সন্ত মহারাজ স্বরূপ দাস

    Bangladesh: বাংলাদেশে হয়রানির শিকার আরও এক হিন্দু সন্ন্যাসী, এবার গ্রেফতার সন্ত মহারাজ স্বরূপ দাস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশে (Bangladesh) হিন্দু সন্ন্যাসীদের ওপর পুলিশি হয়রানি চলছেই। ইসকনের চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের পর এবার গ্রেফতার সনাতন জাগরণ ঐক্য জোটের সন্ত মহারাজ স্বরূপ দাস। প্রসঙ্গত, স্বরূপ দাস (Swarup Das) চট্টগ্রামের হাটাজারির গৌরাঙ্গ বাড়ির অধ্যক্ষ।

    হাসিনা সরকারের পতনের পর থেকেই লাগাতার হামলা

    গত ৫ অগাস্ট বাংলাদেশে (Bangladesh) হাসিনা সরকারের পতেনর পর থেকেই আক্রমণের শিকার সংখ্যালঘু হিন্দুরা। সম্প্রতি, এই ধরনের হামলার ঘটনা আরও বেড়েছে। এরই প্রতিবাদে বাংলাদেশে রাস্তায় নেমেছে সনাতনী সমাজ। এই আবহে গত ২৫ নভেম্বর বাংলাদেশের (Bangladesh) বিমানবন্দর থেকে গ্রেফতার করা হয় ইসকনের সন্ন্যাসী চিন্ময় কৃষ্ণ দাসকে। জামাত-বিএনপি নিয়ন্ত্রিত ইউনূস সরকার রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগ আনে চিন্ময় মহারাজের বিরুদ্ধে। এরপরেই এবার গ্রেফতার করা হল সন্ত মহারাজ স্বরূপ দাসকে। বৃহস্পতিবারই চট্টগ্রাম থেকে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে কী অভিযোগ, কোন অপরাধে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে, সে বিষয়ে এখনও কিছু জানা যায়নি।

    সরকারের প্রাণভোমরা জামাত-বিএনপির হাতে (Swarup Das)

    চিন্ময় কৃষ্ণের গ্রেফতারির পরে ইউনূস সরকারও ইসকনকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করার যাবতীয় প্রস্তুতি নিচ্ছে বলেই মনে করা হচ্ছে। অন্যদিকে, জামাতরাও হুঁশিয়ারি দিয়েছে যে ইসকনকে নিষিদ্ধ না করলে, আরও হামলা হবে। উল্লেখ্য জামাত-বিএনপি হল ইউনূস সরকারের প্রাণভোমরা। ইতিমধ্যেই শিবচরে ইসকনের মন্দির জোর করে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। প্রসঙ্গত, গত ২৫ অক্টোবর চট্টগ্রামে হিন্দু নির্যাতনের বিরুদ্ধে সমাবেশ করেছিল বাংলাদেশ সনাতন জাগরণ মঞ্চ। সেই সমাবেশে ভাষণ দিয়েছিলেন চিন্ময় কৃষ্ণ দাস প্রভুও। ইসলামি মৌলবাদীদের দাবি, ওই সমাবেশে নাকি বাংলাদেশের (Bangladesh) জাতীয় পতাকার অবমাননা করা হয়েছিল। তবে এর সুনির্দিষ্ট কোনও প্রমাণ মেলেনি। এই অভিযোগেই চট্টগ্রামে একটি রাষ্ট্রদ্রোহের মামলা করেন বিএনপি নেতা ফিরোজ খান। গত ৩১ অক্টোবর চিন্ময় দাস-সহ ১৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন সেই নেতা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh Crisis: ১৯৭৪ সালের আইন দিয়ে বাংলাদেশে হিন্দু মন্দির, সনাতনীদের জমি হাতাচ্ছে ইসলামি মৌলবাদীরা

    Bangladesh Crisis: ১৯৭৪ সালের আইন দিয়ে বাংলাদেশে হিন্দু মন্দির, সনাতনীদের জমি হাতাচ্ছে ইসলামি মৌলবাদীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর হামলা ও বাংলাদেশ সম্মিলিত সনাতন জাগরণ নোটের মুখপাত্র (Bangladesh Crisis) চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের অযৌক্তিক গ্রেফতারের তীব্র নিন্দা করেছে ভারতের বিদেশ মন্ত্রক। ভারতে নিন্দার ঝড় উঠলেও, চট্টগ্রামে তিনটি হিন্দু মন্দিরে হামলা চালানো হয়েছে। এগুলি হল, ফরাসি বাজারের লোকনাথ মন্দির, মানসা মাতা মন্দির এবং হাজারি লেনের কালী মন্দির।

    সংখ্যালঘুদের ওপর অত্যাচার (Bangladesh Crisis)

    বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের ওপর অত্যাচার, বিশেষ করে হিন্দুদের বিরুদ্ধে অত্যাচার একটি রুটিন বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। এটি দীর্ঘকাল ধরে চলে এলেও, হাসিনা-উত্তর জমানায় আরও খারাপ হয়েছে। বাংলাদেশে ৯১ শতাংশ জনগণ মুসলিম, হিন্দু, বৌদ্ধ, আহমদিয়া এবং খ্রিস্টান মিলিয়ে ৮.৯৫ শতাংশ। বছরের পর বছর ধরে এই সম্প্রদায়গুলি নির্যাতনের শিকার হয়ে আসছে। বঞ্চিত হয়ে আসছে ন্যায়বিচার থেকেও। আইন থাকলেও, তা প্রয়োগ হয় না বলেই অভিযোগ। বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের জন্য আইনগুলিতে (Vested Property Act) সুরক্ষা ব্যবস্থা থাকলেও, সেগুলি কখনই বাস্তবায়িত করা হয় না। ফলে হিন্দুদের ওপর অত্যাচার বেড়েই চলেছে।

    আরও পড়ুন: ইউনূস সরকারের বুকে ভয় ধরিয়ে দিয়েছেন ঊনচল্লিশের সন্ন্যাসী চিন্ময়, তাই কি গ্রেফতার?

    কী বলছে সংবিধান

    বাংলাদেশের সংবিধান এবং অন্যান্য আইন বলে যে সব ধর্মকে সুরক্ষিত করতে হবে, সম্মান করতে হবে ধর্মীয় স্বাধীনতাকে। সরকারের যে এটি বাস্তবায়ন করার দায়িত্ব, সংবিধানও বলে সে কথা। সংবিধানটি এও বলে, সব মানুষের উচিত আইন, জনশৃঙ্খলা এবং নীতির প্রতি শ্রদ্ধা রেখে সকল ধর্মে বিশ্বাস করা, চর্চা করা বা প্রচার করার অধিকার দেওয়া। সংবিধানটি ইসলামকে রাষ্ট্রধর্ম হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে। তবে ২০১০ সালে সুপ্রিম কোর্টের একটি (Bangladesh Crisis) রায় ১৯৭৫ সালের সংশোধনী বাতিল করে দিয়ে বলে, ধর্মনিরপেক্ষতা হল সংবিধানের মৌলিক নীতি।

    সংখ্যালঘুদের সুরক্ষা

    এই নীতি অনুসরণ করে, সরকারকে সংখ্যালঘুদের সুরক্ষা দেওয়ার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তবে, সংখ্যালঘুদের ওপর আক্রমণ অব্যাহত ছিল এবং ২০০৯ থেকে ২০১৭ সালের মধ্যে তা বৃদ্ধি পায় (Vested Property Act)। এর মূল কারণ হল, সে দেশের ধর্মীয় সংখ্যালঘুরা সমাজের নিম্নস্তরের দিকে অবস্থান করে। তাদের সঠিক রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্বও সেই অর্থে নেই। যে কারণে পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়ে পড়ে। সংখ্যালঘুদের সংখ্যা হ্রাসের কারণে পেয়ে বসে সংখ্যাগুরুরা। তার জেরে বাংলাদেশের হিন্দু মন্দির ও অন্যান্য সংখ্যালঘুদের উপাসনাস্থলগুলিতে বারবার হামলা চালিয়েছে মুসলমানরা। তার পরেও সরকার থেকেছে হাত গুটিয়ে। যে ধর্মের মানুষের  উপাসনাস্থল আক্রমণের শিকার হয়েছে, তাদের পাশে দাঁড়ানোর লোক মেলেনি। সরকারও দেয়নি আইনি সহায়তা।

    ভেস্টেড প্রপার্টি অ্যাক্ট (Vested Property Act) 

    ১৯৭৪ সালের ভেস্টেড প্রপার্টি অ্যাক্ট সমালোচিত করা হয়েছে। এই আইন হিন্দু এবং অন্যান্য সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে ব্যবহৃত সমস্ত আইনের মধ্যে সবচেয়ে দীর্ঘস্থায়ী এবং সবচেয়ে ক্ষতিকারক বলে বর্ণনা করা হয়েছে। ১৯৬৫ সালে ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধের পর শত্রু সম্পত্তি আইন প্রণীত হয়। এটি বাংলাদেশ সরকারকে পাকিস্তান থেকে ভারতে চলে যাওয়া মানুষের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার অনুমতি দেয়। এই পর্বে যারা সবচেয়ে বেশি অনুপ্রবেশ করেছে, তারা ছিলেন পূর্ব পাকিস্তান (অধুনা বাংলাদেশ) থেকে আসা হিন্দু। ১৯৭৪ সালে ভেস্টেড প্রপার্টি অ্যাক্ট (Vested Property Act) প্রণীত হয়, যা শত্রু সম্পত্তিকে বাংলাদেশের সরকারের (Bangladesh Crisis) অধীনে স্থানান্তরিত করার অনুমতি দেয়।

    জমি দখল

    এটিই সবচেয়ে বেশি অপব্যবহৃত আইন (Vested Property Act)। এটি প্রায়ই সে দেশের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মালিকানাধীন বড় আয়তনের জমি দখল করতে ব্যবহৃত হয়েছে। সম্পত্তি বাজেয়াপ্তর সঙ্গে সম্পর্কিত বেশিরভাগ মামলা করেছে রাজনৈতিক নেতা বা জমি হাঙররা। ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিরা আইনি সাহায্য চাইলে জমি দখলকারীরা সেটিকে অধিকারী সম্পত্তি হিসেবে দেখায়। প্রতিষ্ঠানের সমর্থনে এই দুর্বৃত্তরা সবসময় পার পেয়ে যায়। ফলে সম্পত্তি তাদের হাতেই থেকে যায়। মামলা আদালত পর্যন্ত গড়ালে মীমাংসা হতে কয়েক দশক লেগে যায়। মামলার ফয়সালা হওয়ার আগেই ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি নিঃস্ব হয়ে পথে বসেন। শেষমেশ ছেড়ে দেন সেই সম্পত্তির দাবি (Vested Property Act)। লাভবান হয় জমি হাঙর। এ বছর প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে সেন্টার ফর অলটারনেটিভস এবং বাংলাদেশ পিস অবজারভেটরি জানিয়েছে, দেশে ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে হিংসার ঘটনা প্রায় ৭০ শতাংশই ভূমি সংক্রান্ত। এই হিংসা সংখ্যালঘুদের সম্পত্তি বা তাদের উপাসনালয়ে হামলার মাধ্যমে সংঘটিত হয়।

    হিংসা এবং হিংসা

    তথ্য অনুযায়ী, হিংসার ৫৯ শতাংশ ঘটনা সংখ্যালঘুদের মালিকানাধীন সম্পত্তি (Vested Property Act) ও উপাসনালয় ধ্বংসের মাধ্যমে সংঘটিত হয়েছে। এগুলির ১১ শতাংশ সরাসরি ভূমি সংক্রান্ত বিরোধে জড়িত। প্রায় ২৭ শতাংশ ক্ষেত্রে শারীরিক আক্রমণ বা হত্যার ঘটনা ঘটেছে। ২ শতাংশ ঘটনা লিঙ্গভিত্তিক হিংসা এবং ১ শতাংশ ঘটনা নির্বাচনকেন্দ্রিক। অধিকাংশ হিংসার উৎস হচ্ছে সোশ্যাল মিডিয়ায় মিথ্যা তথ্য প্রচার। অপরাধ করেও ১০০টির মধ্যে ৯৯টি ক্ষেত্রে পার পেয়ে যায় অপরাধীরা। তার জেরে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বাংলাদেশের সংখ্যালঘুরা।

    এর থেকে মুক্তি কীভাবে (Vested Property Act)? উত্তর হাতড়ে বেড়াচ্ছেন বাংলাদেশের হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টানরা (Bangladesh Crisis)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

     
  • Bangladesh: বাংলাদেশে জোর করে বন্ধ করা হল ইসকন মন্দির, তুলে নিয়ে যাওয়া হল ভক্তদের

    Bangladesh: বাংলাদেশে জোর করে বন্ধ করা হল ইসকন মন্দির, তুলে নিয়ে যাওয়া হল ভক্তদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশে (Bangladesh) অন্তর্বর্তী সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে হিন্দুদের ওপর লাগাতার অত্যাচার শুরু হয়েছে। সরকারের মাথায় লোকদেখানো করে মহম্মদ ইউনূসকে বসানো হয়েছে। কিন্তু, সরকার কার্যত পরিচালনা করছে জামাতে ইসলামি এবং হেফাজতে ইসলামের মতো বাংলাদেশের মৌলবাদী সংগঠনগুলি। তাদের নির্দেশেই সব কিছু হচ্ছে। চিন্ময় প্রভু গ্রেফতার হওয়ার পর থেকে সেখানকার সরকারের আচরণ এবং কট্টরপন্থিদের ভূমিকা আরও বেশি করে তা প্রমাণ করে দিয়েছে। এই আবহে ইসকনকে নিষিদ্ধ করতে উঠেপড়ে লেগেছে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার। বুধবার বাংলাদেশের হাইকোর্টে ইসকনকে নিষিদ্ধ সংগঠন ঘোষণা করার আবেদন গ্রহণ করা হয়েছে। এর মধ্যেই বাংলাদেশে ইসকনের মন্দির-অফিসে হুমকি আসতে শুরু করেছে।

    বন্ধ করা হল ইসকন মন্দির (Bangladesh)

    জানা গিয়েছে, বাংলাদেশে (Bangladesh) ইসকনের (ISKCON) ৬৫টি মন্দির রয়েছে। ৫০ হাজারেরও বেশি অনুগামী রয়েছে। ঢাকায় ১৩টি ইসকন মন্দির রয়েছে। চট্টগ্রামে ১৪টি, সিলেটে ৯টি, খুলনায় ৮টি এবং রংপুরে ৭টি ইসকন মন্দির রয়েছে। এর মধ্যে বাংলাদেশের শিবচরে ইসকনের মন্দিরগুলিকে নিশানা করছে মৌলবাদী জামাতরা। মন্দির বন্ধের হুঁশিয়ারি দিচ্ছে। বাংলাদেশের সোনালি মার্কেটে অবস্থিত ইসকন মন্দির ২৪ ঘণ্টার মধ্যে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। মন্দির বন্ধ না করলে, ভয়ঙ্কর পরিণতি হবে বলেই হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। এর আগে ইসকনের এই মন্দির থেকেই বোর্ড খুলে নেওয়া হয়েছিল। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল ভিডিওতে দেখা গিয়েছে, মৌলবাদী নেতারা আধ ঘণ্টার মধ্যে মন্দির বন্ধ করার এবং ইসকনের সদস্যদের গ্রেফতার করার হুমকি দিচ্ছে। পুলিশ ও সেনারাও সেখানে উপস্থিত ছিল। ইসকনের সমর্থকদের তুলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ। বেছে বেছে হিন্দুদেরই পুলিশ ধরছে বলে অভিযোগ। হিন্দুদের ওপরে মৌলবাদীদের নেতৃত্বে হামলার লাগাতার অভিযোগ আসছে। বাড়ি-ঘর, দোকানে আগুন লাগিয়ে দেওয়ার ভয়ঙ্কর চিত্রও সামনে এসেছে।

    আরও পড়ুন: সাগরে ঘনিভূত নিম্নচাপ, রাজ্যে শীতের আমেজে বাধা, বাড়বে রাতের তাপমাত্রা

    কী বললেন ইসকন কলকাতার ভাইস প্রেসেডেন্ট?

    ইসকন কলকাতার ভাইস প্রেসেডেন্ট এবং মুখপাত্র রাধারমণ দাস বলেন, ‘‘বাংলাদেশের শিবচরের ইসকন (Bangladesh) নামহাট্টা সেন্টারটি মুসলিমরা এসে জোর করে বন্ধ করে দিয়ে যায়। এরপর সেখানে সেনারা যান। ইসকনের ভক্তদের সেখান থেকে একটি গাড়িতে করে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়।’’ একটি ভিডিও পোস্ট করেছেন রাধারমণ দাস। সেই ভিডিওতে দেখা যায়, ইসকন মন্দিরের একটি হোর্ডিং খুলে ফেলা হচ্ছে লোহার রড দিয়ে।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Chinmoy Krishna Das: ইউনূস সরকারের বুকে ভয় ধরিয়ে দিয়েছেন ঊনচল্লিশের সন্ন্যাসী চিন্ময়, তাই কি গ্রেফতার?

    Chinmoy Krishna Das: ইউনূস সরকারের বুকে ভয় ধরিয়ে দিয়েছেন ঊনচল্লিশের সন্ন্যাসী চিন্ময়, তাই কি গ্রেফতার?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বয়স মাত্রই ঊনচল্লিশ। পরিচয় সনাতনী, বাংলাদেশের এক ইসকন মন্দিরের দায়িত্বে। তাঁর প্রতিপক্ষ যিনি, তিনি বয়সে প্রবীণ। বাংলাদেশের তদারকি সরকারের প্রধান। দুজনের ধর্ম পরিচয়ও আলাদা। প্রথম জন হিন্দু, অন্যজন ধর্মে মুসলমান (Muhammad Yunus)। ঊনচল্লিশ বছরের এই সনাতনিই ভয় ধরিয়ে দিয়েছে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের বুকে। তাঁর একটা ডাকে জমায়েত হন বাংলাদেশের লাখো হিন্দু। মন দিয়ে শোনেন তাঁর কথা। এহেন চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ওরফে চিন্ময় প্রভুকে (Chinmoy Krishna Das) গ্রেফতার করে সাপের ছুঁচো গেলার দশা হয়েছে মহম্মদ ইউনূস সরকারের। তাঁরা না পারছেন চিন্ময়কে ছেড়ে দিতে, না পারছেন যাদের ‘বুদ্ধি’তে গ্রেফতার করা হল তাঁকে, তাদের চটাতে।

    ক্ষোভে ফুঁসছেন সনাতনীরা

    ফেরা যাক খবরে। দিন কয়েক আগে ঢাকা থেকে গ্রেফতার করা হয় ইসকনের চিন্ময়কে। তাঁর মুক্তির দাবিতে কয়েক ঘণ্টার জন্য ঢাকা অচল করে দেন সে দেশের সনাতনীরা। কাঁদানে গ্যাসের সেল ফাটিয়ে, লাঠিচার্জ করে চিন্ময়কে কোনওরকমে নিয়ে যাওয়া হয় জেলে। তাঁর বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগ আনা হয়। যারে জেরে বাংলাদেশ তো বটেই, ক্ষোভে ফুঁসছেন ভারত তথা তামাম বিশ্বের সনাতনীরা।

    নির্ভীক চিন্ময় (Chinmoy Krishna Das) 

    চিন্ময় প্রভুর নির্ভীকতাকে কুর্নিশ করতে হয়। পুলিশ যথন তাঁকে প্রিজন ভ্যানে করে জেলের কুঠুরিতে নিয়ে যাচ্ছেন, তখনও অকুতোভয় চিন্ময় ভিক্ট্রি সাইন দেখাচ্ছেন। সনাতনীদের উদ্দেশে বলছেন, “ঐক্যবদ্ধ থাকুন।” চট্টগ্রামের জনসমাবেশে সংখ্যালঘুদের জন্য যে আট দফা দাবি তিনি জানিয়েছিলেন, সেই কারণেই তাঁর বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের মামলা বলে মনে করেন তিনি। চিন্ময় বলেন, “বিদ্রোহ মামলাটি আমাদের সংখ্যালঘুদের জন্য আট দফা দাবির বিরুদ্ধে। এটি আন্দোলনের নেতৃত্বকে শেষ করে দেওয়ার একটি প্রচেষ্টা।” যে চিন্ময়কে নিয়ে এত হইচই, মাস কয়েক আগেও তাঁকে বিশেষ চিনতেন না বাংলাদেশের সিংহভাগ মানুষ। হাসিনা সরকারের পতনের পর হিন্দুদের এক ছাতার তলায় নিয়ে আসার মহান কাজটি করে তিনি চলে আসেন খবরের শিরোনামে, নজরে পড়ে যান ইউনূস সরকারের (Muhammad Yunus)। এখন চিন্ময়ের নামে বাংলাদেশের যে কোনও জায়গায় নিমেষেই জড়ো করা যায় কয়েক হাজার হিন্দুকে।

    সুর চড়িয়েছেন চিন্ময় (Chinmoy Krishna Das) 

    হাসিনা সরকারের পতনের পর সবাই যখন মুখে কুলুপ এঁটেছেন, তখন গলা চড়িয়েছেন চিন্ময়। ঢাকার এক কমেন্টেটর বলেন, “যখন সবাই ভয়ে চুপ করে গিয়েছিলেন, তখন সুর চড়িয়েছিলেন চিন্ময়। সঙ্কটের সেই সময়ে তিনি আত্মপ্রকাশ করেন নেতা হিসেবে। সময়টা তাঁর অনুকূলে ছিল। সে-ই চিন্ময়কে মাইলেজ দিয়েছে।” সেই কারণেই যে তিনি মুসলমানদের রোষের মুখে পড়েছেন, তা মনে করছেন সে দেশের সনাতনীরা। পূর্বাশ্রমে তাঁর নাম ছিল চন্দন কুমার ধর। সন্ন্যাস দীক্ষা নেওয়ার পর তাঁর নাম হয় চিন্ময় কৃষ্ণ দাস (Chinmoy Krishna Das)। বাংলাদেশের নিপীড়িত সংখ্যালঘুদের মুখ হয়ে ওঠেন তিনিই। তার জেরে চিন্ময়ের সঙ্গে হাত মেলান বাংলাদেশের ইস্কনের সন্ন্যাসীরা। তাঁরা চিন্ময়ের মুক্তির দাবিতে সোচ্চার হন।

    কী বলছেন কমেন্টেটর

    ঢাকার ওই কমেন্টেটর বলেন, “তিনি তাঁর বয়সের তুলনায় জ্ঞানী এবং পরিণত। আর এটি পরিস্থিতিরই একটি ফসল।” চট্টগ্রামের এক সন্ন্যাসী বলেন, “চিন্ময় ১৯৮৫ সালের মে মাসে চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলার কারিয়ানগর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি শিশু বয়স থেকেই ধর্মীয় ক্ষেত্রে একজন জনপ্রিয় বক্তা ছিলেন (Chinmoy Krishna Das)। তিনি ১৯৯৭ সালে, মাত্র ১২ বছর বয়সে দীক্ষা গ্রহণ করেন এবং ইসকনের ব্রহ্মচারী হন।” বাংলাদেশ সম্মিলিত সনাতনী জাগরণ জোট ৮ দফা দাবি আদায়ের জন্য ২৫ অক্টোবর চট্টগ্রামে একটি বিশাল সমাবেশের আয়োজন করেছিল। হিন্দুদের এই শক্তি প্রদর্শন বাংলাদেশের জনসংখ্যার একটি অংশের কাছে গ্রহণযোগ্য হয়নি। চিন্ময়-সহ ১৭ জন হিন্দু নেতার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের মামলা দায়ের করে তারাই। সেই মামলার ভিত্তিতেই গ্রেফতার করা হয় চিন্ময়কে।

    চিন্ময়কে রোখার চেষ্টা (Chinmoy Krishna Das)

    ২২ নভেম্বর রংপুরে জনসমাবেশের ডাক দেন চিন্ময়। সেই সমাবেশ আটকাতে চেষ্টার কসুর করেনি বাংলাদেশ সরকার। আগাম বুকিং করা থাকলেও, পরে কোনও কারণ ছাড়াই বাতিল করে দেওয়া হয় বুকিং। চিন্ময় বলেন, “বাংলাদেশে সনাতনীদের দুর্দশার কথা আপনি এই ঘটনাটি থেকেই অনুমান করতে পারেন। তাঁদের ওপর চলা দমন-পীড়নের প্রমাণের জন্য আর কিছুর প্রয়োজন নেই।” খুলনা এবং সিলেটেও দুটি বড় সমাবেশের আয়োজন করার পরিকল্পনা করেছিলেন চিন্ময় (Chinmoy Krishna Das)। তার আগে তাঁকে গ্রেফতার করা হয় ঢাকা থেকে।

    আরও পড়ুন: আজমের শরিফ দরগা আদতে একটি শিব মন্দির, হিন্দু সেনার আর্জি গ্রহণ করল আদালত

    বিপাকে ইউনূস সরকার

    বাংলাদেশের ওই কমেন্টেটর বলেন, “বাংলাদেশের হিন্দু জনগোষ্ঠীর একটি বড় অংশ তরুণ এবং প্রযুক্তি-সচেতন। এই তরুণরা দেখেছে যে সারা বিশ্বে সংখ্যালঘুদের নিজেদের জন্মভূমিতে টিকে থাকার জন্য লড়াই করতে হয়।” জানা গিয়েছে, ১৯৬৪ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত ধর্মীয় নিপীড়নের কারণে বাংলাদেশ ছেড়ে গিয়েছেন ১ কোটির বেশি হিন্দু ধর্মাবলম্বী। এই নিপীড়িতদেরই মুখ হয়ে উঠেছিলেন চিন্ময় (Chinmoy Krishna Das)। তাঁকে গ্রেফতার করেই বিপাকে বাংলাদেশ সরকার। কারণ এই মুহূর্তে চিন্ময়ের সঙ্গে রয়েছে তামাম বিশ্বের সহানুভূতির ঝড়। যার বড় মূল্য চোকাতে হতে পারে ইউনূসের (Muhammad Yunus) অন্তর্বর্তী সরকারকে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Jay Bhattacharya: ট্রাম্প প্রশাসনে গুরু দায়িত্বে বাঙালি, মার্কিন স্বাস্থ্য ব্যবস্থার মাথায় কলকাতার জয়ন্ত

    Jay Bhattacharya: ট্রাম্প প্রশাসনে গুরু দায়িত্বে বাঙালি, মার্কিন স্বাস্থ্য ব্যবস্থার মাথায় কলকাতার জয়ন্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ট্রাম্প (Donald Trump) প্রশাসনে ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ হেলথের নয়া অধিকর্তা হচ্ছেন জয় ভট্টাচার্য (Jay Bhattacharya)। পুরো নাম জয়ন্ত ভট্টাচার্য। বছর ছাপ্পান্নর জয় একই সঙ্গে স্বাস্থ্যবিদ এবং অর্থনীতিবিদ। তাঁর জন্ম কলকাতায়। বর্তমানে তিনি যুক্ত রয়েছেন স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় ও আমেরিকার ন্যাশনাল ব্যুরো অফ ইকনমিক রিসার্চের সঙ্গে। তাঁর ঝুলিতে রয়েছে এমডি ডিগ্রি। স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে পিএইচডিও করেছেন জয়।

    জয়ের ভূয়সী প্রশংসা (Jay Bhattacharya)

    জয়কেই যে এনআইএইচ-এর অধিকর্তার পদে বসানো হচ্ছে, ২৬ নভেম্বর সে সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি জারি করেন ভাবী মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মার্কিন ক্যাবিনেটে অন্তর্ভুক্তির পাশাপাশি জয়ের ভূয়সী প্রশংসা করেন ভারত-বন্ধু ট্রাম্প। ট্রাম্প জানান, রবার্ট এফ কেনেডির সঙ্গে মিলে এখন থেকে আমেরিকার স্বাস্থ্য ব্যবস্থার দায়িত্ব সামলাবেন জয়। স্বাস্থ্য অধিকর্তার পদে নিযুক্তির খবর (Jay Bhattacharya) পাওয়ার আগেই কেনেডির সঙ্গে দেখা করেছিলেন জয়। তাঁকে নিজের পরিকল্পনার কথাও জানান। তার পরেই এল নিযুক্তির খবর।

    কী বললেন ট্রাম্প?

    বিবৃতি জারি করে ট্রাম্প বলেন, “ক্যালিফোর্নিয়ার স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে হেল্থ পলিসি নিয়ে পড়ান জয়। ন্যাশনাল ব্যুরো অফ ইকনমিকস রিসার্চের রিসার্চ অ্যাসোসিয়েট তিনি। এছাড়া স্ট্যানফোর্ড ইনস্টিটিউট এবং হুভার ইনস্টিটিউটে তিনি সিনিয়র ফেলো। স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের এমডি এবং পিএইচডি ডিগ্রি রয়েছে তাঁর কাছে।” হবু মার্কিন প্রেসিডেন্ট জানান, স্ট্যানফোর্ডের সেন্টার ফর ডেমোগ্রাফি অ্যান্ড ইকোনমিক্স অফ হেল্থ অ্যান্ড এজিংয়ের ডিরেক্টর জয়। তাঁর গবেষণার মূল বিষয় হল, সমাজের দুর্বল শ্রেণির মানুষের জন্য স্বাস্থ্য প্রকল্পের ভূমিকা, বায়োমেডিক্যাল ইনোভেশন এবং অর্থনীতি।

    আরও পড়ুন: রাহুল গান্ধী ব্রিটিশ নাগরিক! ভারতীয় নাগরিকত্ব খারিজের দাবি, তদন্তে সিবিআই

    কলকাতায় ১৯৬৮ সালে জন্ম জয়ের (Jay Bhattacharya)। ১৯৯৭ সালে স্ট্যানফোর্ড ইউনিভার্সিটি স্কুল অফ মেডিসিন থেকে তিনি ডক্টর অফ মেডিসিন ডিগ্রি লাভ করেন। ১৯৯০ সালে মাস্টার্স করেন তিনি। ২০০০ সালে স্ট্যানফোর্ড থেকেই অর্থনীতিতে পিএইচডি ডিগ্রি পান জয়। জয় নামে পরিচিত হলেও, তাঁর আসল নাম জয়ন্ত ভট্টাচার্য।

    প্রসঙ্গত, আমেরিকার স্বাস্থ্য পরিকাঠামোয় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন এনআইএইচ। স্বাস্থ্যের ক্ষেত্রে গবেষণায় অনুদান দিয়ে থাকে এই সংস্থা। মার্কিন (Donald Trump) দেশে ওষুধ এবং থেরাপির ক্ষেত্রেও অনুমোদন নিতে হয় এই সংস্থার (Jay Bhattacharya)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • ISKCON Bangladesh: ‘‘সনাতনীদের সাংবিধানিক অধিকার নিশ্চিত করা হোক’’, ইউনূসকে কড়া বার্তা বাংলাদেশ ইসকনের

    ISKCON Bangladesh: ‘‘সনাতনীদের সাংবিধানিক অধিকার নিশ্চিত করা হোক’’, ইউনূসকে কড়া বার্তা বাংলাদেশ ইসকনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সংখ্যালঘুদের শান্তিতে বাঁচতে দেওয়া হোক। নিশ্চিত করা হোক তাঁদের সাংবিধানিক অধিকার। চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের (Chinmay Krishna Das) গ্রেফতারি নিয়ে মহম্মদ ইউনূস সরকারকে কড়া বার্তা দিল ইসকন বাংলাদেশ (ISKCON Bangladesh)। এই নিয়ে দু’টি পৃথক বিবৃতি জারি করেছে ইসকন। বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে সংগঠনের তরফে। বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে নিজেদের দাবি তুলে ধরেছে ইসকন। 

    সংখ্যালঘুদের সাংবিধানিক সুরক্ষার দাবি

    এই আবহে ইসকনের (ISKCON Bangladesh) তরফ থেকে বলা হয়েছে, ‘‘আমরা ধারাবাহিক ভাবে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কাছে আবেদন করেছি যাতে বাংলাদেশের সংখ্যালঘুদের সাংবিধানিক সুরক্ষা দেওয়া হয়। আমরা চাই যাতে সরকার এবং প্রশাসন দ্রুত পদক্ষেপ করে সনাতনীদের উদ্বেগ মেটায়। বাংলাদেশ আমাদের জন্মস্থান। আমরা এই দেশের গর্বিত নাগরিক। আমাদের অনেক আচার্য্যদের জন্ম এই দেশে। আমরা চাই সরকার যাতে এই দেশের প্রতিটি নাগিকের ধর্মীয় স্বাধীনতা বজায় রাখে। আমরা বর্তমান এবং ভবিষ্যতের যে কোনও সরকারের সঙ্গেই সমন্বয় বজায় রাখতে চাই। আমারা চাই যাতে সবাই সব ধর্মের প্রতি সহনশীল হন এবং যে কোনও ধরনের উস্কানি দেওয়া থেকে বিরত থাকেন।’’

    চিন্ময় প্রভুকে মুক্তির দাবি

    অপর এক বিবৃতিতে চিন্ময় প্রভু ইস্যুতে ইসকন বাংলাদেশের (ISKCON Bangladesh) তরফ থেকে বলা হয়, ‘‘বাংলাদেশ সম্মিলিত সনাতনী জাগরণ জোটের মুখপাত্র চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের (Chinmay Krishna Das) গ্রেফতারির তীব্র নিন্দা করছি। বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সনাতনীদের উপর যে হামলা চলছে আমরা সেই সব ঘটনারও নিন্দা করছি। আমরা চাই যাতে সরকার সনাতনীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করে। বাংলাদেশ সম্মিলিত সনাতনী জাগরণ জোটে’র প্রতিনিধি এবং একজন বাংলাদেশি নাগরিক হিসেবে চিন্ময় কৃষ্ণ দাস প্রথম থেকেই সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তার বিষয়টি নিয়ে সরব ছিলেন। তাঁর বাকস্বাধীনতার বিষয়টি বজায় রাখা খুবই প্রয়োজন। তিনি অন্যদের অধিকারের জন্যে মনে যে বল যোগাচ্ছেন, তা সমর্থন করা খুবই প্রয়োজন। চিন্ময় কৃষ্ণ দাস এবং এদেশের সনাতনী সম্প্রদায়ের বিচার প্রাপ্য। সংখ্যালঘুদের প্রতি কোনও ধরনের বৈষম্য আর মেনে নেওয়া হবে না।’’

    আরও পড়ুন: যুদ্ধবিরতির সিদ্ধান্ত ইজরায়েল-হিজবুল্লার! কেন এই সিদ্ধান্ত, কী ভাবছেন নেতানিয়াহু?

    সনাতনীদের ওপর হামলা বন্ধ হোক

    ইসকনের (ISKCON Bangladesh) তরফ থেকে আরও বলা হয়, ‘‘সরকারের প্রতি আমাদের দাবি, সনাতনীদের ওপর হামলাকারীদের চিহ্নিত করে তাদের সাজা দিতে হবে। চিন্ময় কৃষ্ণ দাস (Chinmay Krishna Das) এবং দেশের অন্যান্য সংখ্যালঘুদের মানবাধিকার রক্ষা করতে হবে। দেশের সব সম্প্রদায়ের মধ্যে যাতে শান্তি বজায় থাকে, তা নিশ্চিত করতে অবিলম্বে পদক্ষেপ করতে হবে। বাংলাদেশের এক সনাতনী সংগঠন হওয়ার দরুণ সংখ্যালঘুদের ধর্মীয় স্বাধীনতা এবং অধিকার রক্ষা করার বিষয়ে আমরা বদ্ধপরিকর।’’ বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা অবমাননার অভিযোগে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা করা হয়েছে ইসকনের সাধু চিন্ময় কৃষ্ণ দাস সহ ১৯ জনের বিরুদ্ধে। সোমবার বাংলাদেশ বিমানবন্দর থেকে গ্রেফতার করা হয় চিন্ময় কৃষ্ণ দাসকে। এরপরই ক্ষোভে ফেটে পড়েন বাংলাদেশে বসবাসকারী সংখ্যালঘুরা। প্রতিবাদে সরব হন তাঁরা। ভারত সরকারের তরফেও ইসকনের সাধুর গ্রেফতারি এবং জামিন মঞ্জুর না হওয়ার ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share