Category: বিদেশ

Get updates on World News Headlines International News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • PM Modi: ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দিতে রাশিয়া পাড়ি মোদির, আজ বৈঠকের সম্ভাবনা চিনের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে

    PM Modi: ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দিতে রাশিয়া পাড়ি মোদির, আজ বৈঠকের সম্ভাবনা চিনের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) মঙ্গলবারই তাঁর দুই দিনের সফরে রাশিয়া পাড়ি দিলেন। সেখানে ১৬তম ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দেবেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী। প্রসঙ্গত, নরেন্দ্র মোদির রাশিয়া সফরের আগে, গত রবিবারই সে দেশের রাষ্ট্রপ্রধান পুতিন প্রশংসায় ভরিয়ে দিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে। মোদিকে রাশিয়ার অত্যন্ত ভালো বন্ধু বলে উল্লেখ করেন পুতিন। রাশিয়া উড়ে যাওয়ার আগে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি নিজের এক্স হ্যান্ডেলে লেখেন, ‘‘রাশিয়ার উদ্দেশে রওনা হয়েছি। ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দেব।’’ ব্রিকস (BRICS) সম্মেলনের সঙ্গে ভারতের নিবিড় সম্পর্ক বলেও উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) এবং তিনি আরও জানিয়েছেন, বিভিন্ন ইস্যুতে বিস্তৃত আলোচনা হবে এখানে। বিশ্বের অন্যান্য রাষ্ট্র নেতারাও উপস্থিত থাকবেন। আজকে অর্থাৎ মঙ্গলবার সারা দুনিয়ার দৃষ্টি রয়েছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে চিনের রাষ্ট্রপতি জিনপিং-র বৈঠকের দিকে। যদিও ভারতের বিদেশমন্ত্রকের তরফ থেকে এই বিষয়ে এখনও কিছু আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়নি। শেষবারের মতো এই দুই রাষ্ট্র প্রধানের বৈঠক হয়েছিল ২০২৩-এর অগাস্টে সাউথ আফ্রিকায় ব্রিকস সম্মেলনে।

    জুলাই মাসের পর ফের রাশিয়া সফরে মোদি (PM Modi)

    নিজের পোস্টে প্রধানমন্ত্রী আরও লেখেন, ‘‘ভারতের গুরুত্বপূর্ণ স্থান রয়েছে ব্রিকস সম্মেলনে। এটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি মঞ্চ যেখানে আমরা আমাদের আলোচনা এবং কথোপকথন চালাতে পারি, বিশ্বের উন্নয়ন, জলবায়ু পরিবর্তন, অর্থনৈতিক সহযোগিতা প্রভৃতি ইস্যুতে। প্রসঙ্গত, চলতি বছরের জুলাই মাসেই মস্কো সফরে গিয়েছিলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী। তারপরে ঠিক তিন মাসের মাথায় ফের আবার রাশিয়া সফরের উদ্দেশে রওনা হলেন প্রধানমন্ত্রী। জুলাই মাসেই বেশ কিছু দ্বিপাক্ষিক ইস্যুতে বৈঠক হয় রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট পুতিনের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির। শুধু তাই নয় সে সময় ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে রাশিয়া সর্বোচ্চ নাগরিক সম্মানেও ভূষিত করে মস্কো।

    ব্রিকস তৈরি হয়েছিল ২০০৬ সালে (PM Modi)

    প্রসঙ্গত, ব্রিকস (BRICS) তৈরি করা হয়েছিল ২০০৬ সালে। রাশিয়া ভারত এবং চিন- এই তিন দেশের রাষ্ট্রপ্রধানরা ২০০৬ সালেই জি এইট সম্মেলনে এই গ্রুপ তৈরি করেন। প্রথমবারের জন্য ব্রিকস সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছিল ২০০৯ সালে এবং তা রাশিয়াতেই হয়েছিল। এখন ব্রিকস অনেকটাই বড় হয়েছে। মিশর, ইথিওপিয়া, ইরান, সৌদি আরব এবং সংযুক্ত আরব আমিরশাহী রয়েছে জোটে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sheikh Hasina: প্রধানমন্ত্রী পদে ইস্তফাই দেননি শেখ হাসিনা! এ কী কথা শোনালেন বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি?

    Sheikh Hasina: প্রধানমন্ত্রী পদে ইস্তফাই দেননি শেখ হাসিনা! এ কী কথা শোনালেন বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তাঁর ছেলের দাবি, প্রধানমন্ত্রী পদে ইস্তফা দেননি শেখ হাসিনা (Sheikh Hasina)। সম্প্রতি বাংলাদেশের (Bangladesh Crisis) রাষ্ট্রপতি মহম্মদ শাহবুদ্দিনেরও দাবি, হাসিনা পদত্যাগ করেছেন, এমন কোনও প্রামাণ্য নথি তাঁর কাছে নেই। সংরক্ষণকে কেন্দ্র করে অশান্তির জেরে গত ৫ অগাস্ট বাংলাদেশ ছাড়েন হাসিনা। তার পর কেটে গিয়েছে প্রায় সাড়ে তিন মাস। বাংলাদেশের সেনাপ্রধান ওয়াকারউজ জামান জানিয়েছেন, হাসিনা প্রধানমন্ত্রী পদে ইস্তফা দিয়েছেন। যদিও হাসিনার ছেলে কিংবা রাষ্ট্রপতির দাবি ভিন্ন।

    কী বলছেন রাষ্ট্রপতি? (Sheikh Hasina)

    বাংলাদেশের সংবিধানের ৫৭(ক) ধারা অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রীকে পদত্যাগ করতে হলে ইস্তফাপত্র পাঠাতে হয় রাষ্ট্রপতির কাছে। সম্প্রতি বাংলাদেশের দৈনিক ‘মানবজমিন’কে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে শাহবুদ্দিন জানান, হাসিনা দেশ ছাড়ার আগে তাঁকে কিছুই জানাননি। সেনাপ্রধান ওয়াকারকেও তিনি এ বিষয়ে প্রশ্ন করেছিলেন। তিনিও সুস্পষ্টভাবে তাঁকে কিছু জানাতে পারেননি বলেই দাবি বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতির। শাহবুদ্দিন বলেন, “ওয়াকারও জানিয়েছিলেন, তিনি শুনেছেন হাসিনা পদত্যাগ করেছেন।” তবে সেটা হাসিনা রাষ্ট্রপতিকে জানানোর সময় পাননি বলেই অনুমান ওয়াকারের।

    শাহবুদ্দিনের দাবি

    শাহবুদ্দিন জানান, ৫ অগাস্ট (এদিনই দেশ ছেড়েছিলেন হাসিনা) সকাল সাড়ে ১০টা নাগাদ প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন থেকে রাষ্ট্রপতি ভবনে ফোন এসেছিল। বলা হয়েছিল, তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী হাসিনা বঙ্গভবনে আসবেন রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দেখা করতে। সেই মতো প্রস্তুতিও শুরু হয়ে গিয়েছিল। ঘণ্টাখানেক পরেই আবারও ফোন এসেছিল। এবার তাঁকে জানানো হয় হাসিনা আর যাচ্ছেন না রাষ্ট্রপতি ভবনে (বঙ্গভবন)।

    হাসিনার (Sheikh Hasina) ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় দাবি করেছিলেন, “আমার মা কোথাও লিখিতভাবে পদত্যাগ করেননি।” হাসিনা নিজেও এ ব্যাপারে কিছু জানাননি। এবার রাষ্ট্রপতিও জানিয়ে দিলেন, হাসিনার পদত্যাগের প্রামাণ্য কোনও নথি বঙ্গভবনে নেই। প্রসঙ্গত, ৫ অগাস্ট বাংলাদেশের সেনাপ্রধান ওয়াকার সাংবাদিক সম্মেলনে জানিয়েছিলেন হাসিনার প্রধানমন্ত্রী পদে ইস্তফা দেওয়ার খবর।

    আরও পড়ুন: কেজরির শিশমহলের কড়ি-বর্গায়ও জমিদারির ছাপ, আপ নেতার হলটা কী?

    ওই সাক্ষাৎকারে রাষ্ট্রপতি বলেছেন, “এই বিষয়টি নিয়ে বিতর্কের কিছু নেই। প্রধানমন্ত্রী চলে গিয়েছেন, এটাই সত্য। এই বিষয়ে যাতে কখনও কোনও প্রশ্ন না ওঠে, সেজন্য (Bangladesh Crisis) সুপ্রিম কোর্টের মতামতও নেওয়া হয়েছে (Sheikh Hasina)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Organ Donor: শরীর থেকে বের করা হচ্ছিল হৃদযন্ত্র, আচমকা জেগে উঠলেন ‘মৃত’ অঙ্গদাতা!

    Organ Donor: শরীর থেকে বের করা হচ্ছিল হৃদযন্ত্র, আচমকা জেগে উঠলেন ‘মৃত’ অঙ্গদাতা!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শরীর থেকে হৃদযন্ত্র (Organ Donor) বের করার সময় হঠাৎই জেগে উঠলেন ‘মৃত’। অঙ্গদান করতে গিয়ে এখন খবরের শিরোনামে আমেরিকা (America)। অপারেশন টেবিলেই ‘মৃত’ ব্যক্তি আচমকা নড়েচড়ে বসেন। কিন্তু তারপরেও অস্ত্রোপচার চালিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। ইতিমধ্যে অত্যন্ত ক্ষোভ প্রকাশ করে আইনের দ্বারস্থ হয়েছেন পরিবার। এই ঘটনায় রীতিমতো তোলপাড় ফেলে দিয়েছে চিকিৎসক মহলে।

    টেবিলেই ছটফট করতে থাকেন (Organ Donor)

    ঘটনাটি ঘটেছিল ২০২১ সালের অক্টোবর মাসে। আমেরিকার (America) কেন্টাকিতে এই ঘটনা ঘটেছিল। টিজে হুভার নামের এক ব্যক্তি বেশি পরিমাণে মাদক সেবন করেছিলেন। এরপর নিজে হৃদরোগে আক্রান্ত হন। এরপর হুভারকে ব্যাপটিস্ট হেলথ রিচমন্ড হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে তাঁকে ব্রেন ডেড ঘোষণা করা হয়। এরপর অঙ্গপ্রত্যঙ্গগুলি (Organ Donor) প্রতিস্থাপন যোগ্য কিনা তা পরীক্ষা করে দেখা হয়। এরপর অপারেশন টেবিলে তোলা হলে আচমকা নড়েচড়ে বসেন তিনি। আমেরিকার নিউ ইয়র্ক (America) পোস্ট এই বিষয় নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে। তাতে বলা হয়, অস্ত্রোপচার করতে গেলে হুভারের শরীরে প্রাণের অস্তিত্ব মেলে বলে জানান হাসপাতালের কর্মীরা। রীতিমতো টেবিলেই ছটফট করতে থাকেন তিনি। এমন কী তাঁর চোখ দিয়ে জল গড়িয়ে পড়ার কথাও বলেন হাসপাতালের কর্মীরা। এক কর্মী আরও বলেন, “অঙ্গদানকারী ওই রোগীর অবস্থা দেখে দুই চিকিৎসক পিছু হটেন। কিন্তু তখনও রোগীর শরীর থেকে অঙ্গ বের করতে রাজি হননি দুই চিকিৎসক। তবুও কেন্টাকি অর্গ্যান ডোনার অ্যাফিলিয়েটস-এর পক্ষ থেকে চিকিৎসকদের কাজ চালিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। এমন কী রোগীর দেহে ওষুধ প্রয়োগ করে নিস্তেজ করে শরীর থেকে অঙ্গ বের করে নেওয়া হয়।” উল্লেখ্য এই ঘটনা অত্যন্ত অমানবিক বলে মন্তব্য করেন ওই কর্মী।

    আরও পড়ুনঃ এবার মলদ্বীপেও চালু হতে চলেছে ভারতের ইউপিআই ব্যবস্থা, ঘোষণা মুইজ্জুর

    চোখ খোলার অর্থ বেঁচে থাকা নয়

    এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত চিকিৎসক নাতাশা মিলার বলেন, “ওই সময় অত্যন্ত ছটফট করছিলেন হুভার। আমি স্পষ্ট দেখতে পেয়েছি ওর চোখ দিয়ে জল পড়ছিল। হৃদযন্ত্র (Organ Donor) অঙ্গদানের উপযুক্ত কিনা যখন পরীক্ষা করা হচ্ছিল, সেই সময় জেগে উঠেছিলেন হুভার।” আবার হুভারের দিদি ডনা বোরার বলেন, “আইসিইউ থেকে যখন বের করে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল সেই সময় ভাই চোখ খুলেছিলেন। হাসপাতালে জানালে ওরা আমায় বলে, চোখ খোলা রিফ্লেক্স মাত্র। চোখ খোলার অর্থ বেঁচে থাকা নয়। হয় তো বেঁচে ছিলেন দাদা, বোঝাতে চেয়েছিলেন।” কিন্তু শেষ পর্যন্ত শরীরের সব অঙ্গ কেটে বের করা হয়নি। কোডা-র কর্মীদের মধ্যে অনেকেই বিষয়টি নিয়ে প্রকাশ্যে মন্তব্য করেন। কেউ কেউ আবার হাসপাতাল থেকে পদত্যাগও করেন।

    তবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ঘটনার কথা সম্পূর্ণ অস্বীকার করছেন। কেন্টাকির অ্যাটার্নি জেনারেল বলেন, গোয়েন্দারা তদন্ত করছেন। তবে হুভার এখন সুস্থ হয়ে উঠেছেন, তবে সবকিছু স্বাভাবিক হতে আরও সময় লাগবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • UPI in Maldives: এবার মলদ্বীপেও চালু হতে চলেছে ভারতের ইউপিআই ব্যবস্থা, ঘোষণা মুইজ্জুর

    UPI in Maldives: এবার মলদ্বীপেও চালু হতে চলেছে ভারতের ইউপিআই ব্যবস্থা, ঘোষণা মুইজ্জুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শেষ হাসি হাসল ভারতই! ভারতের ইউপিআই ব্যবস্থা এবার চালু হতে চলেছে দ্বীপরাষ্ট্র মলদ্বীপেও (UPI in Maldives)। অনলাইনে টাকা লেনদেন বা কোনও কিছু কেনাকাটা করতে ভারতে ব্যবহার করা হয় ইউনিফায়েড পেমেন্টস ইন্টারফেস, সংক্ষেপে ইউপিআই (UPI)। এই ব্যবস্থারই সুবিধা এবার মিলবে মলদ্বীপে। ফলে মলদ্বীপ বেড়াতে গিয়ে আর নগদ লেনদেনর ঝক্কি পোহাতে হবে না ভারতীয়দেরও। সম্প্রতি এই মর্মে ঘোষণা করেন মলদ্বীপের প্রেসিডেন্ট মহম্মদ মুইজ্জু (Md Muizzu)।

    মহম্মদ মুইজ্জু চিনপন্থী (Md Muizzu)

    মলদ্বীপের প্রেসিডেন্ট মহম্মদ মুইজ্জু চিনপন্থী। তাঁর আমলে নানা কারণে ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক তলানিতে ঠেকে মলদ্বীপের। তার জেরে মলদ্বীপ বয়কটের ডাক দেন ভারতীয় পর্যটকরা। পেটে টান পড়ে দ্বীপরাষ্ট্রের। কারণ ফি বছর যত পর্যটক মলদ্বীপ বেড়াতে যান, তার সিংহভাগই ভারতীয়। এর পরেই নড়েচড়ে বসে মুইজ্জু প্রশাসন। চলতি মাসের শুরুর দিকে ভারতে আসেন তিনি। নয়াদিল্লিতে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বৈঠক হয় তাঁর। সেখানেই মলদ্বীপকে ডিজিটাল ও আর্থিক দিক থেকে সহায়তার আশ্বাস দেয় নয়াদিল্লি। তার পরেই দ্বীপরাষ্ট্রের মন্ত্রিসভায় ভারতীয় ইউপিআই (UPI in Maldives) ব্যবস্থা চালু করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

    চালু হচ্ছে ইউপিআই

    দেশে ইউপিআই চালু করার আগে একটি কেন্দ্রীয় সহায়তা ব্যবস্থা চালু করার কথা ঘোষণা করেন মুইজ্জু। জানিয়ে দেন, দ্বীপরাষ্ট্রের সমস্ত ব্যাঙ্ক, টেলিকম সংস্থা, রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা এবং তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থাকে ওই ব্যবস্থার অধীনে আনা হবে। অর্থমন্ত্রক, প্রযুক্তি মন্ত্রক-সহ একাধিক মন্ত্রককে ইউপিআই চালু করার বিষয়ে একত্রে কাজ করতে বলা হয়েছে।মলদ্বীপ সরকারের আশা, দেশে এই ব্যবস্থা চালু (UPI in Maldives) হলে অর্থনীতিতে উল্লেখযোগ্য উন্নতি ঘটবে। বৃদ্ধি পাবে আর্থিক লেনদেন। ডিজিটাল পরিকাঠামোও উন্নত হবে আগের চেয়ে ঢের বেশি। মুইজ্জু (Md Muizzu) সরকারের তরফে এ সংক্রান্ত একটি বিজ্ঞপ্তিও জারি করা হয়েছে।

    আরও পড়ুন: দুয়ারে উপনির্বাচন, রাজ্যের পাঁচ জেলায় আবাস যোজনার সমীক্ষা বন্ধের আর্জি বিজেপির

    এর আগেও একবার ভারত সফরে এসেছিলেন মুইজ্জু। সেবার মলদ্বীপে রুপে কার্ড চালু করেছিল ভারত। প্রতিবছর যে বিপুল সংখ্যক ভারতীয় পর্যটক মলদ্বীপ বেড়াতে যান, তাঁদের জন্যই চালু হয়েছিল ওই রুপে কার্ড। ভারত ভ্রমণে আসা মলদ্বীপের পর্যটকরাও (UPI in Maldives) এই কার্ডের সুবিধা ভোগ করতে পারবেন। রুপে কার্ডের পর এবার সে দেশে চালু হয়ে গেল ইউপিআই সিস্টেম (Md Muizzu)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • India-Canada Relation: খালিস্তানি জঙ্গিরা কানাডার গুপ্তচর! বিস্ফোরক দাবি ভারতীয় হাই কমিশনারের

    India-Canada Relation: খালিস্তানি জঙ্গিরা কানাডার গুপ্তচর! বিস্ফোরক দাবি ভারতীয় হাই কমিশনারের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কানাডায় থাকা খালিস্তানি জঙ্গিরা আদতে কানাডা সিকিউরিটি ইন্টেলিজেন্স সার্ভিসের গোপন এজেন্ট। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে এমনই দাবি করেছেন কানাডায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার সঞ্জয় ভার্মা। তাঁর বিরুদ্ধে কানাডা সরকারের আনা সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করে সঞ্জয় দাবি করেন, প্রথম থেকেই কানাডায় খালিস্তানি কট্টরপন্থীদের প্রশ্রয় দিয়ে এসেছে জাস্টিন ট্রুডোর সরকার। ভারত-কানাডা সম্পর্কের অবনতির জন্যও দায়ী ট্রুডো সরকার। তিনি জানান, খালিস্তানি নেতা হরদীপ সিং নিজ্জরের হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে কানাডা ভারতকে কোনও প্রমাণ দেখায়নি। অভিযোগগুলো ‘রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’।

    খালিস্থানপন্থীদের সঙ্গে কানাডা-যোগ

    সম্প্রতি কানাডার এক সংবাদ মাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সঞ্জয় বলেন, ‘আমি জানি বেশ কয়েকজন খালিস্থানপন্থী জঙ্গি সিএসআইএস-এর ডিপ অ্যাসেট। এটা আমার অভিযোগ। অবশ্য আমি এর পরিপ্রেক্ষিতে কোনও প্রমাণ দিচ্ছি না এখন।’ এদিকে নিজ্জরের খুন নিয়ে সঞ্জয় বলেন,  ‘‘যে কোনও খুনই দুর্ভাগ্যজনক এবং জঘন্য। আমি এই খুনের নিন্দা জানাচ্ছি। আমি এর আগেও বলেছি, এই ঘটনার মূলে যেতে হবে আমাদের।’’ ভারতীয় কূটনীতিবিদ আরও বলেন,  ‘‘আমরা চাই, কানাডার বর্তমন সরকার এমন কারও সঙ্গে মাখামাখি না করুক, যারা ভারতের অখণ্ডতাকে চ্যালেঞ্জ করছে। আমরা চাই যাতে কানাডা সরকার আমাদের সমস্যাটা বোঝে।’’

    আরও পড়ুন: কঠোর পদক্ষেপ! জঙ্গি তালিকায় কানাডার পুলিশ আধিকারিকের নাম জুড়ল ভারত

    কোনও বৈধ প্রমাণ ভারতকে দেওয়া হয়নি

    নিজ্জর খুন প্রসঙ্গে সঞ্জয় বলেন, ‘‘কানাডার পক্ষ থেকে কোনও বৈধ প্রমাণ ভারতকে দেওয়া হয়নি, যা ভারতীয় আইনের ভিত্তিতে গ্রহণযোগ্য হতে পারে। ভারত সরকার তদন্তের জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত, কিন্তু কানাডা এখনও কোনও প্রমাণ দেয়নি। প্রমাণ ছাড়া কোনও বিষয় নিয়ে এগনো যায় না।’’ সঞ্জয় আরও বলেন, ‘‘ভারত আইন মেনে চলা দেশ। কানাডার আদালতে যদি কোনও প্রমাণ গ্রহণযোগ্য হয়, তাহলে তা ভারতের আদালতেও গ্রহণযোগ্য হবে। তবে কানাডার আধিকারিকরা তো আমাদের সেই ক্ষেত্রে সাহায্য করেননি।’’ দাবি করা হয়, গত ৮ অক্টোবর কানাডার অফিসাররা ভারতে আসতে চেয়েছিলেন নিজ্জর খুনের ‘প্রমাণ’ তুলে ধরার জন্যে। এই নিয়ে সঞ্জয় ভার্মা বলেন, ‘‘এই সব ক্ষেত্রে ডেলিগেশনের ভিসা অ্যাফিক্স করতে হয়। এই ধরনের সরকারি দলকে অন্য দেশে যেতে হলে একটি অ্যাজেন্ডা থাকতে হয়। তারা এমন সময়ে আমাদের অ্যাজেন্ডা জানায়, যখন তাদের বিমান টেকঅফ করে চলে গিয়েছে। আমার মনে হয়, ইচ্ছে করেই তারা এটা করেছে। তারা জানত যে এভাবে আধ ঘণ্টা, এক ঘণ্টায় ভিসা ইস্যু করা যায় না। এটা পুরোপুরি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে আমার মনে হয়।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Netanyahu: ‘চরম মূল্য দিতে হবে’! খুনের চেষ্টা হতেই হুঁশিয়ারি নেতানিয়াহুর, ফের শুরু হামলা

    Netanyahu: ‘চরম মূল্য দিতে হবে’! খুনের চেষ্টা হতেই হুঁশিয়ারি নেতানিয়াহুর, ফের শুরু হামলা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুকে (Netanyahu) খুনের চেষ্টা! তাঁর বাসভবনে ড্রোন হামলা করা হয়। এর পরেই জঙ্গি নিকেশের অভিযান আরও তীব্র করল ইজরায়েল। জঙ্গিগোষ্ঠী হিজবুল্লাকে (Hezbollah) হুঁশিয়ারি দিয়ে নেতানিয়াহু আরও ঘোষণা করেছেন, যারাই তাঁদের (ইজরায়েল) ক্ষতি করার চেষ্টা করবে, তাদেরকে চরম মূল্য দিতে হবে। প্রসঙ্গত, ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনে ড্রোন হামলা যখন হয়, ঘটনাক্রমে সেই সময় বাড়িতে ছিলেন না নেতানিয়াহু ও তাঁর স্ত্রী।

    নেতানিয়াহুর (Netanyahu)  ট্যুইট

    নিজের এক্স হ্যান্ডলে তিনি লেখেন, ‘‘ইরানের যে এজেন্ট (হিজবুল্লা) আমাকে এবং আমার স্ত্রীকে হত্যার ষড়যন্ত্র করছে, তাদের বলতে চাই, খুব বড় ভুল করছেন আপনারা। এর ফল ভুগতে হবে। শত্রুদের বিরুদ্ধে আমাদের লড়াই জারি থাকবে।’’

    হুঁশিয়ারি ইরানকে

    একই সঙ্গে ইরানকেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন নেতানিয়াহু (Netanyahu) । তাঁর হুঁশিয়ারি, ‘‘হিজবুল্লা (Hezbollah), হামাস এবং হুথিদের নিয়ে যে ছায়াযুদ্ধ শুরু করেছে ইরান, তার জবাব দিচ্ছে ইজরায়েল। শত্রুদের বিরুদ্ধে এই লড়াই জারি থাকবে। যদি কেউ ইজরায়েলের নাগরিকদের ক্ষতি করার চেষ্টা করে, তার পরিণাম হবে ভয়ানক।’’ নেতানিয়াহুর (Netanyahu)  সেই হুঁশিয়ারির কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই লেবানন এবং গাজায় ব্যাপক হামলা শুরু করে ইজরায়েল।

    অভিযান চলবে গাজায়

    নেতানিয়াহু আরও হুঁশিয়ারি দিয়ে জানিয়েছেন, সন্ত্রাস দমনে গাজাতে তাদের অভিযান চলবে। প্রসঙ্গত, শুক্রবারে গাজার জনগণের উদ্দেশে বার্তা দিয়ে নেতানিয়াহু বলেন, ‘‘সিনওয়ারকে হত্যা করা হয়েছে, ইজরায়েলের বীর সৈন্যরা এই কাজ সম্পন্ন করেছেন। কিন্তু এখানেই গাজা যুদ্ধ সমাপ্ত হচ্ছে না।’’ এরপরেই তিনি গাজার জনগণের উদ্দেশে বলেন, ‘‘হামাস আত্মসমর্পণ করলেই গাজা যুদ্ধ সমাপ্ত হবে।’’

    অ্যাকশন মোডে ইজরায়েল

    নেতানিয়াহুকে খুনের চেষ্টা হতেই দক্ষিণ বেইরুটে হিজবুল্লার বেশ কয়েকটি ডেরায় হামলা চালিয়ে সেগুলি গুঁড়িয়ে দিয়েছে ইজরায়েল, এমনটাই দাবি তাদের সেনার। তাদের আরও দাবি, হিজবুল্লার একাধিক অস্ত্রভান্ডার এবং তাদের কমান্ড সেন্টারও ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি, গাজাতে শনিবার থেকে হামলা আরও জোরাল করেছে ইজরায়েল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Yahya Sinwar: ভাঙা হয় দাঁত, কাটা হয় তর্জনী! সিনওয়ারের মৃত্যু নিশ্চিত করাই লক্ষ্য ছিল ইজরায়েলের

    Yahya Sinwar: ভাঙা হয় দাঁত, কাটা হয় তর্জনী! সিনওয়ারের মৃত্যু নিশ্চিত করাই লক্ষ্য ছিল ইজরায়েলের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাথায় গুলি লেগেই মৃত্যু হয়েছিল হামাস প্রধান (Hamas leader death) ইয়াহিয়া সিনওয়ারের (Yahya Sinwar)। ময়নাতদন্তে উঠে এসেছে এই তথ্য। জানা গিয়েছে, ইজরায়েলের সেনাবাহিনীর ৮২৮ ব্রিগেড অভিযান চালাচ্ছিল তেল আল সুলতান নামে একটি অঞ্চলে। সেই অভিযান চালানোর সময়েই তাঁরা দেখতে পান সিনওয়ারের দেহ পড়ে রয়েছে। মৃতদেহের ডিএনএ পরীক্ষা করে সিনওয়ারের মৃত্যু নিশ্চিত করা হয় ইজরায়েলের তরফে। 

    ডিএনএ পরীক্ষা করে মৃত্যু নিশ্চিত করাই লক্ষ্য

    সিএনএন-এর রিপোর্ট অনুযায়ী, মাথায় গুলি করে হামাস প্রধানকে হত্যা করা হয়। পরে তাঁর ডান হাতের একটি আঙুলও কেটে নেওয়া হয়। সিনওয়ারের (Yahya Sinwar) দেহে একাধিক আঘাতের চিহ্ন মিলেছে। ময়নাতদন্তকারী এক চিকিৎসক জানিয়েছেন, দেহে একাধিক আঘাতের চিহ্ন থাকলেও মাথায় গুলি লাগার কারণেই সিনওয়ারের মৃত্যু হয়েছে। তাঁর মাথার খুলির একাংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। এ ছাড়া, ট্যাঙ্ক শেলের আঘাতেও গুরুতর জখম হয়েছিলেন তিনি। তাঁর মৃতদেহের ডান হাতের তর্জনী ছিল না। মৃত্যুর পরেই তা কাটা হয়েছে। হামলার পর ইজরায়েলি (Israel) সেনা সিনওয়ারের মৃতদেহ থেকে ওই আঙুল কেটে নিয়েছিল বলে জানা গিয়েছে। ডিএনএ পরীক্ষা করে মৃত্যু নিশ্চিত করার জন্যই আঙুল কাটা হয়।

    আরও পড়ুন: উচ্ছ্বাস ইজরায়েলে, হামাস প্রধান সিনওয়ারের মৃত্যু নিশ্চিত ডিএনএ পরীক্ষায়

    ভাঙা দাঁত দিয়ে ডিএনএ মেলানোর চেষ্টা

    প্রায় দু’দশক ধরে ইজরায়েলের জেলে বন্দি ছিলেন সিনওয়ার (Yahya Sinwar)। ২০১১ সালে ছাড়া পান তিনি। ইজরায়েলের ন্যাশনাল সেন্টার ফর ফরেন্সিক মেডিসিনের চিফ প্যাথোলজিস্ট চেন কাগেল জানিয়েছেন, সিনওয়ার জেলে থাকাকালীন তাঁর স্বাস্থ্য সম্পর্কিত যে প্রোফাইল ছিল, তার সঙ্গে মিলিয়ে দেখা হয় কাটা আঙুলের প্রোফাইল। তবেই ইজরায়েল নিশ্চিত হয়। জানা গিয়েছে, দাঁতও ভেঙে নেওয়া হয়েছিল। ভাঙা দাঁত দিয়ে ডিএনএ মেলানোর চেষ্টা করেছিল সেনাবাহিনী। কিন্তু সেটা যথেষ্ট ছিল না বলে জানিয়েছেন ওই প্যাথোলজিস্ট। তাই আঙুল কেটে নেওয়া হয়। সূত্রের খবর, সিনওয়ারের মৃত্যুর পর ইতিমধ্যেই নেতৃত্ব সঙ্কট তৈরি হয়েছে হামাসের অন্দরে। এক জন রাজনৈতিক নেতার সন্ধান করছে তারা, যিনি গাজার বাইরে থেকে সংগঠন পরিচালনা করতে পারবেন। ইতিমধ্যেই ইয়াহিয়া সিনওয়ারের মৃত্যুর পর হামাসকে (Hamas) হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • India-Canada Relation:কঠোর পদক্ষেপ! জঙ্গি তালিকায় কানাডার পুলিশ আধিকারিকের নাম জুড়ল ভারত

    India-Canada Relation:কঠোর পদক্ষেপ! জঙ্গি তালিকায় কানাডার পুলিশ আধিকারিকের নাম জুড়ল ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত ও কানাডার কুটনৈতিক সম্পর্কে (India-Canada Relation) ফাটল ক্রমশ বড় হচ্ছে। এবার শিখ সন্ত্রাসবাদীদের তালিকায় কানাডার এক পুলিশ আধিকারিকের নাম যোগ করল ভারত। কানাডিয়ান বর্ডার সার্ভিস এজেন্সিজ-এ কর্মরত এই যুবকের নাম সন্দীপ সিং সিন্ধু। ভারতের দাবি, সিন্ধু নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন ইন্টারন্যাশনাল শিখ ইয়ুথ ফেডারেশনের সদস্য। পাঞ্জাবে সন্ত্রাসবাদের প্রসারে এই সংগঠন কাজ করে চলেছে।

    সন্দীপের সঙ্গে পাক যোগ

    রিপোর্ট অনুযায়ী, কানাডিয়ান (India-Canada Relation) বর্ডার পুলিশের আধিকারিক সন্দীপ সিং সিন্ধুকে পলাতক সন্ত্রাসবাদীদের তালিকায় যুক্ত করেছে ভারত। কানাডায় খলিস্তানি জঙ্গি হরদীপ সিং নিজ্জরের হত্যাকাণ্ড ইস্যুতে বিগত কয়েক মাসে ভারত-কানাডার সম্পর্ক তলানিতে গিয়ে ঠেকেছে। ভারতীয় গোয়েন্দাদের রিপোর্ট অনুযায়ী সিন্ধুর সঙ্গে পাকিস্তানের বাসিন্দা খলিস্তানি নেতা লখবীর সিং রোডে এবং কয়েক জন আইএসআই কর্তার যোগাযোগ আছে। এরাই ২০২০ সালে খলিস্তানি সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে লড়াই করে শৌর্যচক্র পাওয়া সেনা অফিসার বলবিন্দর সিং সান্ধুকে হত্যা করেছিল। তাই সন্দীপ সিংকে প্রত্যর্পণের দাবি জানাল দিল্লি।

    আরও পড়ুন: কেন্দ্রীয় বাহিনীর নজরদারিতেই বাংলায় উপনির্বাচন, সব বুথে হবে ওয়েব কাস্টিংও

    সম্প্রতি,  সন্দীপকে সুপারিন্টেন্ডেন্ট পদে প্রোমোশন দিয়েছে কানাডার (India-Canada Relation) জাস্টিন ট্রুডো সরকার। ট্রুডো সরকারের খলিস্তানি প্রীতি নিয়ে সে দেশের বিরোধীরাও সরব হয়েছে। ভারতের সঙ্গে এত দিনের বন্ধুত্বের সম্পর্কে চিড় ধরার জন্য বিরোধী নেতারা প্রধানমন্ত্রী ট্রুডোকে দুষছেন। তাঁদের দাবি খলিস্তানি জঙ্গি নিজ্জরের হত্যাকাণ্ড নিয়ে অনাবশ্যক উত্তেজনা তৈরি করে ট্রুডো সরকার অন্য বিষয়ে তাদের অকর্মণ্যতাকে আড়াল করতে চাইছে। কানাডার পিপলস পার্টির নেতা ম্যাক্সিম বার্নিয়ারের কথায় নিজ্জর এক জন বিদেশি সন্ত্রাসবাদী। কানাডা সরকারের উচিত এক জন জঙ্গির মৃত্যু নিয়ে এত জটিলতা তৈরি না করে ভারতের সঙ্গে আলোচনা করে মতভেদ মিটিয়ে ফেলা। কারণ ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের বিষয়টি কানাডার পক্ষেও গুরুত্বপূর্ণ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sikhs For Justice: দুষ্কৃতীদের স্বর্গরাজ্য কানাডা! কীভাবে ভারত-বিরোধী কার্যকলাপের আঁতুড়ঘর হয়ে উঠল?

    Sikhs For Justice: দুষ্কৃতীদের স্বর্গরাজ্য কানাডা! কীভাবে ভারত-বিরোধী কার্যকলাপের আঁতুড়ঘর হয়ে উঠল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কানাডা (Canada)। বর্তমানে দেশটা হয়ে দাঁড়িয়েছে দুষ্কৃতীদের স্বর্গরাজ্য। কানাডিয়ান প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোর জমানায় যা আরও বেড়েছে বলেও দাবি আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের একাংশের। দুষ্কৃতীদের এই স্বর্গরাজ্যেই ঘাঁটি গেড়েছে নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন ‘শিখস ফর জাস্টিস’ (Sikhs For Justice)। ভারতে নিষিদ্ধ খালিস্তানপন্থী এই জঙ্গি সংগঠনের চাঁই গুরুপন্ত সিং পান্নুন। তাঁকে খুনের চেষ্টার অভিযোগ তোলা হয়েছে ভারতের বিরুদ্ধে। এই পান্নুনের সংগঠনের ট্রুডোর অফিসের ওঠাবসা চলছে বছর তিনেক ধরে। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে এ কথা কবুলও করেছেন পান্নুন। ট্রুডো মন্ত্রিসভা সংখ্যালঘু। সেই সরকার টিকে আছে জোড়াতালি দিয়ে, শিখদের সমর্থন নিয়ে। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, সেই সুড়ঙ্গ দিয়েই ট্রুডোর অফিসের লোকজনের সঙ্গে দহরম মহরম করছেন শিখস ফর জাস্টিসের লোকজন।

    খুলল ট্রুডো সরকারের মুখোশ (Sikhs For Justice)

    এই সংগঠনেরই নেতা হরদীপ সিং নিজ্জর খুন হয় গত জুনে, কানাডা-ভূমে। ওই ঘটনায় ভারতের দিকে অভিযোগের আঙুল তোলে ট্রুডো সরকার। প্রমাণ চায় ভারত। প্রমাণ দিতে পারেনি ট্রুডো সরকার। তবে ট্রুডো সরকারের এই দোষারোপের পর ভারত-কানাডা সম্পর্ক তলানিতে ঠেকে। ‘বিকশিত ভারত’ পাশ থেকে সরে যাওয়ায় প্রমাদ গোণে ট্রুডো সরকার। ভারত-কানাডার ভেঙে যাওয়া সম্পর্ক মেরামত করতে উদ্যোগী হন কানাডার প্রধানমন্ত্রী ট্রুডো স্বয়ং। সম্প্রতি ট্রুডো প্রকাশ্যে কবুল করেন, নিজ্জর খুনে ভারতকে দোষারোপ করার সময় তাঁর কাছে কোনও প্রমাণ ছিল না। তার পরেই খুলে যায় ট্রুডো সরকারের মুখোশ।

    খালিস্তান-প্রীতি

    ট্রুডো সরকারের খালিস্তান-প্রীতি (Sikhs For Justice) নিয়ে সরব হয়েছেন সে দেশের বিরোধীরাও। তাঁদের দাবি, খালিস্তানপন্থী জঙ্গি নিজ্জর খুনে অনাবশ্যক উত্তেজনা তৈরি করে ট্রুডো সরকার অন্যান্য বিষয়ে তাদের অকর্মণ্যতাকে আড়াল করতে চাইছে। কানাডার পিপলস পার্টির নেতা ম্যাক্সিম বার্নিয়ার বলেন, “নিজ্জর একজন বিদেশি সন্ত্রাসবাদী। তার পরেও তাঁকে ২০০৭ সালে জোর করে কানাডার নাগরিকত্ব দেওয়া হয়েছে।” তাঁর দাবি, ট্রুডো সরকারের উচিত প্রশাসনিক ভ্রান্তি দূর করে মরণোত্তরভাবে নিজ্জরের নাগরিকত্ব কেড়ে নেওয়া। বার্নিয়ার বলেন, “কানাডা সরকারের উচিত একজন জঙ্গির মৃত্যু নিয়ে এত জটিলতা তৈরি না করে ভারতের সঙ্গে আলোচনা করে মতভেদ মিটিয়ে ফেলা। কারণ ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের বিষয়টি কানাডার পক্ষেও গুরুত্বপূর্ণ।”

    নাৎসি-যোগ

    ২০১৮ সালে ট্রুডো সরকার চারজন রাশিয়ার কূটনীতিককে বহিষ্কার করেছিল। রাশিয়া তৎকালীন কানাডিয়ান বিদেশমন্ত্রী ক্রিস্টিয়া ফ্রিল্যান্ডের নাৎসি-যোগ প্রকাশ করার পরে আরও তিনজনের প্রবেশ নিষিদ্ধ করেছিল। ‘গ্লোব অ্যান্ড মেইল’ ও অন্যান্য কানাডিয়ান মিডিয়ার দাবি, ক্রিস্টিয়া ফ্রিল্যান্ড প্রায় দু’দশক ধরে জানতেন, তাঁর মামাবাড়ির দাদুর সঙ্গে নাৎসি যোগ ছিল। সেই সময় ফ্রিল্যান্ড রাশিয়াকে বিভ্রান্তি ছড়ানোর ও কানাডিয়ান গণতন্ত্রকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ করেছিলেন।ফ্রিল্যান্ডের অফিসের (Canada) দাবি ছিল, ফ্রিল্যান্ডের দাদুর সঙ্গে নাৎসিদের যোগ কোনওকালেই ছিল না। তবে লিবারেল পার্টি লিডারের দাদুর সঙ্গে যে নাৎসিদের সত্যিই যোগ রয়েছে, এটা রাশিয়া সরকারের মিথ্যে প্রচার নয়, তার স্বপক্ষে যথেষ্ঠ প্রমাণ ছিল। তার পরেও ফ্রিল্যান্ডের পাশে দাঁড়িয়েছে ট্রুডো সরকার, শাস্তি দিয়েছে রাশিয়ান কূটনীতিকদের।

    ক্রিস্টিয়া ফ্রিল্যান্ডের দাদু

    ক্রিস্টিয়া ফ্রিল্যান্ডের দাদু মাইখাইলো চমিয়াক দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় জার্মান মিলিটারি গোয়েন্দা বিভাগে কর্মরত ছিলেন। তিনি একটি প্রমিনেন্ট ইউক্রেনিয়ান পাবলিকেশনের এডিটর ছিলেন। এই পাবলিকেশন হিটলারকে নিয়ে হইচই করেছিল, প্রচার করেছিল তীব্র ইহুদি বিদ্বেষ। এই সংবাদপত্রের মাধ্যমেই নাৎসিদের প্রোপাগান্ডা চলত, ছড়ানো হত নাৎসিদের মতাদর্শ, হোয়াইটওয়াশ করা হত হলোকাস্টকে। যুদ্ধ শেষে চমিয়াক সপরিবারে ঢুকে পড়েন কানাডায়। সেই থেকে তাঁরা রয়েছেন ট্রুডোর দেশে, যোগাযোগও রয়েছে নাৎসিদের সঙ্গে।

    আরও পড়ুন: সোমবার পর্যন্ত সময়সীমা মমতাকে, না মানলে মঙ্গলে সর্বাত্মক ধর্মঘট, ঘোষণা ডাক্তারদের

    নাৎসি-প্রীতি

    ট্রুডোর নাৎসি-প্রীতিও প্রকাশ্যে আসে ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বর মাসে। সেই সময় কানাডিয়ান হাউস অফ কমন্স দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের প্রবীণ ইয়ারোস্লাভ হুঙ্কাকে সংবর্ধনা দেয় (Sikhs For Justice)। যদিও জানানো হয়নি হুঙ্কা নাৎসিদের দ্বারা প্রতিষ্ঠিত একটি এসএস ইউনিটের সদস্য ছিলেন ১৯৪৩ সালে। ট্রুডোর নাৎসি-প্রীতির পর ইদানিং প্রকাশ্যে এসেছে তাঁর শিখস ফর জাস্টিস-প্রেমের কথা। যা নিয়ে ভারতের সঙ্গে কানাডার অশান্তির সূত্রপাত। যা নিয়ে ভারত-কানাডার বন্ধুত্বের সম্পর্কে ইতি।

    কানাডায় খালিস্তানপন্থী জঙ্গি সংগঠনের বাড়বাড়ন্ত 

    পান্নুনের নেতৃত্বাধীন শিখস ফর জাস্টিস (Sikhs For Justice) ছাড়াও আরও অন্তত তিনটি খালিস্তানপন্থী জঙ্গি সংগঠন লালিত-পালিত হচ্ছে ট্রুডো সরকারের জল-হাওয়ায়। এদের মধ্যে রয়েছে বব্বর খালসা ইন্টারন্যাশনাল। খালিস্তান আন্দোলনে নিবেদিত প্রাণ এই সংগঠন একাধিক জঙ্গি কার্যকলাপের সঙ্গে যুক্ত। খালিস্তানপন্থীদের এই সংগঠনই এয়ার ইন্ডিয়ার বিমান কনিষ্কয় বম্বিং করেছিল। যার জেরে মৃত্যু হয়েছিল ৩০০ জনেরও বেশি মানুষের।

    ১৯৮৪ সালে (Canada) ব্রিটেনে জন্ম হয়েছিল ইন্টারন্যাশনাল শিখ ইয়ুথ ফেডারেশনের। এই সংগঠনেরও শাখা রয়েছে কানাডায়। কানাডার মাটিতে লালিত হয়েছে প্রয়াত নিজ্জরের সংগঠন খালিস্তান টাইগার ফোর্স। ভারত-বিরোধী সন্ত্রাসমূলক কার্জকর্মে লিপ্ত তারাও। এদেরই প্রধান মুখ ছিল নিজ্জর। কখনও হিন্দু মন্দিরে (Sikhs For Justice) হামলা, কখনও ভারত-বিরোধী স্লোগান দেওয়া, কখনও আবার হিন্দুদের কানাডা ছেড়ে চলে যাওয়ার আওয়াজ তুলেছে এই সংগঠন। তার পরেও মুখে কুলুপ এঁটেছেন ট্রুডো। আসলে শিখ সমর্থন না থাকলে যে পড়ে যাবে (Canada) তাঁর সরকার!

    অতএব…।    

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Mount Everest: ১০০ বছর পরে ব্রিটিশ পর্বতারোহীর দেহাবশেষ উদ্ধার! বদলে যাবে প্রথম এভারেস্ট জয়ের ইতিহাস?

    Mount Everest: ১০০ বছর পরে ব্রিটিশ পর্বতারোহীর দেহাবশেষ উদ্ধার! বদলে যাবে প্রথম এভারেস্ট জয়ের ইতিহাস?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১০০ বছর পর ব্রিটিশ পর্বতারোহী অ্যান্ড্রু আর্ভিনের (British Climber Andrew Irvine) দেহাবশেষ উদ্ধার হয়েছে। যার ফলে, এভারেস্ট (Mount Everest) জয়ের ইতিহাস বদলে যাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এই পর্বতের উত্তর দিকের রংবুক হিমবাহে অভিযান চালাচ্ছিলেন ন্যাশনাল জিওগ্রাফিকের তথ্যচিত্র নির্মাতারা। আচমকাই তাঁদের চোখে পড়ে একটি জুতো। এরপর সত্য উঠে আসতেই চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।

    দেহাবশেষ আর্ভিনের কিনা (Mount Everest)?

    চলচ্চিত্র নির্মাতা এরিখ রোপেক এবং পর্বতআরোহী মার্ক ফিশার ভালো করে নিরীক্ষণ করে দেখার পর বুঝতে পারেন, এই জুতো হল ১০০ বছর আগে পর্বতে হারিয়ে যাওয়া পর্বতারোহী অ্যান্ড্রু কামিন আর্ভিনের (British Climber Andrew Irvine)। তিনি স্যান্ডি নামে পরিচিত ছিলেন। জুতোর মধ্যে যে মোজা গালানো ছিল তাতে লাল সুতো দিয়ে নাম লেখা ছিল ওঁই পর্বতারোহীর নাম। এভারেস্টের (Mount Everest) উপর বরফের নিচে চাপা পড়েছিল এই জুতো। কিন্তু হিমবাহের বরফ গলার কারণে প্রায় এক শতাব্দী পর এই জুতো উদ্ধার হয়েছে। তবে দেহাবশেষ আর্ভিনের কিনা, তা নিশ্চিত করার জন্য পরিবারে খবর দেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যে ডিএনএ-র নমুনা সংগ্রহের জন্য প্রস্তাবও দেওয়া হয়েছে।

    মাত্র ২২ বছরে অভিযান করেছিলেন

    আজ থেকে প্রায় ১০০ বছর আগে, ১৯২৪ সালের ৮ জুন দুজন পর্বতারোহী অ্যান্ড্রু কামিন আর্ভিন (British Climber Andrew Irvine) এবং জর্জ ম্যালারি এভারেস্ট (Mount Everest) অভিযান শুরু করেছিলেন। তখন অ্যান্ড্রু কামিনের বয়স ছিল মাত্র ২২ বছর। কিন্তু অভিযানে দুই জনই নিখোঁজ হয়ে গিয়েছিলেন। পরবর্তী সময়ে খোঁজাখুঁজির পর ম্যালেরির দেহাবশেষ পাওয়া গেলেও আর্ভিনের কোনও খোঁজ পাওয়া যায়নি। এবার জুতো উদ্ধারের পর নিখোঁজ রহস্যের কিনারা হবে বলে মনে করছেন ওয়াকিবহাল মহল।

    আরও পড়ুনঃ ৪ নভেম্বর পর্যন্ত জেলেই সন্দীপ-অভিজিৎ, ধৃতদের ফোনে মিলেছে বহু ভিডিও, কী আছে তাতে?

    ১৯৫৩ সালে এভারেস্টে (Mount Everest) পা রাখেন তেনজিং

    জানা যাচ্ছে, যদি জুতো অ্যান্ড্রু কামিন আর্ভিনের (British Climber Andrew Irvine) বলে প্রমাণিত হয়, তাহলে এভারেস্টের ইতিহাসে বিরাট পরিবর্তন ঘটে যাবে। অনুমান করা হচ্ছে এডমন্ড হিলারি এবং তেনজিং নোরগের রেকর্ড ভেঙে যাবে। উল্লেখ্য, হিলারি-তেনজিং জুটি ১৯৫৩ সালে এভারেস্টের (Mount Everest) চূড়ায় পা রেখেছিলেন। কিন্তু, তার ২৯ বছর আগে অ্যান্ড্রু কামিন আর্ভিন হিমালয়ের সর্বোচ্চ শৃঙ্গে পা রেখেছিলেন। ফলে মাউন্ট এভারেস্টে ওঠার ইতিহাস বদলে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। অবশ্য, আর্ভিন এবং ম্যালারি আদৌ শৃঙ্গজয় করতে সক্ষম হয়েছিলেন কিনা, তা প্রমাণ সাপেক্ষ। কিন্তু, এখনই এই নিয়ে পর্বতারোহীদের মধ্যে ব্যাপক শোরগোল পড়ে গিয়েছে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share