Category: বিদেশ

Get updates on World News Headlines International News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Imran Khan: এবার তোষাখানা মামলায় ১৪ বছরের জেলের সাজা হল সস্ত্রীক ইমরান খানের

    Imran Khan: এবার তোষাখানা মামলায় ১৪ বছরের জেলের সাজা হল সস্ত্রীক ইমরান খানের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মঙ্গলবার পাকিস্তানের বিশেষ আদালত প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানকে (Imran Khan) গোপন তথ্য পাচারের অভিযোগে ১০ বছরের কারাবাসের  সাজা ঘোষণা করেছিল। ২৪ ঘণ্টা কাটতে না কাটতেই ওই একই আদালত এবার ইমরান খানকে সস্ত্রীক ১৪ বছরের কারাদণ্ডের সাজা শোনাল। জানা গিয়েছে, তোষাখানা মামলায় দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে প্রাক্তন পাক প্রধানমন্ত্রীকে। ওই একই সাজা শোনানো হয়েছে ইমরানের স্ত্রী বুশরা বিবিকেও। এর পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছে আগামী ১০ বছরের জন্য কোনও সরকারি পদে বসতে পারবেন না ইমরান খান অথবা বুশরা বিবি। পাকিস্তানি মুদ্রায় তাঁদেরকে ৭৯ কোটি টাকা জরিমানাও করা হয়েছে।

    ২০২২ সালে প্রধানমন্ত্রী পদ থেকে অপসারিত হন ইমরান

    প্রসঙ্গত, ২০২২ সালের এপ্রিল মাসেই দুর্নীতির অভিযোগে প্রধানমন্ত্রী পদ চলে যায় ইমরান খানের (Imran Khan)। ক্ষমতা হারানোর পরেই দুবাইয়ের এক ব্যবসায়ী দাবি করেন, বিদেশ থেকে ইমরান খান যে উপহার পেয়েছিলেন সেই উপহার তিনি কুড়ি লাখ টাকায় কিনে নিয়েছিলেন। জানা গিয়েছে, ২০১৯ সালে ইমরানের দল তেহরিক-ই-ইনসাফ যখন পাকিস্তানের মসনদে ছিল, তখনই সৌদি আরবের রাজা মহম্মদ বিন সুলেমন ইমরানকে ওই বহুমূল্য ঘড়ি উপহার হিসেবে দেন। এই অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে পাকিস্তানের নির্বাচন কমিশন পাঁচ বছরের জন্য নির্বাচনী যে কোনও প্রক্রিয়ায় ইমরান খানকে (Imran Khan) নির্বাসন দেয়। এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ২০২২ সালের অক্টোবর মাসে ইসলামাবাদ হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন ইমরান। কিন্তু সেখানে তাঁর আবেদন খারিজ হয়।

    ২০২৩ সালের ৫ অগাস্ট দোষী সাব্যস্থ হন ইমরান

    ২০২৩ সালের ৫ অগাস্ট ইসলামাবাদ কোর্ট দোষী সাব্যস্ত করে ইমরান খানকে। তারপরেই ইমরান খান (Imran Khan) গ্রেফতার হন তখন থেকেই জেলে রয়েছেন তিনি। প্রসঙ্গত, পাক প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে একাধিক মামলা বর্তমানে চলছে। গতকালই গোপন তথ্য পাচারের যে অভিযোগে ১০ বছরের কারাদণ্ড ঘোষণা হয়েছে ইমরানের সেখানে একইসঙ্গে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে একদা তাঁর সরকারের বিদেশ মন্ত্রী শাহ মেহমুদ কুরেশিকেও। এতদিন পর্যন্ত পাকিস্তানের অ্যাটাক ডিস্ট্রিক্ট জেলে বন্দি ছিলেন ইমরান খান। গত ডিসেম্বর মাসে সুপ্রিম কোর্ট ইমরান খান এবং কুরেশিকে জামিন দিয়েছিল কিন্তু একাধিক মামলা চলায় জেলেই ছিলেন ইমরান খান।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Maldives: চিনপন্থী মুইজ্জুকে গদিচ্যুত করতে ইমপিচমেন্ট প্রক্রিয়া শুরু মলদ্বীপে!

    Maldives: চিনপন্থী মুইজ্জুকে গদিচ্যুত করতে ইমপিচমেন্ট প্রক্রিয়া শুরু মলদ্বীপে!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ক্রমেই ঘোরালো হচ্ছে মলদ্বীপের (Maldives) রাজনৈতিক পরিস্থিতি। চিনপন্থী প্রেসিডেন্ট মহম্মদ মুইজ্জুর বিরুদ্ধে ইমপিচমেন্ট প্রক্রিয়া শুরু করতে চলেছেন দ্বীপরাষ্ট্রের বিরোধীরা। মলদ্বীপের সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠ মলদ্বীভিয়ান ডেমোক্রেটিক পার্টি। ইমপিচমেন্ট আনতে প্রয়োজনীয় স্বাক্ষর সংগ্রহ করছেন এই দলের নেতারা।

    মুইজ্জুর চিন-প্রেম

    মুইজ্জুর চিন-প্রেমকে ভালো চোখে দেখেননি সে দেশের বিরোধীরা। ভারতের বিরুদ্ধে যে অবস্থান নিয়েছে মুইজ্জু প্রশাসন, তাকেও বিষনজরে দেখছেন তাঁরা। এহেন আবহে চিনা চর জাহাজকে রাজধানী মালের বন্দরে স্বাগত জানানোয় মুইজ্জুর ওপর বেজায় চটেছেন বিরোধীরা। তার পরেই শুরু হয়েছে মুইজ্জুকে ইমপিচমেন্ট করার প্রক্রিয়া। গত নির্বাচনে মলদ্বীপের (Maldives) ক্ষমতায় আসে চিনপন্থী নেতা মুইজ্জু। তার পর থেকে ভারত-মলদ্বীপের সম্পর্ক গিয়ে ঠেকেছে তলানিতে।

    মলদ্বীপের রাজনৈতিক হাওয়া

    মলদ্বীপের রাজনৈতিক মহলও ভাগ হয়ে গিয়েছে দু’ ভাগে। একদল মুইজ্জুপন্থী। আর অন্য দল ভারতপন্থী। মলদ্বীপের ভারতপন্থী নেতারা মুইজ্জু সরকারের চিন-প্রেমে যারপরনাই ক্ষুব্ধ। ‘পরম মিত্র’ দেশ ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক নষ্টের জন্য তাঁরা দুষছেন মুইজ্জু প্রশাসনকে। সম্প্রতি ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সম্পর্কে অবমাননাকর মন্তব্য করেন মুইজ্জু সরকারের তিন মন্ত্রী। চাপে পড়ে তাঁদের সাসপেন্ড করা হলেও, উন্নতি ঘটেনি ভারত-মলদ্বীপ সম্পর্কের। এহেন আবহে রবিবার দ্বীপরাষ্ট্রের (অ)সংসদীয়কাণ্ডের ছবি ভাইরাল। এদিন সংসদের ভেতরে সাংসদদের মধ্যেই চলল লাথি, ঘুষি, চড়-থাপ্পড়, চুল ধরে টানা, বাঁশি বাজিয়ে অধ্যক্ষের কণ্ঠ স্তব্ধ করে দেওয়া সবই। হাতাহাতির জেরে জখম হন বেশ কয়েকজন সাংসদ।

    আরও পড়ুুন: ক্ষমতায় ফিরছে এনডিএ, ভবিষ্যদ্বাণী প্রশান্ত কিশোরের

    রবিবারের এই ঘটনার পর মুইজ্জু সরকারকে হঠাতে কোমর বেঁধে নেমে পড়ছেন বিরোধীরা। চিন নয়, ভারতের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রেখে চলার পক্ষপাতী মলদ্বীপের প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি ইব্রাহিম মহম্মদ সোলিহের দল এমডিপি। তাঁর সঙ্গে রয়েছেন দ্বীপরাষ্ট্রের আরও কয়েকটি দল। তারা চাইছে, ফের চাঙা হোক ভারত-মলদ্বীপ সম্পর্ক।

    মলদ্বীপে শিক্ষা সহ নানা ক্ষেত্রে ভারতের অবদান প্রচুর। তাই সে দেশে ভারতপন্থী মানুষের অভাব নেই। গত বছরের শেষের দিকে মলদ্বীপের রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার পর ভারতকে দূরে ঠেলে চিনের সঙ্গে বন্ধুত্ব পাতাতে উদ্যোগী হন মুইজ্জু। নির্বাচিত হওয়ার পর মলদ্বীপের রাষ্ট্রপতিরা প্রথমে আসেন ভারত সফরে। দীর্ঘদিনের এই প্রথা ভেঙে মুইজ্জু গিয়েছিলেন চিনে। ভারতের বদলে চিনকে তিনি মিত্র দেশ বলে ঘোষণা করেন। তার পর থেকে দ্বীপরাষ্ট্রের জনমত ঘুরে গিয়েছিল মুইজ্জুর (Maldives) দিক থেকে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Mona Lisa: স্যুপ ছিটিয়ে দ্য ভিঞ্চির মোনালিসা নষ্টের চেষ্টা! কী হল ৫২১ বছরের ছবিটির?

    Mona Lisa: স্যুপ ছিটিয়ে দ্য ভিঞ্চির মোনালিসা নষ্টের চেষ্টা! কী হল ৫২১ বছরের ছবিটির?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফ্রান্স জুড়ে চলছে কৃষক বিক্ষোভ। তার মধ্যে, রবিবার (২৮ জানুয়ারি), আক্রান্ত হল ‘মোনালিসা’। ১৫০৩ সালে লিওনার্দো দ্য ভিঞ্চির আঁকা এই বিশ্বখ্যাত চিত্রকর্মটিতে স্যুপ ছিটিয়েছেন কৃষি পরিবেশ আন্দোলনকারীরা। তবে চিত্রকর্মটি বুলেটপ্রুফ কাঁচ দিয়ে ঘেরা থাকায় সেটির কোনও ক্ষতি হয়নি। প্যারিসের বিখ্য়াত ল্যুভর মিউজিয়ামে রাখা আছে ইতালীয় রেনেসাঁর এই মাস্টারপিসটি।

    আক্রান্ত মোনালিসা

    ফ্রান্স জুড়ে চলছে কৃষক আন্দোলন। সেই আন্দোলনের ঢেউ এবার আছড়ে পড়েছে প্যারিসের ল্যুভর মিউজিয়ামে রাখা বিশ্বখ্যাত মোনালিসার ছবির উপর। অভিযোগ, আচমকা মিউজিয়ামে ঢুকে পড়ে আন্দোলনকারীর। দ্য ভিঞ্চির ১৬ শতকের আঁকা মোনালিসার ছবিটির উপর স্যুপ ছিটিয়ে সেটিকে বিকৃত করার চেষ্টা করেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় এই সংক্রান্ত এই ভিডিয়ো ছড়িয়ে পড়ে। ১৯৫০ সাল থেকে বিশেষ ভাবে তৈরি কাচের ফ্রেমের মধ্যে রাখা রয়েছে ভিঞ্চির আঁকা দুনিয়ার আশ্চর্য হিসেবে পরিচিত এই ছবিটি। এক দর্শনার্থী চিত্রকর্মটির দিকে অ্যাসিড ছুঁড়ে মারার পর ক্ষতিগ্রস্ত হয় এটি। তারপরই এটিকে সুরক্ষিত রাখার জন্য কর্তৃপক্ষ উদ্যোগ নেয়। মোনালিসার এই ছবিটিকে আরও নিরাপদে রাখার জন্য ২০১৯ সালে বুলেট প্রুফ গ্লাস বসানো হয়েছিল। এর আগে ২০২২ সালে পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলনকারীরা নীল কালি ছিটিয়ে দিয়ছিলেন মোনালিসার ছবির উপর। 

    কেন এই পদক্ষেপ

    সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিয়োতে দেখা যায়, মোনালিসার ছবিটির সামনে থাকা কাঁচের বক্সের উপর স্যুপ ছিটিয়ে দিচ্ছেন দুই মহিলা। সঙ্গে তাঁরা টেকসই খাদ্য ব্যবস্থার পক্ষে স্লোগান দেন। তাঁদের চিৎকার করে বলত শোনা যায়, “সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ কোনটা?” শিল্পকর্ম, নাকি স্বাস্থ্যকর এবং টেকসই খাদ্যের অধিকার? আমাদের কৃষি ব্যবস্থা অসুস্থ হয়ে পড়েছে। মাঠে কাজ করতে গিয়ে কৃষকরা মারা যাচ্ছে।” এরপর, ল্যুভরের কর্মচারীদের দেখা যায় মোনালিসার ছবি একটি কালো প্যানেল দিয়ে ঢেকে দিতে। দর্শকদের সেই ঘর খালি করার নির্দেশ দেওয়া হয়। পরে প্যারিস পুলিশ ওই দুজনকে গ্রেফতার করেছে। তাদের টি-শার্টে লেখা ছিল ‘ফুড রিপোস্টে’। ‘ফুড রিপোস্টে’ফ্রান্সের একটি জলবায়ু নিয়ে কাজ করা বেসরকারি গোষ্ঠী। 

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Joe Biden: ড্রোন হামলায় তিন সেনানীর মৃত্যু, ইরানকে হুঁশিয়ারি বাইডেনের

    Joe Biden: ড্রোন হামলায় তিন সেনানীর মৃত্যু, ইরানকে হুঁশিয়ারি বাইডেনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিন মার্কিন সৈনিক হত্যার দায়ে ইরানকে কড়া হুঁশিয়ারি মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের (Joe Biden)। তাঁর হুঁশিয়ারি, চুপ করে বসে থাকবে না আমেরিকা। যারা দোষী, তাদের শীঘ্রই শাস্তি দেওয়া হবে। শনিবার রাতে সিরিয়া সীমান্তের কাছে উত্তর-পূর্ব জর্ডনে ড্রোন হামলা হয়। যেহেতু মার্কিন সামরিক ঘাঁটি লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়, তাই মৃত্যু হয় আমেরিকার তিন সেনার। বেশ কয়েকজন জখম হয়েছেন বলেও খবর।

    ইজরায়েল-হামাস যুদ্ধ

    প্রসঙ্গত, ইজরায়েল-হামাস যুদ্ধ শুরুর পর আমেরিকার ওপর এটাই সব চেয়ে বড় হামলা। কয়েক দিন আগেই পাকিস্তানের ভেতরে ঢুকে কয়েকটি জঙ্গি গোষ্ঠী দুরমুশ করে দিয়েছিল ইরান। এবার তারা মার্কিন সেনাঘাঁটি লক্ষ্য করে হামলা চালাল বলে অভিযোগ। জর্ডনে এই হামলার নেপথ্যে ইরান সমর্থিত গোষ্ঠীর হাত রয়েছে বলে বিবৃতি জারি করে জানিয়েছে বাইডেন প্রশাসন (Joe Biden)। রবিবার নির্বাচনী প্রচারে দক্ষিণ ক্যারোলিনা প্রদেশে গিয়েছিলেন প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী বাইডেন।

    কী বললেন বাইডেন?

    ড্রোন হামলা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “এই দিনটি আমাদের জন্য কঠিন ছিল। গত রাতে আমরা আমাদের তিন সাহসী সৈনিককে হারিয়েছি। আমাদের সামরিক ঘাঁটিতে হামলা চালানো হয়েছে। আমরা চুপ করে থাকব না। এর জবাব দেবই।” মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড জানিয়েছে, টাওয়ার ২২ নামের একটি বেসে হামলা চালানো হয়েছে। জর্ডন প্রশাসনের তরফে মহম্মদ আল মুবাইদিন বলেন, “সিরিয়ায় মার্কিন আল তানফ বেস লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে।” বাইডেন জানান, সিরিয়া এবং ইরাকে ইরানের মদতপুষ্ট যে জঙ্গিরা রয়েছে, তারাই চালিয়েছে হামলা। তিনি বলেন, “সময় এবং সুযোগ বুঝে আমরা যে এর প্রতিশোধ নেব, এ ব্যাপারে কোনও সন্দেহ নেই।”

    আরও পড়ুুন: মলদ্বীপে মৌষল-পর্ব, সংসদের অন্দরে ‘মল্লযুদ্ধ’, ভাইরাল ভিডিও

    আমেরিকা এবং তাদের সহযোগী ইরাক এবং সিরিয়ার যৌথ বাহিনীর ওপর গত অক্টোবর থেকে এনিয়ে ১৫৮টিরও বেশি বার হামলা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ড্রোন-রকেট হামলা, ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ার মতো ঘটনাও। তবে এর কোনওটিতেই মার্কিন শিবিরে উল্লেখযোগ্য কোনও ক্ষয়ক্ষতি হয়নি।

    ড্রোন হামলায় তিন মার্কিন সেনার মৃত্যুর ঘটনায় ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়ছে বাইডেন প্রশাসন। বাইডেনের নীতির কড়া সমালোচনা করেছেন সে দেশের বিরোধীরা। চলতি বছরই রয়েছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচন। লড়াইয়ের ময়দানে রয়েছেন বাইডেনও। বিরোধীরা যে তাঁর বিরুদ্ধে এই ড্রোন হামলাকে প্রচারের (Joe Biden) হাতিয়ার করবেন, তা বলাই বাহুল্য।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Maldives: মলদ্বীপে মৌষল-পর্ব, সংসদের অন্দরে ‘মল্লযুদ্ধ’, ভাইরাল ভিডিও

    Maldives: মলদ্বীপে মৌষল-পর্ব, সংসদের অন্দরে ‘মল্লযুদ্ধ’, ভাইরাল ভিডিও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মৌষল-পর্ব শুরু হয়ে গেল মলদ্বীপে (Maldives)। রবিবারের দুপুরে তামাম বিশ্ব সাক্ষী রইল বেনজির এক সংসদীয়কাণ্ডের। সংসদের ভেতরেই চলল লাথি, ঘুষি, চড়-থাপ্পড়, চুল ধরে টানা, বাঁশি বাজিয়ে অধ্যক্ষের কণ্ঠ স্তব্ধ করে দেওয়া সবই। হাতাহাতির জেরে জখম হয়েছেন বেশ কয়েকজন সাংসদ। অ্যাম্বুলেন্সে করে তাঁদের নিয়ে যাওয়া হয়েছে হাসপাতালে। মুইজ্জু সরকার ভারত-বিরোধী অবস্থান নেওয়ায় কার্যত দু’ ভাগে ভাগ হয়ে গিয়েছে সে দেশের রাজনৈতিক মহল। তার জেরেই এদিন সংসদ পরিণত হল মল্লযুদ্ধের আখড়ায়।

    মহম্মদ মুইজ্জু

    গত নির্বাচনে দ্বীপরাষ্ট্রের (Maldives) ক্ষমতায় আসে চিনপন্থী নেতা মহম্মদ মুইজ্জু। তার পর থেকে ভারত-মলদ্বীপের সম্পর্ক গিয়ে ঠেকেছে তলানিতে। মলদ্বীপের রাজনৈতিক মহলও ভাগ হয়ে গিয়েছে দু’ ভাগে। একদল মুইজ্জুপন্থী। আর অন্য দল ভারতপন্থী। মলদ্বীপের ভারতপন্থী নেতারা মুইজ্জু সরকারের চিন-প্রেমে যারপরনাই ক্ষুব্ধ। ‘পরম মিত্র’ দেশ ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক নষ্টের জন্য তাঁরা দুষছেন মুইজ্জু প্রশাসনকে। সম্প্রতি ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সম্পর্কে অবমাননাকর মন্তব্য করেন মুইজ্জু সরকারের তিন মন্ত্রী। চাপে পড়ে তাঁদের সাসপেন্ড করা হলেও, উন্নতি ঘটেনি ভারত-মলদ্বীপ সম্পর্কের। এহেন আবহে ঘটল রবিবার (অ)সংসদীয়কাণ্ড।

    বিশেষ অধিবেশন

    মুইজ্জু সরকারের মন্ত্রিসভায় ঠাঁই হয়েছে ২২ জন মন্ত্রীর। তাঁদের সংসদীয় (Maldives) অনুমোদনের জন্যই ডাকা হয়েছিল বিশেষ অধিবেশন। প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে মুইজ্জুর নেতৃত্বাধীন জোট জয়ী হলেও, সংসদে তাঁদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা নেই। সেখানে দাপট রয়েছে প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি ইব্রাহিম মহম্মদ সোলিহের দল এমডিপির। এদিন মুইজ্জুর মন্ত্রিসভার ২২ জন মন্ত্রীর নামের মধ্যে ১৮ জনকে অনুমোদন দেয় সংসদ। এমডিপি আপত্তি জানায় চারজনের নামে। তার পরেই দু’ পক্ষে শুরু হয় হাতাহাতি। জখম হন বেশ কয়েকজন সাংসদ।

     

    সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া ভিডিওয় দেখা যাচ্ছে, এমডিপি সাংসদ ঈশা এবং পিএনসি সাংসদ আবদুল্লা শাহীম আবদুল হাকিমের মধ্যে মারামারি হচ্ছে। ঈশার পা ধরে টেনে ফেলে দিচ্ছেন শাহীম। ঈশা পড়ে যান। শাহীমের ঘাড়ে লাথি মেরে তাঁর চুল টেনে ধরেন। জখম হন শাহীম। অন্য একটি ভিডিওয় দেখা যাচ্ছে, অধ্যক্ষের কাজে বাধা দেওয়ার জন্য মুইজ্জুর দলের সাংসদরা, তাঁর আসনের পাশে দাঁড়িয়ে ভেঁপু বাজাচ্ছেন। সংসদে কথা বলার জন্য যে মাইক রাখা থাকে, সেই মাইক তুলে হাতাহাতির উপক্রম হয়। এর পরেই মলদ্বীপের (Maldives) সংসদ ভবন থেকে সব মাইক সরিয়ে নেওয়া হয়।

    আরও পড়ুুন: নীতীশকে শুভেচ্ছা মোদির, কী বললেন প্রধানমন্ত্রী?

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Pakistan Elections 2024: নওয়াজের সভায় জ্যান্ত বাঘ-সিংহ! কী বললেন প্রাক্তন পাক প্রধানমন্ত্রী?

    Pakistan Elections 2024: নওয়াজের সভায় জ্যান্ত বাঘ-সিংহ! কী বললেন প্রাক্তন পাক প্রধানমন্ত্রী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এক ঝলক দেখলে মনে হবে বুঝি, সার্কাস চলছে। আসলে তা না। চলছে পাকিস্তানের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফের নির্বাচনী (Pakistan Elections 2024) প্রচার। খাঁচায় বন্দি বাঘ-সিংহ। বাঘের হালুম, সিংহের গর্জন ভয় ধরায় বুকে। সেসব উপেক্ষা করেই বাঘ-সিংহের সঙ্গে সেলফি তুলছে জনতা। সম্প্রতি এমনই ছবি ভাইরাল রয়েছে। ৪ বছরের বিদেশ-বাসের পর পাততাড়ি গুটিয়ে পাকিস্তানে ফিরেছেন নওয়াজ। নেমে পড়েছেন নির্বাচনী ময়দানে। ফেব্রুয়ারি মাসের ৮ তারিখে ভোট হওয়ার কথা সে দেশে। জনতার মন পেতে তাই কোমর কষে নেমে পড়েছেন পাকিস্তানের রাজনৈতিক দলগুলির নেতারা।

    নওয়াজের সভা

    মঙ্গলবার লাহোরের এক নির্বাচনী সভায় অংশ নিয়েছিলেন নওয়াজ (Pakistan Elections 2024)। সেখানেই জ্যান্ত বাঘ-সিংহ নিয়ে হাজির হয়েছিলেন তাঁর সমর্থকরা। বিষয়টি জানতে পেরে সেগুলিকে ফিরিয়ে নিয়ে যেতে বলেন পাকিস্তানের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী। জাতীয় পরিষদ নির্বাচনে এনএ-১৩০ আসনে প্রার্থী হয়েছেন নওয়াজ। তাঁর নির্বাচনী প্রতীক হওয়ায় বাঘ-সিংহ নিয়ে আসছেন সমর্থকরা। যদিও তিনি তাঁদের এসব করতে নিষেধ করেছেন বলে খবর। নওয়াজের মেয়ে মরিয়ম আওরঙ্গজেব বলেন, “বাবা সমাবেশে সিংহ আনার খবর জানতে পারে। তাঁর নির্দেশে সিংহটি ফিরিয়ে আনা হয়।”

    ভোটে লড়তে পারবেন না ইমরান

    নওয়াজ প্রার্থী হতে পারলেও, ভোটে লড়তে পারবেন না পাকিস্তানের আর এক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। ২০২২ সালে প্রধানমন্ত্রীর পদ খোয়াতে হয়েছিল তাঁকে। তোষাখানা সহ একাধিক মামলায় নাম জড়ায় তাঁর। গ্রেফতারও হন। সম্প্রতি ছাড়া পেয়েছেন জামিনে। তবে নির্বাচনী ময়দানে দেখা যাবে না তাঁকে।

    আরও পড়ুুন: ‘‘কেন ইম্পিচমেন্টের প্রক্রিয়া শুরু হবে না?’’ বিচারপতি সেনের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়

    নওয়াজ জানান, তাঁকে প্রধানমন্ত্রীর অফিস থেকে সরিয়ে দেওয়ার পর থেকে সমস্যায় পড়েছে পাকিস্তান। চার বছর লন্ডনে কাটিয়ে গত বছরের শেষের দিকে পাকিস্তানে ফেরেন নওয়াজ। জমা দেন মনোনয়ন। তাঁর প্রার্থিপদ নিয়ে নির্বাচন কমিশনের কোনও সদস্য আপত্তি না জানানোয় নির্বাচনে লড়ার ছাড়পত্র দেওয়া হয় তাঁকে। নওয়াজ নির্বাচনে লড়ার ছাড়পত্র পাওয়ায় বেজায় চটেছে ইমরানের দল তেহরিক-ই-ইনসাফ। তাদের দাবি, পরিকল্পনামাফিক নওয়াজকে ভোটে লড়ার সুযোগ করে দেওয়া হয়েছে। প্রসঙ্গত, আয় বহির্ভূত সম্পত্তি রাখার অভিযোগ উঠেছিল নওয়াজের বিরুদ্ধে। ২০১৭ সালে তাঁর নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার ওপর স্থগিতাদেশ জারি করেছিল পাকিস্তানের (Pakistan Elections 2024) সুপ্রিম কোর্ট।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • Saudi Arabia: অমুসলিম কূটনীতিকদের জন্য প্রথম মদের দোকান খুলছে সৌদি আরব

    Saudi Arabia: অমুসলিম কূটনীতিকদের জন্য প্রথম মদের দোকান খুলছে সৌদি আরব

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সৌদি আরবে (Saudi Arabia) খুলছে প্রথম মদের দোকান। জানা গিয়েছে রাজধানী রিয়াধে এই মদের দোকান খোলা হবে। সে দেশের কর্মরত অমুসলিম কূটনীতিকদের জন্য। জানা গিয়েছে, রিয়াধে যে মদের দোকান খোলা হচ্ছে সেখানে ক্রেতারা মোবাইলের অ্যাপের মাধ্যমেই কিনতে পারবেন অ্যালকোহল। অমুসলিম কূটনীতিকদের মদ কেনার জন্য শুধুমাত্র একটি কোড লাগবে, যেটা সংশ্লিষ্ট দেশের বিদেশ মন্ত্রকের তরফে দেওয়া হবে।

    সংস্কারের পথে হাঁটছে সৌদি

    প্রসঙ্গত, এতদিন পর্যন্ত কোনও মদের দোকান ছিল না সৌদি আরবে (Saudi Arabia)। সেখানকার রাজপুত্র মহম্মদ বিন সলমনের উদ্যোগে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে। সৌদি আরব মুসলিম দেশ, তারাও চাইছে যে পর্যটন এবং ব্যবসার কেন্দ্র হয়ে উঠুক তাদের দেশ। স্বাভাবিকভাবে ইসলামে মদ নিষিদ্ধ হওয়া সত্ত্বেও মদের দোকান খোলার সিদ্ধান্ত নিল সৌদি আরব।

    আরও পড়ুন: ফোকাস নারী ক্ষমতায়ন, ৭৫ তম প্রজাতন্ত্র দিবসের কুচকাওয়াজে ঘটবে অনেক ‘প্রথম’

    কোথায় খোলা হচ্ছে মদের দোকান

    রিয়াধের কূটনীতিকদের থাকার আবাসনের কাছেই এই মদের দোকান খোলা হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে। আরও জানা যাচ্ছে, আগামী সপ্তাহেই দোকানটি খুলে যাবে। সৌদি আরবের (Saudi Arabia) মতো দেশে মদ্যপানের বিরুদ্ধে কঠোর আইনও রয়েছে। যেখানে বেত্রাঘাত, নির্বাসন, জরিমানা অথবা কারাদণ্ডের শাস্তি হতে পারে। মদ্যপানের কারণে সে দেশে প্রবাসীরাও এ ধরনের শাস্তির মুখোমুখি হয়েছেন অতীতে। তবুও সে দেশে লুকিয়ে চুরিয়ে কালোবাজারির মাধ্যমে মদ বিক্রি হতো এতদিন। ধীরে ধীরে সৌদি আরবে কঠোর ইসলামিক শাসনের অনেক শিথিলতা দেখা যাচ্ছে। যেমন, সাম্প্রতিক সময়েই মহিলাদের বোরখা পরা বাধ্যতামূলক নয় বলে জানিয়েছে সৌদি আরব। পাবলিক প্লেসগুলিতে পুরুষ এবং মহিলাদের আলাদা রাখার ব্যবস্থা এগুলিও শিথিল করেছে তারা। মহিলাদের গাড়ি চালানোর অনুমতিও দেওয়া হয়েছে। যে কোনও কনসার্টে যোগ দেওয়ার অনুমতিও দেওয়া হয়েছে মহিলাদের।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Maldives: ‘‘ভারতই মিত্র দেশ’’, যৌথ বিবৃতি জারি মলদ্বীপের দুই প্রধান দলের

    Maldives: ‘‘ভারতই মিত্র দেশ’’, যৌথ বিবৃতি জারি মলদ্বীপের দুই প্রধান দলের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দীর্ঘদিন ধরে ভারত ছিল তাদের ‘‘পরম মিত্র’’ দেশ। চিনপন্থী নেতা মহম্মদ মুইজ্জু ক্ষমতায় আসার পর তলানিতে ঠেকে ভারত-মলদ্বীপ (Maldives) সম্পর্ক। পুরানো বন্ধু-দেশের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে এবার সুর চড়াল দ্বীপরাষ্ট্রের প্রধান দুই রাজনৈতিক দল মলদ্বিভিয়ান ডেমক্রেটিক পার্টি ও ডেমোক্র্যাটস। যৌথ বিবৃতিতে এই দুই বিরোধী দলের তরফে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, ভারত মলদ্বীপের দীর্ঘদিনের পরম মিত্র।

    পরম মিত্র ভারত

    ভারত-মলদ্বীপের সম্পর্ক আক্ষরিক অর্থেই ছিল পরম মিত্রের মতো। গত নির্বাচনে মলদ্বীপের ক্ষমতায় আসে মুইজ্জু সরকার। তার পর থেকেই চড়তে থাকে মলদ্বীপ-চিনের সখ্যের পারা। প্রত্যাশিতভাবেই আলগা হতে থাকে ভারত-মলদ্বীপ সম্পর্কের বাঁধন। এই বাঁধন ছিন্ন হয়ে যায় সম্প্রতি একটি ঘটনাকে ঘিরে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির প্রতি অবমাননাকর মন্তব্য করেন মলদ্বীপের তিন মন্ত্রী। ঘরে-বাইরে চাপের মুখে পড়ে সাসপেন্ড করা হয় ওই মন্ত্রীদের। তার পরেও অবশ্য উন্নতি হয়নি নয়াদিল্লি-মালের সম্পর্কের।

    চিনা চর জাহাজকে স্বাগত

    সম্পর্কের এই আবহে ঘৃতাহুতি দেয় চিনা চর জাহাজকে মুইজ্জু সরকারের (Maldives) স্বাগত জানানোকে কেন্দ্র করে। ভারত মহাসাগরে নোঙর করবে জাহাজটি। এরই কিছুদিন আগে চিন সফরে গিয়ে বেজিংকে বন্ধু বলে ঘোষণা করেছিলেন মুইজ্জু স্বয়ং। চিনপন্থী মুইজ্জু সরকারের ভারত-বিরোধী এহেন অবস্থান মেনে নেয়নি মলদ্বীপের বিরোধী দলগুলি। দেশের প্রধান দুই রাজনৈতিক দল ভারতকেই পুরানো বন্ধু বলে উল্লেখ করে যৌথ বিবৃতি দেয়। মুইজ্জু সরকার চিনা গুপ্তচর জাহাজকে স্বাগত জানানোয়ও উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ওই দুই রাজনৈতিক দল।

    আরও পড়ুুন: বকেয়া ডিএ, চলছে আমরণ অনশন, রাজ্যপালকে হস্তক্ষেপের আর্জি শুভেন্দুর

    দ্বীপরাষ্ট্রের দীর্ঘদিনের একটি প্রথা ছিল, যিনি প্রেসিডেন্ট পদে জয়ী হবেন, তিনি প্রথমে সফর করবেন পরম মিত্র দেশ ভারতে। সেই প্রথা ভেঙে মুইজ্জু সফর করেন তুরস্কে। এনিয়েও ক্ষুব্ধ বিরোধীরা। যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বর্তমান প্রশাসন ভারত-বিরোধী অবস্থান নিচ্ছে। তবে এমডিপি এবং দ্য ডেমোক্র্যাটস বিশ্বাস করে, দেশের দীর্ঘমেয়াদি উন্নতিতে দীর্ঘ পুরানো মিত্র দেশ ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের উন্নতিতে। নয়াদিল্লি-মালে সম্পর্কের উন্নতিতে এদিন বারংবার জোর দিয়েছেন এমডিপির চেয়ারপার্সন ফৈয়জ ইসমাইল, পার্লামেন্টের ডেপুটি স্পিকার আহমেদ সালিম, ডেমক্র্যাটস পার্টির প্রেসিডেন্ট হাসান লতিফ এবং পার্লামেন্টারি গ্রুপ লিডার আলি আজিম (Maldives)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Russian Plane Crash: ৬৫ ইউক্রেনীয় যুদ্ধ বন্দিদের নিয়ে ভেঙে পড়ল রুশ বিমান, মৃত ৭৪ 

    Russian Plane Crash: ৬৫ ইউক্রেনীয় যুদ্ধ বন্দিদের নিয়ে ভেঙে পড়ল রুশ বিমান, মৃত ৭৪ 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বড় ধরনের দুর্ঘটনার মুখে পড়ল রাশিয়ার (Russian plane crash) এক সামরিক বিমান। বুধবার, ইউক্রেনের ৬৫ জন যুদ্ধ বন্দিকে নিয়ে রাশিয়ায় ভেঙে পড়ল যুদ্ধ বিমান৷ রাশিয়ার বেলগোরদে সীমান্ত লাগোয়া এলাকায় ঘটা এই দুর্ঘটনায় বিমানে থাকা ৭৪ জনেরই মৃত্যু হয়েছে৷ রুশ সরকার জানিয়েছে,স্থানীয় সময় সকাল ১১টা নাগাদ ওই যুদ্ধ বিমানটি ভেঙে পড়ে৷ ভেঙে পড়ার সঙ্গে সঙ্গেই আইএল ৭৬ যুদ্ধ বিমানটিতে আগুন ধরে যায়৷ বিমানে থাকা প্রত্যেক যাত্রীরই মৃত্যু হয়েছে।

    দুর্ঘটনার কারণ ঘিরে রহস্য

    ইউক্রেনের সঙ্গে যুদ্ধ বন্দি বিনিময় হওয়ার কথা ছিল রাশিয়ার (Russian plane crash)৷ সেই কারণেই ৬৫ জন বন্দিকে উড়িয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল৷ রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রক জানিয়েছে, ইউক্রেনের ৬৫ জন সেনা ছাড়াও ওই বিমানে আরও ৯ জন বিমানকর্মী ছিলেন৷ ঠিক কী কারণে বিমানটি ভেঙে পড়ল, তা এখনও জানা যায়নি। বিমানটিতে যুদ্ধবন্দিদের নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল বলে রাশিয়া দাবি করলেও, ইউক্রেনের স্থানীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, ওই যুদ্ধবিমানে করে মিসাইল নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল৷ বিমানে কোনও যুদ্ধবন্দি ছিল না৷ সেই কারণেই ইউক্রেন সেনা ওই রুশ যুদ্ধবিমানটিকে ধ্বংস করে দেয়৷ রাশিয়ার সংসদের স্পিকার ভ্যাচেল্যাভ ভোলোদিন অবশ্য অভিযোগ করেছেন, ইউক্রেন তাদের নিজেদের সেনাদেরই হত্যা করেছে৷ রাশিয়ার একটি তদন্তকারী দল এবং একটি জরুরী পরিষেবা দল ঘটনাস্থলে গিয়েছে। 

    আরও পড়ুন: মোদির সঙ্গে পিঙ্ক সিটি ঘুরে দেখবেন ম্যাক্রোঁ, বৃহস্পতিবার ভারত আসছেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট

    ভাইরাল ভিডিও

    সোশ্যাল মিডিয়ায় দুর্ঘটনার (Russian plane crash) বেশ কয়েকটি ভিডিয়ো ছড়িয়ে পড়েছে। ঘটনাটি বেলগোরোদের ইয়াবলোনোভো গ্রামের কাছে ঘটেছে বলে জানা গিয়েছে। ভিডিয়োগুলিতে দেখা যাচ্ছে, ওই এলাকা পুরো বরফের চাদরে ঢাকা। আকাশে দেখা যায়, একটি বিমান ক্রমশ নীচে নেমে আসছে। তারপর, প্রচন্ড বিস্ফোরণের সঙ্গে দিগন্তে দেখা যায় একটি আগুনের গোলা।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • International Day Of Education: আজ আন্তর্জাতিক শিক্ষা দিবস, কেন পালন করা হয় দিনটি জানেন?

    International Day Of Education: আজ আন্তর্জাতিক শিক্ষা দিবস, কেন পালন করা হয় দিনটি জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ ২৪ জানুয়ারি, বুধবার। আন্তর্জাতিক শিক্ষা দিবস (International Day Of Education)। এ বছরের থিম, ‘শান্তি বজায় রাখার জন্য শিক্ষা’। গত ছ’ বছর ধরে যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হয়ে আসছে আন্তর্জাতিক শিক্ষা দিবস। তামাম বিশ্বের ২০০ কোটি মানুষ বাস করেন দাঙ্গা দীর্ণ এলাকায়। বিশেষত তাঁদের জন্যই এবার বেছে নেওয়া হয়েছে এই থিম।

    ‘সেভ দ্য চিলড্রেন’

    দাঙ্গা কিংবা অন্য কোনও কারণে যেসব শিশু শিক্ষার পথ মাড়ায়নি কিংবা মাড়ানোর সুযোগ পায়নি, তাদের জন্য কাজ করে ‘সেভ দ্য চিলড্রেন’। কত শিশু তাদের নিজেদের পরিচয় জানে না। কত শিশুর নেই স্থায়ী ঠিকানা। এই সব শিশুরাও বঞ্চিত শিক্ষার অমৃতমধুর স্বাদ থেকে। সারা বিশ্বেই শিক্ষার অধিকার একটি মৌলিক অধিকার হিসেবে স্বীকৃত। শিক্ষাকে যাতে প্রত্যেকে কাছে পৌঁছে দেওয়া যায়, তার চেষ্টা করা উচিত আমাদের সবারই। বিশেষজ্ঞদের মতে, শিক্ষা (International Day Of Education) একটি টুল, যার সাহায্যে পৃথিবীর অনেক সমস্যারই সমাধান করা যায়। দূর করা যায় দারিদ্র, অসাম্যের মতো জ্বলন্ত সমস্যাও। শিক্ষার গুরুত্ব বোঝাতেই ফি বছর বিশ্বজুড়ে পালন করা হয় আন্তর্জাতিক শিক্ষা দিবস।

    আন্তর্জাতিক শিক্ষা দিবস

    শিক্ষার গুরুত্ব উপলব্ধি করে ২০১৮ সালে ২৪ জানুয়ারি দিনটিকে আন্তর্জাতিক শিক্ষা দিবস হিসেবে ঘোষণা করে রাষ্ট্রসংঘ। শিক্ষার গুরুত্ব অনুধাবন করেছিল যে ৫৯টি দেশ, তাদের সিদ্ধান্ত মেনে নিয়ে কেবল শিক্ষার জন্য আস্ত একটা দিন বেছে নেয় রাষ্ট্রসংঘ। তার পরেই ২৪ জানুয়ারিকে আন্তর্জাতিক শিক্ষা দিবস হিসেবে পালনের কথা ঘোষণা করে রাষ্ট্রসংঘ। তার পর থেকে গোটা বিশ্বেই পালিত হচ্ছে দিনটি। এদিন বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে আন্তর্জাতিক শিক্ষা দিবসের চলতি বছরের থিমের ওপর হচ্ছে আলোচনা। নিউইয়র্কে রাষ্ট্রসংঘের সদর দফতরেও বসেছে আলোচনা সভা। আলোচনার বিষয়বস্তু, ‘নিজের, অন্যের এবং এই গ্রহের ওপর খেয়াল রাখার জন্যই শিক্ষা’।

    আরও পড়ুুন: ২৫ জানুয়ারি উত্তরপ্রদেশ থেকে লোকসভা ভোটের প্রচার শুরু করছেন মোদি

    কেন বেছে নেওয়া হল ‘শান্তি বজায় রাখার জন্য শিক্ষা’র মতো থিম? জানা গিয়েছে, বর্তমান বিশ্ব জর্জরিত নানা দ্বন্দ্বে, বৈষম্য-ঘৃণা ভাষণে। এই দ্বন্দ্ব-বৈষম্য-ঘৃণা ভাষণ দূর করতে প্রয়োজন শিক্ষার। একমাত্র শিক্ষাই দেখাতে পারে স্থায়ী শান্তির পথ। সেই কারণেই বেছে নেওয়া হয়েছে এমন একটি থিম (International Day Of Education)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     

     

LinkedIn
Share