Category: বিদেশ

Get updates on World News Headlines International News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Swastika: হিন্দুদের ‘স্বস্তিক’ ও নাৎসিদের ‘হুকড ক্রস’-এ রয়েছে বড় ফারাক, বলল আমেরিকা

    Swastika: হিন্দুদের ‘স্বস্তিক’ ও নাৎসিদের ‘হুকড ক্রস’-এ রয়েছে বড় ফারাক, বলল আমেরিকা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কী বলবেন একে? বিলম্বিত বোধোদয়? হয়তো তাই। তবে দেরিতে হলেও, শেষমেশ মার্কিনরা বুঝতে পেরেছেন সনাতনীদের ‘স্বস্তিকে’র (Swastika) সঙ্গে কী পার্থক্য রয়েছে নাৎসিদের ‘হ্যাকেনক্রেউজে’র। আমেরিকার (US) অরিগন ডিপার্টমেন্ট অফ এডুকেশন দুই প্রতীকের পার্থক্য খুঁজে বের করেছে। যার জেরে স্বস্তিতে জো বাইডেনের দেশের হিন্দুরা।

    ‘স্বস্তিক’ শব্দের অর্থ (Swastika)

    সনাতন ধর্মের সঙ্গে ‘স্বস্তিক’ চিহ্নের যোগ দেহের সঙ্গে আত্মার মতো। ‘স্বস্তিক’ শব্দটি এসেছে সংস্কৃত ‘স্বস্তিক’ থেকে। যার অর্থ ‘মঙ্গলের জন্য সহায়ক’। ‘স্বস্তিক’ শব্দটিকে ভাঙলে দুটি শব্দ পাই। একটি ‘সু’, অন্যটি ‘অস্তি’। ‘সু’ মানে ‘ভালো’। ‘অস্তি’ শব্দের বাংলা তর্জমা করলে দাঁড়ায় ‘অস্তিত্ব’। তাই ‘স্বস্তিক’ শব্দটির মধ্যে সব ধর্মের মানুষেরই মঙ্গল বা কল্যাণ নিহিত রয়েছে। কেবল হিন্দু নয়, বৌদ্ধ এবং জৈন-সহ বিভিন্ন ধর্মে দেবত্ব ও আধ্যাত্মিকতার প্রতীক হিসেবে ব্যবহৃত হয় এই চিহ্নটি। শুধু তাই নয়, কয়েকটি নেটিভ আমেরিকান ধর্ম এবং সংস্কৃতিতেও ‘স্বস্তিক’ চিহ্নের গুরুত্ব অপরিসীম।

    ‘স্বস্তিকে’র স্বীকৃতিতে খুশির হাওয়া

    এহেন একটি মঙ্গলের প্রতীককে জার্মানির নাৎসিদের প্রতীক ‘হ্যাকেনক্রেউজে’র সঙ্গে গুলিয়ে ফেলেছিলেন আমেরিকার নাগরিকরা। সেই কারণে আমেরিকায়ও অনেক ক্ষেত্রেই আড় চোখে দেখা হয় হিন্দুদের। তবে এবার বোধহয় ফুরোতে চলেছে সেই জমানা। সৌজন্যে, আমেরিকার অরিগন ডিপার্টমেন্ট অফ এডুকেশন। অফিসিয়ালি তারা স্বীকার করেছে, হিন্দুদের ‘স্বস্তিক’ এবং নাৎসিদের ‘হ্যাকেনক্রেউজে’র মধ্যে ফারাক রয়েছে বিস্তর। মার্কিন মুলুকে গড়ে উঠেছে হিন্দু আমেরিকান ফাউন্ডেশন। অরিগন ডিপার্টমেন্ট অফ এডুকেশনের এই স্বীকৃতিতে যারপরনাই খুশি তারা। তাদের বক্তব্য, এবার অন্তত মার্কিনরা পবিত্র একটি হিন্দু প্রতীককে (Swastika) মর্যাদা দেবে। গুলিয়ে ফেলবে না নাৎসিদের প্রতীকের সঙ্গে। এই সংগঠনের তরফেই সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় করা হয়েছে একটি পোস্ট। তাতে তারা আনন্দ প্রকাশের পাশাপাশি অরিগনে তাদের যারা সমর্থক রয়েছেন, তাঁদের প্রতি কৃতজ্ঞতাও জানিয়েছে। ঐতিহাসিক এই জয় (স্বস্তিকের স্বীকৃতি) পেতে যে লড়াই তাঁরা করেছেন, সেজন্যও অভিনন্দন জানানো হয়েছে অরিগনে থাকা হিন্দু আমেরিকান ফাউন্ডেশনের সদস্যদের।

    স্বস্তিক ও ক্রসড হুডের ফারাক

    স্বস্তিক এবং ‘হ্যাকেনক্রেউজ’ – এই দুই প্রতীকের ক্ষেত্রে যে টার্ম ব্যবহার করা হয়, তার গুরুত্বের ওপর জোর দিয়েছে মার্কিন মুলুকের এই শিক্ষা দফতর। তারা সাফ জানিয়েছে, স্বস্তিকের সঙ্গে নাৎসিদের প্রতীকের পার্থক্য রয়েছে। ‘স্বস্তিক’ নাৎসিদের ব্যবহৃত ‘হুকড ক্রস’ (‘হ্যাকেনক্রেউজ’) নয়। ‘স্বস্তিকে’র মধ্যে নিহিত রয়েছে পবিত্রতা ও মঙ্গলের ধারণার বীজ। যা নেই ‘হুকড ক্রসে’।হিন্দুদের প্রতীক বনাম নাৎসিদের প্রতীকের এই যে পৃথকীকরণ, তার গুরুত্বও কিন্তু কম নয়। এতে কেবল ‘স্বস্তিকে’র পবিত্রতাই বজায় রইল না, দুই প্রতীকের পার্থক্য সম্পর্কেও সচেতন হবে আগামী প্রজন্ম। দুই প্রতীকের প্রকৃত অর্থ কী, তাও বুঝতে পারবেন মানুষ। মার্কিনদের একটা বড় অংশই ‘স্বস্তিক’কে ‘হুকড ক্রসে’র সঙ্গে গুলিয়ে ফেলে ঘৃণা এবং অসহিষ্ণুতার প্রতীক বলে মনে করত। এবার তাঁদের সেই ধারণাও ভেঙে যাবে। সম্মান করতে শিখবেন ‘স্বস্তিক’কে, ভারতীয় সংস্কৃতিকে। যে সংস্কৃতি কেবল হিন্দু-মুসলমান-খ্রিস্টান নয়, সব ধর্মের মানুষের কল্যাণ কামনা করে। যে সংস্কৃতির মূল সুরই হল, ‘বসুধৈব কুটুম্বকম’।

    আরও পড়ুন: ক্ষমা চাইতে বললেন রাহুলকে, নিট নিয়ে সুপ্রিম-নির্দেশের পরই বড় ঘোষণা শিক্ষামন্ত্রীর

    ‘স্বস্তিকে’র ‘বয়স’

    ‘স্বস্তিকে’র এই স্বীকৃতিতে আরও একটি উপকার হল বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে থাকা সনাতনীদের। দুই চিহ্নের মিল দেখে অনেকেই তাঁদের উগ্রপন্থায় বিশ্বাসী বলে মনে করত। এবার তাদেরও সেই ধারণা ভেঙে খান খান হয়ে যাবে। ‘স্বস্তিক’ (Swastika) কেবল মঙ্গলের প্রতীক নয়, সৌভাগ্যেরও প্রতীক, সমৃদ্ধির প্রতীক। হিন্দুদের ‘স্বস্তিক’ প্রতীকের জন্ম আজকে নয়। ৬ হাজার বছর আগেও পাহাড় এবং গুহাচিত্রে এই প্রতীকের দেখা পাওয়া যায়। এবং এই প্রতীকের শেকড় যে ভারতেই প্রোথিত, তাও প্রমাণিত হয় পুরাণাদি বিভিন্ন গ্রন্থের কল্যাণে। হিন্দুদের পবিত্র গ্রন্থ বেদেও উল্লেখ রয়েছে ‘স্বস্তিকে’র।

    বিশ্ববাসীর মঙ্গল কামনা করে, ‘স্বস্তিক’

    ‘স্বস্তিক’ কেবল যে মঙ্গল-কল্যাণ কিংবা সুখের প্রতীক তা নয়, সূর্য এবং ব্রহ্মকে বোঝাতেও এই প্রতীক ব্যবহার করা হয়। ‘স্বস্তিক’ শক্তির প্রতীক, আবার সৌভাগ্যের দেবতা গণেশেরও প্রতীক এই পবিত্র চিহ্ন। হিন্দু এবং জৈনরা হিসেবের নতুন খাতায়, বইয়ের প্রথম পাতায়, দরজা এবং ঠাকুরঘরে স্বস্তিক প্রতীক রাখেন। এতে কতটা মঙ্গল তাঁদের হয়, তা বলতে পারবেন (US) তাঁরাই। তবে এই প্রতীক যে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে বিশ্ববাসীর মঙ্গল কামনা করে, ‘স্বস্তিকে’র (Swastika) অর্থই তার সব চেয়ে বড় প্রমাণ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Success Story: চাকরি ছেড়ে ব্যবসা, এখন ১১০০ কোটি ডলারের মালিক এই ভারতীয় বংশোদ্ভূত

    Success Story: চাকরি ছেড়ে ব্যবসা, এখন ১১০০ কোটি ডলারের মালিক এই ভারতীয় বংশোদ্ভূত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মার্কিন নিবাসী ভারতীয় বংশোদ্ভূত জয় চৌধুরী (Jay Chaudhry), কখনও ভাবেননি যে তিনি একজন সফল (Success Story) ব্যবসায়ী হবেন! ব্যবসার জগতে বিপুল সৌভাগ্যের অধিকারী হবেন! একটি শিল্পের মালিকও হবেন! জয় চৌধুরী কখনও ভাবেননি যে তিনি চাকরি ছেড়ে ব্যবসায়ী হয়ে ১,১০০ কোটি ডলারের মালিক হবেন! জয় চৌধুরীর শৈশব কাটে ভারতে। পরবর্তীকালে ১৯৮০ সালে তিনি মার্কিন দেশে পাড়ি দেন ইঞ্জিনিয়ারিং এবং মার্কেটিং পড়তে। পড়া শেষে কাজে যোগ দেন IBM and Unisys এর মতো সংস্থায়। মোটা বেতনের চাকরি করতেন তিনি! কিন্তু তাতে কি? তাঁর মন তো ব্যবসায়।

    কী বলছেন জয় চৌধুরী (Success Story)?

    সংবাদ মাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে জয় চৌধুরী বলেন, ‘‘আমাদের পরিবার ছিল ক্ষুদ্র চাষী, সেই পরিবার থেকে শিল্পপতি হওয়ার কোনও নজিরই নেই কারও, তাই আপনারা যদি আমাকে প্রশ্ন করেন, আমি কি ছোট থেকেই একজন উদ্যোক্তা বা শিল্পপতি হওয়ার কথা ভেবেছিলাম? তাহলে এর উত্তর হবে ‘না’।’’ প্রসঙ্গত, জয় চৌধুরীর (Jay Chaudhry) প্রতিষ্ঠিত সংস্থার নাম ক্লাউড সিকিউরিটি কোম্পানি জেডস্কেলার। মার্কিন দেশে চাকরি করতে করতে সিলিকন ভ্যালিতে ডট কম বুম, নেটস্কেপ- এর মতো প্রযুক্তির স্টার্টআপগুলির সাফল্য নিজের চোখেই দেখতে থাকেন জয় চৌধুরী। তিনিই জানিয়েছেন, ১৯৯৬ সাল থেকেই তিনি ভাবতে শুরু করেন উদ্যোক্তা হওয়ার কথা। তখন তিনি আটলান্টায় আইকিউ সফটওয়্যারের উচ্চপদে চাকরি করতেন। কিন্তু শিল্পপতি হওয়ার স্বপ্নের (Success Story) কারণে একটা সাহসী সিদ্ধান্ত তিনি নেন। ছেড়ে দেন চাকরি।

    ১৯৯৭ সালে যাত্রা শুরু

    ১৯৯৭ সালে স্ত্রী জ্যোতি চৌধুরীর সঙ্গেই শুরু করেন সাইবার সিকিউরিটি সফটওয়্যার স্টার্টআপ যার নাম ছিল SecureIT. ১৯৯৭ সালে তাঁর সঞ্চয় করা পাঁচ লাখ মার্কিন ডলার তিনি তাঁর নতুন প্রতিষ্ঠা করা সংস্থায় বিনিয়োগ করেন। ১৯৯৮ সালেই জয় চৌধুরী তার SecureIT-কে বিক্রি করেন VeriSign-এর কাছে। এর জন্য জয় চৌধুরী পান সাত কোটি মার্কিন ডলার। এর পরবর্তীকালে চৌধুরী দম্পতি আরও দুটি সাইবার সিকিউরিটি কোম্পানি এবং একটি ই-কমার্স কোম্পানি স্থাপন করেন বলে জানা যায়। এর প্রত্যেকটি তাঁরা বিক্রি করে দেন ২০০৭ সালের মধ্যেই। দম্পতি সফল উদ্যোক্তা হিসেবে নিজেদেরকে প্রতিষ্ঠিত করেন।

    বড় কোম্পানি স্থাপন

    এই সময়ে জয় চৌধুরী সিদ্ধান্ত (Success Story) নেন একটি বড় কোম্পানি চালু করার। তখনই তিনি প্রতিষ্ঠা করেন জেড স্কেলার-এর এই কোম্পানিতে তাঁরা বিনিয়োগ করেন পাঁচ কোটি মার্কিন ডলার। বর্তমানে জয় চৌধুরীর মোট সম্পদের পরিমাণ ১১০০ কোটি মার্কিন ডলার, এ কথা জানিয়েছে ফোর্বস। অন্য একটি সাক্ষাৎকারের জয় চৌধুরী জানিয়েছেন, তিনি প্রযুক্তি খুবই পছন্দ করতেন, ১৯৯৬ সালে নেটস্কেপ সবেমাত্র চালু হয়েছিল এবং তা সবার মধ্যে বিপুল জনপ্রিয় হয়েছিল। এতেই তিনি মুগ্ধ হয়ে গিয়েছিলেন। তখনই তিনি ভাবতে থাকেন যে যদি এরা পারে তাহলে তিনি কেন পারবে না! এটাই মোড় ঘুরিয়ে দেয় তাঁর জীবনের।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh Quota Protest: আরবদেশে কোটা-আন্দোলন! আমিরশাহিতে ৫৩ বাংলাদেশির কারাবাস

    Bangladesh Quota Protest: আরবদেশে কোটা-আন্দোলন! আমিরশাহিতে ৫৩ বাংলাদেশির কারাবাস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশে কোটা বিরোধী আন্দোলনের (Bangladesh Quota Protest) আঁচ লাগল আরব-দেশে। কোটা বিরোধী আন্দোলনে এখন উত্তাল বাংলাদেশ। ছাত্র আন্দোলনের জেরে স্বাভাবিক জনজীবন বিপর্যস্ত। তার মধ্যে ৫৩ জন বাংলাদেশের নাগরিককে জেলে পাঠাল সংযুক্ত আরব আমিরশাহি আদালত (UAE Court)। অভিযুক্ত বাংলাদেশিরা সাজা ভোগের পর যাতে কোনওভাবে সংযুক্ত আরব আমিরশাহিতে থাকতে না পারে, সে বিষয়েও কড়া নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। 

    কী ঘটেছিল

    বিগত কয়েকদিন ধরে বাংলাদেশে (Bangladesh) রক্তক্ষয়ী আন্দোলন চলছে। শুধু তাই নয়, কোটা সংস্কারের দাবিতে পড়ুয়াদের এই আন্দোলন বারংবার উঠে এসেছে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। এই আবহেই জানা গিয়েছে যে, শেখ হাসিনা সরকারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করায় ৫৩ জন বাংলাদেশিকে (Bangladesh Quota Protest) কারাগারে পাঠিয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরশাহির আদালত (UAE Court)। তাঁদের মধ্যে ৩ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, ৫০ জনকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। সূত্রের খবর, বাংলাদেশ সরকারের কোটা নীতির বিরুদ্ধে এই ৫০ জন বৃহত্তর বিক্ষোভ, আন্দোলনের জোগাড় করছিল। যে খবর পেতেই তাঁদের সাজা ঘোষণা করে সংযুক্ত আরব আমিরশাহি সরকার। সাজা ভোগের পর সংযুক্ত আরব আমিরশাহি থেকে ওই ৫০ জনকে বেরিয়ে যেতে হবে বলেও জানিয়েছে আদালত।

    আরও পড়ুন: প্যারিসে প্রথম দিনে ভারতের তীরন্দাজরা, অলিম্পিক্সে আশার আলো দেখছে ভারত

    কেন শাস্তি

    অভিযোগ, এই বিক্ষোভকারীরা সংযুক্ত আরব আমিরশাহীতে বসবাসকালে বাংলাদেশে সংরক্ষণের (Bangladesh Quota Protest) বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করছিলেন। বিষয়টির পরিপ্রেক্ষিতে তাঁদের আইনজীবী জানিয়েছেন, ওই প্রবাসী বাংলাদেশিদের উদ্দেশ্য দেশের শান্তি বিঘ্নিত করা ছিল না। কিন্তু তাঁদের বিরুদ্ধে সংযুক্ত আরব আমিরশাহিতে (UAE Court) হিংসাত্মক মনোভাব ও দাঙ্গায় উস্কানি দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। প্রসঙ্গত, সংযুক্ত আরব আমিরশাহিতে অন্যান্য দেশের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করা বেআইনি। এহেন প্রতিবাদ অন্যান্য দেশের সঙ্গে সম্পর্ক নষ্ট করার ঝুঁকি তৈরি করে, বলে মনে করা হয়। আসলে সংযুক্ত আরব আমিরশাহিতে ৯০ শতাংশ বিদেশি থাকেন। তাঁদের মধ্যে এক-তৃতীয়াংশ বাংলাদেশি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Kamala Harris: প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী হওয়ার দৌড়ে আত্মবিশ্বাসী কমলা! উৎসবের প্রস্তুতি শুরু তামিলনাড়ুতে

    Kamala Harris: প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী হওয়ার দৌড়ে আত্মবিশ্বাসী কমলা! উৎসবের প্রস্তুতি শুরু তামিলনাড়ুতে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আমেরিকার নির্বাচনকে কেন্দ্র করে চড়ছিল উত্তেজনা। কে হতে চলেছেন ডেমোক্র্যাটদের তরফে প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী, রবিবার থেকেই এ সব নিয়ে জল্পনা ছিল তুঙ্গে। আমেরিকার প্রেসিডেন্ট হওয়ার দৌড় থেকে জো বাইডেন সরে দাঁড়ানোয় ডেমোক্র্যাট শিবিরের নতুন প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী হিসাবে তিনি প্রস্তাব করেছেন বর্তমান ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিসের (Kamala Harris) নাম। এরপর মার্কিন প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী (Us President Candidate) হওয়ার জন্য পর্যাপ্ত সমর্থন অর্জন করে ভারতীয় বংশোদ্ভূত কমলা সকলকে ধন্যবাদ জানিয়ে এক্স হ্যান্ডলে পোস্ট করে বলেন, ”আমাদের দলের প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী হওয়ার জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণ সমর্থন অর্জন করতে পেরে আমি গর্বিত।” 

    কমলা হ্যারিসের প্রতিশ্রুতি (Kamala Harris) 

    কমলা হ্যারিসের নাম দীর্ঘদিন ধরেই জল্পনায় উঠে আসছিল। অবশেষে এই নিয়ে মুখ খুললেন এই ভারতীয় বংশোদ্ভূত মার্কিন রাজনীতিবিদ। তাঁর প্রতিশ্রুতি, ”আগামী কয়েকমাসের মধ্যে আমেরিকার বিভিন্ন শহরে পৌঁছে যাব। সকলের সঙ্গে কথা বলব। দল এবং দেশকে এককাট্টা করতে উদ্যোগ নেব। ডোনাল্ড ট্রাম্পকে পরাজিত করবই।” 

    আরও পড়ুন: প্রথম ত্রৈমাসিকে ভারতের রফতানি ছাড়াল ২০০ বিলিয়ন! ৮০০ বিলিয়ন বার্ষিক লক্ষ্যে পৌঁছাতে আত্মবিশ্বাসী সরকার

    কমলার জন্য তামিলনাড়ুতে শুরু উৎসব 

    যদিও দলের তরফে এখনও পর্যন্ত সিলমোহর পড়েনি, তবে ভারতীয় বংশোদ্ভূত কমলার (Kamala Harris) ‘দেশের বাড়ি’ তামিলনাড়ুর তুলাসেন্দ্রপুরমে বাঁধ ভাঙতে শুরু করেছে উচ্ছ্বাস। বাইডেনের সরে দাঁড়ানো ও কমলার নাম প্রস্তাব হতেই ওয়াশিংটন থেকে প্রায় ১৩ হাজার কিলোমিটার দূরের এই প্রত্যন্ত গ্রাম কোমর বাঁধছে আসন্ন ‘উৎসবের’ জন্য। সূত্র মারফৎ জানা গিয়েছে, যদি কমলা নির্বাচনে জিতে যান এবং আমেরিকার প্রেসিডেন্ট (Us President Candidate) হন, তা হলে আরও বড় করে উদ্‌যাপন করা হবে। 
    উল্লেখ্য, আমেরিকার ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলার দাদুর জন্ম এই গ্রামে। কমলার (Kamala Harris) যখন পাঁচ বছর বয়স, তখন এক বার এই গ্রামে এসেছিলেন তিনি। দাদুর হাত ধরে ঘুরেছেন চেন্নাইয়ের সমুদ্র সৈকতেও। যদিও আমেরিকার ভাইস প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর তিনি আর এই গ্রামে পা রাখেননি। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Mashco Piro: সভ্যতার আলো এখনও পৌঁছায়নি ‘মাশকো পিরো’ উপজাতির কাছে, এই প্রথম ছবি প্রকাশ্যে এলো

    Mashco Piro: সভ্যতার আলো এখনও পৌঁছায়নি ‘মাশকো পিরো’ উপজাতির কাছে, এই প্রথম ছবি প্রকাশ্যে এলো

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পৃথিবীর প্রায় সকল আদিম উপজাতিগুলি সভ্যতার স্পর্শ পেয়েছে। কিন্তু আন্দামানের জারোয়াদের মতো বেশ কিছু উপজাতি এখনও সভ্যতার আলো থেকে দূরেই থাকতে চায়। ঠিক এমন একটি উপজাতি হল পেরুর আমাজন জঙ্গলের গভীরে বসবাসকারী ‘মাশকো পিরো’ (Mashco Piro)। ইতিপূর্বে আগে কোনও দিন তাদের ছবি তোলা যায়নি। তারা হল সভ্যতার সঙ্গে বিছিন্ন সব থেকে বড় উপজাতি গোষ্ঠী। বর্তমান সময়ে ‘সারভাইভাল ইন্টারন্যাশনাল’ নামে এক আদিবাসী অধিকার গোষ্ঠীর ক্যামেরায় এই লোকজনদের বিরল ছবি ধরা পড়েছে। ছবিতে দেখা যাচ্ছে একটি নদীর তীরে ঘোরফেরা করছে তারা।

    কেন অস্তিত্ব সঙ্কটে (Mashco Piro)?

    এই ছবিকে ঘিরে আদিবাসী (Tribe) অধিকার গোষ্ঠীর কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়েছে। বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, ছবির মধ্যে দিয়ে এই মাশকো পিরো উপজাতিদের (Mashco Piro) শরীর এবং স্বাস্থ্য কতটা সুস্থ, তা নিয়ে একটা উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। তাদের জঙ্গলের বাইরে বেরিয়ে আসার কারণ হিসাবে মনে করা হচ্ছে, এলাকায় অধিক পরিমাণে গাছ কাটা। নিজেদের ঘরবাড়ি, ভিটে-মাটি ছেড়ে দূরে সরে চলে যেতে বাধ্য করা হচ্ছে এই উপজাতির লোকজনকে। খাদ্য এবং নিরাপদ আশ্রয়ের জন্য তাদের বার বার স্থান পরিবর্তন করতে হচ্ছে। ফলে তাদের স্বাস্থ্যের ওপর দারুণ প্রভাব পড়েছে। ‘সারভাইভাল ইন্টারন্যাশনাল’ জানিয়েছে যে এই ছবিগুলি এই বছরের জুন মাসে তোলা হয়েছিল। স্থানটি হল ব্রাজিলের সীমান্তবর্তী দক্ষিণ-পূর্ব পেরুর মাদ্রে দি দিওসের একটি নদীর তীর। এই সংস্থার নির্দেশক ক্যারোলিন পিয়ার্স বলেছেন, “এই উপজাতি হল মাশকো পিরো, তারা এখনও সভ্যতার আলো থেকে বঞ্চিত। যেখানে এই ছবি তোলা হয়েছে সেখানেই দেখা গিয়েছে পাশে গাছ কাটা চলছে। আর এই জন্য তাদের বিভিন্ন সময়ে প্রকাশ্যে দেখা যাচ্ছে। অবশ্য এই ছবি তোলার আগে ৫০ জনের একটি দলকে ইয়িন উপজাতির একটি গ্রামের কাছে দেখা গিয়েছিল। ১৭ জনের আরও একটি দলকে দেখা গিয়েছিল পুয়ের্তো নুয়েভোর নিকটবর্তী এক গ্রামে।”

    আরও পড়ুনঃ অশান্তি আটকাতে আরও কঠোর হবে বাংলাদেশ সরকার, জানালেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

    ৫৩০০০ হেক্টর জঙ্গলে গাছ কাটার ছাড়পত্র

    অনেক আগে থেকেই মাদ্রে দি দিওসের দুটি সংরক্ষিত জঙ্গলের মধ্যে মাশকো পিরো (Mashco Piro) বসবাস করে থাকে। কিন্তু এই জঙ্গলগুলিতে কাঠ কাটার ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে। কাঠ বহনের জন্য ট্র্যাক চলাচলের নিমিত্ত ২০০ কিমি রাস্তাও নির্মিত হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। মাদ্রে দি দিওসের ৫৩০০০ হেক্টর জঙ্গলে, সেডার, মেহগিনি কাঠ কাটার জন্য ছাড়পত্র দিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন। এরফলেই এই ‘মাশকো পিরো’-দের (Mashco Piro) ওপর সঙ্কট তৈরি হয়েছে। জানা গিয়েছে, এই উপজাতিরা (Tribe) বাইরের লোক দেখলেই পালিয়ে যায়, তাই তাদের এতদিন পর্যন্ত কোনও ছবি তোলা সম্ভবপর হয়নি।    

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh Protest: অশান্তি আটকাতে আরও কঠোর হবে বাংলাদেশ সরকার, জানালেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

    Bangladesh Protest: অশান্তি আটকাতে আরও কঠোর হবে বাংলাদেশ সরকার, জানালেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আন্দোলন থামাতে আরও কঠোর হবে বাংলাদেশ (Bangladesh Protest) সরকার। অশান্ত পরিবেশ থেকে দেশকে দ্রুত স্বাভাবিক করতে হবে, ঠিক এমনটাই বার্তা দিলেন সেই দেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা (Sheikh Hasina)। বাংলাদেশের সংবাদ মাধ্যম ‘বিবিসি বাংলা’-কে একটি সাক্ষাৎকার দিয়ে দেশ সম্পর্কে স্পষ্ট অবস্থান জানান তিনি। এদিকে মঙ্গলবার দুপুর ১টা থেকে ৫ টা পর্যন্ত কার্ফু শিথিল করার সিদ্ধান্ত জানিয়েছে সরকার। অবস্থার কতটা উন্নতি হয় তা দেখে পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। উল্লেখ্য সংরক্ষণ নিয়ে প্রথম থেকেই ছাত্র আন্দোলনকে রুখতে কড়া পদক্ষেপ গ্রহণের কথা বলেছিলেন হাসিনা।

    কী বললেন হাসিনা (Bangladesh Protest)

    টানা সংরক্ষণ বিরোধী আন্দোলনের (Bangladesh Protest) কারণে ঢাকা সহ দেশের একটা বড় অংশ বন্ধ হয়ে পড়েছে। রাজধানীর মধ্যে ট্রেন চলাচল বন্ধ। যোগাযোগ ব্যবস্থা কার্যত বিছিন্ন। মোবাইল ইন্টারনেট পরিষেবাকে বন্ধ রাখা হয়েছে। স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রছাত্রীদের আসতে বারণ করা হয়েছে। রাস্তায় রাস্তায় সেনাবাহিনী টহল দিচ্ছে। দেশে জারি করা হয়েছে কার্ফু। এই সবকিছুর প্রভাব পড়েছে দেশের শিল্প-কারখানার উপর। ইতি মধ্যে সরকার সব কিছুকে বন্ধ রাখার কথা বলেছে। সেই দেশের ব্যবসায়ী এবং রফতানিকারীদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন প্রধানমন্ত্রী। শেখ হাসিনা (Sheikh Hasina) বলেছেন, “দ্রুত দেশের অবস্থার পরিবর্তন হবে। আমরা পরিস্থিতি অনেকটাই শান্ত করে এনেছি। পরিস্থিতি বিবেচনা করে কার্ফু কিছুটা শিথিল করা হবে। ছাত্ররা যা চেয়েছিলেন আদালতের রায়ে তাই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আন্দোলন এবং সন্ত্রাসমূলক কর্মকাণ্ডের অর্থ কী? পড়ুয়াদের শান্ত থাকার আবেদন জানাই। ছাত্রদের ঢাল করে বিরোধীরা দেশের ক্ষতি সাধন করছেন। দেশের ভাবমূর্তি এবং শান্তি-শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনাই আমাদের মূল লক্ষ্য।”

    আরও পড়ুনঃ কোটা আন্দোলনের জেরে বন্ধের মুখে বাংলাদেশের সঙ্গে বাণিজ্য

    সুপ্রিম কোর্টের রায়ের পর কেন আন্দোলন?

    ১৯৭২ সালে তৎকালীন বাংলাদেশ সরকার, সরকারি চাকরিতে কোটা বা সংরক্ষণ ব্যবস্থা চালু করেছিল। মুক্তি যোদ্ধাদের জন্য ৩০ শতাংশ সংরক্ষণ ছিল। অন্যন্য বাকি কোটা মিলিয়ে আরও ছিল ২৬ শতাংশ। কিন্তু ২০১৮ সালে হাসিনার সরকার চাকরিতে সব রকম কোটা ব্যবস্থা তুলে দেয়। পরে বিরোধিতা করে সাত জন মুক্তিযোদ্ধা পরিবার, সেই দেশের হাইকোর্টে মামলা করেন। হাইকোর্ট হাসিনা সরকারের এই সিদ্ধান্তকে খারিজ করে দেয়। এরপর সরকার সুপ্রিমকোর্টে মামলা করে। গত রবিবার বাংলাদেশের উচ্চ আদালত রায় প্রদান করেছে যে মাত্র ৭ শতাংশ সংরক্ষণ থাকবে সরকারি চাকরিতে, বাকি নিয়োগ হবে মেধার ভিত্তিতে। সরকার পক্ষও রায়কে স্বাগত জানিয়েছে। অপরে পড়ুয়ারা এই রায়ের উপর নেতিবাচক ভাবনার প্রকাশ দেখাচ্ছেন। আন্দোলনে (Bangladesh Protest) মৃত ছাত্রদের জন্য ন্যায় বিচার তাঁরা চাইছেন বলে জানা গিয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh Quota Reform: কোটা আন্দোলনের জেরে বন্ধের মুখে বাংলাদেশের সঙ্গে বাণিজ্য

    Bangladesh Quota Reform: কোটা আন্দোলনের জেরে বন্ধের মুখে বাংলাদেশের সঙ্গে বাণিজ্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশে (Bangladesh Quota Reform) অশান্তি থামার কোনও লক্ষণ নেই। সেনা নামিয়েও মিলছে না স্বস্তি। আন্দোলনকারী সংগঠনগুলি জানিয়েছে তাঁরা লড়াই ছাড়ছে না। এমতাবস্থায় বাংলাদেশের অশান্তির প্রভাব পড়েছে ভারতেও। বাংলাদেশে পড়াশোনার জন্য যাওয়া ছাত্রদের একটা বড় অংশ ইতিমধ্যেই ফিরে আসতে বাধ্য হয়েছেন। ব্যবসা-বাণিজ্যে (Business with Bangladesh) প্রভাব পড়েছে। আটকে পড়েছে ৩০০ টি পণ্যবাহী যানবাহন।

    বাংলাদেশ থেকে ফিরে ছাত্রের বক্তব্য (Bangladesh Quota Reform)

    বাংলাদেশে এমবিবিএস পড়তে যাওয়া গুজরাটের বাসিন্দা মোহাম্মদ সমন বলেন, “ওখানে পরিস্থিতি খুব খারাপ। বিশেষ করে যোগাযোগ ব্যবস্থায় কাটছাঁট করে দেওয়া হয়েছে। ইন্টারনেট পরিষেবা পুরোপুরি বন্ধ। মোবাইলেও ঠিকমত কথা শুনতে পাওয়া যাচ্ছে না। বাড়ির সঙ্গে কোনও ভাবে যোগাযোগ করতে পারছিলাম না। ভারতীয় দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ করি। এরপর দূতাবাসের তরফে আমাদের দেশে ফিরিয়ে নিয়ে আসা হয়।” দেশে ফিরে আসলেও (Bangladesh Quota Reform) পরিস্থিতি ফের কবে স্বাভাবিক হবে, পড়াশোনার কি হবে, তা নিয়েও চিন্তায় রয়েছে বাংলাদেশে যাওয়া পড়ুয়ারা। কারণ ইউক্রেনের স্মৃতি এখনও টাটকা। যুদ্ধের জন্য যারা ইউক্রেনে পড়তে গিয়েছিল তাঁদের মাঝপথে ফিরে আসতে হয় । তাদের আর ইউক্রেনে যাওয়া হয়নি। ডিগ্রি সম্পূর্ণ করা হয়নি।

    ব্যবসায় ক্ষতি (Business with Bangladesh)

    বাংলাদেশের অশান্তির প্রভাব পড়েছে ব্যবসা বাণিজ্যেও। বাংলাদেশ থেকে প্রতিদিন প্রচুর পরিমাণে মাছ ভারতে আসত। ভারত থেকে বিভিন্ন ধরণের পণ্য বাংলাদেশে যেত। বাংলাদেশ থেকে ইলিশ, ট্যাংরা, পাবদা, পাঙাস জাতীয় মাছ ভারতে আসত। ভারত থেকেও চাষ করার রুই, কাতলা, কই, কাচকি, পুঁটি, ভেটকি সহ বিভিন্ন ধরনের মাছ এবং কাঁকড়া  যত বাংলাদেশে। অশান্তির জেরে আমদানি রফতানি (Business with Bangladesh) সব বন্ধ। দক্ষিণ এশিয়ার তথা ভারতের সবচেয়ে বড় স্থলবন্দর পেট্রাপোল। প্রত্যেকদিন কয়েকশত কয়েকশো পণ্যবাহী ট্রাক এপার-ওপার হতো। কিন্তু এই মুহূর্তে পেট্রাপোল একেবারে শুনশান। মানুষের যাতায়াত অল্প-স্বল্প হচ্ছে ঠিকই, তবে পণ্য পরিবহন একেবারে তলানিতে।

    বাংলাদেশে বিরোধীদের ভারত বিরোধী চক্রান্ত

    এমনিতে বাংলাদেশে ভারতের প্রতি অসন্তোষ বৃদ্ধির চক্রান্ত চলছে। যার মূলে রয়েছে শাসকবিরোধী রাজনৈতিক শক্তি জামাত-এ-ইসলামি এবং বিএনপি। তাঁরা ক্রমেই বাংলাদেশের জনগণের মধ্যে ভারত বিরোধী সেন্টিমেন্ট তৈরি করার চেষ্টা করছে। যদিও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভারতের সঙ্গে বন্ধুত্ব ও অবিচ্ছেদ্য সম্পর্কের পক্ষে সওয়াল করেছেন। এমতাবস্থায় পাঞ্জাব, হরিয়ানা, উত্তর প্রদেশ, রাজস্থান, চন্ডিগড় থেকে বাংলাদেশে আটকে পড়া প্রায় ৩০০ পণ্যবাহী ট্রাকের চালকরা খুবই সমস্যায় আছেন। একদিকে তাঁদের গাড়ির সুরক্ষা নিয়ে প্রশ্ন, অন্যদিকে তাঁদের খাদ্য এবং নিরাপত্তা নিয়েও সংকট তৈরি হয়েছে। প্রত্যেকদিন ১৫০ কোটি টাকার বাণিজ্য ঘাটতি (Business with Bangladesh) হচ্ছে। প্রতি বছর শুধুমাত্র পেট্রাপোল বন্দরের মাধ্যমে প্রায় ৩০ হাজার কোটি টাকার বাণিজ্য হয়ে থাকে। 

    আরও পড়ুন: জামাত-বিএনপির চক্রান্তে ছড়িয়েছে হিংসা, অভিযোগ হাসিনার ছেলের

    বাংলাদেশে ইতিমধ্যেই কোটা বিরোধী (Bangladesh Quota Reform)আন্দোলনের ১৫৫ জনের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে। কোটা ব্যবস্থা সংস্কার হওয়ার পর আন্দোলন অনেক থিতু হয়েছে। তা সত্ত্বেও দেশ থেকে এখনই কারফিউ তোলা হয়নি। দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ছোটখাটো অশান্তি এখনও অব্যাহত। এমতাবস্থায় পরিস্থিতি কবে স্বাভাবিক হয় এবং ব্যবসা-বাণিজ্য শুরু হয়, সেদিকেই তাকিয়ে রয়েছেন ব্যবসায়ীরা।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh Protest: জ্বলছে বাংলাদেশ! ঢাকার পরিস্থিতির দিকে নজর ভারতের

    Bangladesh Protest: জ্বলছে বাংলাদেশ! ঢাকার পরিস্থিতির দিকে নজর ভারতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশে এখনও স্বাভাবিক হয়নি পরিস্থিতি।  বাংলাদেশের কোটা সংস্কার আন্দোলনে (Bangladesh Protest) এখনও পর্যন্ত কমপক্ষে ১১৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। গুরুতর আহত হয়েছেন বহু মানুষ। জারি হয়েছে কার্ফু। পরিস্থিতি সামাল দিতে নামানো হয়েছে সেনা। এমত পরিস্থিতিতে বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়ালকে প্রশ্ন করা হয়েছিল, নয়াদিল্লি বিষয়টি নিয়ে কী ভাবছে। এ প্রশ্নে তিনি এক লাইনে জবাব দিয়েছিলেন, ‘‘এটি বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়।’’

    কূটনৈতিক মহলের মন্তব্য 

    রণধীর জয়সওয়ালের মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে কূটনৈতিক মহল বলছে, ভারতের সঙ্গে দীর্ঘতম সীমান্ত ভাগ করে নেওয়া দেশে প্রবল রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং আইনশৃঙ্খলা ভেঙে পড়ার ঘটনায় (Bangladesh Protest) সাউথ ব্লকের গভীর অস্বস্তি এবং উদ্বেগকেই আড়াল করতে চেয়েছেন রণধীর। কারণ এখন এ নিয়ে রা কাড়াও ভারতের পক্ষে বুমেরাংয়ের সমান। গত ছমাসেরও বেশি সময় ধরে বাংলাদেশ জুড়ে ভারত-বিরোধিতার যে ঢেউ দেখা গিয়েছে, তা-ই নতুন মোড়কে ফিরে এসেছে এখন। ঢাকার রাজপথে গর্জন শোনা গিয়েছে, ‘ভারত যাদের মামাবাড়ি, বাংলা ছাড়ো তাড়াতাড়ি।’ ফিরে এসেছে ভারতীয় পণ্য বর্জনের ডাক, ‘ভারতীয় আগ্রাসনের’ বিরুদ্ধে, ‘ভারতের তাঁবেদার সরকার’ আওয়ামী লীগকে হটানোর ডাক। আর এ সবই ঘটেছে নয়াদিল্লির নাকের ডগায়।

    এ প্রসঙ্গে নয়াদিল্লির মন্তব্য (Bangladesh Protest) 

    সব মিলিয়ে শীর্ষ নেতৃত্ব স্তরে ‘সোনালি অধ্যায়ের’ একটি ছবি দক্ষিণ এশিয়া দেখতে পেলেও, দুদেশের মানুষের মধ্যে যোগাযোগ বিভিন্ন স্তরে আরও বাড়ানোর কথাই যে এ বার ভাবতে হবে, তা ঘরোয়া ভাবে স্বীকার করছে নয়াদিল্লি। সে ক্ষেত্রে বাংলাদেশি ছাত্রদের জন্য আরও বেশি স্কলারশিপ বাড়ানো, নজরদারি বহাল রেখে ভিসা আরও শিথিল করা, ভিসার আবেদন প্রক্রিয়া সহজ করার মতো বিষয়গুলিতে কত দূর এগোনো যায়, সে বিষয়ে ভাবনাচিন্তা শুরু হয়েছে।

    দেশে ফিরল ৪৫০০ জন ভারতীয় পড়ুয়া (Indian students) 

    অন্যদিকে কোটা সংস্কার আন্দোলন (Bangladesh Protest) ঘিরে উত্তাল বাংলাদেশে আটকে পড়েছিলেন কয়েক হাজার ভারতীয় পড়ুয়া। জানা গিয়েছে, বেসামরিক বিমান চলাচল মন্ত্রক, অভিবাসন দপ্তর, স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ এবং বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্স (BSF)-এর সঙ্গে সমন্বয় রেখে ভারতীয় নাগরিকদের দেশে ফেরাচ্ছে বিদেশ মন্ত্রক। হিসেব বলছে ৪৫০০ জন ভারতীয় শিক্ষার্থী বাংলাদেশ থেকে নিরাপদে দেশে ফিরেছে। তবে শুধু ভারতীয় পড়ুয়াই নয়, নেপাল, ভুটান, মালদ্বীপের বহু পড়ুয়ারাও বাংলাদেশ থেকে ভারতে চলে এসেছেন। এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশ ফেরত এক ভারতীয় পড়ুয়া বলেছেন, ”অনেক শিক্ষার্থী বিমানের টিকিট বুক করেছিলেন। কিন্তু যেহেতু সেখানে কার্ফু রয়েছে, তাই তাঁরা বিমানবন্দরে যেতে পারেননি। বেশ কয়েকটি ফ্লাইটও বাতিল করা হয়েছে। এখনও অনেক ভারতীয় ছাত্র বিশ্ববিদ্যালয়গুলির হস্টেলে রয়েছেন।” 

    আরও পড়ুন: নাশকতার ছক বানচাল! রাজৌরিতে সেনা-জঙ্গি গুলির লড়াইয়ে আহত ১ জওয়ান

    প্রসঙ্গত, রবিবার বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্ট আন্দোলনের (Bangladesh Protest) পক্ষে রায় দিয়েছে। সেই রায় অনুযায়ী সরকারি চাকরির ক্ষেত্রে যে ৫৬ শতাংশ সংরক্ষণ ছিল, তা কমিয়ে ৭ শতাংশ করার কথা বলা হয়েছে। যেখানে এতদিন ‘মুক্তিযোদ্ধাদের পরিবারের’ জন্য ৩০ শতাংশ সংরক্ষণ ছিল,  তা কমিয়ে ৫ শতাংশ করা হয়েছে। বাকি ২ শতাংশ পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর জন্য এবং বিশেষ ভাবে সক্ষম ও তৃতীয় লিঙ্গের প্রার্থীদের জন্য সংরক্ষিত থাকবে। সুপ্রিম রায়ে আন্দোলনের জয়জয়কার হলেও বাংলাদেশ এখনও অশান্ত। এই পরিস্থিতিতে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন সে দেশে পড়তে যাওয়া বিদেশি পড়ুয়ারা। তাঁদের মধ্যে অধিকাংশই ভারতীয় (Indian students)। বিষয়টি সামনে আসতেই ভারতের তরফে শুরু হয় তৎপরতা। এরপর ধাপে ধাপে তাঁদের ভারতে ফেরানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Quota Reform Movement: জামাত-বিএনপির চক্রান্তে ছড়িয়েছে হিংসা, অভিযোগ হাসিনার ছেলের

    Quota Reform Movement: জামাত-বিএনপির চক্রান্তে ছড়িয়েছে হিংসা, অভিযোগ হাসিনার ছেলের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশে কোটা-বিরোধী (Quota Reform Movement) আন্দোলনের তদন্ত করতে গিয়ে বিচার বিভাগীয় কমিশন ঘটেছে গঠন করেছে বাংলাদেশ সরকার। এরই মাঝে একটি গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য এসেছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে এবং প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও গণ জ্ঞাপন বিষয়ক উপদেষ্টা সাজিদ-ওয়াজেদ জয়ের তরফে। তিনি বলেন, “শান্তিপূর্ণভাবে পড়ুয়ারা যে আন্দোলন (Bangladesh Quota Protest) শুরু করেছিল, সেটাকে হিংসাত্মক আন্দোলনে পরিণত করেছে বিরোধী দল বিএনপি এবং জামাত-এ-ইসলামী। নিজেদের স্বার্থ চরিতার্থ করতে হিংসার পথ অবলম্বন করেছে এই জোট। বাংলাদেশে শেষ কয়েকদিন ধরে যে হিংসাত্মক ঘটনা ঘটেছে, তার সঙ্গে পড়ুয়াদের বিক্ষোভের কোন সম্পর্ক নেই।”

    জামাত বিএনপির চক্রান্তে হিংসা (Bangladesh Quota Protest)

    প্রধানমন্ত্রীর ছেলে তরফে এমন সময় মন্তব্য এসেছে, যখন হাইকোর্টের রায় খারিজ করে দিয়েছে বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্ট। ৫ জুন সরকারি চাকরিতে সংরক্ষণের বাতিলের সিদ্ধান্তকে অবৈধ বলে রায় দিয়েছিল হাইকোর্ট। এরপর থেকে পড়ুয়ারা বিক্ষোভ (Bangladesh Quota Protest) দেখাতে শুরু করে। ১ জুলাই থেকে আন্দোলন ধীরে ধীরে তীব্র হতে শুরু করে। ছড়িয়ে পড়ে হিংসা। জুলাই মাসের মাঝামাঝি দিক থেকে চরম হিংসাত্মক আন্দোলন শুরু হয়। আন্দোলনের সামিল হয় জামাত-এ- ইসলামী ও বিএনপি। শাসক দলের ছাত্র সংগঠনের বিরুদ্ধেও পাল্টা হামলায় জড়িয়ে পড়ার অভিযোগ ওঠে। এরপর রবিবার ৫৬ শতাংশের সংরক্ষণকে ৭ শতাংশে নামিয়ে আনে বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্ট। সেই রায়ের পরেই প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও গণ জ্ঞাপন বিষয়ক উপদেষ্টা জানান, হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে গিয়েছিল হাসিনা সরকার। দ্রুত শুনানির জন্য অ্যাপিল বিভাগে আবেদন করা হয়েছিল।

    আরও পড়ুন: সংরক্ষণ ব্যবস্থায় সংস্কার হবে, হাইকোর্টের রায় খারিজ করে জানাল বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্ট

    রবিবার সরকারের চেষ্টাতেই সুপ্রিম কোর্ট সংরক্ষণের ঊর্ধ্বসীমা কমিয়ে এনেছে। মোট সাত শতাংশের কোটার মধ্যে পাঁচ শতাংশ থাকবে মুক্তিযোদ্ধাদের সন্তানদের জন্য। এক শতাংশ থাকবে অনগ্রসর শ্রেণীর জন্য। বাকি এক শতাংশ প্রতিবন্ধী এবং তৃতীয় লিঙ্গের জন্য সংরক্ষিত থাকবে। মোট আসনের ৯৩ শতাংশ নিয়োগ হবে মেধার ভিত্তিতে।

    ১৫৫ জনের মৃত্যুতেও থামছে না আন্দোলন (Quota Reform Movement)

    সাজিদ ওয়াজেদ জয়ের অভিযোগ, জামাত এবং বিএনপির লোকজন আক্রমণ চালিয়েছে সুরক্ষা বাহিনী, সাংবাদিক এবং সরকারি আধিকারিদের উপরে। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের ভবন এবং সরকারি ভবনে ভাঙচুর চালানো হয়েছে এবং অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে। সংবাদ সংস্থা এএফপির খবর অনুযায়ী, কোটাবিরোধী আন্দোলনে (Quota Reform Movement) মোট ১৫৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। সরকার কঠোরভাবে (Bangladesh Quota Protest) আন্দোলন দমনের চেষ্টা করছে। সেনার ট্যাঙ্ক নামানো হয়েছে। ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ করে দেশ জুড়ে কারফিউ লাগু করা হয়েছে।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • US Presidential Election: প্রেসিডেন্ট পদের দৌড় থেকে সরলেন বাইডেন, পরবর্তী প্রার্থী কি কমলা?

    US Presidential Election: প্রেসিডেন্ট পদের দৌড় থেকে সরলেন বাইডেন, পরবর্তী প্রার্থী কি কমলা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আমেরিকার প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের (US Presidential Election) দৌড় থেকে নিজেকে সরিয়ে নিলেন জো বাইডেন (Joe Biden)। মাত্র চার মাস পরেই নির্বাচন আমেরিকায়। ডেমোক্র্যাট দলের প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী ছিলেন বাইডেন। নভেম্বরের নির্বাচনে তাঁরই লড়ার কথা ছিল রিপাবলিকান ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে। তবে তার আগেই  রবিবার সমাজ মাধ্যমে নিজের সিদ্ধান্তের কথা জানালেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। দেশ ও দলের স্বার্থে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত বলে জানান বাইডেন। একই সঙ্গে সমাজ মাধ্যমে আমেরিকার ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিসের সঙ্গে একটি ছবি পোস্ট করে কাজের অভিজ্ঞতাও ভাগ করে নিয়েছেন বাইডেন। যা থেকে বাইডেনের ইঙ্গিত স্পষ্ট, নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটদের নতুন পদপ্রার্থী হিসেবে কমলা হ্যারিসকেই তাঁর পছন্দ। 

    বাইডেনের বার্তা (Joe Biden)

    নিজের এক্স হ্যান্ডলে বাইডেন (Joe Biden) লিখেছেন, “দেশের স্বার্থে এবং দলের স্বার্থে আমার সরে দাঁড়ানো প্রয়োজন। আমার মেয়াদের বাকি সময়টুকু একনিষ্ঠ ভাবে নিজের দায়িত্ব পালন করে যেতে চাই।” এর পাশাপাশি ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা এবং তাঁর সঙ্গে কাজ করা সকলকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন বাইডেন। আগামী সপ্তাহে দেশবাসীকে বিস্তারিত ভাবে তাঁর এই সিদ্ধান্তের বিষয়ে জানাবেন বলেও জানিয়েছেন বাইডেন। ৮১ বছর বয়সি বাইডেনের স্বাস্থ্য নিয়ে উদ্বেগ ছিলই। তা সত্ত্বেও এবারে তাঁকেই প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী করা হয়েছিল। তবে কিছু দিন আগে আমেরিকার প্রেসিডেন্সিয়াল (US Presidential Election) বিতর্কে অংশ নেওয়ার পরেই তাঁকে প্রার্থিপদ থেকে সরানোর দাবি জোরালো হয়। ওই বিতর্কসভায় বাইডেনের আচরণ অসংলগ্ন ছিল বলে দাবি।

    কমলার কথা (Kamala Harris)

    প্রেসিডেন্ট হিসাবে (US President Election) তাঁর নাম সামনে আনায় বাইডেনের (Joe Biden) প্রশংসা করেছেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত কমলা হ্যারিস (Kamala Harris)। হ্যারিস জানিয়েছেন, আগামী নভেম্বরে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন রয়েছে। সেই নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটিক পার্টির মনোনয়ন পেলে জিততে বদ্ধপরিকর তিনি। শুধু তাই নয়, ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে একজোট হয়ে লড়াই’য়ের কথাও বলেন হ্যারিস। এই প্রসঙ্গে জো বাইডেনের অসাধারণ নেতৃত্বের প্রসঙ্গ তুলে প্রশংসাও করেন। বলেন, নতুন আমেরিকা তৈরি করতে বাইডেন যেভাবে কাজ করেছেন তা অবশ্যই প্রশংসনীয়। একই সঙ্গে ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসাবে আমেরিকার সেবা করা একটা বড় সম্মান বলেও উল্লেখ করেছেন কমলা। 

    পরবর্তী প্রার্থী (US Presidential Election) 

    বাইডেন (Joe Biden) ভাইস প্রেসিডেন্ট (US Presidential Election) কমলা হ্যারিসকে প্রেসিডেন্ট পদের জন্য উপযুক্ত বলে ইঙ্গিত দিলেও দলের তরফ থেকে এখনও কোনও ঘোষণা করা হয়নি। কমলা ছাড়াও দৌড়ে রয়েছেন প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার স্ত্রী মিশেল ওবামা এবং ক্যালিফর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসমও। তবে ডেমোক্র্যাটরা যদি কমলা হ্যারিসকে প্রেসিডেন্ট হিসাবে মনোনয়ন দেয় তাহলে দেশে তৈরি হবে নয়া ইতিহাস। প্রথমবার কোনও কৃষ্ণাঙ্গ মহিলা প্রেসিডেন্ট পদের জন্য লড়বেন। শুধু তাই নয়, ভারতের সঙ্গেও তাঁর যোগ রয়েছে। তৎকালীন মাদ্রাজে ভারতীয় বংশোদ্ভূত কমলা হ্যারিসের জন্ম। ট্রাম্পের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে যদি কমলা জয়ী হন, তবে ইতিহাস গড়বেন তিনি। আমেরিকার ইতিহাসে প্রথমবার প্রেসিডেন্ট পদে বসতে পারেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত মহিলা। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share