Category: বিদেশ

Get updates on World News Headlines International News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Israel-Hezbollaah conflict: লেবানানে বোমাবর্ষণে হিজবুল্লা প্রধান হাসান নাসরাল্লা খতম, দাবি ইজরায়েলের

    Israel-Hezbollaah conflict: লেবানানে বোমাবর্ষণে হিজবুল্লা প্রধান হাসান নাসরাল্লা খতম, দাবি ইজরায়েলের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন হিজবুল্লার (Israel-Hezbollaah conflict) প্রধান সৈয়দ হাসান নাসরাল্লাকে খতম করেছে ইজরায়েল। লেবানানের (Lebanon) রাজধানী বেইরুটে ক্রমাগত বোমাবর্ষণ করেছে ইজরায়েল সেনা। হাসানের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করা হয়েছে ইজরায়েল সেনার পক্ষ থেকেই। পাল্টা ইরানের মদতপুষ্ট হিজবুল্লা এই মৃত্যু নিয়ে এখনও স্পষ্ট বক্তব্য জারি করেনি। পশ্চিম এশিয়ায় লাগাতর সংঘর্ষের কারণে ইতিমধ্যে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে রাষ্ট্রপুঞ্জ।

    কয়েক ঘণ্টার অপারেশনে খতম

    গত কয়েক দিন ধরেই লেবানানের সীমান্তবর্তী এলাকাগুলিতে ক্রমাগত জঙ্গিদের গোপন ঘাঁটিগুলি লক্ষ্য করে আক্রমণ (Israel-Hezbollaah conflict) চালিয়ে যাচ্ছে ইজরায়েল সেনা। শুক্রবার রাতে তাদের নিশানায় ছিল বেইরুট। দফায় দফায় বিমান এবং ক্ষেপনাস্ত্রের মাধ্যমে হামলা চালানো হয়। বোমা বর্ষণের জেরে ব্যাপক ভাবে ক্ষয়ক্ষতির শিকার হয়েছে লেবানান। ইজরায়েলের সেনার তরফ থেকে দাবি করা হয়, সৈয়দ হাসান নাসরাল্লার গোপন আস্তানাকে চিহ্নিত করা গয়েছিল। এরপর মাত্র কয়েক ঘণ্টার অপারেশনে তাঁকে খতম করা গিয়েছে।

    ১৯৯২ সাল থেকে সক্রিয় নাসারাল্লা (Israel-Hezbollaah conflict)

    বিবিসি সূত্রে জানা গিয়েছে, ইজরায়েলের হামলায় লেবানানে এখনও পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা প্রায় ৮০০ ছাড়িয়ে গিয়েছে। সম্প্রতি হামলায় হিজবুল্লার ড্রোন বাহিনীর প্রধান মহম্মদ হুসেন শ্রাউর এবং অন্যতম কমান্ডার ইব্রাহিম মুহম্মদ কোয়াবিসিরও মৃত্যু হয়েছে। লেবাননের (Lebanon) স্বাস্থ্য মন্ত্রক জানিয়েছে, শুক্রবারে ইজরায়েল সেনার হামলায় ৬ জন নিহত এবং ৯১ জন আহত হয়েছে ৷ হামলায় ছ’টি ভবন ধ্বংস হয়েছে ৷ ১৯৮০ সাল থেকে লেবানানের গৃহযুদ্ধের মধ্যেই এই জঙ্গি গোষ্ঠী তৈরি হয়েছিল। ১৯৯২ সাল থেকে ইসলামি ধর্মীয় নেতা এবং রাজনৈতিক নেতা হিসাবে সক্রিয় ছিলেন নাসারাল্লা।

    আরও পড়ুনঃ ডকেই ডুবে গেল পারমাণবিক সাবমেরিন! প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে বড় ধাক্কা চিনের

    তিনটি রকেট ছুড়ে হামলা করেছিল হিজবুল্লা

    উল্লেখ্য গত বছর ৭ অক্টোবর আচমকা গাজা থেকে ইজরায়েলে (Israel-Hezbollaah conflict) হামলা চালানো হয়েছিল। ইহুদিদের ধর্মীয় উৎসবের দিনে একাধিক জায়গায় হামলার ফলে হাজার হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছিল। একই সঙ্গে হামাস, হিজবুল্লার মতো জঙ্গিরা বহু অসহায় নিরপরাধ মানুষকে পণ বন্দি করে রেখেছিল। প্রচুর মানুষকে ঘুমন্ত অবস্থায় নির্বিচারে হত্যা করেছিল জঙ্গিরা। এরপর থেকে হামাসের বিরুদ্ধে প্রত্যক্ষ সংগ্রামে নেমে পড়ে ইজরায়েল। হিজবুল্লা সরাসরি যুদ্ধে না নামলেও হামাসকে সব রকম সহযোগিতা করেছিল। লেবানান থেকে ইজরায়েল ভূখণ্ডে তিনটি রকেট ছুড়ে হামলা করলে পাল্টা প্রতিক্রিয়া দিতে শুরু করে ইজরায়েল। এরপর থেকে প্রত্যক্ষ সংঘর্ষ শুরু হয়ে যায়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh: হিন্দু ছাত্রীদের হিজাব পরতে নির্দেশ, বিক্ষোভে উত্তাল ঢাকার বালিকা বিদ্যালয়

    Bangladesh: হিন্দু ছাত্রীদের হিজাব পরতে নির্দেশ, বিক্ষোভে উত্তাল ঢাকার বালিকা বিদ্যালয়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঢাকায় (Bangladesh) মোসলেমউদ্দিন বালিকা বিদ্যালয়ে ইসলামিক ধর্মশাস্ত্রের এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে মারাত্মক অভিযোগ উঠল, তিনি হিন্দু ছাত্রীদের জোরপূর্বক হিজাব পরার নির্দেশ দিয়েছেন। এর পাশাপাশি জোর করে কোরান পাঠও করাতে চেয়েছেন। এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে ওই বিদ্যালয়ের ছাত্রীরা ২৬ সেপ্টেম্বর, বৃহস্পতিবার বিক্ষোভ (Hindu students) প্রদর্শন করে। ঢাকার ডেপুটি কমিশনার মহম্মদ রবিউল ফয়সাল ২৭ সেপ্টেম্বর এক বিবৃতি দেন। সেখানে তিনি বলেন, ‘‘এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিতর্কিত মন্তব্য করার অভিযোগ সামনে এসেছে যে তিনি ভগবত গীতা সম্পর্কে কটুক্তি করেছেন এবং হিন্দু ছাত্রীদের জোর করে হিজাব পরাতে চেয়েছেন।’’ তিনি আরও জানিয়েছেন, ওই বিদ্যালয়ের হিন্দু ছাত্রীরা অভিযুক্ত মুসলিম শিক্ষকের অপসারণের দাবি তুলেছেন।

    কোরান মুখস্থ করতে বলতেন শিক্ষক! (Bangladesh) 

    প্রসঙ্গত, এই ঘটনার পরে একটি ভিডিও ভাইরাল হয় (Hindu students) সমাজ মাধ্যমে। সেখানে দেখা যায়, ওই বিদ্যালয়ের একাধিক পড়ুয়া নানা অভিযোগ এনেছেন শিক্ষকদের (Bangladesh) বিরুদ্ধে। একজন পড়ুয়ার দাবি, ‘‘ওই শিক্ষক আমাদেরকে কোরানের বিভিন্ন আয়াত ও সূরা অর্থসহ ১ সপ্তাহের মধ্যে মুখস্থ করতে বলেছিলেন। এর পাশাপাশি তিনি মেয়েদের হিজাব পরতে নির্দেশও দেন। তিনি এও বলেন, হিজাব না পরলে ছেলেরা তোমাদের শরীর দেখবে। এভাবেই দিনের পর দিন তিনি শ্রেণিকক্ষে আমাদেরকে অপমান করতে থাকেন।’’

    ওই শিক্ষক মূর্তিপূজা বিরোধী নানা মন্তব্য করতেন বলেও অভিযোগ

    আরেক ছাত্রীর অভিযোগ, ‘‘ওই শিক্ষক বৈষম্যমূলক আচরণ করেছেন (Bangladesh)। তিনি হিন্দু ছাত্রীদের দাঁড় করিয়ে রাখতেন, তাঁদেরকে প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করতেন, কেন তারা হিজাব পরেনি? যখন ছাত্রীরা জানতে চাইত, তারা কেন পরবে হিজাব, তখন তিনি জবাব দিতেন, হিজাব না পরলে রাস্তার ছেলেরা মেয়েদের শরীর দেখবে।’’ এর পাশাপাশি ওই শিক্ষক মূর্তিপূজা বিরোধী নানা মন্তব্য করতেন বলেও অভিযোগ।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • China: ডকেই ডুবে গেল পারমাণবিক সাবমেরিন! প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে বড় ধাক্কা চিনের

    China: ডকেই ডুবে গেল পারমাণবিক সাবমেরিন! প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে বড় ধাক্কা চিনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জলযুদ্ধে আমেরিকাকে টেক্কা দেওয়ার বাসনা চিনের (China) বরাবরের, যা এবার ধাক্কা খেল। ডুবে গেল বিশ্বের বৃহত্তম নৌবাহিনীর নতুন পারমাণবিক সাবমেরিন। চিন একথা প্রকাশ্যে না আনলেও বৃহস্পতিবার আমেরিকার প্রতিরক্ষা দফতরের এক সিনিয়র আধিকারিক এই দাবি করেন। তাঁর দাবি, চিনের (China) নতুন পারমাণবিক শক্তিচালিত ওই সাবমেরিন (nuclear-powered attack submarine) এই বছরের শুরুর দিকে ডুবে গিয়েছে। উপগ্রহ চিত্রে সেই ছবিও ধরা পড়েছে বলে মত তাঁর।

    খবর প্রকাশ করেনি চিন

    বিশ্বের বৃহত্তম নৌসেনার অধিকারী চিন (China)। চিনের রয়েছে ৩৭০ টিরও বেশি জাহাজ। এছাড়াও, চিন ইতিমধ্যেই একটি নতুন প্রজন্মের পারমাণবিক (Nuclear Submarine) সশস্ত্র সাবমেরিন তৈরির কাজ শুরু করেছে। এমন অবস্থায় এই খবর চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। এই খবর সামনে আসায় অস্বস্তির মধ্যে পড়েছে বেজিংও। যদিও তাদের তরফে এখনও কোনও বিবৃতি দেওয়া হয়নি। ওয়াশিংটনে চিনা দূতাবাসের একজন মুখপাত্র বলেছেন, এ বিষয়ে তাঁদের কাছে দেওয়ার মতো কোনও তথ্য নেই। দূতাবাসের তরফে বলা হয়, এই ঘটনা সম্পর্কে তারা অবগত নয়। 

    আরও পড়ুন: পরীক্ষায় ডাহা ফেল প্রতিদিনের ব্যবহৃত প্যারাসিটামল, প্যান ডি! ৫৩ ওষুধের তালিকা প্রকাশ

    মে-জুন মাসের ঘটনা

    চিনের (China) প্রতিরক্ষা শিল্প দীর্ঘদিন ধরেই দুর্নীতিগ্রস্ত। তাদের সরঞ্জামের গুণমান এমনকী লালফৌজের জলসেনার প্রশিক্ষণ নিয়েও সন্দেহ রয়েছে। তাইওয়ানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী ওয়েলিংটন কু, (Taiwan Defence Minister Wellington Koo), শুক্রবার তাইপেইতে বক্তৃতা দেওয়ার সময় বলেন, “একাধিক গোয়েন্দা তথ্য এবং নজরদারি পদ্ধতির মাধ্যমে পরিস্থিতি বোঝার চেষ্টা করা হচ্ছে।” তবে তিনি বিশদ বিবরণ দেননি। মার্কিন ওই কর্মকর্তা জানান, “চিনের নতুন প্রথম-শ্রেণির পরমাণু শক্তিচালিত সাবমেরিন (Nuclear Submarine) মে থেকে জুনের মাঝামাঝি সময়ে একটি পিয়ারের পাশে ডুবে যায়।” তিনি আরও বলেন, কী কারণে সাবমেরিন ডুবে গিয়েছে বা সেই মুহূর্তে তাতে পারমাণবিক জ্বালানি ছিল কিনা, তা স্পষ্ট নয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Durga Puja: দুর্গাপুজোয় ছুটির বিরোধিতা, প্রতিমা বিসর্জনে নিষেধাজ্ঞা! বাংলাদেশে দাপাচ্ছে মৌলবাদীরা

    Durga Puja: দুর্গাপুজোয় ছুটির বিরোধিতা, প্রতিমা বিসর্জনে নিষেধাজ্ঞা! বাংলাদেশে দাপাচ্ছে মৌলবাদীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠনের পর স্বরাষ্ট্র-উপদেষ্টা অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সাখাওয়াত হোসেন দুর্গাপুজোর ছুটির পক্ষে সওয়াল করেছিলেন। আর তারপরই তাঁকে পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল। এর পরই নমাজ আর আজানের সময়ে দুর্গাপুজোর (Durga Puja) বাদ্যযন্ত্র এবং মাইক বন্ধ রাখতে হিন্দুদের ফতোয়া দিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। শুধু তাই নয়, একাধিক দুর্গাপুজো কমিটিকে তোলা চেয়ে হুমকি দেওয়া হয়েছে এই মর্মে যে, ৫ লক্ষ টাকা না দিলে আয়োজন করা যাবে না পুজো। স্বাভাবিকভাবে, বাংলাদেশের (Bangladesh) অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠনের পর পরই এই সব ঘটনা হিন্দুদের দুর্গাপুজো করা নিয়ে চরম বার্তা দিয়েছিল। এবার পুজো যত এগিয়ে আসছে বাংলাদেশে দুর্গাপুজো নিয়ে আশঙ্কা এবং আতঙ্ক তত বাড়ছে।

    দুর্গাপুজোর বিরোধিতায় রাস্তায় নামল মৌলবাদীরা (Durga Puja)

    অগাস্ট মাসে বাংলাদেশে রাজনৈতিক পালাবদল ঘটেছে। শেখ হাসিনার সরকার ক্ষমতাচ্যুত হতেই বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রান্তে হিন্দুরা নিপীড়িত হচ্ছেন বলেও অভিযোগ। বাংলাদেশের পুলিশ এবং মহম্মদ ইউনূসের সরকার শান্তিতে পুজোর (Durga Puja) আশ্বাসই সার। সরকারের এই আশ্বাসকে তোয়াক্কা না করে আগেই খুলনা এবং ময়মনসিংহ এলাকায় পুজো করা নিয়ে হুমকি দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ। সেখানে এবার প্রতিমা বিসর্জন দেওয়া যাবে না বলে হিন্দুদের সতর্ক করেছে ইসলামপন্থি একটি সংগঠন। ইতিমধ্যে খুলনা জেলায় মন্দির ভাঙচুর, দুর্গাপুজো কমিটিগুলির কাছে তোলা চেয়ে হুমকি চিঠি দেওয়ার মতো ঘটনা সামনে এসেছে। এবার একেবারে ইউনূসের খাসতালুক ঢাকা শহরে দুর্গাপুজোর বিরোধিতায় রাস্তায় নামল মৌলবাদীরা। তাদের দাবি, হিন্দুদের সবথেকে বড় এই উৎসব প্রকাশ্যে উদযাপন করা যাবে না। শুধু তাই নয়, এই সময় গোটা দেশে ছুটিও দেওয়া চলবে না। তাতে নাকি দেশের অর্থনীতির ক্ষতি হবে। তাদের মতে, দুর্গাপুজোকে সর্বজনীন বলে দাবি করা অন্য ধর্মকে অবমাননা করার সামিল।

    আরও পড়ুন: ‘‘২৬ বছরের চাকরি জীবনে এমন অবহেলায় তৈরি সুরতহাল রিপোর্ট দেখিনি’’, দাবি সিবিআই কর্তার

    মন্দিরগুলিতে ভারত-বিরোধী ব্যানার টাঙানোর ফতোয়া

    ২৫ সেপ্টেম্বর বুধবার ‘ইনসাফ কায়েমকারী ছাত্র-জনতা’ নামে একটি চরমপন্থী সংগঠন ঢাকার সেক্টর ১৩-এ মালিবাগ মোড়ে একটি সমাবেশ ডেকেছিল। সেখানে যোগ দেন চরমপন্থী সংগঠনটির কয়েকশো কর্মী-সমর্থক। ঢাকায় বিক্ষোভ দেখিয়েছে তারা। সেই সময়ে বিভিন্ন প্ল্যাকার্ড নিয়ে পুজোর (Durga Puja) বিরোধিতাও করেছে তারা। জানা গিয়েছে, সেই প্ল্যাকার্ডে লেখা ছিল ‘রাস্তা বন্ধ করে সর্বত্র পূজা নয়। প্রতিমা বিসর্জনের দ্বারা জল দূষণ নয়। প্রতিমা পূজা নয়’। এমনকী ঢাকার উত্তরা এলাকায় একটি খেলার মাঠে দুর্গাপুজো করতে দেওয়া হবে না বলে জানিয়ে মিছিল করাও হয়েছে।

    ভারত-বিরোধিতা করলে তবেই পুজো!

    দুর্গাপুজোকে সামনে রেখে, মহম্মদ ইউনূসের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কাছে তারা ১৬ দফা দাবি জানিয়েছে। তারই অন্যতম হল, বাংলাদেশি হিন্দুদেরও ভারত বিরোধিতা করতে হবে। কারণ, ভারতকে, বাংলাদেশের ‘জাতীয় শত্রু’ বলে মনে করে এই কট্টরপন্থী সংগঠনটি। শুধু তাই নয়, এই জন্য মন্দিরগুলোতে ভারত- বিরোধী ব্যানার ও দুর্গাপুজোর আলোচনায় ভারত বিরোধী স্লোগানও দিতে হবে বলে দাবি করেছে তারা। মন্দিরে অখণ্ড ভারত গঠনের লক্ষ্যে হিন্দু উগ্রপন্থীরা সভা করে বলেও দাবি তাদের। এই সব অভিযোগ এনে মন্দির বন্ধের দাবি জানিয়েছে তারা। তাদের দাবি, বাংলাদেশের অনেক জমি দখল করে বিভিন্ন মন্দির নির্মিত হয়েছে। সেই মন্দিরগুলি সরিয়ে ফেরতে হবে।

    পুজোর প্রসাদ খাওয়া যাবে না

    মুসলমানের জন্য ফরমান জারি করা হয়েছে যে, তাদের পুজোয় আর্থিক সাহায্য দেওয়া চলবে না, প্যান্ডেলে প্রবেশ করা চলবে না, পুজোর প্রসাদও তারা মুখে তুলতে পারবে না। সম্প্রতি, বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার, দুর্গাপুজোর সময় ভারতে ৩ হাজার টন ইলিশ রফতানি করার ঘোষণা করেছে। এই মৌলবাদী সংগঠন স্পষ্ট জানিয়েছে, এটা কোনও উপহার নয়। ওই মাছ রফতানি করা হচ্ছে মাত্র। ইউনূস সরকারের এই সিদ্ধান্তেরও বিরোধিতা করেছে এই কট্টরপন্থী সংগঠন। তাদের দাবি, বাংলাদেশের রফতানি নীতি অনুসারে, ইলিশ মাছ রফতানিযোগ্য নয়। কাজেই এই সিদ্ধান্তে ইউনূস সরকার সেই নীতি লঙ্ঘন করেছে। দেশের জনগণের এর জন্য সরকারকে ক্ষমা চাইতে হবে বলে দাবি করেছে ইনসাফ কায়েমকারী ছাত্র জনতা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Bangladesh: পুজোর আগে ফের দুর্গার প্রতিমা ভাঙচুর বাংলাদেশে! গ্রেফতার মুসলিম যুবক

    Bangladesh: পুজোর আগে ফের দুর্গার প্রতিমা ভাঙচুর বাংলাদেশে! গ্রেফতার মুসলিম যুবক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশে (Bangladesh) অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান মহম্মদ ইউনূসের রাজত্বে হিন্দু নির্যাতন এখনও অব্যাহত। বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নামে হাসিনা সরকারের পতন ঘটার পর থেকে মৌলবাদী কট্টর মুসলমানদের আগ্রাসনের (Hindu torture) শিকার হচ্ছে সেদেশের হিন্দুরা। হাতে মাত্র আর কয়েকদিন বাকি দুর্গাপুজোর। ইতিমধ্যে দেশের নানা প্রান্ত থেকে বারবার হিন্দু মন্দির এবং দুর্গা মূর্তির ভাঙচুরের খবর উঠে আসছে। বুধবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ময়মনসিংহ জেলার গৌরীপুর শহরে একজন কট্টরপন্থী মুসলিম যুবক দেবী দুর্গা এবং অন্যান্য হিন্দু দেবতার মূর্তি ভাঙচুর করেছে। অভিযুক্তের নাম ইয়াসিন মিয়াঁ (২২)। বৃহস্পতিবার সকালে তাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। উল্লেখ্য, সম্প্রতি ঢাকার উত্তরায় দুর্গাপুজো না করার দাবি নিয়ে জামাত শিবিরের সমর্থকরা বিরাট মিছিল করেছে রাজপথে। সেখানে হিন্দুদের উদ্দেশ্য করে চরম হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। সামজিক মাধ্যমে এই ভিডিও ব্যাপকভাবে ভাইরাল হয়েছে। তার পরই এই হামলার খবর। ফলে, দুর্গাপুজো নিয়ে চরম আতঙ্কে রয়েছেন বাংলাদেশের হিন্দুরা।

    গোবিন্দজিউ মন্দিরে ঢুকে মূর্তি ভাঙচুর (Bangladesh)!

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, অভিযুক্ত ইয়াসিন মিয়াঁ বুধবার ভোররাতে গৌরীপুর (Bangladesh) শহরে গোবিন্দজিউ মন্দিরের প্রাঙ্গণে ঢুকে পড়ে। এরপর গত ২০ দিন ধরে যে দেবী দুর্গার মূর্তিগুলি তৈরি করা হচ্ছিল, তা নির্বিচারে ভাঙচুর করা হয়। মূর্তিগুলিকে ভাঙার সময় স্থানীয় ডলি রানী নামে এক হিন্দু মহিলা, এই অপকর্ম করতে দেখে ফেলেন। ঘটনাস্থলের দৃশ্য দেখে অত্যন্ত ভয় (Hindu torture) পেয়ে যান তিনি। খবর পেয়ে, অভিযুক্তকে ধরে ফেলেন দুই স্থানীয় অখিল চন্দ্র বিশ্বশর্মা এবং বিপুল ঘোষ। এরপর অভিযুক্তকে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়।

    অভিযুক্ত মানসিক ‘প্রতিবন্ধী’-র তত্ত্ব!

    চলতি বছরের ৯ অক্টোবর থেকে হিন্দুদের দুর্গাপুজো শুরু হবে। গৌরীপুরের (Bangladesh) গোবিন্দজিউ মন্দিরে বড় করে দুর্গাপুজো হয়। এখানকার হিন্দুরা এই পুজোতে একত্রিত হন। ওই মন্দিরে মৃৎশিল্পীরা আরও একাধিক মূর্তি তৈরি করছিলেন। ইতিমধ্যে ধৃত মুসলিম ব্যক্তিকে এখন পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে। জানা গিয়েছে, আবদুর হান্নানের ছেলে ইয়াসিনের বাড়ি গৌরীপুর উপজেলার গজান্দার গ্রামে। তবে অভিযুক্তের মা মিনা আখতার দাবি করেছেন, ছেলে মানসিক প্রতিবন্ধী। উল্লেখ্য, যখনই মন্দির ভাঙা হয় আর অভিযুক্তদের ধরা হয়, তখনই প্রতিবন্ধী বা বিকারগ্রস্তের তত্ত্ব দিয়ে তাদের বাঁচানোর চেষ্টা করা হয়। এমনটাই স্থানীয় হিন্দুদের অভিযোগ। এ বিষয়ে কথা বলতে গিয়ে বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের (গৌরীপুর উপজেলা) সভাপতি বলেন, “নির্মীয়মাণ সব মাটির মূর্তিগুলিকেই কমবেশি ভাঙা হয়েছে। কেন এটা করা হল বুঝতে পারছি না। আমি আমার জীবনে এমন ঘটনা আগে দেখিনি। হিন্দুদের বিরুদ্ধে গভীর ষড়যন্ত্র (Hindu torture) চলছে।”

    আরও পড়ুনঃ রাষ্ট্রপুুঞ্জের নিরাপত্তা পরিষদে ভারতের স্থায়ী সদস্যপদের দাবিকে জোরালো সমর্থন ফ্রান্সের

    লাগাতার হিন্দুদের উপর হামলা

    বাংলাদেশের (Bangladesh) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ক্ষমতাচ্যুত করার পর থেকে হিন্দু পরিবার থেকে শুরু করে মন্দির, দোকানপাট ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে অন্তত ২০৫টি হামলার ঘটনা ঘটেছে। খুলনা শহরের সোনাডাঙ্গা আবাসিক এলাকায় মিথ্যা অভিযোগে উৎসব মন্ডল নামে এক হিন্দু ছেলেকে উগ্র মুসলিম জনতা কীভাবে প্রায় পিটিয়ে মেরে ফেলেছিল (Hindu torture) সেই কথাও সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশ্যে এসেছে। বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নামে কীভাবে মুসলিম ছাত্ররা ৬০ জনের বেশি হিন্দু শিক্ষক, অধ্যাপক এবং সরকারী কর্মকর্তাদের পদ থেকে পদত্যাগ করতে বাধ্য করা হয়েছে, সেই কথাও দেশের হিন্দু নির্যাতনের চিত্রকে স্পষ্ট করেছে।

    জামাত শিবিরে যোগ দিতে চাপ হিন্দুদের

    মানবাধিকার কর্মী এবং নির্বাসিত বাংলাদেশি ব্লগার আসাদ নূর সম্প্রতি জানান, হিন্দু সংখ্যালঘু সম্প্রদায়কে এখন ‘জামাতে ইসলামি’তে যোগ দিতে বাধ্য করা হচ্ছে। একই ভাবে হিন্দুদের উপর আক্রমণের ঘটনার কথা তুলে ধরে সামজিক মাধ্যমে সরব হয়েছেন বিশিষ্ট সাহিত্যিক তসলিমা নাসরিন। গত ৬ সেপ্টেম্বর, বাংলাদেশের চট্টগ্রাম শহরের কদম মোবারক এলাকায় গণেশের মূর্তি নিয়ে শোভাযাত্রার সময় হিন্দু ভক্তদের উপর হামলা করেছিল কট্টরপন্থীরা। একই ভাবে পুজো করতে গেলে পুজো উদ্যোগতাদের কাছে ৫ লক্ষ করে টাকার দাবিও করছে বিএনপি এবং জামাত শিবির। উল্লেখ্য কয়েক বছর চট্টগ্রাম, কুমিল্লা, যশোর, বরিশালের দুর্গাপুজোর উপর ব্যাপক ভাবে আক্রমণ করেছিল দুষ্কৃতীরা। ইসকনের একাধিক ভক্তকে হত্যা করার ঘটনাও ঘটানো হয়েছিল। রাজনৈতিক ভাবে অস্থির বাংলাদেশে সবথেকে বেশি নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন কেবল মাত্র হিন্দুরা। অপর দিকে, সেনাবাহিনী এবং ইউনূস প্রশাসন এই বিষয়ে নির্বাক।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • UNSC: রাষ্ট্রপুুঞ্জের নিরাপত্তা পরিষদে ভারতের স্থায়ী সদস্যপদের দাবিকে জোরালো সমর্থন ফ্রান্সের

    UNSC: রাষ্ট্রপুুঞ্জের নিরাপত্তা পরিষদে ভারতের স্থায়ী সদস্যপদের দাবিকে জোরালো সমর্থন ফ্রান্সের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাষ্ট্রপুঞ্জের (United Nations) নিরাপত্তা পরিষদে ভারতের স্থায়ী সদস্যপদ প্রাপ্তির বিষয়ে জোরালো সমর্থন জানালেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইম্যানুয়েল মাক্রঁ (Emmanuel Macron)। এর আগে ভারতকে সমর্থন জানিয়েছিল আমেরিকা। ফলে রাষ্ট্রপুঞ্জের নিরাপত্তা পরিষদে (UNSC) ভারতের স্থায়ী সদস্যপদ পাওয়া ‘অবশ্যম্ভাবী’ বলেই মনে করছে কূটনৈতিক মহল। রাষ্ট্রপুঞ্জের সাধারণ পরিষদে (UNGA) ভাষণ দেওয়ার সময়, ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট জানান, রাষ্ট্রপুঞ্জকে আরও শক্তিশালী এবং কার্যকরী করে তোলার জন্য ভারতকে নিরাপত্তা পরিষদে স্থায়ী সদস্য হিসেবে দেখতে চায় ফ্রান্স।

    ফ্রান্সের সমর্থন

    বর্তমানে রাষ্ট্রপুঞ্জের নিরাপত্তা পরিষদে (UNSC) পাঁচটি সদস্য রাষ্ট্র রয়েছে। আমেরিকা, রাশিয়া, চিন, ব্রিটেন ও ফ্রান্স। নিরাপত্তা পরিষদে স্থায়ী সদস্যপদ পাওয়ার ক্ষেত্রে ভারতের পক্ষেই যে বিশ্বের একটি বড় অংশ রয়েছে, তা প্রমাণিত। নিউ ইয়র্কে সাধারণ পরিষদে (United Nations) বক্তব্য রাখার সময় মাক্রঁ বলেন, “আসুন, রাষ্ট্রপুঞ্জকে আরও কার্যকর করি। আমাদের এটিকে আরও প্রতিনিধিত্বমূলক করতে হবে এবং এ কারণেই ফ্রান্স নিরাপত্তা পরিষদকে সম্প্রসারিত করার পক্ষে। এজন্য জার্মানি, জাপান, ভারত এবং ব্রাজিলকে স্থায়ী সদস্য পদ দেওয়া উচিত।” 

    কেন দরকার ভারতকে

    ভারত এখন শক্তিশালী দেশগুলির মধ্যে অগ্রগণ্য। ভারতীয় অর্থনীতিতে বৃদ্ধির হার বিশ্বের মধ্যে সর্বোচ্চ। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ থেকে শুরু করে বিশ্বে সন্ত্রাস মোকাবিলায় ভারত সক্রিয় ভূমিকা নিয়েছে। তাই নিরাপত্তা পরিষদে (UNSC) ভারতের স্থায়ী সদস্যপদ পাওয়া উচিত বলেই অভিমত কূটনীতিকদের। ১৫ সদস্য নিয়ে গঠিত নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী পাঁচ সদস্যের ভেটো ক্ষমতা রয়েছে। অন্যরা দু’বছরের জন্য নির্বাচিত হয়। সমতাভিত্তিক প্রতিনিধিত্বের প্রশ্নটি ১৯৭৯ সাল থেকে সাধারণ পরিষদের অ্যাজেন্ডায় রয়েছে। এখন দিনে দিনে, বিশ্বব্যাপী বাড়তে থাকা সংঘাতের মধ্যে সংস্কারের দাবি আরও জোরালো হয়েছে। সম্প্রতি কোয়াড বৈঠকে রাষ্ট্রপুঞ্জে (United Nations) ভারতের স্থায়ী সদস্য পদের দাবিকে সমর্থন করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনও। তিনি বলেন, “আমরা নিরাপত্তা পরিষদকে (UNSC) সংস্কার করব। নিরাপত্তা পরিষদকে আরও প্রতিনিধিত্বমূলক, অন্তর্ভুক্তিমূলক, স্বচ্ছ, কার্যকর, গণতান্ত্রিক এবং জবাবদিহিমূলক করতে এখানে স্থায়ী ও অস্থায়ী সদস্যপদের সম্প্রসারণ করা হবে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Harini Amarasuriya: ভারতেই পড়াশোনা, রাজনীতির হাতেখড়ি! শ্রীলঙ্কার নতুন প্রধানমন্ত্রী হরিণী অমরসূর্য

    Harini Amarasuriya: ভারতেই পড়াশোনা, রাজনীতির হাতেখড়ি! শ্রীলঙ্কার নতুন প্রধানমন্ত্রী হরিণী অমরসূর্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শ্রীলঙ্কার নতুন প্রধানমন্ত্রী (Sri Lanka PM) হলেন হরিণী অমরসূর্য (Harini Amarasuriya)। তিনি হলেন শ্রীলঙ্কার তৃতীয় মহিলা প্রধানমন্ত্রী। রাষ্ট্রপতি পদে দায়িত্ব নেওয়ার দু’দিনের মাথায় দলীয় সতীর্থ হরিণীকে প্রধানমন্ত্রী পদে বেছে নিলেন অনুরাকুমার দিশানায়েকে। রাজনীতির রঙ্গমঞ্চে পা রাখা পড়শি দেশের ১৬তম প্রধানমন্ত্রী হরিণী আদতে শিক্ষাবিদ। ভারতের সঙ্গে তাঁর যোগ অটুট। দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীন হিন্দু কলেজ থেকে তিনি স্নাতক ডিগ্রি লাভ করেন। তখনই তাঁর রাজনীতিতে হাতে খড়ি।

    তৃতীয় মহিলা প্রধানমন্ত্রী

    হরিণীকে (Harini Amarasuriya) প্রেসিডেন্ট দিশানায়েকের নেতৃত্বাধীন ন্যাশনাল পিপল্‌স পাওয়ার (এনপিপি) নামের বাম জোট থেকে বেছে নেওয়া হয়েছে। দীনেশ গুণবর্ধনের স্থলাভিষিক্ত হলেন তিনি। ৬ মার্চ, ১৯৭০ সালে জন্মগ্রহণ করেন হরিণী। সিরিমাভো বন্দরনায়েকে ছিলেন শ্রীলঙ্কা তথা বিশ্বের প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রী। পরে তাঁর মেয়ে সিরিমাভো বন্দরনায়েকে কুমারতুঙ্গা প্রথমে প্রধানমন্ত্রী এবং পরে রাষ্ট্রপতি হন। বুধবার, ২৫ সেপ্টেম্বর দক্ষিণের দ্বীপরাষ্ট্রটির প্রধানমন্ত্রী হিসাবে হরিণীর নাম ঘোষণা করা হয়। প্রধানমন্ত্রী পদের পাশাপাশি অমরসূর্যকে বিচার, শিল্প, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, স্বাস্থ্য এবং বিনিয়োগ-সহ বেশ কয়েকটি দফতরের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

    আরও পড়ুন: লাভ জিহাদ-এর বিরুদ্ধে লড়াই, উত্তরাখণ্ডে ছয় শতাধিক মেয়েকে উদ্ধার হিন্দু সংগঠনগুলির

    হরিণীর ভারত-যোগ

    রাজনীতির সঙ্গে শিক্ষাক্ষেত্রেও নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন হরিণী (Harini Amarasuriya)। তিনি একজন অধিকার কর্মী ও বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপকও বটে। শ্রীলঙ্কার একটি মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন তিনি। ৫৪ বছর বয়সি হরিণী জন্মসূত্রে সিংহলি হলেও ভারতের সঙ্গে তাঁর যোগ গভীর। এই যোগাযোগ পড়াশোনার হাত ধরেই। শ্রীলঙ্কার দক্ষিণাঞ্চলে বেড়ে ওঠেন হরিণী। পরে তাঁর পরিবার কলম্বোয় চলে আসে। সেখানে একটি বেসরকারি স্কুলে পড়াশোনা শুরু হয় তাঁর। তার পরে উচ্চ শিক্ষা শেষ করতে নিজের দেশ ছেড়ে ভারতে চলে আসেন তিনি। ১৯৯১ সাল থেকে ১৯৯৪ পর্যন্ত ভারতে থেকে দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ে সমাজবিজ্ঞানে স্নাতক ডিগ্রি লাভ করেন দ্বীপরাষ্ট্রের নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী। দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বনামধন্য হিন্দু কলেজে পড়াশোনা করেছেন হরিণী। এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পড়ার সময় থেকেই তাঁর রাজনৈতিক শিক্ষার হাতেখড়ি হয় বলে ধরা হয়। যা পরবর্তী কালে শ্রীলঙ্কায় তাঁর রাজনৈতিক কেরিয়ার গঠনে গুরুত্বপূর্ণ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে নরেন্দ্র মোদির শান্তি-প্রস্তাবে লুকিয়ে রয়েছে ঠিক কোন রফাসূত্র?

    PM Modi: রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে নরেন্দ্র মোদির শান্তি-প্রস্তাবে লুকিয়ে রয়েছে ঠিক কোন রফাসূত্র?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টানা দু’বছর ধরে চলছে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ (Ukraine Russia War)। এই যুদ্ধের অবসান ঘটাতে চাইছে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভালোদিমির জেলেনস্কি। মস্কোর সঙ্গে শান্তিচুক্তিও স্বাক্ষর করতে চাইছেন তিনি। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট এজন্য ভারতের (PM Modi) ওপরই ভরসা করছেন বলে খবর। জানা গিয়েছে, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির তরফে একটি শান্তি-প্রস্তাবও দেওয়া হয়েছে ইউক্রেনকে।

    মোদির রফাসূত্র (PM Modi)

    সম্প্রতি তিন দিনের মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সফরে গিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেখানেই জেলেনস্কির সঙ্গে পার্শ্ববৈঠক করেন মোদি। রাশিয়ার সঙ্গে চলা যুদ্ধে কীভাবে দাঁড়ি টানা যায়, তা নিয়েও আলোচনা হয়েছে দুই রাষ্ট্রপ্রধানের। সংবাদ সংস্থা সূত্রে জানা গিয়েছে, জেলেনস্কির সঙ্গে আলোচনায় প্রধানমন্ত্রী পরিষ্কার করে দিয়েছেন, শান্তিচুক্তি স্বাক্ষর করতে গিয়ে ইউক্রেনকে যদি কিছু আপোস করতে হয়, তবে তার বিনিময়ে রাশিয়াকে কোনও ভূখণ্ড ছেড়ে দেওয়ার শর্ত দেওয়া হবে না। এর অর্থ হল, এখনও পর্যন্ত যুদ্ধে ইউক্রেনের যেসব অঞ্চল রাশিয়া দখল করে নিয়েছে, তা ছেড়ে দিতে হবে। তবে ইউক্রেনকে ইউরোপিয় ইউনিয়ন এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি তার ঝোঁকের ভারসাম্য বজায় রাখতে হতে পারে। ইউরোপিয় ইউনিয়নের সদস্যপদ নেওয়াও আপাতত স্থগিত রাখতে হবে।

    ভারত-চিনের দ্বন্দ্ব প্রসঙ্গও

    ওই আলোচনায় এসেছে ভারত-চিনের দ্বন্দ্বের প্রসঙ্গও। লাদাখে চিনের সঙ্গে ভারতের (PM Modi) সংঘর্ষের প্রসঙ্গও উঠেছে। গত কয়েক দশক ধরে চিনা ফৌজের লাগাতার আক্রমণের জেরে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে ভূখণ্ড হারিয়েছে ভারত। তার পরেও ভারত চিনের সঙ্গে যুদ্ধে জড়ায়নি। বরং আলোচনার মাধ্যমেই সমস্যার সমাধান করতে চেয়েছে। বড় কোনও আঞ্চলিক ছাড় দিতেও অস্বীকার করেছে ভারত। তাওয়াং এবং অরুণাচল প্রদেশের একটা অংশের ওপর বেজিং যে দাবি করেছিল, সেই দাবিও প্রত্যাখ্যান করেছে ভারত।

    আরও পড়ুন: “ভারত অপ্রতিরোধ্য”, ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’র ১০ বছর পূর্তিতে সাফল্যের খতিয়ান পেশ মোদির

    পলিটিকোর রিপোর্টে বলা হয়েছে, কিভের (ইউক্রেনের রাজধানী) চোখে মোদি অনেক কম সময়ে অনেকটা পথ পাড়ি দিয়ে ফেলেছেন। ওই রিপোর্টে বলা হয়েছে, ইউক্রেন ক্রমশ ভারতকে রাশিয়ার সঙ্গে সম্পর্কিত বিষয়ে আদর্শ মধ্যস্থতাকারীই হিসেবে দেখছে। ভারতের সঙ্গে ভালো সম্পর্ক রয়েছে ইউক্রেনের। বন্ধুত্বের সম্পর্ক রয়েছে রাশিয়ারও। পশ্চিমে ইউক্রেনের যেসব বন্ধু দেশ রয়েছে, তাদের সঙ্গেও ভালো সম্পর্ক নরেন্দ্র মোদির ভারতের। সেই কারণেই রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে ইতি টানতে ভারতের (PM Modi) ওপর ক্রমেই নির্ভর করতে শুরু করেছে জেলেনস্কির দেশ (Ukraine Russia War)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • BAPS Swaminarayan Mandir: আমেরিকায় ফের স্বামীনারায়ণ মন্দিরের দেওয়ালে খালিস্তানপন্থীদের স্লোগান

    BAPS Swaminarayan Mandir: আমেরিকায় ফের স্বামীনারায়ণ মন্দিরের দেওয়ালে খালিস্তানপন্থীদের স্লোগান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত দশ দিনের মধ্যে এ নিয়ে দ্বিতীয়বার। ফের হিন্দু মন্দিরের দেওয়ালে লেখা হল খালিস্তানপন্থীদের স্লোগান । আমেরিকার ক্যালিফোর্নিয়ার স্যাক্রামেন্টো এলাকায় অবস্থিত বিএপিএস স্বামীনারায়ণ মন্দিরের (BAPS Swaminarayan Mandir)দেওয়ালে লেখা হয়েছে হিন্দু বিরোধী স্লোগান (Khalistani Slogans)। ২৫ সেপ্টেম্বর রাতের ঘটনা। দিন দশেক আগে নিউইয়র্কের মেলভিলের বিএপিএস স্বামীনারায়ণ মন্দিরে এই ধরনের ঘটনা ঘটেছিল। তার পর ফের একই ঘটনা ঘটল ক্যালিফোর্নিয়ার মন্দিরে। মন্দিরগাত্রে লেখা হয়েছে ‘হিন্দু গো ব্যাক’ স্লোগান। ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে আমেরিকার হিন্দু সমাজে। ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছে হিন্দু সংগঠনগুলি।

    স্বামীনারায়ণ মন্দিরে ভাঙচুর আগেও 

    ১৬ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কের স্বামীনারায়ণ মন্দিরে (BAPS Swaminarayan Mandir) ভাঙচুর চালানো হয় বলে অভিযোগ। ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছিল নিউইয়র্কে অবস্থিত ভারতীয় কনস্যুলেট। সেই জঘন্য অপরাধের বিরুদ্ধে দ্রুত পদক্ষেপের আর্জিও জানানো হয়েছিল মার্কিন প্রশাসনের কাছে। সেই ঘটনার রেশ মিলিয়ে যাওয়ার আগেই ফের ঘটল একই ধরনের ঘটনা। বিএপিএস মন্দির (BAPS Swaminarayan Mandir) কর্তৃপক্ষের তরফে এক্স হ্যান্ডেলে করা পোস্টে লেখা হয়েছে, “নিউইয়র্কের স্যাক্রামেন্টো এলাকায় দশ দিনেরও কম সময়ে বিকৃত করা হয়েছে বিএপিএসের মন্দির (Khalistani Slogans)। গতকালও মন্দিরের গায়ে লেখা হয়েছে হিন্দুরা ফিরে যাও। শান্তির জন্য সমবেতভাবে প্রার্থনা করে আমরা ঘৃণার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়েছি।”

    কী বলছে মার্কিন প্রশাসন

    স্যাক্রামেন্টো কাউন্টির শেরিফের অফিস সূত্রে খবর, মন্দিরের দেওয়ালে যারা হিন্দু-বিরোধী স্লোগান লিখেছিল, তারা মন্দিরের (BAPS Swaminarayan Mandir) জলের লাইনও কেটে দিয়েছিল। মন্দিরে ভাঙচুরের ঘটনায় তদন্ত শুরু করেছে স্যাক্রামেন্টো পুলিশ। ঘটনাটিকে তারা ঘৃণামূলক অপরাধের তালিকাভুক্ত করেছে। কানাডার মতো মার্কিন মুলুকেও বাড়বাড়ন্ত খালিস্তানপন্থীদের। বেশ কিছুদিন ধরেই আমেরিকার বিভিন্ন হিন্দু মন্দিরে হামলা চালানোর হুমকি দেওয়া হচ্ছিল। তার পর থেকেই শুরু হয়েছে একের পর এক মন্দিরে হামলা(Khalistani Slogans)।

    আরও পড়ুন: “ভারত অপ্রতিরোধ্য”, ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’র ১০ বছর পূর্তিতে সাফল্যের খতিয়ান পেশ মোদির

    গত ২৩ ডিসেম্বর ক্যালিফোর্নিয়ার নেওয়ার্ক শহরে হিন্দু মন্দিরে (BAPS Swaminarayan Mandir) হামলা চালিয়েছিল খালিস্তানপন্থীরা। সেই মন্দিরের দেওয়ালে গ্রাফিতি আকারে লিখে দেওয়া হয়েছিল খালিস্তানি বিচ্ছিন্নতাবাদী জার্নেল সিং ভিন্দ্রানওয়ালের নাম। চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে সান ফ্রান্সিস্কোর বে এরিয়ার হেওয়ার্ডে অবস্থিত বিজয় শেরওয়ালি মন্দিরের দেওয়ালেও স্লোগান লিখেছিল খালিস্তানপন্থীরা (Khalistani Slogans)।

    তীব্র নিন্দা হিন্দু সংগঠনগুলির

    এই ঘটনায় (Khalistani Slogans) তীব্র নিন্দা করেছে হিন্দু সংগঠনগুলি। হিন্দু মহাসভার প্রেসিডেন্ট চক্রপাণি মহারাজ বলেন, ‘‘গত ১০ দিন দ্বিতীয় ঘটনা। আমেরিকা থেকে শুরু করে তামাম বিশ্ব, হিন্দুরা অত্যাচারিত, হয়রানির শিকার। তাঁদের মন্দির ভাঙচুর করা হচ্ছে।’’ তাঁর দাবি, এর রোধে সচেষ্ট হওয়া উচিত মার্কিন প্রশাসনের। তাঁর অভিযোগ, মার্কিন প্রশাসন এদের (খালিস্তানপন্থী) বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা গ্রহণ করে না। এই ইস্যুকে আন্তর্জাতিক মঞ্চে উত্থাপন করতে ভারত সরকারকে অনুরোধও করেন চক্রপাণি। স্বামীনারায়ণ মন্দিরের (BAPS Swaminarayan Mandir) ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অযোধ্যার লীলা বিহারী মন্দিরের পুরোহিত দিবাকরাচার্যও। তিনি বলেন, ‘‘যেভাবে বিশ্বব্যাপী হিন্দু মন্দিরগুলি হামলার শিকার হচ্ছে, তা ভীষণই উদ্বেগজনক। ভারত সরকারের এই বিষয়ে পর্যালোচনা করা উচিত।’’

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • S Jaishankar: মার্কিন মুলুকেই বৈঠকে জয়শঙ্কর-তৌহিদ, হাসিনাকে নিয়ে কী আলোচনা হল?

    S Jaishankar: মার্কিন মুলুকেই বৈঠকে জয়শঙ্কর-তৌহিদ, হাসিনাকে নিয়ে কী আলোচনা হল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিন দিনের মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সফরে গিয়ে রাষ্ট্রসংঘের একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেই অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গিয়েছিলেন বাংলাদেশের (Bangladesh) অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান মহম্মদ ইউনূস। ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে পার্শ্ববৈঠক করতে চেয়েছিলেন ইউনূস। সেই বৈঠক হয়নি।

    বিদেশমন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠক (S Jaishankar)

    তবে মোদি-ইউনূস বৈঠক না হলেও, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রেই বৈঠক হয়েছে ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের (S Jaishankar) সঙ্গে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেনের। ভারতীয় সময় অনুযায়ী, মঙ্গলবার নিউইয়র্কে ওই বৈঠক হয়েছে। সূত্রের খবর, বৈঠকে জয়শঙ্কর ও তৌহিদ ভারত-বাংলাদেশ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও এগিয়ে নিয়ে যেতে একমত হন। প্রসঙ্গত, হাসিনা-উত্তর জমানায় এই প্রথম দুই দেশের বিদেশমন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠক হল।

    কী বললেন জয়শঙ্কর

    বৈঠক শেষে সোশ্যাল মিডিয়ায় করা এক পোস্টে জয়শঙ্কর বলেন, “আজ সন্ধেয় নিউইয়র্কে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা মহম্মদ তৌহিদ হোসেনের সঙ্গে বৈঠক হল। আমাদের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।” বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রকের তরফেও সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করা হয়েছে বৈঠকের একটি ছবি। সেখানে লেখা হয়েছে, “রাষ্ট্রসংঘের ৭৯তম সাধারণ সভার পাশে, ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সঙ্গে দেখা করেছেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা মহম্মদ তৌহিদ হোসেন এবং বাংলাদেশ ও ভারতের পারস্পরিক স্বার্থের বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছেন।” তবে শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ নিয়ে দুই দেশের মধ্যে কোনও কথা হয়েছে কিনা, সে ব্যাপারে মুখ খোলেনি কোনও পক্ষই।

    আরও পড়ুন: এশিয়ায় তৃতীয় শক্তিশালী দেশ ভারত, বলছে সমীক্ষা

    সংরক্ষণকে কেন্দ্র করে আন্দোলনের জেরে ৫ অগাস্ট প্রধানমন্ত্রী পদে ইস্তফা দিয়ে দেশ ছাড়েন শেখ হাসিনা। ভারতে চলে আসেন তিনি। বাংলাদেশের রশি যায় অন্তর্বর্তী সরকারের হাতে, যার প্রধান মহম্মদ ইউনূস। ক্ষমতায় বসেই তিনি বুঝত পারেন ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নত করা ছাড়া বাংলাদেশের কাছে আর কোনও পথ খোলা নেই। একটি সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছিলেন, “ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক উন্নত করতেই হবে। কারণ বাংলাদেশের চাহিদা ও ভারতের সঙ্গে দীর্ঘ সম্পর্ক ও আমাদের মধ্যে অনেক কিছু বিষয়ে মিল রয়েছে। আমাদের একটি পারস্পরিক ইতিহাস রয়েছে। তাই ভারতের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখা ছাড়া বাংলাদেশের (Bangladesh) আর কোনও উপায় নেই (S Jaishankar)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share