Category: বিদেশ

Get updates on World News Headlines International News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Bangladesh: অশান্তির জের, বাংলাদেশে নিষিদ্ধ হতে চলেছে জামাত, বড় সিদ্ধান্ত শেখ হাসিনার

    Bangladesh: অশান্তির জের, বাংলাদেশে নিষিদ্ধ হতে চলেছে জামাত, বড় সিদ্ধান্ত শেখ হাসিনার

    মাধ্যম নিউজ ডেক্স: অশান্ত বাংলাদেশকে (Bangladesh) শান্ত করতে মোক্ষম দাওয়াই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার। জামাত-ই-ইসলামিকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কেবল জামাত নয়, এই ইসলামিক সংগঠনের ছাত্র সংগঠনকেও নিষিদ্ধ ঘোষণা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে শেখ হাসিনার সরকার। 

    জামাতকে নিষিদ্ধ ঘোষণার সিদ্ধান্ত (Bangladesh)

    প্রসঙ্গত, সংরক্ষণকে কেন্দ্র করে অশান্তির জেরে উত্তাল হয়ে ওঠে বাংলাদেশ। তার জেরে মৃত্যু হয় অন্তত ২০০ জন নাগরিকের। এই অশান্তির নেপথ্যে উগ্রপন্থী ইসলামিক সংগঠন জামাত (Jamaat E Islami) বলে অভিযোগ। তার জেরেই জামাত এবং তার ছাত্র সংগঠন ইসলামি ছাত্র শিবিরকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করতে চলেছে সে দেশের সরকার। মঙ্গলবার বাংলাদেশ সরকারের তরফে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক জানান, বুধবারের মধ্যে জামাতকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হবে। সরকারের তরফে এই মর্মে বিজ্ঞপ্তি জারি করা হবে বলেও জানান তিনি।  

    জামাতকে নিষিদ্ধ করা হয়েছিল আগেও

    হাসিনা সরকারের তরফে জানানো হয়েছে, জোট সরকারের ১৪টি দলের তরফে জামাতকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করার প্রস্তাব জমা পড়েছিল। সেই সব প্রস্তাব নিয়ে আলোচনার পর জামাতকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে বলে জানান মন্ত্রী। জামাত কট্টরপন্থী। ২০১৮ সালেই হাইকোর্টের একটি রায়ে জামাতকে কট্টরপন্থী ইসলামি সংগঠন বলে উল্লেখ করেছিল উচ্চতর আদালত। তার পর বাংলাদেশের নির্বাচন কমিশন নির্বাচনী তালিকা থেকে বাদ দেয় জামাতের নাম।

    কাফেরদের রক্তেই জ্বলজ্বল করে তাঁর অস্ত্র! এমনটাই তলোয়ারের হাতলে লিখেছিলেন টিপু

    দেশের অগ্নগর্ভ পরিস্থিতি সামাল দিতে সোমবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বাসভবনে বৈঠকে বসেন জোটের নেতারা। সেখানেই জামাতকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করার সিদ্ধান্তে সিলমোহর পড়ে। স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী জানান, হিংসা, নাশকতা, অগ্নিসংযোগের ঘটনায় হাত রয়েছে জামাতের। বৈঠকে তুলে ধরা হয় গোয়েন্দা রিপোর্টও। তার পরেই গৃহীত হয় জামাত ও তার ছাত্র সংগঠনকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করার সিদ্ধান্ত।

    সরকারের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে বাংলাদেশের (Bangladesh) সব চেয়ে বড় রাজনৈতিক দল (শাসক দলও বটে) আওয়ামি লিগ। দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেন, “দেশের স্বার্থে ১৪ দলের রাজনৈতিক জোট জামাত ও ছাত্র শিবিরকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। দেশ থেকে দেশ-বিরোধী শক্তিকে বিচ্ছিন্ন করতেই (Jamaat E Islami) এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ (Bangladesh) সরকার।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পে

     

  • Hamas-Israel: ‘গুপ্ত’ হামলায় খতম হামাস প্রধান ইসমাইল হানিয়ে, তির ইজরায়েলের দিকে

    Hamas-Israel: ‘গুপ্ত’ হামলায় খতম হামাস প্রধান ইসমাইল হানিয়ে, তির ইজরায়েলের দিকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তেহরানে এক ‘গুপ্ত’ হামলায় হামাস প্রধান ইসমাইল হানিয়ে (Ismail Haniyeh) এবং তাঁর এক দেহরক্ষীকে হত্যা করা হয়েছে। হামাস জঙ্গিগোষ্ঠীর এই শীর্ষ নেতা ইরানেই ছিলেন। হামাস এবং ইরানের ইসলামিক রেভেনিউশনারি গার্ডস কোরের পক্ষ থেকে একটি বিবৃতিতে দাবি করা হয়েছে, মঙ্গলবার তাঁর বাড়িতে হামলা চালিয়েছে ইহুদিরা। তবে হামাস জানিয়েছে, এই ঘটনার তদন্ত করবে তারা। আবার প্যালেস্তাইনের সশস্ত্র বাহিনীর অবশ্য দাবি, ইজারায়েল (Hamas-Israel) এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে। যদিও ঠিক কারা এই ঘটনা ঘটিয়েছে তা এখনও স্পষ্ট হয়নি।

    রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের কর্ণধার ছিলেন হানিয়ে (Hamas-Israel)

    সূত্রে জানা গিয়েছে, এতদিন পর্যন্ত কাতার থেকেই হামাসের যাবতীয় রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডকে বাস্তবায়নের নির্দেশ দিতেন ইসমাইল। হানিয়ের মৃত্যুতে হামাস (Hamas-Israel) গোষ্ঠী বড় ধাক্কা পাবে বলে অনুমান করা হচ্ছে। মঙ্গলবারই তিনি ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের সঙ্গে দেখা করেছিলেন। সেই সঙ্গে তাঁর শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত ছিলেন এই হামাস শীর্ষ কমান্ডার। আবার ইরানের সুপ্রিম নেতা আয়াতোল্লাহ আলি খোমেইনির সঙ্গেও তাঁর প্রত্যক্ষ যোগাযোগ ছিল বলে জানা গিয়েছে। ২০১৭ সালে হামাস গোষ্ঠীর প্রধান হিসেবে নিযুক্ত হয়েছিলেন হানিয়ে। কিন্তু ১৯৮৯ সালে হানিয়েকে (Ismail Haniyeh) তিন বছর বন্দি করে রেখেছিল ইজরায়েল। পরবর্তী সময়ে তাঁকে ইজরায়েল এবং লেবাননের মাঝে এক ‘নো-ম্যানস-ল্যান্ড’ এলাকায় নির্বাসিত করা হয়েছিল। নির্বাসন কাটিয়ে আসার পর ১৯৯৭ সালে হামাস গোষ্ঠীর সদস্য হয়েছিলেন তিনি। অপর দিকে এই ঘটনার পর ইজরায়েলের সেনা মুখপাত্র ড্যানিয়েল হাগারি বলেছেন, “আরও বড় মাপের যুদ্ধ ছাড়াই এই জটিল পরিস্থিতির যাতে সমাধান হয়, সেটাই চায় ইজরায়েল। আমাদের সেনা সম্পূর্ণ ভাবে প্রস্তুত। যেকোনও রকম পরিস্থিতির মোকাবিলায় তৈরি।”

    আরও পড়ুনঃ আমেরিকায় প্রায় আড়াই লক্ষ অভিবাসী অনিশ্চতায়, বেশিরভাগ ভারতীয়! ফিরতে হবে দেশে?

    গতবছর অগাস্টে ইজরায়েলে হামলা হয়েছিল

    গত বছর ২০২৩ সালের ৭ অগাস্ট ইজরায়েলের (Hamas-Israel) উপর হামাস আচমকা হামলা করলে দুই দলের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ শুরু হয়ে যায়। তারপর থেকে বেশ কয়েক মাস গাজায় ইজরায়েল হামাস-হিজবুল্লা জঙ্গিগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ সংগঠিত করে। এই যুদ্ধে প্যালেস্টিনীয় নাগরিকদেরও মৃত্যু হয়ে ছিল। হামাসের অবশ্য দাবি, এখনও পর্যন্ত ৪০ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছে। এর আগেও, ইজরায়েল বার বার হামাসের জঙ্গি কার্যকলাপকে সম্পূর্ণ ভাবে খতম করার কথা ঘোষণা করেছিল। এবার পরিস্থিতি কোন দিকে এগিয়ে যায় সেটাই দেখার। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • US Immigration Issues: আমেরিকায় প্রায় আড়াই লক্ষ অভিবাসী অনিশ্চতায়, বেশিরভাগ ভারতীয়! ফিরতে হবে দেশে?

    US Immigration Issues: আমেরিকায় প্রায় আড়াই লক্ষ অভিবাসী অনিশ্চতায়, বেশিরভাগ ভারতীয়! ফিরতে হবে দেশে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী নভেম্বরেই প্রেসিডেন্ট নির্বাচন আমেরিকায়। কমলা হ্যারিস না ডোনাল্ড ট্রাম্প কে আসবেন তা নিয়ে জোর জল্পনা মার্কিন রাজনীতির অন্দর মহলে। মার্কিন নির্বাচনে অভিবাসন নীতি (US Immigration Issues) একটা বড় বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। নির্বাচন মিটলেই হয়তো অভিবাসীদের সন্তানদের দেশে ফেরত পাঠাতে উদ্যোগী হবে আমেরিকা। এর মধ্যে একটা বড় অংশই ভারতীয়দের। তাই তাঁদের কপালে চিন্তার ভাঁজ।

    নাগরিকত্বের আশা

    বহু অভিবাসী (US Immigration Issues) আমেরিকায় গিয়ে সেখানকার নাগরিকদের বিয়ে করেছেন এবং তাঁদের সন্তানও রয়েছে। সেই সংখ‌্যাটা প্রায় আড়াই লক্ষ। এবার তাঁদের দেশে ফেরত পাঠাতে চাইছে মার্কিন প্রশাসন। এর গোটা দায়ভার পূর্বতন রিপাবলিক‌ান সরকারের উপর চাপিয়েছে হোয়াইট হাউস। যদিও এ দায় অস্বীকার করেছে রিপাবলিকানরা। বিদেশি পড়ুয়ারা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে স্নাতক হলেই ‘অটোমেটিক’ গ্রিন কার্ড পেয়ে যাবেন বলে নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন দীর্ঘদিন ধরে কট্টর অভিবাসী-বিরোধী বলে নিন্দিত ডোনাল্ড ট্রাম্প। এর ফলে আমেরিকার স্থায়ী নাগরিক হিসেবে গণ্য হবেন সেখানে স্নাতকস্তরে পড়তে যাওয়া ভারতীয় ছাত্রছাত্রীরা। পড়া শেষ করেই পাততাড়ি গুটিয়ে ফিরে আসতে হবে না দেশে।

    হোয়াইট হাউসের কথা

    রীতিমতো আইনকানুন মেনেই মার্কিন মুলুকে পা রেখেছেন বহু ভারতীয়। পরে সেখানেই থিতু হয়েছেন। তবে তাঁদের সন্তানদের জন‌্য অপেক্ষা করছে অনিশ্চয়তা। কারণ অভিবাসী (US Immigration Issues) ও মার্কিন নাগরিকের সন্তানদের আর মার্কিন ভূমে রাখা হবে না। এই তরুণ সম্প্রদায়ের অনেকেই এখন ‘ইয়ং অ‌্যাডাল্ট’ অর্থাৎ প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার দ্বারপ্রান্তে অপেক্ষা করছেন। এখন তাঁরা স্বপ্ন দেখছেন মার্কিন মুলুকের পাকাপাকি নাগরিক হওয়ার। সেই দায় বইতে চাইছে না প্রশাসন। এই গোটা জটিল প্রক্রিয়ার জন‌্য রিপাবলিকানদের দিকে দায় ঠেলে হোয়াইট হাউসের প্রেস সচিব, কেরিন জঁ পিয়ের বলেন, “আগেও তাদের ফেরত পাঠানোর জন‌্য আলোচনা হয়। কিন্তু এই প্রস্তাব রিপাবলিক‌ানরা দুবার বাতিল করেছে।”  তিনি জানিয়েছেন, “এই তরুণ প্রজন্ম এখানেই স্কুলে কলেজে পড়েছে। বড় হয়েছে। দীর্ঘদিন গ্রিন কার্ড ইস্যু করা হয়নি। ফলে অনেক অভিবাসীই এই তালিকায় অপেক্ষায় রয়েছেন।”

    আরও পড়ুন: পাইন গাছের বর্জ্য ব্যবহার করেই জীবিকা অর্জনের সুযোগ, পথ দেখাচ্ছেন দুই বোন

    উল্লেখ্য, আমেরিকায় অবৈধভাবে বসবাস করা কয়েক হাজার অভিবাসীকে নাগরিকত্ব দিতে একটি নতুন উদ্যোগের কথা আগেই অবশ্য ঘোষণা করেছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। এই উদ্যোগের আওতায় মার্কিন নাগরিককে বিয়ে করেছেন এমন প্রায় পাঁচ লাখ অভিবাসীকে নাগরিকত্ব দেওয়ার কথা বলা হয়েছিল। যদিও এই অভিবাসন নীতি (US Immigration Issues) রিপাব্লিকান প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্পের নীতির ঘোর বিপরীত। তব ভবিষ্যতে কী হবে তা নিয়ে এখনও অনিশ্চয়তাতেই দিন কাটাচ্ছেন অভিবাসীরা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh Protest: আন্দোলনের আড়ালে সরকার উচ্ছেদের চেষ্টা জামাত-বিএনপির, দাবি হাসিনার  

    Bangladesh Protest: আন্দোলনের আড়ালে সরকার উচ্ছেদের চেষ্টা জামাত-বিএনপির, দাবি হাসিনার  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কোটা সংস্কার (Bangladesh Protest) আন্দোলনের মাধ্যমে সরকার ফেলার চেষ্টা করেছিল বিএনপি-জামাত। দাবি হাসিনা (Seikh Hasina) প্রশাসনের। সরকারিভাবে জানানো হল মৃত্যুর সংখ্যা। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল সাংবাদিক বৈঠকে বলেন, “প্রাথমিকভাবে আমাদের কাছে নিহতদের একটা সংখ্যা এসেছে। তা হল ১৪৭। পরে সংখ্যাটি বাড়তে পারে। ১৪৭ জনের মধ্যে ছাত্র, পুলিশ, সাংবাদিক, পথচারী, হকার সহ নানান পেশার মানুষ রয়েছেন।”

    সমন্বয়ের উপর চলছে অত্যাচার (Bangladesh Protest)

    যদিও সরকারি সংখ্যা মানতে নারাজ আন্দোলনের সমন্বয়করা। সমন্বয়কদের উপর অত্যাচার করা হচ্ছে দাবি আন্দোলনকারী ছাত্রদের একাংশের। ইতিমধ্যেই নাহিদ ইসলাম সহ ৬ জন সমন্বয়ককে রাতের অন্ধকারে আটক করে তুলে নিয়ে যায় বাংলাদেশের গোয়েন্দা বিভাগ। সমন্বয়কদের কোথায় আটকে রাখা হয়েছে এবং কবে ছাড়া হবে তা জানানো হয়নি। পরিবার দেখা করতে চাইলে, দেখা করেননি ডিবি কর্তারা। সমন্বয়কদের জোর করে আন্দোলন (Bangladesh Protest) প্রত্যাহার করার জন্য চাপ দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ। সমন্বয়করা তাঁদের হেফাজতেই রয়েছেন বলে স্বীকার করেছেন ডিবি প্রধান হারুন অর রশিদ। তিনি জানিয়েছেন ওদের (সমন্বয়ক) প্রাণের ভয় আছে। নিরাপত্তার কারণে তাঁদের হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। নাহিদ ইসলাম সহ বেশ কয়েকজন সমন্বয়ককে এর আগেও তুলে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। তাঁদের উপর অত্যাচার করে ঢাকার রাস্তায় ফেলে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। হাসপাতালে ভর্তি হলে সেখান থেকে ওফের তুলে নিয়ে যায় ডিবি। যদিও সরকারের দাবি, শিক্ষার্থীদের আড়ালে বিক্ষোভ এবং নাশকতা ছড়িয়েছে বিএনপি এবং তাঁদের মৌলবাদী শরিক দল জামাত-এ-ইসলামী। তাঁরা সরকার ফেলার অপচেষ্টা করেছে বলে অভিযোগ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার।

    সরকারী সম্পত্তি ছিল আন্দোলনকারীদের টার্গেট

    বাংলাদেশ সরকারের বিদেশ মন্ত্রকের তরফেও একই দাবি করা হয়েছে। বিদেশ মন্ত্রকের দাবি, নাশকতার (Bangladesh Protest) উদ্দেশ্য ছিল, সরকারের পতন ঘটানো। এই উদ্দেশ্যেই বাংলাদেশ টেলিভিশনের সদর দপ্তর জ্বালিয়ে দেওয়া হয়। বিমানবন্দর দখল করার চেষ্টা হয়। একাধিক পুলিশ স্টেশন ছিল আন্দোলনকারীদের টার্গেটে। মেট্রো রেল এবং বেশ কয়েকটি সরকারি অফিসে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। এই কঠিন পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক মহল যেভাবে বাংলাদেশ সরকারের পাশে দাঁড়িয়েছে, তাঁর জন্য ধন্যবাদ জানিয়েছে বিদেশ মন্ত্রক।

    ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে বাংলাদেশ সরকার (Seikh Hasina)

    বাংলাদেশ সরকারের তরফে জানানো হয়েছে, “হিংসায় যাদের প্রাণ গিয়েছে, তাঁদের পরিবারকে সম্পূর্ণ সুবিচার দেওয়া হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা (Seikh Hasina), আবু সায়েদের পরিবার সহ বেশ কয়েকজন ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের হাতে আর্থিক সহযোগিতার চেক তুলে দিয়েছেন। মৃতদের পরিবারের জীবন-জীবিকার প্রতি লক্ষ্য রাখা হবে, বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। মুখে সহমর্মিতার কথা বললেও কোনওভাবেই (Bangladesh Protest) আন্দোলন দমনে পিছপা হচ্ছে না। ইতিমধ্যেই কয়েক হাজার অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তবে কাউকে দেখলেই গুলি মারার নির্দেশের আওতায় খতম করা হয়নি বলে দাবি করেছে হাসিনা প্রশাসন। তবু বিরোধীদের অভিযোগ, যারা আন্দোলনের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত ছিলেন না, শুধুমাত্র আন্দোলনের খবর ফেসবুকে শেয়ার করেছেন, তাঁদেরও গ্রেফতার করা হয়েছে। সরকার কোনওভাবেই বিরোধিতা সহ্য করতে চাইছে না।

    সরকার ফেলতে চেয়েছিল বিরোধীরা

    সরকার , ছাত্র সমাজের সমাজের পাশে আছে বলে দাবি করেছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা (Seikh Hasina) বলেন, আমরা কোমলমতি শিক্ষার্থীদের পাশে আছি। তবে তাঁদেরকে ঢাল বানিয়ে যেভাবে বিএনপি-জামাত জ্বালাও পোড়াও আন্দোলন শুরু করেছে, আমরা সেটাকে কোনভাবেই বরদাস্ত করব না। অনেক কষ্ট করে এই দেশ আজকের এই পর্যায়ে এসেছে। মানুষের জীবনের মানের উন্নতি হয়েছে। বাংলাদেশ পিছিয়ে যাক, এটা হতে দেওয়া যাবে না। বাংলাদেশের বিদেশ মন্ত্রক জানিয়েছে, সরকার (Bangladesh Protest) আন্দোলনের পাশে থেকেছে। হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করেছিল সরকার। প্রধানমন্ত্রী নিজে মন্ত্রী পর্যায়ের একটি কমিটি গঠন করে ছাত্রদের দাবি শুনতে চেয়েছিলেন। সরকারের চেষ্টায় অবশেষে কোটা ব্যবস্থার সংস্কার হয়েছে। এরপর হিংসাত্মক আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার কোনও মানে হয় না। দুঃখের সঙ্গে বলতে হয়, প্রধানমন্ত্রীর নিরন্তর আশ্বাস সত্ত্বেও বিএনপি-জামাত মিলিতভাবে হিংসায় ইন্ধন দিয়েছে।

    আরও পড়ুন: স্বাভাবিক ছন্দে ফিরছে বাংলাদেশ, খুলল অফিস, ফিরল ইন্টারনেট

    প্রধানমন্ত্রী সাংবাদিক সম্মেলনে একটি মন্তব্যকে বিকৃত করা হয়েছে। আসলে তাঁরা চেয়েছিল প্রধানমন্ত্রীর বাসস্থান গণভবনে সশস্ত্র আন্দোলনকারীদের ঢুকিয়ে দিতে। যাতে শ্রীলঙ্কার মত পরিস্থিতি তৈরি হয় বাংলাদেশে। গোটা ঘটনার যথাযথ তদন্ত হবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Maldives: মলদ্বীপের ভঙ্গুর অর্থনীতিকে শক্তিশালী করার জন্য ভারতকে ধন্যবাদ মুইজ্জুর

    Maldives: মলদ্বীপের ভঙ্গুর অর্থনীতিকে শক্তিশালী করার জন্য ভারতকে ধন্যবাদ মুইজ্জুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুক্রবার ছিল মলদ্বীপের (Maldives) ৫৯তম স্বাধীনতা দিবস। এদিনই মলদ্বীপের রাষ্ট্রপতি মহম্মদ মুইজ্জু স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে তাঁর ভাষণে দ্বীপ রাষ্ট্রের ঋণ পরিশোধ সহজ করার জন্য ভারতের (Modi government) প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। মলদ্বীপের ভেঙে পড়া অর্থনীতিকে শক্তিশালী করতে সাহায্য করার জন্য তিনি ভারত ও চিনকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন এবং এই দ্বীপের ক্রমবর্ধমান ঋণ সংকট মোকাবিলায় এবং এর ভবিষ্যৎ উন্নয়নে দুই দেশের গুরুত্ব তুলে ধরেছেন। একইসঙ্গে তিনি পররাষ্ট্র নীতির প্রশংসা করে ঋণ পরিশোধ সহজ করার জন্য উভয় দেশকেই ধন্যবাদ জানান এবং বলেন যে অর্থনৈতিক সার্বভৌমত্ব নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। 

    মহম্মদ মুইজ্জুর মন্তব্য (Maldives) 

    এ প্রসঙ্গে মলদ্বীপের প্রেসিডেন্ট বলেন, “মলদ্বীপের জনগণের স্বার্থে, অর্থনীতিকে শক্তিশালী করার জন্য এবং আমাদের অর্থনৈতিক সার্বভৌমত্ব নিশ্চিত করার এই প্রচেষ্টায় সহযোগিতার জন্য আমি মলদ্বীপের জনগণের পক্ষ থেকে চিন সরকার এবং ভারত সরকারকে ধন্যবাদ জানাই।” প্রসঙ্গত, ভারতের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বাড়ার পর গত মাসে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির তৃতীয় বারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানেও উপস্থিত হয়েছিলেন মলদ্বীপ প্রেসিডেন্ট। 

    আরও পড়ুন: পাহাড়ি লবণ বিক্রি করেই কোটিপতি! ব্যবসায় নতুন দিশা দেখাচ্ছেন তিন বন্ধু

    ভারত-মলদ্বীপ সম্পর্ক   

    উল্লেখ্য, গত নভেম্বরে মলদ্বীপে (Maldives) ক্ষমতায় এসেছেন মুইজ্জু। মলদ্বীপে ক্ষমতায় আসার পর থেকে মুইজ্জুর গলায় শোনা গিয়েছিল ‘ভারত-বিরোধী’ সুর। সে দেশ থেকে সেনা সরানোর জন্য ভারতকে সরকারি ভাবে জানিয়েও ছিলেন তিনি। এরপর গত ফেব্রুয়ারি মাসে নয়াদিল্লিতে বৈঠকে বসেন দুই দেশের প্রতিনিধিরা। যদিও এরপর বরফ গলেছিল। ‘চিন-ঘনিষ্ঠ’ মলদ্বীপ প্রেসিডেন্ট মহম্মদ মুইজ্জুর গলাতেই শোনা গিয়েছিল নরম সুর। সে সময় নয়াদিল্লির কাছে (Modi government) ঋণ মকুবের আর্জি জানিয়ে তিনি বলেছিলেন ভারত মলদ্বীপের ‘ঘনিষ্ঠ সহযোগী’-ই থাকবে। প্রসঙ্গত, গত বছরের শেষে ভারত থেকে প্রায় ৪০০.৯ মিলিয়ন ডলার ঋণ নিয়েছিল মলদ্বীপ। ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় ৩ হাজার ২০০ কোটি টাকা। এবার সেই ঋণ পরিশোধই সহজ করল ভারত। 
    আসলে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির লাক্ষাদ্বীপ সফরের পরেই মলদ্বীপ-ভারত সংঘাত তুঙ্গে ওঠে। মোদিকে নিয়ে নানা বিতর্কিত মন্তব্য করেন প্রেসিডেন্ট মুইজ্জুর দলের একাধিক নেতা। তার পরই নিন্দার ঝড় ওঠে। গোটা ভারত জুড়ে শুরু হয় ‘বয়কট মালদ্বীপ’ (Maldives)। সেই থেকেই পর্যটক কমতে শুরু করেছে দ্বীপরাষ্ট্রটিতে। বলে রাখা ভালো, ভারতের সঙ্গে সংঘাতের জেরে বিরোধীদের প্রবল প্রতিবাদের মুখে পড়েছেন মুইজ্জু। এরপরেই দেশকে ঋণ মুক্ত করতে ঋণ মকুবের আর্জি জানান প্রেসিডেন্ট মুইজ্জু। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Ram Lallas Idol: বন্ধুত্বের নয়া নজির, অযোধ্যার রামলালার ছবি দিয়ে স্ট্যাম্প প্রকাশ লাওসের

    Ram Lallas Idol: বন্ধুত্বের নয়া নজির, অযোধ্যার রামলালার ছবি দিয়ে স্ট্যাম্প প্রকাশ লাওসের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অযোধ্যায় প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন রামলালা। এবার সেই বিগ্রহের ছবি (Ram Lallas Idol) সম্বলিত একটি স্ট্যাপ প্রকাশ করল লাওস। শনিবার এই স্ট্যাম্প প্রকাশ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ভারতের (India Laos Relation) বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। বিশ্বে প্রথম এই জাতীয় স্ট্যাম্প তৈরি হল।

    রামলালার ছবি সম্বলিত স্ট্যাপ প্রকাশ (Ram Lallas Idol)

    এশিয়ান মেকানিজম মিটিংয়ে যোগ দিতে তিনদিনের লাওস সফরে গিয়েছেন জয়শঙ্কর। শনিবার এক্স হ্যান্ডেলে এ সংক্রান্ত ছবিও পোস্ট করেছেন তিনি। তাঁর সঙ্গে রয়েছেন সে দেশের ডেপুটি প্রধানমন্ত্রী এবং বিদেশমন্ত্রী। বিশেষ স্ট্যাম্পের উদ্বোধন করেন তাঁরা। এক্স হ্যান্ডেলে জয়শঙ্কর লিখেছেন, “ডেপুটি প্রাইম মিনিস্টার এবং বিদেশমন্ত্রীর সঙ্গে ভালো বৈঠক হয়েছে। উষ্ণ অভ্যর্থনার জন্য তাঁকে ধন্যবাদ। ১০টি ক্যুইক ইমপ্যাক্ট প্রজেক্টস স্বাক্ষরিত হয়েছে। মেকং গঙ্গা কো-অপারেশন এবং সাকশেসফুল ডিজিটাল কো-অপারেশন শেয়ারিংয়ের অধীনে এই চুক্তি হয়েছে। একটি বিশেষ স্ট্যাম্পও (Ram Lallas Idol) লঞ্চ করা হয়েছে। রামায়ণ ও বৌদ্ধধর্মের যে সাংস্কৃতিক সম্পদ আমাদের রয়েছে, তা শেয়ার সেলিব্রেট করতেই এই স্ট্যাম্প প্রকাশ করা হয়েছে।

    কী বললেন জয়শঙ্কর?

    এক্স হ্যান্ডেলে গুচ্ছ পোস্ট করেছেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী। ট্যুইট-বার্তায় তিনি লিখেছেন, “লাওসের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গেও সাক্ষাৎ হয়েছে। বৈঠকে সাইবার স্ক্যাম সেন্টারগুলো থেকে ভারতীয় নাগরিকদের পাচার করার বিষয়টিও ওঠে। লাও পিডিআর-এর প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের সময় ট্রাফিকিংয়ের বিষয়টি তুলেছিলাম। লাও পিডিআর সরকার যেভাবে আমদের নাগরিকদের উদ্ধার করছে এবং ত্রাণসামগ্রী বিলি করছে, তাকে সাধুবাদ জানাই। তাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়ার বিদেশমন্ত্রীদের সঙ্গেও আলোচনা হয়েছে।

    আরও পড়ুন: জার্মানির প্রাচীনতম মসজিদে হানা পুলিশের, কারণ জানলে ভিরমি খাবেন

    শনিবার জয়শঙ্কর বৈঠক করেন সে দেশের বিদেশমন্ত্রী স্যালুউম্যাক্সে কোম্মাসিথের সঙ্গে। সেখানেই (Ram Lallas Idol) স্বাক্ষরিত হয় মউ। জানা গিয়েছে, এমজিসি-র অধীনে যে চারটি মৌলিক সহযোগিতার বিষয়ে মউ স্বাক্ষরিত হয়েছে, তার মধ্যে রয়েছে পর্যটন, সংস্কৃতি, শিক্ষা, পরিবহণ ও যোগাযোগ। স্বাস্থ্য এবং ট্র্যাডিশনাল মেডিসিন নিয়েও চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। কৃষি এবং সহযোগী ক্ষেত্র, ছোটো এবং মাঝারি উদ্যোগ, ওয়াটার রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট (India Laos Relation), বিজ্ঞান এবং প্রযুক্তি, স্কিল ডেভেলপমেন্ট এবং ক্যাপাসিটি বিল্ডিং নিয়েও চুক্তি হয়েছে (Ram Lallas Idol)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Germany: জার্মানির প্রাচীনতম মসজিদে হানা পুলিশের, কারণ জানলে ভিরমি খাবেন

    Germany: জার্মানির প্রাচীনতম মসজিদে হানা পুলিশের, কারণ জানলে ভিরমি খাবেন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার জার্মানির (Germany) বিখ্যাত ব্লু-মস্ক বা নীল-মসজিদে অভিযান চালাল পুলিশ। হামবুর্গের এই মসজিদটি সে দেশের প্রাচীনতম মসজিদগুলির একটি। মসজিদটি ইমাম আলি মসজিদ নামেও পরিচিত। সম্প্রতি এই মসজিদেই হামলা চালায় পুলিশ। বালাক্লাভাসের অফিসাররা মসজিদ প্রাঙ্গন থেকে প্রচুর নগদ টাকা ও একটি কালো রংয়ের অডি গাড়ি বাজেয়াপ্ত করেছে। জঙ্গি সংগঠন হিজবুল্লার (Hezbollah) সঙ্গে যুক্ত নেটওয়ার্ক ধ্বংস করতে উঠেপড়ে লেগেছে জার্মান পুলিশ।

    মসজিদে পুলিশি অভিযান (Germany)

    তার জেরেই পুলিশি অভিযান চালানো হয় ওই মসজিদে। ইরানি শাসনের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত ইসলামিক জঙ্গি দমনে কড়া পদক্ষেপ করছে জার্মান পুলিশ। সেই সূত্রেই এবার তারা ঢুকে পড়ল দেশের প্রাচীনতম একটি মসজিদে। জানা গিয়েছে, তদন্ত চালিয়ে জার্মান পুলিশ দেখেছে, ‘ইসলামিক সেন্টার হামবুর্গ’ কেবল ধর্মীয় কাজকর্ম করে না। তারা কাজ করে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা খোমেইনির প্রতিনিধি হিসেবে। জার্মানিতে তারা ইসলামি বিপ্লব রফতানি করার চেষ্টা করছে বলেও অভিযোগ। জার্মানির ইন্টিরিয়র মন্ত্রী ন্যান্সি ফেসার ব্লুমবার্গ মসজিদ পরিচালনাকারী সংগঠন ‘ইসলামিক সেন্টার হামবুর্গ’কে (ICH) চরমপন্থী গোষ্ঠী দেগে দেন।

    মসজিদে ঝুলিয়ে দেওয়া হল তালা

    মসজিদটিকে নিষিদ্ধও ঘোষণা করা হয়েছে। ফয়েসার বলেন, “এই গোষ্ঠীটি একটি চরমপন্থী প্রচারকারী সংগঠন। এরা এ দেশে ইরানি বিল্পব রফতানি করতে চায়। এরা হিজবুল্লাকে সমর্থন করে। এই হিজবুল্লা ইরানপন্থী প্রতিরোধের অক্ষ। তাই জার্মানিতে (Germany) নিষিদ্ধ।” তিনি বলেন, “আমরা ধর্মের পরিপন্থী নই। আমরা বিশেষত ইসলামিক উগ্রপন্থীদের বিরুদ্ধে। জার্মানিতে যেসব মুসলমান শান্তিতে ধর্মাচরণ করছেন, তাঁদের থেকে এই জঙ্গিদের বিচ্ছিন্ন করতে চাইছি আমরা।” ইন্টিরিয়র মন্ত্রী বলেন, “আমরা একটা সুস্পষ্ট লক্ষ্মণরেখা টানতে চাইছি। যে জঙ্গিদের কোমর ভেঙে দিতে আমরা অভিযান চালাচ্ছি, তাদের সঙ্গে সেই সব মুসলমানদের দূরে রাখতে চাইছি, যাঁরা নিজেদের ধর্ম বিশ্বাস নিয়েই রয়েছেন।” তিনি মনে করিয়ে দেন, “এই নিষেধাজ্ঞা শিয়া ধর্মের শান্তিপূর্ণ অনুশীলনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।”

    শিশু মনে পোঁতা হচ্ছিল ইরানি বিপ্লবের বীজ!

    প্রসঙ্গত, গত কয়েক বছর ধরে ইরান বিরোধী সাংসদ এবং সমাজকর্মীরা  ব্লু-মসজিদ বন্ধের দাবি জানিয়ে আসছিলেন। তার পরেই শুরু হয় তদন্ত। ২০১৭ সালে গোয়েন্দা সূত্র মারফৎও প্রশাসন খবর পায়, জার্মানিতে ইরানের সরকারপন্থী কার্যকলাপের সব চেয়ে প্রভাবশালী কেন্দ্র এই মসজিদ। অভিযোগের প্রেক্ষিতে তথ্য সংগ্রহ করতে শুরু করে জার্মান সরকার। তার পরেই নিষেধাজ্ঞা জারি করার সিদ্ধান্ত নেয় সরকার। নিষেধাজ্ঞার কথা ঘোষণা করা হয় দিন দুই আগে (Germany)। জানা গিয়েছে, ঐতিহ্যবাহী এই মসজিদে শিশুদের ইসলামিক শিক্ষা দেওয়া হয় ফার্সি, আরবি এবং জার্মান ভাষায়। এর নেতৃত্ব দিত ইরানি বিপ্লবের কট্টর সমর্থকরা। শিশু মনে তারা পুঁতে দিত ইরানি বিপ্লবের বীজ।

    আরও পড়ুন: বাতাসে বারুদের গন্ধ, জেলেনস্কির ডাকে ইউক্রেনে যাচ্ছেন মোদি?

    খামেইনির প্রতিনিধিত্ব করছিল চরমপন্থীরা

    হামবুর্গের নিরাপত্তা মন্ত্রী অ্যান্ডি গ্রোট মসজিদে এই নিষেধাজ্ঞা জারির সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন। তিনি বলেন, “ইসলামিক জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে এটা একটা রামধাক্কা।” ‘ইসলামিক সেন্টার হামবুর্গ’কে তিনি জঙ্গিদের আউটপোস্ট বলেও উল্লেখ করেন। গত নভেম্বরেও মসজিদটিতে অভিযান চালিয়েছিল জার্মান পুলিশ। সেই সময় দেশে চলছিল শিয়া বিরোধী আন্দোলন। এর কিছুদিন আগেই শুরু হয়েছে গাজা-ইজরায়েল লড়াই। জার্মান পুলিশের দাবি, মসজিদটিতে যে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে, তার স্বপক্ষে যথেষ্ট প্রমাণ রয়েছে। জানা গিয়েছে, ২০২০ সালে হিজবুল্লা এবং ২০২৩ সালে হামাস সমর্থকদের বিরুদ্ধেও কড়া পদক্ষেপ করেছিল জার্মান প্রশাসন। নীল-মসজিদের কাজকর্মকে জার্মানির গোয়েন্দারা সাংবিধানিক নির্দেশের বিরোধী বলে অভিহিত করেছেন। এরা ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতোল্লা খামেইনির প্রতিনিধিত্ব করছিল। চলতে চাইছিল খামেইনির আদর্শ নিয়ে। এসবই তারা করতে চাইছিল সন্ত্রাসের পথে। সেই কারণেই বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে মসজিদটি।

    জার্মান সরকারের বিবৃতি

    ইরান সমর্থিত লেবানের জঙ্গি গোষ্ঠী হিজবুল্লা। হিজবুল্লাকে জঙ্গি সংগঠন বলে দেগে দিয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন। ২০২০ সালে হিজবুল্লাকে বেআইনি ঘোষণা করে আইসিএইচ-ও। জার্মান (Germany) স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের তরফে জারি করা বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এই সংগঠন (হিজবুল্লা) মানব মর্যাদা, নারীর অধিকার, স্বাধীন বিচারব্যবস্থা এবং গণতান্ত্রিক শাসনের বিরোধিতা করে একটি ইসলামপন্থী চরমপন্থী, সর্বগ্রাসী মতাদর্শ প্রচার করে। নিষেধাজ্ঞাটির লক্ষ্যবস্তু যে চরমপন্থী ইসলামিরাই, সে কথাও (Hezbollah) সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে বিবৃতিটিতে (Germany)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Paris Olympics 2024: অলিম্পিক্সের উদ্বোধনের আগের রাতে একাধিক ট্রেনে আগুন! নাশকতা?

    Paris Olympics 2024: অলিম্পিক্সের উদ্বোধনের আগের রাতে একাধিক ট্রেনে আগুন! নাশকতা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অলিম্পিক্স (Paris Olympics 2024) উপলক্ষে কড়া নিরাপত্তার ঘেরাটোপে প্যারিস। কিন্তু এরই মধ্যে উদ্বোধনের কয়েক ঘণ্টা আগে ঘটে গেল বিপত্তি৷ দুষ্কৃতী হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত ফ্রান্সের ট্রেন পরিষেবা (France train lines) ব্যবস্থা। জানা গিয়েছে, অলিম্পিক্সের আগের রাতে বেশ কয়েক জায়গায় ট্রেনে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়। ফ্রান্সের রেল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, ক্ষয়ক্ষতি সামলে স্বাভাবিক পরিষেবা শুরু করতে এক সপ্তাহ সময় লাগতে পারে। এমন ঘটনায় উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না নাশকতার আশঙ্কাও।

    কী জানিয়েছে ফরাসি রেল কর্তৃপক্ষ? (Paris Olympics 2024) 

    এ ঘটনায় ফরাসি রেল কর্তৃপক্ষের দাবি, ধ্বংসের চেষ্টা চালানো হয়েছে গোটা রেল পরিষেবায়। একাধিক জায়গায় আগুন লাগিয়ে নষ্ট করা হয়েছে রেলের সম্পত্তি। আগুন ধরিয়ে দেওয়ার ফলে দ্রুতগতির ট্রেন পরিষেবা বিঘ্নিত হয়েছে৷ ফলে প্রায় আট লক্ষ মানুষ সমস্যায় পড়তে পারেন বলে মনে করা হচ্ছে। তবে বিপদ এড়াতে সাধারণ মানুষকে আগামী কয়েক দিন ট্রেন পথ এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। জানা গিয়েছে, একই সময়ে একাধিক এলাকায় তাণ্ডব চালায় দুষ্কৃতীরা। ফ্রান্স রেলের অ্যাটলান্টিক, নর্দার্ন এবং ইস্টার্ন শাখা ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে এই হামলার (France train lines) পিছনে কারা রয়েছে, তা অবশ্য এখনও স্পষ্ট নয়। ইতিমধ্যেই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে ফরাসি পুলিশ। অন্তর্ঘাতের আশঙ্কাও উড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে না। ফলে অলিম্পিকের উদ্বোধনের ঠিক আগে এই ঘটনা বাড়িয়েছে উদ্বেগ ও আতঙ্ক।

    আরও পড়ুন: অবশেষে ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্য তালিকায় ঠাঁই পেল ‘অসমের পিরামিড’ মৈদাম 

    পরিস্থিতি সামাল দিতে হাজির ভারতের আধাসামরিক বাহিনী 

    প্রসঙ্গত, শুক্রবার ভারতীয় সময় রাত ১১টা থেকে শুরু হবে অলিম্পিক্সের বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠান। সে কারনেই সেজে উঠেছে গোটা প্যারিস। যুদ্ধকালীন তৎপরতায় চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি। কিন্তু, অলিম্পিক্সের (Paris Olympics 2024) উদ্বোধনের আগেই ফ্রান্সের রেল পরিষেবার এই হামলার ঘটনায় বিচলিত হয়ে পড়েছেন আয়োজকরা। যদিও প্যারিস অলিম্পিক্সে নাশকতামূলক ঘটনার আশঙ্কা আগে থেকেই ছিল। সে জন্য কড়া নিরাপত্তার ঘেরাটোপে মুড়ে দেওয়া হয়েছিল অলিম্পিক্সের শহরকে। কিন্তু তা সত্ত্বেও রোখা গেল না এই অতর্কিত হামলা। ইতিমধ্যেই পরিস্থিতি সামাল দিতে নিরাপত্তার জন্য প্যারিসে উড়িয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে ভারতের আধাসামরিক বাহিনীর একটি বিশেষ দলও। প্যারিসে স্যেন নদীর তীরে নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকবেন তারাও।  
    এ প্রসঙ্গে ফ্রান্সের ক্রীড়ামন্ত্রী অ্যামিলি কাস্তেরা বলেছেন, ”এই ঘটনায় যারা দায়ী, তাদের চিহ্নিত করা হবে। দেশে যখন অলিম্পিক্স, তখন এমন ঘটনা যারা ঘটাচ্ছে, তাদের দেশ বিরোধী বলেই ধরে নেওয়া হচ্ছে। পরিস্থিতি যত দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনা যায়, সেই চেষ্টা আমরা চালাচ্ছি। অলিম্পিক্স (Paris Olympics 2024) দেখতে যাঁরা আসছেন, যে অ্যাথলিটরা অংশগ্রহণ করছেন, তাঁদের যাতে কোনও রকম অসুবিধে না হয়, সেই কাজ আমরা শুরু করে দিয়েছি।”
      

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Hindu Temple Vandalized: ফের হিন্দু মন্দির ভাঙচুর! কড়া পদক্ষেপে করুক কানাডা, দাবি ভারতের

    Hindu Temple Vandalized: ফের হিন্দু মন্দির ভাঙচুর! কড়া পদক্ষেপে করুক কানাডা, দাবি ভারতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কানাডায় এডমন্টের বিএপিএস স্বামীনারায়ণ মন্দিরে (BAPS Swaminarayan Mandir) ভাঙচুর চালানো এবং ভারত-বিরোধী স্লোগান লেখার কড়া ভাষায় নিন্দা করল দিল্লি। এ নিয়ে কানাডা সরকারকে দ্রুত পদক্ষেপ করার কথা বলা হয়েছে। যদিও বিষয়টি (Hindu Temple Vandalized) নিয়ে এখনও নীরব জাস্টিন ট্রুডো সরকার।

    ভারত-বিরোধী স্লোগান

    ফের কানাডায় হিন্দু মন্দিরের ভাঙচুর চালানোর ঘটনায় অভিযোগের তির খালিস্তানিদের বিরুদ্ধে। জানা যাচ্ছে, এডমন্টের বিএপিএস স্বামীনারায়ণ মন্দিরের (BAPS Swaminarayan Mandir) একাধিক জিনিসপত্র নষ্ট করা হয়। মন্দিরের দেওয়ালে লেখা হয়, ‘প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও আর্য হিন্দু সন্ত্রাসবাদী ও কানাডার শত্রু।’ এই লেখা নিয়ে ইতিমধ্যেই বিতর্ক শুরু হয়েছে ভারত ও কানাডা দুই দেশেই। চন্দ্র আর্য হলেন কানাডার ভারতীয় বংশোদ্ভূত সাংসদ। এই নিয়ে কড়া প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রনধীর জয়সওয়াল। 

    ভারতের প্রতিক্রিয়া

    বৃহস্পতিবার বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রনধীর জয়সওয়াল বলেন, “এডমন্ট এলাকায় মন্দিরের ওপর হামলার ঘটনার আমরা তীব্র নিন্দা করছি। দিল্লির তরফে কানাডা সরকারকে বলা হচ্ছে তাঁরা যেন এই ঘটনার বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করেন। আমরা দেখতে চাই যে স্থানীয় প্রশাসন এই ঘটনার বিরুদ্ধে দ্রুত ও শক্তিশালী কোনও ব্যবস্থা নিচ্ছে। আবারও কানাডায় হিন্দু মন্দিরে হামলার ঘটনার পুনরাবৃত্তি হচ্ছে এবং কোন উদ্দেশ্য নিয়ে কারা করছে তা বুঝতে কারোরই অসুবিধা হচ্ছে না। তবে সাম্প্রতিকতম এই ঘটনাগুলির বিরুদ্ধে কানাডা সরকার সেভাবে কোনও পদক্ষেপ নিচ্ছে না। এই উগ্রবাদীদের সমর্থন করে কানাডা সরকার নিজের ভাবমূর্তি নষ্ট করছে।”

    ঘটনার নিন্দা বিশ্ব হিন্দু পরিষদের

    এই ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছে কানাডায় বিশ্ব হিন্দু পরিষদের শাখা সংগঠন। দ্রুত হামলাকারীদের চিহ্নিত করে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আর্জি জানানো হয়েছে সেদেশের সরকারের কাছে। বিশ্ব হিন্দু পরিষদের সংগঠনের তরফে এক্স হ্যান্ডেলে এই ঘটনার সমালোচনা করে বলা হয়, ‘এডমন্টনে মন্দিরে ভাঙচুরের ঘটনা ও মন্দিরের বাইরে ভারত বিরোধী স্লোগানের বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা জানানো হচ্ছে। সাম্প্রতিক সময়ে এদেশে শান্তিপ্রিয় হিন্দু সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে ঘৃণা ছড়ানোর প্রবণতা বৃদ্ধি পেয়েছে। মাথাচাড়া দিয়েছে হিন্দু বিরোধী চরমপন্থী মতাদর্শ। এদেশের সরকারকে এই ধরনের কার্যকলাপ বিরোধী কঠোর পদক্ষেপের করার আর্জি জানানো হচ্ছে।’

    আরও পড়ুন: ভারতকে ন্যাটো গোষ্ঠীভুক্ত দেশগুলির মতো মর্যাদা দেওয়ার দাবি, বিল পেশ মার্কিন সেনেটে

    ভারতীয় বংশোদ্ভূত সাংসদকে নিশানা

    এর আগেও একাধিকবার কানাডার মন্দিরে হিন্দু ও ভারত বিরোধী আক্রমণ করে স্লোগান লেখা হয়েছে। গত বছরেও একাধিকবার কানাডার হিন্দু মন্দির ভাঙচুর (Hindu Temple Vandalized) ও মন্দিরের বাইরে ভারত বিরোধী স্লোগান লিখে দেওয়ার ঘটনা সামনে এসেছিল। প্রত্যেক ক্ষেত্রেই অভিযোগের তির ছিল খলিস্তানিদের দিকে। শিখস ফর জাস্টিসের প্রধান পান্নুনের রোষের মুখে পড়েন কানাডার ভারতীয় বংশোদ্ভূত সাংসদ চন্দ্র আর্যও।

    গোটা ঘটনা নিজেই এক্স হ্যান্ডেলে জানিয়ে এই সাংসদের অভিযোগ, ‘এডমন্টনের স্বামীনারায়ণ মন্দিরের বিকৃতি নিয়ে কড়া নিন্দা করেছিলেন। কানাডায় খালিস্তান সমর্থকদের ঘৃণা ও হিংসা ছড়ানোর ঘটনার বিরোধিতা করেছিলাম। এর পরই একটি ভিডিও বার্তা দিয়েছে শিখস ফর জাস্টিসের প্রধান গুরুপতবন্ত সিং পান্নুন। সেখানে আমাকে এবং আমার হিন্দু-কানাডিয়ান বন্ধুদের এখনই ভারতে ফিরে যাওয়ার কথা বলা হয়েছে। কারণ আমরা নাকি কানাডার মূল্যবোধ ও সনদের বিরুদ্ধে কাজ করি। যা একদমই সত্য নয়। আমরা কানাডার আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে সব সময়ই ইতিবাচক অবদান রেখেছি।’  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • US-India: ভারতকে ন্যাটো গোষ্ঠীভুক্ত দেশগুলির মতো মর্যাদা দেওয়ার দাবি, বিল পেশ মার্কিন সেনেটে

    US-India: ভারতকে ন্যাটো গোষ্ঠীভুক্ত দেশগুলির মতো মর্যাদা দেওয়ার দাবি, বিল পেশ মার্কিন সেনেটে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতকে জাপান, ইজরায়েল, কোরিয়া এবং ন্যাটো গোষ্ঠীভুক্ত দেশগুলির মতো সমান মর্যাদা দেওয়ার দাবি উঠল মার্কিন সেনেটে। বৃহস্পতিবার সেনেটর মার্কো রুবিও (Marco Rubio) কংগ্রেসে “মার্কিন-ভারত প্রতিরক্ষা সহযোগিতা আইন” (US-India Defense Cooperation Act) নামে একটি বিল উত্থাপন করেছেন। এই বিলের লক্ষ্যই হল ভারতকে বিশেষ মর্যাদা দেওয়া। প্রযুক্তি স্থানান্তর এবং প্রতিরক্ষা সহযোগিতার ক্ষেত্রে ভারতের (US-India) সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে তোলার ক্ষেত্রে জোর দেন রুবিও।

    কী বললেন সেনেটর রুবিও (Marco Rubio)

    আমেরিকার সেনেটর রুবিও এদিন এক্স হ্যান্ডেলে ঘোষণা করেন, “ভারতের সঙ্গে আমাদের কৌশলগত সম্পর্ক বাড়ানোর উচিত। এক্ষেত্রে নয়া দিল্লির সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক আরও গভীর করা প্রয়োজন। কমিউনিস্ট চিন আঞ্চলিক অংশীদারদের সার্বভৌমত্ব ও স্বায়ত্তশাসন ব্যাহত করার চেষ্টা করছে। ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে চিন তার প্রভাব বাড়ানোর চেষ্টা করছে। এই বিষয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সবসময় সতর্ক থাকা উচিত। ভারত, এবং এই অঞ্চলের অন্যান্য দেশ, যে একা নয়, তা-ও চিনকে বোঝানো দরকার।”

    বিলটির প্রধান দিক

    ভারতের আঞ্চলিক অখণ্ডতার বিরুদ্ধে চিন বা অন্য কোনও রাষ্ট্র যদি হুমকি দেয়, তাহলে ভারতকে সহায়তা প্রদান। প্রতিরক্ষা, অসামরিক মহাকাশ, প্রযুক্তি, চিকিৎসা এবং অর্থনৈতিক বিনিয়োগে ভারতকে সহযোগিতা করে। ভারতের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের বৃদ্ধি করা। রাশিয়ান সামরিক সরঞ্জাম ক্রয়ের ক্ষেত্রে ভারতকে সীমিত অব্যাহতি দেওয়ার কথাও বলা হয়। বিলে (US-India Defense Cooperation Act) বলা হয়, ভারতকে প্রযুক্তি স্থানান্তরের বিষয়ে জাপান, ইজরায়েল, কোরিয়া এবং ন্যাটো মিত্রদের মতো মর্যাদা দেওয়া হবে। ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় এলাকায় নয়াদিল্লির সঙ্গে কৌশলগত সম্পর্কের ক্ষেত্রে সুসম্পর্ক বজায় রাখতে চাইছে আমেরিকা। 

    আরও পড়ুন: ‘‘ইতিহাস থেকে শেখেনি…’’, কার্গিল বিজয় দিবসে পাকিস্তানকে কড়া বার্তা মোদির

    পাকিস্তানের উদ্বেগ

    প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে ভারতের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বোঝাপড়া আগামী দিনে আরও জোরদার করার কথা বলা হয়েছে। তবে চিনের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে আমেরিকার যে মাথাব্যথা রয়েছে, তা-ও স্পষ্ট করে দিয়েছে মার্কিন সেনেটের (Marco Rubio) এই বিল (US-India Defense Cooperation Act)। এ প্রসঙ্গে রুবিও বলেন,  “প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে ভারতের সঙ্গে বোঝাপড়াকে আমরা উৎসাহ দিয়ে যাব।” ভবিষ্যতেও এই বোঝাপড়া চলবে বলে জানিয়েছেন তিনি। এই বিলটি পাশ হলে সমস্যা বাড়তে পারে পাকিস্তানের। এই বিল অনুযায়ী, যদি প্রমাণ হয় ভারতের বিপক্ষে সন্ত্রাসবাদে মদত দিচ্ছে পাকিস্তান, তাহলে তাদের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করবে আমেরিকা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share